Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Tuesday, 16 September 2025

পুজোর রং লেগেছে শহরে: কলকাতা পুলিশ মণ্ডপ পরিদর্শনে, নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার

পুজোর রং লেগেছে শহরে: কলকাতা পুলিশ মণ্ডপ পরিদর্শনে, নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার

পুজোর রং লেগেছে শহরে: কলকাতা পুলিশ মণ্ডপ পরিদর্শনে, নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার

আপডেট: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

পুজোর প্রস্তুতি পরিদর্শনে কলকাতা পুলিশ

ছবি: কলকাতা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার মিরাজ খালিদের নেতৃত্বে পুজো মণ্ডপ পরিদর্শনের দৃশ্য।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর
👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

মহালয়ার আগেই উৎসবের আমেজ

মহালয়ার আগেই কলকাতা শহর পুজোর রঙে রঙিন হয়ে উঠেছে। আলো, ফুল, সাজসজ্জা এবং নানা প্রস্তুতিতে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে শহরের বিভিন্ন প্রান্তে। বড় বড় প্যান্ডেল তৈরি হয়ে যাচ্ছে দ্রুত গতিতে। দর্শকদের জন্য প্যান্ডেল খুলে দেওয়ার আগে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে সর্বত্র। এই উৎসবের উত্তেজনা যেমন আনন্দের, তেমনই নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

নিরাপত্তার খাতিরে কলকাতা পুলিশের অভিযান

উৎসবের মরশুমে যাতে কোনো দুর্ঘটনা না ঘটে সে জন্য কলকাতা পুলিশ সতর্কতা জারি করেছে। মঙ্গলবার যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (সদর) মিরাজ খালিদের নেতৃত্বে একটি বিশেষ টিম শহরের বিভিন্ন পুজো মণ্ডপ পরিদর্শন করেন। এই পরিদর্শনের উদ্দেশ্য ছিল প্যান্ডেলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখা। একাধিক পুজো কমিটিকে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে যাতে তাঁরা অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা, আলোর ব্যবস্থা, ভিড় নিয়ন্ত্রণ এবং হাওয়া চলাচলের দিকে বিশেষ নজর দেন।

অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা নিয়ে নির্দেশ

অনেক পুজো মণ্ডপে কাঠের উপর কাপড় লাগিয়ে প্যান্ডেল তৈরি করা হয়। এতে আগুন লাগার ঝুঁকি বেড়ে যায়। সেই কারণে কলকাতা পুলিশ স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে যে প্যান্ডেলে অবশ্যই ‘ফায়ার প্রুফ ট্রিটমেন্ট’ করতে হবে। এছাড়াও প্যান্ডেলের প্রবেশ ও বেরোনোর পথে ঢালু ব্যবস্থা রাখতে হবে এবং হাঁটার পথ মসৃণ করতে হবে। প্যান্ডেলের উচ্চতা নিয়ম মেনে রাখার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে যাতে জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত বেরিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়।

ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও হাওয়া চলাচল নিশ্চিত করতে নির্দেশ

উৎসবের দিনে ভিড় নিয়ন্ত্রণ করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ। পুজো কমিটিগুলিকে বলা হয়েছে যাতে প্যান্ডেলের ভেতরে দমবন্ধ পরিস্থিতি তৈরি না হয়। হাওয়া চলাচলের জন্য যথাযথ ব্যবস্থা রাখতে হবে। অতিরিক্ত ভিড় হলে দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে সহযোগিতা করতে হবে। একই সঙ্গে পর্যাপ্ত আলো রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে যাতে রাতে বা দুর্বল আলোয় দুর্ঘটনা না ঘটে।

কতগুলো পুজোর অনুমতি হয়েছে?

লালবাজার সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে কলকাতায় ২৭০০টি পুজো রেজিস্টার করেছে। এর মধ্যে ২০০০টি পুজোকে অনুমোদনের ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। তবে আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আরও আবেদন জমা দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। ফলে অনুমোদনের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন প্রশাসনের কর্তারা।

পরিদর্শনের প্রথম দিনের বিস্তারিত

মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে যুগ্ম পুলিশ কমিশনার মিরাজ খালিদের নেতৃত্বে একটি টিম পরিদর্শনে বের হন। তাঁরা প্রথমে বেহালা নতুন দল, বরিষা ক্লাব, বিবেকানন্দ পার্ক অ্যাথলেটিক ক্লাব সহ মোট ১২টি পুজোর প্রস্তুতি খতিয়ে দেখেন। কোথাও কোনো ফাঁকফোকর রয়েছে কি না তা পরীক্ষা করেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেন।

আগামী দিনগুলির পরিকল্পনা

আগামী বুধবারও শহরের পুজো মণ্ডপগুলো পরিদর্শন করবেন পুলিশ কর্মকর্তারা। পাশাপাশি শুক্রবার কলকাতা পুলিশ কমিশনার মনোজ বর্মা নিজে শহরের বিভিন্ন প্যান্ডেল পরিদর্শনে বের হতে পারেন বলে জানা গেছে। উৎসবের সময় নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একাধিক দফায় এই পরিদর্শন চালানো হবে।

পুজোর আনন্দের পাশাপাশি সতর্কতা জরুরি

উৎসবের আমেজ সকলের জন্য আনন্দের হলেও নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কোনো শৈথিল্য চলবে না। আগাম প্রস্তুতির মাধ্যমে দুর্ঘটনা প্রতিরোধ করা সম্ভব। পুলিশ ও পুজো কমিটির যৌথ উদ্যোগেই এই উৎসব নিরাপদভাবে সম্পন্ন হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন শহরের নাগরিকরা।


এই প্রতিবেদন Y বাংলা নিউজ-এর জন্য প্রস্তুত। এটি কপি রাইট মুক্ত এবং সংবাদ প্রকাশের উপযোগী।

বাংলাদেশি বউমাকে সীমান্তে ফেলে পালানোর অভিযোগ, গ্রেফতার অন্তঃসত্ত্বা নারী

বাংলাদেশি বউমাকে সীমান্তে ফেলে পালানোর অভিযোগ, গ্রেফতার অন্তঃসত্ত্বা নারী

বাংলাদেশি বউমাকে সীমান্তে ফেলে পালানোর অভিযোগ, গ্রেফতার অন্তঃসত্ত্বা নারী

আপডেট: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

সীমান্তে ফেলে পালানোর ঘটনা

ছবি: পেট্রাপোল সীমান্তে স্থানীয়দের সন্দেহে আটক হন অন্তঃসত্ত্বা ফাহিমা আক্তার।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর
👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

ঘটনার সারমর্ম

সংবাদদাতা, বনগাঁ: দুই পুত্র সন্তানসহ অন্তঃসত্ত্বা বাংলাদেশি বউমাকে সীমান্তে ফেলে পালানোর অভিযোগ উঠেছে তাঁর খুড়তুতো শ্বশুরের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে পেট্রাপোল সীমান্তে। স্থানীয়দের সন্দেহে পুলিশ ওই নারীকে আটক করে। ধৃতের নাম ফাহিমা আক্তার। তিনি বাংলাদেশের চট্টগ্রামের বাসিন্দা এবং বর্তমানে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিংয়ে শ্বশুরবাড়িতে বসবাস করছিলেন।

ঘটনা কীভাবে ঘটল?

রবিবার ফাহিমাকে তাঁর খুড়শ্বশুর বাংলাদেশে বাপের বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার নাম করে পেট্রাপোল সীমান্তে নিয়ে আসেন। সেখানে একটি হোটেলে তাঁকে এবং তাঁর দুই সন্তানকে বসিয়ে রাখেন। পরে ফল কিনে আনতে যাওয়ার নাম করে পালিয়ে যান তিনি। দিনভর সীমান্তেই অপেক্ষা করতে থাকেন ফাহিমা। স্থানীয়রা সন্দেহ করলে থানায় খবর দেন। পুলিশ এসে তাঁকে আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তিনি বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই ভারতে প্রবেশ করেছেন।

ফাহিমার পরিচয়

ফাহিমা আক্তারের সঙ্গে ছয় বছর আগে ক্যানিংয়ের বাসিন্দা মিলন শেখের বিয়ে হয়। মিলন ছোটবেলা থেকেই মায়ের সঙ্গে বাংলাদেশে বসবাস করতেন। বিয়ের পরও তাঁরা বাংলাদেশেই থাকেন। তাঁদের দুই পুত্রসন্তান রয়েছে—একজন চার বছরের এবং আরেকজন দুই বছরের। নয় মাস আগে ফাহিমা চোরাপথে স্বামীর সঙ্গে ভারতে আসেন। এরপর থেকেই তাঁর ওপর শুরু হয় নির্যাতন। শ্বশুরবাড়ির পক্ষ থেকে তাঁকে বাপের বাড়ি ফিরে যাওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছিল।

নির্যাতনের অভিযোগ

ফাহিমার অভিযোগ, ভারতে আসার পর থেকেই তাঁকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হচ্ছিল। তাঁর খাবার, চিকিৎসা, নিরাপত্তার সুযোগ কমানো হয়। পরিবারের সদস্যরা তাঁকে বাপের বাড়ি ফিরে যেতে চাপ দেন। রবিবার তাঁকে বাপের বাড়িতে পাঠানোর নাম করে সীমান্তে নিয়ে এসে ফেলে রেখে পালিয়ে যান খুড়শ্বশুর। দিনভর সন্তানদের নিয়ে সীমান্তে বসে থাকতে হয় তাঁকে।

স্থানীয়দের সন্দেহ ও পুলিশের হস্তক্ষেপ

স্থানীয়রা যখন লক্ষ্য করেন, এক অন্তঃসত্ত্বা নারী দুই সন্তানসহ হোটেলে বসে রয়েছেন এবং তাঁর পাশে কেউ নেই, তখন তাঁদের সন্দেহ হয়। তাঁরা কাছে গিয়ে জিজ্ঞাসা করলে ফাহিমা তাঁর দুরবস্থার কথা জানান। এরপর পুলিশ এসে তাঁকে আটক করে। তাঁর কাছে বৈধ কাগজপত্র না থাকায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশি তদন্ত

পেট্রাপোল থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। তাঁরা জানতে পেরেছেন, ফাহিমার বৈধ পাসপোর্ট বা অন্যান্য ভ্রমণ নথি নেই। তাঁর সঙ্গে থাকা শিশুদের অবস্থাও পরীক্ষা করা হচ্ছে। তাঁর কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। এই ঘটনার পেছনে মানবপাচারের আশঙ্কা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

আদালতে তোলা ও জেল হেফাজত

সোমবার ধৃত ফাহিমাকে বনগাঁ মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক তাঁকে জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। তাঁর শিশুদের জন্য পৃথকভাবে সামাজিক সেবা দপ্তরের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তাঁর পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের খোঁজ শুরু হয়েছে।

সীমান্তে মানবিক সংকট

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সীমান্তে এ ধরনের ঘটনা বাড়ছে। অর্থনৈতিক দুরবস্থা, পারিবারিক নির্যাতন, অবৈধভাবে দেশে প্রবেশ এবং কাগজপত্রের অভাব—এসব কারণে নারীরা ও শিশুদের ঝুঁকির মুখে পড়ছে। আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ছাড়া এই সমস্যা সমাধান কঠিন।

স্থানীয়দের বক্তব্য

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, তাঁরা প্রথমে বুঝতে পারেননি যে নারীটি সাহায্যের অভাবে সীমান্তে বসে আছেন। পরে তাঁর দুরবস্থা দেখে মানবিক কারণে পুলিশকে খবর দেন। অনেকে বলেন, সীমান্ত এলাকায় নজরদারি আরও বাড়ানো উচিত যাতে এমন ঘটনা আর না ঘটে।

প্রশাসনের ভূমিকা

পুলিশ ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে। সামাজিক সংগঠনগুলিও শিশুদের জন্য চিকিৎসা, খাবার এবং মানসিক সহায়তার ব্যবস্থা করছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আন্তর্জাতিক সীমান্তে মানবিক সহায়তার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতামত

আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বৈধ নথি ছাড়া সীমান্ত পেরোনো শুধু আইনি অপরাধ নয়, এটি মানবাধিকার লঙ্ঘনেরও বিষয়। তারা বলেছেন, আন্তর্জাতিক সহযোগিতায় সীমান্ত নজরদারি ও মানবিক সহায়তা বাড়ানো জরুরি।


এই প্রতিবেদন Y বাংলা নিউজ-এর জন্য তৈরি। এটি কপি রাইট মুক্ত এবং সংবাদ উপস্থাপনার জন্য প্রস্তুত।

মিমি চক্রবর্তীকে ৯ ঘণ্টা জেরা, ক্রিকেট বেটিং অ্যাপ নিয়ে ইডির তল্লাশি

মিমি চক্রবর্তীকে ৯ ঘণ্টা জেরা, ক্রিকেট বেটিং অ্যাপ নিয়ে ইডির তল্লাশি

মিমি চক্রবর্তীকে ৯ ঘণ্টা জেরা, ক্রিকেট বেটিং অ্যাপ নিয়ে ইডির তল্লাশি

আপডেট: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

মিমি চক্রবর্তী ইডির জেরায়

ছবি: দিল্লিতে ইডির সদর দপ্তরে মিমি চক্রবর্তী জিজ্ঞাসাবাদের জন্য উপস্থিত হন।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর
👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

ইডির জিজ্ঞাসাবাদ: শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: ক্রিকেট বেটিং অ্যাপের প্রচারের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে সোমবার প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ মিমি চক্রবর্তীকে ইডির সদর দপ্তর প্রব্যর্তন ভবনে ডেকে দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সূত্রের খবর, প্রায় ৯ ঘণ্টা ধরে চলে এই জেরা। প্রথম দফায় প্রায় আড়াই ঘণ্টা তাঁকে প্রশ্ন করা হয়। পরে মধ্যাহ্নভোজের বিরতির পর আবারও দীর্ঘ সময় ধরে জিজ্ঞাসাবাদ চলে।

প্রশ্ন: শুধুই প্রচারে যুক্ত নাকি অর্থ লেনদেনে জড়িত?

ইডির কর্মকর্তারা জানতে চান, তিনি কি শুধু বিতর্কিত বেটিং অ্যাপটির ব্র্যান্ড এনডোর্সমেন্টের প্রচারের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, নাকি অ্যাপের মাধ্যমে হওয়া অর্থ তছরুপ বা হাওলার মতো বেআইনি লেনদেনেও জড়িত ছিলেন। এই প্রশ্ন ঘিরে আলোচনার ঝড় ওঠে।

পিএমএলএ আইনের আওতায় বয়ান রেকর্ড

আর্থিক তছরুপ প্রতিরোধ আইন বা পিএমএলএ (PMLA)-এর আওতায় মিমির বয়ান রেকর্ড করেন ইডির আধিকারিকরা। তাঁর সমস্ত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের লেনদেন পরীক্ষা করা হয়। বেটিং অ্যাপের প্রচার সংক্রান্ত চুক্তির নথিও যাচাই করা হয়েছে। এমনকি বিদেশ সফরের খতিয়ান নিয়েও প্রশ্ন করা হয়। কোথায় কোথায় গিয়েছেন, কোন অর্থ লেনদেন হয়েছে কি না—সবই জানতে চাওয়া হয়।

বিদেশ সফর নিয়েও তদন্ত

সূত্র জানায়, ইডির তদন্তকারীরা মিমির বিদেশ সফরের বিস্তারিত জানতে চেয়েছেন। কোন শহরে গিয়েছেন, কার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন, সেখানে কীভাবে অর্থ লেনদেন হয়েছে—এসব বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, আন্তর্জাতিক হাওলার সঙ্গে এই সফরের যোগসূত্র খতিয়ে দেখতেই এই প্রশ্নাবলী তৈরি করা হয়েছে।

প্রয়োজনে ফের ডাকা হবে

ইডির তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, তদন্ত চলবে। প্রয়োজনে আবারও মিমিকে ডেকে পাঠানো হবে। অর্থ তছরুপের অভিযোগ নিয়ে আরও গভীর অনুসন্ধান চালানো হবে। তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট এবং অন্যান্য আর্থিক সূত্র পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে।

অন্য তারকারাও জেরার মুখে

মিমির পাশাপাশি টলিউডের আরেক জনপ্রিয় অভিনেতা অঙ্কুশ হাজরাকেও আজ মঙ্গলবার দিল্লিতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়েছে। সন্দেহ করা হচ্ছে, বেটিং অ্যাপের সঙ্গে যুক্ত থাকা আরও তারকাদের ভূমিকা নিয়ে তদন্ত চলছে। কেন্দ্রের এই উদ্যোগে বিনোদন জগতের অনেকেই শঙ্কিত।

বেটিং অ্যাপের বিতর্ক

ক্রিকেট বেটিং অ্যাপগুলির প্রচার বহুদিন ধরেই বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধরনের অ্যাপের মাধ্যমে অর্থ তছরুপ, অনিয়ম, কর ফাঁকি এবং বিদেশে অর্থ পাঠানোর সুযোগ তৈরি হয়। জনপ্রিয় মুখদের ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের মধ্যে এই অ্যাপের জনপ্রিয়তা বাড়ানো হয়। সেই সুযোগে বেআইনি আর্থিক লেনদেন হওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে।

রাজনীতির সংযোগ ও তদন্তের গুরুত্ব

মিমির মতো জনপ্রিয় মুখ বেটিং অ্যাপের প্রচারে যুক্ত হওয়ায় বিষয়টি রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে। একদিকে বিনোদন জগতের খ্যাতনামা ব্যক্তিত্বদের ইমেজ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, অন্যদিকে অর্থ তছরুপ নিয়ে কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্ত রাজনৈতিক মহলে উত্তেজনা বাড়াচ্ছে। অনেকে প্রশ্ন তুলছেন, এই ধরনের প্রচারের মাধ্যমে কি ভোটের অর্থের মতো বড় অঙ্কের অর্থ লেনদেনও হচ্ছে?

পিএমএলএ আইন কী বলে?

আর্থিক তছরুপ প্রতিরোধ আইন (Prevention of Money Laundering Act বা PMLA) অনুযায়ী, কোনও ব্যক্তি বেআইনি অর্থ লেনদেনে যুক্ত থাকলে তাঁর সম্পদ জব্দ করা, ব্যাঙ্ক লেনদেন পরীক্ষা করা এবং জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে অপরাধের সঙ্গে সম্পর্ক খতিয়ে দেখা হয়। মিমির ক্ষেত্রে এই আইন প্রয়োগ করা হয়েছে। আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, তদন্তের ফলাফল অনেক বড় আর্থিক অনিয়মের দিকে ইঙ্গিত করতে পারে।

জনমনে আলোড়ন

মিমির জিজ্ঞাসাবাদ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও রাজনৈতিক মহলে তোলপাড় পড়েছে। তাঁর সমর্থকরা বলছেন, এটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। অন্যদিকে বিরোধীরা বলছে, জনপ্রিয় মুখ ব্যবহার করে অর্থ তছরুপের অভিযোগ এড়ানো যায় না। বিষয়টি নির্বাচন আসন্ন সময়ে আরও গুরুত্ব পাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

ভবিষ্যৎ অনুসন্ধানের দিশা

ইডির তদন্তের পরবর্তী ধাপে ব্যাঙ্ক লেনদেনের গভীর বিশ্লেষণ, বিদেশ সফরের উদ্দেশ্য, অর্থের উৎস ও গন্তব্য খতিয়ে দেখা হবে। এছাড়া বেটিং অ্যাপের পেছনের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণকারী কারা—সেটিও অনুসন্ধান করা হবে। বিনোদন জগতের অন্য সদস্যদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে।


এই প্রতিবেদন Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরোর জন্য তৈরি।

রাজ্যের চার সরকারি আধিকারিককে সাসপেন্ড, নির্বাচন কমিশনের কঠোর নির্দেশে নতুন উত্তেজনা

রাজ্যের চার সরকারি আধিকারিককে সাসপেন্ড, নির্বাচন কমিশনের কঠোর নির্দেশে নতুন উত্তেজনা

রাজ্যের চার সরকারি আধিকারিককে সাসপেন্ড, নির্বাচন কমিশনের কঠোর নির্দেশে নতুন উত্তেজনা

আপডেট: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

নির্বাচন কমিশনের চিঠি হাতে মুখ্যসচিব

ছবি: নির্বাচন কমিশনের চিঠি হাতে রাজ্যের মুখ্যসচিব। এই চিঠি থেকেই শুরু হয়েছে উত্তপ্ত রাজনৈতিক বিতর্ক।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর
👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

নির্বাচন কমিশনের চিঠি: সাসপেন্ড ও এফআইআর নির্দেশ

সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের দুই ডব্লুসিবিসিএস আধিকারিক এবং আরও দুই অন্যপদের সরকারি আধিকারিককে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে সাসপেন্ড করা হয়েছে। চিঠিতে স্পষ্ট বলা হয়েছে, শুধু সাসপেন্ড করলেই হবে না, তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর রুজু করতে হবে। এই সিদ্ধান্তের পেছনে অভিযোগ রয়েছে যে, তাঁরা ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার (ERO) ও অ্যাসিসটেন্ট ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার (AERO) হিসেবে কাজ করতে গিয়ে ভুয়ো ভোটারের নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছেন।

ভুয়ো ভোটার অন্তর্ভুক্তির অভিযোগ

নির্বাচন কমিশনের দাবি, দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরের ERO ও AERO এবং পূর্ব মেদিনীপুরের ময়নার ERO ও AERO তাঁদের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে নিয়ম লঙ্ঘন করেছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, তাঁরা বাড়ি-বাড়ি গিয়ে ভোটারের তথ্য যাচাই না করেই তালিকায় নাম যুক্ত করেছেন। পাশাপাশি, জিজ্ঞাসাবাদের সময় তাঁরা এই দোষ স্বীকার করেছেন বলেও কমিশন দাবি করেছে।

বুথ লেভেল অফিসারের ভূমিকা উপেক্ষা

রাজ্যের কর্মচারী এবং শিক্ষকদের সাধারণত বুথ লেভেল অফিসার (BLO) হিসেবে নিয়োগ করা হয়। BLO-রা বাড়ি-বাড়ি গিয়ে ভোটারের উপস্থিতি নিশ্চিত করেন। কিন্তু অভিযোগ হলো, BLOদের মাঠে পাঠানো না হলেও ERO ও AERO-রা নিজ উদ্যোগে ভুয়ো ভোটারের নাম অন্তর্ভুক্ত করেছেন। এই ঘটনা নির্বাচন প্রক্রিয়ার বিশ্বাসযোগ্যতায় প্রশ্ন তুলেছে।

মুখ্যমন্ত্রীর পাল্টা প্রতিক্রিয়া

ঘটনার পর ঝাড়গ্রামে এক সভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, "নির্বাচন কমিশন অমিত শাহের হাতের পুতুল, বিজেপির ক্রীতদাস। ভোট অনেক দেরি। এখন থেকেই সাসপেন্ড করতে শুরু করেছে। আমাদের আধিকারিকদের রক্ষা করার ক্ষমতা আমাদের রয়েছে।"

তিনি আরও স্পষ্ট জানান যে রাজ্যের কোনও আধিকারিকের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক চাপের মুখে পদক্ষেপ করা হবে না। এই মন্তব্য রাজ্য বনাম কেন্দ্রের দ্বন্দ্ব আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

মুখ্যসচিবের ওপর দিল্লির চাপ

নির্বাচন কমিশন দেরি লক্ষ্য করে রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ পন্থকে দিল্লিতে ডেকে পাঠায়। কমিশনের ফুল বেঞ্চের সামনে তাঁকে জবাবদিহি করতে হয়। দিল্লি থেকে ফিরে তিনি দ্রুত চারজনকে সাসপেন্ড করেন, তবে নির্দেশের দ্বিতীয় অংশ—এফআইআর রুজু—পালন করেননি।

এফআইআর নিয়ে নতুন টানাপোড়েন

সাসপেন্ড করার পর নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুসারে এফআইআর রুজু করা হয়নি। এফআইআর-এর জন্য সময় চাওয়া হলেও দিন পেরিয়ে যায়। রাজনৈতিক মহল মনে করতে শুরু করে, হয়তো কমিশন এই বিষয়টি নিয়ে আর কঠোর হবে না। কিন্তু সাম্প্রতিক খবর অনুযায়ী, কমিশন ফের এই বিষয়টি নিয়ে উদ্যোগী হয়েছে।

কমিশনের কঠোর অবস্থান

সূত্রের দাবি, নির্বাচন কমিশন খুব শিগগিরই আবার মুখ্যসচিবকে চিঠি পাঠাবে। এমনকি কমিশনের হাতে থাকা জনপ্রতিনিধি আইন অনুযায়ী সরাসরি এফআইআর রুজু করার ক্ষমতাও আছে। সংবিধান বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ ক্ষেত্রে কমিশন আইনানুগ পদক্ষেপ নিতেই পারে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষণ

এই ঘটনায় একদিকে নির্বাচন কমিশনের কঠোরতা এবং অন্যদিকে রাজ্য সরকারের প্রতিরোধ রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবেশকে উত্তপ্ত করে তুলেছে। নির্বাচন সামনে রেখে কেন্দ্র-রাজ্য দ্বন্দ্ব বাড়ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নির্বাচন প্রক্রিয়ার বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখতে কঠোর নজরদারি প্রয়োজন হলেও তা যেন রাজনৈতিক অস্ত্র না হয়ে ওঠে, সে দিকে নজর দেওয়া জরুরি।

প্রশাসনের ওপর চাপ

রাজ্যের প্রশাসনিক কাঠামোয় এই ঘটনায় অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। আধিকারিকরা দ্বিধায় পড়েছেন—কেন্দ্রের নির্দেশ মানবেন, না রাজ্যের প্রশাসনিক অবস্থানের সঙ্গে থাকবেন। এই পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় জটিলতা তৈরি হতে পারে।

ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে

রাজ্য-দিল্লির এই টানাপোড়েন ভবিষ্যতে ভোটের আচরণ, প্রশাসনিক সমন্বয় এবং রাজনৈতিক ধারা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। বিশেষ করে ভোটার তালিকার শুদ্ধতা এবং নির্বাচন প্রক্রিয়ার ওপর নাগরিকদের আস্থা ফিরে পেতে দুই পক্ষকেই যৌথভাবে কাজ করতে হবে।


এই প্রতিবেদন Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরোর জন্য তৈরি।

অসমে আমলার বাড়ি থেকে উদ্ধার বান্ডিল বান্ডিল নোট, কোটি টাকার সোনার গয়না বাজেয়াপ্ত

অসমে আমলার বাড়ি থেকে উদ্ধার বান্ডিল বান্ডিল নোট, কোটি টাকার সোনার গয়না বাজেয়াপ্ত

অসমে আমলার বাড়ি থেকে উদ্ধার বান্ডিল বান্ডিল নোট, কোটি টাকার সোনার গয়না বাজেয়াপ্ত

আপডেট: ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ | Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো

অসমে দুর্নীতি অভিযান
নগদ টাকা ও সোনার গয়না উদ্ধার হওয়ার পর প্রশাসনের তৎপরতা তীব্র হয়েছে।

অসমে জমি সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত এক শীর্ষ আমলার বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে কোটি টাকার সম্পদ। অভিযুক্ত অসম সিভিল সার্ভিস (ACS) আধিকারিক নূপুর বরা। সোমবার মালিগাঁও এলাকার তাঁর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে প্রশাসনের ভিজিল্যান্স এবং দুর্নীতি দমন শাখার কর্মকর্তারা নগদ ৭৫ লক্ষ টাকা এবং ১ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের সোনার গয়না উদ্ধার করেন। মোট সম্পত্তির মূল্য প্রায় ২ কোটি টাকার কাছাকাছি বলে জানানো হয়েছে।

দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত নূপুর বরা

বরপেটা এলাকায় জমির রেকর্ড বদলে দেওয়ার অভিযোগ উঠে নূপুর বরার বিরুদ্ধে। স্থানীয় জন প্রতিনিধি থেকে শুরু করে প্রশাসনিক মহলেও তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ জমা পড়েছিল। শিবসাগরের বিধায়ক অখিল গগৈ বিশেষভাবে অভিযোগ তুলে ধরেন। সূত্রের খবর, জমির রেকর্ডে অনিয়ম ঘটিয়ে লাভবান হওয়ার জন্য তিনি দীর্ঘদিন ধরে দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এই অভিযোগের ভিত্তিতে গত ছয় মাস ধরে গোপন তদন্ত চালানো হয় এবং অবশেষে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন

রবিবার রাতেই নূপুর বরার গুয়াহাটির বাড়িতে অভিযান চালানোর পরিকল্পনা করা হয়েছিল। কিন্তু অভিযানের সময় তিনি বাড়িতে না থাকায় সেটি স্থগিত রাখতে হয়। পরদিন সোমবার সকালে তাঁর ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে নগদ এবং সোনার গয়না উদ্ধার করা হয়। শুধু গুয়াহাটির বাড়িই নয়, তাঁর সঙ্গে সম্পর্কিত আরও তিনটি স্থানে তল্লাশি চালানো হয়। তদন্তের নেতৃত্ব দেন ভিজিল্যান্স শাখার সুপার রোসি কলিতা। তিনি জানান, একাধিক দুর্নীতির সঙ্গে নূপুর বরার যোগ থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে এবং প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার প্রতিক্রিয়া

অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা এই অভিযানের পরে পরিষ্কার জানিয়েছেন যে তাঁর প্রশাসনে দুর্নীতির কোনও ছাড় নেই। তিনি বলেন, “আমার প্রশাসনে দুর্নীতির জন্য শূন্য সহনশীলতা নীতি অনুসরণ করা হবে।” মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, নূপুর বরার বিরুদ্ধে জমির রেকর্ড বদলানোর অভিযোগ পাওয়ার পরেই তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। তদন্ত চলাকালীন সময়েই অভিযানের পরিকল্পনা করা হয় এবং গোপন অনুসন্ধানের ভিত্তিতে তাঁর বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। মুখ্যমন্ত্রী অভিযানের সাফল্যে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং বলেন, দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত যে কোনও ব্যক্তির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রশাসনের ভূমিকা এবং তদন্তের পরবর্তী ধাপ

ভিজিল্যান্স এবং দুর্নীতি দমন শাখার কর্মকর্তারা জানান, উদ্ধার হওয়া সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার পাশাপাশি তদন্ত আরও বিস্তৃত করা হবে। তাঁর সঙ্গে যুক্ত অন্যান্য স্থানে তল্লাশি চালিয়ে আরও দুর্নীতির তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। সূত্র জানিয়েছে, বিভিন্ন নথিপত্র এবং ডিজিটাল রেকর্ড পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে যাতে তাঁর দুর্নীতির সম্পৃক্ততা আরও প্রমাণিত হয়। প্রয়োজনে তদন্তের পরবর্তী ধাপে আরও সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হতে পারে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এবং তাঁর সহযোগীদের ওপর নজরদারি চালানো হবে।

স্থানীয়দের প্রতিক্রিয়া

স্থানীয় এলাকায় এই অভিযান নিয়ে নানা প্রতিক্রিয়া উঠেছে। কেউ কেউ প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। তাঁরা বলেছেন, “দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত অনিয়ম নিয়ে অভিযোগ চলছিল। এই অভিযান প্রশাসনের দৃষ্টান্তমূলক পদক্ষেপ।” আবার কেউ কেউ বলেছেন, “এটি শুধু শুরু, আরও তদন্ত হওয়া উচিত যাতে দুর্নীতির মূল উন্মোচিত হয়।” সমাজের বিভিন্ন স্তরে এই অভিযানের ফলে প্রশাসনের প্রতি আস্থা বাড়ছে বলে মত দিয়েছেন অনেকেই।

দুর্নীতির বিরুদ্ধে বার্তা

এই অভিযানের মধ্য দিয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে—যে কোনও স্তরে দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা এবং তদন্তের সাফল্য রাজনৈতিক মহলেও আলোড়ন তুলেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থা বাড়াতে সাহায্য করবে এবং প্রশাসনের প্রতি নাগরিকদের আস্থার পুনরুদ্ধার ঘটাবে। ভবিষ্যতে এ ধরনের অভিযান আরও বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

বিহারে আসন ভাগাভাগি নিয়ে কংগ্রেসের কৌশল, ভোটের আগে ঘর গোছাচ্ছে মহাগটবন্ধন

বিহারে আসন ভাগাভাগি নিয়ে কংগ্রেসের কৌশল, ভোটের আগে ঘর গোছাচ্ছে মহাগটবন্ধন

বিহারে আসন ভাগাভাগি নিয়ে কংগ্রেসের কৌশল, ভোটের আগে ঘর গোছাচ্ছে মহাগটবন্ধন

আপডেট: ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ | Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো

বিহারের রাজনৈতিক পরিস্থিতি
বিহারের আসন্ন নির্বাচনে কংগ্রেসের কৌশল ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ।

বিহারে আসন্ন নির্বাচনের আগে মহাগটবন্ধনের দলগুলির মধ্যে সমন্বয় নিয়ে নতুন করে আলোচনার সূচনা হয়েছে। ‘ভোটার অধিকার যাত্রা’র সময় যে ঐক্য ও সমন্বয় দেখা গিয়েছিল, তা এখন আসন ভাগাভাগির আলোচনায় গুরুত্ব পাচ্ছে। কয়েক দিনের মধ্যেই নির্বাচন ঘোষণা হওয়ার সম্ভাবনা থাকায় মহাগটবন্ধনের বিভিন্ন দল, বিশেষত কংগ্রেস, নিজেদের শক্তি বাড়ানোর দিকে মনোযোগ দিয়েছে। বিগত নির্বাচনে মাত্র ২০টি আসন জয় করেছিল কংগ্রেস। এবার তারা আগের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে আসন ভাগাভাগির ক্ষেত্রে কৌশলী ভূমিকা নিতে চাইছে।

রাহুল গান্ধীর যাত্রার পর বদলাচ্ছে সমীকরণ

গত নির্বাচনে বিহারে কংগ্রেসের দুর্বল পারফরম্যান্স নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। আসন ভাগাভাগির সময় তাদের যে আসন দেওয়া হয়েছিল, তা নিয়ে দলের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়। তবে রাহুল গান্ধীর ‘ভোটার অধিকার যাত্রা’ বিহারে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। নির্বাচনী জনসভায় তিনি যুব, নারী, কৃষকসহ নানা শ্রেণির মানুষের সমর্থন পেয়েছেন। ফলে রাজনৈতিক মহলে ধারণা করা হচ্ছে, এবার কংগ্রেসের শক্তি বাড়বে এবং আসন ভাগাভাগির আলোচনায় তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।

NDA ঘাঁটিতে লড়াই নয়, কৌশল বদলাচ্ছে কংগ্রেস

সূত্রের খবর, কংগ্রেস এবার আগের মতো সব আসনে লড়তে চাইছে না। গতবারের লড়াই করা ৪৫টি আসনই ছিল NDA-র শক্ত ঘাঁটি, যেখানে তাদের পরাজয়ের সম্মুখীন হতে হয়েছিল। এই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে তারা এবার এমন আসনগুলিতে লড়াই করতে চাইছে না যেখানে জয়ের সম্ভাবনা কম। পাশাপাশি, RJD-কে তারা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে বহু বছর ধরে NDA জয়ী আসন তারা চাইবে না। এই অবস্থান তাদের নির্বাচনী কৌশলে বড় পরিবর্তন আনছে।

দুটি ফর্মুলায় আসন ভাগাভাগির প্রস্তুতি

কংগ্রেসের স্ট্র্যাটেজিস্টরা আসন ভাগাভাগির জন্য দু’টি ফর্মুলা তৈরি করেছেন। প্রথম ফর্মুলায় বলা হয়েছে, কংগ্রেস যদি উপ-মুখ্যমন্ত্রীর পদ পায়, তাহলে তারা ৫০ আসনে লড়বে। অন্যথায়, উপ-মুখ্যমন্ত্রীর পদ না পেলে তারা আগের মতো ৭০টি আসনেই লড়াই করবে। এই অবস্থান নিয়ে কোনও আপসে যেতে রাজি নয় কংগ্রেস। বিহারের ইনচার্জ কৃষ্ণ আল্লাভারুকে RJD-র সঙ্গে আলোচনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

জয়ের সম্ভাব্য আসন চিহ্নিত

ভোটার অধিকার যাত্রার সময়েই কংগ্রেস সম্ভাব্য জয়ের আসন চিহ্নিত করেছে। দুর্বল আসনগুলিও আলাদাভাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। যে আসনে দলিত, অনগ্রসর শ্রেণি, সবর্ণ এবং মুসলিম ভোটাররা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে, সেগুলি বিশেষভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে। প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রেও এই ভোটারদের সমীকরণ মাথায় রাখা হয়েছে। পাশাপাশি, প্রতিটি জেলায় অন্তত একটি আসনে প্রার্থী দিতে চায় কংগ্রেস।

সম্মানজনক আসনের দাবিতে অটল কংগ্রেস

দিল্লিতে বিহার কংগ্রেসের নেতাদের বৈঠকের পরে কৃষ্ণ আল্লাভারু জানান, “আমরা সম্মানজনক আসন সংখ্যা চাই। কংগ্রেসের সমীকরণের সঙ্গে মানানসই আসন নিশ্চিত করতে হবে।” ভালো ও খারাপ আসনের ভারসাম্য বজায় রেখে একটি নির্বাচনী পরিকল্পনা তৈরি করা হচ্ছে। দল চাইছে যেন জয়ের সম্ভাবনা বাড়ে এবং ভোটারদের কাছে ইতিবাচক বার্তা পৌঁছায়।

RJD বুঝেছে কংগ্রেসের বাড়তি গুরুত্ব

রাজনৈতিক মহলের মতে, গত নির্বাচনের মতো দুর্বল অবস্থায় থাকলে RJD হয়তো কংগ্রেসের দাবি শোনার প্রয়োজন বোধ করত না। কিন্তু ভোটার অধিকার যাত্রার পরে বিহারে কংগ্রেসের ভাগ্যের চাকা ঘুরতে শুরু করেছে বলে তারা উপলব্ধি করছে। RJD নেতৃত্বও এখন কংগ্রেসের আসন ভাগাভাগির দাবিকে গুরুত্ব দিচ্ছে এবং আলোচনায় নমনীয়তা দেখাচ্ছে। এই পরিস্থিতি মহাগটবন্ধনের সমীকরণে কংগ্রেসের প্রভাব বাড়িয়েছে।

আগামী দিনের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ

বিহারের নির্বাচনী লড়াইয়ে আসন ভাগাভাগির এই সমীকরণ আগামী দিনে আরও তীব্র হবে। কংগ্রেস চাইছে নির্বাচনের আগে তাদের শক্তি প্রদর্শন করতে। অন্যদিকে, RJD চাইছে ঐক্য বজায় রেখে ভোটের আগে বিরোধী শিবিরে স্থিরতা আনতে। মহাগটবন্ধনের অন্যান্য ছোট দলগুলিও আসন ভাগাভাগির আলোচনায় সক্রিয় হয়েছে। সব মিলিয়ে বিহারের ভোটের রাজনীতি নতুন মোড় নিতে চলেছে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

উপসংহার

বিহারের আসন্ন নির্বাচন শুধু ভোটের লড়াই নয়, এটি রাজনৈতিক সমীকরণের নতুন অধ্যায়। কংগ্রেসের আসন ভাগাভাগির কৌশল মহাগটবন্ধনের শক্তি বাড়াতে পারে। রাহুল গান্ধীর যাত্রা তাদের জন্য ইতিবাচক বার্তা এনেছে। NDA-র শক্ত ঘাঁটিতে না লড়ে নিজেদের সম্ভাব্য আসন চিহ্নিত করা, উপ-মুখ্যমন্ত্রী পদের দাবি, এবং সম্মানজনক আসনের ওপর জোর দিয়ে কংগ্রেস বিহারের ভোট রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা নিতে চলেছে। আগামী কয়েক সপ্তাহের রাজনৈতিক আলোচনাই নির্ধারণ করবে মহাগটবন্ধনের ভবিষ্যৎ এবং বিহারের আগামী নির্বাচনের চিত্র।

গোরু পাচারকারীদের গুলিতে NEET পরীক্ষার্থীর মৃত্যু, উত্তপ্ত গোরক্ষপুর

গোরু পাচারকারীদের গুলিতে NEET পরীক্ষার্থীর মৃত্যু, উত্তপ্ত গোরক্ষপুর

গোরু পাচারকারীদের গুলিতে NEET পরীক্ষার্থীর মৃত্যু, উত্তপ্ত গোরক্ষপুর

গোরক্ষপুর, উত্তরপ্রদেশ: উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের নিজের গড় গোরক্ষপুরে এক হৃদয়বিদারক ঘটনায় শোক ও উত্তেজনা ছড়িয়েছে। গোরু পাচারকারীদের হাতে নিহত হয়েছেন ১৯ বছর বয়সি ছাত্র দীপক গুপ্তা। তিনি জাতীয় যোগ্যতা ও প্রবেশিকা পরীক্ষা (NEET)-এর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। সোমবার রাত গভীরে তাঁর মৃত্যু ঘটে। এই ঘটনার জেরে মঙ্গলবার সকাল থেকেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে গোরক্ষপুরের জঙ্গলধুসর ও সংলগ্ন এলাকা। বিক্ষোভ, সংঘর্ষ, অবরোধ—সব মিলিয়ে পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। পুলিশ ও গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘাত ঘটে। কয়েকজন পুলিশকর্তাও আহত হন।

দীপকের পটভূমি

দীপক গুপ্তা জঙ্গলধুসর গ্রামের বাসিন্দা। মধ্যবিত্ত কৃষক পরিবারের সন্তান। ছোট থেকেই পড়াশোনায় মেধাবী ছিলেন। তাঁর স্বপ্ন ছিল চিকিৎসক হওয়া। বাবা তাঁকে সবসময় উৎসাহ দিতেন। NEET পরীক্ষার জন্য শহরে কোচিং নিতেন। গ্রামের সবাই তাঁকে ‘মেধাবী ছেলে’ বলে চিনতেন। পরিবারের সদস্যরা জানান, “আমাদের ছেলের ভবিষ্যৎ নিয়ে আমরা অনেক স্বপ্ন দেখেছিলাম। সে বড় হয়ে ডাক্তার হয়ে মানুষের সেবা করবে।” তাঁর মৃত্যুতে পরিবার শোকে পাথর হয়ে গেছে।

ঘটনার সূত্রপাত

সোমবার রাত সাড়ে বারোটা নাগাদ গ্রামে সন্দেহভাজন তিনটি গাড়ি ঢোকে। গ্রামবাসীরা পরে জানতে পারেন যে গাড়িগুলি গোরু পাচারকারীদের। গ্রামবাসীরা টের পেয়ে ধাওয়া করেন। দীপকও তাদের আটকানোর চেষ্টা করেন। গ্রামবাসীর ভাষ্য, পাচারকারীরা তাঁর মুখে গুলি চালিয়ে হত্যা করেছে। অন্যদিকে পুলিশের বক্তব্য, ধাওয়ার সময় তাঁকে লাথি মেরে ফেলে দেয় তারা। মাথায় গুরুতর আঘাত লেগে তাঁর মৃত্যু হয়।

গোরক্ষপুর বিক্ষোভ
গোরু পাচার রোধে গ্রামবাসীর প্রতিবাদ।

মৃতদেহ উদ্ধার

ঘটনার কয়েক ঘণ্টা পরে গ্রাম থেকে প্রায় চার কিলোমিটার দূরে সরাইয়া গ্রামের কাছে দীপকের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। গ্রামবাসীরা জানান, পাচারকারীরা গাড়িতে পালিয়ে যাওয়ার সময় তাঁকে নির্মমভাবে হত্যা করে। মৃতদেহ দেখে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে উত্তেজিত জনতা তাদের ঘিরে ধরে। পরিস্থিতি তীব্র হতে থাকে।

গ্রামবাসীর অভিযোগ বনাম পুলিশের বক্তব্য

গ্রামের বাসিন্দারা দাবি করেন, “গোরু চুরির সময় আমাদের ছেলে বাধা দিলে পাচারকারীরা মুখের ওপর গুলি চালায়।” তাঁদের এই অভিযোগের ভিত্তিতে বিক্ষোভ শুরু হয়। অন্যদিকে পুলিশ সুপার (SSP) রাজ করণ নায়ার বলেন, “প্রাথমিক তদন্তে গুলি চালানো হয়েছে বলে মনে হচ্ছে না। মাথায় আঘাত লেগে তাঁর মৃত্যু হয়েছে।” তিনি আরও জানান, “আমরা প্রত্যেকটি তথ্য যাচাই করছি এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করবো।”

সংঘর্ষের বিস্তার

মঙ্গলবার সকালে গ্রামবাসীরা গোরক্ষপুর-পিপ্রাইচ রাস্তা অবরোধ করেন। পুলিশ পৌঁছালে জনতা পাথর ছুঁড়ে তাদের লক্ষ্য করে। পুলিশ সুপার (উত্তর) জিতেন্দ্র শ্রীবাস্তব এবং পিপ্রাইচ স্টেশন ইনচার্জ পুরুষোত্তম গুরুতরভাবে আহত হন। কয়েকজন গ্রামবাসীও আহত হন। উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের গ্রামেও।

গ্রামের ক্ষোভের কারণ

  • গোরু পাচারের বিরুদ্ধে গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে ক্ষোভ জমে ছিল।
  • পুলিশ প্রশাসনের নির্লিপ্ততা নিয়ে সন্দেহ।
  • যুবকদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতার অনুভূতি।
  • দীপকের মতো মেধাবী ছাত্রের মৃত্যু জনমনে শোক ও রাগের বিস্ফোরণ ঘটায়।

পুলিশের ব্যবস্থা

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে চারটি থানার পাশাপাশি প্রাদেশিক সশস্ত্র কনস্টেবল ইউনিটের বাহিনী মোতায়েন করা হয়। SSP রাজ করণ নায়ার জানান, “আমরা পাঁচটি তদন্ত দল গঠন করেছি। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের জন্য তল্লাশি চলছে। শিগগিরই দোষীদের আইনের আওতায় আনা হবে।” পাশাপাশি, “প্রতিটি পদক্ষেপ জনগণকে জানানো হবে এবং শান্তি বজায় রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন থাকবে,” বলে আশ্বাস দেন তিনি।

পরিবারের প্রতিক্রিয়া

দীপকের পরিবার শোকে স্তব্ধ। তাঁর মা বলেন, “আমরা ছেলের জন্য স্বপ্ন দেখেছিলাম। সে ডাক্তার হতে চেয়েছিল। এইভাবে তাকে হারাতে হবে ভাবিনি।” তাঁর বাবা পুলিশের কাছে ন্যায়বিচারের দাবি করেন। গ্রামবাসীরা তাঁর পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে সহানুভূতি প্রকাশ করেন এবং দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবি তোলেন।

স্থানীয় প্রশাসনের আশ্বাস

স্থানীয় পুলিশ কর্তারা গ্রামবাসীদের সঙ্গে বৈঠক করেন। তাঁদের শান্ত থাকার আহ্বান জানান। নিহত ছাত্রের পরিবারকে দ্রুত ন্যায়বিচার দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে গ্রামে নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়ানো হয়েছে। আশপাশের এলাকায় টহল বাড়ানো হয়েছে যাতে অপরাধীরা পালাতে না পারে।

গ্রামীণ নিরাপত্তা নিয়ে নতুন প্রশ্ন

এই ঘটনা গোরক্ষপুরসহ বহু গ্রামে নিরাপত্তাহীনতা নিয়ে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। গোরু পাচার একটি দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা। প্রশাসনের ব্যর্থতা, স্থানীয় রাজনৈতিক বিতর্ক এবং সীমান্তবর্তী এলাকার অপরাধচক্র—সব মিলিয়ে গ্রামীণ জনগোষ্ঠী হতাশ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, “নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার না হলে এ ধরনের ঘটনা বাড়বে।” গ্রামে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও জরুরি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আইন ও বিচারপ্রক্রিয়া

পুলিশ ইতিমধ্যেই মামলা দায়ের করেছে। ফরেনসিক তদন্ত, সাক্ষ্য সংগ্রহ, এবং গাড়ির নম্বর যাচাই চলছে। সন্দেহভাজনদের গ্রেপ্তারে বিভিন্ন এলাকা ঘিরে তল্লাশি চলছে। আইনি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, “এই ধরনের অপরাধে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হলে প্রশাসনের সমন্বিত পদক্ষেপ প্রয়োজন। পাশাপাশি, গ্রামীণ জনগণের অংশগ্রহণ ছাড়া নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কঠিন।”

সমাজে প্রভাব

গ্রামবাসীরা এ ঘটনার প্রতিবাদে সামাজিক মাধ্যমে আওয়াজ তুলেছেন। অনেক শিক্ষার্থী নিরাপত্তার অভাবে পড়াশোনা ছেড়ে দেওয়ার কথা ভাবছেন। গ্রামীণ অর্থনীতি ও সামাজিক স্থিতিশীলতার উপরও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এলাকায় ভীতি ছড়িয়েছে। তবে একই সঙ্গে গ্রামের মানুষ একজোট হয়ে অপরাধের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর বার্তা দিচ্ছেন।

পুলিশ অভিযান
ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনছে।

আগামী দিনগুলোতে করণীয়

  • গ্রামীণ নিরাপত্তা জোরদার করা জরুরি।
  • পাচার রোধে সীমান্ত এলাকায় নজরদারি বাড়ানো প্রয়োজন।
  • শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।
  • গ্রামবাসী ও প্রশাসনের মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগ দরকার।
  • অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে।

এই ঘটনায় গোটা গোরক্ষপুর এলাকা শোক ও ক্ষোভে উত্তাল। তবে প্রশাসনের সক্রিয় ভূমিকা এবং গ্রামের ঐক্যবদ্ধ অবস্থান আশা জাগাচ্ছে। দীপক গুপ্তার মৃত্যু শুধু এক ব্যক্তির ট্র্যাজেডি নয়—এটি গ্রামীণ নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলার বড় চ্যালেঞ্জের প্রতীক।

কলকাতা থেকে SBI গ্লোবাল মার্কেট ইউনিট সরানোর প্রতিবাদ

কলকাতা থেকে SBI গ্লোবাল মার্কেট ইউনিট সরানোর প্রতিবাদ

কলকাতা থেকে SBI গ্লোবাল মার্কেট ইউনিট সরানোর প্রতিবাদ

আপডেট: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো

SBI GMU প্রতিবাদ

ছবি: কলকাতায় SBI GMU সরানোর প্রতিবাদে ‘ব্যাঙ্ক বাঁচাও দেশ বাঁচাও মঞ্চ’-এর বিক্ষোভ।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর
👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

GMU সরানোর সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ

কলকাতা থেকে স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়ার (SBI) গ্লোবাল মার্কেট ইউনিট (GMU) সরানোর সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সোমবার কলকাতার সার্কেল হেডকোয়ার্টার জীবন সুধার সামনে প্রতিবাদ করে ‘ব্যাঙ্ক বাঁচাও দেশ বাঁচাও মঞ্চ’ (BBDBM)। তাদের অভিযোগ, SBI-এর পদক্ষেপ পশ্চিমবঙ্গের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত করবে। পাশাপাশি দেশের ব্যাঙ্কিং সেক্টরে বাংলার দীর্ঘ ঐতিহ্যও মুছে যাবে।

আর্থিক ক্ষতি ও চাকরি হুমকি

সংগঠন জানায়, GMU ও ইন্টারন্যাশনাল রেমিট্যান্স সেন্টার (IRC) মুম্বইয়ে চলে গেলে রাজ্য বছরে ৬৫ কোটির বেশি GST রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হবে। তাছাড়া, ৭০ এরও বেশি চুক্তিভিত্তিক কর্মীর চাকরির নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়বে।

কলকাতার ব্যাঙ্কিং ইতিহাসে প্রভাব

BBDBM এর যুগ্ম আহ্বায়ক বিশ্বরঞ্জন রায় ও সৌম্য দত্ত বলেন, 'কলকাতা বরাবরই SBI-এর আন্তর্জাতিক কার্যক্রমের কেন্দ্র। এটি শুধু প্রশাসনিক পরিবর্তন নয়, বরং ব্যাঙ্কিং সেক্টরে কলকাতার ইতিহাসকে মুছে ফেলার চক্রান্ত।' প্রাক্তন GMU কর্মী অশোক মুখোপাধ্যায়ও বলেন, এই পদক্ষেপ রাজ্যের অর্থনীতিকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।

চেয়ারম্যানের উদ্দেশ্যে স্মারকলিপি

প্রতিবাদ চলাকালীন আন্দোলনকারীরা ব্যাঙ্কের জেনারেল ম্যানেজারের হাতে SBI চেয়ারম্যানকে উদ্দেশ্য করে স্মারকলিপি তুলে দেন। সংগঠন হুঁশিয়ারি দিয়েছে, দাবি মানা না হলে আরও বৃহত্তর প্রতিবাদ এবং আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

অংশগ্রহণকারীদের বৈচিত্র্য

এই বিক্ষোভে প্রায় দুই শতাধিক মানুষ অংশ নেন। এতে অবসরপ্রাপ্ত ব্যাঙ্ককর্মী ছাড়াও ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, আইনজীবী, ছাত্রছাত্রী এবং প্রবীণ নাগরিকরা উপস্থিত ছিলেন। সকলের দাবি, GMU সরানো হলে বাংলার অর্থনীতিতে সরাসরি প্রভাব পড়বে।

GST আয়ের সম্ভাব্য ক্ষতি

BBDBM জানায়, GMU ও IRC থেকে রাজ্য বিপুল পরিমাণ GST আয় করে। এর অর্ধেক সরাসরি রাজ্যের খাতে জমা হয়। ইউনিট সরালে রাজস্ব উৎস বন্ধ হবে এবং রাজ্যের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

বাংলার অর্থনীতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ

সংগঠন অভিযোগ করে, কেন্দ্রীয় সরকারের নীতিমালার মাধ্যমে পরিকল্পিতভাবে কলকাতাকে দেশের ব্যাঙ্কিং ম্যাপ থেকে সরিয়ে বাংলার অর্থনীতি দুর্বল করা হচ্ছে। BBDBM এর সৌম্য দত্ত বলেন, ‘এটি শুধু প্রশাসনিক পরিবর্তন নয়, বাংলার অর্থনীতি ও ঐতিহ্য রক্ষার জন্য প্রতিবাদ অব্যাহত থাকবে।’

সম্পর্কিত হ্যাশট্যাগ (বাংলা + English)

#SBI #GMU #Kolkata #ব্যাঙ্কবাঁচাওদেশবাঁচাও #BBDBM #WestBengalEconomy #BankingHeritage #GMUProtest #GSTLoss #InternationalRemittanceCenter

শাহিদ আফ্রিদির ভারত-বিরোধী মন্তব্য ও রাহুল গান্ধীর প্রশংসা

<!DOCTYPE html> <html lang="bn"> <head> <meta charset="UTF-8"> <meta name="viewport" content="width=device-width, initial-scale=1"> <title>শাহিদ আফ্রিদির ভারত-বিরোধী মন্তব্য ও রাহুল গান্ধীর প্রশংসা

শাহিদ আফ্রিদির ভারত-বিরোধী মন্তব্য ও রাহুল গান্ধীর প্রশংসা

আপডেট: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো

শাহিদ আফ্রিদি ও রাহুল গান্ধী

ছবি: পাকিস্তানের প্রাক্তন ক্রিকেটার শাহিদ আফ্রিদি এবং বিরোধী নেতা রাহুল গান্ধী।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর
👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

আন্তর্জাতিক বিতর্ক ও ক্রিকেটের পটভূমি

কাশ্মীরসহ একাধিক ইস্যুতে আগে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন পাকিস্তানের প্রাক্তন ক্রিকেটার শাহিদ আফ্রিদি। এবার তিনি সরাসরি আক্রমণ করলেন বিজেপি পরিচালিত কেন্দ্রীয় সরকারকে। এশিয়া কাপে গত রবিবার দুবাইয়ে ভারত ও পাকিস্তান ম্যাচের পর ভারতের ক্রিকেটাররা পাকিস্তান দলের সঙ্গে হাত মেলাননি, যা নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়। আফ্রিদি এই ঘটনার প্রেক্ষিতে ভারতের রাজনৈতিক পরিস্থিতি সমালোচনা করেন।

বিজেপি সরকারের সমালোচনা

একটি টিভি সাক্ষাৎকারে আফ্রিদি বলেন, 'ভারতে বর্তমানে যে সরকার রয়েছে তারা ধর্মীয় তাস খেলে। মুসলিম বা হিন্দু – এভাবেই তারা ক্ষমতায় আসে। আমি এই মনোভাবকে সমর্থন করি না। যতদিন এই সরকার থাকবে, ভারতে এসব চলবে।' এই মন্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে আফ্রিদির বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে সমালোচনামূলক মনোভাব।

রাহুল গান্ধীর প্রশংসা

আফ্রিদি আরও বলেন, 'রাহুল গান্ধী একজন পজিটিভ মানুষ। উনি সবসময় আলাপ আলোচনা মাধ্যমে সমস্যা সমাধান করতে চেষ্টা করেন। উনি সবার সঙ্গে পৃথক পৃথক কথা বলতে জানেন এবং চান।' এই বক্তব্যে তিনি ভারতের বিরোধী নেতার প্রশংসা করেন।

ভারতকে ইজরায়েলের সঙ্গে তুলনা

সাক্ষাৎকারে আফ্রিদি আরও বলেন, 'ইজরায়েল যেভাবে গাজার সঙ্গে আচরণ করছে, ভারতও পাকিস্তানের সঙ্গে তেমন আচরণ করতে চাচ্ছে। ভারত ইজরায়েল হওয়ার চেষ্টা করছে।' এই মন্তব্যের পর সমালোচনার ঝড় শুরু হয়। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সংখ্যালঘু অধিকার ও সন্ত্রাসবাদী হামলার প্রসঙ্গকে এভাবে তুলনা করা আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিতর্কিত।

আন্তর্জাতিক ও নিরাপত্তা প্রেক্ষাপট

বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতে যত সন্ত্রাসবাদী হামলা হয়েছে তার বেশিরভাগই পাকিস্তানে লালিত ও পালিত সন্ত্রাসবাদীদের দ্বারা সংঘটিত হয়েছে। পহেলগাঁও হামলার পরও ভারত স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, আলোচনা ও রক্তপাত একসাথে চলতে পারে না। পাকিস্তান সরকার জঙ্গিদের মদত দেয়ার কারণে এই ইস্যু আন্তর্জাতিকভাবে তীব্র সমালোচিত।

উপসংহার

শাহিদ আফ্রিদির মন্তব্য ভারতের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং আন্তর্জাতিক ক্রীড়া রাজনীতি উভয় ক্ষেত্রেই বিতর্ক তৈরি করেছে। এই ঘটনা আন্তর্জাতিক মনোযোগ আকর্ষণ করেছে এবং ভারত-পাকিস্তান সম্পর্কের সেনসিটিভিটি তুলে ধরেছে। রাজনীতিক, ক্রীড়া বিশ্লেষক এবং সাধারণ মানুষ এ বিষয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দিচ্ছেন।

সম্পর্কিত হ্যাশট্যাগ

#শাহিদ_আফ্রিদি #ভারত #রাহুল_গান্ধী #পাকিস্তান #ক্রিকেট_বিতর্ক #এশিয়া_কাপ #বিজেপি #আন্তর্জাতিক_মন্তব্য #ভারত_পাকিস্তান_সম্পর্ক #খেলোয়াড়_নৈতিকতা

শাহিদ আফ্রিদির ভারত-বিরোধী মন্তব্য ও রাহুল গান্ধীর প্রশংসা

আপডেট: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো

শাহিদ আফ্রিদি ও রাহুল গান্ধী

ছবি: পাকিস্তানের প্রাক্তন ক্রিকেটার শাহিদ আফ্রিদি এবং বিরোধী নেতা রাহুল গান্ধী।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর
👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

আন্তর্জাতিক বিতর্ক ও ক্রিকেটের পটভূমি

কাশ্মীরসহ একাধিক ইস্যুতে আগে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন পাকিস্তানের প্রাক্তন ক্রিকেটার শাহিদ আফ্রিদি। এবার তিনি সরাসরি আক্রমণ করলেন বিজেপি পরিচালিত কেন্দ্রীয় সরকারকে। এশিয়া কাপে গত রবিবার দুবাইয়ে ভারত ও পাকিস্তান ম্যাচের পর ভারতের ক্রিকেটাররা পাকিস্তান দলের সঙ্গে হাত মেলাননি, যা নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়। আফ্রিদি এই ঘটনার প্রেক্ষিতে ভারতের রাজনৈতিক পরিস্থিতি সমালোচনা করেন।

বিজেপি সরকারের সমালোচনা

একটি টিভি সাক্ষাৎকারে আফ্রিদি বলেন, 'ভারতে বর্তমানে যে সরকার রয়েছে তারা ধর্মীয় তাস খেলে। মুসলিম বা হিন্দু – এভাবেই তারা ক্ষমতায় আসে। আমি এই মনোভাবকে সমর্থন করি না। যতদিন এই সরকার থাকবে, ভারতে এসব চলবে।' এই মন্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে আফ্রিদির বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে সমালোচনামূলক মনোভাব।

রাহুল গান্ধীর প্রশংসা

আফ্রিদি আরও বলেন, 'রাহুল গান্ধী একজন পজিটিভ মানুষ। উনি সবসময় আলাপ আলোচনা মাধ্যমে সমস্যা সমাধান করতে চেষ্টা করেন। উনি সবার সঙ্গে পৃথক পৃথক কথা বলতে জানেন এবং চান।' এই বক্তব্যে তিনি ভারতের বিরোধী নেতার প্রশংসা করেন।

ভারতকে ইজরায়েলের সঙ্গে তুলনা

সাক্ষাৎকারে আফ্রিদি আরও বলেন, 'ইজরায়েল যেভাবে গাজার সঙ্গে আচরণ করছে, ভারতও পাকিস্তানের সঙ্গে তেমন আচরণ করতে চাচ্ছে। ভারত ইজরায়েল হওয়ার চেষ্টা করছে।' এই মন্তব্যের পর সমালোচনার ঝড় শুরু হয়। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সংখ্যালঘু অধিকার ও সন্ত্রাসবাদী হামলার প্রসঙ্গকে এভাবে তুলনা করা আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিতর্কিত।

আন্তর্জাতিক ও নিরাপত্তা প্রেক্ষাপট

বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতে যত সন্ত্রাসবাদী হামলা হয়েছে তার বেশিরভাগই পাকিস্তানে লালিত ও পালিত সন্ত্রাসবাদীদের দ্বারা সংঘটিত হয়েছে। পহেলগাঁও হামলার পরও ভারত স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, আলোচনা ও রক্তপাত একসাথে চলতে পারে না। পাকিস্তান সরকার জঙ্গিদের মদত দেয়ার কারণে এই ইস্যু আন্তর্জাতিকভাবে তীব্র সমালোচিত।

উপসংহার

শাহিদ আফ্রিদির মন্তব্য ভারতের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং আন্তর্জাতিক ক্রীড়া রাজনীতি উভয় ক্ষেত্রেই বিতর্ক তৈরি করেছে। এই ঘটনা আন্তর্জাতিক মনোযোগ আকর্ষণ করেছে এবং ভারত-পাকিস্তান সম্পর্কের সেনসিটিভিটি তুলে ধরেছে। রাজনীতিক, ক্রীড়া বিশ্লেষক এবং সাধারণ মানুষ এ বিষয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দিচ্ছেন।

সম্পর্কিত হ্যাশট্যাগ

#শাহিদ_আফ্রিদি #ভারত #রাহুল_গান্ধী #পাকিস্তান #ক্রিকেট_বিতর্ক #এশিয়া_কাপ #বিজেপি #আন্তর্জাতিক_মন্তব্য #ভারত_পাকিস্তান_সম্পর্ক #খেলোয়াড়_নৈতিকতা

অমিত শাহের মাদকবিরোধী উদ্যোগ: দেশকে মাদকমুক্ত করার লক্ষ্যে কেন্দ্র

অমিত শাহের মাদকবিরোধী উদ্যোগ: দেশকে মাদকমুক্ত করার লক্ষ্যে কেন্দ্র

অমিত শাহের মাদকবিরোধী উদ্যোগ: দেশকে মাদকমুক্ত করার লক্ষ্যে কেন্দ্র

আপডেট: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো

অমিত শাহ মাদকবিরোধী সভায়

ছবি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ন্যাশনাল কনফারেন্স অফ হেডস অফ অ্যান্টি নারকোটিক্স টাস্ক ফোর্সে বক্তব্য রাখছেন।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর
👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

মাদকবিরোধী শক্তিশালী পদক্ষেপ

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ মঙ্গলবার এক অনুষ্ঠানে দেশের সমস্তরকম মাদক চোরাচালান ও ব্যবসা লোপাট করার ডাক দিলেন। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সরকার দেশকে ২০৪৭ সালের মধ্যে মাদকমুক্ত করার লক্ষ্যে দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দেশের যুবসমাজকে মাদকের নেশা থেকে মুক্ত রাখতে এবং অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে এই পদক্ষেপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ন্যাশনাল কনফারেন্সের বক্তব্য

দ্বিতীয় ন্যাশনাল কনফারেন্স অফ হেডস অফ অ্যান্টি নারকোটিক্স টাস্ক ফোর্সে অমিত শাহ বলেন, "ড্রাগস ব্যবসা চক্রকে দেশ থেকে মুছে ফেলার সময় এসেছে। সরকারের উচিত কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের মাত্রা বাড়ানো। দেশের ভবিষ্যৎ, যুবসমাজ এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য মাদকমুক্ত ভারত গড়ে তোলা অপরিহার্য।"

মাদক চক্রের তিন ধাপ

শাহ জানান, মাদক পাচারচক্র তিন ধরনের:

  • দেশের ঢোকার সমস্ত পয়েন্টে কার্যক্রম চালানো।
  • রাজ্যগুলির প্রবেশদ্বারগুলিতে চক্র পরিচালনা।
  • ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে দোকান ও ভাটিতে মাদকের সরবরাহ।

তিনি উল্লেখ করেন, এবার সরকারের লক্ষ্য এই তিন ধরনের চক্র ভেঙে ফেলা। তিনি অফিসারদের প্রতি আস্থা প্রকাশ করে বলেন, "আপনারা ছাড়া এটি সম্ভব নয়।"

আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট

অমিত শাহ পাকিস্তান বা অন্য দেশের নাম না করেও বলেন, বিশ্বের কিছু অঞ্চলে মাদক ব্যবসা দেশের অর্থনীতির ভিত। দুর্ঘটনাচক্রে দুটি অঞ্চল ভারতের খুব কাছাকাছি। সেখান থেকেই বিশ্বব্যাপী মাদক তৈরি ও সরবরাহ হয়। এর বিরুদ্ধেও রুখে দাঁড়ানো দেশের বর্তমান প্রয়োজন।

মাদকমুক্ত ভারতের জন্য পদক্ষেপ

শাহ বলেন, সরকার দেশে মাদকমুক্ত করতে সর্বাত্মক ভূমিকায় নামবে। এটি শুধুমাত্র আইন প্রয়োগের মাধ্যমে নয়, বরং সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে যুবসমাজকে মাদকের নেশা থেকে রক্ষা করবে। প্রয়োজনীয় শিক্ষামূলক ক্যাম্পেইন, সচেতনতা কর্মসূচি ও কঠোর আইন প্রয়োগ একসাথে করা হবে।

সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব

মাদকমুক্ত ভারত গড়া মানে শুধুমাত্র স্বাস্থ্য সুরক্ষা নয়, দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও নিরাপত্তার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। যুবসমাজকে মাদকের হাত থেকে রক্ষা করে দেশের উৎপাদনশীল ক্ষমতা বাড়ানো সম্ভব হবে। সরকারের লক্ষ্য ২০৪৭ সালের মধ্যে একেবারে মাদকমুক্ত ভারত নিশ্চিত করা।

কেন্দ্র ও NCB-এর সহযোগিতা

নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরোর আয়োজিত সভায় শাহ বলেন, কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো হবে। তথ্য বিনিময়, নজরদারি ও অভিযান আরও কঠোর করা হবে। স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ ও অফিসারদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

পরবর্তী পদক্ষেপ

শাহের ঘোষণার পর দেশজুড়ে মাদকবিরোধী অভিযান ত্বরান্বিত হবে। অফিসারদের পাশাপাশি সমাজ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকেও সচেতন ভূমিকা রাখতে হবে। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, মাদক ব্যবসা ও চোরাচালান সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করা এবং যুবসমাজকে নিরাপদ রাখা মূল লক্ষ্য।

উপসংহার

অমিত শাহের ঘোষণার মাধ্যমে স্পষ্ট হয়ে গেছে যে, ভারত সরকারের লক্ষ্য মাদকমুক্ত যুবসমাজ ও দেশ। দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের সঙ্গে মাদকমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য সংযুক্ত। অফিসার, প্রশাসন এবং সমাজকে একসাথে কাজ করতে হবে। মাদক চোরাচালান ও ব্যবসা বন্ধের মাধ্যমে দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম নিরাপদ থাকবে।

Featured post

Y বাংলা নিউজ ডেস্ক রিপোর্ট আজ, শনিবার দুপুরে পশ্চিমবঙ্গে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। দুপুর পৌনে ১টা নাগাদ তাঁর মালদা টাউন...

Search This Blog