Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Sunday, 5 October 2025

ভারতে লা নিনার প্রভাবে ভয়ঙ্কর শীত: ২০২৫ সালের শেষের দিকে হাড়কাঁপানো শীতের পূর্বাভাস

ভারতে লা নিনার প্রভাবে ভয়ঙ্কর শীত: ২০২৫ সালের শেষের দিকে হাড়কাঁপানো শীতের পূর্বাভাস

ভারতে লা নিনার প্রভাবে ভয়ঙ্কর শীত: ২০২৫ সালের শেষের দিকে হাড়কাঁপানো শীতের পূর্বাভাস

Y বাংলা ব্যুরো, লেখক: ফারিয়া মন্ডল — আপডেট: ৫ অক্টোবর ২০২৫
লা নিনার প্রভাবে ভারতে শীতের পূর্বাভাস
অবৈতনিক আবহাওয়ার খেলায় লা নিনা ভারতে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ এবং অতিবৃষ্টির আশঙ্কা তৈরি করছে। (ছবি: প্রতিনিধি)

ছোটবেলায় পাঠ্যবইয়ে শেখা ছয় ঋতু আজকাল আর দেখা যায় না। গ্রীষ্ম, বর্ষা ও কিছুটা শীতের মধ্যে মানিয়ে নিতে হচ্ছে ভারতবাসীকে। সাম্প্রতিক সময়ে আবহাওয়ার চরম অস্থিরতাই ‘নিউ নর্ম্যাল’। কখনও প্রচণ্ড গরম, কখনও দেরিতে আসা বর্ষা, আবার হঠাৎ থামতে না চাওয়া বৃষ্টি—এসবই এখন সাধারণ দৃশ্য। তবে এবার আবহাওয়ার অস্থিরতার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ভয়ঙ্কর শীতের পূর্বাভাস, যার পোশাকি নাম ‘লা নিনা’।

আরও খবর পড়ুন , অবিরাম বর্ষণে জলস্ফীতি, পশ্চিম মেদিনীপুরে বন্যার আশঙ্কা

হিসাব অনুযায়ী বর্ষাকাল অগস্টে শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেপ্টেম্বরের শেষেও ভারী বৃষ্টি থেকে রেহাই পাওয়া যায়নি। হিমাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ডের পাহাড়ি অঞ্চলে অতিবৃষ্টি, মেঘভাঙা বৃষ্টি ও হড়পা বান ও ধসে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। কলকাতাও পুজোর আগে ভয়ঙ্কর বৃষ্টিতে নাজেহাল। ভাসছে উত্তরবঙ্গ। আবহাওয়াবিদদের মতে, বর্ষার দুর্ভোগের পর কলকাতার জন্য আরও কঠিন শীতের সময় আসতে চলেছে।

মৌসম ভবন এবং মার্কিন আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি বছরে পূর্বের তুলনায় অনেক বেশি শীত পড়তে চলেছে। বিশেষ করে উত্তর ভারতে তীব্র শৈত্যপ্রবাহের সম্ভাবনা রয়েছে। অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে ‘লা নিনা’ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা ৭১ শতাংশ। মার্কিন ক্লাইমেট প্রেডিকশন সেন্টারও এই পূর্বাভাসকে সমর্থন দিয়েছে।

লা নিনা কী?

লা নিনা শব্দটি স্প্যানিশ ভাষার, যার অর্থ ‘ছোট মেয়ে’। এটি এক ধরনের জলবায়ুগত অবস্থা, যখন প্রশান্ত মহাসাগরের কিছু অংশ অস্বাভাবিকভাবে ঠান্ডা হয়ে যায়। এর ফলে বিশ্বজুড়ে অতিবৃষ্টি বা তীব্র শীত দেখা দেয়। বিপরীতে, জল যদি অস্বাভাবিকভাবে গরম হয়, তাকে বলা হয় এল নিনো, যা খরা ও অনাবৃষ্টি ডেকে আনে।

লা নিনার সময় দক্ষিণ আমেরিকার কাছাকাছি পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরের জল ঠান্ডা হয়, আর ইন্দোনেশিয়া ও অস্ট্রেলিয়ার দিকে জল উষ্ণ হয়। ফলে বৈশ্বিক আবহাওয়ার প্যাটার্নে বিরাট প্রভাব পড়ে। নভেম্বর-ডিসেম্বরে উত্তর ভারতে শৈত্যপ্রবাহ ও তুষারপাত বেড়ে যায়।

ভারতে লা নিনার প্রভাবে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত হয়। কৃষিনির্ভর দেশের জন্য এতে কৃষিকাজে সুবিধা থাকে, পাশাপাশি ভূগর্ভস্থ জলের পরিমাণও বাড়ে। একই সঙ্গে শীতও তীব্র হয়ে ওঠে। পাহাড়ি অঞ্চলে বেশি তুষারপাত হয়। তবে সাম্প্রতিক জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে লা নিনার চরিত্রও অস্বাভাবিক হয়ে উঠেছে। বর্ষার সময়ে ভারী বৃষ্টি এবং অন্য অঞ্চলে অনাবৃষ্টি এর প্রমাণ।

মার্কিন আবহাওয়া সংস্থা এনওএএ জানিয়েছে, বর্তমানে লা নিনা সক্রিয়। অতীতে ২০২০ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ট্রিপল ডিপ লা নিনা সক্রিয় ছিল। ২০২৩ সালে এল নিনো সক্রিয় হয়। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এই ওঠানামার প্রভাব আরও স্পষ্ট।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অক্টোবর থেকে জানুয়ারির মধ্যে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব বেশি থাকবে। ফলে শীতের আমেজ আগেভাগেই অনুভূত হতে পারে। ২০২৫ সালের শেষের দিকে প্রশান্ত মহাসাগরের আবহাওয়ার পরিবর্তনের কারণে উত্তর ভারতের উপরিভাগে জেট স্ট্রিম প্রবাহিত হবে। এর ফলে বাংলা ও গোটা দেশজুড়ে কনকনে হাড়কাঁপানো শীত পড়তে পারে। পাহাড়ি এলাকায় রেকর্ড তুষারপাতও হওয়ার আশঙ্কা আছে।

গত বছর লা নিনার প্রভাবে দিল্লি, রাজস্থান, পাঞ্জাব, হরিয়ানা ও উত্তরপ্রদেশে ১৭ দিনের টানা শৈত্যপ্রবাহ ও শীতল দিনের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। এবারের পূর্বাভাস আরও ভয়ঙ্কর।

আরও খবর পড়ুন , অসম-নাগাল্যান্ড সীমান্তে উত্তেজনা: জালাল বস্তিতে ৯৩টি পরিবারের বাড়ি পুড়ল

রাইটস: এই প্রতিবেদন কপি রাইট মুক্ত।
লেখক: ফারিয়া মন্ডল, Y বাংলা ব্যুরো

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

গ্রেটা থুনবার্গকে জোর করে ইজরায়েলের পতাকা পরানোর অভিযোগ, নির্বাসিত কর্মীরা নির্যাতনের অভিযোগ তুলে ছেন

গ্রেটা থুনবার্গকে জোর করে ইজরায়েলের পতাকা পরানোর অভিযোগ, নির্বাসিত কর্মীরা নির্যাতনের অভিযোগ তুলে

গ্রেটা থুনবার্গকে জোর করে ইজরায়েলের পতাকা পরানোর অভিযোগ, নির্বাসিত কর্মীরা বললেন অপমান-নির্যাতনভিত্তিক আচরণ

Y বাংলা ব্যুরো, মহিবুর রহমান শেখ — ইস্তানবুল। আপডেট: ৫ অক্টোবর ২০২৫
ফ্লোটিলা ও নির্বাসিত কর্মীরা
ফ্লোটিলার নির্বাসিত কর্মীরা ইস্তানবুলে ফিরে এসে তাদের ওপর হওয়া আচরণ নিয়ে অভিযোগ তুলেছেন। (ছবি: প্রতিনিধiser)

গাজার উদ্দেশ্যে নৌকাযাত্রা (ফ্লোটিলা) সংক্রান্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থার ঘটনায় আটক ও নির্বাসন হয়ে ইস্তানবুলে ফিরে আসা একশত ত্রিশের বেশি কর্মী অভিযোগ করেছেন, গ্রেটা থুনবার্গসহ কয়েকজনের সঙ্গে 'অমানবিক' ও 'অপমানজনক' আচরণ করা হয়েছে। শনিবার ইস্তানবুলে নামার পর বিভিন্ন দেশের কর্মীরা সাংবাদিকদের সামনে তাদের অভিজ্ঞতার বিবরণ দিয়েছেন এবং কয়েক দফা গুরুতর অভিযোগ উত্থাপন করেছেন।

তুরস্কের বিদেশ মন্ত্রকের বরাত দিয়ে জানা গেছে, নির্বাসিতদের মধ্যে ৩৬ জন তুর্কি নাগরিক ছাড়াও রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, আলজেরিয়া, মরক্কো, ইতালি, কুয়েত, লিবিয়া, মালয়েশিয়া, মৌরিতানিয়া, সুইজারল্যান্ড, তিউনিসিয়া ও জর্ডনের নাগরিকরা।

আরও খবর পড়ুন , বিহার বিধানসভা নির্বাচন ২০২৫: সময়সীমা ঘোষণা, NDA বনাম মহাগঠবন্ধনের লড়াই

মালয়েশিয়ার হজওয়ানি হেলমি ও মার্কিন নাগরিক উইন্ডফিল্ড বিবার এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, আটককালীন সময়ে তাদের 'মানবেতর' আচরণ করা হয়েছে। হেলমি জানান, গ্রেটাকে ধাক্কা দিয়ে ইজরায়েলের পতাকা জোর করে গলায় চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল এবং আটকের সময় পরিষ্কার খাবার ও পানীয় জল দেওয়া হয়নি; এমনকি জরুরি ওষুধও ক্রমান্বয়ে কেড়ে নেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করেছেন তাঁরা।

ইতালির আঞ্চলিক কাউন্সিলর পাওলো রোমানো বলেন, "আমাদের মুখ নিচু করে হাঁটু গেঁড়ে বসতে বলা হয়। নড়লেই মারধরের হুমকি ছিল। গালাগাল, অপমান ও শারীরিক নির্যাতন ছিল।" এ ধরনের বিবৃতিগুলো নির্বাসিত কর্মীদের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষুব্ধতা বাড়িয়েছে।

একাধিক অভিযোগের সারমর্ম:
  • গ্রেটা থুনবার্গকে জোর করে ইজরায়েলের পতাকা গলায় পরানো হয়েছে বলে দাবি।
  • পর্যাপ্ত খাবার ও পানি সরবরাহ করা হয়নি; ডিহাইড্রেশনের শিকার হয়েছেন কিছু কর্মী।
  • শারীরিক কসরৎ ও অপমানজনক আচরণ; কিছুকে শক্ত অবস্থায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসিয়ে রাখা হয়।
  • আইনি সহযোগিতা ও চিকিৎসা সহায়তা ছিল না বলে অভিযোগ।

এক বেসরকারি সূত্রে খবর, সুইডিশ বিদেশ মন্ত্রকের একটি ইমেলে বলা হয়েছে, গ্রেটাকে 'ছাড়পোকার সংক্রমিত সেলে' রাখা হয়েছিল। সেখানে পর্যাপ্ত জল-খাবার না পাওয়ায় এবং অনুপযুক্ত অবস্থানের কারণে তাঁর শরীরে র‍্যাশ ও ডিহাইড্রেশনের লক্ষণ দেখা গেছে, ইমেলে এই তথ্য জানিয়েছে কাগজপত্র।

নির্বাসিতরা আরও জানিয়েছেন, আটকদলের পক্ষ থেকে কিছু কর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হলেও তারা নিজ পর্যবেক্ষণে আইন লংঘনের কোনও প্রমাণ পাননি; বরং আচার-সংস্কৃতির সীমানা লঙ্ঘনের কথাই শোনা গেছে। অন্যদিকে ইজরায়েল সরকার সমস্ত অভিযোগকে 'সম্পূর্ণ মিথ্যা' বলে উড়িয়ে দিয়েছে এবং জানায়, আটককৃতদের সঙ্গে যথাযথ আচরণ করা হয়েছে—খাবার, জল ও আইনি সহায়তা দেওয়া হয়েছিল বলে তাদের বিবৃতিতে উল্লেখ আছে।

এই ফ্লোটিলা গত আগস্ট মাসের শেষে গাজা নিয়ে রওনা দেয়; দীর্ঘদিন ধরেই ইজরায়েলের নৌবন্দুকরণ ও অবরোধের প্রতিবাদে এটি বিভিন্ন বার আয়োজন করা হচ্ছে। ২০০৭ সাল থেকে এই প্রতিবাদী কার্যক্রম চলে আসছে, এবং সাম্প্রতিক ইজরায়েল–হামাস সংঘাতের পর এই অভিযানটির রাজনৈতিক ও মানবিক গুরুত্ব আরও বাড়ে।

ইতালির একটি প্রতিনিধি দল—যার মধ্যে চার জন সংসদ সদস্যও ছিলেন—রোমে ফিরে গিয়ে অভিযোগের বিষয়ে আলোচনা করেছে। ইতালীয় সাংসদ আর্তুরো স্কট্টো বলেন, "যারা আইন মেনে চলছিলেন তারা নৌকায় ছিলেন; যেসব নৌকা আটক করা হয়েছে, সেগুলোকে যারা আটক করেছে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।"

এই ঘটনার পর আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আহ্বান ও কূটনীতি-সম্পর্কিত প্রশ্নগুলো জোরালো হয়েছে। বিশেষত গ্রেটা থুনবার্গের মতো পরিচিত পরিবেশ ও মানবাধিকারকর্মীর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো বিশ্ব প্রচারে দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে এবং বিভিন্ন দেশ ও সংস্থাকে প্রতিক্রিয়া জানাতে বাধ্য করেছে।

এপ্রসঙ্গে, ইজরায়েলি বিদেশ মন্ত্রণালয় ঐ অভিযোগগুলো অস্বীকার করলেও, ঘটনাটির স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি তীব্র হচ্ছে। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক ও মানবাধিকার সংস্থাগুলোর খাদ্য, পানি ও চিকিৎসাসহ মৌলিক অধিকার রক্ষা করা হয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা উচিত বলে অনুরোধ করা হচ্ছে।

রাইটস: এই প্রতিবেদনের লেখা কপি রাইট মুক্ত।
সম্পর্ক: Y বাংলা ব্যুরো, রিপোর্টার: মহিবুর রহমান শেখ

অবিরাম বর্ষণে জলস্ফীতি, পশ্চিম মেদিনীপুরে বন্যার আশঙ্কা

অবিরাম বর্ষণে জলস্ফীতি, পশ্চিম মেদিনীপুরে বন্যার আশঙ্কা

অবিরাম বর্ষণে জলস্ফীতি, পশ্চিম মেদিনীপুরে বন্যার আশঙ্কা

অ্যানিকাট বাঁধের জলস্তর বিপজ্জনক পর্যায়ে; কৃষকদের মাথায় হাত

পশ্চিম মেদিনীপুর, ৫ অক্টোবর: টানা ভারী বর্ষণে পশ্চিমবঙ্গের পশ্চিম মেদিনীপুর জেলাজুড়ে জলস্ফীতি দেখা দিয়েছে। জেলার বিভিন্ন নদী ও খাল উপচে পড়েছে। অ্যানিকাট বাঁধের জলস্তর বিপজ্জনক মাত্রা ছুঁয়েছে, ফলে বাঁধের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আংশিকভাবে জল ছাড়া শুরু করেছে প্রশাসন।

পশ্চিম মেদিনীপুরে বন্যার জল

ছবি: টানা বৃষ্টিতে প্লাবিত পশ্চিম মেদিনীপুরের গ্রামাঞ্চল

গত ৪৮ ঘণ্টায় জেলায় ১৫০ মিলিমিটারেরও বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে, যা স্বাভাবিকের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। এর ফলে কাঞ্চন, সুবর্ণরেখা, দ্বারকেশ্বরসহ প্রধান নদীগুলোর জলস্তর দ্রুত বেড়ে যায়। অ্যানিকাট বাঁধ, যা জেলার কৃষি ও সেচ ব্যবস্থার অন্যতম ভিত্তি, বর্তমানে চরম চাপের মুখে।

💧 জলস্তর বিপজ্জনক: অ্যানিকাট বাঁধে জলস্তর ৯৫ ফুট অতিক্রম করেছে, যা নিরাপদ সীমার উপরে বলে জানিয়েছে সেচ দপ্তর।

সেচ বিভাগের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, গত বছরের বন্যায় বাঁধটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল এবং চলতি সেপ্টেম্বর থেকে এর মেরামত কাজ শুরু হয়। কিন্তু এখনও প্রায় ৪০ শতাংশ কাজ বাকি থাকায়, এমন পরিস্থিতিতে অতিরিক্ত চাপ বাঁধের স্থায়িত্বে হুমকি তৈরি করছে।

আরও খবর পড়ুন , বিহার ভোটের আগে নতুন দায়িত্বে অধীর চৌধুরী, কংগ্রেসের সিনিয়র পর্যবেক্ষক নিযুক্ত

প্রশাসন জানিয়েছে, নিরাপত্তার স্বার্থে বাঁধ থেকে শনিবার সকাল থেকে পর্যায়ক্রমে জল ছাড়া হচ্ছে। এতে নিম্নাঞ্চলগুলিতে প্লাবনের আশঙ্কা আরও বেড়েছে। ইতিমধ্যেই সালবনী, খালিসি, গোবিন্দপুর প্রভৃতি ব্লকে বাড়িঘরে জল ঢুকে পড়েছে। বহু এলাকায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন এবং যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে।

বন্যার প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়েছে কৃষকদের উপর। ধানের মৌসুমে এই অপ্রত্যাশিত বর্ষণ তাঁদের জন্য ভয়াবহ ক্ষতির কারণ হয়েছে। হাজার হাজার একর জমির ধানজমি প্লাবিত, এবং মাঠে ফসল পচে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত চাষিদের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে এবং জরুরি সাহায্য দ্রুত পৌঁছে দেওয়া হবে।

⚠️ সতর্কতা জারি: স্কুল-কলেজ সাময়িকভাবে বন্ধ, ঘাটগোলা এলাকায় বাস পরিষেবা স্থগিত, লোকাল ট্রেনে দেরি।

মেদিনীপুর শহরসহ আশেপাশের বেশ কিছু অঞ্চলে জল জমে যাওয়ায় যানজট দেখা দিয়েছে। উদ্ধারকাজে নেমেছে সিভিল ডিফেন্স ও জেলা প্রশাসনের বিশেষ টিম। জেলা প্রশাসক জানিয়েছেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ২৪ ঘণ্টার কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে এবং সব ব্লকে সতর্কবার্তা পাঠানো হয়েছে।

আরও খবর পড়ুন , খানাকুলে তৃণমূল নেতার উপর গণধোলাই: রাজনৈতিক উত্তেজনা হুগলিতে

🕒 সর্বশেষ আপডেট: ৫ অক্টোবর ২০২৫ | 📰 প্রতিবেদন: Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো

হ্যাশট্যাগ: #WestMidnaporeFlood #BengalRain #AnicutDam #MidnaporeWeather #BengalDisaster #HeavyRain #BengalFlood2025 #FarmersLoss #WestBengalNews

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

পটনা থেকে: এনডিএর সমন্বয় বৈঠক — আসনবণ্টন ঘিরে উসকি, ধর্মেন্দ্র প্রধানের মধ্যস্থতা

পটনা থেকে: এনডিএর সমন্বয় বৈঠক — আসনবণ্টন ঘিরে উসকি, ধর্মেন্দ্র প্রধানের মধ্যস্থতা |

পটনা, ৫ অক্টোবর: এনডিএর সমন্বয় বৈঠক — আসনবণ্টন ঘিরে উসকি, ধর্মেন্দ্র প্রধানের মধ্যস্থতা

পটনা, ৫ অক্টোবর ২০২৫লেখক: সালমা মন্ডল আপডেট: 05/10/2025

আসন্ন বিহার বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতিতে এনডিএ-র অভ্যন্তরীণ সমন্বয় ও আসনবণ্টন নিয়ে তীব্র আলোচনার মধ্যেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর মধ্যস্থতায় বৈঠক — জিতেন রাম মাঝির দাবি, জেডিইউ-বিজেপির সূত্র এবং সম্ভাব্য সমাধান নিয়ে বিস্তৃত রিপোর্ট।

পটনায় এনডিএ বৈঠক
ছবি: পটনায় এনডিএর সমন্বয় বৈঠক (y বাংলা নিউজ/ফাইল ছবি)
পটনা: আসন্ন বিহার বিধানসভা নির্বাচনের (Bihar Election) প্রস্তুতিতে কেন্দ্রীয় স্তরে এনডিএর মধ্যে আসন বণ্টন নিয়ে গতকাল থেকে তীব্র রাজনৈতিক আলোচনা ও সমন্বয় প্রচেষ্টা চলছে। রবিবার কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পটনায় এসে হিন্দুস্তানি আওয়াম মোর্চা (HAM) নেতা ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন রাম মাঝির সঙ্গে বৈঠক করেন। ওই বৈঠকে উপ-মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী এবং বিজেপির বিহার প্রभारী বিনোদ তাওড়েও উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকের পর জিতেন রাম মাঝি বলেন যে আসন বণ্টন নিয়ে আলোচনা হয়েছে এবং শীঘ্রই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে। তাঁর দাবি—এই দফায় তাঁর দল ১৫ থেকে ২০টি আসন চান। এ দাবি জেডিইউ ও বিজেপির নীতিগত অবস্থানের সঙ্গে সংঘাতের সৃষ্টি করেছে, কেননা জেডিইউ ও বিজেপি প্রস্তাব করছেন মাঝির দলের অংশগ্রহণ ৭ থেকে ১০ আসনে সীমাবদ্ধ রাখার।

আরও খবর পড়ুন , ডাক্তারের প্রেসক্রিপশনে কোল্ডরিফ সিরাপ: মৃত্যু ১১ শিশুর — মধ্যপ্রদেশে চিকিৎসক গ্রেফতার, বিভিন্ন রাজ্যে সিরাপ নিষিদ্ধ

রাজনৈতিক মহলে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত বলা হচ্ছে; কারণ HAM-র সমর্থন মহাদলিত সম্প্রদায়ের বড় ভোটব্যাঙ্কে প্রভাব রাখতে পারে। গত নির্বাচনে HAM-কে মোট ৭টি আসন দেওয়া হয়েছিল, যার মধ্যে ৪টিতে জয় হয়েছিল — ফলে এবারের চাহিদা বৃদ্ধির পেছনে ওই সফলতা অন্যতম কারণ হিসেবে গণ্য হচ্ছে।

সূত্রের খবর, ধর্মেন্দ্র প্রধানের পাটনার সফরটি এনডিএর অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা দূর করার লক্ষ্যে সমন্বয়মূলক প্রচেষ্টা হিসেবে রূপ নিয়েছে। প্রধানজির সঙ্গে বৈঠকে জেডিইউ নেতা লালন সিংহও অংশগ্রহণ করেন; সেখানে জেডিইউকে ১০২টি আসন এবং বিজেপিকে ১০১টি আসনের সূত্র আলোচনা করা হয়েছিল, যা রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে জেডিইউকে সামান্য সুবিধা দিলেও জোটে অমিল কমানোর উদ্দেশ্যেই প্রস্তাবটি ছিল।

আরও খবর পড়ুন বিজয়কে কাজে লাগাতে চাইছে বিজেপি: কারুর দুর্ঘটনার প্রেক্ষিতে তামিলনাড়ুর রাজনৈতিক সমীকরণ

অন্যদিকে, লোক জনশক্তি পার্টি (চিরাগ পাসওয়ান) ও উপেন্দ্র কুশওয়াহার নেতৃত্বাধীন দলগুলোর দাবিও গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা নেবে। সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হচ্ছে, বাকি ৪০টি আসন অন্যান্য সহযোগীদের মধ্যে বণ্টিত করার প্রস্তাব চলমান—যেমন: লোক জনশক্তি পার্টিকে ২২টি, HAM-কে ৬-৮টি এবং রাষ্ট্রীয় লোক মোর্চাকে ৪টি আসন দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে এই সংখ্যা চূড়ান্ত নয় এবং দুর্গাপূজা ও দশহরা উৎসবের পর চূড়ান্ত বণ্টন ঘোষিত হতে পারে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, জিতেন রাম মাঝির কাছে ‘স্বীকৃত দল’ মর্যাদা না থাকায় তার দলের সন্তুষ্টি অর্জন কঠিন হয়ে পড়েছে। মাঝি নিজে জানিয়েছেন, তিনি “ভিক্ষা করছি না, দাবি করেই চলেছি”—এই বক্তব্য এনডিএ ভেতরের উত্তেজনা আরও বাড়িয়েছে। চিরাগ পাসওয়ানের শিবিরও তাদের দাবিতে তৎপর; আগে তারা ৪৫টি আসন দাবি করেছিল, যা কমিয়ে ২২টিতে রেখেছে — এ নিয়ে তাঁদেরও অসন্তোষ কম নয়।

এনডিএ’র অভ্যন্তরীণ ঐক্য বজায় রাখাটাই এখন মুখ্য লক্ষ্য। ধর্মেন্দ্র প্রধান বারবার জোর দিয়ে বলেছেন যে “এনডিএ-র ঐক্যই আমাদের শক্তি” এবং আসনবণ্টন নিয়ে শিগগিরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি নির্বাচনী জোটকে শক্তকরণ করে মহাগঠবন্ধনের মতো বিরোধী জোটের কৌশল মোকাবিলা করতে চান।

প্রতিপক্ষ মহাগঠবন্ধন ইতিমধ্যেই এই ভেতরের অস্থিরতাকে রাজনৈতিক সুযোগে পরিণত করার চেষ্টা শুরু করেছে। আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব দাবি করেছেন, “এনডিএ ভাঙছে” — যদিও এনডিএ শিবিরের উচ্চপদস্থ নেতা ও সমর্থকরা এমন টীকা খণ্ডন করে বলছেন যে সামান্য মতবিরোধ হচ্ছে স্বাভাবিক এবং সমাধান দ্রুত হয়ে যাবে।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা আরও মত দিয়েছেন যে আসনবণ্টন শুধুমাত্র সংখ্যার লড়াই নয় — প্রতিটি আসনে প্রার্থী মনোনয়ন, স্থানীয় শক্তি, সমাজিক গোষ্ঠীর শক্তিধর প্রভাব এবং ভোট চরিত্র নির্ধারণের মতো জটিল বিষয়ও বিবেচ্য। তাই শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে ভালো সমন্বয় না হলে স্থানীয় স্তরে আঘাত আসতে পারে।

নির্বাচনী কৌশলগত পর্যবেক্ষণে দেখা যাচ্ছে, এনডিএর সংশ্লিষ্ট দলের মাঝে আপোষমূলক সমঝোতা ও রাজনৈতিক আর্থ-সামাজিক ইস্যু বেছে নিয়ে প্রচারণা চালানো হবে। একইসঙ্গে দলের ক্যাম্পেইনে মহাদলিত ও অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতি বিশেষ আর্কষণ তৈরির চেষ্টা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

শেষ পর্যন্ত আসনবণ্টন ও তার পিছনের কৌশল-মুখী চ্যালেঞ্জগুলি কতটা মেটানো যায়, তার ওপরই নির্ভর করবে বিহারের রাজনৈতিক মানচিত্র। দুর্গাপূজা ও দশহরার পর এনডিএর মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু চূড়ান্ত ঘোষণার সম্ভাবনা রয়েছে — এবং সেই ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে প্রতিটি জোট সদস্যের রণকৌশলও স্পষ্ট হবে। y বাংলা নিউজ এই বিষয়ে আপডেট রাখবে এবং আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পর বিস্তারিত বিশ্লেষণ ও আসনভিত্তিক প্রতিবেদন প্রকাশ করবে।

সংক্ষিপ্ত তথ্য:
  • জিতেন রাম মাঝি দাবি: ১৫-২০টি আসন
  • জেডিইউ-জোট সূত্র (প্রস্তাবিত): জেডিইউ ১০২, বিজেপি ১০১
  • বাকি আসন বিতরণ: লোক জনশক্তি ২২, HAM ৬-৮, রাষ্ট্রীয় লোক মোর্চা ৪ (প্রায়)
  • চূড়ান্ত বণ্টন: দুর্গাপূজা/দশহরা পর ঘোষিত হতে পারে
কপি রাইট মুক্ত রিপোর্ট — y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক।
সম্পাদনা: ডিজিটাল ডেস্ক | যোগাযোগ: editor@ybanglanews.com

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

বিহার বিধানসভা নির্বাচন ২০২৫: সময়সীমা ঘোষণা, NDA বনাম মহাগঠবন্ধনের লড়াই

বিহার বিধানসভা নির্বাচন ২০২৫: সময়সীমা ঘোষণা, NDA বনাম মহাগঠবন্ধনের লড়াই

বিহার বিধানসভা নির্বাচন ২০২৫: সময়সীমা ঘোষণা, NDA বনাম মহাগঠবন্ধনের লড়াই

নয়াদিল্লি, ৫ অক্টোবর ২০২৫লেখক: Yava Fariya Mondalআপডেট: 05/10/2025 04:31 PM

নয়াদিল্লি থেকে y বাংলা নিউজ-এর ডেস্ক রিপোর্ট — নির্বাচন কমিশন পাটনায় সময়সীমা ঘোষণা করেছে; রাজ্যে ভোটগ্রহণ, নিরাপত্তা, ভোটার তালিকা ও প্রশাসনিক প্রস্তুতি নিয়ে বিস্তারিত।

বিহার নির্বাচন ২০২৫
ছবি: বিহার নির্বাচনী প্রস্তুতি — (Y বাংলা নিউজ ডেক্স/ফাইল ছবি)
নয়াদিল্লি, ৫ অক্টোবর ২০২৫: বিহার বিধানসভার মেয়াদ শেষ হতে চলেছে আগামী ২২ নভেম্বর; তার আগেই রাজ্যে ভোটগ্রহণের সময়সীমা ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার গ্যনেশ কুমার রবিবার পাটনায় সাংবাদিক সম্মেলনে জানিয়ে দেন যে কেবল সময়সূচিই নয়, বুথ-লেভেল প্রস্তুতি ও ভোটার তালিকা পরিশোধনেও এইবার বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। কমিশন বলেছে যে মোট ২৪৩টি আসনের মধ্যে আদিবাসী ও তফসিলি জাতির জন্য নির্দিষ্ট আসন সংরক্ষণের পাশাপাশি বিধানসভা নির্বাচনে সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ পরিবেশ নিশ্চিত করতে কঠোর নিরাপত্তা পরিকাঠামোও গড়ে তোলা হবে। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে কমিশন রাজ্যের প্রশাসনিক ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেছে এবং বুথ-লেভেল অফিসারদের (BLO) বিশেষ প্রশিক্ষণের উদ্যোগকে এক ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। রাজ্য রাজনীতিতে প্রধান দুই শিবির—ন্যাশনাল ডেমোক্র্যাটিক অ্যালায়ন্স (NDA) এবং মহাগঠবন্ধন—এবারের নির্বাচনে মুখোমুখি অবস্থান গ্রহণ করবে। NDA-র শিবিরে প্রধানভাবে বিহারের পুরনো রাজনৈতিক নেতৃত্ব এবং বিজেপি-জেডিইউ জোট নেতৃত্বে থাকলেও মহাগঠবন্ধন আরজেডি, কংগ্রেস ও বামপন্থী দলগুলোর সমন্বয়ে শক্তিশালীভাবে অংশ নেবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, স্থানীয় ইস্যু, কৃষি-বিভাগ, শিক্ষানীতি এবং চাকরির সুযোগের মতো বিষয় ভোটের মনোভাব গঠনে মূল ভূমিকা রাখবে। প্রচারণার তীব্রতা ইতিমধ্যেই বেড়ে গেছে। প্রত্যেকে শিবিরই নির্বাচনী কৌশল হিসেবে জনমুখী মিছিলে আলাদা কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। প্রতিপক্ষ দলগুলোর বিরুদ্ধে অভিযোগ-প্রতিউত্তর এবং উন্নয়ন নীতির প্রভাব নিয়ে জনগণের বিচার হবে বলেই রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন। নিরাপত্তা সংক্রান্ত প্রস্তুতি ও আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখার দিকেও প্রশাসন রেখেছে বিশেষ নজর। কমিশনটির পক্ষ থেকে ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে—এই গণতন্ত্রের উৎসবে সক্রিয় অংশগ্রহণ করুন। নির্বাচন কমিশন উল্লেখ করেছে যে ভোটার তালিকা পরিশোধনের কাজ সফল হয়েছে এবং বিহারের প্রতিটি কয়ানায় ভোটার তথ্য হালনাগাদ করা হয়েছে। এক্ষেত্রে বুথ-লেভেল কর্মীদের অবদানকে বিশেষভাবে কৃতজ্ঞতা জানানো হয়েছে। অর্থনৈতিক এবং সামাজিক ইস্যুগুলোও নির্বাচনে গুরুত্ব পাবে। বিশেষত কৃষি খাতের অবস্থান, উন্নত অবকাঠামো প্রকল্প, স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষাক্ষেত্রে বিনিয়োগ, দারিদ্র্য নিরসনে নেওয়া উদ্যোগ ইত্যাদি ক্ষেত্রে দলের প্রতিশ্রুতিগুলো ভোটারের কাছে প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নাগরিকদের কণ্ঠস্বর শ্রবণ করার অঙ্গীকার নিয়ে রাজনৈতিক নেতারা ভোটকালীন পরিবেশে কড়া নজর রাখছেন। এই নির্বাচনের ফলাফল শুধুমাত্র বিহারের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ গড়ে দেবে না—বরং জাতীয় স্তরে সমীকরণেও তা গুরুত্বপূর্ণ প্রতিফলন ঘটাতে পারে। বিশেষ করে কেন্দ্রীয় দলগুলোর কৌশল এবং জোটবাঁধার ফলাফল ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সেদশের কৌশলকে প্রভাবিত করবে। নির্বাচন কমিশন আরও জানিয়েছে যে ব্যবস্থাপনা ও সরঞ্জামতাত্ত্বিক দিক থেকে এক বিরাট প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে—ইভিএম ও ভিভিপ্যাটের যথেষ্ট সরবরাহ, ব্যাকআপ জেনারেটর এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার দৃঢ়তা নিশ্চিত করা হবে যাতে ভোটপরিচালনা বাধাহীনভাবে চালানো যায়। একইসঙ্গে ডিজিটাল নিরাপত্তা ও সোশ্যাল মিডিয়া পর্যবেক্ষণ নিয়ে নির্দেশনাও জারি করা হয়েছে। যুব ভোটার ও পরিযায়ী শ্রমিকদের অংশগ্রহণ এইবার বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বহু তরুণ ভোটারকে লক্ষ্য করে দলগুলো অনলাইন ও মাঠপর্যায়ে কৌশল বৃদ্ধি করছে; একই সঙ্গে প্রশাসন পরিযায়ী ভোটারদের তালিকা হালনাগাদ করতে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে যাতে তারা অংশ নিতে পারে। ভোটদান সহজতর করতে রাইড-টু-পোলিং, বিশেষ সহায়তা কেন্দ্র ও প্রতিবন্ধী ও বয়স্ক ভোটারদের জন্য বন্দোবস্ত করা হবে। নির্বাচনী তহবিল ও প্রচার ব্যয় নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে—অবৈধ তহবিল প্রবাহ বন্ধ ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতেই কমিশন কঠোর অবস্থান নিয়েছে। y বাংলা নিউজ জেলা ও রাজ্য রিপোর্টাররা রাজ্যজুড়ে ঘটনাচক্রের উপর নজর রাখছেন; ভোটসূচি ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের সাইটে আসন বিশ্লেষণ, প্রার্থীদের তালিকা ও বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে। আমরা আপডেট দেব এবং যে কোনো বিধ্যোপযোগী তথ্য পাঠকের সঙ্গে ভাগ করে নেব।
সংক্ষিপ্ত তথ্যবক্স
  • মোট আসন: ২৪৩
  • সংরক্ষিত আসন: ST ২, SC ৩৮
  • প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী: NDA বনাম মহাগঠবন্ধন
  • মেয়াদ শেষ: ২২ নভেম্বর ২০২৫

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

ডাক্তারের প্রেসক্রিপশনে কোল্ডরিফ সিরাপ: মৃত্যু ১১ শিশুর — মধ্যপ্রদেশে চিকিৎসক গ্রেফতার, বিভিন্ন রাজ্যে সিরাপ নিষিদ্ধ

কাফ সিরাপ কাণ্ড: কোল্ডরিফ সিরাপ খেয়ে ১১ শিশুর মৃত্যু, চিকিৎসক গ্রেফতার

ডাক্তারের প্রেসক্রিপশনে কোল্ডরিফ সিরাপ: মৃত্যু ১১ শিশুর — মধ্যপ্রদেশে চিকিৎসক গ্রেফতার, বিভিন্ন রাজ্যে সিরাপ নিষিদ্ধ

ডিজিটাল ডেস্ক | আপডেট: ৫ অক্টোবর ২০২৫

কাফ সিরাপ খেয়ে মধ্যপ্রদেশের চিন্দওয়াড়া (পারাসিয়া) উপজেলায় ব্যাপক শোকব্যাপ্তি—ডাক্তারের প্রেসক্রিপশনে খাওয়া কোল্ডরিফ সিরাপের কারণে দেশীয় সূত্রে কমপক্ষে ১১ শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে; এই ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট পিডিয়াট্রিশিয়ান ডঃ প্রবীণ সোনিকে সোমবার ভোরে গ্রেফতার করা হয়েছে।

আরও খবর পড়ুন বিজয়কে কাজে লাগাতে চাইছে বিজেপি: কারুর দুর্ঘটনার প্রেক্ষিতে তামিলনাড়ুর রাজনৈতিক সমীকরণ

স্থানীয় ও রাষ্ট্রীয় সূত্রে জানা গেছে, আহত বা মৃত শিশুগুলির বেশিরভাগই ডঃ সোনির ক্লিনিকে চিকিৎসা নিয়েছিল এবং সেখানে প্রেসক্রাইব করা কোল্ডরিফ (Coldrif) নামক কফ সিরাপ খাওয়ার পর অবস্থার অবনতি ঘটে। দ্রুতগতিতে নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ ল্যাব পরীক্ষা ও তল্লাশি শুরু করে এবং তামিলনাড়ুর ড্রাগ কন্ট্রোল বিভাগের রিপোর্টে ওই সিরাপের নমুনায় বিপজ্জনক মাত্রার ডায়থিলিন গ্লাইকল (Diethylene Glycol বা DEG) শনাক্ত হয়—রিপোর্ট অনুসারে ৪৮.৬ শতাংশ পরিমাণ পাওয়া গিয়েছে। এই বিষাক্ত উপাদান কিডনিতে মারাত্মক প্রভাব ফেলে এবং তা কিডনি ফেলিওর ও মৃত্যুর কারণ হতে পারে।

তাত্ক্ষণিক কার্যক্রম ও নিষেধাজ্ঞা (সংক্ষিপ্ত):
  • মধ্যপ্রদেশ সরকার কোল্ডরিফ সিরাপের বিক্রয়, মজুদ ও সরবরাহ তৎক্ষণাৎ নিষিদ্ধ করেছে।
  • তামিলনাড়ু ডিরেক্টরেট অব ড্রাগ কন্ট্রোল ওই ব্যাচকে 'স্ট্যান্ডার্ড কোয়ালিটির নয়' বলে চিহ্নিত করেছে; সংশ্লিষ্ট কোম্পানির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
  • কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও রাজ্য ড্রাগ কন্ট্রোল বিভাগগুলোর পরামর্শ অনুযায়ী কফ/কল্ড সিরাপ শিশুদের (বিশেষত দুটি বছরের নিচে) দেওয়া বা প্রেস্ক্রাইব করা থেকে বিরত থাকার নির্দেশ জারি হয়েছে।

ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, শিশুগুলোর প্রথমে সর্দি কাশি ছিল এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী তারা কফ সিরাপ ও অন্যান্য ওষুধ খেয়েছিল। কিছুক্ষণের জন্য স্বাস্থ্যের সাময়িক উন্নতি দেখা গেলেও পরে তাদের অবনতি ঘটতে থাকে—প্রাথমিকভাবে কিডনি ফেইলিওরের লক্ষণ উদ্ভব করে এবং হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন। ওই এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে হাসপাতালগুলিতে পর্যাপ্ত সাপোর্ট ব্যবস্থা ও আইসিইউ সিট বাড়ানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

রোগনির্ণয়ের পর রাজ্য প্রশাসন দ্রুত কার্যক্রম শুরু করেছে—উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান Sresan (বা Srisan/Sresun নাম ভিন্ন সংবাদ সূত্রে আলাপিত) ফার্মাসিউটিক্যালসের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং কোম্পানির উৎপাদন ইউনিটে গভীর তদন্তের নির্দেশ এসেছে। বিভিন্ন রাজ্য—মধ্যপ্রদেশ, তামিলনাড়ু, রাজস্থান এবং কেরলাবাদ—তৎক্ষণাৎ ঐ সিরাপ বিক্রি ও মজুদ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে এবং বাজারে থাকা বোতলগুলোর খোঁজ-খবর নেওয়ার জন্য ড্রাগ ইনস্পেক্টরদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আরেকটি সিরাপ, Nextro-DS নামে পরিচিত পণ্যেরও বিক্রয় সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে; এটির পরীক্ষার রিপোর্ট এখনও আসেনি।

ডায়থিলিন গ্লাইকল (DEG) একটি শিল্প-বিষাক্ত দ্রব্য, সাধারণত অ্যান্টিফ্রিজ, পেইন্ট, প্লাস্টিক এবং ব্রেক ফ্লুডে ব্যবহৃত হয়; চিকিৎসা-ব্যবহারের উপকরণ হিসেবে এটি কখনো ব্যবহার হওয়া উচিত নয়। DEG সহজেই গ্লিসারিনের মতো স্যরাপি লুক রাখায় কখনো কখনো সস্তা, অনিয়ন্ত্রিত কাঁচামাল হিসেবে মিশ্রিত হতে পারে—ফার্মা সরবরাহ শৃঙ্খলে তদারকি না করলে এই ধরনের দূর্ঘটনা ঘটতে পারে। DEG বিষক্রিয়ার ফলে কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যা দ্রুত কিডনি ফেলিওর ও মৃত্যু ঘটাতে পারে।

আদালত ও আইনগত প্রক্রিয়া তাহলে কী?—স্থানীয় পুলিশ ডঃ প্রবীণ সোনির বিরুদ্ধে অভিযোগমুলক রিপোর্ট পেয়েছে এবং অভিহিত অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতারী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে; পাশাপাশি উৎপাদনকারী সংস্থার বিরুদ্ধে ঔষধ জালিয়াতি ও অনিয়ম, অদক্ষতা এবং দায়িত্বহীনতাসহ বিভিন্ন ধারা অন্তর্ভুক্ত করে মামলা করা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় ও রাজ্য পর্যায়ে বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করে তল্লাশি ও তদন্ত চলছে—ঔষধ পরীক্ষার অন্যান্য ব্যাচগুলোর নমুনাও পাঠানো হয়েছে।

এই ঘটনায় জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার কাছে মুলত: কড়া কিছু প্রশ্ন উঠেছে—ফার্মা সরবরাহ চেইনে মান নিয়ন্ত্রণ কতটা শক্তিশালী, ক্লিনিক-স্তরের প্রেসক্রিপশন ও ফলো-আপ কিভাবে হওয়া উচিত এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর দ্রুত ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা কতটা কার্যকর। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশুদের ওষুধ দেওয়ার সময় চিকিৎসক ও রিটেইলারদের অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি এবং রাষ্ট্রকে উৎস থেকে শেষ ব্যবহারকারী পর্যন্ত চেইনটিকে নিয়মিতভাবে মনিটর করতে হবে।

রিপোর্টিং নোট: এই প্রতিবেদনটি সাম্প্রতিক প্রকাশিত সংবাদ ও সরকারি বিজ্ঞপ্তি থেকে তথ্য সংগ্রহ করে ডিজিটাল ডেস্কে রচিত। ঘটনায় তদন্ত চলমান—নতুন তথ্য আসলে প্রতিবেদন আপডেট করা হবে। সূত্র: Reuters, NDTV, Times of India, India Today, কেন্দ্রীয় ও রাজ্য ড্রাগ কন্ট্রোল বিজ্ঞপ্তি।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

পঞ্চায়েতে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব: বৈকুন্ঠপুর-১ উপপ্রধান সহ ৬ জনকে তিন বছরের জন্য সাসপেন্ড

পঞ্চায়েতে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব: বৈকুন্ঠপুর-১ উপপ্রধান সহ ৬ জনকে তিন বছরের জন্য সাসপেন্ড

পূর্ব বর্ধমানে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব: বৈকুন্ঠপুর-১ পঞ্চায়েতের উপপ্রধানসহ ৬ জনকে তিন বছরের জন্য সাসপেন্ড

আপডেট: স্থানীয় প্রতিবেদন ও ব্লক কমিটির সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে | রিপোর্ট: বর্ধমান ব্যুরো

পূর্ব বর্ধমানের বৈকুন্ঠপুর-১ পঞ্চায়েতের উপপ্রধান জয়দেব বন্দ্যোপাধ্যায়সহ ছয় জন তৃণমূল নেতাকে দলবিরোধী কার্যকলাপ ও শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তিন বছরের জন্য সাসপেন্ড করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বর্ধমান-২ ব্লক তৃণমূল।

ব্লক সভাপতি পরমেশ্বর কোঙার জানিয়েছেন যে—জয়দেব বন্দ্যোপাধ্যায়, লবকুমার দাস, সব্যসাচী চৌধুরী, তুষার সামন্ত, অম্বিকা দাস ও জরু আলমকে ব্লক কমিটির সিদ্ধান্তে তিন বছরের মত সাসপেন্ড করা হয়েছে এবং বিষয়টি জেলা সভাপতিকে জানানো হয়েছে। ব্লক সভাপতির অভিযোগ, ওই নেতারা দল ও প্রশাসনকে টার্গেট করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুল ও মিথ্যা প্রচার চালিয়েছেন এবং দলীয় শৃঙ্খলা ভেঙেছেন। 0

বৈকুন্ঠপুর পঞ্চায়েত (নমুনা ছবি)
স্থানীয় সূত্র ও ব্লক কমিটির সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে পঞ্চায়েতে উত্তেজনা। (ছবি: প্রতিনিধির আলোকচিত্র)
কী বলা হচ্ছে — সংক্ষিপ্ত সারাংশ
  • উপপ্রধানসহ ছয় নেতা তিন বছরের জন্য সাসপেন্ড। 1
  • ব্লক সভাপতির অভিযোগে শৃঙ্খলা ভঙ্গ, মিথ্যা প্রচার ও দুর্নীতির ইঙ্গিত। 2
  • সাসপেন্ড প্রতিপক্ষের অভিযোগ অনুযায়ী 'বর্ধমান-২ ব্লকের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের প্রকাশ' হিসেবে দেখা হচ্ছে।

অন্যদিকে সাসপেন্ড করা উপপ্রধান জয়দেব বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ব্লক সভাপতি তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুললে প্রমাণ দেখান; শুধু মুখে অভিযোগ করে কাউকে সাসপেন্ড করা ঠিক নয়। তিনি আরও প্রশ্ন তুলেছেন—তিনি জেলা কমিটির সদস্য; তাহলে ব্লক সভাপতি কীভাবে জেলা কমিটির সদস্যকে সাসপেন্ডের নির্দেশ দিতে পারেন? জয়দেব অভিযোগ করেছে যে দলবিরোধী কাজের প্রমাণ ছাড়া শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং নিয়ম অনুযায়ী প্রথমে শোকজ করা উচিত ছিল।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, রাজ্য নির্বাচন (২০২৬)কে সামনে রেখে ব্লক ও পঞ্চায়েতে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব তীব্র হতে পারে এবং এখান থেকে জেলা রাজনীতিতে তার প্রভাব পড়বে। বহুক্ষেত্রে স্থানীয় প্রতিদ্বন্দ্বিতা, ক্ষমতার দৌরাত্ম্য ও উন্নয়ন সংক্রান্ত বিচ্ছিন্নতা এই ধরনের বিস্ফোরক পরিস্থিতির সূত্রপাত করে। এই ঘটনা সেই প্রেক্ষাপটেই পড়েছে বলেই রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা দেখছেন।

স্থানীয় মহলে ইতিমধ্যেই বিতর্ক শুরু হয়েছে—কোন পন্থা অবলম্বন করে বিরোধ মিটবে, কোন পন্থায় দল শৃঙ্খলা বজায় রাখবে ও অভিযোগের যথোপযুক্ত তদন্ত কবে করা হবে—এসব প্রশ্ন উঠে এসেছে। জেলার নেতারা বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছেন এবং জেলা স্তরে বিষয়টি জানানো হয়েছে বলে ব্লক সভাপতি জানান। সূত্রে জানা যায়, জেলা কমিটির পর্যবেক্ষণে এই বিষয়টি পুনর্বিবেচনার সম্ভাবনাও রয়েছে।

কেন্দ্রীয় বার্তা: রাজনৈতিক ও организаționalভাবে অভ্যন্তরীণ বিরোধ দুর্বলতার ইঙ্গিত করে এবং তা দ্রুত মোকাবিলা না করলে নির্বাচন-প্রসঙ্গে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে — এই সতর্কবার্তা অনেকেই দিচ্ছেন। তৃণমূলের সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিদের মন্তব্য এ এবং জেলা নেতৃত্বের সিদ্ধান্তের পর পরবর্তী পদক্ষেপ জানা যাবে।

রিপোর্টিং নোট: উপরের খবর স্থানীয় সংবাদপত্র ও অনলাইন প্রতিবেদনের উপর ভিত্তি করে সংকলিত। উল্লিখিত ঘটনার যে কোন উন্নয়ন হলে প্রতিবেদন আপডেট করা হবে। সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন, হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা, News18 Bangla।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

উত্তরবঙ্গে ভারী বৃষ্টি ও ধস: মিরিকে সেতু ভেঙে মৃত্যু, শিলিগুড়ি-পাহাড় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

উত্তরবঙ্গে ভারী বৃষ্টি ও ধস: মিরিকে সেতু ভেঙে মৃত্যু, শিলিগুড়ি-পাহাড় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

লাগাতার ভারী বৃষ্টিতে উত্তরবঙ্গ ধসে বিপর্যস্ত — মিরিকে ব্রিজ ভেঙে কমপক্ষে ৬ জনের মৃত্যু

আপডেট: ৫ অক্টোবর ২০২৫ | রিপোর্ট: স্থানীয় প্রতিবেদক

কয়েকদিন ধরে চলা অবিরাম বর্ষণের ফলে উত্তরবঙ্গের বিস্তীর্ণ অঞ্চল ধস ও বন্যার কবলে পড়েছে। দার্জিলিং জেলার মিরিকে দুধিয়া সেতু ভেঙে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে এবং স্থানীয়ভাবে হতাহতের খবর পাওয়া গেছে।

মিরিকে ভাঙা সেতুর দৃশ্য (নমুনা ছবি)
মিরিকে ভাঙা সেতুর কারণে শহরটির সঙ্গে শিলিগুড়ির সরাসরি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে। (ছবি: স্থানীয় উৎস)

মিরিকে প্রবল বৃষ্টি ও উজান-জলে দুধিয়া সেতু সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে ধসে পড়ায় শহরটি শিলিগুড়ির সঙ্গে অভ্যন্তরীণ রাস্তাঘাটে কাটা পড়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের সূত্রে পাওয়া খবর অনুযায়ী সেতু ধসে কমপক্ষে ৬ জনের মৃত্যু এবং আরও অনেকে আহত বলে প্রতিবেদনে দাগ পড়েছে।

প্রবণতা ও পরিস্থিতির সংক্ষিপ্ত ছবি
  • ১০ নম্বর জাতীয় সড়কের বিভিন্ন অংশে ধস নেমে যান চলাচল বাধাগ্রস্ত; শিলিগুড়ি ও সিকিমের যোগাযোগ প্রভাবিত।
  • দার্জিলিং ও কালিম্পং রুটে ধস নামায় ওই রুটগুলো সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।
  • ডুয়ার্স অঞ্চলে তিস্তা, তোর্সা ও জলঢাকা নদীর জল বাড়ছে; স্থানীয় প্রশাসন পর্যটকদের সাবধানতা অবলম্বন করতে বলেছে।
  • আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে আগামী ২৪ ঘণ্টায় কিছু স্থানে আরও বৃষ্টির সম্ভাবনা — কমলা ও লাল সতর্কতা জারি আছে।

পর্যটনকেন্দ্রেও প্রভাব পড়েছে: পুজোর ছুটির সময় বহু ভ্রমণপিপাসু দার্জিলিং, রক গার্ডেন, টাইগার হিলসহ জনপ্রিয় লেকশহরগুলো ঘুরে দেখতে এসেছেন; কিন্তু ধসের আশঙ্কায় এসব কেন্দ্র সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছে। প্রশাসনিক নির্দেশ অনুযায়ী বর্তমান পরিস্থিতি অতিক্রম না হওয়া পর্যন্ত পর্যটকদের হোটেলে অবস্থানের পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

স্থানীয় প্রশাসন ও উদ্ধারকর্মীরা ধসপ্রবণ এলাকায় উদ্ধার, রেসকিউ এবং সড়ক মেরামতে কাজ করছেন। রাজ্য ও জেলা বৈকল্পিক রুট, ব্রিজ-মেরামত এবং নদীপথের ঝুঁকি মূল্যায়ন চলছে। আক্রান্তদের ত্রাণ ও চিকিৎসাসুবিধা প্রদান শীঘ্রই নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রশাসন সম্প্রতি কয়েকটি জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে বলে জানানো হয়েছে।

সতর্কতা: যাতায়াত এবং পাহাড়ি এলাকায় থাকা লোকজনকে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। বিশেষত দার্জিলিং, কালিম্পং ও জলপাইগুড়ি জেলায় কমলা সতর্কতা, আলিপুরদুয়ারে লাল সতর্কতা জারি আছে — স্থানীয় প্রশাসন ও আবহাওয়া দফতের নির্দেশনা মেনে চলুন।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

বিজয়কে কাজে লাগাতে চাইছে বিজেপি: কারুর দুর্ঘটনার প্রেক্ষিতে তামিলনাড়ুর রাজনৈতিক সমীকরণ

বিজয়কে কাজে লাগাতে চাইছে বিজেপি: কারুর দুর্ঘটনার প্রেক্ষিতে তামিলনাড়ুর রাজনৈতিক সমীকরণ

বিজয়কে কাজে লাগাতে চাইছে বিজেপি, বদলাতে পারে তামিলনাড়ুর রাজনৈতিক চিত্র

আপডেট: ২৭ সেপ্টেম্বরের একদিন পর থেকে উদ্ভূত পরিস্থিতি | রিপোর্ট: স্থানীয় ব্যুরো

কারুরের শোক এবং রাজনৈতিক উত্তেজনার মাঝেই তামিল সুপারস্টার ও টিভিকে (TVK) দলের প্রধান বিজয়কে রাজনৈতিকভাবে কাজে লাগানোর চেষ্টা শুরু করেছে বলে তথ্য। ২৭ সেপ্টেম্বর কারুরে পদপিষ্টে কমপক্ষে ৪১ জনের মৃত্যু ও বেশ কয়েক ডজন আহত হওয়ার পর রাজ্য রাজনৈতিকভাবে অস্থিতিশীল।

কারুর দুর্ঘটনা—জনসমাগম
কারুরের জনসমাগম ও দুর্ঘটনার পর প্রতিক্রিয়া (ছবি: স্থানীয় উৎস)

সূত্রের খবর, ঘটনায় পরের দিনই (২৮ সেপ্টেম্বর) রাজ্যের একাধিক রাজনৈতিক শিবির যোগাযোগ করে বিজয়ের সাথে। এক বরিষ্ঠ বিজেপি নেতা বিজয়কে আশ্বাস দিয়েছেন যে, যদি ডিএমকে এবং তার জোট তাঁকে লক্ষ্য করে রাজনৈতিকভাবে হেনস্থা করে, তৎক্ষণাৎ বিজেপি পাশে দাঁড়াবে। খবর অনুযায়ী কংগ্রেসও টিভিকে-র সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল এবং জাতীয় দলগুলো এই ঘটনাকে রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে দেখছে।

প্রধান অন্তর্দৃষ্টি:
  • কারুর দুর্ঘটনা টিভিকে-র জনপ্রিয়তাকে রাজনৈতিক সম্পদে পরিণত করার চেষ্টা করছে কেন্দ্রীয় দলগুলো।
  • বিজয়ের জনপ্রিয়তা ডিএমকে ও অন্যান্য দক্ষিণী দলের ভোক্তাদের টিভিকে-র দিকে টানে বলে মনে করছে বিজেপি।
  • তবে বিজেপি সাবধান — এআইএডিএমকে-র সঙ্গে জোট ভাঙলে দক্ষিণে কৌশল ব্যাহত হতে পারে।

রাজ্যের রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচন সামনে রেখে এই ধরণের কৌশল স্বাভাবিক। তবে কারুরের মতো একটি দুঃখজনক দুর্ঘটনা রাজনৈতিক লাভের হাতিয়ার হয়ে উঠলে তা নৈতিক ও সামাজিক প্রশ্ন তুলবে। ডিএমকে এবং অন্য আঞ্চলিক পক্ষগুলোর প্রতিক্রিয়া দেখেই পরবর্তী সমীকরণ গঠন হবে।

বর্তমানে দৃশ্যমান বাস্তবতা হল — টিভিকে প্রধান বিজয় নিজের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছেন তাদের প্রতি যারা বিপর্যয়ের সময় পাশে দাঁড়িয়েছে। রাজনীতিকরা বলছেন, আগামী কয়েক মাস রাজনীতির কণ্ঠস্বর বদলে দিতে পারে; তবে ভোটের মাঠে চূড়ান্ত ফল নির্ভর করবে জোট, কৌশল ও জনগণের মনোভাবের ওপর।

রিপোর্টিং নোট: এই প্রতিবেদনটি স্থানীয় সূত্র ও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষণের উপর ভিত্তি করে তৈরি। ঘটনাবলি ও সূত্র সংশোধন করলে আপডেট দেয়া হবে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

অসম-নাগাল্যান্ড সীমান্তে উত্তেজনা: জালাল বস্তিতে ৯৩টি পরিবারের বাড়ি পুড়ল

অসম-নাগাল্যান্ড সীমান্তে উত্তেজনা: জালাল বস্তিতে ৯৩টি পরিবারের বাড়ি পুড়ল

অসম-নাগাল্যান্ড সীমান্তে উত্তেজনা: জালাল বস্তিতে ৯৩টি পরিবারের বাড়ি পুড়ল

🗓️ প্রকাশিত: ৫ অক্টোবর ২০২৫ | ✍️ ডিজিটাল ডেস্ক, Y বাংলা

অসম-নাগাল্যান্ড সীমান্তে অগ্নিসংযোগ

অসম-নাগাল্যান্ড সীমান্তে ফের একবার অশান্তি। বৃহস্পতিবার রাতে সীমান্তবর্তী জালাল বস্তি এলাকায় ব্যাপক অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। বহু ঘরবাড়ি পুড়ে গিয়েছে, আতঙ্কে রাতভর পালিয়ে বেড়িয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

অসম সরকারের দাবি, নাগা দুষ্কৃতীরা গুলি চালিয়ে গ্রামে হানা দেয় এবং ইন্ধন জোগায় আগুনে। কিন্তু নাগাল্যান্ড সরকার জানাল, জালাল বস্তি আসলে তাদেরই নিউল্যান্ড জেলার অন্তর্গত। নাগাল্যান্ড প্রশাসনের বক্তব্য, “অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতীদের হামলায় ১০৫টি পরিবারের মধ্যে ৯৩টি পরিবারের ঘরবাড়ি পুড়ে গেছে।”

স্থানীয় প্রশাসনের দাবি, ১৯৮৪ সালে জালাল নামে এক ব্যক্তি অসম সরকারের সহায়তায় কৃষিকাজের জন্য এই এলাকায় বসতি স্থাপন করেন। ১৯৮৭ সালের দিকে তিনি ওই জমির মালিকানা দাবি করেন, যা নিয়েই আজও দুই রাজ্যের মধ্যে বিরোধ চলছে।

স্থানীয় মানুষদের অভিযোগ, সম্প্রতি অসম সরকার গিলাজান ও রাজা পুখুরি এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান চালানোর পর অনেক বাস্তুচ্যুত পরিবার জালাল বস্তিতে আশ্রয় নেয়। উচ্ছেদের আগে যেখানে মাত্র ৩০-৪০টি পরিবার ছিল, সেখানে এখন সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১০৫টি।

প্রশাসনের বক্তব্য:

জালাল বস্তির বিরোধ বহু পুরনো। সীমান্ত নির্ধারণ ও জমি মালিকানা নিয়ে দুই রাজ্যের মধ্যে সমঝোতা না হওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে। নাগাল্যান্ড প্রশাসন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির জন্য ত্রাণের ব্যবস্থা শুরু করেছে বলে জানা গেছে।

অসমের তরফে বলা হয়েছে, রাজ্য সরকার শান্তি ও স্বাভাবিকতা ফিরিয়ে আনতে কেন্দ্রের হস্তক্ষেপ চেয়েছে। অন্যদিকে নাগাল্যান্ডের দাবি, তাদের প্রশাসনিক এলাকায় অসমের বাহিনী ঢুকে পরিস্থিতি জটিল করে তুলছে।

উত্তর-পূর্ব ভারতের দুই প্রতিবেশী রাজ্যের এই পুরনো সীমান্ত বিরোধ আবারও রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

Featured post

Y বাংলা ব্যুরো: ভোটার তালিকা সংশোধনে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডে না নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা সংশোধন (SIR, ২০২৬) প্রক্রিয়ায় ম...

Search This Blog