Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Sunday, 5 October 2025

অহমদাবাদে ঐতিহাসিক জয়, নতুন অধ্যায়ে শুভমন গিল — ভারতের একদিনের দলের নতুন অধিনায়ক

অহমদাবাদে ঐতিহাসিক জয়, নতুন অধ্যায়ে শুভমন গিল — ভারতের একদিনের দলের নতুন অধিনায়ক

অহমদাবাদে ঐতিহাসিক জয়, নতুন অধ্যায়ে শুভমন গিল — ভারতের একদিনের দলের নতুন অধিনায়ক

🕓 প্রকাশিত: ৫ অক্টোবর ২০২৫ | ✍️ Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক
শুভমন গিল নতুন অধিনায়ক
অহমদাবাদে ঐতিহাসিক দিনে একদিনের ক্রিকেটের অধিনায়কত্বে শুভমন গিল

ডিজিটাল ডেস্ক: অহমদাবাদে ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের বিরুদ্ধে ভারতের প্রথম টেস্ট জয়েই যেন লিখিত হল এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা। কারণ, সেই ঐতিহাসিক দিনেই ভারতীয় ক্রিকেটে নতুন নেতৃত্বের হাতছানি। দেশের ওয়ানডে দলের নতুন অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেলেন তরুণ ব্যাটার শুভমন গিল

দলের জয় এবং নিজের নতুন ভূমিকায় উচ্ছ্বসিত শুভমন জানিয়েছেন, একদিনের ক্রিকেটে ভারতকে নেতৃত্ব দেওয়া তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় সম্মান। বোর্ডের প্রকাশিত ভিডিওতে গিল বলেন, “এই দায়িত্ব আমার কাছে বিশাল সম্মানের। ভারতের মতো একটি ঐতিহ্যবাহী দলে অধিনায়কত্ব করা জীবনের অন্যতম গর্বের মুহূর্ত। আমাদের দল দুর্দান্ত খেলছে, আমি চাই এই ধারাকে আরও এগিয়ে নিতে।”

তথ্যবক্স:
  • নতুন দায়িত্ব: ভারতের ওয়ানডে অধিনায়ক
  • প্রথম জয়: ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে অহমদাবাদ টেস্ট
  • মূল লক্ষ্য: দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপ জয়
  • ফ্র্যাঞ্চাইজি দল: গুজরাত টাইটান্স (আইপিএল)

তিনি আরও বলেন, “বিশ্বকাপের আগে প্রায় কুড়িটি ম্যাচ খেলার সুযোগ পাব। আমাদের লক্ষ্য একটাই — দক্ষিণ আফ্রিকায় বিশ্বকাপ জেতা। প্রতিটি ম্যাচে দল নিজেদের সেরাটা দিতে চেষ্টা করবে। আশা করি, দারুণ একটা মরসুম কাটবে এবং বিশ্বকাপের আগে আমরা সম্পূর্ণ প্রস্তুত থাকব।”

আরও খবর পড়ুন , বিহার ভোটের আগে নতুন দায়িত্বে অধীর চৌধুরী, কংগ্রেসের সিনিয়র পর্যবেক্ষক নিযুক্ত

অহমদাবাদের মাটিতে এই জয় গিলের কাছে আরও বিশেষ। কারণ, এই মাঠেই গুজরাত টাইটান্সের নেতৃত্ব দেন তিনি। সেই প্রসঙ্গে শুভমন বলেন, “এই রাজ্য আমার কাছে খুব আলাদা। আইপিএলে এই রাজ্যের দলকে নেতৃত্ব দিই। এখানেই আমি টেস্ট অধিনায়ক হওয়ার খবর পেয়েছিলাম। আজ ওয়ানডের নেতৃত্বও এখান থেকেই শুরু হচ্ছে — এটা ভীষণ আবেগের।”

বোর্ডের এক কর্তা জানিয়েছেন, গিলের ধারাবাহিক পারফরম্যান্স এবং ঠান্ডা মস্তিষ্কের নেতৃত্বগুণই তাঁকে অধিনায়কত্বের প্রথম সারিতে এনেছে। রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলির পর নতুন প্রজন্মের ক্রিকেটার হিসেবে শুভমন গিল এখন ভারতের নেতৃত্বের নতুন মুখ।

ভারতীয় ক্রিকেটে নতুন যুগের সূচনা করলেন শুভমন — যেখানে তরুণদের হাতে নেতৃত্বের ব্যাটন তুলে দিয়ে বিশ্বকাপ জয়ের নতুন স্বপ্ন দেখছে টিম ইন্ডিয়া।

📅 সর্বশেষ আপডেট: ৫ অক্টোবর ২০২৫, সকাল 07:15

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

বিহার ভোটের আগে নতুন দায়িত্বে অধীর চৌধুরী, কংগ্রেসের সিনিয়র পর্যবেক্ষক নিযুক্ত

বিহার ভোটের আগে নতুন দায়িত্বে অধীর চৌধুরী, কংগ্রেসের সিনিয়র পর্যবেক্ষক নিযুক্ত

বিহার ভোটের আগে নতুন দায়িত্বে অধীর চৌধুরী, কংগ্রেসের সিনিয়র পর্যবেক্ষক নিযুক্ত

🕓 প্রকাশিত: ৫ অক্টোবর ২০২৫ | ✍️ Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো
অধীর চৌধুরী কংগ্রেসের নতুন দায়িত্বে
বিহার নির্বাচনের আগে কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় দায়িত্বে অধীর চৌধুরী

ডিজিটাল ডেস্ক: বিহার বিধানসভা নির্বাচন ঘিরে সক্রিয় হয়ে উঠেছে জাতীয় রাজনীতির বড় বড় দলগুলি। বিজেপি, আরজেডি ও জেডিইউ’র মতো শিবিরগুলির পাশাপাশি কংগ্রেসও মাঠে নামতে শুরু করেছে নতুন কৌশলে। সেই প্রেক্ষিতেই শনিবার কংগ্রেসের ওয়ার্কিং কমিটির সদস্য ও প্রাক্তন লোকসভা বিরোধী দলনেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরীকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োগ করল দল।

কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের নির্দেশে এবং এআইসিসি-র সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) কে সি বেণুগোপালের ঘোষণায় জানা যায়, বিহার বিধানসভা ভোটের প্রস্তুতির জন্য তিনজন প্রবীণ নেতাকে সিনিয়র পর্যবেক্ষক হিসাবে নিয়োগ করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের বহরমপুরের প্রাক্তন সাংসদ অধীর চৌধুরী, রাজস্থানের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অশোক গহলৌত এবং ছত্তীসগড়ের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বঘেল।

তথ্যবক্স:
  • দল: ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস
  • দায়িত্ব: বিহার বিধানসভা নির্বাচনের সিনিয়র পর্যবেক্ষক
  • অন্যান্য পর্যবেক্ষক: অশোক গহলৌত, ভূপেশ বঘেল
  • ঘোষক: এআইসিসি সাধারণ সম্পাদক কে সি বেণুগোপাল
  • সভাপতি: মল্লিকার্জুন খাড়গে

কংগ্রেসের এই সিদ্ধান্তকে রাজনৈতিক মহল দেখছে আসন্ন বিহার নির্বাচনে দলের প্রভাব বৃদ্ধির প্রচেষ্টা হিসেবে। কারণ, বিহারে কংগ্রেসের সংগঠন এখনও দুর্বল বলে মনে করা হয়। তাই জাতীয় স্তরের নেতাদের দায়িত্ব দিয়ে সংগঠন পুনর্গঠনের বার্তা দিয়েছে দল।

গত সপ্তাহেই পটনায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির বর্ধিত বৈঠক। সেই বৈঠকে রাজ্য স্তরের নেতারা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন গৌরব গগৈ, শশী থারুর, জিতিন প্রসাদসহ কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। বৈঠকে গৌরব গগৈ উল্লেখ করেন, “বিজেপি এনআরসি-র নামে উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলিতে বিভাজনের রাজনীতি শুরু করেছিল। এখন সেই একই মডেল বিহারেও প্রয়োগের চেষ্টা চলছে।”

তাঁর বক্তব্যের প্রতিধ্বনি করে অধীর চৌধুরী বলেন, “বিজেপি ও সঙ্ঘ পরিবার জনবিন্যাস বদলের অভিযোগ তুলে ধর্মীয় মেরুকরণের তত্ত্ব নতুন মোড়ে পেশ করছে। বাংলা ও অসমের মতো বিহারেও তারা এই রাজনীতি কাজে লাগাতে চায়।” অধীরের মতে, ধর্মনিরপেক্ষ রাজনীতি রক্ষা করা এখন কংগ্রেসের বড় চ্যালেঞ্জ।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিহারে কংগ্রেসের পর্যবেক্ষক হিসেবে অধীরের নিয়োগ তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, অধীর চৌধুরী দীর্ঘদিন ধরে সংগঠন পরিচালনা ও জাতীয় রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। তাঁর তীক্ষ্ণ বক্তব্য ও সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা কংগ্রেসের পক্ষে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে বহরমপুর কেন্দ্র থেকে অধীর প্রার্থী হয়েছিলেন। কিন্তু তাঁকে প্রায় ৮৫ হাজার ভোটে পরাজিত করেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী ও জাতীয় দলের প্রাক্তন ক্রিকেটার ইউসুফ পাঠান। পরাজয়ের পর অধীর চৌধুরী বলেছিলেন, “বাংলার রাজনীতি ক্রমশ ধর্মনিরপেক্ষ শক্তির জন্য বিপজ্জনক হয়ে উঠছে। যারা উদার ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে বিশ্বাসী, তাদের জন্য এখনকার নির্বাচন কঠিন।”

পরাজয়ের পরও অধীরকে একাধিক সাংগঠনিক বৈঠকে দেখা গেছে সক্রিয়ভাবে উপস্থিত থাকতে। দলীয় সূত্রে খবর, কংগ্রেস সভাপতি খাড়গে তাঁর অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্বের গুণাবলীকেই সামনে রেখে এই নতুন দায়িত্ব দিয়েছেন।

রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত, বিহারের নির্বাচনে অধীর চৌধুরীর ভূমিকা হতে পারে কংগ্রেসের পুনরুজ্জীবনের সূচনা। কারণ, রাজ্যের ২৪৩ আসনের মধ্যে কংগ্রেস গতবার মাত্র ১৯টি আসনে জিতেছিল। তাই ২০২৫ সালের এই নির্বাচনে তাঁরা অন্তত ৫০ আসনে লড়াইয়ের লক্ষ্য নিয়েছেন।

এদিকে অশোক গহলৌত এবং ভূপেশ বঘেলের অন্তর্ভুক্তি দলীয় নেতৃত্বের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে। দুই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা এবং রাজনৈতিক নেটওয়ার্ক কংগ্রেসের প্রচারযুদ্ধকে আরও সুসংহত করতে পারে।

অধীরের ঘনিষ্ঠ মহলের দাবি, তিনি বিহারে যুব ভোটারদের মধ্যে ধর্মনিরপেক্ষতা, কর্মসংস্থান ও কৃষক ইস্যু নিয়ে প্রচারে জোর দেবেন। দলীয় কৌশল অনুযায়ী, অক্টোবরের শেষ সপ্তাহ থেকেই বিহারের বিভিন্ন জেলায় কংগ্রেস পর্যবেক্ষকদের নেতৃত্বে মিছিল, জনসভা ও দরপত্র কর্মসূচি শুরু হবে।

শেষ পর্যন্ত দেখা যাবে, এই নতুন দায়িত্বে অধীর চৌধুরীর নেতৃত্বে কংগ্রেস কতটা নিজেদের হারানো জমি পুনরুদ্ধার করতে পারে। কিন্তু একটা জিনিস পরিষ্কার—অধীর আবারও জাতীয় রাজনীতির ময়দানে নিজের সক্রিয় উপস্থিতি জানান দিলেন।

📅 সর্বশেষ আপডেট: ৫ অক্টোবর ২০২৫, সকাল ৬:৩০

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

Saturday, 4 October 2025

শুভমান গিলকে ভারতের নতুন ওডিআই অধিনায়ক — রোহিত শর্মা অধিনায়কত্ব থেকে সরলেন, মন্তব্য করলেন হর ভজন

শুভমান গিলকে ভারতের নতুন ওডিআই অধিনায়ক — রোহিত শর্মা অধিনায়কত্ব থেকে সরলেন, মন্তব্য করলেন হর ভজন

শুভমান গিলকে ভারতের নতুন ওডিআই অধিনায়ক — রোহিত শর্মা অধিনায়কত্ব থেকে সরলেন

আপডেট: 4 অক্টোবর, 2025 | রিপোর্ট: Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো
শুভমান গিল ও রোহিত শর্মা
ছবি: শুভমান গিল (বাম) ও রোহিত শর্মা — BCCI ঘোষণার পর দলের দলে নতুন নেতৃত্ব। (কপি-রাইট মুক্ত স্টক/প্রতিবেদন অনুযায়ী ব্যবহারযোগ্য)

ভারতীয় ক্রিকেটের বাছাই কমিটি ও BCCI আজ ঘোষণা করেছে যে, আগামী অস্ট্রেলিয়া সফরের জন্য শুবমান গিলকে ওয়ানডে (ODI) দলের নতুন অধিনায়ক হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে; ৩৮ বছর বয়সী রোহিত শর্মা দলভুক্ত থাকলেও অধিনায়কপদে নন। 1

ঘোষণায় বলা হয়েছে, গিলকে তিনটি ওয়ানডে সিরিজের জন্য অধিনায়ক করা হচ্ছে যা শুরু হবে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে। গিল ইতোমধ্যে টেস্ট দলে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন এবং এবার তিনি দায়িত্ব পেয়ে ওয়ানডে নেতৃত্বে নতুন অধ্যায় শুরু করছেন।

আরও খবর পড়ুন কোচবিহারে নিশীথ প্রামাণিকের ওপহামলার অভিযোগ

রোহিত শর্মাকে দলভুক্ত করা হয়েছে — তবে অধিনায়ক হিসেবে নয়। রোহিতের সাদা বলের অনবদ্য রেকর্ড থাকা সত্ত্বেও নির্বাচকরা নেতৃত্বে পরিবর্তন আনার সিদ্ধান্ত নেন। এই খবরটি ক্রিকেট বিশ্বে তীব্র প্রতিক্রিয়া এবং আলোচনা সৃষ্টি করেছে।

তাত্ক্ষণিক তথ্যবাক্স
নতুন অধিনায়ক
শুভমান গিল (Shubman Gill).
পুরনো অধিনায়ক
রোহিত শর্মা (Rohit Sharma) — দলভুক্ত, কিন্তু অধিনায়ক নয়.
ওডিআই সিরিজ
অস্ট্রেলিয়া সফর — ৩ টি ওয়ানডে।
উৎস
BCCI ঘোষণা, মিডিয়া রিলিজ ও প্রতিবেদন।

প্রাক্তন ভারতীয় স্পিনার হরভজন সিং এই সিদ্ধান্ত নিয়ে আশ্চর্য অভিব্যক্তি প্রকাশ করেছেন। হরভজন বলেছেন, তিনি গিলকে অভিনন্দন জানালেও রোহিতকে এত দ্রুত ওডিআই অধিনায়কত্ব থেকে সরিয়ে ফেলা কিছুটা অবাক করার মত। তিনি উল্লেখ করেছেন, রোহিত সাদা বলের ক্রিকেটে কড়া পারফরম্যান্সের অধিকারী এবং বহু টুর্নামেন্টে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন — তাই অধিনায়কের ভূমিকাটি অপ্রত্যাশিতভাবে কেটে নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচক কমিটি ও BCCI সূত্রেরা বলছে, এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অঙ্গ হতে পারে — ভবিষ্যতের টুর্নামেন্ট এবং আর্থ-টিম ব্যালান্স মাথায় রাখেই নেতৃত্বে পরিবর্তন আনা হয়েছে। গিলকে নেতৃত্বে নিয়ে selectors দলের ভবিষ্যৎকে কেন্দ্র করে চিন্তা করছে বলে রিপোর্ট করা হচ্ছে।

বিশেষ দ্রষ্টব্য: ঘোষিত ওডিআই স্কোয়াডে রোহিত শর্মা ও ভিরাট কোহলি রয়েছেন—অর্থাৎ হার্ড-স্কিল ও অভিজ্ঞতা টিমে বজায় রাখা হয়েছে, কিন্তু নেতৃত্ব দ্রুতই পার্থক্য করা হলো। এই সিদ্ধান্ত সম্পর্কিত বিশ্লেষক ও রিটায়ারড ক্রিকেটারদের বিভিন্ন মতামত দেশীয় মিডিয়াতে প্রকাশ পাচ্ছে।

বিশ্লেষণ — কি হতে পারে কারণ?

১) দীর্ঘমেয়াদি নেতৃত্ব ব্যবস্থাপনা: গিলকে তরুণ নেতৃত্ব হিসাবে গড়ে তোলা হচ্ছে।
২) ফরম্যাটভিত্তিক নেতৃত্ব: ভিন্ন ফরম্যাটে আলাদা নেতৃত্ব রেখে পরীক্ষামূলক দলগঠন।
৩) বিশ্বকাপ পরিকল্পনা: ২০২৭ ওয়ার্ল্ড কাপের দিকে নজর রেখে ভবিষ্যত কোর গড়ার প্রচেষ্টা।

এগুলো সমূহের জন্য বেসিক তথ্য ও বোর্ডের অবস্থান সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে; বিস্তারিত প্রসঙ্গ ও উদ্ধৃতি সংবাদ মাধ্যম ও জানানো প্রেস রিলিজে পাওয়া যাবে।


সম্পূর্ণ স্কোয়াড (সংক্ষিপ্ত)

ঘোষিত ওডিআই স্কোয়াডের মধ্যে রয়েছে — শুভমান গিল (c), রোহিত শর্মা, ভিরাট কোহলি, শ্রেয়াস ইয়ার (উপ-অধিনায়ক) এবং অন্যান্য অভিজ্ঞ ও তরুণ ক্রিকেটাররা। বিস্তারিত ও গঠনগত তালিকা সংবাদসংস্থাগুলি প্রকাশ করেছে। 8

সূত্র: BCCI প্রেস রিলিজ ও প্রকাশিত সংবাদ প্রতিবেদন (Reuters, ICC, Indian Express, NDTV, Times of India)। — রিপোর্টার: Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

খানাকুলে তৃণমূল নেতার উপর গণধোলাই: রাজনৈতিক উত্তেজনা হুগলিতে

খানাকুলে তৃণমূল নেতার উপর গণধোলাই: রাজনৈতিক উত্তেজনা হুগলিতে
খানাকুলে তৃণমূল নেতার উপর গণধোলাই: রাজনৈতিক উত্তেজনা হুগলিতে
পুজো-পরবর্তী সময়ে মদ্যপ অবস্থায় নারীদের সঙ্গে অশালীন আচরণের অভিযোগে হুগলিতে উত্তেজনা
খানাকুলে উত্তেজনা
হুগলি জেলার খানাকুলে তৃণমূল নেতা বরুণ মণ্ডলকে গণধোলাইয়ের অভিযোগে উত্তেজনা ছড়িয়েছে।

পুজো-পরবর্তী সময়ে হুগলি জেলার খানাকুল অঞ্চলে রাজনৈতিক অশান্তি ছড়িয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের অঞ্চল সহসভাপতি বরুণ মণ্ডলকে গণধোলাইয়ের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি শুক্রবার রাতে ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, বরুণ মণ্ডল মদ্যপ অবস্থায় একাধিক মহিলার সঙ্গে অশালীন আচরণ করেন, এমনকি নাবালিকা দুই কন্যার ওপর হাত তোলারও চেষ্টা করেন।

স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, যখন বরুণ মণ্ডল এই আচরণ শুরু করেন, তখনই জনতা ক্ষুব্ধ হয়ে তাঁকে ঘিরে ধরে বেধড়ক মারধর করে। পরিস্থিতি দ্রুত উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে বরুণ মণ্ডলকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে খানাকুল গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করে।

এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের মধ্যে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। কিছুক্ষণে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে পুলিশ, কিন্তু জনগণ ক্ষোভপ্রকাশে রুদ্ধশ্বাস ছিল।

তৃণমূলের অবস্থান:
তৃণমূলের অন্যান্য নেতারা দাবি করেছেন, বরুণ মণ্ডলের উপর এই হামলা পরিকল্পিত। তাদের অভিযোগ, খানাকুলের বিজেপি বিধায়ক সুশান্ত ঘোষ-এর নির্দেশে এই হামলা চালানো হয়েছে। তৃণমূলের মতে, রাজনৈতিক প্রতিশোধের জন্য এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে।

অন্যদিকে, বিজেপি দল এই ঘটনার ব্যাখ্যা সম্পূর্ণ ভিন্নভাবে উপস্থাপন করেছে। স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের বক্তব্য, নাবালিকা দুই কন্যার উপর বরুণ মণ্ডল মদ্যপ অবস্থায় শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেছিলেন। তাই জনতা ক্ষোভে ফেটে পড়ে তাঁকে মারধর করে। বিজেপি আরও অভিযোগ করেছে, তৃণমূল এখন ঘটনার সত্যিকারের ব্যাখ্যা ঢাকার জন্য রাজনৈতিক নাটক সাজাচ্ছে।

নির্যাতিতা দুই নাবালিকার বক্তব্যও প্রকাশিত হয়েছে। তারা দাবি করেছেন, তাদের চুল ধরে টেনে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল এবং অশালীন আচরণ করা হয়েছিল। এই অভিযোগ ছড়িয়ে পড়ার পর ক্ষুব্ধ জনতা বরুণ মণ্ডলকে গণধোলাই করে।

হাসপাতালে আহত অবস্থায় বরুণ মণ্ডল নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, "আমি বাড়ি ফিরছিলাম, হঠাৎ কয়েকজন এসে আমাকে ঘিরে ধরে মারধর করেছে। কারা মেরেছে চিনতে পারিনি। সবটাই সাজানো নাটক। কিছু মহিলাকে দিয়ে মিথ্যা অভিযোগ করানো হয়েছে।"

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, পুজোর পরবর্তী সময়ে এমন ঘটনা সাধারণত রাজনৈতিক উত্তেজনা ও ব্যক্তিগত অভিযোগের মিলিত ফল। হুগলিতে এই ধরনের ঘটনা এলাকায় রাজনৈতিক ভেদাভেদকে আরও বাড়িয়ে তোলে।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, বরুণ মণ্ডল আগে থেকেই এলাকায় সক্রিয়ভাবে তৃণমূলের সংগঠনের কাজ করছিলেন। বিজেপি-র অভিযোগ অনুযায়ী, রাজনৈতিক প্রতিশোধের অংশ হিসেবে এই হামলা চালানো হয়েছে। উভয় দলের বক্তব্যের মধ্যে এই মিল নেই। ফলে স্থানীয় প্রশাসনের দায়িত্ব বেড়ে গেছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য।

নাগরিক প্রতিক্রিয়া:
ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা গণধোলাইয়ের ঘটনায় সরাসরি অংশ নিয়েছেন। তবে পুলিশের দ্রুত হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি আংশিক নিয়ন্ত্রণে এসেছে। জনতা রাজনৈতিক প্রভাব ও নৈতিক ক্ষোভের মিশ্রণে এই ঘটনা ঘটিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

এই ঘটনার পর খানাকুল এলাকায় পুলিশ ও প্রশাসন সর্তক অবস্থানে রয়েছে। অতিরিক্ত নিরাপত্তা মোতায়েন করা হয়েছে যাতে পুনরায় কোনো হিংসাত্মক ঘটনা না ঘটে। তৃণমূল ও বিজেপি নেতাদের মধ্যে প্রতিক্রিয়ার ধারা চলমান থাকায় স্থানীয় মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এই ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শী এবং আহতদের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হচ্ছে। জেলা প্রশাসনও ঘটনার ওপর নজর রাখছে। রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং সামাজিক ক্ষোভ মিশ্রিত এই ঘটনায় দ্রুত স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে।

আরও খবর পড়ুন , প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি: সিবিআই ও ইডি চূড়ান্ত চার্জশিট ও মামলার হাল

অভিযোগ এবং পাল্টা অভিযোগের মধ্যেই স্থানীয় জনতা এবং মিডিয়া নজর রাখছে। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন ঘটনায় উভয় দলকে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে এবং সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

এই ঘটনার ফলে আগামী দিনে স্থানীয় রাজনৈতিক পরিস্থি আরও উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। তাই প্রশাসনের পক্ষ থেকে সতর্কতা জারি রাখা হয়েছে। স্থানীয় জনসাধারণকে শান্ত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

খানাকুলের এই ঘটনায় হুগলি জেলার রাজনৈতিক পরিবেশ আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, নির্বাচনী প্রেক্ষাপট এবং পারস্পরিক দলীয় প্রতিদ্বন্দ্বিতা এমন ঘটনা তীব্রভাবে বাড়িয়ে তোলে।

সংক্ষেপে, হুগলির খানাকুলে তৃণমূল নেতা বরুণ মণ্ডলকে গণধোলাই দেওয়ার ঘটনা রাজনৈতিক, সামাজিক এবং নৈতিক ত্রয়ীর সমন্বয়ে ঘটেছে। প্রশাসন এবং স্থানীয় জনসাধারণের দ্রুত হস্তক্ষেপ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

অমিত শাহের বস্তার সফর: মাওবাদীমুক্ত ভারত গড়ার অভিযান ত্বরান্বিত

অমিত শাহের বস্তার সফর: মাওবাদীমুক্ত ভারত গড়ার অভিযান ত্বরান্বিত
অমিত শাহের বস্তার সফর: মাওবাদীমুক্ত ভারত গড়ার অভিযান ত্বরান্বিত
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাওবাদীদের শক্ত ঘাঁটিতে সরেজমিনে যান, নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক কর্মসূচি ত্বরান্বিত
অমিত শাহ বস্তারে
অমিত শাহ বস্তারের জগদলপুরে মা দান্তেশ্বরী মন্দিরে প্রার্থনায় অংশ নেন।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ২০২৬ সালের ৩১ মার্চের মধ্যে দেশ থেকে মাওবাদীদের নির্মূল করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। সেই লক্ষ্যের অগ্রগতি যাচাই করতে তিনি সরেজমিনে পৌঁছেছেন ছত্তীসগঢ়ের বস্তার অঞ্চলে, যা মাওবাদীদের সবচেয়ে শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। দু’দিনের এই সফরে শাহ কেন্দ্রীয় বাহিনী ও রাজ্য পুলিশের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন এবং দশেরার ‘মুরিয়া দরদারে’ সহ অন্যান্য প্রশাসনিক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।

শুক্রবার রাতে শাহের বিমান রায়পুর স্বামী বিবেকানন্দ বিমানবন্দরে অবতরণ করে। তাঁকে স্বাগত জানান ছত্তীসগঢ়ের মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণুদেও সাই এবং অন্যান্য প্রশাসনিক কর্মকর্তা। শনিবার সকালেই তিনি বস্তার ডিভিশনের সদর জগদলপুরে পৌঁছান এবং মা দান্তেশ্বরী মন্দিরে প্রার্থনায় অংশ নেন। মন্দিরের বাইরে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “আমি মা দান্তেশ্বরীর কাছে প্রার্থনা জানালাম যাতে বস্তারকে নকশালপন্থা থেকে মুক্তি দিতে নিরাপত্তাবাহিনীকে শক্তি জোগান।”

আরও খবর পড়ুন , তৃণমূল কংগ্রেসের বিজয়া সম্মিলনী: নির্বাচনী প্রস্তুতি তুঙ্গে, বিজেপি ও সাড়া

এরপর শাহ প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং দশেরার মুরিয়া দরবারে যোগ দেন। বিকেলে জগদলপুরের এক জনসভায় তিনি মাওবাদীদের পাঠানো আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে বলেন, “ওদের সামনে আত্মসমর্পণই একমাত্র পথ।” তাঁর এই বক্তব্যের মাধ্যমে স্পষ্ট হয়েছে যে কেন্দ্রীয় সরকারের নীতি কঠোর এবং প্রতিহিংসামূলক নয়, বরং শান্তিপূর্ণ সমাধান চাওয়া হচ্ছে।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তথ্য:
চলতি বছরের জানুয়ারি মাস থেকে যৌথবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে সাড়ে চারশোরও বেশি মাওবাদীর মৃত্যু হয়েছে। এর ৮০% ছত্তীসগঢ়ের ‘রেড করিডর’ বস্তারের সাতটি জেলায়। শীর্ষস্থানীয় নেতা-নেত্রীদের মধ্যে নাম্বালা কেশব রাও, রামচন্দ্র রেড্ডি, নরসিংহচলম, রবি ভেঙ্কাটা লক্ষ্মী চৈতন্য এবং পিএলজিএর মাসার নিহত হয়েছেন।

গত বছরের ঘোষণার পর থেকেই রাজ্যজুড়ে নিষিদ্ধ মাওবাদী সংগঠনের ঘাঁটিগুলোতে অভিযান শুরু হয়। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, যৌথবাহিনী ও রাজ্য পুলিশের অভিযানে শীর্ষস্থানীয় নেতা-নেত্রীদের মৃত্যু ছাড়া সাধারণ সদস্যদের আত্মসমর্পণও বাড়ছে। বিভিন্ন পুনর্বাসন কর্মসূচি যেমন ‘নিয়া নার নিয়া পুলিশ’ (আমাদের গ্রাম, আমাদের পুলিশ), ‘লোন ভারাতু’ (গোন্ড ভাষায় ‘তোমার বাড়ি ফিরে যাও’), ‘নিয়াদ নেল্লানার’ (তোমার ভাল গ্রাম) এবং ‘পুনা মারগেম’-এর মাধ্যমে মাওবাদীদের ফেরত আসার পথ সহজ করা হচ্ছে।

অভিযান চলাকালীন কেন্দ্রীয় ও রাজ্য বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর জন্য শাহ বস্তারে উপস্থিত হয়েছেন। নিরাপত্তাবাহিনীর কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি বলেন, “মাওবাদী আন্দোলনের রূপান্তর শুধুমাত্র কঠোর আইন প্রয়োগের মাধ্যমে সম্ভব নয়, মানুষের সাথে সংযোগ স্থাপন এবং পুনর্বাসন কর্মসূচির মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ সমাধান সম্ভব।”

মন্দির প্রার্থনা ও প্রশাসনিক বৈঠকের পাশাপাশি শাহের সফরে বিভিন্ন সামাজিক ও প্রশাসনিক বিষয়েও নজর রাখা হয়। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই ধরণের সরেজমিন সফর কেন্দ্রীয় সরকারের নীতি কার্যকরী এবং স্থিতিশীল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

বস্তারের ‘রেড করিডর’ অঞ্চলে সম্প্রতি অভিযানের ফলে সাধারণ জনগণের জীবনযাত্রায় পরিবর্তন এসেছে। নিরাপত্তা বাহিনী এবং স্থানীয় প্রশাসন যৌথভাবে গ্রামীণ পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এতে করে মাওবাদীদের আত্মসমর্পণ এবং স্থানীয় জনগণের নিরাপত্তা বেড়ে চলেছে।

সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, বস্তারে শীর্ষস্থানীয় মাওবাদী নেতা-নেত্রীর মৃত্যু এবং পুনর্বাসন কর্মসূচির কারণে আত্মসমর্পণের প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ২০২৬ সালের মার্চের মধ্যে মাওবাদীমুক্ত ভারত গড়ার লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় সরকার দৃঢ় অবস্থান নিয়েছে।

মাওবাদীমুক্ত ভারতের লক্ষ্য:
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সফর, নিরাপত্তা বাহিনী ও পুনর্বাসন কর্মসূচি একসঙ্গে চলমান। এর উদ্দেশ্য মাওবাদীদের শান্তিপূর্ণভাবে সংযুক্ত করা এবং আইনশৃঙ্খলা পুনঃস্থাপন করা।

শাহের সফরের মাধ্যমে প্রশাসনিক ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধির পাশাপাশি মাওবাদীদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক পুনর্বাসনের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হচ্ছে। রাজ্য ও কেন্দ্রীয় প্রশাসন জোর দিচ্ছে যে, পুনর্বাসন কর্মসূচি, গ্রামীণ পুলিশিং এবং স্থানীয় নেতৃত্বের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন মাওবাদী সমস্যা কমাতে কার্যকর হবে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, মাওবাদী শক্তির মূল ঘাঁটি লক্ষ্য করে এই ধরণের সরেজমিন সফর সরকারকে কার্যকরী কৌশল নিতে সাহায্য করছে। নিরাপত্তা বাহিনী এবং স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বয় বাড়ানো হচ্ছে যাতে অভিযান সফল ও জনমানুষের জীবনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।

বস্তারের সাধারণ জনগণও সরকারী কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে। নিরাপত্তা বাহিনী ও প্রশাসন গ্রামীণ পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং আইনশৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। ফলে, মাওবাদীদের ওপর চাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং আত্মসমর্পণ প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হচ্ছে।

মাওবাদী সংগঠনগুলি জানে যে, কেন্দ্রীয় ও রাজ্য প্রশাসন কঠোর অবস্থান নিয়েছে। যৌথবাহিনী ও পুনর্বাসন কর্মসূচির মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ সমাধান সম্ভব এবং সক্রিয় আত্মসমর্পণই একমাত্র পথ।

অমিত শাহের সফর এবং প্রশাসনিক উদ্যোগের মাধ্যমে এই অঞ্চলে আইনশৃঙ্খলা পুনঃস্থাপিত হচ্ছে, মাওবাদীদের দমনে কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত হচ্ছে। ২০২৬ সালের মার্চের মধ্যে দেশকে মাওবাদীমুক্ত করার লক্ষ্য বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে ভারত।

#অমিতশাহ #বস্তার #মাওবাদী #নিরাপত্তাবাহিনী #ছত্তীসগঢ়

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

সিপিএমের মাল্টিট্যালেন্ট নেতৃত্বের দাবি ও সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জ

সিপিএমের মাল্টিট্যালেন্ট নেতৃত্বের দাবি ও সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জ
সিপিএমের মাল্টিট্যালেন্ট নেতৃত্ব গড়ে তোলার পরিকল্পনা
রাজ্যের শাখা সংগঠন দুর্বল, পার্টি সদস্যদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও গ্রহণযোগ্যতা বাড়ানো প্রয়োজন
সিপিএম নেতৃত্ব
বঙ্গ সিপিএম মাল্টিট্যালেন্ট নেতৃত্ব গড়ে তোলার দিকে নজর দিচ্ছে।

বঙ্গ সিপিএমের রাজ্য নেতৃত্ব মনে করছে, শুধুমাত্র হাতে সিগারেট ধরিয়ে মার্কসবাদ-লেনিনবাদ বোঝানো বা বক্তৃতার মধ্যেই নেতাদের সীমাবদ্ধ থাকলে সংগঠন শক্তিশালী করা সম্ভব নয়। তাই দলের প্রধান লক্ষ্য এখন ‘মাল্টিট্যালেন্ট’ নেতৃত্ব গড়ে তোলা। দলীয় সূত্রে জানা যায়, এমন নেতৃত্বের অন্তর্ভুক্ত হতে হবে যিনি বক্তৃতায় পারদর্শী, সংগঠন চালানোর দক্ষ, সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয় এবং কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে গ্রহণযোগ্য।

রাজ্যের রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, বর্তমানে সিপিএমের মধ্যে অনেক নেতা এক বা দুই ক্ষেত্রে পারদর্শী হলেও সবদিক থেকে দক্ষতা নেই। কেউ ভালো বক্তা, কিন্তু দলের কার্যক্রম পরিচালনায় দুর্বল। আবার কেউ দক্ষ সংগঠক হলেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উপস্থিতি কম। এ ধরনের সীমাবদ্ধতার কারণে দল সামগ্রিকভাবে জনপ্রিয়তা হারাচ্ছে।

সিপিএমের অভ্যন্তরীণ চিঠিতে বলা হয়েছে, প্রতিটি নেতা এবং সদস্যকে বহু দিক থেকে দক্ষ হতে হবে। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পার্টি চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, দলের প্রতিটি স্তরে নেতা উদাহরণ স্থাপন করবেন এবং একসঙ্গে বহু কাজ করার যোগ্যতা অর্জন করবেন।

চিঠির মূল বক্তব্য:
"সর্বস্তরের নেতৃত্বকেই নেতৃত্ব দানের দক্ষতা অর্জন করতে হবে। পার্টির সদস্যদের মধ্যে বহু কাজ একসঙ্গে করার যোগ্যতা এবং মানোন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে।"

তবে শুধু নেতৃত্ব গড়ে তোলা নয়, পার্টির শাখা সংগঠনও এখন চ্যালেঞ্জের মুখে। শক্তিশালী শাখা এখন আর নেই। শাখার সদস্যরা থাকলেও বড় কোনও কর্মসূচিতে দেখা যায় না। দক্ষ শাখা সম্পাদকও নেই বলেই স্বীকার করেছে পার্টি। এই ঘাটতি পূরণ করাই এখন প্রধান লক্ষ্য।

আলিমুদ্দিনে জেলাভিত্তিক সাংগঠনিক রিপোর্ট আসছে, যেখানে চ্যালেঞ্জ এবং সম্ভাব্য নেতাদের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। তবে পার্টির অভ্যন্তরে কিছু নেতার আচরণ নিয়ে সমস্যা রয়েছে। সুশান্ত ঘোষ ও বংশগোপাল চৌধুরীর বিরুদ্ধে মহিলা সম্পর্কিত অভিযোগ জমা পড়েছে। এছাড়া এসএফআইয়ের রাজ্য কমিটির এক সদস্যের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগও এসেছে। সব এই বিষয় পার্টি মনিটর করছে এবং ব্যবস্থা নিচ্ছে।

রাজ্য সিপিএম এই সময়ে দলের সার্বিক মানোন্নয়নে মনোযোগী হচ্ছে। ছাব্বিশের ভোটের আগে পার্টি চায়, নেতৃত্ব এবং সাধারণ সদস্যরা একসঙ্গে বহু দক্ষতা অর্জন করবে এবং নির্বাচনের সময় পার্টিকে শক্তিশালীভাবে উপস্থাপন করতে পারবে।

পুনরায় পার্টির চিঠিতে বলা হয়েছে, ৩৪ বছর ক্ষমতায় থাকার পরও শাখা ও সদস্যদের দক্ষতায় ঘাটতি আছে। তাই রাজ্য নেতৃত্ব কার্যত স্বীকার করছে, সমন্বিত এবং বহু দিকের দক্ষ নেতৃত্ব ছাড়া পার্টি শক্তিশালী হবে না। প্রতিটি নেতা এবং শাখার কর্মীদের সার্বিক মানোন্নয়নই এখন মূল লক্ষ্য।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই উদ্যোগ শুধুমাত্র নির্বাচনী প্রস্তুতি নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদে পার্টির পুনর্গঠনেও গুরুত্বপূর্ণ। মাল্টিট্যালেন্ট নেতৃত্ব গড়ে তুলতে পারলে, সিপিএমের রাজনৈতিক প্রভাব বৃদ্ধি পাবে এবং সমর্থকরা পার্টির সাথে আরও নিবদ্ধভাবে সংযুক্ত থাকবেন।

#সিপিএম #মাল্টিট্যালেন্টনেতৃত্ব #শাখাসংগঠন #রাজ্যরাজনীতি #পার্টিমানেজমেন্ট

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

কোচবিহারে নিশীথ প্রামাণিকের ওপহামলার অভিযোগ

কোচবিহারে নিশীথ প্রামাণিকের ওপর হামলার অভিযোগ
কোচবিহারে নিশীথ প্রামাণিকের ওপর হামলার অভিযোগ, দিনহাটায় উত্তেজনা
প্রাক্তন সাংসদ নিশীথ প্রামাণিক বিজেপি কর্মীদের পাশে দাঁড়াতে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়লেন
নিশীথ প্রামাণিক
নিশীথ প্রামাণিক বাড়ি থেকে বেরোনোর সময় বিক্ষোভের মুখে পড়েন।

কোচবিহারের প্রাক্তন সাংসদ নিশীথ প্রামাণিক নিজ বাড়ির অদূরে রাজনৈতিক হিংসার শিকার হলেন। শনিবার দুপুরে তিনি বিজেপি কর্মীদের বাড়ি যাওয়ার সময় কনভয় ঘিরে বিক্ষোভের মুখে পড়েন। অভিযোগ ওঠেছে, এই বিক্ষোভে তৃণমূল সমর্থিত দুষ্কৃতীরা জড়িত ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভেটাগুড়ি এলাকার কয়েকজন বিজেপি কর্মীর বাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটে দিন তিনেক আগে। বাড়িঘর ভাঙচুর এবং পরিবারের সদস্যদের মারধরের অভিযোগও ওঠে। দলের কর্মীদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য নিশীথ প্রামাণিক শনিবার দুপুরে নিজের বাড়ি থেকে গাড়ি নিয়ে বের হন। কিন্তু মাত্র ১০০ মিটার এগোতেই তাঁকে বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়। কালো পতাকা দেখানো হয় এবং ‘গো ব্যাক’ স্লোগান দেওয়া হয়।

আরও খবর পড়ুন জল্পনার অবসান: অস্ট্রেলিয়া সফরের জন্য ভারতের ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি দল ঘোষণা

বিক্ষোভের কারণে প্রাক্তন সাংসদ শুধুমাত্র এক দলের কর্মীর বাড়িতে পৌঁছাতে সক্ষম হন এবং সেখানে আর্থিক সাহায্য তুলে দেন। এরপর গাড়ি ঘুরিয়ে বাড়ি ফিরে আসতে হয় তাঁকে।

নিশীথ প্রামাণিকের বক্তব্য:
"এসব তো তৃণমূলের অলংকার। মারামারি, হামলা, হিংসা ছাড়া তৃণমূলের অস্তিত্ব নেই। ওরা যতদিন এসব চালিয়ে যাবে, আমরা পালটা রুখে দেব। মানুষই জবাব দেবে।"

দিনহাটা থানার পুলিশ এই ঘটনার তদন্তে নেমেছে। যদিও স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব এ বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া জানাতে চাইনি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটে পরাজিত হওয়ার পর থেকে নিশীথকে জেলায় তেমন সক্রিয় দেখা যায়নি। দীর্ঘদিন পর তিনি এতটা সক্রিয়ভাবে দলের কর্মীদের পাশে দাঁড়াতে গিয়েছিলেন।

এ ঘটনায় রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে দিনহাটার ভেটাগুড়ি অঞ্চলে। স্থানীয়রা বলছেন, সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক হিংসা ও বিক্ষোভের ঘটনা বেড়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, রাজনৈতিক নেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন গুরুত্বপূর্ণ।

নিশীথ প্রামাণিকের হামলার ঘটনাটি রাজ্য রাজনীতিতে নতুন উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ধরনের ঘটনা ভোটারদের মনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে এবং দলীয় কর্মীদের মনোবল প্রভাবিত করতে পারে।

ভেটাগুড়ি এলাকায় রাজনৈতিক হিংসা এবং দলের কর্মীদের ওপর হামলা নিয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ সতর্ক হয়েছে। আগামী দিনে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

নিরাপত্তা এবং রাজনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ায় জেলায় সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। নাগরিকরা চাইছেন, রাজনৈতিক নেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক এবং সাধারণ মানুষ নির্বিঘ্নে জীবনযাপন করতে পারুক।

পুলিশের মন্তব্য:
"আমরা ঘটনার পুরো তদন্ত করছি। অপরাধীদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্থানীয় নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে।"

এই ঘটনার পর রাজ্যের রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন, রাজনৈতিক হিংসা বাড়লে জনগণের মধ্যে ভয় এবং নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হতে পারে। তাই রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে আহ্বান জানানো হচ্ছে শান্তিপূর্ণভাবে কার্যক্রম চালানোর জন্য।

স্থানীয় পর্যায়ে রাজনৈতিক কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং উত্তেজনা প্রশমনের জন্য প্রশাসন পদক্ষেপ নিচ্ছে। আগামী দিনে দিনহাটার ভেটাগুড়িতে পরিস্থিতি কেমন থাকবে তা নজর রাখা হচ্ছে।

নাগরিকরা আশা করছেন, রাজনৈতিক হিংসা না বাড়িয়ে সকলেই শান্তিপূর্ণভাবে মতপ্রকাশ এবং রাজনৈতিক কার্যক্রম চালাতে পারবেন।

#নিশীথপ্রামাণিক #কোচবিহার #তৃণমূলবিরোধী #রাজনৈতিকহিংসা #দিনহাটা

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

কলকাতা ফের নিরাপদতম শহর: এনসিআরবি-র ২০২৩ রিপোর্ট

কলকাতা ফের নিরাপদতম শহর: এনসিআরবি-র ২০২৩ রিপোর্ট

কলকাতা ফের নিরাপদতম শহর: এনসিআরবি-র ২০২৩ রিপোর্ট

ডিজিটাল ডেস্ক: দেশের বড় শহরগুলোর নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে প্রকাশিত হয়েছে নতুন এনসিআরবি ২০২৩ সালের রিপোর্ট। এই রিপোর্টে কলকাতা পুনরায় দেশের নিরাপদতম শহর হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। এই শহরটির জন্য এটি টানা চতুর্থবারের সাফল্য, যা শহরবাসীর জন্য এক বড় স্বস্তি।

অপরাধের হার অনুযায়ী সেরা শহরগুলি

এনসিআরবি-র সমীক্ষায় মোট ১৯টি শহরের তথ্য অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রতি লক্ষ মানুষের মধ্যে অপরাধের হার সবচেয়ে কম কলকাতায়। শহরের প্রতি লক্ষ জনবসতিতে অপরাধের হার মাত্র ৮৩.৯, যা দেশের অন্যান্য বড় শহরের তুলনায় অত্যন্ত কম।

অপরাধের হার অনুযায়ী অন্যান্য শহরগুলো হলো:

  • হায়দরাবাদ: প্রতি লক্ষ মানুষে ৩৩২.৩ অপরাধ
  • পুণে: প্রতি লক্ষ মানুষে ৩৩৭.১ অপরাধ
  • মুম্বই: প্রতি লক্ষ মানুষে ৩৫৫.৪ অপরাধ

এর বিপরীতে, কোচিতে প্রতি লক্ষ মানুষের মধ্যে অপরাধের হার ৩,১৯২.৪, দিল্লিতে ২,১০৫.৩, এবং সুরাটে ১,৩৭৭.১। এটি প্রমাণ করে যে, কলকাতা অন্যান্য বড় শহরের তুলনায় অনেক বেশি নিরাপদ।

কলকাতার নিরাপত্তা ইতিহাস

কলকাতার নিরাপত্তার পরিস্থিতি গত কয়েক বছর ধরে ক্রমশ উন্নতি করছে। ২০১৬ সালে শহরের প্রতি লক্ষ জনবসতিতে অপরাধের সংখ্যা ছিল ১৫৯.৬, ২০২১ সালে কমে ১০৩.৫ হয়েছে। ২০২২ সালে সংখ্যা দাঁড়ায় ৮৬.৫ এবং ২০২৩ সালে আরও কমে ৮৩.৯ হয়েছে।

এই ধারাবাহিক উন্নতির ফলে কলকাতা দেশের নিরাপদতম শহরের খেতাবটি ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। শহরবাসীর নিরাপত্তা বৃদ্ধির জন্য পুলিশ প্রশাসন ও স্থানীয় প্রশাসনের বিভিন্ন পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

নারী নির্যাতন এবং যৌন অপরাধের পরিসংখ্যান

কলকাতায় নারী নির্যাতন সংক্রান্ত অভিযোগের সংখ্যা ২০২৩ সালে কমেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালে ১,৭৪৬টি অভিযোগ দায়ের হয়েছে, যা ২০২২ সালের ১,৮৯০টির চেয়ে কম। ২০২১ সালে এই সংখ্যা ছিল ১,৭৮৩

নাবালিকার যৌন হেনস্তার অভিযোগও কমেছে। ২০২৩ সালে এই ধরনের অভিযোগ দাঁড়িয়েছে ১৭২। ধর্ষণের সংখ্যা ২০২১ এবং ২০২২ সালে ১১টি হলেও ২০২৩ সালে কমে ১০ হয়েছে। এই পরিসংখ্যান দেখাচ্ছে যে শহরে নারী ও শিশুদের বিরুদ্ধে অপরাধের হার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

নিরাপত্তার এই উন্নতির দিক থেকে চেন্নাই দ্বিতীয় এবং কোয়েম্বাটোর তৃতীয় স্থানে রয়েছে।

হত্যার মতো গুরুতর অপরাধ

যদিও কলকাতায় মোট অপরাধের হার কমেছে, হত্যার মতো গুরুতর অপরাধের সংখ্যা সামান্য বেড়েছে। ২০২৩ সালে শহরে এই ধরনের ঘটনা হয়েছে ৪৩টি, যা ২০২২ সালের ৩৪টির তুলনায় বেশি। ২০২১ সালে এই ধরনের অপরাধ ছিল ৪৫

বাংলার অপরাধের সার্বিক অবস্থান দেশের মধ্যে ৪৩৩ নম্বরে রয়েছে। অন্য রাজ্যগুলির মধ্যে ঝাড়খণ্ডের অপরাধ হার ১৬১.১, নাগাল্যান্ডের ৮৪.৯, সিকিমের ১০৩.৯ এবং মেঘালয়ের ১০৫.২

বাংলায় ২০২৩ সালে মোট ১,৬৮৬টি খুন এবং ২২৪টি অস্বাভাবিক মৃত্যু মামলা রুজু হয়েছে।

শহরবাসীর প্রতিক্রিয়া

কলকাতার নিরাপত্তা সংক্রান্ত এই সাফল্য শহরবাসীর মধ্যে স্বস্তি সৃষ্টি করেছে। গত কয়েক বছর ধরে শহরের পুলিশ প্রশাসন ও স্থানীয় প্রশাসনের উদ্যোগ এবং প্রযুক্তির ব্যবহারে অপরাধের হার নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়েছে।

অপরাধ হ্রাসের কারণে নাগরিকদের মধ্যে নিরাপত্তার ধারণা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে নারী এবং শিশুদের জন্য শহরটি তুলনামূলকভাবে নিরাপদ হিসেবে পরিচিত।

সংক্ষেপে

২০২৩ সালের এনসিআরবি রিপোর্ট প্রমাণ করছে যে, কলকাতা টানা চতুর্থবার দেশের নিরাপদতম শহর হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। শহরের প্রতি লক্ষ মানুষের মধ্যে অপরাধের হার ৮৩.৯, যা অন্যান্য বড় শহরের তুলনায় অনেক কম। নারী নির্যাতন এবং যৌন অপরাধের হারও নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। হত্যার মতো গুরুতর অপরাধ কিছুটা বেড়েছে, কিন্তু মোট নিরাপত্তা পরিস্থিতি সন্তোষজনক।

আরও খবর পড়ুন , ফের মুর্শিদাবাদে বিস্ফোরণ, বোমা বাঁধতে গিয়ে আতঙ্ক | বীরভূমে বাজি বিস্ফোরণে জখম যুবক

এই তথ্য শহরবাসীর জন্য স্বস্তি এবং ভবিষ্যতে নিরাপত্তা বাড়ানোর ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করছে।

এনসিআরবি-র রিপোর্টের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, কলকাতা শহরের নিরাপত্তা পরিস্থিতি ক্রমাগত উন্নতি করছে এবং এটি দেশের অন্যান্য শহরের তুলনায় অনেক বেশি নিরাপদ। শহরের নাগরিকরা নিরাপদ এবং শান্তিপূর্ণ জীবন যাপন করতে পারছে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

জল্পনার অবসান: অস্ট্রেলিয়া সফরের জন্য ভারতের ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি দল ঘোষণা

জল্পনার অবসান: অস্ট্রেলিয়া সফরের জন্য ভারতের ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি দল ঘোষণা — Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক
ডিজিটাল ডেস্ক

জল্পনার অবসান! অস্ট্রেলিয়া সফরের জন্য ঘোষণা হল ভারতের ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি দল

Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক | আপডেট: ৪ অক্টোবর ২০২৫ | লেখক: Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক
ভারতীয় ক্রিকেট দল ঘোষণা – শুভমন গিল ও সূর্যকুমার যাদব
ছবি: বিসিসিআই / দল ঘোষণার সময়ের প্রতীকী ছবি।

অবশেষে জল্পনা কণ্টক বিহীনভাবে ঘোষণা হয়ে গেল ভারতীয় ক্রিকেট দলের দুই ফরম্যাটের স্কোয়াড — অস্ট্রেলিয়া সফরের জন্য নির্ধারিত ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি দল। ওয়ানডেতে অধিনায়কত্বের পরিবর্তন ঘটলো; রোহিত শর্মার জায়গায় স্কুয়াডের নেতৃত্বে অভিষিক্ত করা হলো শুভমন গিলকে, আর টি-টোয়েন্টি দলের নেতৃত্বে দায়িত্ব পেয়েছেন সূর্যকুমার যাদব। এই সিদ্ধান্তের ফলে খেলোয়াড়রতিদ্বয় রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলির ভবিষ্যৎ সংক্রান্ত আলোচনায় নতুন তেজ সৃষ্টি হয়েছে।

দলঘোষণা (পূর্ণ স্কোয়াড)
ভারতের ওয়ানডে দল:
  • শুভমন গিল (অধিনায়ক)
  • শ্রেয়স আইয়ার (সহ-অধিনায়ক)
  • রোহিত শর্মা
  • বিরাট কোহলি
  • অক্ষর প্যাটেল
  • লোকেশ রাহুল (উইকেটরক্ষক)
  • নীতীশ কুমার রেড্ডি
  • ওয়াশিংটন সুন্দর
  • কুলদীপ যাদব
  • হর্ষিত রানা
  • মহম্মদ সিরাজ
  • অর্শদীপ সিংহ
  • প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ
  • ধ্রুব জুরেল (উইকেটরক্ষক)
  • যশস্বী জয়সওয়াল
ভারতের টি-টোয়েন্টি দল:
  • সূর্যকুমার যাদব (অধিনায়ক)
  • শুভমন গিল (সহ-অধিনায়ক)
  • অভিষেক শর্মা
  • তিলক বর্মা
  • নীতীশ কুমার রেড্ডি
  • শিবম দুবে
  • অক্ষর পটেল
  • জিতেশ শর্মা (উইকেটরক্ষক)
  • বরুণ চক্রবর্তী
  • জশপ্রিত বুমরাহ
  • অর্শদীপ সিংহ
  • কুলদীপ যাদব
  • সঞ্জু স্যামসন (উইকেটরক্ষক)
  • হর্ষিত রানা
  • রিঙ্কু সিংহ
  • ওয়াশিংটন সুন্দর
কী পরিবর্তন ঘটল — সংক্ষিপ্ত বিশ্লেষণ

সবচেয়ে বড় ঘোষণা হলো — ওয়ানডেতে রোহিত শর্মার অধিনায়কত্ব ছেড়ে শুভমন গিলকে নেতৃত্ব দেওয়া। গিল, যিনি টেস্ট ধারায় ইতিমধ্যে দায়িত্ব সামলেছেন, ওয়ানডেতেও সেই আস্থা পেলেন। রোহিত থাকছেন দলে — যা বোঝায় যে selectors এখনও তাঁর ক্রিকেটীয় মূল্যকে গুরুত্ব দিচ্ছেন; তবে নেতৃত্ব থেকে সরে এসে তিনি প্লেয়ার হিসেবেই অবদান রাখবেন।

বিরাট কোহলিও রয়েছেন ওয়ানডে দলে; এই সিদ্ধান্তটি বিরাটকে আন্তর্জাতিক মর্যাদায় রাখার ইঙ্গিত দেয়। তবু, সংবাদে আলোচনা হচ্ছিল যে কোহলি-রোহিত যুগ ধীরে ধীরে শেষ হচ্ছে — এবং অস্ট্রেলিয়া সফর হয়তো তাদের জন্য বিদায়ের মঞ্চ হতে পারে। এই ঘোষণার সঙ্গে কোচ গৌতম গম্ভীরের 'নতুন প্রজন্ম' গঠনের পরিকল্পনা স্পষ্টতই মিলেছে।

টি-টোয়েন্টিতে সূর্যকুমার যাদবকে অধিনায়ক করা হয়েছে — এটি গত কয়েক সালে এসকে ওয়াই-এর ফর্ম ও নেতৃত্ব দেওয়ার দক্ষতার স্বীকৃতি। বুমরাহকে টি-২০ দলে রাখা হয়েছে, অথচ ওয়ানডেতে তিনি নেই — সম্ভবত শরীর ও ব্যবস্থাপনার কারণে দল নির্ধারণে এমনটা প্রতিফলিত হয়েছে। সবচেয়ে বিশেষ: মহম্মদ শামি কোনো দলেই জায়গা পেলেন না, আর ঋষভ পন্থ চোট থেকে পুরোপুরি সেরে না ওঠায় টিমে নেই।

রোহিত-বিরাট: বিদায়, অবসর বা অন্তর্ভুক্তি — কোন পথে?

ক্রিকেট মহলে সবচেয়ে বড় প্রশ্নটি হচ্ছে — রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলির ভবিষ্যৎ কী হবে? অস্ট্রেলিয়া সফরকে অনেকেই শেষ ওয়ানডে হিসেবে দেখছেন; কারণ পরবর্তী সিরিজগুলোর সরাসরি প্রভাব থাকবে ২০২৭ বিশ্বকাপের প্রস্তুতির উপর। যদি দুই মহাতারকা এখানেই আন্তর্জাতিকভাবে বিদায় ঘোষণা করেন, তাহলে সেটি একটি আবেগঘন মুহূর্ত হবে। কিন্তু যদি তারা না করেন, আগামিকাল তাঁদের জন্য কঠিন হতে পারে — কারণ selectors আগামী বিশ্বকাপ লক্ষ্য করে নতুন সংমিশ্রণ গঠন করছে।

দিকনির্দেশনা: যে কেউ এই সিদ্ধান্ত নিতে পারে — ব্যাক্তিগত স্বাস্থ্যের অবস্থা, পারিবারিক সিদ্ধান্ত, ব্যক্তিগত লক্ষ্য ও দলের প্রয়োজনে মিলিয়ে নেওয়া হয়। জাতীয় বোর্ড ও কোচিং স্টাফ সাধারণত সম্মান ও বিশ্বাস বজায় রেখে দ্রæত সিদ্ধান্ত নেন।

বয়সের দিক থেকেও চিন্তা আছে — বিশ্বকাপ ২০২৭-এ রোহিত প্রায় চার দশকের দেখা ৪০ বছর বয়সী খেলোয়াড় হবেন, আর কোহলি ৩৮ হবে। দীর্ঘ বিরতি ও ফিটনেস পরীক্ষার চাপে তারা আবারও আন্তর্জাতিক ফর্ম ফিরে আনবেন কি না, সেটাই বড় প্রশ্ন। আইপিএল তাদের শেষ প্রতিযোগিতা হিসেবে কাজে এসেছে — যার পরে আন্তর্জাতিক ফিরতি চ্যালেঞ্জ আরও গুরুতর।

নির্বাচক কমিটির মানসিকতা ও কোচ গৌতম গম্ভীরের পরিকল্পনা

বর্তমান নির্বাচক ও কোচিং স্টাফের কৌশল পরিষ্কার — ২০২৭ বিশ্বকাপ লক্ষ্য করে 'নতুন প্রজন্ম' তৈরি করা। শুভমন গিলকে ওয়ানডেতে নেতৃত্ব দেওয়া সেই কৌশলের অংশ। গৌতম গম্ভীর—যিনি অধিনায়ক নির্বাচন ও দলের মেন্টালিটি গঠনে উদ্যোগী—তাঁর পরিকল্পনা টেস্ট-ওয়ানডে-টি-২০-র মধ্যে সামঞ্জস্য রেখে এক নতুন পাথর স্থাপন করা।

গম্ভীরের সঙ্গে রোহিত-বিরাটের সম্পর্ক নিয়ে অনভিপ্রেত সমালোচনা সংবাদপত্রে আলোচিত হলেও বোর্ড-টিম ম্যানেজমেন্ট সম্ভবত ঐতিহ্য ও ভবিষ্যৎ, দু'টির মধ্যে ভারসাম্য রাখতে চেয়েছে। নতুন নেতৃত্ব ও অভিজ্ঞতার সংমিশ্রণ রাখা হয়েছে — যাতে দলান্তরে অভিজ্ঞতা ও নবীন উদ্যম একসাথে কাজ করতে পারে।

কিনা-কিনা অনুপস্থিতি লক্ষণীয়?

কয়েকটি নাম অনুপস্থিতি কায়দা মতো চোখে পড়ে — মহম্মদ শামি ও ঋষভ পন্থ। শামির অনুপস্থিতি বিস্ময়ের কারণ, কারণ অভিজ্ঞতা ও বল গতির কারণে তিনি দীর্ঘদিন দলের নির্ভরযোগ্য সদস্য ছিলেন। সম্ভবত তরুণ পেসারদের ভিত্তিতে দল সাজাতে নির্বাচন কর্তৃপক্ষ এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ঋষভ পন্থের চোটের কারণে তাকে রাখা হয়নি; এটি স্পষ্ট যে ফিটনেস ও রিকভারির ওপর জোর দিতে হবে যাতে ভবিষ্যতে তিনি আন্তর্জাতিক মঞ্চে ফিরে আসতে পারেন।

অন্যদিকে জশপ্রিত বুমরাহ টি-টোয়েন্টি দলের জন্য ডাক পেয়েছেন — বোঝা যায় যে শরীরগত পরিস্থিতি ও ঈগল-শিক্ষার মত নির্দিষ্ট ব্যবস্থাপনা অনুযায়ী তাকে সংরক্ষণ করা হয়েছে। ওয়ানডে দলে বুমরাহ না থাকায় পেস আক্রমণে ভিন্ন রূপ দেখা যাবে; যেখানে সিরাজ, অর্শদীপ, প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ ইত্যাদি পেসারদের উপর নির্ভরতা বাড়বে।

ফ্যান ও মিডিয়ার সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়া

সামাজিক প্ল্যাটফর্ম ও মিডিয়ায় নিশ্চিতভাবেই আলোচনার ঝড় উঠবে — বিশেষ করে রোহিত-বিরাট সম্পর্কে। তাদের দুই মহাতারকাকে ‘বিদায়’ দেওয়ার প্রক্রিয়া নিয়ে সমালোচনা ও প্রশংসা, উভয়ই দেখা যাবে। কিছুর মধ্যেই মনে রাখতে হবে — বাইশ গজের বাইরে আমাদের আবেগ কিন্তু খেলার সিদ্ধান্তে সরাসরি প্রভাব ফেলার মতো নয়; তবে জনমতের সম্মান বজায় রেখে বোর্ডের সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।

শুভমন গিলের নেতা হিসেবে অভিষেককে অনেকেই উৎসাহ দেবে; কারণ নতুন প্রজন্মের আবেগ, ট্যালেন্ট ও ফ্রেশ এনার্জিকে তারা সমর্থন করবে। সূর্যকুমারকে টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক করা দলের স্বাধীনতা ও ক্রিয়েটিভিটি বাড়াতে পারে; তিনি খেলার নতুন রং দেন—এভাবেই দল আরও আক্রমণাত্মক হতে পারে।

অস্ট্রেলিয়া সফরের সম্ভাব্য প্রভাব — দীর্ঘ দৃষ্টিতে

অস্ট্রেলিয়া যখন মাঠে, তখন ভরসা ও মানসিক চাপ পরীক্ষা হয়। যদি এটি রোহিত-বিরাট যুগের শেষ উইন্ডো হয়, তাহলে টিম ম্যানেজমেন্টকে অবশ্যই এমন সম্বর্ধনা ও মর্যাদা দিতে হবে যাতে দুই কিংবদন্তি ক্রিকেট জীবনে শান্ত ও সম্মানজনক বিদায় পায়। অন্যদিকে, নতুন নেতৃত্বের সফলতা যদি দেখা দেয় — তাহলে ২০২৭ বিশ্বকাপের জন্য ভারত শক্তশালী কোর গড়ে তুলতে পারবে।

সিরিজে শুভমন গিল ও সূর্যকুমার যাদবের নেতৃত্বদানের ফলাফল কেবল অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে নয়, বরং পরবর্তী দক্ষিণ আফ্রিকা, নিউজিল্যান্ড ও ইংল্যান্ডের সেন্সিটিভ সিরিজেও প্রতিফলিত হবে। জাতীয় দল যদি এখানে ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারে, তবে বিশ্বকাপের পথ সুগম হবে; অন্যথায় দ্রুত পুনর্গঠন প্রয়োজন হবে।

প্রযুক্তিগত ও কৌশলগত দিক — কী পরিবর্তন দেখা যেতে পারে?

ওয়ানডেতে নতুন অধিনায়ক হিসেবে শুভমন গিল কিভাবে দলের ব্যাটিং ক্রম নির্ধারণ করবেন, ফিল্ডিং প্ল্যান কেমন হবে, স্পিন-পেস ব্যালেন্স কিভাবে রাখা হবে—এসব গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। গিল নিজের আগ্রাসী ব্যাটিং স্টাইলকে নেতৃত্বে অনুবাদ করতে চাইবেন; কিন্তু তিনি কি ক্ষণস্থায়ী চাপ সামলাতে পারবেন? সহ-অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ারের কন্ট্রোল ও কৌশলগত সমর্থন জরুরি হবে।

টি-টোয়েন্টিতে সূর্যকুমার অধিনায়ক হিসেবে খেললে দল আরও উদ্ভাবনী পরিকল্পনা চালাবে—ছোট-খেলা পিচ ও গতি-সামঞ্জস্যে দল দ্রুততা বাড়াতে পারবে। বোলিং ইউনিটে বুমরাহের উপস্থিতি টি-২০-তে শক্তি যোগ করবে; তবে ভারসাম্য রাখতে স্থানীয় কন্ডিশনে পরিবর্তিত পেস-স্পিন সংমিশ্রণের উপর নির্ভর করতে হবে।

সংক্ষিপ্ত উপসংহার

অস্ট্রেলিয়া সফরের জন্য দল ঘোষণায় ভারতীয় ক্রিকেট এখন পরিবর্তনের পথে। শুভমন গিল ও সূর্যকুমারের নেতৃত্বে নতুন অধ্যায় শুরু হতে যাচ্ছে। রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলির ভবিষ্যৎ ঝুলে আছে—তারা কি সম্মানজনকভাবে বিদায় নেবেন, নাকি আরও কিছু বছর খেলবেন—সে সিদ্ধান্ত ব্যক্তিগত ও টিম-স্তরের বিবেচ্য বিষয়। তবে একটাই নিশ্চয়তা — ২০২৭ বিশ্বকাপের দিকে দৌড় শুরু হয়ে গেছে, এবং এই দৌড়ে নতুন প্রজন্মকে সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।

Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক ভবিষ্যত সংবাদ ও বিশ্লেষণের জন্য অপেক্ষা করবে—অস্ট্রেলিয়া সিরিজ, খেলোয়াড়দের প্রতিক্রিয়া ও বোর্ড ঘোষণা অনুযায়ী আমরা সময়মতো আপডেট দেব।

লেখক: Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক
আপডেট: ৪ অক্টোবর ২০২৫
কপিরাইট মুক্ত কন্টেন্ট — Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক থেকে পুনঃপ্রকাশ করার পূর্বে উৎস হিসেবে ক্রেডিট প্রদান করুন।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

ফের মুর্শিদাবাদে বিস্ফোরণ, বোমা বাঁধতে গিয়ে আতঙ্ক | বীরভূমে বাজি বিস্ফোরণে জখম যুবক

ফের মুর্শিদাবাদে বিস্ফোরণ, বোমা বাঁধতে গিয়ে আতঙ্ক | বীরভূমে বাজি বিস্ফোরণে জখম যুবক

ফের মুর্শিদাবাদে বিস্ফোরণ, নিখোঁজ ওসমান বিশ্বাস — আতঙ্কে রেজিনগর

মুর্শিদাবাদ বিস্ফোরণ স্থান

ডিজিটাল ডেস্ক, মুর্শিদাবাদ: ফের মুর্শিদাবাদে বোমা বিস্ফোরণ। অভিযোগ, বোমা বাঁধতে গিয়েই ঘটে এই বিস্ফোরণ। ঘটনাস্থল থেকে নিখোঁজ এক ব্যক্তি — যার নাম ওসমান বিশ্বাস। শুক্রবার রাতে রেজিনগর থানা এলাকার ছেতিয়াণীতে ঘটে এই বিস্ফোরণ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বোমা বাঁধার কাজের জন্য রেজিনগর থানা এলাকার তকিপুর গ্রামের বাসিন্দা ওসমান বিশ্বাস ছেতিয়াণীতে এসেছিলেন। বোমা তৈরির প্রক্রিয়ার মধ্যেই বিস্ফোরণ ঘটে। তীব্র শব্দে গোটা এলাকা কেঁপে ওঠে। পরে দেখা যায়, বিস্ফোরণের ধাক্কায় আশেপাশের ঘরের কাচ ভেঙে গিয়েছে। কিন্তু ঘটনাস্থলে ওসমান বিশ্বাসকে পাওয়া যায়নি। পরিবারের দাবি, ওসমান বিস্ফোরণে মারা গিয়েছেন, তবে এখনও পর্যন্ত তাঁর দেহ উদ্ধার হয়নি।

রাতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় পুলিশ। রেজিনগর থানার তদন্তকারীরা এলাকায় তল্লাশি চালাচ্ছেন। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, বোমা বাঁধার সময় অতিরিক্ত তাপমাত্রার কারণে বিস্ফোরণ ঘটে। যদিও ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং তদন্তে ফরেনসিক দলকেও ডাকা হয়েছে।

তথ্যবক্স:
📍 ঘটনাস্থল: ছেতিয়াণী, রেজিনগর, মুর্শিদাবাদ
🕒 সময়: শুক্রবার রাত
👤 নিখোঁজ: ওসমান বিশ্বাস, তকিপুর গ্রামের বাসিন্দা
🚓 তদন্ত: রেজিনগর থানার পুলিশ ও ফরেনসিক দল

বীরভূমে বিজয়ার রাতে আতঙ্ক — ভিলেজ পুলিশের ছোঁড়া বাজিতে জখম যুবক

বীরভূম বাজি বিস্ফোরণ

অন্যদিকে, দুর্গা পুজোর বিসর্জনের আনন্দ মুহূর্তেই পরিণত হল আতঙ্কে। বীরভূমের মারগ্রামে বৃহস্পতিবার রাতে ঘটে এই ঘটনা। অভিযোগ, শোভাযাত্রা চলাকালীন ভিলেজ পুলিশের এক সদস্য প্রতিমা নিরঞ্জন দেখতে আসা এক যুবকের মুখের দিকে নিষিদ্ধ বাজি ছুঁড়ে দেয়। সেই বাজি মুখেই ফেটে যায়, গুরুতর জখম হন যুবক।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চাঁদপাড়া গ্রামে প্রতিমা নিরঞ্জন চলছিল। ভিড়ের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন হেমন্ত বাগদি নামে এক যুবক ও তাঁর স্ত্রী। সেই সময়েই এক ভিলেজ পুলিশ একটি ‘চকোলেট বোম’ তাঁর মুখে ছুঁড়ে দেয়। মুহূর্তেই বাজিটি ফেটে গিয়ে রক্তাক্ত হন যুবক। তাঁকে তড়িঘড়ি রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে স্থানান্তরিত করা হয় বর্ধমান মেডিক্যালে। বর্তমানে তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক।

স্থানীয়দের দাবি, এই বাজিটি সাধারণ নয়, নিষিদ্ধ বাজি। প্রশ্ন উঠেছে, ভিলেজ পুলিশের হাতে এমন বিপজ্জনক বাজি এল কীভাবে। ঘটনার পর থেকেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযুক্ত ভিলেজ পুলিশকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ। প্রশাসন জানিয়েছে, এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বীরভূম ঘটনার মূল তথ্য:
📍 স্থান: চাঁদপাড়া, মারগ্রাম, বীরভূম
👤 আহত: হেমন্ত বাগদি
🚓 অভিযুক্ত: স্থানীয় ভিলেজ পুলিশ
⚠️ অবস্থা: আশঙ্কাজনক, বর্ধমান মেডিক্যালে চিকিৎসাধীন
📰 প্রতিবেদন: Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো | 📅 হালনাগাদ: ৪ অক্টোবর ২০২৫
#মুর্শিদাবাদ #বিস্ফোরণ #ওসমানবিশ্বাস #বীরভূম #বাজিবিস্ফোরণ #ভিলেজপুলিশ #পশ্চিমবঙ্গখবর

Featured post

Y বাংলা ব্যুরো: ভোটার তালিকা সংশোধনে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডে না নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা সংশোধন (SIR, ২০২৬) প্রক্রিয়ায় ম...

Search This Blog