Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Sunday, 14 September 2025

পাকিস্তানের সেনা কনভয়ে তালিবানের হামলা: ১৯ সেনা নিহত, ৪৫ জঙ্গির মৃত্যু

পাকিস্তানের সেনা কনভয়ে তালিবানের হামলা: ১৯ সেনা নিহত, ৪৫ জঙ্গির মৃত্যু

পাক সেনার কনভয়ে তালিবানের হামলা: ১৯ সেনা নিহত, ৪৫ জঙ্গির মৃত্যু

আপডেট: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

পাক সেনার কনভয়ে তালিবানের হামলা
ছবি: তালিবান হামলার পর পাকিস্তানের সেনা কনভয়ের পরিস্থিতি।

ঘটনার বিবরণ

সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া অঞ্চলে তালিবানদের হামলায় অন্তত ১৯ সেনার মৃত্যু এবং ৪৫ জঙ্গির নিহত হওয়ার ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। সূত্রের দাবি, পাক সেনা গত ১০ থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালায় এবং জঙ্গিদের সঙ্গে সংঘর্ষে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। শনিবার ভোরে দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তানে সেনা কনভয়ে হামলা চালায় তালিবানদের জঙ্গিরা। গুলি চালিয়ে অস্ত্র ও ড্রোন দখল করে নেয় তারা। এই ঘটনায় সেনাদের পাশাপাশি সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া

সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত এবং কাতার এই হামলায় হতাহতের ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছে। তারা পাকিস্তানের জনগণের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছে। আন্তর্জাতিক মহলে এ ঘটনাকে উদ্বেগজনক হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সেনা অভিযান ও হতাহতের সংখ্যা

  • দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তানে সেনা কনভয়ে হামলায় ১২ সেনার মৃত্যু ও ৪ জন আহত।
  • লাওয়ার ডিরে সংঘর্ষে ৭ সেনা ও ১০ জঙ্গির নিহত হওয়ার খবর।
  • খাইবার পাখতুনখোয়ার বিভিন্ন এলাকায় ৪৫ জঙ্গির মৃত্যু এবং ১৯ সেনার নিহত হওয়ার ঘটনা নিশ্চিত।

তালিবানের দাবি

তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান (টিটিপি) এই হামলার দায় স্বীকার করেছে। তাদের দাবি, তারা সেনা অভিযানের জবাব দিতে এই হামলা চালিয়েছে। সীমান্তবর্তী অঞ্চলে তালিবানদের সক্রিয়তা বেড়েই চলেছে। ২০২১ সালে আফগান তালিবানের ক্ষমতায় আসার পর এই ধরনের হামলা বৃদ্ধি পেয়েছে।

পাকিস্তানের নিরাপত্তা পরিস্থিতি

পাকিস্তান সেনাবাহিনী জানিয়েছে, সীমান্তবর্তী এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং জঙ্গিদের খোঁজে তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে। সরকার আফগানিস্তানে তালিবান সরকারের কাছে আহ্বান জানিয়েছে যাতে তাদের ভূখণ্ড ব্যবহার করে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা না করা হয়।

আগের ঘটনা

এর আগে বালোচিস্তানের তুবর্ত অঞ্চলে সাত বছরের শিশুর বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হয়। অভিযোগ, ওই শিশু মানবাধিকার কর্মীর একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করেছিল। পাশাপাশি, গত মার্চ মাসে বালোচ লিবারেশন আর্মি জাফর এক্সপ্রেস ট্রেন অপহরণ করে প্রায় ৫০০ যাত্রীকে পণবন্দি করেছিল। এতে সেনাকর্মীসহ অনেকেই আটকে পড়েছিলেন। পাকিস্তানে বিদ্রোহী কার্যকলাপ দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বিশ্লেষণ

এই হামলা পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। তালিবানদের সক্রিয়তা শুধু সীমান্তবর্তী অঞ্চলেই নয়, দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়ছে। আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানো না গেলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। সেনাদের মনোবল এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর
👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

আরএসপি-র 'অধিকার যাত্রা': যুব সম্প্রদায়ের দাবিতে কোচবিহার থেকে কলকাতা

আরএসপি-র 'অধিকার যাত্রা': যুব সম্প্রদায়ের দাবিতে কোচবিহার থেকে কলকাতা

আরএসপি-র 'অধিকার যাত্রা': যুব সম্প্রদায়ের দাবিতে কোচবিহার থেকে কলকাতা

আপডেট তারিখ: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

কোচবিহার থেকে শুরু হয়ে কলকাতার কলেজ স্কোয়ারে এসে শেষ হলো আরএসপি-র যুব সংগঠন আরওয়াইএফ-এর 'অধিকার যাত্রা'।...

এই যাত্রার মূল দাবি ছিল...

সমাবেশে বক্তৃতা করেন...

আরও পড়ুন: পুরো প্রতিবেদন পড়ুন এখানে

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর

👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

পহেলগাঁও হামলার পর ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ: সূর্যকুমারের বয়কট, টসে হার ভারতের

পহেলগাঁও হামলার পর ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ: সূর্যকুমারের বয়কট, টসে হার ভারতের

পহেলগাঁও হামলার পর ভারত-পাকিস্তান মুখোমুখি: টসে হার ভারতের, সূর্যকুমারের বয়কট আলোচনায়

আপডেট: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ভারত বনাম পাকিস্তান ক্রিকেট টস

ছবি: টসে সময় সূর্যকুমার যাদব ও সলমন আলি আঘার মুখোমুখি। করমর্দনে অংশ নেননি ভারত অধিনায়ক।

🏏 ম্যাচের পটভূমি

পহেলগাঁও হামলার পর প্রথমবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে মুখোমুখি হয়েছে ভারত ও পাকিস্তান। এশিয়া কাপ ২০২৫-এর গ্রুপ পর্বে এই ম্যাচ অত্যন্ত আলোচিত। নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেই ম্যাচ শুরু হলেও ক্রিকেটপ্রেমীরা মুখিয়ে ছিলেন চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের লড়াই দেখতে। তবে ম্যাচের আগে থেকেই বয়কটের দাবি ওঠে। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে প্রাক্তন ক্রিকেটাররা ম্যাচ বয়কটের পক্ষে সরব হয়েছিলেন। এই পরিস্থিতিতে ভারতীয় দল এক ধরনের ‘অদৃশ্য প্রতিবাদ’ জানায়।

🤝 টসের সময় সূর্যকুমারের প্রতিবাদ

টসের সময় এক নজিরবিহীন ঘটনা ঘটে। ভারতীয় অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব পাকিস্তান অধিনায়ক সলমন আলি আঘারের সঙ্গে করমর্দন করতে অস্বীকার করেন। এর ফলে ম্যাচের শুরুতেই রাজনৈতিক বার্তা পৌঁছে যায়। ম্যাচের আগে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, “আমরা ক্রিকেট খেলতে এসেছি, তবে এই পরিস্থিতিতে আমি ব্যক্তিগতভাবে করমর্দনে অংশ নেব না। দেশের অনুভূতিকে সম্মান জানাচ্ছি।”

সূত্রের খবর, টসের আগে দলের বাকিদের ওপর সিদ্ধান্ত ছেড়ে দিয়েছিলেন সূর্যকুমার। যদিও বাকিরা প্রথাগতভাবে করমর্দন করেন, অধিনায়ক হিসেবে সূর্যকুমারের এই পদক্ষেপ ইতিমধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।

📊 টসে হার ভারতের

টসে হারলেও ভারতীয় দলের আত্মবিশ্বাস অটুট। পাকিস্তান অধিনায়ক সলমন আলি আঘার টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন। ম্যাচের আগে সূর্যকুমার বলেন, “পিচ ব্যাটারদের সহায়ক। আমরা আমাদের খেলায় মনোযোগ দেব।” ভারতের দলগত বিন্যাসে কোনও পরিবর্তন আনা হয়নি। অভিজ্ঞ ও তরুণ ক্রিকেটাররা একসঙ্গে মাঠে নেমেছেন।

🌍 রাজনৈতিক উত্তেজনা ও ক্রিকেট

এই ম্যাচ শুধু খেলাধুলার প্রতিযোগিতা নয়, রাজনৈতিক ও সামাজিক উত্তেজনারও প্রতীক। পহেলগাঁও হামলার ঘটনার পর দুই দেশের সম্পর্ক আরও তিক্ত হয়েছে। সাধারণ ক্রিকেটপ্রেমীরাও এই ম্যাচে ভারতের কঠোর অবস্থানের পক্ষে। বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যম প্ল্যাটফর্মে #BoycottIndiaVsPak ম্যাচ ট্রেন্ড করছে। অনেক প্রাক্তন ক্রিকেটারও ম্যাচ বয়কটের আহ্বান জানিয়েছেন। তবুও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের নিয়ম মেনে খেলা শুরু হয়েছে।

📸 মাঠের পরিবেশ

ম্যাচ শুরুর আগে স্টেডিয়ামে ভারতীয় সমর্থকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যায়। কেউ সূর্যকুমারের প্রতিবাদকে সমর্থন করেন, আবার কেউ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ঐতিহ্য রক্ষার পক্ষেও কথা বলেন। নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। মাঠে দর্শকদের সংখ্যাও সীমিত রাখা হয়েছে।

🏆 সম্ভাব্য ফলাফল

বিশ্লেষকদের মতে, পাকিস্তান টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সুবিধা পেলেও ম্যাচের ফল নির্ধারণ করবে ভারতীয় দলের দৃঢ়তা। সূর্যকুমারের নেতৃত্ব ও বোলিং বিভাগ ম্যাচের ফলাফল পাল্টে দিতে পারে। রাজনৈতিক বিতর্কের মাঝেও ক্রিকেটের আসল লড়াই কীভাবে এগোয় তা দেখার অপেক্ষায় সবাই।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

বিহার বিধানসভা নির্বাচনের হাওয়া: সমীক্ষায় উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য!

বিহার বিধানসভা নির্বাচনের হাওয়া: সমীক্ষায় উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য!

বিহার বিধানসভা নির্বাচনের হাওয়া: সমীক্ষায় উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য!

আপডেট: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বিহার নির্বাচনের প্রচার

বিহার বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক প্রচার ও জনমতের চিত্র

📊 সার্ভে সংক্ষিপ্ত পরিসংখ্যান

  • সমীক্ষার সময়কাল: ৩ সেপ্টেম্বর থেকে ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • মোট স্যাম্পল: ৫,৬৩৫ জন
  • লিঙ্গভিত্তিক অংশগ্রহণ: পুরুষ ৫২%, মহিলা ৪৮%
  • জাতি ভিত্তিক অংশগ্রহণ: তফসিলি জাতি ২০%, তফসিলি উপজাতি ২%, অন্যান্য পিছিয়ে পড়া শ্রেণি ৪৪%, উচ্চ বর্ণ হিন্দু ১৬%, মুসলিম ১৮%, অন্যান্য ১%
  • আঞ্চলিক ভিত্তিক অংশগ্রহণ: শহুরে ৩০%, গ্রামীণ ৭০%

🗣️ জনমত: সরকারের প্রতি মানুষের মতামত

  • সরকার বিরোধী: ৪৮%
  • সরকার সমর্থক: ২৭.১%
  • নিরপেক্ষ: ২০.৬%
  • জানেন না / মন্তব্য করেননি: ৪.৩%

শহুরে বনাম গ্রামীণ

শহুরে: বিরোধী ৪৮%, সমর্থক ৩১%, নিরপেক্ষ ১৭%, জানেন না ৪%

গ্রামীণ: বিরোধী ৪৮%, সমর্থক ২৫%, নিরপেক্ষ ২২%, জানেন না ৪%

🔍 সার্ভের প্রেক্ষাপট

এই সমীক্ষা করা হয়েছে ৩ সেপ্টেম্বর থেকে ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে। উল্লেখযোগ্য যে এই সময়ে রাহুল গান্ধির 'ভোটার অধিকার যাত্রা' বিহারে চলছিল। তেজস্বী যাদব এবং রাহুল গান্ধি বিহারের ২২-এর বেশি জেলার সফর করেছেন। এর ফলে জনমতে বিরোধী মনোভাব বৃদ্ধি পেয়েছে।

📌 চমকপ্রদ তথ্য

  • ৪৮% মানুষ সরকার বিরোধী মনোভাব পোষণ করছেন।
  • শহুরে ও গ্রামীণ উভয় অঞ্চলে বিরোধী মনোভাব সমানভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
  • রাজনৈতিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত স্পষ্ট হলেও কোন দলের লাভ হবে তা নিশ্চিত নয়।

🧭 রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ

এই সমীক্ষা বিহারের রাজনৈতিক পরিস্থিতির একটি স্পষ্ট চিত্র তুলে ধরেছে। আগামী নির্বাচনে বিরোধী মনোভাব বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। তবে ফলাফল কোন দিকে যাবে তা সময়ই বলে দেবে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

মালদা টাউনে রাজধানী এক্সপ্রেসের স্টপেজ: যাতায়াতের নতুন দিগন্ত

মালদা টাউনে রাজধানী এক্সপ্রেসের স্টপেজ: যাতায়াতের নতুন দিগন্ত | Y বাংলা

মালদা টাউনে রাজধানী এক্সপ্রেসের স্টপেজ: যাতায়াতের নতুন দিগন্ত খুলল উত্তরবঙ্গে

আপডেট: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫, দুপুর ১২:৩০

মালদা টাউনে রাজধানী এক্সপ্রেসের স্টপেজের শুভারম্ভ

ছবি: মালদা টাউন স্টেশনে রাজধানী এক্সপ্রেসের স্টপেজের শুভারম্ভ অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

মালদার রেল ইতিহাসে নতুন অধ্যায়

মালদা টাউন রেলস্টেশন দীর্ঘদিন ধরে উত্তরবঙ্গের যাতায়াতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। এবার সেই স্টেশনের ইতিহাসে যুক্ত হলো আরও একটি মাইলফলক—সাইরাং (মিজোরাম) থেকে আনন্দ বিহার (নিউ দিল্লি)গামী রাজধানী এক্সপ্রেস ট্রেনের স্টপেজ। রবিবার মালদায় এই নতুন পরিষেবার আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। উত্তর মালদার সাংসদ খগেন মুর্মু সবুজ পতাকা নাড়িয়ে ট্রেনের শুভারম্ভ ঘোষণা করেন। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন পুরাতন মালদা কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক গোপালচন্দ্র সাহা, সমাজসেবী নীলাঞ্জন দাসসহ রেল বিভাগের একাধিক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।

রাজধানী এক্সপ্রেসের স্টপেজে মালদার গুরুত্ব

রাজধানী এক্সপ্রেস দেশের সবচেয়ে দ্রুতগামী এবং উন্নত পরিষেবার ট্রেনগুলোর মধ্যে অন্যতম। এর স্টপেজ পাওয়া মানে শুধু যাতায়াতের সুবিধাই নয়, পাশাপাশি পর্যটন, ব্যবসা, শিক্ষা এবং স্বাস্থ্য পরিষেবায় সহজ যোগাযোগ। আগে থেকেই মালদায় তেজস রাজধানী এক্সপ্রেসের স্টপেজ ছিল। এবার রাজধানী এক্সপ্রেস যুক্ত হওয়ায় মালদার যোগাযোগের ক্ষেত্র আরও বিস্তৃত হবে। উত্তরবঙ্গের নাগরিকরা রাজধানী এক্সপ্রেসের মাধ্যমে দ্রুত দিল্লি ও অন্যান্য উত্তর ভারতের শহরে পৌঁছাতে পারবেন।

সাংসদ খগেন মুর্মুর প্রতিক্রিয়া

উত্তর মালদার সাংসদ খগেন মুর্মু এই পরিষেবাকে “মালদাবাসীর জন্য এক নতুন দিগন্ত” বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “মালদাবাসী তথা উত্তরবঙ্গের মানুষের জন্য অত্যন্ত সুখবর এটি। এর ফলে উত্তরবঙ্গের মানুষের জন্য যাতায়াতের নতুন সুযোগ তৈরি হবে। এর জন্য বিশেষ ধন্যবাদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে। আমরা বর্তমানে দুটি রাজধানী এক্সপ্রেসের স্টপেজ পেয়েছি মালদায়।” তাঁর এই বক্তব্য মালদার নাগরিকদের মধ্যে উৎসাহ তৈরি করেছে।

উপস্থিত বিশিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য

অনুষ্ঠানে উপস্থিত পুরাতন মালদার বিধায়ক গোপালচন্দ্র সাহা বলেন, “এই স্টপেজের মাধ্যমে মালদার সাধারণ মানুষ দেশের অন্যান্য প্রান্তের সঙ্গে আরও সহজে যোগাযোগ করতে পারবেন। এটি উত্তরবঙ্গের জন্য বড় সুযোগ।” সমাজসেবী নীলাঞ্জন দাস আশা প্রকাশ করেন যে এই পরিষেবা মালদার অর্থনৈতিক উন্নয়নের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জন্যও সহায়ক হবে। রেল বিভাগের আধিকারিকরা জানান, স্টপেজ চালু হওয়ার পর মালদার যাতায়াত কাঠামো উন্নত হবে এবং নিরাপদ যাত্রার ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের আনন্দ

মালদার বাসিন্দারা এই নতুন স্টপেজকে স্বাগত জানিয়েছেন। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, দিল্লি ও অন্যান্য শহরের সঙ্গে ব্যবসায়িক যোগাযোগ বাড়বে। শিক্ষার্থীরা বলছেন, রাজধানী এক্সপ্রেসের মাধ্যমে পরীক্ষার প্রস্তুতি, উচ্চশিক্ষার জন্য অন্য শহরে যাওয়া এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়ে সুবিধা হবে। চিকিৎসা পরিষেবা পাওয়ার ক্ষেত্রেও এই পরিষেবা বড় ভূমিকা রাখবে বলে তাঁরা মনে করছেন।

অর্থনৈতিক উন্নয়নে সম্ভাবনা

বিশেষজ্ঞদের মতে, রাজধানী এক্সপ্রেসের স্টপেজ শুধু যাতায়াতের সুবিধা নয়, এটি মালদার অর্থনীতিতে বড় পরিবর্তন আনতে পারে। পর্যটন বাড়লে স্থানীয় ব্যবসা যেমন হোটেল, পরিবহন, খুচরো ব্যবসায় উন্নতি হবে। উত্তরবঙ্গের কৃষিপণ্য, হস্তশিল্প ও অন্যান্য পণ্য দ্রুত বাজারে পৌঁছাতে পারবে। রেল যোগাযোগ উন্নত হলে বিনিয়োগের সুযোগও বৃদ্ধি পাবে। ফলে কর্মসংস্থানের নতুন ক্ষেত্র তৈরি হতে পারে।

নতুন যোগাযোগের পাশাপাশি নিরাপত্তার দিকেও নজর

রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, স্টপেজ চালুর সঙ্গে সঙ্গে যাত্রীদের নিরাপত্তার দিকে বিশেষ নজর দেওয়া হবে। উন্নত ট্র্যাক পর্যবেক্ষণ, যাত্রী পরিষেবা কেন্দ্রের আধুনিকীকরণ, চিকিৎসা সহায়তা কেন্দ্র স্থাপন এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত প্রতিক্রিয়ার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে।

উত্তরবঙ্গের জন্য এটি কেন বড় পদক্ষেপ

  • রাজধানী এক্সপ্রেসের স্টপেজ মানে দ্রুত রাজধানীসহ অন্যান্য শহরের সঙ্গে যোগাযোগ।
  • শিক্ষা, চিকিৎসা এবং ব্যবসায়িক যোগাযোগ সহজ হবে।
  • পর্যটনের উন্নয়ন হবে এবং স্থানীয় অর্থনীতি চাঙ্গা হবে।
  • স্থানীয়দের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে।
  • উত্তরবঙ্গের মানুষের জন্য যাতায়াতের সময় ও খরচ কমবে।

পরবর্তী পদক্ষেপ কী হতে পারে

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রেল পরিষেবাকে আরও উন্নত করতে মালদায় যাত্রী পরিষেবা কেন্দ্রের সংখ্যা বাড়ানো, অনলাইনে টিকিট পরিষেবা সহজ করা এবং রেলস্টেশনে বিশ্রামাগার, খাবারের দোকান, স্বাস্থ্য সহায়তা কেন্দ্র ইত্যাদি বাড়ানো উচিত। পাশাপাশি নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে নজরদারি ক্যামেরা ও ট্রেন পরিচালনার আধুনিক প্রযুক্তি যুক্ত করা দরকার।

শেষ কথা

মালদা টাউনে রাজধানী এক্সপ্রেসের স্টপেজ চালু হওয়া উত্তরবঙ্গের জন্য এক বড় উন্নয়নের বার্তা। এটি শুধু যাতায়াত নয়, অর্থনীতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং কর্মসংস্থানের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করবে। রাজনৈতিক নেতৃত্বের পাশাপাশি স্থানীয় নাগরিকদের সহযোগিতা, আধুনিক রেল পরিষেবা এবং নিরাপত্তার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে পারলে এই পরিষেবা উত্তরবঙ্গের জীবনযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনবে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

SSC পরীক্ষায় রাজন্যা হালদার: স্বচ্ছতার দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন |

SSC পরীক্ষায় রাজন্যা হালদার: স্বচ্ছতার দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন | Y বাংলা

SSC পরীক্ষায় রাজন্যা হালদার: স্বচ্ছতার দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন তীব্র

আপডেট: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫, দুপুর ১:১৫

রাজন্যা হালদার পরীক্ষাকেন্দ্রে

ছবি: পরীক্ষাকেন্দ্রে রাজন্যা হালদার। স্বচ্ছতার দাবিতে পরীক্ষার্থীদের মধ্যে আলোড়ন।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

প্রেক্ষাপট: বিতর্কে জড়ানো SSC

স্কুল সার্ভিস কমিশন বা SSC নিয়ে একের পর এক বিতর্ক চলছে। নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ, অনিয়ম, যোগ্যতা যাচাইয়ে গরমিল – সব মিলিয়ে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে শিক্ষার্থীরা হতাশ। এর মাঝেই শনিবার শেষ হয়েছে নবম-দশম শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা। আজ রবিবার একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। মোট আবেদনকারী ২ লক্ষ ৪৬ হাজার। এই বিশাল সংখ্যক পরীক্ষার্থীর মধ্যে আছেন বহিষ্কৃত টিএমসিপি নেত্রী রাজন্যা হালদারও। তাঁর অংশগ্রহণ নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

রাজন্যা হালদারের বক্তব্য: আশা ও বেদনার দ্বন্দ্ব

পরীক্ষাকেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে রাজন্যা হালদার জানান, “আশা রাখার চেষ্টা করছি। হাজার হাজার পরীক্ষার্থীর মতো আমিও পরীক্ষা দিচ্ছি। এটি শিক্ষক হিসেবে যোগ্যতা প্রমাণের জন্য নয়, চাকরির জন্য। আমরা সাধারণ ডিগ্রি কোর্স করে পড়াশোনা করেছি, চাকরির আশায়। এভাবে দুরবস্থা দেখব বলে নয়।” তাঁর এই বক্তব্য পরীক্ষা কেন্দ্রের বাইরে আলোড়ন তুলেছে। অনেকে বলেন, তাঁর উপস্থিতি রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি করলেও এটি অনেকের কাছে শিক্ষার জন্য লড়াইয়ের প্রতীক হয়ে উঠেছে।

তিনি আরও বলেন, “পরীক্ষার কেন্দ্রে গিয়ে দেখলাম—বাবা সন্তানকে কোলে নিয়ে দাঁড়িয়ে, মা লাইনে দাঁড়িয়ে। সত্যিই আমার চোখে জল এসে গেছে।” এই দৃশ্য যেন শিক্ষক হওয়ার জন্য অপেক্ষারত হাজারো মানুষের যন্ত্রণা ফুটিয়ে তুলেছে।

মূল দাবি: স্বচ্ছতা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগ

রাজন্যা হালদার পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে একত্র হয়ে স্বচ্ছতার দাবি তুলেছেন। তাঁর বক্তব্য, “আমি চান্স পাই বা না পাই, সেটা আমার মেরিট বলবে। তবে চাই, ফলাফল যেন একমাত্র যোগ্যতা ও স্বচ্ছতার উপর নির্ভর করে।” পরীক্ষার্থীদের অধিকাংশই চান, যোগ্যতার ভিত্তিতে ফলাফল ঘোষণা করা হোক। নিয়োগ দুর্নীতির কারণে বহু শিক্ষক বছরের পর বছর অপেক্ষায় রয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়াই শিক্ষাক্ষেত্রের মর্যাদা রক্ষা করতে পারে।

পরীক্ষার্থীদের পরিস্থিতি: আশা, হতাশা ও লড়াই

পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী অনেকে জানান, তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে প্রস্তুতি নিচ্ছেন। চাকরি না হওয়ার ভয়ে অনেকে মানসিক চাপে রয়েছেন। কেউ আবার আর্থিক সংকটে পড়েছেন। পরিবারের দায়িত্ব সামলে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া তাঁদের জন্য কঠিন। এমন পরিস্থিতিতে পরীক্ষাকেন্দ্রে রাজন্যা হালদারের উপস্থিতি তাঁদের মধ্যে আলোড়ন তুলেছে। কেউ কেউ তাঁকে সাহসের প্রতীক হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ সন্দেহ করছেন এটি রাজনৈতিক প্রচার কিনা।

বিশেষজ্ঞরা যা বলছেন

শিক্ষা বিশ্লেষকরা মনে করছেন, স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়া নিশ্চিত না হলে শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে সংকট আরও গভীর হবে। তাঁরা বলেন, পরীক্ষা শুরু হওয়ার আগে কেন্দ্রীয়ভাবে যাচাই প্রক্রিয়া চালু করা, অনলাইনে ফলাফল প্রকাশ এবং অভিযোগ জানানোর জন্য বিশেষ প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা জরুরি। মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কাউন্সেলিং ব্যবস্থা বাড়ানোও প্রয়োজন।

রাজনীতির ছায়ায় পরীক্ষা

রাজন্যা হালদারের মতো বিতর্কিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন—এ নিয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে SSC। তাঁর সমালোচকরা বলছেন, এটি শিক্ষার পবিত্রতাকে কলুষিত করতে পারে। আবার সমর্থকরা বলছেন, সকলেই সুযোগ পাবে, যোগ্যতার ভিত্তিতেই ফল নির্ধারিত হবে। এই দ্বন্দ্বে পরীক্ষার্থীরা পড়েছেন চাপে। অনেকেই চান, পরীক্ষাকে রাজনৈতিক রঙ না দিয়ে নিরপেক্ষভাবে নেওয়া হোক।

স্বচ্ছতার জন্য আন্দোলন

পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ইতিমধ্যেই নানা স্থানে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই স্বচ্ছতার দাবিতে পোস্ট করছেন। শিক্ষাবিদদের একাংশ বলছেন, “নিয়োগ দুর্নীতি বন্ধ না হলে শিক্ষাক্ষেত্রের প্রতি বিশ্বাস হারাবে সমাজ।” তাই তাঁরা চাইছেন পরীক্ষার প্রতিটি ধাপ প্রকাশ্যে আনা হোক।

আপনার মতামত জরুরি

আপনি কি মনে করেন, এই পরীক্ষার ফলাফল সত্যিই যোগ্যতার ভিত্তিতে হবে? নাকি পুরোনো বিতর্ক আবারও মাথাচাড়া দেবে? আপনি কীভাবে শিক্ষাক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে চান? নিচে আপনার মতামত জানান।

শেষ কথা

রাজন্যা হালদারের পরীক্ষা দেওয়া শুধু একটি ব্যক্তির রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নয়—এটি শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ার সংকট, সামাজিক হতাশা, এবং স্বচ্ছতার দাবির প্রতীক। তাঁর উপস্থিতি আলোচনার ঝড় তুলেছে, কিন্তু মূল প্রশ্ন রয়ে গেছে—আমরা কি যোগ্যতার ভিত্তিতে শিক্ষক নিয়োগ নিশ্চিত করতে পারব? নাকি আবারও বিতর্কের অন্ধকারে হারিয়ে যাবে শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন? সময়ই তার উত্তর দেবে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

চাকরিহারা শিক্ষক সন্তোষ কুমারের মৃত্যু: পরীক্ষার আগেই শেষ হয়ে গেল এক লড়াই

চাকরিহারা শিক্ষক সন্তোষ কুমারের মৃত্যু: পরীক্ষার আগেই শেষ হয়ে গেল এক লড়াই | Y বাংলা

চাকরিহারা শিক্ষক সন্তোষ কুমারের মৃত্যু: পরীক্ষার আগেই শেষ হয়ে গেল এক লড়াই

আপডেট: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫, সকাল ১০:৩০

সন্তোষ কুমার মণ্ডল

ছবি: পাঁশকুড়ার আড়িশান্ডা স্কুলের শিক্ষক সন্তোষ কুমার মণ্ডল। চাকরি হারানোর পর থেকেই তিনি মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

চাকরি হারিয়ে ভেঙে পড়েছিলেন শিক্ষক সন্তোষ

পাঁশকুড়ার আড়িশান্ডা স্কুলের শিক্ষক সন্তোষ কুমার মণ্ডল গত শনিবার রাতে আর বেঁচে নেই। তাঁর পরিবার জানিয়েছে, ২০১৬ সালে এসএসসি পরীক্ষার মাধ্যমে তিনি শিক্ষকতা শুরু করেন। কিন্তু সাম্প্রতিক নিয়োগ দুর্নীতি ও চাকরি বাতিল হওয়ার ফলে তাঁর কর্মজীবন থমকে যায়। পরিবার সূত্রে জানা যায়, চাকরি হারানোর পর থেকেই তিনি গভীর অবসাদে ভুগছিলেন। দিনের পর দিন চিন্তা, দুশ্চিন্তা, অনিশ্চয়তা এবং আত্মবিশ্বাস হারানোর কারণে তাঁর মানসিক স্বাস্থ্য দ্রুত অবনতি ঘটেছিল।

পরীক্ষায় বসেও শেষ পর্যন্ত স্বপ্ন পূরণ হল না

তবুও হাল ছাড়েননি সন্তোষ। গত সপ্তাহে তিনি এসএসসির নবম-দশম শ্রেণির নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নেন। আজকের অর্থাৎ রবিবারের পরীক্ষার জন্যও প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তাঁর আত্মীয়রা জানান, “তিনি নতুন করে পড়াশোনা শুরু করেছিলেন। ভেবেছিলেন আবার নিজের জায়গায় ফিরে যাবেন। কিন্তু ভাগ্য তাঁকে শেষ পর্যন্ত সুযোগ দিল না।” এই কথায় ফুটে ওঠে এক সংগ্রামী মানুষের অসহায়তা।

পরিবারের বক্তব্য

সন্তোষের স্ত্রী বলেন, “চাকরি চলে যাওয়ার পর থেকেই ও খুব চিন্তায় থাকত। রাত জেগে পড়াশোনা করত। বলত, আবার সুযোগ পেলে নিজেকে প্রমাণ করবে। আমরা সবাই পাশে ছিলাম। কিন্তু সে নিজের মনকে সামলাতে পারেনি।” তাঁর সন্তানরা স্তম্ভিত। তাঁদের ছোট্ট পরিবারে যেন হঠাৎ নেমে এসেছে গভীর শোক।

গ্রামের মানুষের শোক

আড়িশান্ডা গ্রামের বাসিন্দারা জানান, “সন্তোষ খুব পরিশ্রমী শিক্ষক ছিলেন। ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে আগ্রহী ছিলেন। তাঁর এইভাবে চলে যাওয়া আমাদের জন্য এক বড় ক্ষতি।” গ্রামের প্রবীণরা বলছেন, মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতা বাড়ানো দরকার। চাকরি হারানো শুধু অর্থনৈতিক সংকট নয়, এটি ব্যক্তির আত্মবিশ্বাস ও সামাজিক মর্যাদায় গভীর আঘাত হানে।

শিক্ষা মহলে আলোড়ন

শিক্ষক মহলে এই মৃত্যু গভীর আলোড়ন তুলেছে। অনেকেই বলছেন, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে। বহু শিক্ষক নিয়োগ বাতিল হওয়ার পর হতাশায় ভুগছেন। কেউ কেউ আত্মহত্যার মতো চরম সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। এই পরিস্থিতি সামাল দিতে মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের সহায়তা ও কাউন্সেলিং জরুরি বলে মত দিচ্ছেন বিশ্লেষকরা।

এর আগেও ঘটেছে এমন ঘটনা

গত মাসে ঝাড়গ্রামে আরেক চাকরিহারা শিক্ষক সুবল সোরেনের মৃত্যু হয়। ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি। সেখানেও উঠে আসে মানসিক অবসাদের প্রসঙ্গ। চাকরি হারানো, ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা, আর্থিক সংকট—এই সব মিলিয়ে তরুণ শিক্ষকদের মধ্যে আত্মবিশ্বাসের সংকট তৈরি করছে।

মানসিক স্বাস্থ্যের সংকট: বিশেষজ্ঞরা যা বলছেন

মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চাকরি হারানো বা কর্মজীবনে অনিশ্চয়তা মানুষের মানসিক অবস্থায় তীব্র প্রভাব ফেলে। উদ্বেগ, ঘুমের সমস্যা, দুশ্চিন্তা, আত্মবিশ্বাস হারানো, এমনকি আত্মহত্যার প্রবণতা পর্যন্ত তৈরি হতে পারে। তাঁরা জানান, নিয়মিত কাউন্সেলিং, পরিবার ও সমাজের সহানুভূতি এবং প্রশাসনের সহায়তা অত্যন্ত জরুরি।

সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

রাজ্যের বিভিন্ন শিক্ষক সংগঠনের দাবি, নিয়োগ বাতিলের পর ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষকদের জন্য মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তা কেন্দ্র তৈরি করতে হবে। পাশাপাশি পুনর্বাসন প্রকল্প, আর্থিক সহায়তা, এবং বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে হবে। এই ঘটনা আবারও শিক্ষা ব্যবস্থার সংকট তুলে ধরেছে।

পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান

গ্রামের মানুষ ও স্থানীয় সংগঠনরা ইতিমধ্যেই সন্তোষ কুমারের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তাঁরা অর্থ সংগ্রহ করছেন। পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতা কর্মসূচি শুরু করার পরিকল্পনা চলছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতেও মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক আলোচনা প্রয়োজন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

আমরা কী করতে পারি?

  • চাকরি হারানো বা কর্মসংস্থানের অনিশ্চয়তায় ভুগছেন এমনদের পাশে দাঁড়ান।
  • মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কথা বলুন, কাউকে একা ছেড়ে দেবেন না।
  • প্রয়োজনে চিকিৎসকের সাহায্য নিন।
  • গুজব ছড়াবেন না, যাচাই করা তথ্য ছাড়া শেয়ার করবেন না।

শেষ কথা

সন্তোষ কুমার মণ্ডলের মৃত্যু শুধুমাত্র এক ব্যক্তির ট্র্যাজেডি নয়। এটি শিক্ষাক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা, নিয়োগ প্রক্রিয়ার দুর্বলতা এবং মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে আমাদের সমাজের সীমাবদ্ধতাকে স্পষ্ট করে তুলেছে। তাঁর স্বপ্ন ভেঙে গেলেও, তাঁর সংগ্রামের গল্প আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখাচ্ছে—মানসিক স্বাস্থ্যকে গুরুত্ব দিতে হবে, শিক্ষক সমাজকে রক্ষা করতে হবে, এবং একে অন্যের পাশে দাঁড়াতে হবে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

অসমে তীব্র ভূমিকম্প: উত্তরবঙ্গসহ বিস্তীর্ণ অঞ্চল কেঁপে উঠল

অসমে তীব্র ভূমিকম্প: উত্তরবঙ্গসহ বিস্তীর্ণ অঞ্চল কেঁপে উঠল | Y বাংলা

অসমে তীব্র ভূমিকম্প: উত্তরবঙ্গসহ বিস্তীর্ণ অঞ্চল কেঁপে উঠল

আপডেট: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫, বিকেল ৫:৩০

অসম ভূমিকম্পের কম্পন অনুভূত

ছবি: অসমে ভূমিকম্পের পরে আতঙ্কিত নাগরিকরা বাইরে বেরিয়ে আসছেন।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

ভূমিকম্পের সময় ও মাত্রা

রবিবার বিকেল ৪টা ৪১ মিনিটে অসমে তীব্র ভূমিকম্প অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৫.৯। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল গুয়াহাটি ও তেজপুরের মাঝে ঢেকিয়াজুলি এলাকা। কম্পনটির কেন্দ্রস্থল ভূপৃষ্ঠের প্রায় ১০ কিলোমিটার নিচে।

উত্তরবঙ্গসহ বিস্তীর্ণ অঞ্চলে আতঙ্ক

ভূমিকম্পের ঝাঁকুনিতে উত্তরবঙ্গের কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, দার্জিলিংসহ বিভিন্ন জেলা কেঁপে ওঠে। অনেকেই বাড়ি ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন। যদিও কম্পনের মাত্রা তুলনামূলক মাঝারি হলেও, দিনের আলোয় আচমকা ভূকম্প অনুভূত হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

কলকাতা ও দক্ষিণবঙ্গেও কম্পনের অনুভূতি

ভূমিকম্পের কম্পন অনুভূত হয়েছে দক্ষিণবঙ্গের কলকাতা, হাওড়া, উত্তর ২৪ পরগনা এবং নদিয়া পর্যন্ত। যদিও এখানে কম্পনের মাত্রা তুলনায় অনেক কম ছিল, তবুও সচেতনতা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিভিন্ন অফিস, স্কুল ও আবাসিক এলাকায় কম্পনের কারণে কিছু সময়ের জন্য আলো-ফ্যান বন্ধ হয়ে যায়।

প্রতিবেশী দেশগুলিতেও প্রভাব

বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে, বিশেষ করে চট্টগ্রাম, সিলেট এবং নরসিংদী এলাকায় মৃদু কম্পনের অনুভূতি হয়েছে বলে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যাচ্ছে। নেপালের কিছু পার্বত্য অঞ্চলে কম্পনের টের পাওয়া গেছে। ভুটানের কিছু এলাকা থেকেও কম্পনের খবর আসছে। যদিও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর নেই।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিজ্ঞতা

  • কোচবিহারের এক বাসিন্দা বলেন: "হঠাৎ করে সব কাঁপতে শুরু করল। আমরা ভয়ে বাইরে বেরিয়ে এলাম। যদিও কিছুক্ষণ পর আবার সব স্বাভাবিক হয়ে যায়।"
  • কলকাতার বেহালা এলাকার এক বাসিন্দা জানান: "প্রথমে বুঝতে পারিনি। তারপর আলো দুলতে শুরু করল। বাচ্চারা চিৎকার করতে শুরু করে। আমরা দ্রুত বাইরে বেরিয়ে আসি।"
  • ঢাকার সিলেট অঞ্চলের একজন বলেন: "মৃদু ঝাঁকুনির মতো লেগেছিল। সবাই দরজা-জানালা খুলে বাইরে চলে আসে। বড় ক্ষয়ক্ষতির খবর এখনও নেই।"

প্রাথমিক তথ্য ও প্রশাসনের সতর্কতা

রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর নেই। তবুও সকল নাগরিককে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। পরবর্তী কয়েক ঘণ্টায় আফটারশকের সম্ভাবনা রয়েছে বলে ভূতাত্ত্বিক বিশেষজ্ঞরা মত দিয়েছেন।

উত্তরবঙ্গের জেলা প্রশাসন এলাকায় জরুরি পরিষেবা প্রস্তুত রেখেছে। মেডিকেল টিম এবং উদ্ধারকারী দল সতর্ক অবস্থায় আছে। পুলিশ প্রশাসন বাসিন্দাদের শান্ত থাকার অনুরোধ জানিয়েছে।

ভূমিকম্প কেন হয়?

ভূমিকম্প সাধারণত পৃথিবীর অভ্যন্তরে টেকটোনিক প্লেটের নড়াচড়ার ফলে হয়। ভারতীয় প্লেট এবং ইউরেশীয় প্লেটের সংঘর্ষ অঞ্চলে ভূমিকম্প বেশি হয়। অসম, উত্তরবঙ্গ, নেপাল, ভুটান এই প্লেট সংযোগের কাছাকাছি হওয়ায় সেখানে ভূমিকম্পের প্রবণতা বেশি। বিশেষজ্ঞরা বলেন, এই ধরনের ভূমিকম্পের পর আরও কয়েকটি ছোট কম্পনের সম্ভাবনা থাকে।

সরকারি নির্দেশিকা

  • ভূমিকম্প অনুভূত হলে শান্ত থাকুন।
  • বাড়ির নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিন।
  • লিফট ব্যবহার করবেন না।
  • বিদ্যুৎ সংযোগ পরীক্ষা করুন।
  • আফটারশকের জন্য প্রস্তুত থাকুন।

বিশেষজ্ঞদের মত

ভূতাত্ত্বিকদের মতে, উত্তর-পূর্ব ভারতের ভূপ্রকৃতি অত্যন্ত সক্রিয়। অসম ও পার্বত্য অঞ্চলে ভূমিকম্প হওয়া নতুন নয়। তবে ৫.৯ মাত্রার এই কম্পন মাঝারি হলেও, ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় আতঙ্ক ছড়ানোর জন্য যথেষ্ট। ভবিষ্যতে আরও সতর্কতার প্রয়োজন।

আপনি কীভাবে সাহায্য করতে পারেন?

আপনি যদি ভূমিকম্পে আক্রান্ত এলাকায় থাকেন তবে প্রশাসনের নির্দেশিকা অনুসরণ করুন। গুজব ছড়াবেন না। সামাজিক মাধ্যমে যাচাই না করা তথ্য শেয়ার করবেন না। যাদের সাহায্য দরকার তাদের পাশে দাঁড়ান।

আমাদের সঙ্গে থাকুন

ভূমিকম্প সংক্রান্ত সর্বশেষ খবর, নিরাপত্তা নির্দেশিকা এবং বিশেষজ্ঞদের মতামত পেতে নিয়মিত আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করুন। আমরা আপনাকে দ্রুত এবং নির্ভরযোগ্য তথ্য পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

নভেম্বরেই SSC-র ইন্টারভিউ শুরু হবে | শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর ঘোষণা

নভেম্বরেই SSC-র ইন্টারভিউ শুরু হবে | শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর ঘোষণা

নভেম্বরেই SSC-র ইন্টারভিউ শুরু হবে: শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর ঘোষণা

আপডেট: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

SSC পরীক্ষার্থীরা

SSC পরীক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা। নভেম্বর মাস থেকেই ইন্টারভিউ শুরু হবে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

শিক্ষামন্ত্রীর ঘোষণায় স্বস্তি SSC পরীক্ষার্থীদের মাঝে

রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু আজ নিশ্চিত করেছেন যে, আগামী নভেম্বর মাস থেকেই শুরু হবে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের ইন্টারভিউ। লিখিত পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার পরেই এই গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করা হয়েছে। দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে শিক্ষার্থীরা এবার নির্ধারিত সময়েই ইন্টারভিউ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন।

মডেল উত্তরপত্র প্রকাশের সূচি

শিক্ষা দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে যে, পরীক্ষার্থীদের সুবিধার্থে মডেল উত্তরপত্র পর্যায়ক্রমে প্রকাশিত হবে। বিস্তারিতভাবে শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন:

  • আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর নবম-দশম শ্রেণির পরীক্ষার্থীদের জন্য মডেল উত্তরপত্র প্রকাশিত হবে SSC-র অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে।
  • ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির মডেল উত্তরপত্র প্রকাশ করা হবে।
  • প্রকাশিত উত্তরপত্র পাঁচ দিনের মধ্যে পরীক্ষার্থীরা চ্যালেঞ্জ করতে পারবেন।
  • পরীক্ষার্থীদের মতামত ও বিশেষজ্ঞ কমিটির পর্যালোচনার ভিত্তিতে চূড়ান্ত উত্তরপত্র প্রকাশ করা হবে।

ইন্টারভিউ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশিকা

ব্রাত্য বসু জানান, ইন্টারভিউ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের জন্য পরীক্ষার্থীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দিতে হবে। পাশাপাশি, অনলাইনে উপস্থিতির তথ্য এবং পরীক্ষার ফলাফলও পর্যায়ক্রমে আপডেট করা হবে। শিক্ষার্থীদের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সবকিছু প্রকাশ্য ও সহজলভ্য রাখা হবে।

পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সুবিধা

  • মডেল উত্তরপত্র ডাউনলোডের সুযোগ।
  • চ্যালেঞ্জ করার জন্য নির্ধারিত সময়সীমা।
  • বিশেষজ্ঞদের মতামত নিয়ে চূড়ান্ত উত্তরপত্র।
  • ইন্টারভিউর তারিখ আগে থেকেই জানানো।
  • অনলাইনে পরীক্ষার্থীর উপস্থিতির রিপোর্ট।

শিক্ষার্থীরা কীভাবে প্রস্তুতি নেবেন?

ইন্টারভিউ সামনে রেখে শিক্ষার্থীরা এখন থেকেই প্রস্তুতি শুরু করতে পারেন। শিক্ষকরা জানিয়েছেন:

  • মডেল উত্তরপত্র অনুযায়ী সম্ভাব্য প্রশ্ন অনুশীলন করুন।
  • চ্যালেঞ্জ করার জন্য নিজের উত্তরপত্র ঠিকভাবে পরীক্ষা করুন।
  • বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ শুনে সংশোধন করুন।
  • ইন্টারভিউর জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট আগে থেকেই প্রস্তুত রাখুন।
  • মনোযোগ ও আত্মবিশ্বাস বাড়াতে নিয়মিত পড়াশোনা করুন।

শিক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে সরকারের পদক্ষেপ

রাজ্য শিক্ষা দপ্তর জানিয়েছে, পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে অনলাইনে সব তথ্য সহজলভ্য করা হবে। পরীক্ষার্থীরা তাদের উত্তরপত্র ডাউনলোড করে চ্যালেঞ্জ করতে পারবেন। পাশাপাশি বিশেষজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতে চূড়ান্ত উত্তরপত্র প্রকাশ করা হবে। এতে পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে বিভ্রান্তি বা সন্দেহ দূর হবে।

শিক্ষার্থীদের মধ্যে উৎসাহের পরিবেশ

নভেম্বর থেকে ইন্টারভিউ শুরু হওয়ার ঘোষণা শোনার পর থেকেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উৎসাহ ছড়িয়েছে। অনেকেই সামাজিক মাধ্যমে তাদের প্রস্তুতির পরিকল্পনা শেয়ার করছেন। অভিভাবকরাও তাদের সন্তানদের এই সুযোগ নিয়ে এগিয়ে যেতে উৎসাহিত করছেন। শিক্ষক মহলও এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন।

প্রয়োজনীয় সতর্কতা

শিক্ষা দপ্তর পরীক্ষার্থীদের জন্য কিছু নির্দেশিকা দিয়েছে:

  • সরকারি ওয়েবসাইট ছাড়া অন্য কোথাও মডেল উত্তরপত্র ডাউনলোড করবেন না।
  • নিজের তথ্য শেয়ার করার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকুন।
  • চূড়ান্ত উত্তরপত্র প্রকাশের আগে গুজব ছড়াবেন না।
  • প্রয়োজন হলে শিক্ষকের পরামর্শ নিন।

বিশেষজ্ঞদের মতামত

শিক্ষাবিদদের মতে, এই উদ্যোগ পরীক্ষার মান উন্নত করতে সাহায্য করবে। মডেল উত্তরপত্র চ্যালেঞ্জ করার সুযোগ শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস বাড়াবে এবং ভুল সংশোধনের সুযোগ তৈরি করবে। একইসঙ্গে ইন্টারভিউয়ের আগে পরিকল্পিত প্রস্তুতি শিক্ষার্থীদের চাপ কমাবে।

পরবর্তী আপডেট কীভাবে পাবেন?

শিক্ষার্থীরা SSC-র অফিসিয়াল ওয়েবসাইট নিয়মিত চেক করতে পারেন। পাশাপাশি আমাদের ফলো করলে সব আপডেট দ্রুত পেতে পারবেন। নিচে ফলো করার লিংক দেওয়া হলো।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

Saturday, 13 September 2025

নদিয়ার কালীগঞ্জে তমন্না খুন মামলায় ৩৪০ পৃষ্ঠার চার্জশিট, মূল অভিযুক্তসহ ১০ জনের নাম

নদিয়ার কালীগঞ্জে তমন্না খুন মামলায় ৩৪০ পৃষ্ঠার চার্জশিট, মূল অভিযুক্তসহ ১০ জনের নাম

নদিয়ার কালীগঞ্জে তমন্না খাতুনের খুনের মামলায় ৩৪০ পৃষ্ঠার চার্জশিট জমা দিল পুলিশ

Y বাংলা ব্যুরো: নদিয়ার কালীগঞ্জে তমন্না খাতুনের নির্মম হত্যাকাণ্ড নিয়ে তদন্তে পুলিশের হাতে এসেছে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। ঘটনার প্রায় ৮২ দিনের মাথায় শনিবার আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে ৩৪০ পৃষ্ঠার বিশদ চার্জশিট। তমন্নার পরিবারের অভিযোগ, পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার কারণে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার হতে দেরি হয়েছে। চার্জশিটে মূল অভিযুক্ত দয়াল শেখসহ মোট ১০ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

তমন্না খাতুনের স্মরণসভা

ছবি: তমন্না খাতুনের স্মরণসভায় পরিবার ও প্রতিবেশীরা।

চার্জশিটে কারা?

চার্জশিটে মূল অভিযুক্ত হিসেবে দয়াল শেখের নাম উঠে এসেছে। পাশাপাশি আরও ৯ জনের নাম রয়েছে। তারা হলেন – আনোয়ার শেখ, আদর শেখ, কালু ওরফে সুখলাল শেখ, সরিফুল শেখ, নবাব শেখ, হাবিবুল ওরফে রহিবুল শেখ, বিমল ওরফে আরফান শেখ এবং আবুল কাশেম। তাদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১৯০, ১৯১(২), ১৯১(৩), ১১৮(২), ১০৯, ১০৩, ৩০৫ ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে।

নিহতের পরিবারের দাবি

তমন্নার মা সাবিনা বিবি পুলিশের ভূমিকা নিয়ে বারবার প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার কারণে অভিযুক্তরা অনেক দিন ধরেই গ্রেপ্তার হয়নি। এমনকি ঘটনার সঙ্গে জড়িত অনেক অভিযুক্ত মুক্ত অবস্থায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। তাঁর এফআইআরে মোট ২৪ জনের নামে অভিযোগ থাকলেও পুলিশ সকলকে গ্রেপ্তার করেনি বলে দাবি করেন তিনি।

রাজনৈতিক যোগসূত্রের অভিযোগ

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মূল অভিযুক্ত দয়াল শেখ তৃণমূলের স্থানীয় বুথ কমিটির সভাপতি। তাঁর ভাই আদর ও আনোয়ার শেখও নাকি অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত। স্থানীয়দের দাবি, তারা এলাকায় সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করেছিল। এমন অভিযোগের ফলে তমন্নার পরিবার দ্রুত বিচার চেয়ে প্রশাসনের কাছে আবেদন জানিয়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত

গত ২৩ জুন নদিয়ার কালীগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর স্থানীয় তৃণমূল সমর্থকেরা এক মিছিল বের করে। অভিযোগ, সেই মিছিল থেকেই তমন্নাদের বাড়ির দিকে বোমা ছোড়া হয়। বোমার আঘাতে তমন্নার মৃত্যু ঘটে। ফলে গোটা এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। রাজনৈতিক পাল্টাপাল্টি মন্তব্যের মধ্যে পরিবার নিরাপত্তার অভাব নিয়ে তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

পুলিশের অবস্থান

পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত চলছে। চার্জশিটের মাধ্যমে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি নিহতের পরিবারের কাছে নিয়মিত আপডেট পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে পুলিশ কাজ করছে।

পরিবারের দাবি কঠিন শাস্তির

তমন্নার পরিবার অভিযুক্তদের কঠিন শাস্তির দাবি করেছে। তাদের বক্তব্য, এই হত্যাকাণ্ড শুধু একটি পরিবারের শোক নয়, পুরো এলাকার নিরাপত্তাহীনতার প্রতীক। তাই দ্রুত বিচার এবং শাস্তি নিশ্চিত না হলে মানুষের মধ্যে প্রশাসনের প্রতি আস্থা নষ্ট হবে বলে তারা মনে করছেন।

আইনি লড়াইয়ের পরবর্তী ধাপ

চার্জশিট জমা হওয়ার পর আদালতে বিচার প্রক্রিয়া শুরু হবে। আদালতের নির্দেশ অনুসারে সাক্ষ্য, ফরেনসিক রিপোর্ট এবং ময়নাতদন্তের ভিত্তিতে পরবর্তী শুনানি এগোবে। নিহতের পরিবারের পক্ষে আইনজীবীরা দ্রুত বিচার চেয়ে আবেদন করবেন। পাশাপাশি মানবাধিকার সংগঠনও প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

আপডেট তারিখ: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

Featured post

Y বাংলা নিউজ ডেস্ক রিপোর্ট আজ, শনিবার দুপুরে পশ্চিমবঙ্গে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। দুপুর পৌনে ১টা নাগাদ তাঁর মালদা টাউন...

Search This Blog