Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Wednesday, 8 October 2025

উত্তরবঙ্গের বন্যা মোকাবিলায় জীবনদূত হিসেবে দাঁড়ালেন ডাঃ ইরফান মোল্লা

উত্তরবঙ্গের বন্যা মোকাবিলায় জীবনদূত হিসেবে দাঁড়ালেন ডাঃ ইরফান মোল্লা

উত্তরবঙ্গের বন্যা মোকাবিলায় জীবনদূত হিসেবে দাঁড়ালেন ডাঃ ইরফান মোল্লা

ডাঃ ইরফান মোল্লা উদ্ধার কাজে নেমেছেন

ডিজিটাল ডেস্ক: জল ঢুকছে গ্রাম-গঞ্জে, ভেসে যাচ্ছে একের পর এক মানুষ। বিপর্যস্ত এলাকার মানুষদের জীবন বাঁচাতে, নাগরাকাটা সহ জলপাইগুড়ির একাধিক অঞ্চলে তৎপর হয়েছেন চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী এবং আশাকর্মীরা। এই পরিস্থিতিতে সামাজিক মাধ্যমে আলোচিত হয়েছে উত্তরবঙ্গের ডাক্তার ডাঃ ইরফান মোল্লার সাহসিকতা।

ডাঃ ইরফান মোল্লা, যিনি নাগরাকাটা ব্লকের স্বাস্থ্য আধিকারিক (BMOH), জিপ লাইনের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় পৌঁছে জরুরি চিকিৎসা সেবা প্রদান করেছেন। সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, তিনি সকাল থেকে রাত অবধি প্রাথমিক চিকিৎসা ও জরুরি সহায়তা প্রদান করছেন। বর্ধমানের মেধাবী এই ছেলে নিয়ে নেটদুনিয়া প্রশংসায় পঞ্চমুখ। অনেকেই তাঁকে ঈশ্বরের সঙ্গে তুলনা করছেন।

ডাঃ ইরফান মোল্লার বক্তব্য: “৫ অক্টোবর রাত থেকে জল ঢোকার খবর পাওয়া যায়। বিভিন্ন এলাকার অবস্থা ভয়াবহ। প্রাথমিক চিকিৎসা শুরু করি এবং নিজেও দুর্গত মানুষের কাছে পৌঁছাই। জিপ লাইনের মাধ্যমে বামনডাঙা পেরিয়েছি। ভয় ছিল না, লক্ষ্য একটাই— মানুষ বাঁচানো।”

ডাক্তার ইরফান বলেন, “এলাকায় পৌঁছে দেখি ছোট বাচ্চা জলের মধ্যে ভেসে গেছে। মা নিজে কিছু করতে পারেননি। অনেক প্রসূতির চিকিৎসা এবং জরুরি মেডিকেল সেবা নিশ্চিত করতে হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা একান্ত প্রয়োজন। আমরা যতটা সম্ভব চেষ্টা করছি। এখন পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়েছে।”

ডাঃ ইরফান মোল্লা ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সেই থেকে তিনি নিয়মিতভাবে দুর্গত এলাকায় চিকিৎসা সেবা ও জরুরি সাহায্য পৌঁছে দিচ্ছেন। বন্যার সময় তাঁর সাহসিকতা এবং তৎপরতা মানুষের জীবন বাঁচাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

ডাক্তার হিসেবে মানুষের পাশে দাঁড়ানো তাঁর মূল লক্ষ্য। নিজের জীবনকে ঝুঁকিতে ফেলে কাজ করার এই অভিজ্ঞতা ডাঃ ইরফানকে আরও শক্তিশালী এবং সমাজের জন্য উদাহরণ স্থাপন করেছে।

পরিবারও তাঁর এই সাহসিক কাজে গর্বিত। ডাঃ ইরফান জানান, “বাবা-মা প্রথমে কিছুটা চিন্তিত ছিলেন। কিন্তু পরে তাঁরা বললেন, ভালোভাবে কাজ করো, মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। এই সমর্থন আমাকে আরও সাহস যোগিয়েছে।

ডাঃ ইরফানের তৎপরতায় বহু মানুষের জীবন বেঁচেছে। তিনি শুধু চিকিৎসক নন, বরং বিপর্যস্ত এলাকায় জীবনদূতের ভূমিকায় দাঁড়িয়েছেন। এই ঘটনা আরও প্রমাণ করে যে, মানুষের জন্য নিঃস্বার্থভাবে কাজ করা কতটা গুরুত্বপূর্ণ এবং বিপদকালীন পরিস্থিতিতেও সাহসিকতা ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি অপরিহার্য।

প্রকাশক: ফারিয়া ইসলাম | Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো
আপডেট: ৮ অক্টোবর ২০২৫

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের বাড়ন্ত প্রতিরক্ষা খরচে উদ্বিগ্ন নয়াদিল্লি

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের বাড়ন্ত প্রতিরক্ষা খরচে উদ্বিগ্ন নয়াদিল্লি

Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের বাড়ন্ত প্রতিরক্ষা খরচে উদ্বিগ্ন নয়াদিল্লি

প্রকাশক: মহিবুল রহমান শেখ | আপডেট: ৮ অক্টোবর ২০২৫

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা চুক্তি

দক্ষিণ এশিয়ার আকাশে ফের উত্তেজনা বাড়ছে। প্রতিবেশী দুই দেশ—বাংলাদেশপাকিস্তান—এখন নতুন করে সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করছে। একদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি করছে ইসলামাবাদ, অন্যদিকে চিনের কাছ থেকে যুদ্ধবিমান কিনছে ঢাকা। ফলে কূটনৈতিক মহলে জল্পনা—ভারতের জন্য কি নতুন করে চ্যালেঞ্জ তৈরি হচ্ছে?

মূল চুক্তি: পাকিস্তান যুক্তরাষ্ট্রের সংস্থা রেথিয়ন-এর সঙ্গে ২.৫ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি করেছে। এর আওতায় AIM-120C8 এবং D3 সংস্করণের AMRAAM মিসাইল সরবরাহ করা হবে।

এছাড়াও পাকিস্তান তাদের F-16 যুদ্ধবিমান আপগ্রেড করার পরিকল্পনা নিয়েছে। সামরিক বিশেষজ্ঞদের দাবি, এই মিসাইল সিস্টেম ভারতীয় বায়ুসেনার জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে।

অন্যদিকে, বাংলাদেশের পক্ষ থেকেও বড় পদক্ষেপ এসেছে। তারা চিনের কাছ থেকে J-10CE যুদ্ধবিমান কেনার জন্য ২.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের চুক্তি করেছে। চুক্তির আওতায় শুধু বিমান নয়, প্রশিক্ষণ, রক্ষণাবেক্ষণ এবং অন্যান্য প্রযুক্তিগত সহায়তাও দেবে চিন।

এই দুই প্রতিবেশী দেশের সামরিক শক্তিবৃদ্ধি নিয়ে ভারতের কূটনৈতিক ও প্রতিরক্ষা দফতরে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। যদিও নয়াদিল্লি নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে তৎপর। ভারতের তরফে রাশিয়ার সঙ্গে ‘SU-57E’ নামের অত্যাধুনিক স্টেলথ যুদ্ধবিমান কেনার বিষয়ে আলোচনা চলছে।

রাশিয়া নাকি এই প্রকল্পে ভারতের হাতে ১০০ শতাংশ প্রযুক্তি হস্তান্তরের প্রস্তাব দিয়েছে। ফলে ভারত ভবিষ্যতে নিজেদের প্রয়োজনে এই বিমানকে আরও উন্নত করতে পারবে।

এখানেই শেষ নয়—ভারত S-400 এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম-এর আরও পাঁচটি ইউনিট কেনার কথাও বিবেচনা করছে। প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, এতে ভারতের আকাশপথ আরও সুরক্ষিত হবে এবং পাকিস্তান-বাংলাদেশের সামরিক উদ্যোগে তেমন প্রভাব ফেলবে না।

বিশেষজ্ঞ মত: “পাকিস্তান ও বাংলাদেশের সামরিক বিনিয়োগ আঞ্চলিক ভারসাম্যকে নাড়া দিতে পারে, তবে ভারতের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বহু গুণ এগিয়ে,”—মন্তব্য আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের।
© ২০২৫ Y বাংলা ডিজিটাল | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

উত্তরবঙ্গের পাশে টলিউড: দেব-প্রসেনজিৎদের উদ্যোগে ত্রাণ তহবিল গঠন

উত্তরবঙ্গের পাশে টলিউড: দেব-প্রসেনজিৎদের উদ্যোগে ত্রাণ তহবিল গঠন

উত্তরবঙ্গের পাশে টলিউড: দেব-প্রসেনজিৎদের উদ্যোগে ত্রাণ তহবিল গঠন

উত্তরবঙ্গের ত্রাণে টলিউড তারকারা
উত্তরবঙ্গের বন্যা দুর্গতদের পাশে দেব, প্রসেনজিৎ, ঋতুপর্ণারা
প্রকাশক: সালমা মন্ডল | তারিখ: ৮ অক্টোবর ২০২৫ | উৎস: Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো

একদিকে উত্তরবঙ্গের ভয়াবহ বন্যা বিপর্যয়, অন্যদিকে দুর্গাপুজোর কার্নিভাল নিয়ে বিতর্কে উত্তাল রাজ্য। এই আবহেই মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করল টলিউড। বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির তারকারা একজোট হয়ে এগিয়ে এলেন বন্যা দুর্গত মানুষের পাশে। দেব, প্রসেনজিৎ, ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, রুক্মিণী মৈত্র সহ বহু তারকা সোশ্যাল মিডিয়ায় আহ্বান জানিয়েছেন উত্তরবঙ্গের পাশে দাঁড়াতে।

বাংলা ছবির সঙ্গে উত্তরবঙ্গের পাহাড়-নদীর সম্পর্ক বহুদিনের। অসংখ্য সিনেমার শ্যুটিং হয়েছে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার ও কালিম্পংয়ে। তাই এই পাহাড়ের কান্না আজ টলিউডেরও কান্না। সেই অনুভব থেকেই মঙ্গলবার টলিউডের পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হয় সাহায্য তহবিল গঠনের।

প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় ও ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত এক যৌথ পোস্টে লিখেছেন, “সিনেমা শুধু বিনোদন নয়, ভরসাও দিতে পারে। আমরা হয়তো দূরে আছি, কিন্তু মন রয়েছে আপনাদের সঙ্গেই। উত্তরবঙ্গের সাহসই আমাদের শক্তি।”

রুক্মিণী মৈত্র নিজের নতুন সিনেমার টিজার লঞ্চ বাতিল করেছেন বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গের কথা মাথায় রেখে। অপরদিকে সাংসদ-অভিনেতা দেব আলাদা করে পাহাড়ে ত্রাণ সামগ্রী পাঠানোর ব্যবস্থা করেছেন। তিনি নিজেই সেই ছবি শেয়ার করেছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়।

জানা গিয়েছে, টলিউডের অভিনেতা, কলাকুশলী ও প্রযোজকরা মিলে ইতিমধ্যেই প্রায় ২০ লক্ষ টাকা সংগ্রহ করেছেন। এই অর্থ মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে তুলে দেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

তথ্যবক্স:
🔹 সংগৃহীত ত্রাণের পরিমাণ: প্রায় ২০ লক্ষ টাকা
🔹 উদ্যোগ নিয়েছেন: দেব, প্রসেনজিৎ, ঋতুপর্ণা, রুক্মিণী প্রমুখ
🔹 লক্ষ্য: মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল ও পাহাড়ে সরাসরি সাহায্য
🔹 আহ্বান: “উত্তরবঙ্গের মানুষ আমাদের সিনেমার প্রাণ” – টলিউড তারকাদের বার্তা

উল্লেখ্য, রবিবার কার্নিভালে অংশ নেওয়ায় সোশ্যাল মিডিয়ায় তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন বহু তারকা। নেটিজেনদের একাংশের অভিযোগ ছিল— “উত্তরবঙ্গ ভাসছে, আর টলিউড নাচছে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে।” সেই বিতর্কের পরই মানবিক উদ্যোগে একত্র হলেন তারকারা।

প্রকৃতির রুদ্ররোষে তছনছ হয়ে গিয়েছে উত্তরবঙ্গ। লাগাতার বৃষ্টিতে ভুটান পাহাড় থেকে নেমে আসা জলে প্লাবিত আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার ও জলপাইগুড়ি জেলার বিস্তীর্ণ অঞ্চল। বহু মানুষ নিখোঁজ ও গৃহহীন। এমন পরিস্থিতিতে বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির এই উদ্যোগ আশার আলো হয়ে উঠেছে দুর্গত মানুষদের জন্য।

© ২০২৫ Y বাংলা ডিজিটাল | প্রতিবেদন: সালমা মন্ডল | সম্পাদনা: Y বাংলা নিউজ ডেস্ক

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

নাগরাকাটায় হামলার পর ত্রিপুরায় তৃণমূল দফতরে আক্রমণ, তদন্তে যাচ্ছেন ৬ সদস্যের প্রতিনিধি দল

নাগরাকাটায় হামলার পর ত্রিপুরায় তৃণমূল দফতরে আক্রমণ, তদন্তে যাচ্ছেন ৬ সদস্যের প্রতিনিধি দল
ত্রিপুরায় তৃণমূল দফতরে হামলা
ত্রিপুরায় তৃণমূল দফতরে হামলার পর রাজ্য রাজনীতিতে তোলপাড়।

নাগরাকাটায় হামলার পর ত্রিপুরায় তৃণমূল দফতরে আক্রমণ, তদন্তে যাচ্ছেন ৬ সদস্যের প্রতিনিধি দল

Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক: উত্তরবঙ্গের দুর্যোগের পর থেকেই রাজনৈতিক অস্থিরতা চরমে। বিজেপি ও তৃণমূলের মধ্যে চলতে থাকা বাকবিতণ্ডা নাগরাকাটায় গিয়ে রূপ নেয় সহিংসতায়। সেখানে গিয়ে আক্রান্ত হন বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু ও বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। অভিযোগ, এই হামলার পেছনে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই রয়েছে।

যখন এই ঘটনায় গোটা বঙ্গ রাজনীতি তোলপাড়, ঠিক তখনই নতুন অভিযোগ উঠেছে ত্রিপুরা থেকে। সেখানে তৃণমূল কংগ্রেসের সদর দফতরে হামলা চালিয়েছে বিজেপি কর্মীরা—এমনই দাবি তৃণমূলের। ঘটনায় তৎপর হয়েছে রাজ্য তৃণমূল নেতৃত্ব।

তথ্যবক্স:

পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে আগরতলায় যাচ্ছেন ৬ সদস্যের প্রতিনিধি দল—কুণাল ঘোষ, প্রতিমা মণ্ডল, সায়নী ঘোষ, বীরবাহা হাঁসদা, সুস্মিতা দেবসুদীপ রাহা

কুণাল ঘোষের বক্তব্য

যাত্রার আগে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কুণাল ঘোষ বলেন, “আমরা আগরতলা যাচ্ছি। নাগরাকাটার ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রী নিন্দা জানিয়েছেন। তৃণমূলের সঙ্গে এর কোনও সম্পর্ক নেই। কিন্তু বিজেপিকে ভাবতে হবে, কেন মানুষ ক্ষেপে উঠছে! ১০০ দিনের টাকা, আবাস যোজনার টাকা—কিছুই দেয়নি। জনপ্রতিনিধিরা এলাকায় যাননি, শুধু ফটোশ্যুট করতে গেছেন। এবার তার ফল পাচ্ছেন।”

তিনি আরও বলেন, “ত্রিপুরায় অতীতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কনভয়ে হামলা হয়েছিল, সায়নী ঘোষের ওপর থানায় হামলা হয়েছিল। এখন আবার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। আমরা যাচ্ছি মানুষের সঙ্গে কথা বলতে, তবে ভয়ও পাচ্ছি—ত্রিপুরাকে সন্ত্রাসের রাজ্যে পরিণত করেছে বিজেপি।”

সায়নী ঘোষের প্রতিক্রিয়া

অভিনেত্রী তথা তৃণমূল যুবনেত্রী সায়নী ঘোষ বলেন, “ত্রিপুরায় এর আগেও আমাদের দলের ওপর হামলা হয়েছে। এখন আবার হুমকি চলছে। তবুও আমরা যাচ্ছি, কারণ মানুষকে ভয় দেখিয়ে সত্যি চাপা রাখা যায় না।”

দুর্যোগ থেকে রাজনীতির সংঘাতে

উত্তরবঙ্গে টানা বৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। নদী উপচে পড়ে গ্রাম গঞ্জ ভাসিয়ে দেয়। ২৪ জনের মৃত্যু হয়, অসংখ্য পরিবার গৃহহারা হয়। এমন পরিস্থিতিতে বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু ও বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ নাগরাকাটায় ত্রাণ বিতরণে যান। অভিযোগ, সেই সময় একদল দুষ্কৃতী তাদের উপর হামলা চালায়।

ভিডিয়ো ফুটেজে দেখা যায়, জনতার ভিড় ঠেলে পালাচ্ছেন শঙ্কর ঘোষ, আর রক্তাক্ত অবস্থায় গাড়ির মধ্যে বসে আছেন সাংসদ খগেন মুর্মু। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই বিজেপি, কংগ্রেস ও সিপিএম একযোগে তৃণমূলের বিরুদ্ধে সরব হয়। এমনকি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও ঘটনার নিন্দা করেন।

মমতা বনাম মোদী টুইটযুদ্ধ

এই হামলার পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় টুইট করে প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে লেখেন—“মানবিকতার সময় রাজনীতি নয়।” মঙ্গলবার তিনি নিজে হাসপাতালে গিয়ে খগেন মুর্মুর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন। তবে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী প্রশ্ন তোলেন, “এটা কি সমবেদনা না রাজনৈতিক নাটক?”

ত্রিপুরায় নতুন বিতর্ক

বাংলায় বিজেপি নেতাদের উপর হামলার প্রতিবাদে ত্রিপুরায় উত্তেজনা ছড়ায়। তৃণমূল দফতরে হামলার অভিযোগে বিজেপির বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেয় তৃণমূল নেতৃত্ব। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ও তথ্য সংগ্রহে আজই আগরতলায় যাচ্ছেন দলের প্রতিনিধি দল।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, “উত্তরবঙ্গের দুর্যোগ পরবর্তী রাজনীতি এখন সীমান্ত পেরিয়ে ত্রিপুরাতেও ছড়িয়ে পড়েছে। এই পরিস্থিতি সামলানো উভয় রাজ্যের প্রশাসনের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।”

📅 সর্বশেষ আপডেট: ৮ অক্টোবর ২০২৫ | © Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

Tuesday, 7 October 2025

বিজেপি নেতাকে গুলি করে খুন, তদন্ত শুরু

ওড়িশার বেরহামপুরে বিজেপি নেতাকে গুলি করে খুন, তদন্ত শুরু
ওড়িশার বেরহামপুরে বিজেপি নেতাকে গুলি করে খুন, তদন্ত শুরু
স্থানীয়দের আতঙ্কের মধ্যে পুলিশ হামলাকারীদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে।

Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক: বাড়ির সামনেই এক বিজেপি নেতাকে গুলি করে খুনের অভিযোগ উঠেছে দুই দুষ্কৃতীর বিরুদ্ধে। সোমবার রাতে চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে ওড়িশার বেরহামপুরে। নিহতের নাম পিতাবাস পান্ডা। ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাত ১০টা নাগাদ বাড়ির বাইরে বেরিয়েছিলেন পিতাবাস। সেই সময় তাকে লক্ষ্য করে দুই দুষ্কৃতী এলোপাথাড়ি গুলি চালায়। হামলাকারীরা একটি মোটরবাইকে করে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছিল। হামলার পর তারা দ্রুত পালিয়ে যায়। গুলির আঘাতে রক্তাক্ত অবস্থায় ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন পিতাবাস। স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে নিকটবর্তী হাসপাতালে ভর্তি করান। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

পিতাবাস ওড়িশা বার কাউন্সিলের সদস্য ছিলেন এবং গেরুয়া শিবিরের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। হত্যার কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে হামলাকারীদের সনাক্ত করতে সক্ষম হয়েছে এবং তাদের খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়েছে।

প্রধান তথ্য:
  • স্থান: বেরহামপুর, ওড়িশা
  • নিহত: পিতাবাস পান্ডা
  • হামলাকারীর সংখ্যা: ২ জন, মোটরবাইক ব্যবহার করে পালিয়েছে
  • পুলিশের অবস্থা: তদন্ত ও তল্লাশি চলছে
  • সিসিটিভি ফুটেজ থেকে হামলাকারী শনাক্তের চেষ্টা

#বিজেপিনেতাখুন #ওড়িশা #বেরহামপুর #গোলাগুলি #পুলিশতদন্ত

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গ: কার্নিভাল নিয়ে প্রশ্ন ও মমতার জবাব

বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গ: কার্নিভাল নিয়ে প্রশ্ন ও মমতার জবাব

বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গ! ভেসে গিয়েছে একাধিক এলাকা। আতঙ্কিত স্থানীয়রা। সুষ্ঠু ভাবে উদ্ধারকার্য এগিয়ে নিয়ে গিয়েছে প্রশাসন। এই আবহে কেন দুর্গা কার্নিভাল বাতিল করা হয়নি। তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছিল বিরোধীরা। এবার তাদের ‘রাজনীতি’র জবাব দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জানালেন, রাজনীতি করেছে বিরোধীরা। কার্নিভাল বাংলার গর্ব। উপস্থিত ছিলেন বিদেশিরা। শেষ মুহূর্তে তা বাতিল করা সম্ভব নয়। তাছাড়া তিনি গেলে উদ্ধারকার্যে প্রভাব পড়ত। পুলিশ ব্যস্ত হয়ে পড়ত তাঁকে নিয়ে। যা মোটেও কাম্য নয়। কারণ দুর্যোগের সময় প্রধান কাজ দুর্গতের পাশে দাঁড়ানো।

গত রবিবার রেড রোডে ছিল দুর্গাপুজোর কার্নিভাল। শনিবার রাতভর প্রবল বর্ষণে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে উত্তরবঙ্গ। রবিবার সকাল থেকে একের পর এক খারাপ খবর আসতে শুরু করে। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন সোমবার তিনি উত্তরবঙ্গে যাবেন। তারপরই বিরোধীরা প্রশ্ন করতে থাকেন, কেন বাতিল করা হল না পুজোর কার্নিভাল?

দু’দিন উত্তরবঙ্গে দুর্গতদের পাশে দাঁড়িয়ে, পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে সেই ‘রাজনীতির’ জবাব দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “কার্নিভাল নিয়ে রাজনীতি করা হচ্ছে। কার্নিভাল বাংলার গর্ব। এতগুলো ক্লাব আশা করেছিল ওদের কোনও মূল্য নেই? ওই দিন সমস্ত অ্যারেজমেন্ট করা হয়ে গিয়েছিল। ইউনিসেফ থেকে অনেক বিদেশিরা ছিলেন। বাতিল করা সম্ভব?” তিনি আরও বলেন, “সেদিন যদি আমরা আসতাম এসে কী করতাম? ভিআইপিকে দেখতে গিয়ে উদ্ধারকার্য ব্যাহত হত না? পুলিশ কাকে সামলাত? ওই সময় প্রধান কাজ কোনটা?”

পাশাপাশি বিজেপিকে নিশানা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মহাকুম্ভের দুর্ঘটনাকে ও বিজেপিশাসিত রাজ্যের বিভিন্ন দুর্যোগে কেন্দ্র এক কথা বলছে ও পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে এক কথা। পালটা প্রশ্ন করেন, “মহাকুম্ভের দুর্ঘটনা কি ডিজাস্টার ঘোষণা করা হয়েছে? আমি কোনও দিন দুর্যোগ নিয়ে রাজনীতি করি না।” বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মুর উপর আক্রমণ নিয়েও মুখ খুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা। তিনি জানিয়েছেন, “দাঙ্গা-বন্যার পর মানুষ অসহায় মানুষ ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। আমিও অনেক খারাপ পরিস্থিতির মুখে পড়েছি। দাঙ্গার সময় হিন্দু এলাকায় গিয়ে দেখিছি ওরা তাড়া করছে। মুসলিম এলাকায় আরও তাড়া করছে। কী করা যাবে।”

প্রকাশক: ফারিয়া ইসলাম

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

ত্রিপুরায় তৃণমূলের কার্যালয়ে ভাঙচুর: বিজেপির বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগ

ত্রিপুরায় তৃণমূলের কার্যালয়ে ভাঙচুর: বিজেপির বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগ

ত্রিপুরায় তৃণমূলের কার্যালয়ে ভাঙচুর: বিজেপির বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগ

[ত্রিপুরা আগরতলা তৃণমূল কার্যালয়ের ছবি/ভিডিও]

ত্রিপুরার আগরতলায় তৃণমূল কংগ্রেসের কার্যালয়ে মঙ্গলবার ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ এসেছে বিজেপির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ফুঁসে উঠেছে বাংলার শাসকদল। সোশ্যাল মিডিয়ায় পদ্মশিবিরকে একহাত নিয়েছে তৃণমূল এবং সাফ জানানো হয়েছে, গণতন্ত্রের উপর এই আঘাত তাঁরা মানবে না।

জানা গেছে, মঙ্গলবার দুষ্কৃতীরা আগরতলার তৃণমূল কার্যালয়ে প্রবেশ করে লাঠি নিয়ে হামলা চালায়। তৃণমূলের পতাকা ও ফ্লেক্স ছিঁড়ে ফেলা হয়। কার্যালয়ের বাইরে ভাঙচুরের চিহ্ন দেখা যায়। অভিযোগ, পুলিশ বাধা দিলেও হামলাকারীদের রুখে দিতে পারেনি।

“সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের ত্রিপুরা কার্যালয়ে বিজেপি-সমর্থিত দুষ্কৃতীদের নৃশংস হামলা কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এটা গণতন্ত্রের উপর সরাসরি আঘাত। ক্ষমতাসীনরা যখন তাদের বিরোধীদের স্তব্ধ করতে হিংসাকে হাতিয়ার করছে, তখন তারা নিজেদের ভয় ও নৈতিক দেউলিয়াকেই প্রকাশ করছে।”

তৃণমূলের দাবি, বিজেপি মুখে ‘গণতন্ত্র বাঁচাও’ বলে, অথচ একের পর এক রাজ্যে তাদের ভিত্তিটাকেই ক্ষতিগ্রস্ত করছে। অফিস ভাঙা, পোস্টার ছিঁড়ে ফেলা বা কর্মীদের ভয় দেখানো হলেও তারা কখনও প্রতিরোধের চেতনাকে মুছে দিতে পারবে না, যা প্রতিটি তৃণমূল কর্মীর মধ্যে জেগে আছে।

এদিন তৃণমূল ঘোষণা করেছে যে তারা চুপ থাকবে না এবং এই ঘটনার প্রতিবাদে আগামিকাল ত্রিপুরায় প্রতিনিধি দল পাঠাচ্ছে। তৃণমূলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, রাজনৈতিক ও সামাজিক অযৌক্তিকতা সামলাতে তারা দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

“এই আক্রমণ আমাদের দমিয়ে রাখতে পারবে না। আমরা পিছিয়ে যাব না, গণতন্ত্রের রক্ষা করতেই আমরা দৃঢ় থাকব।”

#Tripura #TMC #BJP #PoliticalAttack #Agartala
রিপোর্ট: Faria Islam

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

শীর্ষ পুলিশকর্তার মর্মান্তিক পরিণতি — মাথায় গুলি চালিয়ে আত্মঘাতী, বাড়ি থেকে উদ্ধার রক্তাক্ত দেহ

হরিয়ানার ADGP ওয়াই পুরন কুমারের আকস্মিক মৃত্যু: পুলিশ তদন্ত চলছে

চণ্ডীগড়ে বাড়িতে নিজের সার্ভিস রিভলভার দিয়ে গুলি করে আত্মঘাতী হয়েছেন হরিয়ানার ADGP Y পুরন কুমার

স্থান: চণ্ডীগড় — ঘটনা ও তদন্ত সংক্রান্ত প্রাথমিক তথ্য পুলিশের সূত্রে সংগৃহীত।
[ঘটনাস্থলের ছবি/ভিডিও: স্থানীয় পুলিশ সূত্র বা কর্তৃপক্ষের অনুমতি প্রয়োজন]

মঙ্গলবার চণ্ডীগড়ের নিজ বাড়িতে হরিয়ানার অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর জেনারেল অফ পুলিশ (ADGP) Y পুরন কুমার আত্মঘাতী হয়েছেন বলে প্রাথমিক পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

পুলিশের বর্ণনায়, পুরন কুমারের মৃতদেহ আবাসিক বাড়ির বেসমেন্টে পাওয়া গেছে এবং দেহের নিকটেই তাঁর সার্ভিস রিভলভার পড়ে ছিল। প্রাথমিক পর্যায়ে তদন্তে আত্মহত্যার ইঙ্গিত ধরা পড়লেও ঘটনার প্রকৃত কারণ নিরূপণের জন্য পুলিশ প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখছে।

পুলিশের তথ্যানুযায়ী, আত্মহত্যা করার আগে তিনি তাঁর সকল নিরাপত্তা কর্মীদের জায়গা থেকে চলে যেতে বলেন। এরপর বেসমেন্টে গিয়ে একটি চেয়ারে বসে তিনি নিজ সার্ভিস বন্দুক দ্বারা গুলি করেন। বেসমেন্ট শব্দরোধী হওয়ায় আশপাশের লোকজন গুলির শব্দ শুনতে পাননি বলে পুলিশ জানিয়েছে।

প্রাথমিক পুলিশ বিবরণ:
  • দেহের পাশে তাঁর সার্ভিস রিভলভার পাওয়া গেছে।
  • কোনও সুইসাইড নোট উদ্ধার হয়নি।
  • ফোন পেয়ে সেক্টর ১১ থানার ইনচার্জ ও CFSAL (CFSAL/CFSL)-এর একটি টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।
  • পরিবার, বাড়িতে উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ ও নিরাপত্তা কর্মীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

Y পুরন কুমারের স্ত্রী অমনীত পি. কুমার একজন হরিয়ানা ক্যাডারের জ্যেষ্ঠ আইএএস অফিসার; তিনি বর্তমানে মুখ্যমন্ত্রী নায়েব সিং সাইনির নেতৃত্বে জাপান সফরে ছিলেন এবং ঘটনাকালে বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন না বলে জানা গেছে। অমনীত বর্তমানে বেসামরিক বিমান চলাচল ও ভবিষ্য তহবিল বিভাগের কমিশনার-সচিব এবং বৈদেশিক সহযোগিতার অতিরিক্ত দায়িত্বও পালন করে থাকেন।

প্রশাসন ও পুলিশসেবার মধ্যে পুরন কুমার ও অমনীত পি. কুমারকে সম্মানিত দম্পতি হিসেবে বিবেচনা করা হতো; দুজনেই ২০০১ ব্যাচের কর্মকর্তা। তাঁর আকস্মিক মৃত্যু কেবল পুলিশের মধ্যেই নয়, সমগ্র প্রশাসনিক মহলকে শোকজডিত করেছে।

পুলিশ বলছে, ঘটনার কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত তারা সব সম্ভাব্য দিক — মানসিক চাপ, ব্যক্তিগত কারণ, অথবা অন্য কোনও অন্তর্নিহিত বিষয় — খতিয়ে দেখছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত কোনো বহিরাগত তৎপরতা আছে কি না তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

তদন্তের অগ্রগতি:
  1. সেক্টর ১১ থানার ইনচার্জ ও সিএফএসএল দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
  2. বেসমেন্ট ও বাড়ির কক্ষাদি থেকে প্রাথমিক ফরেনসিক নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।
  3. পরিবার ও আবাসিক ভবনের অন্যান্য ব্যক্তিদের সাক্ষ্য নেওয়া হচ্ছে।
  4. চূড়ান্ত রিপোর্টের জন্য তদন্ত অব্যাহত থাকবে; প্রয়োজনে উদ্ধৃতি যোগ করা হবে।

স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশি কর্মকর্তারা বলছেন, জনগণকে অসম্পূর্ণ বা অশ্রুত তথ্য ছড়াতে না এবং তদন্তকার্য শান্তিপূর্ণভাবে চলতে দিতে অনুরোধ করা হয়েছে। ঘটনার দিন ও সময় সম্পর্কিত নির্দিষ্ট বিবরণ ও আনুষঙ্গিক বিবেচ্য বিষয় তদন্তমূলক রিপোর্টে প্রকাশ করা হবে।

Y পুরন কুমারের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে প্রশাসনিক মহল ও সামাজিক গণমাধ্যমে শোক ও উদ্বেগ প্রকাশ করা হচ্ছে। পরিবারের প্রতি শোক ও সমবেদনা জানানো হয়েছে এবং তদন্তের পূর্ণ স্বচ্ছতা বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়ে পুলিশে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

#YPuranKumar #ADGP #Chandigarh #PoliceInvestigation #HaryanaAdministration
রিপোর্ট: Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক | নোট: এই প্রতিবেদনটি প্রাথমিক পুলিশ সূত্র ও স্থানীয় প্রশাসনিক বিবরণীর ওপর ভিত্তি করে তৈরি। তদন্ত চলমান—চূড়ান্ত তথ্য প্রকাশিত হলে আপডেট দেওয়া হবে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

“দিল্লির টিকিট কেটে ফেলুন, ব্যাগ গুছিয়ে রাখুন”— DGP রাজীব কুমারকে সরাসরি হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

হাসপাতালে খগেন মুর্মু — সভ্যতার প্রশ্নে তীব্র রাজনৈতিক তর্ক

হাসপাতালে খগেন মুর্মু: মমতার দেখাসাক্ষাৎ, শুভেন্দুর তোপ — রাজনীতির ছোঁয়া মানবিকতা ঘিরে তীব্র বিতর্ক

[হাসপাতালের ভিডিও/ছবির জন্য সংবাদ সংস্থার ফুটেজের অনুমতি প্রয়োজন]

জলপাইগুড়ির নাগরাকাটা এলাকায় বন্যা–ভূমিধস পরবর্তী ত্রাণ কাজে গেলে বর্ণিত ঘটনায় আক্রান্ত হন বাংলাদেশ থেকে নির্বাচিত এমপি খগেন মুর্মু ও স্থানীয় বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। আহত খগেন মুর্মুকে হাসপাতালে নেওয়ার পর বিকেলে তাকে দেখতে যান রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

মুখ্যমন্ত্রী হাসপাতালের ডাক্তারি রিপোর্ট দেখে জানান যে মুর্মুর অবস্থা আপাতত স্থিতিশীল ও পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। তিনি স্পষ্ট করেন, হাসপাতালে ডাক্তারদের সঙ্গে কথা হয়েছে এবং মুর্মুর ডায়াবেটিস রয়েছে — তাই সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী দ্রুত সুস্থতা কামনা করে হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে আসেন এবং স্থানীয় পরিস্থিতির সার্বিক ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি মনযোগ দেওয়ার নির্দেশ দেন।

“আর এমনি ঠিক আছে। আমি ডাক্তারের রিপোর্ট এবং সবকিছু দেখেছি… আপাতত পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে,” — মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (হাসপাতাল থেকে)।

বিকেলে হাসপাতাল পরিদর্শনের পরে সেখানে হাজির হন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি এমপি খগেন মুর্মু ও বিধায়ক শঙ্কর ঘোষের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে খোঁজখবর নেওয়ার পর পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের বিরুদ্ধে কড়া ভাষায় অভিযোগ করেন এবং ডিজিপি রাজীব কুমারকে লক্ষ্য করে তোপ দাগেন। শুভেন্দু বলেন, “জলপাইগুড়ির এসপি, ডিজিপি রাজীব কুমার দিল্লি যাওয়ার জন্য ব্যাগ গুছিয়ে রাখুন — স্পিকারের ডাক আসবে,” এবং ওই ঘটনার বিরুদ্ধে রক্তের বদলা নেয়ার হোল্লা দেন।

শুভেন্দু আরও বলেন, তিনি এই হামলার বিরুদ্ধে তীব্র ব্যবস্থা চান এবং দাবি করেন যে বর্ণিত ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার প্রয়োজন। তিনি উল্লেখ করেন যে বিষয়টি কেন্দ্রীয় পর্যায়েও পৌঁছেছে এবং নানা তদন্তকারী সংস্থার হস্তক্ষেপ চলছে বলে জানানো হয়েছে।

কেন্দ্রীয় রাজনীতিতেও ঘটনার তীব্র প্রতিক্রিয়া আসে: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই ঘটনাকে ‘মর্মান্তিক এবং নিন্দনীয়’ বলে অভিহিত করে তৃণমূলের বিরুদ্ধে তীব্র ঐক্যবদ্ধ শাস্তির দাবি জানান। মোদী বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সেবায় যাওয়া সরকারি ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিদের ওপর এই আক্রমণ দয়া অনুপম ও উদ্বেগজনক।

“বন্যা ও ধসে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সেবা করতে গিয়ে আমাদের দলের বিধায়ক, সাংসদরা যে নৃশংস আক্রমণের শিকার হয়েছে, তা মর্মান্তিক এবং নিন্দনীয়। ” — প্রধানমন্ত্রী (এক প্রতিক্রিয়ায়)।

প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগড়ে দেন। তিনি বলেন, প্রমাণ-ভিত্তিক তদন্ত কিংবা প্রশাসনিক রিপোর্ট ছাড়া দলের বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ তোলা অযৌক্তিক ও রাজনীতিক। মমতা প্রধানমন্ত্রীকে আহ্বান জানান, রাজ্যের তদন্ত ও পরিস্থিতি খতিয়ে না দেখে রাজনীতি করা উচিত নয়।

ঘটনাটি তত্ত্বাবধানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, কেন্দ্র ও রাজ্য প্রশাসন—সবই বিভিন্ন স্তরে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে এবং স্থানীয় শৃঙ্খলা ও পুনরুদ্ধার কাজে স্বচ্ছতা বজায় রাখার অঙ্গীকার করেছে। এখনও প্রত্যক্ষ অভিযুক্ত ও ঘটনার সূচনাকারী সম্পর্কে তদন্ত চলমান; সুতরাং চূড়ান্ত রিপোর্ট ছাড়া কিছুর উপর পুরোপুরি শেষ সিদ্ধান্ত নেয়া যাচ্ছে না।

এই ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত সকল পক্ষকে সংযত থাকতে এবং শান্তিপূর্ণভাবে তদন্ত-প্রক্রিয়াকে সম্মান জানাতে সংবাদমাধ্যম ও নাগরিকদেরও আহ্বান জানানো হয়েছে। তদন্ত-রিপোর্ট প্রকাশের পরেই ঘটনা নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা ও রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে।

#KhagenMurmu #Jalpaiguri #MamataBanerjee #SuvenduAdhikari #WestBengalPolitics
রিপোর্ট: Faria Islam | সম্পাদনা: Y বাংলা ডিজিটাল |

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

বিহার ভোট: আসন ভাগে অনিশ্চয়তা—BJP-JDU ৫০-৫০ ছকে, ছোট শরিকদের জন্য ৩৮ সিট সংরক্ষিত

বিহার ভোট: আসন ভাগে অনিশ্চয়তা—BJP-JDU ৫০-৫০ ছকে, ছোট শরিকদের জন্য ৩৮ সিট সংরক্ষিত

প্রকাশক : ফারিয়া ইসলাম | Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক | আপডেট: ৭ অক্টোবর ২০২৫

বিহার ভোট: আসন ভাগে অনিশ্চয়তা—BJP-JDU ৫০-৫০ ছকে, ছোট শরিকদের জন্য ৩৮ সিট সংরক্ষিত

বিহার নির্বাচন
নির্বাচন কমিশন ভোট তারিখ ঘোষণা করার পরই জোরদার হয়েছে আসনবণ্টন আলোচনা। (প্রতীকী ছবি)

নির্বাচন কমিশন বিহারের বিধানসভা ভোটের নির্ঘণ্ট জারি করায় রাজ্যের রাজনৈতিক দলগুলো ফের সিরিয়াস মোডে ঢুকে পড়েছে। খবর মিলছে, এনডিএ-র প্রধান দুইদল — বিজেপি ও জেডিইউ — প্রায় সমান হিসেবে (৫০-৫০ শতাংশ) আসন ভাগাভাগির প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা চালাচ্ছে; মোটামুটি ২০৫টি আসন এই দুইদলের মধ্যে ভাগ হয়ে যেতে পারে।

তবে এনডিএ জোটের ছোট শরিকদের কথা মাথায় রেখে মোট ৩৮টি আসন আলাদা রেখে দিলো জোট। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, চিরাগ পাসওয়ানের জনশক্তি পার্টিকে (LJP) প্রাথমিকভাবে ২৫টি সিট দেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে। বাকিটা দুই ছোট শরিক—হিন্দুস্তানি আওয়াম মোর্চা (HAM) ও রাষ্ট্রীয় লোক সমতা পার্টি (RLM) — মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হবে; খবর অনুযায়ী HAM-কে প্রস্তাবিত ৭টি সিট এবং RLM-কে ৬টি সিট দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

কী রয়েছে আলোচ্য তালিকায়:
  • BJP-JDU-র মধ্যে প্রাথমিক সমঝোতা: প্রায় ২০৫ সিট ভাগাভাগি।
  • ছোট শরিকদের জন্য রিজার্ভ: মোট ৩৮ সিট।
  • চরাওচরিত কৌশল: যদি চিরাগের দাবী বাড়ে, অন্যান্য দলের সিট কমে যাওয়ার সম্ভাবনা।

তবে সবকিছু চূড়ান্ত নয়—এখনও NDA-র নেতারা চিরাগ পাশওয়ানের সঙ্গে আলাপ করছেন। LJP নেতা নিজের পছন্দের কেন্দ্রে লড়ার ওপর জোর দিয়ে কিছু আসন বাড়ানোর চেষ্টায় জড়িত; এ ধরনের দরকষাকষি হলে জোটের ভেতরে নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে এবং ছোট পার্টিগুলোর মধ্যে বিবেচনা পুনর্বিবেচনার প্রয়োজন পড়বে।

নতুন পরিস্থিতিতে এনডিএ-র উচ্চপদস্থ নেতারা সতর্ক: যদি ছোট শরিকদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়, তাহলে তাঁদের নবান্নেই সান্ত্বনা হিসেবে রাজ্যসভা বা লেজিসলেটিভ কাউন্সিলের মাধ্যমে সন্তুষ্ট করার উদ্যোগ নেয়া হতে পারে—তারা রাজ্যস্তরের আসন না দিলেও অন্যভাবে পার্টি মনোভাব পাল্টাতে রাজি আছেন।

এই রাজনৈতিক কূটনীতির মাঝেই ভালোই উত্তেজনা দেখা দিয়েছে—বিভিন্ন দল পুরনো সমীকরণ রক্ষার জন্য লড়াই করছে, অপরদিকে নতুন দল ও প্লেয়াররা নিজের প্রভাব বাড়ানোর চেষ্টা চালাচ্ছে। ভোটঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হওয়া এই আসনবণ্টন মহড়া আগামী কয়েক সপ্তাহ রাজ্যের রাজনৈতিক তাপমাত্রাই নির্ধারণ করবে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

Featured post

Y বাংলা ব্যুরো: ভোটার তালিকা সংশোধনে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডে না নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা সংশোধন (SIR, ২০২৬) প্রক্রিয়ায় ম...

Search This Blog