Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Sunday, 7 September 2025

বাংলার রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ | মমতার 'অন্য' মন্তব্যে বামেরা কি ফিরছে?

বাংলার রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ | মমতার 'অন্য' মন্তব্যে বামেরা কি ফিরছে?

বাংলার রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ: মমতার ‘অন্য’ মন্তব্যে জল্পনা তুঙ্গে

Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক রিপোর্ট: বাংলার রাজনীতিতে যেন এক অদ্ভুত সমাপতন। বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছেন, বিরোধী আসনে আর বিজেপিকে দেখতে চান না, বরং তিনি চান “অন্য”রা আসুক। একই সময়ে, সেই “অন্য”রা অর্থাৎ বামফ্রন্ট আবার রাজপথে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে— নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে সরব হতে। আরও খবর পড়ুন , 14 হাজার এর বেশি কর্মী পদত্যাগ

বৃহস্পতিবারের বিশেষ অধিবেশনে প্রবল হইচইয়ের মাঝে মুখ্যমন্ত্রীকে বলতে শোনা যায়, আগামী দিনে বিধানসভায় তিনি তাঁর দলের আরও বেশি বিধায়ক দেখতে চান। নইলে, দেখতে চান “অন্যদের”, তবে বিজেপিকে নয়। পর্যবেক্ষক মহলের মতে, মুখ্যমন্ত্রীর এই ‘অন্য’ ইঙ্গিত মূলত বামেদের দিকেই।

এদিকে, একই সময়ে বামেরা নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে জেলায় জেলায় যাচাই-বাছাই শুরু করেছে। স্কুল সার্ভিস কমিশনের প্রকাশিত ১৮০৬ জন দাগি প্রার্থীর তালিকাকে কেন্দ্র করে তারা অভিযোগ করছে, আসল দুর্নীতির মাথাদের কাছে তদন্ত পৌঁছাচ্ছে না। সিপিআই(এম)-এর রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম জানিয়েছেন, কার টাকার ভাগ কার কাছে গেছে, সেটা জনগণের সামনে আনতে হবে। ছাত্র-যুব সংগঠনগুলোকে মাঠে নামতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

চাকরি দেওয়ার নামে যাদের থেকে টাকা তোলা হয়েছে, তাদের নাম-ধাম প্রকাশ করার জন্যও আহ্বান জানানো হয়েছে চাকরিহারাদের উদ্দেশে। এর ফলে আসন্ন ২০২৬-এর বিধানসভা ভোটে আবারও বামেরা নিজেদের জায়গা শক্ত করতে চাইছে।

রাজনৈতিক মহল বলছে, মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে স্পষ্ট যে তিনি বিজেপিকে মূল প্রতিপক্ষ হিসেবে রাখতে চান না। বরং বামেদের জায়গা খালি রাখতেও রাজি নন। প্রশ্ন উঠছে— তবে কি আবার বাংলার রাজনীতিতে বামফ্রন্টকে সামনে আনার কৌশল খুঁজে নিচ্ছে তৃণমূল?

একদিকে বিজেপি-বিরোধী অবস্থান, অন্যদিকে বামেদের পুনরুজ্জীবনের লড়াই— দুই সমান্তরাল রেখার মিলনের সম্ভাবনাই এখন রাজনীতির সবচেয়ে বড় আলোচনার বিষয়।

🔖 #বাংলা_রাজনীতি #মমতা_বন্দ্যোপাধ্যায় #বামফ্রন্ট #বিজেপি #নিয়োগ_দুর্নীতি #BreakingNews #PoliticalUpdate #WestBengal

Saturday, 6 September 2025

মতুয়া সমাজের ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত, শুভেন্দু অধিকারীর মহামিছিল ঘোষণা

মতুয়া সমাজের ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত, শুভেন্দু অধিকারীর মহামিছিল ঘোষণা

মতুয়া সমাজের ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত, শুভেন্দু অধিকারীর মহামিছিল ঘোষণা

মহুয়া মৈত্রের মন্তব্যে বিতর্ক, কৃষ্ণনগরে তফশিলি ও নমঃশূদ্রদের অংশগ্রহণে বিজেপির মিছিল

আকাশের কোণে কালো মেঘ দেখা দিয়েছিল আগেই। এবার মুষলধারায় বৃষ্টি শুরু হতে চলেছে। রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনেও উত্তাপ চলছে। মতুয়া সম্প্রদায়ের ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করার অভিযোগে মহুয়া মৈত্রের মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় বিজেপি রাজ্য সভাপতি ও বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারী কৃষ্ণনগরে মহামিছিলের কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন।

মহুয়া মৈত্রের বিতর্কিত মন্তব্য

সম্প্রতি বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য একটি ভিডিও পোস্ট করেন। সেখানে মহুয়া মৈত্রকে বলতে শোনা যায়, “সারাবছর তৃণমূলী, ভোটের সময় সনাতনী? আমরা লক্ষ্মীর ভান্ডারে ১ হাজার টাকা পেলে, তফশিলি জাতির মহিলারা ১২০০ টাকা পেয়ে থাকেন। অথচ, তফশিলি বুথে, নমঃশূদ্র বুথে, মতুয়া বুথে ১০০ টা ভোটের মধ্যে ৮৫ টি পায় বিজেপি। কাঠের মালা পরে তো সবাই চলে আসেন ভাতা নিতে।”

সমালোচনা ও প্রতিক্রিয়া

মহুয়ার এই মন্তব্যে সমালোচনা শুরু হয়। ঠাকুরবাড়ির মতুয়া শিবিরের একাংশ দাবি করে, তুলসির মালাকে মামুলি কাঠের মালা বলা হয়েছে, যা ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করেছে। প্রশ্নও ওঠে, সরকারি ভাতা নিলে শাসকদলকে ভোট দিতে হবে কি না। পরিস্থিতি সামাল দিতে ড্যামেজ কন্ট্রোলে নামেন মতুয়া ঠাকুরবাড়ির মমতাবালা ঠাকুর। মহুয়ার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লেখা হয়।

চিঠির বিষয়বস্তু

চিঠিতে বলা হয়, “সাংসদ মহুয়া মৈত্র মতুয়া, নমঃশূদ্র, তফশিলিদের বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা প্রাপ্তির বিষয়ে কটাক্ষ করেছেন। মতুয়াদের ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত লেগেছে। আপনি উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করুন।” চিঠির শেষে সুকেশচন্দ্র চৌধুরীর স্বাক্ষর থাকলেও উপরে মমতাবালা ঠাকুরের নামও উল্লেখ আছে।

রাজনৈতিক প্রভাব

মহুয়ার মন্তব্যে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী শনিবার ঘোষণা করেন, “সেপ্টেম্বর ১২ তারিখে কৃষ্ণনগরে মহামিছিল হবে। সেখানে আচারের ওই মালা পরে উপস্থিত থাকবেন মতুয়া ও নমঃশূদ্ররা।” রাজ্যের বিরোধী রাজনৈতিক মহলে ধারণা করা হচ্ছে, শুধু কৃষ্ণনগর বা উত্তর ২৪ পরগনা নয়, মতুয়া ভোটব্যাঙ্ক ছড়িয়ে রয়েছে একাধিক জেলায়।

  • মতুয়ারা যদি তৃণমূলের প্রতি বিরূপ হন, শাসকদলের জন্য ভোটের বিপদ তৈরি হতে পারে।
  • নাগরিকত্ব ও সংশোধিত নাগরিক আইনের প্রেক্ষিতে মতুয়ারা সক্রিয় হয়েছেন।
  • মহুয়ার বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ না নিলে তৃণমূল ছাব্বিশের ভোটে প্রভাবিত হতে পারে।
  • দলের অভ্যন্তরীণ সমীকরণে এখন মহুয়ার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া কঠিন।

সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূল সংসদীয় দলের কার্যক্রম চলছে। তবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে লোকসভার রাশ থাকায় মহুয়ার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই সুযোগে শুভেন্দু অধিকারী ‘মতুয়াগড়’কে লক্ষ্য করে রাজনৈতিক মহামিছিলের ঘোষণা দিয়েছেন।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

উপসংহার

মহুয়া মৈত্রের মন্তব্য ও তৎপরতা রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তাপ সৃষ্টি করেছে। শুভেন্দু অধিকারীর মহামিছিলের ঘোষণা ও মতুয়া-নমঃশূদ্রদের অংশগ্রহণ রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়াবে বলে মনে করা হচ্ছে। পরিস্থিতি সামলাতে তৃণমূল ও বিরোধী দলের কৌশল, ভোটব্যাঙ্ক এবং সামাজিক ভাবাবেগের সমন্বয় এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

© 2025 Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

"জাহ্নবীর ‘পরম সুন্দরী’ ঠাট্টার পর এবার নিজেই কটাক্ষের শিকার সোনম বাজওয়া"

জাহ্নবীর ‘পরম সুন্দরী’ নিয়ে সোনম বাজওয়ার কটাক্ষের ঘটনা

জাহ্নবীর ‘পরম সুন্দরী’ নিয়ে সোনম বাজওয়ার কটাক্ষের ঘটনা

সোশ্যাল মিডিয়ায় বিতর্ক, মজা করতে গিয়ে সোনমও হিরোইন জাহ্নবীর সমালোচনার মুখে

সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে জাহ্নবী কাপুরের নতুন ছবি ‘পরম সুন্দরী’। এই ছবিতে জাহ্নবীর অভিনয় নিয়ে নেটিজেনরা নানা রকম মন্তব্য করছেন। সেখানেই সামিল হয়েছেন সোনম বাজওয়াও, হাসির ইমোজি দিয়ে জাহ্নবীর অভিনয়কে হালকা ঠাট্টা করেছেন। তবে এই পোস্টের পর সোনম বাজওয়ার দিকে কটাক্ষ ও সমালোচনার ঝড় উঠেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

কী ঘটেছে?

সিদ্ধার্থ মালহোত্রার সঙ্গে জুটি বেঁধে ‘পরম সুন্দরী’ ছবিতে অভিনয় করেছেন জাহ্নবী। যদিও ছবির নায়িকার সাজ ও লুককে দর্শকরা প্রশংসা করেছেন, কিন্তু সংলাপ সঠিকভাবে বলার ক্ষেত্রে তার অভিনয় বেশিরভাগ নেটিজেনের কাছে সন্তোষজনক হয়নি। এই বিষয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা মন্তব্য ছড়িয়েছে।

একজন নেটিজেন লিখেছেন, “দক্ষিণী কন্যা হিসাবে সাজটি দারুণ মানিয়েছে, কিন্তু সংলাপ বলার ক্ষেত্রে উন্নতি দরকার।” সেখানে হাসির ইমোজি দিয়ে সোনম বাজওয়া তার সহমত প্রকাশ করেছেন। এতে বোঝা গেছে, সোনমও হালকা মজা করেছেন।

নেটিজেনদের প্রতিক্রিয়া

সোনমের এই মন্তব্য পরপরই বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। জাহ্নবীর অনুরাগীরা বিভিন্ন মন্তব্য করে সোনমকে সমালোচনা করেছেন। কিছু মন্তব্য:

  • “আপনার নিজের দিকে তাকানো উচিত। আপনি কতটা অভিনয় করতে পারেন সে বিষয়ে ধারণা আছে কি?”
  • “বলিউডের একজন তারকাসন্তান আর একজন বহিরাগত বন্ধু হয়ে উঠতে পারে না।”

সোনম বাজওয়ার প্রভাব

এই ঘটনায় সোনম বাজওয়ার সামাজিক ইমেজও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। আগামীতে মুক্তি পেতে চলেছে তার ছবি ‘বাগী ৪’, যেখানে তিনি টাইগার শ্রফের বিপরীতে অভিনয় করছেন। তাই সোশ্যাল মিডিয়ায় এই কটাক্ষের পরিপ্রেক্ষিতে আরও আলোচনা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

সংক্ষেপে

জাহ্নবীর ‘পরম সুন্দরী’ ছবি মুক্তির পর সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনা ও হাস্যরসের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। সোনম বাজওয়ার হালকা ঠাট্টা করা বিতর্কের সূত্রপাত করেছে, যা পরে ঝড়ের মতো ছড়িয়ে পড়েছে। এই ঘটনার ফলে বলিউডের সামাজিক মিডিয়া চর্চায় নতুন আলোচনার বিষয় হিসেবে উঠে এসেছে।

© 2025 Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ছত্তিসগঢ়ে একসঙ্গে ১৪ হাজারেরও বেশি এনএইচএম কর্মীর পদত্যাগ

ছত্তিসগঢ়ে একসঙ্গে ১৪ হাজারেরও বেশি এনএইচএম কর্মীর পদত্যাগ

ছত্তিসগঢ়ে একসঙ্গে ১৪ হাজারেরও বেশি এনএইচএম কর্মীর পদত্যাগ

ছত্তিসগঢ়ে জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের (National Health Mission - NHM) অধীনে কর্মরত বিপুল সংখ্যক চুক্তিভিত্তিক কর্মীর একযোগে পদত্যাগে রাজ্যে স্বাস্থ্য পরিষেবায় তীব্র সঙ্কট দেখা দিয়েছে। শুক্রবার হঠাৎ করেই প্রায় ১৪ হাজার কর্মী একসঙ্গে পদত্যাগপত্র জমা দেন। তাঁদের দাবি, বহু বছর ধরে একই পদে কর্মরত থাকলেও বেতন বৃদ্ধি এবং স্থায়ী নিয়োগের বিষয়টি সরকার বারবার এড়িয়ে যাচ্ছে।

আন্দোলনের সূচনা

জানা গিয়েছে, গত ১৮ অগস্ট থেকে এনএইচএম কর্মীরা তাঁদের বিভিন্ন দাবিদাওয়া নিয়ে আন্দোলন শুরু করেছিলেন। মূলত বেতন কাঠামোর সংস্কার, কাজের নিরাপত্তা ও স্থায়ী নিয়োগের নিশ্চয়তা—এই তিনটি বিষয়কে সামনে রেখে তাঁরা কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ চালাচ্ছিলেন। কর্মীদের দাবি, একই দায়িত্ব পালনের পরও স্থায়ী কর্মীদের তুলনায় তাঁরা অনেক কম বেতন পান।

বরখাস্তের প্রতিবাদে গণপদত্যাগ

অভিযোগ, আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়ার কারণে রাজ্য সরকার ২৫ জন কর্মীকে বরখাস্ত করে। এই ঘটনার পরই বাকি কর্মীরা ব্যাপক ক্ষোভে ফেটে পড়েন এবং একযোগে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন। তাঁদের বক্তব্য, সরকার যদি দাবি শোনার বদলে আন্দোলন ভাঙতে চাকরিচ্যুতির মতো পদক্ষেপ নেয়, তবে আর চাকরিতে থেকে কোনও লাভ নেই।

স্বাস্থ্য পরিষেবায় প্রভাব

এনএইচএম কর্মীরা রাজ্যের প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে শুরু করে জেলা ও ব্লক পর্যায়ের স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর মেরুদণ্ডস্বরূপ। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন নার্স, টেকনিশিয়ান, ওষুধ সরবরাহকারী, স্বাস্থ্যকর্মী ও বিভিন্ন কারিগরি সহায়তা প্রদানকারী কর্মী। একসঙ্গে এত বিপুল সংখ্যক কর্মীর পদত্যাগে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা পরিষেবা কার্যত অচল হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। গ্রামীণ ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে টিকা প্রদান, মাতৃসদন পরিষেবা, শিশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও জরুরি চিকিৎসা পরিষেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন।

কর্মীদের বক্তব্য

পদত্যাগী কর্মীরা জানিয়েছেন, তাঁদের লড়াই কেবল বেতন বৃদ্ধির জন্য নয়, বরং ন্যায্য মর্যাদা এবং কর্মসংস্থানের নিরাপত্তার জন্য। এক কর্মীর কথায়, “বছরের পর বছর চুক্তিভিত্তিক চাকরি করে যাচ্ছি। আমরা সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থার অবিচ্ছেদ্য অংশ হলেও, আমাদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত। সরকার প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবে কোনও পদক্ষেপ নেয়নি।”

সরকারের অবস্থান

এ বিষয়ে এখনও রাজ্য সরকারের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে প্রশাসনিক মহলে আলোচনা চলছে, কীভাবে এত বড় আকারের পদত্যাগের পর স্বাস্থ্য পরিষেবা চালু রাখা যায়। একাংশের মতে, দ্রুত আলোচনায় না বসলে পরিস্থিতি আরও জটিল হবে এবং সাধারণ মানুষই এর মূল ভুক্তভোগী হবেন।

উপসংহার

ছত্তিসগঢ়ে এনএইচএম কর্মীদের একযোগে পদত্যাগ কেবল একটি শ্রমিক আন্দোলন নয়, বরং স্বাস্থ্য খাতের দীর্ঘদিনের সমস্যা ও অবহেলার প্রতিফলন। এখন দেখার বিষয়, সরকার কত দ্রুত উদ্যোগ নিয়ে এই জটিল পরিস্থিতির সমাধান করে, নাকি রাজ্যের স্বাস্থ্যব্যবস্থা দীর্ঘমেয়াদি সঙ্কটে পড়বে।

© 2025 সংবাদ প্রতিবেদন | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

রবি রাতে রক্তবর্ণ চাঁদ: পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণে বিশ্ববাসীর নজর

রবি রাতে রক্তবর্ণ চাঁদ: পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণে বিশ্ববাসীর নজর | Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক

রবি রাতে রক্তবর্ণ চাঁদ: পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণে বিশ্ববাসীর নজর

আসছে রবিবার রাত আকাশে দেখা যাবে 'ব্লাড মুন' — পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ। বিজ্ঞান ও শাস্ত্রভিত্তিক পরামর্শ, কী করবেন ও কী করবেন না— সম্পূর্ণ রিপোর্ট।

প্রকাশ: Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক  | 

আসছে রবিবার রাত, আকাশে দেখা যাবে এক বিরল মহাজাগতিক দৃশ্য। রাতের আকাশে ফুটে উঠবে রক্তবর্ণ চাঁদ, যাকে বলা হয় ব্লাড মুন। বিজ্ঞানীদের মতে, রাত প্রায় ৯টা থেকে ভোররাত আড়াইটে পর্যন্ত চলবে এই পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ। আকাশ পরিষ্কার থাকলে ভারত-সহ বিশ্বের বহু জায়গা থেকেই খোলা চোখে দেখা যাবে এই মহাজাগতিক সৌন্দর্য। আরও খবর পড়ুন , রাহুল গান্ধীর আইন জীবী ফোন কলের পর আত্যহত্যা করলেন

পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ কীভাবে ঘটে?

চন্দ্রগ্রহণ ঘটে যখন পৃথিবী সূর্য ও চাঁদের মাঝখানে চলে আসে। তখন পৃথিবীর ছায়া সরাসরি চাঁদের উপর পড়ে এবং চাঁদ আংশিক বা সম্পূর্ণ অন্ধকার হয়ে যায়। পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণে চাঁদ সম্পূর্ণভাবে পৃথিবীর ছায়ায় ঢেকে যায়। কিন্তু সূর্যের আলো পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল পেরিয়ে গিয়ে চাঁদের উপর প্রতিফলিত হয়, ফলে তা রক্তবর্ণ হয়ে ওঠে।

বিজ্ঞানীদের দৃষ্টিতে এই ঘটনা

বিজ্ঞানীরা বলেন, পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ কেবলমাত্র একটি প্রাকৃতিক ঘটনা। এর সঙ্গে অশুভ বা কোনো বিপদের সম্পর্ক নেই। এটি মূলত আকাশ পর্যবেক্ষণের জন্য একটি দুর্দান্ত সুযোগ। তবে জ্যোতিষ শাস্ত্রবিদরা মনে করেন, এই সময় কিছু নিয়ম মেনে চললে নেতিবাচক প্রভাব থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

❌ কী করবেন না (Don’ts)

গ্রহণের সময় বাইরে কোথাও না যাওয়াই ভালো। নিজের ঘরে থাকুন; তবে ভুলেও ঘুমিয়ে পড়বেন না।
গ্রহণ চলাকালীন খাবার খাবেন না। এমনকি রান্নার প্রস্তুতিও না নেওয়াই উত্তম। (বিশ্বাস আছে — ছুরি-কাঁচি ব্যবহার বিপদের কারণ হতে পারে।)
শৌচালয়ে যাবেন না। গ্রহণের সময় স্নান বা মলমূত্র ত্যাগ না করাই শাস্ত্রীয় পরামর্শ।
দাঁত মাজবেন না। একইভাবে চুল বা দাড়ি আঁচড়ানো/কাটা থেকেও বিরত থাকতে বলা হয়।
খালি চোখে গ্রহণ দেখবেন না। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন—চোখের ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে।
গয়না পরিধান করবেন না। চন্দ্রগ্রহণের সময়ে অলঙ্কার শরীরে না রাখাই শ্রেয়।
গ্রহণ চলাকালীন পুজো করবেন না। শাস্ত্রীয়ভাবে এ রীতি প্রচলিত।

✅ কী করবেন (Do’s)

খাবার ও জলে তুলসি পাতা দিন। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী এতে নেতিবাচক প্রভাব কমে।
গোপাল মন্ত্র জপ করুন। এই সময় মন্ত্রপাঠ করা হলে শুভ ফল পাওয়ার কথাও শাস্ত্রে আছে।
ধ্যান করুন। মানসিক শান্তি ও ইতিবাচক শক্তি ধরে রাখতে গ্রহণের সময় ধ্যান উপকারী।
গ্রহণ শেষে স্নান করুন। অনেকের বিশ্বাস স্নানে শরীর-মন পবিত্র হয়।
দান-পুণ্য করুন। গ্রহণ-পরবর্তী সময়ে দানকে শাস্ত্রে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

কোথায় দেখা যাবে?

আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ভারত, বাংলাদেশ, নেপাল, শ্রীলঙ্কা-সহ এশিয়ার বহু দেশ থেকেই এই চন্দ্রগ্রহণ স্পষ্ট দেখা যাবে। এছাড়াও ইউরোপ, আফ্রিকা এবং আমেরিকার কয়েকটি অংশ থেকেও দেখা সম্ভব হবে।

🕘 সময়সূচি (ভারতীয় সময় অনুযায়ী)

গ্রহণ শুরু: রাত প্রায় ৯টা নাগাদ.

সর্বোচ্চ পর্যায়: রাত ১১টা থেকে সাড়ে ১১টার মধ্যে.

গ্রহণ শেষ: ভোররাত প্রায় ২:৩০ নাগাদ.

উপসংহার

চন্দ্রগ্রহণকে নিয়ে মানুষের মধ্যে নানা বিশ্বাস থাকলেও এটি আসলে এক অসাধারণ জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক ঘটনা। একদিকে বিজ্ঞানীরা এটিকে আকাশ পর্যবেক্ষণের জন্য একটি বড় সুযোগ হিসেবে দেখেন, অন্যদিকে জ্যোতিষীরা মনে করেন নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চললে অশুভ প্রভাব থেকে বেঁচে থাকা যায়। যেভাবেই দেখা হোক না কেন, রবিবার রাতের আকাশ নিঃসন্দেহে রক্তবর্ণ সৌন্দর্যের এক অপূর্ব সাক্ষী হবে।

Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক

আচমকা ফোন কলের পর আত্মঘাতী রাহুল গান্ধীর আইনজীবী, জোর চাঞ্চল্য রাজনৈতিক মহলে

রাহুল গান্ধীর প্রাক্তন আইনজীবী ফিরোজ পাঠানের আত্মহত্যা

রাহুল গান্ধীর প্রাক্তন আইনজীবী ফিরোজ পাঠানের রহস্যময় আত্মহত্যা, সুরাটে তোলপাড়

📰 Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো রিপোর্ট | প্রকাশিত: ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

গুজরাটের সুরাটে ঘটে গেল এক মর্মান্তিক ঘটনা। রাহুল গান্ধীর হয়ে দীর্ঘদিন আইনি লড়াই চালানো বিশিষ্ট আইনজীবী ফিরোজ পাঠান আত্মহত্যা করেছেন। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে তিনি তাপি নদীতে ঝাঁপ দেন বলে জানা গেছে। শুক্রবার সকালে তাঁর দেহ উদ্ধার হয় উভারত সৈকত এলাকায়। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই আইনজীবী মহল ও রাজনৈতিক অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

রহস্যময় ফোন কল ও শেষ মুহূর্তের ইঙ্গিত

আত্মহত্যার কয়েক ঘণ্টা আগে ফিরোজ তাঁর জুনিয়র আইনজীবী দীপককে ফোন করেন। ফোনে তিনি বলেন— “আমার কিছু হলে, আদালতের কাছে যে ব্রিজটা আছে, সেখানে এসো।” দীপক উদ্বিগ্ন হয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসা করেন, তিনি কোথায় আছেন। উত্তরে ফিরোজ শান্তভাবে জানান, তিনি অফিসেই আছেন। এই ফোন কলকে কেন্দ্র করে রহস্য আরও ঘনীভূত হয়েছে।

পারিবারিক অশান্তি ও আর্থিক সংকট

পরিবার ও বন্ধুদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই ফিরোজ মানসিক চাপে ভুগছিলেন। পারিবারিক অশান্তি, সম্পত্তি নিয়ে দ্বন্দ্ব এবং আর্থিক সমস্যা তাঁকে বিপর্যস্ত করেছিল। বন্ধুবান্ধবের মতে, এই ব্যক্তিগত সমস্যাগুলোই তাঁকে অন্ধকার মানসিক অবস্থায় ঠেলে দিয়েছিল।

আইনজীবী হিসেবে পরিচিতি

ফিরোজ পাঠান শুধু একজন সাধারণ আইনজীবী ছিলেন না, বরং সুরাট কংগ্রেসের লিগ্যাল কনভেনার হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। তিনি রাহুল গান্ধীর হয়ে সেই বহুল আলোচিত মামলায় লড়াই করেন, যেখানে রাহুল “মোদি” পদবি নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন। রাজনৈতিক মহলে তিনি একজন দক্ষ ও বিশ্বস্ত আইনজীবী হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

আইনজীবী মহলে শোকের ছায়া

ঈদ মিলাদুন্নবীর দিনে তাঁর আত্মহত্যার ঘটনায় সুরাটের আইনজীবী মহলে গভীর শোক নেমে এসেছে। সহকর্মীরা জানিয়েছেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরেই বিষণ্ণ ছিলেন, তবে এই পরিণতি যে এত দ্রুত আসবে, তা কেউ ভাবতে পারেননি। পরিবারও স্তব্ধ হয়ে গেছে আকস্মিক এই ঘটনার ধাক্কায়।

রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোড়ন

আরও পড়ুন , জোট আগেই বাতিল তবুও কংগ্রেস এর সাথে হাত মেলাতে চাই সিপিএম ফিরোজ পাঠান ছিলেন কংগ্রেসের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত। তাঁর মৃত্যুতে রাজনৈতিক মহলেও জল্পনা শুরু হয়েছে। কেউ কেউ প্রশ্ন তুলছেন, তাঁর মৃত্যুর পেছনে কি শুধুই ব্যক্তিগত কারণ, নাকি আরও কিছু অজানা রহস্য লুকিয়ে আছে? ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। তাঁর রেখে যাওয়া চিঠি ও ফোনকলের সূত্র ধরে খোঁজা হচ্ছে ঘটনার আসল কারণ।

উপসংহার

একজন অভিজ্ঞ ও আলোচিত আইনজীবীর এমন মর্মান্তিক মৃত্যু সুরাট তথা গোটা দেশকে নাড়িয়ে দিয়েছে। ব্যক্তিগত সমস্যা, মানসিক চাপ এবং রহস্যময় ফোন কল—সবকিছু মিলিয়ে এই ঘটনা আরও জটিল হয়ে উঠেছে। তদন্তে কী উঠে আসে, এখন সেটাই দেখার বিষয়। তবে আপাতত আইনজীবী মহল ও কংগ্রেস শিবিরে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

এশিয়া কাপ ফাইনালের দিনে বিসিসিআইয়ের নতুন সভাপতির ভাগ্য নির্ধারিত”

এশিয়া কাপ ফাইনালের দিনই বিসিসিআই—৯৫তম বার্ষিক সাধারণ সভায় নতুন সভাপতির ভাগ্য নির্ধারণ

এশিয়া কাপ ফাইনালের দিনই বিসিসিআইয়ের ভবন—৯৫তম বার্ষিক সভার দিন ঠিক, শীর্ষপদের ভাগ্য নির্ধারণ

২৮ সেপ্টেম্বর, এশিয়া কাপ ফাইনালের দিন অনুষ্ঠিত হবে বিসিসিআই’র ৯৫তম বার্ষিক সাধারণ সভা; লোধা আইনের প্রেক্ষিতে বোর্ড সভাপতি, সহ-সভাপতি ও গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোর ভবিষ্যৎ নির্ধারণ হবে।
Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক | প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২০২৫
এশিয়া কাপ ফাইনালের দিনের ব্যস্ততায় ক্রিকেটপ্রেমীরা যখন মাঠে চোখ রাখবেন, ঠিক সেই দিন দেশের ক্রিকেট প্রশাসনের অন্যতম সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তও নেয়া হতে চলেছে—বিসিসিআইয়ের ৯৫তম বার্ষিক সাধারণ সভা ২৮ সেপ্টেম্বর। এই সভায় বোর্ড সভাপতি থেকে শুরু করে সহ-সভাপতি, সচিব, যুগ্ম-সচিব ও কোষাধ্যক্ষ—মোট পাঁচটি শীর্ষপদের ব্যাপারে ভোট হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। পাশাপাশি আইপিএল চেয়ারম্যান নির্বাচনের বিষয়টিও সভার শীর্ষ আলোচ্যসূচিতে রয়েছে। এই রিপোর্টে আমরা সভার সম্ভাব্য সমীকরণ, গুঞ্জন ও প্রশাসনিক প্রভাব বিশ্লেষণ করছি।

সভা ও এজেন্ডার সৌরভ: কী কী নির্ধারিত হবে?

বিসিসিআই সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া ইতোমধ্যেই রাজ্য ক্রিকেট সংস্থাগুলিকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়েছেন। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী সভাপতি, সহ-সভাপতি, সচিব, যুগ্ম-সচিব ও কোষাধ্যক্ষ—এই পাঁচটি কার্যনির্বাহী পদের তফসিল ২৮ সেপ্টেম্বর এজেন্ডার প্রধান অংশ হবে। এছাড়া অ্যাপেক্স কাউন্সিল এবং ইন্ডিয়ান ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধির নির্বাচনের বিষয়টিও তালিকাভুক্ত রয়েছে।

কেন এ দিনটি গুরুত্বপূর্ণ?

প্রথমত, এশিয়া কাপ ফাইনালের দিন নির্বাচন অনুষ্ঠানের তারিখ নির্ধারণ হওয়ায় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের নজরও ওই দিন বন্দী থাকবে—এটি রাজনৈতিকভাবে এবং মিডিয়া কৌশলে গুরুত্বপূর্ণ। দ্বিতীয়ত, লোধা আইন মেনেই নির্বাচন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানা গেছে—যার ফলে আগে–পরে প্রশাসনিক ও নিয়োগগত অনেক প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সম্পন্ন হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

বিসিসিআই সভাপতিত্বের খালি আসন—পরিস্থিতি

এই মাসের শুরুতে প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার রজার বিনি পদত্যাগের পর থেকে বিসিসিআইয়ের সভাপতির আসন শূন্য রয়েছে। সেই শূন্যতার ভরাটই এবার প্রধান অনুষঙ্গে থাকবে। এরই মধ্যে বিভিন্ন মহলে সম্ভাব্য প্রার্থী ও তাদের সমর্থকদের চর্চা শুরু হয়ে গেছে—কিন্তু অফিসিয়ালি এখনও কেউ নাম ঘোষণা করেননি।

গুঞ্জন ও সম্ভাব্য সংযোজন:
  • নতুন আইপিএল চেয়ারম্যানও নির্বাচিত হবেন—কারণ বর্তমান চেয়ারম্যান অরুণ ধুমাল ছয় বছর প্রশাসনে সম্পন্ন করেছেন এবং এখন কুলিং-অফে যেতে বাধ্য।
  • ধুমালের জায়গায় আইপিএল চেয়ারম্যান হিসেবে রাজীব শুক্লা অথবা এমসিএ-র প্রাক্তন সচিব সঞ্জয় নায়েকের নাম ঘুরছে।
  • যদি রাজীব শুক্লা আইপিএল চেয়ার থাকেন, তাহলে বিধিগত শূন্যতা পূরণে বিসিসিআই সহ-সভাপতির সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে রাকেশ তিওয়ারির নাম উঠে আসছে—তিনি বিহার ক্রিকেট সংস্থার প্রধান ও রাজনৈতিকভাবে পরিচিত মুখ।

আইপিএল চেয়ারম্যান: ধুমাল থেকে নতুন নেতৃত্ব

বর্তমান আইপিএল চেয়ারম্যান অরুণ ধুমালের ছয় বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ায় তিনি বাধ্যতামূলক কুলিং অফ পিরিয়ডে যাবেন—এই বেসিক নিয়মের কারণে আইপিএল চেয়ারম্যান নিয়োগ আজকের আলোচনার অঙ্গ। স্থানীয় সূত্রে গুঞ্জন আছে রাজীব শুক্লা বা সঞ্জয় নায়েকের নাম স্থান পেতে পারে। রাজীব শুক্লা নির্বাচিত হলেই তাঁর শূন্য হওয়া বা অন্য পদে পরিবর্তন সূচকের ফলে বিসিসিআইয়ের অভ্যন্তরীণ পযর্ন্তে চেইঞ্জ দেখা দেবে—যার প্রতিফলন বোর্ডের শক্তি-সামঞ্জস্য ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে পড়বে। আরও খবর পড়ুন , নদীয়ার তেহত্বের ৭ বছরের বাচ্চা খুন

ইন্ডিয়ান ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশন ও মহিলা প্রিমিয়ার লিগ

সভায় ইন্ডিয়ান ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশনের একজন প্রতিনিধিকে নির্বাচিত করার কথাও আছে। এই পদটি খেলোয়াড়দের কণ্ঠস্বর বোর্ডে তুলে ধরার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি মহিলা প্রিমিয়ার লিগ (WPL) সম্পর্কিত কমিটির জন্যও ভোট অনুষ্ঠিত হবে—যা মহিলাদের ক্রিকেট ব্যবস্থাপনায় আরও আধুনিকতা, স্বচ্ছতা ও পেশাদারিত্ব আনার লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত।

নিয়োগ: ওম্বুডসম্যান ও এথিক্স অফিসার

শাস্তিগত ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও নৈতিকতা বজায় রাখতে এবার ওম্বুডসম্যান ও এথিক্স অফিসার নিয়োগের আলোচনাও রয়েছে। এই পদগুলো বোর্ডকে অভ্যন্তরীণভাবে জবাবদিহিতার ধাঁচে কাজ করতে সহায়তা করবে—বিশেষত আচরণগত ও প্রশাসনিক অনিয়ম সামাল দেওয়ার ক্ষেত্রে।

কমিটি গঠন: স্ট্যান্ডিং, ক্রিকেট ও আম্পায়ার্স কমিটি

সভায় স্ট্যান্ডিং কমিটি, ক্রিকেট কমিটি এবং আম্পায়ার্স কমিটি গঠনের বিষয়ও রয়েছে। এই কমিটিগুলো নির্বাচনী ও কার্যনির্বাহী সিদ্ধান্তের মূল মেরুদণ্ড—যেখানে খেলায় উন্নয়ন, আইন ব্যাখ্যা ও ম্যাচ/টুর্নামেন্ট সংক্রান্ত সিদ্ধান্তগুলোর দায়িত্বভার কেন্দ্রীভূত হয়।

কারও পদে বহাল থাকার সম্ভাব্যতা

চলতি বছরের মার্চে যুগ্ম-সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত রোহন গাউনস দেশাই পদে বহাল থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে প্রভাতেজ ভাটিয়া—যিনি জানুয়ারিতে কোষাধ্যক্ষ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন—তাঁরও উপস্থিতি বোর্ডের ব্যবস্থাপনায় অব্যাহত থাকতে পারে। এই ধরণের ধারাবাহিকতা বোর্ডের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ইঙ্গিত দেয়।

রাজনৈতিক ও ক্রীড়া প্রশাসনিক প্রভাব

বিসিসিআইতে শীর্ষপদে যাদের অবস্থান তা কেবল ক্রীড়া প্রশাসনের নয়—এর রাজনৈতিক প্রতিচ্ছবিও থাকে। আইপিএল ও জাতীয় ক্রীড়ানীতির সিদ্ধান্ত, খেলোয়াড়দের চুক্তি, উন্নয়ন প্রকল্প ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক—সবকিছুই এই নেতৃত্বের ওপর নির্ভরশীল। তাই ২৮ সেপ্টেম্বরের ফলাফল কেবল তালিকা বদল নয়, ভবিষ্যত কৌশলগত রূপরেখা নির্ধারণ করবে।

শেষ কথা

২৮ সেপ্টেম্বর—এশিয়া কাপ ফাইনালের দিন—বিসিসিআইয়ের ৯৫তম বার্ষিক সাধারণ সভা ক্রীড়া প্রশাসনের একটি মাইলফলক স্বরূপ। লোধা আইনের আওতায় নিয়ম-প্রক্রিয়া মেনে যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, তা আগামী দিনে বোর্ডের কাজকর্মে কি ধরনের বদল আনবে তা নজর রাখা প্রয়োজন। নতুন সভাপতি, আইপিএল চেয়ারম্যান এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিদের নির্বাচন শুধু শিরোনাম নয়; তা হবে ভবিষ্যৎ ক্রীড়ানীতির কাঠামো তৈরির একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।

এই প্রতিবেদন কপিরাইট-মুক্ত — আপনি চাইলে অনুলিপি, শেয়ার বা প্রকাশ করতে পারেন।

📢 সবার আগে نیوز আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

জোট আগেই বাতিল, তবুও কংগ্রেসের সঙ্গে হাত মেলাতে চায় সিপিএম"

সিপিএমের কৌশল: ছাব্বিশে একা লড়াই নয়, কংগ্রেসকে ফের জোটে টানার চেষ্টা

সিপিএমের কৌশল: ছাব্বিশে একা লড়াই নয়, কংগ্রেসকে ফের জোটে টানার চেষ্টা

পটভূমি

ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি চরম উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ইতিমধ্যেই প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার ঘোষণা করেছেন, ২৯৪ আসনে প্রার্থী দেবে কংগ্রেস। অন্যদিকে, সিপিএমের রাজ্য নেতৃত্বের মধ্যে একাংশ আবার কংগ্রেসকে ফের জোটে টানার চেষ্টা চালাচ্ছে। যদিও শীর্ষ স্তরের সিদ্ধান্তে জোটে আগ্রহ থাকলেও, নীচুতলার নেতা ও কর্মীদের মধ্যে তা দেখা যাচ্ছে না।

সিপিএমের ভীতি ও কৌশল

সিপিএমের ভেতরের বিশ্লেষণ বলছে, ছাব্বিশের নির্বাচনে একা লড়াই করলে লজ্জাজনক হার ভোগ করতে হবে। অতীতের অভিজ্ঞতা ও ভোটের ফলাফলের ভিত্তিতে, একা লড়াইয়ের বিপদ এড়াতে কংগ্রেসকে জোটে ফেরানোর চেষ্টা করছে সিপিএম। রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম ও তার টিম উদগ্রীবভাবে কংগ্রেসকে জোটে টানার চেষ্টা চালাচ্ছেন। আরো খবর পড়ুন নির্বাচন কমিশনের বড় আপডেট সারাদেশে হবে sir

দলীয় সূত্রের খবর

সিপিএমের শীর্ষনেতারা মনে করছেন, কংগ্রেসকে নরম করার মাধ্যমে রাজ্যে জোট পুনর্গঠন করা সম্ভব। যদিও নীচুতলার নেতারা মনে করেন, কংগ্রেসের সঙ্গে জোটে লাভ নেই। কারণ কংগ্রেসের সাধারণ ভোটাররা বামফ্রন্টের প্রার্থীকে ভোট দেন না।

জেলার নেতাদের মতামত

সিপিএমের রাজ্য কমিটির বৈঠকে উত্তরবঙ্গ এবং দক্ষিণবঙ্গের জেলা নেতারা স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, কংগ্রেসের সঙ্গে জোটে গেলে স্থানীয় স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। জোটে আসার ক্ষেত্রে আগ্রহ নেই, বরং বামফ্রন্টের প্রার্থীদের নিজস্ব ক্ষমতা বাড়ানোর দিকে মনোযোগ দিতে চান তারা।

ফরওয়ার্ড ব্লক ও আরএসপির অবস্থান

ছাব্বিশের আসন বণ্টন নিয়ে সিপিএমের অন্যান্য শরিকদের অবস্থানও গুরুত্বপূর্ণ। ফরওয়ার্ড ব্লক এবং আরএসপি কংগ্রেসের সঙ্গে জোটে যেতে আগ্রহী নয়। তারা পূর্বের নির্বাচনী নীতিমালা অনুযায়ী নিজেদের আসনে লড়াই চালাতে চায়। সিপিআইও সেই পথ অনুসরণ করতে চলেছে। ফলে, সিপিএম কংগ্রেসকে জোটে টানার জন্য একা যুদ্ধ করতে হচ্ছে।

রাজ্য রাজনীতিতে প্রভাব

এই পরিস্থিতি বাংলার রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি করেছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক বিশ্লেষক মনে করছেন, জোট পুনর্গঠনের এই প্রয়াস ভোটের ফলাফলে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। নির্বাচনী মঞ্চে কংগ্রেস ও সিপিএমের সম্পর্ক কেমন হবে, সেটাই এখন লাখ টাকার প্রশ্ন।

নীতিগত বিশ্লেষণ

সিপিএমের এই চেষ্টাকে রাজনৈতিক কৌশল বলা হচ্ছে। একদিকে তারা একা লড়াই থেকে হার এড়াতে চায়, অন্যদিকে কংগ্রেসকে জোটে টানার মাধ্যমে রাজনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখতে চাইছে। তবে নীচুতলার নেতাদের আপত্তি এবং অন্যান্য শরিক দলের অনাগ্রহ জোট পুনর্গঠনের পথে বড়ো বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।

ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা

সিপিএম যদি কংগ্রেসকে জোটে টানতে সফল হয়, তবে ভোটের ফলাফলে তা নতুন মাত্রা যোগ করবে। অন্যদিকে, যদি নীচুতলার নেতাদের অবস্থান এবং শরিকদের অনাগ্রহ জোটে বাধা হয়ে দাঁড়ায়, সেক্ষেত্রে সিপিএমকে একা লড়াই চালাতে হতে পারে।

উপসংহার

ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচন শুধু ভোটের লড়াই নয়, বরং রাজনৈতিক কৌশল, দলীয় ইচ্ছে এবং নেতাদের ভিন্নমত নিয়ে জটিল রাজনীতি। শীর্ষনেতারা কংগ্রেসকে জোটে ফেরাতে মরিয়া চেষ্টা চালালেও, নীচুতলার অগ্রাহ্যতা এবং শরিকদের অনাগ্রহ এই প্রয়াসকে সহজ করে তুলছে না।

বিহারে ভোট মিটলেই কি বাংলা সহ গোটা দেশে SIR? কমিশন সূত্রে কি বিরাট আপডেট?

বিহারে ভোট মিটলেই গোটা দেশে এসআইআর শুরু হতে পারে — কমিশন সূত্রে বড় আপডেট

বিহারে ভোট মিটলেই গোটা দেশে এসআইআর শুরু হতে পারে — কমিশন সূত্রে বড় আপডেট

🗓 প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২০২৫ | ✍ বিশেষ প্রতিবেদন

বিহারে ভোট পর্ব শেষ হলেই গোটা দেশজুড়ে শুরু হতে পারে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনী (SIR)। জাতীয় নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যেই এমন পরিকল্পনার ইঙ্গিত দিয়েছে বলে সূত্রে খবর। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভোটার তালিকাকে হালনাগাদ করার পাশাপাশি নতুন ভোটারদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হবে এবং অপ্রয়োজনীয় নাম বাদ দেওয়া হবে।

কমিশনের বৈঠক ও প্রস্তুতি

নির্বাচন কমিশন আগামী ১০ সেপ্টেম্বর সব রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের (CEO) সঙ্গে বৈঠক ডাকছে। সেখানে প্রতিটি রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের কাছ থেকে দশটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর চাওয়া হয়েছে, যা পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের আকারে জমা দিতে হবে।

প্রধান প্রশ্নগুলো:
  • রাজ্যে মোট ভোটার সংখ্যা কত?
  • শেষবার এসআইআর কবে হয়েছিল?
  • নাগরিকত্ব যাচাইয়ের জন্য অতিরিক্ত কোন কোন নথি প্রয়োজন?
  • ভোটার তালিকা হালনাগাদে কী কী সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে?
  • অন্তর্ভুক্তি ও বর্জনের প্রক্রিয়ার বর্তমান অবস্থা কী?

বড় পদক্ষেপের ইঙ্গিত

দেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার এবং কমিশনের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন। ইতিমধ্যেই গত ২৪ জুন প্রকাশিত নির্দেশিকায় কমিশন ইঙ্গিত দিয়েছিল যে, বিহারে এসআইআর সম্পন্ন হওয়ার পর গোটা দেশেই এই প্রক্রিয়া শুরু হবে।

কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে—বিহারে যেহেতু এই বছর নির্বাচন নির্ধারিত, তাই প্রথমে সেখানেই এসআইআর শুরু হয়েছে। পরে পর্যায়ক্রমে দেশজুড়ে একই প্রক্রিয়া চালু করা হবে। সুনির্দিষ্ট সময়সূচি পরে প্রকাশ করা হবে।

বিহারের অভিজ্ঞতা

বিহারে ইতিমধ্যেই এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে তা সম্পন্ন হওয়ার কথা। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ভোটার তালিকার ঝাড়াই-বাছাইয়ের পর প্রায় ৬৫ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। এতে রাজনৈতিক বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে।

বিরোধী দলগুলির অভিযোগ, নির্বাচনকে প্রভাবিত করার জন্য প্রকৃত ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে এবং নতুন নাম যুক্ত করা হচ্ছে। তবে নির্বাচন কমিশন কংগ্রেসের এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। আরও খবর পড়ুন , বিশাল টাকায় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের স্পন্সর

কমিশনের পাল্টা দাবি

কমিশনের বক্তব্য, বিহারের কংগ্রেস জেলা সভাপতিরা বুথ স্তরের এজেন্টদের নাম সুপারিশ করেছিলেন। খসড়া তালিকা প্রকাশের পরও তাঁরা কারও নাম নিয়ে আপত্তি জানাননি। সেক্ষেত্রে ইচ্ছাকৃতভাবে ভোটারের নাম বাদ দেওয়ার অভিযোগ ভিত্তিহীন।

দেশজুড়ে প্রভাব

বিহারে প্রক্রিয়া শেষ হলে গোটা দেশে এসআইআর চালু হলে দেশের ভোটার তালিকায় বড় পরিবর্তন আসতে পারে। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গ, উত্তরপ্রদেশ, আসাম, ত্রিপুরার মতো রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল রাজ্যগুলিতে এর প্রভাব উল্লেখযোগ্য হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়া বা নতুন নাম যুক্ত হওয়া সরাসরি নির্বাচনের ফলাফলের উপর প্রভাব ফেলতে পারে। তাই কমিশনের এই পদক্ষেপ ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে
✍ প্রতিবেদন: বিশেষ সংবাদদাতা |

হুগলির সুগন্ধায় ইভি কারখানা উদ্বোধন, সিঙ্গুরের অসম্পূর্ণ স্বপ্ন পূরণে কুণাল

সিঙ্গুরের স্বপ্নপূরণ: সুগন্ধায় ইলেকট্রিক চারচাকার গাড়ি কারখানা চালু হতে চলেছে
আপডেট: শনিবার • সুগন্ধা, হুগলি

সিঙ্গুরের স্বপ্নপূরণ সুগন্ধায় — হুগলিতে নতুন ইলেকট্রিক চারচাকা গাড়ি কারখানা আসছে

কুণাল ঘোষ জানান—নতুন কারখানা এলাকার অর্থনৈতিক মানচিত্র বদলে দেবে, চাকরির সুবর্ণ সুযোগ তৈরি হবে।

সংক্ষিপ্ত সারমর্ম

হুগলির সুগন্ধায় 'সাইনাসোর' নামের কোম্পানি নতুন ইলেকট্রিক চারচাকা গাড়ি তৈরির কারখানা গড়ছে — শনিবার তা ঘোষণা করেন তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। একই অনুষ্ঠানে সংস্থার নতুন 'টিফোজ ইলেকট্রিক থ্রি হুইলার' ও আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়; মন্ত্রী জাভেদ খান ও উজ্জ্বল বিশ্বাসসহ several নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

বিস্তারিত রিপোর্ট

সিঙ্গুরের টাটার ন্যানো কারখানার অসমাপ্ত স্বপ্ন বহু বছর ধরে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি ও স্থানীয় আর্থ-সামাজিক কথোপকথনে অবস্থান করে আছে। সেই 'আক্ষেপ'—কীভাবে তা দূর হবে—এর উত্তর এবার সুগন্ধার নতুন কর্মকাণ্ডে মিলতে চলেছে। শনিবার সুগন্ধায় স্থানীয় শিল্প প্রতিষ্ঠান সাইনাসোর কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে ঘোষণা করা হয় যে তারা শীঘ্রই হুগলির সেই শিল্পভূমিতেই ইলেকট্রিক চারচাকা গাড়ি উৎপাদন শুরু করবে।

ঘোষণায় বলা হয়, রাজ্য সরকার পর্যন্ত হয়ে এই প্রকল্পে সর্বোচ্চ সহযোগিতা দেবে। কুণাল ঘোষ বলেন, “এটির ফলে এই এলাকার অর্থনৈতিক মানচিত্রই বদলে যাবে—অনেক বেকার যুবক ও যুবতী এখানে কর্মসংস্থান পাবে। সিঙ্গুরে যে ক্ষত ছিল, তার একটা প্রতিকার হিসেবে আমরা আশা করছি এটি কাজ করবে।”

উল্লেখযোগ্য বিষয়:

সাইনাসোর ইতিমধ্যেই BLDC ফ্যান তৈরি ও বাজারজাত করছে। নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী চারচাকার ইলেকট্রিক গাড়ি আগামী বছর জানুয়ারির মধ্যে বাজারে আনা হবে—সরকারি পরীক্ষার পরে সার্টিফিকেশন পেলে পূর্ণ উৎপাদন শুরু হবে।

প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে সম্রাজ্ঞী ঘোষ জানান, কোম্পানির লক্ষ্য মধ্যবিত্তের ক্রয়ক্ষমতা মাথায় রেখে গাড়ির দাম ও কাস্ট-স্ট্রাকচার স্থির করা। পাশাপাশি গুণগত মানে জোর দেয়া হবে—কারখানা থেকে বেরিয়ে বাজারে ছাড়ার আগে বিভিন্ন ধরণের মান পরীক্ষা এবং সরকারি সার্টিফিকেট নেওয়া হবে। উল্লেখ্য, আসন্ন চারচাকার গাড়ির পাশাপাশি সংস্থার নতুন 'টিফোজ ইলেকট্রিক থ্রি হুইলার'—ওর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ওই দিন করা হয়; তারা বললেন এটি বাজারে চলমান থ্রি হুইলারগুলোর তুলনায় অনেক কম দামে বাজারে আসবে।

চমকপ্রদভাবে কোম্পানি জানিয়েছে চার্জিং প্রযুক্তির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে—প্রকল্পের প্রাথমিক বিবরণ অনুযায়ী নির্দিষ্ট কনফিগারেশনে অন্তত ১৮ ঘণ্টা চার্জ ধরে রাখার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। যদিও নির্দিষ্ট ব্যাটারি ক্ষমতা, রেঞ্জ বা চার্জ টাইম-সম্বন্ধে বিস্তারিত টেকনিক্যাল স্পেসিফিকেশন এখনও প্রকাশ করা হয়নি।

হাইলাইট:
  • স্থান: সুগন্ধা, হুগলি
  • প্রধান ঘোষণা: কুণাল ঘোষ
  • উপস্থিত ছিলেন: মন্ত্রী জাভেদ খান, উজ্জ্বল বিশ্বাস ও অন্যান্য অতিথিবৃন্দ
  • প্রজেক্ট টাইমলাইন: বাজারে আগমন — আগামী বছর জানুয়ারি (পরিকল্পনামাফিক)

স্থানীয় রাজনীতিক ও শিল্পমহল উভয়ই এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে। বিশেষ করে শ্রমিক নিয়োগ ও লোকাল ভ্যালু চেইন গড়ার সম্ভাবনাকে গুরুত্ব দিয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশা বেড়েছে। তবে বাস্তবে কতটা দ্রুত এবং বড় আকারে উৎপাদন শুরু হবে—এটি অনেকটাই নির্ভর করবে সরকারি অনুমোদন, সাপ্লাই চেইন ও ইনফ্রাস্ট্রাকচার প্রস্তুতির উপর।

সংক্ষেপে কি জানতে হবে:
  • সাইনাসোর কোম্পানি ইলেকট্রিক চারচাকা গাড়ি উৎপাদন করার ঘোষণা দিয়েছে।
  • নতুন থ্রি হুইলার টিফোজ শিল্প-উদ্যোগের অংশ হিসেবে বাজারজাত করা হবে।
  • প্রাথমিক সময়সূচী অনুযায়ী গাড়ি জনানোর পরিকল্পনা—আগামী জানুয়ারি।
  • দাম মধ্যবিত্তের ক্রয়ক্ষম্যতার মধ্যেই রাখা হবে বলে সংস্থা জানিয়েছে।

দ্রষ্টব্য: প্রযুক্তিগত বিশদ (ব্যাটারি ক্যাপাসিটি, একক চার্জে রেঞ্জ, নিরাপত্তা সার্টিফিকেট ইত্যাদি) সংস্থার অফিসিয়াল স্পেসিফিকেশন প্রকাশের পরই নিশ্চিতভাবে জানানো হবে—কারণ সরকারি পরীক্ষাসাপেক্ষে আর কিছু পরিবর্তন আসতে পারে। আরও খবর পড়ুন , আযোগ্য় রা কি পরীক্ষায় বসতে পারবে

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে
সিঙ্গুর ,সুগন্ধা ,ইলেকট্রিকগাড়ি ,সাইনাসোর ,টিফোজ ,হুগলি ,শিল্প ,চাকরি
রিপোর্টার: স্থানীয় স্টাফ রিপোর্ট

Featured post

Y বাংলা ব্যুরো: ভোটার তালিকা সংশোধনে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডে না নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা সংশোধন (SIR, ২০২৬) প্রক্রিয়ায় ম...

Search This Blog