Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Tuesday, 28 October 2025

“পেটের এন্টিবায়োটিক: নীরব বিপর্যয়”

পেটের এন্টিবায়োটিক কোর্স: সাময়িক স্বস্তি, নাকি আজীবনের বিপদ?

💊 পেটের এন্টিবায়োটিক ৭ বা ১৪ দিনের কোর্স — যা হতে পারে সারা জীবনের সর্বনাশ!

পেটের এন্টিবায়োটিকের প্রভাব
এন্টিবায়োটিক পেটের ভেতরের উপকারী ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে দিতে পারে — ছবি: প্রতীকী

পেটে একটু জ্বালা, বুকে চিনচিন ব্যথা? ভাবলেন, ‘একটা কোর্স করলেই সব ঠিক!’ কিন্তু জানেন কি, সেই ৭ বা ১৪ দিনের এন্টিবায়োটিক কোর্সের আড়ালে লুকিয়ে থাকতে পারে আজীবনের অশান্তির বীজ?

⚠️ সতর্কতা: এন্টিবায়োটিক নিজের মতো করে খাওয়া বিপজ্জনক। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধের কোর্স শুরু বা বন্ধ করা উচিত নয়।

🎭 ধাপ ১: মিষ্টি স্বস্তি ও মিথ্যে ভরসা

ওষুধ খাওয়ার পর ৩-৫ দিনেই উপসর্গ কমে যায়। কিন্তু সেই সাময়িক আরামের আড়ালেই লুকিয়ে থাকে “ঝড়ের আগে নীরবতা”। প্রদাহ তখনও ভেতরে জ্বলছে।

🎭 ধাপ ২: পেটের ভেতরের যুদ্ধক্ষেত্র

এন্টিবায়োটিক শত্রু জীবাণু ধ্বংস করতে গিয়ে ভালো ব্যাকটেরিয়াকেও নিঃশেষ করে। একইসাথে গ্যাসের ওষুধ (PPI) অ্যাসিড উৎপাদন বন্ধ করে দেয়, ফলে উপসর্গ চাপা পড়ে যায় কিন্তু প্রদাহ থেকে যায়।

🎭 ধাপ ৩: অসম্পূর্ণ নিরাময় ও নীরব প্রদাহ

জীবাণু কমলেও পেটের ক্ষত শুকায় না, মিউকাস লেয়ার দুর্বল থাকে। এটাই রোগের বীজ যা ভবিষ্যতে IBS, IBD বা Gastritis হিসেবে ফিরে আসে।

🎭 ধাপ ৪: ভুয়ো রিপোর্টের ফাঁদ

টেস্টে নেগেটিভ আসলেও ভেতরে লুকিয়ে থাকা জীবাণু “বায়োফিল্ম” তৈরি করে বেঁচে থাকে। প্রদাহ পুরোপুরি বন্ধ হয় না, কেবল ধীর গতিতে চলে।

🎭 ধাপ ৫: উপকারী বন্ধুদের গণহত্যা — Microbiome Collapse

  • হজমের সমস্যা ও ফোলা ভাব
  • ভিটামিন ঘাটতি (B12, D, আয়রন)
  • খাদ্য অ্যালার্জি ও ইমিউন দুর্বলতা
🧬 Gut Microbiome হলো পেটের সেই “অদৃশ্য সেনাবাহিনী” যারা খাবার হজম, ভিটামিন উৎপাদন ও রোগপ্রতিরোধে কাজ করে।

🎭 ধাপ ৬: মুখ থেকে রেক্টাম পর্যন্ত সিস্টেম জ্যাম!

একবারের ভুলে গোটা হজমতন্ত্রের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যায় — পাকস্থলী পাতলা দেয়াল, অন্ত্রের প্রদাহ, এবং দীর্ঘস্থায়ী বদহজমের মতো জটিল সমস্যা তৈরি হয়।

🎭 ধাপ ৭: ইকোসিস্টেম ধস — The Point of No Return

যখন প্রদাহ স্থায়ী হয়, জীবাণু লুকিয়ে থাকে এবং ভালো ব্যাকটেরিয়া বিলুপ্ত হয়, তখন পেটের ছন্দ হারিয়ে যায়। এই পর্যায়েই শুরু হয় ক্রনিক অসুখের চক্র।

🎭 ধাপ ৮: ওজন কমে যাওয়ার আসল কারণ

  • খাবার শোষণ বন্ধ (Malabsorption)
  • স্থায়ী প্রদাহে শক্তি ক্ষয়
  • দুর্বল মেটাবলিজম

🎭 ধাপ ৯: পেট নয়, পুরো শরীর আক্রান্ত!

এন্টিবায়োটিকের ক্ষতি শুধু পেটে নয় — এর প্রভাব পড়ে থাইরয়েড, PCOS, ফ্যাটি লিভার, ডায়াবেটিস, Anxiety, Depression, এমনকি রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতার ওপরও।


🌿 Asad Holistic Health Center-এর বার্তা:

আমরা বিশ্বাস করি, উপসর্গ চেপে রাখা নয় — সমস্যার গোড়ায় পৌঁছানোই আসল সমাধান। আপনার পেটের “ভাঙা ইকোসিস্টেম” পুনর্গঠনই স্থায়ী আরোগ্যের চাবিকাঠি।

সিদ্ধান্ত নিন: দ্রুত স্বস্তি নয়, স্থায়ী নিরাময় খুঁজুন। পেটের ভেতরের প্রকৃত পরিবেশ (Gut Health) পুনর্গঠন করুন।

Monday, 27 October 2025

পশ্চিমবঙ্গ ও ১১টি এলাকায় ২৮ অক্টোবর থেকে শুরু হচ্ছে SIR — সম্পূর্ণ নির্দেশনা

পশ্চিমবঙ্গ ও ১১টি এলাকায় ২৮ অক্টোবর থেকে শুরু হচ্ছে SIR — সম্পূর্ণ নির্দেশনা

পশ্চিমবঙ্গে ২৮ অক্টোবর থেকে শুরু হচ্ছে SIR (Special Intensive Revision) — পুরো নির্দেশনা

আপডেট: ২৭ অক্টোবর ২০২৫ · সংবাদ: নির্বাচন কমিশন প্রেস কনফারেন্স ও অফিসিয়াল সার্কুলার অনুসারে
Election Commission - SIR
ছবি: নির্বাচন কমিশন/প্রতীকী — SIR (Special Intensive Revision) কার্যক্রমের আভাস।
সংক্ষেপে — কী হচ্ছে?

নির্বাচন কমিশন দ্বিতীয় দফায় মোট ১২টি রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে Special Intensive Revision (SIR) শুরু করেছে। পশ্চিমবঙ্গ এই দ্বিতীয় দফায় রয়েছে। লক্ষ্য: ভোটার তালিকা হালনাগাদকরণ, অপ্রযোজ্য/ডুপ্লিকেট এন্ট্রি সরানো, নতুন যোগ করবেন যোগ্য ভোটারদের তালিকায় আনয়ন।

কোন কোন রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এই দফায় আচ্ছাদিত?

এই দ্বিতীয় দফায় নির্বাচন কমিশন যে ১২টি স্থান উল্লেখ করেছে তা হলো — আন্দামান ও নিকোবার দ্বীপপুঞ্জ, ছত্তিসগড়, গোয়া, গুজরাত, কেরালা, লাক্ষাদ্বীপ, মধ্যপ্রদেশ, পুদুচেরি, রাজস্থান, তামিলনাড়ু, উত্তরপ্রদেশ ও পশ্চিমবঙ্গ।

সময়সূচি — কোন প্রক্রিয়া কখন হবে?

  • প্রিন্টিং/প্রশিক্ষণ: ২৮ অক্টোবর থেকে ৩ নভেম্বর। (BLO ও অন্যান্য স্টাফদের প্রশিক্ষণসহ ফর্ম প্রিন্টিং হবে)
  • হাউস টু হাউস এনুমেরেশন (BLO-এর মাঠপর্ব): ৪ নভেম্বর থেকে ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত।
  • খসড়া তালিকা প্রকাশ: ৯ ডিসেম্বর।
  • দাবি-অভিযোগ সময়সীমা: ৯ ডিসেম্বর থেকে ৮ জানুয়ারি, ২০২৬ পর্যন্ত।
  • অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে (scrutiny): চলবে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত।
  • চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ: ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬।

উপরের সময়সূচি ও ধাপগুলি নির্বাচন কমিশনের প্রেস কনফারেন্স ও অফিসিয়াল নির্দেশিকার ভিত্তিতে ঘোষণা করা হয়েছে।

ভোটারদের করণীয় — কীভাবে সহযোগিতা করবেন?

নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে যে প্রতিটি ভোটারের বাড়িতে BLO তিনবার করে যাবে এবং তাঁদের হাতে এনুমেরেশন ফর্ম তুলে দেবে। নতুন যোগ হওয়া ভোটারদের ফর্মপূরণে সাহায্য করবেন ERO/AERO। যারা বয়স্ক, অসুস্থ, অশিক্ষিত বা প্রতিবন্ধী — তাদের জন্য বাড়ি বসেই বিশেষ সহায়তা নিশ্চিত করা হবে।

কে ভোটার হবে — যোগ্যতার শর্তাবলী?

  • ভারতীয় নাগরিক হতে হবে।
  • ভোটার হওয়ার সময় বয়স কমপক্ষে ১৮ বছর হতে হবে।
  • নির্দিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় বসবাস করতে হবে (স্থায়ী/অস্থায়ী রেসিডেন্স প্রমাণ দরকার হতে পারে)।

SIR-এর জন্য কোন নথি লাগবে?

নির্বাচন কমিশন কয়েকটি নির্দিষ্ট নথি স্বীকৃত করেছে। প্রধান নথিগুলো —

  • ১৯৮৭ সালের ১ জুলাইয়ের আগে ব্যাংক/পোস্ট অফিস/LIC/স্থানীয় প্রশাসনের দেওয়া যে কোনও নথি (যদি প্রযোজ্য)।
  • পাসপোর্ট (বৈধ) ।
  • মাধ্যমিক বা তার উচ্চতর শিক্ষাগত শংসাপত্র।
  • কেন্দ্র/রাজ্য সরকারের কর্মচারী বা পেনশনপ্রাপ্তদের পরিচয়পত্র।
  • ফরেস্ট রাইট সার্টিফিকেট (যদি প্রযোজ্য)।
  • জাতিগত শংসাপত্র (Caste certificate) — যেখানে প্রয়োজন।
  • স্থানীয় প্রশাসনের দেওয়া পারিবারিক রেজিস্ট্রার।
  • রাজ্য সরকারের দেওয়া বাসস্থানের শংসাপত্র।
  • জমি বা বাড়ির দলিল।

নির্বাচন কমিশন নির্দেশ দিয়েছে — শুধুমাত্র অনুমোদিত ডকুমেন্টগুলি গ্রহণ করা হবে; রাজ্য-স্তরের অনন্য নথি ব্যবহার বিষয়ে EC-এর সীমাবদ্ধতা আছে।

BLO, ERO ও স্থানীয় প্রশাসনের দায়িত্ব

BLO-রা মাঠের প্রধান ঠিকাদার — তারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ফর্ম দেবে, তথ্য নেবে ও সাহায্য করবে। ERO/AERO নতুন ভোটারদের ফর্ম পূরণে সহায়তা করবেন এবং প্রয়োজনীয় যাচাইপত্র সংগ্রহ করবেন। কমিশন দাবি করেছে যে এই দফায় পরিপাটি ও শান্তিপূর্ণভাবে কাজ হবে এবং প্রয়োজনের ক্ষেত্রে নতুন পোলিং স্টেশনও খোলা হবে।

নোট: যদি ভোটার নিজের নাম না পায় বা ডুপ্লিকেট সমস্যা হয়, খসড়া তালিকা প্রকাশের পর নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে (দাবি-অভিযোগ পর্বে) অভিযোগ জানানো যাবে এবং কমিশন তা পর্যালোচনা করবে।

রিপোর্ট: Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো · তথ্যসূত্র: নির্বাচন কমিশন প্রেস কনফারেন্স ও জাতীয় সংবাদ সম্মেলন রিপোর্ট। বিস্তারিত তথ্য ও অফিসিয়াল নোটিফিকেশন দেখতে নির্বাচন কমিশনের স্থানীয় অফিস/ওয়েবসাইট দেখুন।

ত্রিপুরায় আটক ৬ বাংলাদেশি, এক শিশুসহ সীমান্ত পারের অভিযোগ

ত্রিপুরায় আটক ৬ বাংলাদেশি, এক শিশুসহ সীমান্ত পারের অভিযোগ

ত্রিপুরায় আটক ৬ বাংলাদেশি, এক শিশুসহ সীমান্ত পারের অভিযোগ

ত্রিপুরায় আটক বাংলাদেশি নাগরিক

Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো | আমবাসা (ত্রিপুরা) | আপডেট: ২৭ অক্টোবর ২০২৫

হাইলাইটস:
  • ত্রিপুরার আমবাসা রেলস্টেশন থেকে এক শিশু-সহ ৬ বাংলাদেশি নাগরিক আটক।
  • অভিযোগ, তাঁরা অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন।
  • পুলিশ জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি ছিল তাঁদের চূড়ান্ত গন্তব্য।

গোপন সূত্রের খবরের ভিত্তিতে ত্রিপুরা পুলিশের এক বিশেষ দল আমবাসা রেলস্টেশন এলাকায় অভিযান চালিয়ে এক শিশু-সহ ৬ জন বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করেছে। প্রাথমিক জেরায় জানা গিয়েছে, তাঁরা অবৈধভাবে বাংলাদেশ থেকে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন এবং কাজের সন্ধানেই ত্রিপুরা হয়ে পশ্চিমবঙ্গে যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন।

কীভাবে এলেন তাঁরা ভারতে?

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতদের দাবি—তাঁরা বাংলাদেশের ময়মনসিংহ ও কুমিল্লা জেলার বাসিন্দা। দালালচক্রের সাহায্যে তাঁরা টাকার বিনিময়ে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে ঢুকেছিলেন। প্রথমে তাঁদের ত্রিপুরার কৈলাসহর হয়ে আগরতলায় পৌঁছনোর কথা ছিল, সেখান থেকে রেলযোগে জলপাইগুড়িতে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল তাঁদের।

কাদের আটক করা হয়েছে?

ধৃতদের মধ্যে পাঁচজন প্রাপ্তবয়স্ক এবং একজন শিশু রয়েছে। প্রাপ্তবয়স্কদের বয়স ২০ থেকে ৩৮ বছরের মধ্যে। পুলিশের সন্দেহ, এই দলটি বৃহত্তর মানব পাচার বা অবৈধ শ্রমিক সরবরাহ চক্রের অংশ হতে পারে।

পুলিশ কী বলছে?

আমবাসা থানার এক আধিকারিক জানিয়েছেন — “গোপন সূত্রের তথ্যের ভিত্তিতে আমরা স্টেশনে তল্লাশি চালাই। ছয়জনকে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাঘুরি করতে দেখে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়। জেরায় তাঁরা স্বীকার করেন যে, সীমান্ত পেরিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছেন।”

তিনি আরও জানান, “ধৃতদের বিরুদ্ধে বিদেশি নাগরিক আইন (Foreigners Act)-এর অধীনে মামলা রুজু করা হয়েছে। পাশাপাশি, তাঁদের ভারতে প্রবেশে জড়িত দালালদের খোঁজে তদন্ত শুরু হয়েছে।”

দালালচক্রের সন্ধানে পুলিশ

তদন্তে উঠে এসেছে, বাংলাদেশ থেকে সীমান্ত পার করিয়ে দেওয়ার জন্য প্রতি জনের কাছ থেকে কয়েক হাজার টাকা নেওয়া হয়েছিল। দালালচক্রটি সম্ভবত আগরতলা ও ধলাই জেলাজুড়ে সক্রিয়। রাজ্য গোয়েন্দা সংস্থাও তদন্তে নেমেছে। পুলিশের ধারণা, এই চক্রের মাধ্যমে আরও অনেক বাংলাদেশি অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করছে।

চূড়ান্ত গন্তব্য জলপাইগুড়ি

জেরায় ধৃতরা জানিয়েছেন, তাঁদের গন্তব্য ছিল পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলা। সেখানেই তাঁরা দিনমজুরির কাজ পেতেন বলে দালালচক্র তাঁদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। পুলিশের সন্দেহ, পশ্চিমবঙ্গের শ্রমবাজারে অবৈধভাবে কাজ করা বিদেশি নাগরিকদের এক অংশ এই চক্রের মাধ্যমেই প্রবেশ করছে।

আইনগত প্রক্রিয়া শুরু

ধৃতদের আপাতত আমবাসা থানায় রাখা হয়েছে। স্থানীয় আদালতে পেশ করার পর তাঁদের বিদেশি নাগরিক আইন অনুযায়ী ডিটেনশন ক্যাম্পে পাঠানো হতে পারে। পাশাপাশি, সীমান্ত নিরাপত্তা বাহিনী (BSF)-এর সঙ্গেও তথ্য ভাগ করা হচ্ছে যাতে সীমান্তে নজরদারি আরও জোরদার করা যায়।

📌 মূল তথ্য এক নজরে:
📍 স্থান: আমবাসা রেলস্টেশন, ত্রিপুরা
👥 আটক: ৬ বাংলাদেশি (এক শিশু-সহ)
🚫 অভিযোগ: অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ
🎯 গন্তব্য: পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি
👮 তদন্তকারী সংস্থা: ত্রিপুরা পুলিশ

স্থানীয় প্রতিক্রিয়া

স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ জানিয়েছেন, সম্প্রতি রেলস্টেশন এলাকায় বিদেশি নাগরিকদের চলাফেরা নিয়ে সন্দেহজনক ঘটনা বেড়েছে। তাঁরা প্রশাসনের কাছ থেকে কড়া পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।

উপসংহার

ত্রিপুরা-বাংলাদেশ সীমান্ত বরাবর অবৈধ অনুপ্রবেশ দীর্ঘদিনের সমস্যা। প্রশাসনের দাবি, সীমান্তে প্রযুক্তিগত নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। তবুও দালালচক্রের সক্রিয়তা রুখতে আরও কঠোর পদক্ষেপের প্রয়োজন বলে মত বিশেষজ্ঞদের।

📸 ছবি প্রতীকী | প্রতিবেদন: Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো | কপিরাইট © 2025

#TripuraNews #Ambassa #BangladeshiDetained #IllegalEntry #TripuraPolice #BorderSecurity #BSF #বাংলাখবর #ত্রিপুরাখবর #বাংলাদেশসীমান্ত #YBanglaDigital #BanglaNews #IndiaBangladeshBorder #Jalpaiguri #IllegalMigration #HumanTrafficking #SecurityAlert #AmbassaStation #NewsUpdate #BreakingNews

আজই ঘোষণা হতে পারে বাংলার ভোটার তালিকা সংশোধনের তারিখ, জানুন SIR প্রক্রিয়া ও প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট

আজই ঘোষণা হতে পারে বাংলার ভোটার তালিকা সংশোধনের তারিখ, জানুন SIR প্রক্রিয়া ও প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট

আজই ঘোষণা হতে পারে বাংলার ভোটার তালিকা সংশোধনের তারিখ, জানুন SIR প্রক্রিয়া ও প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট

SIR West Bengal 2025 ঘোষণা

Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো | কলকাতা | আপডেট: ২৭ অক্টোবর ২০২৫, সকাল ৭:১৩

মূল পয়েন্টসমূহ:
  • সোমবারই ঘোষণা হতে পারে পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকার স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশন (SIR)।
  • বিকেল ৪.১৫-তে সাংবাদিক সম্মেলন করবে নির্বাচন কমিশন।
  • দেশের ১০ থেকে ১৫টি রাজ্যে প্রথম দফায় SIR প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে।

২৭ অক্টোবর, সোমবারই পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকার স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশন বা SIR প্রক্রিয়া নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করতে চলেছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission of India)। এ দিন বিকেল ৪.১৫-তে নয়াদিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক ডেকেছে কমিশন। সেখানে পশ্চিমবঙ্গ-সহ বিভিন্ন রাজ্যের ভোটার তালিকা সংশোধনের সময়সূচি (Schedule of SIR) জানানো হবে বলে কমিশন সূত্রে খবর।

কে ঘোষণা করবেন SIR-এর তারিখ?

এ দিনের সভায় উপস্থিত থাকবেন দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। তিনিই পুরো বিষয়টি খোলসা করবেন বলে জানা গিয়েছে। সূত্রের খবর, প্রাথমিকভাবে ১০ থেকে ১৫টি রাজ্যে একসঙ্গে SIR প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে। এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ, তামিলনাড়ু, কেরল, অসম ও পুদুচেরি রয়েছে বলে জানা গেছে।

পশ্চিমবঙ্গে SIR কেন গুরুত্বপূর্ণ?

ভোটার তালিকার সঠিকতা বজায় রাখার জন্য SIR প্রক্রিয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এতে মৃত ব্যক্তির নাম বাদ দেওয়া হয়, নতুন ভোটার যুক্ত হন এবং ঠিকানা পরিবর্তন সংক্রান্ত আপডেট করা হয়। ২০০২ সালের পর পশ্চিমবঙ্গে বড় পরিসরে SIR প্রক্রিয়া আর হয়নি। ফলে এবার অনেক নতুন নাগরিক প্রথমবারের মতো এই প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারবেন।

SIR-এ নাম রাখতে কী কী ডকুমেন্ট লাগবে?

নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, ভোটার তালিকায় নাম রাখার জন্য নাগরিকত্ব, বয়স এবং ঠিকানার প্রমাণ থাকা আবশ্যক। চলতি বছর বিহারে যেভাবে ১১টি নথি অনুমোদিত ছিল, তেমনই তালিকা পশ্চিমবঙ্গেও প্রযোজ্য হতে পারে। আবেদনকারীকে এই তালিকা থেকে যে কোনও একটি বা একাধিক ডকুমেন্ট জমা দিতে হবে।

📋 সম্ভাব্য ১১টি নথি যা লাগতে পারে (Documents For SIR 2025):
  1. কেন্দ্র বা রাজ্য সরকারের পরিচয়পত্র (ID Card) — যেমন অফিসিয়াল আইডি, PSU বা সরকারি কর্মীর পরিচয়পত্র।
  2. ০১.০৭.১৯৮৭-এর আগের স্থানীয় কর্তৃপক্ষ, ব্যাঙ্ক, পোস্ট অফিস বা সরকারি সংস্থার শংসাপত্র বা নথি।
  3. জন্ম সনদ বা বার্থ সার্টিফিকেট (Birth Certificate)।
  4. পাসপোর্ট।
  5. মাধ্যমিক বা উচ্চমাধ্যমিক পর্ষদ/বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাগত যোগ্যতার শংসাপত্র।
  6. রাজ্য সরকারের দেওয়া স্থায়ী বাসিন্দা শংসাপত্র (Domicile Certificate)।
  7. বনভূমি অধিকার শংসাপত্র (Forest Rights Document)।
  8. তফসিলি জাতি, উপজাতি বা অনগ্রসর সম্প্রদায়ের জাতিগত শংসাপত্র।
  9. জাতীয় নাগরিক পঞ্জি (NRC)-এর নথি, যদি প্রযোজ্য হয়।
  10. ফ্যামিলি রেজিস্টার বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষের তৈরি পরিবারভিত্তিক রেকর্ড।
  11. সরকারি জমি বা বাড়ি বরাদ্দের দলিল বা বরাদ্দ শংসাপত্র।

কাদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ যেতে পারে?

SIR প্রক্রিয়ার সময় যাঁরা মৃত, স্থানান্তরিত, বা একই ঠিকানায় একাধিক নাম দিয়েছেন, তাঁদের নাম বাদ যেতে পারে। এছাড়া ভুয়ো ভোটার চিহ্নিত হলে কমিশন সরাসরি নাম মুছে দেয়। তাই নির্ধারিত সময়ে ফর্ম ৬ বা ফর্ম ৮ পূরণ করে সঠিক তথ্য জমা দেওয়া খুবই জরুরি।

পুরনো ভোটারদের জন্য কী নিয়ম?

যাঁদের নাম ২০০২ সালের SIR তালিকায় রয়েছে এবং এখনও একই ঠিকানায় বসবাস করছেন, তাঁদের নতুন করে নথি দেখাতে হবে না বলেই কমিশন সূত্রে ইঙ্গিত। তবে যাঁদের ঠিকানা পরিবর্তন হয়েছে বা নামের বানান সংশোধন দরকার, তাঁদের আবেদন করতে হবে।

যদি কেউ SIR-এ অংশ না নেয়?

কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, SIR প্রক্রিয়ায় অংশ না নিলেও বিদ্যমান ভোটারদের ভোটাধিকার বাতিল হয় না। তবে যদি নাম বাদ পড়ে যায়, পুনঃসংযোজনের জন্য নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করতে হয়।

ℹ️ সাধারণ তথ্য:
📅 সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা: ২৭ অক্টোবর ২০২৫
🕓 সাংবাদিক সম্মেলন: বিকেল ৪:১৫
📍 স্থান: নয়াদিল্লি, নির্বাচন কমিশন ভবন
👤 প্রধান অতিথি: মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার

কীভাবে যাচাই করবেন নিজের নাম?

নাগরিকেরা voterportal.eci.gov.in ওয়েবসাইটে লগইন করে অথবা ‘Voter Helpline App’-এর মাধ্যমে নিজের নাম, ঠিকানা ও ভোটকেন্দ্র যাচাই করতে পারবেন। এছাড়াও স্থানীয় বুথ লেভেল অফিসার (BLO)-এর সঙ্গে যোগাযোগ করেও তথ্য সংশোধন করা যাবে।

উপসংহার

বাংলার ভোটার তালিকা সংশোধনের এই প্রক্রিয়া গণতন্ত্রের ভিত্তিকে আরও শক্তিশালী করবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। নাগরিকদের প্রতি পরামর্শ — প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত রাখুন, সময়মতো ফর্ম জমা দিন এবং নিজের ভোটাধিকার সুরক্ষিত রাখুন।

📌 প্রতিবেদন: Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো | কপিরাইট © 2025 | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

Sunday, 26 October 2025

৫ শিশু রক্ত নেওয়ার পর এইচআইভি পজিটিভ

ঝাড়খণ্ডে চাঞ্চল্য! থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত ৫ শিশু রক্ত নেওয়ার পর এইচআইভি পজিটিভ

ঝাড়খণ্ডে চাঞ্চল্য! থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত ৫ শিশু রক্ত নেওয়ার পর এইচআইভি পজিটিভ

Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো | আপডেট: ২৬ অক্টোবর ২০২৫, রাঁচী

ঝাড়খণ্ড চাইবাসা হাসপাতালে এইচআইভি সংক্রমণ তদন্ত
চাইবাসা সদর হাসপাতালের ব্লাড ব্যাঙ্কে দূষিত রক্তের অভিযোগে তদন্ত শুরু

ঝাড়খণ্ডের পশ্চিম সিংভূম জেলার চাইবাসায় থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত পাঁচ শিশুর শরীরে এইচআইভি ভাইরাস ধরা পড়ার ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজ্যজুড়ে। অভিযোগ, ওই শিশুরা সবাই একই ব্লাড ব্যাঙ্ক থেকে রক্ত নিয়েছিল। আর সেই রক্তই ছিল দূষিত। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই রাজ্যের স্বাস্থ্য দপ্তর থেকে তদন্ত শুরু হয়েছে।

একই ব্লাড ব্যাঙ্কের রক্ত, পাঁচ শিশুর শরীরে সংক্রমণ

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, চাইবাসা সদর হাসপাতালের ব্লাড ব্যাঙ্ক থেকেই ওই পাঁচ শিশুকে রক্ত দেওয়া হয়েছিল। তারা সকলেই দীর্ঘদিন ধরে থ্যালাসেমিয়া রোগে ভুগছে এবং নিয়মিত রক্ত সঞ্চালন প্রয়োজন হয়। সম্প্রতি এক শিশুর শরীরে এইচআইভি সংক্রমণ ধরা পড়ার পর বাকি চারজনেরও পরীক্ষা করা হলে একই ফলাফল মেলে।

তদন্তে স্বাস্থ্য দপ্তর, চাঞ্চল্যকর প্রাথমিক তথ্য

ঝাড়খণ্ড সরকারের স্বাস্থ্য পরিষেবার ডিরেক্টর দীনেশ কুমারের নেতৃত্বে গঠিত পাঁচ সদস্যের তদন্ত দল শনিবার রাঁচী থেকে চাইবাসা সদর হাসপাতালে পৌঁছে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে। তিনি জানান, “ব্লাড ব্যাঙ্কে কিছু গুরুতর অনিয়মের সন্ধান মিলেছে। প্রাথমিক তদন্তে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে যে, শিশুদের দূষিত রক্তই দেওয়া হয়েছিল। পুরো বিষয়টি বিস্তারিতভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

দুই দফায় তদন্ত শুরু, নমুনা যাচাইয়ের নির্দেশ

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও তিন সদস্যের একটি পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। পশ্চিম সিংভূমের স্বাস্থ্য আধিকারিক সুশান্ত মাঝি জানিয়েছেন, “আমরা ব্লাড ব্যাঙ্কের নমুনা পুনরায় পরীক্ষার জন্য পাঠিয়েছি। শিশুরা ঠিক কোন সময়ে এবং কার রক্ত পেয়েছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

তিনি আরও বলেন, “এইচআইভি সংক্রমণের উৎস এখনই নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়। কারণ, সংক্রমণের আরও নানা সম্ভাব্য কারণ থাকতে পারে। তবে ব্লাড ব্যাঙ্কের রক্ত থেকেই সংক্রমণ ছড়িয়েছে বলে ধারণা জোরদার হয়েছে।”

পরিবারগুলির মধ্যে আতঙ্ক, প্রশাসনের তৎপরতা

এই ঘটনার পর থেকেই আক্রান্ত শিশুদের পরিবারের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বহু পরিবার চাইবাসার ব্লাড ব্যাঙ্কে রক্তদান ও রক্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। তাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে রক্ত পরীক্ষার মান ও সুরক্ষা ব্যবস্থা ঢিলেঢালা ছিল। স্থানীয় প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে।

রাজ্যে রক্ত পরীক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন

চিকিৎসক মহল মনে করছে, এই ঘটনা রক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থার ভয়াবহ দুর্বলতাকে প্রকাশ করেছে। থ্যালাসেমিয়া রোগীদের নিয়মিত রক্ত সঞ্চালনের প্রয়োজন হয়, তাই রক্ত পরীক্ষার সময় এইচআইভি, হেপাটাইটিস বি ও সি ইত্যাদির জন্য বাধ্যতামূলক স্ক্রিনিং অত্যন্ত জরুরি। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই সেই প্রক্রিয়া যথাযথভাবে অনুসৃত হয় না।

বিশেষ তথ্যবক্স:
  • 📍স্থান: চাইবাসা, পশ্চিম সিংভূম, ঝাড়খণ্ড
  • 🩸আক্রান্ত শিশু: ৫ জন (থ্যালাসেমিয়া রোগী)
  • 🏥অভিযুক্ত ব্লাড ব্যাঙ্ক: চাইবাসা সদর হাসপাতাল
  • 👨‍⚕️তদন্ত নেতৃত্বে: দীনেশ কুমার (স্বাস্থ্য পরিষেবা ডিরেক্টর)
  • 📅প্রাথমিক তদন্ত: অক্টোবর ২০২৫

রাজ্যজুড়ে ক্ষোভ, কেন্দ্রীয় নির্দেশনার দাবি

এই ঘটনায় চিকিৎসক ও সমাজকর্মীদের একাংশ রাজ্য সরকারের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকেরও হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন। তাদের মতে, সমস্ত ব্লাড ব্যাঙ্কে অবিলম্বে পর্যালোচনা ও পুনরায় রক্ত নমুনা যাচাই করা দরকার।

দীনেশ কুমার জানিয়েছেন, “ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আপাতত আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসা এবং মানসিক সহায়তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।”

সূত্র: ঝাড়খণ্ড স্বাস্থ্য দপ্তর, স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত প্রতিবেদন।

Saturday, 25 October 2025

IND vs AUS: কামাল করে দিলেন হর্ষিত রানা, অজিদের উড়িয়ে দিল ভারত

IND vs AUS: কামাল করে দিলেন হর্ষিত রানা, অজিদের উড়িয়ে দিল ভারত

IND vs AUS: কামাল, কামাল, কামাল করে দিলেন!

IND vs AUS হর্ষিত রানা ও ওয়াশিংটন সুন্দর

সিডনিতে দাপট দেখালেন হর্ষিত রানা ও ওয়াশিংটন সুন্দর — ছবি: ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া

🕓 সর্বশেষ আপডেট: ২৫ অক্টোবর ২০২৫, সিডনি সময় সন্ধ্যা ৭:৩০

সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে নিয়মরক্ষার ম্যাচে দাপট দেখালেন ভারতীয় বোলাররা। বল হাতে ঝলক দেখালেন হর্ষিত রানা ও ওয়াশিংটন সুন্দর। আর ফিল্ডিংয়ে রোহিত শর্মা ও শ্রেয়স আইয়ার যেন আগুন ঝরালেন! ফলে ২৩৬ রানে গুটিয়ে গেল অস্ট্রেলিয়া।

সমালোচনার জবাবে জবাব দিলেন হর্ষিত

তাঁকে দলে নেওয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন অনেকে। বিশেষত কোচ গৌতম গম্ভীরকে সোশ্যাল মিডিয়ায় কঠোর সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল। কিন্তু মাঠে নেমে সব প্রশ্নের জবাব দিলেন হর্ষিত রানা। বল হাতে আগুনে স্পেল ছুঁড়ে চারটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নিয়ে অজিদের দমবন্ধ করে দেন তিনি।

তাঁর প্রথম আঘাতেই কাঁপে অজিদের টপ অর্ডার। মিচেল মার্শ ও ট্র্যাভিস হেডকে ফিরিয়ে দিয়ে ভারতকে এগিয়ে দেন হর্ষিত। এরপর ম্যাক্সওয়েল ও কেরির উইকেট তুলে নেন ওয়াশিংটন সুন্দর, যিনি স্পিন আক্রমণে চমৎকার নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখেন।

ফিল্ডিংয়ে রোহিত-শ্রেয়সের জাদু

রোহিত শর্মার এক হাতে ক্যাচ দেখে মুগ্ধ দর্শকরা। শ্রেয়স আইয়ারের রান আউটেও ফুটে উঠল অসাধারণ রিফ্লেক্স। পুরো ম্যাচে ভারতীয় দল এমনভাবে ফিল্ডিং করেছে, যেন প্রতিটি বল ছিল ‘ফাইনাল’!

🏏 ম্যাচের সারাংশ:
অস্ট্রেলিয়া – ২৩৬ (৪৭.২ ওভারে)
ভারতের বোলিং – হর্ষিত রানা: ৯-২-৩৪-৪, ওয়াশিংটন সুন্দর: ৮.৪-১-৪২-২
ফিল্ডিং – রোহিত ১টি অসাধারণ ক্যাচ, শ্রেয়স ১টি রান আউট

মাঠে আত্মবিশ্বাসে ভরপুর ভারত

নিয়মরক্ষার ম্যাচ হলেও ভারতীয় দলের আত্মবিশ্বাস ছিল তুঙ্গে। নতুন মুখদের সুযোগ দেওয়ার মধ্যেও দেখা গেল সম্পূর্ণ পেশাদার মানসিকতা। তরুণদের পারফরম্যান্সে উজ্জ্বল হলো টিম ইন্ডিয়ার বেঞ্চ স্ট্রেংথ।

কোচ গম্ভীর ম্যাচ শেষে বলেন, “আমি জানতাম, হর্ষিতের মধ্যে বিশেষ কিছু আছে। আজ সে নিজের সামর্থ্য প্রমাণ করেছে।” তিনি আরও যোগ করেন, “এই জয় আমাদের আত্মবিশ্বাস বাড়াবে আগামি সিরিজের জন্য।”

অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং ব্যর্থতা

অজি ব্যাটারদের মধ্যে একমাত্র স্টিভ স্মিথ লড়াই করেছেন। তাঁর ৬৭ রানের ইনিংস ছাড়া কেউই বড় কিছু করতে পারেননি। ভারতীয় বোলারদের শৃঙ্খলাবদ্ধ লাইন-লেংথে বারবার বিপদে পড়েছেন ওয়ার্নার, মার্শ ও লাবুশেন।

আগামী ম্যাচের প্রস্তুতি

এই জয় ভারতীয় শিবিরে মনোবল বাড়িয়ে দিয়েছে। কোচিং স্টাফ জানিয়ে দিয়েছে, পরবর্তী সিরিজে আরও তরুণদের সুযোগ দেওয়া হবে। বিশেষ করে হর্ষিত রানা ও ওয়াশিংটন সুন্দরকে ঘিরে এখন প্রচুর আশার আলো দেখছে ক্রিকেটপ্রেমীরা।

তিন লিঙ্কম্যান গ্রেফতার, বিপুল চিকিৎসা সামগ্রী জব্দ

অরুণাচলপ্রদেশে নামপং অভিযানে তিন লিঙ্কম্যান গ্রেফতার, বিপুল চিকিৎসা সামগ্রী জব্দ
দুঃসংবাদ / নিরাপত্তা

অরুণাচলপ্রদেশে নামপং অভিযানে তিন লিঙ্কম্যান গ্রেফতার, বিপুল চিকিৎসা সামগ্রী জব্দ

• আপডেট: 25 অক্টোবর 2025 • অবস্থান: নামপং (চাংলাং জেলা), অরুণাচলপ্রদেশ
নামপং অভিযানের প্রতীকী ছবি
প্রতীকী ছবি: নামপং এলাকায় পুলিশ ও সৈন্যদের যৌথ অভিযান (ফাইল/প্রতীকী)।

অরুণাচলপ্রদেশের চাংলাং জেলার নামপং এলাকায় শুক্রবার (২৫ অক্টোবর ২০২৫) সকাল থেকে বিশেষ আভিযান চালিয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনী এক মহিলা-সহ আলফা স্বাধীনের তিন লিঙ্কম্যানকে গ্রেফতার করেছে। সরকারি সূত্র এবং গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, গ্রেফতারের সময় বিপুল পরিমাণ চিকিৎসা সামগ্রী ও অন্যান্য সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।

কী ঘটেছে — সংক্ষিপ্ত তথ্য
অভিযান এলাকা
নামপং, চাংলাং জেলা, অরুণাচলপ্রদেশ
গ্রেফতার
৩ লিঙ্কম্যান (জিতু, জুলি, দীপক) ও ১ মহিলা — পাশাপাশি পাচারে সহযোগী হিসেবে মায়ানমারের এক নাগরিক গ্রেফতার।
উদ্ধার
বিপুল পরিমাণ চিকিৎসা সামগ্রী, বেসিক মেডিক্যাল সরঞ্জাম, কিছু ইলেকট্রনিক ডিভাইস ও লজিস্টিক উপকরণ।

গোয়েন্দা তথ্যে দাবি করা হয়েছে যে আলফা স্বাধীনের ‘স্বঘোষিত মেজর জেনারেল’ অরুণোদয় দহোতিয়া অসমের তিনসুকিয়া অঞ্চলের এক ব্যক্তির মাধ্যমে নামপং-সহ অরুণাচলের আলফা শিবিরে নিয়মিতভাবে ওষুধ ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী পাঠানোর নির্দেশ দিত। ওই সূত্র ধরেই গত কয়েক দিনে নজরদারি বাড়ানো হয় এবং শেষমেষ নামপং এলাকায় যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে জব্দ সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে — প্রাথমিকভাবে বলা হচ্ছে বড় সংখ্যক ওষুধের প্যাকেট, ব্যান্ডেজ ও বেসিক সার্জিকাল সরঞ্জাম, ইনট্রাভেনাস কিট, অ্যান্টিসেপটিক পণ্য এবং কমিউনিকেশনের জন্য ব্যবহৃত কিছু ডিভাইস। নিরাপত্তা বাহিনী জানিয়েছে এগুলো সংগঠিতভাবে শিবিরে পাঠানোর জন্য ব্যবহার হত।

গ্রেফতারদের পরিচয় ও অভিযোগ

পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার অভিযুক্ত জিতু, জুলি ও দীপক। গোয়েন্দা সূত্র বলছে, তারা আলফা নেটওয়ার্কের স্থানীয় লিঙ্কম্যান হিসেবে কাজ করত—কখন কোথায় সরবরাহ পৌঁছবে, কোন পথে পাঠানো হবে ইত্যাদি সমন্বয় করত। এছাড়া পাচারের সঙ্গে সাহায্যকারী হিসেবে মায়ানমারের একজনকে গ্রেফতার করেছে বাহিনী; তাঁর নাম-পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি এবং যাচাই করা হচ্ছে।

আটক হওয়া মেয়ে এবং তাঁর ভূমিকা

অভিযানে একজন মহিলাকেও আটক করা হয়েছে; প্রাথমিক বিবরণ অনুযায়ী তিনি পার্শ্ববর্তী এলাকায় যোগাযোগে সহায়তা করত এবং সাময়িকভাবে সামগ্রীর সংরক্ষণে জড়িত ছিলেন। তদন্তকারীরা তার কাসিন ও মোবাইল ডেটা বিশ্লেষণ করে আরও তথ্য বের করার চেষ্টা করছেন।

গোয়েন্দা সূত্র ও আলফা স্বাধীন নেটওয়ার্ক

গোয়েন্দা সূত্রের উদ্ধৃতিতে বলা হয়েছে, স্বঘোষিত মেজর জেনারেল অরুণোদয় দহোতিয়ার নির্দেশে তিনসুকিয়ার এক ব্যক্তি মাঝে মধ্যেই মেডিক্যাল ও সরবরাহ-সম্পর্কিত জিনিসপত্র পাঠিয়ে থাকত অরুণাচলের আলফা শিবিরে। নিরাপত্তা বাহিনী গবেষণা করছে ওই তিনসুকিয়া-নামপং কনেকশনের উৎস, রুট ও আর্থিক লেনদেনের সিলসিলা।

উদ্ধার তালিকা — প্রাথমিক (বিবরণী)

  • বৃহৎ পরিমাণ প্যাকেট বাধ্যতামূলক ওষুধ (অ্যান্টিবায়োটিক, ব্যথানাশক ইত্যাদি) — প্রাথমিক গণনা চলছে।
  • বেসিক সার্জিক্যাল কিট ও ব্যান্ডেজ
  • ইনট্রাভেনাস ও ড্রিপ কিট
  • কমিউনিকেশন ডিভাইস (মোবাইল, সিম, কিছু রেডিও/ট্রান্সসিভার)
  • লজিস্টিক সরঞ্জাম (ব্যাগ, প্যাকিং উপকরণ ইত্যাদি)

নিরাপত্তা বাহিনী জানায়, উদ্ধারের পর সামগ্রী পরিচ্ছন্নভাবে গোনা ও তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। প্রয়োজনে আরও ফরেনসিক পরীক্ষা করা হবে যাতে জড়িত নেটওয়ার্ক ও সরবরাহ চেইন চিহ্নিত করা যায়।

কোন ধারা প্রযোজ্য হতে পারে

পুলিশের প্রথমিক বক্তব্য অনুযায়ী গ্রেফতারের বিরুদ্ধে অস্ত্র-নিষিদ্ধ সংগঠনের শরিক হওয়ার অভিযোগ এবং পাচার/অবৈধ সরবরাহ সংক্রান্ত ধারায় মামলা হতে পারে; তবে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (প্রথম তথ্য প্রকাশ) এখনও সরকারি নোটিসে জারি করা হয়নি।

তদন্তের পরবর্তী ধাপ
  1. গ্রেফতারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ ও মোবাইল/ডিভাইস বিশ্লেষণ।
  2. উদ্ধারকৃত সামগ্রীর ফরেনসিক/ল্যাব টেস্ট।
  3. সীমান্ত-আধারিত যোগাযোগ রূট চিহ্নিত করে টেইক-ডাউন অপারেশন পরিকল্পনা।
  4. সম্ভাব্য সিন্ডিকেট সদস্যদের বিরুদ্ধে চেইন-রুট অনুসরণ করে মামলা দায়ের।

সূত্র: স্থানীয় পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর পত্রিকাগত বিবরণ ও গোয়েন্দা সূত্র (প্রাথমিক)। অনুলিপি/বিবরণীতে জনিত যে কোনও তথ্য অফিসিয়াল বিবৃতি দ্বারা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

আপনি যদি এই প্রতিবেদনের বিষয়ে আরও অনুসন্ধান বা আপডেট চান, অফিসিয়াল পুলিশ প্রেস নোট বা স্থানীয় প্রশাসনের বিবৃতি দেখুন।
© 2025 Y বাংলা ডিজিটাল — কপিরাইট মুক্ত অনুরোধ থাকলে প্রকাশককে যোগাযোগ করুন।

ভাঙড়ে পুলিশ আক্রান্ত — অবৈধ নির্মাণ রুখতে গিয়ে হামলা ও গ্রেফতার

ভাঙড়ে পুলিশ আক্রান্ত — অবৈধ নির্মাণ রুখতে গিয়ে হামলা ও গ্রেফতার

ভাঙড়ে পুলিশ আক্রান্ত — অবৈধ নির্মাণ রুখতে গিয়ে হামলা, এক কনস্টেবল আহত; তিনজন গ্রেফতার

সংবাদ আপডেট: ২৫ অক্টোবর ২০২৫, ০৭:০০স্থান: ভাঙড় — উত্তর কাশীপুর থানার দক্ষিণ বামুনিয়া এলাকা

ভাঙড়ে (উত্তর কাশীপুর থানা এলাকার দক্ষিণ বামুনিয়া) শুক্রবার পুলিশ অবৈধ নির্মাণ বন্ধ করতে গেলে স্থানীয়দের ষড়যন্ত্রে পড়ে; কনস্টেবল ও এসআই-সহ কয়েকজন পুলিশকর্মী মারধরের শিকার হয়েছেন। অভিযোগ, এক কনস্টেবলকে কামড়ে তাঁর হাতের মাংস পর্যন্ত ফুটিয়ে নেওয়া হয়েছে — পরবর্তীতে ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এলাকায় উত্তেজনা থাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন ও পিকেট বসানো হয়েছে।

ভাঙড়ে গ্রেপ্তারকৃতরা ও ঘটনার ছবি (প্রতীকী)
ঘটনাস্থল ও অভিযুক্তদের পুলিশের সূত্রে গ্রেপ্তার— স্থানীয় সংবাদ সূত্র।

ঘটনা সম্পর্কে পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কয়েকদিন ধরে দক্ষিণ বামুনিয়ায় একটি বাড়ি নির্মাণের কাজ চলছিল। স্থানীয়দের অভিযোগ, এই নির্মাণ কাজটি সরকারি জমি দখল করে এগোচ্ছে। থানায় অভিযোগের পরে ঘটনাস্থলে যান উত্তর কাশীপুর থানার এসআই মনজুর আলম মণ্ডল ও কনস্টেবল রবি রায় এবং আরও কয়েকজন পুলিশকর্মী। পরে নির্মাণ বন্ধের কথা বলার এক পর্যায়ে স্থানীয়দের সঙ্গে তর্ক শুরু হয় যা দ্রুত হাতাহাতিতে রূপ নেয়।

সংক্ষিপ্ত ফ্যাক্টশিট
  • ঘটনাস্থল: ভাঙড় — উত্তর কাশীপুর থানা, দক্ষিণ বামুনিয়া।
  • আহত: কনস্টেবল সহ কয়েকজন পুলিশকর্মী (কনস্টেবলের হাতে কামড় লাগার অভিযোগ)।
  • গ্রেফতার: পুলিশ জানিয়েছে, তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
  • বর্তমান পরিস্থিতি: এলাকায় উত্তেজনা; অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন ও পিকেট বসানো হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ ও পুলিশের তালিকাভুক্ত বিবরণ থেকে দেখা গেছে— প্রথমে উত্তেজক ভাষা-প্রবণতা, পরে বাঁশ-লাঠি ও ইট দিয়ে অতর্কিতভাবে পুলিশ সদস্যদের উপর চড়াও হওয়া হয়। একাধিক রিপোর্টে বলা হয়েছে, সহকর্মীকে বাঁচাতে গিয়ে আরও কিছু পুলিশকর্মী আহত হয়েছেন এবং পরবর্তীতে আহতদের হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে।

ঘটনা কালে (ট্রায়াল টাইমলাইন)
  1. স্থানীয় অভিযোগ ও থানায় জানানো → পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।
  2. নির্মাণ বন্ধের নির্দেশ → স্থানীয়দের সঙ্গে বচসা ও তর্ক।
  3. হতাহতের পর্যায়ে হিংসাত্মক সংঘর্ষ; কনস্টেবলের কাছে কামড়ের অভিযোগ।
  4. আহতদের উদ্ধার ও হাসপাতাল পাঠানো; তিনজনকে গ্রেফতার।
  5. অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে।

উত্তর কাশীপুর থানার পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে— অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ করে পুরো ঘটনার নেপথ্য পরিচয় ও আর যারা এই অবৈধ নির্মাণের সঙ্গে যুক্ত আছে তাদের শনাক্ত করা হবে। একই সঙ্গে, অনলাইন ও সামাজিক মাধ্যমে বিতর্ক ও উত্তেজনা ছড়ানোর দিকে লক্ষ্য রেখে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

সাক্ষী ও স্থানীয়দের বক্তব্য

ঘটনাস্থলের কয়েকজন স্থানীয়ের বিবরণ অনুযায়ী, জায়গা-দখলের জটিলতা ও তাঁদের মধ্যে থাকা উত্তেজনাই সংঘর্ষকে বাড়িয়েছে। অপরদিকে পুলিশ জানিয়েছে তাদের কর্মীরা কেবল দায়িত্ব পালন করছিলেন এবং আকস্মিকভাবে হামলার মুখে পড়েছেন।

পুলিশ ও প্রশাসনের পদক্ষেপ

— ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত জওয়ান মোতায়েন।
— আহত পুলিশকর্মীদের চিকিৎসার বন্দোবস্ত।
— অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার ও কড়া ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ।
— আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে এলাকায় পিকেট ও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

অর্থে ও সামাজিক প্রভাব

এমন ধরনের সংঘর্ষ ও পুলিশ-জন সংঘর্ষ স্থানীয় সঙ্কটকে তীব্র করে, আইনি অনিশ্চয়তা বাড়ায় এবং আশপাশের নিরাপত্তা স্তর নড়বড়ে করে। স্থানীয় প্রশাসনকে দ্রুত, স্বচ্ছ এবং ন্যায়সঙ্গতভাবে ঘটনার তদন্ত করে টেকসই সমাধান দিতে হবে যাতে ভবিষ্যতে এই ধরনের সংঘাত পুনরাবৃত্তি না ঘটে।

রিপোর্ট: আপনাদের নিউজ ডেস্ক • সম্পাদনা: রিপোর্টিং টিম

আপডেট নোট: ঘটনাসংক্রান্ত তথ্য পুলিশ সূত্র এবং স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে। কোনো নতুন তথ্য পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নিবন্ধটি আপডেট করা হবে।

Wednesday, 22 October 2025

উত্তরবঙ্গের বন্যা-ধস: কেন্দ্রের সাহায্য না পেয়ে তৃণমূলের তীব্র অভিযোগ

উত্তরবঙ্গের বন্যা-ধস: কেন্দ্রের সাহায্য না পেয়ে তৃণমূলের তীব্র অভিযোগ
সামাজিক-রাজনীতি · উত্তরবঙ্গ দুর্যোগ

প্রবল বর্ষণ ও ভুটান থেকে ধেয়ে আসা জলে উত্তরবঙ্গ বিপর্যস্ত — কেন্দ্রের সহায়তা না পেয়ে তৃণমূলের তীব্র অভিযোগ

প্রকাশিত: · রিপোর্টার: Your Reporter Name · আপডেট:
উত্তরবঙ্গের বন্যা ও ভূমিধস
উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা — ছবি: স্থানীয় সূত্র।

প্রবল বর্ষণ ও ভুটান থেকে ধেয়ে আসা পাহাড়ি ঢলে উত্তরবঙ্গের বিস্তীর্ণ অংশ বন্যা ও ভূমিধসের কবলে পড়ে। সড়ক-সংযোগ বিচ্ছিন্ন, বহু গ্রামতলা প্লাবিত এবং বাড়িঘর, ফসল ও জীবিকা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন এবং স্থানীয় মানুষদের তৎপরতার ফলে উদ্ধার ও পুনর্বাসন শুরু হলেও তৎপর কেন্দ্রীয় তহবিলের অভাবে রাজ্যের দাবি অনূত্তর থেকে যাচ্ছে বলে তৃণমূল কংগ্রেস তীব্রভাবে অভিযোগ করেছে।

তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি (সংক্ষেপে):
  • উত্তরবঙ্গের জন্য কেন্দ্র থেকে একটাও টাকা বরাদ্দ করা হয়নি।
  • মহারাষ্ট্র ও কর্নাটকে দ্রুত ১,৯৫০.৮০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হলেও বাংলার নাম তালিকায় নেই।
  • ২০২১ সালের ঘটনাবলীর প্রতিশোধমূলক মনোভাব থেকে বাংলার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অবহেলা হচ্ছে বলে অভিযোগ।
১,৯৫০.৮০ কোটি
মোট কেন্দ্রীয় বরাদ্দ (মাহ/কর্ণ)
১,৫৬৬.৪০ কোটি
মহারাষ্ট্রকে বরাদ্দ
৩৮৪.৪০ কোটি
কর্নাটককে বরাদ্দ

তৃণমূলের শাসকদল সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে ট্যাগ করে অভিযোগ তুলেছে যে, 'ভয়ঙ্কর বন্যা এবং ভূমিধসের কবলে উত্তরবঙ্গ — জীবন, ঘরবাড়ি এবং জীবিকা সম্পূর্ণ ধূলিস্যাৎ; সেই সময়ও কেন্দ্র একেবারে নীরব। এক টাকাও রাজ্যের জন্য বরাদ্দ করা হয়নি।' তাদের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মহারাষ্ট্র ও কর্নাটকে দ্রুত তহবিল দেওয়া হলেও বাংলাকে চুকানো হয়েছে তালিকা থেকে।

শাসকদলের দাবি অনুযায়ী, কেন্দ্র এসডিআরএফ (SDRF) ও এনডিআরএফ (NDRF) থেকে বিভিন্ন রাজ্যে লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে — ১৩,৬০৩.২০ কোটি SDRF-ভিত্তিক বরাদ্দ ও ২,১৮৯.২৮ কোটি এনডিআরএফ-ভিত্তিক বরাদ্দ হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে বিভিন্ন রাজ্যের জন্য — কিন্তু বাংলার নাম উল্লেখ করা হয়নি বলে তৃণমূল বলছে।

শাসকদল আরও দাবি করেছে যে, এটি একটি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার প্রকাশ — বিশেষত ২০২১ সালকে কেন্দ্র করে পূর্ববর্তী রাজনৈতিক বিবাদকে কেন্দ্র করে বাংলা লক্ষ্যভিত্তিকভাবে বঞ্চিত করা হচ্ছে। তৃণমূলের ট্যুইট ও পোস্টে কেন্দ্রকে 'বাংলা বঞ্চক' আখ্যা দেন এবং মন্তব্য করা হয়েছে যে, 'বাংলার মানুষ আগামী ভোটে ভোট বাক্সের মাধ্যমে এর প্রতিক্রিয়া দেখাবে।'

কেন্দ্রের প্রতিক্রিয়া ও সরকারি বিবৃতি

কেন্দ্রীয় সরকার থেকে প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে কেন্দ্র সরকার বন্যা, ভূমিধস ও মেঘভাঙা বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত রাজ্যগুলিকে সর্বাত্মক সাহায্য করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। একই সঙ্গে তারা উল্লেখ করেছে যে নির্দিষ্ট বরাদ্দের ক্ষেত্রে রাজ্য প্রতিনিধিদের প্রাতিষ্ঠানিক প্রস্তাব এবং ক্ষতির প্রকৃত মূল্যায়ন বিবেচনায় নেওয়া হয়। (নোট: সঠিক আলোকপাতের জন্য সে বিষয়ে কেন্দ্রীয় বিজ্ঞপ্তি বা রিলিজ দেখুন — এখানে অনুলিপি করা হয়নি)।

স্থানীয় পর্যায়ে কাজ চলছিলেও পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণ নিয়ে অনিশ্চয়তা দুর্বল পরিবারগুলোর মধ্যে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। কৃষকদের ফসলের ক্ষতি, পথ-সংযোগ বিচ্ছিন্নতার ফলে বাজার অপ্রাপ্যতা—এসব পরিস্থিতি দ্রুত সমাধান না হলে এলাকায় মানবিক চাহিদা বেড়ে যাবে বলে স্থানীয় বিবেচনা।

স্থানীয় প্রতিক্রিয়া ও পরবর্তী দাবি

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইতিপূর্বে এই বিষয়ে সরব হয়েছেন এবং রাজ্য প্রশাসনকে দ্রুত উদ্যোগ নিতে নির্দেশ দিয়েছেন। তৃণমূলের তরফ থেকে কেন্দ্রকে কড়া ভাষায় কটাক্ষ করা হয়েছে এবং পুনরায় দাবি করা হয়েছে — কেন্দ্রকে সরাসরি বরাদ্দ কার্যকর করতে হবে এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের জরুরি ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

সম্পূর্ণ অন্বেষণ ও যাচাইয়ের সুপারিশ: এই অভিযোগের প্রকৃততা ও বরাদ্দের বিশদ যাচাই করতে সরকারি নথি/নোটিশ, কেন্দ্রীয় RELIEF-রিলিজ, এবং রাজ্য প্রশাসনের দাবির কাগজপত্র দেখাসাপেক্ষ। পাঠকরা স্থানীয় প্রশাসন বা কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের ওয়েবসাইট থেকে অফিসিয়াল নোটিশ দেখে নিশ্চিত হোন।

আপডেটিং নোট: নিবন্ধটি প্রাথমিক সোর্স হিসেবে তৃণমূলের সামাজিক মিডিয়া পোস্ট ও স্থানীয় সংবাদ বোঝায় রচিত। অফিসিয়াল বরাদ্দ তালিকা ও কেন্দ্রীয় বিজ্ঞপ্তি আসলে আমরা আপডেট দেব।

ট্যাগ: উত্তরবঙ্গ, বন্যা, তৃণমূল, কেন্দ্র

দ্রৌপদী মুর্মুর হেলিকপ্টারকে ঘিরে দুর্যোগ এড়ালো — প্রামাদমে হেলিপ্যাডের অংশ বসে যাওয়ার ঘটনা

দ্রৌপদী মুর্মুর হেলিকপ্টারকে ঘিরে দুর্যোগ এড়ালো — প্রামাদমে হেলিপ্যাডের অংশ বসে যাওয়ার ঘটনা

দ্রৌপদী মুর্মুর হেলিকপ্টার: প্রামাদমে হেলিপ্যাডের অংশ বসে গেলে কপ্টারের চাকাও আটকে গেল

পাঠানো: ২২ অক্টোবর ২০২৫ | আপডেট: ২২ অক্টোবর ২০২৫, ১১:৩০ AMসাউথ বেঞ্চ, কেরল
প্রামাদমে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদীর হেলিকপ্টার - হেলিপ্যাডে আটকে থাকা দৃশ্য
ছবি সূত্র: সংবাদ agencias / স্থানীয় ভিডিও স্ক্রীনগ্র্যাব (উৎস দেখুন)।

সংক্ষিপ্ত সারমর্ম: কেরলের প্রামাদমে রাজীব গান্ধী ইনডোর স্টেডিয়ামের পাশে তৈরি অস্থায়ী হেলিপ্যাডে অবতরণের সময় রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর হেলিকপ্টারের চাকাগুলো হেলিপ্যাডের নতুন কংক্রিট টার্ম্যাকের একটি নরম অংশে ধস খেয়ে আটকে যায়; পুলিশ, দমকল ও সেনা ককেটে কাজ করে কপ্টারটি সরিয়ে নিরাপদ স্থানে নিয়ে গেছেন।

ঘটনার সময় ও স্থান (কী জানা গেছে)

রবিবার সকালে (নির্দিষ্ট ল্যান্ডিং সময়টি পরিবর্তিত হতে পারে) প্রামাদমে রাজীব গান্ধী ইনডোর স্টেডিয়ামের পাশের অস্থায়ী হেলিপ্যাডে রাষ্ট্রপতির কপ্টার নামার পরেই টার্ম্যাকের একটি অংশ বসে যায় এবং কপ্টারের চাকা সেখানে আটকে পড়ে। পরে ঘটনাস্থলে মোতায়েন নিরাপত্তা ও জরুরি পরিষেবাগুলি দ্রুত ব্যবস্থা নেন।

প্রাথমিকভাবে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে হেলিপ্যাডটি শেষ মুহূর্তে তৈরি করা হয়েছিলো এবং কংক্রিট ঠিকরূপে সেট হয়ে ওঠেনি—ভিতর থেকে টার্ম্যাক নরম থাকায় ওই অংশে ধস হওয়াটাই দুর্ঘটনার কারণ বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই কারণেই হেলিকপ্টারের চাকাগুলো মাটির মধ্যে ঢুকে পড়ে।

ঘটনার পর নিরাপত্তা কর্মী, স্থানীয় পুলিশ ও দমকলকর্মীরা মিলে কপ্টারটিকে ঠেলে ও টেনে সরিয়ে নিরাপদ স্থানে আনতে সক্ষম হন। ঘটনার ভিডিও-ভিউতে দেখা গেছে ককটের দল কপ্টারের পিছনে দাঁড়িয়ে হাতে ঠেলে কপ্টারটি সরাচ্ছে—পরবর্তী যে কোনো ঝুঁকি এড়ানোর জন্য দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হয়। রাষ্ট্রপতি নিজে ঘটনাস্থলে নেমে যাননি; সেটি সুরক্ষিতভাবে গাড়ি যোগে মন্দিরের উদ্দেশ্যে রওনা হন।

প্রেস রিলিজ এবং পিটিআই/এজেন্সি প্রতিবেদন অনুযায়ী কপ্টারের বা রাষ্ট্রপতির কোনো শারীরিক ক্ষতি বা আহত হওয়ার খবর নেই; নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা বিভিন্ন এজেন্সি পরিস্থিতি দ্রুত সামলান। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত বা পরবর্তী বিটিএফ (ব্যবস্থাপনা-টেকনিক্যাল) পর্যালোচনা সম্ভবত হবে।

কি নির্দেশনা/পাঠ?

  • উচ্চ পর্যায়ের সফরের জন্য হেলিপ্যাড নির্মাণ হলে কংক্রিট সেটিং/লোড টেস্ট আগে করে নেয়া প্রয়োজন।
  • অল্প সময়ে তৈরি অস্থায়ী অবকাঠামোর ক্ষেত্রে অতিরিক্ত নিরাপত্তা/ইনস্পেকশন বাধ্যতামূলক হওয়া দরকার।
  • ঘটনার ভিডিও সংরক্ষণ ও সঠিক টেকনিক্যাল অডিট রিপোর্ট দ্রুত প্রকাশ করা উচিত যাতে ভবিষ্যতে অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নেয়া যায়।
সম্পাদকীয় নোট:

এই প্রতিবেদনটি সংবাদ সংস্থার ভিডিও এবং বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের রিলিজ ভিত্তিক—ঘটনা, স্থান ও সময় সম্পর্কে প্রতিবেদনগুলো এসেছে সরাসরি সংবাদসূত্র থেকে। মূল প্রতিবেদনগুলো দেখুন।

রিপোর্ট: স্থানীয় সংবাদদাতা • সম্পাদক: নিউজরুম
উৎস (মুখ্য):
  • India Today — ভিডিও রিপোর্ট ও বিবরণ।
  • NDTV — সাইটে সংযুক্ত ভিডিও ও নিরাপত্তা বিবরণ।
  • Business Standard — জেলা প্রশাসনের কংক্রিট-বিষয়ক বিবরণ।
  • LiveMint — ঘটনাচিত্র ও পর্যালোচনা। 14
  • Gulf News / আন্তর্জাতিক সারাংশ।

Featured post

Y বাংলা ব্যুরো: ভোটার তালিকা সংশোধনে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডে না নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা সংশোধন (SIR, ২০২৬) প্রক্রিয়ায় ম...

Search This Blog