Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Monday, 15 September 2025

হিন্দিভাষীদের উন্নয়নে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগ: হিন্দি দিবসে শুভেচ্ছা ও উন্নয়নের রূপরেখা

হিন্দিভাষীদের উন্নয়নে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগ: হিন্দি দিবসে শুভেচ্ছা ও উন্নয়নের রূপরেখা | Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো

হিন্দিভাষীদের উন্নয়নে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগ: হিন্দি দিবসে শুভেচ্ছা ও উন্নয়নের রূপরেখা

আপডেট: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

হিন্দি দিবস পালন

ছবি: হিন্দি দিবসে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উদ্যোগে বিভিন্ন শিক্ষা ও সামাজিক প্রকল্পে হিন্দিভাষীদের অন্তর্ভুক্তির প্রচেষ্টা।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

হিন্দি দিবসে মুখ্যমন্ত্রীর শুভেচ্ছা

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হিন্দি দিবসে তাঁর সরকারি সোশ্যাল হ্যান্ডেলে সকল হিন্দিভাষী নাগরিককে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, “আজ হিন্দি দিবস। আমি আমার সকল হিন্দিভাষী ভাই-বোনকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা। প্রতিবছরই আমরা শ্রদ্ধার সঙ্গে হিন্দি দিবস পালন করি। আমরা সব ভাষার প্রতি শ্রদ্ধাশীল।” মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্য ভাষাগত ঐক্য, সহাবস্থান এবং সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধার এক উদাহরণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

উন্নয়নের পথে সমতা

মুখ্যমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে আরও উল্লেখ করেছেন যে, ২০১১ সালের পর থেকে রাজ্যের হিন্দিভাষী নাগরিকদের উন্নয়নে একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। ভাষাগত বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য বজায় রাখার পাশাপাশি শিক্ষা, সরকারি সুযোগ এবং সামাজিক সুরক্ষায় তাঁদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তাঁর মতে, উন্নয়ন কোনও বিশেষ ভাষা বা সম্প্রদায়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, এটি সকলের জন্য।

হিন্দিকে সরকারি ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি

রাজ্যের যেসব অঞ্চলে ১০ শতাংশের বেশি মানুষ হিন্দি ভাষায় কথা বলেন, সেখানে হিন্দিকে সরকারি ভাষা হিসেবে ব্যবহার করার সুবিধা দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনিক কাজকর্মে ভাষাগত অন্তর্ভুক্তির এই পদক্ষেপ নাগরিকদের জন্য পরিষেবা গ্রহণ সহজতর করেছে। বিভিন্ন সরকারি ফর্ম, নথি এবং সহায়তা পরিষেবায় হিন্দির ব্যবহার বেড়েছে। এতে বিশেষ করে শ্রমজীবী এবং নিম্ন আয়ের হিন্দিভাষী নাগরিকদের জন্য সুবিধা হয়েছে।

অন্য ভাষাগুলির স্বীকৃতি ও সমান গুরুত্ব

মুখ্যমন্ত্রী তাঁর বার্তায় উল্লেখ করেন, শুধুমাত্র হিন্দি নয়, অন্যান্য ভাষাকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সাঁওতালি, কুরুখ, কুরমালি, নেপালি, উর্দু, রাজবংশী, কামতাপুরি, ওড়িয়া, পাঞ্জাবি, তেলুগু ভাষাকে সরকারি ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সাদরি ভাষার মানোন্নয়নের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। এই পদক্ষেপ ভাষাগত বৈচিত্র্যের মধ্যে সংস্কৃতির বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

শিক্ষাক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ

শিক্ষাক্ষেত্রে হিন্দিভাষীদের জন্য বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে রাজ্য। হাওড়ায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে হিন্দি বিশ্ববিদ্যালয়। বানারহাট এবং নকশালবাড়িতে হিন্দিমাধ্যম ডিগ্রি কলেজ তৈরি করা হয়েছে। বিভিন্ন কলেজে হিন্দি পোস্ট গ্র্যাজুয়েট পাঠ্যক্রম চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র এখন হিন্দিতেও দেওয়া হচ্ছে। রবীন্দ্র মুক্ত বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা হিন্দি ভাষায় মাধ্যমিক পরীক্ষা দিতে পারছেন।

হিন্দি শিক্ষার সুযোগ

ছবি: হিন্দিমাধ্যম কলেজ ও পরীক্ষার প্রশ্নপত্র হিন্দিতে চালুর ফলে শিক্ষার্থীদের সুযোগ বেড়েছে।

সামাজিক সুরক্ষায় উদ্যোগ

অসংগঠিত ক্ষেত্রে কর্মরত হিন্দিভাষী শ্রমিকদের জন্য বিনামূল্যে সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্প চালু করা হয়েছে। স্বাস্থ্য পরিষেবা, আর্থিক সহায়তা এবং জরুরি অবস্থায় সরকারি সহায়তা প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ ধরনের উদ্যোগ শ্রমজীবী মানুষের জীবনমান উন্নয়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।

পরিকাঠামো উন্নয়ন: গঙ্গাসাগর মেলা সহ একাধিক প্রকল্প

গঙ্গাসাগর মেলা উপলক্ষে ওই অঞ্চলে উৎকৃষ্ট পরিকাঠামো গড়ে তোলা হয়েছে। হিন্দিভাষী এবং অন্যান্য অঞ্চলের তীর্থযাত্রীদের সুবিধার্থে যাতায়াত, বিশ্রাম এবং চিকিৎসা পরিষেবা উন্নয়নের কাজ চলছে। পাশাপাশি গ্রামীণ পর্যায়ে যোগাযোগব্যবস্থা উন্নয়নে নানা প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।

ভাষার মাধ্যমে ঐক্য গড়ে তুলছে পশ্চিমবঙ্গ

মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য থেকে পরিষ্কার যে, ভাষাকে কেন্দ্র করে বিভেদ নয় বরং ঐক্যের ভিত্তি গড়ে তুলতেই তাঁর প্রচেষ্টা। বিভিন্ন ভাষার প্রতি শ্রদ্ধা দেখানো এবং শিক্ষা, প্রশাসন ও সামাজিক উন্নয়নের মাধ্যমে সকল সম্প্রদায়কে এগিয়ে নেওয়া পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। তাঁর মতে, ভাষার বৈচিত্র্য একটি সম্পদ, যা সমাজকে সমৃদ্ধ করে।

বিশেষজ্ঞদের মতামত

ভাষাবিদ ড. অরিন্দম চক্রবর্তী বলেন, “ভাষার বৈচিত্র্যকে কেন্দ্র করে পশ্চিমবঙ্গ যে পদক্ষেপ নিয়েছে তা সামাজিক অন্তর্ভুক্তির এক অনন্য উদাহরণ। শিক্ষাক্ষেত্রে সুযোগ বৃদ্ধি এবং সরকারি পরিষেবায় ভাষার ব্যবহার বাড়ানো একটি বড় অগ্রগতি।” একইভাবে সমাজবিদ ড. প্রিয়ঙ্কা সেন বলেন, “হিন্দিভাষী মানুষের উন্নয়নের মাধ্যমে সামাজিক বৈষম্য কমানো সম্ভব। এই ধরনের প্রকল্প দীর্ঘমেয়াদে রাজ্যের অর্থনীতি ও সংস্কৃতির বিকাশে সাহায্য করবে।”

উপসংহার

হিন্দি দিবসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে শুভেচ্ছা বার্তা দিয়েছেন তা শুধুমাত্র একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং ভাষাগত সমতা, শিক্ষায় অন্তর্ভুক্তি, সামাজিক সুরক্ষা এবং সাংস্কৃতিক ঐক্যের বার্তা। সরকারি ভাষা হিসেবে হিন্দির ব্যবহার থেকে শুরু করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তৈরি, পরীক্ষায় হিন্দির অন্তর্ভুক্তি এবং সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্প—সব মিলিয়ে এটি এক উন্নয়নের মডেল। ভাষার ভিত্তিতে বিভাজন নয়, বরং সকল সম্প্রদায়কে সমানভাবে উন্নয়নের সুযোগ দেওয়ার যে প্রচেষ্টা চলছে, তা পশ্চিমবঙ্গকে আরও মানবিক এবং সমৃদ্ধ রাজ্যে পরিণত করছে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

অতিবৃষ্টিতে তিস্তার তাণ্ডব: উত্তরবঙ্গ ও সিকিমে ভয়াবহ পরিস্থিতি | Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো

অতিবৃষ্টিতে তিস্তার তাণ্ডব: উত্তরবঙ্গ ও সিকিমে ভয়াবহ পরিস্থিতি | Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো

অতিবৃষ্টিতে তিস্তার তাণ্ডব: উত্তরবঙ্গ ও সিকিমে ভয়াবহ পরিস্থিতি

আপডেট: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

তিস্তা নদীতে বন্যা

ছবি: তিস্তা নদীর উপচে পড়া জল, আলিপুরদুয়ার-ফালাকাটা জাতীয় সড়ক বন্ধ হয়ে পড়েছে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

ধ্বংসস্তূপে সিকিমের পশ্চিমাঞ্চল

সিকিমের পশ্চিমাঞ্চলে লাগাতার ভারী বৃষ্টির ফলে পরিস্থিতি ক্রমশ ভয়াবহ হয়ে উঠেছে। গ্যালশিং জেলার লুনজিক গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় পাহাড় ধসে একাধিক বাড়ি ভেঙে পড়েছে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে, গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান ধসে চাপা পড়ে প্রাণ হারিয়েছেন। পাশাপাশি চারটি গবাদি পশুও মারা গেছে। স্থানীয় প্রশাসন এবং উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে। তবে পাহাড়ি এলাকায় ধসের আশঙ্কা এখনও প্রবল। বাসিন্দারা আতঙ্কিত অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন।

তিস্তার জলস্তর বৃদ্ধি ও ডুয়ার্সে বিপর্যয়

ভুটানের পাহাড়ি অঞ্চলে লাগাতার বৃষ্টির ফলে তিস্তা নদীর জলস্তর দ্রুত বেড়েছে। পাশাপাশি ডুয়ার্সের বিভিন্ন এলাকায় রাতভর প্রবল বর্ষণে নদী-নালা উপচে পড়েছে। আলিপুরদুয়ারের শীলবাড়ি হাট এলাকার সঞ্জয় নদী ফুলে ফেঁপে উঠে আশপাশের গ্রামগুলোতে জল ঢুকে পড়েছে। বন্যার জলে ভেসে গেছে অস্থায়ী ডাইভার্সন। ফলে আলিপুরদুয়ার থেকে ফালাকাটার জাতীয় সড়কের যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। উদ্ধারকারীরা পরিস্থিতি সামাল দিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন।

ডুবে যাওয়া জাতীয় সড়ক

ছবি: জাতীয় সড়ক ডুবে যাওয়ায় পরিবহন সম্পূর্ণ বন্ধ।

বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতা: রাতভর অন্ধকারে গ্রামগুলো

প্রবল বৃষ্টির পাশাপাশি বজ্রপাতের কারণে বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে পড়েছে। ফলে বিস্তীর্ণ এলাকা বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছিল। আলিপুরদুয়ার জেলার অনেক গ্রামে রাতভর অন্ধকারে থাকতে হয়েছে বাসিন্দাদের। তবে জেলা বিদ্যুৎ দফতরের তৎপরতায় দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আরও খুঁটি পরীক্ষা করা হচ্ছে যাতে ভবিষ্যতে বড় ধরনের দুর্ঘটনা না ঘটে।

পরীক্ষার্থীদের চরম দুর্ভোগ

সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন এসএসসি পরীক্ষার্থীরা। আলিপুরদুয়ার থেকে ফালাকাটা যাওয়ার জাতীয় সড়ক বন্ধ থাকায় পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছতে অনেককেই কোচবিহার ঘুরে প্রায় ৪০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করতে হয়েছে। ফালাকাটা থেকে মাত্র দশ কিলোমিটার দূরের শীলবাড়ি হাট পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছতে অনেক শিক্ষার্থী ভোরেই বের হলেও, যাতায়াতের দুর্ভোগ তাঁদের আরও ক্লান্ত করেছে।

আর যারা একটু দেরিতে বাড়ি থেকে বেরিয়েছেন, তাঁদের অবস্থা আরও শোচনীয়। অসমাপ্ত সেতুর লোহার রড ধরে ঝুঁকি নিয়ে নদী পার হয়ে পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছাতে হয়েছে তাঁদের। শিক্ষার্থীরা আতঙ্কিত, ক্লান্ত এবং হতাশ। তাঁদের অনেকে পরীক্ষায় দেরিতে পৌঁছেছেন এবং কিছু শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিতে পারেননি বলে অভিযোগ করেছেন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের ক্ষোভ

স্থানীয় বাসিন্দা ও পরীক্ষার্থীরা জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের অভিযোগ, বহুদিন ধরেই সড়ক ও সেতুর কাজ অবহেলিত। বর্ষায় এই সমস্যাগুলি প্রকট হয়ে ওঠে। প্রতিবারই বৃষ্টির সময় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে, অথচ স্থায়ী সমাধান হয় না। বাসিন্দাদের বক্তব্য, প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেও যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হয় না।

স্থানীয় বাসিন্দা বিমল সরকার বলেন, “আমরা বারবার বলেছি এই রাস্তাটা ঠিক করার জন্য। কিন্তু কেউ শুনছে না। পরীক্ষার্থীরা যেন প্রাণ হাতে নিয়ে পরীক্ষা দিতে যাচ্ছে। প্রশাসনের উচিত দ্রুত কাজ শেষ করা।”

প্রশাসনের বক্তব্য

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বৃষ্টির কারণে সৃষ্ট সমস্যাগুলি সামাল দিতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। উদ্ধারকাজ চলছে। জাতীয় সড়কের বিকল্প রুট খোঁজা হচ্ছে। পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ পরিবহন ব্যবস্থা করার কথাও ভাবা হচ্ছে। তবে তাঁরা স্বীকার করেছেন, অসমাপ্ত সেতুর কারণে দুর্ভোগ বাড়ছে।

আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস

আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় উত্তরবঙ্গ ও সিকিমে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে। পাহাড়ি এলাকায় ধস ও নদীর জলস্তর আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। নাগরিকদের সতর্ক থাকার জন্য বলা হয়েছে। বন্যার আশঙ্কায় বহু এলাকায় স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতামত

পরিবেশ বিশেষজ্ঞ ড. তাপস ঘোষ বলেন, “পাহাড়ি অঞ্চলে অতিবৃষ্টির ফলে ভূমিধস হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। নদী পাড়ে বসবাসকারী গ্রামগুলির জন্য এটি বড় বিপদ। নিয়মিত পর্যবেক্ষণ, স্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণ এবং পরিবেশের প্রতি সচেতনতা ছাড়া এই সমস্যা সমাধান সম্ভব নয়।”

আমরা কী করতে পারি?

  • পরীক্ষার্থীদের জন্য জরুরি পরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।
  • অসমাপ্ত সেতুর কাজ দ্রুত শেষ করা।
  • ধসপ্রবণ এলাকায় সতর্কতা ও দ্রুত উদ্ধার ব্যবস্থা তৈরি করা।
  • বিদ্যুৎ সংযোগ পুনরুদ্ধারে জরুরি দল গঠন করা।
  • নিয়মিত নদী ও পাহাড় পর্যবেক্ষণ করে দুর্যোগ মোকাবিলার পরিকল্পনা করা।

উপসংহার

অতিবৃষ্টির ফলে তিস্তা নদীর জলস্তর বৃদ্ধি, ধস, বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতা এবং যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যাওয়া উত্তরবঙ্গ ও সিকিমের সাধারণ মানুষের জীবনকে বিপর্যস্ত করেছে। বিশেষ করে পরীক্ষার্থীরা পড়েছেন চরম দুর্ভোগে। স্থানীয় বাসিন্দাদের ক্ষোভ বাড়ছে এবং প্রশাসনের ওপর চাপও বাড়ছে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

জন্মদিনে পাকিস্তানকে উড়িয়ে সেনাকে উৎসর্গ সূর্যকুমারের জয়

জন্মদিনে পাকিস্তানকে উড়িয়ে সেনাকে উৎসর্গ সূর্যকুমারের জয়

জন্মদিনে পাকিস্তানকে উড়িয়ে সেনাকে উৎসর্গ সূর্যকুমারের জয়

নবীন পাল, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:০৫ am

পহেলগামের ঘটনার পর কেন ভারত ফের পাকিস্তানের বিরুদ্ধে খেলছে সেই প্রশ্ন বারবার উঠছিল। BCCI স্পষ্ট জানিয়েছিল, ICC ও ACC-র নিয়ম অনুযায়ী তারা ইভেন্ট বয়কট করতে পারে না। ফলে ভারত নিয়ম মেনে মাঠে নেমেছে এবং সফল হয়েছে। ম্যাচ জেতার পর অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব তাঁর বক্তব্যে পহেলগামে জঙ্গি হামলায় নিহতদের কথা স্মরণ করেন।

সূর্যকুমার যাদব পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে
সূর্যকুমার যাদব পহেলগামের হামলায় নিহতদের পরিবারের পাশে থাকার বার্তা দেন।

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সূর্য বলেন, “আমি কিছু বলতে চাইছি, বলার জন্য এটা সেরা মুহূর্ত। আমরা পহেলগামে জঙ্গি হামলায় নিহতদের পাশে আছি। তাঁদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই। এই জয় দেশের সেনাবাহিনীকে উৎসর্গ করছি। আশা করি সেনাবাহিনী আমাদের আরও অনুপ্রেরণা দেবে।”

ম্যাচটি সূর্যের কাছে বিশেষ হয়ে ওঠে। কারণ ১৪ সেপ্টেম্বর অর্থাৎ ম্যাচের দিনই তাঁর জন্মদিন। অধিনায়ক হিসেবে প্রথমবার পাকিস্তানের বিরুদ্ধে দলকে নেতৃত্ব দিলেন এবং জয় পেলেন। দর্শকরা তাঁকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানালে তিনি বলেন, “দারুণ অনুভূতি এবং এটা জন্মদিনের দারুণ উপহার।”

BCCI ম্যাচ শেষে সোশ্যাল মিডিয়ায় পহেলগামে নিহতদের পরিবারের পাশে থাকার কথা জানায় এবং দলের একটি ছবি পোস্ট করে।

সূর্য আরও বলেন, “সবসময় জিততে চাই। যখন জিতি, সেটা অসাধারণ অনুভূতি। আমি সবসময় বক্স টিক করতে চেয়েছি এবং ম্যাচ শেষ করতে চেয়েছি—আজ সেটা করতে পেরেছি। পাকিস্তানকে অন্য যে কোনো প্রতিপক্ষের মতোই প্রস্তুতি নিয়ে খেলেছি। চ্যাম্পিয়ন দল যেমন খেলে, তেমন খেলেছি।”

এই ম্যাচে পাকিস্তানকে মাত্র ১২৭ রানে আটকে দেয় ভারত। স্পিনার কুলদীপের তিন এবং অক্ষরের এক উইকেটের দাপটে মাঝের ওভারে ম্যাচ নিজেদের দিকে ঘুরিয়ে নেয় ভারত। সূর্য বলেন, “আমি স্পিনের বড় ভক্ত, কারণ ওরা মাঝের সময়ে নিয়ন্ত্রণ আনে।”

ম্যাচের সেরা কুলদীপ বলেন, “পরিকল্পনা অনুযায়ী বল করেছি। প্রথম বলে উইকেট নেয়ার পরিকল্পনা ছিল, সেটা সফল হয়েছে। তবে আরও উন্নতি করতে হবে।”

ভারতের পরবর্তী ম্যাচ ওমানের বিরুদ্ধে ১৯ সেপ্টেম্বর খেলা হবে।

সোশ্যাল শেয়ার করুন:
Facebook | Twitter | LinkedIn

📌 তথ্যবক্স

  • ম্যাচের তারিখ: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • অধিনায়ক: সূর্যকুমার যাদব
  • বিশেষ দিন: সূর্যের জন্মদিন
  • ম্যাচ ফলাফল: ভারত জয়ী
  • সেরা খেলোয়াড়: কুলদীপ
  • পহেলগাম হামলায় নিহতদের প্রতি সমবেদনা জানানো হয়েছে
  • জয় সেনাবাহিনীকে উৎসর্গ

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

প্রধানমন্ত্রী মোদীর আসাম সফর: শিবভক্তির দাবি, কংগ্রেসকে আক্রমণ ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি

প্রধানমন্ত্রী মোদীর আসাম সফর: শিবভক্তির দাবি, কংগ্রেসকে আক্রমণ ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি | Y বাংলা নিউজ

প্রধানমন্ত্রী মোদীর আসাম সফর: শিবভক্তির দাবি, কংগ্রেসকে আক্রমণ ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী রবিবার আসাম সফরে গিয়ে নিজের ভগবান শিবের ভক্ত হওয়ার কথা জানান। পাশাপাশি তিনি বিরোধী দল কংগ্রেসকে কটাক্ষ করেন এবং আসামের উন্নয়নের জন্য বড় বড় প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। তাঁর ভাষণে উঠে আসে জনসাধারণের প্রতি তাঁর আস্থা, রাজনৈতিক আক্রমণ এবং উন্নয়নের লক্ষ্য। আসুন বিস্তারিতভাবে এই সফরের সব দিক তুলে ধরি।

শিবভক্তির দাবি ও বিরোধীদের কটাক্ষ

প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, “কেউ আমাকে যতই গালি দিক না কেন, আমি সমস্ত বিষ গিলে ফেলি।” তাঁর এই মন্তব্য স্পষ্টভাবে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। তিনি জানান, “আমার রিমোট কন্ট্রোল কেবল দেশের ১৪০ কোটি মানুষের। তারাই আমার প্রভু।” মোদী বলেন, বিরোধীরা তাঁকে আক্রমণ করলেও তিনি জনসাধারণের জন্য কাজ করে যাবেন। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে ‘ডাবল ইঞ্জিন’ সরকারের উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি এবং আসামের মানুষের জন্য দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা।

ভূপেন হাজারিকাকে অপমানের অভিযোগ

প্রধানমন্ত্রী মোদী কংগ্রেসের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন যে তারা আসামের মহান শিল্পী ভূপেন হাজারিকাকে অপমান করেছে। তিনি বলেন, বিজেপির সরকার আসামের ঐতিহ্যবাহী ব্যক্তিত্বদের সম্মান দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তাঁর ভাষণে তিনি দাবি করেন, আসামের উন্নয়ন এবং সংস্কৃতি রক্ষায় বিজেপির সরকার কাজ করছে।

জনসাধারণই ঈশ্বর – মোদীর বক্তব্য

মোদী বলেন, “আমার কাছে, জনসাধারণই আমার ঈশ্বর। আমার আত্মা যদি ঈশ্বরের কাছে পৌঁছার পর তাঁর কণ্ঠস্বর প্রকাশ করতে না পারে, তাহলে অন্য কোথায় তা প্রকাশ করবে?” তিনি বলেন, তাঁর কাছে কোনো রিমোট কন্ট্রোল নেই, কেবল দেশের জনগণই তাঁর নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র। এই বক্তব্য তাঁর রাজনৈতিক দর্শনের এক গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরে।

আসামের উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

প্রধানমন্ত্রী মোদী দারাং অঞ্চলে ৬,৩০০ কোটি টাকার স্বাস্থ্য ও অবকাঠামো প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। পাশাপাশি গুয়াহাটি রিং রোড প্রকল্পের কাজের সূচনা করেন। এই প্রকল্পগুলির মাধ্যমে আসামের যোগাযোগ ব্যবস্থা, স্বাস্থ্য পরিষেবা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথ প্রশস্ত হবে বলে জানানো হয়।

অপারেশন সিঁদুরের পর প্রথম আসাম সফর

তিনি বলেন, “অপারেশন সিঁদুরের পর এটি আমার প্রথম আসাম সফর।” তাঁর ভাষণে উঠে আসে সীমান্ত নিরাপত্তা এবং উন্নয়নের মধ্যকার সমন্বয়। মোদী জানান, আসামের মানুষ দেশের উন্নয়নের অংশীদার এবং বিজেপির ডাবল ইঞ্জিন সরকার তাদের পাশে আছে।

ইন্ডিয়া জোটের বিরোধিতা

মোদী উল্লেখ করেন যে বিহারের দ্বারভাঙ্গায় ভোটার অধিকার যাত্রার সময় তাঁকে এবং তাঁর মাকে কটূক্তি করা হয়। এই ঘটনার ভিডিও সামনে আসার পর বিজেপি একটি FIR দায়ের করে। মোদী এটিকে বিরোধীদের রাজনৈতিক আক্রমণ বলে উল্লেখ করেন এবং বলেন, সাধারণ মানুষ এই ধরনের আচরণ প্রত্যাখ্যান করবে।

আসামের অর্থনৈতিক উন্নয়নের রূপরেখা

তিনি বলেন, “ভারত বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল দেশ এবং আসাম তার মধ্যে অন্যতম। একসময় উন্নয়নের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে লড়াই করলেও আজ আসামের অর্থনৈতিক বৃদ্ধি ১৩ শতাংশে পৌঁছেছে।” এই সাফল্যের জন্য তিনি আসামের জনগণ ও বিজেপির নেতৃত্বের প্রশংসা করেন।

রাজনৈতিক বার্তা ও জনআস্থা

মোদী তাঁর বক্তব্যে বলেন, আসামের উন্নয়ন কেবল সরকারের পরিকল্পনা নয়, বরং জনসাধারণের কঠোর পরিশ্রম ও বিশ্বাসের ফল। তিনি বলেন, হিমন্ত বিশ্ব শর্মার নেতৃত্বে আসামের উন্নয়নে জনগণের সমর্থন বাড়ছে। আসামের জনগণ উন্নয়নের সহযোগী হিসেবে এগিয়ে এসেছে।

বাংলা, রাজনীতি ও জাতীয় উন্নয়নের সমন্বয়

মোদীর ভাষণে উঠে আসে উন্নয়নের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষার গুরুত্ব। তিনি জানান, বিজেপির লক্ষ্য কেবল অবকাঠামো নির্মাণ নয়, বরং জনগণের আস্থা অর্জন এবং আঞ্চলিক সংস্কৃতিকে সম্মান জানানো। এই সফর আসামের পাশাপাশি পূর্ব ভারতের উন্নয়নে এক নতুন দিশা দেখাতে পারে।

উপসংহার

প্রধানমন্ত্রী মোদীর আসাম সফর রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ। শিবভক্তির কথা বলে তিনি বিরোধীদের কটাক্ষ করেন এবং উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে আসামের জনগণের আস্থা অর্জনের চেষ্টা করেন। একই সঙ্গে তিনি স্বাস্থ্য, অবকাঠামো এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। আসামের উন্নয়নের এই রূপরেখা দেশের পূর্বাঞ্চলে অর্থনৈতিক গতিশীলতা বাড়াতে সহায়ক হবে।

এই সফর কেবল রাজনৈতিক বার্তা নয়, বরং উন্নয়ন, সংস্কৃতি এবং জনআস্থার এক সমন্বিত প্রচেষ্টা। আসামের উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাওয়ার জন্য মোদীর এই সফর গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হবে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

Sunday, 14 September 2025

এসএসসির দ্বিতীয় দফায় ভিন রাজ্যের পরীক্ষার্থীর ঢল | দীনেশের বক্তব্য

এসএসসির দ্বিতীয় দফায় ভিন রাজ্যের পরীক্ষার্থীর ঢল | দীনেশের বক্তব্য

এসএসসির দ্বিতীয় দফায় ভিন রাজ্যের পরীক্ষার্থীর ঢল, বেকারত্ব নিয়ে দীনেশের ক্ষোভ

এসএসসির দ্বিতীয় দফায় রবিবার একাদশ-দ্বাদশের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এর আগে নবম-দশমের পরীক্ষার দিনও ভিন রাজ্যের পরীক্ষার্থীদের কার্যত ঢল নেমেছিল বাংলায়। কলকাতা থেকে জেলা— পরীক্ষাকেন্দ্রের সামনে বিহার, উত্তরপ্রদেশের পরীক্ষার্থীদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। আজও সেই একই দৃশ্য। উত্তরপ্রদেশ, বিহার, দিল্লি থেকে বহু পরীক্ষার্থী এসেছেন।

ভিন রাজ্যের পরীক্ষার্থীর ভিড়
পরীক্ষাকেন্দ্রে ভিন রাজ্যের পরীক্ষার্থীদের ভিড় – প্রতীকী ছবি

উত্তরপ্রদেশের এলাহাবাদ থেকে আসা দীনেশকুমার পাল জানিয়েছেন, পিএইচডি, এমফিল করার পরেও চাকরি নেই। যখন যেখানে চাকরির পরীক্ষার খবর শুনেছেন, ছুটে গেছেন। তাঁর সিট পড়েছে যাদবপুর বিদ্যাপীঠে।

“গোটা দেশ ধর্ম নিয়ে মেতে আছে। বেকারত্ব নিয়ে কারও কোনও মাথাব্যথা নেই। ৪-৫ হাজার টাকার চাকরি হাতে গুঁজে দিয়ে ঢোল পিটিয়ে বলছে, কত চাকরি হয়েছে। শিক্ষিত লোকজন বেকার, অথচ বেআইনি পথে চাকরি হয়ে যাচ্ছে। গোটা দেশের ছবিটাই এক।” – দীনেশ

তিনি আরও বলেন, “যে রাজ্যেই যান, ছবি এক। তবে উত্তরপ্রদেশের অবস্থা খুবই খারাপ। ২০১৮ সালের পরে কোনো নিয়োগ নেই। এত বড় রাজ্য আমাদের উত্তরপ্রদেশ। সেখানে ২-৩ হাজার শূন্য পদে কী হবে? তাই আমরা পিএইচডি করে নেট কোয়ালিফাই করে ফ্যা ফ্যা করে ঘুরছি। গোটা দেশে ঘুরছি চাকরির জন্য।”

উল্লেখযোগ্যভাবে, নবম-দশমের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থীর ১০ শতাংশই ছিলেন ভিন রাজ্যের পরীক্ষার্থী। বেকারত্বের এই চাপ যে কত গভীর, তা স্পষ্ট হয়ে ওঠে দীনেশের বক্তব্যে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

চাকরি হারিয়ে মানসিক অবসাদে আত্মহত্যা করলেন যোগ্য শিক্ষক | কোলাঘাটের ঘটনা

চাকরি হারিয়ে মানসিক অবসাদে আত্মহত্যা করলেন যোগ্য শিক্ষক | কোলাঘাটের ঘটনা

চাকরি হারিয়ে মানসিক অবসাদে আত্মহত্যা করলেন যোগ্য শিক্ষক

বাংলা হান্ট ডেস্ক: চাকরি হারিয়েছিলেন। মানসিক চাপ সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যা করলেন সন্তোষ কুমার মণ্ডল (৪০) নামের এক যোগ্য শিক্ষক। এমনই দাবি করছেন চাকরিহারা শিক্ষকের সহকর্মীরা ও আত্মীয়স্বজন। তিনি কোলাঘাট আড়িশান্ডা হাইস্কুলের শিক্ষক ছিলেন বলে জানা গিয়েছে।

চাকরিহারা শিক্ষক সন্তোষ কুমার মণ্ডল
সন্তোষ কুমার মণ্ডল – কোলাঘাটের যোগ্য শিক্ষক। ছবি: প্রতিনিধি

পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, চাকরি হারানোর পর থেকেই তিনি গভীর মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। বহুবার চিকিৎসার পরেও তিনি স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেননি। বন্ধু-বান্ধবরা জানিয়েছেন, তিনি ছিলেন অত্যন্ত নিষ্ঠাবান শিক্ষক, ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে জনপ্রিয়। চাকরির অনিশ্চয়তা, আর্থিক সংকট এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে উৎকণ্ঠা তাঁকে বিপর্যস্ত করে তোলে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ঘটনার দিন তিনি বাড়ির বাইরে যান এবং পরে তাঁর নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে। প্রাথমিক রিপোর্টে আত্মহত্যার দিকেই ইঙ্গিত মিললেও মানসিক চাপ কতটা ভূমিকা রেখেছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

শিক্ষক সংগঠনগুলি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। তাঁদের দাবি, দক্ষ ও যোগ্য শিক্ষকরা চাকরির অভাবে হতাশ হয়ে পড়ছেন। তারা প্রশাসনের কাছে দ্রুত সমাধানের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাদানের পরিবেশ রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে বলে জানানো হয়েছে।

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী অনামিকার রহস্যমৃত্যু | CCTV-তে কী ধরা পড়ল?

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী অনামিকার রহস্যমৃত্যু | CCTV-তে কী ধরা পড়ল?

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী অনামিকার রহস্যমৃত্যু ঘিরে তোলপাড়

বাংলা হান্ট ডেস্ক: ফের শিরোনামে যাদবপুর। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ছাত্রী অনামিকা মণ্ডলের অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘিরে তোলপাড়। যাদবপুর ক্যাম্পাসে ছাত্রীর রহস্যমৃত্যুর ঘটনায় এবার সিসি ফুটেজ হাতে পেয়েছে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করেছেন তারা। ময়না তদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে উঠে এসেছে, ‘জলে ডুবেই মৃত্যু যাদবপুরের পড়ুয়ার’। কীভাবে পুকুরে পড়ে গেলেন অনামিকা? উত্তর অধরা।

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে তদন্ত চলছে। ছবি: প্রতিনিধি

সিসি ফুটেজ সামনে আসায় জট খুলবে রহস্যের? যাদবপুর থানার পুলিশ সহ এদিন যাদবপুর ক্যাম্পাসে যান ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক। ঘটনাস্থল ঘুরে দেখেন ডিসি SSD। যে জলাশয় থেকে পড়ুয়ার দেহ উদ্ধার হয়েছে, সেই জলাশয় কতটা গভীর তা খতিয়ে দেখার পাশাপাশি জলাশয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা হয়। যেখানে অনুষ্ঠান চলছিল, তার থেকে যেখান থেকে ছাত্রীর দেহ উদ্ধার হয় তার দূরত্ব মেপে দেখেন ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক। খুঁটিয়ে ঘটনাস্থল পরীক্ষা নিরীক্ষা করেন তিনি।

মৃত্যুর রহস্যভেদ করতে নজরে রয়েছে মৃতার মোবাইল ফোন। সূত্রের খবর, শনিবারই পড়ুয়ার ফোন তাঁর পরিবারের কাছ থেকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। সেই মোবাইলে কি কোনও বড় ক্লু লুকিয়ে? ইতিমধ্যেই পড়ুয়ার সহপাঠী ও ড্রামা ক্লাবের সদস্য ৪ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে পুলিশ।

কেন ওই ঝিল পাড়ে গেলেন অনামিকা? কেউ কি ফোন করে তাঁকে ডেকেছিল? কীভাবেই বা পুকুরে পড়ে গেলেন? অনামিকা কী একাই গেছিলেন? নাকি সঙ্গে কী অন্য ছিল? উত্তর খুঁজতে তদন্তে পুলিশ। ইতিমধ্যেই অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করেছে পুলিশ। এদিকে মৃত ছাত্রীর পরিবার বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সরব হয়েছেন। পাশাপাশি তাঁদের আশঙ্কা, মেয়েকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়া হতে পারে। যাঁরা সেদিন ওই অনুষ্ঠানে ছিলেন, ছাত্রীর সেসব বন্ধুবান্ধবকে জিজ্ঞাসাবাদ করার দাবি জানান তারা।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

ভারত ও চিনকে ঘিরে ট্রাম্পের শুল্কনীতি: জি-৭ ও নেটোর ওপর চাপ

ভারত ও চিনকে ঘিরে ট্রাম্পের শুল্কনীতি: জি-৭ ও নেটোর ওপর চাপ

ভারত ও চিনকে ঘিরে ট্রাম্পের শুল্কনীতি: জি-৭ ও নেটোর ওপর চাপ

কথায় বলে, ‘একা রামে রক্ষা নেই সুগ্রিব দোসর’! ভারত ও চিনের বিরুদ্ধে এ বার সঙ্গীদের লেলিয়ে দিয়ে সেই কথাটিকেই যেন স্মরণ করাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত খনিজ তেল কেনার জন্য নয়াদিল্লি এবং বেজিঙের উপর শুল্ক চাপাতে ক্রমাগত ‘গ্রুপ অফ সেভেন’ (জি-৭) এবং যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন ইউরোপীয় সামরিক জোট ‘উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা’ বা নেটোকে (নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজ়েশন) চাপ দিচ্ছেন তিনি।

শুল্ক নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট গোঁ ধরে থাকায় কিছুটা বাধ্য হয়েই এ ব্যাপারে চিন্তাভাবনা শুরু করেছে জি-৭ এবং নেটো। বিশ্লেষকদের দাবি, সংশ্লিষ্ট ইস্যুতে ‘বন্ধু’ রাষ্ট্রগুলির উপরে পাহাড়প্রমাণ চাপ তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন তিনি। চলতি বছরের ১২ সেপ্টেম্বর সমাধানসূত্র বার করতে বৈঠক করেন প্রথম সংগঠনটির সাত অর্থমন্ত্রী। সেখানে অবশ্য ভারত এবং চিনের উপরে উচ্চ হারে শুল্ক চাপানোর ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে ওই বৈঠক যে নয়াদিল্লির রক্তচাপ বাড়িয়েছে, তা বলাই বাহুল্য।

জি-৭ সংগঠনটিতে রয়েছে আমেরিকা, ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানি, ইটালি, জাপান এবং কানাডা। বিশ্লেষকদের দাবি, এই গোষ্ঠীর পক্ষে ট্রাম্পের কথামতো ভারতের উপরে শুল্ক চাপানো বেশ কঠিন। কারণ, ইতিমধ্যেই নয়াদিল্লির সঙ্গে ‘মুক্ত বাণিজ্যচুক্তি’ (ফ্রি ট্রেড অগ্রিমেন্ট বা এফটিএ) সেরে ফেলেছেন ইংরেজ প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টার্মার। পাশাপাশি, একই ধরনের সমঝোতার দিকে পা বাড়িয়ে রয়েছে ফ্রান্স, জার্মানি এবং ইটালি। এই তিনটি দেশ আবার ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সদস্য।

তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, ভারতের সঙ্গে ‘মুক্ত বাণিজ্যচুক্তি’ করতে প্রবল আগ্রহী ইইউ। এ ব্যাপারে নয়াদিল্লির সঙ্গে তাদের আলোচনা অনেক দূর এগিয়ে গিয়েছে। ট্রাম্পের কথামতো শুল্কনীতি নেওয়ার ব্যাপারে আপত্তি রয়েছে জাপানেরও। কারণ, রেল-সহ এ দেশের প্রযুক্তি, মহাকাশ গবেষণা, পরিকাঠামো, প্রতিরক্ষা-সহ নানা ক্ষেত্রে বিপুল লগ্নি রয়েছে টোকিয়োর। তার তাই জোর করে শুল্ক চাপিয়ে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদী সরকারর সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ করতে নারাজ প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্র, বলছেন বিশ্লেষকেরা।

এ-হেন পরিস্থিতিতে জি-৭-ভুক্ত দেশগুলির অর্থমন্ত্রীদের বৈঠক পরিচালনার দায়িত্ব পান কানাডার ফ্রাঁসোয়া-ফিলিপ শ্যাম্পেন। সম্মেলন শেষে এ ব্যাপারে বিবৃতি দেন তিনি। বলেন, ‘‘রাশিয়ার উপর চাপ বাড়ানোর জন্য সম্ভাব্য আর্থিক অবরোধমূলক পদক্ষেপগুলি নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। তার মধ্যে নিষেধাজ্ঞা এবং শুল্কও রয়েছে।’’ অন্য দিকে এই ব্যাপারে পৃথক বিবৃতি দেন মার্কিন অর্থসচিব (ট্রেজ়ারি সেক্রেটারি) স্কট বেসেন্ট এবং বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার। তাঁদের বক্তব্যে আমেরিকার মনোভাব স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে।

বৈঠকশেষে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের নাম করে বিষোদ্গার করেন বেসেন্ট এবং গ্রিয়ার। তাঁদের কথায়, ‘‘একমাত্র ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার মাধ্যমেই মস্কোর যুদ্ধ চালানোর আর্থিক উৎস বন্ধ করা যেতে পারে। সেটা অর্থহীন হত্যাকাণ্ড বন্ধ করার জন্য পর্যাপ্ত চাপ তৈরিতে সক্ষম হবে।’’ শেষ পর্যন্ত আমেরিকার চাপে জি-৭-ভুক্ত দেশগুলি ভারত ও চিনা পণ্যে অতিরিক্ত শুল্ক চাপালে, তার পরিমাণ কতটা হবে, সেটা অবশ্য স্পষ্ট করেননি যুক্তরাষ্ট্রের ওই দুই শীর্ষ কর্তা।

অন্য দিকে ওই বৈঠকের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই চিনা পণ্যে ৫০ থেকে ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের আর্জি জানিয়ে নেটো-ভুক্ত দেশগুলিকে চিঠি পাঠান ট্রাম্প। পাশাপাশি ‘বন্ধু’ রাষ্ট্রগুলিকে রুশ খনিজ তেল ‘উরাল ক্রুড’-এর আমদানি অবিলম্বে বন্ধ করতে বলেছেন তিনি। যদিও মার্কিন নেতৃত্বাধীন ইউরোপীয় সামরিক জোটটির পক্ষে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া বেশ কঠিন। কারণ, মস্কোর ‘তরল সোনা’র অন্যতম বড় ক্রেতা হল তুরস্ক, হাঙ্গেরি এবং স্লোভাকিয়া।

শুধুমাত্র খনিজ তেলই নয়, নেটো-ভুক্ত দেশগুলিকে বিপুল পরিমাণে ‘তরল প্রাকৃতিক গ্যাস’ (লিকুইড ন্যাচরাল গ্যাস বা এলএনজি) বিক্রি করে রাশিয়া। এই এলএনজি জার্মানি-সহ পশ্চিম ইউরোপের শীতপ্রবণ দেশগুলির খুবই প্রয়োজন। বিশ্লেষকদের দাবি, এ-হেন পরিস্থিতিতে মস্কোর থেকে তেল কেনা বন্ধ করলে এলএনজি সরবরাহ থামিয়ে দিতে পারে ক্রেমলিন। জার্মানির মতো দেশের ক্ষেত্রে সেটা হবে আত্মহত্যার শামিল।

এ ছাড়া নেটোর সদস্য দেশগুলির একাংশ দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের ব্যাপারে চিনের উপর যথেষ্ট পরিমাণে নির্ভরশীল। ট্রাম্পের কথামতো বেজিঙের পণ্যে শুল্ক চাপালে বিপদে পড়তে পারে তারা। সে ক্ষেত্রে নেটো-ভুক্ত দেশগুলিতে রফতানি কমানোর ছুতো পেয়ে যাবে ড্রাগন। এতে বিভিন্ন সামগ্রীর সরবরাহ শৃঙ্খল ভেঙে পড়ার প্রবল আশঙ্কা থাকছে। আর তাতে যে শেষ পর্যন্ত নেটো-ভুক্ত দেশগুলিরই আর্থিক লোকসান হবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

বিশ্লেষকদের একাংশের অনুমান, শুল্ক নিয়ে ট্রাম্পের নিশানায় এ বার রয়েছে চিন। আর্থিক দিক থেকে মূলত বেজিংকেই ক্ষতবিক্ষত করতে চাইছেন তিনি। ড্রাগনের উত্থানকে কেন্দ্র করে পশ্চিম ইউরোপের একাধিক দেশও বেশ উদ্বিগ্ন। আর তাই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের কথামতো কিছু পদক্ষেপ করতে পারে তারা। তবে বাস্তবের মাটিতে সেটা কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়ে যথেষ্ট ধোঁয়াশা রয়েছে।

২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ইউক্রেনে বিশেষ সেনা অভিযান (স্পেশাল মিলিটারি অপারেশন্স) চালাচ্ছে রাশিয়া। ফলে গত সাড়ে তিন বছরের বেশি সময় ধরে যুদ্ধের আগুনে পুড়ছে পূর্ব ইউরোপ। এ বছরের জানুয়ারিতে প্রেসিডেন্ট হওয়া ইস্তক ওই সংঘাত থামানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন ট্রাম্প। সেই লক্ষ্যে পুতিন এবং ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জ়েলেনস্কির সঙ্গে বৈঠক করেছেন তিনি। কিন্তু লাভ কিছুই হয়নি।

ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই রাশিয়ার উপর ১৬ হাজারের বেশি নিষেধাজ্ঞা চাপিয়ে দেয় আমেরিকা-সহ পশ্চিমি বিশ্ব। ফলে অর্থনীতি বাঁচাতে সস্তা দরে খনিজ তেল বিক্রির লোভনীয় প্রস্তাব নিয়ে হাজির হয় মস্কো। প্রস্তাব লুফে নিতে এতটুকু দেরি করেনি ভারত ও চিন। ওই সময় থেকেই ক্রেমলিনের ‘তরল সোনা’ আমদানি কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেয় এই দুই দেশ।

বর্তমানে রুশ ‘উরাল ক্রুড’ সর্বাধিক কিনছে বেজিং। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ভারত। ঠিক তার পরেই আছে নেটো-ভুক্ত তুরস্ক। ট্রাম্পের যুক্তি, মস্কোর থেকে এ ভাবে বিপুল ‘তরল সোনা’ আমদানির জেরে যুদ্ধ চালানোর মতো প্রয়োজনীয় অর্থ হাতে পাচ্ছেন পুতিন। আর তাই শাস্তি হিসাবে এ দেশের পণ্যে ৫০ শতাংশ শুল্ক চাপিয়েছেন তিনি। যদিও তাতে পিছু হটতে নারাজ কেন্দ্রের মোদী সরকার। জাতীয় স্বার্থে ক্রেমলিনের অপরিশোধিত তেল কেনা বজায় থাকবে বলে জানিয়ে দিয়েছে নয়াদিল্লি।

গত ২৭ অগস্ট থেকে ভারতীয় পণ্যে ৫০ শতাংশ করে শুল্ক নিচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। এর জেরে বিকল্প বাজারের খোঁজে কোমর বেঁধে লেগে পড়েছে নয়াদিল্লি। এ বছরের ৩১ অগস্ট থেকে ১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে চিনের তিয়ানজ়িন শহরে একত্রিত হন ‘সাংহাই সহযোগিতা সংস্থা’ (সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজ়েশন বা এসসিও)-ভুক্ত দেশগুলির রাষ্ট্রনেতারা। সংশ্লিষ্ট বৈঠকে যোগ দিয়ে পুতিন এবং ড্রাগন প্রেসিডেন্ট শি জ়িনপিঙের সঙ্গে পৃথক ভাবে নানা বিষয়ে আলোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী মোদী।

এসসিও বৈঠকের পরই আমেরিকা জুড়ে শুরু হয় ট্রাম্পের শুল্কনীতির প্রবল সমালোচনা। হু-হু করে কমতে থাকে তাঁর জনসমর্থন। ফলে চাপে পড়ে কিছুটা সুর নরম করেন যুক্তরাষ্ট্রের বর্ষীয়ান প্রেসিডেন্ট। গত ১২ সেপ্টেম্বর ‘ফক্স নিউজ়’কে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘‘ভারতের উপর ৫০ শতাংশ শুল্ক চাপানোর সিদ্ধান্ত মোটেই সহজ ছিল না। এর জন্য নয়াদিল্লির সঙ্গে আমাদের সম্পর্কে ফাটল ধরেছে।’’ মার্কিন কূটনীতিকদের একাংশ মনে করেন, ট্রাম্পের জন্য অচিরেই রাশিয়া এবং চিনের সঙ্গে ত্রিশক্তি জোট গড়ে তুলবে ভারত, যা আমেরিকার নিরাপত্তার জন্য বিপজ্জনক।

আর তাই নজর কিছুটা ঘুরিয়ে ট্রাম্প এ বার চিনকে নিশানা করতে চাইছেন বলে মনে করা হচ্ছে। ‘ফক্স নিউজ়’কে তিনি বলেন, ‘‘নেটো যদি রাশিয়ার তেল কেনা বন্ধ করে এবং বেজিঙের পণ্যে ৫০ থেকে ১০০ শতাংশ শুল্ক চাপিয়ে দেয়, তা হলে এই প্রাণঘাতী যুদ্ধ বন্ধ হবে। কারণ রাশিয়ার উপর চিনের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। শুল্ক সেই নিয়ন্ত্রণ ভাঙতে পারে।’’

ট্রাম্পের এই মন্তব্যের পর স্লোভেনিয়া সফর থেকে পাল্টা প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন চিনা বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই। সংবাদসংস্থা রয়টার্সের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘‘বেজিং কখনও যুদ্ধের পরিকল্পনা করে না। লড়াইয়ে যোগদানও করে না। সংঘর্ষ কখনও কোনও সমস্যার সমাধান তো করতে পারে না। উল্টে বিধিনিষেধ ওই সমস্যাগুলিকে আরও জটিল করে তোলে।’’

উল্লেখ্য, ভারত এবং চিনের উপর শুল্ক চাপাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জি-৭ এবং নেটোর উপর চাপ সৃষ্টি করলেও নয়াদিল্লির সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি সেরে ফেলতে আগ্রহী ওয়াশিংটন। সূত্রের খবর, এ বছরের নভেম্বরের মধ্যে সমঝোতায় আসতে পারে দুই দেশ। তবে তার আগে ট্রাম্পের কথায় জি-৭ এবং নেটো শুল্কযুদ্ধে নামলে বাণিজ্যচুক্তি বিশ বাঁও জলে যেতে পারে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহের গোড়ায় ট্রাম্পের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তুলে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে ‘দ্য ফিনান্সিয়াল টাইম্‌স’। সেখানে বলা হয়, ভারতের উপর আরও বেশি শুল্ক চাপাতে নাকি ইইউকে গোপনে উস্কানি দিচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তালিকায় চিনকেও রেখেছেন তিনি। ফলে জি-৭ এবং নেটোর পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে কড়া নজর রাখছে সাউথ ব্লক।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

খড়্গপুরে বিজেপির অন্তর্কলহ! কাউন্সিলর বনাম নেতা – তোলাবাজি ও জুতোপেটায় উত্তেজনা

খড়্গপুরে বিজেপির অন্তর্কলহ! কাউন্সিলর বনাম নেতা – তোলাবাজি ও জুতোপেটায় উত্তেজনা

খড়্গপুরে বিজেপির অন্তর্কলহ! কাউন্সিলর বনাম নেতা – তোলাবাজি ও জুতোপেটায় উত্তেজনা

আপডেট: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

খড়্গপুরে বিজেপির অন্তর্কলহ

ছবি: খড়্গপুরে বিজেপির দলীয় কার্যালয়ে উত্তেজনার দৃশ্য

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর
👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

ঘটনার সারসংক্ষেপ

পশ্চিম মেদিনীপুরের খড়্গপুরে বিজেপির দলীয় কার্যালয়ে দলীয় নেতাদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা নিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মমতা দাস প্রকাশ্যে দলের সক্রিয় নেতা অশোক সিংহের বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ তুলে তাঁকে জুতোপেটা করেন। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার দুপুরে। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, কাউন্সিলর প্রথমে অশোক সিংহকে জুতো দিয়ে আঘাত করেন। পাল্টা অশোকও প্রতিবাদ করেন, তবে ক্যামেরার সামনে নিজেকে সামলে নেন।

মমতা দাসের অভিযোগ

মমতা দাস অভিযোগ করেছেন, অশোক সিংহ তাঁকে বারবার অপমান করেছেন এবং রাস্তায় তাঁর নিরাপত্তা বিঘ্নিত করেছেন। তাঁর ভাষায়, “রাস্তায় বেরোলেই ছেলেদের পিছনে লাগিয়ে দেয়। সে কারণেই আমি প্রতিবাদ করেছি। প্রয়োজনে আবার করব। আমি সমাজের উন্নয়নের জন্য কাজ করি, কেউ আমাকে থামাতে পারবে না।” তিনি আরও বলেন, “অশোক সিংহ সমাজবিরোধী, দলীয় নেতা নন। তাঁকে দলের নেতা হিসেবে মানি না।”

অশোক সিংহের পাল্টা বক্তব্য

অশোক সিংহ দাবি করেছেন, ওই ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের কাছ থেকে দোকান বসানোর নামে কাউন্সিলর অর্থ আদায় করতে চাইছিলেন। তিনি বলেন, “আমি প্রতিবাদ করতেই এক দল নিয়ে এসে আমাকে জুতো মারতে চান। পুলিশে অভিযোগ করব এবং দলের কাছে জানাব।” তিনি জানান, ২০২২ সালে নির্বাচনে তিনিই কাউন্সিলরকে সাহায্য করেছিলেন, কিন্তু এখন তিনি ‘অহংকারী হয়ে উঠেছেন’ বলে অভিযোগ করেন।

রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট

ঘটনাটি এমন সময় ঘটেছে যখন বিজেপির বিরুদ্ধে রাজ্যে তোলাবাজির অভিযোগ নিয়ে বিভিন্ন আলোচনা চলছে। তৃণমূলের বেবি কোলের কাণ্ডের সঙ্গে তুলনা টেনে বিরোধীরা অভিযোগ তুলেছে যে বিজেপির সাংগঠনিক শৃঙ্খলা নষ্ট হচ্ছে। জেলা নেতৃত্বের তরফে অরূপ দাস বলেছেন, “আমরা শৃঙ্খলাবদ্ধ দল। এই ধরনের আচরণ গ্রহণযোগ্য নয়।” অন্যদিকে তৃণমূলের জেলা সভাপতি সুজয় হাজরা মন্তব্য করেছেন, “অশোক সিংহ নিজেই তোলাবাজ। বিজেপির সংস্কৃতি এটাই।”

ঘটনার সম্ভাব্য প্রভাব

খড়্গপুরের এই ঘটনা বিজেপির ভাবমূর্তি নষ্ট করতে পারে। একদিকে দলীয় নেতৃত্বের মধ্যে দ্বন্দ্ব স্পষ্ট হয়েছে, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে নেতাদের সম্পর্কে বিরূপ ধারণা তৈরি হচ্ছে। ইতিমধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে এটি আলোচনা এবং বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।

পরবর্তী পদক্ষেপ

অশোক সিংহ পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়েরের কথা জানিয়েছেন। দলীয় নেতৃত্বও ভিডিও যাচাই করে পদক্ষেপ নেবে বলে জানিয়েছে। অন্যদিকে মমতা দাস দাবি করেছেন, তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। দু’পক্ষের মধ্যে সমাধানের পথ বেরোবে কি না তা নিয়েও রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে।

উপসংহার

খড়্গপুরের এই ঘটনা প্রমাণ করছে যে দলীয় শৃঙ্খলা বজায় রাখা সহজ নয়। ব্যক্তিগত সম্পর্ক, অর্থনৈতিক লেনদেন, ক্ষমতার লড়াই—সব মিলিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে দ্বন্দ্ব বাড়ছে। বিজেপির মতো বড় দলে এই ধরনের ঘটনা বৃহত্তর রাজনৈতিক অস্থিরতার ইঙ্গিত দিতে পারে। আগামী দিনে দলীয় নেতৃত্ব কীভাবে পরিস্থিতি সামাল দেয়, তা নজর রাখার বিষয়।

আরও আপডেট পেতে নজর রাখুন Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরোতে!

মণিপুরে সেনাকে ঠেকাতে জাতীয় সঙ্গীতের ব্যবহার, উত্তপ্ত কুকি এলাকা

মণিপুরে সেনাকে ঠেকাতে জাতীয় সঙ্গীতের ব্যবহার, উত্তপ্ত কুকি এলাকা

মণিপুরে সেনাকে ঠেকাতে জাতীয় সঙ্গীতের ব্যবহার, উত্তপ্ত কুকি এলাকা

চূড়াচাঁদপুর, মণিপুর: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মণিপুর সফরের পরের দিনেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে চূড়াচাঁদপুরের কুকি অঞ্চল। সেনার সাঁজোয়া গাড়ির সামনে প্রতিবাদকারীরা রাস্তার একদিকে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ শুরু করেন। তাঁদের অবরোধের মুখে পিছু হঠতে বাধ্য হয় র‌্যাফ। সেনার জওয়ানরা অস্ত্র হাতে এগিয়ে গেলেও সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সঙ্গীত বাজানো শুরু হয়। প্রথমে হকচকিয়ে গেলেও পরে সেনাকে থেমে যেতে বাধ্য হতে হয়।

জাতীয় সঙ্গীত হয়ে উঠল প্রতিবাদের হাতিয়ার

প্রধানমন্ত্রীর সফরের আগেই ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছিল। কুকি যুবকদের একাংশ মোদীর পোস্টার ছিঁড়ে আগুন ধরিয়ে দেন। ব্যারিকেড ভাঙচুর করেন এবং পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ান। চূড়াচাঁদপুরের ফাইলেন ও পিয়ারসনমুন এলাকায় রোড ব্যারিকেড ও সভার সাজসজ্জা ভাঙচুরের অভিযোগে কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হতে পারত। সেনার সাঁজোয়া গাড়ির সামনে প্রতিবাদকারীরা একযোগে দাঁড়িয়ে জাতীয় সঙ্গীত বাজাতে থাকেন। সেনার সদস্যরা কিছুক্ষণ দ্বিধায় পড়ে যান এবং শেষ পর্যন্ত পিছু হটেন।

মোদী সফর নিয়ে বিরোধিতা

কুকি সম্প্রদায়ের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী মোদীর সফর নিয়ে তীব্র বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, সফরের সময় কুকিদের কথা শোনার চেষ্টা করা হয়নি। স্থানীয়রা দাবি করছেন, তাদের সমস্যা ও নিরাপত্তার বিষয়গুলো উপেক্ষিত হয়েছে। এর প্রতিবাদেই তারা এই পথ বেছে নিয়েছেন।

গ্রেফতার ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা

পুলিশ জানিয়েছে, ফাইলেন ও পিয়ারসনমুন এলাকায় রোড ব্যারিকেড ও সভার সাজসজ্জা ভাঙচুরের ঘটনায় কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। সেনা ও পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।

মণিপুরে প্রতিবাদকারীদের জাতীয় সঙ্গীত বাজানো
প্রতিবাদকারীরা সেনার মুখে জাতীয় সঙ্গীত বাজিয়ে তাদের পিছু হটতে বাধ্য করেন।

স্থানীয়দের বক্তব্য

প্রতিবাদকারীরা বলেন, “আমরা অস্ত্রের মুখে দাঁড়াতে ভয় পাইনি। আমাদের কথা শোনানো দরকার। জাতীয় সঙ্গীত বাজিয়ে আমরা দেখিয়েছি দেশের প্রতি ভালোবাসা আছে, কিন্তু আমাদের দাবিও ন্যায্য।”

প্রশাসনের বক্তব্য

স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও সেনা কাজ করছে। তারা প্রতিবাদকারীদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করবে। নিরাপত্তা বজায় রাখার জন্য অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

আপডেট: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

Featured post

Y বাংলা নিউজ ডেস্ক রিপোর্ট আজ, শনিবার দুপুরে পশ্চিমবঙ্গে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। দুপুর পৌনে ১টা নাগাদ তাঁর মালদা টাউন...

Search This Blog