Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Monday, 8 September 2025

মতুয়া গড় জিততেই হবে – অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বার্তা, ছাব্বিশের ভোটে বনগাঁ দখলই লক্ষ্য

মতুয়া গড় জিততেই হবে – অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বার্তা, ছাব্বিশের ভোটে বনগাঁ দখলই লক্ষ্য

মতুয়া গড় জিততেই হবে – ছাব্বিশের ভোটে বনগাঁ দখলই পাখির চোখ অভিষেকের

একুশের বিধানসভা নির্বাচন এবং চব্বিশের লোকসভা ভোটে পদ্মশিবিরের দখলে গিয়েছিল বনগাঁ। তবে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস এখন থেকেই প্রস্তুতি শুরু করেছে। বিশেষত বনগাঁ, যা মতুয়া সম্প্রদায়ের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত, সেখানে জয় ছিনিয়ে আনাই এখন তাদের প্রধান লক্ষ্য। সোমবার কলকাতার ক্যামাক স্ট্রিটে বনগাঁর সাংগঠনিক জেলা নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বৈঠকে তিনি সাফ জানিয়ে দেন – “মতুয়া গড়ে জিততে হবে। আর কোনও দ্বিতীয় কথা নেই। একজোট হয়ে মতুয়া গড়ের লড়াইয়ে নেমে পড়ুন সবাই।”

বনগাঁ উত্তর ও দক্ষিণ – দুটি আসনেই একুশের নির্বাচনে বিজেপির দখলে গিয়েছিল। এই পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটানোই অভিষেকের পরিকল্পনা। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যসভার সাংসদ মমতাবালা ঠাকুর, বাগদার বিধায়ক মধুপর্ণা ঠাকুর, প্রাক্তন বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাস সহ জেলার গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্ব। অভিষেক তাঁদের উদ্দেশে বলেন, “মতুয়াদের মধ্যে বিজেপির ভোট বাড়ছে কেন তা বিশ্লেষণ করতে হবে। নিজেদের মধ্যে নিবিড় যোগাযোগ স্থাপন করুন। ভোটব্যাঙ্ক রক্ষায় সচেষ্ট হোন।”

বৈঠকে মতুয়া সম্প্রদায়ের রাজনৈতিক গুরুত্বের পাশাপাশি সাম্প্রতিক ঘটনাও উঠে আসে। দুই বছর আগে অভিষেকের 'নবজোয়ার' কর্মসূচির সময় বনগাঁর ঠাকুরবাড়িতে তাঁর সফরে বাধার সৃষ্টি হয়েছিল। বৈঠকে তিনি সে ঘটনাও তুলে ধরে সতর্ক করেন – রাজনৈতিক বিভাজন ছাড়িয়ে একজোট হয়ে লড়াই করতে হবে। তাঁর এই বার্তায় পরিষ্কার – মতুয়া গড়ে জয় ছিনিয়ে না আনলে ২০২৬ সালের লক্ষ্য পূরণ সম্ভব নয়।

রাজনৈতিক মহল মনে করছে, অভিষেকের এই বার্তা তৃণমূলের সংগঠন শক্তিশালী করার কৌশল। বিশেষ করে মতুয়া সম্প্রদায়ের মধ্যে বিজেপির উপস্থিতি বাড়ছে – সেই বাস্তবতা উপলব্ধি করেই এখন থেকেই শক্ত অবস্থান তৈরি করতে চাইছে দল। নেতৃত্বের মধ্যে ঐক্য বজায় রেখে এবং মাঠপর্যায়ে সক্রিয় প্রচারের মাধ্যমে নির্বাচনী পরিস্থিতি পাল্টানোর জন্য এখন থেকেই পরিকল্পনা শুরু হয়েছে।

অভিষেকের বক্তব্যে স্পষ্ট – নির্বাচনের আগে বনগাঁ দখলের লক্ষ্য ছাড়াও সংগঠনের মধ্যে ঐক্য গড়ে তোলা, ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানো, এবং মতুয়া সমাজের ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরে রাজনৈতিক শক্তি বৃদ্ধি করাই এখন অগ্রাধিকার। আগামী দিনে এই পদক্ষেপ বাংলার রাজনৈতিক মানচিত্রে নতুন আলোচনার জন্ম দিতে পারে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

নাগরিকত্ব যাচাই নিয়ে জাতীয় বিতর্ক

আধার কার্ড নাগরিকত্ব প্রমাণ নয় – সুপ্রিম কোর্টের রায় ও সোনালিবিবির মানবিক সংকট

আধার কার্ড নাগরিকত্ব প্রমাণ নয় – সুপ্রিম কোর্টের রায় ও সোনালিবিবির মানবিক সংকট

কলকাতা, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫:

ভারতের সুপ্রিম কোর্ট আবারও পরিষ্কার জানিয়ে দিল — আধার কার্ড নাগরিকত্ব প্রমাণের জন্য বৈধ নথি নয়। বিহারের ভোটার তালিকার সংশোধন সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ মামলায় আদালত বলেছে, ভোটার তালিকার সঙ্গে সংযুক্ত নথির তালিকায় আধার কার্ড ব্যবহার করা যেতে পারে, কিন্তু তা নাগরিকত্ব প্রমাণের জন্য গ্রহণযোগ্য নয়। আদালতের এই রায় দেশজুড়ে নাগরিকত্ব যাচাই নিয়ে চলমান বিতর্কে এক নতুন দিশা এনে দিলেও মানবাধিকারের প্রশ্নে উদ্বেগ আরও বাড়িয়েছে।

✅ সুপ্রিম কোর্টের রায়ের বিস্তারিত

শুনানির সময় সুপ্রিম কোর্ট পর্যবেক্ষণ করেছে যে, আধার কার্ড শুধুমাত্র একটি পরিচয়পত্র। এটি সরকারি পরিষেবা গ্রহণের জন্য ব্যবহারযোগ্য হলেও নাগরিকত্বের প্রমাণ হিসেবে এটি গ্রহণ করা যায় না। আদালত স্পষ্ট করেছে—

  • ভোটার তালিকা সংশোধনের ক্ষেত্রে আধার কার্ডের ব্যবহার সীমিত।
  • নাগরিকত্ব নির্ধারণের জন্য অন্যান্য প্রমাণপত্র প্রয়োজন।
  • নির্বাচন কমিশনের কাজ হচ্ছে ভোটার তালিকা সঠিক রাখা, নাগরিকত্ব যাচাই করা নয়।

আইনি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আদালতের রায় নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা বজায় রাখতে সাহায্য করবে, কিন্তু মানবাধিকার রক্ষায় সরকারের নীতিকে আরও কঠোরভাবে যাচাই করতে বাধ্য করবে।

✅ কলকাতা হাই কোর্টে সোনালির মামলা – স্থগিতের কারণ

সোনালিবিবির মামলা কলকাতা হাই কোর্টে শুনানির তালিকায় থাকলেও আইনজীবী সংগঠনের ধর্মঘটের কারণে শুনানি স্থগিত করা হয়। বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী জানিয়েছেন, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুসারে দ্রুত শুনানি করে মামলা নিষ্পত্তি করতে হবে। মঙ্গলবার পুনরায় মামলার শুনানি হবে বলে জানানো হয়েছে।

✅ সোনালিবিবির মানবিক কাহিনি – এক গভীর সংকট

সোনালিবিবির জীবন শুরু হয়েছিল বীরভূম জেলার এক দরিদ্র গ্রামে। স্বামী দানিশ ও একরত্তি সন্তানকে নিয়ে জীবিকা সন্ধানে তিনি দিল্লিতে গিয়েছিলেন। সেখানে অস্থায়ী শ্রমিক হিসেবে জীবন শুরু করেন। তাঁরা কাগজ কুড়ানো, ইট ভাঙা, দৈনিক মজুরি শ্রমিক হিসেবে জীবন কাটাতেন।

আধার কার্ড ও ভোটার কার্ড থাকলেও নাগরিকত্ব যাচাই অভিযানে তাঁদের গ্রেফতার করা হয়। বাংলায় কথা বলা, স্থানীয় পরিচয়পত্র থাকা সত্ত্বেও তাঁদের বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। স্থানীয় প্রশাসনের ভ্রান্ত ধারণায় তাঁদের আটক করা হয় এবং পরে অসম সীমান্ত দিয়ে পুশব্যাক করে বাংলাদেশে পাঠানো হয়।

বাংলাদেশে পৌঁছানোর পর নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে না পারায় তাঁকে আটক রেখে জেলখানায় পাঠানো হয়। আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা সোনালিবিবির চিকিৎসা, নিরাপত্তা এবং মানবিক অধিকার কোথায় তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তাঁর সন্তানের ভবিষ্যৎ আজ ঝুলে আছে।

✅ নাগরিকত্ব যাচাই নিয়ে জাতীয় বিতর্ক

দেশজুড়ে নাগরিকত্ব যাচাই অভিযান শুরু হওয়ার পর বহু দরিদ্র শ্রমিক, পরিযায়ী পরিবার এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠী নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে না পারায় ভীতির মধ্যে পড়েছে। বিশেষ করে যারা বাংলায় কথা বলে, যাদের স্থায়ী ঠিকানা নেই বা যারা দরিদ্র জীবিকা নিয়ে বেঁচে আছে তাদের ওপর সন্দেহের তির নির্দেশ করা হয়েছে।

✅ রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া

রাজনৈতিক মহলে এই রায় নিয়ে আলোচনার ঝড় উঠেছে। শাসকদল বলছে, আদালতের রায় নির্বাচন কমিশনের অবস্থানকে সমর্থন করছে। অন্যদিকে বিরোধীরা অভিযোগ করছেন যে নাগরিকত্ব যাচাই অভিযানে দরিদ্র মানুষকে হয়রানির মুখে ফেলা হচ্ছে।

✅ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার প্রতিক্রিয়া

জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা নাগরিকত্বহীনতার কারণে মানবাধিকারের লঙ্ঘন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। বিশেষ করে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও শিশুর স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার প্রশ্নে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

✅ সামনে কী হওয়া উচিত?

  • নাগরিকত্ব যাচাইকে মানবাধিকার রক্ষার কাঠামোর মধ্যে আনতে হবে।
  • আধার কার্ডকে নাগরিকত্ব প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা বন্ধ করতে হবে।
  • প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য আইনি সহায়তা কেন্দ্র গড়ে তুলতে হবে।
  • অন্তঃসত্ত্বা নারী ও শিশুদের জন্য বিশেষ স্বাস্থ্য সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে।
  • বিচারালয় দ্রুত শুনানির মাধ্যমে নাগরিকত্ব নিয়ে অনিশ্চয়তা দূর করতে পারে।

✅ উপসংহার

সুপ্রিম কোর্টের রায় নাগরিকত্ব যাচাইয়ে নতুন দিশা দিলেও সোনালিবিবির কাহিনি দেখিয়ে দিয়েছে বাস্তব জীবনে এই নীতির কী ভয়াবহ প্রভাব পড়ছে। নাগরিকত্ব নিয়ে সন্দেহের নামে দরিদ্র পরিবারগুলো অনিরাপদ জীবনের মুখে পড়ছে। আদালতের নির্দেশের আলোকে প্রশাসনের উচিত স্বচ্ছতা ও মানবিকতার ভিত্তিতে নাগরিকত্ব যাচাই প্রক্রিয়াকে গড়ে তোলা। নাগরিকত্বের অভাব একদিনের সমস্যা নয়—তা এক জীবনের অস্তিত্ব, এক শিশুর ভবিষ্যৎ, এক সমাজের মর্যাদার প্রশ্ন।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

আবেগঘন উইকেন্ড কা বার- কুণিকার পাশে ছেলে আয়ান, কেঁদে ফেললেন সলমন খান

Bigg Boss 19: আবেগঘন উইকেন্ড কা বার- কুণিকার পাশে ছেলে আয়ান, কেঁদে ফেললেন সলমন খান

Bigg Boss 19: আবেগঘন উইকেন্ড কা বার- কুণিকার পাশে ছেলে আয়ান, কেঁদে ফেললেন সলমন খান

Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক: বিগ বস ১৯-এর সাম্প্রতিক উইকেন্ড কা বার এপিসোড হয়ে উঠেছিল আবেগঘন মুহূর্তে ভরা। প্রতিযোগীদের নানা বিতর্ক ও ব্যক্তিগত মন্তব্যে ক্ষুব্ধ হন সঞ্চালক সলমন খান। কুণিকা লাল এবং তাঁর ছেলে আয়ানকে ঘিরে আবেগাপ্লুত হয়ে ওঠে গোটা বাড়ি। দর্শকের মনেও ছুঁয়ে যায় সেই সময়ের প্রতিটি দৃশ্য।

📌 আয়ানের মায়ের উদ্দেশ্যে মর্মস্পর্শী বার্তা ঘরের আবহ পাল্টে দেয়।

সলমনের সতর্কবার্তা

উইকেন্ড কা বার শুরুর মুহূর্ত থেকেই সলমন খান প্রতিযোগীদের উদ্দেশে কড়া বার্তা দেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, কারও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কটু মন্তব্য করা যাবে না। ফারহানা যখন কুণিকাকে ফ্লপ অভিনেত্রী আখ্যা দেন এবং তাঁর সন্তানদের ব্যক্তিগত জীবনে টেনে আনেন, তখন সলমন দৃঢ়ভাবে জানান — এটি অগ্রহণযোগ্য।

ছেলে আয়ানের আবেগঘন বার্তা

এরপর ঘরে প্রবেশ করেন কুণিকার ছেলে আয়ান। মায়ের উদ্দেশ্যে তাঁর বার্তা শোনার পর পুরো ঘরের পরিবেশ বদলে যায়। তিনি বলেন, “পুরো হিন্দুস্তান তোমায় দেখছে, মা। তুমি এটা শেষ না করে বেরোবে না। আমরা সবাই তোমার জন্য গর্বিত। তুমি আইনজীবী হিসেবে যেভাবে কিন্নর সমাজকে সাহায্য করেছো, তা ভোলার নয়।”

আবেগে কণ্ঠ ভারী হয়ে ওঠে আয়ানের। তিনি আরও বলেন, “তুমি তোমার বাবার জন্য, স্বামীর জন্য, ছেলেদের জন্য জীবন কাটিয়েছ। এখন তোমার নিজের জন্য বাঁচতে হবে। তোমার বয়স ৬২ বছর। এখন নিজের শক্তি তুমি নিজেকে দাও, মা।”

অতীত সংগ্রামের গল্প

আয়ান আলাপচারিতার সময় মায়ের অতীত সংগ্রামের কাহিনি ভাগ করেন। মাত্র ১৭ বছর বয়সে কীভাবে এক অসম্পূর্ণ শৈশব থেকে বেরিয়ে এসে কুণিকা সংসার ও সন্তানদের জন্য লড়াই করেছেন, সেই কথা স্মরণ করান তিনি। তিনি বলেন, “এক ছোট্ট মেয়ের স্বপ্ন ছিল সুখী সংসার, কিন্তু সেই পথ কখনও সহজ হয়নি। তবুও মা লড়াই থামাননি।”

সেই সময়ে সলমন খানও আবেগ ধরে রাখতে পারেননি। আয়ানের কথা শুনে চোখের জল ফেলে দেন তিনি। গোটা বাড়ির প্রতিযোগীরা এক অদ্ভুত নীরবতায় এই দৃশ্য প্রত্যক্ষ করেন।

বাড়ির ভেতরে প্রভাব

আয়ানের বক্তব্যের পরে প্রতিযোগীরা নিজেদের আচরণ নিয়ে ভাবতে শুরু করেন। সলমন আবারও মনে করিয়ে দেন, “রিয়্যালিটি শো-তে প্রতিযোগিতা চলুক, কিন্তু কারও ব্যক্তিগত জীবনের উপর আঘাত করে নয়।” এপিসোড শেষে দর্শকদের প্রতিক্রিয়াও স্পষ্ট— তারা কুণিকার লড়াই ও সাহসকে সম্মান জানিয়েছেন।

👉 এই ঘটনাই আবারও প্রমাণ করল, বিগ বস শুধু বিনোদনের মঞ্চ নয়, জীবনের কঠিন বাস্তব ও আবেগ ভাগ করে নেওয়ার জায়গাও বটে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

রাজ্যের সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ: সুপ্রিম কোর্টে শেষ হল শুনানি

রাজ্যের সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ: সুপ্রিম কোর্টে শেষ হল শুনানি

রাজ্যের সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ: সুপ্রিম কোর্টে শেষ হল শুনানি

দেশের শীর্ষ আদালত রাজ্য সরকারকে আগেই সময়সীমা দিয়েছিল। সরকারি কর্মীদের মহার্ঘ ভাতা সংক্রান্ত মামলা নিয়ে বারবার উত্তপ্ত হয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। বিশেষত রাজ্যের সরকারি কর্মীদের বকেয়া ২৫ শতাংশ ডিএ পরিশোধের জন্য আদালত রাজ্যকে ছয় সপ্তাহ সময় বেঁধে দিয়েছিল। কিন্তু সেই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বকেয়া ডিএ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয়েছে রাজ্য সরকার।

বকেয়া ২৫ শতাংশ ডিএ পরিশোধের জন্য যে বিপুল পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন, তা রাজ্যের ভাঁড়ারে নেই বলে অতিরিক্ত ছয় মাস সময় চেয়ে আদালতের কাছে আবেদন জানিয়েছে রাজ্য সরকার। সূত্রের খবর, এই আবহে সুপ্রিম কোর্টে প্রায় সময়েই শুনানি হয়েছে। তারিখের পর তারিখ পড়লেও মামলা এগোয়নি। বেশ কিছুবার ডিএ মামলার শুনানি পিছিয়ে গিয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টে শেষ হল শুনানি

সোমবারই মামলার শুনানি শেষ হয়েছে। আপাতত রায়দান স্থগিত রেখেছেন বিচারপতি সঞ্জয় কুমার এবং বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র-এর বেঞ্চ। রাজ্যের পক্ষের আইনজীবী আদালতে যুক্তি তুলে ধরেছিলেন যে, সরকারি কর্মীদের মহার্ঘ ভাতা বাধ্যতামূলক নয়। এছাড়া মহার্ঘ ভাতা নিয়ে সরকারি কর্মীদের আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার কোন আইনি অধিকার নেই।

আইনজীবীর যুক্তি ছিল, কেন্দ্র ও রাজ্যের আর্থিক কাঠামো আলাদা। তাই কেন্দ্র যে হারে তাদের কর্মীদের ডিএ দেয়, সেই একই হারে রাজ্য সরকারের পক্ষে পরিশোধ সম্ভব নয়। মামলার সূত্রপাত ছিল, কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মীরা যে হারে ডিএ পায়, রাজ্যকেও সেই একই ডিএ দিতে হবে—এই দাবি থেকে।

মামলার মূল প্রশ্ন

বিগত কয়েকদিন ধরে মামলাটি আদালতে উত্তপ্ত পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। শুনানির শুরুতেই মামলাকারীর আইনজীবীর প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছিল রাজ্যকে। মামলাকারী পক্ষের আইনজীবী করুণা নন্দী আদালতে জানান, কেরল সরকার এআইসিপিআই মানা না হলেও সরকারি কর্মচারীদের নির্দিষ্ট সময়ে ডিএ পরিশোধ করেছে। এই উদাহরণ দিয়ে তিনি আদালতের বিচারকদের বোঝান যে, সরকার চাইলে মহার্ঘ ভাতা দিতে পারে।

রাজ্যের যুক্তি

রাজ্যের আইনজীবী আদালতে বলেন, অর্থের সীমাবদ্ধতার কারণে এবং রাজ্যের আর্থিক কাঠামো ভিন্ন হওয়ায়, মহার্ঘ ভাতা দেওয়া কঠিন। কেন্দ্রের হারের সঙ্গে মিলিয়ে রাজ্য প্রশাসনের জন্য তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। এছাড়া, সরকারি কর্মীদের আর্থিক দিক থেকে চাপ কমাতে রাজ্য ইতিমধ্যেই বিভিন্ন প্রণোদনা এবং সুবিধা দিয়েছে।

মামলার প্রভাব ও পরবর্তী ধাপ

মামলার এই অবস্থা রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের মধ্যে সুসংগঠিত সমঝোতা এবং সরকারি কর্মচারীদের জন্য স্বচ্ছ নীতি গ্রহণের প্রয়োজনীয়তাকে তুলে ধরেছে। আদালতের রায় স্থগিত থাকায় পরবর্তী শুনানির তারিখ ঘোষণা করা হবে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, অর্থায়নের দিক এবং কেন্দ্র-রাজ্য কাঠামো বিবেচনা করে চূড়ান্ত রায় দেওয়া হবে।

এতে রাজ্য সরকারের উপর চাপ কমাতে, আর্থিক পরিকল্পনা অনুযায়ী ডিএ পরিশোধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সরকারি কর্মীদের জন্য মহার্ঘ ভাতা ও বকেয়া ডিএ বিতর্ক এখনও রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে আলোচনার বিষয় হয়ে রয়েছে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

বাংলায় আসছেন মোদী ও ডোভাল, নজর থাকবে রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা মহলে

কলকাতায় Combined Commanders’ Conference: প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় সংস্কার ও রূপান্তর

কলকাতায় Combined Commanders’ Conference: প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় সংস্কার ও রূপান্তর

আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে কলকাতায় শুরু হচ্ছে Combined Commanders’ Conference (CCC), যা চলবে ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এই সম্মেলনের মূল লক্ষ্য ভারতের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় সংস্কার, রূপান্তর এবং ভবিষ্যতের জন্য আধুনিকীকরণ। ২০২৫ সালের এই সম্মেলনের থিম নির্বাচিত হয়েছে – 'সংস্কারের বছর, ভবিষ্যতের জন্য রূপান্তর'।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন। সঙ্গে উপস্থিত থাকবেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল, প্রতিরক্ষা রাজ্যমন্ত্রী, প্রতিরক্ষা প্রধান (CDS), প্রতিরক্ষা সচিব এবং তিন বাহিনীর সর্বোচ্চ পদস্থ আধিকারিকরা। এছাড়াও প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তাদের এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবরাও সম্মেলনে অংশগ্রহণ করবেন।

সম্মেলনের মূল বিষয়

সম্মেলনের আলোচ্যসূচিতে রয়েছে সশস্ত্র বাহিনীর প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার, প্রযুক্তিগত আধুনিকীকরণ এবং বহুমাত্রিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় অপারেশনাল প্রস্তুতি জোরদারের কৌশল। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান জটিল ভূ-কৌশলগত পরিস্থিতিতে ভারতীয় সেনাবাহিনীকে আরও চটপটে ও সিদ্ধান্তমূলক করে তোলার জন্য এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।

অফিসার ও কর্মীদের সঙ্গে বিশেষ ইন্টারেক্টিভ সেশন অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে তারা তাঁদের বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং দৃষ্টিভঙ্গি শেয়ার করবেন। এটি একদিকে যেমন আধিকারিকদের চিন্তা ও পরামর্শ নেওয়ার সুযোগ করে দিচ্ছে, তেমনি অন্যদিকে সশস্ত্র বাহিনীর রূপান্তর ও প্রস্তুতি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা চালানোর সুযোগ দিচ্ছে।

প্রধান আলোচ্যসূচি ও অগ্রাধিকার

  • প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের মাধ্যমে সশস্ত্র বাহিনীর দক্ষতা বৃদ্ধি।
  • প্রযুক্তিগত আধুনিকীকরণের মাধ্যমে সামরিক শক্তি ও প্রস্তুতি শক্তিশালী করা।
  • বহুমাত্রিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কৌশল নির্ধারণ।
  • অফিসার ও কর্মীদের অভিজ্ঞতা অনুযায়ী অপারেশনাল প্রস্তুতি উন্নয়ন।

প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকরা মনে করছেন, জটিল আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক পরিস্থিতির মধ্যে, ভারতীয় সেনাবাহিনীকে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া, প্রযুক্তিগত আধুনিকীকরণ এবং উচ্চ দক্ষতা সম্পন্ন করা অত্যন্ত জরুরি। Combined Commanders’ Conference এই উদ্দেশ্যেই আয়োজন করা হয়েছে।

উচ্চ পর্যায়ের উপস্থিতি

প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি উপস্থিত থাকবেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল, প্রতিরক্ষা প্রধান (CDS), প্রতিরক্ষা সচিব এবং তিন বাহিনীর সর্বোচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা। এছাড়া প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করবেন। সম্মেলনে প্রতিরক্ষা নীতি, আধুনিক প্রযুক্তি ও বাহিনীর রূপান্তর নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে।

বাংলাদেশ সীমান্ত ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা

সম্মেলনে বহুমাত্রিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জের মধ্যে বাংলাদেশ, চীন এবং পাকিস্তানের প্রভাব, এবং ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর প্রস্তুতি কৌশলও আলোচিত হবে। বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, এই সম্মেলনের মাধ্যমে ভারতীয় সেনাবাহিনীকে কার্যকর এবং সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য আরও শক্তিশালী করা হবে।

উপসংহার

কলকাতায় এই তিনদিনের সম্মেলন ভারতীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য নতুন দিকনির্দেশনা প্রদান করবে। আধুনিক প্রযুক্তি, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার এবং অপারেশনাল প্রস্তুতি নিশ্চিত করা হবে। প্রধানমন্ত্রী মোদী, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল এবং অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তাদের উপস্থিতি এই সম্মেলনের গুরুত্ব আরও বাড়িয়েছে।

Combined Commanders’ Conference শুধুমাত্র একত্রিত আলোচনার মঞ্চ নয়, বরং এটি ভবিষ্যতের জন্য রূপান্তর ও সংস্কারের বার্তা বহন করছে। ভারতীয় সেনাবাহিনীকে চটপটে, দক্ষ ও প্রযুক্তিগতভাবে শক্তিশালী করে তোলাই এই সম্মেলনের মূল লক্ষ্য।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

নওশাদ সিদ্দিকীর TMC যোগ প্রস্তাব নিয়ে শুভেন্দুর কটাক্ষ

নওশাদ সিদ্দিকীর TMC যোগ প্রস্তাব নিয়ে শুভেন্দুর কটাক্ষ | Y বাংলা নিউজ

নওশাদ সিদ্দিকীর TMC যোগ প্রস্তাব নিয়ে শুভেন্দুর কটাক্ষ

গত মার্চ মাসে নবান্নে পৌঁছেছিলেন নওশাদ সিদ্দিকী। প্রায় ২০ মিনিট ধরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। এই সাক্ষাতের পরই রাজনীতিতে জল্পনা ছড়িয়ে পড়ে যে, নওশাদ তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিতে পারেন। যদিও নবান্ন থেকে বের হওয়ার পর নিজেই সেই জল্পনা জল ঢেলে দেন বিধায়ক।

সাম্প্রতিক সময় নওশাদ সিদ্দিকী বিস্ফোরক দাবি করেছেন। তিনি জানান, বিধানসভায় দাঁড়িয়ে তৃণমূলের বিধায়ক শওকত মোল্লা তাঁকে TMC-তে যোগদানের প্রস্তাব দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, মন্ত্রিত্ব দেওয়ার প্রস্তাবও করা হয়েছে শাসকদলের পক্ষ থেকে।

মানহানির মামলা ও শুভেন্দুর প্রতিক্রিয়া

সোমবার ব্যাঙ্কশাল আদালতে নওশাদ সিদ্দিকী শওকত মোল্লার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেন। তিনি আইনজীবীকে সঙ্গে নিয়ে আদালতে উপস্থিত হন। এই ঘটনার পর বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন।

শুভেন্দু বলেন, "আমি শওকত মোল্লাদের মতো গুণ্ডাদের কথার উত্তর দেব না। নওশাদ ভাই জানেন তিনি কী বলতে চেয়েছেন। গতবার মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে নবান্নে দেখা করার সময় কী কথা হয়েছে তা জানতে পারিনি। লোকসভায় ডায়মন্ড হারবার থেকে ভোটে লড়বেন বলে কোন অজ্ঞাত কারণে মাঠ ছেড়ে দিলেন, সেটা স্পষ্ট হতে হবে। ভোটের ছয় মাস আগে এখন থেকে বলতে বলতে শুরু করলেন, জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মাসে বলবেন চাপ নিতে পারলাম না, তাই যেতে হল।"

রাজনৈতিক জল্পনা ও প্রভাব

নবান্নে সাক্ষাতের পর এবং TMC-তে যোগদানের প্রস্তাবের পর রাজনীতির মহলে নতুন জল্পনা তৈরি হয়েছে। নওশাদ সিদ্দিকীর এই মন্তব্য পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন ভোটের আগে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়িয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ধরনের ঘটনা ভোটপ্রচারণার প্রভাবকে প্রভাবিত করতে পারে।

নওশাদ সিদ্দিকীর দাবি ও শুভেন্দুর কটাক্ষ, দুই পক্ষের এই বিবৃতি রাজনীতিতে নতুন আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। শওকত মোল্লার TMC-এ যোগদান প্রস্তাবের বিষয়টি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত মানুষের কাছে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

নওশাদের রাজনৈতিক ব্যাকগ্রাউন্ড

নওশাদ সিদ্দিকী একজন প্রভাবশালী বিধায়ক, যিনি ভাঙড়ের আইএসএফ-এর প্রতিনিধিত্ব করেছেন। তাঁর রাজনৈতিক কৌশল এবং যাত্রা পশ্চিমবঙ্গ রাজনীতিতে প্রভাবশালী। তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে নানা ধরনের জল্পনা ইতিপূর্বেও উঠেছে, যা আবার নতুন করে রাজনীতির উত্তাপ বাড়িয়েছে।

নবান্নে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাতের পর রাজনৈতিক মহলে আলোড়ন সৃষ্টি হলেও নওশাদ নিজেই সেই জল্পনা স্পষ্টভাবে না মেনে জানান, তিনি কোনো সিদ্ধান্ত এখনই নেননি।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা কী বলছেন?

বিশ্লেষকরা বলছেন, ভোটের আগে এমন ধরনের প্রস্তাব ও বিতর্ক রাজনৈতিক উত্তাপকে বাড়াতে সাহায্য করে। তৃণমূল ও বিরোধী দল উভয়ের জন্যই এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। নওশাদ সিদ্দিকীর এই দাবি এবং শুভেন্দুর মন্তব্য, দুইয়ের মধ্যকার রাজনৈতিক নাটক ভোটের আগে ভোটারদের মনোযোগ আকর্ষণ করছে।

ভবিষ্যৎ প্রভাব

নওশাদ সিদ্দিকীর TMC যোগদানের প্রস্তাব ও বিরোধী নেতার কটাক্ষ, আগামী ভোট প্রচারণায় উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে। রাজনৈতিক মহল বলছে, এই ঘটনা নির্বাচনী কৌশল ও ভোটারদের মনোভাবকে প্রভাবিত করতে পারে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

বিস্ময়কর সিদ্ধান্ত: চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জয়ী অধিনায়ককে এশিয়া কাপ থেকে বাদ!

শ্রেয়স আইয়ারকে এশিয়া কাপ থেকে বাদ, তবে BCCI করল ক্যাপ্টেন! | Y বাংলা নিউজ

শ্রেয়স আইয়ারকে এশিয়া কাপ থেকে বাদ, তবে BCCI করল ক্যাপ্টেন!

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ২০২৫ জিতেও ভারতীয় ক্রিকেট বিশ্বে বড় চমক দিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (BCCI)। অজিত আগরকরের নেতৃত্বাধীন জাতীয় নির্বাচক কমিটি এশিয়া কাপের দল বেছে নিতেই নেটপাড়া ছেয়ে যায় সমালোচনার ঝড়ে। একাধিক বড় তারকা বাদ পড়ায় ক্রিকেটপ্রেমীরা হতবাক। কিন্তু সবচেয়ে বিস্ময়কর ছিল শ্রেয়স আইয়ারের নাম এশিয়া কাপের মূল দলে না থাকা।

শ্রেয়স আইয়ারের বাদ পড়া নিয়ে বহু প্রাক্তন ক্রিকেটার মত প্রকাশ করেছেন। হরভজন সিং, ইরফান পাঠান ও অভিষেক নায়ার মত বিশ্বকাপজয়ী প্রাক্তনরা এই সিদ্ধান্তকে অপ্রত্যাশিত ও হতবাক করা হিসেবে বর্ণনা করেছেন। সমালোচনার ঝড়ে BCCI-এর এ সিদ্ধান্ত ক্রিকেট বিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। তবে সমর্থকদের জন্য চমক হিসেবে রাখা হয়েছিল, শ্রেয়স আইয়ারকে ভারতের 'এ' দলে অধিনায়ক হিসেবে মনোনীত করা হলো।

ইন্ডিয়া 'এ' দলের প্রস্তুতি ও ম্যাচ সূচি

সেপ্টেম্বর মাসে ভারতের 'এ' দল অস্ট্রেলিয়া 'এ' দলের বিরুদ্ধে দু'টি মাল্টি-ডে ম্যাচ খেলবে। ১৬ ও ২৩ সেপ্টেম্বর লখনউতে অনুষ্ঠিত হবে এই ম্যাচ। শ্রেয়স আইয়ারকে অধিনায়ক ও ধ্রুব জুরেলকে সহ-অধিনায়ক মনোনীত করা হয়েছে। দ্বিতীয় ম্যাচের জন্য দলের সাথে যোগ করবেন কেএল রাহুল এবং পেসার মহম্মদ সিরাজ।

দলটি মূলত ঘরোয়া ক্রিকেটে আলো ছড়ানো নতুন এবং মাঝারি অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের নিয়ে গঠিত। এতে আয়ূষ বাদোনি, তনুশ কোটিয়ান, হর্ষ দুবে, মানব সুতার, এন জগদীসন, গুরনূর ব্রার এবং খলিল আহমেদ অন্তর্ভুক্ত। এশিয়া কাপের সাথে সংঘর্ষ না ঘটানোর জন্য ভারতের সাদা বলের মূল তারকারা এই দলে নেই।

শ্রেয়স আইয়ারের প্রতিক্রিয়া

শ্রেয়স আইয়ার এশিয়া কাপ থেকে বাদ পড়ার বিষয়টি নিয়ে বলেছেন, "সেই সময়ে হতাশ লাগছিল। কিন্তু দলের জন্য ধারাবাহিকভাবে পারফর্ম করতে হয় এবং সেরাটা দিতে হয়। দলের জয়ই গুরুত্বপূর্ণ। সুযোগ না পেলে নিজের কাজ নীতিগতভাবে করতে হবে।"

শ্রেয়সের ফর্মও চমকপ্রদ। আইপিএলে পঞ্জাব কিংসের হয়ে চলতি মরসুমে ৬০৪ রান করেছেন, স্ট্রাইক রেট ১৭৫.০৭। কলকাতা নাইট রাইডার্সকে আইপিএল ২০২৪-এ চ্যাম্পিয়ন বানানোর পাশাপাশি, সোবো মুম্বই ফ্যালকনসকে মুম্বই টি-টোয়েন্টি লিগের ফাইনালে নিয়ে গিয়েছেন। রঞ্জি ট্রফি ও ইরানি কাপেও শ্রেয়সের পারফর্ম্যান্স প্রশংসিত হয়েছে।

ইন্ডিয়া 'এ' স্কোয়াড

  • শ্রেয়স আইয়ার (অধিনায়ক)
  • ধ্রুব জুরেল (সহ-অধিনায়ক, উইকেটকিপার)
  • অভিমন্যু ঈশ্বরণ
  • সাই সুদর্শন
  • এন জগদীসন (উইকেটকিপার)
  • দেবদত্ত পাড়িক্কল
  • হর্ষ দুবে
  • আয়ূষ বাদোনি
  • নীতীশ কুমার রেড্ডি
  • তনুশ কোটিয়ান
  • প্রসিধ কৃষ্ণা
  • গুরনূর ব্রার
  • খলিল আহমেদ
  • মানব সুতার
  • যশ ঠাকুর

শ্রেয়স আইয়ারের নেতৃত্বে ইন্ডিয়া 'এ' দল তরুণ ক্রিকেটারদের সুযোগ দিচ্ছে এবং তাদের অভিজ্ঞতা বাড়াচ্ছে। এশিয়া কাপ থেকে বাদ পড়ার হতাশা হলেও শ্রেয়সের অধিনায়কত্বে নতুন দলে তার প্রত্যাবর্তন ভারতীয় ক্রিকেটের জন্য আশার আলো তৈরি করছে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

২০২৬ নির্বাচনের আগে বিষ্ণুপুরে বিজেপির ভাঙন, তৃণমূলে যোগদানেই পাল্টাচ্ছে সমীকরণ

২০২৬ নির্বাচনের আগে বিষ্ণুপুরে বিজেপির ভাঙন, তৃণমূলে যোগদানেই পাল্টাচ্ছে সমীকরণ

২০২৬ নির্বাচনের আগে বিষ্ণুপুরে বিজেপির ভাঙন, তৃণমূলে যোগদানেই পাল্টাচ্ছে সমীকরণ

📰 রিপোর্ট: Y বাংলা নিউজ ডেস্ক | 📅 ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন ঘনিয়ে আসার আগেই বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলায় বিজেপির শক্ত ঘাঁটিতে ভাঙনের সুর শোনা যাচ্ছে। একাধিক গ্রাম পঞ্চায়েতের বিজেপি সদস্য তৃণমূল কংগ্রেসের পতাকা হাতে তুলে নিয়েছেন। এই যোগদান মেলা ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র আলোড়ন তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে সোনামুখী বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির ভাঙন দলীয় সংগঠনের জন্য বড় ধাক্কা বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

মানিক বাজার গ্রাম পঞ্চায়েতের সমীকরণ বদল

সোনামুখী ব্লকের মানিক বাজার গ্রাম পঞ্চায়েতের মোট আসন সংখ্যা ৯। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিজেপি ৫টি এবং তৃণমূল ৪টি আসন পায়। ফলে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বোর্ড গঠন করে বিজেপি। কিন্তু সাম্প্রতিক যোগদান মেলায় ১৭০ নম্বর বুথের বিজেপি সদস্য শ্যামলী লোহার তৃণমূলে যোগ দেন। এর ফলে বিজেপির সদস্য সংখ্যা নেমে এসেছে ৪-এ এবং তৃণমূল বেড়ে হয়েছে ৫। স্বাভাবিকভাবেই আগামী দিনে অনাস্থা এনে এই গ্রাম পঞ্চায়েতের বোর্ড দখল করতে চলেছে তৃণমূল।

পূর্ব নবাসন গ্রাম পঞ্চায়েতে ভাঙন

সোনামুখী বিধানসভার বিজেপি বিধায়ক দিবাকর ঘরামির এলাকা পূর্ব নবাসন গ্রাম পঞ্চায়েতেও ভাঙন দেখা দিয়েছে। এখানে মোট আসন ২৩টির মধ্যে ১৬টিতে বিজেপি এবং ৭টিতে তৃণমূল জয়ী হয়েছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক যোগদান মেলায় ১২১ নম্বর বুথের বিজেপি সদস্য জ্যোৎস্না চৌধুরী ও ১১১ নম্বর বুথের স্বপ্না ঘোষ তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন। ফলে বর্তমান পরিসংখ্যান অনুযায়ী বিজেপির আসন সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ১৪-এ এবং তৃণমূল বেড়ে হয়েছে ৯।

রাজনৈতিক তরজা

এই যোগদান মেলাকে ঘিরে বিজেপি ও তৃণমূলের মধ্যে অভিযোগ-প্রত্যঅভিযোগের ঝড় উঠেছে। জেলা তৃণমূল সভাপতি সুব্রত দত্ত হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, আগামী ১০ দিনের মধ্যেই গ্রাম পঞ্চায়েতের ক্ষমতা দখল করবে তৃণমূল। অন্যদিকে, বিজেপি বিধায়ক দিবাকর ঘরামি অভিযোগ করেছেন, “প্রশাসনকে কাজে লাগিয়ে ভয় দেখিয়ে বিজেপি সদস্যদের যোগদান করানো হচ্ছে।” তিনি দাবি করেছেন, সাধারণ মানুষের কাছে তৃণমূল এখন ডুবন্ত জাহাজ।

সভামঞ্চ থেকে জেলা তৃণমূল সভাপতি বিজেপি বিধায়ককে আক্রমণ করে বলেন, “সাড়ে চার বছরে এলাকায় কোনও কাজ করেননি বিধায়ক। এবার ডুগডুগি বাজাব, বাঁদরের নাচ নাচাব।” পাল্টা বিজেপি বিধায়ক খোঁচা দিয়ে মন্তব্য করেন, “তৃণমূলের যেমন ঝাড়, তেমন বাঁশ।”

যোগদানের কারণ

বিজেপি থেকে তৃণমূলে যোগ দেওয়া অঞ্চল সদস্যদের বক্তব্য, বিজেপিতে থেকে এলাকার উন্নয়ন সম্ভব হচ্ছিল না। তাই উন্নয়ন যজ্ঞে অংশগ্রহণ করতেই তারা তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, ভোটের আগে এই ভাঙন বিজেপির জন্য বড় ধাক্কা। তবে আগামী দিনে সাধারণ মানুষ কাকে সমর্থন করবেন, তার ইঙ্গিত দেবে ২০২৬ সালের ভোট।

স্পষ্টতই বলা যায়, যোগদান মেলা শুধু রাজনৈতিক সমীকরণই বদলায়নি, বরং গ্রামাঞ্চলে তৃণমূলের সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করেছে। অন্যদিকে বিজেপির অভ্যন্তরীণ ভাঙন দলের কৌশলগত দুর্বলতাকে প্রকাশ করছে। এখন দেখার বিষয়, ২০২৬ নির্বাচনের আগে এই ভাঙন কোন দিকে মোড় নেয়।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

বিহারে প্রমাণ্য নথি হিসেবে আধার স্বীকৃতি — সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ

বিহারে প্রমাণ্য নথি হিসেবে আধার স্বীকৃতি — সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ

বিহারে প্রমাণ্য নথি হিসেবে আধার স্বীকৃতি — সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ

প্রকাশিত: 8 সেপ্টেম্বর 2025 | রিপোর্ট: কপি রাইট-মুক্ত সংবাদ

সুপ্রিম কোর্ট সোমবার নির্দেশ দিয়েছেন যে, বিহারের স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন (SIR) চলাকালে নির্বাচন কমিশন (EC)-কে আধার কার্ডকে ১২তম গ্রহণযোগ্য পরিচয়পত্র হিসেবে বিবেচনা করতে হবে — যাতে অধিক সংখ্যক ভোটারের পরিচয় যাচাই করা যায় এবং অনাবশ্যক সমস্যার সমাধান সহজ হয়। 0

আদালত একই সঙ্গে কড়া শর্তও বসিয়েছে: আধারকে নাগরিকত্বের প্রমাণ হিসেবে ধরা যাবে না এবং নির্বাচন কমিশনকে যেসব আধার নম্বর গ্রহণ করবে সেগুলোর প্রামাণিকতা নিশ্চিত করার ব্যবস্থা রাখতে বলা হয়েছে। আদালত জানিয়েছে, পরিচয় যাচাই এবং নাগরিকত্ব প্রমাণ দুটি আলাদা বিষয় এবং তা মিশ্রিত করা হবে না। 1

এই নির্দেশের প্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশনকে বলা হয়েছে যে, তারা দ্রুত একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে আধারকে গ্রহণযোগ্য নথির তালিকায় আনুক এবং একই সঙ্গে যাচাই-প্রক্রিয়া শক্তপোক্ত করুক — যাতে ভুয়া বা অনধিকৃত নম্বর দিয়ে ভেন্ডেল-প্রবেশ প্রতিরোধ করা যায়। আদালত এই সিদ্ধান্তে ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, SIR–এর লক্ষ্যই হল বৈধ ভোটারদের নাম ঠিকভাবে রফতানি ও পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা। 2

বিশ্লেষকদের মতে, আধারকে স্বীকৃতি দেয়া হলে অনেকের ক্ষেত্রে ভোটার যাচাইকরণ দ্রুততর হবে, তবে একই সঙ্গে প্রামাণিকতা যাচাই ও গোপনীয়তা বিষয়ক প্রশ্নও গুরুত্ব পাবে — নির্বাচন কমিশনকে তাই প্রযুক্তিগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে।

সূত্র: LiveLaw, Hindustan Times, Indian Express, Bar & Bench (সংক্ষিপ্ত রূপে)। এই প্রতিবেদনটি কপিরাইট-মুক্ত এবং আপনি প্রয়োজনে পুনঃপ্রকাশ করতে পারবেন।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

“ভোটের আগে গেমচেঞ্জার চাল! মিঠুনের কাঁধে ভরসা রাখল বঙ্গ বিজেপি, অন্য নেতারা তবে কোথায়?”

ভোটের আগে মমতার পথেই হাঁটছেন বঙ্গ বিজেপি — মিঠুনকে গুরুদায়িত্ব, পুজো স্তরে অনুদান বিতরণ

ভোটের আগে মমতার পথেই হাঁটছে বঙ্গ বিজেপি — এবার গুরুদায়িত্ব মিঠুন চক্রবর্তীর কাঁধে

প্রকাশিত: 8 সেপ্টেম্বর 2025 | রিপোর্ট: স্থানীয় সংবাদদল

দীর্ঘদিন ধরেই রাজ্যের পুজো কমিটিগুলোকে সরকারি অনুদান দেওয়ার বিরোধিতা করে এসেছে বিজেপি। তথাকথিত “রাজ্যায়িত অনুদান” ও রাজনৈতিক পরোক্ষ সুবিধা প্রদানের অভিযোগের প্রেক্ষিতে গেরুয়া শিবির বারবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের সমালোচনা করেছে। অথচ ভোটের মরসুম ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে বিজেপিও মঞ্চে এবং পুজো-চর্চায় প্রভাব বিস্তার করতেই মমতার কৌশলের অনুকরণ করছে — এবার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে পুজো কমিটিগুলোকে আর্থিক সহায়তা করবে জেলা-স্তরে বিজেপি, আর ওই কাজটি করা হবে দলের তারকা নেতা ও অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তীর মাধ্যমে। দলে থাকা সূত্রে এই তথ্য সংগৃহীত হয়েছে। 0

সূত্রের বরাতে জানা গেছে, ২০২১ সালের নির্বাচনী মরসুমে জেলা-স্তরে ক্লাব ও পুজো কমিটিগুলোকে অর্থ পাঠানোর নাম করে রাজ্যের কিছু জায়গায় বড়সড় অনিয়মের অভিযোগ উঠেছিল — নির্ধারিত পরিমাণ অর্থ মাঝপথে গায়েব হয়ে যাওয়া, আর কোন কোন ক্ষেত্রে অনুদানই না পৌঁছিয়ে নেতাদের কণ্ঠে সুবিধা ওঠার মতো অভিযোগ শোনা গিয়েছিল। এসব প্রেক্ষাপটে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকরা এবার একটি কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন: সরাসরি প্রাপ্তির পদ্ধতি ন্যূনতম তছরুপ রোধ করবে বলে মনে করছেন তারা। ফলে জেলা-সংবিধানিক নেতাদের হাতে বালকভর্তি টাকা না দিয়ে, প্রতিটি পুজো কমিটির প্রতিনিধিকে সরাসরি এসে অনুদান গ্রহণের নিয়ম চালু করা হবে — যাতে গৌণ পথ দিয়ে তহবিলের আন্দোলন সীমিত করা যায়। 1

কেন মিঠুন — এবং তার রাজনৈতিক গুরুত্ব

মিঠুন চক্রবর্তী চলচ্চিত্র ও জনমানসে দীর্ঘদিন ধরে পরিচিত মুখ। রাজনৈতিক পরিসরে তাঁর উপস্থিতি গেরুয়া শিবিরকে সাংস্কৃতিক ও সামাজিক ইম্প্যাক্ট বাড়াতে সহায়তা করে — বিশেষত পুজো-মণ্ডপের মতো জনসেবামূলক ও সাংস্কৃতিক প্ল্যাটফর্মে। একজন জনপ্ৰিয় অভিনেতা হিসেবে মিঠুনের ‘ফেস’ জেলায়-জেলায় ব্যাপক মানুষের সমাগম তৈরি করতে পারে, যা ভোটকৌশলে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। অনেকে মন্তব্য করেছেন, পুজো উৎসবকে কেন্দ্রে রেখে ভোট বাতাস বদলানোর প্রচেষ্টা চলছে — সেই কৌশলেই বিজেপি এবার মিঠুনকে মহড়া দেওয়ার দায়িত্ব দিয়েছে। 2

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মিঠুনের মতো সাংস্কৃতিক আইকনকে সামনে করে বিজেপি দুই ধরণের লক্ষ্য অর্জন করতে চায়: (১) সাধারণ মানুষের কাছে দলকে আরও কাছাকাছি দেখা এবং (২) পুজো কমিটিগুলোর মঞ্চে, সমাজে এবং লোকাল মিডিয়ায় দৃশ্যমানতা বাড়ানো। ভোটকেন্দ্রিক দৃষ্টিকোণ থেকে এগুলো ছোট লক্ষ্য নয় — বিশেষত যেখানে সাংস্কৃতিক উৎসব পার্টি-লজিস্টিক ও জনসম্পৃক্ততার জন্য শক্ত ভূমিকা রাখে।

পিছনের আর্থিক কেলেঙ্কারির ভয় ও কেন্দ্রীয় জবাব

২০২১ সালের ভোটের সময় অনুদান বিতরণ নিয়ে ওঠা অভিযোগগুলোর কথা দলের শীর্ষ পর্যায়ের নজরে এসেছে বলে শোনা যাচ্ছে। অতীতে অনুদান বিলোপ বা বিতরণে স্বচ্ছতার অভাব হবার অভিযোগ উঠলে তা দলের ভাবমূর্তির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে — বিশেষত যেখানে স্থানীয় পর্যায়ে ক্ষুদ্র-মাঝারি ক্লাব আর সঞ্চালন কমিটিগুলো সরকারি বা পার্টি-অর্থের উপর নির্ভরশীল। তাই এবারের বদলে দেওয়া পদ্ধতি — সরাসরি প্রাপ্তি ও কেন্দ্রীয় তদারকি — মূলত সেই ঝুঁকি কমাতে নেওয়া হয়েছে বলে রাজনৈতিক সূত্রে মত করা হচ্ছে। 3

কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক ও জেলা পর্যায়ের নেতাদের নির্দেশে অনুদান সংগ্রহের জন্য ক্লাব-প্রতিনিধিদের সরাসরি এসে যোগদান করতে বলা হয়েছে — অর্থাৎ নগদ বা চেক হাতে বুঝিয়ে দেওয়া হবে নির্দিষ্ট স্থানে, যা ডকুমেন্টেড রাখার সুযোগ বাড়াবে। এমন ব্যবস্থায় অনিয়মের সম্ভাবনা কমবে এবং ‘মধ্যস্থতাকারী’দের হাত থেকে অর্থ সরে আসবে, এটাই পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্য বলে জানানো হয়েছে।

সমালোচনা ও প্রতিক্রিয়া

রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ এবং সমালোচকরা জানিয়েছেন — ভোটের আগে পুজো কমিটিগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ানো হলে সেটি ধর্মীয় এবং সাংস্কৃতিক আচারকে রাজনৈতিকভাবে instrumentalise করা হবে বলে অভিযোগ ওঠে। অনেকেই বলছেন, যদি একটি রাজনৈতিক দল উৎসবের মঞ্চে আর্থিকভাবে উপস্থিতি বাড়ায়, তবে তা ধর্মীয় অনুষ্ঠানকে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার অংশে পরিণত করে। এই ধরনের সমালোচনার মধ্যে দিয়ে গেরুয়া শিবিরও যাবতীয় অভিযোগ উড়িয়ে নিজের নির্বাচনী কৌশল বলবৎ রাখতে চায়। অন্যদিকে, পুজো-কমিটির অনেক প্রতিনিধিই আর্থিক সহায়তা পেলে সাংগঠনিক চাপ কমবে বলে স্বীকার করছেন।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন প্রশাসনও নিয়মিতভাবে পুজো কমিটিগুলোকে দিচ্ছে সরকারি অনুদান; ২০২৫ সালের গরম সেশনে সরকার পুজো অনুদান বৃদ্ধি করে বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে — সেই প্রেক্ষিতে প্রতিটি দলই উৎসবকে কেন্দ্র করে ভোট-কৌশল সাজাচ্ছে বলেই রাজনৈতিক পর্যালোচনায় উঠে এসেছে। 4

কি নির্দেশনা ঐতিহাসিকভাবে এসেছে এবং ভবিষ্যৎ কৌশল

বর্তমান সিদ্ধান্ত অনুযায়ী — জেলা নেতাদের হাতে তহবিল তুলে না দিয়ে সরাসরি প্রাপ্তির পদ্ধতিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। এছাড়া ফেরত প্রতিবেদনের ব্যবস্থা জোরদার করা হবে যাতে অনুদান কোথায় ব্যয় হচ্ছে সেই হিসাব-নিকাশ পাওয়া যায়। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, এই পদক্ষেপ শুধু তছরুপ রোধ করবে না, বরং ভোটের সময় নিজেদের ‘প্রবাহ’ বজায় রাখতে সাহায্য করবে।

আগামী কয়েক সপ্তাহে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় মিঠুন চক্রবর্তীর অংশগ্রহণে অনুদান বিতরণী অনুষ্ঠানের মরশুম শুরু হলে সেটি সংবাদমাধ্যমে ব্যাপকভাবে তুলে ধরা হবে — এবং সেটা স্বাভাবিকভাবেই ভোটের আবহে রাজনৈতিক প্রভাব তৈরি করবে। ফলে যে দলই উৎসব ও সাংস্কৃতিক প্ল্যাটফর্ম নিয়ন্ত্রণ করবে, সে মাটিতে ভোটপ্রভাবও বাড়াতে পারবে — এটাই রাজনীতিবিদদের গণনায় সক্রিয় বিষয়।

নোট: প্রতিবেদনে রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তিদের সংক্রান্ত তথ্য স্থানীয় সূত্র এবং জনসম্বন্ধীয় প্রতিবেদন থেকে সংগৃহীত। অতীতে পুজো-অনুদান ও তার বিবাদে বিভিন্ন সময়ে আদালত, বিরোধী দল ও মিডিয়া রিপোর্টে আলাদা আলাদা মন্তব্য এসেছে। আরো তথ্য জানতে স্থানীয় অফিসিয়াল নোটিফিকেশন দেখার পরামর্শ।

এই খবরটি কপিরাইট-ফ্রি (copyright-free) আকারে তৈরি করা হয়েছে এবং আপনি প্রয়োজনে পুনঃপ্রকাশ করতে পারবেন।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

Featured post

Y বাংলা ব্যুরো: ভোটার তালিকা সংশোধনে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডে না নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা সংশোধন (SIR, ২০২৬) প্রক্রিয়ায় ম...

Search This Blog