Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Thursday, 18 September 2025

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে ৪৫ জন যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত বন্দিকে মুক্তি

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে ৪৫ জন যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত বন্দিকে মুক্তি

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে ৪৫ জন যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত বন্দিকে মুক্তি

ডিজিটাল ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ সরকার ফের বন্দি মুক্তির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সোশ্যাল মিডিয়ায় জানিয়েছেন, এবার ৪৫ জন যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত বন্দিকে মুক্তি দেওয়া হচ্ছে। মমতা জানিয়েছেন, ২০১১ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৮৪০ জনকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বন্দি মুক্তি নিয়ে ঘোষণা করছেন।

মুক্তির প্রক্রিয়া ও নীতিমালা

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একটি পোস্টে লিখেছেন, "যাবজ্জীবন সাজা প্রাপ্তদের মধ্যে যাদের ইতিমধ্যেই ১৪ বছরের বেশি বন্দিদশা সম্পূর্ণ হয়েছে, তাদের অনেককেই আমাদের সরকার আইন মেনে মুক্তি দিয়েছে। ২০১১ সালের পর থেকে এখনও পর্যন্ত ৮৪০ জন এরকম মানুষ ছাড়া পেয়েছেন। আরও ৪৫ জনকে আইনের পথে মুক্তি দেওয়া হচ্ছে।"

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেছেন, "আমি তাঁদের ও তাঁদের পরিবারের সকলকে অভিনন্দন জানাই। আমি জেনেছি, বন্দিজীবনে এঁদের আচরণ ভালো ছিল। তাই এই মুক্তি তাঁদের ইতিবাচক আচরণের স্বীকৃতি।"

সংশোধনাগারের ভূমিকা ও বন্দিদের পুনর্বাসন

মুখ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেছেন, সংশোধনাগারের কাজ অপরাধীদের মানসিকতার পরিবর্তন করে সমাজের মূল স্রোতে ফিরিয়ে আনা। মুক্তিপ্রাপ্ত বন্দিরা নতুন জীবন শুরু করে সমাজে সুনাগরিক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আশা প্রকাশ করেছেন, এই মুক্তি প্রাপ্তরা তাদের নতুন জীবন যথাযথভাবে ব্যবহার করবেন।

গতিপথ ও পূর্বের মুক্তি

এর আগে জুলাই মাসে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত তিনজন বন্দি মেদিনীপুর কেন্দ্রীয় সংশোধনাগার থেকে মুক্তি পেয়েছিলেন। তাদের আচরণ মুগ্ধ হওয়ায় জেল কর্তৃপক্ষ মুক্তির সুপারিশ করেছিল। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় রাজ্যের 'স্টেট সেন্টেন্স রিভিউ বোর্ড' তাদের মুক্তি অনুমোদন করেছিল।

বন্দিদের নতুন জীবনের জন্য সমর্থন

মুখ্যমন্ত্রী বন্দিদের পরিবারকেও অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, "বন্দিরা তাদের নতুন জীবন শুরু করে সমাজে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবেন, এবং সমাজে সুনাগরিক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবেন।"

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

আপডেট: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ওড়িশায় গণধর্ষণ নিয়ে তীব্র রাজনৈতিক ঝড়, কংগ্রেসের অনাস্থা প্রস্তাব | Y বাংলা ডিজিটাল

ওড়িশায় গণধর্ষণ নিয়ে তীব্র রাজনৈতিক ঝড়, কংগ্রেসের অনাস্থা প্রস্তাব | Y বাংলা ডিজিটাল

ওড়িশায় গণধর্ষণ নিয়ে তীব্র রাজনৈতিক ঝড়, কংগ্রেসের অনাস্থা প্রস্তাব

🕒 আপডেট: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
ওড়িশা বিধানসভায় অনাস্থা প্রস্তাব
ওড়িশা বিধানসভা ঘিরে বিরোধীদের ক্ষোভ ও অনাস্থা প্রস্তাবের প্রস্তুতি

Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো: সাম্প্রতিক অতীতে ওড়িশা কেঁপে উঠেছে একের পর এক গণধর্ষণের ঘটনায়। গোপালপুর, বালাসোর, বলঙ্গা ও ব্রহ্মগিরির মতো জায়গার নাম শিরোনামে উঠে এসেছে। ফলে রাজ্য সরকারকে ঘিরে বিরোধীরা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গাফিলতির অভিযোগ তুলেছে।

অনাস্থা প্রস্তাবের পথে কংগ্রেস

বুধবার কংগ্রেসের তরফে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে, বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হতে চলা বাদল অধিবেশনে শাসকদলের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনা হবে। দলের বৈঠকের পরে কংগ্রেস বিধানসভা দলনেতা রামচন্দ্র কদম জানান, রাজ্য সরকার মহিলাদের নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা, কৃষক, দলিত, উপজাতি এবং অনগ্রসর শ্রেণির সমস্যার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছে। তাই, আমাদের অনাস্থা প্রস্তাব আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিরোধীদের তোপে শাসকদল

কদম আরও অভিযোগ করেন, শাসকদল জনগণের প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। তিনি জানান, মহিলাদের উপর ক্রমবর্ধমান অত্যাচার, বেকারত্ব, শিল্পায়নের নামে উচ্ছেদ, সার সংকট ও কালোবাজারি, এসসি/এসটি আইনের সংশোধনসহ একাধিক বিষয় বিধানসভায় তুলে ধরবে কংগ্রেস।

রাজনীতি বনাম সামাজিক নিরাপত্তা

ওড়িশার সাম্প্রতিক অপরাধ প্রবণতা সাধারণ মানুষকেও আতঙ্কিত করছে। বিরোধীদের দাবি, কেবল রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতিই নয়, বাস্তব পদক্ষেপ নিতে হবে। অন্যদিকে শাসকদলের তরফে জানানো হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সরকার সর্বোচ্চ সতর্ক আছে। তবে বিরোধীরা বলছে, পরিসংখ্যানই প্রমাণ করছে সরকারের ব্যর্থতা।

রাজনীতির মঞ্চে বড় লড়াই

ওড়িশা বিধানসভায় বিরোধী দলগুলির সম্মিলিত চাপের মুখে শাসকদলকে এবার অস্বস্তিতে পড়তে হবে বলেই রাজনৈতিক মহলের ধারণা। অনাস্থা প্রস্তাব কতটা কার্যকর হবে, তা সময়ই বলবে, তবে বিষয়টি নিঃসন্দেহে রাজ্য রাজনীতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলবে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

পাঁশকুড়া হাসপাতালে ধর্ষণকাণ্ডের প্রতিবাদে ১২ ঘণ্টার বনধ, উত্তেজনা ও মিশ্র প্রভাব

পাঁশকুড়া হাসপাতালে ধর্ষণকাণ্ডের প্রতিবাদে ১২ ঘণ্টার বনধ, উত্তেজনা ও মিশ্র প্রভাব

পাঁশকুড়া হাসপাতালে ধর্ষণকাণ্ডের প্রতিবাদে ১২ ঘণ্টার বনধ, উত্তেজনা ও মিশ্র প্রভাব

Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো: পাঁশকুড়া সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ঘটে যাওয়া নৃশংস ধর্ষণকাণ্ডকে কেন্দ্র করে উত্তাল পাঁশকুড়া। বৃহস্পতিবার সকালে SUCI-এর ডাকে শুরু হয়েছে ১২ ঘণ্টার বনধ। বনধে সকাল থেকেই মিশ্র প্রভাব দেখা গেল— কোথাও দোকানপাট বন্ধ, কোথাও ফাঁকা রাস্তা, আবার কোথাও আংশিক স্বাভাবিক জনজীবন।

পাঁশকুড়া বনধ
📸 পাঁশকুড়ায় বনধ সমর্থকদের বিক্ষোভ, রাস্তায় উত্তেজনা
ব্রেকিং: বনধ সমর্থনকারীদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি, পাঁশকুড়া স্টেশন বাজারে ব্যাপক বিক্ষোভ।

স্টেশন বাজার ও রাজ্য সড়কে উত্তেজনা

সকালে পাঁশকুড়া স্টেশন বাজার এলাকায় বনধ সমর্থকদের ব্যাপক জমায়েত হয়। মিছিলকারীরা স্লোগান দিতে দিতে দোকানপাট বন্ধ করার চেষ্টা করেন। অন্যদিকে, পাঁশকুড়া-ঘাটাল রাজ্য সড়কে পিরপুরের কাছে অবরোধ সৃষ্টি হয়। প্রায় আধঘণ্টা ওই রাস্তা বন্ধ থাকায় সাধারণ মানুষ সমস্যায় পড়েন। পুলিশের সঙ্গে বনধ সমর্থকদের বচসা তুমুল বিক্ষোভে পরিণত হয়।

বাসস্ট্যান্ডে পথ অবরোধ

পাঁশকুড়া বাসস্ট্যান্ডে SUCI সমর্থকেরা প্রায় ২৫ মিনিট ধরে পথ অবরোধ করেন। এর ফলে দূরপাল্লার ও লোকাল বাস চলাচল ব্যাহত হয়। যাত্রীদের ভোগান্তি বাড়লেও বনধ সমর্থকেরা দাবি করেন, “ধর্ষণকাণ্ডের দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।” পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

পাঁশকুড়া বাসস্ট্যান্ড অবরোধ
📸 বাসস্ট্যান্ডে বনধ সমর্থকদের পথ অবরোধে ভোগান্তি

বিজেপির ঝাঁটা হাতে মিছিল

শুধু SUCI নয়, ধর্ষণকাণ্ডের প্রতিবাদে বিজেপির মহিলা মোর্চাও মাঠে নেমেছে। বিকেলে ঝাঁটা হাতে মিছিল করার ঘোষণা দিয়েছে তারা। বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, “এ রাজ্যে মহিলাদের নিরাপত্তা নেই। অপরাধীরা ক্ষমতার ছত্রছায়ায় রক্ষা পাচ্ছে।”

ধর্ষণকাণ্ডের অভিযোগ

গত ১৫ সেপ্টেম্বর পাঁশকুড়া সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের এক তরুণী স্বাস্থ্যকর্মী থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর দাবি, হাসপাতালের ফেসিলিটি ম্যানেজার জাহির আব্বাস খান তাঁকে একাধিকবার হাসপাতালের ভেতরে ধর্ষণ করেছে। শুধু তাই নয়, আরও মহিলা কর্মীকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করার অভিযোগও তাঁর বিরুদ্ধে রয়েছে।

অভিযোগকারিণী জানান, তিনি একা নন, ভয়ে অনেকেই মুখ খোলেননি। কিন্তু অবশেষে সাহস করে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। অভিযোগের ভিত্তিতেই পুলিশ গ্রেফতার করে অভিযুক্ত জাহির আব্বাস খানকে।

অভিযুক্ত গ্রেফতার
📸 ফেসিলিটি ম্যানেজার জাহির আব্বাস খানকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ

মিশ্র প্রভাব

বনধে পাঁশকুড়ার অধিকাংশ দোকানপাট বন্ধ থাকলেও কিছু জায়গায় স্বাভাবিক জনজীবন বজায় ছিল। যান চলাচল আংশিকভাবে ব্যাহত হলেও দুপুরের পর কিছুটা স্বাভাবিক হতে শুরু করে। তবে জনমনে ক্ষোভ প্রবল। এলাকার সাধারণ মানুষ চান, এই ঘটনার দ্রুত বিচার হোক।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে
🗓️ সর্বশেষ আপডেট: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

রাহুল গান্ধীর 'ভোটচুরি' অভিযোগ: অলন্দে ৬০১৮ ভোট মুছে ফেলার চেষ্টা, নির্বাচন কমিশন কী বলল?

রাহুল গান্ধীর 'ভোটচুরি' অভিযোগ: অলন্দে ৬০১৮ ভোট মুছে ফেলার চেষ্টা, নির্বাচন কমিশন কী বলল?

রাহুল গান্ধীর 'ভোটচুরি' অভিযোগ: এক কেন্দ্রে ৬০১৮ নাম মুছে ফেলার চেষ্টা, নির্বাচন কমিশন কী বলল?

Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো | আপডেট: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

রাহুল গান্ধী সাংবাদিক সম্মেলন (প্রতীকী)
নতুন 'ডিলিশন ফাইল' নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করেন রাহুল গান্ধী — আলন্দ কেন্দ্রকে উদাহরণ দেখান তিনি।

সংক্ষিপ্ত সারমর্ম: বৃহস্পতিবার দিল্লিতে সাংবাদিক সম্মেলনে লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী বললেন— কর্নাটকের অলন্দ (Aland) কেন্দ্রে প্রায় ৬০১৮ ভোটারকে কাঠামোবদ্ধভাবে তালিকা থেকে মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছিল; দাবি করেন, নির্দিষ্ট সফটওয়্যার, ফোন নম্বর এবং আইপি-অ্যাড্রেস ব্যবহার করে এই কাজ করা হয়েছে। রাহুলের অভিযোগ— এই তৎপরতা কোণঠাসা কংগ্রেস-সমর্থকদের, দলিত ও আদিবাসী ভোটারদের লক্ষ করে। তবে নির্বাচন কমিশন এই দাগগুলোকে প্রত্যাখ্যান করে বলেছে এসব 'ভুল ও ভিত্তিহীন' এবং সূচক হিসেবে নিশ্চিত করেছে যে অনলাইনে কোনো ভোটারকে সরানো যায় না। 0

রাহুল কী বললেন — প্রধান দাবি

রাহুল দাবি করেছেন—

  • অলন্দ কেন্দ্রে প্রায় ৬০১৮টি ভোটার-সনাক্তকরণ মুছে ফেলার চেষ্টা ধরা পড়েছে; এটি কখনও ব্যক্তিগত অনুরোধের নয়, বরং একটি কেন্দ্রীভূত ব্যবস্থা ব্যবহার করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে হয়েছে। 1
  • যেসব বুথে কংগ্রেসের শক্ত ঘাটতি আছে সেগুলোতেই এই ধরনের অননুমোদিত মুছে ফেলার চেষ্টার নমুনা বেশি। 2
  • কর্নাটক সিআইডি প্রয়োজনীয় ডাটা (সফটওয়্যার লোগ, ফোন নম্বর, আইপি ও OTP বিবরণ) চেয়েছিল — কিন্তু নির্বাচন কমিশন সেই তথ্য দিতে নাকচ করেছে বলে অভিযোগ। 3
রাহুলের প্রদত্ত প্রমাণ হিসেবে: সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি সময়সুচি, ফোন নম্বর, নির্দিষ্ট আবেদন-টাইমিং (অনেকগুলো আবেদন মাত্র কয়েক সেকেন্ডের ব্যবধানে), এবং টেকনিক্যাল প্যাটার্ন উপস্থাপন করেন— যাতে বোঝানো হয় যে এগুলো স্বতন্ত্র ব্যবহারকারীর কাজ নয়, বরং স্বয়ংক্রিয়/সফটওয়্যার-চালিত অনুরোধ। 4

নির্বাচন কমিশনের প্রতিক্রিয়া

নির্বাচন কমিশন দ্রুতভাবে প্রতিক্রিয়া জানায় এবং বরাবরের কন্ঠেই বলেছে— রাহুলের অভিযোগগুলি 'ভুল এবং ভিত্তিহীন'। কমিশন টুইটে জানায়, অনলাইনে কোনো সাধারণ নাগরিক কোনো ভোটারের নাম সরাতে পারে না; নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তির সঙ্গে কথা না বলে ভোটার বাতিল হয় না। তথাপিও কমিশন স্বীকার করেছে যে ২০২৩ সালে অলন্দ কেন্দ্রে কিছু ব্যর্থ মুছার চেষ্টা হয়েছিল এবং এ সম্পর্কে ECI নিজেদের পক্ষ থেকেই একটি এফআইআর দায়ের করেছিল। 5

কর্নাটক সিআইডি এবং তদন্তের দাবি

কর্নাটক সিআইডি ওই ঘটনায় আরও তথ্য চেয়েছিল— বিশেষত যেসব ফোন নম্বর, আইপি অ্যাড্রেস থেকে আবেদন এসেছে এবং ওই ওটিপি যাচাইয়ের বিবরণ। রাহুলের দাবি— সিআইডি ১৮ মাস ধরে কমিশনের কাছে এ বিষয়ে ১৮টি চিঠি পাঠিয়েছে, কিন্তু কমিশন সেগুলোর সম্মোহনে সহযোগিতা করছে না। তিনি কমিশনের প্রধান জ্ঞানেশ কুমারকে সরাসরি লক্ষ্য করে বলেছেন— 'গণতন্ত্রের হত্যাকারীদের সুরক্ষা দিচ্ছেন'। 6

বিশ্লেষণ: কি বুঝি এই বিতর্ক থেকে?

এই ঘটনায় তিনটি স্তরের প্রশ্ন উঠে— (১) প্রযুক্তিগত দিক: ভোটার তালিকা ব্যবস্থাপনায় কীভাবে নিরাপত্তা ও যাচাইকরণ কাজ করে, (২) প্রশাসনিক স্বচ্ছতা: নির্বাচন কমিশন ও রাজ্য-তদন্ত সংস্থার মধ্যে তথ্য ভাগাভাগি কেমন, এবং (৩) রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া: বিরোধী দল ও শাসকদলের মধ্যে কিভাবে এই অভিযোগ রাজনৈতিক দেখা-শোনায় রূপ নেয়।

বিশেষজ্ঞরা উদ্বেগ প্রকাশ করছেন যে যদি সত্যিই সফটওয়্যার-ভিত্তিক বা কল-সেন্টার-চালিত আবেদন করে ভুয়োভাবে ভোটার মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়ে থাকে, তবে এটি নির্বাচন ব্যবস্থার একটি গভীর প্রযুক্তিগত দুর্বলতা প্রকাশ করে— যা তাৎক্ষণিকভাবে সংশোধন না করলে ভবিষ্যৎ নির্বাচন বিশৃঙ্খলতাকে আমন্ত্রণ করবে। তবে নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যেই বলেছে যে অনলাইনে সরাসরি কোন ব্যক্তি কাকে সরাতে পারে না— এবং ECI ২০২৩-এই আসন্ন 'ব্যর্থ' কৌশলের জন্য এফআইআর করেছে বলে জানায়। 7

পরবর্তী করণীয়— অভিযুক্তদের খোঁজে স্বচ্ছ তদন্ত

রাহুলের ডাক— কমিশন যদি স্বচ্ছ হয় তবে এক সপ্তাহের মধ্যে কর্নাটক সিআইডিকে সমস্ত প্রয়োজনীয় তথ্য দেবেন এবং আইনিভাবে অভিযুক্তদের অনুসন্ধান হবে। এখন দেখার বিষয়— কমিশন কি সিআইডির কাছে সেসব লক-ফাইল, লগ-ফাইল ও আইপি-ট্রেইসিং সুনির্দিষ্টভাবে দেবে কি না। সুনির্দিষ্ট প্রযুক্তিগত ল্যাজিস্টিক তথ্য ছাড়া কেবল রাজনৈতিক দাবি-প্রতিদাবির মধ্যেই এই ঘটনা আটকে থাকলে গণতন্ত্রে আস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। 8

রাহুলের ইঙ্গিত: তিনি বলছেন, তাঁর কাছে সাদা-কালো প্রমাণ আছে — এবং এই 'প্রিভিউ' নয়; আসল 'হাইড্রোজেন বোমা' পরে ফেলবেন তিনি। এটা রাজনৈতিক উত্তাপকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। 9

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

#রাহুল_গান্ধী #ভোটচুরি #অলন্দ #ElectionCommission #VoterDeletion #Aland #Karnataka #VoteForDemocracy

✍️ প্রতিবেদন: Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো | আপডেট: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

সূত্র: টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ইন্ডিয়া টুডে, এনডিটিভি, ইকোনমিক টাইমস — সংশ্লিষ্ট রিপোর্ট ও লাইভ কভারেজগুলোর ওপর ভিত্তি করে তৈরি।

বিহারে খেসারত নয়, খয়রাতি: নীতীশের যুব-ভাতা ও নির্বাচনকালীন নতুন অভিযোজন

<!DOCTYPE html> <html lang="bn"> <head> <meta charset="utf-8" /> <meta name="viewport" content="width=device-width, initial-scale=1" /> <title>বিহারে খেসারত নয়, খয়রাতি: নীতীশের যুব-ভাতা ও নির্বাচনকালীন নতুন অভিযোজন

ডিফল্টের বদলে খয়রাতি: ভোটকে সামনে রেখে নীতীশের তালিকাভুক্ত উপহার ঘোষণা

Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো | আপডেট: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

নিতীশ কুমার অঙ্কিত প্রকল্প ঘোষণা
নিতীশ কুমার বিহারের বিভিন্ন জনমুখী প্রকল্প ঘোষণা করছেন; লক্ষ্য— যুব ও মহিলা ভোটাররা।

Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো: বিধানসভা ভোটের চিত্র স্পষ্ট: প্রতিটি রাজনীতিক দলের কৌশলে ভিটার পাশে ‘জনমুখী’ ঘোষণা। বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারও এই ছকে পিছিয়ে নেই — মাত্র কয়েক মাস বাকি নির্বাচনের আগে তিনি একের পর এক সাফল্য-বান্ধব ও ভাতা-ঘোষণা করছেন, যাতে যুব ও মহিলা ভোটারকে জেতা যায়।

মুখ্য ঘোষণা: বেকার গ্র্যাজুয়েটদের ১,০০০ টাকা মাসিক ভাতা

মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন, ২০–২৫ বছর বয়সি বেকার গ্র্যাজুয়েট যুবক-যুবতীকে মাসিক ১,০০০ টাকা করে ভাতা দেওয়া হবে — যদি তারা দু’বছর পর্যন্ত চাকরি বা নিজস্ব ব্যবসা পায় না। এই প্রকল্পকে তিনি যুবকদের দক্ষতা উন্নয়নে সহায়তা করার উদ্দেশ্য হিসেবে উপস্থাপন করেছেন। 0

সূত্র: সমসাময়িক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত সরকারি ঘোষণার সারমর্ম। 1

ইন্টার্নশিপ ও শিক্ষাভিত্তিক ভাতা — ৪০০০ থেকে ৬০০০ টাকা

সরকার আগেই শিক্ষানবিশ্যদের জন্য ইন্টার্নশিপ-ভিত্তিক আর্থিক সহায়তার ঘোষণা করেছে — দ্বাদশ উত্তীর্ণদের জন্য প্রস্তাবিত ৪,০০০ টাকা এবং স্নাতকদের জন্য ৬,০০০ টাকা হিসেবে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। এই প্রকল্পকে মন্তব্য করা হচ্ছে যাতে তরুণরা দক্ষতা অর্জন করে চাকরির যোগ্য হয়ে উঠতে পারেন। 2

মহিলাদের জন্য ৩৫% সংরক্ষণ — রাজনৈতিক গুরুত্ব

নীতীশ সরকার রাজ্যের সমস্ত সরকারি চাকরিতে মহিলাদের জন্য ৩৫% সংরক্ষণ ঘোষণাও করেছেন — এটি ভোটারভিত্তি সম্প্রসারণ ও মহিলাদের ভোট আকৃষ্ট করার বিশেষ কৌশল হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মহিলাদের আর্থ-সামাজিক শক্তি বৃদ্ধির এই ধরনের ঘোষণাও নির্বাচনী কৌশলের অংশ। 3

অন্য প্যাকেজ ও নগদ হস্তান্তর

এ ছাড়া নির্মাণ-শ্রমিকদের জন্য বড়সড় নগদ অনুদান ও শিক্ষা-সংক্রান্ত বিভিন্ন সুবিধার ঘোষণা করা হয়েছে। সম্প্রতি ১৬ লক্ষ নির্মাণ শ্রমিককে সরাসরি আর্থিক সহায়তার ঘোষণাও দিলেন মুখ্যমন্ত্রী— কয়েকশ কোটি টাকার প্যাকেজ জনগণের হাতে পৌঁছছে বলে জানানো হয়েছে। 4

নীতীশের যুক্তি vs বিরোধীর অভিযোগ

নীতীশ দাবি করছেন, সাত-আটটি প্রকল্প তরুণদের দক্ষ করে তুলবে, কর্মসংস্থানে সাহায্য করবে এবং অবসরে থাকা যুবসমাজকে গঠনমূলক কাজে লাগবে। তাঁর ভাষ্য— “এই সহায়তা পেয়ে যুবসমাজ প্রশিক্ষণ ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিজেকে প্রস্তুত করবে।” 5

কিন্তু বিরোধীরা বলছেন, সব কিছুই নির্বাচন-কালীন খয়রাতি। কংগ্রেস ও আরজেডি, জন সূর্য মতো দলের প্রতিনিধিরা অভিযোগ করছেন— গত পাঁচ বছরে নীতীশ সরকারের ত্রুটিপূর্ণ প্রশাসন ও উন্নয়নের ঘাটতি স্পষ্ট; এখন শেষ নাগাদ খরচ বাড়িয়ে ভোট কেন আনা হচ্ছে, তা স্পষ্ট নয়। তাছাড়া অনেক বিজ্ঞাপন ও প্রকল্প ঘোষণার বাস্তবায়ন কবে হবে, তা নির্দিষ্ট নয়।

রাজনীতিক ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষণ

বিশ্লেষকরা বলছেন— নির্বাচন-আগামী লড়াইতে সরাসরি নগদ-ভিত্তিক সোপ দেওয়া সাধারণ কৌশল। এর সুবিধা হল তা দ্রুত জনমতের দিক কাড়ে। তবে দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য প্রয়োজন বস্তুনিষ্ঠ কর্মসংস্থান এবং শিল্প-নির্ভর বিনিয়োগ। কেবল ভাতা দিয়ে অতিরিক্ত কর্মসংস্থান তৈরি হয় না; দক্ষতা-ভিত্তিক কর্মসূচি ও ব্যক্তিগত উদ্যোগকে অগ্রাধিকার দেওয়া দরকার।

জনমতের প্রতিক্রিয়া: আশাবাদী ও সন্দিহান

গ্রামাঞ্চলে এবং শহরের যুবকরা প্রথমদিকের কয়েকটি ঘোষণা স্বাগত জানিয়েছেন— কোনওরকম টাকা হাতে এসে যদি প্রশিক্ষণ নেওয়া যায় বা পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি করা যায়, তা তাদের উপকারে আসবে বলে মনে করেন অনেকে। কিন্তু ব্যবসায়ী ও প্রশাসনিক পর্যায়ে কেউ বলছেন— দীর্ঘমেয়াদে এটিকে ধারাবাহিকভাবে চালাতে রাজ্যের বাজেট কতটি সহনশীল, তা গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।

চ্যালেঞ্জ ও বাস্তবায়ন

বৃহত্তর চ্যালেঞ্জগুলো হল: প্রকল্পগুলোর সময়মতো বাস্তবায়ন, টার্গেটেড বেনিফিশিয়ারির নির্ধারণ, দুর্নীতি-প্রবণতা রোধ ও অর্থপ্রবাহের স্বচ্ছতা। বিশেষত যুব ভাতা বা ইন্টার্নশিপ ভাতা দেওয়া হলে তার মনিটরিং ও প্রতিশ্রুত কাজের ফলো-আপ জরুরি। নীতীশ সরকারকে এগুলোতে কড়া নজর দিতে হবে।

কীভাবে এগোবেন সরকার ও বিরোধী পক্ষ?

সরকারকে এখন দেখতে হবে — ঘোষণা বাস্তবায়ন ও স্বচ্ছতা; বিরোধী দলকে থাকতে হবে তৎপর ও গণতান্ত্রিকভাবে তত্ত্বাবধানী। ভোটারদের চাহিদা ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মসংস্থান নিশ্চিত করাই শেষমেষ রাজ্যের উত্তরণ ঘটাবে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

#NitishKumar #BiharPolitics #YouthAllowance #MukhyamantriYojana #WomenReservation #ElectionSops #BiharElections2025 #YBanglaDigital

✍️ প্রতিবেদন: Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো | আপডেট: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ডিফল্টের বদলে খয়রাতি: ভোটকে সামনে রেখে নীতীশের তালিকাভুক্ত উপহার ঘোষণা

Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো | আপডেট: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

নিতীশ কুমার অঙ্কিত প্রকল্প ঘোষণা
নিতীশ কুমার বিহারের বিভিন্ন জনমুখী প্রকল্প ঘোষণা করছেন; লক্ষ্য— যুব ও মহিলা ভোটাররা।

Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো: বিধানসভা ভোটের চিত্র স্পষ্ট: প্রতিটি রাজনীতিক দলের কৌশলে ভিটার পাশে ‘জনমুখী’ ঘোষণা। বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারও এই ছকে পিছিয়ে নেই — মাত্র কয়েক মাস বাকি নির্বাচনের আগে তিনি একের পর এক সাফল্য-বান্ধব ও ভাতা-ঘোষণা করছেন, যাতে যুব ও মহিলা ভোটারকে জেতা যায়।

মুখ্য ঘোষণা: বেকার গ্র্যাজুয়েটদের ১,০০০ টাকা মাসিক ভাতা

মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন, ২০–২৫ বছর বয়সি বেকার গ্র্যাজুয়েট যুবক-যুবতীকে মাসিক ১,০০০ টাকা করে ভাতা দেওয়া হবে — যদি তারা দু’বছর পর্যন্ত চাকরি বা নিজস্ব ব্যবসা পায় না। এই প্রকল্পকে তিনি যুবকদের দক্ষতা উন্নয়নে সহায়তা করার উদ্দেশ্য হিসেবে উপস্থাপন করেছেন। 0

সূত্র: সমসাময়িক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত সরকারি ঘোষণার সারমর্ম। 1

ইন্টার্নশিপ ও শিক্ষাভিত্তিক ভাতা — ৪০০০ থেকে ৬০০০ টাকা

সরকার আগেই শিক্ষানবিশ্যদের জন্য ইন্টার্নশিপ-ভিত্তিক আর্থিক সহায়তার ঘোষণা করেছে — দ্বাদশ উত্তীর্ণদের জন্য প্রস্তাবিত ৪,০০০ টাকা এবং স্নাতকদের জন্য ৬,০০০ টাকা হিসেবে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। এই প্রকল্পকে মন্তব্য করা হচ্ছে যাতে তরুণরা দক্ষতা অর্জন করে চাকরির যোগ্য হয়ে উঠতে পারেন। 2

মহিলাদের জন্য ৩৫% সংরক্ষণ — রাজনৈতিক গুরুত্ব

নীতীশ সরকার রাজ্যের সমস্ত সরকারি চাকরিতে মহিলাদের জন্য ৩৫% সংরক্ষণ ঘোষণাও করেছেন — এটি ভোটারভিত্তি সম্প্রসারণ ও মহিলাদের ভোট আকৃষ্ট করার বিশেষ কৌশল হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মহিলাদের আর্থ-সামাজিক শক্তি বৃদ্ধির এই ধরনের ঘোষণাও নির্বাচনী কৌশলের অংশ। 3

অন্য প্যাকেজ ও নগদ হস্তান্তর

এ ছাড়া নির্মাণ-শ্রমিকদের জন্য বড়সড় নগদ অনুদান ও শিক্ষা-সংক্রান্ত বিভিন্ন সুবিধার ঘোষণা করা হয়েছে। সম্প্রতি ১৬ লক্ষ নির্মাণ শ্রমিককে সরাসরি আর্থিক সহায়তার ঘোষণাও দিলেন মুখ্যমন্ত্রী— কয়েকশ কোটি টাকার প্যাকেজ জনগণের হাতে পৌঁছছে বলে জানানো হয়েছে। 4

নীতীশের যুক্তি vs বিরোধীর অভিযোগ

নীতীশ দাবি করছেন, সাত-আটটি প্রকল্প তরুণদের দক্ষ করে তুলবে, কর্মসংস্থানে সাহায্য করবে এবং অবসরে থাকা যুবসমাজকে গঠনমূলক কাজে লাগবে। তাঁর ভাষ্য— “এই সহায়তা পেয়ে যুবসমাজ প্রশিক্ষণ ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিজেকে প্রস্তুত করবে।” 5

কিন্তু বিরোধীরা বলছেন, সব কিছুই নির্বাচন-কালীন খয়রাতি। কংগ্রেস ও আরজেডি, জন সূর্য মতো দলের প্রতিনিধিরা অভিযোগ করছেন— গত পাঁচ বছরে নীতীশ সরকারের ত্রুটিপূর্ণ প্রশাসন ও উন্নয়নের ঘাটতি স্পষ্ট; এখন শেষ নাগাদ খরচ বাড়িয়ে ভোট কেন আনা হচ্ছে, তা স্পষ্ট নয়। তাছাড়া অনেক বিজ্ঞাপন ও প্রকল্প ঘোষণার বাস্তবায়ন কবে হবে, তা নির্দিষ্ট নয়।

রাজনীতিক ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষণ

বিশ্লেষকরা বলছেন— নির্বাচন-আগামী লড়াইতে সরাসরি নগদ-ভিত্তিক সোপ দেওয়া সাধারণ কৌশল। এর সুবিধা হল তা দ্রুত জনমতের দিক কাড়ে। তবে দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য প্রয়োজন বস্তুনিষ্ঠ কর্মসংস্থান এবং শিল্প-নির্ভর বিনিয়োগ। কেবল ভাতা দিয়ে অতিরিক্ত কর্মসংস্থান তৈরি হয় না; দক্ষতা-ভিত্তিক কর্মসূচি ও ব্যক্তিগত উদ্যোগকে অগ্রাধিকার দেওয়া দরকার।

জনমতের প্রতিক্রিয়া: আশাবাদী ও সন্দিহান

গ্রামাঞ্চলে এবং শহরের যুবকরা প্রথমদিকের কয়েকটি ঘোষণা স্বাগত জানিয়েছেন— কোনওরকম টাকা হাতে এসে যদি প্রশিক্ষণ নেওয়া যায় বা পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি করা যায়, তা তাদের উপকারে আসবে বলে মনে করেন অনেকে। কিন্তু ব্যবসায়ী ও প্রশাসনিক পর্যায়ে কেউ বলছেন— দীর্ঘমেয়াদে এটিকে ধারাবাহিকভাবে চালাতে রাজ্যের বাজেট কতটি সহনশীল, তা গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।

চ্যালেঞ্জ ও বাস্তবায়ন

বৃহত্তর চ্যালেঞ্জগুলো হল: প্রকল্পগুলোর সময়মতো বাস্তবায়ন, টার্গেটেড বেনিফিশিয়ারির নির্ধারণ, দুর্নীতি-প্রবণতা রোধ ও অর্থপ্রবাহের স্বচ্ছতা। বিশেষত যুব ভাতা বা ইন্টার্নশিপ ভাতা দেওয়া হলে তার মনিটরিং ও প্রতিশ্রুত কাজের ফলো-আপ জরুরি। নীতীশ সরকারকে এগুলোতে কড়া নজর দিতে হবে।

কীভাবে এগোবেন সরকার ও বিরোধী পক্ষ?

সরকারকে এখন দেখতে হবে — ঘোষণা বাস্তবায়ন ও স্বচ্ছতা; বিরোধী দলকে থাকতে হবে তৎপর ও গণতান্ত্রিকভাবে তত্ত্বাবধানী। ভোটারদের চাহিদা ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মসংস্থান নিশ্চিত করাই শেষমেষ রাজ্যের উত্তরণ ঘটাবে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

#NitishKumar #BiharPolitics #YouthAllowance #MukhyamantriYojana #WomenReservation #ElectionSops #BiharElections2025 #YBanglaDigital

✍️ প্রতিবেদন: Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো | আপডেট: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ রাহুল গান্ধীর | ভোটার তালিকা নিয়ে নতুন বিতর্ক

নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ রাহুল গান্ধীর | ভোটার তালিকা নিয়ে নতুন বিতর্ক

নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ রাহুল গান্ধীর

📅 আপডেট: ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
সাংবাদিক বৈঠকে রাহুল গান্ধী
সাংবাদিক বৈঠকে বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন রাহুল গান্ধী

Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো: লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী ফের একবার নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন। তাঁর দাবি, শুধু ভোটার তালিকায় গরমিল নয়, এবার সংগঠিতভাবে কংগ্রেস সমর্থক, দলিত এবং আদিবাসী ভোটারদের ভোট মুছে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। অথচ নির্বাচন কমিশন এ বিষয়ে নির্বিকার।

অলন্দ কেন্দ্রের ৬০১৮ ভোটারের নাম বাদ দেওয়ার চেষ্টা

রাহুল গান্ধীর অভিযোগ অনুযায়ী, কর্নাটকের অলন্দ লোকসভা কেন্দ্রে প্রায় ৬০১৮ জন ভোটারের নাম বাদ দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে। তিনি বলেন, মূলত যেসব বুথে কংগ্রেস শক্তিশালী, সেখানে পরিকল্পিতভাবে বৈধ ভোটারদের নাম তালিকা থেকে মুছে দেওয়ার আবেদন জমা পড়ছে।

ভুয়ো আবেদন, সফটওয়্যার ও কল সেন্টারের ভূমিকা

রাহুল গান্ধী জানান, নির্দিষ্ট সফটওয়্যার এবং কল সেন্টারের মাধ্যমে ভুয়ো আবেদন জমা দেওয়া হচ্ছে। আবেদনগুলির জন্য নির্দিষ্ট আইপি অ্যাড্রেস ব্যবহার হচ্ছে এবং একযোগে ভোট মুছে দেওয়ার প্রক্রিয়া চালানো হচ্ছে। তাঁর অভিযোগ, এই সমস্ত কাজ সংগঠিতভাবে করা হচ্ছে।

কর্নাটক সিআইডির তথ্য চাইতে না চাওয়ার অভিযোগ

এ বিষয়ে কর্নাটক সিআইডি নির্বাচন কমিশনের কাছে তথ্য চাইলে কমিশন সেই তথ্য দিতে অস্বীকার করেছে বলে দাবি করেন রাহুল। তিনি অভিযোগ করেন, কমিশন আসলে ‘ভোটাচোর’দের আড়াল করছে।

প্রমাণ হাজির করলেন রাহুল

প্রমাণ হিসাবে বেশ কয়েকজন ভোটারকে এদিন সাংবাদিক বৈঠকে হাজির করেন তিনি। যাঁদের নামে ভুয়ো আবেদন জমা পড়ে ভোট মুছে ফেলার চেষ্টা হয়েছিল। এছাড়াও তিনি কয়েকটি ফোন নম্বরও দেখান, যেগুলি থেকে ভোট মুছে ফেলার আবেদন করা হয়েছিল।

‘হাইড্রোজেন বোমা’ ফাটানোর ইঙ্গিত

রাহুল গান্ধী ইতিমধ্যেই বিহারের ভোটার অধিকার যাত্রা থেকে ঘোষণা করেছিলেন যে, ভোটচুরি নিয়ে তিনি ‘হাইড্রোজেন বোমা’ ফাটাবেন। যদিও বৃহস্পতিবারের অভিযোগকে তিনি সেই ‘বোমা’ বলতে নারাজ। বিরোধী দলনেতার ইঙ্গিত, আরও বড় বিস্ফোরক প্রকাশ করবেন তিনি।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

পাকিস্তানের সঙ্গে ঐতিহাসিক প্রতিরক্ষা চুক্তি করল সৌদি আরব, আঘাত মানে যৌথ প্রতিরোধ

সৌদি আরব-পাকিস্তান প্রতিরক্ষা চুক্তি: আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে নতুন সমীকরণ

সৌদি আরব-পাকিস্তান প্রতিরক্ষা চুক্তি: আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে নতুন সমীকরণ

🗓️ আপডেট: ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

সৌদি আরব ও পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর

📸 সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে

প্রতিরক্ষা চুক্তির ঘোষণা

পশ্চিম এশিয়ার অন্যতম শক্তিশালী দেশ সৌদি আরবের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করল পাকিস্তান। বুধবার রিয়াধে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের বৈঠকে এই চুক্তি সম্পন্ন হয়। দুই পক্ষই জানায়—যে কোনও এক পক্ষের উপর হামলা মানেই উভয়ের উপর আঘাত হিসেবে ধরা হবে।

বিবৃতিতে কী বলা হয়েছে?

আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থার সূত্রে জানা যায়, বৈঠকের পর সৌদি আরবের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে—দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও গভীর করতে এবং ভবিষ্যতে সম্ভাব্য আগ্রাসী পদক্ষেপের বিরুদ্ধে যৌথভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে শুধু প্রতিরক্ষা নয়, বরং কূটনৈতিক স্তরেও একে অপরের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছে ইসলামাবাদ ও রিয়াধ।

ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনার আবহে তাৎপর্য

সম্প্রতি পহেলগাঁও হামলার জবাবে ভারত “অপারেশন সিঁদুর” চালায় পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। সেই অভিযানে পাকিস্তান বড়সড় চাপে পড়ে। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে নিজের ভাবমূর্তি পুনর্গঠনে মরিয়া পাকিস্তান তাই শক্তিশালী মিত্রের সন্ধানে। সৌদি আরবের মতো আঞ্চলিক পরাশক্তির সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি পাকিস্তানের কূটনৈতিক কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ বলে মনে করা হচ্ছে।

ভারত-সৌদি সম্পর্ক ও নতুন জটিলতা

ভারতের সঙ্গেও সৌদি আরবের সম্পর্ক যথেষ্ট দৃঢ়। অর্থনীতি, জ্বালানি ও প্রতিরক্ষা—সব ক্ষেত্রেই রিয়াধ ও নয়াদিল্লির ঘনিষ্ঠতা রয়েছে। তাই ইসলামাবাদের সঙ্গে সৌদিদের এই নতুন প্রতিরক্ষা চুক্তি ভারত-সৌদি সম্পর্কের উপর কোনো চাপ সৃষ্টি করবে কি না, তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে।

কূটনৈতিক সমীকরণে সম্ভাব্য প্রভাব

  • পাকিস্তানের আঞ্চলিক অবস্থান আরও দৃঢ় হবে।
  • ভারতের জন্য কূটনৈতিক চ্যালেঞ্জ তৈরি হতে পারে।
  • সৌদি আরব মধ্যপ্রাচ্যে তার প্রভাব আরও প্রসারিত করবে।
  • যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের ভূমিকাও আলোচনায় আসতে পারে।

ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি

সৌদি আরব ও পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা চুক্তি কেবল কূটনৈতিক সম্পর্কের অঙ্গীকার নয়, বরং এটি এক ধরনের বার্তা—বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন শক্তির সমীকরণ তৈরি হচ্ছে। তবে এই সমীকরণ ভারত-সৌদি সম্পর্কের ভারসাম্য নষ্ট করবে কি না, তা সময়ই বলবে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

বার্তা ওয়েইসির: বিহার নির্বাচনে AIMIM-এর শর্ত ও সীমাঞ্চল উন্নয়ন দাবির লড়াই

বার্তা ওয়েইসির: বিহার নির্বাচনে AIMIM-এর শর্ত ও সীমাঞ্চল উন্নয়ন দাবির লড়াই

বার্তা ওয়েইসির: বিহার নির্বাচনে AIMIM-এর শর্ত ও সীমাঞ্চল উন্নয়ন দাবির লড়াই

🗓 আপডেট: ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ | ✍️ Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো

বিহার নির্বাচনে ওয়েইসি AIMIM বার্তা

📸 আসাদুদ্দিন ওয়েইসি – সীমাঞ্চল উন্নয়নের দাবিতে বিহার নির্বাচনে নতুন বার্তা

বিহারের রাজনীতি ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। এইবার সরাসরি মঞ্চে নামলেন অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিন (AIMIM)-এর প্রধান আসাদুদ্দিন ওয়েইসি। বুধবার তিনি স্পষ্ট জানালেন, বিহারের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে অন্তত ৬টি আসনে লড়ার সুযোগ মিললেই তাঁর দল ইন্ডিয়া জোটে যোগ দিতে প্রস্তুত। তবে শর্ত একটাই— তাঁরা মন্ত্রিত্ব চাইছেন না, চাইছেন শুধু সীমাঞ্চল উন্নয়ন বোর্ড

RJD-র সঙ্গে যোগাযোগ, তবুও সাড়া নেই

ওয়েইসি দাবি করেছেন, তিনি ব্যক্তিগতভাবে রাজদলীয় নেতা লালু প্রসাদ যাদব ও তেজস্বী যাদবকে তিনটি আলাদা চিঠি পাঠিয়েছেন। সেখানে AIMIM-এর অবস্থান ও দাবি স্পষ্ট করে জানানো হয়েছিল। কিন্তু তবুও কোনও সাড়া মেলেনি। বরং তাঁদের দলকে বারবার 'BJP-র বি টিম' বলে আক্রমণ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ ওয়েইসির।

সীমাঞ্চল উন্নয়ন বোর্ডের দাবি

ওয়েইসি বলেন, "আমাদের দলের লক্ষ্য মন্ত্রিত্ব পাওয়া নয়। আমরা চাই সীমাঞ্চলের উন্নয়ন। সীমাঞ্চল উন্নয়ন বোর্ড গঠন করাই আমাদের মূল দাবি। সেই দাবি পূরণ হলেই আমরা একসাথে লড়তে প্রস্তুত।"

রাজনৈতিক বিশ্লেষণ

বিহারের সীমাঞ্চল অঞ্চল দীর্ঘদিন ধরেই অবহেলার শিকার। AIMIM সেখানে একাধিক আসনে লড়াই করেছে এবং কিছু জায়গায় জিতেও এসেছে। বিশেষ করে মুসলিম অধ্যুষিত এলাকায় AIMIM-এর প্রভাব ক্রমশ বাড়ছে। ওয়েইসির এই শর্তমূলক অবস্থান স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে, সীমাঞ্চলকে কেন্দ্র করে বিহারের রাজনৈতিক সমীকরণে বড় পরিবর্তন আসতে চলেছে।

বিরোধী শিবিরের প্রতিক্রিয়া

RJD সূত্রে এখনও AIMIM-এর দাবির বিষয়ে কোনও মন্তব্য আসেনি। তবে কংগ্রেসের এক নেতা জানান, "ওয়েইসির বক্তব্য প্রমাণ করছে AIMIM শুধু বিভাজনের রাজনীতি করে। বাস্তবে তাঁদের প্রভাব সীমিত।"

ওয়েইসির বার্তা ও আগামীর রাজনীতি

ওয়েইসির বার্তা রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। জোটে জায়গা না পেলে AIMIM আলাদাভাবে লড়বে কিনা, সেই প্রশ্নও এখন বড়। সীমাঞ্চলের ভোটাররা ওয়েইসির এই অবস্থানকে কীভাবে গ্রহণ করবেন, সেটাই এখন মূল নজর।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

দুর্গা পুজোর আগে কুড়মি আন্দোলন: ২০ সেপ্টেম্বর রেল-রোকো ও রাস্তা অবরোধের হুঁশিয়ারি

দুর্গা পুজোর আগে কুড়মি আন্দোলন: ২০ সেপ্টেম্বর রেল-রোকো ও রাস্তা অবরোধের হুঁশিয়ারি

দুর্গা পুজোর মুখে ফের মাথা তুলছে কুড়মি আন্দোলন — ২০ সেপ্টেম্বর রেল-রোকো ও রাস্তা অবরোধের হুঁশিয়ারি

Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো | আপডেট: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

কুড়মি আন্দোলন প্রস্তুতি — প্রতীকী ছবি
কুড়মি সম্প্রদায়ের লোকজন প্রস্তুতি নিচ্ছেন: দেওয়াল লিখন, পোস্টার সাঁটানো ও সমাবেশের কাজ চলছে (প্রতীকী ছবি)

Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো: দুর্গাপুজোর ঠিক আগে বাংলা, ঝাড়খণ্ড ও ওড়িশায় বড় আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিল আদিবাসী কুড়মি সমাজ। সংগঠনের ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ২০ সেপ্টেম্বর থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য রেল ও রাস্তা অবরোধ করা হবে। তারা দাবী করছে— কুড়মি সম্প্রদায়কে আদিবাসী তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হোক।

কী বলা হয়েছে ঘোষণা- বিবরণ

সংগঠনের নির্দেশে মোট তিনটি রাজ্য জুড়ে প্রায় ১০০টি স্থানে রেল রোকো ও রাস্তা অবরোধের কর্মসূচি নেওয়া হবে। প্রতিটি জেলায় চলছে প্রস্তুতি বৈঠক। দেওয়াল লিখন, পোস্টার সাঁটানো ও স্থানীয় স্তরে জনসমাবেশের কাজ ত্বরান্বিত করা হয়েছে। কুড়মি সমাজের নেতারা বলছেন, “আমাদের দাবিগুলো অনেক দিন ধরে অনস্বীকৃতি পাচ্ছে— তাই এই বাধ্যতামূলক রাজনৈতিক পথে নামতে বাধ্য হব।”

আন্দোলনের পটভূমি

কুড়মি সম্প্রদায় বহু বছর ধরেই আদিবাসী তালিকাভুক্তির দাবি জানিয়ে আসছে। তাদের যুক্তি— ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক দিক থেকে তা ন্যায্য। অতীতেও একাধিকবার রেল-রোকো ও রাস্তা অবরোধের মাধ্যমে এই দাবির দাবি তোলা হয়েছে। তবে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারি স্তর থেকে ততটা নজর বা কার্যকর প্রতিকার তারা পাননি বলে তারা দাবি করেন।

সংগঠনের বক্তব্য (অজিত প্রসাদ মাহাতো):

“আমরা আগেই বিষয়টি জানিয়েছি। তা সত্ত্বেও আমাদের সঙ্গে বসার প্রয়োজন কেউ মনে করেনি। কুড়মিরা কি এতটাই অচ্ছুত? দেশের পশু-নির্যাতনের বিরুদ্ধে আইন আছে, কুড়মিদের বাঁচাতে কেন আইন নেই? অত্যাচারী শেষ কথা বলে না — শেষ কথা বলে জনগণ।”

প্রশাসনিক চিন্তা ও সম্ভাব্য প্রস্তুতি

প্রশাসন ইতিমধ্যেই সতর্ক হয়ে উঠেছে। রেল ও সড়ক অবরোধ দুর্গা পুজোর সোনালী সময়ে ট্রেন সেবা ও পণ্যচলাচলে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটাতে পারে বলে শঙ্কা করা হচ্ছে। রেল কর্তৃপক্ষ বিকল্প রুট, অতিরিক্ত টিকারিং ব্যবস্থা ও জরুরি পরিষেবার জন্য ব্যাকআপ প্ল্যান তৈরি করতে শুরু করেছে। রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা বিভাগও অতিরিক্ত পোস্টিং ও নজরদারি বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে।

আন্দোলনের সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব

দুর্গাপুজোকে সামনে রেখে এমন ধরনের অবরোধ ব্যবসা-বাণিজ্য, পর্যটন ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহে বিঘ্ন ঘটাতে পারে। স্থানীয় বাজার ও পরিবহন খাত ব্যাহত হলে সাধারণ মানুষের জীবনে সরাসরি প্রভাব পড়বে। তাছাড়া, দীর্ঘস্থায়ী অবরোধে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসা ও ক্ষেতে কৃষকদের উৎপাদন বিপর্যস্ত হওয়ার আশঙ্কাও রইল।

রাজনৈতিক সংবেদনশীলতা

তিন রাজ্য জুড়ে সমন্বিত আন্দোলন হওয়ার ফলে রাজনৈতিক চাপ বেড়ে যাবে। এটি কেবল একটি সামাজিক দাবি নয় — রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক স্তরে বড় ধাক্কা দিতে পারে। রাজ্য ও কেন্দ্রের নেতারা এখন কিভাবে সংলাপ শুরু করবেন তা দেখার বিষয়। রাজনৈতিক দলগুলোও এই ইস্যুকে ভোটীয় প্রেক্ষাপটে ব্যবহার করতে চাইবে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

কুড়মি সমাজের আগের আন্দোলন — সংক্ষিপ্ত টাইমলাইন

• গত কয়েক বছরে একাধিকবার কুড়মি সম্প্রদায় রেল-রোকো ও সড়ক অবরোধ করেছে।
• স্থানীয় দাবি, তারা নিয়মিত উন্নয়ন প্রকল্প থেকে বঞ্চিত।
• সরকারকে নানা সময় নোটিশ দিয়ে আন্দোলন ও আলোচনার চেষ্টা চালিয়েছেন নেতারা; ফল তেমন হয়নি।

কীভাবে সমাধান সম্ভব?

বিশ্লেষকরা বলছেন, স্থায়ী সমাধানের জন্য সরকারকে নিম্নলিখিত পদক্ষেপ নিতে হবে—

  • স্বতন্ত্র ও তাত্ক্ষণিক সংলাপের ব্যবস্থা করে কুড়মি প্রতিনিধিদের সঙ্গে বসা।
  • আইনি, সাংবিধানিক দিক থেকে দাবি খতিয়ে নিয়ে স্পষ্ট সিদ্ধান্ত নেয়া।
  • অর্থনৈতিক উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য প্রকল্পে দ্রুত প্রকল্প বরাদ্দ।
  • মধ্যস্থতাকারী ও ন্যায়সংস্থান করে দীর্ঘমেয়াদি কর্মসূচি নির্ধারণ।

জনমত ও গ্রামে অনুভূতি

স্থানীয়রা মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন — কেউ সাপোর্ট করছেন কারণ তাঁদের মতে দীর্ঘ সময় ধরে অবহেলা আছে; আবার অনেকে বলছেন ধর্মীয় ও উৎসবকালীন জনজীবনে বিরূপ প্রভাব পড়বে। বেশিরভাগ সাধারণ মানুষ চান— শান্তিপূর্ণ সমাধান যেন দ্রুত হয়।

#কুড়মি_আন্দোলন #রেল_রোকো #রাস্তা_অবরোধ #আদিবাসী_তালিকা #WestBengal #Jharkhand #Odisha #KurmiDemand

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

✍️ প্রতিবেদন: Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো | আপডেট: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

আমদাবাদ বিমান দুর্ঘটনা: নিহত পাইলটের বাবার বিস্ফোরক দাবি

আমদাবাদ বিমান দুর্ঘটনা: নিহত পাইলটের বাবার বিস্ফোরক দাবি

আমদাবাদ বিমান দুর্ঘটনা: নিহত পাইলটের বাবার বিস্ফোরক দাবি

আপডেট: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
আমদাবাদ বিমান দুর্ঘটনা এয়ার ইন্ডিয়া
আমদাবাদ বিমান দুর্ঘটনার তদন্ত নিয়ে বিতর্কে পরিবার ও বিশেষজ্ঞরা

Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো: ভয়াবহ আমদাবাদ বিমান দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ২৭৫ জন যাত্রী ও কর্মী। এয়ার ইন্ডিয়ার বোয়িং ড্রিমলাইনার (ফ্লাইট AI 171) টেক অফের কয়েক সেকেন্ড পরেই ভেঙে পড়ে। তদন্তে উঠে এসেছে এক বিস্ফোরক তথ্য—ইঞ্জিনের ফুয়েল সুইচ হঠাৎ করে বন্ধ হয়ে যায়। আর সেই ঘটনার পর থেকে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে বিমান চালনার সময় দুই পাইলটের কথোপকথন নিয়ে।

দুই পাইলটের কথোপকথন

AAIB-এর (Aircraft Accident Investigation Bureau) প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী, দুর্ঘটনার আগে দুই পাইলটের কথোপকথন ধরা পড়ে ব্ল্যাক বক্সে। সেখানে শোনা যায়, একজন অপরজনকে প্রশ্ন করছেন—তুমি সুইচ বন্ধ করলে কেন?। এরপরেই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়।

আত্মহত্যার তত্ত্ব নিয়ে বিতর্ক

তদন্তকারীরা প্রাথমিকভাবে মনে করছেন, প্রধান পাইলট ক্যাপ্টেন সুমিত সাভারওয়াল (৫৬) হয়তো প্রচণ্ড মানসিক চাপের কারণে আত্মঘাতী পদক্ষেপ নেন। তবে এই তত্ত্ব নিয়ে উঠেছে প্রবল বিতর্ক। বিমান বিশেষজ্ঞদের মতে, একজন অভিজ্ঞ পাইলটের এভাবে হঠাৎ মানসিক ভেঙে পড়া স্বাভাবিক নয়।

বাবার বিস্ফোরক চিঠি

নিহত ক্যাপ্টেন সাভারওয়ালের ৯১ বছরের বাবা পুষ্করাজ সাভারওয়াল এক চিঠিতে এই আত্মহত্যার তত্ত্বকে অস্বীকার করেছেন। তিনি বেসামরিক বিমান চলাচল সচিব ও AAIB ডিরেক্টরকে উদ্দেশ করে লিখেছেন—এভাবে মিথ্যে অভিযোগ তুলে আমার ছেলের সুনাম নষ্ট করা হচ্ছে।

বিবাহবিচ্ছেদ ও মায়ের মৃত্যু প্রসঙ্গ

প্রাথমিক রিপোর্টে বলা হয়েছিল, বিবাহবিচ্ছেদ ও মায়ের মৃত্যুর কারণে মানসিক চাপে ছিলেন ক্যাপ্টেন সুমিত। কিন্তু পুষ্করাজ লিখেছেন, সুমিতের বিবাহবিচ্ছেদ ১৫ বছর আগেই হয়েছিল। আর তাঁর মা মারা গিয়েছেন ৩ বছর আগে। সেই সময়ের পরেও সুমিত সফলভাবে ১০০-র বেশি ফ্লাইট চালিয়েছেন।

অভিজ্ঞতার প্রমাণ

পুষ্করাজ আরও জানান, তাঁর ছেলে ২৫ বছরের অভিজ্ঞ পাইলট ছিলেন। তাঁর বিমান চালনার অভিজ্ঞতা ছিল প্রায় ১৫,৬৩৮ ঘণ্টা, যার মধ্যে ৮,৫৯৬ ঘণ্টা কেটেছে বোয়িং ৭৮৭-৮ বিমানে। এছাড়া তিনি DGCA অনুমোদিত লাইন ট্রেনিং ক্যাপ্টেন হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। এত দক্ষ পাইলট কখনোই ইচ্ছাকৃতভাবে বিমান ভেঙে ফেলতে পারেন না বলে দাবি করেন তিনি।

তদন্তের দাবি

চিঠিতে পুষ্করাজ দাবি করেছেন, বিমান দুর্ঘটনা ও ঘটনা তদন্ত আইন অনুসারে কেন্দ্রীয় সরকার যেন আনুষ্ঠানিক তদন্তের নির্দেশ দেয়। তাঁর মতে, শুধুমাত্র অনুমাননির্ভর তথ্য দিয়ে কোনও পাইলটের সুনাম ক্ষুণ্ণ করা ঠিক নয়।

রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক চাপ

তদন্ত নিয়ে এখন নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে রাজনৈতিক মহলেও। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই দুর্ঘটনার পর এয়ার ইন্ডিয়ার নিরাপত্তা ব্যবস্থা, বিমানের রক্ষণাবেক্ষণ ও পাইলটদের কাজের পরিবেশ নিয়ে খুঁটিনাটি খতিয়ে দেখা জরুরি।

শেষ কথা

আমদাবাদ বিমান দুর্ঘটনা ভারতের বেসামরিক বিমান চলাচল ইতিহাসে এক কালো অধ্যায় হয়ে থাকবে। তবে নিহত পাইলটের পরিবার দাবি করেছে, তড়িঘড়ি করে আত্মহত্যার তত্ত্ব প্রচার না করে সত্য উদঘাটন করতে হবে। এখন দেখার বিষয়, কেন্দ্রীয় সরকার কীভাবে এই তদন্তকে এগিয়ে নিয়ে যায়।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

Featured post

Y বাংলা নিউজ ডেস্ক রিপোর্ট : সরকার ও প্রশাসনের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুললেন শঙ্করাচার্য অভিমুক্তেশ্বরানন্দ। তাঁর দাবি, প্রশাসনে...

Search This Blog