Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Wednesday, 8 October 2025

মৌসম নুর: তৃণমূল ছাড়ছেন কি? — মালদা রাজনীতিতে জল্পনা

মৌসম নুর: তৃণমূল ছাড়ছেন কি? — মালদা রাজনীতিতে জল্পনা

মৌসম নুর: তৃণমূল ছাড়ছেন কি? — মালদা রাজনীতিতে জোরালো জল্পনা

মালদা, 8 অক্টোবর 2025 • রিপোর্ট: Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক
মৌসম নুর — মালদা
মালদা কেন্দ্রে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে রাজ্যসভার সাংসদ মৌসম নুর (ফাইল ছবি)

দুর্গাপুজো শেষ হতেই মালদার রাজনৈতিক বাতাসে নতুন এক গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে — রাজ্যসভার সাংসদ মৌসম নুর কি তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে ফের কংগ্রেসে ফিরে আসছেন? স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্মে এ নিয়ে আলোচনা তীব্র। যদিও মৌসম নিজে বারবার বলেছেন, তিনি তৃণমূলে একনিষ্ঠ ও দলের নির্দেশ মেনে কাজ করে যাবেন, তবুও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা এই সময়ে থাকা তাঁর গতিবিধি ও পারিবারিক পটভূমি বিশ্লেষণ করে সম্ভাব্য কৌশল দেখছেন।

মৌসম নুরের রাজনৈতিক যাত্রা প্রথাগত ও পারিবারিকভাবে গড়া। তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন নিয়ে পড়াশোনা করেছিলেন। রাজনীতিতে প্রবেশের আগেই তাঁর পরিবার মালদার প্রভাবশালী রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য হিসেবে পরিচিত। মা রুবি নুর কংগ্রেস থেকে বিধায়ক ছিলেন — সেই ঐতিহ্যই মৌসমকে ঘিরে ভালো যোগাযোগ গড়ে তোলে। ২০০৮ সালে মায়ের মৃত্যুর পরে তিনি সুজাপুর কেন্দ্রে উপনির্বাচন জিতে বিধায়ক হন; পরবর্তীকালে ২০০৯ সালে লোকসভায় জয়ী হন এবং মানুষের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগের মর্যাদা লাভ করেন।

সংক্ষেপে:
  • মৌসম নুর — প্রাক্তন কংগ্রেস কার্যকারী, ২০১৯-এ তৃণমূলে যোগদান।
  • ২০২০-তে তৃণমূলের নির্দেশে রাজ্যসভার সাংসদ হন।
  • আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জল্পনা ও কংগ্রেসের 'ওদার উন্মুক্ত' ঘোষণা দৃশ্যমান।

২০১৯ সালে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর থেকে মৌসম মালদা জেলার তৃণমূল কাঁধে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর আমলেই মালদায় তৃণমূল প্রথমবার বিধায়ক আসনে জয়ী হয় বলে দলের কount করে। কিন্তু লোকসভা এবং পরবর্তী নির্বাচনে তার ফলাফল মিশ্র ছিল; মাঝে বিজেপি প্রার্থী খগেন মুর্মুর বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং হারও ছিল। ২০২০-এ তৃণমূল নেতৃত্ব তাঁকে রাজ্যসভার সংসদ সদস্য (Rajya Sabha MP) হিসেবে দিল্লি পাঠায় — সেই পদে থাকাকালীন তিনি কেন্দ্রীয় স্তরে রাজনৈতিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন।

এই সময়ে রাজনৈতিক সমালোচনার এক অংশ ছিল — লোকসভা কেন্দ্রের নির্বাচন এবং তৃণমূলে যোগদানের পর তাঁর স্থানীয় গ্রহণযোগ্যতা কিছুটা প্রশ্নবিদ্ধ। পার্টির জেলা নেতৃত্বের পদ থেকে সরিয়ে রাখা হওয়াও তাঁর রাজনীতির একটি প্রবণতা নির্দেশ করে। এসব প্রেক্ষিতে রাজনৈতিক মহলের ধারণা, রাজ্যসভার মেয়াদ শেষ হলে — যা আগামী মার্চে হবে — তাঁর সেলফ-রিইনভেনশনের সুযোগ থাকতে পারে।

অন্যদিকে কংগ্রেস জেলা সভাপতি ইশা খান চৌধুরির মন্তব্যও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। তিনি জানিয়েছেন, যারা তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দিতে চান, তাদের কাছে দরজা খোলা রয়েছে। ইশার কড়া বক্তব্যের এক দিক হলো — স্থানীয় পর্যায়ে কংগ্রেস পুনরায় শক্তি সঞ্চয় করছে এবং প্রয়োজনে যারা ফিরে আসতে চান তাদের স্বাগত জানাবে।

মৌসম নিজে সাংবাদিকদের বলেছেন, তিনি তৃণমূলে আছেন, দলের যে দায়িত্ব দেওয়া হবে তা তিনি পালন করবেন এবং বর্তমানে তাঁকে দলের তরফে কোনও সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। এই ধরনের বক্তব্য অনেকে 'দলীয় নিয়মানুস্য' হিসেবে দেখলেও স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষণ আরও সূক্ষ্ম: অনেক ক্ষেত্রেই রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা পার্টি বদলে দলগত স্থান ও নির্বাচনী সুযোগ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেন তখনই যখন স্থানীয় রাজনৈতিক পরিবেশ ও ভোটার সমর্থন সে পথে ঠেকায়।

স্থানীয় নেতাদের কথায়, মৌসমের মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ এখনও আছে — গলিসরকারি অনুষ্ঠানে উপস্থিতি, সামাজিক কার্যক্রম ও জনসংযোগ বেড়েছে। এটাই ইঙ্গিত দেয় যে তিনি নিজের রাজনৈতিক সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছেন। একই সঙ্গে কংগ্রেসের উন্মুক্ত নামা-নেওয়া নীতির কারণে অনেকেই মনে করছেন, যদি মৌসম কংগ্রেসে ফিরে যান, তা মালদা রাজনৈতিক মানচিত্রে বড় ধরনের তরঙ্গ তৈরি করবে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, বোর্ডের নম্বর নির্ভর করবে প্রধানত তিনটি বিষয়ের উপর — (১) মৌসমের নিজস্ব জনপ্রিয়তা এবং মাঠে তার সমর্থন, (২) তৃণমূলে তার অবস্থান ও ভবিষ্যৎ প্রস্তাবনা, এবং (৩) কংগ্রেসের স্থানীয় কৌশল ও ক্ষমতা পুনরুজ্জীবনের ষড়যন্ত্র। যেকোনও সিদ্ধান্তই নির্বাচনী ফলাফলে প্রভাব ফেলবে এবং ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের আগে গণনাগত ভাবে গুরুত্ব পাবে।

প্রভাব:
  • মৌসম কংগ্রেসে ফিরে গেলে মালদা-নগর ও মালদা উত্তর কেন্দ্রে কংগ্রেসের শক্তি বৃদ্ধি পেতে পারে।
  • তৃণমূলের স্থানীয় দলে শূন্যতা তৈরি হতে পারে, বিশেষ করে ওই অঞ্চলে সামনের নির্বাচনী প্রার্থী তালিকা পরিকল্পনায় বিশৃঙ্খলা দেখা দিতে পারে।
  • রাজ্যের সামগ্রিক রাজনীতিতে এ ধরনের দলে নাম 변경 বাতাস আরও বাড়াবে এবং রাজনৈতিক আলাপ-আলোচনার সূর তৈরি করবে।

ফলে এখনকার অবস্থায় প্রতিটি পক্ষই সংযত পদক্ষেপ নিচ্ছে। মৌসম স্পষ্ট করে বলছেন, “দল যদি দায়িত্ব দায়, আমি করব,” আর কংগ্রেস বলছে — দরজা খোলা। মাঠের রাজনীতি, ভোটার-আচরণ এবং দলে থাকা কৌশলই চূড়ান্ত নিয়ামক হবে।

কপিরাইট অবস্থা: এই প্রতিবেদটি কপিরাইট-মুক্ত (Public Domain / CC0) হিসেবে প্রকাশ করা হলো — আপনারা এটি অনায়াসে কপি, সম্পাদনা ও পুনঃপ্রকাশ করতে পারবেন। প্রস্তুতকারক: Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক।
আপডেট: ৮ অক্টোবর ২০২৫ • রিপোর্টার: Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক •

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

সব বিষয়ে অমিত শাহকে ভরসা করবেন না — বেশি বিশ্বাস করলে মীরজাফরের মতো পরিণতি হতে পারে”: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

“সব বিষয়ে অমিত শাহকে ভরসা করবেন না — বেশি বিশ্বাস করলে মীরজাফরের মতো পরিণতি হতে পারে”: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় | Y বাংলা

“সব বিষয়ে অমিত শাহকে ভরসা করবেন না — বেশি বিশ্বাস করলে মীরজাফরের মতো পরিণতি হতে পারে”: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

• Kolkata
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিমানবন্দরে সংবাদদাতাদের সঙ্গে
কলকাতা বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় — ছবি: পরিবর্ধন/ফাইল (যদি ব্যবহার করেন, অনুগ্রহ করে উপযুক্ত ক্রেডিট প্রদান করুন)

কলকাতাঃ বছর ঘুরলেই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। ইতিমধ্যেই রাজ্যজুড়ে চড়তে শুরু করেছে ভোটের উত্তাপ। বাড়ছে রাজনৈতিক বাকযুদ্ধ। তাঁরই মধ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে উদ্দেশ্য করে এক বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সরাসরি নাম না-করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে নিশানা করলেন তিনি — “সব বিষয়ে অমিত শাহকে ভরসা করবেন না। বেশি বিশ্বাস করলে মীরজাফরের মতো পরিণতি হতে পারে।”

সংক্ষিপ্ত সারাংশ
  • মুখ্যমন্ত্রী মন্তব্য করেন কলকাতা বিমানবন্দরে, উত্তরবঙ্গ পরিদর্শনের পরে।
  • তিনি নির্বাচন কমিশন ও কেন্দ্রীয় প্রশাসনকেও কড়া আক্রমণ করেন।
  • ত্রিপুরায় তৃণমূলের অফিসে হামলা ও প্রতিনিধি দলকে আটকে রাখার ঘটনায় তিনি ক্ষোভ ব্যক্ত করেছেন।

বুধবার দুপুরে উত্তরবঙ্গ থেকে ফেরার পথে কলকাতা বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমি দুঃখিত এই কথা বলতে হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীকে বলব, অমিত শাহকে ভরসা করবেন না। উনিই সবচেয়ে বড় মীরজাফর।” তিনি আরও বলেন, “আমি বলতে চাই — সব বিষয়ে অমিত শাহকে ভরসা করবেন না। বেশি বিশ্বাস করলে মীরজাফরের মতো পরিণতি হতে পারে।”

নির্বাচন কমিশনের একটি নির্দেশিকা ঘিরে মমতা তীব্র কটাক্ষ করেন। সংশ্লিষ্ট নির্দেশে অভিযোগ পেলে ১৫ দিনের মধ্যে এসআইআর (SIR) দাখিল করার কথা বলা হয়েছে — এই প্রসঙ্গ টেনে তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘কমিশন কি বিজেপির কথা মতো চলছে?’ এবং বলেন, “মনে হচ্ছে, উনিই এখন অ্যাকটিং প্রাইম মিনিস্টার।”

একই সঙ্গে ত্রিপুরার ঘটনা নিয়ে ক্ষোভ উগরে তিনি বলেন, “ত্রিপুরায় আমাদের টিমকে প্রিপেড ট্যাক্সি দেওয়া হয়নি; বাধ্য হয়ে আমি হেঁটে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছি।” মঙ্গলবার আগরতলায় তৃণমূল কংগ্রেসের অফিসে হামলার ঘটনাকে তিনি কেন্দ্রীয় বা স্থানীয় ক্ষমতাসীন দলের সমর্থিত দুষ্কৃতীদের দ্বারা সংঘটিত বলে অভিযুক্ত করেন এবং বলেন, “আমরা ভয় পাই না। বাংলার তৃণমূল কর্মীরা মাথা নোয়াবে না।”

প্রসঙ্গত, ত্রিপুরায় মঙ্গলবার তৃণমূল কংগ্রেসের অফিস ভাঙচুর এবং দলের প্রতিনিধি দলকে বিমানবন্দরে আটকে রাখার অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ অনুসারে গাড়ির বদলে মাত্র একটি গাড়ি দেওয়া হয় ও প্রিপেড ট্যাক্সি বুক করতেও বাধা দেওয়া হয় — ফলে দল ধর্না ও পায়ে হেঁটে তাদের কার্যালয়ের উদ্দেশে রওনা দেয়।

কপিরাইট অবস্থান:

এই নিবেদনটি কপিরাইট-মুক্ত (Public Domain / CC0) হিসেবে প্রকাশ করা হলো — আপনি এটি কপি, বিতরণ, পুনঃব্যবহার বা সম্পাদনা করতে পারেন কোনো সীমাবদ্ধতা ছাড়াই। (প্রকাশক: ফারিয়া ইসলাম)

আপডেট: 8 অক্টোবর 2025 • প্রকাশক: ফারিয়া ইসলাম
নোট: প্রধান বক্তব্য এবং ঘটনাবলী প্রতিবেদক কর্তৃক সংগ্রহ করা হয়েছে। ছবির ক্রেডিট ব্যবহার করলে অনুগ্রহ করে উৎসের নাম প্রদান করুন।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

এসএসসি 'দাগিদের' তালিকা জনসমক্ষে আনছেন কেন না; সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ

এসএসসি 'দাগিদের' তালিকা জনসমক্ষে আসে কেন না; সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ

‘দাগিদের’ তালিকা জনসমক্ষে নেই কেন? — সুপ্রিম কোর্ট এসএসসি ও রাজ্যকে প্রশ্ন

শ্রেণি: শিক্ষা ও বিচার
স্থান: কলকাতা/সুপ্রিম কোর্ট
এসএসসি তালিকা সম্পর্কিত আদালত ছবি
ফাইল ছবি: সুপ্রিম কোর্টে স্বরাষ্ট্র বিষয়ক শোনা—এসএসসি ও রাজ্যের বিরুদ্ধে প্রশ্ন করা হয়। (ছবি: প্রতিনিধি)
সুপ্রীম কোর্ট বুধবার এসএসসি ও রাজ্যকে জিজ্ঞাসা করে—কেন 'দাগি' (tainted) প্রার্থীদের তালিকা জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয়নি। আদালত দ্রুত তালিকা প্রকাশের নির্দেশ দেয়; পরবর্তী শুনানি নির্ধারিত হয়েছে ২১ নভেম্বর।

শীর্ষ আদালতে এসএসসির পক্ষে উপস্থিত আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কমিশন তালিকা জনগণের সামনে নিয়ে আসতে প্রস্তুত; পরীক্ষা চলাকালীন চাপ থাকায় তা সময়মতো দেওয়া সম্ভব হয়নি। বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন, পরীক্ষার্থীদের OMR কপি তারা সরবরাহ করেছে এবং মডেল আনসার শিট প্রকাশ করা হয়েছে। কমিশন আশা প্রকাশ করেছে—নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ফলাফল প্রকাশ করা যাবে যদি সব ব্যবস্থা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা হয়।

আদালত পর্যবেক্ষণ করেছে—যদি সবকিছু সুষ্ঠুভাবে করা যায়, তবে আদালত খুশি হবে। মামলার পরবর্তী শুনানি ধার্য করা হয়েছে ২১ নভেম্বর।

সংক্ষিপ্ত তথ্যবক্স
নবম-দশমে আবেদন
৩,১৯,৯৬১ জন আবেদন করেছিলেন
পরীক্ষায় বসেছিলেন: ২,৯৩,১৯২ জন
একাদশ-দ্বাদশে আবেদন
২,৪৬,৫৪৩ জন আবেদন করেছিলেন
পরীক্ষায় বসেছেন: ২,২৯,৪৯৭ জন
অ্যাকশন
রাজ্য দাগিদের অ্যাডমিট কার্ড বাতিল করেছে; পরীক্ষায় বসতে দেওয়া হয়নি

এসএসসির প্রকাশিত তালিকায় যাদের ‘দাগি’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে তাদের মধ্যে অনেকে ভিন্নরাজ্য থেকেও পরীক্ষায় অংশ নেয়ার চেষ্টা করেছিলেন। রাজ্যের আইনজীবী কপিল সিব্বলও আদালতে জানিয়েছে—চিহ্নিত প্রার্থীদের অ্যাডমিট কার্ড বাতিল করা হয়েছে এবং তাদের পরীক্ষায় বসতে দেওয়া হয়নি।

এই ব্যাপারে আদালত আগেও এসএসসিকে নির্দেশ দিয়েছিল যে, যারা ২০১৬ সালের পুরনো চাকরিপ্রক্রিয়ায় অনিয়মের সঙ্গে জড়িত — তাদের পরিচয়-তথ্য প্রকাশ করা হোক, যাতে নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কেউ অনিয়ম করে প্রবেশ না করতে পারে। এসএসসি আদালতের নির্দেশে আগের শুনানিতে তালিকা শীর্ষ আদালতের সামনে উপস্থাপন করেছিল; বর্তমানে তা জনসমক্ষে আনার নির্দেশ দেয়া হয়েছে এবং এসএসসি/রাজ্য এতে আপত্তি জানায়নি।

কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতে জানিয়েছেন যে — আবেদনকারীদের OMR কপি দেওয়া হয়েছে এবং মডেল আনসার শিট (model answer sheets) প্রকাশ করা হয়েছে; ফলাফল প্রকাশে কমিশনের আশা নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে। তবে আদালত যদি সবকিছু সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন না দেখে, সে ক্ষেত্রে নির্দেশ অনুযায়ী কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

পশ্চিমবঙ্গ School Service Commission (SSC)–এর এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর একাধিক মামলা উঠে। মামলাগুলোর শুনানি সুপ্রিম কোর্টে চলছে এবং শীর্ষ আদালত ইতিমধ্যেই কিছু নির্দেশ জারি করেছে।


📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

ত্রিপুরার বনমালীপুরে তৃণমূল সদর দফরে হামলা: বিজেপি লুম্পেনরাজের অভিযোগ

ত্রিপুরার বনমালীপুরে তৃণমূল সদর দফরে হামলা: বিজেপি লুম্পেনরাজের অভিযোগ

ত্রিপুরার বনমালীপুরে তৃণমূল সদর দফরে হামলা: বিজেপি লুম্পেনরাজের অভিযোগ

ত্রিপুরার বনমালীপুরে তৃণমূল সদর দফরে হামলা

ডিজিটাল ডেস্ক: ত্রিপুরার বনমালীপুরে মঙ্গলবার তৃণমূলের সদর দফরে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি প্রশ্নের মুখে। তৃণমূল অভিযোগ করেছে, হামলার নেপথ্যে বিজেপি নেতা ও জনপ্রতিনিধিরা রয়েছেন। মন্ত্রী শশী পাঁজা এবং তৃণমূল মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তী এই ঘটনা উদ্ভাসিত করেছেন ছবি ও তথ্য দিয়ে। তৃণমূলের মতে, বিজেপি নিজের রাজ্যেই লুম্পেনরাজকে নিজস্বভাবে স্বীকৃতি দিচ্ছে।

ঘটনাটি বনমালীপুরে ঘটে, যা ত্রিপুরার বড় ফ্লপ মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের নির্বাচনী কেন্দ্র। শশী পাঁজা জানান, ওই এলাকায় তৃণমূলের সদর দফরে হামলার সময় পুলিশ নীরব দর্শক ছিল। পুলিশ কোনও বাধা দেয়নি, যা ডবল ইঞ্জিন সরকারের স্বৈরাচারী শাসনের প্রমাণ।

তৃণমূলের মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তীর বক্তব্য: “বিজেপি নিজের লুম্পেনরাজকে নিজেরাই অ্যাটেস্ট করেছে। হামলার ঘটনায় উপস্থিত ছিলেন ভিকি প্রসাদ, বিশালগড় বিধানসভার বিধায়ক সুশান্ত দেব এবং আগরতলা সদর জেলা সভাপতি অসীম ভট্টাচার্য। তারা সরাসরি ভাঙচুরে অংশ নিয়েছেন। এই কার্যকলাপের মাধ্যমে রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।”

অরূপ চক্রবর্তী আরও বলেন, “বিজেপি তৃণমূলের বিরুদ্ধে প্ররোচনা চালাচ্ছে। বাংলার তৃণমূল সরকার এখনও গান্ধীবাদের পথ অনুসরণ করছে, তবে উস্কানির ধারাবাহিকতা থাকলে নেতাজির পথ গ্রহণে সময় লাগবে না। বাংলায় কোনও তৃণমূল কার্যালয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তা প্রতিহত করেন, কিন্তু ত্রিপুরায় তা ঘটে, পুলিশ নিষ্ক্রিয়।”

শশী পাঁজা এবং অরূপ চক্রবর্তী ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করে দেখিয়েছেন, কিভাবে বিজেপি নেতা ও জনপ্রতিনিধিরা সরাসরি হামলায় যুক্ত। ছবিতে দেখা যায়, ভিকি প্রসাদ, সুশান্ত দেব এবং অসীম ভট্টাচার্য দফরে উপস্থিত থেকে হামলায় প্ররোচনা দিচ্ছেন। এই ঘটনা প্রমাণ করছে, বিজেপি নিজের রাজ্যেই স্ব-সার্টিফায়েড লুম্পেনরাজ প্রতিষ্ঠা করছে।

ত্রিপুরার বনমালীপুরে এই হামলার মাধ্যমে স্পষ্ট হয়ে গেছে, ডবল ইঞ্জিন সরকারের রাজ্যে রাজনৈতিক সহিংসতা, আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং প্রশাসনের ব্যর্থতা বিদ্যমান। তৃণমূল নেতা ও মুখপাত্ররা সতর্ক করেছেন, বাংলায় গান্ধীবাদের নীতি অনুসরণ করে হলেও, উস্কানির ধারাবাহিকতা থাকলে তা নেতাজির পথেও রূপান্তরিত হতে পারে।

অরূপ চক্রবর্তী সংবাদ সম্মেলনে বলেন, তৃণমূল নেতা-কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। রাজনৈতিক সহিংসতা এবং প্রশাসনের উদাসীনতার কারণে রাজ্যের সাধারণ মানুষও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন। এই ঘটনার পর ত্রিপুরায় আইনশৃঙ্খলা এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপর সর্তক দৃষ্টি রাখতে হবে।

প্রকাশক: সালমা মন্ডল | Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো
আপডেট: ৮ অক্টোবর ২০২৫

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

ত্রিপুরায় তৃণমূল প্রতিনিধি দল বিমানবন্দরে আটকা, গণতন্ত্রহীন অভিযোগ

ত্রিপুরায় তৃণমূল প্রতিনিধি দল বিমানবন্দরে আটকা, গণতন্ত্রহীন অভিযোগ

ত্রিপুরায় তৃণমূল প্রতিনিধি দল বিমানবন্দরে আটকা, গণতন্ত্রহীন অভিযোগ

ত্রিপুরায় তৃণমূল প্রতিনিধি দল বিমানবন্দরে আটকা

ডিজিটাল ডেস্ক: ত্রিপুরার বিজেপি সরকারের স্বৈরাচারী আচরণের বিরুদ্ধে আবারও অভিযোগ উঠল। বুধবার, তৃণমূলের সাত সদস্যের প্রতিনিধি দল আগরতলা বিমানবন্দরে পৌঁছার পরই আটকা পড়ে। তাদের উদ্দেশ্য ছিল ত্রিপুরার তৃণমূল নেতা-কর্মীদের সঙ্গে দেখা করা এবং তাদের পাশে দাঁড়ানো। কিন্তু পুলিশ বিমানবন্দর থেকে বাইরে বের হতে দেয়নি।

ত্রিপুরা তৃণমূলের অভিযোগ, দলীয় সদর দফতর ভাঙচুর করা হয়েছে, কর্মীদের মারধর করা হয়েছে। প্রতিনিধি দল বিমানবন্দরের বাইরে অবস্থান নিয়ে প্রতিবাদ শুরু করেছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ মানিক সাহা প্রশাসন আইনশৃঙ্খলার আড়াল দেখিয়ে বিমানবন্দর থেকে বের হতে বাধা দিচ্ছে।

তৃণমূলের কুণাল ঘোষের বক্তব্য: “যে গাড়ি আমাদের নিতে এসেছিল, তার চালকদের হুমকি দিয়ে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রিপেড ট্যাক্সি বুক করলেও গাড়ি ভাড়া দেওয়া হয়নি। পুলিশ স্পষ্ট জানিয়েছে আমরা বিমানবন্দর ছেড়ে বের হতে পারব না। আমরা বলেছি, দুটো অটো ডেকে দিন, আমরা তাতে চড়েই যাব।”

তৃণমূল সাংসদ সায়নী ঘোষ বলেন, “বাংলায় বিজেপির নেতারা ৩৬৫ দিনের মধ্যে ৩৬০ দিন ফাইভস্টার হোটেল ভাড়া করে থাকেন, কোনও বাধা পান না। কিন্তু ত্রিপুরায় তৃণমূল প্রতিনিধি দল এলে বাধার মুখে পড়তে হয়। এটি প্রমাণ করে, ডবল ইঞ্জিন সরকারের রাজ্যে গণতন্ত্র নেই। বাংলার তৃণমূল সরকারে গণতন্ত্র এবং মানুষের সরকার কার্যকর আছে।”

শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, সুস্মিতা, প্রতিমা, সায়নী, কুণাল ও সুদীপ বিমানবন্দরের সামনে অবস্থান করে প্রতিবাদ অব্যাহত রেখেছেন। ত্রিপুরার তৃণমূল নেতৃত্বও তাদের সঙ্গে আছেন। প্রতিনিধি দল দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, তারা তৃণমূল নেতা-কর্মীদের সহমর্মিতা দেখাতে এসেছেন এবং দেখা করেই ফিরবেন।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, এই ঘটনার মাধ্যমে স্পষ্ট হয়েছে যে ত্রিপুরার ডবল ইঞ্জিন সরকার রাজনীতিতে বিরোধী দল ও তাদের প্রতিনিধিদের ক্ষেত্রে অত্যধিক বাধা আরোপ করছে। একই সঙ্গে, বাংলার ট্রিপল ইঞ্জিন সরকারে গণতন্ত্র ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতা বজায় থাকার উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।

প্রতিবাদী দলের বক্তব্য, তারা শান্তিপূর্ণভাবে নেতা-কর্মীদের পাশে দাঁড়াতে এসেছেন। ত্রিপুরার প্রশাসন ও পুলিশকে অবশ্যই রাজনৈতিক সহিংসতা ও জনদূর্ভোগ এড়াতে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে।

প্রকাশক: সালমা মন্ডল | Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো
আপডেট: ৮ অক্টোবর ২০২৫

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

হিমাচলে মর্মান্তিক ভূমিধস: বিলাসপুরে বাস চাপা পড়ে ১৮ জনের মৃত্যু

হিমাচলে মর্মান্তিক ভূমিধস: বিলাসপুরে বাস চাপা পড়ে ১৮ জনের মৃত্যু

হিমাচলে মর্মান্তিক ভূমিধস: বিলাসপুরে বাস চাপা পড়ে ১৮ জনের মৃত্যু

হিমাচলে বিলাসপুরে ভূমিধস দুর্ঘটনা

ডিজিটাল ডেস্ক: হিমাচল প্রদেশের বিলাসপুর জেলায় আবারও ঘটে গেল মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। বাল্লু সেতুর কাছে হঠাৎ পাহাড়ের একাংশ ধসে পড়ে রাস্তায় জমে যায় মাটি ও পাথরের স্তূপ। এই ভয়াবহ ভূমিধসে চাপা পড়েছে একটি বেসরকারি যাত্রীবাস। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, অন্তত ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত এবং আটকে পড়া যাত্রীদের উদ্ধারের জন্য জরুরি উদ্ধার অভিযান জোরকদমে চলছে।

স্থানীয় প্রশাসন এবং উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কাজ শুরু করেছে। বাল্লু সেতুর আশেপাশের এলাকায় ভাঙা পাহাড় এবং মাটির স্তূপ রাস্তা ব্লক করেছে, ফলে আরও যাত্রী আটকা পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। উদ্ধারকাজের জন্য স্থানীয় পুলিশ, সেনা এবং বিপর্যয় মোকাবিলা দলকে মোতায়েন করা হয়েছে।

প্রতিবেশীরা জানাচ্ছেন: “ভূমিধসের আওয়াজ ভয়ঙ্কর ছিল। সবাই হুড়োহুড়ি করে নিরাপদ স্থানে যাওয়ার চেষ্টা করছিল। কিছু মানুষ বাসের ভিতরে আটকা পড়ে গিয়েছিলেন। আমরা তত্পরতার সঙ্গে উদ্ধার কাজ চালাচ্ছি।”

পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের ঘটনা সাধারণ। বৃষ্টি এবং অসময়ে পাহাড়ের স্থিতিশীলতা কমে যাওয়ায় হঠাৎ এই ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে। বিলাসপুরের এই দুর্ঘটনা আবারও সতর্কবার্তা দিচ্ছে যে পাহাড়ি অঞ্চলে যাতায়াতের সময় সর্বদা সচেতন থাকা জরুরি।

অন্যদিকে, আহতদের কাছাকাছি হাসপাতালে ভর্তি করা হচ্ছে এবং আহতদের চিকিৎসা দেওয়ার জন্য বিশেষ মেডিকেল টিমকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এছাড়াও, ক্ষতিগ্রস্ত বাসের যাত্রীদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করা হচ্ছে।

স্থানীয় প্রশাসন সংবাদ মাধ্যমে জানিয়েছে যে, উদ্ধারকাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত রাস্তাটি বন্ধ রাখা হয়েছে। জনসাধারণকে দুর্ঘটনা স্থান থেকে দূরে থাকতে এবং প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে চলতে বলা হয়েছে।

এই দুর্ঘটনার ফলে হিমাচল প্রদেশে পুনরায় সড়ক দুর্ঘটনা ও ভূমিধস নিয়ন্ত্রণে বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বলেছে, ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা প্রতিরোধে রাস্তার নিরাপত্তা এবং পাহাড়ি এলাকায় স্থায়ী পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা চালু করা হবে।

প্রকাশক: সালমা মন্ডল | Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো
আপডেট: ৮ অক্টোবর ২০২৫

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

উত্তরবঙ্গের বন্যা মোকাবিলায় জীবনদূত হিসেবে দাঁড়ালেন ডাঃ ইরফান মোল্লা

উত্তরবঙ্গের বন্যা মোকাবিলায় জীবনদূত হিসেবে দাঁড়ালেন ডাঃ ইরফান মোল্লা

উত্তরবঙ্গের বন্যা মোকাবিলায় জীবনদূত হিসেবে দাঁড়ালেন ডাঃ ইরফান মোল্লা

ডাঃ ইরফান মোল্লা উদ্ধার কাজে নেমেছেন

ডিজিটাল ডেস্ক: জল ঢুকছে গ্রাম-গঞ্জে, ভেসে যাচ্ছে একের পর এক মানুষ। বিপর্যস্ত এলাকার মানুষদের জীবন বাঁচাতে, নাগরাকাটা সহ জলপাইগুড়ির একাধিক অঞ্চলে তৎপর হয়েছেন চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী এবং আশাকর্মীরা। এই পরিস্থিতিতে সামাজিক মাধ্যমে আলোচিত হয়েছে উত্তরবঙ্গের ডাক্তার ডাঃ ইরফান মোল্লার সাহসিকতা।

ডাঃ ইরফান মোল্লা, যিনি নাগরাকাটা ব্লকের স্বাস্থ্য আধিকারিক (BMOH), জিপ লাইনের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় পৌঁছে জরুরি চিকিৎসা সেবা প্রদান করেছেন। সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, তিনি সকাল থেকে রাত অবধি প্রাথমিক চিকিৎসা ও জরুরি সহায়তা প্রদান করছেন। বর্ধমানের মেধাবী এই ছেলে নিয়ে নেটদুনিয়া প্রশংসায় পঞ্চমুখ। অনেকেই তাঁকে ঈশ্বরের সঙ্গে তুলনা করছেন।

ডাঃ ইরফান মোল্লার বক্তব্য: “৫ অক্টোবর রাত থেকে জল ঢোকার খবর পাওয়া যায়। বিভিন্ন এলাকার অবস্থা ভয়াবহ। প্রাথমিক চিকিৎসা শুরু করি এবং নিজেও দুর্গত মানুষের কাছে পৌঁছাই। জিপ লাইনের মাধ্যমে বামনডাঙা পেরিয়েছি। ভয় ছিল না, লক্ষ্য একটাই— মানুষ বাঁচানো।”

ডাক্তার ইরফান বলেন, “এলাকায় পৌঁছে দেখি ছোট বাচ্চা জলের মধ্যে ভেসে গেছে। মা নিজে কিছু করতে পারেননি। অনেক প্রসূতির চিকিৎসা এবং জরুরি মেডিকেল সেবা নিশ্চিত করতে হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা একান্ত প্রয়োজন। আমরা যতটা সম্ভব চেষ্টা করছি। এখন পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়েছে।”

ডাঃ ইরফান মোল্লা ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সেই থেকে তিনি নিয়মিতভাবে দুর্গত এলাকায় চিকিৎসা সেবা ও জরুরি সাহায্য পৌঁছে দিচ্ছেন। বন্যার সময় তাঁর সাহসিকতা এবং তৎপরতা মানুষের জীবন বাঁচাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

ডাক্তার হিসেবে মানুষের পাশে দাঁড়ানো তাঁর মূল লক্ষ্য। নিজের জীবনকে ঝুঁকিতে ফেলে কাজ করার এই অভিজ্ঞতা ডাঃ ইরফানকে আরও শক্তিশালী এবং সমাজের জন্য উদাহরণ স্থাপন করেছে।

পরিবারও তাঁর এই সাহসিক কাজে গর্বিত। ডাঃ ইরফান জানান, “বাবা-মা প্রথমে কিছুটা চিন্তিত ছিলেন। কিন্তু পরে তাঁরা বললেন, ভালোভাবে কাজ করো, মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। এই সমর্থন আমাকে আরও সাহস যোগিয়েছে।

ডাঃ ইরফানের তৎপরতায় বহু মানুষের জীবন বেঁচেছে। তিনি শুধু চিকিৎসক নন, বরং বিপর্যস্ত এলাকায় জীবনদূতের ভূমিকায় দাঁড়িয়েছেন। এই ঘটনা আরও প্রমাণ করে যে, মানুষের জন্য নিঃস্বার্থভাবে কাজ করা কতটা গুরুত্বপূর্ণ এবং বিপদকালীন পরিস্থিতিতেও সাহসিকতা ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি অপরিহার্য।

প্রকাশক: ফারিয়া ইসলাম | Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো
আপডেট: ৮ অক্টোবর ২০২৫

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের বাড়ন্ত প্রতিরক্ষা খরচে উদ্বিগ্ন নয়াদিল্লি

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের বাড়ন্ত প্রতিরক্ষা খরচে উদ্বিগ্ন নয়াদিল্লি

Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের বাড়ন্ত প্রতিরক্ষা খরচে উদ্বিগ্ন নয়াদিল্লি

প্রকাশক: মহিবুল রহমান শেখ | আপডেট: ৮ অক্টোবর ২০২৫

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা চুক্তি

দক্ষিণ এশিয়ার আকাশে ফের উত্তেজনা বাড়ছে। প্রতিবেশী দুই দেশ—বাংলাদেশপাকিস্তান—এখন নতুন করে সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করছে। একদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি করছে ইসলামাবাদ, অন্যদিকে চিনের কাছ থেকে যুদ্ধবিমান কিনছে ঢাকা। ফলে কূটনৈতিক মহলে জল্পনা—ভারতের জন্য কি নতুন করে চ্যালেঞ্জ তৈরি হচ্ছে?

মূল চুক্তি: পাকিস্তান যুক্তরাষ্ট্রের সংস্থা রেথিয়ন-এর সঙ্গে ২.৫ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি করেছে। এর আওতায় AIM-120C8 এবং D3 সংস্করণের AMRAAM মিসাইল সরবরাহ করা হবে।

এছাড়াও পাকিস্তান তাদের F-16 যুদ্ধবিমান আপগ্রেড করার পরিকল্পনা নিয়েছে। সামরিক বিশেষজ্ঞদের দাবি, এই মিসাইল সিস্টেম ভারতীয় বায়ুসেনার জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে।

অন্যদিকে, বাংলাদেশের পক্ষ থেকেও বড় পদক্ষেপ এসেছে। তারা চিনের কাছ থেকে J-10CE যুদ্ধবিমান কেনার জন্য ২.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের চুক্তি করেছে। চুক্তির আওতায় শুধু বিমান নয়, প্রশিক্ষণ, রক্ষণাবেক্ষণ এবং অন্যান্য প্রযুক্তিগত সহায়তাও দেবে চিন।

এই দুই প্রতিবেশী দেশের সামরিক শক্তিবৃদ্ধি নিয়ে ভারতের কূটনৈতিক ও প্রতিরক্ষা দফতরে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। যদিও নয়াদিল্লি নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে তৎপর। ভারতের তরফে রাশিয়ার সঙ্গে ‘SU-57E’ নামের অত্যাধুনিক স্টেলথ যুদ্ধবিমান কেনার বিষয়ে আলোচনা চলছে।

রাশিয়া নাকি এই প্রকল্পে ভারতের হাতে ১০০ শতাংশ প্রযুক্তি হস্তান্তরের প্রস্তাব দিয়েছে। ফলে ভারত ভবিষ্যতে নিজেদের প্রয়োজনে এই বিমানকে আরও উন্নত করতে পারবে।

এখানেই শেষ নয়—ভারত S-400 এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম-এর আরও পাঁচটি ইউনিট কেনার কথাও বিবেচনা করছে। প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, এতে ভারতের আকাশপথ আরও সুরক্ষিত হবে এবং পাকিস্তান-বাংলাদেশের সামরিক উদ্যোগে তেমন প্রভাব ফেলবে না।

বিশেষজ্ঞ মত: “পাকিস্তান ও বাংলাদেশের সামরিক বিনিয়োগ আঞ্চলিক ভারসাম্যকে নাড়া দিতে পারে, তবে ভারতের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বহু গুণ এগিয়ে,”—মন্তব্য আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের।
© ২০২৫ Y বাংলা ডিজিটাল | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

উত্তরবঙ্গের পাশে টলিউড: দেব-প্রসেনজিৎদের উদ্যোগে ত্রাণ তহবিল গঠন

উত্তরবঙ্গের পাশে টলিউড: দেব-প্রসেনজিৎদের উদ্যোগে ত্রাণ তহবিল গঠন

উত্তরবঙ্গের পাশে টলিউড: দেব-প্রসেনজিৎদের উদ্যোগে ত্রাণ তহবিল গঠন

উত্তরবঙ্গের ত্রাণে টলিউড তারকারা
উত্তরবঙ্গের বন্যা দুর্গতদের পাশে দেব, প্রসেনজিৎ, ঋতুপর্ণারা
প্রকাশক: সালমা মন্ডল | তারিখ: ৮ অক্টোবর ২০২৫ | উৎস: Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো

একদিকে উত্তরবঙ্গের ভয়াবহ বন্যা বিপর্যয়, অন্যদিকে দুর্গাপুজোর কার্নিভাল নিয়ে বিতর্কে উত্তাল রাজ্য। এই আবহেই মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করল টলিউড। বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির তারকারা একজোট হয়ে এগিয়ে এলেন বন্যা দুর্গত মানুষের পাশে। দেব, প্রসেনজিৎ, ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, রুক্মিণী মৈত্র সহ বহু তারকা সোশ্যাল মিডিয়ায় আহ্বান জানিয়েছেন উত্তরবঙ্গের পাশে দাঁড়াতে।

বাংলা ছবির সঙ্গে উত্তরবঙ্গের পাহাড়-নদীর সম্পর্ক বহুদিনের। অসংখ্য সিনেমার শ্যুটিং হয়েছে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার ও কালিম্পংয়ে। তাই এই পাহাড়ের কান্না আজ টলিউডেরও কান্না। সেই অনুভব থেকেই মঙ্গলবার টলিউডের পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হয় সাহায্য তহবিল গঠনের।

প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় ও ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত এক যৌথ পোস্টে লিখেছেন, “সিনেমা শুধু বিনোদন নয়, ভরসাও দিতে পারে। আমরা হয়তো দূরে আছি, কিন্তু মন রয়েছে আপনাদের সঙ্গেই। উত্তরবঙ্গের সাহসই আমাদের শক্তি।”

রুক্মিণী মৈত্র নিজের নতুন সিনেমার টিজার লঞ্চ বাতিল করেছেন বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গের কথা মাথায় রেখে। অপরদিকে সাংসদ-অভিনেতা দেব আলাদা করে পাহাড়ে ত্রাণ সামগ্রী পাঠানোর ব্যবস্থা করেছেন। তিনি নিজেই সেই ছবি শেয়ার করেছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়।

জানা গিয়েছে, টলিউডের অভিনেতা, কলাকুশলী ও প্রযোজকরা মিলে ইতিমধ্যেই প্রায় ২০ লক্ষ টাকা সংগ্রহ করেছেন। এই অর্থ মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে তুলে দেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

তথ্যবক্স:
🔹 সংগৃহীত ত্রাণের পরিমাণ: প্রায় ২০ লক্ষ টাকা
🔹 উদ্যোগ নিয়েছেন: দেব, প্রসেনজিৎ, ঋতুপর্ণা, রুক্মিণী প্রমুখ
🔹 লক্ষ্য: মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল ও পাহাড়ে সরাসরি সাহায্য
🔹 আহ্বান: “উত্তরবঙ্গের মানুষ আমাদের সিনেমার প্রাণ” – টলিউড তারকাদের বার্তা

উল্লেখ্য, রবিবার কার্নিভালে অংশ নেওয়ায় সোশ্যাল মিডিয়ায় তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন বহু তারকা। নেটিজেনদের একাংশের অভিযোগ ছিল— “উত্তরবঙ্গ ভাসছে, আর টলিউড নাচছে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে।” সেই বিতর্কের পরই মানবিক উদ্যোগে একত্র হলেন তারকারা।

প্রকৃতির রুদ্ররোষে তছনছ হয়ে গিয়েছে উত্তরবঙ্গ। লাগাতার বৃষ্টিতে ভুটান পাহাড় থেকে নেমে আসা জলে প্লাবিত আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার ও জলপাইগুড়ি জেলার বিস্তীর্ণ অঞ্চল। বহু মানুষ নিখোঁজ ও গৃহহীন। এমন পরিস্থিতিতে বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির এই উদ্যোগ আশার আলো হয়ে উঠেছে দুর্গত মানুষদের জন্য।

© ২০২৫ Y বাংলা ডিজিটাল | প্রতিবেদন: সালমা মন্ডল | সম্পাদনা: Y বাংলা নিউজ ডেস্ক

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

নাগরাকাটায় হামলার পর ত্রিপুরায় তৃণমূল দফতরে আক্রমণ, তদন্তে যাচ্ছেন ৬ সদস্যের প্রতিনিধি দল

নাগরাকাটায় হামলার পর ত্রিপুরায় তৃণমূল দফতরে আক্রমণ, তদন্তে যাচ্ছেন ৬ সদস্যের প্রতিনিধি দল
ত্রিপুরায় তৃণমূল দফতরে হামলা
ত্রিপুরায় তৃণমূল দফতরে হামলার পর রাজ্য রাজনীতিতে তোলপাড়।

নাগরাকাটায় হামলার পর ত্রিপুরায় তৃণমূল দফতরে আক্রমণ, তদন্তে যাচ্ছেন ৬ সদস্যের প্রতিনিধি দল

Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক: উত্তরবঙ্গের দুর্যোগের পর থেকেই রাজনৈতিক অস্থিরতা চরমে। বিজেপি ও তৃণমূলের মধ্যে চলতে থাকা বাকবিতণ্ডা নাগরাকাটায় গিয়ে রূপ নেয় সহিংসতায়। সেখানে গিয়ে আক্রান্ত হন বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু ও বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। অভিযোগ, এই হামলার পেছনে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই রয়েছে।

যখন এই ঘটনায় গোটা বঙ্গ রাজনীতি তোলপাড়, ঠিক তখনই নতুন অভিযোগ উঠেছে ত্রিপুরা থেকে। সেখানে তৃণমূল কংগ্রেসের সদর দফতরে হামলা চালিয়েছে বিজেপি কর্মীরা—এমনই দাবি তৃণমূলের। ঘটনায় তৎপর হয়েছে রাজ্য তৃণমূল নেতৃত্ব।

তথ্যবক্স:

পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে আগরতলায় যাচ্ছেন ৬ সদস্যের প্রতিনিধি দল—কুণাল ঘোষ, প্রতিমা মণ্ডল, সায়নী ঘোষ, বীরবাহা হাঁসদা, সুস্মিতা দেবসুদীপ রাহা

কুণাল ঘোষের বক্তব্য

যাত্রার আগে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কুণাল ঘোষ বলেন, “আমরা আগরতলা যাচ্ছি। নাগরাকাটার ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রী নিন্দা জানিয়েছেন। তৃণমূলের সঙ্গে এর কোনও সম্পর্ক নেই। কিন্তু বিজেপিকে ভাবতে হবে, কেন মানুষ ক্ষেপে উঠছে! ১০০ দিনের টাকা, আবাস যোজনার টাকা—কিছুই দেয়নি। জনপ্রতিনিধিরা এলাকায় যাননি, শুধু ফটোশ্যুট করতে গেছেন। এবার তার ফল পাচ্ছেন।”

তিনি আরও বলেন, “ত্রিপুরায় অতীতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কনভয়ে হামলা হয়েছিল, সায়নী ঘোষের ওপর থানায় হামলা হয়েছিল। এখন আবার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। আমরা যাচ্ছি মানুষের সঙ্গে কথা বলতে, তবে ভয়ও পাচ্ছি—ত্রিপুরাকে সন্ত্রাসের রাজ্যে পরিণত করেছে বিজেপি।”

সায়নী ঘোষের প্রতিক্রিয়া

অভিনেত্রী তথা তৃণমূল যুবনেত্রী সায়নী ঘোষ বলেন, “ত্রিপুরায় এর আগেও আমাদের দলের ওপর হামলা হয়েছে। এখন আবার হুমকি চলছে। তবুও আমরা যাচ্ছি, কারণ মানুষকে ভয় দেখিয়ে সত্যি চাপা রাখা যায় না।”

দুর্যোগ থেকে রাজনীতির সংঘাতে

উত্তরবঙ্গে টানা বৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। নদী উপচে পড়ে গ্রাম গঞ্জ ভাসিয়ে দেয়। ২৪ জনের মৃত্যু হয়, অসংখ্য পরিবার গৃহহারা হয়। এমন পরিস্থিতিতে বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু ও বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ নাগরাকাটায় ত্রাণ বিতরণে যান। অভিযোগ, সেই সময় একদল দুষ্কৃতী তাদের উপর হামলা চালায়।

ভিডিয়ো ফুটেজে দেখা যায়, জনতার ভিড় ঠেলে পালাচ্ছেন শঙ্কর ঘোষ, আর রক্তাক্ত অবস্থায় গাড়ির মধ্যে বসে আছেন সাংসদ খগেন মুর্মু। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই বিজেপি, কংগ্রেস ও সিপিএম একযোগে তৃণমূলের বিরুদ্ধে সরব হয়। এমনকি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও ঘটনার নিন্দা করেন।

মমতা বনাম মোদী টুইটযুদ্ধ

এই হামলার পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় টুইট করে প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে লেখেন—“মানবিকতার সময় রাজনীতি নয়।” মঙ্গলবার তিনি নিজে হাসপাতালে গিয়ে খগেন মুর্মুর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন। তবে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী প্রশ্ন তোলেন, “এটা কি সমবেদনা না রাজনৈতিক নাটক?”

ত্রিপুরায় নতুন বিতর্ক

বাংলায় বিজেপি নেতাদের উপর হামলার প্রতিবাদে ত্রিপুরায় উত্তেজনা ছড়ায়। তৃণমূল দফতরে হামলার অভিযোগে বিজেপির বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেয় তৃণমূল নেতৃত্ব। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ও তথ্য সংগ্রহে আজই আগরতলায় যাচ্ছেন দলের প্রতিনিধি দল।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, “উত্তরবঙ্গের দুর্যোগ পরবর্তী রাজনীতি এখন সীমান্ত পেরিয়ে ত্রিপুরাতেও ছড়িয়ে পড়েছে। এই পরিস্থিতি সামলানো উভয় রাজ্যের প্রশাসনের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।”

📅 সর্বশেষ আপডেট: ৮ অক্টোবর ২০২৫ | © Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

Featured post

Y বাংলা ব্যুরো: ভোটার তালিকা সংশোধনে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডে না নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা সংশোধন (SIR, ২০২৬) প্রক্রিয়ায় ম...

Search This Blog