Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Tuesday, 23 September 2025

রাহুল গান্ধীর অভিযোগ: ভোটচুরি ও বেকারির বিরুদ্ধে যুবসমাজের লড়াই

রাহুল গান্ধীর অভিযোগ: ভোটচুরি ও বেকারির বিরুদ্ধে যুবসমাজের লড়াই

রাহুল গান্ধীর অভিযোগ: ভোটচুরি ও বেকারির বিরুদ্ধে যুবসমাজের লড়াই

🗓️ প্রকাশিত: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | ✍️ বিশেষ সংবাদদাতা
রাহুল গান্ধী সাংবাদিক বৈঠক

কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী মঙ্গলবার এক মন্তব্যে বলেন, যতদিন দেশে ভোটচুরি চলতেই থাকবে, ততদিন বেকারি ও দুর্নীতি বাড়বে। তবে তাঁর দাবি, দেশের যুবসমাজ আর বেশিদিন ধরে চাকরি চুরি ও ভোটচুরি বরদাস্ত করবে না।

এদিন তিনি আর জেন জি শব্দবন্ধ প্রয়োগ করেননি। বরং সরাসরি যুবসমাজ বলেই উল্লেখ করেছেন। কারণ, নেপালে জেন জি গণঅভ্যুত্থানের পর তিনি যখন ভারতেও সেই সম্প্রদায়কে তুলনা করেছিলেন, তখন সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল তাঁকে।

রাহুল বলেন, দেশের যুবসমাজের সামনে সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে বেকারি। আর এর সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ভোটচুরি। তাঁর কথায়, যে কোনও সরকারের প্রথম কর্তব্য চাকরির সংস্থান। কিন্তু বিজেপি সৎভাবে ভোটেই জেতেনি, তারা ক্ষমতায় টিকে আছে ভোটচুরি করে।

তাঁর দাবি, এজন্যই দেশে গত ৪৫ বছরে বেকারির হার সবচেয়ে বেশি। নিয়োগ প্রক্রিয়া স্থবির হয়ে পড়েছে। প্রতিটি প্রশ্নপত্র ফাঁস হচ্ছে, প্রতিটি নিয়োগে দুর্নীতির ছাপ স্পষ্ট। যুবকদের ভবিষ্যৎ নিয়ে ছিনিমিনি খেলা চলছে।

“প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দেশের তরুণদের ভবিষ্যৎ গড়ার পরিবর্তে নিজের প্রচার ও কোটি-কোটিপতিদের আরও ধনী করার দিকেই মনোযোগী।” – রাহুল গান্ধী

তাঁর অভিযোগ, এই সরকারের কাছে দেশপ্রেমের অর্থই হলো যুবসমাজের আশা-আকাঙ্ক্ষা চূর্ণ করা। তবে এখন পরিস্থিতি বদলাচ্ছে। তরুণরা বুঝতে পেরেছে, শুধু চাকরির জন্য লড়াই করলেই হবে না, বরং ভোটচুরি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে।

তিনি বলেন, যতদিন ভোট লুট চলবে, ততদিন বেকারি ও দুর্নীতি বাড়তে থাকবে। তাই দেশপ্রেমের আসল মানে হলো ভোটচোর ও দুর্নীতিবাজদের হাত থেকে দেশকে মুক্ত করা।

রাহুলের শেয়ার করা ভিডিও

রাহুল গান্ধী দুটি ভিডিও যুক্ত করেছেন তাঁর বক্তব্যে। একটিতে দেখা যাচ্ছে চাকরিপ্রার্থীদের উপর পুলিশ লাঠিচার্জ করছে। অন্যটিতে প্রধানমন্ত্রী মোদীকে গাছ পুঁততে, ময়ূরকে খাওয়াতে ও যোগব্যায়াম করতে দেখা যাচ্ছে।

#রাহুলগান্ধী #কংগ্রেস #ভোটচুরি #বেকারি #যুবসমাজ #দুর্নীতি #NarendraModi #IndianPolitics #BreakingNews #YouthMovement
© ২০২৫ Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

কলকাতায় রেকর্ড বৃষ্টি, বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মৃত ৭ - দায় চাপালেন মুখ্যমন্ত্রী

কলকাতায় রেকর্ড বৃষ্টি, বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মৃত ৭ - দায় চাপালেন মুখ্যমন্ত্রী

কলকাতায় রেকর্ড বৃষ্টি, বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মৃত ৭ - দায় চাপালেন মুখ্যমন্ত্রী

🗓️ আপডেট: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, সকাল ১০:৩০ | ✍️ ডিজিটাল ডেস্ক
কলকাতায় বৃষ্টিতে জলমগ্ন শহর

রাতভর টানা বৃষ্টিতে কার্যত অচল হয়ে পড়েছে কলকাতা। আবহাওয়া দফতরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মাত্র ৫ ঘণ্টায় আড়াইশো মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টি রেকর্ড হয়েছে। ১৯৭৮ সালের পর এত বৃষ্টি হয়নি শহরে। এই প্রবল বর্ষণে জলমগ্ন হয়েছে কলকাতার একাধিক এলাকা।

খোলা তারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একে একে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৭ জন। এই মৃত্যুর দায় সরাসরি সিইএসসি-র উপর চাপিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, এর দায় সিইএসসি-কেই নিতে হবে। জরুরিভিত্তিতে কর্মীদের নামিয়ে পরিস্থিতি সামাল দিতে হবে।

মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, মৃতদের পরিবারের একজনকে চাকরি দেওয়ার দায়িত্বও সিইএসসি-র। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এখানে তারা শুধু ব্যবসা করছে, আধুনিকীকরণের কাজ করছে না।

শহরবাসীকে সতর্ক করে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, খুব প্রয়োজন না হলে বাড়ি থেকে না বেরোতে। একইসঙ্গে বেসরকারি সংস্থাগুলিকে অনুরোধ করেছেন, কর্মীদের ছুটি বাতিল না করে মানবিক দৃষ্টিতে বিষয়টি দেখার জন্য। প্রয়োজনে ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ চালু করার কথাও বলেছেন তিনি।

প্রবল বর্ষণে কলকাতার বিভিন্ন পথঘাটে জল জমে যান চলাচল কার্যত অচল হয়ে গিয়েছে। বাস, অটো, ব্যক্তিগত গাড়ি ছাড়াও রেললাইন ও মেট্রো ট্র্যাক জলের নিচে চলে গেছে। পরিবহণে ব্যাপক ধাক্কা লেগেছে। ফলে বাইরে বেরোলে প্রাণহানির ঝুঁকি রয়েছে বলে সতর্কবার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

© ২০২৫ Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

সিঙ্গাপুরে জুবিন গর্গের মৃত্যু: প্রত্যক্ষদর্শী শেখর গোস্বামীর ভয়াবহ বর্ণনা

সিঙ্গাপুরে জুবিন গর্গের মৃত্যু: প্রত্যক্ষদর্শী শেখর গোস্বামীর ভয়াবহ বর্ণনা

সিঙ্গাপুরে জুবিন গর্গের মৃত্যু: প্রত্যক্ষদর্শী শেখর গোস্বামীর ভয়াবহ বর্ণনা

🗓️ আপডেট: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, মঙ্গলবার | ✍️ নিজস্ব প্রতিনিধি, গুয়াহাটি
জুবিন গর্গের শেষ মুহূর্তের ছবি

ভারতের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী জুবিন গর্গের আকস্মিক মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ সারা দেশ। সিঙ্গাপুরের সমুদ্রতটে তাঁর শেষ মুহূর্তের ভিডিও ভাইরাল হয়ে পড়ে ইতিমধ্যেই আলোচনার ঝড় তুলেছে। এবার সেই ভয়াবহ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও তাঁর সঙ্গে থাকা যন্ত্রশিল্পী শেখর গোস্বামী মুখ খুললেন।

শেখর জানান, ভাইরাল ভিডিওতে দেখা অংশের পর জুবিন গর্গ আবার ইয়টে ফিরে আসেন। কিছুটা বিশ্রামের পর সামনের দ্বীপে যাওয়ার জন্য ফের সমুদ্রে নামেন তিনি। আশেপাশের অনেকে তাঁকে সাবধান করে দিয়েছিলেন লাইফ জ্যাকেট ছাড়া নামা ঝুঁকিপূর্ণ। কিন্তু জুবিন সে পরামর্শ শোনেননি।

কিছুক্ষণ পরেই হঠাৎ দেখা যায়, জুবিন জলে উল্টো হয়ে ভেসে আছেন। সঙ্গে সঙ্গে শেখর তাঁকে উদ্ধার করার চেষ্টা করেন। দ্রুত তাঁকে টেনে আনা হয় এবং শুরু হয় প্রাথমিক চিকিৎসা। শেখরের কথায়, “সিপিআর দেওয়ার সময় মুখ দিয়ে মাঝেমধ্যে জল বেরোচ্ছিল। আমরা পায়ের তলা ঘষছিলাম, কিন্তু শরীরে আর সাড়া মিলছিল না।”

প্রায় আধঘণ্টা ধরে তাঁকে জ্ঞান ফেরানোর চেষ্টা চললেও কোনও ফল হয়নি। পায়ের আঙুল ও নাক নীল হয়ে যাচ্ছিল, ঠোঁট কালচে হয়ে উঠছিল। পরে ইয়টে থাকা মেডিক্যাল টিমও যন্ত্র দিয়ে চেষ্টা চালায়, কিন্তু লাভ হয়নি। অবশেষে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক নিশ্চিত করেন, জুবিন গর্গ আর বেঁচে নেই।

আরও খবর পড়ুন, জুবিন গর্গের মৃত্যু নিয়ে স্বচ্ছ তদন্তের দাবি
🕯️ শেখরের আবেগঘন স্মৃতি: “দশ বছর আগে দাদাই আমাকে সাঁতার শিখিয়েছিল। সে সময়ও বলেছিল—‘ভয় পাস না, সমুদ্র কাউকে ডোবায় না’। অথচ আজ সেই সমুদ্রই কেড়ে নিল আমার দাদাকে।”
আরও খবর পড়ুন , রাত ভরবৃষ্টিতে কলকাতা জলমগ্ন

ঘটনার পরে ইয়টে থাকা প্রত্যেককে প্রায় ১২ ঘণ্টা ধরে জেরা করেছে সিঙ্গাপুর পুলিশ। শেখর কাঁদতে কাঁদতে বলেন, “মনে হচ্ছিল দাদা হেসে উঠে বলবে—‘মজা করছিলাম তোদের সঙ্গে’। কিন্তু সেটা আর হল না।”

জুবিন গর্গ আসামের গর্ব এবং ভারতের সংগীত জগতের অন্যতম জনপ্রিয় শিল্পী ছিলেন। তাঁর অকালপ্রয়াণ সঙ্গীত জগতের এক অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে থাকবে বলে মনে করছেন ভক্তরা।

#JubinGarg #RIPJubin #SingaporeNews #AssamSinger #BanglaNews #BreakingNews #MusicLegend #ViralNews

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

রাতভর টানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন কলকাতা, সল্টলেক ও আশপাশের এলাকা।

টানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন কলকাতা | Y বাংলা ডিজিটাল

Y বাংলা ডিজিটাল

রাতভর টানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন কলকাতা

📅 আপডেট: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, মঙ্গলবার

জলমগ্ন কলকাতা

রাতভর বৃষ্টিতে বানভাসি কলকাতার রাস্তাঘাট ও পুজো মণ্ডপ।

কলকাতা: রাতভর টানা বৃষ্টিতে কার্যত বানভাসি হয়ে পড়েছে কলকাতা, সল্টলেক ও আশপাশের এলাকা। বেশ কয়েক জায়গায় রেললাইনে জল জমে ব্যাহত হয়েছে ট্রেন চলাচল। জল ঢুকে পড়েছে বহু পুজো মণ্ডপে। কোথাও কোথাও ভেঙে পড়েছে নির্মীয়মাণ স্টল ও ব্যানার।

শহরের নিচু এলাকার পাশাপাশি সচরাচর যেখানে জল জমে না, সেখানেও জল জমেছে। একাধিক এলাকায় একতলার বাড়ির ভেতরেও জল ঢুকে পড়েছে। জমা জলের কারণে বহু জায়গায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে হয়েছে। গ্যারাজ ও রাস্তায় রাখা বহু গাড়ি জলে ডুবে গেছে।

পুরসভার পদক্ষেপ

পুরসভা জানিয়েছে, ভোর ৪টা থেকে পরিস্থিতি সামলাতে লকগেট খোলা হয়েছে। তবে বেলা ১২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত গঙ্গায় জোয়ার থাকায় লকগেট বন্ধ রাখতে হবে। ওই সময়ে ভারী বৃষ্টি হলে জল নামার প্রক্রিয়া ব্যাহত হতে পারে।

আবহাওয়া দফতর আগেই জানিয়েছিল, সোমবার রাত থেকে ভারী বৃষ্টি শুরু হতে পারে। সেই পূর্বাভাস মেনেই রাত থেকেই বৃষ্টি শুরু হয়। মধ্যরাতের পরে বৃষ্টির তীব্রতা বেড়ে যায় এবং টানা প্রায় পাঁচ-ছ' ঘণ্টা নাগাড়ে বৃষ্টি হয়েছে। উত্তর কলকাতার তুলনায় দক্ষিণ কলকাতায় বেশি বৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছেন অনেকে।

পুরসভা ও প্রশাসন জানিয়েছে, পরিস্থিতির ওপর নজর রাখা হচ্ছে। তবে আবার যদি টানা বৃষ্টি হয়, তাহলে আগামী ২৪ ঘণ্টায় শহরের পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।

© 2025 Y বাংলা ডিজিটাল | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

জুবিন গর্গের মৃত্যু নিয়ে স্বচ্ছ তদন্তের দাবি

জুবিন গর্গের মৃত্যু নিয়ে স্বচ্ছ তদন্তের দাবি | Y বাংলা ডিজিটাল

Y বাংলা ডিজিটাল

জুবিন গর্গের মৃত্যু নিয়ে স্বচ্ছ তদন্তের দাবি

📅 আপডেট: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, মঙ্গলবার

জুবিন গর্গ

অসমের জনপ্রিয় গায়ক-অভিনেতা জুবিন গর্গের মৃত্যু নিয়ে তৈরি হয়েছে বিতর্ক।

গুয়াহাটি: অসমের জনপ্রিয় গায়ক ও অভিনেতা জুবিন গর্গ-এর মৃত্যুকে ঘিরে রহস্য আরও ঘনীভূত হচ্ছে। অনেকেই এই মৃত্যুকে স্বাভাবিক দুর্ঘটনা বলে মানতে নারাজ। খ্যাতনামা সাহিত্যিক ও প্রাক্তন মন্ত্রী চন্দ্রমোহন পাঠোয়ারির স্ত্রী রীতা চৌধুরী সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে দাবি জানিয়েছেন— সৎকারের আগে যেন অবশ্যই টক্সিকোলজি, অটোপসি, ফরেন্সিক, ভিসেরা ইত্যাদি পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়। তাঁর কথায়, “অসমের মানুষের সত্য জানার অধিকার আছে।”

শিল্পীমহল, ভক্ত ও সাধারণ মানুষও একই দাবি তুলেছেন। গায়িকা দীপলিনা ডেকা-সহ প্রায় সকল শিল্পীই সোশ্যাল মিডিয়ায় স্বচ্ছ তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ প্রকাশ্যে না এলে মানুষের সন্দেহ দূর হবে না।

মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিক্রিয়া

মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, “সিঙ্গাপুর নিরপেক্ষ দেশ। তারা ময়নাতদন্ত করেছে। তবে অসমের মানুষের সন্দেহ নিরসনের জন্য পরিবারের সম্মতি নিয়ে মঙ্গলবার সকালে এমসের চিকিৎসকেরা ফের তাঁর অটোপসি করবেন। এর পরে আমরা দেহ সরুসজাইতে আনব এবং শেষযাত্রা সোনাপুরের উদ্দেশে বার হবে।”

সন্দেহ কেন?

সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জুবিনের মৃত্যু হয়। সেখানে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হলেও অসমের মানুষ ও শিল্পীরা মনে করছেন, পূর্ণাঙ্গ টক্সিকোলজি ও ফরেন্সিক রিপোর্ট ছাড়া মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে না। অসমবাসীর আবেগ এবং জুবিনের জনপ্রিয়তা এই প্রশ্নকে আরও তীব্র করেছে।

অসমের সাংস্কৃতিক ক্ষতি

জুবিন গর্গ কেবল একজন গায়ক নন, তিনি ছিলেন অসমের সাংস্কৃতিক প্রতীকের মতো। তাঁর গান, অভিনয় এবং সঙ্গীত পরিচালনা উত্তর-পূর্ব ভারতের সংগীত ও সিনেমাকে আন্তর্জাতিক পরিসরে পরিচিত করেছিল। তাঁর অকাল মৃত্যুতে গোটা রাজ্যে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। ভক্তরা শোকবার্তায় লিখেছেন, “অসম তার আত্মাকে হারালো।”

পরিবারের অবস্থান

পরিবার শুরুতে বিদেশে হওয়া ময়নাতদন্তেই সন্তুষ্ট থাকলেও, জনমতের চাপে এখন তারাও নতুন করে পরীক্ষার পক্ষে। রীতা চৌধুরী স্পষ্ট জানিয়েছেন, “যতক্ষণ না সত্য সামনে আসছে, ততক্ষণ আমরা সন্তুষ্ট নই।”

বিশেষজ্ঞদের মত

চিকিৎসকরা বলছেন, ফরেন্সিক পরীক্ষা ও ভিসেরা টেস্টই স্পষ্ট করবে মৃত্যু স্বাভাবিক না অস্বাভাবিক। বিদেশে হওয়া ময়নাতদন্ত যথেষ্ট হলেও পুনরায় পরীক্ষা হলে সব প্রশ্নের উত্তর মিলবে।

অসমজুড়ে প্রতিক্রিয়া

শহর থেকে গ্রাম, অসমজুড়ে জুবিনের ভক্তরা মোমবাতি মিছিল করেছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় #JusticeForJubin হ্যাশট্যাগ ট্রেন্ড করছে। অনেকেই লিখেছেন, “আমরা শুধু একজন শিল্পীকে হারাইনি, হারিয়েছি অসমের আত্মাকে।”

তথ্যবক্স: জুবিন গর্গের জীবন

  • 🎵 জন্ম: ১৮ নভেম্বর ১৯৭২, অসম
  • 🎤 প্রথম গান: "গাঁওগাঁও লোচাই" (১৯৯২)
  • 🎬 বলিউডে প্লেব্যাক: "ইয়া আলি" (২০০৬, গ্যাংস্টার)
  • 🏆 জাতীয় ও আঞ্চলিক বহু পুরস্কারে ভূষিত
  • 💔 মৃত্যু: সেপ্টেম্বর ২০২৫, সিঙ্গাপুর

আগামীর পথ

মঙ্গলবার সকালে এমসে অটোপসি সম্পন্ন হলে রিপোর্ট হাতে আসতে কিছুটা সময় লাগবে। সেই রিপোর্টেই পরিষ্কার হবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ। তার পরেই সরুসজাইতে নিয়ে আসা হবে দেহ, সেখান থেকে শেষযাত্রা শুরু হবে সোনাপুরের উদ্দেশে।

অসমের মানুষ এখন তাকিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ও চিকিৎসকদের দিকে। সবাই আশা করছেন, সত্য শীঘ্রই প্রকাশ্যে আসবে এবং শিল্পীর প্রতি ন্যায্য সম্মান রক্ষা হবে।

© 2025 Y বাংলা ডিজিটাল | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

বিহারে রাহুল গান্ধীর যাত্রা শেষে মহাজোটে আসন ভাগাভাগি নিয়ে চাপানউতোর

বিহারে রাহুল গান্ধীর যাত্রা শেষে মহাজোটে আসন ভাগাভাগি নিয়ে চাপানউতোর

বিহারে রাহুল গান্ধীর যাত্রা শেষে মহাজোটে আসন ভাগাভাগি নিয়ে চাপানউতোর

নয়াদিল্লি: বিহারে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর "ভোটার অধিকার যাত্রা" ছিল বিরোধী ঐক্যের এক জোরালো প্রদর্শন। যাত্রাপথে রাহুল গান্ধী ও আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব একসঙ্গে বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন। তবে, ঐক্যের এই আবহ শেষ হতেই সামনে এসেছে বাস্তব রাজনীতির জটিল সমীকরণ—আসন ভাগাভাগি নিয়ে জোটের মিত্রদের মধ্যে শুরু হয়েছে চাপানউতোর।

ঐক্যের বার্তা, নেতৃত্বের প্রশ্ন

যাত্রাকালে রাহুল গান্ধী বলেছিলেন, “আমরা একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, জোট সুসংগতভাবে চলছে এবং ফলাফল ভালো হবে।” কিন্তু কংগ্রেস স্পষ্ট করে দেয় যে তারা তেজস্বী যাদবকে মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে সমর্থন করবে না। যদিও তেজস্বী প্রকাশ্যে ঘোষণা করেছিলেন, বিরোধী জোট ক্ষমতায় এলে রাহুল প্রধানমন্ত্রী পদের জন্য উপযুক্ত মুখ। এখানেই দুই শিবিরের মধ্যে পার্থক্য স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

২০২০ সালের নির্বাচনী অঙ্ক

২০২০ সালের বিধানসভা নির্বাচনে আরজেডি ১৪৪টি আসনে লড়ে ৭৫টিতে জিতেছিল। অন্যদিকে কংগ্রেস ৭০টিতে লড়ে মাত্র ১৯টিতে সাফল্য পায়, যা ছিল সবচেয়ে দুর্বল স্ট্রাইক রেট। বাম দলগুলির পারফরম্যান্স তুলনামূলকভাবে ভালো ছিল—সিপিআইএমএল ১৯টির মধ্যে ১২টি, সিপিএম ৪টির মধ্যে ২টি এবং সিপিআই ৬টির মধ্যে ২টি আসনে জয় পায়।

নতুন মিত্র, নতুন সমীকরণ

এবার মহাজোটে যোগ দিচ্ছে আরও তিনটি দল—মুকেশ সাহানির বিকাশশীল ইনসান পার্টি (ভিআইপি), ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা (জেএমএম) এবং চিরাগ পাশওয়ানের কাকার নেতৃত্বাধীন এলজেপির একটি অংশ। ভিআইপি এবার ৬০টি আসনের দাবি করেছে এবং উপ-মুখ্যমন্ত্রীর পদও চাইছে। ফলে আসন বণ্টন আরও জটিল হচ্ছে।

ভিআইপি প্রধান মুকেশ সাহানি: “আমাদের দল অন্তত ৬০টি আসনে লড়বে। প্রতিটি জোটসঙ্গীকে সমানভাবে ভালো ও কঠিন আসন পেতে হবে, শুধু এক দলের জন্য সুবিধাজনক আসন বরাদ্দ হলে চলবে না।”

সিপিআই নেতা ডি রাজা: “আমাদের দলের বিহারে দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। তাই ন্যায্যভাবে আসন ভাগাভাগি হলে আমরা আরও আসন চাইব।”

চাপের মুখে আরজেডি ও কংগ্রেস

সবচেয়ে বেশি চাপ এখন আরজেডির উপর, কারণ দলটি জোটের প্রধান শক্তি। তেজস্বী ইতিমধ্যেই আলাদা যাত্রা শুরু করে নিজের আধিপত্য জানান দিচ্ছেন। কংগ্রেসও রাহুলের যাত্রার সাফল্যকে সামনে রেখে বাড়তি আসনের আশা করছে। কিন্তু ২০২০ সালের দুর্বল ফলাফল তাদের বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।

আগামী পথ কঠিন

মহাজোটের ঐক্যের বার্তা দিল্লি থেকে পাটনা পর্যন্ত ছড়ালেও, আসন ভাগাভাগি নিয়ে দরকষাকষি সহজ হবে না। প্রতিটি দলের নিজেদের শক্তি এবং ইতিহাস তুলে ধরে বাড়তি আসনের দাবি করার ফলে আলোচনার টেবিলে অচলাবস্থা তৈরি হতে পারে। সুতরাং বলা যায়, যাত্রার সৌহার্দ্য পেরিয়ে মহাজোটের সামনে এখন কঠিন এক রাজনৈতিক পথ অপেক্ষা করছে।

বিহারে রাহুল গান্ধী ও তেজস্বী যাদবের যাত্রা

বিহারে রাহুল গান্ধী ও তেজস্বী যাদবের যৌথ যাত্রা — ঐক্যের ছবি, কিন্তু বাস্তব রাজনীতিতে আসন ভাগাভাগির জটিলতা

📌 তথ্যবক্স:
  • ২০২০ সালে আরজেডি: ১৪৪ আসনে লড়ে ৭৫টি জয়
  • কংগ্রেস: ৭০ আসনে লড়ে ১৯টি জয়
  • সিপিআইএমএল: ১৯ আসনে লড়ে ১২টি জয়
  • ভিআইপি এবার দাবি করছে ৬০ আসন ও উপ-মুখ্যমন্ত্রীর পদ
শেয়ার করুন:

🕒 আপডেট: ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

Monday, 22 September 2025

নিউটাউনে ফের পথ দুর্ঘটনায় পুলিশ কর্মীর মৃত্যু

নিউটাউনে ফের পথ দুর্ঘটনায় পুলিশ কর্মীর মৃত্যু

নিউটাউনে ফের পথ দুর্ঘটনায় পুলিশ কর্মীর মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিনিধি, বিধাননগর: নিউটাউনে ফের পথ দুর্ঘটনা! বেপরোয়া বাইকের ধাক্কায় রবিবার রাতে এক পুলিশ কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। মৃতের নাম যতীশ দেবনাথ (৪০)। তিনি ইকোপার্ক থানায় কর্মরত ছিলেন। গত ১৯ দিনে নিউটাউনের বিশ্ববাংলা গেট সংলগ্ন এলাকায় চারটি পৃথক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন চারজন। সম্প্রতি দুর্ঘটনা রুখতে নিউটাউন ট্রাফিক গার্ডের তরফে সমস্ত বাস চালক সহ বিভিন্ন স্তরের মানুষকে নিয়ে সচেতনতামূলক শিবিরের আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু তাতে যে বিশেষ লাভ হয়নি, এদিনের ঘটনা তার বড় প্রমাণ।

জানা গিয়েছে, এদিন রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ যতীশবাবু সাইকেলে চড়ে ইকো পার্ক ২ নম্বর গেটের কাছে সার্ভিস লেন ধরে যাচ্ছিলেন। সেই সময় পিছন থেকে দ্রুতগতিতে আসা এক বাইক চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সাইকেলে ধাক্কা মারে। রাস্তায় ছিটকে পড়েন তিনি। মাথায় গুরুতর চোট লাগে যতীশবাবুর। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে দ্রুত চিনার পার্ক লাগোয়া ভিআইপি রোডের এক বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ওই পুলিশ কর্মী সার্ভিস রোডের একেবারে ধার দিয়ে যাচ্ছিলেন। দ্রুতগতির বাইকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তাঁকে ধাক্কা মারে। গত ১৫ সেপ্টেম্বর ইকোপার্ক ১ নম্বর গেটের কাছে একই রকম পথ দুর্ঘটনায় এক সাইকেল আরোহীর মৃত্যু হয়েছিল। দুই বান্ধবীকে নিয়ে মারাত্মক গতিতে আসা বাইক চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ওই সাইকেল আরোহীকে ধাক্কা মেরেছিল। তাদের কারও মাথায় হেলমেট ছিল না। এর আগে গত ২ ও ৪ সেপ্টেম্বরের দুর্ঘটনায় দু’জনের মৃত্যু হয়েছিল। যদিও গত ২ তারিখের দুর্ঘটনা বাইক চালকের দোষে ঘটেনি। সেদিন এক পথচারী লেন ভেঙে রাস্তা পার হচ্ছিলেন। সেই সময় দুর্ঘটনা ঘটে।

সম্প্রতি পথ দুর্ঘটনা রুখতে লাগাতার সচেতনামূলক প্রচার ও অনুষ্ঠানের আয়োজন করছে বিধাননগর কমিশনারেট। তারপরও পথ দুর্ঘটনায় রাশ টানা যাচ্ছে না। বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছেন স্থানীয়রা। শহরবাসীর অভিযোগ, রাত ও ভোরে নিউটাউনের বিভিন্ন রাস্তা মৃত্যুফাঁদের রূপ নিচ্ছে। প্রশস্ত ঝাঁ চকচকে রাস্তায় জয়রাইডে বের হচ্ছেন একদল যুবক-যুবতী। বাইক ও চারচাকা গাড়িতে তাঁরা গতির ঝড় তুলছেন। বহু বাইকে আবার মডিফায়েড সাইলেন্সার লাগানো। সেই আওয়াজে কানে তালা লাগার দশা। তাছাড়া গাড়ি-বাইকের গতি অত্যন্ত বেশি থাকায় বহু মানুষ আতঙ্কে রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে যেতে বাধ্য হন। বাসিন্দাদের দাবি, এই সমস্ত বেপরোয়া বাইক ও চারচাকা গাড়ির চালকের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

মুর্শিদাবাদে ফের পরিযায়ী শ্রমিকের রহস্যমৃত্যু

মুর্শিদাবাদে ফের পরিযায়ী শ্রমিকের রহস্যমৃত্যু

মুর্শিদাবাদে ফের এক পরিযায়ী শ্রমিকের রহস্যমৃত্যু

সোমবার সকালে ফরাক্কা ব্যারেজ বাজার এলাকায় এক দোকানের সামনে থেকে উদ্ধার হয় বছর পঞ্চাশের কালু হাঁড়ি-এর ঝুলন্ত দেহ। পেশায় পরিযায়ী শ্রমিক কালু কয়েক সপ্তাহ আগেই উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদ থেকে ফিরে এসেছিলেন অসুস্থ অবস্থায়।

প্রসঙ্গত, মাত্র ২ দিনের ব্যবধানে ফের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হওয়ায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। মৃতের বাড়ি ফরাক্কা ব্যারেজ আবাসনের ৯ নম্বরে। জানা গিয়েছে, গাজিয়াবাদে নির্মাণ শ্রমিকের কাজ করতেন কালু হাঁড়ি। হঠাৎ শারীরিক অসুস্থতায় ভুগতে থাকায় কাজ বন্ধ করে মাস দেড়েক আগে মুর্শিদাবাদে ফিরে আসেন। মামার বাড়িতে থাকছিলেন তিনি।

সোমবার সকালে স্থানীয়রা দেখতে পান, ব্যারেজ বাজার এলাকায় একটি দোকানের সামনে গাছের ডালে ঝুলছে কালুর নিথর দেহ। খবর পেয়ে ফরাক্কা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।

কালুর ভাই রাজু হাঁড়ি বলেন, “দাদা অনেক বছর ধরে গাজিয়াবাদে কাজ করতেন। ওখানে হঠাৎ শরীর খারাপ হয়। আমাদের জানানো হয়, কিছু খাচ্ছে না। তারপর ফিরিয়ে আনা হয়। যক্ষ্মা ধরা পড়ে। কিন্তু আত্মহত্যা না অন্য কিছু, আমরা কিছু বলতে পারছি না।”

তবে পরপর দু’জন পরিযায়ী শ্রমিকের এমন মৃত্যু ঘিরে প্রশ্ন উঠছে। মাত্র ২ দিন আগেই ভগবানগোলার রামকান্তপুরে তামিলনাড়ু ফেরত এক যুবক, ওয়াহিদ শেখ-এর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। অভিযোগ, কর্মস্থলে তাঁকে হেনস্থা করা হয়েছিল। বাড়ি ফেরার ২ দিনের মাথায় মৃত্যু হয় তাঁর।

পুলিশ সূত্রে খবর, দুটি ক্ষেত্রেই অপমৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু হয়েছে। তবে একাধিক প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে স্থানীয়দের মনে—শুধুই কি শারীরিক অসুস্থতা, নাকি পরিযায়ী শ্রমিকদের অজানা মানসিক চাপই মৃত্যুর কারণ?

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

প্রশান্ত কিশোরের অভিযোগে বিহারের BJP ও JDU নেতাদের কাঠগড়ায় ।

প্রশান্ত কিশোরের অভিযোগে বিহারের BJP ও JDU নেতাদের কাঠগড়ায়

প্রশান্ত কিশোরের অভিযোগে বিহারের BJP ও JDU নেতাদের কাঠগড়ায়

বিহারের উপ-মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী থেকে শুরু করে BJP-র বিহার শাখার প্রেসিডেন্ট দিলীপ জয়সওয়াল — বিহার নির্বাচনের আগে, দুর্নীতির প্রশ্নে সকলকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন প্রাক্তন ভোটকুশলী তথা জন সুরজ পার্টির প্রধান প্রশান্ত কিশোর। এ বার এই প্রসঙ্গে নিজের দলের সহকর্মীদেরই জবাব চাইলেন BJP-র বরিষ্ঠ নেতা সম্রাট চৌধুরী।

সম্রাট চৌধুরীর বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ, তিনি তিন-চারবার নিদের নাম বদলেছেন। আরকে সিংয়ের মতে, কেন তিনি নাম পরিবর্তন করেছেন, তা জনতাকে জানানো। তিনি বলেছেন, ‘অন্যথায়, এতে দলের ক্ষতি হচ্ছে। একই ভাবে দিলীপ জয়সওয়ালের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ রয়েছে বলে প্রচার করা হচ্ছে, তাঁরও বিষয়টি স্পষ্ট করা উচিত।’ — প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আরকে সিং।

তিনি জানিয়েছেন, পিকে যাঁদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ করেছেন, তাঁদের জনগণের সামনে এসে নিজেদের নির্দোষ প্রমাণ করা উচিত। NDTV-কে দেওয়া এক একান্ত সাক্ষাৎকারে আরকে সিং বলেছেন, ‘তাঁদের সামনে এসে জবাব দেওয়া উচিত। তাদের স্পষ্টতা দেওয়া উচিত। তারা এটা করছেন না বলে পুরো দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে।’

তিনি আরও জানিয়েছেন, পিকে দাবি করেছেন, সম্রাট চৌধুরী ক্লাস সেভেন ফেল। এই অবস্থায় সম্রাট চৌধুরীর উচিত তাঁর ম্যাট্রিকুলেশন ডিগ্রি দেখিয়ে পিকের মন্তব্যকে নস্যাৎ করা। সম্রাট চৌধুরীর বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ, তিনি তিন-চারবার নিদের নাম বদলেছেন। আরকে সিংয়ের মতে, কেন তিনি নাম পরিবর্তন করেছেন, তা জনতাকে জানানো। তিনি বলেছেন, ‘অন্যথায়, এতে দলের ক্ষতি হচ্ছে। একই ভাবে দিলীপ জয়সওয়ালের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ রয়েছে বলে প্রচার করা হচ্ছে, তাঁরও বিষয়টি স্পষ্ট করা উচিত।’

কী বলেছিলেন প্রশান্ত কিশোর? বিহারের মন্ত্রীরা এবং BJP ও JDU-এর সিনিয়র সদস্যরা রাজ্যে লুটপাট চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন পিকে। তাঁর অভিযোগ, নীতীশ কুমার সৎ হলেও তাঁর মন্ত্রী এবং অফিসাররা জনগণের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা লুট করছেন।

তিনি আরও অভিযোগ করেছেন, উপ-মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধরী বেশ কয়েকবার নিজের নাম পরিবর্তন করেছেন। তাঁর নাম রাকেশ কুমার থেকে বদলে তিনি সম্রাট চৌধুরী করেছেন। তারও আগে তাঁর নাম ছিল সম্রাট কুমার মৌর্য। এই নামে তাঁর বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ ছিল বলেই তিনি নাম বদলেছিলেন বলে দাবি প্রশান্ত কিশোরের।

সম্রাট চৌধরীর শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন পিকে। তিনি বলেন, ‘বিহার স্কুল বোর্ড সুপ্রিম কোর্টকে জানিয়েছে সম্রাট কুমার মৌর্য ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় ফেল করেছিলেন।’

২০০ কোটি টাকার সম্পত্তি কেনার জন্য JDU-এর জাতীয় সাধারণ সম্পাদক অশোক চৌধরীকেও নিশানা করেছেন পিকে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী মঙ্গল পান্ডেও নিশানা করেছেন, ১ বছরে তাঁর স্ত্রীর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে বেহিসেবি ২.১২ কোটি টাকা ঢোকার অভিযোগ নিয়ে।

এর জবাবে JDU-এর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘দলের বিশ্বাসযোগ্যতা এবং নেতাদের ভাবমূর্তি এক অমূল্য সম্পদ। বিহার নীতিশ কুমারের সাধু ব্যক্তিত্ব, দুর্নীতির বিরুদ্ধে তাঁর লড়াই এবং শাসনব্যবস্থা স্বচ্ছ রাখার জন্য তাঁর পদক্ষেপ দেখেছে। দলের বিশ্বাসযোগ্যতা এবং তাঁর ভাবমূর্তি আমাদের সকলের জন্য অমূল্য সম্পদ।’

বিহার রাজনীতি
প্রশান্ত কিশোরের অভিযোগের জবাবে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ছে বিহারে।
হ্যাশট্যাগ:

#বিহার #BJP #JDU #প্রশান্তকিশোর #সম্রাটচৌধুরী #দিলীপজয়সওয়াল #দুর্নীতি #নীতীশকুমার #রাজনীতি

অভিষেকের প্রশ্ন: মহালয়ার আগে পুজো উদ্বোধন এবং নরেন্দ্র মোদীর দ্বিচারিতা

অভিষেকের প্রশ্ন: মহালয়ার আগে পুজো উদ্বোধন এবং নরেন্দ্র মোদীর দ্বিচারিতা

অভিষেকের প্রশ্ন: মহালয়ার আগে পুজো উদ্বোধন এবং নরেন্দ্র মোদীর দ্বিচারিতা

ছবি: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

মুখ্যমন্ত্রী মমতার মহালয়ার আগে পুজো মণ্ডপ উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক বিতর্কের উত্তাপ বাড়ছে। সোমবার বিকেলে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রাজ্যের উপ মুখ্যমন্ত্রী অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। একটি বৈদ্যুতিন সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধির প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, 'মুখ্যমন্ত্রী মহালয়ার আগে পুজো উদ্বোধন করছেন, তাই সমালোচনা করছেন শুভেন্দু অধিকারী। কিন্তু প্রশ্ন হলো, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী রামনবমীর আগে কেন রামমন্দির উদ্বোধন করলেন?'

অভিষেক আরও বলেন, 'এপ্রিলে রামনবমী হয়েছিল। কিন্তু জানুয়ারি মাসে ভোটের বাজারে রামমন্দির উদ্বোধন করা হয়েছে। তিন মাসের ব্যবধানে যে কাজটি করা হয়েছে, সেটি কি দ্বিচারিতা নয়? এটি কি হিন্দু রীতির পরিপন্থী? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক দিন আগে পুজো উদ্বোধন করেছেন, আর নরেন্দ্র মোদী তিন মাস আগে রামমন্দির উদ্বোধন করেছেন। কোনটি বড় হিপোক্রিটি, তা নিজেরাই বিচার করুন।'

অভিষেকের বক্তব্য, 'শুভেন্দু অধিকারী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুজো উদ্বোধন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। কিন্তু নরেন্দ্র মোদীর ক্ষেত্রে এমন প্রশ্ন করা হয়নি। তিনি বলছেন যে মমতা রীতিনীতি মানছেন না, অথচ একই নিয়ম কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষেত্রে প্রয়োগ হচ্ছে না। এই দ্বিমাত্রিক মানদণ্ড রাজনৈতিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ।'

তিনি আরও উল্লেখ করেন, 'মহালয়ার আগের দিন থেকে দুর্গাপুজো উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে বিরোধীরা সরব হয়েছেন। কিন্তু বাস্তবে মুখ্যমন্ত্রী শুধুমাত্র মণ্ডপসজ্জার উদ্বোধন করছেন, পুজো শুরু করছেন না। সেক্ষেত্রে কোনো শাস্ত্র লঙ্ঘন হয়নি।'

অভিষেক বলেন, 'রাজনীতিতে দ্বিচারিতা ও নির্বাচনের প্রভাব সবসময় লক্ষ্য করা যায়। ধর্মীয় অনুষ্ঠান ও রাজনৈতিক কার্যক্রমের সংমিশ্রণ জনমত প্রভাবিত করে। একই সময়ে কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্ত নিয়ে কোনো সমালোচনা নেই। এটাই দ্বিমুখী মানদণ্ডের প্রমাণ।'

#অভিষেকবন্দ্যোপাধ্যায় #মমতাবন্দ্যোপাধ্যায় #মহালয়া #দুর্গাপুজো #শুভেন্দুঅধিকারী #নরেন্দ্রমোদি #রামমন্দির #রাজনীতি #দ্বিমুখীত্ব #বাংলারসংবাদ #পুজোউদ্বোধন

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

Featured post

Y বাংলা নিউজ ডেস্ক রিপোর্ট : সরকার ও প্রশাসনের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুললেন শঙ্করাচার্য অভিমুক্তেশ্বরানন্দ। তাঁর দাবি, প্রশাসনে...

Search This Blog