📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন
📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।
👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপেGo to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.
Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.
Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.
Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.
Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.
📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।
👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপেআপডেট: ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
ছবি: মণিপুর সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী – কুকি বিধায়কের সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দু
মণিপুরে বর্তমানে রাজনৈতিক ও সামাজিক উত্তেজনা চরমে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সংক্ষিপ্ত চূড়াচাঁদপুর সফর নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিজেপির কুকি বিধায়ক পাউলিয়েনলাল হাওকিপ। রবিবার তিনি প্রকাশ্যে বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর এই সফর সরকারি সম্পদের অপচয় ছাড়া আর কিছু নয়। তিনি না কুকি জনগোষ্ঠীর অভিযোগ শুনেছেন, না দলের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন।”
হাওকিপ স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “এমন সফরের কোনও তাৎপর্য নেই। সরকারের অর্থ ব্যয় করা হচ্ছে শুধুমাত্র প্রদর্শনের জন্য। মাঠে বাস্তব সমস্যা রয়ে যাচ্ছে সমাধানহীন।” তিনি আরও বলেন, “আমরা প্রত্যাশা করেছিলাম প্রধানমন্ত্রী এসে কুকি জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা, ভূমি অধিকার ও পুনর্বাসন নিয়ে আলোচনা করবেন। কিন্তু তা না হয়ে এটি একপ্রকার রাজনৈতিক অনুষ্ঠান ছাড়া আর কিছু নয়।”
মণিপুরে দীর্ঘদিন ধরে জাতিগত দ্বন্দ্ব, প্রশাসনিক অবহেলা এবং নিরাপত্তা সংকট চলছে। কুকি সম্প্রদায়ের অভিযোগ, তারা সহিংসতা, বাস্তুচ্যুতি এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের মুখে পড়লেও কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাদের কথা শোনেনি। হাওকিপের মতে, এই সফর কেবলমাত্র ক্ষমতার প্রদর্শনী এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর বাস্তব সমস্যাকে উপেক্ষা করার উদাহরণ।
হাওকিপ আরও বলেন, “এই সফরের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব হয়তো রাজনীতির ভিত্তি শক্ত করতে চাইছে, কিন্তু উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি কোথায়? যে অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে সহিংসতা চলছে, সেখানে নিরাপত্তা নিশ্চিত না করে সফর করা অর্থহীন।” তাঁর অভিযোগ, সরকারের উদ্দেশ্য সমস্যা সমাধান নয় বরং নির্বাচনী লাভ।
মণিপুরের অন্যান্য রাজনৈতিক দলও কুকি সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের বক্তব্যকে সমর্থন করছে। তারা বলছে, সংলাপ ছাড়া সমাধান সম্ভব নয়। কংগ্রেস, ন্যাশনাল পিপলস পার্টি এবং নাগরিক সংগঠনগুলো দাবি তুলেছে, মণিপুরের বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলির পুনর্বাসন, নিরাপত্তা প্রদান এবং প্রশাসনিক সংস্কার না হলে রাজনৈতিক সফরের কোনও অর্থ নেই।
মণিপুর বহু জাতিগোষ্ঠীর বাসভূমি। সেখানে কুকি এবং ম্যতেই সম্প্রদায়ের মধ্যে দীর্ঘদিনের উত্তেজনা রয়েছে। ভূমি, অর্থনৈতিক সুযোগ এবং রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব নিয়ে দ্বন্দ্ব বারবার সহিংসতায় রূপ নিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু হাওকিপের বক্তব্যে উঠে এসেছে যে সমস্যাগুলি সমাধানের বদলে কেবলমাত্র প্রোটোকল-নির্ভর সফরে রাজনৈতিক বার্তা দেওয়া হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মণিপুরে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ বহুদিনের। নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলি বারবার রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। এই পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক নেতৃত্বের উচিত সংঘাত নিরসনে কাজ করা। কিন্তু সংক্ষিপ্ত সফর এই দায়িত্বের প্রতি অবহেলা নির্দেশ করছে বলে মত দিয়েছেন বিশ্লেষকরা।
হাওকিপের অভিযোগ, “প্রধানমন্ত্রী মাত্র কয়েক ঘণ্টার জন্য চূড়াচাঁদপুরে অবস্থান করেন। তিনি স্থানীয় প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেননি, জরুরি মানবিক সহায়তা নিয়ে আলোচনা করেননি। সফর কেবলমাত্র আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ থেকেছে।” এই সফরকে কেন্দ্র করে সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, উন্নয়ন পরিকল্পনা তখনই ফলপ্রসূ হয় যখন তা স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে। কেবল রাজনৈতিক সফরের মাধ্যমে উত্তেজনা প্রশমিত করা যায় না। স্থায়ী শান্তি ও উন্নয়নের জন্য সমাধানমুখী আলোচনা অপরিহার্য। এই দিক থেকে পাউলিয়েনলাল হাওকিপের বক্তব্য আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে।
কুকি সম্প্রদায়ের মধ্যে অনেকেই আশা করেছিলেন, প্রধানমন্ত্রী তাদের নিরাপত্তা এবং পুনর্বাসন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবেন। কিন্তু তা না হওয়ায় হতাশা ছড়িয়েছে। স্থানীয় মানুষের মতে, প্রশাসনের অপ্রতুলতা এবং রাজনৈতিক দূরত্ব সংঘাতের মূল কারণ। এই প্রেক্ষাপটে কুকি বিধায়কের বক্তব্য এক বাস্তব চিত্র তুলে ধরেছে।
হাওকিপের বক্তব্যের পর মণিপুরের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। বিরোধী দলগুলির সঙ্গে স্থানীয় সংগঠনগুলোও আন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। শান্তি প্রতিষ্ঠায় সংলাপ, প্রশাসনিক সংস্কার এবং সামাজিক সহযোগিতা জরুরি বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।
👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপেআপডেট: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
আন্তর্জাতিক ডানপন্থী রাজনীতি ও হিন্দুত্ববাদী আন্দোলনের সম্পর্ক নিয়ে বিশ্লেষণ।
গত এক দশকে বৈশ্বিক ডানপন্থী রাজনীতি আমূল পরিবর্তিত হয়েছে। একসময় যেখানে শ্বেতাঙ্গ আধিপত্য ও ইউরোপীয় জাতীয়তাবাদই ছিল মুখ্য, এখন তা বহির্বিশ্বে নতুন মিত্র খুঁজে নিচ্ছে। বিশেষ করে ভারতীয় হিন্দুত্ববাদী শক্তির সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের অতি-ডানপন্থী আন্দোলনের যোগসূত্র দ্রুত দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে। এই নতুন সমীকরণ আধুনিক ফ্যাসিবাদের চরিত্রকেই পাল্টে দিচ্ছে।
এই সম্পর্ক একেবারে নতুন নয়। ২০ শতকের গোড়াতেই হিন্দুত্ব ও ইউরোপীয় ফ্যাসিবাদের মধ্যে ‘আর্য জাতি’র ধারণাকে ঘিরে একটি ভাবাদর্শগত সেতুবন্ধন গড়ে ওঠে। গ্রিক-ফরাসি বংশোদ্ভূত লেখিকা সাভিত্রী দেবী মুখার্জি হিন্দু মিস্টিসিজমকে নাৎসি বর্ণবাদী মতবাদের সঙ্গে মিশিয়ে এই সংযোগ আরও মজবুত করেন।
ইসলামবিদ্বেষ, ধর্মনিরপেক্ষতার বিরোধিতা এবং সংখ্যাগুরু ধর্মীয় রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য—এগুলোই উভয় ধারার আন্দোলনের মিলনবিন্দু। পশ্চিমে মুসলিম সংখ্যালঘুদের সামাজিক সমস্যার মূল কারণ হিসেবে দেখানো হয়, আর ভারতে আরএসএস ও বিজেপি নেতৃত্বাধীন হিন্দুত্ববাদী রাজনীতি মুসলিম, খ্রিস্টান এবং দলিত সম্প্রদায়কে নিশানা বানাচ্ছে।
নরওয়ের আন্ডার্স ব্রেইভিক থেকে স্টিভ ব্যানন পর্যন্ত বহু ডানপন্থী নেতা হিন্দুত্বের প্রশংসা করেছেন। পশ্চিমা দেশগুলিতে ভারতীয় বংশোদ্ভূত নেতাদের উপস্থিতি এই সহযোগিতাকে আরও জোরদার করছে।
📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর
👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।
আপডেট তারিখ: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
বিজেপির এক বিধায়ক অভিযোগ করেন, “তৃণমূলের গুন্ডারা আমাদের কর্মী সমর্থকদের প্রচণ্ড মারধর করেছে। আর এই পুরো ঘটনার নেতৃত্ব দিয়েছেন মুর্শিদাবাদ পুরসভার চেয়ারম্যান এবং মুর্শিদাবাদ কেন্দ্রের সাংসদ।” তিনি আরও বলেন, “তৃণমূলের হাজার হাজার গুন্ডা টিকিট না কেটে স্টেশনে ঢুকে পড়েছিল এবং আরপিএফ জওয়ানদের সামনেই আমাদের লোকজনকে মারধর করেছে। এসব ঘটতে দেখেও আরপিএফ চুপ করে দাঁড়িয়েছিল। আমরা গোটা বিষয়টি রেল দপ্তরকে জানাতে চলেছি।”
সূত্রের খবর অনুযায়ী, বিজেপি ও তৃণমূল নেতাদের মধ্যে যখন স্টেশন চত্বরে ধুন্ধুমার চলছিল সেই সময়ের মধ্যে এক্সপ্রেস ট্রেনটির নির্ধারিত সময় পার হয়ে যাওয়ায় চালক হুইসেল বাজিয়ে ট্রেনটিকে গন্তব্যের দিকে রওনা করেন। এর ফলে মুর্শিদাবাদ স্টেশনে বিজেপির সমর্থকরা ট্রেনের ড্রাইভার বা গার্ডকে সংবর্ধনা দিতে পারেননি। তবে বহরমপুর স্টেশনে ট্রেনটি পৌঁছালে বিজেপি বিধায়ক সুব্রত মৈত্রর নেতৃত্বে ট্রেনের ইঞ্জিনে ফুলমালা পরানো হয়, নারকেল ফাটিয়ে ও ধূপ-ধুনো দিয়ে সংবর্ধনা জানানো হয়। সেখানে কোনও বিশৃঙ্খলা হয়নি।
অন্যদিকে, বিজেপির অভিযোগ উড়িয়ে দেন তৃণমূল সাংসদ আবু তাহের খান। তিনি বলেন, “মুর্শিদাবাদ স্টেশনে কোনও ঘটনাই ঘটেনি। বিজেপি গোটা বিষয়টিকে অতিরঞ্জিত করছে। ট্রেনটি স্টেশনে ঢোকার আগে বিজেপি বিধায়কের সঙ্গে আমার সৌজন্যমূলক কথা হয়েছে। বিশেষ ট্রেনটি প্রবেশের পর আমরা যেখানে দাঁড়িয়ে ছিলাম সেখানে এসে ইঞ্জিন থামে। স্টেশনে প্রচুর সমর্থক থাকায় বিজেপির কর্মীরা ধাক্কাধাক্কি করে সময়মতো পৌঁছাতে পারেননি।”
তিনি আরও জানান, “আমার এলাকা দিয়ে নতুন ট্রেন যাত্রা করছে। সৌজন্যের খাতিরে ট্রেনের চালক ও গার্ডকে ফুল-মিষ্টি দেওয়ার জন্য স্টেশনে এসেছিলাম। ট্রেনের আধিকারিকরাই আমাকে সবুজ পতাকা নাড়তে বলেছিলেন। আমাদের দলের কোনও কর্মী বা সমর্থক বিজেপির কর্মী বা নেতাকে মারধর করেনি। এই অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।”
মুর্শিদাবাদ স্টেশনে সংঘাত নিয়ে তৃণমূল-বিজেপির বক্তব্যের পার্থক্য
📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর
👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।
#মুর্শিদাবাদ #বিজেপি #তৃণমূল #স্টেশনসংঘাত #রাজনীতি #রেল #সংবাদ #Yবাংলা
📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর
👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।
আপডেট: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া অঞ্চলে তালিবানদের হামলায় অন্তত ১৯ সেনার মৃত্যু এবং ৪৫ জঙ্গির নিহত হওয়ার ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। সূত্রের দাবি, পাক সেনা গত ১০ থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালায় এবং জঙ্গিদের সঙ্গে সংঘর্ষে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। শনিবার ভোরে দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তানে সেনা কনভয়ে হামলা চালায় তালিবানদের জঙ্গিরা। গুলি চালিয়ে অস্ত্র ও ড্রোন দখল করে নেয় তারা। এই ঘটনায় সেনাদের পাশাপাশি সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত এবং কাতার এই হামলায় হতাহতের ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছে। তারা পাকিস্তানের জনগণের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছে। আন্তর্জাতিক মহলে এ ঘটনাকে উদ্বেগজনক হিসেবে দেখা হচ্ছে।
তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান (টিটিপি) এই হামলার দায় স্বীকার করেছে। তাদের দাবি, তারা সেনা অভিযানের জবাব দিতে এই হামলা চালিয়েছে। সীমান্তবর্তী অঞ্চলে তালিবানদের সক্রিয়তা বেড়েই চলেছে। ২০২১ সালে আফগান তালিবানের ক্ষমতায় আসার পর এই ধরনের হামলা বৃদ্ধি পেয়েছে।
পাকিস্তান সেনাবাহিনী জানিয়েছে, সীমান্তবর্তী এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং জঙ্গিদের খোঁজে তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে। সরকার আফগানিস্তানে তালিবান সরকারের কাছে আহ্বান জানিয়েছে যাতে তাদের ভূখণ্ড ব্যবহার করে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা না করা হয়।
এর আগে বালোচিস্তানের তুবর্ত অঞ্চলে সাত বছরের শিশুর বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হয়। অভিযোগ, ওই শিশু মানবাধিকার কর্মীর একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করেছিল। পাশাপাশি, গত মার্চ মাসে বালোচ লিবারেশন আর্মি জাফর এক্সপ্রেস ট্রেন অপহরণ করে প্রায় ৫০০ যাত্রীকে পণবন্দি করেছিল। এতে সেনাকর্মীসহ অনেকেই আটকে পড়েছিলেন। পাকিস্তানে বিদ্রোহী কার্যকলাপ দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
এই হামলা পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। তালিবানদের সক্রিয়তা শুধু সীমান্তবর্তী অঞ্চলেই নয়, দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়ছে। আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানো না গেলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। সেনাদের মনোবল এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর
👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।
আপডেট তারিখ: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
কোচবিহার থেকে শুরু হয়ে কলকাতার কলেজ স্কোয়ারে এসে শেষ হলো আরএসপি-র যুব সংগঠন আরওয়াইএফ-এর 'অধিকার যাত্রা'।...
এই যাত্রার মূল দাবি ছিল...
সমাবেশে বক্তৃতা করেন...
আরও পড়ুন: পুরো প্রতিবেদন পড়ুন এখানে
📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর
👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।
আপডেট: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
ছবি: টসে সময় সূর্যকুমার যাদব ও সলমন আলি আঘার মুখোমুখি। করমর্দনে অংশ নেননি ভারত অধিনায়ক।
পহেলগাঁও হামলার পর প্রথমবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে মুখোমুখি হয়েছে ভারত ও পাকিস্তান। এশিয়া কাপ ২০২৫-এর গ্রুপ পর্বে এই ম্যাচ অত্যন্ত আলোচিত। নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেই ম্যাচ শুরু হলেও ক্রিকেটপ্রেমীরা মুখিয়ে ছিলেন চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের লড়াই দেখতে। তবে ম্যাচের আগে থেকেই বয়কটের দাবি ওঠে। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে প্রাক্তন ক্রিকেটাররা ম্যাচ বয়কটের পক্ষে সরব হয়েছিলেন। এই পরিস্থিতিতে ভারতীয় দল এক ধরনের ‘অদৃশ্য প্রতিবাদ’ জানায়।
টসের সময় এক নজিরবিহীন ঘটনা ঘটে। ভারতীয় অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব পাকিস্তান অধিনায়ক সলমন আলি আঘারের সঙ্গে করমর্দন করতে অস্বীকার করেন। এর ফলে ম্যাচের শুরুতেই রাজনৈতিক বার্তা পৌঁছে যায়। ম্যাচের আগে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, “আমরা ক্রিকেট খেলতে এসেছি, তবে এই পরিস্থিতিতে আমি ব্যক্তিগতভাবে করমর্দনে অংশ নেব না। দেশের অনুভূতিকে সম্মান জানাচ্ছি।”
সূত্রের খবর, টসের আগে দলের বাকিদের ওপর সিদ্ধান্ত ছেড়ে দিয়েছিলেন সূর্যকুমার। যদিও বাকিরা প্রথাগতভাবে করমর্দন করেন, অধিনায়ক হিসেবে সূর্যকুমারের এই পদক্ষেপ ইতিমধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।
টসে হারলেও ভারতীয় দলের আত্মবিশ্বাস অটুট। পাকিস্তান অধিনায়ক সলমন আলি আঘার টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন। ম্যাচের আগে সূর্যকুমার বলেন, “পিচ ব্যাটারদের সহায়ক। আমরা আমাদের খেলায় মনোযোগ দেব।” ভারতের দলগত বিন্যাসে কোনও পরিবর্তন আনা হয়নি। অভিজ্ঞ ও তরুণ ক্রিকেটাররা একসঙ্গে মাঠে নেমেছেন।
এই ম্যাচ শুধু খেলাধুলার প্রতিযোগিতা নয়, রাজনৈতিক ও সামাজিক উত্তেজনারও প্রতীক। পহেলগাঁও হামলার ঘটনার পর দুই দেশের সম্পর্ক আরও তিক্ত হয়েছে। সাধারণ ক্রিকেটপ্রেমীরাও এই ম্যাচে ভারতের কঠোর অবস্থানের পক্ষে। বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যম প্ল্যাটফর্মে #BoycottIndiaVsPak ম্যাচ ট্রেন্ড করছে। অনেক প্রাক্তন ক্রিকেটারও ম্যাচ বয়কটের আহ্বান জানিয়েছেন। তবুও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের নিয়ম মেনে খেলা শুরু হয়েছে।
ম্যাচ শুরুর আগে স্টেডিয়ামে ভারতীয় সমর্থকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যায়। কেউ সূর্যকুমারের প্রতিবাদকে সমর্থন করেন, আবার কেউ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ঐতিহ্য রক্ষার পক্ষেও কথা বলেন। নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। মাঠে দর্শকদের সংখ্যাও সীমিত রাখা হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, পাকিস্তান টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সুবিধা পেলেও ম্যাচের ফল নির্ধারণ করবে ভারতীয় দলের দৃঢ়তা। সূর্যকুমারের নেতৃত্ব ও বোলিং বিভাগ ম্যাচের ফলাফল পাল্টে দিতে পারে। রাজনৈতিক বিতর্কের মাঝেও ক্রিকেটের আসল লড়াই কীভাবে এগোয় তা দেখার অপেক্ষায় সবাই।
📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।
👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপেআপডেট: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
বিহার বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক প্রচার ও জনমতের চিত্র
শহুরে: বিরোধী ৪৮%, সমর্থক ৩১%, নিরপেক্ষ ১৭%, জানেন না ৪%
গ্রামীণ: বিরোধী ৪৮%, সমর্থক ২৫%, নিরপেক্ষ ২২%, জানেন না ৪%
এই সমীক্ষা করা হয়েছে ৩ সেপ্টেম্বর থেকে ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে। উল্লেখযোগ্য যে এই সময়ে রাহুল গান্ধির 'ভোটার অধিকার যাত্রা' বিহারে চলছিল। তেজস্বী যাদব এবং রাহুল গান্ধি বিহারের ২২-এর বেশি জেলার সফর করেছেন। এর ফলে জনমতে বিরোধী মনোভাব বৃদ্ধি পেয়েছে।
এই সমীক্ষা বিহারের রাজনৈতিক পরিস্থিতির একটি স্পষ্ট চিত্র তুলে ধরেছে। আগামী নির্বাচনে বিরোধী মনোভাব বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। তবে ফলাফল কোন দিকে যাবে তা সময়ই বলে দেবে।
📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।
👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপেআপডেট: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫, দুপুর ১২:৩০
ছবি: মালদা টাউন স্টেশনে রাজধানী এক্সপ্রেসের স্টপেজের শুভারম্ভ অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা।
📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।
👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপেমালদা টাউন রেলস্টেশন দীর্ঘদিন ধরে উত্তরবঙ্গের যাতায়াতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। এবার সেই স্টেশনের ইতিহাসে যুক্ত হলো আরও একটি মাইলফলক—সাইরাং (মিজোরাম) থেকে আনন্দ বিহার (নিউ দিল্লি)গামী রাজধানী এক্সপ্রেস ট্রেনের স্টপেজ। রবিবার মালদায় এই নতুন পরিষেবার আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। উত্তর মালদার সাংসদ খগেন মুর্মু সবুজ পতাকা নাড়িয়ে ট্রেনের শুভারম্ভ ঘোষণা করেন। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন পুরাতন মালদা কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক গোপালচন্দ্র সাহা, সমাজসেবী নীলাঞ্জন দাসসহ রেল বিভাগের একাধিক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।
রাজধানী এক্সপ্রেস দেশের সবচেয়ে দ্রুতগামী এবং উন্নত পরিষেবার ট্রেনগুলোর মধ্যে অন্যতম। এর স্টপেজ পাওয়া মানে শুধু যাতায়াতের সুবিধাই নয়, পাশাপাশি পর্যটন, ব্যবসা, শিক্ষা এবং স্বাস্থ্য পরিষেবায় সহজ যোগাযোগ। আগে থেকেই মালদায় তেজস রাজধানী এক্সপ্রেসের স্টপেজ ছিল। এবার রাজধানী এক্সপ্রেস যুক্ত হওয়ায় মালদার যোগাযোগের ক্ষেত্র আরও বিস্তৃত হবে। উত্তরবঙ্গের নাগরিকরা রাজধানী এক্সপ্রেসের মাধ্যমে দ্রুত দিল্লি ও অন্যান্য উত্তর ভারতের শহরে পৌঁছাতে পারবেন।
উত্তর মালদার সাংসদ খগেন মুর্মু এই পরিষেবাকে “মালদাবাসীর জন্য এক নতুন দিগন্ত” বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “মালদাবাসী তথা উত্তরবঙ্গের মানুষের জন্য অত্যন্ত সুখবর এটি। এর ফলে উত্তরবঙ্গের মানুষের জন্য যাতায়াতের নতুন সুযোগ তৈরি হবে। এর জন্য বিশেষ ধন্যবাদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে। আমরা বর্তমানে দুটি রাজধানী এক্সপ্রেসের স্টপেজ পেয়েছি মালদায়।” তাঁর এই বক্তব্য মালদার নাগরিকদের মধ্যে উৎসাহ তৈরি করেছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত পুরাতন মালদার বিধায়ক গোপালচন্দ্র সাহা বলেন, “এই স্টপেজের মাধ্যমে মালদার সাধারণ মানুষ দেশের অন্যান্য প্রান্তের সঙ্গে আরও সহজে যোগাযোগ করতে পারবেন। এটি উত্তরবঙ্গের জন্য বড় সুযোগ।” সমাজসেবী নীলাঞ্জন দাস আশা প্রকাশ করেন যে এই পরিষেবা মালদার অর্থনৈতিক উন্নয়নের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জন্যও সহায়ক হবে। রেল বিভাগের আধিকারিকরা জানান, স্টপেজ চালু হওয়ার পর মালদার যাতায়াত কাঠামো উন্নত হবে এবং নিরাপদ যাত্রার ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে।
মালদার বাসিন্দারা এই নতুন স্টপেজকে স্বাগত জানিয়েছেন। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, দিল্লি ও অন্যান্য শহরের সঙ্গে ব্যবসায়িক যোগাযোগ বাড়বে। শিক্ষার্থীরা বলছেন, রাজধানী এক্সপ্রেসের মাধ্যমে পরীক্ষার প্রস্তুতি, উচ্চশিক্ষার জন্য অন্য শহরে যাওয়া এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়ে সুবিধা হবে। চিকিৎসা পরিষেবা পাওয়ার ক্ষেত্রেও এই পরিষেবা বড় ভূমিকা রাখবে বলে তাঁরা মনে করছেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, রাজধানী এক্সপ্রেসের স্টপেজ শুধু যাতায়াতের সুবিধা নয়, এটি মালদার অর্থনীতিতে বড় পরিবর্তন আনতে পারে। পর্যটন বাড়লে স্থানীয় ব্যবসা যেমন হোটেল, পরিবহন, খুচরো ব্যবসায় উন্নতি হবে। উত্তরবঙ্গের কৃষিপণ্য, হস্তশিল্প ও অন্যান্য পণ্য দ্রুত বাজারে পৌঁছাতে পারবে। রেল যোগাযোগ উন্নত হলে বিনিয়োগের সুযোগও বৃদ্ধি পাবে। ফলে কর্মসংস্থানের নতুন ক্ষেত্র তৈরি হতে পারে।
রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, স্টপেজ চালুর সঙ্গে সঙ্গে যাত্রীদের নিরাপত্তার দিকে বিশেষ নজর দেওয়া হবে। উন্নত ট্র্যাক পর্যবেক্ষণ, যাত্রী পরিষেবা কেন্দ্রের আধুনিকীকরণ, চিকিৎসা সহায়তা কেন্দ্র স্থাপন এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত প্রতিক্রিয়ার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রেল পরিষেবাকে আরও উন্নত করতে মালদায় যাত্রী পরিষেবা কেন্দ্রের সংখ্যা বাড়ানো, অনলাইনে টিকিট পরিষেবা সহজ করা এবং রেলস্টেশনে বিশ্রামাগার, খাবারের দোকান, স্বাস্থ্য সহায়তা কেন্দ্র ইত্যাদি বাড়ানো উচিত। পাশাপাশি নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে নজরদারি ক্যামেরা ও ট্রেন পরিচালনার আধুনিক প্রযুক্তি যুক্ত করা দরকার।
মালদা টাউনে রাজধানী এক্সপ্রেসের স্টপেজ চালু হওয়া উত্তরবঙ্গের জন্য এক বড় উন্নয়নের বার্তা। এটি শুধু যাতায়াত নয়, অর্থনীতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং কর্মসংস্থানের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করবে। রাজনৈতিক নেতৃত্বের পাশাপাশি স্থানীয় নাগরিকদের সহযোগিতা, আধুনিক রেল পরিষেবা এবং নিরাপত্তার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে পারলে এই পরিষেবা উত্তরবঙ্গের জীবনযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনবে।
📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।
👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপেY বাংলা নিউজ ডেস্ক রিপোর্ট আজ, শনিবার দুপুরে পশ্চিমবঙ্গে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। দুপুর পৌনে ১টা নাগাদ তাঁর মালদা টাউন...