আচমকাই প্রিয় গায়ক ইয়া আলি... জুবিন গর্গের অকাল মৃত্যু
আচমকাই গোটা দেশের সঙ্গীতপ্রেমী মানুষ চমকে গেলেন এক মৃত্যুর খবরে: প্রিয় গানকার ইয়া আলি—জুবিন গর্গ অকালেই আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন।
প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, সিঙ্গাপুরে সমুদ্রস্নান/স্কুবা ডাইভিং সংক্রান্ত একটি ঘটনায় জুবিন অচেতন হয়ে পড়েন। তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও শেষরক্ষা করা যায়নি।
জুবিনের স্ত্রী, ফ্যাশন ডিজাইনার গরিমা এক সংবাদমাধ্যমকে বলেন, "রবিবারই সিঙ্গাপুর থেকে ফেরার কথা ছিল জুবিনের। কিন্তু তা আর হল না। ওকে হারালাম।" তিনি আরও জানিয়েছেন, স্কুবা করার সময়ই মৃত্যু হয়নি—ঘটনার সময় জুবিনের সঙ্গে আরও দুজন ছিলেন: সিদ্ধার্থ ও শেখর।
তারা তিনজন একসঙ্গে স্কুবা করে দ্বীপে ফেরে; পরে জুবিন আবার সমুদ্রের জলে সাঁতার কাটতে বের হন। সমুদ্রের জলে অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায় তাঁকে; বন্ধু-বান্ধবরা তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে জানা যায়, বহু বছর ধরেই জুবিন মৃগীর (Epilepsy) সমস্যায় ভুগছিলেন এবং সেই সময় মৃগীরকে ইঙ্গিত করা একটি আক্রমণ দেখা দিয়েছিল।
মেঘালয়ের তুরায় জন্ম জুবিনের। মাত্র তিন বছর বয়স থেকেই তিনি সঙ্গীতের প্রশিক্ষণ শুরু করেন; মায়ের কাছেই তাঁর প্রথম গান শেখা। ১৯৯২ সালে পেশাগতভাবে গান শুরু করেন তিনি।
অহমিয়া সিনেমার সহ আরও বাংলা ছবিতে বহু গান গেয়েছেন জুবিন। সঙ্গীত পরিচালনা জিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে কাজ করে 'মন মানে না', 'পিয়া রে'–এর মতো গান জনপ্রিয়তা পায়। বলিউডেও প্রীতমের সঙ্গে কাজ করে 'গ্যাংস্টার' ছবির 'ইয়া আলি' গান দেশের মানুষের কাছে ভালভাবে পৌঁছে যায়।
জীবনের বিভিন্ন সময়ে তিনি বিতর্ক ও ব্যক্তিগত সংগ্রামে জড়িয়েছেন—কখনও কখনও মঞ্চে নেশার প্রভাব দেখা গেছে; তবু শিল্পী হিসেবে তাঁর উপস্থিতি ও গান বহু শ্রোতাকে স্পর্শ করেছে।
এই খবরটি আপডেট হবে—যদি আরও চিকিৎসা সংক্রান্ত বা পুলিশি বিবরণ পাওয়া যায়। (আপডেটের জন্য আমাদের ফলো করুন।)









0 comments:
Post a Comment
আপনার মতামত এর জন্য আপনাকে ধন্যবাদ 👇
👉 যদি মনে হয় বিষয়টা গুরুত্বপূর্ণ, পোস্টটি শেয়ার করুন 🔄নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন