Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Sunday, 14 September 2025

বিকেল ৪টা ৪১ মিনিটে আসামের উদালগুড়ি জেলায় ৫.৮ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে

২০২৫ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর রবিবার, বিকেল ৪টা ৪১ মিনিটে আসামের উদালগুড়ি জেলায় ৫.৮ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। ভূমিকম্পের গভীরতা ছিল মাত্র ৫ কিলোমিটার, ফলে এর প্রভাব ছিল ব্যাপক। উদালগুড়ি, শোণিতপুর, গোহপুর, নগাঁও, হোজাই, দরং, রঙিয়া, ঢেকিয়াজুলি, বিশ্বনাথ, কাৰ্বি আংলং, নলবাড়ি সহ রাজ্যের বিভিন্ন এলাকা থেকে বাড়ির দেয়ালে ফাটল ধরার খবর এসেছে। এছাড়া মণিপুর, মেঘালয়, নাগাল্যান্ডেও কম্পনের অনুভূতি হয়েছে। ভূমিকম্পের পরপরই ৪টা ৫৮ মিনিটে ৩.১ মাত্রার, এবং ৫টা ২১ মিনিটে ২.৯ মাত্রার দুটি আফটারশক অনুভূত হয়। আফটারশকগুলোর উৎসস্থল ছিল যথাক্রমে উদালগুড়ি ও শোণিতপুর। এই আফটারশকগুলোর গভীরতা ছিল ৫ কিলোমিটার। রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (ASDMA) ক্ষয়ক্ষতির তথ্য সংগ্রহের জন্য হেল্পলাইন চালু করেছে। যে নম্বরগুলোতে যোগাযোগ করা যাবে তা হলো: ১০৭৯, ১০৭০, ৯৪০১০৪৪৬১৭। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভূমিকম্পের পরপরই রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি বলেন, "রাজ্য সরকার ও কেন্দ্রীয় সরকার একযোগে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা করবে।" এখনও পর্যন্ত কোনো প্রাণহানি বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। তবে ভূমিকম্পের তীব্রতা ও আফটারশকগুলোর কারণে আতঙ্কিত হয়ে অনেকেই বাড়ির বাইরে বেরিয়ে আসেন। উল্লেখযোগ্য যে, আসাম ভূমিকম্পের জন্য উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলের মধ্যে পড়ে। এখানে ২০২১ সালে ৬.৪ মাত্রার ভূমিকম্পের ফলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। তবে এবারের ভূমিকম্পের পর ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তুলনামূলকভাবে কম ছিল। ভূমিকম্পের পরবর্তী পরিস্থিতি সম্পর্কে আরও তথ্য জানাতে ASDMA ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কাজ করছে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

মণিপুরে মোদীর সফরের সমালোচনা: কুকি বিধায়কের তীব্র প্রতিক্রিয়া

মণিপুরে মোদীর সফরের সমালোচনা: কুকি বিধায়কের তীব্র প্রতিক্রিয়া | Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো

মণিপুরে মোদীর সফরের সমালোচনা: কুকি বিধায়কের তীব্র প্রতিক্রিয়া

আপডেট: ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

মণিপুর সফরে প্রধানমন্ত্রী

ছবি: মণিপুর সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী – কুকি বিধায়কের সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দু

মণিপুর সফর নিয়ে কুকি নেতার অসন্তোষ

মণিপুরে বর্তমানে রাজনৈতিক ও সামাজিক উত্তেজনা চরমে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সংক্ষিপ্ত চূড়াচাঁদপুর সফর নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিজেপির কুকি বিধায়ক পাউলিয়েনলাল হাওকিপ। রবিবার তিনি প্রকাশ্যে বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর এই সফর সরকারি সম্পদের অপচয় ছাড়া আর কিছু নয়। তিনি না কুকি জনগোষ্ঠীর অভিযোগ শুনেছেন, না দলের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন।”

সরকারি সম্পদের অপচয় – হাওকিপের বক্তব্য

হাওকিপ স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “এমন সফরের কোনও তাৎপর্য নেই। সরকারের অর্থ ব্যয় করা হচ্ছে শুধুমাত্র প্রদর্শনের জন্য। মাঠে বাস্তব সমস্যা রয়ে যাচ্ছে সমাধানহীন।” তিনি আরও বলেন, “আমরা প্রত্যাশা করেছিলাম প্রধানমন্ত্রী এসে কুকি জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা, ভূমি অধিকার ও পুনর্বাসন নিয়ে আলোচনা করবেন। কিন্তু তা না হয়ে এটি একপ্রকার রাজনৈতিক অনুষ্ঠান ছাড়া আর কিছু নয়।”

কুকি জনগোষ্ঠীর অভিযোগ উপেক্ষা

মণিপুরে দীর্ঘদিন ধরে জাতিগত দ্বন্দ্ব, প্রশাসনিক অবহেলা এবং নিরাপত্তা সংকট চলছে। কুকি সম্প্রদায়ের অভিযোগ, তারা সহিংসতা, বাস্তুচ্যুতি এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের মুখে পড়লেও কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাদের কথা শোনেনি। হাওকিপের মতে, এই সফর কেবলমাত্র ক্ষমতার প্রদর্শনী এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর বাস্তব সমস্যাকে উপেক্ষা করার উদাহরণ।

রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নাকি উন্নয়ন?

হাওকিপ আরও বলেন, “এই সফরের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব হয়তো রাজনীতির ভিত্তি শক্ত করতে চাইছে, কিন্তু উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি কোথায়? যে অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে সহিংসতা চলছে, সেখানে নিরাপত্তা নিশ্চিত না করে সফর করা অর্থহীন।” তাঁর অভিযোগ, সরকারের উদ্দেশ্য সমস্যা সমাধান নয় বরং নির্বাচনী লাভ।

অন্য দলের প্রতিক্রিয়া

মণিপুরের অন্যান্য রাজনৈতিক দলও কুকি সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের বক্তব্যকে সমর্থন করছে। তারা বলছে, সংলাপ ছাড়া সমাধান সম্ভব নয়। কংগ্রেস, ন্যাশনাল পিপলস পার্টি এবং নাগরিক সংগঠনগুলো দাবি তুলেছে, মণিপুরের বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলির পুনর্বাসন, নিরাপত্তা প্রদান এবং প্রশাসনিক সংস্কার না হলে রাজনৈতিক সফরের কোনও অর্থ নেই।

জাতিগত সংঘাতের পটভূমি

মণিপুর বহু জাতিগোষ্ঠীর বাসভূমি। সেখানে কুকি এবং ম্যতেই সম্প্রদায়ের মধ্যে দীর্ঘদিনের উত্তেজনা রয়েছে। ভূমি, অর্থনৈতিক সুযোগ এবং রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব নিয়ে দ্বন্দ্ব বারবার সহিংসতায় রূপ নিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু হাওকিপের বক্তব্যে উঠে এসেছে যে সমস্যাগুলি সমাধানের বদলে কেবলমাত্র প্রোটোকল-নির্ভর সফরে রাজনৈতিক বার্তা দেওয়া হচ্ছে।

মানবাধিকার নিয়ে প্রশ্ন

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মণিপুরে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ বহুদিনের। নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলি বারবার রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। এই পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক নেতৃত্বের উচিত সংঘাত নিরসনে কাজ করা। কিন্তু সংক্ষিপ্ত সফর এই দায়িত্বের প্রতি অবহেলা নির্দেশ করছে বলে মত দিয়েছেন বিশ্লেষকরা।

প্রধানমন্ত্রীর সফরের সময়সূচি নিয়ে প্রশ্ন

হাওকিপের অভিযোগ, “প্রধানমন্ত্রী মাত্র কয়েক ঘণ্টার জন্য চূড়াচাঁদপুরে অবস্থান করেন। তিনি স্থানীয় প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেননি, জরুরি মানবিক সহায়তা নিয়ে আলোচনা করেননি। সফর কেবলমাত্র আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ থেকেছে।” এই সফরকে কেন্দ্র করে সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি কতটা কার্যকর?

বিশ্লেষকরা বলছেন, উন্নয়ন পরিকল্পনা তখনই ফলপ্রসূ হয় যখন তা স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে। কেবল রাজনৈতিক সফরের মাধ্যমে উত্তেজনা প্রশমিত করা যায় না। স্থায়ী শান্তি ও উন্নয়নের জন্য সমাধানমুখী আলোচনা অপরিহার্য। এই দিক থেকে পাউলিয়েনলাল হাওকিপের বক্তব্য আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে।

প্রান্তিক জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা

কুকি সম্প্রদায়ের মধ্যে অনেকেই আশা করেছিলেন, প্রধানমন্ত্রী তাদের নিরাপত্তা এবং পুনর্বাসন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবেন। কিন্তু তা না হওয়ায় হতাশা ছড়িয়েছে। স্থানীয় মানুষের মতে, প্রশাসনের অপ্রতুলতা এবং রাজনৈতিক দূরত্ব সংঘাতের মূল কারণ। এই প্রেক্ষাপটে কুকি বিধায়কের বক্তব্য এক বাস্তব চিত্র তুলে ধরেছে।

আগামী দিনের রাজনৈতিক দৃশ্যপট

হাওকিপের বক্তব্যের পর মণিপুরের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। বিরোধী দলগুলির সঙ্গে স্থানীয় সংগঠনগুলোও আন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। শান্তি প্রতিষ্ঠায় সংলাপ, প্রশাসনিক সংস্কার এবং সামাজিক সহযোগিতা জরুরি বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

আধুনিক ফ্যাসিবাদ: নতুন মিত্রতা ও পুরনো আদর্শ

গত এক দশকে বৈশ্বিক ডানপন্থী রাজনীতি একটি গভীর পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে গেছে। যেখানে একসময় শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদ ও ইউরোপীয় জাতীয়তাবাদ ছিল মুখ্য, সেখানে এখন নতুন মিত্রতা গড়ে উঠছে, বিশেষ করে ভারতীয় হিন্দুত্ববাদী শক্তির সঙ্গে। এই পরিবর্তন আধুনিক ফ্যাসিবাদের চরিত্রকেই পাল্টে দিচ্ছে। 🧭 আধুনিক ফ্যাসিবাদ: নতুন মিত্রতা ও পুরনো আদর্শ ২০ শতকের গোড়ার দিকে হিন্দুত্ববাদী ও ইউরোপীয় ফ্যাসিবাদের মধ্যে 'আর্য জাতি' ধারণাকে ঘিরে একটি ভাবাদর্শগত সেতুবন্ধন গড়ে উঠেছিল। সেই সময় বিশেষ সুবিধাভোগী উচ্চবর্ণের হিন্দুদের সঙ্গে জার্মান জাতীয়তাবাদীদের একধরনের কৃত্রিম বংশগত যোগসূত্র দেখানো হয়েছিল। গ্রিক-ফরাসি বংশোদ্ভূত লেখিকা সাভিত্রী দেবী মুখার্জি হিন্দু মিস্টিসিজমকে নাৎসি বর্ণবাদী মতবাদের সঙ্গে মিশিয়ে এই সংযোগ আরও মজবুত করেন। আজকের দিনে এই মৈত্রী মূলত অভিন্ন শত্রুর বিরুদ্ধে গড়ে উঠছে। ইসলামবিদ্বেষ, ধর্মনিরপেক্ষতার বিরোধিতা এবং সংখ্যাগুরু ধর্মীয় বা জাতিগত রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য—এগুলোই উভয় ধারার আন্দোলনের মিলনবিন্দু। পশ্চিমে মুসলিম সংখ্যালঘুদের সামাজিক সমস্যার মূল কারণ হিসেবে দেখানো হয়, আর ভারতে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (আরএসএস) ও ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) নেতৃত্বাধীন হিন্দুত্ববাদী রাজনীতি মুসলিম, খ্রিস্টান এবং দলিত সম্প্রদায়কে নিশানা বানাচ্ছে। 🌍 আন্তর্জাতিক মঞ্চে হিন্দুত্ববাদী-ডানপন্থী মৈত্রী এই মতাদর্শগত মিল বাস্তবে নানা সহযোগিতায় রূপ নিচ্ছে: নরওয়ের গণহত্যাকারী আন্ডার্স ব্রেইভিক তার ঘোষণাপত্রে হিন্দুত্বের প্রশংসা করেন। ডাচ ডানপন্থী নেতা গির্ট উইল্ডার্স বিজেপি নেত্রীর ইসলামবিদ্বেষী মন্তব্যের পক্ষে দাঁড়ান। স্টিভ ব্যানন প্রকাশ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রতি প্রশংসা দেখান। আমেরিকার ন্যাশনাল কনসারভেটিজম কনফারেন্সের মতো অনুষ্ঠানে হিন্দুত্বপন্থী নেতারা অংশ নিয়েছেন। আরও তাৎপর্যপূর্ণ হলো, পশ্চিমী ডানপন্থী রাজনীতিতে ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্যক্তিত্বদের ক্রমবর্ধমান উপস্থিতি। যুক্তরাজ্যে স্যুয়েলা ব্র্যাভারম্যান ও প্রীতি প্যাটেল, আমেরিকায় কাশ প্যাটেল ও বিবেক রামাস্বামী, জার্মানির অলিস ভাইডেলের ভারতীয় বংশোদ্ভূত সঙ্গী—সবাই মিলিতভাবে এক নতুন ধারা তৈরি করেছেন। এঁরা জাতীয়তাবাদী, ইসলামবিদ্বেষী ও অভিবাসনবিরোধী নীতি সমর্থন করে শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদী মহলে গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করছেন। 🕉️ হিন্দুত্ববাদী সংগঠন ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক যুক্তরাষ্ট্রে হিন্দু স্বয়ংসেবক সংঘ (এইচএসএস), হিন্দু আমেরিকান ফাউন্ডেশন (এইচএএফ) ও রিপাবলিকান হিন্দু কোয়ালিশনের মতো সংগঠন নিজেদের 'হিন্দু অধিকার'-এর রক্ষক হিসেবে তুলে ধরে বাস্তবে রক্ষণশীল ও ইসলামবিদ্বেষী নীতির পক্ষে কাজ করছে। এর প্রভাব দেখা যাচ্ছে উচ্চশিক্ষায় ইতিবাচক বৈষম্য (অ্যাফার্মেটিভ অ্যাকশন) বন্ধ করা বা কর্মক্ষেত্রে জাতপাতভিত্তিক সুরক্ষা আটকে দেওয়ার প্রচেষ্টায়। আল্ট-রাইট প্রকাশনা সংস্থা Arktos হিন্দু মিস্টিসিজমকে ইউরোপীয় ডানপন্থী ভাবাদর্শের সঙ্গে মিলিয়ে একাধিক বই প্রকাশ করেছে। সংস্থার সহ-প্রতিষ্ঠাতা ড্যানিয়েল ফ্রিবার্গ দাবি করেছেন, তিনি ভারতে শতাধিক প্রভাবশালী নেতা ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্বের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। এই সংস্থার সম্পর্ক রয়েছে ফ্রান্সের ন্যাশনাল ফ্রন্ট, জার্মানির ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টি এবং ইতালির লেগা নর্ড-এর মতো দলগুলির সঙ্গে। 🧠 রুশ দার্শনিক আলেকজান্ডার দুগিন ও হিন্দুত্ববাদ রুশ জাতীয়তাবাদী দার্শনিক আলেকজান্ডার দুগিনকে যেমন মার্কিন ডানপন্থীরা গ্রহণ করেছে, তেমনই হিন্দুত্বপন্থীরাও তাকে প্রশ্রয় দিচ্ছে। সম্প্রতি সুইডেনের ডানপন্থী দল Sweden Democrats এবং ভারতীয় হিন্দুত্ববাদী নেটওয়ার্কের মধ্যে যোগাযোগ বেড়েছে। উভয় পক্ষই ইসলামবিদ্বেষী বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সখ্যতা বাড়াচ্ছে। ⚠️ অন্তর্নিহিত শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদ তবে এই সংযোগ মানে শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদ হ্রাস পাচ্ছে—তা নয়। বরং হিন্দুত্বপন্থীদের অন্তর্ভুক্তি একধরনের কৌশলগত ও শর্তাধীন ব্যবস্থা। তারা গ্রহণযোগ্য, যতক্ষণ না শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদী কাঠামোকে চ্যালেঞ্জ করে। তাই দেখা যায়, রামাস্বামীর মতো কেউ শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যের গণ্ডি ভাঙার চেষ্টা করলেই দ্রুত তাঁকে ছেঁটে ফেলা হয়। 🌐 আন্তর্জাতিক সংগ্রাম: হিন্দুত্ববাদ ও ফ্যাসিবাদ পশ্চিমী উদারপন্থীরা যেখানে শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদকে সরাসরি আক্রমণ করেন, সেখানেই হিন্দুত্ব নিয়ে প্রায়শই নীরব থাকেন। ভারতকে একটি সহনশীল ও গণতান্ত্রিক সমাজ হিসেবে দেখার প্রবণতা এই দ্বিধার উৎস। এর ফলে হিন্দুত্ববাদ আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে আরও বৈধতা পেয়ে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক ডানপন্থার এই নতুন চরিত্র প্রমাণ করে যে ফ্যাসিবাদ কেবল শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বরং এটি এখন হিন্দুত্বের মতো অ-ইউরোপীয় আন্দোলনের সঙ্গেও জোট বাঁধছে। ইসলামবিদ্বেষ, ধর্মীয় সংখ্যাগুরু রাষ্ট্রের দাবি এবং উদার গণতন্ত্রকে আক্রমণ—সব মিলিয়ে আধুনিক ফ্যাসিবাদ নতুন রূপে আত্মপ্রকাশ করছে। ✊ প্রগতিশীল শক্তির আন্তর্জাতিক সংগ্রাম প্রগতিশীল শক্তিদের তাই কেবল ইউরোপ বা আমেরিকায় নয়, ভারতেও হিন্দুত্ববাদের প্রভাবকে চ্যালেঞ্জ করতে হবে। জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে প্রান্তিক জনগণকে ঐক্যবদ্ধভাবে এই নতুন ধরনের ফ্যাসিবাদী জোটের মোকাবিলা করতে হবে। কারণ, ডানপন্থী রাজনীতির বিরুদ্ধে লড়াই কোনও একক দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়—এটি এক আন্তর্জাতিক সংগ্রাম। আন্তর্জাতিক ডানপন্থী রাজনীতি ও হিন্দুত্ববাদী আন্দোলনের সম্পর্ক

আন্তর্জাতিক ডানপন্থী রাজনীতি ও হিন্দুত্ববাদী আন্দোলনের সম্পর্ক

আপডেট: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

আন্তর্জাতিক ডানপন্থী রাজনীতি ও হিন্দুত্ববাদী আন্দোলনের সম্পর্ক

আন্তর্জাতিক ডানপন্থী রাজনীতি ও হিন্দুত্ববাদী আন্দোলনের সম্পর্ক নিয়ে বিশ্লেষণ।

পরিবর্তিত বৈশ্বিক ডানপন্থা

গত এক দশকে বৈশ্বিক ডানপন্থী রাজনীতি আমূল পরিবর্তিত হয়েছে। একসময় যেখানে শ্বেতাঙ্গ আধিপত্য ও ইউরোপীয় জাতীয়তাবাদই ছিল মুখ্য, এখন তা বহির্বিশ্বে নতুন মিত্র খুঁজে নিচ্ছে। বিশেষ করে ভারতীয় হিন্দুত্ববাদী শক্তির সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের অতি-ডানপন্থী আন্দোলনের যোগসূত্র দ্রুত দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে। এই নতুন সমীকরণ আধুনিক ফ্যাসিবাদের চরিত্রকেই পাল্টে দিচ্ছে।

ঐতিহাসিক সংযোগ

এই সম্পর্ক একেবারে নতুন নয়। ২০ শতকের গোড়াতেই হিন্দুত্ব ও ইউরোপীয় ফ্যাসিবাদের মধ্যে ‘আর্য জাতি’র ধারণাকে ঘিরে একটি ভাবাদর্শগত সেতুবন্ধন গড়ে ওঠে। গ্রিক-ফরাসি বংশোদ্ভূত লেখিকা সাভিত্রী দেবী মুখার্জি হিন্দু মিস্টিসিজমকে নাৎসি বর্ণবাদী মতবাদের সঙ্গে মিশিয়ে এই সংযোগ আরও মজবুত করেন।

আজকের রাজনৈতিক বাস্তবতা

ইসলামবিদ্বেষ, ধর্মনিরপেক্ষতার বিরোধিতা এবং সংখ্যাগুরু ধর্মীয় রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য—এগুলোই উভয় ধারার আন্দোলনের মিলনবিন্দু। পশ্চিমে মুসলিম সংখ্যালঘুদের সামাজিক সমস্যার মূল কারণ হিসেবে দেখানো হয়, আর ভারতে আরএসএস ও বিজেপি নেতৃত্বাধীন হিন্দুত্ববাদী রাজনীতি মুসলিম, খ্রিস্টান এবং দলিত সম্প্রদায়কে নিশানা বানাচ্ছে।

আন্তর্জাতিক সহযোগিতা

নরওয়ের আন্ডার্স ব্রেইভিক থেকে স্টিভ ব্যানন পর্যন্ত বহু ডানপন্থী নেতা হিন্দুত্বের প্রশংসা করেছেন। পশ্চিমা দেশগুলিতে ভারতীয় বংশোদ্ভূত নেতাদের উপস্থিতি এই সহযোগিতাকে আরও জোরদার করছে।

মুর্শিদাবাদ স্টেশন বিতর্কে তৃণমূল-বিজেপির সংঘাত

মুর্শিদাবাদ স্টেশন বিতর্কে তৃণমূল-বিজেপির সংঘাত | Y বাংলা ডিজিটাল

মুর্শিদাবাদ স্টেশন বিতর্কে তৃণমূল-বিজেপির সংঘাত

আপডেট তারিখ: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বিজেপির এক বিধায়ক অভিযোগ করেন, “তৃণমূলের গুন্ডারা আমাদের কর্মী সমর্থকদের প্রচণ্ড মারধর করেছে। আর এই পুরো ঘটনার নেতৃত্ব দিয়েছেন মুর্শিদাবাদ পুরসভার চেয়ারম্যান এবং মুর্শিদাবাদ কেন্দ্রের সাংসদ।” তিনি আরও বলেন, “তৃণমূলের হাজার হাজার গুন্ডা টিকিট না কেটে স্টেশনে ঢুকে পড়েছিল এবং আরপিএফ জওয়ানদের সামনেই আমাদের লোকজনকে মারধর করেছে। এসব ঘটতে দেখেও আরপিএফ চুপ করে দাঁড়িয়েছিল। আমরা গোটা বিষয়টি রেল দপ্তরকে জানাতে চলেছি।”

সূত্রের খবর অনুযায়ী, বিজেপি ও তৃণমূল নেতাদের মধ্যে যখন স্টেশন চত্বরে ধুন্ধুমার চলছিল সেই সময়ের মধ্যে এক্সপ্রেস ট্রেনটির নির্ধারিত সময় পার হয়ে যাওয়ায় চালক হুইসেল বাজিয়ে ট্রেনটিকে গন্তব্যের দিকে রওনা করেন। এর ফলে মুর্শিদাবাদ স্টেশনে বিজেপির সমর্থকরা ট্রেনের ড্রাইভার বা গার্ডকে সংবর্ধনা দিতে পারেননি। তবে বহরমপুর স্টেশনে ট্রেনটি পৌঁছালে বিজেপি বিধায়ক সুব্রত মৈত্রর নেতৃত্বে ট্রেনের ইঞ্জিনে ফুলমালা পরানো হয়, নারকেল ফাটিয়ে ও ধূপ-ধুনো দিয়ে সংবর্ধনা জানানো হয়। সেখানে কোনও বিশৃঙ্খলা হয়নি।

অন্যদিকে, বিজেপির অভিযোগ উড়িয়ে দেন তৃণমূল সাংসদ আবু তাহের খান। তিনি বলেন, “মুর্শিদাবাদ স্টেশনে কোনও ঘটনাই ঘটেনি। বিজেপি গোটা বিষয়টিকে অতিরঞ্জিত করছে। ট্রেনটি স্টেশনে ঢোকার আগে বিজেপি বিধায়কের সঙ্গে আমার সৌজন্যমূলক কথা হয়েছে। বিশেষ ট্রেনটি প্রবেশের পর আমরা যেখানে দাঁড়িয়ে ছিলাম সেখানে এসে ইঞ্জিন থামে। স্টেশনে প্রচুর সমর্থক থাকায় বিজেপির কর্মীরা ধাক্কাধাক্কি করে সময়মতো পৌঁছাতে পারেননি।”

তিনি আরও জানান, “আমার এলাকা দিয়ে নতুন ট্রেন যাত্রা করছে। সৌজন্যের খাতিরে ট্রেনের চালক ও গার্ডকে ফুল-মিষ্টি দেওয়ার জন্য স্টেশনে এসেছিলাম। ট্রেনের আধিকারিকরাই আমাকে সবুজ পতাকা নাড়তে বলেছিলেন। আমাদের দলের কোনও কর্মী বা সমর্থক বিজেপির কর্মী বা নেতাকে মারধর করেনি। এই অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।”

মুর্শিদাবাদ স্টেশন বিতর্ক

মুর্শিদাবাদ স্টেশনে সংঘাত নিয়ে তৃণমূল-বিজেপির বক্তব্যের পার্থক্য

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর
👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

#মুর্শিদাবাদ #বিজেপি #তৃণমূল #স্টেশনসংঘাত #রাজনীতি #রেল #সংবাদ #Yবাংলা

চাঁপাডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে ভয়াবহ গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ

সংবাদ প্রতিবেদন: আপডেট তারিখ: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ আজ, রবিবার সকালে চাঁপাডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে ভয়াবহ গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। পরপর তিনটি গ্যাস সিলিন্ডার ফেটে আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে ছয়টি দোকান। দাউ দাউ করে আগুন জ্বলতে থাকে এলাকার একাধিক দোকানে। আচমকা বিকট শব্দ পেয়ে আতঙ্কে চিৎকার করতে শুরু করেন স্থানীয়রা। বিস্ফোরণের খবর পেয়ে ছুটে আসে দমকল ও তারকেশ্বর থানার পুলিশ। দমকল কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছেই আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ শুরু করেন। তবে স্বস্তির যে দুর্ঘটনায় হতাহতের কোনও খবর মেলেনি। জানা গিয়েছে বাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন চপের দোকান লাগোয়া দু'টি রেস্তরা, একটি ফুলের দোকান-সহ মোট ছয়টি দোকানে আগুন লেগে যায়। প্রথমে স্থানীয় বাসিন্দারাই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। কিন্তু আগুনের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে মুহূর্তের মধ্যে দোকানগুলি পুড়ে যায়। তারপরে খবর দেওয়া হয় দমকল বিভাগ ও তারকেশ্বর থানায়। ঘটনাস্থলে দ্রুত ছুটে আসে পুলিশ ও দমকল বিভাগের কর্মীরা। একটি ইঞ্জিনের সাহায্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে দমকল বিভাগের কর্মীরা। তবে দমকল আসার আগেই কয়েক মিনিটের মধ্যেই ছয়টি দোকান আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যায়। তবে দুর্ঘটনায় কত পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা এখনও জানা যায়নি। স্বস্তির এটাই যে দুর্ঘটনায় হতাহতের কোনও খবর মেলেনি। তবে বিশ্বকর্মা পুজোর আগে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়ল দোকানের মালিকরা। দমকলের বিভাগের প্রাথমিক অনুমান গ্যাস সিলিন্ডার ফেটে দোকানে আগুন লেগেছে। তবে কীভাবে গ্যাস সিলিন্ডার ফাটল গোটা বিষয়টা খতিয়ে দেখছে পুলিশ ও দমকল বিভাগ। meta name="title" content="চাঁপাডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে ভয়াবহ গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ | Y বাংলা ডিজিটাল"> div style="margin-top:25px; padding:20px; background:#f8fbff; border:2px solid #1976d2; border-radius:14px; text-align:center; box-shadow:0 4px 10px rgba(0,0,0,0.08);">

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর
👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

পাকিস্তানের সেনা কনভয়ে তালিবানের হামলা: ১৯ সেনা নিহত, ৪৫ জঙ্গির মৃত্যু

পাকিস্তানের সেনা কনভয়ে তালিবানের হামলা: ১৯ সেনা নিহত, ৪৫ জঙ্গির মৃত্যু

পাক সেনার কনভয়ে তালিবানের হামলা: ১৯ সেনা নিহত, ৪৫ জঙ্গির মৃত্যু

আপডেট: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

পাক সেনার কনভয়ে তালিবানের হামলা
ছবি: তালিবান হামলার পর পাকিস্তানের সেনা কনভয়ের পরিস্থিতি।

ঘটনার বিবরণ

সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া অঞ্চলে তালিবানদের হামলায় অন্তত ১৯ সেনার মৃত্যু এবং ৪৫ জঙ্গির নিহত হওয়ার ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। সূত্রের দাবি, পাক সেনা গত ১০ থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালায় এবং জঙ্গিদের সঙ্গে সংঘর্ষে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। শনিবার ভোরে দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তানে সেনা কনভয়ে হামলা চালায় তালিবানদের জঙ্গিরা। গুলি চালিয়ে অস্ত্র ও ড্রোন দখল করে নেয় তারা। এই ঘটনায় সেনাদের পাশাপাশি সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া

সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত এবং কাতার এই হামলায় হতাহতের ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছে। তারা পাকিস্তানের জনগণের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছে। আন্তর্জাতিক মহলে এ ঘটনাকে উদ্বেগজনক হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সেনা অভিযান ও হতাহতের সংখ্যা

  • দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তানে সেনা কনভয়ে হামলায় ১২ সেনার মৃত্যু ও ৪ জন আহত।
  • লাওয়ার ডিরে সংঘর্ষে ৭ সেনা ও ১০ জঙ্গির নিহত হওয়ার খবর।
  • খাইবার পাখতুনখোয়ার বিভিন্ন এলাকায় ৪৫ জঙ্গির মৃত্যু এবং ১৯ সেনার নিহত হওয়ার ঘটনা নিশ্চিত।

তালিবানের দাবি

তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান (টিটিপি) এই হামলার দায় স্বীকার করেছে। তাদের দাবি, তারা সেনা অভিযানের জবাব দিতে এই হামলা চালিয়েছে। সীমান্তবর্তী অঞ্চলে তালিবানদের সক্রিয়তা বেড়েই চলেছে। ২০২১ সালে আফগান তালিবানের ক্ষমতায় আসার পর এই ধরনের হামলা বৃদ্ধি পেয়েছে।

পাকিস্তানের নিরাপত্তা পরিস্থিতি

পাকিস্তান সেনাবাহিনী জানিয়েছে, সীমান্তবর্তী এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং জঙ্গিদের খোঁজে তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে। সরকার আফগানিস্তানে তালিবান সরকারের কাছে আহ্বান জানিয়েছে যাতে তাদের ভূখণ্ড ব্যবহার করে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা না করা হয়।

আগের ঘটনা

এর আগে বালোচিস্তানের তুবর্ত অঞ্চলে সাত বছরের শিশুর বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হয়। অভিযোগ, ওই শিশু মানবাধিকার কর্মীর একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করেছিল। পাশাপাশি, গত মার্চ মাসে বালোচ লিবারেশন আর্মি জাফর এক্সপ্রেস ট্রেন অপহরণ করে প্রায় ৫০০ যাত্রীকে পণবন্দি করেছিল। এতে সেনাকর্মীসহ অনেকেই আটকে পড়েছিলেন। পাকিস্তানে বিদ্রোহী কার্যকলাপ দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বিশ্লেষণ

এই হামলা পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। তালিবানদের সক্রিয়তা শুধু সীমান্তবর্তী অঞ্চলেই নয়, দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়ছে। আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানো না গেলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। সেনাদের মনোবল এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর
👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

আরএসপি-র 'অধিকার যাত্রা': যুব সম্প্রদায়ের দাবিতে কোচবিহার থেকে কলকাতা

আরএসপি-র 'অধিকার যাত্রা': যুব সম্প্রদায়ের দাবিতে কোচবিহার থেকে কলকাতা

আরএসপি-র 'অধিকার যাত্রা': যুব সম্প্রদায়ের দাবিতে কোচবিহার থেকে কলকাতা

আপডেট তারিখ: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

কোচবিহার থেকে শুরু হয়ে কলকাতার কলেজ স্কোয়ারে এসে শেষ হলো আরএসপি-র যুব সংগঠন আরওয়াইএফ-এর 'অধিকার যাত্রা'।...

এই যাত্রার মূল দাবি ছিল...

সমাবেশে বক্তৃতা করেন...

আরও পড়ুন: পুরো প্রতিবেদন পড়ুন এখানে

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর

👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

পহেলগাঁও হামলার পর ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ: সূর্যকুমারের বয়কট, টসে হার ভারতের

পহেলগাঁও হামলার পর ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ: সূর্যকুমারের বয়কট, টসে হার ভারতের

পহেলগাঁও হামলার পর ভারত-পাকিস্তান মুখোমুখি: টসে হার ভারতের, সূর্যকুমারের বয়কট আলোচনায়

আপডেট: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ভারত বনাম পাকিস্তান ক্রিকেট টস

ছবি: টসে সময় সূর্যকুমার যাদব ও সলমন আলি আঘার মুখোমুখি। করমর্দনে অংশ নেননি ভারত অধিনায়ক।

🏏 ম্যাচের পটভূমি

পহেলগাঁও হামলার পর প্রথমবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে মুখোমুখি হয়েছে ভারত ও পাকিস্তান। এশিয়া কাপ ২০২৫-এর গ্রুপ পর্বে এই ম্যাচ অত্যন্ত আলোচিত। নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেই ম্যাচ শুরু হলেও ক্রিকেটপ্রেমীরা মুখিয়ে ছিলেন চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের লড়াই দেখতে। তবে ম্যাচের আগে থেকেই বয়কটের দাবি ওঠে। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে প্রাক্তন ক্রিকেটাররা ম্যাচ বয়কটের পক্ষে সরব হয়েছিলেন। এই পরিস্থিতিতে ভারতীয় দল এক ধরনের ‘অদৃশ্য প্রতিবাদ’ জানায়।

🤝 টসের সময় সূর্যকুমারের প্রতিবাদ

টসের সময় এক নজিরবিহীন ঘটনা ঘটে। ভারতীয় অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব পাকিস্তান অধিনায়ক সলমন আলি আঘারের সঙ্গে করমর্দন করতে অস্বীকার করেন। এর ফলে ম্যাচের শুরুতেই রাজনৈতিক বার্তা পৌঁছে যায়। ম্যাচের আগে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, “আমরা ক্রিকেট খেলতে এসেছি, তবে এই পরিস্থিতিতে আমি ব্যক্তিগতভাবে করমর্দনে অংশ নেব না। দেশের অনুভূতিকে সম্মান জানাচ্ছি।”

সূত্রের খবর, টসের আগে দলের বাকিদের ওপর সিদ্ধান্ত ছেড়ে দিয়েছিলেন সূর্যকুমার। যদিও বাকিরা প্রথাগতভাবে করমর্দন করেন, অধিনায়ক হিসেবে সূর্যকুমারের এই পদক্ষেপ ইতিমধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।

📊 টসে হার ভারতের

টসে হারলেও ভারতীয় দলের আত্মবিশ্বাস অটুট। পাকিস্তান অধিনায়ক সলমন আলি আঘার টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন। ম্যাচের আগে সূর্যকুমার বলেন, “পিচ ব্যাটারদের সহায়ক। আমরা আমাদের খেলায় মনোযোগ দেব।” ভারতের দলগত বিন্যাসে কোনও পরিবর্তন আনা হয়নি। অভিজ্ঞ ও তরুণ ক্রিকেটাররা একসঙ্গে মাঠে নেমেছেন।

🌍 রাজনৈতিক উত্তেজনা ও ক্রিকেট

এই ম্যাচ শুধু খেলাধুলার প্রতিযোগিতা নয়, রাজনৈতিক ও সামাজিক উত্তেজনারও প্রতীক। পহেলগাঁও হামলার ঘটনার পর দুই দেশের সম্পর্ক আরও তিক্ত হয়েছে। সাধারণ ক্রিকেটপ্রেমীরাও এই ম্যাচে ভারতের কঠোর অবস্থানের পক্ষে। বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যম প্ল্যাটফর্মে #BoycottIndiaVsPak ম্যাচ ট্রেন্ড করছে। অনেক প্রাক্তন ক্রিকেটারও ম্যাচ বয়কটের আহ্বান জানিয়েছেন। তবুও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের নিয়ম মেনে খেলা শুরু হয়েছে।

📸 মাঠের পরিবেশ

ম্যাচ শুরুর আগে স্টেডিয়ামে ভারতীয় সমর্থকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যায়। কেউ সূর্যকুমারের প্রতিবাদকে সমর্থন করেন, আবার কেউ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ঐতিহ্য রক্ষার পক্ষেও কথা বলেন। নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। মাঠে দর্শকদের সংখ্যাও সীমিত রাখা হয়েছে।

🏆 সম্ভাব্য ফলাফল

বিশ্লেষকদের মতে, পাকিস্তান টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সুবিধা পেলেও ম্যাচের ফল নির্ধারণ করবে ভারতীয় দলের দৃঢ়তা। সূর্যকুমারের নেতৃত্ব ও বোলিং বিভাগ ম্যাচের ফলাফল পাল্টে দিতে পারে। রাজনৈতিক বিতর্কের মাঝেও ক্রিকেটের আসল লড়াই কীভাবে এগোয় তা দেখার অপেক্ষায় সবাই।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

বিহার বিধানসভা নির্বাচনের হাওয়া: সমীক্ষায় উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য!

বিহার বিধানসভা নির্বাচনের হাওয়া: সমীক্ষায় উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য!

বিহার বিধানসভা নির্বাচনের হাওয়া: সমীক্ষায় উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য!

আপডেট: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বিহার নির্বাচনের প্রচার

বিহার বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক প্রচার ও জনমতের চিত্র

📊 সার্ভে সংক্ষিপ্ত পরিসংখ্যান

  • সমীক্ষার সময়কাল: ৩ সেপ্টেম্বর থেকে ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • মোট স্যাম্পল: ৫,৬৩৫ জন
  • লিঙ্গভিত্তিক অংশগ্রহণ: পুরুষ ৫২%, মহিলা ৪৮%
  • জাতি ভিত্তিক অংশগ্রহণ: তফসিলি জাতি ২০%, তফসিলি উপজাতি ২%, অন্যান্য পিছিয়ে পড়া শ্রেণি ৪৪%, উচ্চ বর্ণ হিন্দু ১৬%, মুসলিম ১৮%, অন্যান্য ১%
  • আঞ্চলিক ভিত্তিক অংশগ্রহণ: শহুরে ৩০%, গ্রামীণ ৭০%

🗣️ জনমত: সরকারের প্রতি মানুষের মতামত

  • সরকার বিরোধী: ৪৮%
  • সরকার সমর্থক: ২৭.১%
  • নিরপেক্ষ: ২০.৬%
  • জানেন না / মন্তব্য করেননি: ৪.৩%

শহুরে বনাম গ্রামীণ

শহুরে: বিরোধী ৪৮%, সমর্থক ৩১%, নিরপেক্ষ ১৭%, জানেন না ৪%

গ্রামীণ: বিরোধী ৪৮%, সমর্থক ২৫%, নিরপেক্ষ ২২%, জানেন না ৪%

🔍 সার্ভের প্রেক্ষাপট

এই সমীক্ষা করা হয়েছে ৩ সেপ্টেম্বর থেকে ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে। উল্লেখযোগ্য যে এই সময়ে রাহুল গান্ধির 'ভোটার অধিকার যাত্রা' বিহারে চলছিল। তেজস্বী যাদব এবং রাহুল গান্ধি বিহারের ২২-এর বেশি জেলার সফর করেছেন। এর ফলে জনমতে বিরোধী মনোভাব বৃদ্ধি পেয়েছে।

📌 চমকপ্রদ তথ্য

  • ৪৮% মানুষ সরকার বিরোধী মনোভাব পোষণ করছেন।
  • শহুরে ও গ্রামীণ উভয় অঞ্চলে বিরোধী মনোভাব সমানভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
  • রাজনৈতিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত স্পষ্ট হলেও কোন দলের লাভ হবে তা নিশ্চিত নয়।

🧭 রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ

এই সমীক্ষা বিহারের রাজনৈতিক পরিস্থিতির একটি স্পষ্ট চিত্র তুলে ধরেছে। আগামী নির্বাচনে বিরোধী মনোভাব বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। তবে ফলাফল কোন দিকে যাবে তা সময়ই বলে দেবে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

মালদা টাউনে রাজধানী এক্সপ্রেসের স্টপেজ: যাতায়াতের নতুন দিগন্ত

মালদা টাউনে রাজধানী এক্সপ্রেসের স্টপেজ: যাতায়াতের নতুন দিগন্ত | Y বাংলা

মালদা টাউনে রাজধানী এক্সপ্রেসের স্টপেজ: যাতায়াতের নতুন দিগন্ত খুলল উত্তরবঙ্গে

আপডেট: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫, দুপুর ১২:৩০

মালদা টাউনে রাজধানী এক্সপ্রেসের স্টপেজের শুভারম্ভ

ছবি: মালদা টাউন স্টেশনে রাজধানী এক্সপ্রেসের স্টপেজের শুভারম্ভ অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

মালদার রেল ইতিহাসে নতুন অধ্যায়

মালদা টাউন রেলস্টেশন দীর্ঘদিন ধরে উত্তরবঙ্গের যাতায়াতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। এবার সেই স্টেশনের ইতিহাসে যুক্ত হলো আরও একটি মাইলফলক—সাইরাং (মিজোরাম) থেকে আনন্দ বিহার (নিউ দিল্লি)গামী রাজধানী এক্সপ্রেস ট্রেনের স্টপেজ। রবিবার মালদায় এই নতুন পরিষেবার আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। উত্তর মালদার সাংসদ খগেন মুর্মু সবুজ পতাকা নাড়িয়ে ট্রেনের শুভারম্ভ ঘোষণা করেন। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন পুরাতন মালদা কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক গোপালচন্দ্র সাহা, সমাজসেবী নীলাঞ্জন দাসসহ রেল বিভাগের একাধিক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।

রাজধানী এক্সপ্রেসের স্টপেজে মালদার গুরুত্ব

রাজধানী এক্সপ্রেস দেশের সবচেয়ে দ্রুতগামী এবং উন্নত পরিষেবার ট্রেনগুলোর মধ্যে অন্যতম। এর স্টপেজ পাওয়া মানে শুধু যাতায়াতের সুবিধাই নয়, পাশাপাশি পর্যটন, ব্যবসা, শিক্ষা এবং স্বাস্থ্য পরিষেবায় সহজ যোগাযোগ। আগে থেকেই মালদায় তেজস রাজধানী এক্সপ্রেসের স্টপেজ ছিল। এবার রাজধানী এক্সপ্রেস যুক্ত হওয়ায় মালদার যোগাযোগের ক্ষেত্র আরও বিস্তৃত হবে। উত্তরবঙ্গের নাগরিকরা রাজধানী এক্সপ্রেসের মাধ্যমে দ্রুত দিল্লি ও অন্যান্য উত্তর ভারতের শহরে পৌঁছাতে পারবেন।

সাংসদ খগেন মুর্মুর প্রতিক্রিয়া

উত্তর মালদার সাংসদ খগেন মুর্মু এই পরিষেবাকে “মালদাবাসীর জন্য এক নতুন দিগন্ত” বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “মালদাবাসী তথা উত্তরবঙ্গের মানুষের জন্য অত্যন্ত সুখবর এটি। এর ফলে উত্তরবঙ্গের মানুষের জন্য যাতায়াতের নতুন সুযোগ তৈরি হবে। এর জন্য বিশেষ ধন্যবাদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে। আমরা বর্তমানে দুটি রাজধানী এক্সপ্রেসের স্টপেজ পেয়েছি মালদায়।” তাঁর এই বক্তব্য মালদার নাগরিকদের মধ্যে উৎসাহ তৈরি করেছে।

উপস্থিত বিশিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য

অনুষ্ঠানে উপস্থিত পুরাতন মালদার বিধায়ক গোপালচন্দ্র সাহা বলেন, “এই স্টপেজের মাধ্যমে মালদার সাধারণ মানুষ দেশের অন্যান্য প্রান্তের সঙ্গে আরও সহজে যোগাযোগ করতে পারবেন। এটি উত্তরবঙ্গের জন্য বড় সুযোগ।” সমাজসেবী নীলাঞ্জন দাস আশা প্রকাশ করেন যে এই পরিষেবা মালদার অর্থনৈতিক উন্নয়নের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জন্যও সহায়ক হবে। রেল বিভাগের আধিকারিকরা জানান, স্টপেজ চালু হওয়ার পর মালদার যাতায়াত কাঠামো উন্নত হবে এবং নিরাপদ যাত্রার ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের আনন্দ

মালদার বাসিন্দারা এই নতুন স্টপেজকে স্বাগত জানিয়েছেন। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, দিল্লি ও অন্যান্য শহরের সঙ্গে ব্যবসায়িক যোগাযোগ বাড়বে। শিক্ষার্থীরা বলছেন, রাজধানী এক্সপ্রেসের মাধ্যমে পরীক্ষার প্রস্তুতি, উচ্চশিক্ষার জন্য অন্য শহরে যাওয়া এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়ে সুবিধা হবে। চিকিৎসা পরিষেবা পাওয়ার ক্ষেত্রেও এই পরিষেবা বড় ভূমিকা রাখবে বলে তাঁরা মনে করছেন।

অর্থনৈতিক উন্নয়নে সম্ভাবনা

বিশেষজ্ঞদের মতে, রাজধানী এক্সপ্রেসের স্টপেজ শুধু যাতায়াতের সুবিধা নয়, এটি মালদার অর্থনীতিতে বড় পরিবর্তন আনতে পারে। পর্যটন বাড়লে স্থানীয় ব্যবসা যেমন হোটেল, পরিবহন, খুচরো ব্যবসায় উন্নতি হবে। উত্তরবঙ্গের কৃষিপণ্য, হস্তশিল্প ও অন্যান্য পণ্য দ্রুত বাজারে পৌঁছাতে পারবে। রেল যোগাযোগ উন্নত হলে বিনিয়োগের সুযোগও বৃদ্ধি পাবে। ফলে কর্মসংস্থানের নতুন ক্ষেত্র তৈরি হতে পারে।

নতুন যোগাযোগের পাশাপাশি নিরাপত্তার দিকেও নজর

রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, স্টপেজ চালুর সঙ্গে সঙ্গে যাত্রীদের নিরাপত্তার দিকে বিশেষ নজর দেওয়া হবে। উন্নত ট্র্যাক পর্যবেক্ষণ, যাত্রী পরিষেবা কেন্দ্রের আধুনিকীকরণ, চিকিৎসা সহায়তা কেন্দ্র স্থাপন এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত প্রতিক্রিয়ার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে।

উত্তরবঙ্গের জন্য এটি কেন বড় পদক্ষেপ

  • রাজধানী এক্সপ্রেসের স্টপেজ মানে দ্রুত রাজধানীসহ অন্যান্য শহরের সঙ্গে যোগাযোগ।
  • শিক্ষা, চিকিৎসা এবং ব্যবসায়িক যোগাযোগ সহজ হবে।
  • পর্যটনের উন্নয়ন হবে এবং স্থানীয় অর্থনীতি চাঙ্গা হবে।
  • স্থানীয়দের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে।
  • উত্তরবঙ্গের মানুষের জন্য যাতায়াতের সময় ও খরচ কমবে।

পরবর্তী পদক্ষেপ কী হতে পারে

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রেল পরিষেবাকে আরও উন্নত করতে মালদায় যাত্রী পরিষেবা কেন্দ্রের সংখ্যা বাড়ানো, অনলাইনে টিকিট পরিষেবা সহজ করা এবং রেলস্টেশনে বিশ্রামাগার, খাবারের দোকান, স্বাস্থ্য সহায়তা কেন্দ্র ইত্যাদি বাড়ানো উচিত। পাশাপাশি নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে নজরদারি ক্যামেরা ও ট্রেন পরিচালনার আধুনিক প্রযুক্তি যুক্ত করা দরকার।

শেষ কথা

মালদা টাউনে রাজধানী এক্সপ্রেসের স্টপেজ চালু হওয়া উত্তরবঙ্গের জন্য এক বড় উন্নয়নের বার্তা। এটি শুধু যাতায়াত নয়, অর্থনীতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং কর্মসংস্থানের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করবে। রাজনৈতিক নেতৃত্বের পাশাপাশি স্থানীয় নাগরিকদের সহযোগিতা, আধুনিক রেল পরিষেবা এবং নিরাপত্তার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে পারলে এই পরিষেবা উত্তরবঙ্গের জীবনযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনবে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

Featured post

Y বাংলা নিউজ ডেস্ক রিপোর্ট আজ, শনিবার দুপুরে পশ্চিমবঙ্গে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। দুপুর পৌনে ১টা নাগাদ তাঁর মালদা টাউন...

Search This Blog