Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Sunday, 12 October 2025

দুর্গাপুরে মেডিক্যাল কলেজ ছাত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগ: ৩ জন গ্রেফতার

দুর্গাপুরে মেডিক্যাল কলেজ ছাত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগ: ৩ জন গ্রেফতার

দুর্গাপুরে মেডিক্যাল কলেজ ছাত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগ: ৩ জন গ্রেফতার

আপডেট: | অনলাইন রিপোর্ট | দুর্গাপুর, পশ্চিম বর্ধমান
চিত্র: প্রতিবেদনচিত্র / প্রতীকী — তদন্ত চলাকালীন বিদ্যালয় ও ভিকটিমের গোপনীয়তা রক্ষা করা হয়েছে।

দুর্গাপুর: পশ্চিম বর্ধমানের দুর্গাপুরে এক বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজের ছাত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগে তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী অভিযুক্তদের পরিচয় এখনও প্রকাশ করা হয়নি; তবে তাদের মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করে কল লিস্ট ও টাওয়ার লোকেশন খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তকারীরা ঘটনার সঙ্গে আরও কারা জড়িত থাকতে পারে সে দিকটি খতিয়ে দেখছেন এবং ক্যাম্পাসের কোনও সহপাঠী জড়িত ছিল কি না তাও অনুসন্ধান চলছে। নির্যাতিতার পিতা-মাতার অভিযোগ, সহপাঠীই মেয়েটিকে ঘটনাস্থলে ফেলে পালিয়ে গিয়েছিল।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নির্যাতিতা ও তাঁর সঙ্গে থাকা এক সহপাঠীর সঙ্গে অনিচ্ছা সত্ত্বেও খাবার খেতে ক্যাম্পাসের বাইরে বেরিয়েছিলেন ওই ছাত্রী। অভিযোগ অনুসারে, কাউকে ফোন করে অভিযুক্তরা তাদের সঙ্গে যোগদানে সক্ষম হয় এবং ছাত্রীর সঙ্গে ওই জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে হামলা চালানো হয়। টাওয়ার লোকেশন ট্র্যাক করে তিনজনকে গ্রেফতার করা হলেও তদন্তকারীরা আরও কারা জড়িত ছিল তা নিয়ে সন্দিহান। শনিবার কলেজের পাশে অবস্থিত জঙ্গলে তল্লাশি চালানো হয়েছে এবং ফরেনসিক টিম নমুনা সংগ্রহ করেছে।

নির্যাতিতার চিকিৎসা চলছে; তাঁর শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি দেখা গেছে। তিনি সেই কলেজের নিজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন এবং পুলিশের কাছে জবাব দিয়েছেন। রাজ্য মহিলা কমিশনের প্রতিনিধিরা ও একটি নারী সংগঠন দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে নির্যাতিতা ও তাঁর পরিবারকে সহায়তা করবে বলে জানানো হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ ডক্টর্স ফোরামের একজন চিকিৎসকও ঘটনাস্থলে যোগ দেবেন। ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রীও এই ঘটনার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতার ও শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

কী বলছে কলেজ কর্তৃপক্ষ:

কলেজ কর্তৃপক্ষ জানায়, রাতে মেয়েটি তাদের জানিয়েছিল যে ফোন হারিয়েছে ও তাঁর সাথে যৌন নিপীড়ন ঘটেছে। প্রিন্সিপাল ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দ্রুত তাকে চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণে রেখেছেন। কলেজের মুখপাত্র জানান, ক্যাম্পাসের মেন গেট পর্যন্ত নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করলেও ছাত্র-ছাত্রীদের ব্যক্তিগত কার্যক্রমের নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের কোন দায়িত্ব নয় যদি তারা নিজের ইচ্ছায় ক্যাম্পাস ছেড়ে যান। হাসপাতাল ও কলেজ পুলিশকে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করছে বলে তারা জানিয়েছেন।

তদন্তে পুলিশি আইনি প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করা হচ্ছে; অভিযোগ দায়েরের পরে প্রয়োজনীয় আইনি ধাপ হিসেবে ফোরেনসিক রিপোর্ট, ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ ও সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। মামলায় সংশ্লিষ্ঠ ধারার আওতায় দ্রুত চার্জশিট দাখিলের প্রস্তুতি চলছে এবং যেকোনো ধরনের প্রমাণ লোপাট বা প্রভাবিত করার চেষ্টা রোধে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

স্থানীয় প্রশাসন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি অনুরোধ, কিশোর-কিশোরীদের নিরাপত্তা বিষয়ে জোরদার পদক্ষেপ নিতে হবে এবং ছাত্রাবাস-আশ্রয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থার পুনর্মূল্যায়ন করা উচিত। শিবিরে থাকা ছাত্র-ছাত্রীদের অবহিত করে নিরাপদ চলাফেরার নিয়মাবলী গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যেসব প্রত্যক্ষদর্শী বা ঘটনার সময় ক্যাম্পাসে অবস্থানকারী কেউ থাকলে তৎক্ষণাৎ পুলিশকে সাক্ষ্য বা তথ্য দেওয়ার জন্য আবেদন জানানো হচ্ছে।

মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে স্থানীয় মানবাধিকার সংগঠন ও নারী সুরক্ষা সংস্থাগুলির সহযোগিতা কাম্য। এই ধরনের জঘন্য ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, পরিবার ও সমাজের সম্মিলিত দায়িত্ব অপরিহার্য।

পাঠকদের অনুরোধ, তদন্ত চলাকালীন ভিত্তিহীন গুজব না ছড়াতে এবং ভিকটিমের গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা বজায় রাখার প্রতি দৃষ্টি দেওয়ার জন্য। তদন্তে পাওয়া প্রমাণ ও কল ডেটা বিশ্লেষণের ভিত্তিতে অপর অংশগ্রহণকারীদের সন্ধান করা হবে এবং আদালত বা পুলিশ থেকে আনুষ্ঠানিক বিবৃতির পরে আরও বিস্তারিত প্রকাশ করা হবে। পাঠকদের প্রত্যক্ষ বা জরুরি তথ্য থাকলে অবিলম্বে দুর্গাপুর নিউ টাউনশিপ থানা যোগাযোগ করার অনুরোধ। ধন্যবাদ।

রিপোর্ট: স্থানীয় পুলিশ সূত্র ও ভিকটিম-বিবরণে ভিত্তিতে সংকলিত। আরও আপডেট পেতে নিয়মানুযায়ী পুলিশ ও আদালতের ঘোষণা অপেক্ষা করুন।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

গুয়াহাটি বিশ্ববিদ্যালয়: উপাচার্য ও উদ্যোক্তা নিয়ে তর্ক এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিক্রিয়া

গুয়াহাটি বিশ্ববিদ্যালয়: উপাচার্য ও উদ্যোক্তা নিয়ে তর্ক এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিক্রিয়া

গুয়াহাটি বিশ্ববিদ্যালয়: উপাচার্য ও উদ্যোক্তা নিয়ে তর্ক — বিশ্ববিদ্যালয়ের তীব্র নিন্দা ও আইনগত দাবির প্রস্তুতি

আপডেট: 12 অক্টোবর, 2025 | লেখক: Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো
গুয়াহাটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রধান প্রবেশদ্বার
ছবি: গুয়াহাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাঙ্গন, যেটি বিশ্ববিদ্যালয় বিবৃতিতে উল্লিখিত প্রশাসনিক স্বচ্ছতার প্রতীক হিসেবে দেওয়া হয়েছে।

জুবিন গর্গের মৃত্যুর তদন্তে উত্তর-পূর্ব উৎসবের উদ্যোক্তা শ্যামকানু মহন্তের প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে উল্লেখের পর তাঁর দাদা—গুয়াহাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ননীগোপাল মহন্তকে লক্ষ্য করে বিভিন্ন অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে। রাজ্য তৃণমূলের সহ-সভাপতি দুলু আহমেদ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ এনেছেন, যা নিয়ে সম্প্রতি রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন একটি বর্ণপরিপূর্ণ বিবৃতি জারি করে স্পষ্ট করেছে যে উপাচার্য এবং প্রশাসনের বিরুদ্ধে যে সব খবর ও দাবিসমূহ প্রচারিত হচ্ছে তা “পূর্ণতই মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর” এবং প্রতিষ্ঠানটির মর্যাদাহানিকর। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এই ধরনের প্রচারণা একটি সুপরিকল্পিত এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচেষ্টা, যা বিশ্ববিদ্যালয় ও উপাচার্যের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে পরিচালিত হচ্ছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বক্তব্য সংক্ষেপে:
  • প্রতিষ্ঠানের সব আর্থিক লেনদেন ভারত সরকারের মহা হিসাব-নিয়ন্ত্রক (CAG) কর্তৃক নিরীক্ষিত হয়।
  • প্রতিটি খরচ ও ক্রয় সম্পূর্ণ স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় এবং বহুস্তরীয় অনুমোদন পদ্ধতির মাধ্যমে গৃহীত হয়।
  • রেজিস্ট্রার ড. উৎপল শর্মার বক্তব্য অনুযায়ী প্রতিষ্ঠান সততা ও আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রেখেই পরিচালিত হচ্ছে।
  • মাধ্যমে মিথ্যা প্রচারকারীদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় ইতিমধ্যেই আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু করেছে।

রাজ্য রাজনীতির পারিপার্শ্বিকতায় এই ঘটনার রাজনৈতিক ব্যঞ্জনা স্পষ্ট। অভিযোগ-প্রতিউত্তরের এই বিনিময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজকর্ম ও শিক্ষাগত কর্মকাণ্ড প্রভাবিত হতে পারে—এই আশঙ্কা শিক্ষাবিদ এবং স্থানীয় নাগরিকদের মধ্যে বিদ্যমান। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বলছে, প্রশ্নবিদ্ধ কোনো নথি থাকলে তা যথাযথভাবে প্রকাশ ও পর্যালোচনা করার জন্য তারা প্রস্তুত; তবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মিথ্যাচার ও মানহানিকর প্রচারণা তাদের সহ্যযোগ্য নয়।

এদিকে, অভিযোগকারীদের দাবি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিক্রিয়ার মধ্যে সত্য উন্মোচনের জন্য স্বচ্ছ, স্বাধীন তদন্তের দাবি ঘনীভূত হচ্ছে। স্থানীয় রাজনৈতিক দল ও বুদ্ধিজীবীদেরও অনুরোধ যে—প্রমাণভিত্তিক ও সংবিধানিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই বিষয়টি সমাধান হোক, যাতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির নৈতিক ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতা বজায় থাকে।

প্রতিবেদনটি Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো কর্তৃক সংকলিত তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

Saturday, 11 October 2025

সৌগত রায়ের 'খেলা-মেলা' মন্তব্য: তৃণমূলের শঙ্কা ও প্রতিক্রিয়া

সৌগত রায়ের 'খেলা-মেলা' মন্তব্য: তৃণমূলের শঙ্কা ও প্রতিক্রিয়া

সৌগত রায়ের ‘খেলা-মেলা’ মন্তব্যে তৃণমূলে হৈচৈ: মমতার রাজনৈতিক দর্শন কি চ্যালেঞ্জের মুখে?

Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো — প্রকাশিত: ২০২৫-১০-১১

পুজোর পরে তৃণমূলের বিজয়া সম্মিলনী জমজমাটভাবে শুরু হলেও দমদমের মঞ্চ থেকে সৌগত রায়ের ‘খেলা-মেলা’ নিয়ে দেওয়া মন্তব্য দলের অভ্যন্তরে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। প্রশ্ন উঠছে—এ ধরনের বক্তব্য কি দলের দীর্ঘদিনের জনগণের সঙ্গে সংযোগ ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমকে অমূল্য বলে মানা মমতার দর্শনের বিরোধী?

৫ অক্টোবর থেকে ব্লকভিত্তিক বিজয়া সম্মিলনী শুরু করলেও বরাহনগরের মঞ্চে সৌগত স্পষ্টভাবে বলেছেন, ‘‘যদি কোনও একটা পার্টি খেলা-মেলার মধ্যে চলে যায়, তবে তার পলিটিক্যাল সেন্স চলে যায়। আমাদের মনে রাখতে হবে, ছ’মাস পরে নির্বাচন। জেতাটাই আমাদের কাছে একমাত্র লক্ষ্য।’’ এই উক্তি ছড়িয়ে পড়তেই দলের একাংশে অস্বস্তি দেখা দিয়েছে।

প্রধান বিষয়সমূহ:
  • সৌগত বলেন উৎসব-উদ্দীপনা যদি বাড়তি মজায় পরিণত হয়, তাহলে রাজনৈতিক সংবেদনশীলতা ক্ষুন্ন হতে পারে।
  • দলের অপরাধী ও অনেকে ভেবেছেন—সামাজিক কর্মসূচি ও উৎসব নির্বাচন বাদে মানুষের সঙ্গে সংযোগ রাখার এক উপায়।
  • সৌগতের মন্তব্যে দলের শীর্ষস্থানীয় অতিরিক্ত নেতারা অনানুষ্ঠানিকভাবে উদ্বিগ্ন হয়েছেন।

ইতিহাস নজরে আনলে দেখা যাবে—মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূল বহু উৎসবকে রাজনৈতিক ও সামাজিক সংযোগের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করেছে। আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব, আদিবাসী দিবস, স্থানীয় মেলা—সবই মমতার ধারণায় লোকসেবার অংশ। এমনকি দুর্গাপূজার বিসর্জনের কৌশলকেও তিনি উৎসবমুখী রূপ দেনেছেন।

তৃণমূলের এক প্রবীণ নেতা বলেছিলেন, “মমতাদি বিশ্বাস করেন সারাবছর মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখাটা গুরুত্বপূর্ণ—কেবল ভোটের সময় যোগাযোগ হলে চলবে না।”

সৌগতের মন্তব্য নতুন নয়—গত কয়েক বছরে তিনি কয়েকবার বাক্যচাপা বিতর্কে জড়িয়েছেন। ২০২২ সালের আইপ্যাক সংক্রান্ত মন্তব্য থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক এসআইআর বিতর্কে তাঁর ভিন্নমত দলকে বিব্রত করেছিল। দীর্ঘ চিকিৎসা-পরিচর্যার পর ফিরে আসার পরও বলতে গেলে সৌগত কার্যক্রমে সক্রিয় রয়েছেন—তাই তাঁর মন্তব্য এখন দলের জন্য সময়োপযোগী সংকেতও হতে পারে।

পার্থক্য যদিও স্পষ্ট—একদল মনে করে খেলা ও সাংস্কৃতিক উদ্যোগ মানুষকে জমানোর শক্তিশালী হাতিয়ার, অন্যদিকে কেউ কেউ মনে করেন নির্বাচনী পরিপ্রেক্ষিতে কৌশলগত সতর্কতা জরুরি। ফলে এখনও দেখা বাকি, ভোটের কয়েক মাস আগে তৃণমূল কীভাবে এই 'চাপ' সামলে চলে এবং দলের অভ্যন্তরীণ সমন্বয়কে কেমন করে দাঁড় করাবে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

দ্য ব্যাড্‌স অফ বলিউড’–এ চিত্রায়িত এনসিবি চরিত্র: সমীর ওয়াংখেড়ের অভিযোগ ও হুমকির কথা

‘দ্য ব্যাড্‌স অফ বলিউড’–এ চিত্রায়িত এনসিবি চরিত্র: সমীর ওয়াংখেড়ের অভিযোগ ও হুমকির কথা

‘দ্য ব্যাড্‌স অফ বলিউড’–এ এনসিবি ধাঁচের চরিত্র: সমীর ওয়াংখেড় মানহানির মামলার পর হুমকির অভিযোগ

রিপোর্ট: Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো — আপডেট:

বলিউডের নতুন সিরিজ দ্য ব্যাড্‌স অফ বলিউড–এ এনসিবি (নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো) আধিকারিকের আদলে কল্পিত একটি চরিত্র দেখানোর পরে এনসিবি–র প্রাক্তন আধিকারিক সমীর ওয়াংখেড় মানহানির মামলা করেছেন। মামলার পর থেকে সমীর ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে তৎক্ষণাতই হুমকি ফোনের অভিযোগ উঠেছে।

সমীর জানান, সিরিজে তাঁর পদ বা পরিচয়ের সঙ্গে মিল এমন কোনো চরিত্রে তাঁর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে—এটাই তিনি আদালতে তুলে ধরেছেন। মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন হওয়ায় এই বিষয়ে তিনি সরাসরি বিস্তারিত মন্তব্য করতে অনিচ্ছুক। তবে সমীর স্পষ্ট করেছেন যে বিষয়টি আদালতের পর্যায়ে থাকায় তিনি আপাতত কাগজপত্র ও আইনি পথে এগোচ্ছেন।

সমীরের দাবি:
  • সিরিজে এনসিবি ধাঁচের চরিত্র তৈরির ফলে ব্যক্তিগত মানহানির অভিযোগ।
  • মানহানির মামলা দায়ের করেছেন—কোর্টে প্রক্রিয়া চলছে।
  • মামলার পর থেকে দুবাই, বাংলাদেশ ও পাকিস্তান থেকে হুমকি ফোন আসছে বলে ইতিমধ্যে জানিয়েছেন তিনি।
  • পরিবারের সদস্যদেরও হুমকি ফোন করা হচ্ছে; তিনি পুলিশ-প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন।

সমীর বলেন, ‘‘আমার স্ত্রী ও বোনকে ফোন করে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। আমার কারণে ওঁদের এ সব সহ্য করতে হচ্ছে। এটা মানা যায় না।’’ তিনি কাউকে সরাসরি নাম না করেই জানিয়েছেন যে হুমকির জেরে পরিবার বিপর্যস্ত। একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, এসব হুমকির সঙ্গে তাঁর বাস্তব পেশার কোনো সম্পর্ক নেই—কারণ মামলাটি আদালতে বিচারাধীন।

আইনি পর্যায়ে মানহানি মামলা সাধারণত কন্টেন্ট, নির্মাতা এবং বিতরণকারীর বিরুদ্ধে দায়ের করা হয় যদি প্রমাণ করা যায় যে উপস্থাপিত চরিত্র বা উপাদান বাস্তব ব্যক্তির পরিচয়-ইঙ্গিত করে এবং সেই ইঙ্গিতের ফলে মানহানি বা ক্ষতি হয়েছে। সংক্ষিপ্তভাবে—আদেশ ও রায়ে আদালতই নির্ধারণ করবেন যে টেলিভিশন বা স্ট্রিমিং কন্টেন্টে প্রদর্শিত চরিত্রটি কি উদ্দেশ্যমূলকভাবে কোনো ব্যক্তি বা তাঁর প্রতিচ্ছবি নকল করেছে কি না।

সমীর একই অভিব্যক্তিতে জানিয়েছেন যে তিনি পুলিশ ও নিরাপত্তা সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন এবং প্রয়োজন হলে আইনি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার মাধ্যমে পরিস্থিতি মোকাবিলা করবেন। মামলার ফল ও সংশ্লিষ্ট অভিযুক্তদের প্রতিক্রিয়া আদালতের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে।

নোট: এই প্রতিবেদনটি কপি-রাইট মুক্ত হিসেবে প্রকাশ করা হয়েছে—আপনি এটি সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি, পুনঃপ্রকাশ বা সম্পাদনা করে ব্যবহার করতে পারেন (CC0/পাবলিক ডোমেইন ঘোষিত)।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

অজয়: 'দে দে প্যায়ার দে ২' ১৪ নভেম্বর সিনেমা হলে মুক্তি — নতুন কাস্ট ও সংক্ষিপ্ত বিবরণ

অজয়: 'দে দে প্যায়ার দে ২' ১৪ নভেম্বর সিনেমা হলে মুক্তি — নতুন কাস্ট ও সংক্ষিপ্ত বিবরণ
বিনোদন সংবাদ • মুক্তি খবর

অজয় ঘোষণা করেছেন: 'দে দে প্যায়ার দে ২' ১৪ নভেম্বর সিনেমা হলে মুক্তি পাবে

আপডেট: 11 অক্টোবর 2025
স্থান: মুম্বাই (ঘোষণা)
দে দে প্যায়ার দে ২ — মোশন পোস্টার (প্রতীকী)
মোটর পোস্টার সচিত্র
অজয় দেবগণের সোশ্যাল শেয়ার করা মোশন পোস্টারের ভিত্তিতে ছবির মুক্তির তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। (ছবি: অফিসিয়াল মোশন পোস্টার — প্রতীকী)

বোলিউড অভিনেতা অজয় দেবগণ সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘোষণা করেছেন যে, ২০১৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত রোমাঞ্চকর প্রেমকাহিনি 'দে দে প্যায়ার দে'র দ্বিতীয় কিস্তি চলতি বছরের ১৪ নভেম্বর সিনেমা হলে মুক্তি পাবে। ঘোষণা অনুযায়ী ছবির মোশন পোস্টারও শেয়ার করা হয়েছে, যা থেকে দেখা যাচ্ছে যে রাকুল প্রীত সিং এই সিক্যুয়েলে ফের প্রধান চরিত্রে রয়েছেন।

এই ছবি পরিচালনা করেছেন অঙ্গুল শর্মা। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে যে ছবির কাস্ট লাইন-আপে রয়েছেন মাধবন, জাভেদ জাফরি, মীজান জাফরি জুটি, গৌতমী কাপুর এবং ইশিতা দত্ত — যারা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে নিকটবর্তী। ঘনিষ্ঠ সূত্র ও পোস্টার থেকে ধারণা করা যাচ্ছে ছবির টোন হবে রোমান্টিক-কমেডি মিশ্রিত, যদিও অফিসিয়ালি কাহিনীর বিশদ অংশ এখনও প্রকাশ করা হয়নি।

সংক্ষিপ্ত নোট:
  • মুভি শিরোনাম: দে দে প্যায়ার দে ২
  • মুক्তি তারিখ: ১৪ নভেম্বর ২০২৫ (ঘোষিত)
  • পরিচালক: অঙ্গুল শর্মা
  • প্রত্যাশিত কাস্ট: রাকুল প্রীত সিং, মাধবন, জাভেদ জাফরি, মীজান জাফরি, গৌতমী কাপুর, ইশিতা দত্ত

অভিনয় ও প্রযোজনা দলের আনুষ্ঠানিক বিবরণ ও ট্রেইলারের মুক্তি সম্পর্কে অফিসিয়াল ঘোষণাগুলো আগামী কয়েক সপ্তাহে আসতে পারে। তৈরির সময়কাল ও প্রদর্শনী পরিকল্পনা নিয়ে নির্মাতা দলের পক্ষ থেকে পরবর্তী তথ্য আপডেট করা হলে তা আলাদাভাবে জানানো হবে।

এই প্রেক্ষাপটে টিকিটরিজার্ভেশন, শ্রেণিবিন্যাস বা আন্তর্জাতিক মুক্তির সূচি জানতে হলে ছবির অফিসিয়াল সোশ্যাল পেজ ও প্রযোজক হাউসের বিজ্ঞপ্তি মনিটর করা বাঞ্ছনীয়।

এই লেখাটি কপি-রাইট মুক্ত — আপনি ইচ্ছা করলে সরাসরি আপনার সাইটে প্রকাশ করতে পারবেন।
আপডেট তারিখ: 11 অক্টোবর 2025 | রিপোর্ট: বিনোদন ডেস্ক

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

পাকিস্তান ভারতের দিকে অভিযোগ দিচ্ছে — আফগানিস্তান প্রসঙ্গে সাম্প্রতিক বিবৃতি

পাকিস্তান ভারতের দিকে অভিযোগ দিচ্ছে — আফগানিস্তান প্রসঙ্গে সাম্প্রতিক বিবৃতি

পাকিস্তান ভারতের বিরুদ্ধে অভিযোগ বাড়াল — আফগানিস্তানকে কেন্দ্র করে নতুন উত্তাপ

আপডেট: ১১ অক্টোবর, ২০২৫ • প্রতিবেদক: বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো
আফগানিস্তান-পাকিস্তান-ভারত সম্পর্ক

পাকিস্তানের সামরিক কূটনীতির শীর্ষ ঘাঁটিস্বত্বারা সম্প্রতি অভিযোগ করেছেন—আফগানিস্তানে কিছু সংগঠন গড়ে উঠে পাকিস্তানের ওপর হামলা চালাচ্ছে এবং তারা ভারতের সহায়তা পাচ্ছে। অভিযোগটি তীব্র কূটনৈতিক উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে।

ছবি: প্রতীকী ছবি — কূটনৈতিক চাপ ও সীমান্তের ছবির প্রতীকী উপস্থাপনা।

পেশোয়ারে এক সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর জনসম্পর্ক দফতরের উচ্চপদস্থ এক কর্মকর্তা ভারতের বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ উত্থাপন করেছেন — দাবি করা হয়েছে আফগানিস্তানে জঙ্গিদের ঘাঁটি গড়ে তাদের মাধ্যমে পাকিস্তানে হামলা পরিচালিত হচ্ছে এবং এর সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক আছে।

এই অভিযোগটি আসে এমন এক সময়ে যখন আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের সম্পর্ক ইতিমধ্যেই তলানিতে নামতে শুরু করেছে। দুই দেশের মধ্যে সীমান্ত ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিভেদ দীর্ঘদিনের, এবং চলমান ঘটনাবলিই সেই অস্থিরতাকে আরও জটিল করে তুলছে।

সংক্ষেপ:
  • পাকিস্তানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে—আফগান ভূখণ্ডে জঙ্গি সংগঠন সক্রিয়, আর তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
  • আফগানিস্তান অভিযোগগুলোর একটি অংশ প্রত্যাখ্যান করেছে এবং সকল দাবি উড়িয়ে দিয়েছে।
  • কূটনৈতিক পর্যায়ে ভারতের সঙ্গে আফগানিস্তানের সম্পর্ক শক্তিশালী হওয়ায় পাকিস্তানে অস্বস্তি লুকানো নয়।

আফগানিস্তানের বিদেশমন্ত্রী সাম্প্রতিককালেই প্রথমবারের মতো ভারতে সফর করেছেন—এই পরিদর্শন দুই দেশের মধ্যে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের ইঙ্গিত দেয়। একই সময়ে পাকিস্তান থেকে ভারত ও আফগানিস্তানকে একযোগে তিরস্কার করা আরেক মাত্রা যোগ করেছে। সামরিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এ ধরণের কূটনৈতিক আক্রমণ সাধারণত ঘরের রাজনৈতিক চাপ মোচনে ব্যবহৃত হয়।

তবে সরকারি পর্যায়ে ভারতের তরফ থেকে এ বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া এখনও পাওয়া যায়নি। অভিজ্ঞ কূটনীতিবিদদের মতে, পাকিস্তানের এই তৎপরতা স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামরিক ব্যর্থতার কভারেজ হিসেবেই দেখা হচ্ছে—এগুলো নীতি নির্ধারণ ও অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা ঢাকতে ব্যবহৃত কৌশল বলে মনে করা হচ্ছে।

সামরিক বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন যে, এক দিকে আভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক চাপ এবং অন্য দিকে সীমান্তভিত্তিক অভিযোগ—এসব মিলিয়ে অঞ্চলীয় স্থিতিশীলতায় প্রভাব পড়তে পারে। তাই কূটনৈতিক চ্যানেলে স্বচ্ছ যোগাযোগ ও নিরপেক্ষ তদন্তের প্রস্তাবকে প্রাধান্য দেওয়াই উত্তম বলেই দেখা উচিত।

সবশেষে বলা যায়—পশ্চিম কম্পজিশনে বদল না আনা পর্যন্ত এই ধরনের অভিযোগ-প্রত্যাহারের পালা চলতেই থাকবে, এবং এতে বড় পরিসরে কূটনৈতিক বদল দেখা না গেলেও আঞ্চলিক উত্তেজনা বজায় থাকবে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

এই প্রতিবেদনটি কপিরাইট-ফ্রি প্যারাফ্রেজড সংস্করণ—আপনি প্রয়োজন অনুযায়ী ছবি, লিংক বা সূত্র যোগ করে পাবলিশ করতে পারবেন।
আপডেট: ১১ অক্টোবর, ২০২৫ • প্রস্তুত: বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

সুজিত নিয়ে সেলিমের বড় দাবি: রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতায় কেন্দ্রীয় এজেন্সির ব্যবহার

সুজিত নিয়ে সেলিমের বড় দাবি: রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতায় কেন্দ্রীয় এজেন্সির ব্যবহার

সুজিত নিয়ে সেলিমের বড় দাবি: কেন্দ্রীয় এজেন্সি 'রাজনৈতিক হাতিয়ার' হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে

সুজিত বসুর অফিসে ইডির হানা

সুজিত বসুর অফিসে পরিচালক অধিদপ্তরের (ইডি) হানা — রাজ্য রাজনীতিতে নতুন তীব্র বিতর্ক। (ছবি: প্রতিনিধি)

পরবর্তী দিনের রাজ্য রাজনীতিতে উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে যখন সঞ্জিত বসু নয়, সুজিত বসু—কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার অভিযানকে কেন্দ্র করে সিলমনের বক্তব্য ঘিরে হৈচৈ শুরু হয়েছে। গতকাল রাতেই সুজিত বসুর অফিসে হানা দেয় ইডি; ঘটনাটি রাজনীতিক মহলে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার পরেই তৃণমূলের এক মন্ত্রী তা কেন্দ্রীয় সরকারের রাজনৈতিক চাপ হিসেবে ব্যাখ্যা করেন।

মহম্মদ সেলিমের বক্তব্য:
"এসব পুরোটাই বিজেপি–তৃণমূলের ভেতরের খেলা। দেওয়া–নেওয়া চলে। ভোট এসেছে এবার বিজেপি লোক পাঠাচ্ছে। ভয় দেখানো চালু হয়ে গেল। এতে ভয় পেয়ে কিছু নেতামন্ত্রী ওদের ত্যাগ করে বিজেপিতে চলে গেল—পরে তৃণমূল বলবে 'তাড়িয়ে ময়লা সাফ করেছি', আবার ভোট মিটলে ফিরে আসবে।"

সেলিম বলেন, সবকিছু রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিচার করা হলে দেখা যাবে—কোন কোনো সময়েই কেন্দ্রীয় এজেন্সির ব্যবহার সেই রাজনৈতিক লক্ষ্য সামলাতে বড় হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। তিনি আরো দাবি করেন, সাধারণ মানুষকে ভয়ের মাধ্যমে দলীয় ও মানবসম্পদ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে।

তিনি বলেন, "নির্বাচন জাতীয় প্রতিযোগিতা জোরদার করেছে, আর এই পরিস্থিতিতে দলগুলো নানা কূটকৌশল অবলম্বন করছে। এতে করে রাজ্য রাজনীতিতে আস্থা কমছে ও রাজনৈতিক সহিংসতাও বাড়ছে।"

রাজনৈতিক প্রভাব ও সম্ভাব্য পরিণতি

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এমন অভিযানের রাজনৈতিক ফলাফল দ্রুত ভেসে ওঠে—দলের অভ্যন্তরীণ ভাঙন, নেতা পর্যায়ের পরিবর্তন এবং জনগণের মধ্যে সন্দেহ-শঙ্কা তৈরির মতো প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। তৃণমূলের বরাবরের মাদড়ভিত্তিক কৌশল এখন পরীক্ষা হতে পারে, এবং কেন্দ্রীয়–রাজ্য সম্পর্ক নতুনভাবে ফাটল ধরতে পারে।

ইডি অভিযান ও সেলিমের অভিযোগ নিয়ে রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে সামাজিক মিডিয়ায় নানামুখী আলোচনা দেখা গেছে। একাংশ মনে করছেন তদন্ত সংস্থাগুলোকে রাজনৈতিক থেকে আলাদা রাখাই দীর্ঘমেয়াদে গণতন্ত্রের বিকাশের জন্য জরুরি।

হ্যাশট্যাগ: #সুজিতবসু #মহম্মদসেলিম #ইডিহানা #রাজনীতি #Yবাংলা

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষণা: চিনা পণ্যের উপর ১০০% শুল্ক, উত্তেজনা চরমে

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষণা: চিনা পণ্যের উপর ১০০% শুল্ক, উত্তেজনা চরমে<div class="separator" style="clear: both;"><a href="https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEiLi93gGSizaC1H6qpkFKcKpSBPeHVhhoEM199zFPBUqHR_-toyyMsPbeGWm4RTKVdmebb2QSQ9HspA8nNG4gjcW0-09LlzWKWUl3uOkvSzv-tkPqDt_Pm4pjEqJjcB9_OD9bl4CooTJs6m1tmpWQg1PGg7Au8Jac9D282kke_aoG4MJ6ggOMAU24NBcQ/s1350/1001081709.png" style="display: block; padding: 1em 0; text-align: center; "><img alt="" border="0" height="320" data-original-height="1350" data-original-width="1080" src="https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEiLi93gGSizaC1H6qpkFKcKpSBPeHVhhoEM199zFPBUqHR_-toyyMsPbeGWm4RTKVdmebb2QSQ9HspA8nNG4gjcW0-09LlzWKWUl3uOkvSzv-tkPqDt_Pm4pjEqJjcB9_OD9bl4CooTJs6m1tmpWQg1PGg7Au8Jac9D282kke_aoG4MJ6ggOMAU24NBcQ/s320/1001081709.png"/></a></div>

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষণা: চিনা পণ্যের উপর ১০০% শুল্ক, উত্তেজনা চরমে

প্রকাশিত: ১১ অক্টোবর ২০২৫ | সর্বশেষ আপডেট: ১১ অক্টোবর ২০২৫

US China Trade War

চিনা পণ্যের উপর নতুন শুল্ক আরোপে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বেইজিং। (ছবি: রয়টার্স)

Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চিনের চলমান বাণিজ্য যুদ্ধ আরও তীব্র আকার ধারণ করল। মার্কিন রাষ্ট্রপতি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছেন, আগামী ১ নভেম্বর ২০২৫ থেকে চিনা পণ্যের উপর ১০০% অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করা হবে। এটি এখন পর্যন্ত মার্কিন ইতিহাসে চিনা আমদানির উপর সবচেয়ে কঠোর শুল্ক নীতি বলে মনে করা হচ্ছে।

রাষ্ট্রপতির বক্তব্য: “চিনের আগ্রাসী বাণিজ্যনীতি, অনৈতিক বাণিজ্য চর্চা এবং আমেরিকান শ্রমিকদের ক্ষতির দায় তাদেরকেই নিতে হবে। আমেরিকা আর পিছিয়ে থাকবে না। আমরা আমাদের বাজার, কর্মসংস্থান ও প্রযুক্তিকে রক্ষা করব।”

বাণিজ্য যুদ্ধের প্রেক্ষাপট

২০১৮ সালে তৎকালীন প্রশাসনের সময় শুরু হওয়া মার্কিন-চিন বাণিজ্য যুদ্ধের সূচনা হয়েছিল প্রযুক্তি, মেধাস্বত্ব ও বাণিজ্য ঘাটতি নিয়ে। এরপর থেকে উভয় দেশ একে অপরের পণ্যের উপর ধাপে ধাপে শুল্ক আরোপ করে আসছে। যদিও কিছু সময়ের জন্য আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি কিছুটা শিথিল হয়েছিল, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে তা ফের তীব্র হয়েছে।

চিনের তরফে সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি কোম্পানিগুলির উপর বিভিন্ন বিধিনিষেধ আরোপ এবং দক্ষিণ চীন সাগরে সামরিক কর্মকাণ্ড বাড়ানোয় সম্পর্ক আরও খারাপ হয়েছে।

চিনের প্রতিক্রিয়া ও সম্ভাব্য প্রভাব

চিন সরকার মার্কিন সিদ্ধান্তকে “অযৌক্তিক ও প্রতিশোধমূলক” বলে অভিহিত করেছে। বেইজিংয়ের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র বলেন, “এই সিদ্ধান্ত বৈশ্বিক বাণিজ্য শৃঙ্খলাকে বিপদের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। চিনও প্রয়োজনীয় পাল্টা ব্যবস্থা নেবে।”

অর্থনীতিবিদদের মতে, এই সিদ্ধান্ত মার্কিন বাজারে চিনা পণ্যের দাম বাড়াবে, যা সাধারণ ভোক্তাদের উপর চাপ সৃষ্টি করবে। প্রযুক্তি, ইলেকট্রনিক্স, পোশাক ও গাড়ি শিল্পে বড় প্রভাব পড়তে পারে।

বিশ্ব অর্থনীতিতে প্রভাব

মার্কিন ঘোষণার পর ওয়াল স্ট্রিটে শেয়ার বাজারে হালকা পতন দেখা গেছে। এশিয়ার বাজারেও এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। অর্থনীতিবিদদের মতে, বিশ্বের দুই বৃহত্তম অর্থনীতির এই সংঘাত বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধিকে শ্লথ করতে পারে এবং মুদ্রাস্ফীতি বাড়িয়ে দিতে পারে।

উপসংহার

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই নতুন শুল্ক নীতি কেবল বাণিজ্য নয়, ভূ-রাজনৈতিক সম্পর্কের ভারসাম্যেও প্রভাব ফেলবে। আগামী কয়েক সপ্তাহে চিনের প্রতিক্রিয়াই নির্ধারণ করবে এই শুল্ক যুদ্ধ কতটা গভীর হবে।

হ্যাশট্যাগ: #USChinaTradeWar #মার্কিনশুল্কনীতি #চিনপণ্য #বিশ্বঅর্থনীতি #Yবাংলাডিজিটাল

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

Friday, 10 October 2025

ফের অযোধ্যায় মোদি: ২৫ নভেম্বর ধ্বজা উত্তোলন, রাম মন্দির নির্মাণ সমাপ্তি ঘোষণা

ফের অযোধ্যায় মোদি: ২৫ নভেম্বর ধ্বজা উত্তোলন, রাম মন্দির নির্মাণ সমাপ্তি ঘোষণা

ফের অযোধ্যায় মোদি: ২৫ নভেম্বর ধ্বজা উত্তোলন, রাম মন্দির নির্মাণ সমাপ্তি ঘোষণা

শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের তরফ থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে—অযোধ্যার মূল মন্দিরের উপরে ধ্বজা উত্তোলন করে মন্দির নির্মাণের সমাপ্তি ঘোষণা করার জন্য। অনুষ্ঠানটি আগামী ২৫ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।

মন্দির নির্মাণ কমিটির চেয়ারম্যান নৃপেন্দ্র মিশ্র জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী ধ্বজা উত্তোলনের দিন ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকার বিষয়ে সম্মতি দিয়েছেন এবং তার অংশগ্রহণকে কেন্দ্র করে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। ধ্বজা উত্তোলন অনুষ্ঠানকে মন্দির নির্মাণের প্রতীকী সমাপ্তি হিসেবে দেখানো হবে এবং একই সঙ্গে মন্দির প্রাঙ্গণের অন্যান্য কিছু কাঠামো দর্শনার্থীদের জন্য খোলা হবে বলে জানানো হয়েছে।

অযোধ্যার রাম মন্দির—ধ্বজা উত্তোলনের প্রস্তুতি চলছে।

প্রসঙ্গত, মন্দির নির্মাণের প্রথম ধাপ ২০২২ সালে শেষ হয়েছিল; এরপর ধাপে ধাপে কাজ চলছে এবং মূল নির্মাণ কার্যক্রম ২০২৪ সালেই সম্পন্ন হয়েছে। গর্ভগৃহে রামলালার মূর্তি স্থাপন করা হয়েছে এবং দ্বিতীয় তলায় বিভিন্ন ভাষায় রামায়ের প্রতিফলিত কাহিনি স্থান পেয়েছে। উপরন্তু মন্দির প্রাঙ্গণের আশপাশে মোট প্রায় ১৪টি ছোট মন্দিরও নির্মিত হয়েছে এবং এগুলোর নির্মাণকাজও শেষ করা হয়েছে।

ট্রাস্ট সূত্রে জানানো হয়েছে, উপাসনার উদ্দেশ্যে প্রাঙ্গণ পর্যায়ক্রমে খুলে দেওয়া হবে; এর পর থেকেই ভক্ত-পর্যটকদের আগমন বৃদ্ধি পাবে—এ পর্যন্ত মন্দিরে আনুমানিক সাত কোটি দর্শনার্থীর সমাগম হয়েছে বলে অফিসিয়াল রিপোর্টে উল্লেখ আছে। অনুষ্ঠানটি পাঁচ দিনব্যাপী থাকবে এবং চূড়ান্ত দিনে প্রধান অতিথির মাধ্যমে ধ্বজা উত্তোলন সম্পন্ন হবে।

ট্রাস্ট এবং স্থানীয় প্রশাসন ইতিমধ্যেই অনুষ্ঠানের নিরাপত্তা, ভ্রমণ ও ওঠাবসার ব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্য সমন্বয় করছে। মন্দির প্রাঙ্গণে স্থায়ী ও অস্থায়ী প্ল্যাটফর্ম, দর্শক প্রবেশের পথ এবং ধর্মীয় অনুষ্ঠান চলাকালীন ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা করা হয়েছে যাতে ভক্তদের আগমন-প্রবাহ সুষ্ঠুভাবে নিয়ন্ত্রিত হতে পারে।

#অযোধ্যা #রামমন্দির #ধ্বজাউত্তোলন #নরেন্দ্রমোদী #শ্রীরামজন্মভূমি

উচ্চ মাধ্যমিক দ্বিতীয় সেমেস্টার পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে, শিক্ষকরা প্রকাশ করছেন উদ্বেগ

উচ্চ মাধ্যমিক দ্বিতীয় সেমেস্টার পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে, শিক্ষকরা প্রকাশ করছেন উদ্বেগ

উচ্চ মাধ্যমিক দ্বিতীয় সেমেস্টার পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে, শিক্ষকরা প্রকাশ করছেন উদ্বেগ

আসন্ন বিধানসভা ভোটের পরিপ্রেক্ষিতে উচ্চ মাধ্যমিকের দ্বিতীয় সেমেস্টারের পরীক্ষা আগেভাগে নেওয়া হচ্ছে। সেমেস্টার পদ্ধতির নিয়ম অনুযায়ী ছয় মাস পঠনপাঠনের পর পরীক্ষা হওয়ার কথা। প্রথম সেমেস্টারের পরীক্ষা শেষ হয়েছিল ২২ সেপ্টেম্বর। বিধি অনুযায়ী দ্বিতীয় সেমেস্টারের পরীক্ষা ১৬ মার্চ থেকে শুরু হওয়ার কথা থাকলেও, ভোটের কারণে তা ফেব্রুয়ারিতে এগিয়ে আনা হচ্ছে।

এই সিদ্ধান্ত শিক্ষক মহলে উদ্বেগ তৈরি করেছে। কারণ, পুরো সিলেবাস শেষ করার জন্য সময় সীমিত। অক্টোবর মাসে স্কুল বন্ধ থাকায় শিক্ষকরা মাত্র তিন মাস সময় পাবেন। সরকারি ভাবে পঠনপাঠন শুরু হবে ২৫ অক্টোবর। ফলে দ্বাদশ শ্রেণির সিলেবাস সম্পূর্ণ করা কঠিন হয়ে পড়ছে। শিক্ষকরা সিলেবাস কমানো বা পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা প্রস্তুতি
উচ্চ মাধ্যমিকের দ্বিতীয় সেমেস্টারের পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে শিক্ষকরা উদ্বিগ্ন।

নারায়ণদাস বাঙ্গুর স্কুলের প্রধান শিক্ষক সঞ্জয় বড়ুয়া বলেন, “নভেম্বর থেকে ক্লাস শুরু হলেও হাতে মাত্র ৯০ দিন সময় থাকবে। এ সময়ের মধ্যে সিলেবাস শেষ করা কঠিন।“ পার্ক ইনস্টিটিউশনের প্রধান শিক্ষক সুপ্রিয় পাঁজা বলেন, “এত কম সময়ে নতুন সিলেবাস অনুযায়ী প্রাকটিক্যাল ও থিওরির পাঠ শেষ করা সম্ভব নয়। শিক্ষা সংসদকে উচিত পড়ুয়ার কথা ভেবে সিলেবাস কমানো বা পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়া।“

নভেম্বর মাসে ক্লাস শুরু হলেও ৩-১৩ নভেম্বর মাধ্যমিকের টেস্ট, ডিসেম্বরের প্রথম ও দ্বিতীয় সপ্তাহে পঞ্চম থেকে নবম শ্রেণির সামিটিভ পরীক্ষা, শীতের ছুটি, যুব দিবস, নেতাজি জয়ন্তী, সাধারণতন্ত্র দিবসসহ নানা সরকারি অনুষ্ঠান এবং বার্ষিক ক্রীড়া ও সরস্বতী পুজোর কারণে ক্লাসের সময় সীমিত হবে। ফলে শিক্ষার্থীরা প্রায় ৭০-৭৫ দিন পড়াশোনা করতে পারবে।

উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ পরীক্ষা বা সিলেবাস পরিবর্তনের বিষয়ে ইতিমধ্যেই স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে। শিক্ষা সংসদের সচিব প্রিয়দর্শনী মল্লিক বলেন, “ছাত্রছাত্রীরা নিয়মিত পড়াশোনা করুক। পরীক্ষার কোনো অসুবিধা যাতে না হয়, সেই বিষয়ে আমরা সর্বদা নজর রাখছি। এই মুহূর্তে পরীক্ষা বা সিলেবাস পরিবর্তন করার সুযোগ নেই।”

#উচ্চমাধ্যমিক #দ্বিতীয়সেমেস্টার #পরীক্ষা #শিক্ষাব্যবস্থা #সিলেবাসউদ্বেগ

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

Featured post

Y বাংলা ব্যুরো: ভোটার তালিকা সংশোধনে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডে না নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা সংশোধন (SIR, ২০২৬) প্রক্রিয়ায় ম...

Search This Blog