Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Tuesday, 9 September 2025

এনডিএর জয়ের পথে সিপি রাধাকৃষ্ণণ

উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচন ২০২৫: এনডিএর জয়ের পথে সিপি রাধাকৃষ্ণণ | Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক

উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচন ২০২৫: এনডিএর জয়ের পথে সিপি রাধাকৃষ্ণণ

Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক: আজ (মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দেশের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক নির্বাচন—ভারতের উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচন। এই নির্বাচনে ক্ষমতাসীন এনডিএ জোটের প্রার্থী মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন রাজ্যপাল সি.পি. রাধাকৃষ্ণণ এবং বিরোধী ভারতীয় জোট ‘ইন্ডিয়া ব্লক’-এর যৌথ প্রার্থী, সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি বি সুদর্শন রেড্ডি-এর মধ্যে সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে। সংসদের দুই কক্ষে—লোকসভা ও রাজ্যসভায়—মোট ৭৮১ জন বর্তমান সদস্য এই নির্বাচনে ভোট দেওয়ার যোগ্য বলে গণ্য হয়েছেন।

ভোটগ্রহণ ও গণনা

নতুন সংসদ ভবনে আজ সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এরপর সন্ধ্যা ৬টা থেকে ভোট গণনা শুরু হবে এবং রাতের মধ্যেই ফলাফল ঘোষণা করা হতে পারে। লোকসভায় বর্তমান ৫৪২ জন সদস্য এবং রাজ্যসভায় ২৩৯ জন সদস্য ভোট দেবেন। তবে ওড়িশার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়েকের দল বিজু জনতা দল (বিজেডি) এবং তেলঙ্গানার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাওয়ের দল ভারত রাষ্ট্র সমিতি (বিআরএস) ভোটদান থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাশাপাশি পঞ্জাবের শিরোমণি অকালি দল (এসএডি)-এর তিনজন সদস্যও ভোটে অংশ নিচ্ছেন না। এই তিন দল ভোটদান থেকে দূরে থাকার ফলে মোট ভোটদানের সংখ্যা কমে দাঁড়াবে ৭৬৭ এবং ম্যাজিক ফিগার হবে ৩৮৪ ভোট।

রাজনৈতিক সমীকরণ: এনডিএর শক্তি কোথায়?

লোকসভায় এনডিএর ২৯৩ জন এবং রাজ্যসভায় ১২৯ জন সদস্যসহ মোট ৪২৫ জন সাংসদ রয়েছেন। এছাড়া মনোনীত সদস্যদের সমর্থন মিলিয়ে সংখ্যাটি আরও বাড়তে পারে। একই সঙ্গে অন্ধ্রপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জগনমোহন রেড্ডির দল ওয়াইএসআর কংগ্রেস-এর ১১ জন সাংসদ সরকারপন্থী অবস্থান নিয়েছেন। ফলে এনডিএর জয়ের সম্ভাবনা প্রায় নিশ্চিত বলে রাজনৈতিক মহলে ধারণা করা হচ্ছে।

অন্যদিকে বিরোধী ইন্ডিয়া ব্লকের সাংসদ সংখ্যা ৩২৪। ফলে তারা সংখ্যা গণিতে অনেক পিছিয়ে পড়েছে। তবে ভোটদানে ক্রস ভোটিং হলে পরিস্থিতি কিছুটা পাল্টাতে পারে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ আশঙ্কা করছেন।

বিজেডি, বিআরএস এবং এসএডির অবস্থান

বিজেডি এবং বিআরএস উভয়ই ঘোষণা করেছে যে তারা এই নির্বাচন থেকে নিজেদের দূরে রাখবে। কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, তারা কেন্দ্রের যে কোনও পক্ষের সঙ্গে যুক্ত নয় এবং নিজেদের আঞ্চলিক রাজনৈতিক অবস্থান অক্ষুণ্ণ রাখতে চায়। অন্যদিকে এসএডি-ও ভোটদানে অংশ না নিয়ে নিরপেক্ষ অবস্থান নিয়েছে। ফলে এই তিন দলের ভোটদান থেকে বিরত থাকা এনডিএ প্রার্থীর জয়কে আরও নিশ্চিত করছে।

বিরোধী শিবিরের চ্যালেঞ্জ

বিরোধী জোটের প্রার্থী বি সুদর্শন রেড্ডিকে সমর্থন দিয়েছেন হায়দরাবাদের সাংসদ আসাদউদ্দিন ওয়াইসি। তবুও সংখ্যাগরিষ্ঠতা এবং রাজনৈতিক সমীকরণে বিরোধী শিবির পিছিয়ে। তাদের প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো, সরকারপন্থী সাংসদদের ক্রস ভোটিংয়ে আকৃষ্ট করতে পারা। বিশেষ করে, বিজেপির অভ্যন্তরে সম্ভাব্য অসন্তোষ এবং আঞ্চলিক দলগুলির নিরপেক্ষ অবস্থান তাদের জন্য বড় বাধা।

আজকের নির্বাচনের প্রভাব

এই নির্বাচন শুধু উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনেই সীমাবদ্ধ নয়। এটি কেন্দ্রের শাসক দলের স্থায়িত্ব, সংখ্যাগরিষ্ঠতা এবং আগামী নির্বাচনের কৌশল নিয়ে বড় বার্তা দিতে পারে। এনডিএর শক্তি বজায় থাকলেও বিরোধীদের চ্যালেঞ্জ এবং আঞ্চলিক দলগুলির নিরপেক্ষ অবস্থান ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই নির্বাচন বিজেপির অভ্যন্তরীণ মতভেদের সূচক হিসেবেও দেখা হবে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

নেপালে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর সোশাল মিডিয়া নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার

নেপালের সোশাল মিডিয়া নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার

নেপালে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর সোশাল মিডিয়া নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার

Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক: নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডু ও অন্যান্য অঞ্চলে গত কয়েকদিন ধরে চলতে থাকা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে অন্তত ২১ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এই পরিস্থিতির মধ্যে চাপের মুখে অবশেষে মাথানত করল কেপি শর্মা ওলি নেতৃত্বাধীন নেপাল সরকার। সোমবার রাতে জরুরি ভিত্তিতে মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর সরকার সোশাল মিডিয়ায় আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নেপালের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী পৃথ্বী সুব্বা গুরুং রাতেই জানান, দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে এবং নাগরিকদের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নিষেধাজ্ঞার ফলে নেপালের নাগরিকরা যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্মগুলো ব্যবহার করতে পারছিলেন না। ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছিল। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম যেমন ফেসবুক, টুইটার এবং ইনস্টাগ্রামে প্রবেশ বন্ধ থাকায় দেশের নাগরিক সমাজ নিজেদের বক্তব্য প্রকাশে ব্যর্থ হচ্ছিল। এই নিষেধাজ্ঞাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন ও আন্তর্জাতিক মহল মতপ্রকাশের স্বাধীনতা খর্ব করার জন্য সরকারের সমালোচনা করে। অবশেষে সরকারের চাপের মুখে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ।

তবে সোশাল মিডিয়ায় প্রবেশের সুযোগ ফিরে পেলেও নেপালের তরুণ প্রজন্ম তাদের আন্দোলনের ডাক অব্যাহত রেখেছে। তারা দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি এবং প্রশাসনিক ব্যর্থতার বিরুদ্ধে কঠোরভাবে আওয়াজ তুলেছে। রাজধানী কাঠমান্ডুসহ বিভিন্ন স্থানে তরুণরা শান্তিপূর্ণ সমাবেশ ও প্রতিবাদ কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের দাবি, শুধু যোগাযোগের অধিকার ফিরিয়ে দিলেই চলবে না, সরকারের দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই সংকট নেপালের রাজনৈতিক অস্থিরতা আরও বাড়াতে পারে। ওলি সরকারের প্রতি আস্থাহীনতা আগে থেকেই ছিল। সাম্প্রতিক সংঘর্ষ ও মৃত্যু পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে। দেশটির অর্থনৈতিক সংকট এবং প্রশাসনিক দুর্বলতা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই প্রশ্ন উঠছিল। এখন সোশাল মিডিয়ার নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের ঘটনায় সরকারের প্রতি জনমতের চাপ স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

মন্ত্রিসভার বৈঠকে সরকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা বিবেচনা করেছে। জরুরি চিকিৎসা পরিষেবা নিশ্চিত করা, সংঘর্ষ-পীড়িত অঞ্চলে নিরাপত্তা জোরদার করা এবং নাগরিকদের মৌলিক অধিকার রক্ষায় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। তবে রাজনৈতিক বিরোধীরা এটিকে সাময়িক ব্যবস্থা বলে দাবি করেছেন। তাদের মতে, প্রশাসনিক সংস্কার এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে দৃঢ় পদক্ষেপ না নিলে পরিস্থিতির উন্নতি হবে না।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সোশাল মিডিয়া নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত শুধু একটি প্রযুক্তিগত পরিবর্তন নয়, বরং সরকারের প্রতি জনমতের চাপের প্রতিফলন। এতে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে যে নাগরিকরা মত প্রকাশের স্বাধীনতা ছাড়া কোনো গণতান্ত্রিক পরিবেশ কল্পনা করতে পারেন না। পাশাপাশি, তরুণ প্রজন্মের ভূমিকা নেপালের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক চিত্র নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।

নেপালের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে আন্তর্জাতিক মহল। মানবাধিকার সংস্থাগুলো নাগরিক অধিকার সংরক্ষণে সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। একই সঙ্গে দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিবেশী দেশগুলিও পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে। বিশেষ করে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং রাজনৈতিক সমঝোতা রক্ষায় সবাই সমর্থনের কথা জানিয়েছে।

পরিস্থিতির গভীরতা বোঝাতে রাজধানীর স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, গত কয়েকদিনের সংঘর্ষে ব্যবসায়ী, ছাত্র এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা থমকে গেছে। জরুরি পরিষেবা ব্যাহত হওয়ায় হাসপাতাল ও পরিবহন ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়েছে। এখন নাগরিকরা আশা করছেন, প্রশাসন দ্রুত পরিস্থিতি সামাল দেবে এবং শান্তি ফেরাবে।

সব মিলিয়ে, নেপালে সোশাল মিডিয়া নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়। সরকারের সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক চাপ ও জনমতের প্রভাব স্পষ্ট করেছে। আগামী দিনগুলোতে এই সংকট সমাধানের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে কি না, সেটাই এখন নজরে রাখছে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও দেশের নাগরিকরা।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

উপ-রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ঘিরে দিল্লির রাজনীতি সরগরম: এনডিএ বনাম ইন্ডিয়া ব্লক

উপ-রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ঘিরে দিল্লির রাজনীতি সরগরম: এনডিএ বনাম ইন্ডিয়া ব্লক

উপ-রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ঘিরে দিল্লির রাজনীতি সরগরম: এনডিএ বনাম ইন্ডিয়া ব্লক

নয়াদিল্লি: মঙ্গলবার উপ-রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। দিল্লির রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ এবং বিরোধী ‘ইন্ডিয়া ব্লক’-এর মধ্যে প্রতিযোগিতা। এই নির্বাচন শুধু একটি পদে প্রার্থী নির্ধারণ নয়; এটি আগামী দিনের রাজনৈতিক সমীকরণ এবং সরকারের স্থায়িত্ব নিয়ে বড় আলোচনা তৈরি করেছে।

প্রার্থীদের পরিচিতি

এবারের নির্বাচনে এনডিএ-এর প্রার্থী হিসেবে মহারাষ্ট্রের রাজ্যপাল সি.পি. রাধাকৃষ্ণন ভোটযুদ্ধে নামছেন। তাঁর রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা এবং শাসক জোটের সমর্থন তাঁকে এগিয়ে রেখেছে। অন্যদিকে বিরোধী ইন্ডিয়া ব্লকের প্রার্থী হিসেবে সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি বি. সুদর্শন রেড্ডিকে বেছে নেওয়া হয়েছে। বিচার বিভাগীয় অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া

ভোটগ্রহণ শুরু হবে সকাল ১০টায় এবং চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। এতে অংশ নেবেন লোকসভার ৫৪২ জন সদস্য (একটি আসন খালি), রাজ্যসভার ২৩৩ জন নির্বাচিত সদস্য (৫টি আসন শূন্য) এবং ১২ জন মনোনীত সদস্য। সন্ধ্যা ৬টা থেকে শুরু হবে ভোট গণনা। নির্বাচনের এই পুরো প্রক্রিয়ায় কঠোর নিরাপত্তা ও পর্যবেক্ষণ রাখা হয়েছে যাতে নির্বাচন নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়।

সংখ্যার অঙ্ক ও জয়ের সম্ভাবনা

লোকসভায় বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএর ২৯৩ জনের সমর্থন রয়েছে। রাজ্যসভায় তাদের পাশে আছে ১২৯ জন সাংসদ। সব মিলিয়ে দুই কক্ষে তাদের সমর্থন ৭৮২ জনের মধ্যে ৪২২ জন। যেখানে জয় নিশ্চিত করতে প্রয়োজন মাত্র ৩৯৪ ভোট। ফলে আপাতভাবে রাধাকৃষ্ণনের জয় নিশ্চিত মনে হলেও, রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে ভোটের ব্যবধান নিয়ে।

ক্রস ভোটিংয়ের আতঙ্ক

রাজনীতির পর্যবেক্ষকদের একাংশ মনে করছেন, সংখ্যা গরিষ্ঠতা থাকা সত্ত্বেও বিজেপির শিবিরে এক ধরনের উদ্বেগ ছড়িয়েছে। কারণ হিসেবে উঠে এসেছে ভেতরের বিদ্রোহের সম্ভাবনা এবং ক্রস ভোটিং। জগদীপ ধনকড়কে সরিয়ে রাধাকৃষ্ণনকে আনায় যে কৌশল গ্রহণ করা হয়েছে, তা উল্টে বিরোধীদের হাতে রাজনৈতিক অস্ত্র হতে পারে। যদি কয়েকজন বিজেপি সাংসদ ক্রস ভোট করেন, তবে তা নরেন্দ্র মোদী নেতৃত্বাধীন শাসক জোটের জন্য বড় ধাক্কা হয়ে দাঁড়াবে।

রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে মোদী-শাহ জুটি

বিশেষজ্ঞদের মতে, বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব – নরেন্দ্র মোদী ও অমিত শাহ – ব্যক্তিগতভাবে সাংসদদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। কোথাও ফোন করছেন, কোথাও আবার ভোজসভা বা কর্মশালার মাধ্যমে সাংসদদের মনোবল বাড়ানোর চেষ্টা করছেন। সাধারণ নির্বাচনের পর এই প্রথম প্রধানমন্ত্রীকে এতটা সতর্ক অবস্থায় দেখা যাচ্ছে। ফলে এই নির্বাচন শুধু প্রতিদ্বন্দ্বিতা নয়; এটি শাসক জোটের স্থায়িত্ব এবং নেতৃত্বের উপর জনগণের আস্থার পরীক্ষাও বটে।

বিরোধীদের কৌশল

বিরোধী শিবিরের লক্ষ্য শুধু ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা নয়। তারা চায় শাসক জোটের মধ্যে দুর্বলতা প্রকাশ পেতে। সুদর্শন রেড্ডির প্রার্থী হওয়া নিয়ে অন্ধ্রপ্রদেশ এবং তেলেঙ্গানার সাংসদদের মধ্যে দ্বিধা তৈরি হয়েছে। যদিও তারা লক্ষ্য পূরণ করতে পারে, তবুও বিরোধী দলগুলো এই সুযোগে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করতে চায়। রাজনৈতিক মহলে আলোচনায় উঠছে যে, যদি বিরোধীরা সংখ্যায় কম হয় তবুও মনস্তাত্ত্বিক চাপ বাড়াতে সক্ষম হবে।

ফলাফল যাই হোক, গুরুত্বপূর্ণ

যে পক্ষই জয়ী হোক, এই নির্বাচন দেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এনডিএ যদি বড় ব্যবধানে জয় পায়, তবে শাসক জোটের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পাবে। অন্যদিকে বিরোধী শিবির যদি ভোটের ব্যবধান কমিয়ে আনে, তাহলে তা সরকারের অভ্যন্তরীণ বিভাজনের ইঙ্গিত হিসেবে গণ্য হবে। ফলে উপ-রাষ্ট্রপতি নির্বাচন রাজনৈতিক বার্তার দিক থেকেও বড় তাৎপর্য বহন করছে।

এই নির্বাচনের ফলাফলের দিকে তাকিয়ে রয়েছে দেশের রাজনৈতিক মহল, সাধারণ নাগরিক এবং আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা। সংখ্যা গরিষ্ঠতা থাকা সত্ত্বেও ক্রস ভোটিংয়ের আতঙ্ক, নেতৃত্বের দুর্বলতা এবং বিরোধী শিবিরের কৌশল – সব মিলিয়ে আজকের নির্বাচন হতে চলেছে ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচন: আজ নির্ধারিত হবে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পদাধিকারীর নাম

উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচন: আজ নির্ধারিত হবে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পদাধিকারীর নাম

উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচন: আজ নির্ধারিত হবে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পদাধিকারীর নাম

নয়াদিল্লি: ভারতের উপররাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে আজ রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রবল উত্তেজনা। মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে সংসদ ভবনে শুরু হচ্ছে ভোটগ্রহণ। বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলবে এই প্রক্রিয়া। এরপর সন্ধ্যা ৬টা থেকে ভোট গণনা শুরু হবে এবং রাতেই ঘোষণা করা হবে কে হচ্ছেন দেশের পরবর্তী উপরাষ্ট্রপতি।

ভোটের অঙ্ক NDA-র পক্ষে

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান সংসদের সংখ্যা গরিষ্ঠতা বিচার করলে NDA জোটের প্রার্থী সিপি রাধাকৃষ্ণনের জয় নিশ্চিত বলে মনে হচ্ছে। মহারাষ্ট্রের বর্তমান রাজ্যপাল সিপি রাধাকৃষ্ণন দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার অধিকারী। তাঁর পক্ষে শাসক জোটের সমর্থন যেমন শক্তিশালী, তেমনই আঞ্চলিক দলগুলোর মধ্যে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সমর্থন তাঁর পক্ষে রয়েছে। তবে ভোটের ব্যবধান কত হবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চলছে নানা হিসাব-নিকাশ।

সংসদে ভোটগ্রহণের পরিবেশ

ভোটগ্রহণের দিন সকাল থেকেই সংসদ ভবনের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত কক্ষে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হবে। নির্বাচনী কর্মকর্তারা পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নিয়েছেন যাতে সদস্যরা নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারেন। ভোটদাতাদের প্রবেশ, ভোট দেওয়ার প্রক্রিয়া এবং ভোট গণনার জন্য আলাদা আলাদা নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকেও স্বচ্ছতা বজায় রাখতে বাড়তি নজরদারি রাখা হয়েছে।

বিরোধী শিবিরের দৃষ্টি মার্জিনের দিকে

যদিও NDA-র পক্ষে জয়ের সম্ভাবনা বেশি, তবুও বিরোধী দলগুলো শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত নজর রাখছে ভোটের ব্যবধানের দিকে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, ব্যবধান যত কম হবে, বিরোধীরা তত বেশি রাজনৈতিক চাপ তৈরি করতে পারবে। বিরোধী নেতারা ভোট গণনার সময় নিজেদের উপস্থিতি বজায় রাখবেন বলে জানা গেছে। তাদের লক্ষ্য শুধু নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা নয়, বরং ভোটের ফলাফলের মাধ্যমে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করা।

উপরাষ্ট্রপতির সাংবিধানিক ভূমিকা

উপররাষ্ট্রপতি দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদ। তিনি রাজ্যসভার সভাপতি হিসেবে সংসদীয় কার্যক্রম পরিচালনা করেন। বিতর্কের সময়সূচি নির্ধারণ, আইন প্রণয়নের আলোচনায় শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সংসদীয় অধিবেশনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। এছাড়া দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় তাঁর ভূমিকা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ফলে এই নির্বাচনের ফলাফল কেবল একটি আনুষ্ঠানিক পদ পূরণের বিষয় নয়; এটি সংসদের কার্যক্রম এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক ভারসাম্য নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ।

ফলাফল ঘোষণা ও রাজনৈতিক প্রভাব

সন্ধ্যা ৬টা থেকে গণনা শুরু হলে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ফল প্রকাশ করা হবে। নির্বাচনের ফলাফল দেশের রাজনৈতিক মহলে আলোড়ন সৃষ্টি করতে পারে। NDA-র সমর্থকরা এই জয়কে স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের পথে এগোনোর সুযোগ হিসেবে দেখছেন। অন্যদিকে বিরোধী দলগুলো ভোটের ব্যবধান কম হলে নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান শক্তিশালী করার চেষ্টা করবে। গণমাধ্যমের আলোচনায় নির্বাচনের তাৎপর্য, সদস্যদের ভূমিকা এবং সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা চলছে।

নাগরিকদের প্রত্যাশা

সাধারণ নাগরিকেরা আজকের ভোটের দিকে বিশেষভাবে তাকিয়ে রয়েছেন। সংসদের স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা এবং দেশের উন্নয়নের জন্য একটি শক্তিশালী নেতৃত্বের প্রত্যাশা করছেন তাঁরা। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, নাগরিক সংগঠন এবং সামাজিক মাধ্যমে আলোচনা চলছে। ভোটের ফলাফল নিয়ে উদ্বেগ যেমন আছে, তেমনই আশাবাদও প্রবল। নাগরিকদের একাংশ মনে করছেন, এই নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের রাজনৈতিক পরিবেশ আরও সুসংহত হবে।

রাজনীতির ভবিষ্যৎ দিশা

এই নির্বাচন আগামী কয়েক বছরের রাজনৈতিক সমীকরণকে প্রভাবিত করতে পারে। NDA যদি বড় ব্যবধানে জয়লাভ করে, তাহলে শাসক জোটের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি বিরোধী দলগুলো নিজেদের সংগঠিত করতে নতুন কৌশল গ্রহণ করতে পারে। ফলে নির্বাচনের ফলাফল দেশের গণতান্ত্রিক কাঠামোর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হয়ে উঠবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি শুধু নির্বাচন নয়, বরং রাজনৈতিক দিশা নির্ধারণের এক বড় সুযোগ।

আজকের ভোটগ্রহণ এবং ফলাফল শুধু একটি সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার অংশ নয়; এটি ভারতের গণতান্ত্রিক ঐতিহ্য বজায় রাখার এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। রাতেই পরিষ্কার হয়ে যাবে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পদে কে বসবেন এবং তাঁর নেতৃত্বে সংসদীয় কার্যক্রম কোন পথে এগোবে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

Monday, 8 September 2025

জেরুসালেমে প্যালেস্টাইনি হামলা: মোদীর নিন্দা, ভারতের শূন্য সহনশীলতা নীতি

জেরুসালেমে প্যালেস্টাইনি হামলা: মোদীর নিন্দা, ভারতের শূন্য সহনশীলতা নীতি

জেরুসালেমে প্যালেস্টাইনি হামলা: মোদীর নিন্দা, ভারতের শূন্য সহনশীলতা নীতি

ইজরায়েলের জেরুসালেম শহরে সোমবার এক ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। প্যালেস্টাইনি দুই বন্দুকবাজের গুলিতে ছয়জন সাধারণ নাগরিক প্রাণ হারান। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। নিজের এক্স (পূর্বে টুইটার) হ্যান্ডলে তিনি লেখেন, “জেরুসালেমে আজ নিরীহ সাধারণ নাগরিকদের ওপর জঘন্য জঙ্গি হামলার তীব্র নিন্দা জানাই। আমরা নিহতদের পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানাই এবং আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করি। ভারত সব ধরনের সন্ত্রাসবাদের নিন্দা করে এবং সন্ত্রাসবাদের প্রতি শূন্য সহনশীলতার নীতিতে দৃঢ় থাকে।”

মোদী তাঁর বার্তায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি সহমর্মিতা জানান এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের পক্ষে ভারতের অবস্থান তুলে ধরেন। এই হামলার পর বিশ্বব্যাপী নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘদিনের সংঘাত আরও জটিল রূপ নিচ্ছে এবং নিরীহ মানুষের ওপর এর প্রতিক্রিয়া ভয়াবহ হতে পারে।

ভারতের পক্ষ থেকে এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় স্পষ্ট করা হয়েছে যে, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে দেশটি কঠোর অবস্থান গ্রহণ করবে। জাতীয় নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক শান্তির স্বার্থে ভারত এই ধরনের সহিংসতার বিরোধিতা করছে। এছাড়াও, ভারতের কূটনৈতিক মহল এই ঘটনার পর ইজরায়েলের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদারের দিকে নজর দিতে পারে বলে সূত্রের খবর।

বিশেষজ্ঞরা আরও বলছেন, জেরুসালেমের মতো স্পর্শকাতর শহরে এমন হামলা মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার গভীর সংকেত। পাশাপাশি এটি নিরাপত্তা ব্যবস্থার ঘাটতি ও রাজনৈতিক চাপে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছে। ভারত ইতিমধ্যেই সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে একাধিক আন্তর্জাতিক আলোচনায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে।

নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনার আলোকে ভারতের শূন্য সহনশীলতার নীতি আরও শক্তিশালী হবে। পাশাপাশি মোদীর প্রকাশিত বার্তা আন্তর্জাতিক মহলে ভারতের অবস্থান পরিষ্কার করছে। নিরাপত্তা ও শান্তির পক্ষে দৃঢ় নেতৃত্ব প্রদর্শনের মাধ্যমে ভারত বিশ্বে নিজের ভূমিকা আরও সুসংহত করতে চাইছে।

এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে রাজনৈতিক মহল এবং সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে শোক ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সহানুভূতি প্রকাশের পাশাপাশি নিরাপত্তা ও শান্তির বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

তথ্যসূত্র: বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম, কূটনৈতিক সূত্র এবং সরকারি বিবৃতি।

তেহট্টে ৯ বছরের শিশুকে শ্বাসরোধে খুন, গ্রামে গণপিটুনিতে ৩ গ্রেপ্তার

তেহট্টে ৯ বছরের শিশুকে শ্বাসরোধে খুন, গ্রামে গণপিটুনিতে ৩ গ্রেপ্তার

তেহট্টে ৯ বছরের শিশুকে শ্বাসরোধে খুন, গ্রামে গণপিটুনিতে ৩ গ্রেপ্তার

তেহট্টের নিশ্চিন্তপুর গ্রামে এক হৃদয়বিদারক ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ৯ বছরের শিশুটি, স্বর্ণাভ বিশ্বাস, নিখোঁজ থাকার পর বাড়ির পেছনের ডোবা থেকে উদ্ধার হয়েছে তার নিথর দেহ। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, প্রতিবেশী উৎপল মণ্ডলের বাড়িতেই এই শ্বাসরোধ করে খুনের ঘটনা ঘটেছে। তবে মূল অপরাধী কে, তা এখনও পরিষ্কার নয়। ফরেন্সিক রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছে পুলিশ।

ঘটনাপ্রবাহ: কীভাবে ঘটল এই মর্মান্তিক ঘটনা?

৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় স্বর্ণাভ বিশ্বাসের পরিবার নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগ দায়ের করে। রাতভর তল্লাশি করেও কোনও সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরের দিন ভোর ৫টা থেকে সাড়ে ৫টার মধ্যে বাড়ির পেছনের ডোবা থেকে শিশুটির মৃতদেহ উদ্ধার হয়। এই ঘটনায় সন্দেহের আঙুল ওঠে প্রতিবেশী উৎপল মণ্ডলের দিকে। গ্রামবাসীরা ক্ষোভে বাড়ি ঘেরাও করেন এবং আগুন ধরিয়ে দেন। গণপিটুনিতে উৎপল ও তার স্ত্রী সোমার মৃত্যু হয়। তাদের সঙ্গে আরও এক ব্যক্তি গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

পুলিশের তদন্ত ও ফরেন্সিক রিপোর্টের অপেক্ষা

তেহট্টের এসডিপিও শুভতোষ সরকার জানিয়েছেন, “পুলিশ সবরকম চেষ্টা করেছিল। কিন্তু গ্রামবাসীদের বাধার মুখে পড়তে হয়েছে। ফায়ার ব্রিগেডকেও ঘটনাস্থলে ঢুকতে দেওয়া হয়নি।” তিনি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে উৎপল মণ্ডলের বাড়িকেই ঘটনাস্থল হিসেবে চিহ্নিত করা হলেও, ফরেন্সিক রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না।

গণপিটুনির চিত্র

স্বর্ণাভের দেহ উদ্ধারের পর গ্রামে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা উৎপল, তার স্ত্রী সোমা ও উৎপলের বৌদিকে পুজোর মণ্ডপে নিয়ে গণপিটুনি চালায়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তিন জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলেও ততক্ষণে উৎপল ও সোমার মৃত্যু হয়েছে। আহত ব্যক্তির চিকিৎসা চলছে। পুলিশ সুয়োমোটো মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে এবং আরও কয়েকজনের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে।

সামাজিক প্রতিক্রিয়া ও উদ্বেগ

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন গণমাধ্যমে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে গ্রামবাসীদের ক্ষোভ, শিশু হত্যার নিন্দা এবং পুলিশের ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক তীব্র হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গ্রামীণ এলাকায় আইনশৃঙ্খলার অভাব এবং দ্রুত বিচার না হওয়ার কারণে জনরোষ সৃষ্টি হচ্ছে। একই সঙ্গে শিশু নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের আরও কার্যকর পদক্ষেপের দাবি উঠেছে।

ফরেন্সিক রিপোর্টের ওপর নির্ভর করছে তদন্ত

পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, ফরেন্সিক দল ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে এবং রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরই নিশ্চিতভাবে বলা যাবে কোথায়, কীভাবে এবং কার হাতে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। বর্তমানে মামলার মোটিভ স্পষ্ট না হলেও তদন্ত চলছে। গ্রামে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

প্রশাসনের সতর্কতা

প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, আইন নিজের হাতে তুলে না নিতে। গণপিটুনির মতো ঘটনা আইনের দৃষ্টিতে গুরুতর অপরাধ। শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গ্রামীণ এলাকায় সচেতনতামূলক প্রচার এবং পুলিশের দ্রুত হস্তক্ষেপ অত্যন্ত জরুরি।

এই মর্মান্তিক ঘটনায় গোটা রাজ্যে শোকের ছায়া নেমেছে। তদন্তে নতুন তথ্য উঠে আসলে তা জনসাধারণের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া হবে। শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে সচেতনতা বাড়ানো এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করাই এখন প্রশাসনের অন্যতম অগ্রাধিকার।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

গোপাল পাঁঠার নাতির মামলা খারিজ: ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’ ঘিরে তোলপাড় রাজনীতি

গোপাল পাঁঠার নাতির মামলা খারিজ: ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’ ঘিরে তোলপাড় রাজনীতি

গোপাল পাঁঠার নাতির মামলা খারিজ: ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’ ঘিরে তোলপাড় রাজনীতি

Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক: কলকাতা হাই কোর্ট গোপাল পাঁঠা ওরফে গোপাল মুখোপাধ্যায়ের নাতির দায়ের করা মামলাটি খারিজ করে দিয়েছেন। বিচারপতি অমৃতা সিনহা স্পষ্ট জানিয়েছেন, এ ধরনের আবেদন আদালতের আওতায় পড়ে না। তিনি মামলাকারীকে পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ফোরামে আবেদন জানাতে। মামলা খারিজ হলেও এই সিদ্ধান্ত নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে আলোচনা তুঙ্গে। কারণ, ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’ ছবি ঘিরে ইতিহাস বিকৃতি এবং রাজনৈতিক প্রোপাগান্ডার অভিযোগ তুলেছে বহু মহল।

ট্রেলার মুক্তির পরেই বিতর্ক

সম্প্রতি মুক্তিপ্রাপ্ত ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’ সিনেমার ট্রেলার প্রকাশের পর থেকেই পরিচালকের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে তিনি বাংলার ইতিহাস বিকৃত করেছেন। রাজনৈতিক মহলে অনেকেই বলছেন, ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপিকে সুবিধা দিতে প্রোপাগান্ডা সিনেমা বানানো হয়েছে। ছবিতে ছেচল্লিশের ‘গ্রেটার ক্যালকাটা কিলিং’-এর সময়ের দোর্দণ্ডপ্রতাপ চরিত্র গোপাল মুখোপাধ্যায়কে ‘কষাই গোপাল পাঁঠা’ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। এই চরিত্রায়নের ফলে বাংলার ঐতিহাসিক মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয়েছে বলে মত প্রকাশ করেছেন অনেকে।

মামলার পেছনের যুক্তি

মামলাকারীর অভিযোগ ছিল, ছবির নির্মাতা কোথা থেকে তথ্য সংগ্রহ করেছেন তা অস্পষ্ট। তথ্যের অধিকার আইনের আওতায় জানতে চাওয়া হলেও কোনও সদুত্তর মেলেনি। এমনকি ছবির নির্দিষ্ট দুটি অংশ বাদ দেওয়ার দাবিও তুলেছেন তাঁরা। আদালতে তাঁদের বক্তব্য ছিল, ইতিহাস বিকৃতি এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্য চরিতার্থ করতেই এই সিনেমার নির্মাণ। আদালতে বিচারপতি অমৃতা সিনহা জানিয়েছেন, মামলাটি আদালতের আওতায় না পড়ায় এটি খারিজ করা হলো। তবে আবেদনকারী চাইলে অন্য আইনি ফোরামে আবেদন জানাতে পারেন।

বিবেক অগ্নিহোত্রীর অবস্থান

বিবেক অগ্নিহোত্রী তাঁর ‘ফাইলস’ ট্রিলজির তৃতীয় সিনেমা ‘দ্য দিল্লি ফাইলস’ মুক্তির আগে থেকেই আলোচনায়। তাঁর বিরুদ্ধে ইতিহাস বিকৃতির পাশাপাশি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে সিনেমা তৈরির অভিযোগ উঠেছে। তবে তাঁর সমর্থকেরা দাবি করছেন, এটি একটি রাজনৈতিক থ্রিলার যেখানে বাস্তব ঘটনাকে কল্পনায় রূপ দিয়েছেন পরিচালক। তাঁদের মতে, ইতিহাস নিয়ে আলোচনার সুযোগ তৈরি করতেই এই সিনেমার নির্মাণ।

রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট

গত একুশের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির লক্ষ্য ছিল বাংলায় পদ্মফুল ফুটানো। কিন্তু রাজনৈতিক মহলের মতে, তারা সেই লক্ষ্য অর্জন করতে ব্যর্থ হয়েছে। ছাব্বিশের নির্বাচনের আগে ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’ মুক্তির মাধ্যমে ভোটারদের প্রভাবিত করতে চেয়েছে বিজেপি। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি এক ধরনের নির্বাচনী কৌশল যেখানে ভোটারদের ইতিহাসের নির্দিষ্ট ব্যাখ্যা দিয়ে প্রভাবিত করার চেষ্টা হচ্ছে।

ইন্ডিয়া জোটের পাল্টা আক্রমণ

বিরোধী জোট ইন্ডিয়া পাল্টা দাবি করেছে যে, সিনেমার মাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। তারা সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি বি সুদর্শনকে প্রার্থী করে রাজনৈতিক পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুঁড়েছে। তাঁদের মতে, নির্বাচনের আগে ইতিহাস বিকৃতির চেষ্টা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে দুর্বল করছে।

গণমাধ্যমের ভূমিকা

গণমাধ্যমে এই বিষয় নিয়ে তোলপাড় চলছে। সংবাদমাধ্যমের একাংশ বলছে, ইতিহাস নিয়ে আলোচনা হওয়া দরকার। আবার অন্য অংশ বলছে, এটি রাজনৈতিক লাভের জন্য নির্মিত সিনেমা। বিশ্লেষকরা বলছেন, সিনেমার বিষয়বস্তুকে কেন্দ্র করে বাংলায় বিভক্তি আরও তীব্র হবে।

সাধারণ মানুষের প্রতিক্রিয়া

সাধারণ দর্শকদের মধ্যে এই সিনেমা নিয়ে বিভক্ত মতামত দেখা যাচ্ছে। কেউ বলছেন ইতিহাসের অজানা দিক তুলে ধরেছেন পরিচালক। আবার কেউ বলছেন এটি প্রোপাগান্ডার সিনেমা। সামাজিক মাধ্যমে তর্ক-বিতর্ক চলছে, যা রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়াচ্ছে।

পরবর্তী পদক্ষেপ

মামলা খারিজ হলেও বিষয়টি শেষ হয়নি। আদালতের সিদ্ধান্তকে ঘিরে জনমনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আদালত মামলাটি খারিজ করলেও অন্যান্য ফোরামে আবেদন জানানো যেতে পারে। এখন দেখার বিষয়, মামলাকারী পক্ষ কীভাবে তাদের দাবিকে সামনে নিয়ে আসে এবং রাজনৈতিক মহল এটি নিয়ে কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানায়।

এই ঘটনায় স্পষ্ট হয়েছে যে সিনেমা শুধুমাত্র বিনোদনের মাধ্যম নয়, বরং রাজনৈতিক বার্তা দেওয়ারও একটি শক্তিশালী হাতিয়ার। 'দ্য বেঙ্গল ফাইলস' সেই বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটদান থেকে বিরত থাকার ঘোষণা দিল বিজেডি ও বিআরএস

উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটদান থেকে বিরত থাকার ঘোষণা দিল বিজেডি ও বিআরএস | Y বাংলা ডেক্স

উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটদান থেকে বিরত থাকার ঘোষণা দিল বিজেডি ও বিআরএস

Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক: দেশের রাজনৈতিক পরিবেশে নতুন আলোড়ন তুলেছে বিজু জনতা দল (বিজেডি) ও ভারত রাষ্ট্র সমিতি (বিআরএস)। আসন্ন উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে এই দুই আঞ্চলিক দল ভোটদান থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তাদের বক্তব্য, কেন্দ্রের দুই বড় দল—বিজেপি এবং কংগ্রেস—কৃষক সমস্যা সমাধানে যথেষ্ট উদ্যোগ দেখায়নি। এই প্রতিবাদী অবস্থান জাতীয় রাজনীতির অন্দরে আলোচনার ঝড় তুলেছে।

ভোটদান থেকে বিরত থাকার পেছনের কারণ

বিআরএসের কার্যনির্বাহী সভাপতি কেটি রামা রাও বলেন, “তেলেঙ্গানায় ইউরিয়ার ঘাটতির কারণে কৃষকরা চরম সমস্যায় পড়েছেন। কেন্দ্র সরকারের কোনো রাজনৈতিক সদিচ্ছা না থাকায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে আমরা ভোটদান থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। যদি ভোটে নোটার বিকল্প থাকত, সেটিও ব্যবহার করতাম।”

অন্যদিকে, বিজেডির সাংসদ সস্মিত পাত্র বলেন, “দলের প্রধান নবীন পট্টনায়ক শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কংগ্রেস ও বিজেপির রাজনৈতিক অবস্থান থেকে দূরে থেকে ওড়িশার উন্নয়নের দিকে মনোযোগ দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য। রাজ্যের মানুষের জীবনমান উন্নয়নের ওপরই আমাদের সম্পূর্ণ মনোযোগ থাকবে।”

পটভূমি: জগদীপ ধনকড়ের পদত্যাগ

২১ জুলাই রাতে আচমকাই শারীরিক সমস্যা দেখিয়ে প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনকড় পদত্যাগ করেন। এরপরই শুরু হয় নতুন প্রার্থী নিয়ে জল্পনা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও গৃহমন্ত্রী অমিত শাহ তাঁদের ঘনিষ্ঠ মহারাষ্ট্রের রাজ্যপাল সি পি রাধাকৃষ্ণানকে প্রার্থী করেন। অন্যদিকে ইন্ডিয়া জোট সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি বি সুদর্শন রেড্ডিকে প্রার্থী ঘোষণা করে চমক দেন।

দক্ষিণ ভারতীয় প্রার্থী বেছে নেওয়ার কৌশল

রাজনৈতিক মহলের ধারণা, দক্ষিণ ভারতের ভোটব্যাঙ্ককে কেন্দ্র করে এই কৌশল নেওয়া হয়েছে। রাধাকৃষ্ণান এবং সুদর্শন রেড্ডি—উভয়েই অন্ধ্রপ্রদেশের সন্তান। কেন্দ্রীয় রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ পদ নিয়ে অসন্তোষের মুখে দক্ষিণ ভারতের সমর্থন ধরে রাখতে এনডিএ এই পদক্ষেপ নিয়েছে। ইন্ডিয়া জোটও পাল্টা কৌশল হিসেবে দক্ষিণ ভারতের জনপ্রিয় নেতাকে প্রার্থী করেছে।

আঞ্চলিক দলের স্বাধীন অবস্থান

ভারতের গণতান্ত্রিক কাঠামোয় আঞ্চলিক দলগুলির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিজেডি ও বিআরএসের ভোটদান থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত শুধু প্রতিবাদ নয়, বরং একটি রাজনৈতিক বার্তা। কেন্দ্রীয় সরকারের ওপর চাপ তৈরি এবং স্থানীয় সমস্যার গুরুত্ব তুলে ধরাই তাদের উদ্দেশ্য। বিশেষ করে কৃষক সংকটের মতো সমস্যায় তাদের ভূমিকা সামনে এসেছে।

জাতীয় রাজনীতির ওপর সম্ভাব্য প্রভাব

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই সিদ্ধান্ত এনডিএ এবং ইন্ডিয়া জোটের জন্য সতর্কবার্তা। আঞ্চলিক দলগুলির গুরুত্ব উপেক্ষা করলে রাজনৈতিক সমীকরণ বদলে যেতে পারে। পাশাপাশি কৃষক সমস্যা জাতীয় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হতে পারে। আগামী নির্বাচনগুলোতেও এই ইস্যু ভোটারদের আকৃষ্ট করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আগামী দিনের রাজনৈতিক দিশা

রাজনীতির বিশ্লেষকরা মনে করছেন, নির্বাচনের আগে কেন্দ্রের দুই প্রধান দল কৃষক সমস্যার সমাধানে উদ্যোগী হবে। আঞ্চলিক দলগুলির অবস্থান আগামী দিনে আরও শক্তিশালী হবে। সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নের দাবি সামনে রেখে রাজনৈতিক পরিবেশ বদলে যেতে পারে। আগামী দিনে রাজনৈতিক সমীকরণে এই নির্বাচন বড় প্রভাব ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে।

সব মিলিয়ে বলা যায়, বিজেডি ও বিআরএসের ভোটদান থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত একদিকে যেমন প্রতিবাদ, তেমনই রাজনৈতিক বার্তা। এটি কৃষক সংকট, আঞ্চলিক উন্নয়ন এবং কেন্দ্রীয় সরকারের ভূমিকা নিয়ে আলোচনার নতুন দিশা তৈরি করেছে। নির্বাচনের ফলাফলে তাৎক্ষণিক প্রভাব না পড়লেও ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পরিস্থিতির জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

মনামীর নীল আলতা রহস্য ফাঁস – আসছে পুজোর উপহার ‘কল্কি’

মনামীর নীল আলতা রহস্য ফাঁস – আসছে পুজোর উপহার ‘কল্কি’ | Y বাংলা ডেস্ক

মনামীর ‘নীল আলতা রহস্য’ ফাঁস! আসছে পুজোর উপহার ‘কল্কি’

Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক: ফ্যাশনের দুনিয়ায় একাধিকবার নজর কেড়েছেন মনামী ঘোষ। তাঁর নিত্যনতুন সাজপোশাক নিয়ে আলোচনা হয় সোশাল মিডিয়ায়। কখনও প্লাস্টিকের ফ্রক, কখনও নকশিকাঁথার গাউন, আবার কখনও শাড়ির আঁচলে মৃণাল সেনের অবয়ব—সবকিছুতেই তাঁর অভিনবত্ব ফুটে ওঠে। এবার পুজোর আগেই তিনি হাজির হলেন এক নতুন চমক নিয়ে। তাঁর পুজোর গানের মিউজিক ভিডিও ‘কল্কি’র জন্য বিশেষ লুক বানিয়ে আলোচনা শুরু করেছেন।

আগস্ট মাসে নীল রঙের আলতা পরে সোশাল মিডিয়ায় আলোড়ন তৈরি করেছিলেন মনামী। সাধারণত আলতার রং লাল হলেও তিনি সেই প্রচলিত ধারণায় ছেদ টেনে নীল আলতার মাধ্যমে ফ্যাশনের নতুন ট্রেন্ডের জন্ম দিয়েছেন। সোমবার তিনি প্রকাশ করলেন সেই ‘নীল আলতা রহস্য’। হাতে নীল আলতা, গায়ে লাল শাড়ি ও ব্লাউজ, খোলা চুল এবং গলায় সর্পিল ডিজাইনের গয়না নিয়ে হাজির হয়ে সবাইকে মুগ্ধ করেছেন। রং মিলানো টিপ তাঁর সাজে আলাদাই এক সৌন্দর্য যোগ করেছে।

মনামী জানান, তাঁর এই নতুন লুকের পেছনে রয়েছে পৌরাণিক ধারণা। হিন্দু শাস্ত্র অনুযায়ী, বিষ্ণুর দশম ও শেষ অবতার ‘কল্কি’। যেহেতু বিষ্ণু নীল বর্ণ ধারণ করেন, সেহেতু নীল আলতা দিয়ে সাজা হয়েছে তাঁর চরিত্রের সঙ্গে মিল রেখে। শুধুমাত্র আলতা নয়, তাঁর গয়নাতেও পুরাণের ইঙ্গিত রয়েছে। সর্পিল গয়না নির্বাচন করেছেন তিনি, কারণ কল্কি পুরাণে সাপের উল্লেখ রয়েছে। এইভাবে ফ্যাশন ও ধর্মীয় ঐতিহ্যের সংমিশ্রণ ঘটিয়ে মনামী তৈরি করেছেন এক অনন্য লুক।

যদিও মিউজিক ভিডিওটি এখনও প্রকাশিত হয়নি, তবে পুজোর উপহার হিসেবে প্রথম লুক প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে কৌতূহল তৈরি হয়েছে। ‘আইলো উমা’র মতো জনপ্রিয় কাজের পর এবার ‘কল্কি, এলো রে গৌরী’ শিরোনামের গানেও দর্শক মাতিয়ে দেবেন তিনি বলে আশাবাদী ভক্তরা। তাঁর নাচ ও গানের মিশ্রণে পুজোর জলসায় নতুন রঙ আনতে চলেছেন মনামী।

মনামী বরাবরই তার সাহসী ফ্যাশন সেন্সের জন্য পরিচিত। একেকবার একেক রকম সাজে তাঁকে দেখা গেছে। কখনও প্লাস্টিকের পোশাক, কখনও পরিবেশ-বান্ধব উপাদান দিয়ে তৈরি গাউন, কখনও আবার অদ্ভুত প্রপস ব্যবহার করে নজর কেড়েছেন। এবার পুজোর আগে তাঁর এই নীল আলতার লুক শুধু ফ্যাশন নয়, আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যকেও তুলে ধরছে। এটি যেমন এক নতুন স্টাইল স্টেটমেন্ট, তেমনই পুজোর আনন্দের সঙ্গে পুরাণের সেতুবন্ধন।

মনামীর এই সাজ নিয়ে তাঁর অনুরাগীদের মধ্যে ইতিমধ্যেই আলোচনার ঝড় বইছে। কেউ তাঁর সাহসী উদ্যোগের প্রশংসা করছেন, আবার কেউ বলছেন এটি ফ্যাশনের নতুন ভাষা। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম তাঁর এই লুককে ফলো করতে শুরু করেছে। সোশাল মিডিয়ায় #নীলআলতা, #মনামীঘোষ, #কল্কিপুজো ট্যাগ ব্যবহার করে তাঁর ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়ছে।

পুজো মানেই নতুন সাজ, নতুন গান, নতুন অভিজ্ঞতা। সেই আনন্দকে কেন্দ্র করেই মনামী তাঁর নতুন মিউজিক ভিডিও ‘কল্কি’ নিয়ে হাজির হচ্ছেন। তাঁর সাজ, ভাবনা, পোশাক এবং পুরাণের সংমিশ্রণ তাঁকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে। পুজোর আনন্দে তাঁর এই নতুন অবতারের অপেক্ষায় রয়েছেন ভক্তরা। সব মিলিয়ে এটি শুধু একটি গান বা সাজ নয়, বরং ফ্যাশনের সঙ্গে সংস্কৃতির এক অনন্য মেলবন্ধন।

পুজোর আগে এই প্রথম লুক প্রকাশের পর থেকেই তাঁর অনুরাগীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস তৈরি হয়েছে। প্রত্যাশা যে, গানটি প্রকাশের পর এটি আরও বড় আলোচনায় আসবে। তাঁর নীল আলতা ও সর্পিল গয়না পরা লুক ইতিমধ্যেই ফ্যাশন জগতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। পুজোর সময় এটি আরও ভাইরাল হতে পারে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

নেপালে ‘জেন জেড’ আন্দোলন: সোশাল মিডিয়া নিষেধাজ্ঞায় অস্থিরতা, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ

নেপালে ‘জেন জেড’ আন্দোলন: সোশাল মিডিয়া নিষেধাজ্ঞায় অস্থিরতা, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ

নেপালে ‘জেন জেড’ আন্দোলন: সোশাল মিডিয়া নিষেধাজ্ঞায় অস্থিরতা, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ

Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক: সোশাল মিডিয়া নিষিদ্ধ হওয়া নিয়ে নেপালের তরুণ প্রজন্মের প্রতিবাদ আন্দোলন দেশজুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। এই পরিস্থিতির কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি নেতৃত্বাধীন সরকার। একাধিক অভিযোগ, দমন-পীড়ন এবং প্রশাসনিক ব্যর্থতার মুখে পড়েছে নেপাল। ইতিমধ্যেই সংঘর্ষে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ২১ জন, আহত হয়েছেন ২৫০ জনেরও বেশি। বিরোধী দলগুলির চাপ ও জনরোষের মুখে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখক পদত্যাগ করেছেন। পরিস্থিতি এখনও অস্থির এবং দেশে রাজনৈতিক সংকট ঘনীভূত হচ্ছে।

সংঘর্ষের পটভূমি

নেপালে সম্প্রতি ফেসবুক, ইউটিউব, এক্স, ইনস্টাগ্রামসহ প্রায় সব ধরনের সোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। প্রশাসনের দাবি, এই প্ল্যাটফর্মগুলি সরকারের সঙ্গে নথিবদ্ধ হয়নি এবং ‘অবাঞ্ছিত’ কনটেন্টের নজরদারি সম্ভব হচ্ছিল না। সাত দিনের মধ্যে নিবন্ধনের নির্দেশ দেওয়া হলেও কোনো সংস্থা তা মানেনি। ফলে কাঠমান্ডু প্রশাসন এই কঠোর সিদ্ধান্ত নেয়।

এই নিষেধাজ্ঞার পর থেকেই দেশের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ তৈরি হয়। তারা সোশাল মিডিয়াকে মত প্রকাশের প্রধান মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করতেন। ফেসবুক, এক্স, ইনস্টাগ্রামের মতো প্ল্যাটফর্ম বন্ধ হওয়ায় প্রতিবাদ সংগঠিত করা কঠিন হয়ে পড়ে। এই পরিস্থিতিতেই ‘জেন জেড’ প্রজন্ম রাস্তায় নেমে আসে। রাজধানী কাঠমান্ডু ছাড়াও বীরগঞ্জ, ভৈরহাওয়া, বুটওয়াল, পোখরা, ইটাহারি এবং দামকেও কারফিউ জারি করা হয়েছে। স্কুল-কলেজ বন্ধ, পরীক্ষা স্থগিত এবং রাজনৈতিক দলগুলির দপ্তরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

সংঘর্ষের সময়কাল এবং প্রাণহানির সংখ্যা

প্রতিবাদ শুরু হওয়ার পর থেকেই বিক্ষোভকারীরা পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে প্রশাসনিক এলাকায় ঢুকে পড়েন। একাধিক স্থানে লাঠিচার্জ, জলকামান ব্যবহার এবং গুলি চালানোর ঘটনাও ঘটেছে। গত ৪ সেপ্টেম্বর থেকে পরিস্থিতি ক্রমেই অবনতির দিকে গেছে। শেষ খবর পর্যন্ত ২১ জন প্রাণ হারিয়েছেন এবং ২৫০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে নারী, শিশু ও প্রবীণদেরও অন্তর্ভুক্ত বলে জানা গেছে।

রাজনৈতিক চাপ এবং পদত্যাগ

বিরোধী দলগুলি প্রধানমন্ত্রী ওলির বিরুদ্ধে পদত্যাগের দাবি জানিয়েছে। আন্দোলনের মুখে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখক নিজেই পদত্যাগ করেন। যদিও সরকার এই পদক্ষেপকে রাজনৈতিক চাপ কমানোর কৌশল বলে ব্যাখ্যা করছে। এক সূত্রে জানা গেছে, প্রাণহানির পর নিজেই পদত্যাগ করতে চাইছিলেন রমেশ লেখক। আন্দোলনকারীদের দাবি, সরকারের সিদ্ধান্ত নাগরিকদের মৌলিক অধিকার খর্ব করছে। তারা এই নিষেধাজ্ঞাকে মত প্রকাশের স্বাধীনতার ওপর আঘাত হিসেবে দেখছেন।

আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া

রাষ্ট্রসংঘ ইতিমধ্যেই সব রাজনৈতিক দলকে একত্রিত হয়ে শান্তি ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানিয়েছে। দেশটির স্থিতিশীলতা নষ্ট হলে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলি সোশাল মিডিয়ার স্বাধীনতা খর্ব করার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। তবে সরকারের যুক্তি, অনিয়ন্ত্রিত প্ল্যাটফর্মে চরমপন্থী মত ছড়ানোর সুযোগ তৈরি হচ্ছিল।

নিষিদ্ধ প্ল্যাটফর্মের তালিকা

নিষিদ্ধ প্ল্যাটফর্মের মধ্যে রয়েছে ফেসবুক, ইউটিউব, ইনস্টাগ্রাম, এক্স, লিঙ্কডইন, রেডিট, হোয়াটসঅ্যাপ, স্ন্যাপচ্যাটসহ অনেক জনপ্রিয় মাধ্যম। তবে টিকটক, ভাইবার, উইটক, নিমবুজ, টেলিগ্রাম এবং গ্লোবাল ডায়রির মতো প্ল্যাটফর্ম বন্ধ করা হয়নি। সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, দেশীয় ও আন্তর্জাতিক সব প্ল্যাটফর্মকে সরকারি নথিভুক্ত হতে হবে যাতে নজরদারি নিশ্চিত করা যায়।

প্রশাসনের অবস্থান

সরকারের বক্তব্য, অনিয়ন্ত্রিত সামাজিক মাধ্যম দেশের নিরাপত্তা এবং প্রশাসনিক কাঠামোর জন্য ঝুঁকি তৈরি করছে। তারা দাবি করছে, এই প্ল্যাটফর্মগুলির মাধ্যমে ভুয়া খবর ছড়ানো হচ্ছে এবং আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটছে। তবে সমালোচকেরা বলছেন, এটি আসলে বিরোধীদের প্রতিবাদ দমন করার পরিকল্পিত পদক্ষেপ। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই পরিস্থিতির ফলে সরকার আরও চাপের মুখে পড়বে।

তরুণদের প্রতিরোধ

‘জেন জেড’ প্রজন্মের তরুণেরা সোশাল মিডিয়া বন্ধ হওয়াকে তাদের মত প্রকাশের অধিকার কেড়ে নেওয়ার শামিল মনে করছেন। তারা রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করছেন। সংসদ ভবন পর্যন্ত বিক্ষোভকারীরা প্রবেশ করেন এবং প্রশাসনের ব্যারিকেড ভেঙে ফেলেন। পুলিশ বাধ্য হয়ে লাঠিচার্জ শুরু করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সেনা নামানো হয়েছে। বিক্ষোভকারীরা সরকারের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছেন।

আগামী পরিস্থিতি

বর্তমানে নেপালের রাজনৈতিক পরিস্থিতি অনিশ্চিত। বিরোধী দলগুলি একত্রিত হচ্ছে। আন্তর্জাতিক মহলও এই পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে। সামাজিক মাধ্যমের ওপর নিষেধাজ্ঞা নিয়ে আলোচনা চলছেই। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সংকটের সমাধান না হলে নেপালের অর্থনীতি এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা আরও খারাপ হতে পারে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

Featured post

Y বাংলা ব্যুরো: ভোটার তালিকা সংশোধনে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডে না নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা সংশোধন (SIR, ২০২৬) প্রক্রিয়ায় ম...

Search This Blog