Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Tuesday, 16 September 2025

বিহারে আসন ভাগাভাগি নিয়ে কংগ্রেসের কৌশল, ভোটের আগে ঘর গোছাচ্ছে মহাগটবন্ধন

বিহারে আসন ভাগাভাগি নিয়ে কংগ্রেসের কৌশল, ভোটের আগে ঘর গোছাচ্ছে মহাগটবন্ধন

বিহারে আসন ভাগাভাগি নিয়ে কংগ্রেসের কৌশল, ভোটের আগে ঘর গোছাচ্ছে মহাগটবন্ধন

আপডেট: ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ | Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো

বিহারের রাজনৈতিক পরিস্থিতি
বিহারের আসন্ন নির্বাচনে কংগ্রেসের কৌশল ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ।

বিহারে আসন্ন নির্বাচনের আগে মহাগটবন্ধনের দলগুলির মধ্যে সমন্বয় নিয়ে নতুন করে আলোচনার সূচনা হয়েছে। ‘ভোটার অধিকার যাত্রা’র সময় যে ঐক্য ও সমন্বয় দেখা গিয়েছিল, তা এখন আসন ভাগাভাগির আলোচনায় গুরুত্ব পাচ্ছে। কয়েক দিনের মধ্যেই নির্বাচন ঘোষণা হওয়ার সম্ভাবনা থাকায় মহাগটবন্ধনের বিভিন্ন দল, বিশেষত কংগ্রেস, নিজেদের শক্তি বাড়ানোর দিকে মনোযোগ দিয়েছে। বিগত নির্বাচনে মাত্র ২০টি আসন জয় করেছিল কংগ্রেস। এবার তারা আগের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে আসন ভাগাভাগির ক্ষেত্রে কৌশলী ভূমিকা নিতে চাইছে।

রাহুল গান্ধীর যাত্রার পর বদলাচ্ছে সমীকরণ

গত নির্বাচনে বিহারে কংগ্রেসের দুর্বল পারফরম্যান্স নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। আসন ভাগাভাগির সময় তাদের যে আসন দেওয়া হয়েছিল, তা নিয়ে দলের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়। তবে রাহুল গান্ধীর ‘ভোটার অধিকার যাত্রা’ বিহারে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। নির্বাচনী জনসভায় তিনি যুব, নারী, কৃষকসহ নানা শ্রেণির মানুষের সমর্থন পেয়েছেন। ফলে রাজনৈতিক মহলে ধারণা করা হচ্ছে, এবার কংগ্রেসের শক্তি বাড়বে এবং আসন ভাগাভাগির আলোচনায় তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।

NDA ঘাঁটিতে লড়াই নয়, কৌশল বদলাচ্ছে কংগ্রেস

সূত্রের খবর, কংগ্রেস এবার আগের মতো সব আসনে লড়তে চাইছে না। গতবারের লড়াই করা ৪৫টি আসনই ছিল NDA-র শক্ত ঘাঁটি, যেখানে তাদের পরাজয়ের সম্মুখীন হতে হয়েছিল। এই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে তারা এবার এমন আসনগুলিতে লড়াই করতে চাইছে না যেখানে জয়ের সম্ভাবনা কম। পাশাপাশি, RJD-কে তারা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে বহু বছর ধরে NDA জয়ী আসন তারা চাইবে না। এই অবস্থান তাদের নির্বাচনী কৌশলে বড় পরিবর্তন আনছে।

দুটি ফর্মুলায় আসন ভাগাভাগির প্রস্তুতি

কংগ্রেসের স্ট্র্যাটেজিস্টরা আসন ভাগাভাগির জন্য দু’টি ফর্মুলা তৈরি করেছেন। প্রথম ফর্মুলায় বলা হয়েছে, কংগ্রেস যদি উপ-মুখ্যমন্ত্রীর পদ পায়, তাহলে তারা ৫০ আসনে লড়বে। অন্যথায়, উপ-মুখ্যমন্ত্রীর পদ না পেলে তারা আগের মতো ৭০টি আসনেই লড়াই করবে। এই অবস্থান নিয়ে কোনও আপসে যেতে রাজি নয় কংগ্রেস। বিহারের ইনচার্জ কৃষ্ণ আল্লাভারুকে RJD-র সঙ্গে আলোচনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

জয়ের সম্ভাব্য আসন চিহ্নিত

ভোটার অধিকার যাত্রার সময়েই কংগ্রেস সম্ভাব্য জয়ের আসন চিহ্নিত করেছে। দুর্বল আসনগুলিও আলাদাভাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। যে আসনে দলিত, অনগ্রসর শ্রেণি, সবর্ণ এবং মুসলিম ভোটাররা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে, সেগুলি বিশেষভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে। প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রেও এই ভোটারদের সমীকরণ মাথায় রাখা হয়েছে। পাশাপাশি, প্রতিটি জেলায় অন্তত একটি আসনে প্রার্থী দিতে চায় কংগ্রেস।

সম্মানজনক আসনের দাবিতে অটল কংগ্রেস

দিল্লিতে বিহার কংগ্রেসের নেতাদের বৈঠকের পরে কৃষ্ণ আল্লাভারু জানান, “আমরা সম্মানজনক আসন সংখ্যা চাই। কংগ্রেসের সমীকরণের সঙ্গে মানানসই আসন নিশ্চিত করতে হবে।” ভালো ও খারাপ আসনের ভারসাম্য বজায় রেখে একটি নির্বাচনী পরিকল্পনা তৈরি করা হচ্ছে। দল চাইছে যেন জয়ের সম্ভাবনা বাড়ে এবং ভোটারদের কাছে ইতিবাচক বার্তা পৌঁছায়।

RJD বুঝেছে কংগ্রেসের বাড়তি গুরুত্ব

রাজনৈতিক মহলের মতে, গত নির্বাচনের মতো দুর্বল অবস্থায় থাকলে RJD হয়তো কংগ্রেসের দাবি শোনার প্রয়োজন বোধ করত না। কিন্তু ভোটার অধিকার যাত্রার পরে বিহারে কংগ্রেসের ভাগ্যের চাকা ঘুরতে শুরু করেছে বলে তারা উপলব্ধি করছে। RJD নেতৃত্বও এখন কংগ্রেসের আসন ভাগাভাগির দাবিকে গুরুত্ব দিচ্ছে এবং আলোচনায় নমনীয়তা দেখাচ্ছে। এই পরিস্থিতি মহাগটবন্ধনের সমীকরণে কংগ্রেসের প্রভাব বাড়িয়েছে।

আগামী দিনের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ

বিহারের নির্বাচনী লড়াইয়ে আসন ভাগাভাগির এই সমীকরণ আগামী দিনে আরও তীব্র হবে। কংগ্রেস চাইছে নির্বাচনের আগে তাদের শক্তি প্রদর্শন করতে। অন্যদিকে, RJD চাইছে ঐক্য বজায় রেখে ভোটের আগে বিরোধী শিবিরে স্থিরতা আনতে। মহাগটবন্ধনের অন্যান্য ছোট দলগুলিও আসন ভাগাভাগির আলোচনায় সক্রিয় হয়েছে। সব মিলিয়ে বিহারের ভোটের রাজনীতি নতুন মোড় নিতে চলেছে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

উপসংহার

বিহারের আসন্ন নির্বাচন শুধু ভোটের লড়াই নয়, এটি রাজনৈতিক সমীকরণের নতুন অধ্যায়। কংগ্রেসের আসন ভাগাভাগির কৌশল মহাগটবন্ধনের শক্তি বাড়াতে পারে। রাহুল গান্ধীর যাত্রা তাদের জন্য ইতিবাচক বার্তা এনেছে। NDA-র শক্ত ঘাঁটিতে না লড়ে নিজেদের সম্ভাব্য আসন চিহ্নিত করা, উপ-মুখ্যমন্ত্রী পদের দাবি, এবং সম্মানজনক আসনের ওপর জোর দিয়ে কংগ্রেস বিহারের ভোট রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা নিতে চলেছে। আগামী কয়েক সপ্তাহের রাজনৈতিক আলোচনাই নির্ধারণ করবে মহাগটবন্ধনের ভবিষ্যৎ এবং বিহারের আগামী নির্বাচনের চিত্র।

গোরু পাচারকারীদের গুলিতে NEET পরীক্ষার্থীর মৃত্যু, উত্তপ্ত গোরক্ষপুর

গোরু পাচারকারীদের গুলিতে NEET পরীক্ষার্থীর মৃত্যু, উত্তপ্ত গোরক্ষপুর

গোরু পাচারকারীদের গুলিতে NEET পরীক্ষার্থীর মৃত্যু, উত্তপ্ত গোরক্ষপুর

গোরক্ষপুর, উত্তরপ্রদেশ: উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের নিজের গড় গোরক্ষপুরে এক হৃদয়বিদারক ঘটনায় শোক ও উত্তেজনা ছড়িয়েছে। গোরু পাচারকারীদের হাতে নিহত হয়েছেন ১৯ বছর বয়সি ছাত্র দীপক গুপ্তা। তিনি জাতীয় যোগ্যতা ও প্রবেশিকা পরীক্ষা (NEET)-এর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। সোমবার রাত গভীরে তাঁর মৃত্যু ঘটে। এই ঘটনার জেরে মঙ্গলবার সকাল থেকেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে গোরক্ষপুরের জঙ্গলধুসর ও সংলগ্ন এলাকা। বিক্ষোভ, সংঘর্ষ, অবরোধ—সব মিলিয়ে পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। পুলিশ ও গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘাত ঘটে। কয়েকজন পুলিশকর্তাও আহত হন।

দীপকের পটভূমি

দীপক গুপ্তা জঙ্গলধুসর গ্রামের বাসিন্দা। মধ্যবিত্ত কৃষক পরিবারের সন্তান। ছোট থেকেই পড়াশোনায় মেধাবী ছিলেন। তাঁর স্বপ্ন ছিল চিকিৎসক হওয়া। বাবা তাঁকে সবসময় উৎসাহ দিতেন। NEET পরীক্ষার জন্য শহরে কোচিং নিতেন। গ্রামের সবাই তাঁকে ‘মেধাবী ছেলে’ বলে চিনতেন। পরিবারের সদস্যরা জানান, “আমাদের ছেলের ভবিষ্যৎ নিয়ে আমরা অনেক স্বপ্ন দেখেছিলাম। সে বড় হয়ে ডাক্তার হয়ে মানুষের সেবা করবে।” তাঁর মৃত্যুতে পরিবার শোকে পাথর হয়ে গেছে।

ঘটনার সূত্রপাত

সোমবার রাত সাড়ে বারোটা নাগাদ গ্রামে সন্দেহভাজন তিনটি গাড়ি ঢোকে। গ্রামবাসীরা পরে জানতে পারেন যে গাড়িগুলি গোরু পাচারকারীদের। গ্রামবাসীরা টের পেয়ে ধাওয়া করেন। দীপকও তাদের আটকানোর চেষ্টা করেন। গ্রামবাসীর ভাষ্য, পাচারকারীরা তাঁর মুখে গুলি চালিয়ে হত্যা করেছে। অন্যদিকে পুলিশের বক্তব্য, ধাওয়ার সময় তাঁকে লাথি মেরে ফেলে দেয় তারা। মাথায় গুরুতর আঘাত লেগে তাঁর মৃত্যু হয়।

গোরক্ষপুর বিক্ষোভ
গোরু পাচার রোধে গ্রামবাসীর প্রতিবাদ।

মৃতদেহ উদ্ধার

ঘটনার কয়েক ঘণ্টা পরে গ্রাম থেকে প্রায় চার কিলোমিটার দূরে সরাইয়া গ্রামের কাছে দীপকের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। গ্রামবাসীরা জানান, পাচারকারীরা গাড়িতে পালিয়ে যাওয়ার সময় তাঁকে নির্মমভাবে হত্যা করে। মৃতদেহ দেখে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে উত্তেজিত জনতা তাদের ঘিরে ধরে। পরিস্থিতি তীব্র হতে থাকে।

গ্রামবাসীর অভিযোগ বনাম পুলিশের বক্তব্য

গ্রামের বাসিন্দারা দাবি করেন, “গোরু চুরির সময় আমাদের ছেলে বাধা দিলে পাচারকারীরা মুখের ওপর গুলি চালায়।” তাঁদের এই অভিযোগের ভিত্তিতে বিক্ষোভ শুরু হয়। অন্যদিকে পুলিশ সুপার (SSP) রাজ করণ নায়ার বলেন, “প্রাথমিক তদন্তে গুলি চালানো হয়েছে বলে মনে হচ্ছে না। মাথায় আঘাত লেগে তাঁর মৃত্যু হয়েছে।” তিনি আরও জানান, “আমরা প্রত্যেকটি তথ্য যাচাই করছি এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করবো।”

সংঘর্ষের বিস্তার

মঙ্গলবার সকালে গ্রামবাসীরা গোরক্ষপুর-পিপ্রাইচ রাস্তা অবরোধ করেন। পুলিশ পৌঁছালে জনতা পাথর ছুঁড়ে তাদের লক্ষ্য করে। পুলিশ সুপার (উত্তর) জিতেন্দ্র শ্রীবাস্তব এবং পিপ্রাইচ স্টেশন ইনচার্জ পুরুষোত্তম গুরুতরভাবে আহত হন। কয়েকজন গ্রামবাসীও আহত হন। উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের গ্রামেও।

গ্রামের ক্ষোভের কারণ

  • গোরু পাচারের বিরুদ্ধে গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে ক্ষোভ জমে ছিল।
  • পুলিশ প্রশাসনের নির্লিপ্ততা নিয়ে সন্দেহ।
  • যুবকদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতার অনুভূতি।
  • দীপকের মতো মেধাবী ছাত্রের মৃত্যু জনমনে শোক ও রাগের বিস্ফোরণ ঘটায়।

পুলিশের ব্যবস্থা

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে চারটি থানার পাশাপাশি প্রাদেশিক সশস্ত্র কনস্টেবল ইউনিটের বাহিনী মোতায়েন করা হয়। SSP রাজ করণ নায়ার জানান, “আমরা পাঁচটি তদন্ত দল গঠন করেছি। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের জন্য তল্লাশি চলছে। শিগগিরই দোষীদের আইনের আওতায় আনা হবে।” পাশাপাশি, “প্রতিটি পদক্ষেপ জনগণকে জানানো হবে এবং শান্তি বজায় রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন থাকবে,” বলে আশ্বাস দেন তিনি।

পরিবারের প্রতিক্রিয়া

দীপকের পরিবার শোকে স্তব্ধ। তাঁর মা বলেন, “আমরা ছেলের জন্য স্বপ্ন দেখেছিলাম। সে ডাক্তার হতে চেয়েছিল। এইভাবে তাকে হারাতে হবে ভাবিনি।” তাঁর বাবা পুলিশের কাছে ন্যায়বিচারের দাবি করেন। গ্রামবাসীরা তাঁর পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে সহানুভূতি প্রকাশ করেন এবং দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবি তোলেন।

স্থানীয় প্রশাসনের আশ্বাস

স্থানীয় পুলিশ কর্তারা গ্রামবাসীদের সঙ্গে বৈঠক করেন। তাঁদের শান্ত থাকার আহ্বান জানান। নিহত ছাত্রের পরিবারকে দ্রুত ন্যায়বিচার দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে গ্রামে নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়ানো হয়েছে। আশপাশের এলাকায় টহল বাড়ানো হয়েছে যাতে অপরাধীরা পালাতে না পারে।

গ্রামীণ নিরাপত্তা নিয়ে নতুন প্রশ্ন

এই ঘটনা গোরক্ষপুরসহ বহু গ্রামে নিরাপত্তাহীনতা নিয়ে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। গোরু পাচার একটি দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা। প্রশাসনের ব্যর্থতা, স্থানীয় রাজনৈতিক বিতর্ক এবং সীমান্তবর্তী এলাকার অপরাধচক্র—সব মিলিয়ে গ্রামীণ জনগোষ্ঠী হতাশ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, “নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার না হলে এ ধরনের ঘটনা বাড়বে।” গ্রামে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও জরুরি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আইন ও বিচারপ্রক্রিয়া

পুলিশ ইতিমধ্যেই মামলা দায়ের করেছে। ফরেনসিক তদন্ত, সাক্ষ্য সংগ্রহ, এবং গাড়ির নম্বর যাচাই চলছে। সন্দেহভাজনদের গ্রেপ্তারে বিভিন্ন এলাকা ঘিরে তল্লাশি চলছে। আইনি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, “এই ধরনের অপরাধে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হলে প্রশাসনের সমন্বিত পদক্ষেপ প্রয়োজন। পাশাপাশি, গ্রামীণ জনগণের অংশগ্রহণ ছাড়া নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কঠিন।”

সমাজে প্রভাব

গ্রামবাসীরা এ ঘটনার প্রতিবাদে সামাজিক মাধ্যমে আওয়াজ তুলেছেন। অনেক শিক্ষার্থী নিরাপত্তার অভাবে পড়াশোনা ছেড়ে দেওয়ার কথা ভাবছেন। গ্রামীণ অর্থনীতি ও সামাজিক স্থিতিশীলতার উপরও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এলাকায় ভীতি ছড়িয়েছে। তবে একই সঙ্গে গ্রামের মানুষ একজোট হয়ে অপরাধের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর বার্তা দিচ্ছেন।

পুলিশ অভিযান
ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনছে।

আগামী দিনগুলোতে করণীয়

  • গ্রামীণ নিরাপত্তা জোরদার করা জরুরি।
  • পাচার রোধে সীমান্ত এলাকায় নজরদারি বাড়ানো প্রয়োজন।
  • শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।
  • গ্রামবাসী ও প্রশাসনের মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগ দরকার।
  • অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে।

এই ঘটনায় গোটা গোরক্ষপুর এলাকা শোক ও ক্ষোভে উত্তাল। তবে প্রশাসনের সক্রিয় ভূমিকা এবং গ্রামের ঐক্যবদ্ধ অবস্থান আশা জাগাচ্ছে। দীপক গুপ্তার মৃত্যু শুধু এক ব্যক্তির ট্র্যাজেডি নয়—এটি গ্রামীণ নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলার বড় চ্যালেঞ্জের প্রতীক।

কলকাতা থেকে SBI গ্লোবাল মার্কেট ইউনিট সরানোর প্রতিবাদ

কলকাতা থেকে SBI গ্লোবাল মার্কেট ইউনিট সরানোর প্রতিবাদ

কলকাতা থেকে SBI গ্লোবাল মার্কেট ইউনিট সরানোর প্রতিবাদ

আপডেট: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো

SBI GMU প্রতিবাদ

ছবি: কলকাতায় SBI GMU সরানোর প্রতিবাদে ‘ব্যাঙ্ক বাঁচাও দেশ বাঁচাও মঞ্চ’-এর বিক্ষোভ।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর
👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

GMU সরানোর সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ

কলকাতা থেকে স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়ার (SBI) গ্লোবাল মার্কেট ইউনিট (GMU) সরানোর সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সোমবার কলকাতার সার্কেল হেডকোয়ার্টার জীবন সুধার সামনে প্রতিবাদ করে ‘ব্যাঙ্ক বাঁচাও দেশ বাঁচাও মঞ্চ’ (BBDBM)। তাদের অভিযোগ, SBI-এর পদক্ষেপ পশ্চিমবঙ্গের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত করবে। পাশাপাশি দেশের ব্যাঙ্কিং সেক্টরে বাংলার দীর্ঘ ঐতিহ্যও মুছে যাবে।

আর্থিক ক্ষতি ও চাকরি হুমকি

সংগঠন জানায়, GMU ও ইন্টারন্যাশনাল রেমিট্যান্স সেন্টার (IRC) মুম্বইয়ে চলে গেলে রাজ্য বছরে ৬৫ কোটির বেশি GST রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হবে। তাছাড়া, ৭০ এরও বেশি চুক্তিভিত্তিক কর্মীর চাকরির নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়বে।

কলকাতার ব্যাঙ্কিং ইতিহাসে প্রভাব

BBDBM এর যুগ্ম আহ্বায়ক বিশ্বরঞ্জন রায় ও সৌম্য দত্ত বলেন, 'কলকাতা বরাবরই SBI-এর আন্তর্জাতিক কার্যক্রমের কেন্দ্র। এটি শুধু প্রশাসনিক পরিবর্তন নয়, বরং ব্যাঙ্কিং সেক্টরে কলকাতার ইতিহাসকে মুছে ফেলার চক্রান্ত।' প্রাক্তন GMU কর্মী অশোক মুখোপাধ্যায়ও বলেন, এই পদক্ষেপ রাজ্যের অর্থনীতিকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।

চেয়ারম্যানের উদ্দেশ্যে স্মারকলিপি

প্রতিবাদ চলাকালীন আন্দোলনকারীরা ব্যাঙ্কের জেনারেল ম্যানেজারের হাতে SBI চেয়ারম্যানকে উদ্দেশ্য করে স্মারকলিপি তুলে দেন। সংগঠন হুঁশিয়ারি দিয়েছে, দাবি মানা না হলে আরও বৃহত্তর প্রতিবাদ এবং আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

অংশগ্রহণকারীদের বৈচিত্র্য

এই বিক্ষোভে প্রায় দুই শতাধিক মানুষ অংশ নেন। এতে অবসরপ্রাপ্ত ব্যাঙ্ককর্মী ছাড়াও ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, আইনজীবী, ছাত্রছাত্রী এবং প্রবীণ নাগরিকরা উপস্থিত ছিলেন। সকলের দাবি, GMU সরানো হলে বাংলার অর্থনীতিতে সরাসরি প্রভাব পড়বে।

GST আয়ের সম্ভাব্য ক্ষতি

BBDBM জানায়, GMU ও IRC থেকে রাজ্য বিপুল পরিমাণ GST আয় করে। এর অর্ধেক সরাসরি রাজ্যের খাতে জমা হয়। ইউনিট সরালে রাজস্ব উৎস বন্ধ হবে এবং রাজ্যের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

বাংলার অর্থনীতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ

সংগঠন অভিযোগ করে, কেন্দ্রীয় সরকারের নীতিমালার মাধ্যমে পরিকল্পিতভাবে কলকাতাকে দেশের ব্যাঙ্কিং ম্যাপ থেকে সরিয়ে বাংলার অর্থনীতি দুর্বল করা হচ্ছে। BBDBM এর সৌম্য দত্ত বলেন, ‘এটি শুধু প্রশাসনিক পরিবর্তন নয়, বাংলার অর্থনীতি ও ঐতিহ্য রক্ষার জন্য প্রতিবাদ অব্যাহত থাকবে।’

সম্পর্কিত হ্যাশট্যাগ (বাংলা + English)

#SBI #GMU #Kolkata #ব্যাঙ্কবাঁচাওদেশবাঁচাও #BBDBM #WestBengalEconomy #BankingHeritage #GMUProtest #GSTLoss #InternationalRemittanceCenter

শাহিদ আফ্রিদির ভারত-বিরোধী মন্তব্য ও রাহুল গান্ধীর প্রশংসা

<!DOCTYPE html> <html lang="bn"> <head> <meta charset="UTF-8"> <meta name="viewport" content="width=device-width, initial-scale=1"> <title>শাহিদ আফ্রিদির ভারত-বিরোধী মন্তব্য ও রাহুল গান্ধীর প্রশংসা

শাহিদ আফ্রিদির ভারত-বিরোধী মন্তব্য ও রাহুল গান্ধীর প্রশংসা

আপডেট: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো

শাহিদ আফ্রিদি ও রাহুল গান্ধী

ছবি: পাকিস্তানের প্রাক্তন ক্রিকেটার শাহিদ আফ্রিদি এবং বিরোধী নেতা রাহুল গান্ধী।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর
👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

আন্তর্জাতিক বিতর্ক ও ক্রিকেটের পটভূমি

কাশ্মীরসহ একাধিক ইস্যুতে আগে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন পাকিস্তানের প্রাক্তন ক্রিকেটার শাহিদ আফ্রিদি। এবার তিনি সরাসরি আক্রমণ করলেন বিজেপি পরিচালিত কেন্দ্রীয় সরকারকে। এশিয়া কাপে গত রবিবার দুবাইয়ে ভারত ও পাকিস্তান ম্যাচের পর ভারতের ক্রিকেটাররা পাকিস্তান দলের সঙ্গে হাত মেলাননি, যা নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়। আফ্রিদি এই ঘটনার প্রেক্ষিতে ভারতের রাজনৈতিক পরিস্থিতি সমালোচনা করেন।

বিজেপি সরকারের সমালোচনা

একটি টিভি সাক্ষাৎকারে আফ্রিদি বলেন, 'ভারতে বর্তমানে যে সরকার রয়েছে তারা ধর্মীয় তাস খেলে। মুসলিম বা হিন্দু – এভাবেই তারা ক্ষমতায় আসে। আমি এই মনোভাবকে সমর্থন করি না। যতদিন এই সরকার থাকবে, ভারতে এসব চলবে।' এই মন্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে আফ্রিদির বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে সমালোচনামূলক মনোভাব।

রাহুল গান্ধীর প্রশংসা

আফ্রিদি আরও বলেন, 'রাহুল গান্ধী একজন পজিটিভ মানুষ। উনি সবসময় আলাপ আলোচনা মাধ্যমে সমস্যা সমাধান করতে চেষ্টা করেন। উনি সবার সঙ্গে পৃথক পৃথক কথা বলতে জানেন এবং চান।' এই বক্তব্যে তিনি ভারতের বিরোধী নেতার প্রশংসা করেন।

ভারতকে ইজরায়েলের সঙ্গে তুলনা

সাক্ষাৎকারে আফ্রিদি আরও বলেন, 'ইজরায়েল যেভাবে গাজার সঙ্গে আচরণ করছে, ভারতও পাকিস্তানের সঙ্গে তেমন আচরণ করতে চাচ্ছে। ভারত ইজরায়েল হওয়ার চেষ্টা করছে।' এই মন্তব্যের পর সমালোচনার ঝড় শুরু হয়। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সংখ্যালঘু অধিকার ও সন্ত্রাসবাদী হামলার প্রসঙ্গকে এভাবে তুলনা করা আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিতর্কিত।

আন্তর্জাতিক ও নিরাপত্তা প্রেক্ষাপট

বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতে যত সন্ত্রাসবাদী হামলা হয়েছে তার বেশিরভাগই পাকিস্তানে লালিত ও পালিত সন্ত্রাসবাদীদের দ্বারা সংঘটিত হয়েছে। পহেলগাঁও হামলার পরও ভারত স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, আলোচনা ও রক্তপাত একসাথে চলতে পারে না। পাকিস্তান সরকার জঙ্গিদের মদত দেয়ার কারণে এই ইস্যু আন্তর্জাতিকভাবে তীব্র সমালোচিত।

উপসংহার

শাহিদ আফ্রিদির মন্তব্য ভারতের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং আন্তর্জাতিক ক্রীড়া রাজনীতি উভয় ক্ষেত্রেই বিতর্ক তৈরি করেছে। এই ঘটনা আন্তর্জাতিক মনোযোগ আকর্ষণ করেছে এবং ভারত-পাকিস্তান সম্পর্কের সেনসিটিভিটি তুলে ধরেছে। রাজনীতিক, ক্রীড়া বিশ্লেষক এবং সাধারণ মানুষ এ বিষয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দিচ্ছেন।

সম্পর্কিত হ্যাশট্যাগ

#শাহিদ_আফ্রিদি #ভারত #রাহুল_গান্ধী #পাকিস্তান #ক্রিকেট_বিতর্ক #এশিয়া_কাপ #বিজেপি #আন্তর্জাতিক_মন্তব্য #ভারত_পাকিস্তান_সম্পর্ক #খেলোয়াড়_নৈতিকতা

শাহিদ আফ্রিদির ভারত-বিরোধী মন্তব্য ও রাহুল গান্ধীর প্রশংসা

আপডেট: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো

শাহিদ আফ্রিদি ও রাহুল গান্ধী

ছবি: পাকিস্তানের প্রাক্তন ক্রিকেটার শাহিদ আফ্রিদি এবং বিরোধী নেতা রাহুল গান্ধী।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর
👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

আন্তর্জাতিক বিতর্ক ও ক্রিকেটের পটভূমি

কাশ্মীরসহ একাধিক ইস্যুতে আগে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন পাকিস্তানের প্রাক্তন ক্রিকেটার শাহিদ আফ্রিদি। এবার তিনি সরাসরি আক্রমণ করলেন বিজেপি পরিচালিত কেন্দ্রীয় সরকারকে। এশিয়া কাপে গত রবিবার দুবাইয়ে ভারত ও পাকিস্তান ম্যাচের পর ভারতের ক্রিকেটাররা পাকিস্তান দলের সঙ্গে হাত মেলাননি, যা নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়। আফ্রিদি এই ঘটনার প্রেক্ষিতে ভারতের রাজনৈতিক পরিস্থিতি সমালোচনা করেন।

বিজেপি সরকারের সমালোচনা

একটি টিভি সাক্ষাৎকারে আফ্রিদি বলেন, 'ভারতে বর্তমানে যে সরকার রয়েছে তারা ধর্মীয় তাস খেলে। মুসলিম বা হিন্দু – এভাবেই তারা ক্ষমতায় আসে। আমি এই মনোভাবকে সমর্থন করি না। যতদিন এই সরকার থাকবে, ভারতে এসব চলবে।' এই মন্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে আফ্রিদির বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে সমালোচনামূলক মনোভাব।

রাহুল গান্ধীর প্রশংসা

আফ্রিদি আরও বলেন, 'রাহুল গান্ধী একজন পজিটিভ মানুষ। উনি সবসময় আলাপ আলোচনা মাধ্যমে সমস্যা সমাধান করতে চেষ্টা করেন। উনি সবার সঙ্গে পৃথক পৃথক কথা বলতে জানেন এবং চান।' এই বক্তব্যে তিনি ভারতের বিরোধী নেতার প্রশংসা করেন।

ভারতকে ইজরায়েলের সঙ্গে তুলনা

সাক্ষাৎকারে আফ্রিদি আরও বলেন, 'ইজরায়েল যেভাবে গাজার সঙ্গে আচরণ করছে, ভারতও পাকিস্তানের সঙ্গে তেমন আচরণ করতে চাচ্ছে। ভারত ইজরায়েল হওয়ার চেষ্টা করছে।' এই মন্তব্যের পর সমালোচনার ঝড় শুরু হয়। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সংখ্যালঘু অধিকার ও সন্ত্রাসবাদী হামলার প্রসঙ্গকে এভাবে তুলনা করা আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিতর্কিত।

আন্তর্জাতিক ও নিরাপত্তা প্রেক্ষাপট

বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতে যত সন্ত্রাসবাদী হামলা হয়েছে তার বেশিরভাগই পাকিস্তানে লালিত ও পালিত সন্ত্রাসবাদীদের দ্বারা সংঘটিত হয়েছে। পহেলগাঁও হামলার পরও ভারত স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, আলোচনা ও রক্তপাত একসাথে চলতে পারে না। পাকিস্তান সরকার জঙ্গিদের মদত দেয়ার কারণে এই ইস্যু আন্তর্জাতিকভাবে তীব্র সমালোচিত।

উপসংহার

শাহিদ আফ্রিদির মন্তব্য ভারতের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং আন্তর্জাতিক ক্রীড়া রাজনীতি উভয় ক্ষেত্রেই বিতর্ক তৈরি করেছে। এই ঘটনা আন্তর্জাতিক মনোযোগ আকর্ষণ করেছে এবং ভারত-পাকিস্তান সম্পর্কের সেনসিটিভিটি তুলে ধরেছে। রাজনীতিক, ক্রীড়া বিশ্লেষক এবং সাধারণ মানুষ এ বিষয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দিচ্ছেন।

সম্পর্কিত হ্যাশট্যাগ

#শাহিদ_আফ্রিদি #ভারত #রাহুল_গান্ধী #পাকিস্তান #ক্রিকেট_বিতর্ক #এশিয়া_কাপ #বিজেপি #আন্তর্জাতিক_মন্তব্য #ভারত_পাকিস্তান_সম্পর্ক #খেলোয়াড়_নৈতিকতা

অমিত শাহের মাদকবিরোধী উদ্যোগ: দেশকে মাদকমুক্ত করার লক্ষ্যে কেন্দ্র

অমিত শাহের মাদকবিরোধী উদ্যোগ: দেশকে মাদকমুক্ত করার লক্ষ্যে কেন্দ্র

অমিত শাহের মাদকবিরোধী উদ্যোগ: দেশকে মাদকমুক্ত করার লক্ষ্যে কেন্দ্র

আপডেট: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো

অমিত শাহ মাদকবিরোধী সভায়

ছবি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ন্যাশনাল কনফারেন্স অফ হেডস অফ অ্যান্টি নারকোটিক্স টাস্ক ফোর্সে বক্তব্য রাখছেন।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর
👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

মাদকবিরোধী শক্তিশালী পদক্ষেপ

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ মঙ্গলবার এক অনুষ্ঠানে দেশের সমস্তরকম মাদক চোরাচালান ও ব্যবসা লোপাট করার ডাক দিলেন। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সরকার দেশকে ২০৪৭ সালের মধ্যে মাদকমুক্ত করার লক্ষ্যে দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দেশের যুবসমাজকে মাদকের নেশা থেকে মুক্ত রাখতে এবং অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে এই পদক্ষেপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ন্যাশনাল কনফারেন্সের বক্তব্য

দ্বিতীয় ন্যাশনাল কনফারেন্স অফ হেডস অফ অ্যান্টি নারকোটিক্স টাস্ক ফোর্সে অমিত শাহ বলেন, "ড্রাগস ব্যবসা চক্রকে দেশ থেকে মুছে ফেলার সময় এসেছে। সরকারের উচিত কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের মাত্রা বাড়ানো। দেশের ভবিষ্যৎ, যুবসমাজ এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য মাদকমুক্ত ভারত গড়ে তোলা অপরিহার্য।"

মাদক চক্রের তিন ধাপ

শাহ জানান, মাদক পাচারচক্র তিন ধরনের:

  • দেশের ঢোকার সমস্ত পয়েন্টে কার্যক্রম চালানো।
  • রাজ্যগুলির প্রবেশদ্বারগুলিতে চক্র পরিচালনা।
  • ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে দোকান ও ভাটিতে মাদকের সরবরাহ।

তিনি উল্লেখ করেন, এবার সরকারের লক্ষ্য এই তিন ধরনের চক্র ভেঙে ফেলা। তিনি অফিসারদের প্রতি আস্থা প্রকাশ করে বলেন, "আপনারা ছাড়া এটি সম্ভব নয়।"

আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট

অমিত শাহ পাকিস্তান বা অন্য দেশের নাম না করেও বলেন, বিশ্বের কিছু অঞ্চলে মাদক ব্যবসা দেশের অর্থনীতির ভিত। দুর্ঘটনাচক্রে দুটি অঞ্চল ভারতের খুব কাছাকাছি। সেখান থেকেই বিশ্বব্যাপী মাদক তৈরি ও সরবরাহ হয়। এর বিরুদ্ধেও রুখে দাঁড়ানো দেশের বর্তমান প্রয়োজন।

মাদকমুক্ত ভারতের জন্য পদক্ষেপ

শাহ বলেন, সরকার দেশে মাদকমুক্ত করতে সর্বাত্মক ভূমিকায় নামবে। এটি শুধুমাত্র আইন প্রয়োগের মাধ্যমে নয়, বরং সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে যুবসমাজকে মাদকের নেশা থেকে রক্ষা করবে। প্রয়োজনীয় শিক্ষামূলক ক্যাম্পেইন, সচেতনতা কর্মসূচি ও কঠোর আইন প্রয়োগ একসাথে করা হবে।

সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব

মাদকমুক্ত ভারত গড়া মানে শুধুমাত্র স্বাস্থ্য সুরক্ষা নয়, দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও নিরাপত্তার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। যুবসমাজকে মাদকের হাত থেকে রক্ষা করে দেশের উৎপাদনশীল ক্ষমতা বাড়ানো সম্ভব হবে। সরকারের লক্ষ্য ২০৪৭ সালের মধ্যে একেবারে মাদকমুক্ত ভারত নিশ্চিত করা।

কেন্দ্র ও NCB-এর সহযোগিতা

নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরোর আয়োজিত সভায় শাহ বলেন, কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো হবে। তথ্য বিনিময়, নজরদারি ও অভিযান আরও কঠোর করা হবে। স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ ও অফিসারদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

পরবর্তী পদক্ষেপ

শাহের ঘোষণার পর দেশজুড়ে মাদকবিরোধী অভিযান ত্বরান্বিত হবে। অফিসারদের পাশাপাশি সমাজ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকেও সচেতন ভূমিকা রাখতে হবে। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, মাদক ব্যবসা ও চোরাচালান সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করা এবং যুবসমাজকে নিরাপদ রাখা মূল লক্ষ্য।

উপসংহার

অমিত শাহের ঘোষণার মাধ্যমে স্পষ্ট হয়ে গেছে যে, ভারত সরকারের লক্ষ্য মাদকমুক্ত যুবসমাজ ও দেশ। দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের সঙ্গে মাদকমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য সংযুক্ত। অফিসার, প্রশাসন এবং সমাজকে একসাথে কাজ করতে হবে। মাদক চোরাচালান ও ব্যবসা বন্ধের মাধ্যমে দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম নিরাপদ থাকবে।

ধর্মান্তকরণ বিরোধী আইন নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের নোটিস: রাজ্যগুলির মতামত চাইল শীর্ষ আদালত

ধর্মান্তকরণ বিরোধী আইন নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের নোটিস: রাজ্যগুলির মতামত চাইল শীর্ষ আদালত

ধর্মান্তকরণ বিরোধী আইন নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের নোটিস: রাজ্যগুলির মতামত চাইল শীর্ষ আদালত

আপডেট: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো

সুপ্রিম কোর্ট ভবন

ছবি: ধর্মান্তকরণ বিরোধী আইন সংক্রান্ত শুনানির জন্য সুপ্রিম কোর্টে জনতার উপস্থিতি।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর
👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

মামলার পটভূমি

ধর্মান্তকরণ বিরোধী আইন নিয়ে আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। একাধিক জনস্বার্থ মামলার শুনানির পর মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি বিআর গভই এবং বিচারপতি কে বিনোদ চন্দ্রনের ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, হিমাচলপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, ছত্তীসগড়, গুজরাত, হরিয়ানা, ঝাড়খণ্ড এবং কর্নাটকসহ মোট নয়টি রাজ্যকে চার সপ্তাহের মধ্যে নিজেদের মতামত জমা দিতে হবে। পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য হয়েছে ছয় সপ্তাহ পরে।

মামলাকারীদের অভিযোগ

মামলাকারীদের দাবি, সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলির এই আইন মূলত আন্তঃধর্মীয় দম্পতিদের হয়রানি করতে ব্যবহার করা হচ্ছে। তাঁদের অভিযোগ, আইনটির অজুহাতে ভিন্ন ধর্মের দম্পতিদের মিথ্যে অভিযোগে ফাঁসানো হচ্ছে এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা ব্যাহত হচ্ছে। জামিয়ত উলেমা-এ-হিন্দ এবং সিটিজেনস ফর জাস্টিস অ্যান্ড পিসসহ একাধিক সংগঠন আদালতে আবেদন জানিয়েছে। তাঁদের বক্তব্য:

“এই আইনকে হাতিয়ার করে আন্তঃধর্মীয় বিবাহকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে। ধর্মপালনের স্বাধীনতা এবং ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষার সাংবিধানিক অধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে।”

আইনজীবী নিয়োগ ও শুনানির কাঠামো

সুপ্রিম কোর্ট আবেদনকারীদের পক্ষে শ্রেষ্ঠি অগ্নিহোত্রিকে নোডাল কাউন্সেল হিসেবে নিয়োগ করেছে। অন্যদিকে, রাজ্যগুলির পক্ষ থেকে যোগাযোগ ও নথির সমন্বয় করবেন আইনজীবী রুচিরা গোয়েল। আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে, রাজ্যগুলির মতামত শুনে তারপরই আইনের কার্যকারিতা স্থগিত রাখার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

আইনের ইতিহাস

ধর্মান্তকরণ বিরোধী আইন নিয়ে মামলা সুপ্রিম কোর্টে ঝুলে রয়েছে বহুদিন। ২০২০ সালের জানুয়ারিতে তৎকালীন প্রধান বিচারপতি ডি.ওয়াই. চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ প্রথম নোটিস জারি করেছিল। পরে জামিয়ত উলেমা-ই-হিন্দ ছয়টি হাইকোর্টে চলমান ২১টি পৃথক মামলার শুনানি একত্রে সুপ্রিম কোর্টে স্থানান্তরের আবেদন জানায়। উদ্দেশ্য ছিল, সর্বোচ্চ আদালত যেন একযোগে এবং অভিন্ন রায় দিতে পারে।

সংবিধান বনাম আইন

আবেদনকারীরা যুক্তি দিয়েছেন যে, ধর্মান্তকরণ বিরোধী আইনগুলি সংবিধানের ধর্মনিরপেক্ষতা, মর্যাদা, ভ্রাতৃত্ববোধ এবং ব্যক্তিগত গোপনীয়তার মতো মৌলিক অধিকারকে আঘাত করছে। যদিও আইনের শিরোনামে ‘ধর্মীয় স্বাধীনতা রক্ষা’ উল্লেখ করা হয়েছে, বাস্তবে এটি রাজনৈতিক ও সামাজিক দমন-পীড়নের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে বলে তাঁদের অভিযোগ।

অন্যদিকে, কেন্দ্র সরকারের পূর্ববর্তী বক্তব্য ছিল, প্রতিটি রাজ্যের আইন পরীক্ষা করার ক্ষমতা সংশ্লিষ্ট হাইকোর্টের। কিন্তু আবেদনকারীরা বলেন, এখানে সাংবিধানিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠেছে, যা সমাধান করতে পারে কেবল সুপ্রিম কোর্ট।

রাজ্যগুলির যুক্তি

রাজ্য সরকারগুলির দাবি, এই আইন দরকার দুর্বল শ্রেণির মানুষদের রক্ষা করতে। বিশেষ করে নারী, আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া মানুষ এবং সামাজিকভাবে প্রান্তিক সম্প্রদায় প্রতারণা বা জোরজবরদস্তির শিকার হতে পারেন। তাঁরা যুক্তি দেন, এই আইন না থাকলে ধর্মান্তরণে প্রতারণার প্রবণতা বেড়ে যেতে পারে।

সমালোচনা ও বাস্তবতা

সমালোচকরা বলেন, আন্তঃধর্মীয় বিবাহকে অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করা সংবিধানবিরোধী। আইনটির মাধ্যমে প্রমাণের ভার অভিযুক্তের ওপর চাপানো হচ্ছে, যা ন্যায়বিচারের ধারণার পরিপন্থী। বাস্তবে এটি গোষ্ঠী-ভিত্তিক নজরদারি এবং স্বঘোষিত ধর্মরক্ষকদের কর্মকাণ্ড বাড়িয়ে তুলছে। বহু ক্ষেত্রে পুলিশি হয়রানি, গ্রেফতার এবং সামাজিক বয়কটের মতো ঘটনা ঘটছে।

ধর্মান্তরণ ও রাজনীতি

ধর্মান্তরণ নিয়ে বিতর্ক বহুদিনের। এটি কেবল ধর্মীয় নয়, রাজনৈতিকও বটে। ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে বিভাজন তৈরির চেষ্টা এবং সামাজিক উত্তেজনা বাড়ানোর উপায় হিসেবে এই আইন ব্যবহার করা হচ্ছে—এমন অভিযোগ রয়েছে। আবার অনেক রাজ্য দাবি করছে, দুর্বলদের রক্ষায় এই আইন প্রয়োজন। ফলে এটি ভারতের সংবিধানের মৌলিক চেতনাকে পরীক্ষা করছে।

পরবর্তী শুনানির দিকে নজর

ছয় সপ্তাহ পরে পরবর্তী শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। ততদিনে নয়টি রাজ্য তাদের মতামত আদালতে জমা দেবে। আদালত শুনানি শেষে সিদ্ধান্ত নেবে আইনের বৈধতা নিয়ে। নাগরিক সমাজ, রাজনৈতিক মহল এবং মানবাধিকার সংস্থাগুলি এই মামলার দিকে তাকিয়ে আছে। এটি ভারতের ধর্মীয় স্বাধীনতা, ব্যক্তিগত অধিকার এবং আইন প্রয়োগের ভারসাম্য নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারে।

দুর্গাপুজোর আগে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের বেতন নিয়ে বড় ঘোষণা, জিএসটি সংস্কারে উৎসবমুখী স্বস্তি

দুর্গাপুজোর আগে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের বেতন নিয়ে বড় ঘোষণা, জিএসটি সংস্কারে উৎসবমুখী স্বস্তি | Y বাংলা

দুর্গাপুজোর আগে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের বেতন নিয়ে বড় ঘোষণা, জিএসটি সংস্কারে উৎসবমুখী স্বস্তি

আপডেট: ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

দুর্গাপুজোর আগে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের বেতন ঘোষণা

ছবি: দুর্গাপুজোর আগে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের জন্য অর্থনৈতিক স্বস্তির বার্তা দিল কেন্দ্রীয় সরকার।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর
👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

মন খারাপ বাঙালির, পুজোর আগে অর্থকষ্টের আশঙ্কা

বাংলার মানুষের কাছে দুর্গাপুজো শুধু ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি আবেগ, আনন্দ এবং সমৃদ্ধির সময়। তবে এবারের পুজোকে ঘিরে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ। একদিকে লাগাতার বর্ষণ, অন্যদিকে মাসের শেষে উৎসব—স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে, অর্থের জোগান কীভাবে হবে? পুজোর বাজার, কেনাকাটা এবং আচার অনুষ্ঠান সবকিছুই অর্থের ওপর নির্ভরশীল। সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছিল, বিশেষ করে যাঁরা নির্ধারিত বেতনের ওপর নির্ভর করেন।

আগেই বেতন! কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের জন্য বড় স্বস্তির বার্তা

এই পরিস্থিতিতে বাংলার কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। তিনি মঙ্গলবার সোশ্যাল মিডিয়ায় জানান, সেপ্টেম্বর মাসের বেতন ২৬ তারিখেই হাতে পাবেন কর্মীরা। অর্থাৎ দুর্গাপুজোর আগেই অর্থনৈতিক স্বস্তি নিশ্চিত করা হবে। এই সিদ্ধান্ত কর্মীদের উৎসবের প্রস্তুতিতে সহায়তা করবে এবং বাজারে অর্থের প্রবাহ বাড়াবে বলে মনে করা হচ্ছে।

সুকান্ত মজুমদারের বক্তব্য

সুকান্ত মজুমদার লিখেছেন, “দুর্গাপূজার প্রাক্কালে পশ্চিমবঙ্গের কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের সেপ্টেম্বর মাসের বেতন দেওয়ার উদ্যোগ শুধু অর্থনৈতিক স্বস্তি নয়, এটি বাঙালি আবেগের প্রতি এক অনন্য সম্মান। এটি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দূরদর্শিতার ফল।” তিনি অর্থ মন্ত্রকের জারি করা নোটিসও প্রকাশ করেন, যেখানে পরিষ্কারভাবে উল্লেখ রয়েছে যে পুজোর আগে বেতন প্রদান হবে।

রাজনৈতিক বার্তাও কি আছে?

আগামী বছর পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, কেন্দ্রীয় সরকারের এই পদক্ষেপ নির্বাচনের আগে বাঙালির মন জয়ের কৌশল হতে পারে। তবে কেন্দ্রীয় সরকারের দাবি, এটি নির্বাচনের জন্য নয়; বরং উৎসবের মরশুমে কর্মীদের স্বস্তি দেওয়ার জন্যই এই উদ্যোগ। পুজোর সময় অর্থের প্রবাহ বাড়লে স্থানীয় বাজারও চাঙা হবে, যা অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক।

জিএসটি সংস্কারে আরও বড় ঘোষণা

শুধু বেতন নয়, কেন্দ্রীয় সরকারের আরেকটি বড় পদক্ষেপ হলো জিএসটি সংস্কার। ২২ সেপ্টেম্বর থেকে নতুন জিএসটি কার্যকর হতে চলেছে, যা অনেক নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমাবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি উৎসবমুখী অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে সাহায্য করবে। বাজারে পণ্যের চাহিদা বাড়বে এবং সাধারণ মানুষের ওপর অর্থনৈতিক চাপ কমবে।

নতুন জিএসটি স্ল্যাব কীভাবে বদলাচ্ছে

জিএসটি-র কাঠামো সরলীকরণ করে মোট চারটি স্ল্যাব কমিয়ে দুটি মূল স্ল্যাবে আনা হয়েছে—৫ শতাংশ এবং ১৮ শতাংশ। বিলাসবহুল পণ্য, বড় গাড়ি ও তামাকজাত দ্রব্যের জন্য বিশেষ ৪০ শতাংশ স্ল্যাব রাখা হয়েছে। এর ফলে বাজারে পণ্যের দাম কমে যাবে এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন খরচে স্বস্তি আসবে।

একেবারে করমুক্ত হচ্ছে:

  • দুধ, ছানা, পনির, রুটি ও পরোটা
  • স্বাস্থ্যবিমা ও জীবনবিমা
  • ৩৩টি জীবনদায়ী ওষুধ
  • মানচিত্র, খাতা, পেনসিল, রবার, গ্লোব

১৮ শতাংশ কর হবে যেসব পণ্যে:

  • শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি), টিভি, ডিশ ওয়াশিং মেশিন
  • মনিটর, ৩৫০ সিসির কম মোটরবাইক
  • তিন চাকার গাড়ি, ১৫০০ সিসির কম যাত্রীবাহী গাড়ি
  • বাস, ট্রাক ও সিমেন্ট
  • জামা-কাপড়

৫ শতাংশ কর হবে যেসব পণ্যে:

  • প্যাকেটজাত খাবার, সস, পাস্তা, ইনস্ট্যান্ট নুডলস, চকোলেট
  • তেল, ঘি, মাখন, চিজ, বিস্কুট
  • সাবান, শ্যাম্পু, টুথব্রাশ, শেভিং ক্রিম
  • বাসনপত্র, সেলাই মেশিন, ট্র্যাক্টর
  • কীটনাশক ও কৃষিক্ষেত্রে ব্যবহৃত নানা পণ্য
  • থার্মোমিটার, মেডিক্যাল গ্রেড অক্সিজেন, টেস্ট কিট, গ্লুকোমিটার, চশমা
  • মার্বেল, পাথর, চর্মজাত পণ্য, হ্যান্ডিক্রাফটস

উৎসবের বাজারে অর্থের প্রবাহ বাড়বে

বেতন আগেই পেলে কর্মীরা উৎসবের কেনাকাটায় এগিয়ে আসবেন। ফলে বাজারে পণ্যের চাহিদা বাড়বে এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডও চাঙা হবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি শুধু সরকারি কর্মীদের জন্য নয়, পুরো অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক বার্তা। গ্রামীণ থেকে শহর—সবখানে উৎসবের বাজারে নতুন প্রাণসঞ্চার হবে।

সাধারণ মানুষের জন্য আশার বার্তা

নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের কর কমে যাওয়ায় বাজারে দাম নিয়ন্ত্রণে থাকবে। ফলে নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবার উৎসবের আনন্দ উপভোগ করতে পারবেন। স্বাস্থ্যবিমা, জীবনবিমা এবং জীবনদায়ী ওষুধ করমুক্ত হওয়ায় চিকিৎসা খরচ কমবে। শিক্ষা সামগ্রী করমুক্ত হওয়ায় ছাত্রছাত্রীদের জন্য তা বড় সুবিধা।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর
👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগে রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবা আরও শক্তিশালী

মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগে রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবা আরও শক্তিশালী | Y বাংলা

মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগে রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবা আরও শক্তিশালী

আপডেট: ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

এসএসকেএম হাসপাতালে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

ছবি: এসএসকেএম হাসপাতালে স্বাস্থ্য প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর
👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

স্বাস্থ্য পরিকাঠামো উন্নয়নে বড় পদক্ষেপ

রাজ্যের জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থা আরও সুদৃঢ় করতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতাল চত্বরে তিনি উদ্বোধন করেন নবনির্মিত 'উডর্বাণ-২ অনন্য' ভবন। এই প্রকল্প IPGMER–SSKM হাসপাতালের চিকিৎসা পরিষেবায় এক নতুন যুগের সূচনা করবে বলে আশা করছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। এই ভবনের মাধ্যমে রোগী সেবা হবে আরও উন্নত, দ্রুত এবং আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে পরিচালিত।

এসএসকেএমের আধুনিকায়ন: চিকিৎসায় প্রযুক্তির ব্যবহার

‘উডর্বাণ-২ অনন্য’ ভবনে অত্যাধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম স্থাপন করা হয়েছে। হাসপাতালের রেডিওলজি বিভাগে বসানো হয়েছে ১২৮ স্লাইসের সিটি স্ক্যান মেশিন, যার নির্মাণ ব্যয় ৭.৬৪ কোটি টাকা। এর ফলে জটিল রোগ নির্ণয়ে আরও দ্রুত এবং নিখুঁত পরীক্ষার সুযোগ তৈরি হবে। পাশাপাশি, সম্পূর্ণ রোবোটিক সার্জিক্যাল সিস্টেম স্থাপন করা হয়েছে ৭.৫০ কোটি টাকায়, যা অপারেশন প্রক্রিয়াকে আরও নিরাপদ ও নির্ভুল করবে। চিকিৎসকদের জন্য এটি হবে বড় সহায়ক প্রযুক্তি।

ক্রিটিক্যাল কেয়ার পরিষেবায় উন্নতি

কলকাতা পুলিশ হাসপাতালের নতুন ক্রিটিক্যাল কেয়ার ব্লকের উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী। এই প্রকল্পের মোট ব্যয় প্রায় ২৫.৭১ কোটি টাকা। এখানে উন্নত জীবন রক্ষাকারী চিকিৎসা সরঞ্জাম স্থাপন করা হবে, যা জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে। এটি বিশেষ করে দুর্ঘটনা, স্ট্রোক, হৃদরোগ এবং অন্যান্য সংকটাপন্ন রোগীদের জন্য কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

ছাত্রাবাস ও চিকিৎসা শিক্ষার উন্নয়ন

লি রোডে ২৪.৪৯ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ৭ তলা ছাত্রাবাস উদ্বোধন করা হয়। এই ছাত্রাবাস চিকিৎসা শিক্ষার্থীদের জন্য আধুনিক সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করবে। স্বাস্থ্যক্ষেত্রে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। চিকিৎসা শিক্ষার পাশাপাশি রোগী সেবায় প্রশিক্ষণ এবং গবেষণায় নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

অপারেশন থিয়েটার সংস্কার ও অ্যানেক্স ভবন

নিউরোসায়েন্স ইনস্টিটিউটের অপারেশন থিয়েটার সংস্কার করা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তি সংযোজনের মাধ্যমে। পাশাপাশি স্বাস্থ্য ভবনের নতুন অ্যানেক্স–১ ভবনের নির্মাণ ব্যয় ১৬ কোটি টাকা। এখানে প্রশাসনিক কাজ আরও সংগঠিতভাবে সম্পন্ন হবে এবং চিকিৎসা পরিষেবার কার্যকারিতা বাড়বে। রোগী ও চিকিৎসকদের জন্য এটি হবে বড় সুবিধা।

ড্রাগ কন্ট্রোলের আধুনিকায়ন

৩২.৯২ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ড্রাগ কন্ট্রোল অধিদফতরের নতুন আধুনিক ভবন উদ্বোধন করা হয়েছে। এই ভবনের মাধ্যমে ওষুধের মান নিয়ন্ত্রণ এবং নিরাপদ ব্যবস্থাপনা আরও দক্ষতার সঙ্গে সম্পন্ন হবে। ভোক্তাদের কাছে নিরাপদ ও মানসম্পন্ন ওষুধ পৌঁছাতে এটি বড় ভূমিকা রাখবে।

মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “জনস্বাস্থ্যের উন্নয়নই আমাদের সরকারের অগ্রাধিকার। সাধারণ মানুষের চিকিৎসা যাতে আধুনিক, দ্রুত এবং সুলভ হয়, তার জন্য এই প্রকল্পগুলি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাজ্যের প্রত্যন্ত এলাকা থেকে শুরু করে শহরের নাগরিক—সবাই যেন উন্নত চিকিৎসার সুবিধা পায়, সেটিই আমাদের লক্ষ্য। প্রযুক্তির সাহায্যে স্বাস্থ্য পরিষেবা আরও মানবিক হবে।” তিনি আরও জানান যে, এই প্রকল্পগুলি বাস্তবায়িত হলে স্বাস্থ্য খাতে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাবে এবং চিকিৎসা শিক্ষায় আন্তর্জাতিক মানের সুযোগ তৈরি হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতামত

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, এই উদ্যোগগুলি চিকিৎসা পরিষেবায় এক যুগান্তকারী পরিবর্তন আনবে। উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার রোগ নির্ণয়, চিকিৎসা এবং পুনর্বাসন প্রক্রিয়াকে আরও দ্রুত করবে। পাশাপাশি চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ, গবেষণা এবং উন্নত রোগ ব্যবস্থাপনার সুযোগ বাড়বে। সরকারি হাসপাতালের পরিষেবা আরও বিজ্ঞানসম্মত হবে এবং সাধারণ নাগরিকের আস্থা বাড়বে। বিশেষ করে গ্রামীণ অঞ্চলের মানুষ আধুনিক চিকিৎসার সুযোগ পাবেন।

স্বাস্থ্য খাতে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

রাজ্য সরকার আগামীদিনে আরও হাসপাতাল আধুনিকীকরণ, স্বাস্থ্য পরিষেবার ডিজিটালাইজেশন, এবং চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়ে তোলার পরিকল্পনা করছে। সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের মাধ্যমে স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখা হবে। এছাড়াও টেলিমেডিসিন পরিষেবা সম্প্রসারণের মাধ্যমে প্রত্যন্ত অঞ্চলের রোগীর কাছে পৌঁছনোর পরিকল্পনা রয়েছে। এতে স্বাস্থ্য পরিষেবা হবে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক।

সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা

এই প্রকল্পগুলির বাস্তবায়নে সাধারণ মানুষের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়েছে। নাগরিকরা বিশ্বাস করেন, চিকিৎসা পরিষেবা হবে সহজলভ্য এবং দ্রুত। পাশাপাশি, রোগ নির্ণয়ে উন্নত প্রযুক্তির কারণে চিকিৎসা ব্যয় কমবে এবং জীবন রক্ষাকারী পরিষেবা আরও নিরাপদ হবে। গ্রামীণ অঞ্চলের মানুষও আশা করছেন, আগামী দিনে স্বাস্থ্য পরিষেবায় সমতা আসবে এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা তাদের কাছে পৌঁছবেন।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর
👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

সন্তোষপুর স্টেশনে অগ্নিকাণ্ড: ট্রেন পরিষেবা বন্ধ, আতঙ্ক ছড়ালো

সন্তোষপুর স্টেশনে অগ্নিকাণ্ড: ট্রেন পরিষেবা বন্ধ, আতঙ্ক ছড়ালো | Y বাংলা নিউজ

সন্তোষপুর স্টেশনে অগ্নিকাণ্ড: ট্রেন পরিষেবা বন্ধ, আতঙ্ক ছড়ালো

আপডেট: ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ | Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো

সন্তোষপুর স্টেশনে অগ্নিকাণ্ড

ছবি: সন্তোষপুর স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে আগুনের ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ছে।

আজ, মঙ্গলবার সকালে কলকাতার উপকণ্ঠ সন্তোষপুর স্টেশনে আকস্মিক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। সকাল সাতটার দিকে প্ল্যাটফর্ম নম্বর ১-এর একাধিক দোকানে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে যাত্রীদের মধ্যে। বজবজ শাখায় সকাল ৭টা থেকে ট্রেন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা হয়েছে। আগুনের তীব্রতা এবং ধোঁয়ার কারণে যাত্রীদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

আগুন লাগার সম্ভাব্য কারণ

প্রাথমিক তদন্তে দমকল সূত্রে জানা যায়, শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। প্ল্যাটফর্মে থাকা দোকানগুলির বৈদ্যুতিক তারের অবস্থা ভালো ছিল না বলে দাবি করা হয়েছে। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে একাধিক দোকান ধ্বংস করে। দমকল কর্মীরা যুদ্ধকালীন তৎপরতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।

যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক

আগুন ছড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে স্টেশনে যাত্রীদের মধ্যে ভিড় এবং বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। অনেক যাত্রী মোবাইলে আগুনের ছবি ও ভিডিও তুলে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেন। স্টেশনের ঘোষণা ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যায় কিছুক্ষণ। অনেকেই আতঙ্কে ট্রেন ধরতে পারেননি। দমকলের আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ শুরু হলে ধীরে ধীরে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হয়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দমকলের ভূমিকা

দমকলের এক কর্মকর্তা জানান, আগুন নিয়ন্ত্রণে তিনটি ইঞ্জিন কাজ করছে। বৈদ্যুতিক সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। দোকানগুলিতে জমে থাকা প্লাস্টিক সামগ্রী আগুন বাড়িয়ে তুলেছিল। পরিস্থিতি সামাল দিতে আধ ঘণ্টার বেশি সময় লেগেছে। বর্তমানে আগুন নিয়ন্ত্রণে হলেও ধোঁয়ার কারণে পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে আরও সময় লাগবে।

বজবজ শাখায় ট্রেন পরিষেবা ব্যাহত

আগুনের কারণে বজবজ শাখায় ট্রেন পরিষেবা বন্ধ রয়েছে। অনেকেই বিকল্প যানবাহনে গন্তব্যে পৌঁছাচ্ছেন। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ট্রেন পরিষেবা স্বাভাবিক করতে আরও কয়েক ঘণ্টা লাগতে পারে। যাত্রীদের জন্য জরুরি সহায়তা কেন্দ্র খোলা হয়েছে। রেল পুলিশের তৎপরতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হচ্ছে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য

স্টেশনে উপস্থিত এক যাত্রী বলেন, “হঠাৎ দোকানগুলোর ভেতর থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখি। কয়েক মিনিটের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। সবাই চিৎকার করতে থাকে। অনেকেই ফোন করে দমকলকে খবর দেন।” অন্য এক দোকানদার জানান, “শর্ট সার্কিটের কারণে আগুন লেগেছে। আমাদের দোকানের বেশিরভাগ সামগ্রী পুড়ে গেছে।”

প্রশাসনের ভূমিকা ও ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ

রেল কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ চলছে। বৈদ্যুতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত পরিদর্শনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সহায়তার জন্য জরুরি তহবিল গঠনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। যাত্রীদের জন্য বিশেষ ঘোষণাও চালু করা হয়েছে।

উপসংহার

সন্তোষপুর স্টেশনের অগ্নিকাণ্ড একটি বড় ধরনের নিরাপত্তা সংকট তৈরি করেছে। যদিও দমকল দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছে, তবুও বৈদ্যুতিক সংযোগের অবহেলা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে সময় লাগবে। Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো ঘটনাটি নজরে রেখেছে এবং সর্বশেষ আপডেট পাঠকদের কাছে পৌঁছে দেবে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

বিদ্যাসিং ইংলেং বিতর্কে উত্তাল কার্বি আংলং

বিদ্যাসিং ইংলেং বিতর্কে উত্তাল কার্বি আংলং | Y বাংলা নিউজ

বিদ্যাসিং ইংলেং বিতর্কে উত্তাল কার্বি আংলং

আপডেট: ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ | Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো

কার্বি আংলংয়ে প্রতিবাদ বিক্ষোভ

ছবি: কার্বি আংলংয়ের কাসা গেটের সামনে প্রতিবাদে বসেছেন রাজনৈতিক দল ও ছাত্র সংগঠনের সদস্যরা

মেঘালয়ের কার্বি আংলংয়ে রাজনৈতিক অস্থিরতা ছড়িয়েছে এক ভিডিও প্রকাশের পর। ভিডিওতে বিজেপির বিধায়ক বিদ্যাসিং ইংলেংকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখা গেছে বলে অভিযোগ ওঠে। এই ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই সোমবার দিফু শহরে প্রবল বিক্ষোভ শুরু হয়। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, ছাত্র সংগঠন ও নারী অধিকার সংগঠন একযোগে প্রতিবাদে নামেন।

বিক্ষোভের কেন্দ্রবিন্দু

কার্বি আংলং জেলা কংগ্রেস কমিটি এবং মহিলা কংগ্রেস যৌথভাবে সকাল ১১টা থেকে কার্বি আংলং স্পোর্টস অ্যাসোসিয়েশন (কাসা) গেটের সামনে অবস্থান-বিক্ষোভ শুরু করে। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, এই কাণ্ড বিধায়ক হিসেবে বিদ্যাসিং ইংলেংয়ের মর্যাদাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে এবং জনমানসে আস্থার সংকট তৈরি করেছে। তাঁরা তদন্ত সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।

সংগঠনের ভূমিকা

রাজনৈতিক দলগুলির পাশাপাশি এপিএইচএলসি (অল পার্টি হিলস লিডারস কনফারেন্স) এবং ডব্লিউকেএসএ (উইমেন কার্বি স্টুডেন্টস’ অ্যাসোসিয়েশন) প্রতিবাদে সামিল হয়। এপিএইচএলসি সভাপতি জে আই কথার রাজ্যপাল, মুখ্যমন্ত্রী এবং বিধানসভার স্পিকারকে লিখিত দাবি জানান। তাঁদের বক্তব্য, "জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনতে বিধায়ক বিদ্যাসিং ইংলেংকে বহিষ্কার করতে হবে।" ডব্লিউকেএসএ সদস্যরা বলেন, "রাজনৈতিক নেতৃত্বের এমন আচরণ সমাজে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। নারীর সম্মান রক্ষায় কঠোর পদক্ষেপ দরকার।"

ভিডিওর প্রভাব এবং জনমত

ভিডিও প্রকাশের পর জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। আবার কেউ কেউ আইনগত তদন্তের দাবি তুলেছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জননেতাদের আচরণ নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক, কারণ এটি শুধু ব্যক্তিগত জীবন নয়, বরং রাজনৈতিক নেতৃত্বের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তোলে।

তদন্তের দাবি

রাজ্য প্রশাসনের কাছে রাজনৈতিক দলগুলির পক্ষ থেকে তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে। বিভিন্ন নাগরিক সংগঠনও বলছে, ভিডিওর সত্যতা যাচাই করা জরুরি। পাশাপাশি বিধায়কের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ না হলে এটি সমাজে আরও বিভ্রান্তি ছড়াবে। প্রশাসন এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে মন্তব্য না করলেও তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে।

রাজনৈতিক পরিণতি

বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ঘটনা বিজেপির জন্য রাজনৈতিকভাবে অস্বস্তির কারণ হতে পারে। বিশেষত মহিলা ভোটারদের মধ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। পাশাপাশি বিরোধী দলগুলির মধ্যে এটিকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করার প্রবণতাও বেড়েছে। বিভিন্ন নাগরিক সমাজের নেতারা মনে করছেন, রাজনীতির নামে এমন আচরণ গ্রহণযোগ্য নয়।

নারীর মর্যাদা ও সামাজিক বার্তা

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নারীর সম্মান রক্ষায় সচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান জানানো হচ্ছে। সমাজের বিভিন্ন স্তর থেকে বলা হচ্ছে, নেতৃত্বের কাছে ব্যক্তিগত আচরণও গুরুত্বপূর্ণ। বিদ্যাসিং ইংলেংয়ের ঘটনা আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হলেও এটি বৃহত্তর সামাজিক সমস্যার দিকেও দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

উপসংহার

কার্বি আংলংয়ের এই বিতর্ক রাজনীতির নৈতিকতা, সামাজিক দায়িত্ব এবং নারীর নিরাপত্তার প্রশ্ন সামনে এনেছে। প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপ, রাজনৈতিক নেতৃত্বের জবাবদিহি এবং সমাজের সচেতনতা মিলেই এই ধরনের ঘটনা প্রতিরোধ করা সম্ভব। Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো এই ঘটনায় নজর রাখছে এবং পাঠকদের সর্বশেষ তথ্য পৌঁছে দেবে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

Featured post

Y বাংলা নিউজ ডেস্ক রিপোর্ট আজ, শনিবার দুপুরে পশ্চিমবঙ্গে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। দুপুর পৌনে ১টা নাগাদ তাঁর মালদা টাউন...

Search This Blog