Sample Video Widget

Seo Services

Monday, 8 September 2025

রাজ্যের সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ: সুপ্রিম কোর্টে শেষ হল শুনানি

রাজ্যের সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ: সুপ্রিম কোর্টে শেষ হল শুনানি

রাজ্যের সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ: সুপ্রিম কোর্টে শেষ হল শুনানি

দেশের শীর্ষ আদালত রাজ্য সরকারকে আগেই সময়সীমা দিয়েছিল। সরকারি কর্মীদের মহার্ঘ ভাতা সংক্রান্ত মামলা নিয়ে বারবার উত্তপ্ত হয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। বিশেষত রাজ্যের সরকারি কর্মীদের বকেয়া ২৫ শতাংশ ডিএ পরিশোধের জন্য আদালত রাজ্যকে ছয় সপ্তাহ সময় বেঁধে দিয়েছিল। কিন্তু সেই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বকেয়া ডিএ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয়েছে রাজ্য সরকার।

বকেয়া ২৫ শতাংশ ডিএ পরিশোধের জন্য যে বিপুল পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন, তা রাজ্যের ভাঁড়ারে নেই বলে অতিরিক্ত ছয় মাস সময় চেয়ে আদালতের কাছে আবেদন জানিয়েছে রাজ্য সরকার। সূত্রের খবর, এই আবহে সুপ্রিম কোর্টে প্রায় সময়েই শুনানি হয়েছে। তারিখের পর তারিখ পড়লেও মামলা এগোয়নি। বেশ কিছুবার ডিএ মামলার শুনানি পিছিয়ে গিয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টে শেষ হল শুনানি

সোমবারই মামলার শুনানি শেষ হয়েছে। আপাতত রায়দান স্থগিত রেখেছেন বিচারপতি সঞ্জয় কুমার এবং বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র-এর বেঞ্চ। রাজ্যের পক্ষের আইনজীবী আদালতে যুক্তি তুলে ধরেছিলেন যে, সরকারি কর্মীদের মহার্ঘ ভাতা বাধ্যতামূলক নয়। এছাড়া মহার্ঘ ভাতা নিয়ে সরকারি কর্মীদের আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার কোন আইনি অধিকার নেই।

আইনজীবীর যুক্তি ছিল, কেন্দ্র ও রাজ্যের আর্থিক কাঠামো আলাদা। তাই কেন্দ্র যে হারে তাদের কর্মীদের ডিএ দেয়, সেই একই হারে রাজ্য সরকারের পক্ষে পরিশোধ সম্ভব নয়। মামলার সূত্রপাত ছিল, কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মীরা যে হারে ডিএ পায়, রাজ্যকেও সেই একই ডিএ দিতে হবে—এই দাবি থেকে।

মামলার মূল প্রশ্ন

বিগত কয়েকদিন ধরে মামলাটি আদালতে উত্তপ্ত পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। শুনানির শুরুতেই মামলাকারীর আইনজীবীর প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছিল রাজ্যকে। মামলাকারী পক্ষের আইনজীবী করুণা নন্দী আদালতে জানান, কেরল সরকার এআইসিপিআই মানা না হলেও সরকারি কর্মচারীদের নির্দিষ্ট সময়ে ডিএ পরিশোধ করেছে। এই উদাহরণ দিয়ে তিনি আদালতের বিচারকদের বোঝান যে, সরকার চাইলে মহার্ঘ ভাতা দিতে পারে।

রাজ্যের যুক্তি

রাজ্যের আইনজীবী আদালতে বলেন, অর্থের সীমাবদ্ধতার কারণে এবং রাজ্যের আর্থিক কাঠামো ভিন্ন হওয়ায়, মহার্ঘ ভাতা দেওয়া কঠিন। কেন্দ্রের হারের সঙ্গে মিলিয়ে রাজ্য প্রশাসনের জন্য তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। এছাড়া, সরকারি কর্মীদের আর্থিক দিক থেকে চাপ কমাতে রাজ্য ইতিমধ্যেই বিভিন্ন প্রণোদনা এবং সুবিধা দিয়েছে।

মামলার প্রভাব ও পরবর্তী ধাপ

মামলার এই অবস্থা রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের মধ্যে সুসংগঠিত সমঝোতা এবং সরকারি কর্মচারীদের জন্য স্বচ্ছ নীতি গ্রহণের প্রয়োজনীয়তাকে তুলে ধরেছে। আদালতের রায় স্থগিত থাকায় পরবর্তী শুনানির তারিখ ঘোষণা করা হবে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, অর্থায়নের দিক এবং কেন্দ্র-রাজ্য কাঠামো বিবেচনা করে চূড়ান্ত রায় দেওয়া হবে।

এতে রাজ্য সরকারের উপর চাপ কমাতে, আর্থিক পরিকল্পনা অনুযায়ী ডিএ পরিশোধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সরকারি কর্মীদের জন্য মহার্ঘ ভাতা ও বকেয়া ডিএ বিতর্ক এখনও রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে আলোচনার বিষয় হয়ে রয়েছে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

0 comments:

Post a Comment

আপনার মতামত এর জন্য আপনাকে ধন্যবাদ 👇
👉 যদি মনে হয় বিষয়টা গুরুত্বপূর্ণ, পোস্টটি শেয়ার করুন 🔄নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Featured post

Y বাংলা ব্যুরো: ভোটার তালিকা সংশোধনে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডে না নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা সংশোধন (SIR, ২০২৬) প্রক্রিয়ায় ম...

Search This Blog