Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Saturday, 4 October 2025

ইজরায়েলের গাজা আক্রমণ, ট্রাম্পের বারণ অগ্রাহ্য — নিহত ৬, ফের উত্তেজনা মধ্যপ্রাচ্যে

Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক, ওয়াশিংটন/তেল আভিভ: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্পষ্ট বারণ সত্ত্বেও ফের গাজায় বিমান হামলা চালাল ইজরায়েল। শুক্রবার রাতে গাজার উত্তরাঞ্চলে ইজরায়েলি বিমানবাহিনীর আক্রমণে অন্তত ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। এই ঘটনায় নতুন করে অস্থিরতা দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সক্রিয় ছিলেন ট্রাম্প। মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরাতে তিনি পেশ করেছিলেন ২০ দফা শান্তি পরিকল্পনা। এই প্রস্তাবে যুদ্ধবিরতি, বন্দি বিনিময়, এবং গাজায় আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণ মিশন গঠনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অন্তর্ভুক্ত ছিল। ইজরায়েল প্রাথমিকভাবে প্রস্তাবটি গ্রহণ করলেও, হামাসের তরফে দীর্ঘ সময় পর্যন্ত দ্বিধা বজায় ছিল। হামাসের সম্মতি ও ট্রাম্পের আহ্বান শেষ পর্যন্ত হামাসও ট্রাম্পের প্রস্তাবে সম্মতি জানায়। তারা প্রকাশ্যে ঘোষণা করে যে, ইজরায়েলের সঙ্গে সরাসরি সংঘাত এড়িয়ে তারা বন্দি মুক্তির প্রক্রিয়া শুরু করবে। হামাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, “আমরা শান্তি চাই, রক্তপাত নয়। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নেতৃত্বে নতুন সূচনা সম্ভব।”

আরও খবর পড়ুন , ডিভিসি-এর অতিরিক্ত জলছাড়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তোপ

এই সিদ্ধান্তের পরই ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে হামাসকে ধন্যবাদ জানিয়ে লেখেন — “গাজার মানুষকে শান্তি ফিরিয়ে দিতে হলে এখনই বোমা বর্ষণ বন্ধ করতে হবে। প্রতিটি জীবন মূল্যবান।” কিন্তু সেই বার্তা অগ্রাহ্য করে ইজরায়েলি সেনাবাহিনী ফের আক্রমণ চালায় গাজায়। ইজরায়েলের দাবি, হামাস এখনও সীমান্ত বরাবর অস্ত্র মজুত রাখছে এবং রকেট উৎক্ষেপণের প্রস্তুতি নিচ্ছে। সেই কারণেই ‘প্রতিরক্ষামূলক অভিযান’ চালানো হয়েছে। নেতানিয়াহু সরকারের অবস্থান স্পষ্ট ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু জানিয়ে দিয়েছেন, “ইজরায়েল নিজের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে কোনও দেশের অনুমতির অপেক্ষা করবে না।” তিনি আরও বলেন, “আমরা শান্তি চাই, কিন্তু আমাদের নাগরিকদের উপর হামলা হলে প্রতিরোধই একমাত্র উত্তর।”

আরও খবর পড়ুন , পাকিস্তান যদি মানচিত্রে থাকতে চায়, সন্ত্রাসে মদত বন্ধ করুন

এই বক্তব্য থেকেই স্পষ্ট, ওয়াশিংটনের বারণ ইজরায়েলকে আটকাতে পারেনি। মার্কিন প্রশাসনের এক অংশ যদিও ট্রাম্পের অবস্থানকে সমর্থন করছে, তবুও ইজরায়েলের এই হামলার পর হোয়াইট হাউস থেকে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া এখনো আসেনি। আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া ও ভারতের অবস্থান ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ইতিপূর্বেই ট্রাম্পের ২০ দফা শান্তি পরিকল্পনাকে স্বাগত জানিয়েছিলেন। শুক্রবারের ঘটনার পর মোদী প্রশাসনের পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে যে, “যুদ্ধ নয়, সংলাপই একমাত্র সমাধান।” বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প ও মোদীর এই অভিন্ন অবস্থান মার্কিন-ভারত কূটনৈতিক সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করবে। অন্যদিকে, আরব লীগ হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। তাদের দাবি, ইজরায়েল যদি শান্তি আলোচনার আহ্বান প্রত্যাখ্যান করে, তাহলে মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা আরও বাড়বে। হামাসের কৃতজ্ঞতা ও ভবিষ্যৎ সংকেত আক্রমণের আগে হামাস প্রকাশ্যে ট্রাম্পের ভূমিকার প্রশংসা করে। তারা জানায়, “মার্কিন প্রেসিডেন্ট প্রথমবারের মতো আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি বুঝেছেন।” পাশাপাশি, হামাস আরব দেশগুলোকেও কৃতজ্ঞতা জানায় শান্তির পক্ষে অবস্থান নেওয়ার জন্য। তবে যুদ্ধবিরতির মধ্যেই ইজরায়েলের নতুন আক্রমণ হামাসের আস্থা নষ্ট করতে পারে বলে আশঙ্কা। গাজার স্বাস্থ্য দফতরের দাবি, নিহতদের মধ্যে দুই শিশু ও এক নারী রয়েছেন। ট্রাম্পের ২০ দফা শান্তি প্রস্তাবের মূল পয়েন্ট ট্রাম্পের প্রস্তাবে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি ছিল গাজায় নতুন প্রশাসনিক কাঠামো গঠন। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ১️⃣ গাজার উপর হামাসের নিয়ন্ত্রণ থাকবে না। ২️⃣ আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক দল সেখানে অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করবে। ৩️⃣ পণবন্দি মুক্তি ও মানবিক সাহায্যের প্রবাহ বাড়ানো হবে। ৪️⃣ ইজরায়েল ও হামাস উভয়ের অস্ত্রবিরতি মেনে চলা বাধ্যতামূলক করা হবে। যদিও হামাস এই শর্ত মেনে নিতে প্রস্তুত ছিল, ইজরায়েলের সাম্প্রতিক পদক্ষেপ সেই প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। বর্তমানে গাজা ও ইজরায়েল সীমান্তে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। নিহতদের প্রতি শোক প্রকাশ করেছেন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলো। এখন নজর রয়েছে হোয়াইট হাউসের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে। ট্রাম্প কি ইজরায়েলের বিরুদ্ধে কোনও কঠোর পদক্ষেপ নেবেন, নাকি কূটনৈতিক আলোচনার পথে হাঁটবেন — সেটাই সময় বলবে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি: সিবিআই ও ইডি চূড়ান্ত চার্জশিট ও মামলার হাল

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি: সিবিআই ও ইডি চূড়ান্ত চার্জশিট ও মামলার হাল

দুর্গাপুজো শেষ হতেই কেন্দ্রীয় তদন্ত: প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় চূড়ান্ত চার্জশিট পেশ

দুর্গাপুজো মিটেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা পুনরায় সক্রিয় হয়ে উঠে—প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআই ও ইডি একের পর এক চূড়ান্ত চার্জশিট দাখিল করেছে। ব্যাঙ্কশাল কোর্টে জমা হওয়া সাম্প্রতিক চার্জশিটে কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম প্রসারিত হয়েছে বলে তদন্তকারীরা জানিয়েছেন।

ব্যাঙ্কশাল আদালত
ব্যাঙ্কশাল আদালত—যেখানে এই মামলাটি চলছে। (ছবি: প্রতীকী)
সংক্ষেপে কী ঘটেছে?
  • ইডি ও সিবিআই পঞ্চম সাপ্লিমেন্টারি চূড়ান্ত চার্জশিট দাখিল করেছে।
  • চূড়ান্ত চার্জশিটে জায়গা পেয়েছেন মানিক ভট্টাচার্য, বিভাস অধিকারী ও প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের তৎকালীন কর্মকর্তা-দের বিরুদ্ধে অভিযোগ।
  • মামলাটি আলিপুর থেকে ব্যাঙ্কশাল আদালতে স্থানান্তরিত হয়েছে এবং উচ্চ আদালতের বিভিন্ন রায়ের ফলাফল মামলার গতিপথকে প্রভাবিত করেছে।

কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলি অভিযোগ করেছে যে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে অনিয়মের মাধ্যমে সহস্রাধিক নিয়োগ প্রভাবিত হয়েছিল; অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ঘিরে করা কাগজপত্র, সাক্ষ্য ও আর্থিক লেনদেন কড়াকড়ি ভাবে যাচাই করা হচ্ছে। তদন্তকারীরা জানান, সাম্প্রতিক দাখিল করা প্রাইমারি চার্জশিটটি প্রায় কয়েকশ পৃষ্ঠার বিশ্লেষণগত নথি, যেখানে পদবী, নিয়োগের পদ্ধতি এবং সংশ্লিষ্টদের সংযোগস্থল উল্লেখ আছে।

আরও খবর পড়ুন , তৃণমূল কংগ্রেসের বিজয়া সম্মিলনী: নির্বাচনী প্রস্তুতি তুঙ্গে, বিজেপি ও সাড়া

এই মামলায় রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় ২০২২ সাল থেকে জেলে ছিলেন; যদিও বিভিন্ন কেসে পরে তিনি জামিন পেয়ে বেরিয়েছেন—তবু একাধিক দফায় উচ্চ আদালতের আদেশ ও শর্তের কারণে মুক্তি-প্রক্রিয়া জটিলতা রয়ে গেছে। আদালতীয় সালিশিতে ৩২ হাজারেরও বেশি শিক্ষক-শিক্ষিকার নিয়োগ বিষয়ে উচ্চ আদালত গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ প্রদান করেছিল, যা পরে বিভাজিত বেঞ্চের শুনানিতে নানা পর্যায়ে বহাল-অবস্থান পেয়েছে।

তদন্তে অভিযুক্তদের মধ্যে থাকা প্রভাবশালী স্থানীয় নেতারা ও পূর্বতন বোর্ডের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে শামিল ষড়যন্ত্র, আর্থিক লেনদেন ও সমন্বয় সংক্রান্ত অভিযোগের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলি এখনও গ্রেফতার-সমীক্ষা ও জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে। মামলার গোড়াপত্তন ও সাক্ষ্য-প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে আদালত পরবর্তী শুনানির তারিখ নির্ধারণ করবে।

আরও খবর পড়ুন , মুর্শিদাবাদে বাড়িতে বোমা বিস্ফোরণ, মৃত্যু এক গৃহবধূর

স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে এই মামলার প্রভাব ইতোমধ্যেই দেখা গেছে—কেননা উপযুক্ত নিয়োগ ও শৃঙ্খলা নিয়ে জনআস্থার প্রশ্ন উঠেছে। শিক্ষা খাতে অনিয়মকে কেন্দ্র করে শিক্ষক-কর্মকর্তাদের ভবিষ্যত চাকরির স্থায়িত্ব ও শিক্ষার্থীদের অধিকার সব মিলিয়ে জনসাধারণের উদ্বেগের বিষয় হয়ে উঠেছে।

আইনজীবীরা মনে করান, দায়ের করা চূড়ান্ত চার্জশিট আদালতে প্রমাণ-প্রক্রিয়া দ্রুত করতে সহায়তা করবে, তবু প্রতিটি অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অবশ্যই সুপ্রতিষ্ঠিত মামলা গঠনের প্রয়োজন হয়—যেন ন্যায়বিচার নিশ্চিত থাকে। মামলাটি কেবল ব্যক্তিগত দায় নির্ণয় নয়, বরং শিক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা প্রতিস্থাপনের জন্যও এক গুরুত্বপূর্ণ টেস্ট কেস হিসেবে ধরা হচ্ছে।

Friday, 3 October 2025

তৃণমূল কংগ্রেসের বিজয়া সম্মিলনী: নির্বাচনী প্রস্তুতি তুঙ্গে, বিজেপি ও সাড়া

তৃণমূল কংগ্রেসের বিজয়া সম্মিলনী: নির্বাচনী প্রস্তুতি তুঙ্গে, বিজেপি ও সাড়া

তৃণমূল কংগ্রেসের বিজয়া সম্মিলনী: নির্বাচনী প্রস্তুতি তুঙ্গে, বিজেপি ও সাড়া

Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক: পুজোর পরেই তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্যজুড়ে তার বিজয়া সম্মিলনী কর্মসূচি শুরু করতে যাচ্ছে। রবিবার থেকে বিভিন্ন ব্লকে জনসংযোগ ও নির্বাচনী প্রস্তুতি কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। মোট ৫০ জন নির্বাচিত নেতা-নেত্রী এই সম্মিলনীতে অংশগ্রহণ করবেন, যারা নেতৃত্বের নির্দেশে ব্লক স্তরের কর্মীদের সঙ্গে ভোট প্রস্তুতি ও জনসমর্থন সংগ্রহের কাজ করবেন।

তৃণমূল কংগ্রেসের বিজয়া সম্মিলনী
ছবি: পুজোর পর তৃণমূল কংগ্রেসের বিজয়া সম্মিলনী আয়োজনের দৃশ্য।

তৃণমূলের নতুন জনসংযোগ কৌশল

বিজয়া সম্মিলনী কোনো নতুন উদ্যোগ নয়। বিগত কয়েক বছর ধরে তৃণমূল পুজোর পর নতুন জনসংযোগ পদ্ধতি অবলম্বন করছে। রাজ্য সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্প এবং স্থানীয় নেতাদের উপস্থিতিতে এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে জনসমর্থন বাড়ানোর চেষ্টা করা হয়। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এই অনুষ্ঠানের জন্য ৫০ জন বক্তা বাছাই করেছেন। তালিকায় সাংসদ, মন্ত্রী, বিধায়ক, ছাত্র-যুব সংগঠনের নেতৃত্বরা রয়েছেন।

রাজ্য ও জাতীয় ইস্যু

তৃণমূলের লক্ষ্য কেবল নির্বাচনী প্রস্তুতি নয়। বাংলা ভাষার অপমান এবং রাজ্যে বাঙালিদের হেনস্থার ঘটনার মতো বিষয়গুলোকে বিজেপির বিরুদ্ধে প্রধান হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হবে। এছাড়াও SIR ইস্যুতে জনসমর্থন আদায়ের চেষ্টা হবে। এই সম্মিলনীতে রাজ্য সরকারের বিভিন্ন জনহিতকর প্রকল্পও তুলে ধরা হবে যাতে সাধারণ মানুষ সরকারের কার্যক্রম সম্পর্কে সচেতন হয়।

বিজেপি প্রস্তুতি ও প্রতিক্রিয়া

তবে তৃণমূলের এই উদ্যোগে পিছিয়ে নেই বিজেপিও। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব ও সাংসদ বিপ্লব কুমার দেবকে পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনী দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে রাজ্য সভাপতিত্বে বৈঠক হয়। বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এবং বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী-সহ অন্যান্য নেতা এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার তৃণমূলের কর্মসূচি নিয়ে মন্তব্য করে বলেন, “এঁরা মূলত বিজেপিকে নকল করার চেষ্টা করছে। তবে এতে জনসংযোগ হবে না।”

জনসংযোগ ও নির্বাচনী প্রস্তুতির গুরুত্ব

২৬ তারিখে বড় একটি নির্বাচনী পরীক্ষা সামনে। আরজি কর পর্বের পরে নতুন জনআন্দোলন সংগঠিত না হলেও, প্রতিষ্ঠান বিরোধিতা তৃণমূলের জন্য সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ। জনসমর্থন আদায়ের জন্য যে কৌশল অবলম্বন করা হচ্ছে, তার সূচনা এই বিজয়া সম্মিলনী থেকেই। রাজ্যের প্রতিটি ব্লকে ৫ তারিখ থেকে অনুষ্ঠান আয়োজনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এতে অংশগ্রহণকারী নেতারা ব্লক স্তরে নেতা-কর্মীদের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপন করবেন।

রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা

পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে এই ধরনের জনসংযোগ কর্মসূচি নতুন নয়। তবে পুজোর পরে বড় ধরনের সম্মিলনী আয়োজন করা এবং রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প তুলে ধরা তৃণমূলের জন্য একটি প্রমাণযোগ্য কৌশল। অন্যদিকে, বিজেপি কেন্দ্রীয় নেতাদের উপস্থিতিতে রাজ্যজুড়ে নির্বাচনী প্রস্তুতি জোরদার করছে। দুই দলের এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা রাজ্যের রাজনৈতিক পরিমণ্ডলকে আরও উত্তপ্ত করছে।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

তৃণমূলের লক্ষ্য শুধুই নির্বাচনী জয় নয়, জনমত গঠন। তাই ভাষা, সংস্কৃতি ও রাজ্যের সুনাম রক্ষার মতো ইস্যুকে প্রধান হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হবে। রাজ্য সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের কথাও মানুষকে জানানো হবে যাতে সরকার এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে সংযোগ সুদৃঢ় হয়।

উপসংহার

পুজোর পর তৃণমূল কংগ্রেসের বিজয়া সম্মিলনী এবং রাজ্যজুড়ে নির্বাচনী প্রস্তুতি কার্যক্রম রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়াচ্ছে। ৫০ জন নির্বাচিত নেতা-নেত্রীর মাধ্যমে ব্লক স্তরে কার্যক্রম তৃণমূলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে বিজেপিও কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের তত্ত্বাবধানে রাজ্যজুড়ে নির্বাচনী প্রস্তুতি জোরদার করছে। ফলে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবেশ আগামী নির্বাচনী সপ্তাহে আরও উত্তপ্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

মুর্শিদাবাদে বাড়িতে বোমা বিস্ফোরণ, মৃত্যু এক গৃহবধূর

মুর্শিদাবাদে বাড়িতে বোমা বিস্ফোরণ, মৃত্যু এক গৃহবধূর

মুর্শিদাবাদে বাড়িতে বোমা বিস্ফোরণ, মৃত্যু এক গৃহবধূর

Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের ডোমকলে শনিবার দুপুরে একটি ভয়াবহ বিস্ফোরণে মৃত্যু হয়েছে ছিদ্দাতন বিবি (৪০) নামে এক গৃহবধূর। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাড়ির উঠোনে মজুত একটি বালতির মধ্যে থাকা বোমা আচমকা ফেটে যায়। ঘটনার পর স্থানীয় এলাকায় আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।

মুর্শিদাবাদ বোমা বিস্ফোরণ
মুর্শিদাবাদের ডোমকলে বাড়িতে বিস্ফোরণে মৃত্যু এক গৃহবধূর।

ঘটনার বিবরণ

ডোমকলের ঘোড়ামারা নিশ্চিন্তপুর কামুড়দিয়াড় ঘাট পাড়া এলাকায় ছিদ্দাতন বিবির বাড়ি। দুপুরে হঠাৎ একটি বিকট শব্দে পুরো এলাকা কেঁপে ওঠে। প্রতিবেশীরা ছুটে এসে দেখেন, বাড়ির উঠোনে রক্তাক্ত অবস্থায় ছিদ্দাতন বিবি মাটিতে লুটিয়ে পড়েছেন। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে উদ্ধার করে ডোমকল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, বাড়ির উঠোনে রাখা বালতিটিতে বোমা ছিল। ছিদ্দাতন বিবি এটি তুলে নেয়ার সময় বিস্ফোরণ ঘটে। প্রতিবেশীরা জানান, বিস্ফোরণের তীব্র শব্দে আশেপাশের ঘর-দোর কেঁপে ওঠে।

পুলিশের তদন্ত

ঘটনার পর মৃতার স্বামী গফুর মণ্ডলকে পুলিশ আটক করেছে। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পুলিশ প্রাথমিকভাবে অনুমান করছে, বিস্ফোরণটি বাড়িতে মজুত বোমার কারণে হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন এবং বিস্ফোরণ বিশেষজ্ঞরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেছেন।

তদন্তের তথ্য: পুলিশ এবং বিস্ফোরণ বিশেষজ্ঞরা বালতি এবং বিস্ফোরিত অংশগুলি সংগ্রহ করে প্রাথমিক পরীক্ষা করছেন। পরিবারের অন্য সদস্যদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ঘটনার কারণে এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

প্রতিক্রিয়া ও আশপাশের পরিস্থিতি

বিস্ফোরণের খবর ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে ডোমকলের আশেপাশের এলাকায় চরম আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। প্রতিবেশীরা জানান, বিস্ফোরণের সময় কেউ খুব কাছে থাকলে গুরুতর আহত হতে পারত। স্থানীয় প্রশাসন এলাকায় নিরাপত্তা বাড়িয়েছে এবং আগত জনসাধারণকে দূরে থাকতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

পূর্ববর্তী ঘটনার প্রেক্ষাপট

মুর্শিদাবাদে পূর্বেও কয়েকটি বাড়িতে মজুত বিস্ফোরক নিয়ে নিরাপত্তা ইস্যু দেখা গেছে। এই ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসনের সতর্কতা বাড়ানো হয়েছে। পুলিশ বলেছে, ঘটনা যাতে পুনরায় না ঘটে তা নিশ্চিত করতে পরবর্তী দিনগুলোতে নজরদারি জোরদার করা হবে।

নিয়ন্ত্রণ এবং সতর্কতা

স্থানীয় প্রশাসন এবং পুলিশ নিশ্চিত করেছেন, বিস্ফোরণ ঘটার পর এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। বোমা ফাটার স্থানীয় এলাকা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি এলাকাবাসীকে সতর্ক থাকার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পরিবার ও প্রতিবেশীর প্রতিক্রিয়া

পরিবার এবং প্রতিবেশীরা ঘটনার শোক প্রকাশ করেছেন। তারা জানিয়েছেন, “কেউ ভাবতেও পারছিল না বাড়িতে এমন বিপজ্জনক কিছু রাখা আছে। এক মুহূর্তের অসতর্কতায় আমাদের প্রিয়জনকে হারালাম।” পরিবার ও স্থানীয়দের শোকের মধ্যে পুলিশ তদন্ত চালাচ্ছে।

উপসংহার

মুর্শিদাবাদে বাড়িতে বিস্ফোরণের ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দারা আতঙ্কিত। পুলিশ ও প্রশাসন দ্রুত তদন্ত চালাচ্ছে এবং নিরাপত্তা জোরদার করেছে। পরিবার শোকাহত, এবং এলাকার মানুষ সতর্ক থাকতে পরামর্শ পেয়েছেন। ঘটনার কারণ ও দায়িত্ব নির্ধারণে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

ডিভিসি জলছাড়া বিতর্ক: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তোপ, ৭০ হাজার কিউসেক জল ছাড়া

ডিভিসি জলছাড়া বিতর্ক: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তোপ, ৭০ হাজার কিউসেক জল ছাড়া

ডিভিসি জলছাড়া বিতর্ক: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তোপ, ৭০ হাজার কিউসেক জল ছাড়া

y ডিজিটাল ডেস্ক: পুজোর মরসুমে পশ্চিমবঙ্গের নদী তীরবর্তী এলাকায় আবারও জলছাড় নিয়ে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। দামোদর ভ্যালি কর্পোরেশন (ডিভিসি) মাইথন ও পাঞ্চেত জলাধার থেকে ৭০ হাজার কিউসেক জল ছেড়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে তোপ দাগেছেন। তাঁর অভিযোগ, ডিভিসি রাজ্যকে আগাম নোটিশ না দিয়ে এমন ‘বেপরোয়া’ সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা বাংলার মানুষের উৎসব উদযাপনের মধ্যে বাধা সৃষ্টি করছে।

ডিভিসি জলছাড়া
মাইথন ও পাঞ্চেত থেকে ডিভিসি-র জলছাড়া, দক্ষিণবঙ্গের নদী তীরবর্তী এলাকা বিপন্ন।

ডিভিসির অবস্থান

ডিভিসির এক কর্তা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হয়ে জানিয়েছেন, ‘‘ডিভিসি নিজের ইচ্ছায় জল ছাড়ে না। জল ছাড়তে আমরা বাধ্য। এবং আবারও বলছি, পশ্চিমবঙ্গ ও ঝাড়খণ্ড সরকারকে জানিয়েই জল ছাড়া হয়।’’ তবে মুখ্যমন্ত্রী মমতার অভিযোগের প্রেক্ষিতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তিনি সরাসরি তোপ দাগেন। মমতা বলেন, “আনন্দ, উল্লাস এবং নতুন আশার সময়। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের মানুষকে শান্তিতে উৎসব শেষ করতে দেওয়ার বদলে, ডিভিসি কর্তৃপক্ষ রাজ্যকে আগাম বার্তা না-দিয়ে ৬৫ হাজার কিউসেক জল ছেড়ে দিয়েছেন।”

বৃষ্টিপাত ও নিম্নচাপের প্রভাব

গত এক সপ্তাহ ধরে ঝাড়খণ্ডে টানা বৃষ্টি হচ্ছে। পশ্চিম বর্ধমানেও বর্ষণ অব্যাহত। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, নিম্নচাপের প্রভাবে দক্ষিণবঙ্গ থেকে উত্তরবঙ্গ, সর্বত্রই মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এই আবহে ডিভিসির জলাধারগুলি টইটম্বুর হয়ে উঠেছে। শুক্রবার বিকেলে মাইথন জলাধার থেকে ৪২,৫০০ কিউসেক এবং পাঞ্চেত জলাধার থেকে ২৭,৫০০ কিউসেক জল ছাড়া শুরু করেছে ডিভিসি। ফলে দক্ষিণবঙ্গের নদী তীরবর্তী এলাকায় প্লাবনের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

সতর্কবার্তা: ডিভিসি কর্তৃপক্ষ দামোদর তীরবর্তী এলাকার জন্য কমলা সতর্কতা জারি করেছে। বিশেষ করে বর্ধমান, হাওড়া এবং হুগলি জেলায় অতিরিক্ত জলছাড়া নিয়ে জনগণকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

পূর্ববর্তী পরিস্থিতি ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট

গত জুন-জুলাই মাসেও ডিভিসি হাজার হাজার কিউসেক জল ছেড়েছিল। সেই সময় নিম্নচাপের কারণে বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান, হুগলি ও অন্যান্য জেলায় বন্যার পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিল। রাজনৈতিকভাবে তৎকালীন পরিস্থিতি নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছিল। এবারও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ডিভিসির সিদ্ধান্তকে বাংলার জনগণের প্রতি ‘ষড়যন্ত্র’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।

শ্রমিক ও ডিভিআরআরসি পদত্যাগ

ডিভিসির জলাধার নিয়ন্ত্রণ কমিটি (ডিভিআরআরসি) থেকে রাজ্যের দুই প্রতিনিধি পদত্যাগ করেছেন। শ্রমিক সংগঠন ইউটিইউসি ডিভিসির বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শ্রমিকদের স্বার্থে পুনর্বিবেচনার আবেদন জানিয়েছে। এই পদক্ষেপের ফলে রাজ্য প্রশাসন আরও সতর্ক হয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।

মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশনা ও জনসংযোগ

শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা কালীঘাটে তৃণমূলের নেতাদের সঙ্গে বিজয়ার শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। আরামবাগের সাংসদ মিতালী বাগও উপস্থিত ছিলেন। তৃণমূল নেতাদের নিজ নিজ এলাকায় গিয়ে ডিভিসি-র জল ছাড়া মোকাবিলায় কার্যক্রম শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন মমতা। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পরিষদের সভাপতি উত্তরা সিংহ, অজিত মাইতি, প্রদ্যোৎ ঘোষদের উদ্দেশে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়ার তফসিল দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

ডিভিসি জলছাড়ের পরিণতি

দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলা আবারও প্লাবনের ঝুঁকিতে। আসানসোল, দুর্গাপুরের শিল্পাঞ্চলে গত দু’দিন ধরে টানা বৃষ্টি হচ্ছে। এই জল দামোদর নদীতে মিশছে। দুর্গাপুরে রাজ্য সেচ দফতরের জলাধারের ক্ষমতা অতিক্রম করেছে। প্রশাসন সতর্ক রয়েছে। বিশেষ করে নদী তীরবর্তী গ্রাম ও শহরের মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

পরিকল্পনা: ত্রাণ ও উদ্ধার কাজের জন্য প্রশাসন প্রস্তুত। স্থানীয় ও রাজ্যস্তরের তৃণমূল নেতৃত্ব ত্রাণ কার্যক্রম ত্বরান্বিত করেছেন। এ ছাড়া নদী তীরবর্তী এলাকায় বিশেষ পর্যবেক্ষণ টিম তৈরি করা হয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রীর তোপ ও সামাজিক প্রতিক্রিয়া

মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, “এই বেপরোয়া পদক্ষেপ আমাদের পবিত্র উৎসবের মধ্যে দুর্দশা তৈরির প্রচেষ্টার কম নয়। একতরফা পদক্ষেপ লজ্জাজনক এবং অস্বীকার্য।” সামাজিক মাধ্যমে রাজ্যবাসী ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন। অনেকে সমর্থন জানিয়ে বলেছেন, “নোটিশ পেলে হয়তো এই বিপর্যয় এড়ানো যেত।”

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

ডিভিসির জলছাড় নিয়ে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক পদক্ষেপের পাশাপাশি তৃণমূলের নেতারা জনসচেতনতা তৈরিতে মাঠে নামবেন। নদী তীরবর্তী এলাকা ও জলাধার পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি জরুরি ত্রাণ কার্যক্রম কার্যকর করা হবে। রাজ্যবাসীর নিরাপত্তা ও উৎসব উদযাপন নিশ্চিত করতে সব ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিজয়া দশমী শুভেচ্ছা ও ডিভিসি তোপ

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিজয়া দশমী শুভেচ্ছা ও ডিভিসি তোপ

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিজয়া দশমী শুভেচ্ছা ও ডিভিসি তোপ

ডিজিটাল ডেস্ক: বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব বিজয়া দশমী শেষ হওয়ার পর এখন বিসর্জন পর্ব চলছে। উৎসবের বিষাদ সরিয়ে মিষ্টিমুখ ও প্রিয়জনদের সঙ্গে আনন্দ উপভোগ করছেন মানুষ। এই সময়ে রাজনীতি থেকে কিছুটা দূরে থেকেও নেতা-মন্ত্রীরাও উৎসবে মেতে উঠেন। শুক্রবার কালীঘাটে দলীয় কার্যালয়ে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিজয়া সম্মিলনীতে যোগ দেন।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কালীঘাটে
কালীঘাটে তৃণমূলের বিজয়া সম্মিলনীতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আগামী ১৩ অক্টোবর আমতলা, নিজের সংসদীয় কেন্দ্র ডায়মন্ড হারবারবাসীর সঙ্গে বিজয়ার শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন। এদিন দলীয় অন্যান্য জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে তিনি শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। কার্যালয়ে বিভিন্ন উপহার দেওয়া হয়—মিষ্টির হাঁড়ি, বিভিন্ন উপহার—যা তিনি গ্রহণ করে সকলকে ধন্যবাদ জানান।

ডিভিসির জলছাড়া নিয়ে তোপ

উৎসবের আনন্দে মেতেও অভিষেক দমিয়ে বসেননি রাজনৈতিক তোপ দিয়ে। ডিভিসির জলছাড়া নিয়ে তিনি জানান, “বিসর্জন হবে, তবে বাংলা ও বাংলার মানুষের নয়। বিসর্জন হবে বিজেপি জমিদারদের।” সূত্রের খবর, তিনি উল্লেখ করেছেন, “ডিভিসি প্রতি বছর ম্যান-মেড বন্যা পরিস্থিতি তৈরি করে। ভোট যত এগিয়ে আসে, কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনস্থ সংস্থাগুলি আমাদের না জানিয়ে নানা কাজ করে। অফিসারদের সঙ্গে কোনও সমন্বয় করা হয় না। বাংলাকে ওরা বঞ্চিত করতে চায়, ডোবাতে চায়।”

মুখ্য বক্তব্য: অভিষেকের অভিযোগ অনুযায়ী, ডিভিসির এই কার্যক্রম মূলত রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলি বাংলার মানুষের সঙ্গে সমন্বয় না করে কাজ করছে। এই ধরনের আচরণ বাংলার জন্য অগ্রহণযোগ্য এবং তা প্রতিরোধের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

বিজয়া সম্মিলনী ও জনসংযোগ

দলের বিভিন্ন নেতা-কর্মী এবং সাধারণ নাগরিকের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, এই অনুষ্ঠান শুধু উৎসব উদযাপন নয়, জনসংযোগেরও সুযোগ। তিনি বলেন, “এই সময়ে মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা গুরুত্বপূর্ণ। বিজয়া দশমী শুধু ধর্মীয় উৎসব নয়, আমাদের রাজনৈতিক দায়িত্বও গুরুত্বপূর্ণ।”

বিজেপি সমালোচনা ও রাজনৈতিক হুঁশিয়ারি

ডিভিসির জলছাড়া নিয়ে অভিষেকের তোপ কেবল প্রশাসনিক সমালোচনা নয়, রাজনৈতিক দিকও বহন করে। তিনি বলেন, “২০২৪-এ বিজেপি কিছুটা পরাজিত হয়েছে, ২০২৬-এ পুরোপুরি পরাজিত হবে। বাংলা থেকে ভোট না পাওয়ায় এসব ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।” সূত্রের খবর, তৃণমূলের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ডিভিসির অতিরিক্ত জলছাড়া নিয়ে আন্দোলনের প্রস্তুতি চলছে।

উৎসবের সঙ্গে রাজনীতি

বিজয়া দশমীর আনন্দের মধ্যে রাজনীতিকদের উপস্থিতি সাধারণ মানুষকে আনন্দিত করেছে। তবে ডিভিসির জলছাড়া নিয়ে রাজনৈতিক বার্তা স্পষ্ট—বাঙালির স্বার্থকে ক্ষতি করতে দেওয়া হবে না। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ মহলে জানিয়েছেন, এবারের পরিস্থিতি কেন্দ্রীয় সরকারের পরিকল্পিত কর্মকাণ্ডের ফল।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক জানিয়েছেন, রাজ্যবাসীর স্বার্থে আগামীদিনে তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। ডিভিসির কার্যক্রম এবং বিজেপির ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা তৈরিতে তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা মাঠে নেমে কাজ করবেন। লক্ষ্য হলো বাংলার মানুষ যাতে নিরাপদে এবং আনন্দে উৎসব উদযাপন করতে পারে।

সংক্ষিপ্ত তথ্য

  • অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কালীঘাটে বিজয়া সম্মিলনীতে উপস্থিত।
  • দলের নেতাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় ও উপহার গ্রহণ।
  • ডিভিসি জলছাড়া নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের সমালোচনা।
  • বিজেপির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক হুঁশিয়ারি ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ।
  • তৃণমূলের পরিকল্পনা: ডিভিসির জলছাড়া নিয়ে জনসচেতনতা ও আন্দোলন।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

ডিভিসি-এর অতিরিক্ত জলছাড়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তোপ

ডিভিসি-এর অতিরিক্ত জলছাড়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তোপ

ডিভিসি-এর অতিরিক্ত জলছাড়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তোপ

ডিজিটাল ডেস্ক: বিজয়া দশমীর আনন্দের মধ্যে ওরা আবারো দফায় দফায় জল ছেড়েছে ডিভিসি। এর ফলে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক নদীতে জলস্তর বেড়ে বহু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে সরাসরি তোপ দাগলেন।

ডিভিসি জলছাড়া
ডিভিসি থেকে নিয়ন্ত্রিতভাবে জলছাড়ের ফলে প্লাবিত দক্ষিণবঙ্গের দৃশ্য।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন, “বিজয়া দশমী মানে দুর্গাপুজোর শেষ। আনন্দ, উল্লাস এবং নতুন আশার সময়। শান্তিপূর্ণভাবে বাংলাবাসীকে উৎসব উদযাপন করতে দেয়নি ডিভিসি। কারণ, রাজ্যকে নোটিস না দিয়ে ৬৫ হাজার কিউসেক জল ছেড়েছে তারা। উৎসবের সময় ইচ্ছাকৃতভাবে দুর্দশার পরিস্থিতি তৈরি করা ছাড়া আর কিছু নয়। এই ধরনের আচরণ লজ্জাজনক। এবং অবশ্যই অগ্রহণীয়। কাউকে না জানিয়ে জল ছাড়ার ফলে লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবন বিপদের মুখে ঠেলে দিয়েছে ডিভিসি। এটা কোনও প্রাকৃতিক বিপর্যয় নয়। এটা ডিভিসির দ্বারা তৈরি করা বিপর্যয়। আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, আমি বাংলাকে বিসর্জন দিতে দেব না। বাংলাবিরোধী যেকোনও ষড়যন্ত্র সমস্ত শক্তি দিয়ে রুখে দাঁড়াব। সত্যের জয় হবে। অপশক্তির বিরুদ্ধে সত্যের জয় হবেই।”

নিম্নচাপের প্রভাব ও সতর্কতা

প্রসঙ্গত, বঙ্গোপসাগরে শক্তি বাড়িয়ে বর্তমানে দক্ষিণ ওড়িশার কাছে অবস্থান করছে নিম্নচাপ। ক্রমে এটি আরও শক্তি বাড়িয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, রাজ্যের দক্ষিণবঙ্গের পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি। আগামী দু’দিনে উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে।

প্রশাসনের উদ্বেগ: ডিভিসির নিয়ন্ত্রিত বাঁধ থেকে বিপুল পরিমাণ জল ছাড়া শুরু হয়েছে। মাইথন ও পাঞ্চেত থেকে ৩২,৫০০ কিউসেক হারে জল ছাড়া হচ্ছে। দুটি বাঁধ থেকে মোট ৬৫,০০০ কিউসেক জল দামোদর নদীর পথে আসছে। বৃষ্টি হচ্ছে অজয় ও দামোদরের আপার ক্যাচমেন্টে। ঝাড়খণ্ডের তিন ড্যামের জলছাড়া মাইথন ও পাঞ্চেতে চাপ বাড়াচ্ছে। প্রশাসন উদ্বিগ্ন, কারণ অতিরিক্ত জলছাড়া প্লাবনের ঝুঁকি তৈরি করছে।

ডিভিসির নিয়ন্ত্রণ ও নদী পরিস্থিতি

ডিভিসি থেকে নিয়ন্ত্রিতভাবে জলছাড়া করা হলেও এতে দক্ষিণবঙ্গের বহু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। নদী সংলগ্ন গ্রাম ও শহরের মানুষ বিপাকে পড়েছেন। স্থানীয় প্রশাসন এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে। তবে ডিভিসির হঠাৎ জলছাড়া এবং নোটিশ না দেওয়ায় ক্ষোভ বেড়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধরনের আচরণ শুধু ক্ষতি ঘটায়, কোনো প্রাকৃতিক বিপর্যয় নয়।

সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রতিক্রিয়া

মুখ্যমন্ত্রী মমতার পোস্টে রাজ্যবাসীর মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকে সমর্থন জানিয়ে লিখেছেন, “যদি আগে নোটিশ দেওয়া হতো, হয়তো এই বিপর্যয় এড়ানো যেত।” অন্যরা মন্তব্য করেছেন, “ডিভিসির এমন আচরণ বাংলার মানুষকে হতাশ করেছে।”

উৎসব এবং বিপর্যয়ের সমন্বয়

বিজয়া দশমীর আনন্দের মধ্যে এই জলছাড়া প্লাবিত এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। পুজো উদযাপনরত মানুষ বাধ্য হয়েছেন বাড়িতে বা উঁচু স্থানে আশ্রয় নিতে। স্থানীয় পুলিশ এবং বিপর্যয় মোকাবিলা দল সকাল থেকে রাত পর্যন্ত উদ্ধার এবং সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

প্রশাসন বলেছে, ডিভিসির জলছাড়ের উপর নজর রাখার জন্য বিশেষ পর্যবেক্ষণ টিম তৈরি করা হয়েছে। পর্যাপ্ত সতর্কতা ছাড়া এমন অতিরিক্ত জলছাড়া যাতে না হয়, তার জন্য নতুন প্রটোকল প্রণয়ন করা হচ্ছে। এছাড়া নদী তীরবর্তী এলাকায় অবিলম্বে সতর্কবার্তা প্রদানের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

সংক্ষিপ্ত তথ্য

  • ডিভিসি মোট ৬৫,০০০ কিউসেক জল ছেড়েছে।
  • মাইথন ও পাঞ্চেত থেকে ৩২,৫০০ কিউসেক হারে জল অব্যাহত।
  • বৃষ্টির কারণে অজয় ও দামোদরের উপরের অংশে পানি বৃদ্ধি।
  • নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী দু’দিনে আরও বৃষ্টি ও প্লাবনের সম্ভাবনা।
  • মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সোশ্যাল মিডিয়ায় কড়া বার্তা প্রদান।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

সেনাপ্রধান উপেন্দ্র দ্বিবেদীর হুঁশিয়ারি: পাকিস্তান যদি মানচিত্রে থাকতে চায়, সন্ত্রাসে মদত বন্ধ করুন

সেনাপ্রধান উপেন্দ্র দ্বিবেদীর হুঁশিয়ারি: পাকিস্তান যদি মানচিত্রে থাকতে চায়, সন্ত্রাসে মদত বন্ধ করুন

সেনাপ্রধান উপেন্দ্র দ্বিবেদীর হুঁশিয়ারি: পাকিস্তান যদি মানচিত্রে থাকতে চায়, সন্ত্রাসে মদত দেওয়া বন্ধ করুক

ডিজিটাল ডেস্ক — আপডেট: 03 অক্টোবর 2025 | রিপোর্টার: Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো
সেনাপ্রধান উপেন্দ্র দ্বিবেদী - ফাইল ছবি
সেনাপ্রধান উপেন্দ্র দ্বিবেদী— সীমান্ত ও সন্ত্রাসবিরোধী নীতিতে তাঁর দৃঢ় বার্তা।
সেনাপ্রধান উপেন্দ্র দ্বিবেদী কড়া সতর্কবার্তায় বলেছেন, পাকিস্তান যদি সত্যিই মানচিত্রে টিকে থাকতে চায়, তবে তাদের অবিলম্বে সন্ত্রাসবাদে মদত দেওয়া বন্ধ করতে হবে। অপারেশন সিঁদুরের সময় ভারত যে সংযম দেখিয়েছিল, এবার আর তা হবে না বলে তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন। সীমান্তে ক্রমবর্ধমান অনুপ্রবেশ ও সন্ত্রাসের প্রেক্ষাপটে তাঁর এই মন্তব্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।

গত কয়েক মাস ধরে কাশ্মীর ও সীমান্তবর্তী এলাকায় সন্ত্রাসীদের হামলা ও অনুপ্রবেশের ঘটনা বেড়ে চলেছে। সেনাপ্রধানের মতে, পাকিস্তানের ভেতরে থাকা জঙ্গিঘাঁটি ও তাদের মদতদাতা রাষ্ট্রযন্ত্র সন্ত্রাস বন্ধে কোনও সদিচ্ছা দেখাচ্ছে না। তিনি আরও বলেছেন, “ভারত এবার সম্পূর্ণ প্রস্তুত। অপারেশন সিঁদুর ১.০-এর সময় আমরা সংযম দেখিয়েছিলাম, কিন্তু ভবিষ্যতে আর কোনও ছাড় দেওয়া হবে না। এবার আমরা এমনভাবে জবাব দেব যাতে পাকিস্তানকে ভাবতে হবে তারা বিশ্ব মানচিত্রে থাকবে কি না।”

অপারেশন সিঁদুর মূলত গত এপ্রিল-মে মাসে শুরু হয়েছিল। এর লক্ষ্য ছিল সীমান্তবর্তী এলাকায় সক্রিয় জঙ্গি সংগঠনগুলিকে গুঁড়িয়ে দেওয়া। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, মে মাসের মধ্যে একাধিক জঙ্গিঘাঁটি ধ্বংস করা হয়। ভারতীয় সেনার ওই অভিযানে ১০০ জনের বেশি জঙ্গি ও প্রায় ৩৫-৪০ জন পাকিস্তানি সেনা নিহত হয়েছে বলে দাবি করা হয়। যদিও পাকিস্তান সরকারি ভাবে এই সংখ্যা মানতে অস্বীকার করেছে।

অন্যদিকে, গত ২২ এপ্রিল কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে এক ভয়াবহ হামলায় ২৬ নিরস্ত্র মানুষকে হত্যা করা হয়। দায় স্বীকার করে ‘দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট’ (TRF), যা লস্কর-ই-তইবার সহযোগী সংগঠন। এই হামলার মূল পরিকল্পনায় স্থানীয় এক জঙ্গির ভূমিকা ছিল বলে জানা গিয়েছে। সেনাপ্রধান জানান, এটাই প্রমাণ করে পাকিস্তান শুধু সীমান্তের ওপার থেকে নয়, কাশ্মীরের ভেতর থেকেও সন্ত্রাস ছড়াতে মদত দিয়ে চলেছে।

প্রধান তথ্য সংক্ষেপ:
  • ২২ এপ্রিল: পহেলগাঁওয়ে TRF-এর হাতে ২৬ নিরস্ত্র মানুষ নিহত।
  • ৭ মে ভোর: ভারতীয় সেনার পাল্টা আক্রমণ — পাকিস্তান ও POK-এ অন্তত ৯টি জঙ্গিঘাঁটি ধ্বংস।
  • পরবর্তী সময়ে পাকিস্তান ভারতের জনবহুল এলাকা ও সেনাঘাঁটিতে হামলার চেষ্টা চালায়।
  • ভারতের পাল্টা প্রত্যাঘাতে অন্তত ১১টি পাক বিমানঘাঁটি ক্ষতিগ্রস্ত।

সেনাপ্রধান দ্বিবেদীর বার্তায় আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো সৈন্যদের প্রস্তুতি। তিনি সেনাদের উদ্দেশ্যে বলেন, “নিজেদের প্রস্তুত রাখুন। ঈশ্বর চাইলে, সুযোগ শিগগিরই আসবে।” তাঁর এই মন্তব্যে বোঝা যায়, ভবিষ্যতে যদি প্রয়োজনে আরও বড়সড় সামরিক অভিযান চালানো হয়, তাহলে সেনারা প্রস্তুত থাকবে।

ভারতীয় প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সেনাপ্রধানের এই মন্তব্য শুধুমাত্র সামরিক কৌশলের ইঙ্গিত নয়, এটি একটি কূটনৈতিক বার্তাও। পাকিস্তানকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে চাপে ফেলার পাশাপাশি দেশের ভেতরে জনমতকে একত্রিত করার উদ্দেশ্যও রয়েছে। সীমান্তে যে কোনও ধরনের আগ্রাসন হলে ভারত জোরালো প্রতিক্রিয়া জানাতে দ্বিধা করবে না— এটাই মূল বক্তব্য।

তবে এই পরিস্থিতি কেবল সামরিক দিক থেকে নয়, কূটনৈতিক ক্ষেত্রেও চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। ভারতীয় সরকারের কূটনৈতিক শাখা পাকিস্তানকে বিচ্ছিন্ন করতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, রাশিয়া সহ বিভিন্ন দেশ ভারতকে সমর্থন জানিয়েছে। তবে চীনের অবস্থান এখনও পাকিস্তানের দিকেই ঝুঁকে রয়েছে।

এদিকে সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলির সাধারণ মানুষ আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। লাগাতার অনুপ্রবেশ ও গুলির লড়াইয়ের কারণে বহু পরিবারকে ঘরছাড়া হতে হচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসন ও রাজ্য সরকারগুলো সেনার সঙ্গে সমন্বয় করে শরণার্থী শিবির তৈরি করেছে।

অন্যদিকে, পাকিস্তানের ভেতরেও চাপ বাড়ছে। আন্তর্জাতিকভাবে বিচ্ছিন্ন হওয়ার পাশাপাশি অর্থনৈতিক সংকটে থাকা দেশটিতে অভ্যন্তরীণ বিক্ষোভ তীব্র হয়েছে। পাকিস্তানের বুদ্ধিজীবীরা বলছেন, সন্ত্রাসে মদত দিয়ে দেশটি এক ভয়াবহ অচলাবস্থার দিকে যাচ্ছে। সেনাপ্রধানের বক্তব্য যেন পাকিস্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে আরও একবার কঠোর সতর্কবার্তা।

অপারেশন সিঁদুর নিয়ে বিতর্ক এখনও শেষ হয়নি। সরকারি ভাবে ১০ মে অপারেশন শেষ ঘোষণা করা হলেও সেনাপ্রধানের বক্তব্য থেকে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে যে কার্যত অপারেশন থেমে যায়নি। গোপনে এখনও অভিযানের ধারা চলেছে। সামরিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই অভিযানের কৌশলগত লক্ষ্য হলো সন্ত্রাসের শিকড় কেটে ফেলা।

যদিও অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করছেন, কেবল সামরিক শক্তি দিয়ে সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা করতে হলে সামাজিক ও রাজনৈতিক উদ্যোগও জরুরি। স্থানীয় জনগণকে বিশ্বাসে এনে উন্নয়নমূলক কাজ বাড়াতে হবে। না হলে জঙ্গি সংগঠনগুলো সহজেই যুব সমাজকে প্রলোভন দেখিয়ে দলে টানতে পারবে।

ভারত সরকারের নীতি এখন দ্বিমুখী— একদিকে কঠোর সামরিক পদক্ষেপ, অন্যদিকে কাশ্মীরে উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি। সেনাপ্রধানের বার্তা সেই নীতিকেই আরও শক্তিশালী করেছে।

সবমিলিয়ে, উপেন্দ্র দ্বিবেদীর বার্তা পাকিস্তানের জন্য কঠিন সতর্কবার্তা। ভারতের সেনা ও কূটনৈতিক মহল দু’দিকেই প্রস্তুত। পরিস্থিতি কেমন রূপ নেবে তা সময়ই বলবে, তবে নিশ্চিত যে ভবিষ্যতে আর কোনও ধরনের আগ্রাসন বরদাস্ত করবে না ভারত।

সেনাপ্রধানঅপারেশন সিঁদুরপাকিস্তানসন্ত্রাসবাদভারতীয় সেনা

© 2025 Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো — সর্বস্বত্ব মুক্ত ও পুনঃপ্রকাশযোগ্য প্রতিবেদন। তথ্য সরকারি ও স্বাধীন সূত্রের ভিত্তিতে উপস্থাপিত।

Y বাংলা নিউজ — Facebook এ যোগ দিন
আমাদের অফিশিয়াল ফেসবুক প্রোফাইলে যোগ দিয়ে আপডেট পেতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।
যোগ দিন — Y বাংলা নিউজ শেয়ার করুন

কলকাতায় বাংলায় কথা বলায় যুবককে 'বাংলাদেশি' তকমা, ভাইরাল ভিডিও

কলকাতায় বাংলায় কথা বলায় যুবককে 'বাংলাদেশি' তকমা, ভাইরাল ভিডিও

কলকাতায় বাংলায় কথা বলায় যুবককে 'বাংলাদেশি' তকমা, ভাইরাল ভিডিও

সাম্প্রতিক সময়ে বিজেপিশাসিত একাধিক রাজ্যে বাঙালি শ্রমিকদের উপর অত্যাচারের অভিযোগ সামনে এসেছে বারবার। সেই ইস্যুতে ইতিমধ্যেই সোচ্চার হয়েছে বাংলার শাসকদল তৃণমূল।

ফ্ল্যাশ নিউজ: কলকাতার ম্যাডক্স স্কোয়ারে বাংলায় কথা বলায় এক যুবককে 'বাংলাদেশি' বলে তকমা দেওয়া হয়েছে। ভিডিওটি সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে।
কলকাতায় ম্যাডক্স স্কোয়ারের ঘটনা
ম্যাকডক্স স্কোয়ারে বাংলায় কথা বলায় যুবককে 'বাংলাদেশি' তকমা দেওয়ার ভিডিও থেকে দৃশ্য।

ভাইরাল ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, হিন্দিভাষী এক যুবকের সঙ্গে কোনও একটি বিষয় নিয়ে গণ্ডগোল হচ্ছে এক বাঙালি যুবকের। প্রথমে দু'জনের মধ্যে বচসা শুরু হয়। এরপর বাঙালি ওই যুবকের উপর হাত তুলতেও দেখা যায়। ছিঁড়ে দেওয়া হয় জামা। কয়েকজন সামলানোর চেষ্টা করলেও কোনও লাভ হয়নি। বাংলায় কথা বলার জন্য 'বাংলাদেশি' তকমা দেওয়ায় আশপাশের মানুষজনও চমকে যান।

বাংলাপক্ষ ভিডিওটি শেয়ার করে ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। উল্লেখ্য, গত কয়েকমাসে বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য একটি বিতর্কিত পোস্ট করেন, যেখানে দাবি করা হয়, বাংলা কোনও ভাষা নয়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরি প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

ফ্ল্যাশ নিউজ: আজ কলকাতার আবহাওয়া — মেঘলা, বৃষ্টির সম্ভাবনা

ফ্ল্যাশ নিউজ: আজ কলকাতার আবহাওয়া — মেঘলা, বৃষ্টির সম্ভাবনা

ফ্ল্যাশ নিউজ — আজ কলকাতার আবহাওয়া

শুক্রবার, ৩ অক্টোবর ২০২৫ | কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ

সংক্ষিপ্ত: আকাশ সাধারণত মেঘলা। কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি ও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

সর্বোচ্চ তাপমাত্রা

৩০° সেলসিয়াস

সূর্যোদয় / সূর্যাস্ত

৫:২৯ — ১৭:২৯

জোয়ার

ভোর ৪:৪১, বিকেল ৫:৪৪

ভাটা

সকাল ১০:১৩, রাত ১১:১২

প্রত্যাশিত বৃষ্টিপাত: হালকা থেকে মাঝারি; বজ্রবিদ্যুতের সম্ভাবনা থাকা অনুযায়ী বাহিরে গেলে ছাতা এবং বৃষ্টি-বিরোধী কভার ব্যবহার করবেন।
গতকালের হালচাল: গতকাল (২ অক্টোবর) কলকাতায় রেকর্ড করা বৃষ্টির পরিমাণ — ২৬.৬ মিলিমিটার। স্থানীয় নির্জন এলাকায় জলাবদ্ধতার সম্ভাবনা বিবেচনায় রাখুন।

সংক্ষিপ্ত সতর্কতা: মোবাইল নেটওয়ার্ক বা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতার মতো অঞ্চলভিত্তিক সমস্যা দেখা দিতে পারে; তাছাড়া বজ্রবিদ্যুৎ চলাকালে উন্মুক্ত এলাকায় থাকা এড়িয়ে চলুন।

(এই ফ্ল্যাশ নিউজটি কেবল দ্রুত পাঠানোর উদ্দেশ্যে প্রস্তুত—বিস্তারিত অফিসিয়াল মেঘলা/বৃষ্টির আপডেটের জন্য কৃষি বা জেলা আবহাওয়া কর্মকর্তার বিজ্ঞপ্তি দেখুন।)

Featured post

Y বাংলা ব্যুরো: ভোটার তালিকা সংশোধনে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডে না নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা সংশোধন (SIR, ২০২৬) প্রক্রিয়ায় ম...

Search This Blog