Bihar Election 2025: বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটদানের হার, এগিয়ে বেগুনসরাই
Bihar Election 2025: বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটদানের হার, এগিয়ে বেগুনসরাই
Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো | পাটনা — বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫
ভোটদানে উৎসাহী বিহারের মহিলারা — ছবি: প্রতিনিধি
পাটলিপুত্রের মসনদ দখলের লড়াই শুরু হয়েছে সকাল সাতটা থেকে। বিহারের ১৮টি জেলার ১২১টি বিধানসভা কেন্দ্রে এদিন সকাল থেকে ভোটগ্রহণ চলছে। বিকেল ৫টা পর্যন্ত গড় ভোটদানের হার দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬৩.৪৭ শতাংশ।
দুপুর ৩টে পর্যন্ত রাজ্য জুড়ে গড়ে ৬০.১৩ শতাংশ ভোট পড়েছিল। সন্ধ্যার দিকে সেই সংখ্যা আরও বেড়েছে। এখনও পর্যন্ত ভোটদানের হারে সবচেয়ে এগিয়ে বেগুনসরাই জেলা, যেখানে প্রায় ৬৭.৩২ শতাংশ ভোট পড়েছে। অন্যদিকে, শেখপুরা জেলায় ভোটদানের হার সবচেয়ে কম, যা মাত্র ৫২.৩৬ শতাংশ।
রাজ্যের বিভিন্ন কেন্দ্রে সকাল থেকেই ভোটারদের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। বিশেষ করে মহিলাদের অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্য। ভোটকেন্দ্রের বাইরে মহিলাদের সারি প্রশাসনের প্রশংসা কুড়িয়েছে।
🗳️ নির্বাচনী তথ্যবক্স
ভোটগ্রহণ কেন্দ্র: ১২১টি
জেলা সংখ্যা: ১৮
সর্বোচ্চ ভোট: বেগুনসরাই (৬৭.৩২%)
সর্বনিম্ন ভোট: শেখপুরা (৫২.৩৬%)
মোট গড় ভোটদানের হার (বিকেল ৫টা পর্যন্ত): ৬৩.৪৭%
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই ভোটদানের হার ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, গ্রামীণ অঞ্চলে জনগণের উৎসাহ শহুরে এলাকার তুলনায় অনেক বেশি। অন্যদিকে, নিরাপত্তা বাহিনী রাজ্যের সংবেদনশীল এলাকাগুলিতে টহল দিচ্ছে যাতে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়।
ট্রাম্প জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেবেন না | Y বাংলা ডিজিটাল
ট্রাম্প জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেবেন না
প্রকাশিত: ৬ নভেম্বর ২০২৫, আপডেট: ৬ নভেম্বর ২০২৫
ছবি: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (ফাইল ছবি)
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিতব্য জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেবেন না। ট্রাম্প বলেছেন, “আমি জি-২০ তে যাচ্ছি না। দক্ষিণ আফ্রিকার আর জি-২০ তে থাকা উচিত নয় কারণ সেখানকার পরিস্থিতি ভয়াবহ। আমি তাদের বলেছি যে আমি সেখানে আমাদের দেশের প্রতিনিধিত্ব করব না।”
উল্লেখযোগ্যভাবে, আগামী ২২ ও ২৩ নভেম্বর দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত হবে এই সম্মেলন, যা প্রথমবারের মতো আফ্রিকার মাটিতে আয়োজন করা হচ্ছে। বিশ্ব অর্থনীতি, জলবায়ু পরিবর্তন, বাণিজ্য এবং দক্ষিণাঞ্চলীয় উন্নয়নকে কেন্দ্র করে এই বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
তথ্যবক্স:
জি-২০ বা ‘গ্রুপ অব টোয়েন্টি’ হলো বিশ্বের ২০টি বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সমন্বয়ে গঠিত একটি আন্তর্জাতিক ফোরাম। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক নীতি সমন্বয়ে এই সংগঠনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
হোয়াইট হাউস সূত্রে জানা গেছে, ট্রাম্পের পরিবর্তে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বা বাণিজ্যমন্ত্রী প্রতিনিধিত্ব করতে পারেন। তবে এখনও আনুষ্ঠানিক প্রতিনিধি দলের নাম ঘোষণা করা হয়নি।
বিশ্লেষকদের মতে, দক্ষিণ আফ্রিকার অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক টানাপোড়েন ও সম্প্রতি অর্থনৈতিক অস্থিরতা নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। তাই তিনি এই বৈঠকে যোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
অন্যদিকে, দক্ষিণ আফ্রিকার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা আশা করছে, যুক্তরাষ্ট্রসহ সব অংশগ্রহণকারী দেশ এই সম্মেলনে যুক্ত হবে এবং আফ্রিকা মহাদেশের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করবে।
আজ বিহার ভোটের প্রথম দফা: ১৮ জেলার ১২১ আসনে হাইভোল্টেজ লড়াই
আজ বিহার ভোটের প্রথম দফা: ১৮ জেলার ১২১ আসনে হাইভোল্টেজ লড়াই
🗓️ আপডেট: ৬ নভেম্বর ২০২৫, বৃহস্পতিবার সকাল ৭টা
ছবি: বিহার নির্বাচনে প্রথম দফার ভোটগ্রহণ চলছে — PTI
আজ, বৃহস্পতিবার বিহারে শুরু হচ্ছে বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটগ্রহণ। রাজ্যের ১৮টি জেলার ১২১টি আসনে সকাল ৭টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে, চলবে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। নিরাপত্তাজনিত কারণে কিছু সংবেদনশীল কেন্দ্রে ভোটের সময় সীমিত করা হয়েছে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।
ভোটের সারাংশ এক নজরে:
📍 জেলা: ১৮
🗳️ আসন সংখ্যা: ১২১
👥 ভোটার: প্রায় ৩.৭৫ কোটি
🧾 প্রার্থী: ১,৩১৪ জন
🏫 ভোটকেন্দ্র: ৪৫,৩৪১টি
গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রসমূহ
প্রথম দফার ভোটে যেসব কেন্দ্র সবচেয়ে বেশি নজর কাড়ছে, তার মধ্যে রয়েছে মুঙ্গের, সিমরি বখতিয়ারপুর, তারাপুর, জামালপুর, সূর্যগড়হা, ভাগলপুর, এবং সীতামারহি। নিচে গুরুত্বপূর্ণ আসনগুলির সংক্ষিপ্ত চিত্র দেওয়া হলো:
আসন
বর্তমান বিধায়ক (২০২০)
দল
প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী
২০২৫ সম্ভাব্য লড়াই
মুঙ্গের
প্রণব কুমার
জেডিইউ
ললন যাদব (আরজেডি)
জেডিইউ বনাম আরজেডি বনাম জন সুরাজ
সিমরি বখতিয়ারপুর
যোগেশ কুমার
বিজেপি
রাহুল সিং (কংগ্রেস)
বিজেপি বনাম কংগ্রেস বনাম জন সুরাজ
তারাপুর
মধু রঞ্জন
জেডিইউ
তরুণ যাদব (আরজেডি)
জেডিইউ বনাম আরজেডি
জামালপুর
শুভম সিং
বিজেপি
রফিকুল আনসারি (বাম)
বিজেপি বনাম বাম বনাম জন সুরাজ
সূর্যগড়হা
রঞ্জন সিং
আরজেডি
প্রকাশ কুমার (বিজেপি)
আরজেডি বনাম এনডিএ
২০২০ সালের ফলাফল বনাম ২০২৫ পূর্বাভাস
নিচে দেওয়া হলো ২০২০ সালের প্রথম দফায় প্রধান রাজনৈতিক জোটগুলির পারফরম্যান্স এবং ২০২৫-এর বিশ্লেষণ:
রাজনৈতিক জোট
২০২০ সালে জয়ী আসন
ভোটের শতকরা হার
২০২৫ সম্ভাব্য প্রভাব
এনডিএ (বিজেপি-জেডিইউ)
৭১
৩৯.৭%
হালকা ক্ষয়, কিন্তু সংগঠিত ভোটব্যাঙ্ক
মহাগঠবন্ধন (আরজেডি-কংগ্রেস-বাম)
৪৩
৩৬.৯%
গ্রামীণ এলাকায় পুনরুত্থান সম্ভাবনা
জন সুরাজ পার্টি (প্রশান্ত কিশোর)
নতুন
—
যুব ভোটে উল্লেখযোগ্য প্রভাব
বিশ্লেষণ: কেন এই দফা গুরুত্বপূর্ণ?
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই প্রথম দফার ফলই নির্ধারণ করবে কোন জোট এগিয়ে যাবে। কারণ এ দফায় মূলত দক্ষিণ ও মধ্য বিহারের সেই অঞ্চলগুলি রয়েছে, যেখানে জাতিগত ভোটবিভাজন ও উন্নয়ন ইস্যু—দুটিই সমান প্রভাব ফেলতে পারে। প্রশান্ত কিশোরের দল “জন সুরাজ পার্টি”র পারফরম্যান্সও রাজনৈতিক ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
💊 পেটের এন্টিবায়োটিক ৭ বা ১৪ দিনের কোর্স — যা হতে পারে সারা জীবনের সর্বনাশ!
এন্টিবায়োটিক পেটের ভেতরের উপকারী ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে দিতে পারে — ছবি: প্রতীকী
পেটে একটু জ্বালা, বুকে চিনচিন ব্যথা? ভাবলেন, ‘একটা কোর্স করলেই সব ঠিক!’ কিন্তু জানেন কি, সেই ৭ বা ১৪ দিনের এন্টিবায়োটিক কোর্সের আড়ালে লুকিয়ে থাকতে পারে আজীবনের অশান্তির বীজ?
⚠️ সতর্কতা: এন্টিবায়োটিক নিজের মতো করে খাওয়া বিপজ্জনক। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধের কোর্স শুরু বা বন্ধ করা উচিত নয়।
🎭 ধাপ ১: মিষ্টি স্বস্তি ও মিথ্যে ভরসা
ওষুধ খাওয়ার পর ৩-৫ দিনেই উপসর্গ কমে যায়। কিন্তু সেই সাময়িক আরামের আড়ালেই লুকিয়ে থাকে “ঝড়ের আগে নীরবতা”। প্রদাহ তখনও ভেতরে জ্বলছে।
🎭 ধাপ ২: পেটের ভেতরের যুদ্ধক্ষেত্র
এন্টিবায়োটিক শত্রু জীবাণু ধ্বংস করতে গিয়ে ভালো ব্যাকটেরিয়াকেও নিঃশেষ করে। একইসাথে গ্যাসের ওষুধ (PPI) অ্যাসিড উৎপাদন বন্ধ করে দেয়, ফলে উপসর্গ চাপা পড়ে যায় কিন্তু প্রদাহ থেকে যায়।
🎭 ধাপ ৩: অসম্পূর্ণ নিরাময় ও নীরব প্রদাহ
জীবাণু কমলেও পেটের ক্ষত শুকায় না, মিউকাস লেয়ার দুর্বল থাকে। এটাই রোগের বীজ যা ভবিষ্যতে IBS, IBD বা Gastritis হিসেবে ফিরে আসে।
🎭 ধাপ ৪: ভুয়ো রিপোর্টের ফাঁদ
টেস্টে নেগেটিভ আসলেও ভেতরে লুকিয়ে থাকা জীবাণু “বায়োফিল্ম” তৈরি করে বেঁচে থাকে। প্রদাহ পুরোপুরি বন্ধ হয় না, কেবল ধীর গতিতে চলে।
পশ্চিমবঙ্গ ও ১১টি এলাকায় ২৮ অক্টোবর থেকে শুরু হচ্ছে SIR — সম্পূর্ণ নির্দেশনা
পশ্চিমবঙ্গে ২৮ অক্টোবর থেকে শুরু হচ্ছে SIR (Special Intensive Revision) — পুরো নির্দেশনা
আপডেট: ২৭ অক্টোবর ২০২৫ · সংবাদ: নির্বাচন কমিশন প্রেস কনফারেন্স ও অফিসিয়াল সার্কুলার অনুসারে
ছবি: নির্বাচন কমিশন/প্রতীকী — SIR (Special Intensive Revision) কার্যক্রমের আভাস।
সংক্ষেপে — কী হচ্ছে?
নির্বাচন কমিশন দ্বিতীয় দফায় মোট ১২টি রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে Special Intensive Revision (SIR) শুরু করেছে। পশ্চিমবঙ্গ এই দ্বিতীয় দফায় রয়েছে। লক্ষ্য: ভোটার তালিকা হালনাগাদকরণ, অপ্রযোজ্য/ডুপ্লিকেট এন্ট্রি সরানো, নতুন যোগ করবেন যোগ্য ভোটারদের তালিকায় আনয়ন।
কোন কোন রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এই দফায় আচ্ছাদিত?
এই দ্বিতীয় দফায় নির্বাচন কমিশন যে ১২টি স্থান উল্লেখ করেছে তা হলো — আন্দামান ও নিকোবার দ্বীপপুঞ্জ, ছত্তিসগড়, গোয়া, গুজরাত, কেরালা, লাক্ষাদ্বীপ, মধ্যপ্রদেশ, পুদুচেরি, রাজস্থান, তামিলনাড়ু, উত্তরপ্রদেশ ও পশ্চিমবঙ্গ।
সময়সূচি — কোন প্রক্রিয়া কখন হবে?
প্রিন্টিং/প্রশিক্ষণ: ২৮ অক্টোবর থেকে ৩ নভেম্বর। (BLO ও অন্যান্য স্টাফদের প্রশিক্ষণসহ ফর্ম প্রিন্টিং হবে)
হাউস টু হাউস এনুমেরেশন (BLO-এর মাঠপর্ব): ৪ নভেম্বর থেকে ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত।
খসড়া তালিকা প্রকাশ: ৯ ডিসেম্বর।
দাবি-অভিযোগ সময়সীমা: ৯ ডিসেম্বর থেকে ৮ জানুয়ারি, ২০২৬ পর্যন্ত।
অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে (scrutiny): চলবে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত।
চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ: ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬।
উপরের সময়সূচি ও ধাপগুলি নির্বাচন কমিশনের প্রেস কনফারেন্স ও অফিসিয়াল নির্দেশিকার ভিত্তিতে ঘোষণা করা হয়েছে।
ভোটারদের করণীয় — কীভাবে সহযোগিতা করবেন?
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে যে প্রতিটি ভোটারের বাড়িতে BLO তিনবার করে যাবে এবং তাঁদের হাতে এনুমেরেশন ফর্ম তুলে দেবে। নতুন যোগ হওয়া ভোটারদের ফর্মপূরণে সাহায্য করবেন ERO/AERO। যারা বয়স্ক, অসুস্থ, অশিক্ষিত বা প্রতিবন্ধী — তাদের জন্য বাড়ি বসেই বিশেষ সহায়তা নিশ্চিত করা হবে।
কে ভোটার হবে — যোগ্যতার শর্তাবলী?
ভারতীয় নাগরিক হতে হবে।
ভোটার হওয়ার সময় বয়স কমপক্ষে ১৮ বছর হতে হবে।
নির্দিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় বসবাস করতে হবে (স্থায়ী/অস্থায়ী রেসিডেন্স প্রমাণ দরকার হতে পারে)।
SIR-এর জন্য কোন নথি লাগবে?
নির্বাচন কমিশন কয়েকটি নির্দিষ্ট নথি স্বীকৃত করেছে। প্রধান নথিগুলো —
১৯৮৭ সালের ১ জুলাইয়ের আগে ব্যাংক/পোস্ট অফিস/LIC/স্থানীয় প্রশাসনের দেওয়া যে কোনও নথি (যদি প্রযোজ্য)।
পাসপোর্ট (বৈধ) ।
মাধ্যমিক বা তার উচ্চতর শিক্ষাগত শংসাপত্র।
কেন্দ্র/রাজ্য সরকারের কর্মচারী বা পেনশনপ্রাপ্তদের পরিচয়পত্র।
ফরেস্ট রাইট সার্টিফিকেট (যদি প্রযোজ্য)।
জাতিগত শংসাপত্র (Caste certificate) — যেখানে প্রয়োজন।
স্থানীয় প্রশাসনের দেওয়া পারিবারিক রেজিস্ট্রার।
রাজ্য সরকারের দেওয়া বাসস্থানের শংসাপত্র।
জমি বা বাড়ির দলিল।
নির্বাচন কমিশন নির্দেশ দিয়েছে — শুধুমাত্র অনুমোদিত ডকুমেন্টগুলি গ্রহণ করা হবে; রাজ্য-স্তরের অনন্য নথি ব্যবহার বিষয়ে EC-এর সীমাবদ্ধতা আছে।
BLO, ERO ও স্থানীয় প্রশাসনের দায়িত্ব
BLO-রা মাঠের প্রধান ঠিকাদার — তারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ফর্ম দেবে, তথ্য নেবে ও সাহায্য করবে। ERO/AERO নতুন ভোটারদের ফর্ম পূরণে সহায়তা করবেন এবং প্রয়োজনীয় যাচাইপত্র সংগ্রহ করবেন। কমিশন দাবি করেছে যে এই দফায় পরিপাটি ও শান্তিপূর্ণভাবে কাজ হবে এবং প্রয়োজনের ক্ষেত্রে নতুন পোলিং স্টেশনও খোলা হবে।
নোট: যদি ভোটার নিজের নাম না পায় বা ডুপ্লিকেট সমস্যা হয়, খসড়া তালিকা প্রকাশের পর নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে (দাবি-অভিযোগ পর্বে) অভিযোগ জানানো যাবে এবং কমিশন তা পর্যালোচনা করবে।
ত্রিপুরায় আটক ৬ বাংলাদেশি, এক শিশুসহ সীমান্ত পারের অভিযোগ
ত্রিপুরায় আটক ৬ বাংলাদেশি, এক শিশুসহ সীমান্ত পারের অভিযোগ
Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো | আমবাসা (ত্রিপুরা) | আপডেট: ২৭ অক্টোবর ২০২৫
হাইলাইটস:
ত্রিপুরার আমবাসা রেলস্টেশন থেকে এক শিশু-সহ ৬ বাংলাদেশি নাগরিক আটক।
অভিযোগ, তাঁরা অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন।
পুলিশ জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি ছিল তাঁদের চূড়ান্ত গন্তব্য।
গোপন সূত্রের খবরের ভিত্তিতে ত্রিপুরা পুলিশের এক বিশেষ দল আমবাসা রেলস্টেশন এলাকায় অভিযান চালিয়ে এক শিশু-সহ ৬ জন বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করেছে। প্রাথমিক জেরায় জানা গিয়েছে, তাঁরা অবৈধভাবে বাংলাদেশ থেকে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন এবং কাজের সন্ধানেই ত্রিপুরা হয়ে পশ্চিমবঙ্গে যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন।
কীভাবে এলেন তাঁরা ভারতে?
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতদের দাবি—তাঁরা বাংলাদেশের ময়মনসিংহ ও কুমিল্লা জেলার বাসিন্দা। দালালচক্রের সাহায্যে তাঁরা টাকার বিনিময়ে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে ঢুকেছিলেন। প্রথমে তাঁদের ত্রিপুরার কৈলাসহর হয়ে আগরতলায় পৌঁছনোর কথা ছিল, সেখান থেকে রেলযোগে জলপাইগুড়িতে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল তাঁদের।
কাদের আটক করা হয়েছে?
ধৃতদের মধ্যে পাঁচজন প্রাপ্তবয়স্ক এবং একজন শিশু রয়েছে। প্রাপ্তবয়স্কদের বয়স ২০ থেকে ৩৮ বছরের মধ্যে। পুলিশের সন্দেহ, এই দলটি বৃহত্তর মানব পাচার বা অবৈধ শ্রমিক সরবরাহ চক্রের অংশ হতে পারে।
পুলিশ কী বলছে?
আমবাসা থানার এক আধিকারিক জানিয়েছেন —
“গোপন সূত্রের তথ্যের ভিত্তিতে আমরা স্টেশনে তল্লাশি চালাই। ছয়জনকে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাঘুরি করতে দেখে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়। জেরায় তাঁরা স্বীকার করেন যে, সীমান্ত পেরিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছেন।”
তিনি আরও জানান, “ধৃতদের বিরুদ্ধে বিদেশি নাগরিক আইন (Foreigners Act)-এর অধীনে মামলা রুজু করা হয়েছে। পাশাপাশি, তাঁদের ভারতে প্রবেশে জড়িত দালালদের খোঁজে তদন্ত শুরু হয়েছে।”
দালালচক্রের সন্ধানে পুলিশ
তদন্তে উঠে এসেছে, বাংলাদেশ থেকে সীমান্ত পার করিয়ে দেওয়ার জন্য প্রতি জনের কাছ থেকে কয়েক হাজার টাকা নেওয়া হয়েছিল। দালালচক্রটি সম্ভবত আগরতলা ও ধলাই জেলাজুড়ে সক্রিয়। রাজ্য গোয়েন্দা সংস্থাও তদন্তে নেমেছে। পুলিশের ধারণা, এই চক্রের মাধ্যমে আরও অনেক বাংলাদেশি অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করছে।
চূড়ান্ত গন্তব্য জলপাইগুড়ি
জেরায় ধৃতরা জানিয়েছেন, তাঁদের গন্তব্য ছিল পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলা। সেখানেই তাঁরা দিনমজুরির কাজ পেতেন বলে দালালচক্র তাঁদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। পুলিশের সন্দেহ, পশ্চিমবঙ্গের শ্রমবাজারে অবৈধভাবে কাজ করা বিদেশি নাগরিকদের এক অংশ এই চক্রের মাধ্যমেই প্রবেশ করছে।
আইনগত প্রক্রিয়া শুরু
ধৃতদের আপাতত আমবাসা থানায় রাখা হয়েছে। স্থানীয় আদালতে পেশ করার পর তাঁদের বিদেশি নাগরিক আইন অনুযায়ী ডিটেনশন ক্যাম্পে পাঠানো হতে পারে। পাশাপাশি, সীমান্ত নিরাপত্তা বাহিনী (BSF)-এর সঙ্গেও তথ্য ভাগ করা হচ্ছে যাতে সীমান্তে নজরদারি আরও জোরদার করা যায়।
📌 মূল তথ্য এক নজরে:
📍 স্থান: আমবাসা রেলস্টেশন, ত্রিপুরা
👥 আটক: ৬ বাংলাদেশি (এক শিশু-সহ)
🚫 অভিযোগ: অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ
🎯 গন্তব্য: পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি
👮 তদন্তকারী সংস্থা: ত্রিপুরা পুলিশ
স্থানীয় প্রতিক্রিয়া
স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ জানিয়েছেন, সম্প্রতি রেলস্টেশন এলাকায় বিদেশি নাগরিকদের চলাফেরা নিয়ে সন্দেহজনক ঘটনা বেড়েছে। তাঁরা প্রশাসনের কাছ থেকে কড়া পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।
উপসংহার
ত্রিপুরা-বাংলাদেশ সীমান্ত বরাবর অবৈধ অনুপ্রবেশ দীর্ঘদিনের সমস্যা। প্রশাসনের দাবি, সীমান্তে প্রযুক্তিগত নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। তবুও দালালচক্রের সক্রিয়তা রুখতে আরও কঠোর পদক্ষেপের প্রয়োজন বলে মত বিশেষজ্ঞদের।
আজই ঘোষণা হতে পারে বাংলার ভোটার তালিকা সংশোধনের তারিখ, জানুন SIR প্রক্রিয়া ও প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট
আজই ঘোষণা হতে পারে বাংলার ভোটার তালিকা সংশোধনের তারিখ, জানুন SIR প্রক্রিয়া ও প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট
Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো | কলকাতা | আপডেট: ২৭ অক্টোবর ২০২৫, সকাল ৭:১৩
মূল পয়েন্টসমূহ:
সোমবারই ঘোষণা হতে পারে পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকার স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশন (SIR)।
বিকেল ৪.১৫-তে সাংবাদিক সম্মেলন করবে নির্বাচন কমিশন।
দেশের ১০ থেকে ১৫টি রাজ্যে প্রথম দফায় SIR প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে।
২৭ অক্টোবর, সোমবারই পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকার স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশন বা SIR প্রক্রিয়া নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করতে চলেছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission of India)। এ দিন বিকেল ৪.১৫-তে নয়াদিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক ডেকেছে কমিশন। সেখানে পশ্চিমবঙ্গ-সহ বিভিন্ন রাজ্যের ভোটার তালিকা সংশোধনের সময়সূচি (Schedule of SIR) জানানো হবে বলে কমিশন সূত্রে খবর।
কে ঘোষণা করবেন SIR-এর তারিখ?
এ দিনের সভায় উপস্থিত থাকবেন দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। তিনিই পুরো বিষয়টি খোলসা করবেন বলে জানা গিয়েছে। সূত্রের খবর, প্রাথমিকভাবে ১০ থেকে ১৫টি রাজ্যে একসঙ্গে SIR প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে। এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ, তামিলনাড়ু, কেরল, অসম ও পুদুচেরি রয়েছে বলে জানা গেছে।
পশ্চিমবঙ্গে SIR কেন গুরুত্বপূর্ণ?
ভোটার তালিকার সঠিকতা বজায় রাখার জন্য SIR প্রক্রিয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এতে মৃত ব্যক্তির নাম বাদ দেওয়া হয়, নতুন ভোটার যুক্ত হন এবং ঠিকানা পরিবর্তন সংক্রান্ত আপডেট করা হয়। ২০০২ সালের পর পশ্চিমবঙ্গে বড় পরিসরে SIR প্রক্রিয়া আর হয়নি। ফলে এবার অনেক নতুন নাগরিক প্রথমবারের মতো এই প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারবেন।
SIR-এ নাম রাখতে কী কী ডকুমেন্ট লাগবে?
নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, ভোটার তালিকায় নাম রাখার জন্য নাগরিকত্ব, বয়স এবং ঠিকানার প্রমাণ থাকা আবশ্যক। চলতি বছর বিহারে যেভাবে ১১টি নথি অনুমোদিত ছিল, তেমনই তালিকা পশ্চিমবঙ্গেও প্রযোজ্য হতে পারে। আবেদনকারীকে এই তালিকা থেকে যে কোনও একটি বা একাধিক ডকুমেন্ট জমা দিতে হবে।
📋 সম্ভাব্য ১১টি নথি যা লাগতে পারে (Documents For SIR 2025):
কেন্দ্র বা রাজ্য সরকারের পরিচয়পত্র (ID Card) — যেমন অফিসিয়াল আইডি, PSU বা সরকারি কর্মীর পরিচয়পত্র।
০১.০৭.১৯৮৭-এর আগের স্থানীয় কর্তৃপক্ষ, ব্যাঙ্ক, পোস্ট অফিস বা সরকারি সংস্থার শংসাপত্র বা নথি।
জন্ম সনদ বা বার্থ সার্টিফিকেট (Birth Certificate)।
পাসপোর্ট।
মাধ্যমিক বা উচ্চমাধ্যমিক পর্ষদ/বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাগত যোগ্যতার শংসাপত্র।
রাজ্য সরকারের দেওয়া স্থায়ী বাসিন্দা শংসাপত্র (Domicile Certificate)।
বনভূমি অধিকার শংসাপত্র (Forest Rights Document)।
তফসিলি জাতি, উপজাতি বা অনগ্রসর সম্প্রদায়ের জাতিগত শংসাপত্র।
জাতীয় নাগরিক পঞ্জি (NRC)-এর নথি, যদি প্রযোজ্য হয়।
ফ্যামিলি রেজিস্টার বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষের তৈরি পরিবারভিত্তিক রেকর্ড।
সরকারি জমি বা বাড়ি বরাদ্দের দলিল বা বরাদ্দ শংসাপত্র।
কাদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ যেতে পারে?
SIR প্রক্রিয়ার সময় যাঁরা মৃত, স্থানান্তরিত, বা একই ঠিকানায় একাধিক নাম দিয়েছেন, তাঁদের নাম বাদ যেতে পারে। এছাড়া ভুয়ো ভোটার চিহ্নিত হলে কমিশন সরাসরি নাম মুছে দেয়। তাই নির্ধারিত সময়ে ফর্ম ৬ বা ফর্ম ৮ পূরণ করে সঠিক তথ্য জমা দেওয়া খুবই জরুরি।
পুরনো ভোটারদের জন্য কী নিয়ম?
যাঁদের নাম ২০০২ সালের SIR তালিকায় রয়েছে এবং এখনও একই ঠিকানায় বসবাস করছেন, তাঁদের নতুন করে নথি দেখাতে হবে না বলেই কমিশন সূত্রে ইঙ্গিত। তবে যাঁদের ঠিকানা পরিবর্তন হয়েছে বা নামের বানান সংশোধন দরকার, তাঁদের আবেদন করতে হবে।
যদি কেউ SIR-এ অংশ না নেয়?
কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, SIR প্রক্রিয়ায় অংশ না নিলেও বিদ্যমান ভোটারদের ভোটাধিকার বাতিল হয় না। তবে যদি নাম বাদ পড়ে যায়, পুনঃসংযোজনের জন্য নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করতে হয়।
ℹ️ সাধারণ তথ্য:
📅 সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা: ২৭ অক্টোবর ২০২৫
🕓 সাংবাদিক সম্মেলন: বিকেল ৪:১৫
📍 স্থান: নয়াদিল্লি, নির্বাচন কমিশন ভবন
👤 প্রধান অতিথি: মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার
কীভাবে যাচাই করবেন নিজের নাম?
নাগরিকেরা voterportal.eci.gov.in ওয়েবসাইটে লগইন করে অথবা ‘Voter Helpline App’-এর মাধ্যমে নিজের নাম, ঠিকানা ও ভোটকেন্দ্র যাচাই করতে পারবেন। এছাড়াও স্থানীয় বুথ লেভেল অফিসার (BLO)-এর সঙ্গে যোগাযোগ করেও তথ্য সংশোধন করা যাবে।
উপসংহার
বাংলার ভোটার তালিকা সংশোধনের এই প্রক্রিয়া গণতন্ত্রের ভিত্তিকে আরও শক্তিশালী করবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। নাগরিকদের প্রতি পরামর্শ — প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত রাখুন, সময়মতো ফর্ম জমা দিন এবং নিজের ভোটাধিকার সুরক্ষিত রাখুন।
ঝাড়খণ্ডে চাঞ্চল্য! থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত ৫ শিশু রক্ত নেওয়ার পর এইচআইভি পজিটিভ
ঝাড়খণ্ডে চাঞ্চল্য! থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত ৫ শিশু রক্ত নেওয়ার পর এইচআইভি পজিটিভ
Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো | আপডেট: ২৬ অক্টোবর ২০২৫, রাঁচী
চাইবাসা সদর হাসপাতালের ব্লাড ব্যাঙ্কে দূষিত রক্তের অভিযোগে তদন্ত শুরু
ঝাড়খণ্ডের পশ্চিম সিংভূম জেলার চাইবাসায় থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত পাঁচ শিশুর শরীরে এইচআইভি ভাইরাস ধরা পড়ার ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজ্যজুড়ে। অভিযোগ, ওই শিশুরা সবাই একই ব্লাড ব্যাঙ্ক থেকে রক্ত নিয়েছিল। আর সেই রক্তই ছিল দূষিত। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই রাজ্যের স্বাস্থ্য দপ্তর থেকে তদন্ত শুরু হয়েছে।
একই ব্লাড ব্যাঙ্কের রক্ত, পাঁচ শিশুর শরীরে সংক্রমণ
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, চাইবাসা সদর হাসপাতালের ব্লাড ব্যাঙ্ক থেকেই ওই পাঁচ শিশুকে রক্ত দেওয়া হয়েছিল। তারা সকলেই দীর্ঘদিন ধরে থ্যালাসেমিয়া রোগে ভুগছে এবং নিয়মিত রক্ত সঞ্চালন প্রয়োজন হয়। সম্প্রতি এক শিশুর শরীরে এইচআইভি সংক্রমণ ধরা পড়ার পর বাকি চারজনেরও পরীক্ষা করা হলে একই ফলাফল মেলে।
তদন্তে স্বাস্থ্য দপ্তর, চাঞ্চল্যকর প্রাথমিক তথ্য
ঝাড়খণ্ড সরকারের স্বাস্থ্য পরিষেবার ডিরেক্টর দীনেশ কুমারের নেতৃত্বে গঠিত পাঁচ সদস্যের তদন্ত দল শনিবার রাঁচী থেকে চাইবাসা সদর হাসপাতালে পৌঁছে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে। তিনি জানান, “ব্লাড ব্যাঙ্কে কিছু গুরুতর অনিয়মের সন্ধান মিলেছে। প্রাথমিক তদন্তে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে যে, শিশুদের দূষিত রক্তই দেওয়া হয়েছিল। পুরো বিষয়টি বিস্তারিতভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”
দুই দফায় তদন্ত শুরু, নমুনা যাচাইয়ের নির্দেশ
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও তিন সদস্যের একটি পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। পশ্চিম সিংভূমের স্বাস্থ্য আধিকারিক সুশান্ত মাঝি জানিয়েছেন, “আমরা ব্লাড ব্যাঙ্কের নমুনা পুনরায় পরীক্ষার জন্য পাঠিয়েছি। শিশুরা ঠিক কোন সময়ে এবং কার রক্ত পেয়েছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন, “এইচআইভি সংক্রমণের উৎস এখনই নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়। কারণ, সংক্রমণের আরও নানা সম্ভাব্য কারণ থাকতে পারে। তবে ব্লাড ব্যাঙ্কের রক্ত থেকেই সংক্রমণ ছড়িয়েছে বলে ধারণা জোরদার হয়েছে।”
পরিবারগুলির মধ্যে আতঙ্ক, প্রশাসনের তৎপরতা
এই ঘটনার পর থেকেই আক্রান্ত শিশুদের পরিবারের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বহু পরিবার চাইবাসার ব্লাড ব্যাঙ্কে রক্তদান ও রক্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। তাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে রক্ত পরীক্ষার মান ও সুরক্ষা ব্যবস্থা ঢিলেঢালা ছিল। স্থানীয় প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে।
রাজ্যে রক্ত পরীক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন
চিকিৎসক মহল মনে করছে, এই ঘটনা রক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থার ভয়াবহ দুর্বলতাকে প্রকাশ করেছে। থ্যালাসেমিয়া রোগীদের নিয়মিত রক্ত সঞ্চালনের প্রয়োজন হয়, তাই রক্ত পরীক্ষার সময় এইচআইভি, হেপাটাইটিস বি ও সি ইত্যাদির জন্য বাধ্যতামূলক স্ক্রিনিং অত্যন্ত জরুরি। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই সেই প্রক্রিয়া যথাযথভাবে অনুসৃত হয় না।
এই ঘটনায় চিকিৎসক ও সমাজকর্মীদের একাংশ রাজ্য সরকারের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকেরও হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন। তাদের মতে, সমস্ত ব্লাড ব্যাঙ্কে অবিলম্বে পর্যালোচনা ও পুনরায় রক্ত নমুনা যাচাই করা দরকার।
দীনেশ কুমার জানিয়েছেন, “ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আপাতত আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসা এবং মানসিক সহায়তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।”
IND vs AUS: কামাল করে দিলেন হর্ষিত রানা, অজিদের উড়িয়ে দিল ভারত
IND vs AUS: কামাল, কামাল, কামাল করে দিলেন!
সিডনিতে দাপট দেখালেন হর্ষিত রানা ও ওয়াশিংটন সুন্দর — ছবি: ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া
🕓 সর্বশেষ আপডেট: ২৫ অক্টোবর ২০২৫, সিডনি সময় সন্ধ্যা ৭:৩০
সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে নিয়মরক্ষার ম্যাচে দাপট দেখালেন ভারতীয় বোলাররা। বল হাতে ঝলক দেখালেন হর্ষিত রানা ও ওয়াশিংটন সুন্দর। আর ফিল্ডিংয়ে রোহিত শর্মা ও শ্রেয়স আইয়ার যেন আগুন ঝরালেন! ফলে ২৩৬ রানে গুটিয়ে গেল অস্ট্রেলিয়া।
সমালোচনার জবাবে জবাব দিলেন হর্ষিত
তাঁকে দলে নেওয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন অনেকে। বিশেষত কোচ গৌতম গম্ভীরকে সোশ্যাল মিডিয়ায় কঠোর সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল। কিন্তু মাঠে নেমে সব প্রশ্নের জবাব দিলেন হর্ষিত রানা। বল হাতে আগুনে স্পেল ছুঁড়ে চারটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নিয়ে অজিদের দমবন্ধ করে দেন তিনি।
তাঁর প্রথম আঘাতেই কাঁপে অজিদের টপ অর্ডার। মিচেল মার্শ ও ট্র্যাভিস হেডকে ফিরিয়ে দিয়ে ভারতকে এগিয়ে দেন হর্ষিত। এরপর ম্যাক্সওয়েল ও কেরির উইকেট তুলে নেন ওয়াশিংটন সুন্দর, যিনি স্পিন আক্রমণে চমৎকার নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখেন।
ফিল্ডিংয়ে রোহিত-শ্রেয়সের জাদু
রোহিত শর্মার এক হাতে ক্যাচ দেখে মুগ্ধ দর্শকরা। শ্রেয়স আইয়ারের রান আউটেও ফুটে উঠল অসাধারণ রিফ্লেক্স। পুরো ম্যাচে ভারতীয় দল এমনভাবে ফিল্ডিং করেছে, যেন প্রতিটি বল ছিল ‘ফাইনাল’!
নিয়মরক্ষার ম্যাচ হলেও ভারতীয় দলের আত্মবিশ্বাস ছিল তুঙ্গে। নতুন মুখদের সুযোগ দেওয়ার মধ্যেও দেখা গেল সম্পূর্ণ পেশাদার মানসিকতা। তরুণদের পারফরম্যান্সে উজ্জ্বল হলো টিম ইন্ডিয়ার বেঞ্চ স্ট্রেংথ।
কোচ গম্ভীর ম্যাচ শেষে বলেন, “আমি জানতাম, হর্ষিতের মধ্যে বিশেষ কিছু আছে। আজ সে নিজের সামর্থ্য প্রমাণ করেছে।” তিনি আরও যোগ করেন, “এই জয় আমাদের আত্মবিশ্বাস বাড়াবে আগামি সিরিজের জন্য।”
অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং ব্যর্থতা
অজি ব্যাটারদের মধ্যে একমাত্র স্টিভ স্মিথ লড়াই করেছেন। তাঁর ৬৭ রানের ইনিংস ছাড়া কেউই বড় কিছু করতে পারেননি। ভারতীয় বোলারদের শৃঙ্খলাবদ্ধ লাইন-লেংথে বারবার বিপদে পড়েছেন ওয়ার্নার, মার্শ ও লাবুশেন।
আগামী ম্যাচের প্রস্তুতি
এই জয় ভারতীয় শিবিরে মনোবল বাড়িয়ে দিয়েছে। কোচিং স্টাফ জানিয়ে দিয়েছে, পরবর্তী সিরিজে আরও তরুণদের সুযোগ দেওয়া হবে। বিশেষ করে হর্ষিত রানা ও ওয়াশিংটন সুন্দরকে ঘিরে এখন প্রচুর আশার আলো দেখছে ক্রিকেটপ্রেমীরা।
অরুণাচলপ্রদেশে নামপং অভিযানে তিন লিঙ্কম্যান গ্রেফতার, বিপুল চিকিৎসা সামগ্রী জব্দ
দুঃসংবাদ / নিরাপত্তা
অরুণাচলপ্রদেশে নামপং অভিযানে তিন লিঙ্কম্যান গ্রেফতার, বিপুল চিকিৎসা সামগ্রী জব্দ
Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো • আপডেট: 25 অক্টোবর 2025 • অবস্থান: নামপং (চাংলাং জেলা), অরুণাচলপ্রদেশ
প্রতীকী ছবি: নামপং এলাকায় পুলিশ ও সৈন্যদের যৌথ অভিযান (ফাইল/প্রতীকী)।
অরুণাচলপ্রদেশের চাংলাং জেলার নামপং এলাকায় শুক্রবার (২৫ অক্টোবর ২০২৫) সকাল থেকে বিশেষ আভিযান চালিয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনী এক মহিলা-সহ আলফা স্বাধীনের তিন লিঙ্কম্যানকে গ্রেফতার করেছে। সরকারি সূত্র এবং গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, গ্রেফতারের সময় বিপুল পরিমাণ চিকিৎসা সামগ্রী ও অন্যান্য সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।
কী ঘটেছে — সংক্ষিপ্ত তথ্য
অভিযান এলাকা
নামপং, চাংলাং জেলা, অরুণাচলপ্রদেশ
গ্রেফতার
৩ লিঙ্কম্যান (জিতু, জুলি, দীপক) ও ১ মহিলা — পাশাপাশি পাচারে সহযোগী হিসেবে মায়ানমারের এক নাগরিক গ্রেফতার।
উদ্ধার
বিপুল পরিমাণ চিকিৎসা সামগ্রী, বেসিক মেডিক্যাল সরঞ্জাম, কিছু ইলেকট্রনিক ডিভাইস ও লজিস্টিক উপকরণ।
গোয়েন্দা তথ্যে দাবি করা হয়েছে যে আলফা স্বাধীনের ‘স্বঘোষিত মেজর জেনারেল’ অরুণোদয় দহোতিয়া অসমের তিনসুকিয়া অঞ্চলের এক ব্যক্তির মাধ্যমে নামপং-সহ অরুণাচলের আলফা শিবিরে নিয়মিতভাবে ওষুধ ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী পাঠানোর নির্দেশ দিত। ওই সূত্র ধরেই গত কয়েক দিনে নজরদারি বাড়ানো হয় এবং শেষমেষ নামপং এলাকায় যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে জব্দ সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে — প্রাথমিকভাবে বলা হচ্ছে বড় সংখ্যক ওষুধের প্যাকেট, ব্যান্ডেজ ও বেসিক সার্জিকাল সরঞ্জাম, ইনট্রাভেনাস কিট, অ্যান্টিসেপটিক পণ্য এবং কমিউনিকেশনের জন্য ব্যবহৃত কিছু ডিভাইস। নিরাপত্তা বাহিনী জানিয়েছে এগুলো সংগঠিতভাবে শিবিরে পাঠানোর জন্য ব্যবহার হত।
গ্রেফতারদের পরিচয় ও অভিযোগ
পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার অভিযুক্ত জিতু, জুলি ও দীপক। গোয়েন্দা সূত্র বলছে, তারা আলফা নেটওয়ার্কের স্থানীয় লিঙ্কম্যান হিসেবে কাজ করত—কখন কোথায় সরবরাহ পৌঁছবে, কোন পথে পাঠানো হবে ইত্যাদি সমন্বয় করত। এছাড়া পাচারের সঙ্গে সাহায্যকারী হিসেবে মায়ানমারের একজনকে গ্রেফতার করেছে বাহিনী; তাঁর নাম-পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি এবং যাচাই করা হচ্ছে।
আটক হওয়া মেয়ে এবং তাঁর ভূমিকা
অভিযানে একজন মহিলাকেও আটক করা হয়েছে; প্রাথমিক বিবরণ অনুযায়ী তিনি পার্শ্ববর্তী এলাকায় যোগাযোগে সহায়তা করত এবং সাময়িকভাবে সামগ্রীর সংরক্ষণে জড়িত ছিলেন। তদন্তকারীরা তার কাসিন ও মোবাইল ডেটা বিশ্লেষণ করে আরও তথ্য বের করার চেষ্টা করছেন।
গোয়েন্দা সূত্র ও আলফা স্বাধীন নেটওয়ার্ক
গোয়েন্দা সূত্রের উদ্ধৃতিতে বলা হয়েছে, স্বঘোষিত মেজর জেনারেল অরুণোদয় দহোতিয়ার নির্দেশে তিনসুকিয়ার এক ব্যক্তি মাঝে মধ্যেই মেডিক্যাল ও সরবরাহ-সম্পর্কিত জিনিসপত্র পাঠিয়ে থাকত অরুণাচলের আলফা শিবিরে। নিরাপত্তা বাহিনী গবেষণা করছে ওই তিনসুকিয়া-নামপং কনেকশনের উৎস, রুট ও আর্থিক লেনদেনের সিলসিলা।
উদ্ধার তালিকা — প্রাথমিক (বিবরণী)
বৃহৎ পরিমাণ প্যাকেট বাধ্যতামূলক ওষুধ (অ্যান্টিবায়োটিক, ব্যথানাশক ইত্যাদি) — প্রাথমিক গণনা চলছে।
বেসিক সার্জিক্যাল কিট ও ব্যান্ডেজ
ইনট্রাভেনাস ও ড্রিপ কিট
কমিউনিকেশন ডিভাইস (মোবাইল, সিম, কিছু রেডিও/ট্রান্সসিভার)
লজিস্টিক সরঞ্জাম (ব্যাগ, প্যাকিং উপকরণ ইত্যাদি)
নিরাপত্তা বাহিনী জানায়, উদ্ধারের পর সামগ্রী পরিচ্ছন্নভাবে গোনা ও তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। প্রয়োজনে আরও ফরেনসিক পরীক্ষা করা হবে যাতে জড়িত নেটওয়ার্ক ও সরবরাহ চেইন চিহ্নিত করা যায়।
কোন ধারা প্রযোজ্য হতে পারে
পুলিশের প্রথমিক বক্তব্য অনুযায়ী গ্রেফতারের বিরুদ্ধে অস্ত্র-নিষিদ্ধ সংগঠনের শরিক হওয়ার অভিযোগ এবং পাচার/অবৈধ সরবরাহ সংক্রান্ত ধারায় মামলা হতে পারে; তবে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (প্রথম তথ্য প্রকাশ) এখনও সরকারি নোটিসে জারি করা হয়নি।
তদন্তের পরবর্তী ধাপ
গ্রেফতারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ ও মোবাইল/ডিভাইস বিশ্লেষণ।
উদ্ধারকৃত সামগ্রীর ফরেনসিক/ল্যাব টেস্ট।
সীমান্ত-আধারিত যোগাযোগ রূট চিহ্নিত করে টেইক-ডাউন অপারেশন পরিকল্পনা।
সম্ভাব্য সিন্ডিকেট সদস্যদের বিরুদ্ধে চেইন-রুট অনুসরণ করে মামলা দায়ের।
সূত্র: স্থানীয় পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর পত্রিকাগত বিবরণ ও গোয়েন্দা সূত্র (প্রাথমিক)। অনুলিপি/বিবরণীতে জনিত যে কোনও তথ্য অফিসিয়াল বিবৃতি দ্বারা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।