Sample Video Widget

Seo Services

Tuesday, 16 September 2025

দুর্গাপুজোর আগে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের বেতন নিয়ে বড় ঘোষণা, জিএসটি সংস্কারে উৎসবমুখী স্বস্তি

দুর্গাপুজোর আগে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের বেতন নিয়ে বড় ঘোষণা, জিএসটি সংস্কারে উৎসবমুখী স্বস্তি | Y বাংলা

দুর্গাপুজোর আগে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের বেতন নিয়ে বড় ঘোষণা, জিএসটি সংস্কারে উৎসবমুখী স্বস্তি

আপডেট: ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

দুর্গাপুজোর আগে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের বেতন ঘোষণা

ছবি: দুর্গাপুজোর আগে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের জন্য অর্থনৈতিক স্বস্তির বার্তা দিল কেন্দ্রীয় সরকার।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর
👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

মন খারাপ বাঙালির, পুজোর আগে অর্থকষ্টের আশঙ্কা

বাংলার মানুষের কাছে দুর্গাপুজো শুধু ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি আবেগ, আনন্দ এবং সমৃদ্ধির সময়। তবে এবারের পুজোকে ঘিরে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ। একদিকে লাগাতার বর্ষণ, অন্যদিকে মাসের শেষে উৎসব—স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে, অর্থের জোগান কীভাবে হবে? পুজোর বাজার, কেনাকাটা এবং আচার অনুষ্ঠান সবকিছুই অর্থের ওপর নির্ভরশীল। সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছিল, বিশেষ করে যাঁরা নির্ধারিত বেতনের ওপর নির্ভর করেন।

আগেই বেতন! কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের জন্য বড় স্বস্তির বার্তা

এই পরিস্থিতিতে বাংলার কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। তিনি মঙ্গলবার সোশ্যাল মিডিয়ায় জানান, সেপ্টেম্বর মাসের বেতন ২৬ তারিখেই হাতে পাবেন কর্মীরা। অর্থাৎ দুর্গাপুজোর আগেই অর্থনৈতিক স্বস্তি নিশ্চিত করা হবে। এই সিদ্ধান্ত কর্মীদের উৎসবের প্রস্তুতিতে সহায়তা করবে এবং বাজারে অর্থের প্রবাহ বাড়াবে বলে মনে করা হচ্ছে।

সুকান্ত মজুমদারের বক্তব্য

সুকান্ত মজুমদার লিখেছেন, “দুর্গাপূজার প্রাক্কালে পশ্চিমবঙ্গের কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের সেপ্টেম্বর মাসের বেতন দেওয়ার উদ্যোগ শুধু অর্থনৈতিক স্বস্তি নয়, এটি বাঙালি আবেগের প্রতি এক অনন্য সম্মান। এটি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দূরদর্শিতার ফল।” তিনি অর্থ মন্ত্রকের জারি করা নোটিসও প্রকাশ করেন, যেখানে পরিষ্কারভাবে উল্লেখ রয়েছে যে পুজোর আগে বেতন প্রদান হবে।

রাজনৈতিক বার্তাও কি আছে?

আগামী বছর পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, কেন্দ্রীয় সরকারের এই পদক্ষেপ নির্বাচনের আগে বাঙালির মন জয়ের কৌশল হতে পারে। তবে কেন্দ্রীয় সরকারের দাবি, এটি নির্বাচনের জন্য নয়; বরং উৎসবের মরশুমে কর্মীদের স্বস্তি দেওয়ার জন্যই এই উদ্যোগ। পুজোর সময় অর্থের প্রবাহ বাড়লে স্থানীয় বাজারও চাঙা হবে, যা অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক।

জিএসটি সংস্কারে আরও বড় ঘোষণা

শুধু বেতন নয়, কেন্দ্রীয় সরকারের আরেকটি বড় পদক্ষেপ হলো জিএসটি সংস্কার। ২২ সেপ্টেম্বর থেকে নতুন জিএসটি কার্যকর হতে চলেছে, যা অনেক নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমাবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি উৎসবমুখী অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে সাহায্য করবে। বাজারে পণ্যের চাহিদা বাড়বে এবং সাধারণ মানুষের ওপর অর্থনৈতিক চাপ কমবে।

নতুন জিএসটি স্ল্যাব কীভাবে বদলাচ্ছে

জিএসটি-র কাঠামো সরলীকরণ করে মোট চারটি স্ল্যাব কমিয়ে দুটি মূল স্ল্যাবে আনা হয়েছে—৫ শতাংশ এবং ১৮ শতাংশ। বিলাসবহুল পণ্য, বড় গাড়ি ও তামাকজাত দ্রব্যের জন্য বিশেষ ৪০ শতাংশ স্ল্যাব রাখা হয়েছে। এর ফলে বাজারে পণ্যের দাম কমে যাবে এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন খরচে স্বস্তি আসবে।

একেবারে করমুক্ত হচ্ছে:

  • দুধ, ছানা, পনির, রুটি ও পরোটা
  • স্বাস্থ্যবিমা ও জীবনবিমা
  • ৩৩টি জীবনদায়ী ওষুধ
  • মানচিত্র, খাতা, পেনসিল, রবার, গ্লোব

১৮ শতাংশ কর হবে যেসব পণ্যে:

  • শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি), টিভি, ডিশ ওয়াশিং মেশিন
  • মনিটর, ৩৫০ সিসির কম মোটরবাইক
  • তিন চাকার গাড়ি, ১৫০০ সিসির কম যাত্রীবাহী গাড়ি
  • বাস, ট্রাক ও সিমেন্ট
  • জামা-কাপড়

৫ শতাংশ কর হবে যেসব পণ্যে:

  • প্যাকেটজাত খাবার, সস, পাস্তা, ইনস্ট্যান্ট নুডলস, চকোলেট
  • তেল, ঘি, মাখন, চিজ, বিস্কুট
  • সাবান, শ্যাম্পু, টুথব্রাশ, শেভিং ক্রিম
  • বাসনপত্র, সেলাই মেশিন, ট্র্যাক্টর
  • কীটনাশক ও কৃষিক্ষেত্রে ব্যবহৃত নানা পণ্য
  • থার্মোমিটার, মেডিক্যাল গ্রেড অক্সিজেন, টেস্ট কিট, গ্লুকোমিটার, চশমা
  • মার্বেল, পাথর, চর্মজাত পণ্য, হ্যান্ডিক্রাফটস

উৎসবের বাজারে অর্থের প্রবাহ বাড়বে

বেতন আগেই পেলে কর্মীরা উৎসবের কেনাকাটায় এগিয়ে আসবেন। ফলে বাজারে পণ্যের চাহিদা বাড়বে এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডও চাঙা হবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি শুধু সরকারি কর্মীদের জন্য নয়, পুরো অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক বার্তা। গ্রামীণ থেকে শহর—সবখানে উৎসবের বাজারে নতুন প্রাণসঞ্চার হবে।

সাধারণ মানুষের জন্য আশার বার্তা

নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের কর কমে যাওয়ায় বাজারে দাম নিয়ন্ত্রণে থাকবে। ফলে নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবার উৎসবের আনন্দ উপভোগ করতে পারবেন। স্বাস্থ্যবিমা, জীবনবিমা এবং জীবনদায়ী ওষুধ করমুক্ত হওয়ায় চিকিৎসা খরচ কমবে। শিক্ষা সামগ্রী করমুক্ত হওয়ায় ছাত্রছাত্রীদের জন্য তা বড় সুবিধা।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর
👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

0 comments:

Post a Comment

আপনার মতামত এর জন্য আপনাকে ধন্যবাদ 👇
👉 যদি মনে হয় বিষয়টা গুরুত্বপূর্ণ, পোস্টটি শেয়ার করুন 🔄নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Featured post

Y বাংলা নিউজ ডেস্ক রিপোর্ট আজ, শনিবার দুপুরে পশ্চিমবঙ্গে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। দুপুর পৌনে ১টা নাগাদ তাঁর মালদা টাউন...

Search This Blog