Sample Video Widget

Seo Services

Tuesday, 16 September 2025

অমিত শাহের মাদকবিরোধী উদ্যোগ: দেশকে মাদকমুক্ত করার লক্ষ্যে কেন্দ্র

অমিত শাহের মাদকবিরোধী উদ্যোগ: দেশকে মাদকমুক্ত করার লক্ষ্যে কেন্দ্র

অমিত শাহের মাদকবিরোধী উদ্যোগ: দেশকে মাদকমুক্ত করার লক্ষ্যে কেন্দ্র

আপডেট: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো

অমিত শাহ মাদকবিরোধী সভায়

ছবি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ন্যাশনাল কনফারেন্স অফ হেডস অফ অ্যান্টি নারকোটিক্স টাস্ক ফোর্সে বক্তব্য রাখছেন।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর
👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

মাদকবিরোধী শক্তিশালী পদক্ষেপ

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ মঙ্গলবার এক অনুষ্ঠানে দেশের সমস্তরকম মাদক চোরাচালান ও ব্যবসা লোপাট করার ডাক দিলেন। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সরকার দেশকে ২০৪৭ সালের মধ্যে মাদকমুক্ত করার লক্ষ্যে দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দেশের যুবসমাজকে মাদকের নেশা থেকে মুক্ত রাখতে এবং অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে এই পদক্ষেপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ন্যাশনাল কনফারেন্সের বক্তব্য

দ্বিতীয় ন্যাশনাল কনফারেন্স অফ হেডস অফ অ্যান্টি নারকোটিক্স টাস্ক ফোর্সে অমিত শাহ বলেন, "ড্রাগস ব্যবসা চক্রকে দেশ থেকে মুছে ফেলার সময় এসেছে। সরকারের উচিত কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের মাত্রা বাড়ানো। দেশের ভবিষ্যৎ, যুবসমাজ এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য মাদকমুক্ত ভারত গড়ে তোলা অপরিহার্য।"

মাদক চক্রের তিন ধাপ

শাহ জানান, মাদক পাচারচক্র তিন ধরনের:

  • দেশের ঢোকার সমস্ত পয়েন্টে কার্যক্রম চালানো।
  • রাজ্যগুলির প্রবেশদ্বারগুলিতে চক্র পরিচালনা।
  • ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে দোকান ও ভাটিতে মাদকের সরবরাহ।

তিনি উল্লেখ করেন, এবার সরকারের লক্ষ্য এই তিন ধরনের চক্র ভেঙে ফেলা। তিনি অফিসারদের প্রতি আস্থা প্রকাশ করে বলেন, "আপনারা ছাড়া এটি সম্ভব নয়।"

আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট

অমিত শাহ পাকিস্তান বা অন্য দেশের নাম না করেও বলেন, বিশ্বের কিছু অঞ্চলে মাদক ব্যবসা দেশের অর্থনীতির ভিত। দুর্ঘটনাচক্রে দুটি অঞ্চল ভারতের খুব কাছাকাছি। সেখান থেকেই বিশ্বব্যাপী মাদক তৈরি ও সরবরাহ হয়। এর বিরুদ্ধেও রুখে দাঁড়ানো দেশের বর্তমান প্রয়োজন।

মাদকমুক্ত ভারতের জন্য পদক্ষেপ

শাহ বলেন, সরকার দেশে মাদকমুক্ত করতে সর্বাত্মক ভূমিকায় নামবে। এটি শুধুমাত্র আইন প্রয়োগের মাধ্যমে নয়, বরং সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে যুবসমাজকে মাদকের নেশা থেকে রক্ষা করবে। প্রয়োজনীয় শিক্ষামূলক ক্যাম্পেইন, সচেতনতা কর্মসূচি ও কঠোর আইন প্রয়োগ একসাথে করা হবে।

সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব

মাদকমুক্ত ভারত গড়া মানে শুধুমাত্র স্বাস্থ্য সুরক্ষা নয়, দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও নিরাপত্তার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। যুবসমাজকে মাদকের হাত থেকে রক্ষা করে দেশের উৎপাদনশীল ক্ষমতা বাড়ানো সম্ভব হবে। সরকারের লক্ষ্য ২০৪৭ সালের মধ্যে একেবারে মাদকমুক্ত ভারত নিশ্চিত করা।

কেন্দ্র ও NCB-এর সহযোগিতা

নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরোর আয়োজিত সভায় শাহ বলেন, কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো হবে। তথ্য বিনিময়, নজরদারি ও অভিযান আরও কঠোর করা হবে। স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ ও অফিসারদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

পরবর্তী পদক্ষেপ

শাহের ঘোষণার পর দেশজুড়ে মাদকবিরোধী অভিযান ত্বরান্বিত হবে। অফিসারদের পাশাপাশি সমাজ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকেও সচেতন ভূমিকা রাখতে হবে। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, মাদক ব্যবসা ও চোরাচালান সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করা এবং যুবসমাজকে নিরাপদ রাখা মূল লক্ষ্য।

উপসংহার

অমিত শাহের ঘোষণার মাধ্যমে স্পষ্ট হয়ে গেছে যে, ভারত সরকারের লক্ষ্য মাদকমুক্ত যুবসমাজ ও দেশ। দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের সঙ্গে মাদকমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য সংযুক্ত। অফিসার, প্রশাসন এবং সমাজকে একসাথে কাজ করতে হবে। মাদক চোরাচালান ও ব্যবসা বন্ধের মাধ্যমে দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম নিরাপদ থাকবে।

0 comments:

Post a Comment

আপনার মতামত এর জন্য আপনাকে ধন্যবাদ 👇
👉 যদি মনে হয় বিষয়টা গুরুত্বপূর্ণ, পোস্টটি শেয়ার করুন 🔄নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Featured post

Y বাংলা নিউজ ডেস্ক রিপোর্ট আজ, শনিবার দুপুরে পশ্চিমবঙ্গে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। দুপুর পৌনে ১টা নাগাদ তাঁর মালদা টাউন...

Search This Blog