Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Monday, 8 September 2025

নওশাদ সিদ্দিকীর TMC যোগ প্রস্তাব নিয়ে শুভেন্দুর কটাক্ষ

নওশাদ সিদ্দিকীর TMC যোগ প্রস্তাব নিয়ে শুভেন্দুর কটাক্ষ | Y বাংলা নিউজ

নওশাদ সিদ্দিকীর TMC যোগ প্রস্তাব নিয়ে শুভেন্দুর কটাক্ষ

গত মার্চ মাসে নবান্নে পৌঁছেছিলেন নওশাদ সিদ্দিকী। প্রায় ২০ মিনিট ধরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। এই সাক্ষাতের পরই রাজনীতিতে জল্পনা ছড়িয়ে পড়ে যে, নওশাদ তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিতে পারেন। যদিও নবান্ন থেকে বের হওয়ার পর নিজেই সেই জল্পনা জল ঢেলে দেন বিধায়ক।

সাম্প্রতিক সময় নওশাদ সিদ্দিকী বিস্ফোরক দাবি করেছেন। তিনি জানান, বিধানসভায় দাঁড়িয়ে তৃণমূলের বিধায়ক শওকত মোল্লা তাঁকে TMC-তে যোগদানের প্রস্তাব দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, মন্ত্রিত্ব দেওয়ার প্রস্তাবও করা হয়েছে শাসকদলের পক্ষ থেকে।

মানহানির মামলা ও শুভেন্দুর প্রতিক্রিয়া

সোমবার ব্যাঙ্কশাল আদালতে নওশাদ সিদ্দিকী শওকত মোল্লার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেন। তিনি আইনজীবীকে সঙ্গে নিয়ে আদালতে উপস্থিত হন। এই ঘটনার পর বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন।

শুভেন্দু বলেন, "আমি শওকত মোল্লাদের মতো গুণ্ডাদের কথার উত্তর দেব না। নওশাদ ভাই জানেন তিনি কী বলতে চেয়েছেন। গতবার মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে নবান্নে দেখা করার সময় কী কথা হয়েছে তা জানতে পারিনি। লোকসভায় ডায়মন্ড হারবার থেকে ভোটে লড়বেন বলে কোন অজ্ঞাত কারণে মাঠ ছেড়ে দিলেন, সেটা স্পষ্ট হতে হবে। ভোটের ছয় মাস আগে এখন থেকে বলতে বলতে শুরু করলেন, জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মাসে বলবেন চাপ নিতে পারলাম না, তাই যেতে হল।"

রাজনৈতিক জল্পনা ও প্রভাব

নবান্নে সাক্ষাতের পর এবং TMC-তে যোগদানের প্রস্তাবের পর রাজনীতির মহলে নতুন জল্পনা তৈরি হয়েছে। নওশাদ সিদ্দিকীর এই মন্তব্য পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন ভোটের আগে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়িয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ধরনের ঘটনা ভোটপ্রচারণার প্রভাবকে প্রভাবিত করতে পারে।

নওশাদ সিদ্দিকীর দাবি ও শুভেন্দুর কটাক্ষ, দুই পক্ষের এই বিবৃতি রাজনীতিতে নতুন আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। শওকত মোল্লার TMC-এ যোগদান প্রস্তাবের বিষয়টি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত মানুষের কাছে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

নওশাদের রাজনৈতিক ব্যাকগ্রাউন্ড

নওশাদ সিদ্দিকী একজন প্রভাবশালী বিধায়ক, যিনি ভাঙড়ের আইএসএফ-এর প্রতিনিধিত্ব করেছেন। তাঁর রাজনৈতিক কৌশল এবং যাত্রা পশ্চিমবঙ্গ রাজনীতিতে প্রভাবশালী। তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে নানা ধরনের জল্পনা ইতিপূর্বেও উঠেছে, যা আবার নতুন করে রাজনীতির উত্তাপ বাড়িয়েছে।

নবান্নে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাতের পর রাজনৈতিক মহলে আলোড়ন সৃষ্টি হলেও নওশাদ নিজেই সেই জল্পনা স্পষ্টভাবে না মেনে জানান, তিনি কোনো সিদ্ধান্ত এখনই নেননি।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা কী বলছেন?

বিশ্লেষকরা বলছেন, ভোটের আগে এমন ধরনের প্রস্তাব ও বিতর্ক রাজনৈতিক উত্তাপকে বাড়াতে সাহায্য করে। তৃণমূল ও বিরোধী দল উভয়ের জন্যই এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। নওশাদ সিদ্দিকীর এই দাবি এবং শুভেন্দুর মন্তব্য, দুইয়ের মধ্যকার রাজনৈতিক নাটক ভোটের আগে ভোটারদের মনোযোগ আকর্ষণ করছে।

ভবিষ্যৎ প্রভাব

নওশাদ সিদ্দিকীর TMC যোগদানের প্রস্তাব ও বিরোধী নেতার কটাক্ষ, আগামী ভোট প্রচারণায় উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে। রাজনৈতিক মহল বলছে, এই ঘটনা নির্বাচনী কৌশল ও ভোটারদের মনোভাবকে প্রভাবিত করতে পারে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

বিস্ময়কর সিদ্ধান্ত: চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জয়ী অধিনায়ককে এশিয়া কাপ থেকে বাদ!

শ্রেয়স আইয়ারকে এশিয়া কাপ থেকে বাদ, তবে BCCI করল ক্যাপ্টেন! | Y বাংলা নিউজ

শ্রেয়স আইয়ারকে এশিয়া কাপ থেকে বাদ, তবে BCCI করল ক্যাপ্টেন!

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ২০২৫ জিতেও ভারতীয় ক্রিকেট বিশ্বে বড় চমক দিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (BCCI)। অজিত আগরকরের নেতৃত্বাধীন জাতীয় নির্বাচক কমিটি এশিয়া কাপের দল বেছে নিতেই নেটপাড়া ছেয়ে যায় সমালোচনার ঝড়ে। একাধিক বড় তারকা বাদ পড়ায় ক্রিকেটপ্রেমীরা হতবাক। কিন্তু সবচেয়ে বিস্ময়কর ছিল শ্রেয়স আইয়ারের নাম এশিয়া কাপের মূল দলে না থাকা।

শ্রেয়স আইয়ারের বাদ পড়া নিয়ে বহু প্রাক্তন ক্রিকেটার মত প্রকাশ করেছেন। হরভজন সিং, ইরফান পাঠান ও অভিষেক নায়ার মত বিশ্বকাপজয়ী প্রাক্তনরা এই সিদ্ধান্তকে অপ্রত্যাশিত ও হতবাক করা হিসেবে বর্ণনা করেছেন। সমালোচনার ঝড়ে BCCI-এর এ সিদ্ধান্ত ক্রিকেট বিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। তবে সমর্থকদের জন্য চমক হিসেবে রাখা হয়েছিল, শ্রেয়স আইয়ারকে ভারতের 'এ' দলে অধিনায়ক হিসেবে মনোনীত করা হলো।

ইন্ডিয়া 'এ' দলের প্রস্তুতি ও ম্যাচ সূচি

সেপ্টেম্বর মাসে ভারতের 'এ' দল অস্ট্রেলিয়া 'এ' দলের বিরুদ্ধে দু'টি মাল্টি-ডে ম্যাচ খেলবে। ১৬ ও ২৩ সেপ্টেম্বর লখনউতে অনুষ্ঠিত হবে এই ম্যাচ। শ্রেয়স আইয়ারকে অধিনায়ক ও ধ্রুব জুরেলকে সহ-অধিনায়ক মনোনীত করা হয়েছে। দ্বিতীয় ম্যাচের জন্য দলের সাথে যোগ করবেন কেএল রাহুল এবং পেসার মহম্মদ সিরাজ।

দলটি মূলত ঘরোয়া ক্রিকেটে আলো ছড়ানো নতুন এবং মাঝারি অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের নিয়ে গঠিত। এতে আয়ূষ বাদোনি, তনুশ কোটিয়ান, হর্ষ দুবে, মানব সুতার, এন জগদীসন, গুরনূর ব্রার এবং খলিল আহমেদ অন্তর্ভুক্ত। এশিয়া কাপের সাথে সংঘর্ষ না ঘটানোর জন্য ভারতের সাদা বলের মূল তারকারা এই দলে নেই।

শ্রেয়স আইয়ারের প্রতিক্রিয়া

শ্রেয়স আইয়ার এশিয়া কাপ থেকে বাদ পড়ার বিষয়টি নিয়ে বলেছেন, "সেই সময়ে হতাশ লাগছিল। কিন্তু দলের জন্য ধারাবাহিকভাবে পারফর্ম করতে হয় এবং সেরাটা দিতে হয়। দলের জয়ই গুরুত্বপূর্ণ। সুযোগ না পেলে নিজের কাজ নীতিগতভাবে করতে হবে।"

শ্রেয়সের ফর্মও চমকপ্রদ। আইপিএলে পঞ্জাব কিংসের হয়ে চলতি মরসুমে ৬০৪ রান করেছেন, স্ট্রাইক রেট ১৭৫.০৭। কলকাতা নাইট রাইডার্সকে আইপিএল ২০২৪-এ চ্যাম্পিয়ন বানানোর পাশাপাশি, সোবো মুম্বই ফ্যালকনসকে মুম্বই টি-টোয়েন্টি লিগের ফাইনালে নিয়ে গিয়েছেন। রঞ্জি ট্রফি ও ইরানি কাপেও শ্রেয়সের পারফর্ম্যান্স প্রশংসিত হয়েছে।

ইন্ডিয়া 'এ' স্কোয়াড

  • শ্রেয়স আইয়ার (অধিনায়ক)
  • ধ্রুব জুরেল (সহ-অধিনায়ক, উইকেটকিপার)
  • অভিমন্যু ঈশ্বরণ
  • সাই সুদর্শন
  • এন জগদীসন (উইকেটকিপার)
  • দেবদত্ত পাড়িক্কল
  • হর্ষ দুবে
  • আয়ূষ বাদোনি
  • নীতীশ কুমার রেড্ডি
  • তনুশ কোটিয়ান
  • প্রসিধ কৃষ্ণা
  • গুরনূর ব্রার
  • খলিল আহমেদ
  • মানব সুতার
  • যশ ঠাকুর

শ্রেয়স আইয়ারের নেতৃত্বে ইন্ডিয়া 'এ' দল তরুণ ক্রিকেটারদের সুযোগ দিচ্ছে এবং তাদের অভিজ্ঞতা বাড়াচ্ছে। এশিয়া কাপ থেকে বাদ পড়ার হতাশা হলেও শ্রেয়সের অধিনায়কত্বে নতুন দলে তার প্রত্যাবর্তন ভারতীয় ক্রিকেটের জন্য আশার আলো তৈরি করছে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

২০২৬ নির্বাচনের আগে বিষ্ণুপুরে বিজেপির ভাঙন, তৃণমূলে যোগদানেই পাল্টাচ্ছে সমীকরণ

২০২৬ নির্বাচনের আগে বিষ্ণুপুরে বিজেপির ভাঙন, তৃণমূলে যোগদানেই পাল্টাচ্ছে সমীকরণ

২০২৬ নির্বাচনের আগে বিষ্ণুপুরে বিজেপির ভাঙন, তৃণমূলে যোগদানেই পাল্টাচ্ছে সমীকরণ

📰 রিপোর্ট: Y বাংলা নিউজ ডেস্ক | 📅 ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন ঘনিয়ে আসার আগেই বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলায় বিজেপির শক্ত ঘাঁটিতে ভাঙনের সুর শোনা যাচ্ছে। একাধিক গ্রাম পঞ্চায়েতের বিজেপি সদস্য তৃণমূল কংগ্রেসের পতাকা হাতে তুলে নিয়েছেন। এই যোগদান মেলা ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র আলোড়ন তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে সোনামুখী বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির ভাঙন দলীয় সংগঠনের জন্য বড় ধাক্কা বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

মানিক বাজার গ্রাম পঞ্চায়েতের সমীকরণ বদল

সোনামুখী ব্লকের মানিক বাজার গ্রাম পঞ্চায়েতের মোট আসন সংখ্যা ৯। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিজেপি ৫টি এবং তৃণমূল ৪টি আসন পায়। ফলে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বোর্ড গঠন করে বিজেপি। কিন্তু সাম্প্রতিক যোগদান মেলায় ১৭০ নম্বর বুথের বিজেপি সদস্য শ্যামলী লোহার তৃণমূলে যোগ দেন। এর ফলে বিজেপির সদস্য সংখ্যা নেমে এসেছে ৪-এ এবং তৃণমূল বেড়ে হয়েছে ৫। স্বাভাবিকভাবেই আগামী দিনে অনাস্থা এনে এই গ্রাম পঞ্চায়েতের বোর্ড দখল করতে চলেছে তৃণমূল।

পূর্ব নবাসন গ্রাম পঞ্চায়েতে ভাঙন

সোনামুখী বিধানসভার বিজেপি বিধায়ক দিবাকর ঘরামির এলাকা পূর্ব নবাসন গ্রাম পঞ্চায়েতেও ভাঙন দেখা দিয়েছে। এখানে মোট আসন ২৩টির মধ্যে ১৬টিতে বিজেপি এবং ৭টিতে তৃণমূল জয়ী হয়েছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক যোগদান মেলায় ১২১ নম্বর বুথের বিজেপি সদস্য জ্যোৎস্না চৌধুরী ও ১১১ নম্বর বুথের স্বপ্না ঘোষ তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন। ফলে বর্তমান পরিসংখ্যান অনুযায়ী বিজেপির আসন সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ১৪-এ এবং তৃণমূল বেড়ে হয়েছে ৯।

রাজনৈতিক তরজা

এই যোগদান মেলাকে ঘিরে বিজেপি ও তৃণমূলের মধ্যে অভিযোগ-প্রত্যঅভিযোগের ঝড় উঠেছে। জেলা তৃণমূল সভাপতি সুব্রত দত্ত হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, আগামী ১০ দিনের মধ্যেই গ্রাম পঞ্চায়েতের ক্ষমতা দখল করবে তৃণমূল। অন্যদিকে, বিজেপি বিধায়ক দিবাকর ঘরামি অভিযোগ করেছেন, “প্রশাসনকে কাজে লাগিয়ে ভয় দেখিয়ে বিজেপি সদস্যদের যোগদান করানো হচ্ছে।” তিনি দাবি করেছেন, সাধারণ মানুষের কাছে তৃণমূল এখন ডুবন্ত জাহাজ।

সভামঞ্চ থেকে জেলা তৃণমূল সভাপতি বিজেপি বিধায়ককে আক্রমণ করে বলেন, “সাড়ে চার বছরে এলাকায় কোনও কাজ করেননি বিধায়ক। এবার ডুগডুগি বাজাব, বাঁদরের নাচ নাচাব।” পাল্টা বিজেপি বিধায়ক খোঁচা দিয়ে মন্তব্য করেন, “তৃণমূলের যেমন ঝাড়, তেমন বাঁশ।”

যোগদানের কারণ

বিজেপি থেকে তৃণমূলে যোগ দেওয়া অঞ্চল সদস্যদের বক্তব্য, বিজেপিতে থেকে এলাকার উন্নয়ন সম্ভব হচ্ছিল না। তাই উন্নয়ন যজ্ঞে অংশগ্রহণ করতেই তারা তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, ভোটের আগে এই ভাঙন বিজেপির জন্য বড় ধাক্কা। তবে আগামী দিনে সাধারণ মানুষ কাকে সমর্থন করবেন, তার ইঙ্গিত দেবে ২০২৬ সালের ভোট।

স্পষ্টতই বলা যায়, যোগদান মেলা শুধু রাজনৈতিক সমীকরণই বদলায়নি, বরং গ্রামাঞ্চলে তৃণমূলের সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করেছে। অন্যদিকে বিজেপির অভ্যন্তরীণ ভাঙন দলের কৌশলগত দুর্বলতাকে প্রকাশ করছে। এখন দেখার বিষয়, ২০২৬ নির্বাচনের আগে এই ভাঙন কোন দিকে মোড় নেয়।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

বিহারে প্রমাণ্য নথি হিসেবে আধার স্বীকৃতি — সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ

বিহারে প্রমাণ্য নথি হিসেবে আধার স্বীকৃতি — সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ

বিহারে প্রমাণ্য নথি হিসেবে আধার স্বীকৃতি — সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ

প্রকাশিত: 8 সেপ্টেম্বর 2025 | রিপোর্ট: কপি রাইট-মুক্ত সংবাদ

সুপ্রিম কোর্ট সোমবার নির্দেশ দিয়েছেন যে, বিহারের স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন (SIR) চলাকালে নির্বাচন কমিশন (EC)-কে আধার কার্ডকে ১২তম গ্রহণযোগ্য পরিচয়পত্র হিসেবে বিবেচনা করতে হবে — যাতে অধিক সংখ্যক ভোটারের পরিচয় যাচাই করা যায় এবং অনাবশ্যক সমস্যার সমাধান সহজ হয়। 0

আদালত একই সঙ্গে কড়া শর্তও বসিয়েছে: আধারকে নাগরিকত্বের প্রমাণ হিসেবে ধরা যাবে না এবং নির্বাচন কমিশনকে যেসব আধার নম্বর গ্রহণ করবে সেগুলোর প্রামাণিকতা নিশ্চিত করার ব্যবস্থা রাখতে বলা হয়েছে। আদালত জানিয়েছে, পরিচয় যাচাই এবং নাগরিকত্ব প্রমাণ দুটি আলাদা বিষয় এবং তা মিশ্রিত করা হবে না। 1

এই নির্দেশের প্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশনকে বলা হয়েছে যে, তারা দ্রুত একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে আধারকে গ্রহণযোগ্য নথির তালিকায় আনুক এবং একই সঙ্গে যাচাই-প্রক্রিয়া শক্তপোক্ত করুক — যাতে ভুয়া বা অনধিকৃত নম্বর দিয়ে ভেন্ডেল-প্রবেশ প্রতিরোধ করা যায়। আদালত এই সিদ্ধান্তে ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, SIR–এর লক্ষ্যই হল বৈধ ভোটারদের নাম ঠিকভাবে রফতানি ও পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা। 2

বিশ্লেষকদের মতে, আধারকে স্বীকৃতি দেয়া হলে অনেকের ক্ষেত্রে ভোটার যাচাইকরণ দ্রুততর হবে, তবে একই সঙ্গে প্রামাণিকতা যাচাই ও গোপনীয়তা বিষয়ক প্রশ্নও গুরুত্ব পাবে — নির্বাচন কমিশনকে তাই প্রযুক্তিগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে।

সূত্র: LiveLaw, Hindustan Times, Indian Express, Bar & Bench (সংক্ষিপ্ত রূপে)। এই প্রতিবেদনটি কপিরাইট-মুক্ত এবং আপনি প্রয়োজনে পুনঃপ্রকাশ করতে পারবেন।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

“ভোটের আগে গেমচেঞ্জার চাল! মিঠুনের কাঁধে ভরসা রাখল বঙ্গ বিজেপি, অন্য নেতারা তবে কোথায়?”

ভোটের আগে মমতার পথেই হাঁটছেন বঙ্গ বিজেপি — মিঠুনকে গুরুদায়িত্ব, পুজো স্তরে অনুদান বিতরণ

ভোটের আগে মমতার পথেই হাঁটছে বঙ্গ বিজেপি — এবার গুরুদায়িত্ব মিঠুন চক্রবর্তীর কাঁধে

প্রকাশিত: 8 সেপ্টেম্বর 2025 | রিপোর্ট: স্থানীয় সংবাদদল

দীর্ঘদিন ধরেই রাজ্যের পুজো কমিটিগুলোকে সরকারি অনুদান দেওয়ার বিরোধিতা করে এসেছে বিজেপি। তথাকথিত “রাজ্যায়িত অনুদান” ও রাজনৈতিক পরোক্ষ সুবিধা প্রদানের অভিযোগের প্রেক্ষিতে গেরুয়া শিবির বারবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের সমালোচনা করেছে। অথচ ভোটের মরসুম ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে বিজেপিও মঞ্চে এবং পুজো-চর্চায় প্রভাব বিস্তার করতেই মমতার কৌশলের অনুকরণ করছে — এবার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে পুজো কমিটিগুলোকে আর্থিক সহায়তা করবে জেলা-স্তরে বিজেপি, আর ওই কাজটি করা হবে দলের তারকা নেতা ও অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তীর মাধ্যমে। দলে থাকা সূত্রে এই তথ্য সংগৃহীত হয়েছে। 0

সূত্রের বরাতে জানা গেছে, ২০২১ সালের নির্বাচনী মরসুমে জেলা-স্তরে ক্লাব ও পুজো কমিটিগুলোকে অর্থ পাঠানোর নাম করে রাজ্যের কিছু জায়গায় বড়সড় অনিয়মের অভিযোগ উঠেছিল — নির্ধারিত পরিমাণ অর্থ মাঝপথে গায়েব হয়ে যাওয়া, আর কোন কোন ক্ষেত্রে অনুদানই না পৌঁছিয়ে নেতাদের কণ্ঠে সুবিধা ওঠার মতো অভিযোগ শোনা গিয়েছিল। এসব প্রেক্ষাপটে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকরা এবার একটি কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন: সরাসরি প্রাপ্তির পদ্ধতি ন্যূনতম তছরুপ রোধ করবে বলে মনে করছেন তারা। ফলে জেলা-সংবিধানিক নেতাদের হাতে বালকভর্তি টাকা না দিয়ে, প্রতিটি পুজো কমিটির প্রতিনিধিকে সরাসরি এসে অনুদান গ্রহণের নিয়ম চালু করা হবে — যাতে গৌণ পথ দিয়ে তহবিলের আন্দোলন সীমিত করা যায়। 1

কেন মিঠুন — এবং তার রাজনৈতিক গুরুত্ব

মিঠুন চক্রবর্তী চলচ্চিত্র ও জনমানসে দীর্ঘদিন ধরে পরিচিত মুখ। রাজনৈতিক পরিসরে তাঁর উপস্থিতি গেরুয়া শিবিরকে সাংস্কৃতিক ও সামাজিক ইম্প্যাক্ট বাড়াতে সহায়তা করে — বিশেষত পুজো-মণ্ডপের মতো জনসেবামূলক ও সাংস্কৃতিক প্ল্যাটফর্মে। একজন জনপ্ৰিয় অভিনেতা হিসেবে মিঠুনের ‘ফেস’ জেলায়-জেলায় ব্যাপক মানুষের সমাগম তৈরি করতে পারে, যা ভোটকৌশলে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। অনেকে মন্তব্য করেছেন, পুজো উৎসবকে কেন্দ্রে রেখে ভোট বাতাস বদলানোর প্রচেষ্টা চলছে — সেই কৌশলেই বিজেপি এবার মিঠুনকে মহড়া দেওয়ার দায়িত্ব দিয়েছে। 2

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মিঠুনের মতো সাংস্কৃতিক আইকনকে সামনে করে বিজেপি দুই ধরণের লক্ষ্য অর্জন করতে চায়: (১) সাধারণ মানুষের কাছে দলকে আরও কাছাকাছি দেখা এবং (২) পুজো কমিটিগুলোর মঞ্চে, সমাজে এবং লোকাল মিডিয়ায় দৃশ্যমানতা বাড়ানো। ভোটকেন্দ্রিক দৃষ্টিকোণ থেকে এগুলো ছোট লক্ষ্য নয় — বিশেষত যেখানে সাংস্কৃতিক উৎসব পার্টি-লজিস্টিক ও জনসম্পৃক্ততার জন্য শক্ত ভূমিকা রাখে।

পিছনের আর্থিক কেলেঙ্কারির ভয় ও কেন্দ্রীয় জবাব

২০২১ সালের ভোটের সময় অনুদান বিতরণ নিয়ে ওঠা অভিযোগগুলোর কথা দলের শীর্ষ পর্যায়ের নজরে এসেছে বলে শোনা যাচ্ছে। অতীতে অনুদান বিলোপ বা বিতরণে স্বচ্ছতার অভাব হবার অভিযোগ উঠলে তা দলের ভাবমূর্তির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে — বিশেষত যেখানে স্থানীয় পর্যায়ে ক্ষুদ্র-মাঝারি ক্লাব আর সঞ্চালন কমিটিগুলো সরকারি বা পার্টি-অর্থের উপর নির্ভরশীল। তাই এবারের বদলে দেওয়া পদ্ধতি — সরাসরি প্রাপ্তি ও কেন্দ্রীয় তদারকি — মূলত সেই ঝুঁকি কমাতে নেওয়া হয়েছে বলে রাজনৈতিক সূত্রে মত করা হচ্ছে। 3

কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক ও জেলা পর্যায়ের নেতাদের নির্দেশে অনুদান সংগ্রহের জন্য ক্লাব-প্রতিনিধিদের সরাসরি এসে যোগদান করতে বলা হয়েছে — অর্থাৎ নগদ বা চেক হাতে বুঝিয়ে দেওয়া হবে নির্দিষ্ট স্থানে, যা ডকুমেন্টেড রাখার সুযোগ বাড়াবে। এমন ব্যবস্থায় অনিয়মের সম্ভাবনা কমবে এবং ‘মধ্যস্থতাকারী’দের হাত থেকে অর্থ সরে আসবে, এটাই পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্য বলে জানানো হয়েছে।

সমালোচনা ও প্রতিক্রিয়া

রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ এবং সমালোচকরা জানিয়েছেন — ভোটের আগে পুজো কমিটিগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ানো হলে সেটি ধর্মীয় এবং সাংস্কৃতিক আচারকে রাজনৈতিকভাবে instrumentalise করা হবে বলে অভিযোগ ওঠে। অনেকেই বলছেন, যদি একটি রাজনৈতিক দল উৎসবের মঞ্চে আর্থিকভাবে উপস্থিতি বাড়ায়, তবে তা ধর্মীয় অনুষ্ঠানকে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার অংশে পরিণত করে। এই ধরনের সমালোচনার মধ্যে দিয়ে গেরুয়া শিবিরও যাবতীয় অভিযোগ উড়িয়ে নিজের নির্বাচনী কৌশল বলবৎ রাখতে চায়। অন্যদিকে, পুজো-কমিটির অনেক প্রতিনিধিই আর্থিক সহায়তা পেলে সাংগঠনিক চাপ কমবে বলে স্বীকার করছেন।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন প্রশাসনও নিয়মিতভাবে পুজো কমিটিগুলোকে দিচ্ছে সরকারি অনুদান; ২০২৫ সালের গরম সেশনে সরকার পুজো অনুদান বৃদ্ধি করে বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে — সেই প্রেক্ষিতে প্রতিটি দলই উৎসবকে কেন্দ্র করে ভোট-কৌশল সাজাচ্ছে বলেই রাজনৈতিক পর্যালোচনায় উঠে এসেছে। 4

কি নির্দেশনা ঐতিহাসিকভাবে এসেছে এবং ভবিষ্যৎ কৌশল

বর্তমান সিদ্ধান্ত অনুযায়ী — জেলা নেতাদের হাতে তহবিল তুলে না দিয়ে সরাসরি প্রাপ্তির পদ্ধতিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। এছাড়া ফেরত প্রতিবেদনের ব্যবস্থা জোরদার করা হবে যাতে অনুদান কোথায় ব্যয় হচ্ছে সেই হিসাব-নিকাশ পাওয়া যায়। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, এই পদক্ষেপ শুধু তছরুপ রোধ করবে না, বরং ভোটের সময় নিজেদের ‘প্রবাহ’ বজায় রাখতে সাহায্য করবে।

আগামী কয়েক সপ্তাহে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় মিঠুন চক্রবর্তীর অংশগ্রহণে অনুদান বিতরণী অনুষ্ঠানের মরশুম শুরু হলে সেটি সংবাদমাধ্যমে ব্যাপকভাবে তুলে ধরা হবে — এবং সেটা স্বাভাবিকভাবেই ভোটের আবহে রাজনৈতিক প্রভাব তৈরি করবে। ফলে যে দলই উৎসব ও সাংস্কৃতিক প্ল্যাটফর্ম নিয়ন্ত্রণ করবে, সে মাটিতে ভোটপ্রভাবও বাড়াতে পারবে — এটাই রাজনীতিবিদদের গণনায় সক্রিয় বিষয়।

নোট: প্রতিবেদনে রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তিদের সংক্রান্ত তথ্য স্থানীয় সূত্র এবং জনসম্বন্ধীয় প্রতিবেদন থেকে সংগৃহীত। অতীতে পুজো-অনুদান ও তার বিবাদে বিভিন্ন সময়ে আদালত, বিরোধী দল ও মিডিয়া রিপোর্টে আলাদা আলাদা মন্তব্য এসেছে। আরো তথ্য জানতে স্থানীয় অফিসিয়াল নোটিফিকেশন দেখার পরামর্শ।

এই খবরটি কপিরাইট-ফ্রি (copyright-free) আকারে তৈরি করা হয়েছে এবং আপনি প্রয়োজনে পুনঃপ্রকাশ করতে পারবেন।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

সুপ্রিম কোর্ট কলকাতা হাইকোর্টের রায় বহাল রাখল — পার্ট-টাইম 'কর্মবন্ধু'দের সব আর্থিক সুবিধা দিতে রাজ্যবিধেয় নির্দেশ ।

সুপ্রিম কোর্ট কলকাতা হাইকোর্টের রায় বহাল রাখল — পার্ট-টাইম 'কর্মবন্ধু'দের সব আর্থিক সুবিধা দিতে রাজ্যবিধেয় নির্দেশ

সুপ্রিম কোর্ট কলকাতা হাইকোর্টের রায় বহাল রাখল — পার্ট-টাইম 'কর্মবন্ধু'দের সব আর্থিক সুবিধা দিতে রাজ্যকে নির্দেশ

তারিখ: 18 আগস্ট 2025 | রিপোর্ট: স্থানীয় হিউম্যান রিসোর্স্ ডেস্ক

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অধীনে কাজ করা পার্ট-টাইম সাফাইকর্মী বা পরিচিত নাম 'কর্মবন্ধু'দের জন্য আইনি লড়াইতে বড়সড় সুসংবাদ। দেশের সর্বোচ্চ আদালত কলকাতা হাইকোর্টের সিদ্ধান্তকে বহাল রেখে রাজ্যকে নির্দেশ করেছে যে মামলাকারী কর্মীদের সমস্ত বকেয়া আর্থিক সুবিধা প্রদান করতে হবে — ফলে লক্ষাধিক অস্থায়ী কর্মীর পরিস্থিতি বদলের পথে। 0

এই রায়টি ২০২৫ সালের ১৮ আগস্ট সুপ্রিম কোর্টের চূড়ান্ত আদেশে ঘোষণা করা হয়। আদালত বলেছে যে তারা ভারতীয় সংবিধানের ধারা ১৩৬ অনুযায়ী কলকাতা হাইকোর্টের রায়ে হস্তক্ষেপ করার মতো কোনও সঙ্গত কারণ খুঁজে পায়নি, ফলে হাইকোর্টের রায়ই চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে। এই মামলায় সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ এবং সিদ্ধান্ত রাজ্য সরকারের দেওয়া আবেদন (Special Leave Petition) খারিজ করার রূপ নিয়েছে। 1

ঘটনার পটভূমি (সংক্ষেপে)

বিষয়টি শুরু হয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টে— রাজ্যের খাদ্য ও সরবরাহ দপ্তরের অধীনে কর্মরত কয়েকজন অস্থায়ী সাফাইকর্মী (পার্ট-টাইম কর্মবন্ধু) তাদের বকেয়া আর্থিক সুবিধা, সমান কাজের জন্য সমান অধিকারের দাবি নিয়েই আদালতে যান। প্রথম স্তরে ২০১৭ সালের ২৭ জানুয়ারির মেমোর‍্যান্ডামের ভিত্তিতে ট্রাইব্যুনাল আবেদনকারীদের পক্ষে রায় দেয় এবং সমস্ত সুবিধা প্রদানের নির্দেশ দেয়। পরবর্তীতে ২০২২ সালে সেই রায় বিলোপিত হলে কর্মীদের মনে হত বড় ধাক্কা লেগেছে। কিন্তু তারা হাল ছাড়েনি এবং পুনরায় হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। হাইকোর্ট ২০১১ সালের ১৬ সেপ্টেম্বরের পুরনো মেমোর্যান্ডামকে ভর করে আবার কর্মীদের পক্ষে রায় দেয় এবং ২০১৬ সালের জুলাই থেকে বকেয়া আর্থিক সুবিধা ৯০ দিনের মধ্যে পরিশোধের নির্দেশ দেয়। 2

সুপ্রিম কোর্টে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন ও আদালতের মনোভাব

পশ্চিমবঙ্গ সরকার হাইকোর্টের ওই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে Special Leave Petition (SLP) দায়ের করে। তবে আদালত পর্যবেক্ষণ করে যে আবেদন দাখিল করতে সময়ের অমিতব্যয়ী বিলম্ব হয়েছে এবং আবেদনকারীর (অর্থাৎ রাজ্য সরকারের) ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়। পরিণামে সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্টের সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপের জন্য পর্যাপ্ত কারণ না পাওয়ায় রাজ্য সরকারের SLP খারিজ করে দেয়। 3

মুখ্য সিদ্ধান্তের সারমর্ম:

  • কলকাতা হাইকোর্টের রায় বহাল থাকবে। 4
  • রায়ে বর্ণিত মামলাকারী কর্মীদের সমস্ত প্রকার আর্থিক সুবিধা — বকেয়া বেতন, ভাতা এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা— রাজ্য সরকারকে দ্রুতভাবে প্রদান করতে বলা হয়েছে। 5
  • এই রায় পশ্চিমবঙ্গের অন্যান্য অস্থায়ী কর্মীদের জন্য শক্তিশালী আইনি নজির স্থাপন করবে। 6

অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রভাব

এই রায়ের ফলে সরাসরি প্রভাব পড়বে প্রথমত মামলাকারী কাজকর্মীদের উপর — তাদের বকেয়া বেতন-ভাতা মিটলে স্বাভাবিক জীবনে আর্থিক স্থিরতা আসবে। দ্বিতীয়ত, সিদ্ধান্তটি সামগ্রিকভাবে অস্থায়ী শ্রমিকদের আত্মবিশ্বাস বাড়াবে; যারা নিজেদের প্রাপ্য অধিকার থেকে বঞ্চিত তাদের অনেকে একই পথে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করার সাহস পাবেন। তবে মানতে হবে, এই রায় একেবারে স্বয়ংক্রিয়ভাবে রাজ্যের সব অস্থায়ী কর্মীর কাছে সুবিধা পৌঁছে দেবে না— যারা এখনও বঞ্চিত আছেন, তাদেরকে আলাদাভাবে আইনি পদক্ষেপ নিতে হবে এবং এই রায় তাদের জন্য শক্তিশালী আইনি ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে। 7

আইনি বিশ্লেষণ (সংক্ষিপ্ত)

সমালোচকরা বলছেন যে, কাজের প্রকৃতি 'পার্ট-টাইম' বলে চিহ্নিত করলেও যদি নিয়োগকালে সেই পদের জন্য sanctioned পোস্ট মঞ্জুর করা থাকে এবং নিয়মতান্ত্রিক নিয়োগ সম্পন্ন হয়ে থাকে, তখন সেই কর্মীরা ভাতা-বেতন ইত্যাদি পাওয়ার ক্ষেত্রে অযোগ্য নয়। আদালতও মূলত সেই দিকটিকেই গুরুত্ব দিয়েছে—একই ধাঁচের কেসে পূর্ববর্তী আদালত এবং শীর্ষ আদালত যে নীতি নিয়েছেন তা এখানেও প্রযোজ্য হয়েছে। এই রায় ভবিষ্যতে অনুরূপ অন্যান্য মামলায়ও বিচারিক আইনত প্রেক্ষাপট হিসেবে কাজ করবে। 8

কর্মীদের করণীয় ও পরবর্তী ধাপ

যেসকল অস্থায়ী কর্মী এখনও তাদের প্রাপ্যতা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন, তারা নিম্নলিখিত কাজগুলো বিবেচনা করতে পারেন — (ক) তাদের ব্যক্তিগত নিয়োগপত্র, নিয়োগের ধরণ ও পোস্টের স্বীকৃতি (sanctioned post) সম্পর্কিত কাগজপত্র সংগ্রহ করা; (খ) স্থানীয় হিউম্যান রিসোর্স বা শ্রম অধিদপ্তরে লিখিতভাবে দাবি জানানো; (গ) প্রয়োজন হলে আইনজীবীর সাহায্য নিয়ে হাই কোর্ট/কর্মক্ষেত্রভিত্তিক বিধি অনুযায়ী আইনি লড়াই ছেড়ে না দেওয়া। এই সুপ্রিম কোর্টের রায় তাদের আইনি অভিযাত্রায় শক্তিশালী সহায়ক হবে। 9

সরকারি ও প্রশাসনিক প্রতিক্রিয়া

রায় ঘোষণার পর রাজ্য সরকার বা সংশ্লিষ্ট দফতর থেকে আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি বা নির্দেশিকা জারি করা নেই (লিখিতভাবে) — তবে আদেশ অনুসারে প্রশাসনকে দ্রুতভাবে কর্মীদের বকেয়া পরিশোধ নিশ্চিত করতে কার্যকর সংস্থাগত ব্যবস্থা নিতে হবে। (নোট: এই খবরটি প্রকাশের সময় পর্যন্ত প্রশাসনিক গাইডলাইন জারির তথ্যের জন্য সংশ্লিষ্ট দফতরের বিজ্ঞপ্তি চেক করা প্রয়োজন)। 10

উপসংহার

দেশের সর্বোচ্চ আদালতের এই সিদ্ধান্ত পশ্চিমবঙ্গের অস্থায়ী পার্ট-টাইম কর্মীদের জন্য আইনি ও সামাজিকভাবে একটি বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে। এটি প্রমাণ করে যে ধারাবাহিক আইনি লড়াই ও সঠিক প্রমাণ-প্রস্তাবের মাধ্যমে প্রাপ্যতার দাবিগুলো আদায় করা যায়। একই সঙ্গে এই রায় প্রশাসনিক দায়বদ্ধতার পাশাপাশি রাজ্য পর্যায়ে অস্থায়ী কর্মী নিয়োগ-নীতি ও মজুরি কাঠামো পুনর্বিবেচনার ইঙ্গিতও দেবে — যাতে ভবিষ্যতে সমাধানগুলো ন্যায্য ও সময়োপযোগীভাবে কার্যকর করা যায়। 11

নোট: এই প্রতিবেদন তৈরিতে আদালতের আদেশ ও প্রাসঙ্গিক সংবাদ-রিলিজগুলোকে সূত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। (উল্লেখিত অনলাইন সূত্র: Supreme Court cause list, কলকাতা হাইকোর্ট সম্পর্কিত নথি ও সম্প্রতি প্রকাশিত সংবাদবিশ্লেষণ)।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

Sunday, 7 September 2025

২০২৫ সালের শেষ চন্দ্রগ্রহণ: ব্লাড মুন

২০২৫ সালের শেষ চন্দ্রগ্রহণ: ব্লাড মুন লাইভ দেখুন

২০২৫ সালের শেষ চন্দ্রগ্রহণ: ব্লাড মুন

Blood Moon 2025

২০২৫ সালের দ্বিতীয় তথা শেষ চন্দ্রগ্রহণ শুরু হয়েছে। পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ রাত ৯টা ৫৮ মিনিটে শুরু হয়েছে এবং শেষ হবে মধ্যরাত পার করে, অর্থাৎ ৮ সেপ্টেম্বর রাত ১টা ২৬ মিনিটে।

রাত ১১টার পর চন্দ্রগ্রহণের মধ্যকাল তৈরি হবে। রাত ১১টা ৪২ মিনিট থেকে আপনি দেখতে পাবেন সেই রক্তিম চাঁদ বা "ব্লাড মুন"। মোক্ষকাল শুরু হবে ১২টা ২৩ মিনিটে।

লাইভ দেখুন

যারা আকাশে মেঘ বা বৃষ্টির কারণে সরাসরি চন্দ্রগ্রহণ দেখতে পারছেন না, তাদের জন্য লাইভ ভিডিও উপলব্ধ। নিচের লিঙ্ক থেকে সরাসরি দেখতে পারবেন:

চন্দ্রগ্রহণ ২০২৫ - লাইভ ভিডিও দেখুন

মহাজাগতিক দৃশ্যের সময়সূচি

  • পূর্ণগ্রাস গ্রহণ শুরু: রাত ৯টা ৫৮ মিনিট
  • ব্লাড মুন দেখা যাবে: রাত ১১টা ৪২ মিনিট থেকে
  • মোক্ষকাল শুরু: রাত ১২টা ২৩ মিনিট
  • গ্রহণ শেষ: রাত ১টা ২৬ মিনিট (৮ সেপ্টেম্বর)

এই সময় চাঁদ হবে রক্তিম বর্ণের এবং আকাশপ্রেমীদের জন্য এটি একটি বিরল দৃশ্য।

© ২০২৫ চন্দ্রগ্রহণ নিউজ. সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত।

সফলভাবে শেষ SSC পরীক্ষা, আগামী রবিবারের পরীক্ষাও হবে স্বচ্ছ—প্রত্যাশা ব্রাত্যর"

সফলভাবে শেষ SSC পরীক্ষা, আগামী রবিবারের পরীক্ষাও স্বচ্ছ হবে—ব্রাত্য বসু

সফলভাবে শেষ SSC পরীক্ষা, আগামী রবিবারের পরীক্ষাও স্বচ্ছ হবে—ব্রাত্য বসু

Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক: প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর চাকরি বাতিলের পর, রাজ্যে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত SSC পরীক্ষা রবিবার নির্বিঘ্নে শেষ হয়েছে। পরীক্ষা শেষে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু পরীক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। তিনি জানিয়েছেন, আগামী রবিবারের একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির SSC পরীক্ষাও স্বচ্ছ রাখতে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সহায়তা প্রয়োজন।

ব্রাত্য বসু বলেন, "আজ রাজ্যের ৬৩৬টি পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রায় সাড়ে ৩ লক্ষ পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়েছেন। নবম-দশম শ্রেণির SSC পরীক্ষা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়েছে। পরীক্ষার্থী, আধিকারিক, স্কুলশিক্ষা দপ্তর-সহ সমস্ত আধিকারিককে শুভেচ্ছা জানাই। আমি আশা করি আগামী রবিবারের একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির SSC পরীক্ষাকে স্বচ্ছ রাখতে প্রশাসনিক কর্তাব্যক্তিরা সমস্ত সাহায্য করবেন।"

চাকরিহারা শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের প্রেক্ষাপট

প্রসঙ্গত, সুপ্রিম কোর্টের এক কলমের নির্দেশে অন্তত ২৬ হাজার শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী চাকরি হারিয়েছেন। সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, ফের পরীক্ষা নিয়ে ডিসেম্বরের মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। সেই প্রেক্ষিতে দু’দফায় SSC পরীক্ষার বন্দোবস্ত করা হয়।

পরীক্ষা প্রক্রিয়ার বিস্তারিত

৭ সেপ্টেম্বরের পরীক্ষা নির্বিঘ্নে শেষ হয়েছে। পরীক্ষার দিন সকাল ১০টা থেকে পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রবেশ করতে শুরু করেন। নথিপত্র যাচাই করে তাদের পরীক্ষাকেন্দ্রে ঢুকতে দেওয়া হয়। এবার বিশেষভাবে অ্যাডমিট কার্ড নকল রুখতে বার কোড স্ক্যানারের ব্যবস্থা করা হয়। এছাড়াও প্রশ্নফাঁস প্রতিরোধে একগুচ্ছ পদক্ষেপ নেওয়া হয়। SSC চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার জানান, পরীক্ষা চলাকালীন কেউ যদি প্রশ্নপত্রের ছবি তুলে ফাঁস করার চেষ্টা করে, তা সহজেই ধরা পড়বে। তবে কমিশন সূত্রের খবর, এই পরীক্ষায় কোথাও প্রশ্নফাঁসের চেষ্টা হয়নি।

পরবর্তী পরীক্ষা এবং প্রশাসনিক প্রস্তুতি

আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রশাসন ইতিমধ্যেই সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে যাতে পরীক্ষার সময় কোনও বিশৃঙ্খলা বা সমস্যা না সৃষ্টি হয়। এতে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সহযোগিতা এবং পরীক্ষার্থীদের স্বচ্ছ অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। SSC কমিশন, স্কুলশিক্ষা দপ্তর এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরা একসাথে কাজ করছেন যাতে পরীক্ষা নির্বিঘ্নভাবে সম্পন্ন হয়।

প্রযুক্তি ব্যবহার ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা

এবারের পরীক্ষায় প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে নকল রোধে। বিশেষ বার কোড স্ক্যানার এবং অন্যান্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরীক্ষার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করেছে। এছাড়াও, প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে নজরদারি এবং সতর্কতা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পরীক্ষা শেষে সবকিছু ঠিকঠাক থাকায় শিক্ষামন্ত্রী এবং প্রশাসন উভয়েই সন্তুষ্ট।

পরীক্ষার্থীদের অভিজ্ঞতা

প্রায় ৩ লক্ষ পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছেন। শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন যে, পরীক্ষা কেন্দ্রের পরিবেশ যথেষ্ট শান্তিপূর্ণ এবং পরিচালনায় কোনও ধরনের সমস্যা হয়নি। পরীক্ষার্থীরা এই স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার জন্য প্রশাসন ও শিক্ষকদের প্রশংসা করেছেন। অনেকেই আশা প্রকাশ করেছেন, আগামী পরীক্ষা ও সমানভাবে স্বচ্ছ ও সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হবে।

ভাইরাল দিক

এই সংবাদ ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং শিক্ষকরা সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করছেন। সবাই এই পরীক্ষার সফলতা নিয়ে আলোচনা করছেন।

উপসংহার

প্রায় ২৬ হাজার চাকরিহারা শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর প্রেক্ষাপটে রাজ্যের SSC পরীক্ষা সফলভাবে সম্পন্ন হওয়া একটি বড় অর্জন। শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর আশ্বাস অনুযায়ী, আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির SSC পরীক্ষা ও স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন হবে। প্রশাসন, শিক্ষার্থী এবং স্কুলশিক্ষা দপ্তরের মিলিত প্রচেষ্টায় এই পরীক্ষা সুষ্ঠু এবং নিরাপদভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

এই খবরটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল এবং সর্বজনীন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে রয়ে গেছে। শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা এই স্বচ্ছ পরীক্ষার জন্য প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন এবং আগামী পরীক্ষার জন্য আত্মবিশ্বাসী।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

ক্যান্সারের বিরুদ্ধে নতুন আশার আলো: রাশিয়া আবিষ্কার করল বিনামূল্যে টিকা

রাশিয়া আবিষ্কার করল ক্যান্সারের নতুন টিকা Enteromix

রাশিয়া আবিষ্কার করল ক্যান্সারের নতুন টিকা Enteromix

মরণঘাতী ক্যান্সারের বিরুদ্ধে এক যুগান্তকারী সাফল্য ঘোষণা করল রাশিয়ার বিজ্ঞানীরা। ফেডারেল মেডিক্যাল অ্যান্ড বায়োলজিক্যাল এজেন্সি (FMBA) জানিয়েছে, তারা ক্যান্সারের জন্য নতুন mRNA প্রযুক্তি ভিত্তিক টিকা তৈরি করেছেন। এই টিকা রোগীদের শরীরে প্রয়োগের জন্য নিরাপদ এবং কার্যকর। বিশেষ করে, টিউমারের বৃদ্ধি থামাতে সক্ষম এই টিকা বিনামূল্যে বিতরণ করা হবে।

FMBA-র প্রধান ভেরোনিকা স্কভর্ৎসোভা ইস্টার্ন ইকনমিক ফোরামে এই সাফল্যের কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, বহু বছরের গবেষণার ফলাফল এই টিকা। মানুষের শরীরে পরীক্ষামূলক প্রয়োগের আগে তিন বছর ধরে বিভিন্ন পরীক্ষা চালানো হয়েছে। এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বার বার প্রয়োগ করলেও কোনো বিপদ দেখা যায়নি।

Enteromix টিকা তৈরি করতে ব্যবহৃত mRNA প্রযুক্তি নোভেল করোনাভাইরাসের টিকার মতো। mRNA টিকা কোষগুলিকে প্রোটিন উৎপাদন করতে শেখায়, যা ক্যান্সারের কোষ শনাক্ত এবং ধ্বংস করতে সক্ষম। এই পদ্ধতিতে কেমোথেরাপি বা রেডিয়েশনের মতো কষ্টদায়ক প্রক্রিয়ার পরিবর্তে রোগীর প্রতিরোধ ক্ষমতাকে কাজে লাগানো হয়।

রুশ বিজ্ঞানীদের দাবি, টিকা প্রয়োগের ফলাফল অত্যন্ত আশাপ্রদ। কিছু ক্ষেত্রে ক্যান্সারের টিউমার একেবারে চুপসে গেছে, আবার কিছু ক্ষেত্রে টিউমারের বৃদ্ধি ৬০–৮০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। তবে ক্যান্সারের ধরন অনুযায়ী এই হার ভিন্ন হতে পারে।

প্রাথমিক প্রয়োগের ক্ষেত্রে Enteromix টিকা কোলোরেক্টাল ক্যান্সারের উপর ব্যবহৃত হবে। কোলোরেক্টাল ক্যান্সার হল বৃহদান্ত্রের ক্যান্সার, যা দ্রুত বৃদ্ধি পায়। এছাড়াও গ্লিওব্লাস্টোমা, যা মস্তিষ্কের দ্রুত বর্ধনশীল ক্যান্সার, এবং ত্বকের ক্যান্সার মেলানোমা, অকুলার মেলানোমা, যার কারণে চোখের ক্ষতি হয়, এই টিকার প্রয়োগে অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

  • টিকা পুরোপুরি নিরাপদ এবং কার্যকারিতা উচ্চ।
  • টিউমারের বৃদ্ধি কমানো এবং ধ্বংস করতে সহায়তা করে।
  • বিনামূল্যে বিতরণ করা হবে।
  • মুল লক্ষ্য: কোলোরেক্টাল ক্যান্সার, মেলানোমা, গ্লিওব্লাস্টোমা ইত্যাদি।

রাশিয়ার বিজ্ঞানের বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, Enteromix টিকা শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে ক্যান্সারের কোষ শনাক্ত করে ধ্বংস করতে সক্ষম। এটি ক্যান্সারের চিকিৎসায় এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। প্রথাগত চিকিৎসায় যেমন কেমোথেরাপি বা রেডিয়েশন ব্যবহার করা হতো, যা প্রায়শই রোগীর স্বাভাবিক জীবনকে প্রভাবিত করতো। Enteromix এই সমস্যার সমাধান করছে।

এই ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক চিকিৎসা ও গবেষণা মহলে সাড়া পড়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদি টিকাটি সব ধরনের ক্যান্সারের উপর কার্যকর হয়, তবে এটি বিশ্বের ক্যান্সার চিকিৎসার ইতিহাসে একটি বিপ্লবী পদক্ষেপ হবে।

ভেরোনিকা স্কভর্ৎসোভা আরও জানিয়েছেন, এই টিকার গবেষণা ও পরীক্ষা বহু বছরের কঠোর পরিশ্রমের ফল। শরীরের কোষকে প্রোটিন উৎপাদন করানোর মাধ্যমে টিউমারের বৃদ্ধি থামানো এবং ধ্বংস করার প্রযুক্তি অত্যন্ত নিরাপদ। এখনও পর্যন্ত যে ব্যক্তিদের উপর পরীক্ষা চালানো হয়েছে, তাদের স্বাস্থ্যগত অবস্থায় উল্লেখযোগ্য উন্নতি দেখা গেছে।

রাশিয়ার FMBA আশা করছে, শীঘ্রই Enteromix টিকা সকল ক্যান্সার রোগীর জন্য সহজলভ্য হবে। এই নতুন প্রযুক্তি ক্যান্সার রোগীদের জন্য এক নতুন আশার আলো নিয়ে এসেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি কেবল ক্যান্সারের চিকিৎসা নয়, বরং রোগীর জীবনের মান উন্নয়নের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

প্রাথমিক প্রয়োগে যে ফলাফল পাওয়া গেছে, তা অত্যন্ত ইতিবাচক। বিভিন্ন ক্যান্সারের রোগীর শরীরে টিকা প্রয়োগে দেখা গেছে, টিউমার বৃদ্ধি থেমে গেছে এবং কিছু ক্ষেত্রে তা একেবারে চুপসে গেছে। টিকা পুরোপুরি নিরাপদ এবং বার বার প্রয়োগেও কোনো ঝুঁকি নেই।

Enteromix টিকা কেবল রাশিয়ায় নয়, আন্তর্জাতিকভাবে ক্যান্সারের চিকিৎসায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে। গবেষকরা আশা করছেন, এই টিকা বিশ্বব্যাপী ক্যান্সারের চিকিৎসার মান ও কার্যকারিতা উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত করবে।

রাশিয়ার এই সফল গবেষণা আন্তর্জাতিক চিকিৎসা মহলে আশাব্যঞ্জক হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিজ্ঞানীরা আরও বলেন, টিকার কার্যকারিতা ক্যান্সারের বিভিন্ন ধরণে প্রয়োগের মাধ্যমে আরও পরীক্ষা করা হবে, যাতে রোগীদের সর্বাধিক সুবিধা নিশ্চিত করা যায়।

Enteromix টিকা ক্যান্সারের বিরুদ্ধে মানবতার জন্য এক নতুন আশা। শীঘ্রই এটি রোগীদের বিনামূল্যে বিতরণ করা হবে এবং এটি ক্যান্সারের চিকিৎসার ইতিহাসে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে ধরা হবে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

মুর্শিদাবাদে লোকাল ট্রেনে শৌচাগারের অভাব: অধীর চিঠি

মুর্শিদাবাদে লোকাল ট্রেনে শৌচাগারের অভাব: অধীর চিঠি

মুর্শিদাবাদে লোকাল ট্রেনে শৌচাগারের অভাব: অধীর চিঠি

শিয়ালদহ, কলকাতা এবং রানাঘাট থেকে মুর্শিদাবাদের লালগোলা লোকাল ট্রেনে যাত্রীদের শৌচাগারের অভাব নিয়ে সমস্যা দেখা দিয়েছে। কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির সদস্য অধীর চৌধুরী রবিবার রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব-এর কাছে চিঠি লিখে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তুলে ধরেছেন।

তিনি জানিয়েছেন, শৌচাগার না থাকার কারণে প্রায় ২৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ যাত্রায় যাত্রীরা শারীরিক ও মানসিক সমস্যায় পড়ছেন। অধীর বলেছেন, “মুর্শিদাবাদ দেশের অন্যতম অনুন্নত জেলা। এখানে সাধারণ মানুষ দৈনন্দিন ভিত্তিতে ইএমইউ ও এমইএমইউ-সহ নয়টি ট্রেন ব্যবহার করেন। কিন্তু ট্রেনে শৌচাগার নেই। দীর্ঘ যাত্রায় এটি এক ধরনের অমানবিক অবস্থা।”

  • শৌচাগারের অভাবে যাত্রীদের দৈনন্দিন যাত্রা বিপজ্জনক ও অসুবিধাজনক।
  • মুর্শিদাবাদ জেলার মানুষের নিরাপদ ও আরামদায়ক যাত্রা নিশ্চিত করতে পদক্ষেপ প্রয়োজন।
  • কেন্দ্রীয় সরকারের 'স্বচ্ছ ভারতে' উদ্যোগের সঙ্গে এই পরিস্থিতি সাংঘর্ষিক।

অধীর চৌধুরী আরও বলেন, রেল বিভাগের দায়িত্ব যাত্রীদের মৌলিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা। শৌচাগারের অভাবে শুধু যাত্রীদের অসুবিধা নয়, স্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতার মানও হ্রাস পাচ্ছে। তিনি আশা করছেন, রেলমন্ত্রী দ্রুত সমস্যার স্থায়ী সমাধান করবেন।

মুর্শিদাবাদ জেলার যাত্রীরা প্রতিদিন কয়েক হাজার মানুষ যাত্রা করেন। দীর্ঘ সময় ট্রেনে থাকা অবস্থায় শৌচাগারের অভাব বিশেষত মহিলা, বৃদ্ধ ও শিশুদের জন্য সমস্যা তৈরি করছে। অধীরের মতে, এটি স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং সামাজিক সমস্যাও সৃষ্টি করছে।

রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। যাত্রীদের স্বচ্ছ ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করার জন্য রেলমন্ত্রী ও রেল প্রশাসনের পদক্ষেপের অপেক্ষা রয়েছে।

Featured post

Y বাংলা ব্যুরো: ভোটার তালিকা সংশোধনে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডে না নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা সংশোধন (SIR, ২০২৬) প্রক্রিয়ায় ম...

Search This Blog