ট্রাম্পের ২০০% শুল্ক হুঁশিয়ারি — ভারতীয় ওষুধ শিল্পে চাপের আশঙ্কা
ভারতীয় জেনেরিক ওষুধ আমদানির উপর যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য ২০০% শুল্ক আরোপের হুমকি — দাম ও সরবরাহে বিপর্যয় ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, বিদেশ থেকে আমদানিকৃত ওষুধের উপর ২০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করা হতে পারে। যদিও আপাতত কিছু শর্তসাপেক্ষে ছাড় দেওয়া হচ্ছে, তবে শর্ত না মানলে কার্যকর হবে এই উচ্চ শুল্কনীতি।
২০০% শুল্ক বসলে আমেরিকায় ওষুধের দাম ১০–১৪% পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে — সবচেয়ে বেশি ভুগবেন নিম্নবিত্ত পরিবার ও বৃদ্ধ রোগীরা।
ভারতের ফার্মা ইন্ডাস্ট্রির উদ্বেগ
বিশ্বব্যাপী সাশ্রয়ী মূল্যের জেনেরিক ওষুধ সরবরাহের অন্যতম উৎস হল ভারত। বর্তমানে আমেরিকার ওষুধ আমদানির প্রায় ৬% আসে ভারত থেকে। ফলে ট্রাম্প প্রশাসনের এই নীতি কার্যকর হলে ভারতের ২৫ বিলিয়ন ডলারের ওষুধ রফতানি শিল্প বড়সড় ধাক্কা খেতে পারে।
কেন এই সিদ্ধান্ত?
মার্কিন প্রশাসনের দাবি, অতিরিক্ত আমদানিনির্ভরতা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। তাই দেশীয় ওষুধ উৎপাদন বাড়াতে তারা বিদেশি ওষুধের উপর কড়া শুল্ক বসানোর পরিকল্পনা করছে। কোভিড-১৯ অতিমারীর সময় যুক্তরাষ্ট্র আমদানিনির্ভরতার বড়সড় সমস্যা টের পেয়েছিল।
সম্ভাব্য প্রভাব
- ভারতীয় ফার্মা কোম্পানিগুলির রফতানি আয় মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
- আমেরিকায় জেনেরিক ওষুধের দাম বেড়ে যাবে ১০–১৪% পর্যন্ত।
- নিম্নবিত্ত ও বৃদ্ধ রোগীরা ওষুধের বাড়তি খরচে সবচেয়ে বেশি চাপে পড়বেন।
- ওষুধ সরবরাহে ঘাটতি তৈরি হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মত
ওষুধ নীতি বিশেষজ্ঞদের মতে, ট্রাম্প প্রশাসনের প্রস্তাব কার্যকর হলে কেবল ভারতের নয়, বৈশ্বিক ওষুধ সরবরাহ ব্যবস্থাই বিপর্যস্ত হতে পারে। কারণ বহু প্রয়োজনীয় ওষুধ ভারতীয় ইনপুট বা জেনেরিকের উপর নির্ভরশীল।
ট্রাম্পের এই ২০০% শুল্ক হুঁশিয়ারি শুধু ভারতের রফতানি নয়, আমেরিকার স্বাস্থ্যব্যবস্থার উপরও বড়সড় চাপ তৈরি করতে পারে।
📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন
📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।
👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে








0 comments:
Post a Comment
আপনার মতামত এর জন্য আপনাকে ধন্যবাদ 👇
👉 যদি মনে হয় বিষয়টা গুরুত্বপূর্ণ, পোস্টটি শেয়ার করুন 🔄নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন