স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্ক খুড়তুতো ভাইয়ের — বদলা নিতে খুন করলেন স্বামী, ১০ ফুট গভীর গর্তে পুঁতলেন
নাগৌর (রাজস্থান) — গণেশ পুজোতে ডেকে এনে লোহার রডে মুকেশকে পিটিয়ে হত্যা, পরে বুলডোজারে খোঁড়া ১০ ফুট গর্তে দাফন
নাগৌরের ভাওয়ান্দা থানার তদন্তে— অভিযুক্ত স্বামী স্বীকার করলেন খুন
রাজস্থানের নাগৌর জেলার ভাওয়ান্দা থানার পুলিশ জানিয়েছে, ২৯ বছর বয়সী সোহানরাম ২৭ অগাস্ট নিজ খুড়তুতো ভাই মুকেশ গালওয়াকে নৃশংসভাবে খুন করার কথা স্বীকার করেছেন। পুলিশের দাবি অনুযায়ী, অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে— সোহানরাম আশা করতেন, শত্রুতা মিটে যাবে; কিন্তু স্ত্রীর সঙ্গে মুকেশের সম্পর্কের সন্দেহ ছাড়া তার মাথায় যে পরিকল্পিত প্রতিশোধ হবে, সে কথা কেউ কল্পনাও করেনি। আরো খবর পড়ুন,সনাতন ধর্ম নিয়ে রসিকতা
ঘটনার ধরণ ও তদন্তের অগ্রগতি
পুলিশি বিবরণ অনুযায়ী, মুকেশ প্রথমে দাদার পাঠানো আমন্ত্রণ পেয়ে ঘটনাস্থলে আসেন। পরে সোহানরাম ছল করে মুকেশকে সেখানে থেকে নিয়ে যান। স্থানীয়রা জানান, অনুষ্ঠান শেষে রাতে মুকেশ ভীরুচারণা গোছের ভিড়ে দুরে চলে যান— এরপর সোহানরামের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়। পরদিন কয়েকটি সন্দেহজনক চিহ্ন ও মাটির ডিঙার কাজের কারণে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।
ভাওয়ান্দা থানার আধিকারিকরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং বুলডোজারের চিহ্ন, তাজা মাটি ও আশপাশের পাথরের বিন্যাস দেখে সন্দেহ বাড়ে। অভিযুক্ত সোহানরামকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি ঘটনার দায় স্বীকার করেন— পুলিশ বলেছে, তিনি মৃতদেহ স্থানীয় মন্দির থেকে প্রায় ৬০০–৭০০ মিটার দূরে নিজের খনির জায়গায় গিয়ে দাফন করেছেন এবং পরে সেই জায়গা বালি ও ছোট পাথর দিয়ে ঢেকে দিয়েছেন।
প্রাথমিক অভিযোগের সারাংশ
- আচরণ: সোহানরাম মুকেশকে গণেশ পুজোর আমন্ত্রণের মাধ্যমে ডেকেছিলেন।
- হত্যার মাধ্যম: লোহার রড দিয়ে মাথায় আঘাত।
- দাফন পদ্ধতি: বুলডোজার ব্যবহার করে ১০ ফুট গভীর গর্ত খোঁড়া এবং মৃতদেহ পুঁতে দেওয়া।
- অবস্থান: মৃতদেহ স্থানীয় মন্দির থেকে প্রায় ৬০০–৭০০ মিটার দূরে খনির জায়গায়।
পারিবারিক ও সামাজিক প্রতিক্রিয়া
গ্রামবাসী ও নিহতের আত্মীয়রাও হতবাক ও বিব্রত। অনেকেই বলছেন— এমন নিষ্ঠুরতা পূর্বে কোনো রেকর্ডে দেখা যায়নি। পরিবারের সদস্যরা এখন শোক ও ভয়ে ভুগছেন। স্থানীয় নেতারা পুলিশি তদন্তের দ্রুততার প্রশংসা করেছেন তবে তারা চেয়েছেন— বিচারের মাধ্যমে দোষীদের উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করা হোক যাতে ভবিষ্যতে এ রকম সংঘটিত কাণ্ড রোধ করা যায়।
পুলিশি বক্তব্য ও ভবিষ্যৎ ব্যবস্থা
ভাওয়ান্দা থানার অফিসার ইন-চার্জ জানান— ঘটনার তদন্ত চলছে। ফরেনসিক টিমের সাহায্যে মৃতদেহ পরীক্ষা, মৃতদেহ উদ্ধারের প্রক্রিয়া এবং খোঁড়া গর্ত থেকে সংগ্রহ করা উপাদান পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে। এছাড়া অভিযুক্তের উক্তি, ঘটনার সময়ে মোবাইল ট্র্যাকিং ও প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ানও সংগ্রহ করা হচ্ছে। আইনানুগ প্রক্রিয়ায় হত্যার বিচার করা হবে বলে তারা নিশ্চিত করেছেন।
📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন
📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।
👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে








0 comments:
Post a Comment
আপনার মতামত এর জন্য আপনাকে ধন্যবাদ 👇
👉 যদি মনে হয় বিষয়টা গুরুত্বপূর্ণ, পোস্টটি শেয়ার করুন 🔄নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন