Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Friday, 19 September 2025

কলকাতা হাইকোর্ট কড়া – রায়গঞ্জ পুরসারের ৮০ লক্ষ টাকার বকেয়া, অর্থসচিব ও নগরোন্নয়ন দফতের বিরুদ্ধে রুল

কলকাতা হাইকোর্ট কড়া – রায়গঞ্জ পুরসারের ৮০ লক্ষ টাকার বকেয়া, অর্থসচিব ও নগরোন্নয়ন দফতের বিরুদ্ধে রুল | Y বাংলা

কলকাতা হাইকোর্ট কড়া পদক্ষেপ: রায়গঞ্জ পুরসভার ঠিকাদারদের ৮০ লক্ষ টাকার বকেয়া মেটাতে নির্দেশ মানা হয়নি — অর্থসচিব ও নগরোন্নয়ন দফতের বিরুদ্ধে রুল জারি

কলকাতা হাইকোর্টের দিলোপকারী ডিভিশন বেঞ্চ — বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা ও বিচারপতি অজয় কুমারের নেতৃত্বে — রায়গঞ্জ পুরসভার থেকে প্রায় দেড় দশক ধরে বকেয়া থাকা ৮০ লক্ষ টাকার পেমেন্ট না দেওয়ার ঘটনাকে যথেষ্ট নিন্দনীয় বলে বিবেচনা করে রাজ্যের অর্থসচিব ও নগরোন্নয়ন দফতের সচিবের বিরুদ্ধে রুল (Rule) জারি করেছেন। আদালত স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, পূর্বসূরী বিভিন্ন নির্দেশের পরও যদি বকেয়া মিটে না থাকে, তাহলে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কলকাতা হাইকোর্ট ও রায়গঞ্জ পুরসভা
ছবি: (প্রতীকী) কলকাতা হাইকোর্টের দফতরের সামনে। ক্যাপশন: আদালত রায়গঞ্জ পুরসভার বকেয়া মেটানোর নির্দেশ পুনর্বার জারি করেছে — ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫।

ঘটনাপ্রবাহ — এক নজরে

  • ২০১০ সালে রায়গঞ্জ পুরসভার টেন্ডারে কয়েকজন ঠিকাদার কাজ করে, যার মূল্য মোট প্রায় ৮০ লক্ষ টাকা বলে অভিযোগ।
  • ঠিকাদাররা দাবি করেছেন— দীর্ঘদিন ধরে পারিশ্রমিক মেলেনি।
  • হাইকোর্ট পূর্বেও একাধিক নির্দেশ দিয়েছিল বকেয়া মেটাতে; সর্বশেষ নির্দেশ ছিল ১৪ জুলাই ২০২৫ তারিখে।
  • সেই নির্দেশ অমান্য হওয়ায় শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫) ডিভিশন বেঞ্চ রাজ্যের অর্থসচিব ও নগরোন্নয়ন দফতের সচিবের বিরুদ্ধে রুল জারি করে।
  • পরবর্তী শুনানি ধার্য করা হয়েছে ৩ নভেম্বর ২০২৫-এ।

আদালতের মন্তব্য ও নির্দেশনার গুরুত্ব

আদালত কেবল অভিযোগ শুনেই সঙ্কটের মাত্রা নির্দেশ করেননি — বরং প্রশাসনিক জবাবদিহিতার গুরুত্বও উথ্‌পন্ন করেছেন। হাইকোর্টের টোন স্পষ্ট: সাধারণ ঠিকাদার-ব্যবসায়ী মানুষের রোজগার ও বেসরকারি চুক্তির সম্মান বজায় রাখতে রাজ্য প্রশাসনের কাছে দায়িত্ব রয়েছে। আদালত মনে করিয়েছেন যে, আইনি নির্দেশনার যথাযথ কার্যকরী না হলে তা বিচারিক বিবেচ্য বিষয়গুলোর ওপর নেতিবাচক বার্তা দেয় এবং নাগরিকদের মধ্যে অধিকারহীনতার অনুভূতি সৃষ্টি করে।

ঠিকাদারদের দুর্দশা — জবাবদিহিতা ও মানবিক দৃষ্টিকোণ

কন্ট্রাক্ট-পেমেন্ট বাকি থাকলে ক্ষতিগ্রস্ত ঠিকাদারদের শুধুই আর্থিক ক্ষতি হয় না; শ্রমিকদের মজুরি, উপকরণ ক্রয়, পরিবার ও দৈনন্দিন জীবনের প্রভাব পড়ে। ব্যবসা ছোট হলেও অর্থপ্রবাহ বন্ধ হয়ে গেলে চেইনের মতো অন্যান্য ক্ষতিও তৈরি হয়। আইনগত পথে চললেও কার্যকরী প্রশাসনিক ব্যর্থতা জনজীবনে বাস্তব প্রতিকূলতা তৈরি করে। এই প্রসঙ্গে হাইকোর্টের কড়া নির্দেশ প্রশাসনের কাছে এক কঠোর সতর্কবাণী হিসেবেও দেখা হচ্ছে।

রাজ্য প্রশাসনের দায়িত্ব — কী কি পদক্ষেপ প্রত্যাশিত?

আদালত রুল জারির মাধ্যমে যে কর্তাদের তলব করেছে — অর্থসচিব এবং নগরোন্নয়ন দফতের সচিব — তাদের কাছে কিছু সুস্পষ্ট প্রশ্ন উঠে আসবে: কেন আদালতের আগের নির্দেশ কার্যকর করা হয়নি? টাকার উৎস যোগ করা না গেলে কী ধরনের আর্থিক কিংবা প্রশাসনিক ত্রুটি কাজ করেছে? এই প্রশ্নগুলোর উত্তরদানে রাজ্যের কাছেেতিগুলি ব্যাখ্যা-সহ দিতে হবে। উপযুক্ত মিলানো হলে দ্রুতই বকেয়া মিটানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করাই হবে সমাধানের পথ।

আইনি পরবর্তী ধাপ — কি ঘটতে পারে ৩ নভেম্বর?

৩ নভেম্বরের শুনানিতে আদালত যদি দেখেন যে নির্দেশ কার্যকর হয়নি, তবে আরো কঠোর বিন্যাস নেওয়া হতে পারে — শাস্তিমূলক ব্যাবস্থা, প্রশাসনিক নির্দেশ (e.g., অন্যান্য উচ্চতর কর্মকর্তা বা মন্ত্রকের হস্তক্ষেপ), অথবা ফাইন্যান্সিয়াল অডিট/রিভিউ আদেশ— এমন সিদ্ধান্ত আসতে পারে। বিচারপতি পরিষেবা মূলক বিষয় হওয়ায় রাজ্য প্রশাসনের ক্ষেত্রেও দায়িত্ব আরোপ করা সম্ভব। পাশাপাশি ঠিকাদার পক্ষ থেকে ক্ষতিপূরণ দাবি করলে তা বিচারিক প্রক্রিয়ায় যোগ হতে পারে।

স্থানীয় প্রতিক্রিয়া ও সামাজিক প্রভাব

রায়গঞ্জ ও আশেপাশের এলাকায় ঠিকাদার ও শ্রমিকদের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে। সামাজিক মাধ্যম ও স্থানীয় রাজনৈতিক মহলেও বিষয়টি তীব্র আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে— জনশুন্য প্রশাসন ও ন্যায্যতা প্রশ্নও ঘিরে সমালোচনা বেড়েছে। একই সঙ্গে নাগরিকদের মধ্যে সরকারি প্রকল্পে স্বচ্ছতা ও সময়মত পরিশোধের দাবিও জোরদার হচ্ছে।

সংক্ষিপ্ত টিপস: ঠিকাদার বা ক্ষতিগ্রস্ত হলে কী করবেন?

  • প্রতিটি কনট্রাক্ট ও পেমেন্ট রেকর্ড সংরক্ষণ করুন (চুক্তি কপি, চালান, ই-মেইল)।
  • প্রশাসনিক স্তরে লিখিত নোটিশ পাঠান এবং প্রাপ্তির প্রমাণ রাখুন।
  • আইনি পরামর্শ নিয়ে আদালতে প্রয়োজনীয় পিটিশন করুন — বিশেষত যদি নির্দেশ অমান্য করা হয়।
  • স্থানীয় প্রতিনিধিদের (পঞ্চায়েত/কেন্দ্রীয়/রাজ্যস্তর) কাছে সমস্যার কথা জানান— লেবার বা বিজনেস সংঘের সমর্থন নিন।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে
© 2025 Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো

রাহুল গান্ধির প্রশংসা, নিশিকান্ত দুবে’র পাল্টা মন্তব্য — তরুণ প্রজন্ম ও রাজনৈতিক ব্যাখ্যা

রাহুল গান্ধির প্রশংসা, নিশিকান্ত দুবে’র পাল্টা মন্তব্য — তরুণ প্রজন্ম ও রাজনৈতিক ব্যাখ্যা
Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো
রাজনীতি • আপডেট: 19 সেপ্টেম্বর 2025

রাহুল গান্ধির প্রশংসা, নিশিকান্ত দুবে’র পাল্টা মন্তব্য — তরুণ প্রজন্ম ও রাজনৈতিক ব্যাখ্যা

লেখক: Y বাংলা রিপোর্টার
প্রকাশ: 19 সেপ্টেম্বর 2025
সময়: 06:00 IST
রাহুল গান্ধি ও নিশিকান্ত দুবে
ছবি: প্রতিনিধির সংগ্রহ (placeholder)।

রাহুল গান্ধি সম্প্রতি এক সভায় তরুণ প্রজন্মকে 'গণতন্ত্র ও সংবিধানের রক্ষক' হিসেবে প্রশংসা করেন। তাঁর এই মন্তব্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি করে। সমালোচকরা এটিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেও অভিহিত করেছেন।

ইনফো:
  • নিশিকান্ত দুবে মন্তব্য করেছেন: "জেন জি নেপোটিজম ও বংশ পরম্পরায় শাসনের বিরুদ্ধে। নেহরু, ইন্দিরা, রাজীব, সোনিয়ার পরে রাহুলকে কেন সহ্য করবে?"
  • রাজনৈতিক মহল বলছে — মন্তব্যের লক্ষ্য তরুণদের বিজেপি ভাবনায় টানানো।
  • টপিক: তরুণ ভোটার, রাজনৈতিক তথ্য, সামাজিক প্রতিক্রিয়া।

নিশিকান্ত দুবে তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্টে উপরে বর্ণিত মন্তব্য করেন এবং যুক্তি দেখান যে তরুণ প্রজন্ম দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও আদর্শহীনতার বিরুদ্ধে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়েছে। দুপক্ষই ভোটারদের মনোযোগ আকর্ষণ করতে তরুণদের কথা বলছে — তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন প্রচারণা প্রায়শই বিভাজন বাড়ায় এবং সমস্যার জটিলতা হ্রাস করে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা আরও বলছেন যে, যখন নেতারা তরুণদের উদ্দেশ্যে কথা বলেন তখন সাধারণত তিনটি লক্ষ্য থাকে: (১) সমর্থিত ভাবমূর্তি তৈরি করা, (২) নির্বাচনী ভোট ব্যাংক গঠন, ও (৩) বিরোধী দলের নীতিগত দুর্বলতা প্রচারণার মাধ্যমে সামনে আনা। এই প্রেক্ষিতে নিশিকান্ত দুবে’র মন্তব্যকে অনেকেই 'কাউন্টার-রিটারেটিভ' হিসেবে দেখছেন।

সামাজিক মিডিয়ায় #তরুণ_জন্য এবং #গণতন্ত্র নিয়ে আলোচনাও জোরালো। পাঠকরা মন্তব্য করে বলছেন যে বাস্তব নীতি, আধুনিক অর্থনীতি ও যুববহুল কর্মসংস্থানই শেষ পর্যন্ত তরুণদের মন বদলে দিতে পারে — রিটরিক্স নয়।

রাহুল গান্ধি নিশিকান্ত দুবে তরুণ ভোটার রাজনীতি
© 2025 Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো · রিপোর্ট: Y বাংলা রিপোর্টার · সম্পাদক: সম্পাদক নাম। ছবির ক্রেডিট ও উত্স অবশ্যই যাচাই করবেন।

ক্যালিফোর্নিয়ায় ভারতীয় ইঞ্জিনিয়ারের মৃত্যু: তদন্ত দাবি পরিবারের

ক্যালিফোর্নিয়ায় ভারতীয় ইঞ্জিনিয়ারের মৃত্যু: তদন্ত দাবি পরিবারের

ক্যালিফোর্নিয়ায় ভারতীয় ইঞ্জিনিয়ারের মৃত্যু: তদন্ত দাবি পরিবারের

ভারতীয় ইঞ্জিনিয়ারের মৃত্যু ক্যালিফোর্নিয়ায়

Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো: বিদেশের মাটিতে ভারতীয় ইঞ্জিনিয়ারের মর্মান্তিক মৃত্যু। ক্যালিফোর্নিয়ার সান্তা ক্লারায় পুলিসের গুলিতে প্রাণ হারালেন ৩০ বছর বয়সী মহম্মদ নিজামউদ্দিন। পুলিস দাবি করছে, রুমমেটকে ছুরি দিয়ে আক্রমণের পরই গুলি চালানো হয়। তবে পরিবারের অভিযোগ, এই মৃত্যুর পেছনে বর্ণবৈষম্যের জটিলতা রয়েছে এবং বিস্তারিত তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।

ঘটনার মূল সূত্রপাত: পুলিস জানায়, এক বাড়ি থেকে ফোন আসে যেখানে বলা হয় এক ব্যক্তি অপরকে ছুরি দিয়ে আক্রমণ করেছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিস দেখেন, নিজামউদ্দিন তাঁর রুমমেটকে চেপে ধরেছেন। রুমমেট গুরুতর আহত ছিলেন। পরিস্থিতি সামলাতে গুলি চালানো হয়।

কে ছিলেন মহম্মদ নিজামউদ্দিন?

হায়দরাবাদের তেলঙ্গানার মাহবুবনগরের বাসিন্দা নিজামউদ্দিন ফ্লোরিডার একটি কলেজ থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে মাস্টার্স করেন। সান্তা ক্লারার একটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন। পরিবার জানিয়েছে, তিনি একজন শান্ত, ধার্মিক ও সৎ মানুষ ছিলেন। তবে চাকরি হারানো, বর্ণবৈষম্য, মজুরি জালিয়াতি এবং হয়রানির কারণে মানসিকভাবে চাপে ছিলেন।

লিঙ্কডইনে নিজের বক্তব্য

নিজামউদ্দিন লিঙ্কডইন প্রোফাইলে লিখেছিলেন যে, তিনি বর্ণবিদ্বেষ, বর্ণবৈষম্য, হয়রানি, নির্যাতন, মজুরি জালিয়াতি, চাকরিচ্যুতি এবং ন্যায়বিচার বঞ্চনার শিকার হয়েছেন। তিনি লিখেছিলেন, “যথেষ্ট হয়েছে, শ্বেতাঙ্গ আধিপত্য এবং বর্ণবাদী মনোভাবের অবসান ঘটাতে হবে।” এমনকি তিনি অভিযোগ করেছিলেন যে, তাঁকে বিষ খাওয়ানো হয়েছিল, জোরপূর্বক বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল এবং নিয়মিত নজরদারির শিকার হতে হয়েছে।

পরিবারের দাবি: নিহত ইঞ্জিনিয়ারের পরিবার জানিয়েছে, মৃত্যুর আগে নিজামউদ্দিন নিজেই পুলিসকে ফোন করেছিলেন সাহায্যের জন্য। কিন্তু তাঁকেই গুলি করে হত্যা করা হলো। তাঁরা পূর্ণাঙ্গ তদন্ত এবং মরদেহ দ্রুত ভারতে ফেরানোর দাবি জানিয়েছেন।

সরকারি তদন্ত ও প্রতিক্রিয়া

সান্তা ক্লারা কাউন্টি জেলা অ্যাটর্নি অফিস ও পুলিস একসঙ্গে ঘটনার তদন্ত করছে। তবে পরিবারের দাবি, শুধু সাধারণ তদন্ত নয়, আন্তর্জাতিক স্তরে বিষয়টি খতিয়ে দেখা উচিত। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের (MEA) সাহায্যে মরদেহ ফেরানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক তৎপরতা

মজলিস বাঁচাও তেহরিক (MBT)-এর মুখপাত্র আমজেদ উল্লাহ খান নিহত ইঞ্জিনিয়ারের পরিবারকে সহায়তা করছেন। তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রী এস. জয়শঙ্করকে চিঠি লিখে দ্রুত পদক্ষেপের অনুরোধ জানিয়েছেন। পাশাপাশি ভারতীয় দূতাবাস ও সান ফ্রান্সিসকো কনস্যুলেটকে মরদেহ ফিরিয়ে আনার কাজে সহযোগিতা করতে বলেছেন।

বর্ণবৈষম্যের অভিযোগ ঘিরে বিতর্ক

ঘটনাটি ঘিরে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে—মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দক্ষিণ এশীয় অভিবাসীরা কি ক্রমশ বর্ণবৈষম্যের শিকার হচ্ছেন? মানবাধিকার কর্মীদের দাবি, এই ঘটনায় স্বচ্ছ তদন্ত হওয়া জরুরি। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত ভারতীয় সম্প্রদায় শোক ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে।

উপসংহার

মহম্মদ নিজামউদ্দিনের মৃত্যু শুধু একটি পরিবারের নয়, গোটা ভারতীয় অভিবাসী সমাজের কাছে বেদনাদায়ক ও তাৎপর্যপূর্ণ। ঘটনাটি আইনশৃঙ্খলা, মানবাধিকার ও কূটনৈতিক দায়িত্ব নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। পরিবার যেমন ন্যায়বিচারের দাবি তুলেছে, তেমনই আন্তর্জাতিক মহলেও ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি উঠছে। আগামী দিনে এই তদন্ত কতদূর অগ্রসর হয়, সেটিই এখন দেখার।

#ভারতীয়ইঞ্জিনিয়ার #ক্যালিফোর্নিয়ামৃত্যু #সান্তাক্লারা #পুলিশগুলিকাণ্ড #বর্ণবৈষম্য #হায়দরাবাদ #তেলঙ্গানা #IndianEngineer #SantaClaraShooting #RacismInUSA

অমিত শাহর বাড়িতে বৈঠক, নির্ধারিত হবে BCCI প্রেসিডেন্ট নির্বাচন!

অমিত শাহর বাড়িতে বৈঠক, নির্ধারিত হবে BCCI প্রেসিডেন্ট নির্বাচন!

অমিত শাহর বাড়িতে বৈঠক, নির্ধারিত হবে BCCI প্রেসিডেন্ট নির্বাচন!

🗓️ আপডেট: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

BCCI প্রেসিডেন্ট নির্বাচন বৈঠক

📸 অমিত শাহর বাসভবনে ক্রিকেট বোর্ড নির্বাচন নিয়ে বৈঠক

Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো: ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (BCCI)-এর নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গিয়েছে। শনি বার দিল্লিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর বাড়িতে হবে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক, যেখানে উপস্থিত থাকবেন আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহসহ ক্রিকেট বোর্ডের শীর্ষ কর্তারা।

🔹 কারা কারা থাকছেন দৌড়ে?

বোর্ড প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দৌড়ে নাম উঠে এসেছে একাধিক হেভিওয়েট ব্যক্তিত্বের। এর মধ্যে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছেন প্রাক্তন ভারতীয় অধিনায়ক এবং প্রাক্তন বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁর জনপ্রিয়তা এবং প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা তাঁকে প্রায় শীর্ষ স্থানে নিয়ে এসেছে।

এছাড়া প্রাক্তন ভারতীয় স্পিনার হরভজন সিং-এর নামও আলোচনায় রয়েছে। তিনি গত কয়েক বছর ধরে সক্রিয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হলেও, ক্রিকেট প্রশাসনেও তাঁর ভূমিকা নিয়ে আলোচনা চলছে।

কর্নাটক ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধি রঘুরাম ভাটও প্রতিযোগিতায় আছেন বলে সূত্রের খবর। দক্ষিণ ভারতের ক্রিকেটে তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে।

🔹 কেন অমিত শাহর বাড়িতে বৈঠক?

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ শুধু রাজনীতিতেই নয়, ক্রিকেট প্রশাসনেও যথেষ্ট প্রভাবশালী। তাঁর উপস্থিতিতে বৈঠক হওয়া মানে এই নির্বাচন কেবল ক্রিকেটীয় নয়, রাজনৈতিক সমীকরণের সঙ্গেও যুক্ত।

জানা গিয়েছে, বৈঠকে আলোচনা হবে প্রেসিডেন্ট পদে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে। একই সঙ্গে বোর্ডের কার্যপদ্ধতি, রাজ্য ক্রিকেট সংস্থাগুলির সমর্থন এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ভারতের অবস্থান নিয়েও বিশদ মতবিনিময় হবে।

🔹 জয় শাহর ভূমিকা

BCCI সচিব হিসেবে গত কয়েক বছর ধরে জয় শাহ প্রশাসনিক ক্ষেত্রে নিজের দৃঢ়তা দেখিয়েছেন। তাঁর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলে ভূমিকা আরও জোরদার হয়েছে। সূত্রের খবর, প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ঘিরে তাঁর পরামর্শ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

🔹 মনোনয়ন জমার শেষ দিন ও সময়সীমা

বোর্ড সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রেসিডেন্ট পদের মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ২২ সেপ্টেম্বর। ফলে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই পরিষ্কার হয়ে যাবে কার হাতে যাবে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের হাল।

🔹 সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের সম্ভাবনা

প্রশ্ন উঠছে—সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় কি আবারও বোর্ড প্রেসিডেন্ট হতে চলেছেন? ক্রিকেট মহলের একাংশ মনে করছেন, তাঁর অভিজ্ঞতা ও আন্তর্জাতিক সংযোগের কারণে তিনি শীর্ষ প্রতিযোগী। তবে রাজনৈতিক প্রভাব, ভেতরের সমীকরণ এবং অন্যান্য প্রার্থীদের অবস্থানও সমান গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

🔹 রাজনৈতিক প্রভাব

ভারতে ক্রিকেট কেবল খেলা নয়, এক রাজনৈতিক শক্তিও। তাই BCCI নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক দলগুলিরও আগ্রহ প্রবল। অমিত শাহের উপস্থিতি সেই রাজনৈতিক সমীকরণকে আরও প্রকট করেছে।

বোর্ডের ভেতরের লবি, রাজ্য ক্রিকেট সংস্থার সমর্থন, কেন্দ্রীয় প্রভাব—সব মিলিয়ে এই নির্বাচন কেবল একটি ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্ব বহন করছে।

🔹 উপসংহার

সব চোখ এখন শনিবারের বৈঠকের দিকে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই স্পষ্ট হয়ে যাবে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট কে হবেন। সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় কি আবারও ভারতীয় ক্রিকেটের হাল ধরবেন, নাকি উঠে আসবেন নতুন কোনও মুখ—এই নিয়েই এখন উত্তেজনা চরমে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর
👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

লুকিয়ে বিজেপি করেন রাজ্যের মন্ত্রী' – সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী ফের বিক্ষোভের মুখে

'লুকিয়ে বিজেপি করেন রাজ্যের মন্ত্রী' – সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী ফের বিক্ষোভের মুখে

'লুকিয়ে বিজেপি করেন রাজ্যের মন্ত্রী' – সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী ফের বিক্ষোভের মুখে

🗓️ আপডেট: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী বিক্ষোভ

📸 মন্তেশ্বরে বিক্ষোভের মুখে রাজ্যের মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী

জুলাই মাসের শুরুতে মন্তেশ্বরে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়েছিলেন রাজ্যের গ্রন্থাগারমন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী। সেই সময় তাঁর গাড়িতে হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ ওঠে। দাবি করা হয়, হামলাটি করেছিলেন তাঁর নিজের দলীয় কর্মীদের একাংশ। সেই সময় ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি দল ছাড়ার হুমকিও দেন।

তবে পরিস্থিতি শান্ত হওয়ার আগেই ফের বিতর্কে জড়িয়ে পড়লেন তিনি। বৃহস্পতিবার আবারও বিক্ষোভের মুখে পড়তে হল তাঁকে। অভিযোগ, বিক্ষোভকারীরা ছিলেন তৃণমূল কর্মীরাই। তাঁদের অভিযোগ, মন্ত্রী গোপনে বিজেপিকে সাহায্য করছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বিক্ষোভ চলাকালীন পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশ দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। যদিও এই বিষয়ে মন্ত্রীর তরফ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে, ভোটের আগে মন্ত্রীর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ তৃণমূলের ভেতরে ভাঙন তৈরি করছে কি না। দলীয় নেতৃত্ব এখনও পর্যন্ত কোনও মন্তব্য করেননি। তবে রাজনৈতিক মহলের মতে, এই ধরনের বিক্ষোভ তৃণমূলের ভাবমূর্তিতে প্রভাব ফেলতে পারে।

কমিশনের নতুন পোর্টাল চালু: ভোটকর্মীদের জন্য বড় পদক্ষেপ

কমিশনের নতুন পোর্টাল চালু: ভোটকর্মীদের জন্য বড় পদক্ষেপ

কমিশনের নতুন পোর্টাল চালু: ভোটকর্মীদের জন্য বড় পদক্ষেপ

📅 আপডেট: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

নতুন ভোটকর্মী পোর্টাল উদ্বোধন

ছবি: নতুন ভোটকর্মী পোর্টাল উদ্বোধনের প্রতীকী চিত্র

Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো: বিধানসভা ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই কমিশনের প্রস্তুতিও তুঙ্গে। ভোট পরিচালনার ক্ষেত্রে অন্যতম মূল দায়িত্বে থাকেন ভোটকর্মীরা। এবার তাঁদের কাজ আরও সহজ করতে উদ্যোগ নিল বাংলার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (CEO) দফতর। বৃহস্পতিবার ভার্চুয়ালি উদ্বোধন হল নতুন বিশেষ পোর্টাল (emms.wb.gov.in), যা ভোটকর্মীদের জন্য একাধিক সুবিধা নিয়ে আসছে।

নতুন পোর্টালের উদ্দেশ্য

নতুন এই পোর্টাল মূলত ভোটকর্মীদের কাজকে প্রযুক্তিনির্ভর ও সময়োপযোগী করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। সূত্রের খবর, এ বার প্রায় ১৪ হাজার নতুন ভোটকেন্দ্র বাড়তে চলেছে। সেই প্রেক্ষিতে একটি সুসংহত তথ্যভান্ডার গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়েছে কমিশন।

মূল বৈশিষ্ট্য

  • অনলাইন প্রশিক্ষণের সুযোগ
  • দক্ষতা যাচাইয়ের জন্য অনলাইন পরীক্ষা
  • ৩২ হাজার ভোটকর্মীর তথ্যভান্ডার তৈরির কাজ
  • সহজ যোগাযোগের ব্যবস্থা

সিইওর বক্তব্য

উদ্বোধনের সময় বাংলার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল বলেন— “ভোটকর্মীরা নির্বাচনী প্রক্রিয়ার মেরুদণ্ড। তাঁদের কাজকে আরও সহজ করতে এই পোর্টাল চালু করা হয়েছে। এতে স্বচ্ছতা, দ্রুততা ও কার্যকারিতা বাড়বে।”

ভোটকর্মীদের প্রত্যাশা

ভোটকর্মীদের একাংশ মনে করছেন, আগের মতো নথিপত্র নিয়ে ঝামেলায় আর পড়তে হবে না। অনলাইন প্রশিক্ষণ ও পরীক্ষার সুবিধা থাকায় তাঁদের সময় ও শ্রম দুটোই বাঁচবে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষণ

রাজনৈতিক মহলের মতে, এত বড় সংখ্যায় নতুন ভোটকেন্দ্র যুক্ত হওয়া একটি তাৎপর্যপূর্ণ বিষয়। বাড়তি ভোটকেন্দ্র মানেই আরও বেশি ভোটারের কাছে পৌঁছনোর সুযোগ। তাই এই পদক্ষেপ কেবল প্রশাসনিক নয়, রাজনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ।

আগামীর দিশা

কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, ধাপে ধাপে পোর্টালটিতে আরও নতুন ফিচার যোগ করা হবে। যেমন— ভোটকেন্দ্রের অবস্থান জানার জন্য ইন্টিগ্রেটেড ম্যাপ, জরুরি তথ্য জানাতে বিশেষ নোটিফিকেশন সিস্টেম ইত্যাদি।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে
হ্যাশট্যাগ:
#ভোট #নতুনপোর্টাল #নির্বাচনকমিশন #ভোটকর্মী #পশ্চিমবঙ্গনির্বাচন #Election2026 #emmsPortal

ভোটের আগে বিজেপির হেভিওয়েট সিদ্ধান্ত, কৌশল বৈঠকে শুভেন্দু-সুকান্ত

ভোটের আগে বিজেপির হেভিওয়েট সিদ্ধান্ত, কৌশল বৈঠকে শুভেন্দু-সুকান্ত

ভোটের আগে ‘হেভিওয়েট’ সিদ্ধান্ত বিজেপির

🗓️ প্রকাশিত: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | ✍️ Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো

ভোটের ঢাকে কাঠি পড়ে গিয়েছে। ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে বাংলায়। এরই মধ্যে সংগঠনকে চাঙ্গা করতে ও কৌশল নির্ধারণে সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক বিএল সন্তোষ কলকাতায় হেভিওয়েট বৈঠক করেন। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, দলের কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক অমিত মালব্য, রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ নেতারা যেমন শমীক ভট্টাচার্য, অমিতাভ চক্রবর্তী, দীপক বর্মন এবং জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়

বৈঠকের উদ্দেশ্য

  • সংগঠন চাঙ্গা করা
  • কর্মীদের মনোবল বৃদ্ধি
  • SIR (Social, Ideological & Regional) কৌশল প্রয়োগ
  • প্রচার কৌশল নির্ধারণ

চ্যালেঞ্জ

বাংলায় বিজেপির প্রধান চ্যালেঞ্জ হচ্ছে সংগঠন ধরে রাখা, গ্রামীণ ভোটারদের আস্থা অর্জন, তৃণমূলের শক্ত প্রতিপক্ষ হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠা এবং বিশেষ অঞ্চলে ভোটব্যাঙ্ক গড়ে তোলা।

শুভেন্দু ও সুকান্তর বার্তা

শুভেন্দু অধিকারী: “আমরা বুথে বুথে পৌঁছাব। মানুষের সমস্যার কথা তুলে ধরব। বাংলার মানুষ পরিবর্তন চাইছে।”

সুকান্ত মজুমদার: “কেন্দ্রের উন্নয়নকে বাংলার ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে হবে। সংগঠনই আমাদের মূল শক্তি।”

তৃণমূলের প্রতিক্রিয়া

তৃণমূল কংগ্রেস কটাক্ষ করে জানিয়েছে, “বিজেপি জানে বাংলায় তাদের কোনও ভিত্তি নেই। তাই বারবার কেন্দ্রীয় নেতাদের এনে দেখানোর চেষ্টা করছে তারা।”

রাজনৈতিক বিশ্লেষণ

রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বৈঠক বিজেপির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নেতৃত্বের মধ্যে বিভাজন কমানো, সংগঠনের বার্তা ভোটারদের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং জাতীয় রাজনীতির অঙ্গ হিসেবে বাংলার নির্বাচনে গুরুত্ব প্রদর্শন—এই বৈঠকের মূল দিক।

BJP Meeting
কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকে শুভেন্দু অধিকারী, সুকান্ত মজুমদার ও অন্যান্যরা।
বৈঠকের মূল বিষয়:
  • সংগঠন শক্তিশালী করা
  • SIR কৌশল প্রয়োগ
  • বুথ পর্যায়ে নজরদারি
  • ডিজিটাল প্রচারে জোর
#বিজেপি #পশ্চিমবঙ্গনির্বাচন #শুভেন্দুঅধিকারী #সুকান্তমজুমদার #BJPMeeting #IndianPolitics #Election2026 #BJPStrategy #রাজনীতি

ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল কামচাটকা: রিখটার ৭.৮, সুনামি সতর্কতা জারি

ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল কামচাটকা: রিখটার ৭.৮, সুনামি সতর্কতা জারি

ভূমিকম্প! রাশিয়ার কামচাটকায় জারি সুনামি সতর্কতা

Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো | আপডেট: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

সংক্ষিপ্ত সারসংক্ষেপ: পূর্ব রাশিয়ার কামচাটকা উপকূলে বৃহস্পতিবার রাতে শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে; ইউএসজিএস মূল্যায়ন অনুযায়ী এর মাত্রা ছিল প্রায় ৭.৮ (কয়েকটি রিপোর্টে ভিন্ন ভিন্ন রেকর্ডিং প্রকাশ পেয়েছে)। ভূমিকম্পের পর স্থানীয় কর্তৃপক্ষ সুনামি সতর্কতা জারি করে পর্যবেক্ষণ শুরু করে। এখন পর্যন্ত তাত্পর্যপূর্ণ বড় ধরণের ধ্বংস বা মানুষহানি সম্পর্কে পূর্ণতা পাওয়া যায়নি — পরিস্থিতি চলমান ও পর্যবেক্ষণাধীন।

Kamchatka earthquake aftermath
কামচাটকা উপকূল — ভূমিকম্পের পরে জরুরি সাড়া কার্যক্রম (ফাইল চিত্র / প্রতীকী ছবি)

ভূমিকম্পের বিবরণ

যুক্তরাষ্ট্রীয় ভূতাত্ত্বিক সমীক্ষা (USGS) বলছে ক্ষতবিক্ষত ওই কম্পন ছিল মাত্রা ৭.৮— উৎসস্থান ছিল পেত্রোপাভলভস্ক-কামচাটস্কি শহর থেকে প্রায় ১২০–১৩০ কিলোমিটার পূর্বে; কম্পনের গভীরতা ছিল প্রায় ২০ কিমি-এর আশেপাশে (প্রাথমিক রিপোর্টে ভিন্নতা থাকতে পারে)। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার রাতেই এই ভূকম্পন পরিলক্ষিত হওয়ায় পূর্ব রাশিয়ার উপকূলবাসীর মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করেছিল।

সুনামি সতর্কতা ও পরে আপডেট

প্রাথমিকভাবে রাশিয়ার স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও আন্তর্জাতিক টাসুনামি মনিটরিং ব্যবস্থা কিছু এলাকা সম্পর্কে সতর্কতা/অ্যাডভাইজরি জারি করে। পরে পর্যবেক্ষণ ও সিস্টেমাল ডেটা বিশ্লেষণের পর কিছু স্থানে সতর্কতা হালকা করা বা তুলে নেওয়ার সংবাদ এসেছে; একইসঙ্গে উপকূলীয় কিছু অঞ্চলে অল্পমাত্রার সাগরস্তর পরিবর্তন (ছোটা ছোটা ঢেউ) নথিভুক্ত করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

কী জানা গেছে (সংক্ষিপ্ত পয়েন্ট):
  • USGS অনুসারে প্রাথমিক ম্যাগনিচিউড ~৭.৮।
  • এপিসেন্টার: Petropavlovsk-Kamchatsky থেকে প্রায় ১২০–১৩০ কিমি পূর্বে।
  • কিছু রিপোর্টে স্থানীয় গভর্নরের তরফ থেকে মেজরিটি ৭.২ হিসেবে রেকর্ড করার কথাও বলা হচ্ছে—এই রকম মাপের পার্থক্য প্রাথমিক সময় ভিন্ন সংস্থার তথ্য সংগ্রহের কারণে ঘটে থাকে।
  • কয়েক দিন আগেও একই অঞ্চলে শক্তিশালী ভূকম্পনের ঘটনা ঘটেছে — তাই সেটি বড় ভূমিকম্পের ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে (aftershock/related seismicity)।
  • এখন পর্যন্ত স্থানীয়ভাবে বড় ধরণের ব্যাপক ধ্বংস বা প্রাঞ্জল জনহানির রিপোর্ট পাওয়া যায়নি — দ্রুত জরুরি মূল্যায়ন চলছে।

কো শঙ্কা ছিল ও কেমন ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে

উপকূলীয় জনসাধারণকে নিরাপদ উচ্চভূমিতে সরিয়ে নেওয়া বা সচেতন থাকার অনুরোধ করা হয়। স্থানীয় জরুরি কর্তৃপক্ষ দ্রুত বিডি (damage) চেক চালাচ্ছে— স্কুল, হাসপাতাল ও অন্যান্য সামাজিক প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনের আদেশ দেয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা উল্লেখ করেছেন যে পূর্বের বড় ভূমিকম্পের পর এই রকম অনুক্রম (aftershocks) সাধারণ—তাই স্থানীয় জনগণ ও নেভিগেশন/মৎস্যচালকদের জন্য সতর্কতা বজায় রাখতে বলেছে কর্তৃপক্ষ।

কেন এমন পুনরাবৃত্তি ঘটছে?

কামচাটকা-করিল দ্বীপপুঞ্জ এলাকা হলো প্যাসিফিক রিং-অফ-ফায়ারের একটি অত্যন্ত সক্রিয় সিসমিক জোন। ভূমির গতিশীলতা, প্লেট ইন্টারঅ্যাকশান এবং বড় মাত্রার রিলিজ হওয়া শক্তি এখানকার ভূমিকম্প ক্রমনিয়মের কারণ। সাম্প্রতিক মাসে ওই অঞ্চলেই বড় একটি ৮-এর মতো ভূমিকম্প হওয়ার পরে ভূমিকম্পীয় aftershock শৃঙ্খল বিবেচিত হচ্ছে—এর অংশ হিসেবে আবার শক্তিশালী কম্পন অনুভূত হয়েছে।

আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া ও রিকভারির প্রস্তুতি

ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা নির্ণয় করে রাশিয়ার জরুরি মন্ত্রণালয় ও স্থানীয় প্রশাসন জরুরি টিম মোতায়েন করেছে। প্যাসিফিক অঞ্চলের কিছু দেশ (বিশেষত অল্প-উচু উপকূলীয় দ্বীপ ও আলাস্কার পশ্চিমাঞ্চল) পর্যবেক্ষণ বাড়িয়েছে এবং প্রয়োজনে স্থানীয় প্রস্তুতি (evacuation advisories) জারি করেছে। তবে যে সব বড় দেশীয় জরুরী সেন্টার রয়েছে তারা বলেছে—ওই ভূমিকম্পের কারণে বৃহৎ পরিসরের তাণ্ডবের আশঙ্কা এখন পর্যন্ত নিম্ন বলে দেখা যাচ্ছে; পরিস্থিতি পরিবর্তনশীল হওয়ায় পর্যবেক্ষণ অব্যাহত থাকবে।

পাঠকগণের জন্য করণীয় (সতর্কতা):

যদি আপনি প্যাসিফিক উপকূলীয় জোনে থাকেন বা যাত্রী হিসেবে সেখানে যেতে চলেছেন— স্থানীয় জরুরি বার্তা, টিভি, রেডিও ও সরকারি সোর্স মনিটর করুন; সমুদ্রে ঢোকার আগে স্থানীয় আদেশ দেখুন; যদি সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়—তৎক্ষণাৎ নিরাপদ উচ্চভূমিতে উঠুন।

হ্যাশট্যাগ:
#কামচাটকা #ভূমিকম্প #TsunamiWarning #RussiaEarthquake #NaturalDisaster #YBanglaDigital
সূত্র: আন্তর্জাতিক ভূতাত্ত্বিক সংস্থাগুলির প্রাথমিক রিপোর্ট, রুশ স্থানীয় প্রশাসনিক বিবৃতি ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের লাইভ কভারেজ। আমরা তথ্য আপডেট পেলে প্রতিবেদন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে রিফ্রেশ করব।

আদানি গোষ্ঠী নিয়ে সাংবাদিকদের নিষেধাজ্ঞা বাতিল, আদালতের বড় সিদ্ধান্ত

আদানি গোষ্ঠী নিয়ে সাংবাদিকদের নিষেধাজ্ঞা বাতিল, আদালতের বড় সিদ্ধান্ত

আদানি গোষ্ঠী নিয়ে সাংবাদিকদের নিষেধাজ্ঞা বাতিল, আদালতের বড় সিদ্ধান্ত

📅 আপডেট: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
আদানি গোষ্ঠী নিয়ে আদালতের সিদ্ধান্ত
দিল্লির আদালত আদানি গোষ্ঠী সংক্রান্ত সাংবাদিকদের ওপর নিষেধাজ্ঞা বাতিল করল

Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো: সাংবাদিকতার স্বাধীনতার পক্ষে একটি বড় জয় এল দিল্লির আদালতে। আদানি গোষ্ঠী সম্পর্কে খবর প্রকাশে যে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছিল, তা বাতিল করে দিল আদালত। সাংবাদিক রবি নায়ার, আবীর দাশগুপ্ত, অয়স্কান্ত দাস ও আয়ুষ জোশীর দাখিল করা আবেদনের ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

পটভূমি

কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক বুধবার এক নির্দেশে আদানি গোষ্ঠী সম্পর্কিত ১৩৮টি ভিডিও এবং ৮৩টি ইনস্টাগ্রাম পোস্ট মুছে ফেলার জন্য একাধিক সংবাদ ওয়েবসাইট ও ইউটিউব চ্যানেলকে নোটিস পাঠায়। এই পদক্ষেপকে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার উপর হস্তক্ষেপ বলে মনে করেছিলেন সাংবাদিকরা।

আদালতের রায়

দিল্লির আদালত জানায়, গণতান্ত্রিক সমাজে সংবাদমাধ্যমকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে দিতে হবে। কোনও শিল্পগোষ্ঠী বা সংস্থার স্বার্থরক্ষার জন্য সংবাদমাধ্যমকে দমন করা যায় না। তাই আদানি গোষ্ঠীকে ঘিরে সাংবাদিকদের কাজকর্মে যে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছিল, তা সম্পূর্ণভাবে বাতিল করা হলো।

সাংবাদিকদের প্রতিক্রিয়া

আদালতের রায়ের পর সাংবাদিক রবি নায়ার জানান, “এটি শুধু আমাদের নয়, সারা দেশের সাংবাদিকদের জয়। সংবাদ প্রকাশে বাধা দেওয়ার প্রচেষ্টা বারবার হয়েছে, কিন্তু আদালত এবার দেখিয়ে দিল গণতন্ত্রে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা সর্বাগ্রে।”

মিডিয়া ও আইনজীবীদের মতামত

মিডিয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, এই রায় ভবিষ্যতের জন্য নজির সৃষ্টি করবে। কারণ এর ফলে সাংবাদিকরা সাহস পাবেন যেকোনও বড় কর্পোরেট সংস্থার বিরুদ্ধে তদন্তমূলক প্রতিবেদন প্রকাশ করতে। আইনজীবীরা বলেন, আদালতের এই সিদ্ধান্ত ভারতীয় সংবিধানের ১৯(১)(এ) অনুচ্ছেদে উল্লেখিত মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে আরও জোরদার করেছে।

কেন্দ্রীয় সরকারের পদক্ষেপ ও বিতর্ক

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের পদক্ষেপকে অনেকে ‘অতিরিক্ত সেন্সরশিপ’ বলে মন্তব্য করেছিলেন। মানবাধিকার সংগঠন এবং বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন এই নির্দেশের বিরোধিতা করে। আদালতের রায়ের পর তাঁদের বক্তব্য, এই রায় প্রমাণ করেছে যে প্রশাসনিক ক্ষমতা দিয়ে সংবাদ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা সফল হবে না।

আদানি গোষ্ঠীর অবস্থান

আদানি গোষ্ঠী এখনও এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি। তবে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা, কর্পোরেট সংস্থার ভাবমূর্তি রক্ষার জন্য সরকারের সক্রিয় ভূমিকা নিয়েই প্রশ্ন উঠছে। অনেকেই মনে করছেন, এটি রাজনৈতিক প্রভাব খাটানোর একটি উদাহরণ।

ভবিষ্যতের প্রভাব

এই রায়ের ফলে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে একটি নতুন দিশা তৈরি হতে পারে। সাংবাদিকরা আরও স্বাধীনভাবে রিপোর্ট করতে পারবেন। একই সঙ্গে, প্রশাসন ও কর্পোরেট শক্তির মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার ক্ষেত্রে আদালতের ভূমিকা নতুনভাবে মূল্যায়িত হবে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

হ্যাশট্যাগ

#আদানি_গোষ্ঠী #সাংবাদিক_স্বাধীনতা #দিল্লি_আদালত #রবি_নায়ার #আবীর_দাশগুপ্ত #অয়স্কান্ত_দাস #আয়ুষ_জোশী #MediaFreedom #AdaniCase #YBanglaDigital

বাংলা ভোট ২০২৬: বিজেপি-আরএসএস সমন্বয় মডেল কি মহারাষ্ট্রের পথ অনুসরণ করবে?

বাংলা ভোট ২০২৬: বিজেপি-আরএসএস সমন্বয় মডেল কি মহারাষ্ট্রের পথ অনুসরণ করবে?

বাংলা ভোট ২০২৬: বিজেপি-আরএসএস সমন্বয় মডেল কি মহারাষ্ট্রের পথ অনুসরণ করবে?

📅 আপডেট: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
বিজেপি-আরএসএস সমন্বয় বৈঠক
নিউ টাউনের একটি হোটেলে বিজেপি-আরএসএস বৈঠক, উপস্থিত ছিলেন বিএল সন্তোষ

Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো: নিছক বঙ্গ বিজেপির সাংগঠনিক শক্তির উপর নির্ভর করে ২০২৬–এর বিধানসভা ভোটে নামতে চাইছে না নরেন্দ্র মোদী–অমিত শাহদের নেতৃত্বাধীন দল। বরং তাঁরা চাইছেন মহারাষ্ট্রে ২০২৪–এর মডেল অনুসরণ করে বাংলায়ও আরএসএসকে পূর্ণ শক্তিতে কাজে লাগাতে।

বিএল সন্তোষের কলকাতা সফর

বিজেপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক (সাংগঠনিক) বিএল সন্তোষ সম্প্রতি দিল্লি থেকে কলকাতায় আসেন। তিনি আরএসএস, বিশ্ব হিন্দু পরিষদ এবং রাজ্য বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেন। নিউ টাউনের একটি পাঁচতারা হোটেলে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকগুলি থেকে স্পষ্ট, আগামী বিধানসভা ভোটে বিজেপি–আরএসএস সমন্বয় বাড়াতে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তৎপর।

মহারাষ্ট্র মডেলকে সামনে রেখে

২০২৪ সালে মহারাষ্ট্রে বিধানসভা ভোটের আগে আরএসএস দফায় দফায় বৈঠক করে বিজেপির পাশে দাঁড়িয়েছিল। প্রতিটি ভোটারের দরজায় পৌঁছে ‘হিন্দু সংহতি’–র বার্তা পৌঁছে দিয়েছিল সঙ্ঘ পরিবার। তার ফলেই বিজেপি লাভবান হয়েছিল। বাংলায় একইভাবে নভেম্বর থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত আরএসএস ঘরে ঘরে প্রচারের পরিকল্পনা নিয়েছে।

আরএসএসের একশো বছর পূর্তি উপলক্ষে প্রচার

আরএসএসের এক শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে দেশজুড়ে নানা কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। বাংলায়ও এর ব্যতিক্রম হবে না। আরএসএসের দাবি, তারা কেবল সামাজিক সংগঠন হিসেবে কাজ করবে। তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে, এর সুফল বিজেপির ভোটবাক্সে পড়বে।

সংখ্যালঘু অধ্যুষিত নয় এমন বুথে নজর

রাজ্যে এখনও অনেক বুথ রয়েছে যেখানে বিজেপি কমিটি গড়ে তুলতে পারেনি। আরএসএস ও বিশ্বহিন্দু পরিষদ নেতৃত্ব সেসব বুথে সক্রিয়ভাবে সংগঠন তৈরির উদ্যোগ নিচ্ছে। বিএল সন্তোষ স্পষ্ট জানিয়েছেন, আরএসএসের সক্রিয়তা যত বাড়বে, তত বেশি লাভবান হবে বিজেপি।

বিজেপি-আরএসএস পারস্পরিক লাভক্ষতি

বিজেপির একাংশ মনে করছে, এতে তাদের কর্মীদের মনোবল বাড়বে। তবে অন্য অংশের দাবি, আরএসএসও বিজেপির সাংগঠনিক শক্তিকে ব্যবহার করে নিজেদের প্রভাব বিস্তার করবে। যেমন, পূর্ব মেদিনীপুরে শুভেন্দু অধিকারীর ঘাঁটি হওয়ায় আরএসএস তাদের শতবর্ষ উদযাপন কর্মসূচি সেখানেই করতে চাইছে। এতে রাজনৈতিকভাবে উভয় পক্ষই লাভবান হতে পারে।

আগামীর দিকনির্দেশ

রাজনৈতিক মহল মনে করছে, মহারাষ্ট্র মডেল বাংলায় কার্যকর হলে বিজেপির সম্ভাবনা বাড়বে। তবে আরএসএস কতটা সক্রিয়ভাবে রাজনীতিতে ভূমিকা নেবে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

Featured post

Y বাংলা নিউজ ডেস্ক রিপোর্ট আজ, শনিবার দুপুরে পশ্চিমবঙ্গে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। দুপুর পৌনে ১টা নাগাদ তাঁর মালদা টাউন...

Search This Blog