Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Tuesday, 7 October 2025

বিজেপি নেতাকে গুলি করে খুন, তদন্ত শুরু

ওড়িশার বেরহামপুরে বিজেপি নেতাকে গুলি করে খুন, তদন্ত শুরু
ওড়িশার বেরহামপুরে বিজেপি নেতাকে গুলি করে খুন, তদন্ত শুরু
স্থানীয়দের আতঙ্কের মধ্যে পুলিশ হামলাকারীদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে।

Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক: বাড়ির সামনেই এক বিজেপি নেতাকে গুলি করে খুনের অভিযোগ উঠেছে দুই দুষ্কৃতীর বিরুদ্ধে। সোমবার রাতে চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে ওড়িশার বেরহামপুরে। নিহতের নাম পিতাবাস পান্ডা। ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাত ১০টা নাগাদ বাড়ির বাইরে বেরিয়েছিলেন পিতাবাস। সেই সময় তাকে লক্ষ্য করে দুই দুষ্কৃতী এলোপাথাড়ি গুলি চালায়। হামলাকারীরা একটি মোটরবাইকে করে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছিল। হামলার পর তারা দ্রুত পালিয়ে যায়। গুলির আঘাতে রক্তাক্ত অবস্থায় ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন পিতাবাস। স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে নিকটবর্তী হাসপাতালে ভর্তি করান। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

পিতাবাস ওড়িশা বার কাউন্সিলের সদস্য ছিলেন এবং গেরুয়া শিবিরের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। হত্যার কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে হামলাকারীদের সনাক্ত করতে সক্ষম হয়েছে এবং তাদের খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়েছে।

প্রধান তথ্য:
  • স্থান: বেরহামপুর, ওড়িশা
  • নিহত: পিতাবাস পান্ডা
  • হামলাকারীর সংখ্যা: ২ জন, মোটরবাইক ব্যবহার করে পালিয়েছে
  • পুলিশের অবস্থা: তদন্ত ও তল্লাশি চলছে
  • সিসিটিভি ফুটেজ থেকে হামলাকারী শনাক্তের চেষ্টা

#বিজেপিনেতাখুন #ওড়িশা #বেরহামপুর #গোলাগুলি #পুলিশতদন্ত

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গ: কার্নিভাল নিয়ে প্রশ্ন ও মমতার জবাব

বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গ: কার্নিভাল নিয়ে প্রশ্ন ও মমতার জবাব

বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গ! ভেসে গিয়েছে একাধিক এলাকা। আতঙ্কিত স্থানীয়রা। সুষ্ঠু ভাবে উদ্ধারকার্য এগিয়ে নিয়ে গিয়েছে প্রশাসন। এই আবহে কেন দুর্গা কার্নিভাল বাতিল করা হয়নি। তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছিল বিরোধীরা। এবার তাদের ‘রাজনীতি’র জবাব দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জানালেন, রাজনীতি করেছে বিরোধীরা। কার্নিভাল বাংলার গর্ব। উপস্থিত ছিলেন বিদেশিরা। শেষ মুহূর্তে তা বাতিল করা সম্ভব নয়। তাছাড়া তিনি গেলে উদ্ধারকার্যে প্রভাব পড়ত। পুলিশ ব্যস্ত হয়ে পড়ত তাঁকে নিয়ে। যা মোটেও কাম্য নয়। কারণ দুর্যোগের সময় প্রধান কাজ দুর্গতের পাশে দাঁড়ানো।

গত রবিবার রেড রোডে ছিল দুর্গাপুজোর কার্নিভাল। শনিবার রাতভর প্রবল বর্ষণে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে উত্তরবঙ্গ। রবিবার সকাল থেকে একের পর এক খারাপ খবর আসতে শুরু করে। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন সোমবার তিনি উত্তরবঙ্গে যাবেন। তারপরই বিরোধীরা প্রশ্ন করতে থাকেন, কেন বাতিল করা হল না পুজোর কার্নিভাল?

দু’দিন উত্তরবঙ্গে দুর্গতদের পাশে দাঁড়িয়ে, পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে সেই ‘রাজনীতির’ জবাব দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “কার্নিভাল নিয়ে রাজনীতি করা হচ্ছে। কার্নিভাল বাংলার গর্ব। এতগুলো ক্লাব আশা করেছিল ওদের কোনও মূল্য নেই? ওই দিন সমস্ত অ্যারেজমেন্ট করা হয়ে গিয়েছিল। ইউনিসেফ থেকে অনেক বিদেশিরা ছিলেন। বাতিল করা সম্ভব?” তিনি আরও বলেন, “সেদিন যদি আমরা আসতাম এসে কী করতাম? ভিআইপিকে দেখতে গিয়ে উদ্ধারকার্য ব্যাহত হত না? পুলিশ কাকে সামলাত? ওই সময় প্রধান কাজ কোনটা?”

পাশাপাশি বিজেপিকে নিশানা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মহাকুম্ভের দুর্ঘটনাকে ও বিজেপিশাসিত রাজ্যের বিভিন্ন দুর্যোগে কেন্দ্র এক কথা বলছে ও পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে এক কথা। পালটা প্রশ্ন করেন, “মহাকুম্ভের দুর্ঘটনা কি ডিজাস্টার ঘোষণা করা হয়েছে? আমি কোনও দিন দুর্যোগ নিয়ে রাজনীতি করি না।” বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মুর উপর আক্রমণ নিয়েও মুখ খুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা। তিনি জানিয়েছেন, “দাঙ্গা-বন্যার পর মানুষ অসহায় মানুষ ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। আমিও অনেক খারাপ পরিস্থিতির মুখে পড়েছি। দাঙ্গার সময় হিন্দু এলাকায় গিয়ে দেখিছি ওরা তাড়া করছে। মুসলিম এলাকায় আরও তাড়া করছে। কী করা যাবে।”

প্রকাশক: ফারিয়া ইসলাম

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

ত্রিপুরায় তৃণমূলের কার্যালয়ে ভাঙচুর: বিজেপির বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগ

ত্রিপুরায় তৃণমূলের কার্যালয়ে ভাঙচুর: বিজেপির বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগ

ত্রিপুরায় তৃণমূলের কার্যালয়ে ভাঙচুর: বিজেপির বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগ

[ত্রিপুরা আগরতলা তৃণমূল কার্যালয়ের ছবি/ভিডিও]

ত্রিপুরার আগরতলায় তৃণমূল কংগ্রেসের কার্যালয়ে মঙ্গলবার ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ এসেছে বিজেপির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ফুঁসে উঠেছে বাংলার শাসকদল। সোশ্যাল মিডিয়ায় পদ্মশিবিরকে একহাত নিয়েছে তৃণমূল এবং সাফ জানানো হয়েছে, গণতন্ত্রের উপর এই আঘাত তাঁরা মানবে না।

জানা গেছে, মঙ্গলবার দুষ্কৃতীরা আগরতলার তৃণমূল কার্যালয়ে প্রবেশ করে লাঠি নিয়ে হামলা চালায়। তৃণমূলের পতাকা ও ফ্লেক্স ছিঁড়ে ফেলা হয়। কার্যালয়ের বাইরে ভাঙচুরের চিহ্ন দেখা যায়। অভিযোগ, পুলিশ বাধা দিলেও হামলাকারীদের রুখে দিতে পারেনি।

“সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের ত্রিপুরা কার্যালয়ে বিজেপি-সমর্থিত দুষ্কৃতীদের নৃশংস হামলা কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এটা গণতন্ত্রের উপর সরাসরি আঘাত। ক্ষমতাসীনরা যখন তাদের বিরোধীদের স্তব্ধ করতে হিংসাকে হাতিয়ার করছে, তখন তারা নিজেদের ভয় ও নৈতিক দেউলিয়াকেই প্রকাশ করছে।”

তৃণমূলের দাবি, বিজেপি মুখে ‘গণতন্ত্র বাঁচাও’ বলে, অথচ একের পর এক রাজ্যে তাদের ভিত্তিটাকেই ক্ষতিগ্রস্ত করছে। অফিস ভাঙা, পোস্টার ছিঁড়ে ফেলা বা কর্মীদের ভয় দেখানো হলেও তারা কখনও প্রতিরোধের চেতনাকে মুছে দিতে পারবে না, যা প্রতিটি তৃণমূল কর্মীর মধ্যে জেগে আছে।

এদিন তৃণমূল ঘোষণা করেছে যে তারা চুপ থাকবে না এবং এই ঘটনার প্রতিবাদে আগামিকাল ত্রিপুরায় প্রতিনিধি দল পাঠাচ্ছে। তৃণমূলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, রাজনৈতিক ও সামাজিক অযৌক্তিকতা সামলাতে তারা দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

“এই আক্রমণ আমাদের দমিয়ে রাখতে পারবে না। আমরা পিছিয়ে যাব না, গণতন্ত্রের রক্ষা করতেই আমরা দৃঢ় থাকব।”

#Tripura #TMC #BJP #PoliticalAttack #Agartala
রিপোর্ট: Faria Islam

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

শীর্ষ পুলিশকর্তার মর্মান্তিক পরিণতি — মাথায় গুলি চালিয়ে আত্মঘাতী, বাড়ি থেকে উদ্ধার রক্তাক্ত দেহ

হরিয়ানার ADGP ওয়াই পুরন কুমারের আকস্মিক মৃত্যু: পুলিশ তদন্ত চলছে

চণ্ডীগড়ে বাড়িতে নিজের সার্ভিস রিভলভার দিয়ে গুলি করে আত্মঘাতী হয়েছেন হরিয়ানার ADGP Y পুরন কুমার

স্থান: চণ্ডীগড় — ঘটনা ও তদন্ত সংক্রান্ত প্রাথমিক তথ্য পুলিশের সূত্রে সংগৃহীত।
[ঘটনাস্থলের ছবি/ভিডিও: স্থানীয় পুলিশ সূত্র বা কর্তৃপক্ষের অনুমতি প্রয়োজন]

মঙ্গলবার চণ্ডীগড়ের নিজ বাড়িতে হরিয়ানার অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর জেনারেল অফ পুলিশ (ADGP) Y পুরন কুমার আত্মঘাতী হয়েছেন বলে প্রাথমিক পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

পুলিশের বর্ণনায়, পুরন কুমারের মৃতদেহ আবাসিক বাড়ির বেসমেন্টে পাওয়া গেছে এবং দেহের নিকটেই তাঁর সার্ভিস রিভলভার পড়ে ছিল। প্রাথমিক পর্যায়ে তদন্তে আত্মহত্যার ইঙ্গিত ধরা পড়লেও ঘটনার প্রকৃত কারণ নিরূপণের জন্য পুলিশ প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখছে।

পুলিশের তথ্যানুযায়ী, আত্মহত্যা করার আগে তিনি তাঁর সকল নিরাপত্তা কর্মীদের জায়গা থেকে চলে যেতে বলেন। এরপর বেসমেন্টে গিয়ে একটি চেয়ারে বসে তিনি নিজ সার্ভিস বন্দুক দ্বারা গুলি করেন। বেসমেন্ট শব্দরোধী হওয়ায় আশপাশের লোকজন গুলির শব্দ শুনতে পাননি বলে পুলিশ জানিয়েছে।

প্রাথমিক পুলিশ বিবরণ:
  • দেহের পাশে তাঁর সার্ভিস রিভলভার পাওয়া গেছে।
  • কোনও সুইসাইড নোট উদ্ধার হয়নি।
  • ফোন পেয়ে সেক্টর ১১ থানার ইনচার্জ ও CFSAL (CFSAL/CFSL)-এর একটি টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।
  • পরিবার, বাড়িতে উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ ও নিরাপত্তা কর্মীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

Y পুরন কুমারের স্ত্রী অমনীত পি. কুমার একজন হরিয়ানা ক্যাডারের জ্যেষ্ঠ আইএএস অফিসার; তিনি বর্তমানে মুখ্যমন্ত্রী নায়েব সিং সাইনির নেতৃত্বে জাপান সফরে ছিলেন এবং ঘটনাকালে বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন না বলে জানা গেছে। অমনীত বর্তমানে বেসামরিক বিমান চলাচল ও ভবিষ্য তহবিল বিভাগের কমিশনার-সচিব এবং বৈদেশিক সহযোগিতার অতিরিক্ত দায়িত্বও পালন করে থাকেন।

প্রশাসন ও পুলিশসেবার মধ্যে পুরন কুমার ও অমনীত পি. কুমারকে সম্মানিত দম্পতি হিসেবে বিবেচনা করা হতো; দুজনেই ২০০১ ব্যাচের কর্মকর্তা। তাঁর আকস্মিক মৃত্যু কেবল পুলিশের মধ্যেই নয়, সমগ্র প্রশাসনিক মহলকে শোকজডিত করেছে।

পুলিশ বলছে, ঘটনার কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত তারা সব সম্ভাব্য দিক — মানসিক চাপ, ব্যক্তিগত কারণ, অথবা অন্য কোনও অন্তর্নিহিত বিষয় — খতিয়ে দেখছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত কোনো বহিরাগত তৎপরতা আছে কি না তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

তদন্তের অগ্রগতি:
  1. সেক্টর ১১ থানার ইনচার্জ ও সিএফএসএল দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
  2. বেসমেন্ট ও বাড়ির কক্ষাদি থেকে প্রাথমিক ফরেনসিক নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।
  3. পরিবার ও আবাসিক ভবনের অন্যান্য ব্যক্তিদের সাক্ষ্য নেওয়া হচ্ছে।
  4. চূড়ান্ত রিপোর্টের জন্য তদন্ত অব্যাহত থাকবে; প্রয়োজনে উদ্ধৃতি যোগ করা হবে।

স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশি কর্মকর্তারা বলছেন, জনগণকে অসম্পূর্ণ বা অশ্রুত তথ্য ছড়াতে না এবং তদন্তকার্য শান্তিপূর্ণভাবে চলতে দিতে অনুরোধ করা হয়েছে। ঘটনার দিন ও সময় সম্পর্কিত নির্দিষ্ট বিবরণ ও আনুষঙ্গিক বিবেচ্য বিষয় তদন্তমূলক রিপোর্টে প্রকাশ করা হবে।

Y পুরন কুমারের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে প্রশাসনিক মহল ও সামাজিক গণমাধ্যমে শোক ও উদ্বেগ প্রকাশ করা হচ্ছে। পরিবারের প্রতি শোক ও সমবেদনা জানানো হয়েছে এবং তদন্তের পূর্ণ স্বচ্ছতা বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়ে পুলিশে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

#YPuranKumar #ADGP #Chandigarh #PoliceInvestigation #HaryanaAdministration
রিপোর্ট: Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক | নোট: এই প্রতিবেদনটি প্রাথমিক পুলিশ সূত্র ও স্থানীয় প্রশাসনিক বিবরণীর ওপর ভিত্তি করে তৈরি। তদন্ত চলমান—চূড়ান্ত তথ্য প্রকাশিত হলে আপডেট দেওয়া হবে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

“দিল্লির টিকিট কেটে ফেলুন, ব্যাগ গুছিয়ে রাখুন”— DGP রাজীব কুমারকে সরাসরি হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

হাসপাতালে খগেন মুর্মু — সভ্যতার প্রশ্নে তীব্র রাজনৈতিক তর্ক

হাসপাতালে খগেন মুর্মু: মমতার দেখাসাক্ষাৎ, শুভেন্দুর তোপ — রাজনীতির ছোঁয়া মানবিকতা ঘিরে তীব্র বিতর্ক

[হাসপাতালের ভিডিও/ছবির জন্য সংবাদ সংস্থার ফুটেজের অনুমতি প্রয়োজন]

জলপাইগুড়ির নাগরাকাটা এলাকায় বন্যা–ভূমিধস পরবর্তী ত্রাণ কাজে গেলে বর্ণিত ঘটনায় আক্রান্ত হন বাংলাদেশ থেকে নির্বাচিত এমপি খগেন মুর্মু ও স্থানীয় বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। আহত খগেন মুর্মুকে হাসপাতালে নেওয়ার পর বিকেলে তাকে দেখতে যান রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

মুখ্যমন্ত্রী হাসপাতালের ডাক্তারি রিপোর্ট দেখে জানান যে মুর্মুর অবস্থা আপাতত স্থিতিশীল ও পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। তিনি স্পষ্ট করেন, হাসপাতালে ডাক্তারদের সঙ্গে কথা হয়েছে এবং মুর্মুর ডায়াবেটিস রয়েছে — তাই সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী দ্রুত সুস্থতা কামনা করে হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে আসেন এবং স্থানীয় পরিস্থিতির সার্বিক ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি মনযোগ দেওয়ার নির্দেশ দেন।

“আর এমনি ঠিক আছে। আমি ডাক্তারের রিপোর্ট এবং সবকিছু দেখেছি… আপাতত পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে,” — মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (হাসপাতাল থেকে)।

বিকেলে হাসপাতাল পরিদর্শনের পরে সেখানে হাজির হন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি এমপি খগেন মুর্মু ও বিধায়ক শঙ্কর ঘোষের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে খোঁজখবর নেওয়ার পর পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের বিরুদ্ধে কড়া ভাষায় অভিযোগ করেন এবং ডিজিপি রাজীব কুমারকে লক্ষ্য করে তোপ দাগেন। শুভেন্দু বলেন, “জলপাইগুড়ির এসপি, ডিজিপি রাজীব কুমার দিল্লি যাওয়ার জন্য ব্যাগ গুছিয়ে রাখুন — স্পিকারের ডাক আসবে,” এবং ওই ঘটনার বিরুদ্ধে রক্তের বদলা নেয়ার হোল্লা দেন।

শুভেন্দু আরও বলেন, তিনি এই হামলার বিরুদ্ধে তীব্র ব্যবস্থা চান এবং দাবি করেন যে বর্ণিত ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার প্রয়োজন। তিনি উল্লেখ করেন যে বিষয়টি কেন্দ্রীয় পর্যায়েও পৌঁছেছে এবং নানা তদন্তকারী সংস্থার হস্তক্ষেপ চলছে বলে জানানো হয়েছে।

কেন্দ্রীয় রাজনীতিতেও ঘটনার তীব্র প্রতিক্রিয়া আসে: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই ঘটনাকে ‘মর্মান্তিক এবং নিন্দনীয়’ বলে অভিহিত করে তৃণমূলের বিরুদ্ধে তীব্র ঐক্যবদ্ধ শাস্তির দাবি জানান। মোদী বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সেবায় যাওয়া সরকারি ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিদের ওপর এই আক্রমণ দয়া অনুপম ও উদ্বেগজনক।

“বন্যা ও ধসে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সেবা করতে গিয়ে আমাদের দলের বিধায়ক, সাংসদরা যে নৃশংস আক্রমণের শিকার হয়েছে, তা মর্মান্তিক এবং নিন্দনীয়। ” — প্রধানমন্ত্রী (এক প্রতিক্রিয়ায়)।

প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগড়ে দেন। তিনি বলেন, প্রমাণ-ভিত্তিক তদন্ত কিংবা প্রশাসনিক রিপোর্ট ছাড়া দলের বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ তোলা অযৌক্তিক ও রাজনীতিক। মমতা প্রধানমন্ত্রীকে আহ্বান জানান, রাজ্যের তদন্ত ও পরিস্থিতি খতিয়ে না দেখে রাজনীতি করা উচিত নয়।

ঘটনাটি তত্ত্বাবধানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, কেন্দ্র ও রাজ্য প্রশাসন—সবই বিভিন্ন স্তরে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে এবং স্থানীয় শৃঙ্খলা ও পুনরুদ্ধার কাজে স্বচ্ছতা বজায় রাখার অঙ্গীকার করেছে। এখনও প্রত্যক্ষ অভিযুক্ত ও ঘটনার সূচনাকারী সম্পর্কে তদন্ত চলমান; সুতরাং চূড়ান্ত রিপোর্ট ছাড়া কিছুর উপর পুরোপুরি শেষ সিদ্ধান্ত নেয়া যাচ্ছে না।

এই ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত সকল পক্ষকে সংযত থাকতে এবং শান্তিপূর্ণভাবে তদন্ত-প্রক্রিয়াকে সম্মান জানাতে সংবাদমাধ্যম ও নাগরিকদেরও আহ্বান জানানো হয়েছে। তদন্ত-রিপোর্ট প্রকাশের পরেই ঘটনা নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা ও রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে।

#KhagenMurmu #Jalpaiguri #MamataBanerjee #SuvenduAdhikari #WestBengalPolitics
রিপোর্ট: Faria Islam | সম্পাদনা: Y বাংলা ডিজিটাল |

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

বিহার ভোট: আসন ভাগে অনিশ্চয়তা—BJP-JDU ৫০-৫০ ছকে, ছোট শরিকদের জন্য ৩৮ সিট সংরক্ষিত

বিহার ভোট: আসন ভাগে অনিশ্চয়তা—BJP-JDU ৫০-৫০ ছকে, ছোট শরিকদের জন্য ৩৮ সিট সংরক্ষিত

প্রকাশক : ফারিয়া ইসলাম | Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক | আপডেট: ৭ অক্টোবর ২০২৫

বিহার ভোট: আসন ভাগে অনিশ্চয়তা—BJP-JDU ৫০-৫০ ছকে, ছোট শরিকদের জন্য ৩৮ সিট সংরক্ষিত

বিহার নির্বাচন
নির্বাচন কমিশন ভোট তারিখ ঘোষণা করার পরই জোরদার হয়েছে আসনবণ্টন আলোচনা। (প্রতীকী ছবি)

নির্বাচন কমিশন বিহারের বিধানসভা ভোটের নির্ঘণ্ট জারি করায় রাজ্যের রাজনৈতিক দলগুলো ফের সিরিয়াস মোডে ঢুকে পড়েছে। খবর মিলছে, এনডিএ-র প্রধান দুইদল — বিজেপি ও জেডিইউ — প্রায় সমান হিসেবে (৫০-৫০ শতাংশ) আসন ভাগাভাগির প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা চালাচ্ছে; মোটামুটি ২০৫টি আসন এই দুইদলের মধ্যে ভাগ হয়ে যেতে পারে।

তবে এনডিএ জোটের ছোট শরিকদের কথা মাথায় রেখে মোট ৩৮টি আসন আলাদা রেখে দিলো জোট। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, চিরাগ পাসওয়ানের জনশক্তি পার্টিকে (LJP) প্রাথমিকভাবে ২৫টি সিট দেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে। বাকিটা দুই ছোট শরিক—হিন্দুস্তানি আওয়াম মোর্চা (HAM) ও রাষ্ট্রীয় লোক সমতা পার্টি (RLM) — মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হবে; খবর অনুযায়ী HAM-কে প্রস্তাবিত ৭টি সিট এবং RLM-কে ৬টি সিট দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

কী রয়েছে আলোচ্য তালিকায়:
  • BJP-JDU-র মধ্যে প্রাথমিক সমঝোতা: প্রায় ২০৫ সিট ভাগাভাগি।
  • ছোট শরিকদের জন্য রিজার্ভ: মোট ৩৮ সিট।
  • চরাওচরিত কৌশল: যদি চিরাগের দাবী বাড়ে, অন্যান্য দলের সিট কমে যাওয়ার সম্ভাবনা।

তবে সবকিছু চূড়ান্ত নয়—এখনও NDA-র নেতারা চিরাগ পাশওয়ানের সঙ্গে আলাপ করছেন। LJP নেতা নিজের পছন্দের কেন্দ্রে লড়ার ওপর জোর দিয়ে কিছু আসন বাড়ানোর চেষ্টায় জড়িত; এ ধরনের দরকষাকষি হলে জোটের ভেতরে নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে এবং ছোট পার্টিগুলোর মধ্যে বিবেচনা পুনর্বিবেচনার প্রয়োজন পড়বে।

নতুন পরিস্থিতিতে এনডিএ-র উচ্চপদস্থ নেতারা সতর্ক: যদি ছোট শরিকদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়, তাহলে তাঁদের নবান্নেই সান্ত্বনা হিসেবে রাজ্যসভা বা লেজিসলেটিভ কাউন্সিলের মাধ্যমে সন্তুষ্ট করার উদ্যোগ নেয়া হতে পারে—তারা রাজ্যস্তরের আসন না দিলেও অন্যভাবে পার্টি মনোভাব পাল্টাতে রাজি আছেন।

এই রাজনৈতিক কূটনীতির মাঝেই ভালোই উত্তেজনা দেখা দিয়েছে—বিভিন্ন দল পুরনো সমীকরণ রক্ষার জন্য লড়াই করছে, অপরদিকে নতুন দল ও প্লেয়াররা নিজের প্রভাব বাড়ানোর চেষ্টা চালাচ্ছে। ভোটঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হওয়া এই আসনবণ্টন মহড়া আগামী কয়েক সপ্তাহ রাজ্যের রাজনৈতিক তাপমাত্রাই নির্ধারণ করবে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

উত্তরবঙ্গে প্রাকৃতিক বিপর্যয়: মমতা মিরিকে ত্রাণ শিবির পরিদর্শন

উত্তরবঙ্গে প্রাকৃতিক বিপর্যয়: মমতা মিরিকে ত্রাণ শিবির পরিদর্শন

প্রকাশক : ফারিয়া ইসলাম | Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক | আপডেট: ৭ অক্টোবর ২০২৫

মমতা মিরিকে ত্রাণশিবির পরিদর্শনে — ভাঙা দুধিয়া ব্রিজ মেরামত ও পথ পুনরুদ্ধারে ১৫ দিন সময়

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মিরিকে ত্রাণশিবির পরিদর্শন
মিরিকের দুধিয়া ত্রাণশিবিরে অবস্থানরত দুর্গতদের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী। (ফাইল ছবি/প্রতীকী)

উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি অংশ গত কয়েক দিনের প্রবল বর্ষণ ও ভূমিধসে ভয়াবহ আঘাত পেয়েছে। সড়কপথ ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উপর তাৎপর্যপূর্ণ ধাক্কা লাগায় একাধিক গ্রাম-গঞ্জ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। সোমবার নাগরকাটা পরিদর্শন শেষে মঙ্গলবার মিরিকের দুধিয়া ত্রাণশিবিরে পৌঁছান রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি সরেজমিনে দুর্গতদের সাথে কথা বলে পরিস্থিতির ত্বরিত নিপটারে নির্দেশনা দেন।

মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশনা (সংক্ষিপ্ত):
  • ধসে ভেঙে যাওয়া রাস্তাগুলির মেরামত অগ্রাধিকার ভিত্তিতে করা হবে — সময়সীমা: ১৫ দিন।
  • দুধিয়া ব্রিজ দ্রুত সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে যাতে পাহাড়ের জনসাধারণ পুনরায় সংযুক্ত হতে পারে।
  • ত্রাণশিবিরে থাকা লোকদের জন্য কমিউনিটি কিচেন এক মাস পর্যন্ত চালুর নির্দেশ।
  • শোকাহত পরিবারগুলিকে আর্থিক ও মানবিক সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি।

মুখ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, "মানুষের নিরাপত্তা ও জীবিকার ব্যাপারে এখানে কোনও আপস করা যাবে না। আমাদের প্রথম কাজ হবে দুর্গতদের নিরাপদ আশ্রয়, খাবার ও চিকিৎসা নিশ্চিত করা।" তিনি প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের ধসে ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তাগুলো দ্রুত মেরামত করার জন্য ১৫ দিন সময় বেঁধে দিয়েছেন এবং পুনর্বাসন কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার নির্দেশ দিয়েছেন।

দুধিয়া ব্রিজ ভেঙে পড়ায় মিরিক-দার্জিলিং সংযোগে বিঘ্ন ঘটেছে। সরকারি অভ্যন্তরীণ সূত্র বলছে, অস্থায়ী বিপণন ও জরুরি পরিষেবা স্বাভাবিক করার জন্য মডিউলার বা অস্থায়ী ব্রিজ নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়েছে রাজ্য। পাশাপাশি, তাঁরা স্থানীয়ভাবে কাজের ব্যবস্থা করে দ্রুত পথ মেরামতের উদ্যোগ গ্রহন করবে।

ত্রাণশিবিরে আশ্রয় নেওয়া বহু মানুষের সঙ্গে কথা বলে মুখ্যমন্ত্রী তাদের আর্থ-সামাজিক সমস্যাগুলোও শোনেন এবং মৃতদের পরিবারকে সান্ত্বনার কথা বলেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ব্যক্তিগতভাবে কিছু পরিবারকে ত্রাণসামগ্রী ও আর্থিক সহায়তা সাময়িকভাবে তুলে দেন বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হচ্ছে, চিকিৎসা ও খাদ্যসামগ্রীর বানিজ্যিক সরবরাহ নিশ্চিত করা হচ্ছে এবং ভূমিধসের আশঙ্কা περιοক্ষণের জন্য জরুরি নদী-নালার দিকে নজর রাখা হচ্ছে। ভবিষ্যতে পুনর্বাসন ও পুনর্গঠনের জন্য একটি বিস্তৃত পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হবে।

উত্তরবঙ্গে এ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে দ্রুত সহায়তা এবং অবকাঠামো পুনরুদ্ধার না হলে জনজীবনে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়তে পারে — এমনটাই আশঙ্কা স্থানীয়দের। সরকারের তৎপরতা এখনই প্রয়োজন যেন দ্রুত সাধারণ জীবনযাত্রা স্বাভাবিক করা যায়।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

নাগরাকাটা: ত্রাণ দিতে গিয়ে আহত বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ ও সাংসদ খগেন মুর্মু — রাজনীতি উত্তপ্ত

নাগরাকাটা: ত্রাণ দিতে গিয়ে আহত বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ ও সাংসদ খগেন মুর্মু — রাজনীতি উত্তপ্ত

নাগরাকাটা: ত্রাণ দিতে গিয়ে আহত বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ ও সাংসদ খগেন মুর্মু — রাজনীতি উত্তপ্ত

আপডেট: ৭ অক্টোবর ২০২৫ | রিপোর্ট: Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক, নাগরাকাটা (জলপাইগুড়ি)

জলবিধ্বস্ত নাগরাকাটায় ত্রাণ বিতরণ করতে গিয়ে বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ ও সাংসদ খগেন মুর্মু আক্রান্ত হন; ঘটনার ভিডিও ও রক্তাক্ত চিত্র রাজ্য-জাতীয় ভাবে তোলপাড় সৃষ্টি করেছে।

[ছবির জায়গা — ঘটনা স্থান/আক্রমণের দৃশ্য]

সোমবার সকাল থেকেই জলপাইগুড়ি জেলা জুড়ে ত্রাণ ও উদ্ধারকাজে নামেন বিভিন্ন দল-কর্মী। নাগরাকাটার বামনডাঙা এলাকায় বাম থেকে রাম পর্যন্ত বিভিন্ন রাজনৈতিক পরিচয়ের লোকজন কাজে নেমে পড়েছিলেন। অভিযোগ, ত্রাণ বিতরণ শেষে ঘটনাস্থল থেকে বের হওয়ার সময় একটি অংশ মানুষ হঠাৎ করে বিজেপি প্রতিনিধিদলকে ঘিরে বিক্ষোভ শুরু করে। ইভেন্টে লাঠি ও ইর্শাদসহ ব্যাপক তর্ক-বিতর্কের পর্যবসানে বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ ও সাংসদ খগেন মুর্মুকে লক্ষ্য করে আক্রমণ চালানো হয় বলে স্থানীয়রা দাবি করেছেন।

আঘাত ও চিকিৎসা: অভিযুক্ত হামলায় খগেন মুর্মুর মাথা থেকে প্রচণ্ড রক্তপাত দেখা যায়, শঙ্কর ঘোষও গুরুতরভাবে আহত হন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং একাংশকে উন্নত চিকিৎসার জন্য স্থানান্তর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ঘটনাটি দ্রুত রাজ্য রাজনীতিতে স্রোত সৃষ্টি করে। দলমত নির্বিশেষে অনেকেই এই আক্রমণের নিন্দা করেছেন, তবে রাজনৈতিক দায়মুক্তির লড়াইও শুরু হয়েছে—বিজেপি তৃণমূলকে অভিযুক্ত করলে তৃণমূলের পক্ষ থেকে অভিযোগ রয়েছে যে বড় রাজনৈতিক কনভয় আঞ্চলিক শান্তি ভেঙে দিয়েছে এবং স্থানীয়দের ক্ষোভে এই হামলা সংঘটিত হয়েছে।

রাজ্য ও কেন্দ্রীয় নেতারা ঘটনায় সরাসরি প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন; প্রধানমন্ত্রী ঘটনাটিকে কাঠগড়ায় তুলে নিন্দা প্রকাশ করেন, আর মুখ্যমন্ত্রীর পক্ষ থেকে শান্তি বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে এবং ঘটনা নিয়ে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, ঘটনার পরে কড়া অনলাইন-প্রতিক্রিয়া এবং আঞ্চলিক ব্যাখ্যার জেরে বিষয়টি দ্রুত সর্বভারতীয় রাজনীতির শিরোনামে উঠে এসেছে। বিশেষত যেখানে নির্বাচনী অঞ্চলে জনপ্রতিনিধিদের মাঠে সক্রিয়তা ও জনসংযোগ নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন প্রতিপক্ষ—সেটি এই বিতর্ককে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

এদিকে নাগরিক ও স্থানীয় সংগঠনগুলো আহতদের সুরক্ষা ও রোগ-চিকিৎসার দাবি তুলেছে এবং দ্রুত, নিরপেক্ষ তদন্তের অনুরোধ করেছে। পুলিশের তৎপরতা ও তদন্তের ফলাফলের ওপর এখন সমস্ত পক্ষের নজর থাকছে।

সম্পাদকীয় নোট: প্রতিবেদনটি স্থানীয় সূত্র, হাসপাতাল সূত্র ও ঘটনাস্থল কারো সাম্প্রতিক ভিডিওর ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে; সংবেদনশীল তথ্য সংরক্ষণী করা হয়েছে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

তালিবান বিদেশমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকির ভারত সফর ঘিরে কূটনৈতিক চাঞ্চল্য

তালিবান বিদেশমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকির ভারত সফর ঘিরে কূটনৈতিক চাঞ্চল্য

তালিবান বিদেশমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকির ভারত সফর ঘিরে কূটনৈতিক চাঞ্চল্য

আপডেট: ৭ অক্টোবর ২০২৫ | রিপোর্ট: Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক

অপারেশন সিঁদুরের সময় কাবুল সফরে গিয়েছিলেন ভারতের প্রতিনিধি আনন্দ প্রকাশ। এবার পাকিস্তানের চাপ বাড়িয়ে ভারতে আসতে চলেছেন আফগানিস্তানের বিদেশমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি।

[ছবির স্থান — আমির খান মুত্তাকি / ভারত-আফগান পতাকা]

সবকিছু ঠিক থাকলে চলতি মাসেই ভারতে আসছেন তালিবান বিদেশমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি। তাঁর এই সফরকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে তীব্র কূটনৈতিক চাপানউতোর। আন্তর্জাতিক মহলে জোর জল্পনা, এই সফরেই হয়তো ভারত তালিবান সরকারকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিতে পারে।

জাতিসংঘের আরোপিত নিষেধাজ্ঞার কারণে এতদিন মুত্তাকির বিদেশ ভ্রমণ সম্ভব ছিল না। সম্প্রতি রাষ্ট্রসংঘ সেই আংশিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করায় পথ খুলেছে। আফগান পররাষ্ট্র মন্ত্রক জানিয়েছে, আগামী ৭ অক্টোবর মস্কো সামিটে যোগ দেবেন মুত্তাকি, যেখানে ভারত, চিন, ইরান ও মধ্য এশিয়ার দেশগুলির প্রতিনিধিরাও থাকবেন। সেই বৈঠক শেষে তিনি নয়াদিল্লির উদ্দেশে রওনা দেবেন বলে নিশ্চিত সূত্রে জানা গিয়েছে। অনুমান, ৯ থেকে ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত তিনি ভারতে অবস্থান করবেন।

প্রথমবার তালিবান মন্ত্রীর ভারত সফর:

২০২১ সালে আফগানিস্তানে তালিবান পুনরায় ক্ষমতায় আসার পর এই প্রথম কোনও তালিবান মন্ত্রী ভারতের মাটিতে পা রাখতে চলেছেন। এখন পর্যন্ত রাশিয়াই একমাত্র দেশ যারা আনুষ্ঠানিকভাবে তালিবান সরকারকে স্বীকৃতি দিয়েছে।

ভারত এখনো তালিবানকে স্বীকৃতি না দিলেও, দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ বজায় রয়েছে। ভারত আফগানিস্তানে মানবিক সাহায্য ও খাদ্য সরবরাহ অব্যাহত রেখেছে। কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পরিবর্তিত ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নয়াদিল্লি হয়তো নতুন কৌশলে তালিবানের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের পথে এগোচ্ছে।

ওয়াকিবহাল মহলের মতে, পাকিস্তান বর্তমানে আমেরিকা ও চিনের দ্বৈত সমর্থনে ভারতের উপর চাপ বাড়াতে চাইছে। এই অবস্থায় ইসলামাবাদের প্রতিদ্বন্দ্বী তালিবানের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলা ভারতের জন্য কৌশলগত সুবিধা এনে দিতে পারে। বিশেষত, সাম্প্রতিক পহেলগাঁও সন্ত্রাসের ঘটনায় ভারতের পাশে দাঁড়িয়ে তালিবান সরকার যে অবস্থান নিয়েছিল, সেটিই এই সম্ভাবনাকে জোরদার করছে।

সূত্রের খবর, আফগান পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকির সফরে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকরের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হবে। সেই বৈঠকে আঞ্চলিক নিরাপত্তা, মানবিক সহায়তা এবং কূটনৈতিক স্বীকৃতির প্রশ্নে আলোচনা হতে পারে বলে ধারণা।

আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, মুত্তাকির ভারত সফর শুধু প্রতীকী নয়, বরং দক্ষিণ এশিয়ার কূটনৈতিক ভারসাম্যে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত বহন করছে। এবার নজর থাকবে—ভারত কি সত্যিই তালিবান সরকারকে স্বীকৃতি দেয় কি না।

📰 সূত্র: Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো | সম্পাদকীয় মন্তব্য: এই প্রতিবেদনটি আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা ও সরকারি সূত্রের ভিত্তিতে প্রস্তুত।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

বন্যা বিধ্বস্ত নাগরাকাটায় বিজেপি সাংসদ- বিধায়ক আক্রান্ত, উত্তপ্ত উত্তরবঙ্গের রাজনীতি

Y বাংলা নিউজ ডেস্ক রিপোর্ট :বন্যা বিধ্বস্ত নাগরাকাটা পরিদর্শনে গিয়ে গুরুতরভাবে আক্রান্ত হয়েছেন মালদহ উত্তরের বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু এবং শিলিগুড়ির বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। সোমবার ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়ায়। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, বন্যা দুর্গত এলাকার ক্ষয়ক্ষতি দেখতে গিয়ে হঠাৎই একদল দুষ্কৃতী তাঁদের উপর হামলা চালায়। আহত অবস্থায় খগেন মুর্মুকে শিলিগুড়ির একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি আইসিইউতে চিকিৎসাধীন। চিকিৎসক সূত্রে জানা গেছে, সাংসদের চোখের নিচের হাড় ভেঙে গেছে এবং অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হতে পারে।

দার্জিলিংয়ের বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্ত জানিয়েছেন, “খগেন মুর্মুর চোখের নিচে আঘাত আছে, তবে এখনও তাঁকে দিল্লি বা অন্যত্র স্থানান্তরের কোনও পরিকল্পনা নেই।” ফলে শিলিগুড়িতেই তাঁর অস্ত্রোপচার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে বিধায়ক শঙ্কর ঘোষও একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।

এদিকে, প্রকাশ্যে ঘটে যাওয়া এই হামলার ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকেই গ্রেপ্তার করা যায়নি। তবে পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে, হামলাকারীদের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট করে আটজনের নামে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। বিরোধী দলনেতা সুবেন্দু অধিকারী হামলাকারীদের ছবি প্রকাশ করে রাজ্য প্রশাসনের তীব্র সমালোচনা করেছেন এবং বলেছেন, “এটি পরিকল্পিত আক্রমণ, এর বিচার আমরা রাস্তায় নেমে আদায় করব।” বিজেপি নেতৃত্ব জানিয়েছে, যদি দ্রুত গ্রেপ্তার না হয়, তাহলে রাজ্যজুড়ে বৃহত্তর আন্দোলনে নামবে দলটি।

অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ হামলার নিন্দা করলেও বিজেপির ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি ফেসবুকে লেখেন, “খগেন মুর্মু, শঙ্কর ঘোষের উপর হামলার নিন্দা করছি। কিন্তু ক্ষোভ প্রকাশের এভাবে হওয়া উচিত নয়। তবে বিজেপিকেও মনে রাখতে হবে, তাদের নেতারাই একশো দিনের কাজের টাকা ও আবাস প্রকল্পের অর্থ আটকে রেখেছিল।” তিনি আরও বলেন, “বিজেপি বাংলার ভাষা ও সংস্কৃতিকে অপমান করছে। বন্যা দুর্গত এলাকায় ফটোসেশন করতে যাওয়া মানুষকে প্ররোচনা বলেই গণ্য করা উচিত।”।

এদিকে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইতিমধ্যেই প্রশাসনকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, “কেউ কোথাও যেতে চাইলে যেতে পারে, কিন্তু কোনও প্ররোচনায় যেন কেউ পা না দেন।”।

বর্তমানে পুলিশ তদন্তে নেমেছে, তবে ঘটনার রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া উত্তরবঙ্গের রাজনীতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

Featured post

Y বাংলা ব্যুরো: ভোটার তালিকা সংশোধনে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডে না নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা সংশোধন (SIR, ২০২৬) প্রক্রিয়ায় ম...

Search This Blog