যোগীরাজ্যে বাংলার তরুণী পুলিশের হেনস্থা: কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ
Y বাংলা নিউজ ডিজিটাল ডেস্ক — সুবিচারের আশায় থানায় গিয়েও অভিযোগ গ্রহণে গড়িমসি, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী যোগীকে চিঠি
সুবিচারের আশায় থানায় গিয়ে পুলিশি হেনস্থা— বাংলার তরুণী বাধ্য হয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দ্বারস্থ
উত্তরপ্রদেশের কাটকা থানায় গিয়ে আরও একবার সরকার ও পুলিশের ওপর প্রশ্ন উঠে— দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুরের এক তরুণী জেলা পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়েরের চেষ্টা করলে অভিযোগ করা হচ্ছে, তাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে হেনস্থা করা হয় এবং এফআইআর নথিভুক্ত করা থেকে বিরত রাখা হয়। বহুবার জেলা স্তর ও মহকুমা পর্যায়ে বিচার দাবির পরও ন্যায় না পেয়ে ওই তরুণী শেষরক্ষা অংশ হিসেবে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রামদাস আতাওয়ালের কাছে অভিযোগ জানান।
ঘটনার মূল কাহিনি
পুলিশি জটিলতায় পড়া ওই তরুণী কিছুদিন যাবৎ উত্তরপ্রদেশে ছিলেন। শহরে কোনো অপ্রিয় ঘটনার সম্মুখীন হয়ে তিনি কাটকা থানায় গিয়ে প্রতিকার চাইতে যান। অভিযোগ অনুযায়ী, থানা কর্তৃপক্ষ এফআইআর দ্রুত নথিভুক্ত করেনি এবং একজন পুলিশ অফিসার অশ্লীল আচরণ ও হেনস্থার অভিযোগের শিকার করেন তাঁকে। পরে তিনি জেলা পুলিশ সুপার ও মহকুমা অফিসারের দ্বারস্থ হলেও কার্যকর সহযোগিতা না পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দ্বারস্থ হন।
কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর প্রতিক্রিয়া
রামদাস আতাওয়াল সংক্ষিপ্তভাবে বিষয়টি শুনে অবিলম্বে মুখ্যমন্ত্রীকে বিষয়টি জানানোর সিদ্ধান্ত নেন। চিঠিতে দ্রুত এবং স্বচ্ছ তদন্তের নির্দেশ চাওয়া হয়েছে, পাশাপাশি ভুক্তভোগীর নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচারের জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করা হয়েছে।
- ভুক্তভোগী: দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুরের এক তরুণী (বর্তমানে উত্তরপ্রদেশে থাকা)
- স্থান: আম্বেদকর নগর, কাটকা থানা
- প্রধান অভিযোগ: এফআইআর না হওয়া, থানার কর্মচারীর দ্বারা হেনস্থা
- প্রাপ্ত প্রতিক্রিয়া: কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রামদাস আতাওয়াল যোগীকে চিঠি
রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রভাব
ঘটনার প্রেক্ষিতে ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকারের ভূমিকা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে— কেন্দ্র ও রাজ্য একই রাজনৈতিক শাসক হওয়া সত্ত্বেও সাধারণ নাগরিকের ন্যায়বিচার কি নিশ্চিত হচ্ছে? নারী সুরক্ষা নিয়ে সরকার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, সেটার সঙ্গে বাস্তব ঘটনা মিলছে কি না— এই ধরনের প্রশ্ন এখন তীব্রভাবে উঠছে। বিরোধীরা ঘটনাটিকে বড় করে তুলে ধরে বলছে, নামমাত্র প্রতিশ্রুতির পেছনে বাস্তবে দায়িত্ব সবদিক থেকে অনিয়ম রয়েছে।
আইন-ব্যবস্থা ও পুলিশের ভূমিকা
আইনি বিশেষজ্ঞরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন— থানায় অভিযোগের প্রাথমিক গ্রহণ ও এফআইআর রেকর্ড করা অপরিহার্য। ভুক্তভোগীর নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা পুলিশের নৈতিক ও আইনগত কর্তব্য। যদি থানার কোনো কর্মচারী দ্বারা তোষামোদ, অবহেলা বা হেনস্থার ঘটনা ঘটেও থাকে, তবে তা তত্ক্ষণাৎ তদন্ত হওয়া উচিত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
পরবর্তী করণীয়
কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর চিঠির পর কি পদক্ষেপ নেওয়া হবে— তা মনোযোগের বিন্দু। যোগী প্রশাসন তদন্ত করে অভিযোগের দ্রুত নিষ্পত্তির বিষয়ে পদক্ষেপ করলে রাজনৈতিক চাপ কমবে; নতুবা এ ঘটনা দীর্ঘ সময় ধরে বিতর্কের উৎস হয়ে থাকবে এবং নারীর নিরাপত্তা নিয়ে জনআঞ্চলিক ক্ষোভ বাড়বে।
📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন
📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।
👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন
📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।
👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে








0 comments:
Post a Comment
আপনার মতামত এর জন্য আপনাকে ধন্যবাদ 👇
👉 যদি মনে হয় বিষয়টা গুরুত্বপূর্ণ, পোস্টটি শেয়ার করুন 🔄নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন