Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Tuesday, 16 September 2025

২০২২ সালের টেট উত্তীর্ণরা নওসাদ সিদ্দিকির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে শূন্যপদে নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন

টেট উত্তীর্ণদের ৫০ হাজার শূন্যপদে দ্রুত নিয়োগের দাবি

টেট উত্তীর্ণদের ৫০ হাজার শূন্যপদে দ্রুত নিয়োগের দাবি

আপডেট: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

নওসাদ সিদ্দিকির সঙ্গে টেট উত্তীর্ণরা

ক্যাপশন: ২০২২ সালের টেট উত্তীর্ণরা নওসাদ সিদ্দিকির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে শূন্যপদে নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন

৫০ হাজার শূন্যপদে দ্রুত নিয়োগের দাবিতে মঙ্গলবার ISF বিধায়ক নওসাদ সিদ্দিকির সঙ্গে দেখা করেন ২০২২ সালের টেট উত্তীর্ণরা। সরকারি সূত্রে জানা গেছে, টেট উত্তীর্ণরা দীর্ঘদিন ধরে এই নিয়োগের অপেক্ষায় ছিলেন এবং এখন তাদের দাবির সঙ্গে যুক্ত হয়ে আরও সক্রিয় হয়েছেন।

ভাঙড়ের বিধায়কের বক্তব্য

নওসাদ সিদ্দিকি সাক্ষাৎকারে বলেন, "দেড় লক্ষ শূন্যপদের মধ্যে যদি ৫০ হাজারও নিয়োগ হয় তাহলে কিছুটা সুরাহা হবে। বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে যাদের সন্তানরা সরকারি স্কুলে পড়তে যায় তারা অন্তত পড়াশোনাটুকু করতে পারবে।"

তিনি আরও যোগ করেন, সরকারি স্কুলে শিক্ষক ঘাটতির কারণে শিক্ষার্থীরা অনেক সময় মানসম্মত শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। ৫০ হাজার শূন্যপদে নিয়োগ হলে শিক্ষার মান উন্নত হবে এবং শিক্ষক ও শিক্ষার্থী উভয়েই উপকৃত হবেন।

টেট উত্তীর্ণদের প্রতিক্রিয়া

২০২২ সালের টেট উত্তীর্ণরা এই সাক্ষাতের পর সাংবাদিকদের জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে এই পদগুলির জন্য অপেক্ষা করছেন। অনেকেই চাকরি না পেয়ে পরিবার ও জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সমস্যার মুখোমুখি হয়েছেন।

তাদের বক্তব্য, "আমরা যথাযথ যোগ্যতা অর্জন করেছি এবং সরকারি স্কুলে পড়ুয়া ছাত্রদের জন্য শিক্ষার মান উন্নয়নে নিজেদের সম্পূর্ণ সক্ষমতা দেখাতে চাই। সরকার যদি দ্রুত পদগুলো পূরণ করে, তা শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের জন্য এক বড় সহায়ক হবে।"

সরকারি পদক্ষেপের প্রত্যাশা

টেট উত্তীর্ণরা সরকারের কাছে তাদের দাবি জানিয়ে বলেছেন, দ্রুত পদ পূরণের মাধ্যমে সরকারি স্কুলের শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষার মান নিশ্চিত করতে হবে। তারা আশা করছেন, প্রশাসন দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এবং শূন্যপদে নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হবে।

রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও বিশ্লেষণ

শিক্ষক নিয়োগের বিষয়টি রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনে দীর্ঘদিন ধরেই গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু। ISF এবং অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতারা বিভিন্ন সময় সরকারের কাছে দ্রুত পদ পূরণের দাবি তুলেছেন। ভাঙড়ের বিধায়ক নওসাদ সিদ্দিকি এ নিয়ে সরাসরি পদক্ষেপের জন্য সরকারি দফতরকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এই পদক্ষেপ শিক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, পাশাপাশি রাজনৈতিকভাবে ও রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নতুন মাত্রা যোগ করবে। নির্বাচনী প্রেক্ষাপটে সরকার যদি এই পদগুলো পূরণ করতে ব্যর্থ হয়, তা রাজনৈতিক আলোচনায় প্রভাব ফেলবে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

বিহারে 'অনুপ্রবেশ' নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে তেজস্বী যাদবের তীব্র প্রতিবাদ

বিহারে 'অনুপ্রবেশ' নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে তেজস্বী যাদবের তীব্র প্রতিবাদ

বিহারে 'অনুপ্রবেশ' নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে তেজস্বী যাদবের তীব্র প্রতিবাদ

আপডেট: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

তেজস্বী যাদব

ক্যাপশন: বিহারের অনুপ্রবেশ সমস্যা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে তেজস্বী যাদবের তীব্র প্রতিবাদ

বিহারের রাজনীতিতে এক নতুন উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর 'অনুপ্রবেশ' মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করেছেন। মঙ্গলবার তিনি বলেন, “আমি প্রধানমন্ত্রীর কাছে জানতে চাই, এই অনুপ্রবেশকারীরা কোথা থেকে এল? তর্কের খাতিরে যদি ধরেও নিই, বিহারে অনুপ্রবেশকারী আছে, তাহলে প্রশ্ন হল, আপনারা কী করছেন? আপনারা ১১ বছর ধরে (কেন্দ্রে) ক্ষমতায় আছেন এবং ২০ বছর ধরে বিহার শাসন করছেন।”

তেজস্বীর কড়া মন্তব্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতি প্রশ্ন

তেজস্বী যাদব আরও বলেন, “বিহারে বিজেপি এক জনও অনুপ্রবেশকারীকে শনাক্ত করতে পেরেছে কি না, তা জনগণ জানতে চায়। ১১ বছর কেন্দ্রীয় সরকার ও ২০ বছর রাজ্য সরকারের দায়িত্বে থাকা সত্ত্বেও অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে কোনও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, এটা কি জনগণের কাছে স্বচ্ছ?”

এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতি নতুন দিগন্তে প্রবেশ করেছে। তেজস্বী যাদবের অভিযোগ, কেন্দ্র ও রাজ্য উভয়েই অনুপ্রবেশ সমস্যা সমাধানে কার্যকর ভূমিকা নেননি। তিনি দাবি করেছেন, সাধারণ মানুষ ও স্থানীয় নাগরিকেরা এর প্রভাব অনুভব করছে।

রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও বিরোধ

বিহারের রাজনীতিতে 'অনুপ্রবেশ' বিষয়টি সব সময়ই একটি সংবেদনশীল ইস্যু। বিজেপি ও আরজেডি উভয়ই নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে এই ইস্যুতে মনোযোগ দিচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী মোদী সম্প্রতি একটি ভাষণে অনুপ্রবেশের কথা উল্লেখ করেছেন, যা রাজ্য ও কেন্দ্রে বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে।

তেজস্বী যাদবের প্রতিক্রিয়া শুধু বিজেপি বা কেন্দ্রীয় সরকারের সমালোচনা নয়, বরং জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির প্রচেষ্টা হিসেবেও দেখা যাচ্ছে। তিনি জানিয়েছেন, রাজ্য প্রশাসনের অকার্যকর পদক্ষেপের কারণে অনেক ক্ষেত্রে নাগরিকেরা সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে।

সাম্প্রতিক বিবৃতি ও প্রতিক্রিয়া

মঙ্গলবার তেজস্বী যাদব সাংবাদিকদের সামনে আরও বলেন, “আমি চাই কেন্দ্রীয় সরকার স্পষ্টভাবে জানাক, তারা এই সমস্যার সমাধানে কোন পদক্ষেপ নিয়েছে। শুধু কথা দিয়ে নয়, কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করে জনগণের পাশে দাঁড়াতে হবে।”

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, তেজস্বীর এই তীব্র প্রতিক্রিয়া আগামী নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ। এটি শুধু কেন্দ্র ও রাজ্যের সমালোচনা নয়, বরং বিহারের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটকে আরও উত্তেজনাপূর্ণ করছে।

ভবিষ্যৎ প্রভাব ও পর্যালোচনা

রাজনীতিবিদরা বিশ্লেষণ করছেন, তেজস্বীর মন্তব্যের ফলে বিহারের জনগণের মধ্যে অনুপ্রবেশ সমস্যার বিষয়ে সচেতনতা বাড়বে। এটি রাজনীতির নতুন বিতর্কের জন্ম দিচ্ছে এবং আগামী নির্বাচনের প্রেক্ষাপটেও প্রভাব ফেলতে পারে।

বৃহত্তর রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে, তেজস্বীর এই পদক্ষেপ বিজেপি ও কেন্দ্রীয় সরকারের জন্য এক নতুন চাপ তৈরি করেছে। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ইস্যুতে কেন্দ্র ও রাজ্যকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে যাতে জনগণের আস্থা বজায় থাকে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

দুর্গাপুজোর ছুটিতে বেতন, ভাতা ও পেনশন অগ্রিম দেওয়ার ঘোষণা

দুর্গাপুজোর ছুটিতে বেতন, ভাতা ও পেনশন অগ্রিম দেওয়ার ঘোষণা

দুর্গাপুজোর ছুটিতে বেতন, ভাতা ও পেনশন অগ্রিম দেওয়ার ঘোষণা

আপডেট: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

দুর্গাপুজোর আগে বেতন বিতরণ

ক্যাপশন: দুর্গাপুজোর ছুটির আগে সরকারি বেতন ও ভাতা বিতরণ নিশ্চিত করতে অর্থ দফতরের উদ্যোগ

সামনেই আসছে দুর্গাপুজোর দীর্ঘ ছুটি। সরকারি সূত্রে জানা গেছে, এই বছর ছুটি শুরু হবে ২৬ সেপ্টেম্বর এবং চলবে ৭ অক্টোবর পর্যন্ত। এই পরিস্থিতিতে সরকারি কর্মচারী, পেনশনভোগী এবং অন্যান্য প্রাপ্য ভাতা সময়মতো পেতে যেন কোনও সমস্যা না হয়, তার জন্য অর্থ দফতর বিশেষ পরিকল্পনা নিয়েছে।

সেপ্টেম্বর মাসের বেতন ও ভাতা অগ্রিম প্রদান

অর্থ দফতরের নির্দেশ অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর মাসের বেতন, ভাতা ও পেনশন অগ্রিমভাবে প্রদান করা হবে। সরকারি কর্মচারীদের বেতন ২৪ ও ২৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রদানের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। বিশেষভাবে দুর্গাপুজোর ছুটি মাথায় রেখে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

প্রধান উদ্দেশ্য হলো, কর্মচারীরা ছুটির আগে তাদের সকল প্রাপ্য অর্থ হাতে পান যাতে পরিবারের জন্য প্রয়োজনীয় খরচ সুষ্ঠুভাবে করা যায়।

বিবিধ আর্থিক সহায়তা বিতরণ

অর্থ দফতরের তথ্য অনুযায়ী, পেনশনভোগীদের জন্য সাধারণ পেনশন ছাড়াও “জয় বাংলা” এবং “লক্ষ্মীর ভান্ডার” সহ অন্যান্য আর্থিক সহায়তা ১ অক্টোবর থেকে বিতরণ করা হবে। এই সহায়তাগুলি দীর্ঘ ছুটির সময়ে সুবিধাভোগীদের জীবনমান বজায় রাখতে সহায়ক হবে।

ট্রেজারিতে আগাম বিল জমা

অগ্রিম বেতন ও ভাতা বিতরণের জন্য অর্থ দফতর বিভিন্ন দফতরকে নির্দেশ দিয়েছে, যাতে তারা ট্রেজারিতে আগাম বিল জমা দেয়। এই পদক্ষেপ নিশ্চিত করবে যে ছুটির দিনেও অর্থ বিতরণে কোনও বাধা সৃষ্টি না হয়।

কর্মচারীদের সুবিধা ও পরিষেবা

অফিসিয়াল সূত্রে জানা গেছে, কর্মচারীরা ছুটির আগে তাদের বেতন, ভাতা ও পেনশন ছাড়াও বিভিন্ন আর্থিক সহায়তা পেতে পারেন। এটি শুধু আর্থিক সহায়তা নয়, বরং দুর্গাপুজোর উৎসবকালীন সুষ্ঠু পরিকল্পনার অংশ।

প্রত্যেক বিভাগকে অবহিত করা হয়েছে যাতে তারা আগাম প্রস্তুতি নেন এবং নির্ধারিত সময়সূচী অনুযায়ী বিতরণ সম্পন্ন হয়।

প্রস্তুতি ও সময়সীমা

বেতন ও ভাতা অগ্রিম বিতরণের পুরো প্রক্রিয়া সময়মতো শেষ করার জন্য প্রতিটি বিভাগকে সম্পূর্ণ প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ট্রেজারির সকল প্রক্রিয়া, ব্যাংকিং ব্যবস্থা ও অফিসিয়াল লজিস্টিক প্রস্তুত রাখা হচ্ছে।

এতে নিশ্চিত হবে যে, ছুটির শুরুতে সবাই সময়মতো তাদের প্রাপ্য অর্থ হাতে পাবে। এই ব্যবস্থা সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের মধ্যে উৎসবের আনন্দকে আরও বাড়াবে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

সিইও মনোজকুমার আগরওয়ালের নির্দেশে SIR ফর্ম ছাপানোর প্রস্তুতি

সিইও মনোজকুমার আগরওয়ালের নির্দেশে SIR ফর্ম ছাপানোর প্রস্তুতি

সিইও মনোজকুমার আগরওয়ালের নির্দেশে SIR ফর্ম ছাপানোর প্রস্তুতি

আপডেট: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

SIR ফর্ম ছাপানোর কাজ

ক্যাপশন: SIR ফর্মের বৃহৎ স্কেলের ছাপার কাজ শুরু হতে চলেছে

সিইও মনোজকুমার আগরওয়াল সম্প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন, SIR (Special Identification Request) আবেদনপত্রের প্রস্তুতি সম্পূর্ণ করার জন্য। এই নির্দেশনার প্রেক্ষিতে বিভিন্ন বিভাগকে প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে ভোটারদের তথ্যসহ প্রায় ১৫ কোটি ফর্ম (দ্বিগুণ ফর্ম) নিরাপদ ও সুষ্ঠুভাবে ছাপানো যায়।

ফর্মের সংখ্যা ও ছাপানোর চ্যালেঞ্জ

সূত্রের খবর অনুযায়ী, এত বৃহৎ পরিমাণ ফর্ম একটি কেন্দ্র থেকে ছাপানো সম্ভব নয়। তাই প্রতিটি জেলার স্থানীয় ছাপাখানার সক্ষমতা যাচাই করা হচ্ছে। কোন জেলায় কত ফর্ম ছাপানো সম্ভব তা জানতে সিইও দফতর বিশেষ তথ্য সংগ্রহ করছে। এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে ছাপার কাজ শুরু হবে।

ফর্মের তথ্য উৎস ও নিরাপত্তা

জাতীয় নির্বাচন কমিশন থেকে প্রত্যেক ভোটারের নাম ও সংশ্লিষ্ট তথ্যসহ ফর্ম অনলাইনে আসবে। সিইও অফিস নিশ্চিত করেছে, তথ্যের নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা বজায় রেখে ফর্মগুলো প্রিন্ট করা হবে। প্রতিটি ফর্মের সঙ্গে ভোটারের নির্দিষ্ট তথ্য সংযুক্ত থাকবে যাতে কোনো ধরনের অসঙ্গতি বা দ্বৈত প্রিন্ট এড়ানো যায়।

জেলা ভিত্তিক ছাপার প্রক্রিয়া

জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, স্থানীয় ছাপাখানার সক্ষমতা অনুযায়ী ফর্মের সংখ্যা নির্ধারণ করতে। বড় জেলা যেখানে ভোটার সংখ্যা বেশি, সেখানে ফর্ম ছাপার জন্য অতিরিক্ত লজিস্টিক ব্যবস্থা নিতে হবে। এই প্রক্রিয়া নিশ্চিত করবে যে সব ভোটারকে সময়মতো ফর্ম পৌঁছানো যায়।

ছাপার মান ও সময়সীমা

ফর্মের মান ও সঠিকতার দিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সিইও বলেছেন, "কোনো ভুল বা অসম্পূর্ণ ফর্ম গ্রাহকের কাছে পৌঁছানো যাবে না। আমরা চাই প্রতিটি ভোটার সঠিক তথ্য সহ ফর্ম পান।"

এই প্রক্রিয়ার জন্য প্রতিটি জেলা পর্যায়ে নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। তাই জেলা প্রশাসনকে সকল প্রযুক্তিগত ও মানবসম্পদ প্রস্তুত রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ডিজিটাল মনিটরিং ও রিপোর্টিং

ফর্ম ছাপানোর কাজ অনলাইন মনিটরিং সিস্টেমের মাধ্যমে ট্র্যাক করা হবে। প্রতিটি জেলা থেকে ছাপা ফর্মের সংখ্যা, সময়সীমা, এবং ডেলিভারি আপডেট প্রতিদিন কেন্দ্রীয় দফতরে রিপোর্ট করা হবে। এটি প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও সময়নিষ্ঠা নিশ্চিত করবে।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

সিইও জানিয়েছেন, SIR ফর্ম ছাপার এই প্রকল্প কেবল ভোটার তথ্য নিশ্চিতকরণের জন্য নয়, ভবিষ্যতের নির্বাচন ব্যবস্থার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। একবার ফর্ম সুষ্ঠুভাবে ছাপা ও বিতরণ হলে ভোটার তালিকা আরও আধুনিক ও নির্ভুল হবে।

প্রকল্পটি সফলভাবে সম্পন্ন হলে, আগামী নির্বাচনের জন্য সমগ্র দেশে স্বচ্ছ ও নির্ভুল ভোটার তথ্য ব্যবস্থা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে পুকুরে পড়ে অনামিকা মণ্ডলের রহস্যজনক মৃত্যু

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে পুকুরে পড়ে অনামিকা মণ্ডলের রহস্যজনক মৃত্যু

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে পুকুরে পড়ে অনামিকা মণ্ডলের রহস্যজনক মৃত্যু

আপডেট: ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় পুকুর

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পুকুর, যেখানে অনামিকা মণ্ডলের দেহ উদ্ধার করা হয়েছিল।

১১ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার রাতে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের এক পুকুরে পড়ে মৃত্যু হয় বেলঘরিয়ার নিমতার বাসিন্দা অনামিকা মণ্ডলের। ঘটনার আগে তিনি কোথায় ছিলেন এবং কার সঙ্গে ছিলেন তা এখনো রহস্যময়। পুলিশ ক্যাম্পাসের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে এবং ঘটনার পরে নথিভুক্ত করা বয়ানও যাচাই করছে।

পুলিশের তদন্ত ও খুনের অভিযোগ

দুর্ঘটনা বা আত্মহত্যা নয়, অনামিকাকে পুকুরে ঠেলে ফেলে খুন করা হয়েছে, এমন দাবি তুলেছেন তার বাবা। এই অভিযোগের ভিত্তিতে লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগ এবং হোমিসাইড দফতর ইতিমধ্যেই খুনের মামলা রুজু করেছে এবং তদন্ত শুরু করেছে।

ইতিমধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। সূত্রের খবর, এখনও পর্যন্ত ছ’জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ। ঘটনার সময় অনামিকা একা ছিলেন কি কেউ সঙ্গে ছিলেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ড্রামা ক্লাবের অনুষ্ঠান ও ঘটনার সময়রেখা

ঘটনার দিন বিশ্ববিদ্যালয়ে ড্রামা ক্লাবের একটি অনুষ্ঠান হয়েছিল, যেখানে অনামিকা উপস্থিত ছিলেন। রাত ১০টা ২০ মিনিট নাগাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪ নম্বর গেটের অদূরে পুকুর থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার করা হয়। এই সময় এবং স্থানের সিসিটিভি ফুটেজ ও অন্যান্য সূত্র যাচাই করছে পুলিশ।

সিসিটিভি ফুটেজ এবং ঘটনার রহস্য

পুকুরের কাছাকাছি কোনো সিসিটিভি ক্যামেরা না থাকার কারণে সরাসরি দৃশ্য পাওয়া যায়নি। তবে পুলিশ ক্যাম্পাসের অন্যান্য জায়গার ক্যামেরা ফুটেজ সংগ্রহ করে বিশ্লেষণ করছে। এছাড়া, ঘটনার পূর্বের এবং পরের সময়ের ফুটেজও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

অভিযোগ ও বাবা-মায়ের বক্তব্য

অনামিকার বাবা জানিয়েছেন, তার মেয়ে আত্মহত্যা করতে পারে না। তিনি দাবি করেছেন, ওই সময় তার মেয়ে একা পুকুরের দিকে যায়নি। এই দাবির ভিত্তিতেই খুনের মামলা রুজু করা হয়েছে। পুলিশও বাবা-মায়ের বক্তব্যকে গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখছে।

তদন্তের পরবর্তী ধাপ

মঙ্গলবার হোমিসাইডের আধিকারিকরা ঘটনাস্থল ঘুরে দেখেছেন। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। গোয়েন্দারা ঘটনার আগে এবং পরে বিভিন্ন ব্যক্তির বয়ানও যাচাই করছেন।

পুলিশ তদন্ত

লালবাজারের গোয়েন্দারা ঘটনার তদন্ত করছেন।

অজ্ঞাত প্রশ্নের মুখোমুখি পুলিশ

  • অনামিকা একা ছিলেন নাকি কারও সঙ্গে ছিলেন?
  • পুকুরে পড়ার কারণ কি দুর্ঘটনা, আত্মহত্যা, নাকি খুন?
  • ঘটনার সময় পুকুরপাড়ে অন্য কেউ উপস্থিত ছিলেন কি না?
  • সিসিটিভি ফুটেজ এবং সাক্ষীদের বয়ান থেকে কী তথ্য পাওয়া যাবে?

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো। সকল আপডেট সবার আগে পেতে ফলো করুন।

পুজোর রং লেগেছে শহরে: কলকাতা পুলিশ মণ্ডপ পরিদর্শনে, নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার

পুজোর রং লেগেছে শহরে: কলকাতা পুলিশ মণ্ডপ পরিদর্শনে, নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার

পুজোর রং লেগেছে শহরে: কলকাতা পুলিশ মণ্ডপ পরিদর্শনে, নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার

আপডেট: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

পুজোর প্রস্তুতি পরিদর্শনে কলকাতা পুলিশ

ছবি: কলকাতা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার মিরাজ খালিদের নেতৃত্বে পুজো মণ্ডপ পরিদর্শনের দৃশ্য।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর
👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

মহালয়ার আগেই উৎসবের আমেজ

মহালয়ার আগেই কলকাতা শহর পুজোর রঙে রঙিন হয়ে উঠেছে। আলো, ফুল, সাজসজ্জা এবং নানা প্রস্তুতিতে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে শহরের বিভিন্ন প্রান্তে। বড় বড় প্যান্ডেল তৈরি হয়ে যাচ্ছে দ্রুত গতিতে। দর্শকদের জন্য প্যান্ডেল খুলে দেওয়ার আগে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে সর্বত্র। এই উৎসবের উত্তেজনা যেমন আনন্দের, তেমনই নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

নিরাপত্তার খাতিরে কলকাতা পুলিশের অভিযান

উৎসবের মরশুমে যাতে কোনো দুর্ঘটনা না ঘটে সে জন্য কলকাতা পুলিশ সতর্কতা জারি করেছে। মঙ্গলবার যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (সদর) মিরাজ খালিদের নেতৃত্বে একটি বিশেষ টিম শহরের বিভিন্ন পুজো মণ্ডপ পরিদর্শন করেন। এই পরিদর্শনের উদ্দেশ্য ছিল প্যান্ডেলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখা। একাধিক পুজো কমিটিকে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে যাতে তাঁরা অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা, আলোর ব্যবস্থা, ভিড় নিয়ন্ত্রণ এবং হাওয়া চলাচলের দিকে বিশেষ নজর দেন।

অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা নিয়ে নির্দেশ

অনেক পুজো মণ্ডপে কাঠের উপর কাপড় লাগিয়ে প্যান্ডেল তৈরি করা হয়। এতে আগুন লাগার ঝুঁকি বেড়ে যায়। সেই কারণে কলকাতা পুলিশ স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে যে প্যান্ডেলে অবশ্যই ‘ফায়ার প্রুফ ট্রিটমেন্ট’ করতে হবে। এছাড়াও প্যান্ডেলের প্রবেশ ও বেরোনোর পথে ঢালু ব্যবস্থা রাখতে হবে এবং হাঁটার পথ মসৃণ করতে হবে। প্যান্ডেলের উচ্চতা নিয়ম মেনে রাখার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে যাতে জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত বেরিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়।

ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও হাওয়া চলাচল নিশ্চিত করতে নির্দেশ

উৎসবের দিনে ভিড় নিয়ন্ত্রণ করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ। পুজো কমিটিগুলিকে বলা হয়েছে যাতে প্যান্ডেলের ভেতরে দমবন্ধ পরিস্থিতি তৈরি না হয়। হাওয়া চলাচলের জন্য যথাযথ ব্যবস্থা রাখতে হবে। অতিরিক্ত ভিড় হলে দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে সহযোগিতা করতে হবে। একই সঙ্গে পর্যাপ্ত আলো রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে যাতে রাতে বা দুর্বল আলোয় দুর্ঘটনা না ঘটে।

কতগুলো পুজোর অনুমতি হয়েছে?

লালবাজার সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে কলকাতায় ২৭০০টি পুজো রেজিস্টার করেছে। এর মধ্যে ২০০০টি পুজোকে অনুমোদনের ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। তবে আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আরও আবেদন জমা দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। ফলে অনুমোদনের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন প্রশাসনের কর্তারা।

পরিদর্শনের প্রথম দিনের বিস্তারিত

মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে যুগ্ম পুলিশ কমিশনার মিরাজ খালিদের নেতৃত্বে একটি টিম পরিদর্শনে বের হন। তাঁরা প্রথমে বেহালা নতুন দল, বরিষা ক্লাব, বিবেকানন্দ পার্ক অ্যাথলেটিক ক্লাব সহ মোট ১২টি পুজোর প্রস্তুতি খতিয়ে দেখেন। কোথাও কোনো ফাঁকফোকর রয়েছে কি না তা পরীক্ষা করেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেন।

আগামী দিনগুলির পরিকল্পনা

আগামী বুধবারও শহরের পুজো মণ্ডপগুলো পরিদর্শন করবেন পুলিশ কর্মকর্তারা। পাশাপাশি শুক্রবার কলকাতা পুলিশ কমিশনার মনোজ বর্মা নিজে শহরের বিভিন্ন প্যান্ডেল পরিদর্শনে বের হতে পারেন বলে জানা গেছে। উৎসবের সময় নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একাধিক দফায় এই পরিদর্শন চালানো হবে।

পুজোর আনন্দের পাশাপাশি সতর্কতা জরুরি

উৎসবের আমেজ সকলের জন্য আনন্দের হলেও নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কোনো শৈথিল্য চলবে না। আগাম প্রস্তুতির মাধ্যমে দুর্ঘটনা প্রতিরোধ করা সম্ভব। পুলিশ ও পুজো কমিটির যৌথ উদ্যোগেই এই উৎসব নিরাপদভাবে সম্পন্ন হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন শহরের নাগরিকরা।


এই প্রতিবেদন Y বাংলা নিউজ-এর জন্য প্রস্তুত। এটি কপি রাইট মুক্ত এবং সংবাদ প্রকাশের উপযোগী।

বাংলাদেশি বউমাকে সীমান্তে ফেলে পালানোর অভিযোগ, গ্রেফতার অন্তঃসত্ত্বা নারী

বাংলাদেশি বউমাকে সীমান্তে ফেলে পালানোর অভিযোগ, গ্রেফতার অন্তঃসত্ত্বা নারী

বাংলাদেশি বউমাকে সীমান্তে ফেলে পালানোর অভিযোগ, গ্রেফতার অন্তঃসত্ত্বা নারী

আপডেট: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

সীমান্তে ফেলে পালানোর ঘটনা

ছবি: পেট্রাপোল সীমান্তে স্থানীয়দের সন্দেহে আটক হন অন্তঃসত্ত্বা ফাহিমা আক্তার।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর
👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

ঘটনার সারমর্ম

সংবাদদাতা, বনগাঁ: দুই পুত্র সন্তানসহ অন্তঃসত্ত্বা বাংলাদেশি বউমাকে সীমান্তে ফেলে পালানোর অভিযোগ উঠেছে তাঁর খুড়তুতো শ্বশুরের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে পেট্রাপোল সীমান্তে। স্থানীয়দের সন্দেহে পুলিশ ওই নারীকে আটক করে। ধৃতের নাম ফাহিমা আক্তার। তিনি বাংলাদেশের চট্টগ্রামের বাসিন্দা এবং বর্তমানে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিংয়ে শ্বশুরবাড়িতে বসবাস করছিলেন।

ঘটনা কীভাবে ঘটল?

রবিবার ফাহিমাকে তাঁর খুড়শ্বশুর বাংলাদেশে বাপের বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার নাম করে পেট্রাপোল সীমান্তে নিয়ে আসেন। সেখানে একটি হোটেলে তাঁকে এবং তাঁর দুই সন্তানকে বসিয়ে রাখেন। পরে ফল কিনে আনতে যাওয়ার নাম করে পালিয়ে যান তিনি। দিনভর সীমান্তেই অপেক্ষা করতে থাকেন ফাহিমা। স্থানীয়রা সন্দেহ করলে থানায় খবর দেন। পুলিশ এসে তাঁকে আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তিনি বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই ভারতে প্রবেশ করেছেন।

ফাহিমার পরিচয়

ফাহিমা আক্তারের সঙ্গে ছয় বছর আগে ক্যানিংয়ের বাসিন্দা মিলন শেখের বিয়ে হয়। মিলন ছোটবেলা থেকেই মায়ের সঙ্গে বাংলাদেশে বসবাস করতেন। বিয়ের পরও তাঁরা বাংলাদেশেই থাকেন। তাঁদের দুই পুত্রসন্তান রয়েছে—একজন চার বছরের এবং আরেকজন দুই বছরের। নয় মাস আগে ফাহিমা চোরাপথে স্বামীর সঙ্গে ভারতে আসেন। এরপর থেকেই তাঁর ওপর শুরু হয় নির্যাতন। শ্বশুরবাড়ির পক্ষ থেকে তাঁকে বাপের বাড়ি ফিরে যাওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছিল।

নির্যাতনের অভিযোগ

ফাহিমার অভিযোগ, ভারতে আসার পর থেকেই তাঁকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হচ্ছিল। তাঁর খাবার, চিকিৎসা, নিরাপত্তার সুযোগ কমানো হয়। পরিবারের সদস্যরা তাঁকে বাপের বাড়ি ফিরে যেতে চাপ দেন। রবিবার তাঁকে বাপের বাড়িতে পাঠানোর নাম করে সীমান্তে নিয়ে এসে ফেলে রেখে পালিয়ে যান খুড়শ্বশুর। দিনভর সন্তানদের নিয়ে সীমান্তে বসে থাকতে হয় তাঁকে।

স্থানীয়দের সন্দেহ ও পুলিশের হস্তক্ষেপ

স্থানীয়রা যখন লক্ষ্য করেন, এক অন্তঃসত্ত্বা নারী দুই সন্তানসহ হোটেলে বসে রয়েছেন এবং তাঁর পাশে কেউ নেই, তখন তাঁদের সন্দেহ হয়। তাঁরা কাছে গিয়ে জিজ্ঞাসা করলে ফাহিমা তাঁর দুরবস্থার কথা জানান। এরপর পুলিশ এসে তাঁকে আটক করে। তাঁর কাছে বৈধ কাগজপত্র না থাকায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশি তদন্ত

পেট্রাপোল থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। তাঁরা জানতে পেরেছেন, ফাহিমার বৈধ পাসপোর্ট বা অন্যান্য ভ্রমণ নথি নেই। তাঁর সঙ্গে থাকা শিশুদের অবস্থাও পরীক্ষা করা হচ্ছে। তাঁর কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। এই ঘটনার পেছনে মানবপাচারের আশঙ্কা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

আদালতে তোলা ও জেল হেফাজত

সোমবার ধৃত ফাহিমাকে বনগাঁ মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক তাঁকে জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। তাঁর শিশুদের জন্য পৃথকভাবে সামাজিক সেবা দপ্তরের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তাঁর পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের খোঁজ শুরু হয়েছে।

সীমান্তে মানবিক সংকট

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সীমান্তে এ ধরনের ঘটনা বাড়ছে। অর্থনৈতিক দুরবস্থা, পারিবারিক নির্যাতন, অবৈধভাবে দেশে প্রবেশ এবং কাগজপত্রের অভাব—এসব কারণে নারীরা ও শিশুদের ঝুঁকির মুখে পড়ছে। আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ছাড়া এই সমস্যা সমাধান কঠিন।

স্থানীয়দের বক্তব্য

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, তাঁরা প্রথমে বুঝতে পারেননি যে নারীটি সাহায্যের অভাবে সীমান্তে বসে আছেন। পরে তাঁর দুরবস্থা দেখে মানবিক কারণে পুলিশকে খবর দেন। অনেকে বলেন, সীমান্ত এলাকায় নজরদারি আরও বাড়ানো উচিত যাতে এমন ঘটনা আর না ঘটে।

প্রশাসনের ভূমিকা

পুলিশ ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে। সামাজিক সংগঠনগুলিও শিশুদের জন্য চিকিৎসা, খাবার এবং মানসিক সহায়তার ব্যবস্থা করছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আন্তর্জাতিক সীমান্তে মানবিক সহায়তার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতামত

আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বৈধ নথি ছাড়া সীমান্ত পেরোনো শুধু আইনি অপরাধ নয়, এটি মানবাধিকার লঙ্ঘনেরও বিষয়। তারা বলেছেন, আন্তর্জাতিক সহযোগিতায় সীমান্ত নজরদারি ও মানবিক সহায়তা বাড়ানো জরুরি।


এই প্রতিবেদন Y বাংলা নিউজ-এর জন্য তৈরি। এটি কপি রাইট মুক্ত এবং সংবাদ উপস্থাপনার জন্য প্রস্তুত।

মিমি চক্রবর্তীকে ৯ ঘণ্টা জেরা, ক্রিকেট বেটিং অ্যাপ নিয়ে ইডির তল্লাশি

মিমি চক্রবর্তীকে ৯ ঘণ্টা জেরা, ক্রিকেট বেটিং অ্যাপ নিয়ে ইডির তল্লাশি

মিমি চক্রবর্তীকে ৯ ঘণ্টা জেরা, ক্রিকেট বেটিং অ্যাপ নিয়ে ইডির তল্লাশি

আপডেট: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

মিমি চক্রবর্তী ইডির জেরায়

ছবি: দিল্লিতে ইডির সদর দপ্তরে মিমি চক্রবর্তী জিজ্ঞাসাবাদের জন্য উপস্থিত হন।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর
👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

ইডির জিজ্ঞাসাবাদ: শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: ক্রিকেট বেটিং অ্যাপের প্রচারের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে সোমবার প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ মিমি চক্রবর্তীকে ইডির সদর দপ্তর প্রব্যর্তন ভবনে ডেকে দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সূত্রের খবর, প্রায় ৯ ঘণ্টা ধরে চলে এই জেরা। প্রথম দফায় প্রায় আড়াই ঘণ্টা তাঁকে প্রশ্ন করা হয়। পরে মধ্যাহ্নভোজের বিরতির পর আবারও দীর্ঘ সময় ধরে জিজ্ঞাসাবাদ চলে।

প্রশ্ন: শুধুই প্রচারে যুক্ত নাকি অর্থ লেনদেনে জড়িত?

ইডির কর্মকর্তারা জানতে চান, তিনি কি শুধু বিতর্কিত বেটিং অ্যাপটির ব্র্যান্ড এনডোর্সমেন্টের প্রচারের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, নাকি অ্যাপের মাধ্যমে হওয়া অর্থ তছরুপ বা হাওলার মতো বেআইনি লেনদেনেও জড়িত ছিলেন। এই প্রশ্ন ঘিরে আলোচনার ঝড় ওঠে।

পিএমএলএ আইনের আওতায় বয়ান রেকর্ড

আর্থিক তছরুপ প্রতিরোধ আইন বা পিএমএলএ (PMLA)-এর আওতায় মিমির বয়ান রেকর্ড করেন ইডির আধিকারিকরা। তাঁর সমস্ত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের লেনদেন পরীক্ষা করা হয়। বেটিং অ্যাপের প্রচার সংক্রান্ত চুক্তির নথিও যাচাই করা হয়েছে। এমনকি বিদেশ সফরের খতিয়ান নিয়েও প্রশ্ন করা হয়। কোথায় কোথায় গিয়েছেন, কোন অর্থ লেনদেন হয়েছে কি না—সবই জানতে চাওয়া হয়।

বিদেশ সফর নিয়েও তদন্ত

সূত্র জানায়, ইডির তদন্তকারীরা মিমির বিদেশ সফরের বিস্তারিত জানতে চেয়েছেন। কোন শহরে গিয়েছেন, কার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন, সেখানে কীভাবে অর্থ লেনদেন হয়েছে—এসব বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, আন্তর্জাতিক হাওলার সঙ্গে এই সফরের যোগসূত্র খতিয়ে দেখতেই এই প্রশ্নাবলী তৈরি করা হয়েছে।

প্রয়োজনে ফের ডাকা হবে

ইডির তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, তদন্ত চলবে। প্রয়োজনে আবারও মিমিকে ডেকে পাঠানো হবে। অর্থ তছরুপের অভিযোগ নিয়ে আরও গভীর অনুসন্ধান চালানো হবে। তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট এবং অন্যান্য আর্থিক সূত্র পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে।

অন্য তারকারাও জেরার মুখে

মিমির পাশাপাশি টলিউডের আরেক জনপ্রিয় অভিনেতা অঙ্কুশ হাজরাকেও আজ মঙ্গলবার দিল্লিতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়েছে। সন্দেহ করা হচ্ছে, বেটিং অ্যাপের সঙ্গে যুক্ত থাকা আরও তারকাদের ভূমিকা নিয়ে তদন্ত চলছে। কেন্দ্রের এই উদ্যোগে বিনোদন জগতের অনেকেই শঙ্কিত।

বেটিং অ্যাপের বিতর্ক

ক্রিকেট বেটিং অ্যাপগুলির প্রচার বহুদিন ধরেই বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধরনের অ্যাপের মাধ্যমে অর্থ তছরুপ, অনিয়ম, কর ফাঁকি এবং বিদেশে অর্থ পাঠানোর সুযোগ তৈরি হয়। জনপ্রিয় মুখদের ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের মধ্যে এই অ্যাপের জনপ্রিয়তা বাড়ানো হয়। সেই সুযোগে বেআইনি আর্থিক লেনদেন হওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে।

রাজনীতির সংযোগ ও তদন্তের গুরুত্ব

মিমির মতো জনপ্রিয় মুখ বেটিং অ্যাপের প্রচারে যুক্ত হওয়ায় বিষয়টি রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে। একদিকে বিনোদন জগতের খ্যাতনামা ব্যক্তিত্বদের ইমেজ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, অন্যদিকে অর্থ তছরুপ নিয়ে কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্ত রাজনৈতিক মহলে উত্তেজনা বাড়াচ্ছে। অনেকে প্রশ্ন তুলছেন, এই ধরনের প্রচারের মাধ্যমে কি ভোটের অর্থের মতো বড় অঙ্কের অর্থ লেনদেনও হচ্ছে?

পিএমএলএ আইন কী বলে?

আর্থিক তছরুপ প্রতিরোধ আইন (Prevention of Money Laundering Act বা PMLA) অনুযায়ী, কোনও ব্যক্তি বেআইনি অর্থ লেনদেনে যুক্ত থাকলে তাঁর সম্পদ জব্দ করা, ব্যাঙ্ক লেনদেন পরীক্ষা করা এবং জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে অপরাধের সঙ্গে সম্পর্ক খতিয়ে দেখা হয়। মিমির ক্ষেত্রে এই আইন প্রয়োগ করা হয়েছে। আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, তদন্তের ফলাফল অনেক বড় আর্থিক অনিয়মের দিকে ইঙ্গিত করতে পারে।

জনমনে আলোড়ন

মিমির জিজ্ঞাসাবাদ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও রাজনৈতিক মহলে তোলপাড় পড়েছে। তাঁর সমর্থকরা বলছেন, এটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। অন্যদিকে বিরোধীরা বলছে, জনপ্রিয় মুখ ব্যবহার করে অর্থ তছরুপের অভিযোগ এড়ানো যায় না। বিষয়টি নির্বাচন আসন্ন সময়ে আরও গুরুত্ব পাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

ভবিষ্যৎ অনুসন্ধানের দিশা

ইডির তদন্তের পরবর্তী ধাপে ব্যাঙ্ক লেনদেনের গভীর বিশ্লেষণ, বিদেশ সফরের উদ্দেশ্য, অর্থের উৎস ও গন্তব্য খতিয়ে দেখা হবে। এছাড়া বেটিং অ্যাপের পেছনের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণকারী কারা—সেটিও অনুসন্ধান করা হবে। বিনোদন জগতের অন্য সদস্যদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে।


এই প্রতিবেদন Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরোর জন্য তৈরি।

রাজ্যের চার সরকারি আধিকারিককে সাসপেন্ড, নির্বাচন কমিশনের কঠোর নির্দেশে নতুন উত্তেজনা

রাজ্যের চার সরকারি আধিকারিককে সাসপেন্ড, নির্বাচন কমিশনের কঠোর নির্দেশে নতুন উত্তেজনা

রাজ্যের চার সরকারি আধিকারিককে সাসপেন্ড, নির্বাচন কমিশনের কঠোর নির্দেশে নতুন উত্তেজনা

আপডেট: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

নির্বাচন কমিশনের চিঠি হাতে মুখ্যসচিব

ছবি: নির্বাচন কমিশনের চিঠি হাতে রাজ্যের মুখ্যসচিব। এই চিঠি থেকেই শুরু হয়েছে উত্তপ্ত রাজনৈতিক বিতর্ক।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর
👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

নির্বাচন কমিশনের চিঠি: সাসপেন্ড ও এফআইআর নির্দেশ

সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের দুই ডব্লুসিবিসিএস আধিকারিক এবং আরও দুই অন্যপদের সরকারি আধিকারিককে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে সাসপেন্ড করা হয়েছে। চিঠিতে স্পষ্ট বলা হয়েছে, শুধু সাসপেন্ড করলেই হবে না, তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর রুজু করতে হবে। এই সিদ্ধান্তের পেছনে অভিযোগ রয়েছে যে, তাঁরা ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার (ERO) ও অ্যাসিসটেন্ট ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার (AERO) হিসেবে কাজ করতে গিয়ে ভুয়ো ভোটারের নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছেন।

ভুয়ো ভোটার অন্তর্ভুক্তির অভিযোগ

নির্বাচন কমিশনের দাবি, দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরের ERO ও AERO এবং পূর্ব মেদিনীপুরের ময়নার ERO ও AERO তাঁদের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে নিয়ম লঙ্ঘন করেছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, তাঁরা বাড়ি-বাড়ি গিয়ে ভোটারের তথ্য যাচাই না করেই তালিকায় নাম যুক্ত করেছেন। পাশাপাশি, জিজ্ঞাসাবাদের সময় তাঁরা এই দোষ স্বীকার করেছেন বলেও কমিশন দাবি করেছে।

বুথ লেভেল অফিসারের ভূমিকা উপেক্ষা

রাজ্যের কর্মচারী এবং শিক্ষকদের সাধারণত বুথ লেভেল অফিসার (BLO) হিসেবে নিয়োগ করা হয়। BLO-রা বাড়ি-বাড়ি গিয়ে ভোটারের উপস্থিতি নিশ্চিত করেন। কিন্তু অভিযোগ হলো, BLOদের মাঠে পাঠানো না হলেও ERO ও AERO-রা নিজ উদ্যোগে ভুয়ো ভোটারের নাম অন্তর্ভুক্ত করেছেন। এই ঘটনা নির্বাচন প্রক্রিয়ার বিশ্বাসযোগ্যতায় প্রশ্ন তুলেছে।

মুখ্যমন্ত্রীর পাল্টা প্রতিক্রিয়া

ঘটনার পর ঝাড়গ্রামে এক সভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, "নির্বাচন কমিশন অমিত শাহের হাতের পুতুল, বিজেপির ক্রীতদাস। ভোট অনেক দেরি। এখন থেকেই সাসপেন্ড করতে শুরু করেছে। আমাদের আধিকারিকদের রক্ষা করার ক্ষমতা আমাদের রয়েছে।"

তিনি আরও স্পষ্ট জানান যে রাজ্যের কোনও আধিকারিকের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক চাপের মুখে পদক্ষেপ করা হবে না। এই মন্তব্য রাজ্য বনাম কেন্দ্রের দ্বন্দ্ব আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

মুখ্যসচিবের ওপর দিল্লির চাপ

নির্বাচন কমিশন দেরি লক্ষ্য করে রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ পন্থকে দিল্লিতে ডেকে পাঠায়। কমিশনের ফুল বেঞ্চের সামনে তাঁকে জবাবদিহি করতে হয়। দিল্লি থেকে ফিরে তিনি দ্রুত চারজনকে সাসপেন্ড করেন, তবে নির্দেশের দ্বিতীয় অংশ—এফআইআর রুজু—পালন করেননি।

এফআইআর নিয়ে নতুন টানাপোড়েন

সাসপেন্ড করার পর নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুসারে এফআইআর রুজু করা হয়নি। এফআইআর-এর জন্য সময় চাওয়া হলেও দিন পেরিয়ে যায়। রাজনৈতিক মহল মনে করতে শুরু করে, হয়তো কমিশন এই বিষয়টি নিয়ে আর কঠোর হবে না। কিন্তু সাম্প্রতিক খবর অনুযায়ী, কমিশন ফের এই বিষয়টি নিয়ে উদ্যোগী হয়েছে।

কমিশনের কঠোর অবস্থান

সূত্রের দাবি, নির্বাচন কমিশন খুব শিগগিরই আবার মুখ্যসচিবকে চিঠি পাঠাবে। এমনকি কমিশনের হাতে থাকা জনপ্রতিনিধি আইন অনুযায়ী সরাসরি এফআইআর রুজু করার ক্ষমতাও আছে। সংবিধান বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ ক্ষেত্রে কমিশন আইনানুগ পদক্ষেপ নিতেই পারে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষণ

এই ঘটনায় একদিকে নির্বাচন কমিশনের কঠোরতা এবং অন্যদিকে রাজ্য সরকারের প্রতিরোধ রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবেশকে উত্তপ্ত করে তুলেছে। নির্বাচন সামনে রেখে কেন্দ্র-রাজ্য দ্বন্দ্ব বাড়ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নির্বাচন প্রক্রিয়ার বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখতে কঠোর নজরদারি প্রয়োজন হলেও তা যেন রাজনৈতিক অস্ত্র না হয়ে ওঠে, সে দিকে নজর দেওয়া জরুরি।

প্রশাসনের ওপর চাপ

রাজ্যের প্রশাসনিক কাঠামোয় এই ঘটনায় অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। আধিকারিকরা দ্বিধায় পড়েছেন—কেন্দ্রের নির্দেশ মানবেন, না রাজ্যের প্রশাসনিক অবস্থানের সঙ্গে থাকবেন। এই পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় জটিলতা তৈরি হতে পারে।

ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে

রাজ্য-দিল্লির এই টানাপোড়েন ভবিষ্যতে ভোটের আচরণ, প্রশাসনিক সমন্বয় এবং রাজনৈতিক ধারা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। বিশেষ করে ভোটার তালিকার শুদ্ধতা এবং নির্বাচন প্রক্রিয়ার ওপর নাগরিকদের আস্থা ফিরে পেতে দুই পক্ষকেই যৌথভাবে কাজ করতে হবে।


এই প্রতিবেদন Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরোর জন্য তৈরি।

অসমে আমলার বাড়ি থেকে উদ্ধার বান্ডিল বান্ডিল নোট, কোটি টাকার সোনার গয়না বাজেয়াপ্ত

অসমে আমলার বাড়ি থেকে উদ্ধার বান্ডিল বান্ডিল নোট, কোটি টাকার সোনার গয়না বাজেয়াপ্ত

অসমে আমলার বাড়ি থেকে উদ্ধার বান্ডিল বান্ডিল নোট, কোটি টাকার সোনার গয়না বাজেয়াপ্ত

আপডেট: ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ | Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো

অসমে দুর্নীতি অভিযান
নগদ টাকা ও সোনার গয়না উদ্ধার হওয়ার পর প্রশাসনের তৎপরতা তীব্র হয়েছে।

অসমে জমি সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত এক শীর্ষ আমলার বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে কোটি টাকার সম্পদ। অভিযুক্ত অসম সিভিল সার্ভিস (ACS) আধিকারিক নূপুর বরা। সোমবার মালিগাঁও এলাকার তাঁর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে প্রশাসনের ভিজিল্যান্স এবং দুর্নীতি দমন শাখার কর্মকর্তারা নগদ ৭৫ লক্ষ টাকা এবং ১ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের সোনার গয়না উদ্ধার করেন। মোট সম্পত্তির মূল্য প্রায় ২ কোটি টাকার কাছাকাছি বলে জানানো হয়েছে।

দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত নূপুর বরা

বরপেটা এলাকায় জমির রেকর্ড বদলে দেওয়ার অভিযোগ উঠে নূপুর বরার বিরুদ্ধে। স্থানীয় জন প্রতিনিধি থেকে শুরু করে প্রশাসনিক মহলেও তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ জমা পড়েছিল। শিবসাগরের বিধায়ক অখিল গগৈ বিশেষভাবে অভিযোগ তুলে ধরেন। সূত্রের খবর, জমির রেকর্ডে অনিয়ম ঘটিয়ে লাভবান হওয়ার জন্য তিনি দীর্ঘদিন ধরে দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এই অভিযোগের ভিত্তিতে গত ছয় মাস ধরে গোপন তদন্ত চালানো হয় এবং অবশেষে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন

রবিবার রাতেই নূপুর বরার গুয়াহাটির বাড়িতে অভিযান চালানোর পরিকল্পনা করা হয়েছিল। কিন্তু অভিযানের সময় তিনি বাড়িতে না থাকায় সেটি স্থগিত রাখতে হয়। পরদিন সোমবার সকালে তাঁর ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে নগদ এবং সোনার গয়না উদ্ধার করা হয়। শুধু গুয়াহাটির বাড়িই নয়, তাঁর সঙ্গে সম্পর্কিত আরও তিনটি স্থানে তল্লাশি চালানো হয়। তদন্তের নেতৃত্ব দেন ভিজিল্যান্স শাখার সুপার রোসি কলিতা। তিনি জানান, একাধিক দুর্নীতির সঙ্গে নূপুর বরার যোগ থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে এবং প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার প্রতিক্রিয়া

অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা এই অভিযানের পরে পরিষ্কার জানিয়েছেন যে তাঁর প্রশাসনে দুর্নীতির কোনও ছাড় নেই। তিনি বলেন, “আমার প্রশাসনে দুর্নীতির জন্য শূন্য সহনশীলতা নীতি অনুসরণ করা হবে।” মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, নূপুর বরার বিরুদ্ধে জমির রেকর্ড বদলানোর অভিযোগ পাওয়ার পরেই তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। তদন্ত চলাকালীন সময়েই অভিযানের পরিকল্পনা করা হয় এবং গোপন অনুসন্ধানের ভিত্তিতে তাঁর বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। মুখ্যমন্ত্রী অভিযানের সাফল্যে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং বলেন, দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত যে কোনও ব্যক্তির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রশাসনের ভূমিকা এবং তদন্তের পরবর্তী ধাপ

ভিজিল্যান্স এবং দুর্নীতি দমন শাখার কর্মকর্তারা জানান, উদ্ধার হওয়া সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার পাশাপাশি তদন্ত আরও বিস্তৃত করা হবে। তাঁর সঙ্গে যুক্ত অন্যান্য স্থানে তল্লাশি চালিয়ে আরও দুর্নীতির তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। সূত্র জানিয়েছে, বিভিন্ন নথিপত্র এবং ডিজিটাল রেকর্ড পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে যাতে তাঁর দুর্নীতির সম্পৃক্ততা আরও প্রমাণিত হয়। প্রয়োজনে তদন্তের পরবর্তী ধাপে আরও সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হতে পারে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এবং তাঁর সহযোগীদের ওপর নজরদারি চালানো হবে।

স্থানীয়দের প্রতিক্রিয়া

স্থানীয় এলাকায় এই অভিযান নিয়ে নানা প্রতিক্রিয়া উঠেছে। কেউ কেউ প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। তাঁরা বলেছেন, “দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত অনিয়ম নিয়ে অভিযোগ চলছিল। এই অভিযান প্রশাসনের দৃষ্টান্তমূলক পদক্ষেপ।” আবার কেউ কেউ বলেছেন, “এটি শুধু শুরু, আরও তদন্ত হওয়া উচিত যাতে দুর্নীতির মূল উন্মোচিত হয়।” সমাজের বিভিন্ন স্তরে এই অভিযানের ফলে প্রশাসনের প্রতি আস্থা বাড়ছে বলে মত দিয়েছেন অনেকেই।

দুর্নীতির বিরুদ্ধে বার্তা

এই অভিযানের মধ্য দিয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে—যে কোনও স্তরে দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা এবং তদন্তের সাফল্য রাজনৈতিক মহলেও আলোড়ন তুলেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থা বাড়াতে সাহায্য করবে এবং প্রশাসনের প্রতি নাগরিকদের আস্থার পুনরুদ্ধার ঘটাবে। ভবিষ্যতে এ ধরনের অভিযান আরও বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

Featured post

Y বাংলা নিউজ ডেস্ক রিপোর্ট আজ, শনিবার দুপুরে পশ্চিমবঙ্গে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। দুপুর পৌনে ১টা নাগাদ তাঁর মালদা টাউন...

Search This Blog