Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Wednesday, 10 September 2025

জাতীয় সড়কে দুর্ঘটনা দেখে এগিয়ে এলেন ডিএসপি, নিজের গাড়িতে জখমদের হাসপাতালে পৌঁছে দিলেন

দুর্ঘটনা দেখে এগিয়ে এলেন ট্রাফিক ডিএসপি, নিজের গাড়িতে হাসপাতালে পৌঁছে দিলেন আহতদের 🗓 আপডেট: ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ | ⏱ রাত ৯টা | 📍 কৃষ্ণনগর, নদিয়া --- ঘটনাটি কীভাবে ঘটল? মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুর থেকে নদিয়ায় ফিরছিলেন রানাঘাট জেলা পুলিশের ট্রাফিক ডিএসপি সঞ্জয় কুমার। মঙ্গলবার রাত আনুমানিক ৯টার দিকে তিনি কৃষ্ণনগর কোতোয়ালি থানার অন্তর্গত ১২ নম্বর জাতীয় সড়কে পৌঁছন। সেই সময় তাঁর চোখের সামনে ঘটে যায় একটি মারাত্মক দুর্ঘটনা। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দ্রুত বেগে আসা একটি চার চাকা গাড়ি টোটোকে ধাক্কা দেয়। টোটোতে চালকসহ মোট সাত জন যাত্রী ছিলেন, তাঁদের মধ্যে তিন শিশু ছিল। স্থানীয়রা তৎপর হয়ে আহতদের উদ্ধার করতে শুরু করেন। ডিএসপি ঘটনাস্থলে পৌঁছে আর সময় নষ্ট না করে নিজের গাড়িতে আহতদের তুলে নিয়ে যান কৃষ্ণনগর শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে, যেখানে দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। পাশাপাশি ঘাতক গাড়িটিকে চিহ্নিত করে আটক করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, টোটোর সব যাত্রী কৃষ্ণনগরের বাসিন্দা। --- 🚑 হাসপাতালে দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা ডিএসপি নিজেই হাসপাতালের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং আহতদের চিকিৎসায় সহায়তা করেন। চিকিৎসকরা জানান, আহতরা বর্তমানে স্থিতিশীল অবস্থায় চিকিৎসাধীন। ঘটনায় কেউ প্রাণহানি ঘটেনি, তবে কয়েকজনের আঘাত গুরুতর বলে জানা গেছে। --- 📣 ডিএসপি সঞ্জয় কুমারের বক্তব্য ডিএসপি সঞ্জয় কুমার বলেন: > “মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুর কোর্টে সাক্ষ্য দিয়ে নদিয়ায় ফিরছিলাম। রাত আনুমানিক ৯টার দিকে কৃষ্ণনগরের কোতোয়ালি থানার অন্তর্গত ১২ নম্বর জাতীয় সড়কের উপর দুর্ঘটনা চোখে পড়ে। তৎক্ষণাৎ নিজের গাড়ি থেকে নেমে স্থানীয়দের সহযোগিতায় টোটোতে থাকা চালকসহ ৭ জন যাত্রীকে হাসপাতালে ভর্তি করি। পাশাপাশি ঘাতক গাড়িটিকে চিহ্নিত করার কাজ চলছে।” --- 👥 স্থানীয়দের প্রতিক্রিয়া ঘটনায় স্থানীয়রা প্রশংসা জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, পুলিশের এই মানবিক ভূমিকা দুর্ঘটনায় প্রাণ বাঁচাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে। অনেকেই বলেছেন, “পুলিশ শুধু আইন রক্ষায় নয়, বিপদের সময় পাশে দাঁড়ানোয় গুরুত্বপূর্ণ।” --- ✅ বর্তমান অবস্থা টোটোর সব যাত্রী বর্তমানে কৃষ্ণনগর শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন চার চাকা গাড়িটি চিহ্নিত ও আটক করা হয়েছে আহতদের মধ্যে তিন শিশু রয়েছে, চিকিৎসকরা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করছেন পুলিশ তদন্ত চালাচ্ছে --- 📌 তথ্যবক্স: ঘটনার সারসংক্ষেপ 📍 স্থান: কৃষ্ণনগর, নদিয়া 📆 তারিখ: ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ⏱ সময়: রাত ৯টা 🚑 দুর্ঘটনা: টোটো ও চার চাকা গাড়ির সংঘর্ষ 👥 আহত: ৭ জন, যার মধ্যে ৩ শিশু 🚓 সহায়তা: ট্রাফিক ডিএসপি নিজের গাড়িতে হাসপাতালে পৌঁছে দেন ✅ বর্তমান অবস্থা: চিকিৎসাধীন, তদন্ত চলছ ে1000+ শব্দে কপি রাইট মুক্ত Y বাংলা ডেক্স রিপোর্ট আকারে দেন, Meta Title, Meta Description, Keyword + HTML কোডসহ , নিউজ পোর্টাল লুকে সাথে

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে
জুড়ে দেন ।

৯ উইকেটে জয়ী ভারত, এশিয়া কাপ অভিযান শুরু দুরন্ত পারফরম্যান্সে

৯ উইকেটে জয়ী ভারত, এশিয়া কাপ অভিযান শুরু দুরন্ত পারফরম্যান্সে

৯ উইকেটে জয়ী ভারত, এশিয়া কাপ অভিযান শুরু দুরন্ত পারফরম্যান্সে

আপডেট: ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ | Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো

ভারতের জয় উদযাপন

অভিষেক শর্মা ও শুভমন গিলের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে সহজ জয় পেল ভারত

সংযুক্ত আরব আমিরশাহিকে রীতিমতো গুঁড়িয়ে দিল ভারত

এশিয়া কাপের উদ্বোধনী ম্যাচে ভারত সংযুক্ত আরব আমিরশাহিকে মাত্র ৫৭ রানে অলআউট করে দেয়। এরপর সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ভারত ৯ উইকেটে জয় নিশ্চিত করে। ওপেনার অভিষেক শর্মা এবং শুভমন গিলের ব্যাটিংয়ে মাত্র ৪.৩ ওভারে প্রয়োজনীয় ৬০ রান তুলে ফেলে ভারত। সূর্যকুমার যাদবের নেতৃত্বে এই জয় ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীদের আশা বাড়িয়ে দিয়েছে।

সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড

  • সংযুক্ত আরব আমিরশাহী: ৫৭ অলআউট (১৩.০ ওভার)
  • ভারত: ৬০/১ (৪.৩ ওভার)
  • ফলাফল: ভারত ৯ উইকেটে জয়ী

আমিরশাহির ব্যাটিংয়ে ধ্বস

আমিরশাহির ইনিংস শুরু হলেও তারা টিকতে পারেনি। ৩ ওভারের মধ্যে শারাফু আউট হন যশপ্রীত বুমরার ইনসুইং ইয়র্কারে। এরপর ধারাবাহিকভাবে উইকেট হারাতে থাকে তারা। কুলদীপ যাদবের গুগলি এবং অক্ষর পটেলের এলবিডব্লিউ-এর কারণে আমিরশাহির ব্যাটিং লাইনআপ পুরোপুরি বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। শেষ পর্যন্ত মাত্র ৫৭ রানে অলআউট হয় আমিরশাহী।

আমিরশাহির উইকেট পতনের ধারাবিবরণী

  • ৩ ওভার: শারাফু বুমরার বল বুঝে উঠতে পারেননি, স্টাম্প আছড়ে পড়ে।
  • ৮ ওভার: অক্ষর পটেলের ধারাবাহিক বোলিংয়ে একাধিক রান হারায় আমিরশাহী।
  • ৯ ওভার: কুলদীপের তিন বলেই তিন উইকেট পড়ে।
  • ১৩ ওভার: দুবের বোলিংয়ে শেষ উইকেট পতনের মধ্য দিয়ে আমিরশাহির ইনিংস শেষ হয়।

ভারতের ব্যাটিংয়ে ঝলক

ভারতের ব্যাটিং শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল। প্রথম ওভারে অভিষেক শর্মা ছক্কা ও চার মারেন। শুভমন গিল স্টেপ আউট করে বাউন্ডারি হাঁকান। দুই ওপেনার দ্রুত রান তুলতে থাকেন। মাত্র ৪.৩ ওভারে ৬০ রান তুলে সহজেই জয় নিশ্চিত করেন তারা।

ব্যাটিংয়ের বিশেষ মুহূর্তগুলো

  • প্রথম ওভারে অভিষেকের ছক্কা ও চার দিয়ে শুরু।
  • চতুর্থ ওভারেই দ্রুত রান তুলে ৬০ রান।
  • শুভমনের স্টেপ আউট শট এবং অভিষেকের ব্যাকফুট ছক্কা দর্শকদের উচ্ছ্বসিত করে।

ভারতের একাদশ

ভারত: অভিষেক শর্মা, শুভমন গিল, সূর্যকুমার যাদব (অধিনায়ক), তিলক বর্মা, সঞ্জু স্যামসন (উইকেটকিপার), শিবম দুবে, হার্দিক পাণ্ড্য, অক্ষর পটেল, কুলদীপ যাদব, যশপ্রীত বুমরা, বরুণ চক্রবর্তী।

আমিরশাহির একাদশ

আমিরশাহি: মহম্মদ ওয়াসিম (অধিনায়ক), আলিশান শারাফু, মহম্মদ জোহেব, রাহুল চোপড়া (উইকেটকিপার), আসিফ খান, হর্ষিত কৌশিক, হায়দার আলি, ধ্রুব পরাশার, মহম্মদ রোহিদ খান, জুনেইদ সিদ্দিকি, সিমরনজিৎ সিংহ।

বিশ্লেষণ: ভারতের শুরুটা দুর্দান্ত

এই জয় শুধু এক ম্যাচের জয় নয়, বরং পুরো টুর্নামেন্টে ভারতের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে। ওপেনারদের আগ্রাসী ব্যাটিং এবং বোলারদের নিখুঁত পরিকল্পনা আমিরশাহিকে বিপর্যস্ত করে। বিশেষ করে বুমরা ও কুলদীপের বোলিং নজর কেড়েছে। সূর্যকুমারের নেতৃত্বে ভারতীয় দলের পরিকল্পনা ছিল নিখুঁত।

আগামী ম্যাচে নজর রাখুন

ভারতীয় দল এখন পরবর্তী ম্যাচগুলোর দিকে তাকিয়ে। তাদের ব্যাটিং ও বোলিং উভয় বিভাগেই গভীরতা রয়েছে। দলের তরুণ ক্রিকেটাররা অভিষেক শর্মার মতো ঝলমলে পারফরম্যান্স তুলে ধরেছেন। আগামী ম্যাচে বড় রান তোলা এবং নিয়ন্ত্রিত বোলিং দিয়ে ভারত এগোবে বলে আশা করা হচ্ছে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook

নেপালে ISI-র ছায়া! ভারত-বিরোধী চোরাস্রোতের চাঞ্চল্যকর তথ্য, সীমান্তে সতর্কতা জারি

নেপালে ISI-র ছায়া! ভারত-বিরোধী চোরাস্রোতের চাঞ্চল্যকর তথ্য, সীমান্তে সতর্কতা জারি

নেপালে ISI-র ছায়া! ভারত-বিরোধী চোরাস্রোতের চাঞ্চল্যকর তথ্য, সীমান্তে সতর্কতা জারি

আপডেট: ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ | Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো

ভারত-নেপাল সীমান্তে নজরদারি
ভারত-নেপাল সীমান্তে বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা। ছবি: Y বাংলা

নেপালে ISI-র সক্রিয়তার আশঙ্কা

কাঠমান্ডু থেকে আসা একাধিক সূত্রের দাবি, নেপালের বর্তমান রাজনৈতিক অস্থিরতার সুযোগ নিয়ে সক্রিয় হয়েছে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা ISI। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার প্রাথমিক রিপোর্টে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে যে, নেপালে ভারত-বিরোধী চোরাস্রোত ছড়ানোর জন্য ISI বিভিন্ন গোপন কৌশল ব্যবহার করছে। এমনকি আন্দোলনের সময় বিদ্রোহীদের হাতে ভারতীয় পতাকা দেখা যাওয়ায় তদন্তে আরও সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

ভারতীয় পতাকা ব্যবহার নিয়ে তদন্ত

প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে যে, ISI-এর কলকাঠিতে ভারতীয় পতাকা ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, ভারত-বিরোধী প্রচার ছড়াতে বিভিন্ন সংগঠনকে উত্তেজিত করা হচ্ছে। আন্দোলনের মঞ্চে ভারতকে ‘শত্রু’ হিসেবে চিত্রিত করা হচ্ছে। এর ফলে নেপালে বসবাসরত ভারতীয়দের টার্গেট করা হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা।

টার্গেট হতে পারে ভারতীয়রা

গোয়েন্দা সূত্রে জানানো হয়েছে, নেপালে রাজতন্ত্রের সমর্থক হিসেবে চিহ্নিত ভারতীয়দের ওপর আঘাত হানার পরিকল্পনা হতে পারে। পাশাপাশি ভারতকে আন্দোলনের পেছনের ‘মদতদাতা’ হিসেবে তুলে ধরতে প্রচার চালানো হচ্ছে। এতে সাধারণ ভারতীয় ব্যবসায়ী, পর্যটক এবং নেপালে কর্মরত নাগরিকদের নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

দীর্ঘ সীমান্তে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে

নেপালের সঙ্গে ভারতের প্রায় ১,৭৫১ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে। উত্তরাখণ্ড, বিহার, উত্তরপ্রদেশ, সিকিম এবং পশ্চিমবঙ্গ – এই পাঁচটি রাজ্য নেপালের সঙ্গে সীমান্ত ভাগ করে। বর্তমান পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে সীমান্তে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। বিশেষ করে বিহারের নেপাল সীমান্তবর্তী সাতটি জেলায় সশস্ত্র সীমা বল (এসএসবি) এবং বিহার পুলিশ নজরদারি আরও জোরদার করেছে। সীমান্ত পেরিয়ে প্রবেশ করা যাত্রীদের নিরাপত্তা পরীক্ষা এবং সন্দেহজনক কার্যকলাপ নিয়ে অনুসন্ধান শুরু হয়েছে।

গোয়েন্দা সংস্থার সতর্কবার্তা

গোয়েন্দা সংস্থাগুলি আশঙ্কা প্রকাশ করেছে যে, নেপালে ভারত-বিরোধী মনোভাব ছড়াতে অর্থ, মাদক এবং অস্ত্র পাচারের মতো কৌশলও ব্যবহার হতে পারে। সীমান্তবর্তী অঞ্চলে নজরদারি বাড়ানো হলেও এটি যথেষ্ট নয় বলে মত নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের। তাঁরা কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় এবং সীমান্তে সমন্বিত নজরদারির পরামর্শ দিয়েছেন।

রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক প্রভাব

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নেপালের অস্থিরতা যদি দীর্ঘায়িত হয় তবে ভারত-নেপাল সম্পর্কের ওপর গুরুতর প্রভাব পড়তে পারে। বিদ্রোহীদের মধ্যে ভারত-বিরোধী প্রচারণা বৃদ্ধি পেলে দুই দেশের মধ্যে ব্যবসায়িক সম্পর্ক, পর্যটন এবং সাংস্কৃতিক বিনিময় ব্যাহত হতে পারে। পাশাপাশি সীমান্তে অনুপ্রবেশ, চোরাচালান এবং জঙ্গি কার্যকলাপও বাড়তে পারে।

স্থানীয় প্রশাসনের ভূমিকা

সীমান্তবর্তী অঞ্চলে স্থানীয় প্রশাসন ইতিমধ্যেই সতর্কতা জারি করেছে। গ্রামীণ এলাকায় সমন্বিত নিরাপত্তা টহল শুরু হয়েছে। সন্দেহজনক ব্যক্তি বা গোষ্ঠী নিয়ে রিপোর্ট করার জন্য গ্রামীণ জনগণকে সচেতন করা হচ্ছে। পাশাপাশি বাণিজ্য ও পরিবহনের জন্য নিরাপদ রুট নিশ্চিত করতে বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছে।

মানবাধিকার বনাম নিরাপত্তা

কিছু মানবাধিকার সংগঠন আশঙ্কা প্রকাশ করেছে যে, অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা সাধারণ নাগরিকের চলাফেরা সীমিত করতে পারে। তবে নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা এবং স্থিতিশীলতা বজায় রাখা সর্বাগ্রে গুরুত্বপূর্ণ। নিরাপত্তা ও মানবাধিকারের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রেখে কার্যক্রম পরিচালনার পরামর্শ দিয়েছেন তাঁরা।

বিশেষজ্ঞদের মতামত

রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থার এই হস্তক্ষেপ দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে। তাঁরা মনে করছেন, ভারতকে কূটনৈতিকভাবে আরও সক্রিয় হতে হবে এবং নেপালের বিভিন্ন রাজনৈতিক পক্ষের সঙ্গে সমন্বয় বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে সীমান্ত নিরাপত্তায় প্রযুক্তির ব্যবহার এবং তথ্য বিনিময় বাড়ানোর ওপর জোর দিয়েছেন তাঁরা।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর
👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook

নেপালের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হলেন সুশীলা কার্কি, ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক আরও মজবুত হতে পারে

নেপালের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হলেন সুশীলা কার্কি, ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক আরও মজবুত হতে পারে

নেপালের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হলেন সুশীলা কার্কি, ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক আরও মজবুত হতে পারে

আপডেট: ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ | Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো

সুশীলা কার্কির ছবি
নেপালের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান সুশীলা কার্কি। ছবি: Y বাংলা

ওলির পদত্যাগের পর নেতৃত্বে এলেন সুশীলা

নেপালের রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির পদত্যাগের পর দেশের অন্তর্বর্তী সরকারের নেতৃত্ব দেওয়ার দায়িত্ব পেয়েছেন সুশীলা কার্কি। তরুণ প্রজন্মের Gen Z আন্দোলনের সমর্থনে তাঁকে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে। এই নির্বাচন নেপালের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে।

ভারতের সঙ্গে ঐতিহাসিক সম্পর্ক

সুশীলা কার্কির সঙ্গে ভারতের দীর্ঘদিনের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। ছাত্রজীবনে তিনি ভারতের বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ে (BHU) পড়াশোনা করেছেন। সেই সময়ের স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে তিনি বলেন, “আমার ভারতে অনেক বন্ধু আছে। BHU-এর শিক্ষকদের আমি এখনও মনে রাখি। ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক অত্যন্ত পুরোনো এবং গভীর।” তাঁর এই বক্তব্য ভারতের সঙ্গে নেপালের সম্পর্ক আরও দৃঢ় করতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

ভারতের প্রতি কৃতজ্ঞতা

ভারতের ভূমিকা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি জানান, “ভারতীয় রাজনীতিবিদরা আমাকে মুগ্ধ করেন। ভারত আমাকে বোনের মতো ভাবে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিজিকে আমি নমস্কার জানাই। আমার তাঁর প্রতি ভাল ধারণা রয়েছে। ভারত নেপালকে বহু সাহায্য করেছে এবং সবসময় আমাদের মঙ্গল কামনা করেছে।”

Gen Z আন্দোলনের বিশ্বাস ও দায়িত্ব

Gen Z আন্দোলনের নেতৃত্ব তাঁকে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে বেছে নিয়েছে। এই নিয়ে তিনি বলেন, “Gen Z আন্দোলনকারীরা আমায় সময়ের জন্য সরকার পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে। আমি জাতীয় স্বার্থে কাজ করতে প্রস্তুত।” তরুণদের এই আস্থার কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, রাজনৈতিক পরিবর্তনের এই সময়ে দেশের স্থিতিশীলতা বজায় রাখাই তাঁর প্রথম লক্ষ্য।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতামত

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, সুশীলা কার্কির নেতৃত্ব নেপালের গণতান্ত্রিক পুনর্গঠনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। তাঁর ভারত-সংযোগ দুই দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক, শিক্ষাগত এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানোর সুযোগ তৈরি করবে। বিশেষ করে BHU-তে তাঁর শিক্ষাজীবনের অভিজ্ঞতা ভারতীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়ানোর জন্য একটি সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করতে পারে।

দুই দেশের সম্পর্কের ভবিষ্যৎ

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ভারতের সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত সম্পর্ক এবং ঐতিহাসিক বন্ধন নেপালের পররাষ্ট্রনীতিকে ভারসাম্যপূর্ণ রাখতে সাহায্য করবে। তিনি ভারতের রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন এবং দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা, বাণিজ্য এবং সাংস্কৃতিক বিনিময় বাড়ানোর কথা বলেছেন। এতে দুই দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক বিশ্বাসও বৃদ্ধি পাবে।

রাজনৈতিক চাপ ও চ্যালেঞ্জ

তবে নেপালের অন্তর্বর্তী সরকার পরিচালনার ক্ষেত্রে তাঁর সামনে বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে। দেশীয় রাজনৈতিক দলগুলোর সমর্থন নিশ্চিত করা, প্রশাসনিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতার জন্য ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক রক্ষা করা তাঁর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, Gen Z আন্দোলনের সমর্থন তাঁকে তরুণ ভোটারদের আস্থা এনে দিলেও রাজনৈতিক বাস্তবতা অনেক কঠিন।

মানবিক সম্পর্কের সেতুবন্ধন

সুশীলা কার্কি বলেন, “ভারত নেপালের বন্ধু। আমরা একে অপরের পাশে থাকি। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সংস্কৃতি ও অর্থনীতির ক্ষেত্রে সহযোগিতাই আমাদের সম্পর্কের ভিত্তি।” তাঁর কথায় ভারত ও নেপালের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতার ভিত্তি আরও শক্ত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তরুণ নেতৃত্বের নতুন দিশা

তরুণদের নিয়ে গড়ে ওঠা এই আন্দোলনের মাধ্যমে নেপালের রাজনীতিতে নতুন নেতৃত্বের সুযোগ তৈরি হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে এই নেতৃত্ব দেশের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করবে এবং উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিয়ে যাবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, Gen Z-এর এই রাজনৈতিক সক্রিয়তা দক্ষিণ এশিয়ায় নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতির সূচনা করতে পারে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর
👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

CAA-তে নাগরিকত্ব পেয়ে খুশি বাগদার প্রমথ রঞ্জন বিশ্বাস, তৃণমূলের প্রশ্ন ‘দু’একজন কেন পাচ্ছে?’

CAA-তে নাগরিকত্ব পেয়ে খুশি বাগদার প্রমথ রঞ্জন বিশ্বাস, তৃণমূলের প্রশ্ন ‘দু’একজন কেন পাচ্ছে?’

CAA-তে নাগরিকত্ব পেয়ে খুশি বাগদার প্রমথ রঞ্জন বিশ্বাস, তৃণমূলের প্রশ্ন ‘দু’একজন কেন পাচ্ছে?’

আপডেট: ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ | Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো

প্রমথ রঞ্জন বিশ্বাস নাগরিকত্ব সার্টিফিকেট হাতে
প্রমথ রঞ্জন বিশ্বাস নাগরিকত্ব সার্টিফিকেট পেয়ে উচ্ছ্বসিত। ছবি: Y বাংলা

বাংলাদেশ থেকে বাগদায় স্থায়ী জীবন শুরু

বাংলাদেশ থেকে ২০০৯ সালে ভারতে এসে বাগদার হেলেঞ্চা বৈঁচিডাঙাতে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন প্রমথ রঞ্জন বিশ্বাস। মতুয়া সম্প্রদায়ভুক্ত এই পরিবার দীর্ঘদিন ধরে ভারতীয় নাগরিকত্বের জন্য অপেক্ষা করছিল। কেন্দ্র সরকারের নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (CAA) কার্যকর হওয়ার পর তিনি নাগরিকত্ব পেতে আবেদন করার কথা ভাবেন এবং অবশেষে ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন করেন।

সব যাচাই-বাছাই শেষে নাগরিকত্ব পেলেন

প্রমথ রঞ্জন বিশ্বাসের আবেদন গ্রহণ করে সমস্ত রকম যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর সম্প্রতি তাঁকে নাগরিকত্বের সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়েছে। সার্টিফিকেট পেয়ে তিনি জানান, “আমি অত্যন্ত খুশি। এখন আর কেউ আমাকে ভারত থেকে বিতাড়িত করতে পারবে না। আমি একজন ভারতীয় নাগরিক, এবং ভারত সরকার আমাকে স্বীকৃতি দিয়েছে।”

ভয় ও প্ররোচনায় না গিয়ে আবেদন করুন – মতুয়াদের প্রতি বার্তা

নাগরিকত্ব সার্টিফিকেট পেয়ে তিনি মতুয়া সম্প্রদায়ের অন্যান্য সদস্যদের উদ্দেশ্যে বার্তা দেন। তাঁর বক্তব্য, “CAA নিয়ে অনেক বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। আমি কারও কথায় কান না দিয়ে আবেদন করেছি এবং কোনওরকম হয়রানি ছাড়াই নাগরিকত্ব পেয়েছি। আমার ভাতা বা সরকারি পরিষেবা বন্ধ হয়নি। তাই সবাইকে অনুরোধ করবো প্ররোচনায় না পড়ে আবেদন করুন।”

তৃণমূলের সংশয়: ‘দু’একজন কেন পাচ্ছে?’

বাগদা পশ্চিম ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অঘোর চন্দ্র হালদার বলেন, “আমরা চাই নিঃশর্ত নাগরিকত্ব। কেন্দ্র সরকার কিভাবে নাগরিকত্ব দিচ্ছে তা তাদের বিষয়। তবে প্রশ্ন হচ্ছে—অনেকে আবেদন করলেও দু’একজনকে কেন দেওয়া হচ্ছে? এটা কোনও গিমিক নয় তো?” তাঁর এই বক্তব্যে নাগরিকত্ব নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে।

BJP নেতাদের পাল্টা বক্তব্য

অন্যদিকে BJP নেতা বিধানচন্দ্র হাওলাদার অভিযোগ করেন, “তৃণমূল মানুষকে CAA নিয়ে ভুল বোঝাচ্ছে। প্রমথ রঞ্জন বিশ্বাস আবেদন করে নাগরিকত্ব পেয়েছেন। আগামী বিধানসভা নির্বাচনে মতুয়ারা নাগরিকত্ব পেলে আর তৃণমূলে ভোট দেবে না। এই ভয় থেকেই তাদের বিভ্রান্ত করা হচ্ছে।”

রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে মতুয়া সম্প্রদায়

CAA আইন কার্যকর হওয়ার পর থেকে মতুয়া সম্প্রদায়ের মধ্যে নাগরিকত্ব নিয়ে আলোচনা তীব্র হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নাগরিকত্বের জন্য অপেক্ষা করা পরিবারগুলো আবেদন করতে শুরু করলেও প্রশাসনিক জটিলতা, ভয়, এবং রাজনৈতিক বিভ্রান্তির কারণে অনেকেই এগোতে দ্বিধায় পড়ছেন। প্রমথ রঞ্জন বিশ্বাসের নাগরিকত্ব পেয়ে যাওয়ার ঘটনা একদিকে আশার আলো, অন্যদিকে রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে দাঁড়িয়েছে।

প্রমথবাবুর অভিজ্ঞতা অন্যদের জন্য দিশারী

প্রমথ রঞ্জন বিশ্বাস জানান, “আমার আবেদন সহজ হয়েছে। সমস্ত কাগজপত্র ঠিক থাকলে কোনও বাধা নেই। আমি সবাইকে বলবো, ভয় পাবেন না। যারা আবেদন করতে চান, এগিয়ে আসুন। নাগরিকত্ব পেতে কোনও প্রকার বাধা আসবে না।” তাঁর এই বক্তব্য মতুয়া সম্প্রদায়ের মধ্যে আশার বার্তা নিয়ে এসেছে।

রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়ছে

তৃণমূল, BJPসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল নাগরিকত্ব নিয়ে নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে শুরু করেছে। একদিকে তৃণমূল প্রশ্ন তুলছে—CAA কি নির্বাচনী কৌশল? অন্যদিকে BJP বলছে, প্রকৃত নাগরিকদের নাগরিকত্ব দিয়ে ভোটব্যাঙ্ক শক্তিশালী করাই তাদের লক্ষ্য। এই উত্তাপ আগামী বিধানসভা নির্বাচনের আগ পর্যন্ত চলবে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর
👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

মাথাপিছু ১৫–২০ কোটি টাকায় ভোট বিক্রির অভিযোগ! উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিরোধী শিবিরে ফাটল চওড়া

মাথাপিছু ১৫–২০ কোটি টাকায় ভোট বিক্রির অভিযোগ! উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিরোধী শিবিরে ফাটল চওড়া

মাথাপিছু ১৫–২০ কোটি টাকায় ভোট বিক্রির অভিযোগ! উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিরোধী শিবিরে ফাটল চওড়া, তদন্তের দাবিতে সরব কংগ্রেস

নয়াদিল্লি, ১০ সেপ্টেম্বর: দেশের উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। মঙ্গলবার সংসদে অনুষ্ঠিত ভোটাভুটির পর বিরোধী শিবিরের ভেতরেই ফাটল স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। বিজেপি নেতৃত্বাধীন NDA-র প্রার্থী সিপি রাধাকৃষ্ণনের পক্ষে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন I.N.D.I.A জোটের কিছু সাংসদ ভোট দিয়েছেন বলে স্পষ্ট ইঙ্গিত মিলেছে। এই ঘটনায় তদন্তের দাবি তুলেছেন কংগ্রেসের সিনিয়র নেতা মণীশ তিওয়ারি। পাশাপাশি ভোট কেনার অভিযোগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে তোলপাড় শুরু হয়েছে।

ভোটাভুটির ফলাফলে দেখা যায়, মোট ৭৮১ জন সংসদ সদস্যের মধ্যে ৭৬৮ জন ভোট দিয়েছেন। এর মধ্যে ১৫টি ভোট বাতিল হয়। বৈধ ভোটের মধ্যে রাধাকৃষ্ণন পেয়েছেন ৪৫২টি এবং বিরোধী শিবিরের প্রার্থী সুদর্শন রেড্ডি পেয়েছেন ৩০০টি ভোট। NDA-র সদস্য সংখ্যা ছিল ৪২৭ এবং I.N.D.I.A-র ছিল ৩২৪। YSR কংগ্রেসের ১১ জন সদস্য যদি NDA-র পক্ষে ভোট দিতেন, তাহলে রাধাকৃষ্ণনের প্রাপ্ত ভোট হওয়ার কথা ছিল ৪৩৮। কিন্তু তিনি ৪৫২ ভোট পেয়েছেন—অর্থাৎ বাড়তি ১৪টি ভোট পড়েছে তাঁর পক্ষে। কোন কারণে ১৫টি ভোট বাতিল হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

এই পরিস্থিতিতে বিরোধী শিবিরের অভ্যন্তরীণ ঐক্য নিয়ে প্রশ্ন ওঠেছে। কংগ্রেস সাংসদ মণীশ তিওয়ারি বলেছেন, “ক্রস ভোটিং হয়ে থাকলে তা গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা দরকার। এটি অত্যন্ত গুরুতর বিষয়। সত্যতা প্রমাণিত হলে তদন্ত হওয়া উচিত।”

তৃণমূলের লোকসভা দলনেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিতর্কে আগুনে ঘি ঢেলে বলেছেন, “গোপন ব্যালটে ভোট হওয়ায় নিশ্চিতভাবে বলা কঠিন কারা ক্রস ভোট দিয়েছে। তবে আমি কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলেছি। জানতে পেরেছি, ভোট কিনতে মাথাপিছু ১৫–২০ কোটি টাকা খরচ হয়েছে।” তিনি দাবি করেন, তাঁর দল রেড্ডির পক্ষে ভোট দিয়েছে। তবে তিনি এটাও বলেছেন, “বিজেপির পক্ষ থেকে আবারও চেষ্টা হয়েছে। তবে গোপন ভোটের কারণে সবটাই জল্পনা। হতে পারে বিরোধী শিবিরের কিছু ভোট বাতিল হয়েছে, কিন্তু ক্রস ভোটিং হয়েছে কিনা বলা কঠিন। তবুও ৫-৭ জন সাংসদ ক্রস ভোটিং করে থাকতে পারেন।”

অভিষেক আরও বলেন, কিছু দল বিশেষ করে রাজ্যসভায় এমন সাংসদ আছে যারা নিজেদের দল থেকে নির্বাচিত হলেও বিজেপির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ। আম আদমি পার্টির এক সদস্যের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, “বিক্রি হন তাঁরাই যারা বিক্রি হতে চান।”

এদিকে মহারাষ্ট্র থেকেও ক্রস ভোটিংয়ের গুঞ্জন ছড়িয়েছে। শরদ পওয়ার নেতৃত্বাধীন ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টির দিকে আঙুল তোলা হলেও সুপ্রিয়া সুলে তা নস্যাৎ করেন। তিনি বলেন, “গোপনে ভোট হওয়ায় এটা কীভাবে জানা যাচ্ছে? ভোট কারা দিয়েছে তা স্পষ্ট নয়। মহারাষ্ট্রকে বদনাম করা হচ্ছে।”

রাষ্ট্রীয় জনতা দলের নেতা তেজস্বী যাদব জানান, তাঁদের সাংসদরা বিরোধী প্রার্থীকে ভোট দিয়েছেন এবং কোনো গোলমাল হয়নি। তবে বিষয়টি পর্যালোচনা করে দেখা হবে।

অন্যদিকে, উদ্ধব ঠাকরের শিবসেনাও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। দলের সাংসদ অরবিন্দ সাওয়ন্ত বলেন, “যাঁরা অবৈধ ভোট দিয়েছেন তাঁরা শিক্ষিত না আহাম্মক? বিবেকের ডাকে সাড়া দিয়েছিলেন, নাকি ভোট বিক্রি করেছেন? এটা গুরুতর। বিজেপি বিশ্বাসঘাতকতার বীজ বপন করেছে। সব এজেন্সি তাদের দাসত্ব করছে। ব্ল্যাকমেলের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না।”

এদিকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু বিরোধীদের বিদ্রূপ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, “INDI জোটের সাংসদদের ধন্যবাদ যারা বিবেকের ডাকে সাড়া দিয়ে NDA প্রার্থী সিপি রাধাকৃষ্ণনকে ভোট দিয়েছেন। NDA ঐক্যবদ্ধ এবং দক্ষ নেতৃত্বের পক্ষে সবাই একযোগে কাজ করছে।”

বর্তমানে রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে—গোপন ব্যালটে ভোট দেওয়ার পরও কীভাবে ক্রস ভোটিংয়ের ঘটনা সামনে আসছে এবং এর পেছনে কতটা অর্থের লেনদেন জড়িত থাকতে পারে। বিরোধী শিবিরের ঐক্য নিয়ে সন্দেহ, ভোট কেনার অভিযোগ এবং তদন্তের দাবি—এসব নিয়ে আগামী দিনগুলো আরও উত্তপ্ত হতে পারে।

অগ্নিগর্ভ নেপাল: ছোট্ট ঘটনা কীভাবে যুবসমাজের ক্ষোভে বিস্ফোরণ ঘটাল?

অগ্নিগর্ভ নেপাল: ছোট্ট ঘটনা কীভাবে যুবসমাজের ক্ষোভে বিস্ফোরণ ঘটাল?

অগ্নিগর্ভ নেপাল: ছোট্ট ঘটনা কীভাবে যুবসমাজের ক্ষোভে বিস্ফোরণ ঘটাল?

আপডেট: ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ | Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো

নেপালে বিক্ষোভ

ছোট্ট দুর্ঘটনা থেকে শুরু হওয়া ক্ষোভ এখন নেপালের রাজনীতিকে অগ্নিগর্ভ করেছে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

ঘটনার সূত্রপাত: দুর্ঘটনা, অবহেলা এবং ক্ষোভের আগুন

নেপালের ললিতপুর জেলার হরিসিদ্ধিতে আগস্ট মাসে ঘটে যাওয়া এক ছোট্ট দুর্ঘটনা দেশজুড়ে বিক্ষোভের আগুনে ঘি ঢেলে দিয়েছে। রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে থাকা ১১ বছরের এক নাবালিকাকে ধাক্কা মেরে পালিয়ে যায় এক মন্ত্রীর গাড়ির চালক। গুরুতর আহত হয় সেই শিশু। স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে চালককে ধরে ফেললেও মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এই ঘটনাই সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভের বীজ বপন করে।

প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্য: ‘ছোট ঘটনা’—আগুনে ঘি

প্রধানমন্ত্রী কেপি ওলি ঘটনাটিকে ‘ছোট ঘটনা’ বলে মন্তব্য করেন। তাঁর এই মন্তব্য জনমনে তীব্র ক্ষোভ তৈরি করে। শিশুটির দুর্ঘটনার ছবি সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়। #JusticeForTheGirl এবং #HatyaraSarkar হ্যাশট্যাগ দ্রুত ট্রেন্ডিং হতে থাকে। সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ সরকারের প্রতি আস্থাহীন হয়ে পড়েন।

বেকারত্ব, দুর্নীতি ও ক্ষোভের বারুদ

এর আগে থেকেই বেকারত্ব এবং দুর্নীতির কারণে যুব সমাজ সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ পোষণ করছিল। ছোট্ট দুর্ঘটনাটি যেন তাদের দীর্ঘদিনের হতাশার বহিঃপ্রকাশ ঘটায়। রাজনৈতিক নেতাদের প্রতি অবিশ্বাস এবং প্রশাসনের দুর্বলতা তাদের প্রতিবাদে রূপান্তরিত হয়।

সিরিয়ার গৃহযুদ্ধের স্মৃতি: ছোট্ট ঘটনা থেকে যুদ্ধ

এই পরিস্থিতি বিশ্ব ইতিহাসের অন্য এক ঘটনার কথা মনে করিয়ে দেয়। সিরিয়ায় ১৪ বছর বয়সি মুয়াবিয়া সায়াসনেহ তাঁর গলির দেওয়ালে রাষ্ট্রপতি বাশার আল-আসাদকে উদ্দেশ করে ‘এ বার আপনার পালা, ডক্টর’ গ্রাফিতি আঁকেন। গ্রেপ্তার হয়ে নির্যাতনের শিকার হওয়ার পর তা গৃহযুদ্ধের সূচনা ঘটায়। নেপালের বর্তমান পরিস্থিতির সঙ্গে এই ঘটনার গভীর মিল রয়েছে।

সমাজমাধ্যম নিষেধাজ্ঞা: প্রতিবাদের আগুন আরও জ্বলে ওঠে

সবচেয়ে বড় আঘাত আসে সমাজমাধ্যম বন্ধ করে দেওয়ায়। গত ৪ সেপ্টেম্বর নেপাল সরকার ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপসহ ২৬টি প্ল্যাটফর্ম নিষিদ্ধ করে। এতে জেন জ়ির প্রতিবাদ আরও তীব্র হয়। যোগাযোগের মাধ্যম বন্ধ হওয়ায় ক্ষোভ বিস্ফোরিত হয়ে ওঠে।

যুব সমাজের নেতৃত্ব: অরাজনৈতিক কিন্তু প্রজ্বলিত

জেন জ়ি আন্দোলনের নেতৃত্ব স্পষ্টভাবে জানায়, তারা নিরপেক্ষ থাকতে চায়। কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নেতৃত্বে দেখতে চায় না। তাদের বক্তব্য—সরকারের দুর্নীতি, প্রশাসনের ব্যর্থতা এবং সমাজমাধ্যম বন্ধ করা দেশের গণতন্ত্রকে বিপন্ন করছে।

পরিণতি: সেনার শাসন ও পলাতক প্রধানমন্ত্রী

ক্রমশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। সেনাবাহিনী দেশ নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। প্রধানমন্ত্রী পালিয়ে যান। সংসদের অলিন্দে সাধারণ মানুষের ক্ষোভের আগুন পৌঁছে যায়। নেপাল আজ অগ্নিগর্ভ। এই ঘটনা কেবল এক দুর্ঘটনা নয়; এটি সরকারের প্রতি দীর্ঘদিনের অবিশ্বাস এবং অবহেলার চূড়ান্ত বিস্ফোরণ।

বিশ্বের নজরে নেপালের সংকট

বিশ্বের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম নেপালের ঘটনাকে সিরিয়ার গৃহযুদ্ধের মতো ঐতিহাসিক পরিস্থিতির সঙ্গে তুলনা করছে। তরুণদের নেতৃত্ব, দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং যোগাযোগের স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়ার বিরুদ্ধে সমাজমাধ্যমে বিস্ফোরিত হওয়া প্রতিরোধ আন্দোলন আন্তর্জাতিকভাবে আলোচিত।

আগামী দিনের প্রশ্ন

  • সরকার কি সংস্কারের পথে হাঁটবে?
  • সমাজমাধ্যম নিষেধাজ্ঞা কি তুলে নেওয়া হবে?
  • যুব সমাজের দাবিকে কীভাবে গুরুত্ব দেওয়া হবে?
  • আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় নেপালের গণতন্ত্র রক্ষায় কী ভূমিকা নেবে?

নেপালের পরিস্থিতি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়—একটি ছোট ঘটনা কখনও কখনও ইতিহাসের গতিপথ বদলে দিতে পারে। ক্ষোভের আগুনকে দীর্ঘদিন উপেক্ষা করলে তা একসময় বিস্ফোরণে রূপ নেয়।

ইমানুয়েল ম্যাক্রঁর পদত্যাগ দাবি নিয়ে ফ্রান্স উত্তাল, গ্রেপ্তার অন্তত ২০০

ইমানুয়েল ম্যাক্রঁর পদত্যাগ দাবি নিয়ে ফ্রান্স উত্তাল, গ্রেপ্তার অন্তত ২০০ | Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো

ইমানুয়েল ম্যাক্রঁর পদত্যাগ দাবি নিয়ে ফ্রান্স উত্তাল, গ্রেপ্তার অন্তত ২০০

আপডেট: ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ | Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো

ফ্রান্সে বিক্ষোভ

ছবি: ফ্রান্সে প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রঁর পদত্যাগ দাবিতে বিক্ষোভ চলছে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর
👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

বিক্ষোভের সূত্রপাত

বুধবার সকাল থেকেই ফ্রান্স উত্তাল। রাজধানী প্যারিসসহ বিভিন্ন শহরে জনগণ রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। কারণ, ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রঁ তাঁর ঘনিষ্ঠ সহযোগী সেবাস্তিয়াঁ লুকোনুকে নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা করেছেন। এই ঘোষণার পর থেকেই নাগরিকদের মধ্যে অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়ে। লুকোনুর রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে জনতা তাঁকে বিরোধিতা করেন। এর ফলে নানা স্থানে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ এবং সরকারি সম্পত্তির ক্ষতি হয়।

‘Bloquons Tout’ – অবরোধের ডাক

বিক্ষোভকারীরা “Bloquons Tout” অর্থাৎ “সব কিছু অবরোধ করে দিন” স্লোগান তুলে আন্দোলন শুরু করেন। তাঁরা দাবি করেন, ম্যাক্রঁ পদত্যাগ করুন এবং দেশের জনগণের মতামতকে সম্মান দিন। নানা শহরে রাস্তা অবরোধ, গণপরিবহনে আগুন, ট্রেনের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা এবং পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিক্ষোভের ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে এবং তা দ্রুত ভাইরাল হয়।

গ্রেপ্তার অন্তত ২০০ জন

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ছুড়ে এবং পরিস্থিতি সামাল দিতে শক্তি প্রয়োগ করে। সংবাদ সংস্থা সূত্রে জানা গেছে, অন্তত ২০০ জন বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্যারিসসহ অন্যান্য শহরে আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রায় ৮০ হাজার নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। প্যারিসেই মোতায়েন করা হয়েছে প্রায় ৬ হাজার নিরাপত্তারক্ষী।

রাজনৈতিক পটভূমি

গত সোমবার আস্থা ভোটে পরাজিত হয়ে ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী ফ্রাসোঁয়া বাইরু পদত্যাগ করেন। এর পর ম্যাক্রঁ তাঁর ঘনিষ্ঠ সহযোগী সেবাস্তিয়াঁ লুকোনুকে পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মনোনীত করেন। মাত্র ৩৯ বছর বয়সী লুকোনু গত দুই বছরের মধ্যে ফ্রান্সের পঞ্চম প্রধানমন্ত্রী। তাঁর নিয়োগের মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক অস্থিরতা আরও বৃদ্ধি পায় এবং জনগণের মধ্যে অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়ে।

বিক্ষোভের লক্ষ্য এবং জনগণের দাবি

বিক্ষোভকারীরা সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, জনস্বার্থ উপেক্ষা এবং রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তোলেন। তাঁদের দাবি, ম্যাক্রঁ জনগণের সমস্যা সমাধানে ব্যর্থ হয়েছেন এবং নতুন নেতৃত্ব চাই। তাঁরা নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান। আন্দোলনের নেতৃত্ব ঘোষণা করেছে যে এই বিক্ষোভ শুধু পদত্যাগ দাবির জন্য নয়, বরং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষার জন্যও।

ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতিক্রিয়া

ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রুনো রিটেইল্যু বিক্ষোভের নিন্দা জানিয়ে বলেন, “বিদ্রোহের পরিবেশ তৈরির চেষ্টা চলছে।” তাঁর দাবি, এই আন্দোলন দেশের শান্তি ও শৃঙ্খলা বিনষ্ট করতে চায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য সরকার দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছে এবং নাগরিকদের আইন মানতে আহ্বান জানানো হয়েছে।

ম্যাক্রঁর অবস্থান

বিক্ষোভের মধ্যেও প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রঁ স্পষ্ট করেছেন যে তিনি পদত্যাগ করবেন না। ২০২২ সালে ফের নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই তাঁর বিরুদ্ধে পদত্যাগের দাবি ওঠে। তবে তিনি জনগণের কল্যাণে কাজ করতে এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে তাঁর অবস্থান দৃঢ় রেখেছেন। ম্যাক্রঁ জানান, দেশের সমস্যা সমাধানে তিনি কাজ করবেন এবং গণতন্ত্র রক্ষায় অটল থাকবেন।

আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া

ফ্রান্সের এই পরিস্থিতি বিশ্ব রাজনীতির নজর কেড়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিভিন্ন নেতা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা গণতন্ত্রের প্রতি শ্রদ্ধা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। পাশাপাশি মানবাধিকার সংস্থাগুলি শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং সংলাপের মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের পক্ষে মত দিয়েছে।

আগামী দিনগুলোতে কী হতে পারে?

বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান অশান্তি যদি দীর্ঘস্থায়ী হয়, তাহলে ফ্রান্সের অর্থনীতি, পর্যটন এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। তবে একইসঙ্গে শান্তিপূর্ণ সমাধানের উদ্যোগ গ্রহণ করলে পরিস্থিতি স্থিতিশীল হতে পারে। সরকার ও নাগরিক সমাজের মধ্যে সংলাপ অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

আমরা নজর রাখছি ফ্রান্সের রাজনৈতিক এই সংকটের প্রতিটি ধাপে। Y বাংলায় থাকুন, আপডেট জানুন।

সুশীলা কার্কিকে নেপালের পরবর্তী অন্তর্বর্তিকালীন সরকারপ্রধান করতে চাইছে Gen Z

সুশীলা কার্কিকে নেপালের পরবর্তী অন্তর্বর্তিকালীন সরকারপ্রধান করতে চাইছে Gen Z | Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো

সুশীলা কার্কিকে নেপালের পরবর্তী অন্তর্বর্তিকালীন সরকারপ্রধান করতে চাইছে Gen Z

আপডেট: ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ | Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো

সুশীলা কার্কি

ছবি: নেপালের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কি – Gen Z আন্দোলনের পছন্দ

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর
👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

সব কিছু ঠিক থাকলে সুশীলা কার্কিই নেতৃত্বে

নেপালের রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত। সেনা নেতৃত্ব দেশের নিয়ন্ত্রণ নিলেও আগামী অন্তর্বর্তিকালীন সরকারের প্রধান কে হবেন তা নিয়ে নানা আলোচনা চলছে। এই প্রেক্ষাপটে Gen Z আন্দোলনের নেতৃত্ব একমত হয়েছে যে, প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কিকে অন্তর্বর্তিকালীন সরকারের প্রধান হিসেবে বেছে নেওয়া হবে। তবে সেনা নেতৃত্ব তাঁকে সমর্থন করবে কিনা তা এখনও স্পষ্ট নয়। একইসঙ্গে, সুশীলা কার্কি নিজে এই প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।

Gen Z-এর ভার্চুয়াল সভায় ব্যাপক অংশগ্রহণ

মঙ্গলবার রাত থেকে সেনাবাহিনী দেশের নিয়ন্ত্রণ নেয়। এরপর বুধবার Gen Z আন্দোলনের নেতৃত্ব অনলাইনে একটি ভার্চুয়াল সভা করে অন্তর্বর্তিকালীন সরকারের নেতৃত্ব নিয়ে আলোচনা করে। এই সভায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ৪,০০০-এরও বেশি তরুণ-তরুণী অংশ নেন। বিদেশে অবস্থানকারী নেপালিরাও Zoom কলে যুক্ত হয়ে মতামত জানান। আলোচ্যসূচির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল – কীভাবে অন্তর্বর্তিকালীন সরকারকে নিরপেক্ষ রাখা যায় এবং এমন নেতৃত্ব বেছে নেওয়া যায় যিনি জনআস্থা অর্জন করতে পারবেন।

কেন সুশীলা কার্কিকে বেছে নেওয়া হল?

সভায় নেতৃত্ব জানায়, Gen Z আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য হল রাজনৈতিকভাবে নিরপেক্ষ থেকে দেশের শৃঙ্খলা ফেরানো। রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত কেউ এই পদে থাকলে আন্দোলনের বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষুণ্ণ হবে। সুশীলা কার্কি বর্তমানে কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত নন এবং বিচারবিভাগে তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি নাগরিক অধিকার নিয়ে কাজ করেছেন এবং তাঁর ভাবমূর্তি নির্ভুল, স্বচ্ছ এবং নিরপেক্ষ। ফলে তাঁকেই অন্তর্বর্তিকালীন সরকারের নেতৃত্বের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত মনে করা হয়েছে।

অন্য নামগুলিও আলোচনায় ছিল

আলোচনার সময় কাঠমান্ডুর মেয়র বলেন্দ্র শাহ এবং যুব নেতা সাগর ধকলের নামও সামনে আসে। তবে অংশগ্রহণকারীরা মনে করেন বর্তমান সংকটের সময় সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জনের জন্য এমন একজন নেতার প্রয়োজন যিনি রাজনৈতিকভাবে নিরপেক্ষ এবং স্বচ্ছ ভাবমূর্তির অধিকারী। ফলে সুশীলা কার্কির নামই সর্বাধিক সমর্থন পায়।

সেনাপ্রধানের প্রস্তাব বাতিল

এর আগে সেনাপ্রধান অশোকরাজ সিগডেল Gen Z নেতৃত্বকে রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টির সঙ্গে কথা বলতে এবং প্রাক্তন মাওবাদী নেতা দুর্গা প্রসাইয়ের নাম বিবেচনা করতে বলেন। কিন্তু তরুণরা সেই প্রস্তাব নাকচ করে দেয়। তাঁদের মতে, রাজনৈতিক অ্যাজেন্ডায় যুক্ত ব্যক্তির ওপর আস্থা রাখা যাবে না। ফলে তারা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেয় যে নিরপেক্ষ, নাগরিক নেতৃত্বের প্রয়োজন।

রাজনীতির বাইরে নেতৃত্বের প্রয়োজনীয়তা

Gen Z আন্দোলনের অন্যতম লক্ষ্য ছিল রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব থেকে মুক্ত একটি অন্তর্বর্তিকালীন নেতৃত্ব গঠন। তাঁদের দাবি, দেশের সাধারণ মানুষ দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক অসহযোগিতা, দুর্নীতি এবং পক্ষপাতিত্বের শিকার। সুশীলা কার্কির মতো একজন ব্যক্তিকে নেতৃত্বে আনলে আন্তর্জাতিক মহলেও নেপালের গ্রহণযোগ্যতা বাড়বে এবং দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত হবে।

সেনা নেতৃত্বের ভূমিকা ও সামনে চ্যালেঞ্জ

যদিও সেনা নেতৃত্ব ইতিমধ্যেই দেশের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে, তারা এই প্রস্তাবে সম্মতি দেবে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলির আপত্তি, আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক চাপ এবং অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা বজায় রাখা – এই তিনটি চ্যালেঞ্জ সামনে রয়েছে। তবে সেনা নেতৃত্বের সঙ্গে Gen Z নেতৃত্বের সমন্বয় ঘটলে নেপাল একটি স্থিতিশীল প্রশাসনিক কাঠামো পেতে পারে।

ভবিষ্যৎ নিয়ে আশার আলো

Gen Z নেতৃত্বের এই উদ্যোগ নেপালের তরুণ প্রজন্মের রাজনৈতিক সচেতনতা এবং নাগরিক অংশগ্রহণের এক অনন্য উদাহরণ। তারা জানিয়ে দিয়েছে যে গণতন্ত্র টিকিয়ে রাখতে রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। সুশীলা কার্কির মতো একজন সম্মানিত, নিরপেক্ষ নেতার নেতৃত্বে অন্তর্বর্তিকালীন সরকার গঠন নেপালের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে সুসংহত করতে সাহায্য করতে পারে।

আমরা নজর রাখছি নেপালের রাজনৈতিক এই ঐতিহাসিক পরিবর্তনের প্রতিটি ধাপে। আপডেট পেতে Y বাংলায় চোখ রাখুন।

দেশজুড়ে ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধন শুরু, রাজনৈতিক সংঘাতের আশঙ্কা

দেশজুড়ে ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধন শুরু, রাজনৈতিক সংঘাতের আশঙ্কা | Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো

দেশজুড়ে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন শুরু, রাজনৈতিক সংঘাতের আশঙ্কা

আপডেট: ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ | Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো

ভোটার তালিকার সংশোধন

ছবি: ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রস্তুতি – নির্বাচন কমিশনের বৈঠকের দৃশ্য

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর
👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধন বা এসআইআর কী?

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (Special Intensive Revision – এসআইআর) হল এমন একটি প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে ভোটার তালিকাকে আরও নির্ভুল, আপডেট এবং প্রযুক্তিনির্ভরভাবে যাচাই করা হয়। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের মতে, প্রকৃত ভোটার যাতে তালিকায় যুক্ত থাকেন এবং অপ্রাসঙ্গিক বা মিথ্যা নাম বাদ দেওয়া যায়, তার জন্য এই প্রক্রিয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিহারে এই প্রক্রিয়ার সময় বিপুল সংখ্যক ভোটারের নাম বাদ যাওয়ার অভিযোগ উঠেছিল, যা নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়। সেই অভিজ্ঞতা মাথায় রেখে এবারের সংশোধন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হচ্ছে।

জাতীয় নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ

কমিশনের পক্ষ থেকে সম্প্রতি একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় দিল্লিতে। সেখানে সমস্ত রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের (CEO) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে পরিকাঠামোগত প্রস্তুতি শেষ করতে হবে। যদিও তালিকা সংশোধনের প্রকৃত কাজ শুরু হবে অক্টোবরে, তবে নির্দিষ্ট দিন এখনও ঘোষণা করা হয়নি। দেশের সব রাজ্য একযোগে প্রক্রিয়া শুরু করবে, নাকি প্রথমে ভোট আসন্ন রাজ্যগুলিতে শুরু হবে, তা স্পষ্ট নয়।

কোন কোন রাজ্য আগে শুরু করতে পারে?

আগামী বছরে পশ্চিমবঙ্গ, তামিলনাড়ু, অসম, কেরল ও পন্ডিচেরিতে বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে। ফলে এই রাজ্যগুলিতে এসআইআর আগে চালু হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। পশ্চিমবঙ্গে এই প্রক্রিয়া শুরু হলে রাজনৈতিক বিরোধিতা বাড়বে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তৃণমূল কংগ্রেস ইতিমধ্যেই এই প্রক্রিয়ার বিরোধিতা করছে এবং নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তীব্র আপত্তি

উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য এই বিতর্ককে আরও উসকে দিয়েছে। তিনি বলেন, "এসআইআর ২-৩ মাসের কাজ নয়। এটা করতে গেলে ২-৩ বছর সময় লাগে। নির্বাচন কমিশন বিজেপির হয়ে কাজ করছে।" তাঁর এই অভিযোগ নির্বাচনী নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। তৃণমূল নেতৃত্ব আগেও একাধিকবার নির্বাচন কমিশনের পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলেছে। তবে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে যে রাজ্য প্রস্তুত এবং প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো ও কর্মীবাহিনী প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

বিহারের অভিজ্ঞতা – ৬৫ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ

বিহারে এসআইআর চালু হওয়ার সময় প্রায় ৬৫ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ গেছে বলে বিরোধীরা অভিযোগ তোলে। যদিও নির্বাচন কমিশনের দাবি ছিল, মিথ্যা বা অপ্রাসঙ্গিক নাম বাদ দিয়ে প্রকৃত ভোটারদের তালিকা সঠিক রাখা হয়েছে। কমিশনের এক কর্তা জানিয়েছেন, অতীতে যেমন ২০০২ সালে বাংলায় ৪ কোটি ৫৮ লক্ষ ভোটারের মধ্যে প্রায় ২৮ লক্ষ নাম বাদ গিয়েছিল, তেমন ভুল যাতে আর না হয়, তার জন্য উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে।

প্রযুক্তির ভূমিকা ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ

এসআইআর প্রক্রিয়ায় এবার উন্নত সফটওয়্যার, বায়োমেট্রিক যাচাই, আধুনিক ডেটা বিশ্লেষণ এবং অনলাইনে যাচাই করার সুযোগ বাড়ানো হচ্ছে। উদ্দেশ্য হল ভোটার তালিকা এমনভাবে সাজানো যাতে প্রকৃত নাগরিকরা ভোট দেওয়ার সুযোগ পান এবং ভোট কারচুপি কমানো যায়। তবে রাজনৈতিক মেরুকরণ, তথ্য যাচাইয়ের ঘাটতি এবং প্রশাসনিক দক্ষতা এই প্রক্রিয়ার বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে। বিশেষত পশ্চিমবঙ্গের মতো রাজ্যে এই প্রক্রিয়া বিরোধিতার মুখে পড়তে পারে।

রাজনৈতিক সংঘাতের সম্ভাবনা

মুখ্যমন্ত্রীর আপত্তির ফলে নির্বাচন কমিশনের ওপর চাপ বাড়ছে। ইতিমধ্যেই বিরোধী দলগুলো কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। তবে কমিশন জানিয়েছে, অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে প্রযুক্তিনির্ভর পদ্ধতিতে এই সংশোধন করা হবে। তবুও নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকা নিয়ে বিরোধিতা বাড়লে রাজনৈতিক সংঘাত তীব্র হতে পারে।

ভবিষ্যতের জন্য কী বার্তা?

ভোটার তালিকার নির্ভুলতা শুধু নির্বাচনী প্রক্রিয়াকেই প্রভাবিত করে না, বরং গণতান্ত্রিক স্থিতিশীলতার জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। স্বচ্ছতা বজায় রেখে তালিকা সংশোধন হলে ভোটারের আস্থা বাড়বে। তবে রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ এই প্রক্রিয়ার বিশ্বাসযোগ্যতা কমিয়ে দিতে পারে। কমিশনের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হল প্রশাসনিক দক্ষতা ও নিরপেক্ষতার ভারসাম্য বজায় রেখে তালিকা সংশোধন করা।

আমরা নজর রাখছি এই প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপে। আপডেট পেতে চোখ রাখুন Y বাংলায়।

Featured post

Y বাংলা ব্যুরো: ভোটার তালিকা সংশোধনে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডে না নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা সংশোধন (SIR, ২০২৬) প্রক্রিয়ায় ম...

Search This Blog