Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Wednesday, 24 September 2025

গণ হত্যা না অন্য কারণ হঠাৎ প্যালেস্টাইনের প্রেমে বিশ্ব

প্যালেস্টাইনকে স্বীকৃতি: পশ্চিমি দেশগুলির সিদ্ধান্তে বাড়ছে আন্তর্জাতিক চাপ

প্যালেস্টাইনকে স্বীকৃতি: পশ্চিমি দেশগুলির সিদ্ধান্তে বাড়ছে আন্তর্জাতিক চাপ

ইয় বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো: ব্রিটেন, ফ্রান্স, কানাডা থেকে শুরু করে অস্ট্রেলিয়া—একাধিক পশ্চিমি দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে প্যালেস্টাইনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই সিদ্ধান্ত ইজ়রায়েলের উপর আন্তর্জাতিক চাপ আরও বাড়াবে।

প্যালেস্টাইনকে স্বীকৃতি
পশ্চিমি দেশগুলির স্বীকৃতির পর আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে নতুন সমীকরণ

ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েন

আন্তর্জাতিক কূটনীতিকদের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের ‘ঘনিষ্ঠ বন্ধু’ হিসেবে পরিচিত ইউরোপীয় দেশগুলি সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নানা পদক্ষেপে বিরক্ত। বিশেষ করে শরণার্থী সমস্যা ও শুল্কনীতির কারণে সম্পর্ক খারাপ হয়েছে। তারই সুযোগে ইজ়রায়েলকে চাপের মুখে ফেলতে পশ্চিমি দেশগুলি প্যালেস্টাইনকে স্বীকৃতি দিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

শুল্ক ও বাণিজ্যিক চাপ

২০২৫ সালের শুরুতে ট্রাম্প প্রশাসন ইউরোপীয় দেশগুলির পণ্যে বাড়তি শুল্ক আরোপ করে। এতে ব্রিটেন, ফ্রান্স প্রভৃতি দেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বাণিজ্যিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলি মার্কিন আগ্রাসনের জবাব দিতে প্যালেস্টাইনের পাশে দাঁড়িয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

শরণার্থী সমস্যা ও রাজনৈতিক হিসেব

ট্রাম্প একাধিকবার কঠোর শরণার্থী নীতি প্রয়োগ করেছেন। হাজার হাজার অনুপ্রবেশকারীকে ফেরত পাঠানো হয়, যা ইউরোপীয় দেশগুলির মানবিক মূল্যবোধের বিরুদ্ধে বলে সমালোচনা ওঠে। এদিকে ইউরোপের অভ্যন্তরে মুসলিম ভোটব্যাঙ্ক রক্ষা করতে গিয়েই সরকারগুলি প্যালেস্টাইনকে স্বীকৃতি দিয়েছে বলে বিশ্লেষকদের অভিমত।

কানাডা ও গ্রিনল্যান্ড ইস্যু

ট্রাম্প কানাডাকে যুক্তরাষ্ট্রের ৫১তম রাজ্যে রূপান্তরের স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন। এতে অটোয়া এবং তার নতুন নেতৃত্ব মার্ক কার্নি ক্ষুব্ধ হয়। পাশাপাশি গ্রিনল্যান্ড কিনতে চাওয়ার মার্কিন পরিকল্পনা ইউরোপীয় রাজনীতিকে আরও অস্থির করে তোলে।

তথ্যবক্স:

নেটো সদস্য রাষ্ট্র সংখ্যা: ৩২
প্রতিষ্ঠা: ১৯৪৯
মূল উদ্দেশ্য: পশ্চিমি দেশগুলির যৌথ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

নেটোতে ট্রাম্পের চাপ

নেটো দেশগুলিকে প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়ানোর নির্দেশ দেন ট্রাম্প। এতে উদ্বিগ্ন ইউরোপীয় দেশগুলি কৌশলগতভাবে প্যালেস্টাইনের পাশে দাঁড়িয়েছে বলে মনে করছেন অনেকে।

হামাস-ইজ়রায়েল সংঘাত

গত দু’বছর ধরে গাজ়ায় হামাসের বিরুদ্ধে ইজ়রায়েল ‘গ্রাউন্ড অপারেশন’ চালাচ্ছে। পানীয় জল, ওষুধ ও খাদ্য ঢুকতে বাধা দেওয়ায় মানবিক সংকট তৈরি হয়েছে। ইউরোপের মানবাধিকার সংগঠনগুলির চাপও পশ্চিমি দেশগুলির সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলেছে।

ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি

এর আগে স্পেন, নরওয়ে, আয়ারল্যান্ডসহ একাধিক দেশ প্যালেস্টাইনকে স্বীকৃতি দিয়েছে। এবার বড় শক্তিধর দেশগুলির স্বীকৃতি আন্তর্জাতিক কূটনীতির জন্য তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

তেলের বাজারে কূটনৈতিক স্বার্থ

রাশিয়ার উপর নিষেধাজ্ঞার জেরে ইউরোপীয় দেশগুলি তেলের জন্য আরব রাষ্ট্রগুলির দিকে ঝুঁকছে। প্যালেস্টাইনকে স্বীকৃতি দিয়ে সেই সম্পর্ক আরও মজবুত করতে চাইছে তারা।

ইজ়রায়েলের প্রতিক্রিয়া

প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ইতিমধ্যেই ‘বৃহত্তর ইজ়রায়েল’ তৈরির ঘোষণা করেছেন। তাঁর বাহিনী গাজ়ায় লাগাতার আক্রমণ চালাচ্ছে। পশ্চিমি দেশগুলির পদক্ষেপে ইজ়রায়েল মোটেই খুশি নয়।

আগামী দিনের সম্ভাবনা

বিশ্লেষকদের মতে, পশ্চিমি দেশগুলিতে দূতাবাস খোলার সুযোগ পাবে প্যালেস্টাইন কর্তৃপক্ষ। তবে শান্তি প্রতিষ্ঠা এখনও অনিশ্চিত। যুক্তরাষ্ট্র এখনও ইজ়রায়েলের পাশে শক্ত অবস্থানে দাঁড়িয়ে আছে।

আপডেট: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

কলকাতা হাই কোর্টে রাজ্যের বকেয়া বরাদ্দ নিয়ে তলব

কলকাতা হাই কোর্টে রাজ্যের বকেয়া বরাদ্দ নিয়ে তলব

আপডেট: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

কলকাতা হাই কোর্ট বুধবার রাজ্য সরকারের বরাদ্দ বিষয়ক প্রশ্ন তুলে, বিচারব্যবস্থার জন্য বরাদ্দকৃত অর্থের কত অংশ দেওয়া হয়েছে তা জানতে চেয়েছে। আদালত রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ পন্থকে বকেয়া বরাদ্দ এবং প্রকল্পের অগ্রগতির বিষয়ে রিপোর্ট দিতে সময়সীমা নির্ধারণ করেছে।

আরও খবর পড়ুন ভারতের রাজ্যে শুরু হলো জেন জি আন্দোলন

বিচারপতি দেবাংশু বসাক ও বিচারপতি মহম্মদ শব্বর রশিদির ডিভিশন বেঞ্চ আগামী ১৫ অক্টোবর হাই কোর্ট ও রাজ্যের অর্থসচিব ও বিচারবিভাগীয় সচিবদের সঙ্গে বৈঠক করার নির্দেশ দিয়েছে। যদি বৈঠক অসম্পূর্ণ থাকে, তবে দ্বিতীয় বৈঠক ২২ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে।

আদালতের নির্দেশ, এই বৈঠকের পরে রাজ্য সরকারকে বকেয়া অর্থসহ চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাতে হবে। হাই কোর্ট আরও জানিয়েছে যে, রাজ্যের মুখ্যসচিবকেই ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত পুরো বিষয়ের রিপোর্ট দিতে হবে। আদালত এই নির্দেশ অগ্রাহ্য করা না হওয়ার ওপর জোর দিয়েছে।

প্রসঙ্গত, রাজ্য সরকারের টাকা না দেওয়ায় আদালত পরিচালনা এবং পরিকাঠামো উন্নয়নের কাজ থমকে আছে। এ বিষয়ে হাই কোর্ট শুনানি করছে। বকেয়া বরাদ্দের জন্য মুখ্যসচিবকে তলব করা হয়েছে।

আরও খবর পড়ুন। অসামথেকে ৩৭ জন মুসলিকেকে বিদেশী তকমা লাগিয়ে বিতারণ করা হলো

বিচারপতি বসাক বলেন, "প্রতিটি জেলা বিচারকের কাছে পাঁচ লক্ষ টাকা থাকা উচিত। কিন্তু এখন একটি টাকাও নেই। গত চার দিন ধরে একই কথা বলা হচ্ছে, অথচ অগ্রগতি নেই। রাজ্যের মুখ্যসচিবকে জানানো সত্ত্বেও কোনও পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না।"

তিনি আরও বলেন, "মোট বাজেটের সামান্য অংশই বিচারব্যবস্থার জন্য বরাদ্দ। সেটাও যদি না দেওয়া হয়, তাহলে কাজ কিভাবে চলবে? বরাদ্দের কতটা অংশ দেওয়া হয়েছে, তা হিসাব করুন। আমরা দয়া চাইছি না, এটি রাজ্যের দায়িত্ব।"

আরও খবর পড়ুন আশ্রমের ছাত্রীদের উপর যৌননির্যাতনের অভিযোগে , গ্রেফতার এর আগেই পলাতক বাবা

রাজ্য সরকারের বক্তব্য, কিছু প্রকল্পের টাকা নিয়ে আরও আলোচনা প্রয়োজন। আদালত রাজ্যের অনুরোধ মেনে আলোচনার সময় দিয়েছে এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে নির্দেশ দিয়েছে।

এর আগে, ১৭ সেপ্টেম্বর মুখ্যসচিব ভার্চুয়াল মাধ্যমে জানিয়েছিলেন, হাই কোর্ট ও নিম্ন আদালতের ১৪টি প্রকল্পের জন্য ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য অর্থ দফতরে পাঠানো হয়েছে। তবে আদালত আরও ৫৩টি প্রকল্পের তথ্য চেয়েছিল।

এই মামলার শুনানি রাজ্য সরকারের বরাদ্দ ও প্রকল্পের বাস্তবায়ন নিয়ে আদালতের তাগিদকে তুলে ধরছে। আদালত আশা করছে, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে রাজ্য সরকার রিপোর্ট দেবে এবং বকেয়া বরাদ্দ মিটিয়ে দেবে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

লাদাখে রাজ্যত্ব দাবিতে তীব্র বহিঃপ্রকাশ — লেহে সংঘর্ষ, পুলিশ ভ্যান-দফতরে আগুন

লাদাখে রাজ্যত্ব দাবিতে তীব্র বহিঃপ্রকাশ — লেহে সংঘর্ষ, পুলিশ ভ্যান-দফতরে আগুন

লাদাখে রাজ্যত্ব দাবিতে তীব্র বহিঃপ্রকাশ — লেহে সংঘর্ষ, পুলিশ ভ্যান ও বিজেপি কার্যালয়ে আগুন

আপডেট: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | রিপোর্ট: Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো

২০১৯ সালে কেন্দ্রের সক্রিয়তায় আর্টিকেল ৩৭০ বিলোপ ও জম্মু-কাশ্মীরের পুনর্গঠন—এবং লাদাখকে নিবাসী কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা—এর পর থেকেই লাদাখে রাজ্যের মর্যাদা ফেরানো নিয়ে অনড় অনিক্ষোভ ও দাবি বাড়ছে; বৃহস্পতিবার সেই উত্তেজনা জমে ওঠে সশস্ত্র বিক্ষোভে। 0

বসতি ও সাংস্কৃতিক নিরাপত্তার দাবিতে দীর্ঘ অনশন-অভিযান ও যুবদলের উদ্যোগের মধ্যেই লেহে মঙ্গলবার থেকে অবশ্যই উত্তেজনা দেখা দেয়। স্থানীয় যুবকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে ইটবৃষ্টি শুরু হয়; একই সঙ্গে ঘটেছে অগ্নিসংযোগ—একটি পুলিশ ভ্যান ও স্থানীয় এক রাজনৈতিক দলের (বিএজেপি) কার্যালয়ে আগুন লাগানো হয়েছে বলে সংবাদে জানা গেছে। এই ঘটনার সময় নিরাপত্তা বাহিনীকে অতিরিক্ত নম্বর মোতায়েন করতে হয়েছে ও এলাকা কন্ট্রোল করা চলছে।

আরও খবর পড়ুন, কলকাতা হাইকোর্টে 'দ্য বেঙ্গল ফাইলস' সিনেমা প্রদর্শনী নিয়ে নির্দেশ

লেহে বিক্ষোভ ও সংঘর্ষ (প্রতীকী)
চিত্র প্রতীকী: লেহে বিক্ষোভে তীব্রতা—সিসিটিভি ও প্রত্যক্ষদর্শীর তথ্যের ভিত্তিতে ছবি সংগ্রহ।
প্রসংগ: ২০১৯ সালের ৫-৬ আগস্ট কেন্দ্র আর্টিকেল ৩৭০ বিলোপ করে এবং একই প্রক্রিয়ায় জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখকে পুনর্বিন্যাস করে; এরপর থেকে লাদাখে 'রাজ্যত্ব' ফেরার দাবিতে স্থানীয় নেতারা ও নাগরিক সংগঠন সক্রিয়। ২০২৩ সালে শীর্ষ আদালত ওই বিলোপের সংবিধানিক বৈধতা সম্পর্কে রায় দিয়েছে; পরবর্তীতে কয়েকটি পর্যালোচনা আবেদন খারিজ হয়েছে। 2

অবস্হা আরও তীব্র হয়েছে কেন—ঠিক এখানেই এলাকাভিত্তিক বিক্ষোভের পটভূমি স্পষ্ট হয়: লাদাখের অনেক বাসিন্দা মনে করেন কেন্দ্র যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল (রাজ্য মর্যাদা বা সাংবিধানিক সুরক্ষা), তা সময়মতো পূরণ হয়নি। পরিবেশ-সংরক্ষণ ও স্থানীয় অটোনমি নিশ্চিত করতে ছুটোছুটো দাবিগুলো দিন-দিন জোরালো হচ্ছে। পরিবেশকর্মী ও নেতা-সমাজকর্মীরা অনশন ও শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি শুরু করলে তা প্রতিরোধের অভাব হলে যুবসমাজ রাস্তায় নামছে—এবং তাতে উত্তেজনা ছড়াচ্ছে। Sonam Wangchuk-এর অনশনের খবর ও পরে তিনি যখন শান্তির আহ্বান করেন, তখনও উত্তেজনা থামেনি।

আরও খবর পড়ুন, রাহুল গান্ধীর অভিযোগ: ভোটচুরি ও বেকারির বিরুদ্ধে যুবসমাজের লড়াই

একমাত্র শান্তিপূর্ণ আলোচনাই সমস্যার স্থায়ী সমাধান ঘোষনা করতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন। কেন্দ্র ও স্থানীয় শাসকগোষ্ঠীর মধ্যে কথোপকথন ছাড়া বিভিন্ন দাবি—সিক্সথ শিডিউল, সাংবিধানিক রক্ষাকবচ বা রাজ্যত্ব—কেউ স্বল্পমেয়াদে মেটাতে পারবেনা। স্থানীয় বৃহৎ সংগঠনগুলোও রাজনৈতিক প্রতিনিধি ও তাঁতীয় নেতাদের সঙ্গে আলোচনার টেবিলে বসতে বলছেন। তবে এখনকার পরিস্থিতিতে অগ্নিগর্ভ বিক্ষোভগুলো যদি নিয়ন্ত্রণে না আনা যায়, তা সাম্প্রদায়িক ও সামাজিক অবনতি ঘটাতে পারে।

আরও খবর পড়ুন, শুভেন্দুর সমালোচনা: কলকাতার বৃষ্টিতে নাগরিকের মৃত্যু ও সরকারের ব্যর্থতা ।

বর্তমানে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় স্তরের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা পুনরায় শুরু হওয়ার আহ্বান করা হচ্ছে; পরবর্তী দিনগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করা, আঞ্চলিক নেতাদের সঙ্গে আলোচনার প্ল্যাটফর্ম স্থাপন এবং ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর জন্য সহায়তার পরিকল্পনা জরুরি হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। একই সঙ্গে, তদন্ত ও ঘটনার ন্যায্য মূল্যায়নের প্রতিশ্রুতি ছাড়া উত্তেজনা ম্লান হওয়া কঠিন বলেই মনে করছেন অনেক বিশ্লেষক।

#লাদাখ #লেহ #রাজ্যত্বদাবি #Article370 #SonamWangchuk #BreakingNews

সূত্র: Times of India, Hindustan Times, SC Observer, NDTV। উপরিউক্ত প্রতিবেদনগুলি সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ ও বিচারিক ইতিহাস সম্পর্কে তথ্য-সমর্থিত উৎস হিসেবে কাজে লাগানো হয়েছে। পরবর্তী সরকারি বা আদালতীয় বিবৃতির সঙ্গে মিলিয়ে প্রতিবেদন আপডেট করা হবে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

অসমে সম্প্রতি ৩৭ জনকে 'অনুপ্রবেশকারী' আখ্যা দিয়ে বিতাড়ন

অসমে বিতাড়ন বিতর্ক: সাম্প্রদায়িক আচরণ ও মানবাধিকার প্রশ্ন

অসমে বিতাড়ন বিতর্ক: সাম্প্রদায়িক আচরণ ও মানবাধিকার প্রশ্ন

আপডেট: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | রিপোর্ট: Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো

সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষের চূড়ান্ত সীমা পার করে’। অসমের মুখ্যমন্ত্রীর সাম্প্রদায়িক নীতির বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা তুঙ্গে দাঁড়িয়েছে। সম্প্রতি নির্বাচিত ও কার্যনিরত নেতাদের নির্দেশে বেছে বেছে মসজিদ ও মুসলিম বসতবাড়ি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার বাইরেই ধ্বংস করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বাল্যবিবাহের নামে শুরু করা অভিযানে বহু পরিবারের সদস্যকে গ্রেফতার করা ও কারাগারে নিক্ষেপ করা হয়েছে—তাদের মধ্যে অনেকে স্থানীয়দের স্থায়ী বাসিন্দা বলেও দাবি করা হয়।

আরও খবর পড়ুন ছয়টি কামরা লাইনচ্যুত, বহু যাত্রী আহত ও নিহত

অপরাধ ও 'জবর দখল' অভিযোগ তুলে বিশেষ করে বাঙালি মুসলিম সম্প্রদায়ের উপর চালানো উচ্ছেদ কর্মসূচি স্থানীয়দের মধ্যে ভয়, অনিশ্চয়তা এবং মানবিক সংকট সৃষ্টি করেছে। স্বাধীনতা পরবর্তী প্রজন্ম থেকে এই অঞ্চলে অনবরত বসবাস করছে এমন পরিবারগুলোকেও 'অনুপ্রবেশকারী' বলে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং তাদের বিতাড়নের আদেশ জারি করা হয়েছে। রাজ্য সরকার সাম্প্রতিককালে ৩৭ জনকে রাজ্য ছাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছে—এই ঘটনার তথ্য মুখ্যমন্ত্রী নিজেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন।

মুখ্যমন্ত্রী এক পোস্টে লিখেছেন, 'অনুপ্রবেশকারীদের বিদায়। অসমে তোমাদের সময় শেষ' এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ছবি ঝাপসা করে পোস্ট করা হয়েছে। ওই ছবিতে পুরুষ, মহিলা ও শিশুদের উপস্থিতি স্পষ্ট। সরকারি ভাষ্য অনুযায়ী এই ৩৭ জন 'অবৈধ বাংলাদেশি' হিসেবে চিহ্নিত ও বিতাড়িত হয়েছে, কিন্তু সমালোচকরা বলছেন, সার্বিক প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নেই এবং অনেক অভিযোগ ভিত্তিহীন।

আরও খবর পড়ুন আজ এশিয়া কাপে ভারত বাংলাদেশ মুখোমুখি , বাংলাদেশ হারলে পাকিস্তানের সাথে ফাইনাল খেলবে ভারত

মানবাধিকার ও আইনি উদ্বেগ:

নির্বাচিত এই কঠোর পদক্ষেপ ও রাজ্য কর্তৃপক্ষের ঘোষিত নীতির বিরুদ্ধে মানবাধিকার সংগঠন ও কিছু রাজনৈতিক দল উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তারা বলছে, সাংবাদিকতা, আইনশৃঙ্খলা ও আদালতের পর্যবেক্ষণের বাইরে বিতাড়ন ও গ্রেপ্তার যদি চলে, তাহলে তা জনবৃন্দের মৌলিক অধিকার ও সংবিধানিক নিরাপত্তাকে ধাক্কা দেবে।

আরও খবর পড়ুন আবারও হাই কোর্টে ধাক্কা খেল রাজ্য সরকার।

অন্যদিকে সরকারি পক্ষ বলছে, সীমান্ত সুরক্ষা ও বেআইনি অনুপ্রবেশ রোধে কঠোর পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে। তবে সমালোচকরা প্রশ্ন তুলছেন—কেন একই নিয়ম সবার ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হচ্ছে না এবং কেন কিছু গোষ্ঠীকে বিশেষভাবে নিশানা করা হচ্ছে।

এই বিতর্ক সমাজে বিভাজন বাড়াচ্ছে ও স্থানীয় শান্তিচর্চাকে ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলছে। বিতাড়িতদের কেয়ার, পুনর্বাসন ও আইনি সহায়তা কিভাবে নিশ্চিত করা হবে, তা নিয়ে বড় প্রশ্ন রয়ে গেছে। আন্তর্জাতিকভাবে ও দেশের ভেতরে নজর পড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি রাজনৈতিকভাবে আরও তপ্ত হয়ে উঠছে।

সম্প্রসারিতভাবে বলতে গেলে—ভিন্ন মত ও ধর্মীয় পার্থক্য যদি নাগরিক অধিকার ও মানবিকতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে, তাহলে তা গভীর উদ্বেগের বিষয়। দ্রুত স্বচ্ছতা, ন্যায়বিচার ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি নিশ্চিত না হলে সমস্যা আরো বেড়ে যেতে পারে।

#অসম #বিতাড়ন #মানবাধিকার #মুসলিমসমাজ #অনুপ্রবেশকারী #Yবাংলাডিজিটাল
নোট: প্রতিবেদনটি স্থানীয় সূত্র ও সোশ্যাল মিডিয়া ঘোষণার ভিত্তিতে রচিত; আদালত বা সরকারি ঘোষণায় বদল হলে তা আপডেট করা হবে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

ছয়টি কামরা লাইনচ্যুত, বহু যাত্রী আহত ও নিহত

বালোচিস্তানে জাফার এক্সপ্রেসে ফের হামলা — ছয়টি কামরা লাইনচ্যুত, বহু যাত্রী আহত

বালোচিস্তানের দাশ্তে জাফার এক্সপ্রেসে ফের হামলা — ছয়টি কামরা লাইনচ্যুত, বহু যাত্রী আহত

আপডেট: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | রিপোর্ট: Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো

মাস্তাং জেলার দাশ্ত অঞ্চলে মঙ্গলবার বালোচিস্তানের পেশোয়ার-কোয়েটা রুটে চলাচলকারী জাফার এক্সপ্রেসে এক ভয়াবহ বিস্ফোরণে অন্তত ছয়টি কামরা লাইনচ্যুত হয়েছে; ঘটনাবস্থায় ৪০০ জনের ওপর যাত্রী ছিল বলে ক্ষমতাশীল সূত্র জানিয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে অপরিকল্পিত বিস্ফোরক (আইইডি) ব্যবহার করা হয়েছে। 0

হামলার তথ্য মিলার পর প্রথমেই ঘটনাস্থলে উদ্ধারকর্মী, স্থানীয় পুলিশ ও রেল কতৃপক্ষ পৌঁছায়। আহত যাত্রীদের কাছাকাছি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং কিছু সঙ্কটজনক অবস্থার রোগীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বৃহত্তর শহরের হাসপাতালে স্থানান্তর করা হচ্ছে। রেললাইন ও কামরা উদ্ধারের কাজ শুরু হয়েছে এবং ট্রেন চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। 1

জাফার এক্সপ্রেস লাইনের পাশে দাড়িয়ে থাকা উদ্ধারকর্মীরা (চিত্র প্রতীকী)
চিত্র প্রতীকী: ঘটনা স্থলে উদ্ধারসহায়তা চলছে।

প্রাথমিক তদন্তে বলছে বিস্ফোরণ আনা হয়েছিল পথের কাছে স্থাপন করা এক বিস্ফোরক যন্ত্র (আইইডি) চালিয়ে। এই বিস্ফোরণের ফলে ট্রেনের কয়েকটি কামরা লাইনচ্যুত হয়ে পরিণত হয়েছে; স্থানীয় সূত্রের উল্লেখ, ট্রেনটিতে তখন ৪০০-এরও বেশি যাত্রী ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। হামলার সঙ্গে কোনও সংগঠন এখনও পর্যন্ত দায় গ্রহণ করেনি। তবে ওই অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় বালোচ বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলোর অবস্থান ও কার্যক্রমের কারণে নিরাপত্তা বাহিনী সেগুলির সংশ্লিষ্টতার সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখছে। 2

পটভূমি:

এই প্রতিবেদনটি বেরোবার সময়ে জানা গেছে, চলতি বছরের মার্চে একই জাফার এক্সপ্রেসকে বড় আকারে অপহরণ করা হয়েছিল — সেই ঘটনায় নিরাপত্তা ও জনজীবনে বড় ধরনের ঝামেলা তৈরি হয়েছিল এবং পরে সেনাবাহিনী অভিযানের মাধ্যমে বেশকিছু বন্দি উদ্ধার ও হামলাকারী দমন করেছিল। এরপর আগস্টেও একই ট্রেনকে লক্ষ্য করে আরেকটি হামলার নজির ছিল — তখনও কয়েকটি কামরা লাইনচ্যুত হয়েছিল। সাম্প্রতিক সময় ট্রেন ও রেল অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে হামলার তীব্রতা উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। 3

স্থানীয় আধিকারিকরা জানিয়েছেন, হামলার সঠিক প্রকৃতি ও ব্যবহৃত বিস্ফোরকের ধরন নির্ধারণে ফরেনসিক টিম কাজ করছে। রেলওয়ে ইঞ্জিনিয়াররা/ট্র্যাক মিস্ত্রিরা নাশকতা ও পুনর্নির্মাণ মূল্যায়ন শুরু করেছেন — ট্র্যাক মেরামত ও কামরা সংস্কারের কাজ কবে পর্যন্ত চলবে, তা নির্ভর করবে বিস্তৃত ক্ষয়ক্ষতির উপর। রেল বিভাগ জানিয়েছে, যাত্রীদের নিরাপত্তার জন্য পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত ওই রুটে ট্রেন চলাচল স্থগিত থাকবে। 4

এই হামলার ধারা যদি অব্যাহত থাকে, সাধারণ যাত্রীদের উদ্বেগ, রেল যোগাযোগের নিরাপত্তা-খরচ এবং রাজ্যীয় নিরাপত্তা কৌশলকে নতুনভাবে পুনর্গঠন করতে বাধ্য করবে। বালোচিস্তানে বহু বছর ধরে বিদ্রোহ, বিচ্ছিন্নতাবাদী কার্যক্রম ও সন্ত্রাসী আক্রমণের ইতিহাস আছে — এসব গোষ্ঠীর লক্ষ্য প্রায়ই সামরিক, সরকারি বা বড় অবকাঠামোতে হামলা করা। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা বলছে, স্থানীয় বিদ্রোহীদের ভগ্নাংশগুলি মাঝে মাঝে স্থানীয় প্রতিক্রিয়া ও কৌশল পরিবর্তন করে, ফলে নিরাপত্তা বাহিনীকে সবসময় সতর্ক থাকতে হয়। 5

রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক অর্থে এই ঘটনার প্রভাব পড়তে পারে — কেন্দ্রীয় সরকারের উপর চাপ বাড়তে পারে যাতে দ্রুত কার্যকর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয় এবং রেলবহর ও যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়। পাশাপাশি প্রতিবেশী অঞ্চলের ট্রেন চলাচল ও পণ্য-পরিবহনেও প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমও এই ধরণের হামলা সাবধানবাণী হিসেবে উল্লেখ করেছে, কারণ বালোচিস্তান অঞ্চলের অস্থিতিশীলতা দীর্ঘকাল ধরে আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য উদ্বেগের কারণ। 6

আক্রান্তদের ক্ষতিপূরণ, তদন্তের স্বচ্ছতা ও অভিযুক্তদের দমন— এই তিনটি বিষয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা এবং মানবাধিকার পর্যবেক্ষকরা সরকারের কাছে দাবি তুলতে পারেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহভাজন গোষ্ঠীকে চিহ্নিত করা না গেলে, এধরনের হামলা ভবিষ্যতেও ঘটতে পারে বলে নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

বর্তমানে রেল, পুলিশ ও কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলো যৌথভাবে তদন্ত চালাচ্ছে; তারা সাইফারাইজড তথ্য, সিসিটিভি ফুটেজ, ট্র্যাক-ফরেনসিক ও স্থানীয় সাক্ষীদের তথ্য সংগ্রহ করে হামলার সময়রেখা ও পরিকল্পনা নির্ণয়ের চেষ্টা করছে। অনেকে বলছেন, যদি গোষ্ঠীগত দায়ক্রিয়ার প্রমাণ মেলে, তাহলে তা আঞ্চলিক রাজনৈতিক সংকটকে তীব্র করবে এবং কঠোর সামরিক-নিরাপত্তা অভিযানের পথ প্রশস্ত করতে পারে। 7

নোট: এই প্রতিবেদনটি প্রকাশের সময় পর্যন্ত পাওয়া স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদসূত্র, নিরাপত্তা সূত্র ও সরকারি বিবৃতি ভিত্তিক। ঘটনার তদন্ত এখনও চলছে; আদালত বা সরকারি বিতর্কিত বিবৃতি প্রকাশ পেলে আমরা প্রতিবেদনে তা আপডেট করব।

#JaffarExpress #Balochistan #TrainAttack #RailSafety #PakistanNews

সূত্র (প্রধান): Times of India, AP, Al Jazeera, The Guardian, CTC West Point রিপোর্ট। 8

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

হাইকোর্টের নির্দেশ: অনিকেতকে আরজিকরে পোস্টিং দিতে হবে

হাইকোর্টের নির্দেশ: অনিকেতকে আরজিকরে পোস্টিং দিতে হবে

কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ — জুনিয়র ডক্টরকে আরজি করেই পোস্টিং দিতে হবে

আপডেট: 24 সেপ্টেম্বর 2025 | রিপোর্ট: Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো

কলকাতা হাইকোর্ট বুধবার রাজ্য সরকারের বদলি নোটিফিকেশন খারিজ করে বলেছেন, এক জুনিয়র চিকিৎসককে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে (RG Kar Medical College & Hospital)ই তার পছন্দমত পোস্টিং দিতে হবে — রায় দিয়েছেন হাইকোর্টের বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। 0

এই মামলাটি আরজি কর আন্দোলনের সময় আলোচনায় উঠেছিল; অভিযুক্ত চিকিৎসক দাবি করেন, কাউন্সেলিংয়ে যেভাবে তিনি ও অন্যরা নিজের পছন্দ অনুসারে পোস্টিং পেয়েছিলেন, পরে কেন রাজ্য সরকার তাদের বিচ্যুতভাবে বদলি করেছে — তা পুরোপুরি প্রতিশ্রুতিপূর্ণ প্রক্রিয়ার বাইরে ছিল। হাইকোর্ট পর্যবেক্ষণ করেছে, অনিকেত মাহাতোকে রায়গঞ্জে বদলি করার নোটিফিকেশন গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা ছাড়া নেয়া হয়েছে। 1

আরোও খবর পড়ুন , বিহার বিধানসভা নির্বাচনে AIMIM একাই লড়াইয়ের প্রস্তুতি

আদালত স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে, রাজ্যকে অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট নোটিফিকেশন বাতিল করে অভিযুক্ত চিকিৎসককে আরজি করেই পোস্টিং দিয়তে হবে এবং নিয়োগপত্র নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রদান করতে হবে। পাশাপাশি মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই চিকিৎসক বা অন্যান্য প্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে কোনো কড়াকড়ি বা বলপ্রয়োগমূলক পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না বলে রায়ের মধ্যে সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছে। 2

মামলায় অন্যান্য চিকিৎসক:

অনিকা কেন্দ্রের বাইরে থাকা—অন্য দুই চিকিৎসক (এছাড়া নামজানা ডক্টরদের) বদলি সম্পর্কেও মামলা আছে; তবে হাইকোর্ট এখন পর্যন্ত তাদের পরিবর্তিত পোস্টিং বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেয়নি, ফলে তাদের ইস্যুটি এখনো অনিশ্চিত। 3

রায়ে বিচারপতি অভিমত প্রকাশ করেছেন যে, মেধার ভিত্তিতে পোস্টিং প্রদানের যে প্রক্রিয়া থাকা উচিত, তা ব্যাপকভাবে চিকিৎসকদের ক্ষেত্রে মানা হলেও এই বিশেষ কেসে তা অনুসরণ করা হয়নি এবং রাজ্য আদালতে এই বিষয়ে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে পারেনি। ফলে রাজ্যের নোটিফিকেশন বাতিল করা হলো। 4

আরোও খবর পড়ুন , অভিযোগ: নোংরা মেসেজ ও জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক, লুকিয়ে পড়লেন দিল্লির আশ্রম প্রধান

এই রায়ের ফলে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের পেশাগত অবস্থা এবং ভবিষ্যৎ পোস্টিং পরিষ্কার হওয়ার পথে এক বড় পদক্ষেপ বলে বিবেচিত হচ্ছে। মামলার সম্পূর্ণ নিষ্পত্তি পরবর্তী সময়ে আদালত কী নির্দেশ দেয়, তা নিয়ম অনুসারে বিশ্লেষণ করতে হবে।

নোট: উপরের খবর আদালতের আদেশ ও প্রকাশিত প্রতিবেদন ভিত্তিক; আরও বিস্তারিত জানতে কোর্ট নথি ও সংশ্লিষ্ট অংশীর বক্তব্য দেখে আপডেট করা হবে। মূল সূত্র: সংবাদ প্রতিবেদন ও আদালতের প্রকাশিত বিবৃতি। 5

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

চন্দ্রনাথ সিংহ প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় রায় স্থগিত

চন্দ্রনাথ সিংহ প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় রায় স্থগিত

চন্দ্রনাথ সিংহ প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় রায় স্থগিত

প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় রাজ্যের কারা এবং ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পমন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিংহকে বিচারক জামিন দেবেন, না কি ইডির আবেদন মেনে হেফাজত মঞ্জুর করবেন, তা নিয়ে গোটা রাজ্যজুড়ে কৌতূহল ছিল। মঙ্গলবারই বিচার ভবনে এই মামলার রায় দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বিভিন্ন কারণে বিচারক কোর্টে উপস্থিত হতে পারেননি। ফলে মঙ্গলবার রায়দান সম্পূর্ণভাবে স্থগিত হয়েছে। আদালতের সূত্রে জানা গেছে, বুধবারই চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করবেন বিচারক।

আরও খবর পড়ুন, আজ মুখোমুখি ভারত-বাংলাদেশ: এশিয়া কাপের উত্তেজনা চরমে

মামলার মধ্যে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক উভয় স্তরের চাপ ছিল যথেষ্ট। আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত রাজ্য রাজনীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলার রায় চন্দ্রনাথ সিংহের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এ কারণে মামলার প্রতি নজর রাখছিলেন রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় পর্যায়ের রাজনীতিবিদরা।

সোমবার রাতভর কলকাতা এবং শহরতলিতে ভারী বৃষ্টি হয়। টানা কয়েক ঘণ্টার বর্ষণে শহরের বিভিন্ন এলাকা জলমগ্ন হয়ে যায়। সকাল থেকে বৃষ্টি কিছুটা কমলেও দুপুর পর্যন্ত জলাবদ্ধতা ছিল চোখে পড়ার মতো। যানজটের কারণে সাধারণ মানুষ তাদের গন্তব্যে পৌঁছাতে হিমশিম খেতে বাধ্য হন। কেউ কেউ মাঝপথে ফিরে আসেন। কলকাতার বিভিন্ন আদালতও এই জলাবদ্ধতার কারণে ব্যাহত হয়। অনেক আইনজীবী ও বিচারক কোর্টে উপস্থিত হতে পারেননি। ফলে বিভিন্ন মামলার শুনানি পিছিয়ে যায়।

আরও খবর পড়ুন, কলকাতার আরও জল যন্ত্রণা

গত ৬ সেপ্টেম্বর চন্দ্রনাথ সিংহ নিজে আদালতে গিয়ে আত্মসমর্পণ করেছিলেন। সেই সময় ইডি তাঁকে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন করেছিল। তবে আদালত চন্দ্রনাথের জামিনের আবেদন মঞ্জুর করেন। আদালত কিছু শর্তও চাপিয়ে দেন। যেমন, জামিন পেলেও চন্দ্রনাথ আপাতত নিজের বিধানসভা কেন্দ্র এবং কলকাতার বাইরে কোথাও যেতে পারবেন না। এছাড়া তদন্তে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করতে হবে। যতদিন এই মামলার শুনানি শেষ হবে না, ততদিন এই শর্ত মানতে হবে।

গত শনিবার মামলার শুনানি ছিল। দু’পক্ষই আদালতে নিজেদের যুক্তি উপস্থাপন করে। ইডি অভিযোগ তুলেছিল যে চন্দ্রনাথের পক্ষ তদন্তে সহযোগিতা করেনি এবং প্রয়োজনীয় নথি সরবরাহ করেনি। একই সঙ্গে আদালত জানতে চেয়েছিল তদন্তের গতিপ্রকৃতি নিয়ে। চন্দ্রনাথের আইনজীবীরা আদালতে জানান, মামলার তদন্তের সময়ে তাঁকে হেফাজতে নেওয়া হয়নি, কিন্তু চার্জশিট জমা পড়েছে। রাজ্যের কারামন্ত্রীর পক্ষ থেকে বলা হয়, জুলাই মাসে ইডি চন্দ্রনাথকে তলব করেছিল। সেই সময় আইনজীবীরা উপস্থিত ছিলেন। ৪ অগস্ট পুনরায় তলব করা হলে আইনজীবীরা নিশ্চিত করতে চেয়েছিলেন ৭ অগস্ট সব নথি জমা হবে। তবে তখন তদন্তকারী আধিকারিক উপস্থিত ছিলেন না।

ইডির আইনজীবীরা পাল্টা দাবি করেন, “তল্লাশি এবং বয়ান নথিবদ্ধ করার মাঝে পঞ্চম চার্জশিট জমা পড়েছে। এছাড়া সুপ্রিম কোর্ট পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে বিচার শুরু করার নির্দেশ দিয়েছে। তদন্তকারী আধিকারিকেরা সেই কাজে ব্যস্ত ছিলেন। তবে এর মধ্যেই তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।” আদালতে উভয় পক্ষের সওয়াল-জবাবের পর বিচারক রায়দান স্থগিত রাখেন। মঙ্গলবার রায়দানের কথা থাকলেও বিচারকের অনুপস্থিতির কারণে তা সম্ভব হয়নি।

মামলার বিষয়বস্তু ও প্রভাব বিবেচনায় রাজ্য রাজনীতিতে উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় চূড়ান্ত রায় চন্দ্রনাথ সিংহের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ এবং রাজ্যের প্রশাসনিক ব্যবস্থার ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে। আদালতের শর্তসাপেক্ষ জামিনের কারণে মন্ত্রীকে তার বিধানসভা কেন্দ্রের বাইরে যাত্রা সীমিত রাখা হয়েছে, যা রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সীমাবদ্ধতা তৈরি করবে।

এদিকে, কলকাতার জলাবদ্ধতা ও বৃষ্টির কারণে সাধারণ মানুষও অতিরিক্ত সমস্যায় পড়েছে। শহরের বিভিন্ন আদালতে জল জমার কারণে আদালত কাজ ব্যাহত হয়েছে। অনেক আইনজীবী, মামলা পক্ষ এবং বিচারকরা কোর্টে উপস্থিত হতে পারেননি। ফলে আরও অনেক মামলার শুনানি পিছিয়ে গেছে। শহরের বৃষ্টি এবং জলাবদ্ধতা রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডকেও প্রভাবিত করেছে।

মামলার শুনানি ও তদন্তের বিস্তারিত বিবরণ অনুযায়ী, চন্দ্রনাথ সিংহের বিরুদ্ধে চার্জশিট ইতিমধ্যে দায়ের করা হয়েছে। মামলার তদন্তে ইডি উল্লেখ করেছে যে, প্রয়োজনীয় নথি চন্দ্রনাথ সরবরাহ করেননি। আবার চন্দ্রনাথের আইনজীবীরা দাবি করেন যে, সমস্ত নথি সময়মতো জমা দেওয়া হয়েছে এবং কোনো ধরনের অসহযোগিতা ঘটেনি। আদালত উভয় পক্ষের যুক্তি শুনে রায়দান স্থগিত রাখে।

রাজ্য রাজনীতিতে এই মামলার প্রভাব বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলার রায় যে কোনও সময় ঘোষণা করা যেতে পারে এবং তা চন্দ্রনাথ সিংহের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও মন্ত্রিত্বে সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে। আদালতের শর্তসাপেক্ষ জামিনে থাকা মন্ত্রীকে বিধানসভা কেন্দ্র এবং কলকাতার বাইরে যাওয়া নিষিদ্ধ, যা তার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড সীমিত করবে। এছাড়া মামলার তদন্ত ও শুনানি চলাকালীন আদালতের শর্ত অনুযায়ী তাকে সহযোগিতা করতে হবে।

মোটকথা, প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় চন্দ্রনাথ সিংহের রায় বুধবার ঘোষণা হবে। আদালতের শর্তসাপেক্ষ জামিন এবং মামলার তদন্তের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে রাজনৈতিক, প্রশাসনিক ও সাধারণ মানুষের মধ্যে কৌতূহল তীব্র রয়েছে। শহরের বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার কারণে আদালতের কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় রায়দানের ক্ষেত্রে আরও কিছু সময় লাগতে পারে। তবে, আদালত এবং তদন্তকারী সংস্থা উভয়ই মামলার সঠিক ও ন্যায্য সমাধান নিশ্চিত করতে কাজ করছে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

কৃষ্ণনগর বাস স্ট্যান্ডে বাস চালকদের বিক্ষোভে রাস্তা অবরোধ, যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে

কৃষ্ণনগর বাস স্ট্যান্ডে বাস চালকদের বিক্ষোভে রাস্তা অবরোধ, যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে

প্রকাশের সময়: 24-Sep-2025, 10:59AM

রিড টাইম: ৫ মিনিট

কৃষ্ণনগর বাস স্ট্যান্ডে বুধবার সকালে বাস চালকরা রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান। অভিযোগ অনুযায়ী, টোটো চালকদের সঙ্গে সংঘর্ষের কারণে এই বিক্ষোভ ঘটে। বাসস্ট্যান্ডের সামনে রাস্তা বন্ধ থাকায় জেলার বিভিন্ন প্রান্তে বাস চলাচল পুরোপুরি স্তব্ধ হয়ে যায়। ফলে সাধারণ যাত্রীদের দৈনন্দিন যাতায়াত বিপর্যস্ত হয়। দীর্ঘ সময় ধরে বাস না পেয়ে অনেক যাত্রীকে হেঁটে বা বিকল্প পরিবহন খুঁজতে হয়েছে।

স্থানীয় বাসচালকরা অভিযোগ করেছেন যে, টোটো চালকদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে সংঘর্ষ এবং অনিয়মজনিত সমস্যা চলছিল। শনিবারের আগে এই সমস্যার সমাধান না হওয়ায় তারা এই বিক্ষোভের সিদ্ধান্ত নেন। অবরোধের কারণে সকাল থেকে শহরের গুরুত্বপূর্ণ রুটে বাস পরিষেবা বন্ধ থাকে এবং যাত্রীদের দৈনন্দিন জীবন প্রভাবিত হয়।

প্রতিবেশী দোকান ও স্ট্যান্ডের আশপাশের ব্যবসায়ীরাও এই ঘটনার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তারা জানিয়েছেন, বিক্ষোভের সময় অনেক ক্রেতা দোকান থেকে দূরে থাকায় ব্যবসায়িক ক্ষতি হয়েছে। এছাড়াও, স্কুল ও কলেজের ছাত্রছাত্রীরা বাস না পেয়ে হোঁচট খেয়েছেন এবং অনেককে বিকল্প ব্যবস্থা করতে হয়েছে।

ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে। পুলিশ জানিয়েছে যে, তারা উভয় পক্ষের সঙ্গে আলাপ আলোচনা করছেন এবং দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছেন। প্রশাসন বাস চালক ও টোটো চালকদের মধ্যে মধ্যস্থতা করার পাশাপাশি শহরের গুরুত্বপূর্ণ রুটে চলাচল পুনরায় চালু করার ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।

এই বিক্ষোভের ফলে জেলা প্রশাসন জরুরি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং জরুরি পরিষেবা সচল রাখার জন্য পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের এক কর্মকর্তা জানান, "আমরা পরিস্থিতি মনিটর করছি এবং দ্রুত সমস্যার স্থায়ী সমাধান করার চেষ্টা করছি।"

স্থানীয় বাস চালকরা আশা করছেন যে, প্রশাসন এবং টোটো চালকদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে তাদের দাবি মেনে নেওয়া হবে। এছাড়াও তারা জানান যে, বিক্ষোভের মাধ্যমে তারা শুধুমাত্র সমস্যার প্রতি নজর আকর্ষণ করতে চেয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি না ঘটে।

যাত্রীদের সুরক্ষা এবং যাতায়াতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসন পদক্ষেপ নিচ্ছে। বাস চালকরা অবশ্যই তাদের দাবি নিয়ে আলোচনার জন্য প্রস্তুত এবং প্রশাসনও তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে সমস্যার সমাধান করতে চাচ্ছে।

আপডেট: অবরোধ ও বিক্ষোভের খবর এবং প্রশাসনিক পদক্ষেপের নতুন তথ্য পাওয়া মাত্র তা প্রকাশ করা হবে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

দিল্লির বসন্ত কুঞ্জের আশ্রমে ছাত্রীদের বিরুদ্ধে হেনস্থার অভিযোগ

দিল্লির বসন্ত কুঞ্জের আশ্রমে ছাত্রীদের বিরুদ্ধে হেনস্থার অভিযোগ

দিল্লির বসন্ত কুঞ্জ এলাকার শ্রী শারদা ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়ান ম্যানেজমেন্টের পরিচালকের বিরুদ্ধে একাধিক ছাত্রী হেনস্থার অভিযোগ এনেছে। অভিযোগকারীদের মধ্যে কমপক্ষে ১৭ জন ছাত্রী জানিয়েছেন, আশ্রমের পরিচালক স্বামী চৈতন্যানন্দ সরস্বতী, যিনি পার্থ সারথি নামেও পরিচিত, তাদের সঙ্গে অশ্লীল আচরণ করেছেন।

পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত স্বামী চৈতন্যানন্দ অভিযোগকারীদের প্রতি অশ্লীল ভাষা ব্যবহার করেছেন এবং মেসেজের মাধ্যমে অশ্লীল বার্তা পাঠিয়েছেন। এছাড়াও তিনি জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্কের চেষ্টা করেছেন। অভিযোগকারীরা আরও জানিয়েছেন, আশ্রমে থাকাকালীন সময়ে বিভিন্ন অনৈতিক আচরণের শিকার হয়েছেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এই অভিযোগ পাওয়ার পর দ্রুত তদন্ত শুরু করা হয়েছে। স্থানীয় থানা কর্তৃপক্ষ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে এবং প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। পুলিশ আরও জানিয়েছে যে, মামলাটি আরও গভীরভাবে তদন্ত করা হচ্ছে এবং অন্যান্য সম্ভাব্য অভিযোগকারীদের সাথেও কথা বলা হচ্ছে।

এই ঘটনার পর আশ্রম এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ছাত্রীদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলিতে পর্যাপ্ত নজরদারি ব্যবস্থা থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যাতে এমন ঘটনা পুনরায় না ঘটে।

অভিযোগকারীরা স্থানীয় প্রশাসনের কাছে নিরাপত্তা এবং ন্যায়বিচার চেয়েছেন। পুলিশও তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। দণ্ডপ্রাপ্তির জন্য আদালতে মামলা চলমান এবং তদন্তের ফলাফল অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপডেট: এই ঘটনার তদন্ত চলছে এবং নতুন তথ্য পাওয়া মাত্র তা প্রকাশ করা হবে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

পাটুলি ও আশেপাশের এলাকায় বিদ্যুৎ ও জলের তীব্র সমস্যা

পাটুলি ও আশেপাশের এলাকায় বিদ্যুৎ ও জলের তীব্র সমস্যা

পাটুলি ও আশেপাশের এলাকায় বিদ্যুৎ ও জলের তীব্র সমস্যা

পাটুলি এলাকার সমস্যা

পাটুলি দমকল কেন্দ্র লাগোয়া একাধিক আবাসন বুধবার সকালেও বিদ্যুৎহীন ছিল। স্থানীয় আবাসিকদের অভিযোগ, মঙ্গলবার সকাল থেকে এখনও পর্যন্ত কোনো বিদ্যুৎ সরবরাহ হয়নি। এর ফলে ঘরবাড়িতে নানা অসুবিধার সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থদের জন্য এই পরিস্থিতি অত্যন্ত কষ্টদায়ক।

বিদ্যুৎহীনতার কারণে আবাসিকরা জলের সমস্যা নিয়ে আরও বেশি উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। অনেককে বাইরে থেকে বেশি দামে পানি কিনে খেতে হচ্ছে। পাটুলির পাশাপাশি ই এম বাইপাসের আশেপাশের আবাসনগুলোতেও একই সমস্যা দেখা দিয়েছে। এই এলাকার মানুষদের দৈনন্দিন জীবন প্রভাবিত হচ্ছে, কারণ পানীয় জলের অভাবে স্বাভাবিক জীবনযাপন কঠিন হয়ে পড়েছে।

মুকুন্দপুর ও পঞ্চসায়র এলাকার একাধিক আবাসনেও জলের অভাবের কারণে বাসিন্দারা জল কিনে খাচ্ছেন। আবাসিকরা বলছেন, এই পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে শিশু ও বৃদ্ধদের স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়তে পারে। কিছু আবাসিকের অভিযোগ, জল সরবরাহকারী সংস্থা এবং বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করেও দ্রুত সমাধান পাওয়া যাচ্ছে না।

স্থানীয় সূত্রের খবর, বিদ্যুৎ সংযোগ সমস্যার জন্য এলাকাটি কয়েক ঘন্টা ধরে অন্ধকারে ছিল। ফলে কেবল জলের সমস্যা নয়, ঘরবাড়ির দৈনন্দিন কাজও ব্যাহত হচ্ছে। রেফ্রিজারেটর, ভ্যাকুম ক্লিনার, রান্নাঘরের ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম এবং লাইটের অভাবে সাধারণ জীবনযাত্রা কঠিন হয়ে পড়েছে।

আবাসিকদের মতে, বিদ্যুৎ ও জলের এই সমস্যার কারণে স্বাভাবিকভাবে আতঙ্ক ও চাপ তৈরি হচ্ছে। শিশুরা স্কুলের পড়াশোনায় ব্যাঘাত অনুভব করছে, এবং বৃদ্ধদের জন্য এই পরিস্থিতি স্বাস্থ্যঝুঁকিপূর্ণ। তারা দ্রুত কার্যকর সমাধান চাইছেন।

স্থানীয় প্রশাসনকে আবাসিকরা অনুরোধ করেছেন, পরিস্থিতি দ্রুত ঠিক করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে। বিদ্যুৎ সংযোগ পুনঃস্থাপন এবং নিয়মিত জলের সরবরাহ নিশ্চিত না হলে এলাকায় মানুষদের জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে প্রভাবিত হবে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

Featured post

Y বাংলা নিউজ ডেস্ক রিপোর্ট : সরকার ও প্রশাসনের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুললেন শঙ্করাচার্য অভিমুক্তেশ্বরানন্দ। তাঁর দাবি, প্রশাসনে...

Search This Blog