Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Thursday, 18 September 2025

নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ রাহুল গান্ধীর | ভোটার তালিকা নিয়ে নতুন বিতর্ক

নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ রাহুল গান্ধীর | ভোটার তালিকা নিয়ে নতুন বিতর্ক

নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ রাহুল গান্ধীর

📅 আপডেট: ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
সাংবাদিক বৈঠকে রাহুল গান্ধী
সাংবাদিক বৈঠকে বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন রাহুল গান্ধী

Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো: লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী ফের একবার নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন। তাঁর দাবি, শুধু ভোটার তালিকায় গরমিল নয়, এবার সংগঠিতভাবে কংগ্রেস সমর্থক, দলিত এবং আদিবাসী ভোটারদের ভোট মুছে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। অথচ নির্বাচন কমিশন এ বিষয়ে নির্বিকার।

অলন্দ কেন্দ্রের ৬০১৮ ভোটারের নাম বাদ দেওয়ার চেষ্টা

রাহুল গান্ধীর অভিযোগ অনুযায়ী, কর্নাটকের অলন্দ লোকসভা কেন্দ্রে প্রায় ৬০১৮ জন ভোটারের নাম বাদ দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে। তিনি বলেন, মূলত যেসব বুথে কংগ্রেস শক্তিশালী, সেখানে পরিকল্পিতভাবে বৈধ ভোটারদের নাম তালিকা থেকে মুছে দেওয়ার আবেদন জমা পড়ছে।

ভুয়ো আবেদন, সফটওয়্যার ও কল সেন্টারের ভূমিকা

রাহুল গান্ধী জানান, নির্দিষ্ট সফটওয়্যার এবং কল সেন্টারের মাধ্যমে ভুয়ো আবেদন জমা দেওয়া হচ্ছে। আবেদনগুলির জন্য নির্দিষ্ট আইপি অ্যাড্রেস ব্যবহার হচ্ছে এবং একযোগে ভোট মুছে দেওয়ার প্রক্রিয়া চালানো হচ্ছে। তাঁর অভিযোগ, এই সমস্ত কাজ সংগঠিতভাবে করা হচ্ছে।

কর্নাটক সিআইডির তথ্য চাইতে না চাওয়ার অভিযোগ

এ বিষয়ে কর্নাটক সিআইডি নির্বাচন কমিশনের কাছে তথ্য চাইলে কমিশন সেই তথ্য দিতে অস্বীকার করেছে বলে দাবি করেন রাহুল। তিনি অভিযোগ করেন, কমিশন আসলে ‘ভোটাচোর’দের আড়াল করছে।

প্রমাণ হাজির করলেন রাহুল

প্রমাণ হিসাবে বেশ কয়েকজন ভোটারকে এদিন সাংবাদিক বৈঠকে হাজির করেন তিনি। যাঁদের নামে ভুয়ো আবেদন জমা পড়ে ভোট মুছে ফেলার চেষ্টা হয়েছিল। এছাড়াও তিনি কয়েকটি ফোন নম্বরও দেখান, যেগুলি থেকে ভোট মুছে ফেলার আবেদন করা হয়েছিল।

‘হাইড্রোজেন বোমা’ ফাটানোর ইঙ্গিত

রাহুল গান্ধী ইতিমধ্যেই বিহারের ভোটার অধিকার যাত্রা থেকে ঘোষণা করেছিলেন যে, ভোটচুরি নিয়ে তিনি ‘হাইড্রোজেন বোমা’ ফাটাবেন। যদিও বৃহস্পতিবারের অভিযোগকে তিনি সেই ‘বোমা’ বলতে নারাজ। বিরোধী দলনেতার ইঙ্গিত, আরও বড় বিস্ফোরক প্রকাশ করবেন তিনি।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

পাকিস্তানের সঙ্গে ঐতিহাসিক প্রতিরক্ষা চুক্তি করল সৌদি আরব, আঘাত মানে যৌথ প্রতিরোধ

সৌদি আরব-পাকিস্তান প্রতিরক্ষা চুক্তি: আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে নতুন সমীকরণ

সৌদি আরব-পাকিস্তান প্রতিরক্ষা চুক্তি: আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে নতুন সমীকরণ

🗓️ আপডেট: ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

সৌদি আরব ও পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর

📸 সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে

প্রতিরক্ষা চুক্তির ঘোষণা

পশ্চিম এশিয়ার অন্যতম শক্তিশালী দেশ সৌদি আরবের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করল পাকিস্তান। বুধবার রিয়াধে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের বৈঠকে এই চুক্তি সম্পন্ন হয়। দুই পক্ষই জানায়—যে কোনও এক পক্ষের উপর হামলা মানেই উভয়ের উপর আঘাত হিসেবে ধরা হবে।

বিবৃতিতে কী বলা হয়েছে?

আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থার সূত্রে জানা যায়, বৈঠকের পর সৌদি আরবের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে—দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও গভীর করতে এবং ভবিষ্যতে সম্ভাব্য আগ্রাসী পদক্ষেপের বিরুদ্ধে যৌথভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে শুধু প্রতিরক্ষা নয়, বরং কূটনৈতিক স্তরেও একে অপরের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছে ইসলামাবাদ ও রিয়াধ।

ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনার আবহে তাৎপর্য

সম্প্রতি পহেলগাঁও হামলার জবাবে ভারত “অপারেশন সিঁদুর” চালায় পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। সেই অভিযানে পাকিস্তান বড়সড় চাপে পড়ে। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে নিজের ভাবমূর্তি পুনর্গঠনে মরিয়া পাকিস্তান তাই শক্তিশালী মিত্রের সন্ধানে। সৌদি আরবের মতো আঞ্চলিক পরাশক্তির সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি পাকিস্তানের কূটনৈতিক কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ বলে মনে করা হচ্ছে।

ভারত-সৌদি সম্পর্ক ও নতুন জটিলতা

ভারতের সঙ্গেও সৌদি আরবের সম্পর্ক যথেষ্ট দৃঢ়। অর্থনীতি, জ্বালানি ও প্রতিরক্ষা—সব ক্ষেত্রেই রিয়াধ ও নয়াদিল্লির ঘনিষ্ঠতা রয়েছে। তাই ইসলামাবাদের সঙ্গে সৌদিদের এই নতুন প্রতিরক্ষা চুক্তি ভারত-সৌদি সম্পর্কের উপর কোনো চাপ সৃষ্টি করবে কি না, তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে।

কূটনৈতিক সমীকরণে সম্ভাব্য প্রভাব

  • পাকিস্তানের আঞ্চলিক অবস্থান আরও দৃঢ় হবে।
  • ভারতের জন্য কূটনৈতিক চ্যালেঞ্জ তৈরি হতে পারে।
  • সৌদি আরব মধ্যপ্রাচ্যে তার প্রভাব আরও প্রসারিত করবে।
  • যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের ভূমিকাও আলোচনায় আসতে পারে।

ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি

সৌদি আরব ও পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা চুক্তি কেবল কূটনৈতিক সম্পর্কের অঙ্গীকার নয়, বরং এটি এক ধরনের বার্তা—বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন শক্তির সমীকরণ তৈরি হচ্ছে। তবে এই সমীকরণ ভারত-সৌদি সম্পর্কের ভারসাম্য নষ্ট করবে কি না, তা সময়ই বলবে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

বার্তা ওয়েইসির: বিহার নির্বাচনে AIMIM-এর শর্ত ও সীমাঞ্চল উন্নয়ন দাবির লড়াই

বার্তা ওয়েইসির: বিহার নির্বাচনে AIMIM-এর শর্ত ও সীমাঞ্চল উন্নয়ন দাবির লড়াই

বার্তা ওয়েইসির: বিহার নির্বাচনে AIMIM-এর শর্ত ও সীমাঞ্চল উন্নয়ন দাবির লড়াই

🗓 আপডেট: ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ | ✍️ Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো

বিহার নির্বাচনে ওয়েইসি AIMIM বার্তা

📸 আসাদুদ্দিন ওয়েইসি – সীমাঞ্চল উন্নয়নের দাবিতে বিহার নির্বাচনে নতুন বার্তা

বিহারের রাজনীতি ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। এইবার সরাসরি মঞ্চে নামলেন অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিন (AIMIM)-এর প্রধান আসাদুদ্দিন ওয়েইসি। বুধবার তিনি স্পষ্ট জানালেন, বিহারের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে অন্তত ৬টি আসনে লড়ার সুযোগ মিললেই তাঁর দল ইন্ডিয়া জোটে যোগ দিতে প্রস্তুত। তবে শর্ত একটাই— তাঁরা মন্ত্রিত্ব চাইছেন না, চাইছেন শুধু সীমাঞ্চল উন্নয়ন বোর্ড

RJD-র সঙ্গে যোগাযোগ, তবুও সাড়া নেই

ওয়েইসি দাবি করেছেন, তিনি ব্যক্তিগতভাবে রাজদলীয় নেতা লালু প্রসাদ যাদব ও তেজস্বী যাদবকে তিনটি আলাদা চিঠি পাঠিয়েছেন। সেখানে AIMIM-এর অবস্থান ও দাবি স্পষ্ট করে জানানো হয়েছিল। কিন্তু তবুও কোনও সাড়া মেলেনি। বরং তাঁদের দলকে বারবার 'BJP-র বি টিম' বলে আক্রমণ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ ওয়েইসির।

সীমাঞ্চল উন্নয়ন বোর্ডের দাবি

ওয়েইসি বলেন, "আমাদের দলের লক্ষ্য মন্ত্রিত্ব পাওয়া নয়। আমরা চাই সীমাঞ্চলের উন্নয়ন। সীমাঞ্চল উন্নয়ন বোর্ড গঠন করাই আমাদের মূল দাবি। সেই দাবি পূরণ হলেই আমরা একসাথে লড়তে প্রস্তুত।"

রাজনৈতিক বিশ্লেষণ

বিহারের সীমাঞ্চল অঞ্চল দীর্ঘদিন ধরেই অবহেলার শিকার। AIMIM সেখানে একাধিক আসনে লড়াই করেছে এবং কিছু জায়গায় জিতেও এসেছে। বিশেষ করে মুসলিম অধ্যুষিত এলাকায় AIMIM-এর প্রভাব ক্রমশ বাড়ছে। ওয়েইসির এই শর্তমূলক অবস্থান স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে, সীমাঞ্চলকে কেন্দ্র করে বিহারের রাজনৈতিক সমীকরণে বড় পরিবর্তন আসতে চলেছে।

বিরোধী শিবিরের প্রতিক্রিয়া

RJD সূত্রে এখনও AIMIM-এর দাবির বিষয়ে কোনও মন্তব্য আসেনি। তবে কংগ্রেসের এক নেতা জানান, "ওয়েইসির বক্তব্য প্রমাণ করছে AIMIM শুধু বিভাজনের রাজনীতি করে। বাস্তবে তাঁদের প্রভাব সীমিত।"

ওয়েইসির বার্তা ও আগামীর রাজনীতি

ওয়েইসির বার্তা রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। জোটে জায়গা না পেলে AIMIM আলাদাভাবে লড়বে কিনা, সেই প্রশ্নও এখন বড়। সীমাঞ্চলের ভোটাররা ওয়েইসির এই অবস্থানকে কীভাবে গ্রহণ করবেন, সেটাই এখন মূল নজর।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

দুর্গা পুজোর আগে কুড়মি আন্দোলন: ২০ সেপ্টেম্বর রেল-রোকো ও রাস্তা অবরোধের হুঁশিয়ারি

দুর্গা পুজোর আগে কুড়মি আন্দোলন: ২০ সেপ্টেম্বর রেল-রোকো ও রাস্তা অবরোধের হুঁশিয়ারি

দুর্গা পুজোর মুখে ফের মাথা তুলছে কুড়মি আন্দোলন — ২০ সেপ্টেম্বর রেল-রোকো ও রাস্তা অবরোধের হুঁশিয়ারি

Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো | আপডেট: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

কুড়মি আন্দোলন প্রস্তুতি — প্রতীকী ছবি
কুড়মি সম্প্রদায়ের লোকজন প্রস্তুতি নিচ্ছেন: দেওয়াল লিখন, পোস্টার সাঁটানো ও সমাবেশের কাজ চলছে (প্রতীকী ছবি)

Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো: দুর্গাপুজোর ঠিক আগে বাংলা, ঝাড়খণ্ড ও ওড়িশায় বড় আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিল আদিবাসী কুড়মি সমাজ। সংগঠনের ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ২০ সেপ্টেম্বর থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য রেল ও রাস্তা অবরোধ করা হবে। তারা দাবী করছে— কুড়মি সম্প্রদায়কে আদিবাসী তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হোক।

কী বলা হয়েছে ঘোষণা- বিবরণ

সংগঠনের নির্দেশে মোট তিনটি রাজ্য জুড়ে প্রায় ১০০টি স্থানে রেল রোকো ও রাস্তা অবরোধের কর্মসূচি নেওয়া হবে। প্রতিটি জেলায় চলছে প্রস্তুতি বৈঠক। দেওয়াল লিখন, পোস্টার সাঁটানো ও স্থানীয় স্তরে জনসমাবেশের কাজ ত্বরান্বিত করা হয়েছে। কুড়মি সমাজের নেতারা বলছেন, “আমাদের দাবিগুলো অনেক দিন ধরে অনস্বীকৃতি পাচ্ছে— তাই এই বাধ্যতামূলক রাজনৈতিক পথে নামতে বাধ্য হব।”

আন্দোলনের পটভূমি

কুড়মি সম্প্রদায় বহু বছর ধরেই আদিবাসী তালিকাভুক্তির দাবি জানিয়ে আসছে। তাদের যুক্তি— ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক দিক থেকে তা ন্যায্য। অতীতেও একাধিকবার রেল-রোকো ও রাস্তা অবরোধের মাধ্যমে এই দাবির দাবি তোলা হয়েছে। তবে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারি স্তর থেকে ততটা নজর বা কার্যকর প্রতিকার তারা পাননি বলে তারা দাবি করেন।

সংগঠনের বক্তব্য (অজিত প্রসাদ মাহাতো):

“আমরা আগেই বিষয়টি জানিয়েছি। তা সত্ত্বেও আমাদের সঙ্গে বসার প্রয়োজন কেউ মনে করেনি। কুড়মিরা কি এতটাই অচ্ছুত? দেশের পশু-নির্যাতনের বিরুদ্ধে আইন আছে, কুড়মিদের বাঁচাতে কেন আইন নেই? অত্যাচারী শেষ কথা বলে না — শেষ কথা বলে জনগণ।”

প্রশাসনিক চিন্তা ও সম্ভাব্য প্রস্তুতি

প্রশাসন ইতিমধ্যেই সতর্ক হয়ে উঠেছে। রেল ও সড়ক অবরোধ দুর্গা পুজোর সোনালী সময়ে ট্রেন সেবা ও পণ্যচলাচলে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটাতে পারে বলে শঙ্কা করা হচ্ছে। রেল কর্তৃপক্ষ বিকল্প রুট, অতিরিক্ত টিকারিং ব্যবস্থা ও জরুরি পরিষেবার জন্য ব্যাকআপ প্ল্যান তৈরি করতে শুরু করেছে। রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা বিভাগও অতিরিক্ত পোস্টিং ও নজরদারি বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে।

আন্দোলনের সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব

দুর্গাপুজোকে সামনে রেখে এমন ধরনের অবরোধ ব্যবসা-বাণিজ্য, পর্যটন ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহে বিঘ্ন ঘটাতে পারে। স্থানীয় বাজার ও পরিবহন খাত ব্যাহত হলে সাধারণ মানুষের জীবনে সরাসরি প্রভাব পড়বে। তাছাড়া, দীর্ঘস্থায়ী অবরোধে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসা ও ক্ষেতে কৃষকদের উৎপাদন বিপর্যস্ত হওয়ার আশঙ্কাও রইল।

রাজনৈতিক সংবেদনশীলতা

তিন রাজ্য জুড়ে সমন্বিত আন্দোলন হওয়ার ফলে রাজনৈতিক চাপ বেড়ে যাবে। এটি কেবল একটি সামাজিক দাবি নয় — রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক স্তরে বড় ধাক্কা দিতে পারে। রাজ্য ও কেন্দ্রের নেতারা এখন কিভাবে সংলাপ শুরু করবেন তা দেখার বিষয়। রাজনৈতিক দলগুলোও এই ইস্যুকে ভোটীয় প্রেক্ষাপটে ব্যবহার করতে চাইবে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

কুড়মি সমাজের আগের আন্দোলন — সংক্ষিপ্ত টাইমলাইন

• গত কয়েক বছরে একাধিকবার কুড়মি সম্প্রদায় রেল-রোকো ও সড়ক অবরোধ করেছে।
• স্থানীয় দাবি, তারা নিয়মিত উন্নয়ন প্রকল্প থেকে বঞ্চিত।
• সরকারকে নানা সময় নোটিশ দিয়ে আন্দোলন ও আলোচনার চেষ্টা চালিয়েছেন নেতারা; ফল তেমন হয়নি।

কীভাবে সমাধান সম্ভব?

বিশ্লেষকরা বলছেন, স্থায়ী সমাধানের জন্য সরকারকে নিম্নলিখিত পদক্ষেপ নিতে হবে—

  • স্বতন্ত্র ও তাত্ক্ষণিক সংলাপের ব্যবস্থা করে কুড়মি প্রতিনিধিদের সঙ্গে বসা।
  • আইনি, সাংবিধানিক দিক থেকে দাবি খতিয়ে নিয়ে স্পষ্ট সিদ্ধান্ত নেয়া।
  • অর্থনৈতিক উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য প্রকল্পে দ্রুত প্রকল্প বরাদ্দ।
  • মধ্যস্থতাকারী ও ন্যায়সংস্থান করে দীর্ঘমেয়াদি কর্মসূচি নির্ধারণ।

জনমত ও গ্রামে অনুভূতি

স্থানীয়রা মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন — কেউ সাপোর্ট করছেন কারণ তাঁদের মতে দীর্ঘ সময় ধরে অবহেলা আছে; আবার অনেকে বলছেন ধর্মীয় ও উৎসবকালীন জনজীবনে বিরূপ প্রভাব পড়বে। বেশিরভাগ সাধারণ মানুষ চান— শান্তিপূর্ণ সমাধান যেন দ্রুত হয়।

#কুড়মি_আন্দোলন #রেল_রোকো #রাস্তা_অবরোধ #আদিবাসী_তালিকা #WestBengal #Jharkhand #Odisha #KurmiDemand

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

✍️ প্রতিবেদন: Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো | আপডেট: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

আমদাবাদ বিমান দুর্ঘটনা: নিহত পাইলটের বাবার বিস্ফোরক দাবি

আমদাবাদ বিমান দুর্ঘটনা: নিহত পাইলটের বাবার বিস্ফোরক দাবি

আমদাবাদ বিমান দুর্ঘটনা: নিহত পাইলটের বাবার বিস্ফোরক দাবি

আপডেট: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
আমদাবাদ বিমান দুর্ঘটনা এয়ার ইন্ডিয়া
আমদাবাদ বিমান দুর্ঘটনার তদন্ত নিয়ে বিতর্কে পরিবার ও বিশেষজ্ঞরা

Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো: ভয়াবহ আমদাবাদ বিমান দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ২৭৫ জন যাত্রী ও কর্মী। এয়ার ইন্ডিয়ার বোয়িং ড্রিমলাইনার (ফ্লাইট AI 171) টেক অফের কয়েক সেকেন্ড পরেই ভেঙে পড়ে। তদন্তে উঠে এসেছে এক বিস্ফোরক তথ্য—ইঞ্জিনের ফুয়েল সুইচ হঠাৎ করে বন্ধ হয়ে যায়। আর সেই ঘটনার পর থেকে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে বিমান চালনার সময় দুই পাইলটের কথোপকথন নিয়ে।

দুই পাইলটের কথোপকথন

AAIB-এর (Aircraft Accident Investigation Bureau) প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী, দুর্ঘটনার আগে দুই পাইলটের কথোপকথন ধরা পড়ে ব্ল্যাক বক্সে। সেখানে শোনা যায়, একজন অপরজনকে প্রশ্ন করছেন—তুমি সুইচ বন্ধ করলে কেন?। এরপরেই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়।

আত্মহত্যার তত্ত্ব নিয়ে বিতর্ক

তদন্তকারীরা প্রাথমিকভাবে মনে করছেন, প্রধান পাইলট ক্যাপ্টেন সুমিত সাভারওয়াল (৫৬) হয়তো প্রচণ্ড মানসিক চাপের কারণে আত্মঘাতী পদক্ষেপ নেন। তবে এই তত্ত্ব নিয়ে উঠেছে প্রবল বিতর্ক। বিমান বিশেষজ্ঞদের মতে, একজন অভিজ্ঞ পাইলটের এভাবে হঠাৎ মানসিক ভেঙে পড়া স্বাভাবিক নয়।

বাবার বিস্ফোরক চিঠি

নিহত ক্যাপ্টেন সাভারওয়ালের ৯১ বছরের বাবা পুষ্করাজ সাভারওয়াল এক চিঠিতে এই আত্মহত্যার তত্ত্বকে অস্বীকার করেছেন। তিনি বেসামরিক বিমান চলাচল সচিব ও AAIB ডিরেক্টরকে উদ্দেশ করে লিখেছেন—এভাবে মিথ্যে অভিযোগ তুলে আমার ছেলের সুনাম নষ্ট করা হচ্ছে।

বিবাহবিচ্ছেদ ও মায়ের মৃত্যু প্রসঙ্গ

প্রাথমিক রিপোর্টে বলা হয়েছিল, বিবাহবিচ্ছেদ ও মায়ের মৃত্যুর কারণে মানসিক চাপে ছিলেন ক্যাপ্টেন সুমিত। কিন্তু পুষ্করাজ লিখেছেন, সুমিতের বিবাহবিচ্ছেদ ১৫ বছর আগেই হয়েছিল। আর তাঁর মা মারা গিয়েছেন ৩ বছর আগে। সেই সময়ের পরেও সুমিত সফলভাবে ১০০-র বেশি ফ্লাইট চালিয়েছেন।

অভিজ্ঞতার প্রমাণ

পুষ্করাজ আরও জানান, তাঁর ছেলে ২৫ বছরের অভিজ্ঞ পাইলট ছিলেন। তাঁর বিমান চালনার অভিজ্ঞতা ছিল প্রায় ১৫,৬৩৮ ঘণ্টা, যার মধ্যে ৮,৫৯৬ ঘণ্টা কেটেছে বোয়িং ৭৮৭-৮ বিমানে। এছাড়া তিনি DGCA অনুমোদিত লাইন ট্রেনিং ক্যাপ্টেন হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। এত দক্ষ পাইলট কখনোই ইচ্ছাকৃতভাবে বিমান ভেঙে ফেলতে পারেন না বলে দাবি করেন তিনি।

তদন্তের দাবি

চিঠিতে পুষ্করাজ দাবি করেছেন, বিমান দুর্ঘটনা ও ঘটনা তদন্ত আইন অনুসারে কেন্দ্রীয় সরকার যেন আনুষ্ঠানিক তদন্তের নির্দেশ দেয়। তাঁর মতে, শুধুমাত্র অনুমাননির্ভর তথ্য দিয়ে কোনও পাইলটের সুনাম ক্ষুণ্ণ করা ঠিক নয়।

রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক চাপ

তদন্ত নিয়ে এখন নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে রাজনৈতিক মহলেও। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই দুর্ঘটনার পর এয়ার ইন্ডিয়ার নিরাপত্তা ব্যবস্থা, বিমানের রক্ষণাবেক্ষণ ও পাইলটদের কাজের পরিবেশ নিয়ে খুঁটিনাটি খতিয়ে দেখা জরুরি।

শেষ কথা

আমদাবাদ বিমান দুর্ঘটনা ভারতের বেসামরিক বিমান চলাচল ইতিহাসে এক কালো অধ্যায় হয়ে থাকবে। তবে নিহত পাইলটের পরিবার দাবি করেছে, তড়িঘড়ি করে আত্মহত্যার তত্ত্ব প্রচার না করে সত্য উদঘাটন করতে হবে। এখন দেখার বিষয়, কেন্দ্রীয় সরকার কীভাবে এই তদন্তকে এগিয়ে নিয়ে যায়।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

অসমে কৃত্রিম মেধায় তৈরি ভুয়ো ভিডিও নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্কে উত্তাল রাজনীতি

অসমে কৃত্রিম মেধায় তৈরি ভুয়ো ভিডিও নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্কে উত্তাল রাজনীতি

অসমে কৃত্রিম মেধায় তৈরি ভুয়ো ভিডিও নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্কে উত্তাল রাজনীতি

আপডেট: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
অসমে বিজেপির ভুয়ো ভিডিও বিতর্ক
অসমে কৃত্রিম মেধায় তৈরি বিজেপির প্রচারিত ভিডিও নিয়ে কংগ্রেসের ক্ষোভ

Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো: অসমের রাজনীতিতে ফের ঝড় তুলল কৃত্রিম মেধা (AI) ব্যবহার করে তৈরি একটি ভিডিও। বুধবার বিজেপি তাদের এক্স-হ্যান্ডলে ভিডিওটি প্রচার করে দাবি করে, যদি বিজেপি না থাকত, তবে অসম মিঞাভূমিতে পরিণত হত। এই ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই কংগ্রেস সরব হয় এবং অভিযোগ করে, বিজেপি ইচ্ছাকৃতভাবে বিভাজনমূলক রাজনীতি করছে।

বিতর্কিত ভিডিওতে কী দেখানো হয়েছে?

ভিডিওটিতে দেখা যায়, পাকিস্তানের পতাকার সামনে দাঁড়িয়ে ভাষণ দিচ্ছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ও গৌরব গগৈ। ভিডিওতে গুয়াহাটি সহ অসমের নানা জায়গায় শুধুমাত্র মুসলিম জনগোষ্ঠীর উপস্থিতি তুলে ধরা হয়েছে। আরও দেখা যায়, রাস্তায় গোমাংস কাটা হচ্ছে এবং কাঁটাতার সরিয়ে অনুপ্রবেশকারীদের ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে অসমে।

কংগ্রেসের তীব্র প্রতিক্রিয়া

ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসার পরেই কংগ্রেস অভিযোগ করেছে, এটি সম্পূর্ণ ভুয়ো ও প্রতারণামূলক। কংগ্রেসের দাবি, বিজেপি এভাবে বিভাজনমূলক ও সাম্প্রদায়িক বার্তা ছড়িয়ে জনমানসে আতঙ্ক তৈরি করতে চাইছে। বৃহস্পতিবার সকালে দিসপুর থানায় এফআইআর দায়ের করবে কংগ্রেসের প্রচার ও আইটি সেল।

বিজেপির কৌশল ও কংগ্রেসের পাল্টা লড়াই

অসমে আগামী নির্বাচনের আগে বিজেপি তাদের শক্তি বৃদ্ধি করতে মরিয়া। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃত্রিম মেধার সাহায্যে ভুয়ো কনটেন্ট তৈরি এখন নতুন এক রাজনৈতিক অস্ত্র হয়ে উঠছে। তবে কংগ্রেস এ নিয়ে আইনি পদক্ষেপের ঘোষণা করায় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হওয়ার আশঙ্কা।

রাজনৈতিক বিশ্লেষণ

অসমের রাজনৈতিক পরিবেশ সবসময়েই সংবেদনশীল। NRC ও নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন নিয়ে অতীতের বিতর্কের পর আবারও এই ভিডিও নতুন করে বিভাজনের রাজনীতি উস্কে দিয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিজেপি তাদের সমর্থক ঘাঁটি ধরে রাখতে এই ধরনের প্রচারণা চালাচ্ছে, আর কংগ্রেস তা প্রতিহত করতে আইনের শরণাপন্ন হচ্ছে।

কৃত্রিম মেধার অপব্যবহার: বড় প্রশ্ন

বিশ্বজুড়ে কৃত্রিম মেধার ব্যবহার বাড়ছে। তবে এর মাধ্যমে ভুয়ো ভিডিও বা 'ডিপফেক' তৈরি করা গণতান্ত্রিক রাজনীতির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন, ভবিষ্যতে এ ধরনের অপব্যবহার রাজনৈতিক প্রক্রিয়া ও জনবিশ্বাসকে গভীরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

বাঁকুড়ায় ফের দলবদল, বিজেপিতে ফিরলেন তারাপদ পাল

বাঁকুড়ায় ফের দলবদল, বিজেপিতে ফিরলেন তারাপদ পাল | Y বাংলা ডিজিটাল

পদ্মে ফিরলেন দলবদলু, বাঁকুড়ায় ফের বিজেপির ঘরে তারাপদ পাল

🗓 আপডেট: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বাঁকুড়ায় ফের দলবদল
বাঁকুড়ায় গঙ্গাজল ছিটিয়ে বিজেপিতে যোগদান করলেন দলবদলু পঞ্চায়েত সদস্য।

Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো: পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার রাজনীতিতে ফের দলবদলের হাওয়া। ওন্দা ব্লকের চিঙ্গানী গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য তারাপদ পাল বিজেপিতে ফিরলেন। গঙ্গাজল ছিটিয়ে তাঁকে ফের "পদ্ম শিবিরে" স্বাগত জানালেন স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব। এর ফলে চলতি মাসে যে তিনজন পঞ্চায়েত সদস্য বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন, তাঁরা তিনজনই আবার বিজেপির ঘরে ফিরে এলেন।

ঘটনার প্রেক্ষাপট

গত কয়েক বছরে পশ্চিমবঙ্গ রাজনীতিতে দলবদল এক পরিচিত চিত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাঁকুড়ায়ও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। বিশেষ করে পঞ্চায়েত ভোটের আগে ও পরে একাধিক দলবদল রাজনীতিকে সরগরম করেছে। তারাপদ পাল বিজেপি ছেড়ে কিছুদিন আগে তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন। কিন্তু সংগঠনের ভিতরে উপযুক্ত গুরুত্ব না মেলায় তিনি ফের পুরোনো দলে ফিরে গেলেন।

গঙ্গাজল ছিটিয়ে ‘ঘরে ফেরা’

বিজেপির স্থানীয় নেতৃত্ব জানিয়েছেন, “দলকে শক্তিশালী করতে এবং ভুল সিদ্ধান্তের প্রায়শ্চিত্ত হিসেবে তারাপদ পাল গঙ্গাজল ছিটিয়ে আবার আমাদের সঙ্গে যুক্ত হলেন।” এই প্রতীকী ‘শুদ্ধিকরণ’ প্রক্রিয়া নিয়ে এলাকাজুড়ে আলোচনা চলছে। কেউ একে রাজনৈতিক নাটক বলে কটাক্ষ করেছেন, আবার কেউ বলছেন— এটাই বাংলার গ্রামীণ রাজনীতির বাস্তব চিত্র।

বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলার সমীকরণ

বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলায় বিজেপি একসময় শক্তিশালী ঘাঁটি তৈরি করেছিল। তবে সম্প্রতি একাধিক নেতা ও কর্মীর তৃণমূলে যোগদান বিজেপির শক্তি কমিয়ে দেয়। কিন্তু তারাপদ পাল সহ তিনজনের পুনরায় বিজেপিতে ফেরা পদ্ম শিবিরকে কিছুটা হলেও শক্তি জোগাবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, “এই দলবদল বিজেপির জন্য মনোবল বৃদ্ধি করলেও সংগঠনের ভিতরে স্থিতিশীলতার প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে।”

তৃণমূলের প্রতিক্রিয়া

তৃণমূল কংগ্রেস অবশ্য বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে নারাজ। তাঁদের বক্তব্য, “গ্রামাঞ্চলে পঞ্চায়েত স্তরে এই ধরনের আসা-যাওয়া নতুন কিছু নয়। যারা উন্নয়নের রাজনীতিতে বিশ্বাস করেন, তারা শেষ পর্যন্ত তৃণমূলেই থাকবেন।” তৃণমূলের জেলা নেতৃত্বের দাবি, বিজেপি শুধু প্রতীকীভাবে কাউকে দলে নিচ্ছে, বাস্তবে গ্রামীণ স্তরে তৃণমূলের অবস্থান অটুট।

গ্রামবাসীদের প্রতিক্রিয়া

চিঙ্গানী গ্রামে মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। একাংশ মনে করছেন, রাজনৈতিক লড়াইয়ের কারণে উন্নয়ন থমকে যাচ্ছে। আবার অন্য অংশের বক্তব্য, দলে দলে যোগদানের ফলে স্থানীয় স্তরে উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলিতে গতি আসতে পারে। তবে একটা জিনিস পরিষ্কার— মানুষ চায় স্থায়ী উন্নয়ন ও পরিষ্কার রাজনীতি, ঘন ঘন দলবদল নয়।

রাজনৈতিক বিশ্লেষণ

রাজনীতির পর্যবেক্ষকরা বলছেন, বাঁকুড়ার এই দলবদল রাজনীতি আসলে পশ্চিমবঙ্গের সামগ্রিক চিত্রের প্রতিফলন। ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে বিজেপি ও তৃণমূল— দুই দলই নিজেদের ঘর গোছাতে ব্যস্ত। দলবদলের মাধ্যমে শক্তি বাড়ানো এক ধরনের কৌশল। তবে এটি দীর্ঘমেয়াদে সংগঠনকে কতটা স্থায়ী শক্তি জোগাবে তা সময়ই বলবে।

ভবিষ্যতের লড়াই

আগামী দিনগুলোতে বাঁকুড়ায় রাজনৈতিক সমীকরণ আরও পাল্টাতে পারে। বিজেপির পক্ষে বড় চ্যালেঞ্জ হবে— দলবদলুদের ধরে রাখা এবং তৃণমূলের শক্তিশালী গ্রামীণ সংগঠনের মোকাবিলা করা। অন্যদিকে তৃণমূল চাইবে— বিজেপির ‘ঘরে ফেরা’র কৌশলকে ব্যর্থ করে নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখতে। ফলে আগামী কয়েক মাসে বাঁকুড়ার গ্রামীণ রাজনীতি আরও চড়ক গরম হবে বলেই মনে করছেন স্থানীয়রা।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

যাদবপুরে শ্লীলতাহানির অভিযোগে সাসপেন্ড SFI নেতা

যাদবপুরে শ্লীলতাহানির অভিযোগে সাসপেন্ড SFI নেতা | Y বাংলা ডিজিটাল

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে শ্লীলতাহানির অভিযোগে সাসপেন্ড SFI নেতা

🗓 আপডেট: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

SFI যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে SFI-র ভেতর নতুন বিতর্ক। (ফাইল ছবি)

Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ফের বিতর্কের ঝড়। ছাত্র সংগঠন SFI-এর এক নেতাকে সংগঠন থেকে সাসপেন্ড করা হয়েছে, অভিযোগ— একই সংগঠনের এক নেত্রীকে শ্লীলতাহানি করেছেন তিনি। শান্তিনিকেতনে শিক্ষামূলক ভ্রমণের সময় ঘটনাটি ঘটেছে বলে অভিযোগ। সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রাথমিক তদন্ত করে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

অভিযোগের সূচনা

অভিযোগকারিণী নেত্রী জানিয়েছেন, শিক্ষামূলক ভ্রমণে অংশ নিতে গিয়ে তিনি এক পর্যায়ে ওই নেতার আচরণে অস্বস্তিতে পড়েন। ধীরে ধীরে সেই আচরণ শ্লীলতাহানির পর্যায়ে পৌঁছায় বলে অভিযোগ। ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে চাঞ্চল্য ছড়ায়।

SFI-র পদক্ষেপ

সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা মহিলাদের নিরাপত্তা ও মর্যাদার ব্যাপারে কোনো আপস করবে না। প্রাথমিক তদন্ত শেষে অভিযুক্ত নেতাকে অবিলম্বে সাসপেন্ড করা হয়েছে। SFI রাজ্য নেতৃত্ব জানিয়েছে, "আমরা চাই না সংগঠনের ভিতরে কোনোভাবেই নারী নেত্রীরা হয়রানির শিকার হোন। সংগঠনের ভেতরে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করাই আমাদের দায়িত্ব।"

পূর্ববর্তী বিতর্কের পুনরাবৃত্তি

এর আগে দমদমের এক নেত্রীর ইস্তফা ঘিরেও শোরগোল হয়েছিল। অভিযোগ ছিল, তাঁকে রাজনৈতিক প্রতিশোধের স্বীকার হতে হয়েছে, কারণ তিনি সংগঠনের এক নেতার কুপ্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। এবারের ঘটনাতেও সেই বিতর্কের রেশ আরও তীব্রভাবে উঠে এসেছে। বিশেষ করে ইংরেজি বিভাগে এই ধরনের অভিযোগ বারবার উঠে আসায় প্রশ্ন উঠছে— কেন বারবার একই জায়গায় সমস্যার পুনরাবৃত্তি হচ্ছে?

ক্যাম্পাসের প্রতিক্রিয়া

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া, প্রাক্তনী এবং শিক্ষকরা ঘটনায় বিস্মিত। অনেকেই বলছেন, SFI দীর্ঘদিন ধরে ক্যাম্পাস রাজনীতিতে প্রগতিশীল ভাবমূর্তি তৈরি করেছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক অভিযোগে সংগঠনের ভাবমূর্তিতে বড় আঘাত লাগছে। শিক্ষার্থীরা দাবি তুলেছেন, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাজনৈতিক সংগঠনগুলির আরও কঠোর ভূমিকা নিতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অবস্থান

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন জানিয়েছে, যদি আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ দায়ের হয় তবে তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। তবে আপাতত সংগঠনের অভ্যন্তরীণ পদক্ষেপকে স্বাগত জানানো হয়েছে। অনেক অধ্যাপক বলছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো জায়গায় যেখানে মুক্তচিন্তার পরিবেশ থাকা উচিত, সেখানে নারী শিক্ষার্থীরা যদি নিরাপদ না বোধ করেন, তবে তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।

নারী শিক্ষার্থীদের উদ্বেগ

নারী শিক্ষার্থীরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, রাজনৈতিক সংগঠনে সক্রিয় হলে তাদের বারবার একই রকম ঝুঁকির মুখে পড়তে হয়। তাঁদের মতে, সংগঠনগুলির মধ্যে নারী বিরোধী মানসিকতা রোধ না করা গেলে নেতৃত্বে সমান অংশগ্রহণ সম্ভব হবে না।

রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট

ক্যাম্পাস রাজনীতি পশ্চিমবঙ্গের সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। তাই এই ধরনের ঘটনায় শুধু সংগঠনের ভিতর নয়, রাজ্য রাজনীতিতেও তার প্রভাব পড়ে। বিরোধী সংগঠনগুলি ইতিমধ্যেই SFI-কে আক্রমণ করতে শুরু করেছে। ABVP এবং অন্যান্য সংগঠন বলছে, "নারী নিরাপত্তার কথা বলে SFI যখন পথে নামে, তখন তাদের নিজেদের ভেতরে এ ধরনের কাণ্ড অগ্রহণযোগ্য।"

ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ

SFI-র সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হল নারী শিক্ষার্থীদের আস্থা পুনরুদ্ধার করা। সংগঠনের ভিতরে একটি নিরাপদ পরিবেশ তৈরি না করতে পারলে ভবিষ্যতে ছাত্র রাজনীতিতে বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও সমাজকেও এগিয়ে এসে নারী বিরোধী মনোভাব রোধে কাজ করতে হবে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

আমেরিকার শুল্কে ধাক্কা, নিম্নমুখী ভারতের রফতানি

আমেরিকার শুল্কে ধাক্কা, নিম্নমুখী ভারতের রফতানি

আমেরিকার শুল্কে ধাক্কা, নিম্নমুখী ভারতের রফতানি

🗓️ আপডেট: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
ভারতের রফতানি কমছে আমেরিকায়
আমেরিকায় ভারতীয় রফতানি কমেছে টানা তিন মাস ধরে

Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো: আমেরিকার নতুন আমদানি শুল্ক কার্যকর হওয়ার জেরে ভারতের রফতানি প্রবল ধাক্কা খেয়েছে। বাণিজ্য উপদেষ্টা সংস্থা GTRI বুধবার জানিয়েছে, আগস্ট মাসে আমেরিকায় ভারতের রফতানি নেমে এসেছে ৬৭০ কোটি ডলার-এ। যা জুলাইয়ের তুলনায় প্রায় ১৬.৩% কম

টানা পতনের ধারা

পরিসংখ্যান বলছে, মে মাসে আমেরিকায় ভারতের রফতানির অঙ্ক ছিল ৮৮০ কোটি ডলার। জুনে তা কমে দাঁড়ায় ৮৩০ কোটি ডলারে। জুলাইয়ে আবারও পতন হয়। আগস্টে এসে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়, কারণ সেই সময় থেকে নতুন শুল্ক কার্যকর হয়।

শুল্কের প্রভাব স্পষ্ট

বাণিজ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, আগস্টের শেষ দিক থেকে কার্যকর হওয়া চড়া আমদানি শুল্ক রফতানির উপর তাৎক্ষণিক প্রভাব ফেলেছে। আগে থেকেই কমছিল রফতানি, কিন্তু শুল্কের কারণে সেই ধারা আরও নিম্নমুখী হয়েছে।

ভারতের জন্য সতর্কবার্তা

GTRI জানিয়েছে, আমেরিকা ভারতের অন্যতম প্রধান রফতানি বাজার। এই ধারাবাহিক পতন ভারতের সামগ্রিক বৈদেশিক বাণিজ্যের উপরও প্রভাব ফেলবে। বিশেষ করে টেক্সটাইল, ফার্মাসিউটিক্যালস ও আইটি সেক্টরে চাপ বাড়বে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | 📈 অর্থনীতি | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর | ⚽ খেলা 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

#ভারতের_রফতানি #আমেরিকা_শুল্ক #আন্তর্জাতিক_বাণিজ্য #ExportDecline #USImportDuty #IndianEconomy #GTRI #রফতানি_পতন

বিটিসি নির্বাচন: বিজেপি এবার ইউপিপিএল ও বিপিএফকে একসঙ্গে নিতে প্রস্তুত

বিটিসি নির্বাচন: বিজেপি এবার ইউপিপিএল ও বিপিএফকে একসঙ্গে নিতে প্রস্তুত

বিটিসি নির্বাচন: বিজেপি এবার ইউপিপিএল ও বিপিএফকে একসঙ্গে নিতে প্রস্তুত

🗓️ আপডেট: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
বিটিসি নির্বাচনে বিজেপি-ইউপিপিএল-বিপিএফ সমীকরণ
অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্তবিশ্ব শর্মা বিটিসি নির্বাচন নিয়ে বক্তব্য রাখছেন

Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো: অসমের বড়ো স্বশাসিত পরিষদ (BTC) নির্বাচন ঘিরে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী হিমন্তবিশ্ব শর্মা মঙ্গলবার এক গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করেন। তিনি স্পষ্ট জানান, বিজেপি এককভাবে পরিষদ গঠন করতে না পারলেও, ইউপিপিএল (UPPL) ও বিপিএফ (BPF)-কে একত্র করে ক্ষমতা দখল করবে।

বড়ো রাজনীতিতে নতুন দিশা

গত কয়েক মাস ধরে জল্পনা চলছিল, বিজেপি এবার বড়োভূমি দখলে একাই নামবে। কিন্তু নির্বাচনী প্রচারের শেষ পর্বে মুখ্যমন্ত্রী নিজেই স্বীকার করে নেন যে, “বিজেপি এককভাবে পরিষদ গঠনের অবস্থায় না-ও থাকতে পারে।” ফলে দলীয় কৌশল পাল্টে ইউপিপিএল ও বিপিএফকে একত্র করার সিদ্ধান্ত নেয় বিজেপি।

ইউপিপিএল ও বিপিএফের ভূমিকা

২০১৫ সাল পর্যন্ত হাগ্রাম মহিলারির বিপিএফ দীর্ঘদিন ধরে বড়োভূমি শাসন করেছে। তবে ২০২০ সালে বিজেপির সাহায্যে ইউপিপিএল ক্ষমতায় আসে। এবার আবারও বিজেপি চাইছে, হাগ্রাম মহিলারি ও প্রমোদ বড়োকে একসঙ্গে নিয়ে বড়ো জনজাতির উন্নয়নের কাজ করতে।

মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা

হিমন্তবিশ্ব শর্মা বলেন, “আমরা চাইছি, BTC অঞ্চলের সার্বিক উন্নতির জন্য দলগত স্বার্থ ভুলে একসঙ্গে কাজ করতে। হাগ্রাম মহিলারি এবং প্রমোদ বড়োর নেতৃত্বকে আমরা এক প্ল্যাটফর্মে আনতে চাই।”

রাজনৈতিক বিশ্লেষণ

রাজনৈতিক মহলের মতে, বিজেপি বুঝে গেছে যে বড়োভূমি অঞ্চলে এককভাবে লড়াই করা ঝুঁকিপূর্ণ। তাই ভোটের আগে কৌশল পাল্টে জোটের দিকেই ঝুঁকছে তারা। এভাবে বিজেপি নিজের ভোট ব্যাঙ্ক মজবুত করার পাশাপাশি আদিবাসী ভোটও ধরে রাখতে চাইছে।

আগামী দিনের সম্ভাবনা

এখন দেখার বিষয়, বিজেপি-ইউপিপিএল-বিপিএফ এই ত্রিমুখী সমীকরণ কতটা কার্যকর হয়। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এই কৌশল সফল হলে বড়োভূমির রাজনৈতিক চিত্র পাল্টে যেতে পারে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

Featured post

Y বাংলা নিউজ ডেস্ক রিপোর্ট আজ, শনিবার দুপুরে পশ্চিমবঙ্গে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। দুপুর পৌনে ১টা নাগাদ তাঁর মালদা টাউন...

Search This Blog