Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Monday, 8 September 2025

সুপ্রিম কোর্ট কলকাতা হাইকোর্টের রায় বহাল রাখল — পার্ট-টাইম 'কর্মবন্ধু'দের সব আর্থিক সুবিধা দিতে রাজ্যবিধেয় নির্দেশ ।

সুপ্রিম কোর্ট কলকাতা হাইকোর্টের রায় বহাল রাখল — পার্ট-টাইম 'কর্মবন্ধু'দের সব আর্থিক সুবিধা দিতে রাজ্যবিধেয় নির্দেশ

সুপ্রিম কোর্ট কলকাতা হাইকোর্টের রায় বহাল রাখল — পার্ট-টাইম 'কর্মবন্ধু'দের সব আর্থিক সুবিধা দিতে রাজ্যকে নির্দেশ

তারিখ: 18 আগস্ট 2025 | রিপোর্ট: স্থানীয় হিউম্যান রিসোর্স্ ডেস্ক

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অধীনে কাজ করা পার্ট-টাইম সাফাইকর্মী বা পরিচিত নাম 'কর্মবন্ধু'দের জন্য আইনি লড়াইতে বড়সড় সুসংবাদ। দেশের সর্বোচ্চ আদালত কলকাতা হাইকোর্টের সিদ্ধান্তকে বহাল রেখে রাজ্যকে নির্দেশ করেছে যে মামলাকারী কর্মীদের সমস্ত বকেয়া আর্থিক সুবিধা প্রদান করতে হবে — ফলে লক্ষাধিক অস্থায়ী কর্মীর পরিস্থিতি বদলের পথে। 0

এই রায়টি ২০২৫ সালের ১৮ আগস্ট সুপ্রিম কোর্টের চূড়ান্ত আদেশে ঘোষণা করা হয়। আদালত বলেছে যে তারা ভারতীয় সংবিধানের ধারা ১৩৬ অনুযায়ী কলকাতা হাইকোর্টের রায়ে হস্তক্ষেপ করার মতো কোনও সঙ্গত কারণ খুঁজে পায়নি, ফলে হাইকোর্টের রায়ই চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে। এই মামলায় সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ এবং সিদ্ধান্ত রাজ্য সরকারের দেওয়া আবেদন (Special Leave Petition) খারিজ করার রূপ নিয়েছে। 1

ঘটনার পটভূমি (সংক্ষেপে)

বিষয়টি শুরু হয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টে— রাজ্যের খাদ্য ও সরবরাহ দপ্তরের অধীনে কর্মরত কয়েকজন অস্থায়ী সাফাইকর্মী (পার্ট-টাইম কর্মবন্ধু) তাদের বকেয়া আর্থিক সুবিধা, সমান কাজের জন্য সমান অধিকারের দাবি নিয়েই আদালতে যান। প্রথম স্তরে ২০১৭ সালের ২৭ জানুয়ারির মেমোর‍্যান্ডামের ভিত্তিতে ট্রাইব্যুনাল আবেদনকারীদের পক্ষে রায় দেয় এবং সমস্ত সুবিধা প্রদানের নির্দেশ দেয়। পরবর্তীতে ২০২২ সালে সেই রায় বিলোপিত হলে কর্মীদের মনে হত বড় ধাক্কা লেগেছে। কিন্তু তারা হাল ছাড়েনি এবং পুনরায় হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। হাইকোর্ট ২০১১ সালের ১৬ সেপ্টেম্বরের পুরনো মেমোর্যান্ডামকে ভর করে আবার কর্মীদের পক্ষে রায় দেয় এবং ২০১৬ সালের জুলাই থেকে বকেয়া আর্থিক সুবিধা ৯০ দিনের মধ্যে পরিশোধের নির্দেশ দেয়। 2

সুপ্রিম কোর্টে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন ও আদালতের মনোভাব

পশ্চিমবঙ্গ সরকার হাইকোর্টের ওই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে Special Leave Petition (SLP) দায়ের করে। তবে আদালত পর্যবেক্ষণ করে যে আবেদন দাখিল করতে সময়ের অমিতব্যয়ী বিলম্ব হয়েছে এবং আবেদনকারীর (অর্থাৎ রাজ্য সরকারের) ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়। পরিণামে সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্টের সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপের জন্য পর্যাপ্ত কারণ না পাওয়ায় রাজ্য সরকারের SLP খারিজ করে দেয়। 3

মুখ্য সিদ্ধান্তের সারমর্ম:

  • কলকাতা হাইকোর্টের রায় বহাল থাকবে। 4
  • রায়ে বর্ণিত মামলাকারী কর্মীদের সমস্ত প্রকার আর্থিক সুবিধা — বকেয়া বেতন, ভাতা এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা— রাজ্য সরকারকে দ্রুতভাবে প্রদান করতে বলা হয়েছে। 5
  • এই রায় পশ্চিমবঙ্গের অন্যান্য অস্থায়ী কর্মীদের জন্য শক্তিশালী আইনি নজির স্থাপন করবে। 6

অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রভাব

এই রায়ের ফলে সরাসরি প্রভাব পড়বে প্রথমত মামলাকারী কাজকর্মীদের উপর — তাদের বকেয়া বেতন-ভাতা মিটলে স্বাভাবিক জীবনে আর্থিক স্থিরতা আসবে। দ্বিতীয়ত, সিদ্ধান্তটি সামগ্রিকভাবে অস্থায়ী শ্রমিকদের আত্মবিশ্বাস বাড়াবে; যারা নিজেদের প্রাপ্য অধিকার থেকে বঞ্চিত তাদের অনেকে একই পথে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করার সাহস পাবেন। তবে মানতে হবে, এই রায় একেবারে স্বয়ংক্রিয়ভাবে রাজ্যের সব অস্থায়ী কর্মীর কাছে সুবিধা পৌঁছে দেবে না— যারা এখনও বঞ্চিত আছেন, তাদেরকে আলাদাভাবে আইনি পদক্ষেপ নিতে হবে এবং এই রায় তাদের জন্য শক্তিশালী আইনি ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে। 7

আইনি বিশ্লেষণ (সংক্ষিপ্ত)

সমালোচকরা বলছেন যে, কাজের প্রকৃতি 'পার্ট-টাইম' বলে চিহ্নিত করলেও যদি নিয়োগকালে সেই পদের জন্য sanctioned পোস্ট মঞ্জুর করা থাকে এবং নিয়মতান্ত্রিক নিয়োগ সম্পন্ন হয়ে থাকে, তখন সেই কর্মীরা ভাতা-বেতন ইত্যাদি পাওয়ার ক্ষেত্রে অযোগ্য নয়। আদালতও মূলত সেই দিকটিকেই গুরুত্ব দিয়েছে—একই ধাঁচের কেসে পূর্ববর্তী আদালত এবং শীর্ষ আদালত যে নীতি নিয়েছেন তা এখানেও প্রযোজ্য হয়েছে। এই রায় ভবিষ্যতে অনুরূপ অন্যান্য মামলায়ও বিচারিক আইনত প্রেক্ষাপট হিসেবে কাজ করবে। 8

কর্মীদের করণীয় ও পরবর্তী ধাপ

যেসকল অস্থায়ী কর্মী এখনও তাদের প্রাপ্যতা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন, তারা নিম্নলিখিত কাজগুলো বিবেচনা করতে পারেন — (ক) তাদের ব্যক্তিগত নিয়োগপত্র, নিয়োগের ধরণ ও পোস্টের স্বীকৃতি (sanctioned post) সম্পর্কিত কাগজপত্র সংগ্রহ করা; (খ) স্থানীয় হিউম্যান রিসোর্স বা শ্রম অধিদপ্তরে লিখিতভাবে দাবি জানানো; (গ) প্রয়োজন হলে আইনজীবীর সাহায্য নিয়ে হাই কোর্ট/কর্মক্ষেত্রভিত্তিক বিধি অনুযায়ী আইনি লড়াই ছেড়ে না দেওয়া। এই সুপ্রিম কোর্টের রায় তাদের আইনি অভিযাত্রায় শক্তিশালী সহায়ক হবে। 9

সরকারি ও প্রশাসনিক প্রতিক্রিয়া

রায় ঘোষণার পর রাজ্য সরকার বা সংশ্লিষ্ট দফতর থেকে আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি বা নির্দেশিকা জারি করা নেই (লিখিতভাবে) — তবে আদেশ অনুসারে প্রশাসনকে দ্রুতভাবে কর্মীদের বকেয়া পরিশোধ নিশ্চিত করতে কার্যকর সংস্থাগত ব্যবস্থা নিতে হবে। (নোট: এই খবরটি প্রকাশের সময় পর্যন্ত প্রশাসনিক গাইডলাইন জারির তথ্যের জন্য সংশ্লিষ্ট দফতরের বিজ্ঞপ্তি চেক করা প্রয়োজন)। 10

উপসংহার

দেশের সর্বোচ্চ আদালতের এই সিদ্ধান্ত পশ্চিমবঙ্গের অস্থায়ী পার্ট-টাইম কর্মীদের জন্য আইনি ও সামাজিকভাবে একটি বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে। এটি প্রমাণ করে যে ধারাবাহিক আইনি লড়াই ও সঠিক প্রমাণ-প্রস্তাবের মাধ্যমে প্রাপ্যতার দাবিগুলো আদায় করা যায়। একই সঙ্গে এই রায় প্রশাসনিক দায়বদ্ধতার পাশাপাশি রাজ্য পর্যায়ে অস্থায়ী কর্মী নিয়োগ-নীতি ও মজুরি কাঠামো পুনর্বিবেচনার ইঙ্গিতও দেবে — যাতে ভবিষ্যতে সমাধানগুলো ন্যায্য ও সময়োপযোগীভাবে কার্যকর করা যায়। 11

নোট: এই প্রতিবেদন তৈরিতে আদালতের আদেশ ও প্রাসঙ্গিক সংবাদ-রিলিজগুলোকে সূত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। (উল্লেখিত অনলাইন সূত্র: Supreme Court cause list, কলকাতা হাইকোর্ট সম্পর্কিত নথি ও সম্প্রতি প্রকাশিত সংবাদবিশ্লেষণ)।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

Sunday, 7 September 2025

২০২৫ সালের শেষ চন্দ্রগ্রহণ: ব্লাড মুন

২০২৫ সালের শেষ চন্দ্রগ্রহণ: ব্লাড মুন লাইভ দেখুন

২০২৫ সালের শেষ চন্দ্রগ্রহণ: ব্লাড মুন

Blood Moon 2025

২০২৫ সালের দ্বিতীয় তথা শেষ চন্দ্রগ্রহণ শুরু হয়েছে। পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ রাত ৯টা ৫৮ মিনিটে শুরু হয়েছে এবং শেষ হবে মধ্যরাত পার করে, অর্থাৎ ৮ সেপ্টেম্বর রাত ১টা ২৬ মিনিটে।

রাত ১১টার পর চন্দ্রগ্রহণের মধ্যকাল তৈরি হবে। রাত ১১টা ৪২ মিনিট থেকে আপনি দেখতে পাবেন সেই রক্তিম চাঁদ বা "ব্লাড মুন"। মোক্ষকাল শুরু হবে ১২টা ২৩ মিনিটে।

লাইভ দেখুন

যারা আকাশে মেঘ বা বৃষ্টির কারণে সরাসরি চন্দ্রগ্রহণ দেখতে পারছেন না, তাদের জন্য লাইভ ভিডিও উপলব্ধ। নিচের লিঙ্ক থেকে সরাসরি দেখতে পারবেন:

চন্দ্রগ্রহণ ২০২৫ - লাইভ ভিডিও দেখুন

মহাজাগতিক দৃশ্যের সময়সূচি

  • পূর্ণগ্রাস গ্রহণ শুরু: রাত ৯টা ৫৮ মিনিট
  • ব্লাড মুন দেখা যাবে: রাত ১১টা ৪২ মিনিট থেকে
  • মোক্ষকাল শুরু: রাত ১২টা ২৩ মিনিট
  • গ্রহণ শেষ: রাত ১টা ২৬ মিনিট (৮ সেপ্টেম্বর)

এই সময় চাঁদ হবে রক্তিম বর্ণের এবং আকাশপ্রেমীদের জন্য এটি একটি বিরল দৃশ্য।

© ২০২৫ চন্দ্রগ্রহণ নিউজ. সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত।

সফলভাবে শেষ SSC পরীক্ষা, আগামী রবিবারের পরীক্ষাও হবে স্বচ্ছ—প্রত্যাশা ব্রাত্যর"

সফলভাবে শেষ SSC পরীক্ষা, আগামী রবিবারের পরীক্ষাও স্বচ্ছ হবে—ব্রাত্য বসু

সফলভাবে শেষ SSC পরীক্ষা, আগামী রবিবারের পরীক্ষাও স্বচ্ছ হবে—ব্রাত্য বসু

Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক: প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর চাকরি বাতিলের পর, রাজ্যে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত SSC পরীক্ষা রবিবার নির্বিঘ্নে শেষ হয়েছে। পরীক্ষা শেষে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু পরীক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। তিনি জানিয়েছেন, আগামী রবিবারের একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির SSC পরীক্ষাও স্বচ্ছ রাখতে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সহায়তা প্রয়োজন।

ব্রাত্য বসু বলেন, "আজ রাজ্যের ৬৩৬টি পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রায় সাড়ে ৩ লক্ষ পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়েছেন। নবম-দশম শ্রেণির SSC পরীক্ষা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়েছে। পরীক্ষার্থী, আধিকারিক, স্কুলশিক্ষা দপ্তর-সহ সমস্ত আধিকারিককে শুভেচ্ছা জানাই। আমি আশা করি আগামী রবিবারের একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির SSC পরীক্ষাকে স্বচ্ছ রাখতে প্রশাসনিক কর্তাব্যক্তিরা সমস্ত সাহায্য করবেন।"

চাকরিহারা শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের প্রেক্ষাপট

প্রসঙ্গত, সুপ্রিম কোর্টের এক কলমের নির্দেশে অন্তত ২৬ হাজার শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী চাকরি হারিয়েছেন। সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, ফের পরীক্ষা নিয়ে ডিসেম্বরের মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। সেই প্রেক্ষিতে দু’দফায় SSC পরীক্ষার বন্দোবস্ত করা হয়।

পরীক্ষা প্রক্রিয়ার বিস্তারিত

৭ সেপ্টেম্বরের পরীক্ষা নির্বিঘ্নে শেষ হয়েছে। পরীক্ষার দিন সকাল ১০টা থেকে পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রবেশ করতে শুরু করেন। নথিপত্র যাচাই করে তাদের পরীক্ষাকেন্দ্রে ঢুকতে দেওয়া হয়। এবার বিশেষভাবে অ্যাডমিট কার্ড নকল রুখতে বার কোড স্ক্যানারের ব্যবস্থা করা হয়। এছাড়াও প্রশ্নফাঁস প্রতিরোধে একগুচ্ছ পদক্ষেপ নেওয়া হয়। SSC চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার জানান, পরীক্ষা চলাকালীন কেউ যদি প্রশ্নপত্রের ছবি তুলে ফাঁস করার চেষ্টা করে, তা সহজেই ধরা পড়বে। তবে কমিশন সূত্রের খবর, এই পরীক্ষায় কোথাও প্রশ্নফাঁসের চেষ্টা হয়নি।

পরবর্তী পরীক্ষা এবং প্রশাসনিক প্রস্তুতি

আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রশাসন ইতিমধ্যেই সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে যাতে পরীক্ষার সময় কোনও বিশৃঙ্খলা বা সমস্যা না সৃষ্টি হয়। এতে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সহযোগিতা এবং পরীক্ষার্থীদের স্বচ্ছ অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। SSC কমিশন, স্কুলশিক্ষা দপ্তর এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরা একসাথে কাজ করছেন যাতে পরীক্ষা নির্বিঘ্নভাবে সম্পন্ন হয়।

প্রযুক্তি ব্যবহার ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা

এবারের পরীক্ষায় প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে নকল রোধে। বিশেষ বার কোড স্ক্যানার এবং অন্যান্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরীক্ষার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করেছে। এছাড়াও, প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে নজরদারি এবং সতর্কতা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পরীক্ষা শেষে সবকিছু ঠিকঠাক থাকায় শিক্ষামন্ত্রী এবং প্রশাসন উভয়েই সন্তুষ্ট।

পরীক্ষার্থীদের অভিজ্ঞতা

প্রায় ৩ লক্ষ পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছেন। শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন যে, পরীক্ষা কেন্দ্রের পরিবেশ যথেষ্ট শান্তিপূর্ণ এবং পরিচালনায় কোনও ধরনের সমস্যা হয়নি। পরীক্ষার্থীরা এই স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার জন্য প্রশাসন ও শিক্ষকদের প্রশংসা করেছেন। অনেকেই আশা প্রকাশ করেছেন, আগামী পরীক্ষা ও সমানভাবে স্বচ্ছ ও সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হবে।

ভাইরাল দিক

এই সংবাদ ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং শিক্ষকরা সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করছেন। সবাই এই পরীক্ষার সফলতা নিয়ে আলোচনা করছেন।

উপসংহার

প্রায় ২৬ হাজার চাকরিহারা শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর প্রেক্ষাপটে রাজ্যের SSC পরীক্ষা সফলভাবে সম্পন্ন হওয়া একটি বড় অর্জন। শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর আশ্বাস অনুযায়ী, আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির SSC পরীক্ষা ও স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন হবে। প্রশাসন, শিক্ষার্থী এবং স্কুলশিক্ষা দপ্তরের মিলিত প্রচেষ্টায় এই পরীক্ষা সুষ্ঠু এবং নিরাপদভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

এই খবরটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল এবং সর্বজনীন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে রয়ে গেছে। শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা এই স্বচ্ছ পরীক্ষার জন্য প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন এবং আগামী পরীক্ষার জন্য আত্মবিশ্বাসী।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

ক্যান্সারের বিরুদ্ধে নতুন আশার আলো: রাশিয়া আবিষ্কার করল বিনামূল্যে টিকা

রাশিয়া আবিষ্কার করল ক্যান্সারের নতুন টিকা Enteromix

রাশিয়া আবিষ্কার করল ক্যান্সারের নতুন টিকা Enteromix

মরণঘাতী ক্যান্সারের বিরুদ্ধে এক যুগান্তকারী সাফল্য ঘোষণা করল রাশিয়ার বিজ্ঞানীরা। ফেডারেল মেডিক্যাল অ্যান্ড বায়োলজিক্যাল এজেন্সি (FMBA) জানিয়েছে, তারা ক্যান্সারের জন্য নতুন mRNA প্রযুক্তি ভিত্তিক টিকা তৈরি করেছেন। এই টিকা রোগীদের শরীরে প্রয়োগের জন্য নিরাপদ এবং কার্যকর। বিশেষ করে, টিউমারের বৃদ্ধি থামাতে সক্ষম এই টিকা বিনামূল্যে বিতরণ করা হবে।

FMBA-র প্রধান ভেরোনিকা স্কভর্ৎসোভা ইস্টার্ন ইকনমিক ফোরামে এই সাফল্যের কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, বহু বছরের গবেষণার ফলাফল এই টিকা। মানুষের শরীরে পরীক্ষামূলক প্রয়োগের আগে তিন বছর ধরে বিভিন্ন পরীক্ষা চালানো হয়েছে। এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বার বার প্রয়োগ করলেও কোনো বিপদ দেখা যায়নি।

Enteromix টিকা তৈরি করতে ব্যবহৃত mRNA প্রযুক্তি নোভেল করোনাভাইরাসের টিকার মতো। mRNA টিকা কোষগুলিকে প্রোটিন উৎপাদন করতে শেখায়, যা ক্যান্সারের কোষ শনাক্ত এবং ধ্বংস করতে সক্ষম। এই পদ্ধতিতে কেমোথেরাপি বা রেডিয়েশনের মতো কষ্টদায়ক প্রক্রিয়ার পরিবর্তে রোগীর প্রতিরোধ ক্ষমতাকে কাজে লাগানো হয়।

রুশ বিজ্ঞানীদের দাবি, টিকা প্রয়োগের ফলাফল অত্যন্ত আশাপ্রদ। কিছু ক্ষেত্রে ক্যান্সারের টিউমার একেবারে চুপসে গেছে, আবার কিছু ক্ষেত্রে টিউমারের বৃদ্ধি ৬০–৮০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। তবে ক্যান্সারের ধরন অনুযায়ী এই হার ভিন্ন হতে পারে।

প্রাথমিক প্রয়োগের ক্ষেত্রে Enteromix টিকা কোলোরেক্টাল ক্যান্সারের উপর ব্যবহৃত হবে। কোলোরেক্টাল ক্যান্সার হল বৃহদান্ত্রের ক্যান্সার, যা দ্রুত বৃদ্ধি পায়। এছাড়াও গ্লিওব্লাস্টোমা, যা মস্তিষ্কের দ্রুত বর্ধনশীল ক্যান্সার, এবং ত্বকের ক্যান্সার মেলানোমা, অকুলার মেলানোমা, যার কারণে চোখের ক্ষতি হয়, এই টিকার প্রয়োগে অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

  • টিকা পুরোপুরি নিরাপদ এবং কার্যকারিতা উচ্চ।
  • টিউমারের বৃদ্ধি কমানো এবং ধ্বংস করতে সহায়তা করে।
  • বিনামূল্যে বিতরণ করা হবে।
  • মুল লক্ষ্য: কোলোরেক্টাল ক্যান্সার, মেলানোমা, গ্লিওব্লাস্টোমা ইত্যাদি।

রাশিয়ার বিজ্ঞানের বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, Enteromix টিকা শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে ক্যান্সারের কোষ শনাক্ত করে ধ্বংস করতে সক্ষম। এটি ক্যান্সারের চিকিৎসায় এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। প্রথাগত চিকিৎসায় যেমন কেমোথেরাপি বা রেডিয়েশন ব্যবহার করা হতো, যা প্রায়শই রোগীর স্বাভাবিক জীবনকে প্রভাবিত করতো। Enteromix এই সমস্যার সমাধান করছে।

এই ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক চিকিৎসা ও গবেষণা মহলে সাড়া পড়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদি টিকাটি সব ধরনের ক্যান্সারের উপর কার্যকর হয়, তবে এটি বিশ্বের ক্যান্সার চিকিৎসার ইতিহাসে একটি বিপ্লবী পদক্ষেপ হবে।

ভেরোনিকা স্কভর্ৎসোভা আরও জানিয়েছেন, এই টিকার গবেষণা ও পরীক্ষা বহু বছরের কঠোর পরিশ্রমের ফল। শরীরের কোষকে প্রোটিন উৎপাদন করানোর মাধ্যমে টিউমারের বৃদ্ধি থামানো এবং ধ্বংস করার প্রযুক্তি অত্যন্ত নিরাপদ। এখনও পর্যন্ত যে ব্যক্তিদের উপর পরীক্ষা চালানো হয়েছে, তাদের স্বাস্থ্যগত অবস্থায় উল্লেখযোগ্য উন্নতি দেখা গেছে।

রাশিয়ার FMBA আশা করছে, শীঘ্রই Enteromix টিকা সকল ক্যান্সার রোগীর জন্য সহজলভ্য হবে। এই নতুন প্রযুক্তি ক্যান্সার রোগীদের জন্য এক নতুন আশার আলো নিয়ে এসেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি কেবল ক্যান্সারের চিকিৎসা নয়, বরং রোগীর জীবনের মান উন্নয়নের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

প্রাথমিক প্রয়োগে যে ফলাফল পাওয়া গেছে, তা অত্যন্ত ইতিবাচক। বিভিন্ন ক্যান্সারের রোগীর শরীরে টিকা প্রয়োগে দেখা গেছে, টিউমার বৃদ্ধি থেমে গেছে এবং কিছু ক্ষেত্রে তা একেবারে চুপসে গেছে। টিকা পুরোপুরি নিরাপদ এবং বার বার প্রয়োগেও কোনো ঝুঁকি নেই।

Enteromix টিকা কেবল রাশিয়ায় নয়, আন্তর্জাতিকভাবে ক্যান্সারের চিকিৎসায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে। গবেষকরা আশা করছেন, এই টিকা বিশ্বব্যাপী ক্যান্সারের চিকিৎসার মান ও কার্যকারিতা উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত করবে।

রাশিয়ার এই সফল গবেষণা আন্তর্জাতিক চিকিৎসা মহলে আশাব্যঞ্জক হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিজ্ঞানীরা আরও বলেন, টিকার কার্যকারিতা ক্যান্সারের বিভিন্ন ধরণে প্রয়োগের মাধ্যমে আরও পরীক্ষা করা হবে, যাতে রোগীদের সর্বাধিক সুবিধা নিশ্চিত করা যায়।

Enteromix টিকা ক্যান্সারের বিরুদ্ধে মানবতার জন্য এক নতুন আশা। শীঘ্রই এটি রোগীদের বিনামূল্যে বিতরণ করা হবে এবং এটি ক্যান্সারের চিকিৎসার ইতিহাসে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে ধরা হবে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

মুর্শিদাবাদে লোকাল ট্রেনে শৌচাগারের অভাব: অধীর চিঠি

মুর্শিদাবাদে লোকাল ট্রেনে শৌচাগারের অভাব: অধীর চিঠি

মুর্শিদাবাদে লোকাল ট্রেনে শৌচাগারের অভাব: অধীর চিঠি

শিয়ালদহ, কলকাতা এবং রানাঘাট থেকে মুর্শিদাবাদের লালগোলা লোকাল ট্রেনে যাত্রীদের শৌচাগারের অভাব নিয়ে সমস্যা দেখা দিয়েছে। কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির সদস্য অধীর চৌধুরী রবিবার রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব-এর কাছে চিঠি লিখে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তুলে ধরেছেন।

তিনি জানিয়েছেন, শৌচাগার না থাকার কারণে প্রায় ২৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ যাত্রায় যাত্রীরা শারীরিক ও মানসিক সমস্যায় পড়ছেন। অধীর বলেছেন, “মুর্শিদাবাদ দেশের অন্যতম অনুন্নত জেলা। এখানে সাধারণ মানুষ দৈনন্দিন ভিত্তিতে ইএমইউ ও এমইএমইউ-সহ নয়টি ট্রেন ব্যবহার করেন। কিন্তু ট্রেনে শৌচাগার নেই। দীর্ঘ যাত্রায় এটি এক ধরনের অমানবিক অবস্থা।”

  • শৌচাগারের অভাবে যাত্রীদের দৈনন্দিন যাত্রা বিপজ্জনক ও অসুবিধাজনক।
  • মুর্শিদাবাদ জেলার মানুষের নিরাপদ ও আরামদায়ক যাত্রা নিশ্চিত করতে পদক্ষেপ প্রয়োজন।
  • কেন্দ্রীয় সরকারের 'স্বচ্ছ ভারতে' উদ্যোগের সঙ্গে এই পরিস্থিতি সাংঘর্ষিক।

অধীর চৌধুরী আরও বলেন, রেল বিভাগের দায়িত্ব যাত্রীদের মৌলিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা। শৌচাগারের অভাবে শুধু যাত্রীদের অসুবিধা নয়, স্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতার মানও হ্রাস পাচ্ছে। তিনি আশা করছেন, রেলমন্ত্রী দ্রুত সমস্যার স্থায়ী সমাধান করবেন।

মুর্শিদাবাদ জেলার যাত্রীরা প্রতিদিন কয়েক হাজার মানুষ যাত্রা করেন। দীর্ঘ সময় ট্রেনে থাকা অবস্থায় শৌচাগারের অভাব বিশেষত মহিলা, বৃদ্ধ ও শিশুদের জন্য সমস্যা তৈরি করছে। অধীরের মতে, এটি স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং সামাজিক সমস্যাও সৃষ্টি করছে।

রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। যাত্রীদের স্বচ্ছ ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করার জন্য রেলমন্ত্রী ও রেল প্রশাসনের পদক্ষেপের অপেক্ষা রয়েছে।

বিহারে বিতর্ক: তেজস্বী যাদবের স্ত্রীর বিরুদ্ধে কটূক্তি

বিহারে বিতর্ক: তেজস্বী যাদবের স্ত্রীর বিরুদ্ধে কটূক্তি

বিহারে বিতর্ক: তেজস্বী যাদবের স্ত্রীর বিরুদ্ধে কটূক্তি

ভোটমুখী প্রচারের সময় বিহারে মহিলাদের নিশানা করে বিতর্কিত মন্তব্য আবারও দেখা দিয়েছে। এবার লক্ষ্য হয়েছেন আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদবের স্ত্রী। প্রাক্তন আরজেডি নেতা রাজবল্লভ যাদব কারও নাম না করে তেজস্বী-জায়াকে "জার্সি গরু" বলে কটূক্তি করেছেন।

রাজবল্লভ যাদব বলেন:

  • "জাতপাত শুধু ভোটের সময় কাজে লাগে।"
  • "যখন বিয়ের প্রসঙ্গ আসে, তখন বিয়ে কোথায় হল? হরিয়ানা আর পঞ্জাবে বিয়ে করার প্রয়োজন কী ছিল?"
  • "তিনি কি কোনও নারীকে বিয়ে করলেন, নাকি জার্সি গরু আনলেন? যাদব সম্প্রদায়ে কি কোনও মেয়ে ছিল না?"

উল্লেখযোগ্য, সম্প্রতি পকসো মামলায় সাড়ে নয় বছর কারাবাসের পর জেল থেকে মুক্তি পেয়েছেন ওই প্রাক্তন আরজেডি নেতা।

নিরপেক্ষ বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ধরনের মন্তব্য রাজনৈতিক বিতর্ককে আরও উত্তপ্ত করতে পারে এবং ভোটের আগে সামাজিক ও রাজনৈতিক আলোচনার ক্ষেত্রে সর্তকতা বজায় রাখার প্রয়োজন রয়েছে।

বিহারের রাজনৈতিক পরিপ্রেক্ষিতে, ভোটমুখী সময় মহিলাদের বিরুদ্ধে কটূক্তি নতুন নয়। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্যক্তিগত আক্রমণ এবং কটূক্তি রাজনৈতিক সংস্কৃতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

কপি

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

“কেউ অপমান করেনি, কেউ বাধা দেয়নি— তবু ভিনরাজ্যের প্রার্থীদের প্রসঙ্গে হেনস্থার স্মৃতি তুললেন কুণাল”

কুণাল ঘোষের প্রশ্ন: ভিনরাজ্যের পরীক্ষার্থী এলে কি বাঙালির চাকরিই সংকুচিত হবে?

কুণাল ঘোষ: “কেউ অপমান করেনি, কেউ বাধা দেয়নি” — ভিনরাজ্যের পরীক্ষার্থীদের নিয়ে বিতর্ক

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২০২৫ • রিপোর্ট: রাজ্য ব্যুরো
এইবারের এসএসসি পরীক্ষায় ভিনরাজ্যের বহু পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছেন; কুণাল ঘোষ সেই প্রেক্ষাপট উল্লেখ করে প্রশ্ন তুলেছেন — কেন তারা এখানে পরীক্ষা দিতে এলো এবং এতে কী পরিণতি? তিনি বলেছেন যে কেউ অপমান করেনি বা বাধা দেয়নি।
SSC Exam Out of State Candidates

কী বললেন কুণাল?

সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে কুণাল ঘোষ লিখেছেন — “বাংলার এসএসসি পরীক্ষা দিতে আজ হাজির যোগীরাজ্যসহ ভিন রাজ্য, ডবল ইঞ্জিন সরকারের রাজ্যের কর্মপ্রার্থীরা। অনেকে বলছেন ওখানে চাকরি নেই। ঠিকমতো পরীক্ষা হয় না। বারবার স্থগিত হয়েছে। ইত্যাদি। তাঁরা এখানে পরীক্ষা দিতে এসেছেন।”

কুর্নিশের পাশাপাশি তিনি রাজনৈতিক মন্তব্যও করেন—ভিনরাজ্যের কয়েকটি কেন্দ্রশাসিত রাজ্য থেকে মানুষের আসায় কেন প্রশ্ন উঠছে তা নিয়েও আলোচনা করেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, যদিও কেউ অপমান বা বাধা দেয়নি, তবু অতীতের কিছু ঘটনার স্মৃতি এই বিতর্ককে উস্কে দিয়েছে।

পরিসংখ্যান ও স্থানীয় পরিস্থিতি

এসএসসি সূত্রে জানা গেছে, এবারের পরীক্ষায় ভিন রাজ্য থেকে প্রায় ৩১,০০০ পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছেন। বিশেষত উত্তরপ্রদেশ, বিহার ও রাজস্থান থেকে শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রার্থীরা বড় সংখ্যায় এসেছেন। মণীন্দ্রনাথ কলেজ সহ বিভিন্ন কেন্দ্রগুলোতেও ভিনরাজ্যের পরীক্ষার্থীদের সিট দেখা গেছে।

“এখানে কেউ কিন্তু বলেনি বাংলার চাকরির পরীক্ষা কেবল বঙ্গবাসী দিতে পারবে। কেউ হয়রানি করেনি। কেউ অপমান করেনি। বাধা দেয়নি।” — কুণাল ঘোষ

তবে কুণালের মন্তব্যে রাজনৈতিক মহলে দরকারি প্রশ্নও উঠেছে—ভিন রাজ্যের পরীক্ষার্থীদের উপস্থিতি কি স্থানীয়দের চাকরির সুযোগে প্রভাব ফেলবে? নাকি এটি কেবলভাবে কাজের সন্ধানে মানুষ কেন বিদেশে যায় তারই ফল?

রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া

বিরোধীরা দীর্ঘদিন ধরেই রাজ্যের শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ তুলছে — ২০১৬ সালের ঘটনা থেকে শুরু করে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে প্রায় ২৬ হাজার চাকরি বাতিল হওয়া পর্যন্ত ইস্যুগুলো নির্বাচনকালীন রাজনীতির বড় অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। এখন যখন নয় বছর পর আবার পরীক্ষা হচ্ছে, ভিন রাজ্যের পরীক্ষার্থীদের ভীড় রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে নতুন উদ্দীপনা জাগিয়েছে।

কুণাল তার পোস্টে স্পষ্ট করেছেন, তিনি কোনও সংকীর্ণতা প্রচার করছেন না, বরং প্রশ্ন তুলছেন কেন বহু মানুষ অন্য রাজ্য থেকে পরীক্ষায় আসছেন—এ বিষয়টির সামাজিক ও অর্থনৈতিক কারণগুলোও খতিয়ে দেখা দরকার।

টিভি চ্যানেলকে ফোনে কুণাল বলেন, “বিরোধীরা কী বলবে? এই যে বড় বড় কথা, কুৎসা, বিভ্রান্তি, মানুষকে ভুল বোঝানো! এখানে পরীক্ষা হচ্ছে, তখন বাইরে থেকে কেন পরীক্ষা দিতে আসছে? আমরা তো কোনও সংকীর্ণতা দেখায়নি।”

বিশ্লেষণ: কর্মসংস্থান বনাম রাজনীতি

বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ মনে করান, ভিন রাজ্য থেকে মানুষ আসার পেছনে বহু কারণ থাকতে পারে—অবকাঠামোগত দুর্বলতা, পরীক্ষার অনিয়ম, চাকরির সুযোগের অভাব বা মানুষের প্রাপ্য সুযোগের সন্ধান। আইনজীবী ও অর্থনীতিবিদরা মন্তব্য করেন যে—বেকারত্বের সমাধান বিধানসভা পস্তান বা রাজ্য সরকারের কর্মসংস্থান প্রোগ্রামের উপর নির্ভর করে; অন্যদিকে এগুলো রাজনৈতিক বার্তাবাহক হিসেবেও কাজে লাগতে পারে।

আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, “কেন্দ্রীয় স্তরে বড়-বড় প্রতিশ্রুতি থাকলেও বাস্তবে বেকারত্ব ও কর্মসংস্থানের চাহিদা দেশজুড়ে বৃদ্ধি পেয়েছে। যে যেখানে সুযোগ পায়, সেখানে যাচ্ছেন। এটাও একটি বাস্তবতা।”

পরীক্ষার্থীদের দিক থেকে

অন্যদিকে সাধারণ পরীক্ষার্থীরা বলছেন—পরীক্ষার স্বচ্ছতা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। একটা সুযোগ যদি খারাপভাবে ব্যবহৃত হয় বা অনিয়ম থাকে, তাহলে মেধাবী ও যোগ্য প্রার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। কেউ বলেন, “প্রশ্ন ফাঁস কিংবা অনিয়মের কারণে মানুষ দূরে থেকে পরীক্ষা দিতে আগায়—এমন অবস্থাও সৃষ্টি করতে পারে।”

#SSCExam2025 #KunalGhosh #OutOfStateCandidates #TeacherRecruitment #WestBengalNews #BengalPolitics
© ২০২৫ Y বাংলা নিউজ • রিপোর্ট: রাজ্য ব্যুরো •

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

নবান্নের বিশেষ কোটা! বিধানসভা নির্বাচনের আগে কনস্টেবল নিয়োগ পরীক্ষা শুরু"

বিধানসভা নির্বাচনের আগে কনস্টেবল নিয়োগে নতুন কোটা, সহযোগী পুলিশকর্মীরাও অংশ নিতে পারবেন

বিধানসভা নির্বাচনের আগে কনস্টেবল নিয়োগে নতুন কোটা, সহযোগী পুলিশকর্মীরাও অংশ নিতে পারবেন

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২০২৫ • স্থান: নবান্ন, পশ্চিমবঙ্গ
পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগ

আগামী বছর পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে রাজ্যের কর্মসংস্থানের মাধ্যমে রাজনৈতিক বার্তা পৌঁছে দিতে চাইছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। এই প্রেক্ষিতে পুলিশের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় একাধিক পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নবান্ন। প্রশাসন সূত্রের খবর, উৎসবের মরসুম কেটে গেলেই পুলিশের নিচুতলায় কর্মী নিয়োগে পদক্ষেপ করা হবে।

এ বছর থেকেই সিভিক ভলান্টিয়ার, ভিলেজ পুলিশ ও অন্যান্য সহযোগী পুলিশকর্মীরা প্রথমবারের মতো কনস্টেবল নিয়োগ পরীক্ষায় বসতে পারবেন। এছাড়াও, তাঁদের জন্য **বিশেষ কোটা** রাখা হয়েছে। এর আগে সহযোগী পুলিশকর্মীরা সরাসরি কনস্টেবল নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নিতে পারতেন না। ফলে দীর্ঘদিন ধরে তাঁদের মধ্যে ক্ষোভ জমে উঠেছিল।

সহযোগী পুলিশকর্মীর মন্তব্য: "আমরা বহু বছর ধরে পুলিশি দায়িত্ব সামলাচ্ছি, কিন্তু স্থায়ী চাকরির সুযোগ পাইনি। এবার সুযোগ পেয়ে সত্যিই উচ্ছ্বসিত।"

নতুন নিয়োগ নীতি ও কোটা

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সহযোগী পুলিশকর্মীদের জন্য কনস্টেবল নিয়োগে **১৫ শতাংশ কোটা** নির্দিষ্ট করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁদের জন্য সর্বোচ্চ বয়ঃসীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৫ বছর। এর ফলে বহু দিন ধরে কাজ করা সিভিক ও ভিলেজ পুলিশকর্মীরাও পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন।

পুলিশি সূত্রে জানা যায়, উৎসবের মরসুম কেটে নভেম্বরেই কনস্টেবল নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এ বারের পরীক্ষায় অন্তত ৫ হাজার সহযোগী কর্মী অংশগ্রহণ করবে বলে অনুমান করা হচ্ছে। আরও খবর পড়ুন:- ডাবল ইন্ডিয়ান রাজ্য সরকারি চাকরি নেই তাই পশ্চিমবাংলায় এসএসসি পরীক্ষা দিতে এসেছে পরীক্ষার্থী।

পুলিশ ওয়েলফেয়ার কমিটি: "সহযোগী কর্মীরা দীর্ঘদিন পুলিশের নানা দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। তাদের পরিশ্রম এবং অবদান অমূল্য। এবার তাদের জন্য স্থায়ী চাকরির দ্বার উন্মুক্ত হল। আমরা চাই, যত বেশি সম্ভব কর্মী এই পরীক্ষায় সফল হোক।"

অনলাইন প্রশিক্ষণ সুবিধা

বেশিরভাগ সহযোগী পুলিশকর্মী দৈনন্দিন থানা কার্যক্রম, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা দায়িত্বে ব্যস্ত থাকায় প্রশিক্ষণে আসা তাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। এই বাস্তব সমস্যা মাথায় রেখে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ ওয়েলফেয়ার কমিটি অনলাইন প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা চালু করেছে। কর্মীরা বাড়িতে বসে পরীক্ষা প্রস্তুতি নিতে পারবে। ইতিমধ্যেই অনলাইন ক্লাস শুরু হয়েছে। আরও খবর পড়ুন :- পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের ব্যবহার, গর্ভবতী পরীক্ষার্থীর সাথে কি কান্ড ঘটালেন অ্যাডমিট দেখে

রাজনৈতিক প্রভাব

রাজনৈতিক মহল মনে করছে, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে এক ধরণের **দ্বৈত লক্ষ্য** অর্জন করতে চাচ্ছে নবান্ন। নির্বাচনের আগে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি ও সাধারণ মানুষের কাছে ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দেওয়া। সহযোগী পুলিশকর্মীদের দীর্ঘ দিনের দাবি পূরণ হওয়ায় রাজনৈতিক লাভও নিশ্চিত হচ্ছে। নভেম্বরের কনস্টেবল নিয়োগ পরীক্ষা শুধুমাত্র পুলিশের ভবিষ্যৎ নয়, রাজনীতির ময়দানেও বিশেষ তাৎপর্য বহন করতে চলেছে।

#WBPoliceRecruitment #ConstableQuota #Nabanna #PoliceJobsWB #CivicVolunteers #VillagePolice #ElectionYearJobs #OnlineTraining
© ২০২৫ Y বাংলা নিউজ | রিপোর্ট: ক্রাইম ও চাকরি ডেস্ক •

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

রাজ্যে 'শিক্ষিত বেকার' কি উবে গেল? শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫

রাজ্যে শিক্ষিত বেকার উবে গেল কি? শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫

রাজ্যে 'শিক্ষিত বেকার' কি উবে গেল? শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২০২৫ • স্থান: পশ্চিমবঙ্গ
শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
২০১৬ সালের তুলনায় শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। রাজ্যের শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা কমেছে কি, নাকি পরীক্ষার নিয়মনীতি ও ভরসার অভাব এ-ফলাফল আনেছে?

পরিসংখ্যানের চমক

২০১৬ সালে নবম-দশম শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায় ২২ লাখের আশপাশে পরীক্ষার্থী বসেছিলেন। তবে ২০২৫ সালে প্রথম দফায় এসএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হলে নবম-দশম শ্রেণির শিক্ষক পদের জন্য পরীক্ষার্থী দাঁড়ালো প্রায় ১ লাখ। এক সপ্তাহ পর একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী প্রায় ২.৫ লক্ষের কাছাকাছি।

এই হ্রাস শিক্ষাক্ষেত্রে প্রশ্ন তুলে দিয়েছে—রাজ্যে কি সত্যিই শিক্ষিত বেকার কমেছে, নাকি পরীক্ষার আস্থা ও নিয়োগ প্রক্রিয়ার কারণে বহু শিক্ষার্থী পরীক্ষায় বসেননি?

সিপিআই(এম) নেতা সুজন চক্রবর্তী: "বামজমানায় বছরে-বছরে পরীক্ষা হতো, প্যানেল প্রকাশ হতো, সেই মতো নিয়োগও হত। কেউ কোনওদিন প্রশ্ন তুলতে পারেনি।"

তিনি আরও বলেন, "যোগ্যদের চাকরি খারিজ করে অযোগ্যদের পাশে দাঁড়িয়ে সরকার এসএসসি দিয়ে আরেকবার পরীক্ষা আয়োজন করলে অনেকেই পরীক্ষায় বসতে ভরসা পাচ্ছেন না। পরীক্ষার ফলাফলও নিয়োগে কতজন সুযোগ পাবে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।"

শিক্ষক নিয়োগের ইতিহাস

১৯৯৭ সালে স্কুল সার্ভিস কমিশন গঠিত হওয়ার পর নিয়মিত পরীক্ষা ও নিয়োগ প্রক্রিয়া চালু হয়। বামজমানায় চাকরি পেতে দলীয় আনুগত্য গুরুত্বপূর্ণ হলেও কমিশন গঠনের পর থেকে পরীক্ষার স্বচ্ছতা নিশ্চিত হয়। পরীক্ষার্থীরা কোনো অবৈধ লেনদেন ছাড়াই চাকরির জন্য অংশ নিতে পারতেন।

রাজ্য শিক্ষামহল: "নিয়োগের স্বচ্ছতা নিশ্চিত হওয়ায় শিক্ষিত বেকাররা ন্যায্যভাবে চাকরি পেতে পারতেন।"

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কমিশন গঠনের আগে দলীয় প্রভাব ও তহবিলের মাধ্যমে চাকরি দেওয়া হতো। তবে কমিশন গঠনের পর সেটি বন্ধ হয়ে নিয়মিত পরীক্ষা ও স্বচ্ছ নিয়োগ রীতি চালু হয়।

রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া

রাজ্য রাজনীতির একাংশ মনে করিয়ে দিচ্ছে, বামজমানায় অবৈধভাবে চাকরি পাওয়া যেত। তবে কমিশন গঠনের পর এ রীতি বন্ধ হয়। এখন নিয়োগে শুধুই পরীক্ষা ও যোগ্যতা নির্ভর করে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক: "দলীয় প্রভাব ও টাকা দিয়ে চাকরি পাওয়া যেত, এখন পরীক্ষা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগ হচ্ছে।"

ভাইরাল হ্যাশট্যাগ এবং শেয়ারিং

#SSCExam2025 #TeacherRecruitmentWB #শিক্ষকনিয়োগ #EducatedUnemployed #WestBengalNews #BengalEducation #ViralNews
© ২০২৫ Y বাংলা নিউজ | রিপোর্ট: শিক্ষা ব্যুরো •

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

“ঈশিতা খুনের পর ছেলে দেশরাজকে পালাতে সাহায্যের অভিযোগে গ্রেফতার হলেন কৃষ্ণনগরের বাবা”

কৃষ্ণনগর কাণ্ড: ছেলের পর পুলিশের জালে রাঘবেন্দ্র প্রতাপ সিং

কৃষ্ণনগর কাণ্ড: ছেলের পর পুলিশের জালে রাঘবেন্দ্র প্রতাপ সিং

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২০২৫ • স্থান: কৃষ্ণনগর, পশ্চিমবঙ্গ
কৃষ্ণনগর খুনের খবর
ঈশিতা খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত দেশরাজকে পালাতে সাহায্যের অভিযোগে গ্রেপ্তার রাঘবেন্দ্র প্রতাপ সিং। রাজস্থান থেকে কোতয়ালি থানার পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছে।

ঘটনার বিস্তারিত

কৃষ্ণনগর কাণ্ডে ছেলের পর পুলিশের জালে ধরা পড়লেন রাঘবেন্দ্র প্রতাপ সিং। সোমবার রাজস্থান থেকে কোতয়ালি থানার পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশের অনুমান অনুযায়ী, ঈশিতা মল্লিককে খুন করার পর দেশরাজকে পালাতে সাহায্য করেছিলেন রাঘবেন্দ্র। ধৃত রাঘবেন্দ্র বিএসএফে কর্মরত থাকায় জেলা পুলিশের হাতে তাকে তুলে দেওয়ার ক্ষেত্রে কিছু জটিলতা দেখা দেয়। দীর্ঘ টালবাহানার পর অবশেষে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সঞ্জয় মিত কুমার জানান, "আজ জয়সলমীরের আদালতে তোলা হয় রাঘবেন্দ্র প্রতাপ সিংকে। আদালতের নির্দেশক্রমে কোতয়ালি থানার পুলিশ গ্রেফতার করেছে।"

পুলিশ সূত্র: "ছেলেকে পালাতে সাহায্য করার বিষয়টি জানতে তাঁকে বিস্তারিত জেরা করা হবে।"

ঘটনার সূত্র অনুযায়ী, দেশরাজ ঈশিতাকে হত্যা করার পর রহস্যজনকভাবে বেপাত্তা হয়ে যান। পুলিশকে তাঁকে খুঁজতে কার্যত হিমশিম খেতে হয়। উত্তরপ্রদেশের একটি গোপন ডেরার মাধ্যমে দেশরাজকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে, কুপদীপ সিংকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল, যিনি পালানোর পথ দেখিয়েছিলেন।

তদন্তকারীর মন্তব্য: "কুপদীপকে জেরা করেই আমরা দেশরাজের খোঁজ পেয়েছি। এরপর রাজস্থান থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।"

পুলিশ জানাচ্ছে, হোটেল বিলে অর্থ প্রদান থেকে শুরু করে নতুন মোবাইল কেনা—সবই ধৃত রাঘবেন্দ্র করেছেন। তদন্তকারীরা ইতিমধ্যেই সেই আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত নথি পেয়েছেন।

গ্রেপ্তারের জটিলতা

ধৃত রাঘবেন্দ্র বিএসএফে কর্মরত থাকায় জেলা পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার ক্ষেত্রে বিএসএফ কিছুটা বাধা সৃষ্টি করেছিল। তবে শেষমেষ সমস্ত জটিলতা কাটিয়ে রাজস্থান থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের দাবি, রাঘবেন্দ্রকে জেরা করে তদন্ত আরও গভীরে পৌঁছানো সম্ভব হবে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার: "গ্রেপ্তারির মাধ্যমে আমরা হত্যাকাণ্ড এবং পালানোর চক্রের সব তথ্য খুঁজে বের করতে পারব।"

ভাইরাল হ্যাশট্যাগ এবং শেয়ারিং

#KrishnanagarCrime #IshitaMurder #RaghavendraPratapSingh #PoliceAction #ViralNews #BengalNews #CrimeUpdate
© ২০২৫ Y বাংলা নিউজ | রিপোর্ট: কৃষ্ণনগর বিউরো

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

Featured post

Y বাংলা ব্যুরো: ভোটার তালিকা সংশোধনে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডে না নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা সংশোধন (SIR, ২০২৬) প্রক্রিয়ায় ম...

Search This Blog