Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Wednesday, 3 September 2025

কে সি আর এর কন্যার ইস্তফা

বিআরএস থেকে কেসিআরের কন্যা কবিতা ইস্তফা

ব্রেকিং নিউজ: কেসিআরের কন্যা কবিতা বিআরএস থেকে ইস্তফা, দলের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে!

বিআরএস থেকে কেসিআরের কন্যা কবিতা ইস্তফা

দলের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে

ভারত রাষ্ট্র সমিতি (বিআরএস) থেকে ইস্তফা দিলেন দলের শীর্ষ নেতা কে চন্দ্রশেখর রাও (কেসিআর)-এর কন্যা, কবিতা। একই সঙ্গে তিনি বিধান পরিষদের সদস্যপদও ছেড়েছেন। বিধান পরিষদের চেয়ারম্যানের কাছে তিনি এক লাইনের ইস্তফাপত্র পাঠিয়েছেন।

মঙ্গলবারই বিআরএস থেকে নিলম্বিত (সাসপেন্ড) করা হয় কবিতাকে। দলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, কবিতার সাম্প্রতিক আচরণ ও দলবিরোধী কার্যকলাপে ক্ষতি হচ্ছিল বিআরএসের।

পটভূমি

তেলঙ্গানায় রেবন্ত রেড্ডির কংগ্রেস সরকার কেসিআরের জমানায় কলেশ্বরম সেচ প্রকল্পে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে সদ্য সিবিআই তদন্ত ঘোষণা করেছে।

গতকাল কবিতা অভিযোগ তোলেন, বিআরএসের দুই নেতা—তাঁর তুতো ভাই টি হরিশ রাও এবং জে সন্তোষ কুমার—গোদাবরীর ওই প্রকল্প ঘিরে কেসিআরের ভাবমূর্তি নষ্ট করছেন।

এরপরই দলের দুই সাধারণ সম্পাদক, টি রবীন্দ্র রাও এবং সোম ভরত কুমার জানান, কবিতাকে অবিলম্বে নিলম্বিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কেসিআর।

দলের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব

- গত মে মাসে কবিতার একটি চিঠি ফাঁস হয়, যা দলের অভ্যন্তরীণ সমস্যার ইঙ্গিত দিচ্ছিল।

- দলের নেতাদের একাংশের নাম না করে নিয়মিত তোপ দেগে আসছিলেন কবিতা।

- তিনি ‘তেলঙ্গানা জাগ্রুতি’ নামে নিজস্ব সাংস্কৃতিক সংস্থার মাধ্যমে রাজনৈতিক কর্মসূচিও চালাচ্ছিলেন।

- আমেরিকায় বসে নিলম্বনের খবর পান কবিতা। তার পরেই তিনি ইস্তফা দেন।

মূল তথ্যের পয়েন্টে

  • কেসিআরের কন্যা কবিতা বিআরএস থেকে ইস্তফা দিলেন
  • বিধান পরিষদের সদস্যপদও ছাড়লেন
  • দলবিরোধী আচরণের অভিযোগে নিলম্বিত করা হয়েছিল
  • কলেশ্বরম সেচ প্রকল্প সংক্রান্ত দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে এসেছে
  • দলের অভ্যন্তরীণ চিঠি ও নিজের সাংস্কৃতিক সংস্থা ব্যবহার করে রাজনৈতিক কার্যক্রম
হ্যাশট্যাগ: #কবিতা #বিআরএস #কেসআর #তেলঙ্গানা #রাজনীতি #ইস্তফা

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

দুই এলাকায় ভোটার তালিকায় নাম! পবন খেরার বিরুদ্ধে বিজেপির অভিযোগ, কী বলছে কমিশন?

পবন খেরাকে EC-র নোটিশ — দ্বৈত ভোটার তালিকার অভিযোগ
দ্বৈত ভোটার বিতর্কে পবন খেরাকে নোটিশ | ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে | নির্বাচন কমিশনের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন | রাজনৈতিক মহলে তুমুল বিতর্ক |

পবন খেরাকে EC-র নোটিশ — দ্বৈত ভোটার তালিকার অভিযোগ

দিল্লির দুই ভিন্ন নির্বাচনী এলাকায় ভোটার হিসেবে নাম থাকায় কংগ্রেস নেতা পবন খেরাকে নোটিশ জারি করল নির্বাচন কমিশন।

নতুন দিল্লি: কংগ্রেস মুখপাত্র পবন খেরার বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ উঠল। দিল্লির দুই ভিন্ন বিধানসভা এলাকায় ভোটার হিসাবে নাম থাকায় তাঁকে নোটিশ পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন। আইন অনুযায়ী, একই ব্যক্তি একাধিক নির্বাচনী এলাকায় ভোটার হতে পারেন না।

📌 হাইলাইট:

৮ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টার মধ্যে ব্যাখ্যা দিতে হবে খেরাকে। না হলে আইনি পরিণতি ভোগ করতে হতে পারে।

নোটিশের কারণ

Representation of the People Act, 1950-এর ১৭ ও ১৮ ধারায় বলা আছে, একজন নাগরিক কেবল একটিমাত্র নির্বাচনী এলাকায় ভোটার হতে পারবেন। এর ব্যতিক্রম ঘটালে এক বছরের কারাদণ্ড, জরিমানা বা উভয় শাস্তি হতে পারে।

খেরার প্রতিক্রিয়া

পবন খেরা দাবি করেছেন, তিনি ২০১৬ সালে নিউ দিল্লি এলাকার ভোটার তালিকা থেকে নাম মুছে দেওয়ার জন্য আবেদন করেছিলেন। কিন্তু নির্বাচন কমিশন সেই আবেদন কার্যকর করেনি। তাই এই পরিস্থিতির জন্য তিনি কমিশনকেই দায়ী করছেন।

সম্ভাব্য পরিণতি

  • একই ব্যক্তির নামে একাধিক ভোটার তালিকায় নাম থাকা আইনত অপরাধ।
  • ৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ব্যাখ্যা না দিলে খেরার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ হতে পারে।
  • বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে।

রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট

এই অভিযোগ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক তুঙ্গে। বিরোধীরা অভিযোগ তুলছে নির্বাচন কমিশনের গাফিলতির বিরুদ্ধে। অন্যদিকে, বিজেপি দাবি করছে কংগ্রেস নেতারাই নিয়ম ভাঙছেন। ফলে এই ইস্যুতে দিল্লির রাজনীতি গরম হয়ে উঠেছে।

💡 উপসংহার:

পবন খেরার এই নোটিশ কেবল ব্যক্তিগত নয়, বরং নির্বাচন কমিশনের কার্যকারিতা ও ভোটার ডেটার স্বচ্ছতা নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলেছে।

হ্যাশট্যাগ:
#পবনখেরা #কংগ্রেস #দ্বৈতভোটার #ECNotice #DelhiElection #VoterFraud #ElectionCommission #BreakingNews #IndianPolitics

ট্রাম্পের ২০০% শুল্ক হুঁশিয়ারি ভারতীয় ওষুধ শিল্পে চাপের আশঙ্কা

ট্রাম্পের ২০০% শুল্ক হুঁশিয়ারি — ভারতীয় ওষুধ শিল্পে চাপ
ট্রাম্পের শুল্কনীতি নিয়ে বিশ্বজুড়ে আলোড়ন | ভারতীয় ফার্মা শিল্পে অনিশ্চয়তা | মার্কিন বাজারে জেনেরিক ওষুধের দাম বাড়ার আশঙ্কা | নিম্নবিত্ত রোগীদের উপর সবচেয়ে বেশি প্রভাব |

ট্রাম্পের ২০০% শুল্ক হুঁশিয়ারি — ভারতীয় ওষুধ শিল্পে চাপের আশঙ্কা

ভারতীয় জেনেরিক ওষুধ আমদানির উপর যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য ২০০% শুল্ক আরোপের হুমকি — দাম ও সরবরাহে বিপর্যয় ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, বিদেশ থেকে আমদানিকৃত ওষুধের উপর ২০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করা হতে পারে। যদিও আপাতত কিছু শর্তসাপেক্ষে ছাড় দেওয়া হচ্ছে, তবে শর্ত না মানলে কার্যকর হবে এই উচ্চ শুল্কনীতি।

📌 হাইলাইট:

২০০% শুল্ক বসলে আমেরিকায় ওষুধের দাম ১০–১৪% পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে — সবচেয়ে বেশি ভুগবেন নিম্নবিত্ত পরিবার ও বৃদ্ধ রোগীরা।

ভারতের ফার্মা ইন্ডাস্ট্রির উদ্বেগ

বিশ্বব্যাপী সাশ্রয়ী মূল্যের জেনেরিক ওষুধ সরবরাহের অন্যতম উৎস হল ভারত। বর্তমানে আমেরিকার ওষুধ আমদানির প্রায় ৬% আসে ভারত থেকে। ফলে ট্রাম্প প্রশাসনের এই নীতি কার্যকর হলে ভারতের ২৫ বিলিয়ন ডলারের ওষুধ রফতানি শিল্প বড়সড় ধাক্কা খেতে পারে।

কেন এই সিদ্ধান্ত?

মার্কিন প্রশাসনের দাবি, অতিরিক্ত আমদানিনির্ভরতা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। তাই দেশীয় ওষুধ উৎপাদন বাড়াতে তারা বিদেশি ওষুধের উপর কড়া শুল্ক বসানোর পরিকল্পনা করছে। কোভিড-১৯ অতিমারীর সময় যুক্তরাষ্ট্র আমদানিনির্ভরতার বড়সড় সমস্যা টের পেয়েছিল।

সম্ভাব্য প্রভাব

  • ভারতীয় ফার্মা কোম্পানিগুলির রফতানি আয় মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
  • আমেরিকায় জেনেরিক ওষুধের দাম বেড়ে যাবে ১০–১৪% পর্যন্ত।
  • নিম্নবিত্ত ও বৃদ্ধ রোগীরা ওষুধের বাড়তি খরচে সবচেয়ে বেশি চাপে পড়বেন।
  • ওষুধ সরবরাহে ঘাটতি তৈরি হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মত

ওষুধ নীতি বিশেষজ্ঞদের মতে, ট্রাম্প প্রশাসনের প্রস্তাব কার্যকর হলে কেবল ভারতের নয়, বৈশ্বিক ওষুধ সরবরাহ ব্যবস্থাই বিপর্যস্ত হতে পারে। কারণ বহু প্রয়োজনীয় ওষুধ ভারতীয় ইনপুট বা জেনেরিকের উপর নির্ভরশীল।

💡 উপসংহার:

ট্রাম্পের এই ২০০% শুল্ক হুঁশিয়ারি শুধু ভারতের রফতানি নয়, আমেরিকার স্বাস্থ্যব্যবস্থার উপরও বড়সড় চাপ তৈরি করতে পারে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

বিজেপি কর্মী রাকেশ গ্রেপ্তার

গ্রেফতার রাকেশ সিং — বিস্তারিত প্রতিবেদন
ব্রেকিং: কংগ্রেস দফতরে ভাঙচুরের ঘটনায় বিজেপি নেতা রাকেশ সিং গ্রেফতার — ট্যাংরা থেকে আটক, এন্টালি থানায় আনা হয়েছে।

কংগ্রেস দফতরে ভাঙচুর মামলায় বিজেপি নেতা রাকেশ সিং গ্রেফতার

পাঁচ দিন ধরে চলা নাটকীয় পরিস্থিতির পর অবশেষে ট্যাংরা এলাকার একটি ফ্ল্যাট থেকে তাঁকে আটক করে এন্টালি থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

📍 স্থান: ট্যাংরা, কলকাতা
🚓 থানা: এন্টালি
⚖️ বর্তমান অবস্থা: আজ আদালতে হাজির

কংগ্রেস দফতরে ভাঙচুর ও বিশৃঙ্খলার অভিযোগে বিজেপি নেতা রাকেশ সিং-এর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের পর থেকেই শুরু হয়েছিল তল্লাশি অভিযান। পুলিশের তৎপরতা সত্ত্বেও তিনি প্রথমদিকে অধরা থাকলেও অবশেষে গভীর রাতে ট্যাংরা এলাকার একটি ফ্ল্যাট থেকে তাঁকে আটক করা হয়। এরপর তাঁকে নিয়ে আসা হয় এন্টালি থানায়

রাকেশ সিংয়ের গ্রেপ্তারকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে তীব্র তরজা। বিজেপি শিবিরের দাবি, তাঁকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যদিকে কংগ্রেস ও তৃণমূল শিবিরের দাবি, আইন অনুযায়ী তাঁর শাস্তি হওয়া উচিত।

“এই গ্রেপ্তার আমার রাজনৈতিক জীবনের একটি গর্বের মুহূর্ত। জনগণের জন্য লড়াই করতে গিয়েই আমি আজ গ্রেপ্তার।” — রাকেশ সিং

পুলিশি সূত্র

পুলিশ জানিয়েছে, রাকেশ সিংয়ের বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় মামলা রুজু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ভাঙচুর, অবৈধ জমায়েত এবং অশান্তি ছড়ানোর অভিযোগ আনা হয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। তদন্তকারী অফিসারদের মতে, আরও কয়েকজন অভিযুক্তের নাম সামনে আসতে পারে।

আজকের কার্যক্রম

আজ তাঁকে আদালতে পেশ করা হবে। আদালতে পুলিশ রিমান্ডের আবেদন জানাতে পারে বলে অনুমান। এরই মধ্যে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে, এবং স্থানীয় থানায় নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে।

রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া

ঘটনার পর থেকেই রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে পারস্পরিক দোষারোপ চলছে। কংগ্রেসের বক্তব্য, “যে দফতরে হামলা হয়েছে, সেটি গণতন্ত্রের উপর সরাসরি আঘাত।” বিজেপি অবশ্য অভিযোগ করেছে, বিরোধী কণ্ঠরোধ করতেই এই পদক্ষেপ।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

🏷️ হ্যাশট্যাগ:
#গ্রেফতার #রাকেশসিং #বিজেপি #কংগ্রেসদফতর #ভাঙচুর #রাজনীতি #কলকাতাখবর #ব্রেকিংনিউজ #আজকেরখবর #বাংলাখবর
#RakeshSingh #BJP #CongressOffice #KolkataNews #BreakingNews #PoliticalNews #IndiaPolitics #NewsUpdate #CourtCase #WestBengal

Tuesday, 2 September 2025

“দাগি তালিকার ছায়া: গ্রুপ সি–ডির ভবিষ্যৎ কি অজানাই রইল?”

এসএসসি গ্রুপ সি-ডি আদালত অবমাননার শুনানি পিছোল 📰 সুপ্রিম কোর্টে এসএসসি গ্রুপ সি ও ডি আদালত অবমাননার শুনানি পিছোল | নবম–দশম, একাদশ–দ্বাদশের ‘দাগি’ তালিকা প্রকাশ | ৭ ও ১৪ সেপ্টেম্বরের পরীক্ষায় বসতে পারবেন না ‘দাগি’ প্রার্থীরা | এখনও গ্রুপ সি ও ডি তালিকা প্রকাশ হয়নি

⚖️ এসএসসি গ্রুপ সি, গ্রুপ ডি আদালত অবমাননার শুনানি আবার পিছোল সুপ্রিম কোর্টে

মঙ্গলবার নির্ধারিত ছিল শুনানি, সময়ের অভাবে স্থগিত। আগামী মঙ্গলবার মামলাটি শোনা হবে।

এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কলকাতা হাই কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল যে, ‘দাগি অযোগ্য’ চাকরিপ্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করে চাকরি বাতিল করতে হবে এবং তাঁদের বেতনও ফেরত দিতে হবে। নবম–দশম, একাদশ–দ্বাদশ শ্রেণির ‘দাগি’ শিক্ষকদের তালিকা ইতিমধ্যেই প্রকাশ করেছে এসএসসি। যদিও এখনও তাঁদের বেতন ফেরত দিতে হয়নি। সুপ্রিম কোর্ট হাই কোর্টের রায় বহাল রাখে।

তবে গ্রুপ সি, গ্রুপ ডি-র ‘দাগি’ প্রার্থীদের তালিকা এখনও প্রকাশ করা হয়নি। সেই কারণেই আদালত অবমাননার মামলা করা হয়েছিল বঞ্চিত চাকরিপ্রার্থীদের একাংশের তরফে। মামলাকারীদের আইনজীবী ফিরদৌস শামিম জানিয়েছেন, মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে নির্ধারিত শুনানি সময় না থাকায় পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। আগামী মঙ্গলবার মামলাটি শোনা হবে।

📝 সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী:
✅ গত সপ্তাহেই এসএসসি ‘দাগি অযোগ্য’দের তালিকা প্রকাশ করেছে, যেখানে মোট ১৮০৬ জনের নাম রয়েছে।
✅ আগামী ৭ এবং ১৪ সেপ্টেম্বরের পরীক্ষায় বসতে পারবেন না এই ‘দাগি’ প্রার্থীরা।
✅ এখনও গ্রুপ সি, গ্রুপ ডি-র তালিকা প্রকাশ হয়নি, সেটিই এখন বিতর্কের মূল বিষয়।

🔎 মূল পয়েন্টসমূহ:

  • গ্রুপ সি–ডি আদালত অবমাননার শুনানি পিছিয়ে গেল সুপ্রিম কোর্টে।
  • আগামী মঙ্গলবার মামলাটি শোনা হবে।
  • ১৮০৬ জনের নাম ‘দাগি’ তালিকায় প্রকাশ করেছে এসএসসি।
  • ৭ ও ১৪ সেপ্টেম্বরের পরীক্ষায় বসতে পারবেন না ‘দাগি’ প্রার্থীরা।
  • গ্রুপ সি ও ডি প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশে বিলম্ব নিয়েই মামলা।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

দাগি' তালিকায় অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্বাচনী এজেন্টের স্ত্রী!

দাগি' তালিকায় অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্বাচনী এজেন্টের স্ত্রী! 📰 দাগি' তালিকায় অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্বাচনী এজেন্টের স্ত্রী শ্রাবন্তী বন্দ্যোপাধ্যায়! | স্কুল জানাল—‘দাগি’ তালিকায় নাম থাকায় দায়িত্বে নেই তিনি | দীপক দেবশর্মা আশঙ্কা করছেন—কোনও অঘটন না ঘটে | বিশেষজ্ঞদের মত—বিষয়টিকে রাজনৈতিকভাবে কাজে লাগাতে পারে তৃণমূল কংগ্রেস

📰 দাগি' তালিকায় অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্বাচনী এজেন্টের স্ত্রী!

প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্বাচনী এজেন্ট দীপক দেবশর্মা-র স্ত্রী শ্রাবন্তী বন্দ্যোপাধ্যায় রয়েছেন এসএসসি-র ‘দাগি’ তালিকায়

নেকুরসিনি বিবেকানন্দ বিদ্যাভবনের ইতিহাসের শিক্ষিকা শ্রাবন্তীর নাম ওই তালিকায় উঠে আসার পর থেকে তিনি স্কুলে যাচ্ছেন না। স্কুল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ‘দাগি’ তালিকায় নাম থাকায় শ্রাবন্তী বন্দ্যোপাধ্যায় আপাতত দায়িত্ব পালন করছেন না।

দীপক দেবশর্মা বলেছেন — “আমার স্ত্রী ভেঙে পড়েছে। আমি ভয় পাচ্ছি, কোনও অঘটন না ঘটে।”

রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই ঘটনাকে ঘিরে তৃণমূল কংগ্রেস রাজনৈতিকভাবে ফায়দা তুলতে পারে।

📢 আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন

সর্বশেষ খবর, লাইভ আপডেট ও এক্সক্লুসিভ কনটেন্ট পেতে এখনই আমাদের WhatsApp গ্রুপ এবং Facebook পেজে যুক্ত হোন।

🔔 প্রতিদিনের সর্বশেষ আপডেট মিস করতে না চাইলে আজই যুক্ত হোন!

কলকাতা আবার অন্ধকারে — একবছরের মধ্যেই বাতিল হল রাত্রিকালীন

কলকাতা মেট্রো: দমদম–শহিদ ক্ষুদিরামের রাত্রিকালীন পরিষেবা বন্ধ
🔴 জরুরি
দমদম–শহিদ ক্ষুদিরামের রাত্রিকালীন মেট্রো পরিষেবা এক বছরেই বন্ধ — ৩ সেপ্টেম্বর থেকে আর রাত ট্রেন নেই।
বিস্তারিত

কলকাতা মেট্রো আবার রাতের অন্ধকারে: দমদম–শহিদ ক্ষুদিরামের নৈশসেবা বন্ধ

এক বছর আগে যাত্রী সুবিধার জন্য চালু করা বিশেষ রাত্রিকালীন মেট্রো পরিষেবা আর সফল হত না — ৩ সেপ্টেম্বর থেকে তা রদ।

কলকাতা মেট্রো কর্তৃপক্ষ ঘোষণা করেছে, ব্লু লাইনের দমদম থেকে শহিদ ক্ষুদিরামের মধ্যে যে রাত্রিকালীন বিশেষ সার্ভিস চালু করা হয়েছিল— তা আগামী ৩ সেপ্টেম্বর (বুধবার) থেকে বন্ধ থাকবে। এক বছরের মধ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেয়ার কারণ হিসেবে মেট্রো কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে 'অপ্রত্যাশিত কম যাত্রী ও অতিরিক্ত খরচ'।

২০২৪ সালের জুনে মেট্রো সূত্রে জানা গিয়েছিল ব্লু লাইনে শেষ মেট্রো সময় বাড়িয়ে রাত ১১টা করা হবে এবং দমদম–কবি সুভাষের (বা শহিদ ক্ষুদিরাম পর্যন্ত) মধ্যে একটি অতিরিক্ত জোড়া সার্ভিস চালানো হবে। তখন শহরের রাতে চলাফেরা করে এমন যাত্রীদের মধ্যে খুশির স্রোত দেখা যায়।

কিন্তু মালিকপক্ষ অল্প দিনেই সময়সূচি বদল করে— প্রথমে শেষ মেট্রোকে রাত ১০টা ৪০ মিনিটে নামিয়ে আনা হয়। তার পরে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয় অতিরিক্ত খরচ এবং তুলনায় 'খুবই কম আয়'— এই যুক্তিতেই রাত্রিকালীন পরিষেবার ব্যাপারে আশাব্যঞ্জক সংখ্যক যাত্রী না দেখা যায়। ফলে কলকাতা মেট্রো পর্যায়ে পুনর্বিবেচনা শুরু হয়।

অতিরিক্ত ভাড়া ধার্য করা হয়েছিল— চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে রাত্রিকালীন বিশেষ সার্ভিসে প্রতিটি টিকিটে ১০ টাকা সারচার্জ বসানো হয়। তবু অপেক্ষাকৃত কম যাত্রী ও অপ্রতুল রাজস্ব রুট বন্ধের সিদ্ধান্তকে ত্বরান্বরিত করে।

সাধারণ যাত্রীদের অভিমত শতভাগ ভিন্ন— এক তারা বলছেন, “শেষ সার্ভিস আর বিশেষ সার্ভিসের মধ্যে এত ফারাক থাকায় আমাদের কোনো উপকার হচ্ছে না; আমরা ৯টা ৪৫-এ মেট্রো না পেলে ৫৫ মিনিট বা বেশি দাঁড়িয়ে থাকতে হতো।” অনেকে মনে করেন সারচার্জ বাড়ানো হলেও সময়সূচি পরিবর্তন হলে সুবিধা ফিরছে না।

মেট্রো কর্তৃপক্ষের ভাষ্য— 'রাতের পরিষেবা চালানোতে অপারেটিং খরচ তুলনায় বেশি; যাত্রীসংখ্যা অপ্রতুল।' আর যাত্রী বলছেন, 'পরিষেবার সময়সূচি যদি বাস্তবে যাত্রী সুবিধা মাথায় রেখে ঠিক করা হতো, হয়তো ব্যবহার বাড়ত।' এই দ্বৈত দাবি শেষ সিদ্ধান্তে ফাঁক রেখে দিয়েছে উপযুক্ত সমাধানের প্রশ্ন।

অন্যানভাবে, রাতের মেট্রোর কেটে যাওয়ায় রাতের কাজে নিয়োজিত, হসপিটাল/ইমার্জেন্সি কর্মী, শিফট ভিত্তিক কর্মী ও রাতভ্রমণকারী যাত্রীদের চলাচলে অসুবিধা দেখা দেবে— বিশেষত যাঁরা রাতে বাড়ি ফিরতে পাতালরেল নির্ভর করতেন।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে মেট্রো কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ব্যবহার বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন বিকল্প পরীক্ষা করা হবে — সময়সূচি পুনর্মূল্যায়ন, বিশেষ টিকিট প্যাকেজ, বা নির্দিষ্ট দিনগুলোতে পরীক্ষা সেবা চালু করা হতে পারে; তবে সবকিছুই ওপেন টু রিভিউ।

জুন ২০২৪: ব্লু লাইনে রাত ১১টা পর্যন্ত শেষ মেট্রো করার ঘোষণা।
পরে ২০২৪: সময়সূচি বদল করে রাত ১০:৪০ করা হয়; সারচার্জ ১০ টাকা ধার্য।
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫: দমদম–শহিদ ক্ষুদিরামের রাত্রিকালীন বিশেষ সার্ভিস বন্ধ কার্যকর হবে।

শহরের রাতের চলাচল ও জনস্বাভাবিকতায় এই সিদ্ধান্ত কী প্রভাব ফেলবে— তা পর্যালোচনা করতে হবে। মেট্রো কর্তৃপক্ষ আর যাত্রীরা উভয়েই বলছেন, ভবিষ্যতে সঠিক সমন্বয়ের মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলানো যেতে পারে, তবে তা ছাড়া এই মুহূর্তে রাত্রিকালীন নির্ভরযোগ্য বিকল্পের অভাব স্পষ্ট।

নোট: এই প্রতিবেদন কেবল রিপোর্টিং রাজধানীসূত্রক — মেট্রো কর্তৃপক্ষ বা সংশ্লিষ্ট দফতরের অফিসিয়াল বিবৃতি পেতে চাইলে স্থানীয় অফিস/প্রেস রিলিজ চেক করুন।

উত্তরপ্রদেশে এক কোটি ভুয়ো ভোটারের হদিস , নির্বাচন কমিশন এর অন্তর দ্বন্দ্বে প্রকাশ

📢 ব্রেকিং নিউজ: বিহার NDA প্রচার বিতর্ক | কংগ্রেসের ৮৯ লক্ষ অভিযোগ

উত্তরপ্রদেশে ১ কোটি সন্দেহজনক ভোটারের হদিশ

উত্তরপ্রদেশে পঞ্চায়েত ভোটের আগে খোদ রাজ্য নির্বাচন কমিশনের অন্তর্তদন্তে উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। ভোটার তালিকায় হদিশ মিলল ১ কোটি সন্দেহজনক ভোটারের। সূত্রের খবর, কোনও কোনও ভোটারের ক্ষেত্রে নাম-সহ নানা তথ্য মিলে গেলেও ঠিকানা এবং ছবি সম্পূর্ণ আলাদা। আবার কারও কারও নাম একাধিকবার মিলেছে।

এই প্রথমবার উত্তরপ্রদেশে ভোটার তালিকা যাচাইয়ের জন্য ব্যবহার করা হয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI)। এই প্রযুক্তি দিয়েই প্রকাশ্যে এসেছে অনিয়ম। ইতিমধ্যেই জেলা শাসক ও ব্লক পর্যায়ের আধিকারিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তাঁরা যেন সন্দেহজনক ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে যাচাই করেন।

উত্তরপ্রদেশের নির্বাচন কমিশনার রাজ প্রতাপ সিং জানিয়েছেন— নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় এবার বিশেষভাবে ব্যবহার হবে AI এবং ফেস রেকগনিশন সিস্টেম। বিশেষত সংবেদনশীল বুথগুলিতে ভুয়ো ভোটার চিহ্নিত করতে এ প্রযুক্তি কাজে লাগবে।

অন্যদিকে, সম্প্রতি বিহারের খসড়া ভোটার তালিকাতেও হাজার হাজার ‘ভূতুড়ে’ ভোটারের হদিশ মিলেছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, উত্তরপ্রদেশের ভোটারদের নামও বিহারের ভোটার তালিকায় দেখা গিয়েছে। এ নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক মহলে চাপানউতোর শুরু হয়েছে।

বিরোধীদের অভিযোগ— বিজেপির রাজনৈতিক স্বার্থেই নির্বাচন কমিশনের ছত্রছায়ায় ভুয়ো ভোটারদের নাম তালিকায় ঢুকানো হচ্ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও আগেই এই ইস্যুতে সরব হয়েছিলেন। তাঁর অভিযোগ, ভুয়ো ভোটারদের ব্যবহার করেই ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটে সুবিধা নিতে চাইছে বিজেপি।

নির্বাচন কমিশনের SIR নিয়ে কংগ্রেসের পাল্টা দাবি: ৮৯ লক্ষ অভিযোগ নাকচ

নির্বাচন কমিশনের SIR নিয়ে কংগ্রেসের পাল্টা দাবি: ৮৯ লক্ষ অভিযোগ নাকচ

নির্বাচন কমিশন বলছে, বিহারের বিশেষ নিবিড় সংশোধন নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর হুল্লোড়ের আড়ালে প্রকৃত অভিযোগের অভাব। সঠিক তথ্য অনুযায়ী, কোনও রাজনৈতিক দল একটিও অভিযোগ দায়ের করতে পারেনি।

এবার পাল্টা সরব হয়েছে কংগ্রেস। দলের মুখপাত্র পবন খেরা দাবি করেছেন, বিহারের খসড়া ভোটার তালিকায় ত্রুটি তুলে ধরে দলের তরফে ৮৯ লক্ষ আবেদন জমা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেগুলির মধ্যে একটিও গ্রহণ করেনি নির্বাচন কমিশন।

খেরার দাবি, পুরো SIR প্রক্রিয়ায় বড়সড় গলদ রয়েছে। তিনি বলেন, দ্রুত এই গলদ মেটাতে পুরো প্রক্রিয়া নতুন করে সম্পন্ন করা হোক। কমিশনের নির্দেশ, রাজনৈতিক দল এভাবে অভিযোগ দায়ের করতে পারবে না; অভিযোগ করতে হবে ব্যক্তিগতভাবে।

বিরোধীদের অভিযোগ ছিল, বিহারের SIR থেকে লক্ষ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। কিন্তু কার্যক্ষেত্রে দেখা গেছে, ৬৫ লক্ষ ভোটারের মধ্যে মাত্র ১৩,০০০ নাগরিকই নিজের নামের জন্য আবেদন করেছেন। এর অধিকাংশই ব্যক্তিগতভাবে আবেদন করেছেন। রাজনৈতিক দলের তরফে কোনো আবেদন গ্রহণ হয়নি।

নির্বাচন কমিশনের প্রশ্ন, প্রকৃত ভোটারের নাম বাদ পড়লে তাঁরা কেন পুনরায় আবেদন করছেন না? বিহারে মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ৭ কোটি ৮৯ লক্ষ। বাদ পড়েছে ৬৫ লক্ষ ভোটার। কমিশনের হিসেব অনুযায়ী, এর মধ্যে ২২ লক্ষ মৃত, ৩৬ লক্ষ স্থানান্তরিত বা ঠিকানায় পাওয়া যায়নি, ৭ লক্ষের নাম একাধিক জায়গায় ছিল।

বিরোধীরা যুক্তি দেন, অনেক বৈধ ভোটারের কাছে হয়তো কমিশনের চাওয়া নথি নেই বা পৌঁছনো যাচ্ছে না। ফলে স্বতঃসিদ্ধভাবে তাদের নাম তালিকায় রাখা সম্ভব হয়নি। দ্রুত সমাধান না হলে পুরো প্রক্রিয়ায় বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে।

বীরভূম এর বিজেপির তাবড় নেতার স্ত্রী এর নাম রয়েছে দাগি দের লিস্টে ।

বীরভূমের বিজেপি নেতার স্ত্রীর নাম অযোগ্য শিক্ষকের তালিকায়, শীর্ষ নেতা মুখ খুললেন

বীরভূমের বিজেপি নেতার স্ত্রীর নামও রয়েছে স্কুল সার্ভিস কমিশনের প্রকাশিত অযোগ্য শিক্ষকদের তালিকায়। জানা গিয়েছে, তালিকায় ৬৫৩ নম্বরে নাম (রোল নম্বর - ১২২২১৬২৭০০০১১৫) রয়েছে বিজেপির বীরভূম জেলার কোষাধ্যক্ষ সুরজিৎ সরকারের স্ত্রী লক্ষ্মী বিশ্বাসের। লক্ষ্মী বিশ্বাস ছিলেন রামপুরহাটের কুশুম্বা হাইস্কুলের শিক্ষিকা।

এই ইস্যুতে সুরজিৎ সরকার জানিয়েছেন, তাঁরা ইতিমধ্যেই সিবিআই-এর দ্বারস্থ হয়েছেন। তিনি দাবি করেন, তাঁর স্ত্রীর প্রাপ্ত নম্বর ৮৩.৬৭ হলেও যোগ্যদের তালিকায় স্থান দেওয়া হয়নি, অথচ মেরিট পয়েন্ট ৭৭ পাওয়া শিক্ষকের নাম যোগ্যদের তালিকায় রয়েছে।

৩০ জুলাই ১৮০৬ জনের অযোগ্য শিক্ষকের তালিকা প্রকাশ করেছে এসএসসি। তালিকায় শাসক তৃণমূলের অনেকের নামও রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। এতে মন্ত্রীর মেয়ে, কাউন্সিলর, দাপুটে নেতা, জেলা পরিষদের সদস্য এবং অঞ্চল সভাপতিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের নাম উঠে এসেছে।

রিপোর্ট অনুযায়ী, মন্ত্রী পরেশ অধিকারীর কন্যা অঙ্কিতা অধিকারীর নাম রয়েছে। এছাড়া রাজপুর-সোনারপুর পুরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর কুহেলি ঘোষ, তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষের পুত্রবধূ শম্পা ঘোষ, হামিদুর রহমানের মেয়ে রোশনারা বেগম এবং কবিতা বর্মণও তালিকায় আছেন।

অন্যদের মধ্যে অজয় মাঝি (জলচকের তৃণমূল কংগ্রেসের অঞ্চল সভাপতি), হুগলির খানাকুলের তৃণমূল নেতা বিভাস মালিক এবং তাঁর স্ত্রীও রয়েছে। হিঙ্গলগঞ্জের তৃণমূল সভানেত্রীর মেয়ে প্রিয়াঙ্কা মণ্ডল এবং বালুরঘাটের কাউন্সিলর দীপান্বিতা দেব সিংহও অযোগ্যদের তালিকায় থাকেন।

খানাকুলের তৃণমূল নেতা নইমুল হকের স্ত্রী নমিতা আদক, হুগলির জেলা পরিষদের সদস্য সাহিনা সুলতানাও তালিকায় আছেন। এছাড়া বারাসাত ১ ব্লক সভাপতি মহম্মদ ইশা হক সর্দারের ছেলে মহম্মদ নাজিবুল্লার নামও রয়েছে।

অযোগ্যদের তালিকা প্রকাশের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। শাসক দলের সাথে যুক্ত অনেক পরিচিত নেতাদের নাম তালিকায় থাকায় বিতর্ক আরও জোরদার হয়েছে।

বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলেছেন বিজেপি নেতা সুরজিৎ সরকার। তিনি সাংবাদিকদের জানান, কিছু ব্যক্তিরা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে যোগ্যদের তালিকায় স্থান পেতে বাধা দিচ্ছে।

এসএসসি-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তালিকা যাচাইয়ের সময় সকল তথ্য নথিভুক্ত করা হচ্ছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অযোগ্যদের তালিকা ঘিরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক চাপের মধ্যে শিক্ষকদের ভবিষ্যত নিয়ে নানা প্রশ্ন উত্থাপিত হয়েছে। প্রতিটি অনিয়ম এবং বেআইনি পদক্ষেপকে খতিয়ে দেখা হবে, এমনটাই জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

Featured post

Y বাংলা ব্যুরো: ভোটার তালিকা সংশোধনে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডে না নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা সংশোধন (SIR, ২০২৬) প্রক্রিয়ায় ম...

Search This Blog