Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Saturday, 20 September 2025

অসমে জুবিন গর্গের শেষকৃত্য: মুখ্যমন্ত্রী হিমন্তবিশ্ব শর্মার উদ্বেগ

অসমে জুবিন গর্গের শেষকৃত্য: মুখ্যমন্ত্রী হিমন্তবিশ্ব শর্মার উদ্বেগ | Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো

অসমে জুবিন গর্গের শেষকৃত্য: মুখ্যমন্ত্রী হিমন্তবিশ্ব শর্মার উদ্বেগ

🗓️ আপডেট: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

জুবিন গর্গের শেষকৃত্য 📸 মুখ্যমন্ত্রী হিমন্তবিশ্ব শর্মা জুবিন গর্গের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করছেন

Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো: অসমে প্রিয় গায়ক জুবিন গর্গের মৃত্যুতে রাজ্যজুড়ে শোকের আবহ তৈরি হয়েছে। শুক্রবার রাতে মুখ্যমন্ত্রী হিমন্তবিশ্ব শর্মা জুবিন গর্গের বাসভবনে হাজির হয়ে পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দেন। তিনি জানান, সিঙ্গাপুর থেকে শিল্পীর মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া জোরকদমে চলছে।

মরদেহ আসার প্রস্তুতি

মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী, শনিবার বিকেলে জুবিন গর্গের মরদেহ অসমে পৌঁছাবে। এরপর মরদেহ সরুসজাইতে রাখা হবে, যেখানে সাধারণ মানুষ প্রিয় শিল্পীকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে পারবেন।

রাষ্ট্রীয় মর্যাদা

অসম সরকার জুবিন গর্গকে যথাযোগ্য রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শ্রদ্ধা জানানোর ব্যবস্থা করেছে। পুরো রাজ্য শোকের আবহে রয়েছে। সরকার ও শিল্পী পরিবার মিলিয়ে এই শেষকৃত্য অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হচ্ছে।

জনসাধারণের প্রতি আহ্বান

সাধারণ মানুষদেরও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে সরুসজাইতে এসে শিল্পীকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে। সামাজিক মাধ্যমেও হাজার হাজার ভক্ত শোকপ্রকাশ করেছেন।

শিল্পীর জীবনের সংক্ষিপ্ত আলোচনা

জুবিন গর্গের সঙ্গীতজীবন শুরু হয়েছিল খুব ছোটবেলায়। মায়ের কাছ থেকেই প্রথম গান শেখা। ১৯৯২ সালে পেশাদারীভাবে গান শুরু করেন। 'ইয়া আলি', 'মন মানে না', 'পিয়া রে' তাঁর জনপ্রিয় গান। তিনি বাংলা ও হিন্দি সিনেমায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।

ভক্ত ও শিল্পী পরিবারের প্রতিক্রিয়া

পরিবার ও ভক্তরা এই আকস্মিক মৃত্যুকে মেনে নিতে পারছেন না। শিল্পী পরিবারের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানানো হয়েছে সকলকে যারা শোকের সময় সমবেদনা প্রকাশ করেছেন।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

বাংলাদেশে পরিচয় লুকিয়ে মহড়া মার্কিন সেনার

বাংলাদেশে পরিচয় লুকিয়ে মহড়া মার্কিন সেনার | Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো

বাংলাদেশে পরিচয় লুকিয়ে মহড়া মার্কিন সেনার

🗓️ আপডেট: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশে মার্কিন সেনাদের মহড়া 📸 বাংলাদেশে মার্কিন সেনাদের গোপন মহড়া ঘিরে বিতর্ক

Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো: বাংলাদেশে হঠাৎ করেই আলোড়ন তৈরি করেছে মার্কিন সেনাদের গোপন মহড়া। চট্টগ্রামে প্রায় ১২০ জন মার্কিন সেনা এসেছিলেন বলে সূত্রের খবর। স্থলবাহিনী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিমান বাহিনীর আধিকারিকরা। কিন্তু সবচেয়ে বড় প্রশ্ন— কেন তাঁদের পরিচয় গোপন রাখা হল?

রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য

এই ঘটনায় বাংলাদেশি রাজনীতিতে তীব্র জল্পনা শুরু হয়েছে। বিরোধী দলের দাবি, সরকার আমেরিকার সঙ্গে কোনও গোপন সামরিক চুক্তি করেছে, যা জনসমক্ষে আনা হয়নি। অপরদিকে, সরকারি মহল এখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

মহড়ার পেছনে সম্ভাব্য কারণ

বিশ্লেষকদের মতে, দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি আগ্রহই এই মহড়ার কারণ হতে পারে। ভারত মহাসাগর এবং বঙ্গোপসাগর অঞ্চলে কৌশলগত দখল বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরেই কাজ করছে। বাংলাদেশও হয়তো এই কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠছে।

সেনাদের পরিচয় কেন গোপন?

সবচেয়ে বিতর্কিত বিষয় হল সেনাদের পরিচয় গোপন রাখা। সাধারণত কোনও যৌথ মহড়ায় আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি থাকে। কিন্তু এবার সেই নিয়ম মানা হয়নি। এ থেকেই জল্পনা আরও বাড়ছে যে, এর পেছনে কোনও রাজনৈতিক গোপন ছক লুকিয়ে আছে কি না।

বিরোধী দলের প্রতিক্রিয়া

বিরোধী দলগুলি অভিযোগ তুলেছে, বাংলাদেশকে "মিলিটারি এক্সপেরিমেন্ট জোন" বানাতে চাইছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তাঁদের দাবি, জনগণের সঙ্গে আলোচনা না করে এভাবে বিদেশি সেনাদের আনা সংবিধানবিরোধী।

আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া

ভারত, চীন এবং রাশিয়া— এই তিন দেশই দক্ষিণ এশিয়ার সামরিক ও রাজনৈতিক ভারসাম্যের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। বিশ্লেষকরা বলছেন, বাংলাদেশে মার্কিন সেনাদের উপস্থিতি এই দেশগুলির সঙ্গে সম্পর্কের সমীকরণে বড় পরিবর্তন আনতে পারে।

বাংলাদেশি নাগরিকদের মধ্যে উদ্বেগ

চট্টগ্রাম ও আশপাশের এলাকায় মার্কিন সেনাদের উপস্থিতি সাধারণ মানুষও লক্ষ্য করেছেন। অনেকেই সামাজিক মাধ্যমে প্রশ্ন তুলেছেন, তাঁদের দেশে বিদেশি সেনা কীভাবে গোপনে প্রবেশ করল? জনগণের নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন অনেকে।

সরকারের নীরবতা

সরকারি মহল থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও স্পষ্ট প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তরফে কেবল জানানো হয়েছে, এটি একটি "সাধারণ সামরিক অনুশীলন"। কিন্তু এর বেশি বিস্তারিত তথ্য গোপন রাখা হয়েছে।

উপসংহার

বাংলাদেশে মার্কিন সেনাদের এই হঠাৎ আগমন ও পরিচয় গোপন রেখে মহড়া চালানো নিঃসন্দেহে একটি বড় প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। রাজনৈতিক ও আন্তর্জাতিক মহলে এর প্রভাব আগামী দিনে স্পষ্ট হবে। আপাতত দেশজুড়ে এই বিষয়েই চলছে সবচেয়ে বেশি আলোচনা।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

গুয়াহাটির বিশ্ববিদ্যালয়ে ত্রিপুরার ছাত্রীর ধর্ষণ, গ্রেফতার ৫ পড়ুয়া

গুয়াহাটির বিশ্ববিদ্যালয়ে ত্রিপুরার ছাত্রীর ধর্ষণ, গ্রেফতার ৫ পড়ুয়া | Y বাংলা ডিজিটাল

গুয়াহাটির বিশ্ববিদ্যালয়ে ত্রিপুরার ছাত্রীর ধর্ষণ, গ্রেফতার ৫ পড়ুয়া

🗓 আপডেট: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
গুয়াহাটির বিশ্ববিদ্যালয় ধর্ষণ কাণ্ড
গুয়াহাটির বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে নৃশংস কাণ্ড, গ্রেফতার ৫ পড়ুয়া

Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো: গুয়াহাটির একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে নৃশংস ঘটনার অভিযোগ উঠেছে। ত্রিপুরার এক ছাত্রীকে যৌন নিগ্রহের অভিযোগে পাঁচ পড়ুয়াকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছে দু'জন নাবালক। ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

কীভাবে ঘটল এই ভয়াবহ ঘটনা?

পুলিশ সূত্রে খবর, ১৩ সেপ্টেম্বর রাতে ছাত্রছাত্রীদের একটি পার্টির আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে ভুক্তভোগী ছাত্রীকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়। অভিযোগ, তাঁকে একটি অজ্ঞাত ওষুধ খাইয়ে অজ্ঞান করে দেওয়া হয়। পর দিন সকালে ঘুম ভাঙতেই তিনি লক্ষ্য করেন, তাঁর পাশে এক জন সহপাঠী শুয়ে রয়েছে। পরে তিনি বুঝতে পারেন, তাঁকে ধর্ষণ করা হয়েছে।

পুলিশি পদক্ষেপ

অভিযোগের ভিত্তিতে দ্রুত তদন্তে নামে পুলিশ। বুধবার এক নাবালককে এবং বৃহস্পতিবার আরও এক নাবালককে আটক করা হয়। দুই নাবালককে জুভেনাইল জাস্টিস বোর্ড-এ হাজির করানো হয়েছে। অন্যদিকে বাকি তিন জন পড়ুয়াকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। তদন্তকারী কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রাথমিক প্রমাণের ভিত্তিতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা

অভিযুক্ত পাঁচ পড়ুয়াকেই সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এ ধরনের অপরাধ কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। অভিযুক্তরা দোষী প্রমাণিত হলে কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে।

রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া

তিপ্রা মথা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা প্রদ্যোত কিশোর দেববর্মা সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছেন, তাঁর দল ভুক্তভোগীর পাশে রয়েছে এবং তাঁকে ন্যায়বিচার পেতে সাহায্য করবে। তিনি লিখেছেন, আমরা এই ঘটনার বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাব। কোনও অপরাধীই ছাড় পাবে না।

সমাজে উদ্বেগ

ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই শিক্ষার্থী ও অভিভাবক মহলে চরম ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। ছাত্র-ছাত্রীদের একাংশ বলছেন, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা আরও বাড়ানো প্রয়োজন। বিশেষ করে মেয়েদের সুরক্ষার জন্য কঠোর নিয়ম চালু করা জরুরি।

নারী সুরক্ষায় প্রশ্নচিহ্ন

গুয়াহাটি, অসম এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে পড়াশোনা করতে আসা ছাত্রীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, শিক্ষাঙ্গনে যৌন হয়রানি বা নিগ্রহ রোধে আরও কঠোর আইন প্রয়োগ ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি চালানো প্রয়োজন।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

হঠাৎই প্রিয় গানকার চলে গেলেন ইয়া আলি... জুবিন গর্গ — निधन প্রতিবেদনে সব তথ্য

হঠাৎই প্রিয় গানকার চলে গেলেন ইয়া আলি... জুবিন গর্গ — निधन প্রতিবেদনে সব তথ্য

আচমকাই প্রিয় গায়ক ইয়া আলি... জুবিন গর্গের অকাল মৃত্যু

By Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো
জুবিন গর্গ
ফাইল ছবি: গায়ক জুবিন গর্গ (ফটোগ্রাফি—সংগ্রহ)।

আচমকাই গোটা দেশের সঙ্গীতপ্রেমী মানুষ চমকে গেলেন এক মৃত্যুর খবরে: প্রিয় গানকার ইয়া আলি—জুবিন গর্গ অকালেই আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন।

প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, সিঙ্গাপুরে সমুদ্রস্নান/স্কুবা ডাইভিং সংক্রান্ত একটি ঘটনায় জুবিন অচেতন হয়ে পড়েন। তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও শেষরক্ষা করা যায়নি।

স্ত্রীর বয়ান ও ঘটনাক্রম:

জুবিনের স্ত্রী, ফ্যাশন ডিজাইনার গরিমা এক সংবাদমাধ্যমকে বলেন, "রবিবারই সিঙ্গাপুর থেকে ফেরার কথা ছিল জুবিনের। কিন্তু তা আর হল না। ওকে হারালাম।" তিনি আরও জানিয়েছেন, স্কুবা করার সময়ই মৃত্যু হয়নি—ঘটনার সময় জুবিনের সঙ্গে আরও দুজন ছিলেন: সিদ্ধার্থ ও শেখর।

তারা তিনজন একসঙ্গে স্কুবা করে দ্বীপে ফেরে; পরে জুবিন আবার সমুদ্রের জলে সাঁতার কাটতে বের হন। সমুদ্রের জলে অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায় তাঁকে; বন্ধু-বান্ধবরা তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে জানা যায়, বহু বছর ধরেই জুবিন মৃগীর (Epilepsy) সমস্যায় ভুগছিলেন এবং সেই সময় মৃগীরকে ইঙ্গিত করা একটি আক্রমণ দেখা দিয়েছিল।

মেঘালয়ের তুরায় জন্ম জুবিনের। মাত্র তিন বছর বয়স থেকেই তিনি সঙ্গীতের প্রশিক্ষণ শুরু করেন; মায়ের কাছেই তাঁর প্রথম গান শেখা। ১৯৯২ সালে পেশাগতভাবে গান শুরু করেন তিনি।

অহমিয়া সিনেমার সহ আরও বাংলা ছবিতে বহু গান গেয়েছেন জুবিন। সঙ্গীত পরিচালনা জিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে কাজ করে 'মন মানে না', 'পিয়া রে'–এর মতো গান জনপ্রিয়তা পায়। বলিউডেও প্রীতমের সঙ্গে কাজ করে 'গ্যাংস্টার' ছবির 'ইয়া আলি' গান দেশের মানুষের কাছে ভালভাবে পৌঁছে যায়।

জীবনের বিভিন্ন সময়ে তিনি বিতর্ক ও ব্যক্তিগত সংগ্রামে জড়িয়েছেন—কখনও কখনও মঞ্চে নেশার প্রভাব দেখা গেছে; তবু শিল্পী হিসেবে তাঁর উপস্থিতি ও গান বহু শ্রোতাকে স্পর্শ করেছে।

এই খবরটি আপডেট হবে—যদি আরও চিকিৎসা সংক্রান্ত বা পুলিশি বিবরণ পাওয়া যায়। (আপডেটের জন্য আমাদের ফলো করুন।)

বারাসতের পকসো আদালতের রায়: রামকৃষ্ণ সারদা সেবাশ্রমের প্রধান স্বামী সত‍্যরূপানন্দের পাঁচ বছরের কারাদণ্ড

বারাসতের পকসো আদালতের রায়: রামকৃষ্ণ সারদা সেবাশ্রমের প্রধান স্বামী সত‍্যরূপানন্দের পাঁচ বছরের কারাদণ্ড

বারাসতের পকসো আদালতের রায়: রামকৃষ্ণ সারদা সেবাশ্রমের প্রধান স্বামী সত‍্যরূপানন্দের পাঁচ বছরের কারাদণ্ড

📅 আপডেট: 19 সেপ্টেম্বর, 2025

বারাসত পকসো আদালত

বারাসতের বিশেষ পকসো আদালতে রায় ঘোষণা (প্রতীকী ছবি)

Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো: উত্তর 24 পরগনার বারাসতে এক ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করল বিশেষ পকসো আদালত। নাবালিকা যৌন নিগ্রহের মামলায় অভিযুক্ত রামকৃষ্ণ সারদা সেবাশ্রমের গোবরডাঙার প্রধান স্বামী সত‍্যরূপানন্দকে আদালত পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিল। সেই সঙ্গে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে, অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে অভিযুক্তকে।

ঘটনার সূত্রপাত

২০২২ সালে গোবরডাঙার রামকৃষ্ণ সারদা সেবাশ্রমে এই যৌন নিগ্রহের ঘটনা ঘটে। অভিযোগ ওঠে, আশ্রমে থাকা এক নাবালিকা আশ্রমিককে দীর্ঘদিন ধরে যৌন নিগ্রহ করছিলেন স্বামী সত‍্যরূপানন্দ। বিভিন্ন সময়ে একই ধরনের অভিযোগ ওঠার পর অবশেষে অগস্ট ২০২২-এ স্থানীয় থানায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের হয়।

পুলিশি তদন্ত ও গ্রেফতার

অভিযোগের ভিত্তিতে দ্রুত তদন্ত শুরু করে গোবরডাঙা থানার পুলিশ। প্রমাণ সংগ্রহের পর অভিযুক্ত স্বামী সত‍্যরূপানন্দকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ তাঁর বিরুদ্ধে পকসো আইনের ১০ নম্বর ধারা ও জুভেনাইল জাস্টিস অ্যাক্টে মামলা রুজু করে। তদন্ত চলাকালীন পুলিশ যথেষ্ট প্রমাণ আদালতের সামনে হাজির করে।

আদালতের কার্যক্রম

তিন বছর ধরে এই মামলার বিচার প্রক্রিয়া চলে বারাসতের বিশেষ পকসো আদালতে। মোট ১৩ জন সাক্ষী আদালতের সামনে সাক্ষ্য দেন। তাদের জবানবন্দি ও প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। অবশেষে শুক্রবার বিচারক সাজা ঘোষণা করেন।

আইনজীবীর বক্তব্য

সরকারি আইনজীবী দেবরঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “২০২২ সালে যখন গোটা দেশ কোভিড পরিস্থিতি সামলাচ্ছিল, তখনও এই জঘন্য কাজটি করেছিলেন স্বামী সত‍্যরূপানন্দ। পুলিশের সক্রিয়তা, বাদী-বিবাদী সকলের সহযোগিতায় দ্রুত মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে।” তিনি আরও জানান, দোষীকে যথাযথ সাজা দেওয়া হয়েছে এবং এই রায় ভবিষ্যতের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ নজির তৈরি করবে।

প্রশাসনের ভূমিকা

বারাসত জেলা পুলিশের মনিটরিং টিমও এই মামলার অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে নজরদারি আরও জোরদার করা হবে।

সামাজিক প্রতিক্রিয়া

আশ্রম ও এলাকার বাসিন্দাদের একাংশ জানিয়েছে, এই ঘটনার পর তাঁদের মধ্যে প্রবল আঘাত ও ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। শিশুদের নিরাপত্তা ও আশ্রম জীবনের প্রতি আস্থা ফিরিয়ে আনতে প্রশাসন ও সমাজকে যৌথভাবে উদ্যোগ নিতে হবে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

Friday, 19 September 2025

ভিনরাজ্যে কাজে গিয়ে মৃত্যু — অভিজিৎ (রামু) পোদ্দার

বারাসত, 19 সেপ্টেম্বর: ভিনরাজ্যে কাজে গিয়ে মৃত্যু — অভিজিৎ (রামু) পোদ্দার

বারাসত, 19 সেপ্টেম্বর: ফের ভিন রাজ্যে কাজে গিয়ে মৃত্যু — অভিজিৎ (রাজু) পোদ্দার

Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক | প্রকাশিত: 19 সেপ্টেম্বার | বারাসত

বারাসত, 19 সেপ্টেম্বর: ফের ভিন রাজ্যে কাজে গিয়ে মৃত্যু—বাঙালি পরিযায়ী শ্রমিক অভিজিৎ ওরফে রাজু পোদ্দার (৩৪)। খবর পেয়ে বারাসতে নিহতের বাড়ির সামনে ভিড় জমাতে শুরু করেছেন পাড়া-প্রতিবেশীরা। শোকস্তব্ধ পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দিয়েছেন স্থানীয় পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য গোপাল রায়।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার মৃত ওই পরিযায়ী শ্রমিকের নিথর দেহ কেরল থেকে ট্রেনে করে পশ্চিমবঙ্গের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে। সম্ভবত রবিবার তাঁর দেহ বারাসতের বাড়িতে পৌঁছাবে। ভিন রাজ্যে কাজে গিয়ে দুর্ঘটনার জেরে তিনি প্রাণ হারিয়েছেন। নিহত অভিজিতের বাড়ি বারাসতের নেতাজি পল্লীতে। পরিবারের সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন বৃদ্ধ বাবা-মা, দাদা, স্ত্রী এবং এক বছরের শিশু সন্তান। বেশি রোজগারের আশায় প্রায় ১৫ দিন আগে তিনি কেরলে নির্মাণ শ্রমিক হিসেবে কাজ করতে গিয়েছিলেন।

কেরলের তুতকুড়ি জেলার ত্রিচন্দুর এলাকায় একটি বেসরকারি সংস্থার উদ্যোগে মন্দির নির্মাণের কাজ চলছিল। সূত্র অনুযায়ী, কাজ করার সময় হঠাৎ পা পিছলে তিন তলা থেকে পড়ে যান তিনি। মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে। সহকর্মীরা তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে পাঠান। বৃহস্পতিবার সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

নিহতের কাকা প্রকাশ পোদ্দার: "বৃহস্পতিবার বিকেলে ওর এক সহকর্মী ফোন করে দুর্ঘটনার কথা জানায়। তা শুনে স্তম্ভিত হয়ে গেছি। দুর্ঘটনায় ওর এভাবে মৃত্যু আমরা মেনে নিতে পারছি না। ওর স্ত্রী ও এক বছরের সন্তানের কথা ভেবে যদি সরকার পাশে এসে দাঁড়ায়, তাহলে পরিবারটা বেঁচে যাবে।"

স্থানীয় পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য গোপাল রায় বলেন, "ঘটনাটি অত্যন্ত বেদনাদায়ক। ভিন রাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকদের সুরক্ষার অভাব রয়েছে বলে আমরা মনে করি। তা না হলে এই ঘটনা ঘটবে কেন? যে বেসরকারি সংস্থার উদ্যোগে এই নির্মাণ কাজ চলছিল তাদের আরও সতর্ক হওয়া উচিত ছিল। আমরা নিহতের পরিবারের পাশে সবসময় রয়েছি এবং আর্থিক সহায়তা করব। আমরাও বলছি, পরিযায়ী শ্রমিকরা যেন ফিরে এসে রাজ্যেই কাজ করেন—এখানে কর্মসংস্থানের সুযোগ আছে।"

এদিকে, বিষয়টি নিয়ে বারাসত জেলা পুলিশের এক শীর্ষকর্তা জানিয়েছেন, "পরিযায়ী শ্রমিকদের সাহায্যের জন্য প্রশাসনের তরফ থেকে পোর্টাল খোলা রয়েছে। কোনও অসুবিধা হলে সেখানে তাঁরা আবেদন করতে পারেন; প্রশাসন তখন সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেবে। এই মুহূর্তে খতিয়ে দেখা হচ্ছে যে, কোনো আক্ষরিক আবেদন এসেছে কি না।"

সংক্ষিপ্ত তথ্য:
  • নাম: অভিজিৎ (রাজু) পোদ্দার, বয়স: ৩৪
  • ঠিকানা: নেতাজি পল্লী, বারাসত
  • পরিবার: বৃদ্ধ বাবা-মা, দাদা, স্ত্রী, এক বছরের সন্তান
  • স্থানীয়তা: কেরলের তুতকুড়ি জেলার ত্রিচন্দুরে নির্মাণকাজের সময় দুর্ঘটনা

স্থানীয় সমাজ-সংগঠন ও প্রতিবেশীরা নিহত পরিবারের পাশে দাঁড়াতে শুরু করেছেন। দেহ পৌঁছানোর পর স্থানীয়ভাবে শেষকৃত্যের ব্যবস্থা ও পরিবারের আর্থিক সহায়তার বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করা হবে।

পাকিস্তান-সৌদি প্রতিরক্ষা চুক্তি: পারমাণবিক কর্মসূচিতে প্রবেশাধিকারের ইঙ্গিত, ইজরায়েলের দুশ্চিন্তা

পাকিস্তান-সৌদি প্রতিরক্ষা চুক্তি: পারমাণবিক কর্মসূচিতে প্রবেশাধিকারের ইঙ্গিত, ইজরায়েলের দুশ্চিন্তা

পাকিস্তান-সৌদি প্রতিরক্ষা চুক্তি: পারমাণবিক কর্মসূচিতে প্রবেশাধিকারের ইঙ্গিত, ইজরায়েলের দুশ্চিন্তা

Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক: ভারতের সঙ্গে কূটনৈতিক লড়াই ও মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা ঘিরে নতুন পদক্ষেপ নিল পাকিস্তান। সৌদি আরবের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করতে বৃহস্পতিবার রাতে প্রতিরক্ষা চুক্তি করল ইসলামাবাদ। আর সেই চুক্তিকে ঘিরেই আন্তর্জাতিক মহলে তোলপাড়। কূটনৈতিক মহলের মতে, এই চুক্তি শুধুই প্রতিরক্ষা সহযোগিতার প্রতীক নয়, বরং ইজরায়েল ও ভারতের কাছে একটি শক্তিশালী বার্তা।

পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফ একটি সাক্ষাৎকারে স্পষ্ট জানান, পাকিস্তান তার পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে কোনও গোপনীয়তা রাখবে না যদি সৌদি আরবের প্রয়োজনে তা ব্যবহার করার প্রয়োজন হয়। আসিফ বলেন, “আমাদের হাতে যা শক্তি আছে, তা সৌদি আরবের কাছেও উপলব্ধ হবে।” তাঁর এই বক্তব্য ইঙ্গিত করছে, পাকিস্তান সরাসরি সৌদি আরবকে তার পারমাণবিক ক্ষমতায় অংশীদার করতে প্রস্তুত।

চুক্তির মূল ধারাগুলি

এই প্রতিরক্ষা চুক্তি অনুযায়ী, দুই দেশের কারও উপর কোনও শত্রুপক্ষ হামলা চালালে সেটিকে উভয় দেশের উপর আক্রমণ হিসেবে বিবেচনা করা হবে। অর্থাৎ, সৌদি আরবের বিরুদ্ধে আক্রমণ হলে পাকিস্তানও সরাসরি যুদ্ধে জড়াবে এবং পাকিস্তানের উপর আক্রমণ হলে সৌদি আরবও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা দেবে। শুধু তাই নয়, সামরিক সরঞ্জাম, প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণ বিনিময়ও হবে এই চুক্তির অংশ।

বিশ্লেষকদের মতে, এই চুক্তি মূলত ‘ইসলামিক ন্যাটো’ গঠনের দিকে এক বড় পদক্ষেপ। গত কয়েক মাসে ইসলামাবাদ একাধিকবার দাবি করেছে, মুসলিম বিশ্বের দেশগুলিকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ইজরায়েলের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। এই চুক্তি সেই লক্ষ্য পূরণেই একটি কৌশলগত পদক্ষেপ।

কূটনৈতিক প্রেক্ষাপট

এই চুক্তির সই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং সৌদি প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সলমন। যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়, এই চুক্তি দুই দেশের দীর্ঘ আট দশকের পুরনো সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে। শুধু ভ্রাতৃত্ব নয়, বরং কৌশলগত স্বার্থ ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও বিস্তৃত হবে।

কূটনৈতিক মহলের মতে, এই চুক্তির লক্ষ্য একটাই—মধ্যপ্রাচ্যে ইজরায়েলের প্রভাব খর্ব করা। বর্তমানে ইজরায়েলের হামলায় প্যালেস্টাইন, ইরান, সিরিয়া, ইয়েমেন এবং লেবানন চাপে রয়েছে। সৌদি আরবও সম্প্রতি একাধিক হুমকি পেয়েছে। এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের পারমাণবিক শক্তি সৌদি আরবের পাশে দাঁড়ালে ইজরায়েলের জন্য তা নতুন দুশ্চিন্তার কারণ হবে।

ভারতের উদ্বেগ

পাকিস্তান ভারতের চিরশত্রু, আর সৌদি আরব ভারতের একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক মিত্র। সৌদি আরবের সঙ্গে পাকিস্তানের এই প্রতিরক্ষা জোট ভারতের কাছে মোটেই সুখকর নয়। ভারত মধ্যপ্রাচ্যে তেলের উপর নির্ভরশীল। এছাড়া, কৌশলগতভাবে সৌদির সঙ্গে সম্পর্ক ভারতের জন্য অত্যন্ত জরুরি। ফলে ইসলামাবাদ-রিয়াধ চুক্তি ভারতের উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া

এই চুক্তি নিয়ে ইতিমধ্যেই আমেরিকা ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের কূটনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। ওয়াশিংটন একদিকে সৌদি আরবের মিত্র, অন্যদিকে পাকিস্তানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে সবসময় সন্দিহান। এই অবস্থায় রিয়াধ যদি ইসলামাবাদের পরমাণু শক্তি ব্যবহার করতে পারে, তবে তা আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্যও উদ্বেগজনক হয়ে উঠতে পারে।

ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ

পাকিস্তান আর সৌদি আরবের এই প্রতিরক্ষা চুক্তি যে মধ্যপ্রাচ্যের কূটনীতিতে বড় প্রভাব ফেলবে তা নিশ্চিত। তবে এই চুক্তির বাস্তবায়ন কতদূর সম্ভব হবে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। সৌদি আরবের সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্ক দৃঢ় হলেও, আন্তর্জাতিক চাপ এবং আর্থিক সংকট ইসলামাবাদকে চুক্তির প্রতিশ্রুতি পূরণে সমস্যায় ফেলতে পারে।

তবু একথা স্পষ্ট, পাকিস্তান এবার মুসলিম বিশ্বের নেতৃত্বে নিজের ভূমিকা জাহির করতে চায়। আর সৌদি আরবকে পাশে রেখে তারা যে ইজরায়েল ও ভারতের বিরুদ্ধে শক্তি প্রদর্শনে নামছে, তা আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে নতুন ভারসাম্য তৈরি করবে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

রাষ্ট্রসংঘে বালোচ আর্মি জঙ্গি তকমা প্রস্তাব খারিজ, আমেরিকার দ্বিচারিতা

রাষ্ট্রসংঘে বালোচ আর্মি জঙ্গি তকমা প্রস্তাব খারিজ, আমেরিকার দ্বিচারিতা

রাষ্ট্রসংঘে বালোচ আর্মি জঙ্গি তকমা প্রস্তাব খারিজ, আমেরিকার দ্বিচারিতা

Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক: স্বাধীনতাকামী বালোচ লিবারেশন আর্মিকে ঘিরে আন্তর্জাতিক মঞ্চে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। মাসখানেক আগে পাকিস্তানের চাপে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন বালোচ লিবারেশন আর্মি এবং তার সহযোগী মাজিদ ব্রিগেডকে বিদেশি জঙ্গির তালিকাভুক্ত করেছিল। কিন্তু বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে একই প্রস্তাব আমেরিকার বিরোধিতার কারণে খারিজ হয়েছে।

পাকিস্তান ও চীনের প্রস্তাব ছিল, বালোচ লিবারেশন আর্মি এবং তার আত্মঘাতী স্কোয়াড মাজিদ ব্রিগেডকে জঙ্গি সংগঠন হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হোক। পাকিস্তানের দাবি, আফগানিস্তানের সহায়তায় বালোচরা সীমান্ত সন্ত্রাস চালানোর জন্য অন্তত ৬০টি ক্যাম্প পরিচালনা করছে। চীনের স্থায়ী সদস্যপদও এই প্রস্তাবকে সমর্থন করেছিল। তবে আমেরিকা, ব্রিটেন ও ফ্রান্সের বিরোধিতার কারণে প্রস্তাবটি খারিজ হয়েছে। তিন দেশের যুক্তি, পর্যাপ্ত প্রমাণ নেই যে বালোচ আর্মি জঙ্গি তকমা পাওয়ার যোগ্য।

ট্রাম্প প্রশাসনের পূর্ববর্তী পদক্ষেপ

মাসখানেক আগে ইসলামাবাদের শক্তিশালী প্রতিপক্ষ হিসেবে বালোচ লিবারেশন আর্মি এবং তাদের সহযোগী মাজিদ ব্রিগেডকে বিদেশি জঙ্গির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। এই পদক্ষেপে ইসলামাবাদের পছন্দ হয়েছিল বলে বিশ্লেষকেরা মনে করছেন। ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপকে ইসলামাবাদের প্রতি সমর্থন হিসেবে দেখা হয়েছিল। এছাড়াও, পহেলগাঁওয়ে হামলাকারী দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্টকেও জঙ্গি তকমা দেওয়া হয়েছিল।

রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সিদ্ধান্ত

পাকিস্তান রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে আবেদন জানিয়েছিল, বালোচ লিবারেশন আর্মি ও মাজিদ ব্রিগেডকে জঙ্গি সংগঠন হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হোক। চীনও সমর্থন জানিয়েছিল। কিন্তু আমেরিকা, ব্রিটেন এবং ফ্রান্স প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছে। তাদের যুক্তি, বালোচ আর্মিকে জঙ্গি তকমা দেওয়ার পর্যাপ্ত প্রমাণ নেই। এই সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক পরিপ্রেক্ষিতে নতুন প্রশ্ন তুলেছে, কেন নিজেরাই জঙ্গি তকমা দেওয়া হলেও রাষ্ট্রসংঘে পাকিস্তানের প্রস্তাবের বিরোধিতা করা হল।

বিশ্লেষকদের মত

বিশ্লেষকরা বলছেন, ট্রাম্প প্রশাসনের পাকিস্তান-বান্ধব পদক্ষেপের মধ্যে এখন এক ধরনের দ্বিচারিতা দেখা যাচ্ছে। রাষ্ট্রসংঘে পাকিস্তানের প্রস্তাব খারিজ করায় যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক কৌশল নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। বিশেষত, গত কয়েকদিন ধরে ভারত-আমেরিকা সম্পর্ক এবং ট্রাম্প-মোদি সম্পর্ক উন্নতির দিকে এগোচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে প্রশ্ন উঠছে, বালোচ আর্মির জঙ্গি তকমা নিয়ে কি ট্রাম্প অবস্থান পরিবর্তন করবেন?

মার্কিন- পাকিস্তান বৈঠকের প্রেক্ষাপট

চলতি মাসের শেষেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের সঙ্গে বৈঠক করবেন। রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভার ফাঁকেই এই বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বৈঠকে বালোচ আর্মির জঙ্গি তকমা বিষয়টি আলোচনার কেন্দ্রে থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উপসংহার

রাষ্ট্রসংঘে বালোচ আর্মিকে জঙ্গি তকমা দেওয়ার প্রস্তাব খারিজ করে আমেরিকা একটি বিতর্কিত পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। একদিকে ট্রাম্প প্রশাসনের পূর্ববর্তী পদক্ষেপ ইসলামাবাদকে খুশি করেছিল, অন্যদিকে রাষ্ট্রসংঘে একই প্রস্তাবের বিরোধিতা দ্বিচারিতার ইঙ্গিত দিয়েছে। এই পরিস্থিতি কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের জন্য নতুন প্রশ্ন উত্থাপন করেছে, বিশেষ করে ভারত ও পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে। আগামী বৈঠক এবং পরবর্তী কূটনৈতিক পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক মঞ্চে নজর কাড়বে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

শারদোৎসবের সময় বঙ্গ বিজেপির জনসংযোগ কৌশল, ভিনরাজ্যের বাঙালিদের সঙ্গে সংযোগ

শারদোৎসবের সময় বঙ্গ বিজেপির জনসংযোগ কৌশল, ভিনরাজ্যের বাঙালিদের সঙ্গে সংযোগ

শারদোৎসবের সময় বঙ্গ বিজেপির ভিনরাজ্য বাঙালিদের সঙ্গে জনসংযোগ কর্মসূচি

Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক: বাঙালি অস্মিতা ও সাংস্কৃতিক আবেগকে সামনে রেখে এবার তৃণমূলের পালটা কর্মসূচি নিয়েছে বিজেপি। বিশেষ করে বাঙালির অন্যতম সেরা উৎসব শারদোৎসবকে (দুর্গাপুজো) জনসংযোগের প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ব্যবহার করতে উদ্যত গেরুয়া শিবির। বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্বের লক্ষ্য ভিনরাজ্যের বাঙালিদের সঙ্গে সংযোগ বৃদ্ধি করা।

বৃহস্পতিবার পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন রাজ্যে পুজো প্রস্তুতির বৈঠকে যোগ দিচ্ছেন রাজ্য ও কেন্দ্রীয় নেতারা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বারাণসী কেন্দ্রে অংশ নেবেন। রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি সুকান্ত মজুমদার মোদি-সাথে এই কেন্দ্রীয় সভায় উপস্থিত থাকবেন। এছাড়াও রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য গুজরাটে যাবেন। সেখানে স্থানীয় বাঙালিদের সঙ্গে পুজো নিয়ে আলোচনা ও বাংলা ভাষা সংক্রান্ত সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে বার্তা পৌঁছানো হবে।

রাজনীতির পটভূমি

শারদোৎসবের মরশুম বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের জন্য জনসংযোগের সেরা সময় হিসেবে বিবেচিত। আগামী বছরের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে বঙ্গ বিজেপি এই কৌশল হাতে নিয়েছে। বিগত কয়েকটি নির্বাচনে বাংলার মাটিতে তেমন সুবিধা করতে পারেনি পদ্মশিবির। তবে ছাব্বিশে নির্বাচনে হাল ছাড়তে নারাজ শমীক ভট্টাচার্য, শুভেন্দু অধিকারীরা। তারা নতুন করে দল গড়ে ‘টিম’ তৈরি করছেন, যাতে রাজ্য ও ভিনরাজ্যের বাঙালিদের সঙ্গে সংযোগ বৃদ্ধি পায়।

বঙ্গ বিজেপি শুধু রাজ্যেই নয়, অন্যান্য রাজ্যে বসবাসকারী বাঙালিদের সঙ্গে সংযোগেও গুরুত্ব দিচ্ছে। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বও এই কর্মসূচির নেপথ্যে রয়েছে। প্রতিটি রাজ্যে স্থানীয় নেতৃত্বের অংশ নিয়ে বিশেষ দল তৈরি হয়েছে, যারা শমীক ভট্টাচার্য ও সুকান্ত মজুমদারকে স্থানীয় পুজো কমিটিগুলিতে নিয়ে যাবেন।

কর্মসূচির কৌশল

বিজেপি রাজ্য ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব মিলিতভাবে পুজো কমিটিগুলিতে ভিনরাজ্যের বাঙালিদের সঙ্গে জনসংযোগ করার পরিকল্পনা করেছে। এই কর্মসূচি বাংলার সাংস্কৃতিক ও ভাষাগত আবেগকে সামনে রেখে করা হচ্ছে। ভিনরাজ্যে বাঙালির সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপন করতে, পুজো কমিটিগুলিতে উপস্থিত থেকে বিজেপি নেতারা স্থানীয় সমস্যার কথা ও কেন্দ্রীয় বার্তা পৌঁছে দেবেন।

উল্লেখযোগ্যভাবে, সম্প্রতি ভিনরাজ্যে বাংলায় কথা বলা ও বাঙালি পরিযায়ী শ্রমিকদের উপর alleged নির্যাতনের অভিযোগ তৃণমূলের পক্ষ থেকে তুলে ধরেছে। কেন্দ্রীয় বিজেপি এবং রাজ্য নেতৃত্ব এই বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে জনসংযোগের জন্য পরিকল্পনা করছে।

নেতৃত্বের রোডম্যাপ

শমীক ভট্টাচার্য, শুভেন্দু অধিকারী, সুকান্ত মজুমদারের নেতৃত্বে দলটি ভিনরাজ্যে স্থানীয় পুজো কমিটিগুলিতে ভ্রমণ করছে। প্রত্যেক রাজ্যের স্থানীয় নেতৃত্বের অংশ নিয়ে বিশেষ দল তৈরি হয়েছে, যারা স্থানীয় বাঙালিদের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপন করবে। এই কর্মসূচি শুধুমাত্র সাংস্কৃতিক নয়, রাজনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ।

রাজ্য বিজেপির পরিকল্পনা অনুযায়ী, শারদোৎসবের সময় এই জনসংযোগের মাধ্যমে ভোটারদের মনে প্রভাব বিস্তার করা হবে। আগামী নির্বাচনের আগে এই কৌশল দলকে রাজনৈতিক সুবিধা দেবে বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞরা।

উপসংহার

শারদোৎসবের মরশুমে বঙ্গ বিজেপির এই জনসংযোগ কর্মসূচি রাজনৈতিক কৌশলের অংশ। ভিনরাজ্যের বাঙালিদের সঙ্গে সংযোগ, স্থানীয় পুজো কমিটিগুলিতে উপস্থিতি এবং কেন্দ্রীয় নেতাদের বার্তা পৌঁছানো এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য। রাজ্য ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব মিলিতভাবে বাঙালি সংস্কৃতি ও ভাষার সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করছে। আগামী বিধানসভা নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে এই কৌশল দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

কলকাতা হাইকোর্টের রোজভ্যালি ফরেন্সিক অডিট নির্দেশ

কলকাতা হাইকোর্টের রোজভ্যালি ফরেন্সিক অডিট নির্দেশ

কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে রোজভ্যালি মামলায় সেবিকে ফরেন্সিক অডিট করানোর সিদ্ধান্ত

কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ শুক্রবার নির্দেশ দিয়েছে যে, রোজভ্যালি প্রজেক্ট সংক্রান্ত আর্থিক অনিয়মের বিষয়ে সেবিকে ফরেন্সিক অডিট করাতে হবে। বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজ ও বিচারপতি শব্বর রশিদির নেতৃত্বে এই বেঞ্চ সেবিকেই দায়িত্ব দিয়েছে ১০টি সম্পত্তি বিক্রয়, আর্থিক হিসাব বৈধতা এবং এডিসি টাকা গ্রহণের বিষয় বিস্তারিত রিপোর্ট করতে।

রোজভ্যালি মামলায় আগে থেকেই সিবিআই ও ইডি তদন্ত চালাচ্ছে। তবে আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, এই তদন্তে ফরেন্সিক অডিট অন্তর্ভুক্ত ছিল না। ফলে, সেবিকে বিশেষ দায়িত্ব দিয়ে ফরেন্সিক অডিট করানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অডিটের প্রধান নির্দেশনা

  • রোজভ্যালির ১০টি সম্পত্তি বিক্রয় সংক্রান্ত বিস্তারিত রিপোর্ট প্রদান। বাজারদরের তুলনায় কত বেশি বা কম দাম ধরা হয়েছে এবং প্রকৃত বিক্রয়মূল্য কত, তা অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
  • রোজভ্যালির যাবতীয় হিসাব বৈধ কি না, তা নিরীক্ষা করে ফরেন্সিক অডিট রিপোর্ট করা।
  • চকোলেট গ্রুপ থেকে কীভাবে এডিসি টাকা নেন এবং সেটি কতটা বৈধ, সেই বিষয়ে বিশদ হিসাব রিপোর্ট করা।

আদালতের নির্দেশে বলা হয়েছে, যদিও এডিসি এই ফরেন্সিক অডিটে আপত্তি জানিয়েছে, আদালত চাইলে যে কোনও ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে অডিট করানো যেতে পারে। সেবি এই ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ হলেও অ্যাকাউন্টসের বিষয়ে তাদের বিশেষজ্ঞ বিভাগ দায়িত্ব নিতে পারে।

বিচারপতিদের পর্যবেক্ষণ

বিচারপতিরা জানিয়েছেন, সাধারণ মানুষের মনে এই ধারণা তৈরি হচ্ছে যে, সিবিআই ও ইডি তদন্ত করছে। কিন্তু ফরেন্সিক অডিট নেই। সেবির বিশেষ উইং রয়েছে, যা অ্যাকাউন্টসের বিষয়ে বিশেষজ্ঞ। তাই এই দায়িত্ব তাদের ওপর দেওয়া হচ্ছে।

মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর নির্ধারিত হয়েছে। এই শুনানিতে ফরেন্সিক অডিটের অগ্রগতি, রিপোর্ট প্রস্তুতি এবং আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী পদক্ষেপের বিষয়ে আলোচনা হবে।

রোজভ্যালি মামলার প্রেক্ষাপট

রোজভ্যালি প্রকল্প একটি বিতর্কিত আর্থিক কেলেঙ্কারি। বিভিন্ন সময়ে অভিযোগ এসেছে যে, প্রকল্প সংক্রান্ত সম্পত্তি বিক্রি ও আর্থিক লেনদেনে অনিয়ম হয়েছে। সরকারের বিভিন্ন সংস্থা ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে। তবে, ফরেন্সিক অডিটের অভাবে সম্পূর্ণ আর্থিক স্বচ্ছতা দেখা যাচ্ছে না।

আদালতের নির্দেশনার মাধ্যমে আশা করা হচ্ছে, রোজভ্যালির সম্পত্তি ও আর্থিক হিসাবের সত্যতা যাচাই করা হবে। এর মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে।

সিবিআই, ইডি ও সেবির ভূমিকা

সিবিআই ও ইডি ইতিমধ্যেই রোজভ্যালি মামলায় তদন্ত চালাচ্ছে। কিন্তু ফরেন্সিক অডিট বাদ থাকার কারণে সম্পূর্ণ আর্থিক তথ্যের যাচাই সম্ভব হয়নি। সেবির বিশেষ উইং এবং অ্যাকাউন্টস বিভাগের দক্ষতা এই অডিট প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য যথাযথ বলে আদালত মনে করছে।

এই প্রক্রিয়ায় সেবি শুধু হিসাবের সত্যতা যাচাইই করবে না, বরং সম্পত্তি বিক্রয়ের বাজারদরের সাথে তুলনা, অতিরিক্ত বা কম বিক্রয়মূল্য, এবং এডিসি টাকা গ্রহণের বৈধতা সম্পর্কিত রিপোর্টও জমা দেবে।

সংশ্লিষ্টদের প্রতিক্রিয়া

এডিসি এই ফরেন্সিক অডিটে আপত্তি জানিয়ে আদালতে বক্তব্য রেখেছে যে, সেবি অ্যাকাউন্টস বিষয়ে বিশেষজ্ঞ নয়। কিন্তু আদালতের মতে, যে কোনও ব্যক্তি বা সংস্থা এই রিপোর্ট তৈরি করতে পারে। ফলে সেবিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

মামলার পরবর্তী hearing-এ সব পক্ষের মন্তব্য এবং রিপোর্টের বিশ্লেষণ হবে। এই hearing-এর ফলাফলের উপর ভবিষ্যতের পদক্ষেপ নির্ভর করবে।

উপসংহার

রোজভ্যালি মামলার আর্থিক অনিয়মের বিষয়ে ফরেন্সিক অডিট করানো একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। আদালতের নির্দেশনায় সেবিকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এই অডিটের মাধ্যমে রোজভ্যালির সম্পত্তি বিক্রি, হিসাব বৈধতা এবং এডিসি টাকা গ্রহণের স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে। আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর hearing-এ এই প্রক্রিয়ার অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হবে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

Featured post

Y বাংলা নিউজ ডেস্ক রিপোর্ট আজ, শনিবার দুপুরে পশ্চিমবঙ্গে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। দুপুর পৌনে ১টা নাগাদ তাঁর মালদা টাউন...

Search This Blog