Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Tuesday, 7 October 2025

উত্তরবঙ্গে প্রাকৃতিক বিপর্যয়: মমতা মিরিকে ত্রাণ শিবির পরিদর্শন

উত্তরবঙ্গে প্রাকৃতিক বিপর্যয়: মমতা মিরিকে ত্রাণ শিবির পরিদর্শন

প্রকাশক : ফারিয়া ইসলাম | Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক | আপডেট: ৭ অক্টোবর ২০২৫

মমতা মিরিকে ত্রাণশিবির পরিদর্শনে — ভাঙা দুধিয়া ব্রিজ মেরামত ও পথ পুনরুদ্ধারে ১৫ দিন সময়

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মিরিকে ত্রাণশিবির পরিদর্শন
মিরিকের দুধিয়া ত্রাণশিবিরে অবস্থানরত দুর্গতদের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী। (ফাইল ছবি/প্রতীকী)

উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি অংশ গত কয়েক দিনের প্রবল বর্ষণ ও ভূমিধসে ভয়াবহ আঘাত পেয়েছে। সড়কপথ ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উপর তাৎপর্যপূর্ণ ধাক্কা লাগায় একাধিক গ্রাম-গঞ্জ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। সোমবার নাগরকাটা পরিদর্শন শেষে মঙ্গলবার মিরিকের দুধিয়া ত্রাণশিবিরে পৌঁছান রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি সরেজমিনে দুর্গতদের সাথে কথা বলে পরিস্থিতির ত্বরিত নিপটারে নির্দেশনা দেন।

মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশনা (সংক্ষিপ্ত):
  • ধসে ভেঙে যাওয়া রাস্তাগুলির মেরামত অগ্রাধিকার ভিত্তিতে করা হবে — সময়সীমা: ১৫ দিন।
  • দুধিয়া ব্রিজ দ্রুত সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে যাতে পাহাড়ের জনসাধারণ পুনরায় সংযুক্ত হতে পারে।
  • ত্রাণশিবিরে থাকা লোকদের জন্য কমিউনিটি কিচেন এক মাস পর্যন্ত চালুর নির্দেশ।
  • শোকাহত পরিবারগুলিকে আর্থিক ও মানবিক সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি।

মুখ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, "মানুষের নিরাপত্তা ও জীবিকার ব্যাপারে এখানে কোনও আপস করা যাবে না। আমাদের প্রথম কাজ হবে দুর্গতদের নিরাপদ আশ্রয়, খাবার ও চিকিৎসা নিশ্চিত করা।" তিনি প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের ধসে ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তাগুলো দ্রুত মেরামত করার জন্য ১৫ দিন সময় বেঁধে দিয়েছেন এবং পুনর্বাসন কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার নির্দেশ দিয়েছেন।

দুধিয়া ব্রিজ ভেঙে পড়ায় মিরিক-দার্জিলিং সংযোগে বিঘ্ন ঘটেছে। সরকারি অভ্যন্তরীণ সূত্র বলছে, অস্থায়ী বিপণন ও জরুরি পরিষেবা স্বাভাবিক করার জন্য মডিউলার বা অস্থায়ী ব্রিজ নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়েছে রাজ্য। পাশাপাশি, তাঁরা স্থানীয়ভাবে কাজের ব্যবস্থা করে দ্রুত পথ মেরামতের উদ্যোগ গ্রহন করবে।

ত্রাণশিবিরে আশ্রয় নেওয়া বহু মানুষের সঙ্গে কথা বলে মুখ্যমন্ত্রী তাদের আর্থ-সামাজিক সমস্যাগুলোও শোনেন এবং মৃতদের পরিবারকে সান্ত্বনার কথা বলেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ব্যক্তিগতভাবে কিছু পরিবারকে ত্রাণসামগ্রী ও আর্থিক সহায়তা সাময়িকভাবে তুলে দেন বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হচ্ছে, চিকিৎসা ও খাদ্যসামগ্রীর বানিজ্যিক সরবরাহ নিশ্চিত করা হচ্ছে এবং ভূমিধসের আশঙ্কা περιοক্ষণের জন্য জরুরি নদী-নালার দিকে নজর রাখা হচ্ছে। ভবিষ্যতে পুনর্বাসন ও পুনর্গঠনের জন্য একটি বিস্তৃত পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হবে।

উত্তরবঙ্গে এ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে দ্রুত সহায়তা এবং অবকাঠামো পুনরুদ্ধার না হলে জনজীবনে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়তে পারে — এমনটাই আশঙ্কা স্থানীয়দের। সরকারের তৎপরতা এখনই প্রয়োজন যেন দ্রুত সাধারণ জীবনযাত্রা স্বাভাবিক করা যায়।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

নাগরাকাটা: ত্রাণ দিতে গিয়ে আহত বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ ও সাংসদ খগেন মুর্মু — রাজনীতি উত্তপ্ত

নাগরাকাটা: ত্রাণ দিতে গিয়ে আহত বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ ও সাংসদ খগেন মুর্মু — রাজনীতি উত্তপ্ত

নাগরাকাটা: ত্রাণ দিতে গিয়ে আহত বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ ও সাংসদ খগেন মুর্মু — রাজনীতি উত্তপ্ত

আপডেট: ৭ অক্টোবর ২০২৫ | রিপোর্ট: Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক, নাগরাকাটা (জলপাইগুড়ি)

জলবিধ্বস্ত নাগরাকাটায় ত্রাণ বিতরণ করতে গিয়ে বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ ও সাংসদ খগেন মুর্মু আক্রান্ত হন; ঘটনার ভিডিও ও রক্তাক্ত চিত্র রাজ্য-জাতীয় ভাবে তোলপাড় সৃষ্টি করেছে।

[ছবির জায়গা — ঘটনা স্থান/আক্রমণের দৃশ্য]

সোমবার সকাল থেকেই জলপাইগুড়ি জেলা জুড়ে ত্রাণ ও উদ্ধারকাজে নামেন বিভিন্ন দল-কর্মী। নাগরাকাটার বামনডাঙা এলাকায় বাম থেকে রাম পর্যন্ত বিভিন্ন রাজনৈতিক পরিচয়ের লোকজন কাজে নেমে পড়েছিলেন। অভিযোগ, ত্রাণ বিতরণ শেষে ঘটনাস্থল থেকে বের হওয়ার সময় একটি অংশ মানুষ হঠাৎ করে বিজেপি প্রতিনিধিদলকে ঘিরে বিক্ষোভ শুরু করে। ইভেন্টে লাঠি ও ইর্শাদসহ ব্যাপক তর্ক-বিতর্কের পর্যবসানে বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ ও সাংসদ খগেন মুর্মুকে লক্ষ্য করে আক্রমণ চালানো হয় বলে স্থানীয়রা দাবি করেছেন।

আঘাত ও চিকিৎসা: অভিযুক্ত হামলায় খগেন মুর্মুর মাথা থেকে প্রচণ্ড রক্তপাত দেখা যায়, শঙ্কর ঘোষও গুরুতরভাবে আহত হন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং একাংশকে উন্নত চিকিৎসার জন্য স্থানান্তর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ঘটনাটি দ্রুত রাজ্য রাজনীতিতে স্রোত সৃষ্টি করে। দলমত নির্বিশেষে অনেকেই এই আক্রমণের নিন্দা করেছেন, তবে রাজনৈতিক দায়মুক্তির লড়াইও শুরু হয়েছে—বিজেপি তৃণমূলকে অভিযুক্ত করলে তৃণমূলের পক্ষ থেকে অভিযোগ রয়েছে যে বড় রাজনৈতিক কনভয় আঞ্চলিক শান্তি ভেঙে দিয়েছে এবং স্থানীয়দের ক্ষোভে এই হামলা সংঘটিত হয়েছে।

রাজ্য ও কেন্দ্রীয় নেতারা ঘটনায় সরাসরি প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন; প্রধানমন্ত্রী ঘটনাটিকে কাঠগড়ায় তুলে নিন্দা প্রকাশ করেন, আর মুখ্যমন্ত্রীর পক্ষ থেকে শান্তি বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে এবং ঘটনা নিয়ে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, ঘটনার পরে কড়া অনলাইন-প্রতিক্রিয়া এবং আঞ্চলিক ব্যাখ্যার জেরে বিষয়টি দ্রুত সর্বভারতীয় রাজনীতির শিরোনামে উঠে এসেছে। বিশেষত যেখানে নির্বাচনী অঞ্চলে জনপ্রতিনিধিদের মাঠে সক্রিয়তা ও জনসংযোগ নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন প্রতিপক্ষ—সেটি এই বিতর্ককে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

এদিকে নাগরিক ও স্থানীয় সংগঠনগুলো আহতদের সুরক্ষা ও রোগ-চিকিৎসার দাবি তুলেছে এবং দ্রুত, নিরপেক্ষ তদন্তের অনুরোধ করেছে। পুলিশের তৎপরতা ও তদন্তের ফলাফলের ওপর এখন সমস্ত পক্ষের নজর থাকছে।

সম্পাদকীয় নোট: প্রতিবেদনটি স্থানীয় সূত্র, হাসপাতাল সূত্র ও ঘটনাস্থল কারো সাম্প্রতিক ভিডিওর ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে; সংবেদনশীল তথ্য সংরক্ষণী করা হয়েছে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

তালিবান বিদেশমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকির ভারত সফর ঘিরে কূটনৈতিক চাঞ্চল্য

তালিবান বিদেশমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকির ভারত সফর ঘিরে কূটনৈতিক চাঞ্চল্য

তালিবান বিদেশমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকির ভারত সফর ঘিরে কূটনৈতিক চাঞ্চল্য

আপডেট: ৭ অক্টোবর ২০২৫ | রিপোর্ট: Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক

অপারেশন সিঁদুরের সময় কাবুল সফরে গিয়েছিলেন ভারতের প্রতিনিধি আনন্দ প্রকাশ। এবার পাকিস্তানের চাপ বাড়িয়ে ভারতে আসতে চলেছেন আফগানিস্তানের বিদেশমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি।

[ছবির স্থান — আমির খান মুত্তাকি / ভারত-আফগান পতাকা]

সবকিছু ঠিক থাকলে চলতি মাসেই ভারতে আসছেন তালিবান বিদেশমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি। তাঁর এই সফরকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে তীব্র কূটনৈতিক চাপানউতোর। আন্তর্জাতিক মহলে জোর জল্পনা, এই সফরেই হয়তো ভারত তালিবান সরকারকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিতে পারে।

জাতিসংঘের আরোপিত নিষেধাজ্ঞার কারণে এতদিন মুত্তাকির বিদেশ ভ্রমণ সম্ভব ছিল না। সম্প্রতি রাষ্ট্রসংঘ সেই আংশিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করায় পথ খুলেছে। আফগান পররাষ্ট্র মন্ত্রক জানিয়েছে, আগামী ৭ অক্টোবর মস্কো সামিটে যোগ দেবেন মুত্তাকি, যেখানে ভারত, চিন, ইরান ও মধ্য এশিয়ার দেশগুলির প্রতিনিধিরাও থাকবেন। সেই বৈঠক শেষে তিনি নয়াদিল্লির উদ্দেশে রওনা দেবেন বলে নিশ্চিত সূত্রে জানা গিয়েছে। অনুমান, ৯ থেকে ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত তিনি ভারতে অবস্থান করবেন।

প্রথমবার তালিবান মন্ত্রীর ভারত সফর:

২০২১ সালে আফগানিস্তানে তালিবান পুনরায় ক্ষমতায় আসার পর এই প্রথম কোনও তালিবান মন্ত্রী ভারতের মাটিতে পা রাখতে চলেছেন। এখন পর্যন্ত রাশিয়াই একমাত্র দেশ যারা আনুষ্ঠানিকভাবে তালিবান সরকারকে স্বীকৃতি দিয়েছে।

ভারত এখনো তালিবানকে স্বীকৃতি না দিলেও, দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ বজায় রয়েছে। ভারত আফগানিস্তানে মানবিক সাহায্য ও খাদ্য সরবরাহ অব্যাহত রেখেছে। কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পরিবর্তিত ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নয়াদিল্লি হয়তো নতুন কৌশলে তালিবানের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের পথে এগোচ্ছে।

ওয়াকিবহাল মহলের মতে, পাকিস্তান বর্তমানে আমেরিকা ও চিনের দ্বৈত সমর্থনে ভারতের উপর চাপ বাড়াতে চাইছে। এই অবস্থায় ইসলামাবাদের প্রতিদ্বন্দ্বী তালিবানের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলা ভারতের জন্য কৌশলগত সুবিধা এনে দিতে পারে। বিশেষত, সাম্প্রতিক পহেলগাঁও সন্ত্রাসের ঘটনায় ভারতের পাশে দাঁড়িয়ে তালিবান সরকার যে অবস্থান নিয়েছিল, সেটিই এই সম্ভাবনাকে জোরদার করছে।

সূত্রের খবর, আফগান পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকির সফরে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকরের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হবে। সেই বৈঠকে আঞ্চলিক নিরাপত্তা, মানবিক সহায়তা এবং কূটনৈতিক স্বীকৃতির প্রশ্নে আলোচনা হতে পারে বলে ধারণা।

আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, মুত্তাকির ভারত সফর শুধু প্রতীকী নয়, বরং দক্ষিণ এশিয়ার কূটনৈতিক ভারসাম্যে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত বহন করছে। এবার নজর থাকবে—ভারত কি সত্যিই তালিবান সরকারকে স্বীকৃতি দেয় কি না।

📰 সূত্র: Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো | সম্পাদকীয় মন্তব্য: এই প্রতিবেদনটি আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা ও সরকারি সূত্রের ভিত্তিতে প্রস্তুত।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

বন্যা বিধ্বস্ত নাগরাকাটায় বিজেপি সাংসদ- বিধায়ক আক্রান্ত, উত্তপ্ত উত্তরবঙ্গের রাজনীতি

Y বাংলা নিউজ ডেস্ক রিপোর্ট :বন্যা বিধ্বস্ত নাগরাকাটা পরিদর্শনে গিয়ে গুরুতরভাবে আক্রান্ত হয়েছেন মালদহ উত্তরের বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু এবং শিলিগুড়ির বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। সোমবার ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়ায়। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, বন্যা দুর্গত এলাকার ক্ষয়ক্ষতি দেখতে গিয়ে হঠাৎই একদল দুষ্কৃতী তাঁদের উপর হামলা চালায়। আহত অবস্থায় খগেন মুর্মুকে শিলিগুড়ির একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি আইসিইউতে চিকিৎসাধীন। চিকিৎসক সূত্রে জানা গেছে, সাংসদের চোখের নিচের হাড় ভেঙে গেছে এবং অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হতে পারে।

দার্জিলিংয়ের বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্ত জানিয়েছেন, “খগেন মুর্মুর চোখের নিচে আঘাত আছে, তবে এখনও তাঁকে দিল্লি বা অন্যত্র স্থানান্তরের কোনও পরিকল্পনা নেই।” ফলে শিলিগুড়িতেই তাঁর অস্ত্রোপচার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে বিধায়ক শঙ্কর ঘোষও একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।

এদিকে, প্রকাশ্যে ঘটে যাওয়া এই হামলার ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকেই গ্রেপ্তার করা যায়নি। তবে পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে, হামলাকারীদের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট করে আটজনের নামে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। বিরোধী দলনেতা সুবেন্দু অধিকারী হামলাকারীদের ছবি প্রকাশ করে রাজ্য প্রশাসনের তীব্র সমালোচনা করেছেন এবং বলেছেন, “এটি পরিকল্পিত আক্রমণ, এর বিচার আমরা রাস্তায় নেমে আদায় করব।” বিজেপি নেতৃত্ব জানিয়েছে, যদি দ্রুত গ্রেপ্তার না হয়, তাহলে রাজ্যজুড়ে বৃহত্তর আন্দোলনে নামবে দলটি।

অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ হামলার নিন্দা করলেও বিজেপির ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি ফেসবুকে লেখেন, “খগেন মুর্মু, শঙ্কর ঘোষের উপর হামলার নিন্দা করছি। কিন্তু ক্ষোভ প্রকাশের এভাবে হওয়া উচিত নয়। তবে বিজেপিকেও মনে রাখতে হবে, তাদের নেতারাই একশো দিনের কাজের টাকা ও আবাস প্রকল্পের অর্থ আটকে রেখেছিল।” তিনি আরও বলেন, “বিজেপি বাংলার ভাষা ও সংস্কৃতিকে অপমান করছে। বন্যা দুর্গত এলাকায় ফটোসেশন করতে যাওয়া মানুষকে প্ররোচনা বলেই গণ্য করা উচিত।”।

এদিকে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইতিমধ্যেই প্রশাসনকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, “কেউ কোথাও যেতে চাইলে যেতে পারে, কিন্তু কোনও প্ররোচনায় যেন কেউ পা না দেন।”।

বর্তমানে পুলিশ তদন্তে নেমেছে, তবে ঘটনার রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া উত্তরবঙ্গের রাজনীতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

Monday, 6 October 2025

সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতির ওপর জুতো ছোঁড়ার চেষ্টা: দেশের সংবিধানের ওপর আক্রমণ, শীর্ষ নেতাদের তীব্র প্রতিবাদ

৭১ বছরের আইনজীবী রাকেশ কিশোরের নজিরবিহীন ঘটনায় দেশজুড়ে তোলপাড়, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও সনিয়া গান্ধীর কড়া সমালোচনা

সংবাদ রিপোর্ট: নিউজ ডেস্ক, ফারিয়া ইসলাম: সোমবার সুপ্রিম কোর্টে এক নজিরবিহীন ঘটনা ঘটেছে। প্রধান বিচারপতি বি আর গাভাইয়ের দিকে আইনজীবী রাকেশ কিশোর জুতো ছোড়ার চেষ্টা করেন। এই ঘটনার পর দেশজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

বাঙালির মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, “সুপ্রিম কোর্টের মধ্যেই প্রধান বিচারপতির ওপর হামলার ঘটনায় আমি তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এটা সরাসরি দেশের সংবিধানের ওপর আক্রমণ। অত্যন্ত দুঃখজনক এবং নিন্দনীয় ঘটনা।”

কংগ্রেসের সংসদীয় দলনেত্রী সনিয়া গান্ধীও এই বিষয়ে মন্তব্য করেছেন, “ঘটনায় যে ধাক্কা লেগেছে, তা কেবল একজন ব্যক্তির প্রতি নয় — আমাদের সংবিধানের মূল ভাবনার প্রতিও এটি এক সরাসরি আঘাত।”

ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, ৭১ বছর বয়সি আইনজীবী রাকেশ কিশোর সোমবার সুপ্রিম কোর্টে মামলা উল্লেখের সময় হঠাৎই প্রধান বিচারপতির দিকে এগিয়ে এসে জুতো ছোড়ার চেষ্টা করেন। নিরাপত্তারক্ষীরা সঙ্গে সঙ্গে তাকে আটক করে আদালতের বাইরে বের করেন। পরে জানা যায়, রাকেশ কিশোর ‘খাজুরাহো মন্দির’ সংক্রান্ত মামলায় প্রধান বিচারপতির মন্তব্যে ক্ষুব্ধ ছিলেন এবং একটি কাগজে লিখেছিলেন, “সনাতন ধর্মের অপমান সহ্য করবে না হিন্দুস্থান।”

ঘটনার পর প্রধান বিচারপতি গাভাই পুলিশকে নির্দেশ দেন, “এসব উপেক্ষা করুন। ওঁকে সতর্ক করে ছেড়ে দিন।” তিন ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর আইনজীবীকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

ঘটনার পর ভারতের বার কাউন্সিল রাকেশ কিশোরকে আপাতত সাসপেন্ড করেছে, কারণ এটি আদালতের শালীনতা লঙ্ঘনের গুরুতর অপরাধ হিসেবে ধরা হয়েছে।

যদিও এই ঘটনায় বিন্দুমাত্র বিচলিত না হয়ে নির্বিকার থেকে প্রধান বিচারপতি মন্তব্য করেছেন, “আমি এমন বিষয়ে প্রভাবিত হই না।” এরপর তিনি শুনানি কার্যক্রম অব্যাহত রাখেন। একজন আইনজীবী জানিয়েছেন, চিফ জাস্টিস পুরো সময়ই শান্ত ছিলেন।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

নেপালের পূর্বাঞ্চলে প্রবল বর্ষণে ৫১ জনের মৃত্যু

নেপালের পূর্বাঞ্চলে প্রবল বর্ষণে ৫১ জনের মৃত্যু

নেপালের পূর্বাঞ্চলে প্রবল বর্ষণে ৫১ জনের মৃত্যু

লেখক: মহিবুর রহমান শেখ | আপডেট: ৬ অক্টোবর ২০২৫

নেপালের পূর্বাঞ্চলে গত শুক্রবার রাত থেকে শুরু হওয়া প্রবল বর্ষণে ব্যাপক ভূমিধস ও বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে সোমবার রাত পর্যন্ত কমপক্ষে ৫১ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে কর্তৃপক্ষ।

আর্মড পুলিশ ফোর্সের মুখপাত্র কালিদাস ধাউবাজি জানিয়েছেন, কোশি প্রদেশে সর্বাধিক ক্ষতি হয়েছে, যেখানে একাই ইলাম জেলায় ৩৭ জন প্রাণ হারিয়েছেন। ইলামের দেউমাই ও মাইজোগমাই পৌরসভায় আটজন করে, ইলাম পৌরসভা ও স্যান্ডাকপুর গ্রামীণ পৌরসভায় ছয়জন করে, সূর্যোদয় পৌরসভায় পাঁচজন, মাংসেবুংয়ে তিনজন এবং ফকফোকথুম গ্রামে একজন মারা গেছেন।

উদয়পুরে দুজন ও পঞ্চথরে একজন বন্যা ও ভূমিধসের শিকার হয়েছেন। রাউটাহাটে বজ্রাঘাতে তিনজন এবং খোটাংয়ে দু’জন মারা গেছেন। অন্যদিকে, পঞ্চথর জেলায় রাস্তা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় আরও ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। ল্যাংটাং সংরক্ষণ এলাকা এবং রাসুয়া জেলায় নদীর জলে ভেসে গিয়ে চারজন নিখোঁজ রয়েছেন। এছাড়াও ইলাম, বারা এবং কাঠমান্ডু জেলা থেকে আরও একজন করে ব্যক্তি নিখোঁজ রয়েছেন। ল্যাংটাং এলাকায় ট্রেকিংয়ে যাওয়া ১৬ জন পর্যটকের মধ্যে চারজনের খোঁজ এখনও মেলেনি।

নেপাল সেনা, নেপাল পুলিশ এবং আর্মড পুলিশ ফোর্সের কর্মীরা বর্তমানে উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছেন। ইলাম থেকে হেলিকপ্টারে চারজনকে উদ্ধার করে ধরান পৌরসভার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, যার মধ্যে একজন অন্তঃসত্ত্বা মহিলা রয়েছেন।

নেপালের সাতটি প্রদেশের মধ্যে কোশি, মধেস, বাগমতী, গণ্ডকী এবং লুম্বিনী; এই পাঁচটি প্রদেশে এখনও মৌসুমী বৃষ্টি সক্রিয় রয়েছে। কাঠমান্ডু উপত্যকায় বৃষ্টির তীব্রতা কিছুটা কমলেও, ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (টিআইএ) থেকে অভ্যন্তরীণ বিমান চলাচল স্থগিত রাখা হয়েছে। কাঠমান্ডু, ভারতপুর, জনকপুর, ভদ্রপুর, পোখরা এবং টুমলিংটারের অভ্যন্তরীণ উড়ানগুলোও বন্ধ রয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ রাস্তাগুলিতে রাতের বেলা গাড়ি চলাচল সীমিত রাখা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নেপালে এই প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতিতে গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, এই কঠিন সময়ে ভারত নেপালের জনগণ ও সরকারের পাশে আছে এবং প্রয়োজন অনুসারে সবরকম সহায়তা প্রদানে প্রস্তুত।

এই বিপর্যয় নেপালের পূর্বাঞ্চলের দুর্যোগ মোকাবিলার সীমাবদ্ধতা এবং সাধারণ মানুষের জীবনের ঝুঁকিকে পুনরায় সামনে এনেছে। নদী তীরবর্তী বাসিন্দারা নতুন কোনো বিপর্যয়ের আশঙ্কায় উদ্বিগ্নভাবে বাগমতী নদীর জলস্তর পর্যবেক্ষণ করছেন।

লেখক: মহিবুর রহমান শেখ | Y বাংলা ডিজিটাল

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

উৎসব মরশুমে কলকাতায় ডেঙ্গি আক্রান্ত কিশোরীর মৃত্যু

উৎসব মরশুমে কলকাতায় ডেঙ্গি আক্রান্ত কিশোরীর মৃত্যু

উৎসব মরশুমে কলকাতায় ডেঙ্গি আক্রান্ত কিশোরীর মৃত্যু

লেখক: সালমা মন্ডল | আপডেট: ৬ অক্টোবর ২০২৫

কলকাতা শহরে উৎসব মরশুমে ১৫ বছরের এক কিশোরী ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছে। তিনি ভারতী বিদ্যাভবন হাইস্কুলের পড়ুয়া ছিলেন এবং বিধাননগরের ইএসআই আবাসনের বাসিন্দা ছিলেন। পরিবারের বক্তব্য অনুযায়ী, কয়েকদিন ধরে তার জ্বর ছিল এবং তাপমাত্রা কমছিল না। পরামর্শক্রমে চিকিৎসককে দেখানো হয় এবং ডেঙ্গি পরীক্ষা করানো হয়। রক্ত পরীক্ষায় ডেঙ্গি এনএস-১ পজিটিভ শনাক্ত হওয়ার পর কিশোরীকে বালিগঞ্জের একটি নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয়।

তবে কিশোরীর শারীরিক অবস্থা এতটাই সংকটজনক ছিল যে, তাকে ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে স্থানান্তর করা হয়। একই আবাসনের আরও একজন ব্যক্তি ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়েছেন এবং তাঁকেও হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, জ্বর দু’দিনের বেশি থাকলে দ্রুত ডেঙ্গি ও ম্যালেরিয়ার পরীক্ষা করানো উচিত।

উৎসবের আগে ২২ সেপ্টেম্বর মধ্যরাত থেকে কলকাতা শহর ও আশেপাশের এলাকায় ব্যাপক বৃষ্টিপাত হয়। এই বৃষ্টির ফলে শহরের বিভিন্ন এলাকা, শহরতলিসহ জলমগ্ন হয়ে যায়। জল নামতে প্রায় ৩–৪ দিন সময় লেগে যায়। পুজোর সময়ও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত চলতে থাকে, যা শহরের বিভিন্ন এলাকায় জল জমার সমস্যা সৃষ্টি করেছে। পুজো মণ্ডপ বানাতে খোলা গর্তগুলোতেও জল জমে মশার উপদ্রব বেড়েছে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক সজল ঘোষ বলেন, "প্রশাসন ও পুরসভাকে দায়িত্ব নিতে হবে। শহরের রাস্তায় করা গর্তে জল জমে ডেঙ্গির মশা জন্ম নেয়। বর্তমানে উদ্বেগের কারণ নেই, তবে ডেঙ্গি আক্রান্তের খবর পাওয়া যাচ্ছে। তাই সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।" তিনি আরও বলেন, "ডেঙ্গি তখনই মারাত্মক হয়ে দাঁড়ায় যখন তা শনাক্ত করতে বিলম্ব হয়। জ্বর দু’দিনের বেশি থাকলে অবশ্যই পরীক্ষা করানো প্রয়োজন।"

চিকিৎসক অরিন্দম বিশ্বাস জানান, রাজ্যে এখন ভয়জনক পরিস্থিতি নেই। তবে ডেঙ্গি সংক্রমণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। জ্বর শুরু হলে দেরি না করে চিকিৎসা শুরু করলে রোগী সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারেন। তবে কো-মর্বিডিটি থাকলে অতিরিক্ত সতর্কতা প্রয়োজন। চিকিৎসকরা পরামর্শ দিচ্ছেন, জ্বর দু’দিনের বেশি থাকলে ডেঙ্গি ও ম্যালেরিয়ার টেস্ট করানো উচিত।

বর্তমান পরিস্থিতিতে শহরের বিভিন্ন এলাকায় সচেতনতা বৃদ্ধি করা, জল জমা প্রতিরোধ করা এবং মশার উপদ্রব নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি। প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ ও সাধারণ মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে ডেঙ্গি সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে বলে চিকিৎসকরা আশাবাদী। উৎসব মরশুমে বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের জন্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

লেখক: সালমা মন্ডল | Y বাংলা ডিজিটাল

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

উত্তরবঙ্গে প্রবল বৃষ্টি ও বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯

উত্তরবঙ্গে প্রবল বৃষ্টি ও বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯

উত্তরবঙ্গে প্রবল বৃষ্টি ও বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯

লেখক: সালমা মন্ডল | আপডেট: ৬ অক্টোবর ২০২৫

উত্তরবঙ্গে প্রবল বৃষ্টির জেরে তোর্ষা, জলঢাকা, কালজানি-সহ একাধিক নদী প্লাবিত হয়ে ভয়াবহ ধস ও বন্যার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। জলপাইগুড়ি জেলার নাগরাকাটায় সোমবার আরও চারটি মৃতদেহ উদ্ধার হওয়ায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯। বামনডাঙ্গা এলাকায় নিস্তব্ধ শ্মশানসদৃশ পরিবেশ বিরাজ করছে, যেখানে দু’দিনে মোট ৯ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মৃতদের মধ্যে শকুন্তলা ওড়া (৫০), এতোয়ারি ওড়াও (৫৫), নিভৃতি নায়েক (৬) এবং মঞ্জু নায়েক (২৫) রয়েছেন।

আলিপুরদুয়ারে ২১৬ বর্গকিলোমিটার এলাকা ও ডুয়ার্সের গরুমারা অভয়ারণ্যের ৭৯.৪৫ বর্গকিলোমিটার জলমগ্ন হয়েছে। সূত্রের খবর, বন্যায় গন্ডার, চিতাবাঘসহ সাতটি বন্যপ্রাণীর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। উত্তরবঙ্গের মুখ্য বনপাল ভাস্কর জেভি জানিয়েছেন, “সার্চ অপারেশনের জন্য আলাদা টিম তৈরি করা হয়েছে। ২৪ ঘণ্টা জঙ্গলে মনিটরিং চলছে। লোকালয়েও মাইকিং করা হচ্ছে। গভীর জঙ্গলে হাতির মাধ্যমে উদ্ধার কার্যক্রম চালানো হবে।”

বনমন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদা জলদাপাড়া অভয়ারণ্য পরিদর্শন করেছেন এবং বনদফতরের পদাধিকারীদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। তিনি বলেন, “জলদাপাড়ার একাধিক ছোট সেতু ভেঙে গেছে। ক্ষয়ক্ষতির পুরো চিত্র এখনও জানা সম্ভব নয়। আমরা ধাপে ধাপে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করছি এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেব।” একইসঙ্গে তিনি নাগরাকাটা এলাকায় বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু ও বিধায়ক শঙ্কর ঘোষের উপর হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।

ডুয়ার্স অঞ্চলে একটি গন্ডার, দু’টি চিতাবাঘ এবং চারটি হরিণের মৃত্যু হয়েছে। নদীগুলি প্লাবিত হওয়ায় বিস্তীর্ণ বনাঞ্চল জলে ঢেকে গেছে। বনকর্মীরা বন্যপ্রাণী উদ্ধারে সক্ষম হননি। পানবাড়ি এলাকার কাছে জলঢাকা নদী ফুলে ওঠায় পাঁচটি হাতি ও হাতির শাবক আটকে রয়েছে। এছাড়া তিনটি গন্ডার নিখোঁজ থাকলেও দু’টির সন্ধান মিলেছে।

জলপাইগুড়ি জেলা পুলিশ সুপার উমেশ খান্ডবাহাল জানিয়েছেন, নাগরাকাটা থানার বামনডাঙ্গা এলাকা থেকে মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বন্যায় ঘরবাড়ি নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে, রাস্তা ও বেসামাল চালের আশ্রয়ও নেই। ধুপগুড়ি ব্লকের বিভিন্ন এলাকায় জলঢাকা নদীর বাঁধ ভেঙে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। হাজার হাজার মানুষ তাদের ঘরবাড়ি, অর্থ ও মালামাল হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।

পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের বিদ্যুৎমন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস এবং শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব ধুপগুড়ি বন্যা দুর্গত এলাকায় গিয়ে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেছেন। তারা বন্যা বিধ্বস্তদের সঙ্গে কথা বলে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করিয়েছেন। বনদফতর আশাবাদী যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে নিখোঁজ বন্যপ্রাণীদের উদ্ধার করা সম্ভব হবে।

লেখক: সালমা মন্ডল | Y বাংলা ডিজিটাল

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

ছত্তিশগড়ে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা: হুগলির পাঁচ পর্যটকের মৃত্যু

ছত্তিশগড়ে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা: হুগলির পাঁচ পর্যটকের মৃত্যু

ছত্তিশগড়ে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা: হুগলির পাঁচ পর্যটকের মৃত্যু

ছত্তিশগড়ে পর্যটক দুর্ঘটনা

Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক: ছত্তিশগড়ের কানহা ন্যাশনাল ফরেস্ট ঘুরতে গিয়ে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন হুগলির ডানকুনি এলাকার পাঁচজন শিক্ষক ও তাঁদের পরিবারের সদস্যরা। এই দুর্ঘটনায় আরও কয়েকজন গুরুতর জখম হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন। খবর পৌঁছতেই এলাকায় নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ডানকুনি শ্রীরামকৃষ্ণ বিদ্যাশ্রম উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষিকা ও তাঁদের পরিবার পুজোর ছুটিতে ছত্তিশগড় বেড়াতে গিয়েছিলেন। রবিবার তাঁরা একটি এসইউভি ভাড়া করে কানহা ন্যাশনাল ফরেস্ট ঘুরতে যান। গাড়িটিতে চালক-সহ মোট ১০ জন ছিলেন। ঘোরাঘুরি শেষে তাঁরা বিলাসপুর স্টেশনের দিকে ফিরছিলেন। বিকেলের দিকে জাতীয় সড়কে তাঁদের গাড়ির সঙ্গে একটি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষ এতটাই ভয়াবহ ছিল যে গাড়ির সামনের অংশ সম্পূর্ণভাবে দুমড়ে-মুচড়ে যায়।

স্থানীয়দের তৎপরতায় দুর্ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা উদ্ধার কাজে নামেন। তাঁরা পুলিশকে খবর দেন এবং আহতদের গাড়ি থেকে বের করে হাসপাতালে পাঠান। হাসপাতালের চিকিৎসকরা পাঁচজনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। বাকিদের গুরুতর অবস্থায় ভর্তি করা হয়েছে। মৃতদের মধ্যে রয়েছেন তিনজন শিক্ষিকা এবং তাঁদের পরিবারের দুই সদস্য। আহতদের মধ্যে রয়েছেন এক শিশু ও দুই প্রবীণ যাত্রী।

পর্যটক দলের সদস্যরা শ্রীরামপুর, নদিয়া ও কলকাতার বিভিন্ন জায়গার বাসিন্দা ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। ডানকুনি স্কুলে দুর্ঘটনার খবর পৌঁছাতেই স্তব্ধ হয়ে যায় গোটা প্রতিষ্ঠান। সহকর্মী ও ছাত্রছাত্রীরা শোকে স্তব্ধ। হুগলি জেলা পরিষদের শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ সুবীর মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, “এই দুর্ঘটনা অত্যন্ত মর্মান্তিক। ডানকুনি স্কুলের বর্তমান ও প্রাক্তন দুই শিক্ষিকাই এই দলে ছিলেন। ছত্তিশগড়ে আহত ও নিহত পরিবারের সদস্যদের প্রয়োজনীয় সব সহায়তা দেওয়া হবে।”

হুগলির ডিআই এবং অতিরিক্ত জেলা শাসক (উন্নয়ন) ইতিমধ্যেই ছত্তিশগড় প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন বলে জানা গিয়েছে। মৃতদেহগুলি পশ্চিমবঙ্গে ফেরানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। রাজ্য প্রশাসনের পক্ষ থেকেও পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে। শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ সুবীর মুখোপাধ্যায়ের পাশাপাশি সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ও বিষয়টি ব্যক্তিগতভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। তিনি বলেন, “এই বিষয়ে মুখ্যসচিবের সঙ্গে কথা হয়েছে। মুখ্যসচিব বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন এবং পরিবারের পাশে প্রশাসন থাকবে।”

স্থানীয় প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে অতিরিক্ত গতি এবং সামনের ট্রাকের হঠাৎ ব্রেক করাকে প্রাথমিকভাবে সন্দেহ করা হচ্ছে। দুর্ঘটনাস্থলে ট্রাক চালককে আটক করা হয়েছে এবং তদন্ত শুরু হয়েছে। পুলিশ জানাচ্ছে, আহতদের বিবৃতি থেকে ঘটনার পুরো চিত্র পরিষ্কার হবে।

দীর্ঘ পুজো ছুটির আনন্দ মুহূর্তেই পরিণত হল শোকে। স্কুল, পরিবার, এবং গোটা ডানকুনি এলাকায় এখন একটাই প্রার্থনা — আহতরা যেন দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন।

🖋️ প্রতিবেদন: ফারিয়া ইসলাম

হ্যাশট্যাগ: #ChhattisgarhAccident #HooghlyTeachers #KanhaNationalForest #RoadAccident #BengalNews

ওয়াইসির মন্তব্য: সংখ্যালঘু প্রতিনিধিত্বের প্রশ্ন

বিহার নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ও ওয়াইসির মন্তব্য: সংখ্যালঘু প্রতিনিধিত্বের প্রশ্ন

ডিজিটাল ডেস্ক: বিহার নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ও ওয়াইসির মন্তব্য — সংখ্যালঘু প্রতিনিধিত্বের প্রশ্ন

রিপোর্ট: Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক | কপিরাইট-মুক্ত (CC0) | শব্দসংখ্যা: ৫০০

ডিজিটাল ডেস্ক: নির্বাচন কমিশন আজ বিহার বিধানসভা নির্বাচনের সম্পূর্ণ নির্ঘণ্ট ঘোষণা করেছে। কমিশনাররা জানিয়েছেন যে রাজ্যে নির্বাচন দুই ধাপে অনুষ্ঠিত হবে — প্রথম ধাপ ৬ নভেম্বর ও দ্বিতীয় ধাপ ১১ নভেম্বর; ফল ঘোষণা নির্ধারিতভাবে ১৪ নভেম্বর করা হবে এবং সকল নির্বাচনি প্রক্রিয়া ১৬ নভেম্বরের মধ্যে শেষ হবে। ঘোষণার আগে AIMIM প্রধান ও হায়দরাবাদের সাংসদ আসাদউদ্দিন ওয়াইসি বিহারের সংখ্যালঘু পরিস্থিতি নিয়ে একটি তীক্ষ্ণ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, রাজ্যে মুসলিমদের অংশভাগ প্রায় উনিশ শতাংশ হলেও তাদের কোন বিশিষ্ট নেতা নেই, অন্য সকল সম্প্রদায়ের নেতা উপস্থিত বলে তিনি দাবি করেছেন।

ওয়াইসি এই মন্তব্যের মাধ্যমে সংখ্যালঘু প্রতিনিধি বিষয়ক মনোযোগ আকর্ষণ করার চেষ্টা করেছেন বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন। বিহারের সাম্প্রতিক SIR (বিশেষ নিবিড় সংশোধনী) প্রক্রিয়া ও চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশীত হওয়ার পটভূমি এই বিতর্ককে আরো তীব্র করেছে। SIR-র কারণে অন্তত ষাট থেকে ছেষট্টি লক্ষ নাগরিক রোল থেকে বাদ পড়েছে বলে বিরোধীরা অভিযোগ করে আসছে; কমিশনকে বারবার আবেদনপত্র ও ফর্ম-৬/ফর্ম-৭ পূরণের সুযোগ দিয়ে বিষয়টি সমাধানের আহ্বান জানানো হয়েছে।

প্রাসঙ্গিক নির্বাচনী তত্ত্য: নির্বাচন দুই ধাপে—৬ ও ১১ নভেম্বর; ফলপ্রকাশ ১৪ নভেম্বর; প্রক্রিয়া শেষে ১৬ নভেম্বর। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা ও SIR-র প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ।

রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবেশে AIMIM-র আগমন পেশাদার রাজনীতিতে একটি নতুন বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। ২০২০ সালের নির্বাচনে এই দল কিছু আসনে সাফল্য দেখায়, যা স্থানীয় নির্বাচনী স্বাক্ষর বদলে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। ওয়াইসির বক্তব্য কেবল সমালোচনার জন্ম দেয়নি; তা সম্ভাব্য ভোটকেন্দ্রিক কৌশল ও জোটগঠনে প্রভাব ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে। যদি AIMIM আনুষ্ঠানিকভাবে বিরোধী জোটে যোগ দেয় বা নির্দিষ্ট আসনে প্রার্থী দেয়, তাহলে মুসলিম ভোটের একটি অংশ বিভক্ত হতে পারে এবং ফলাফল অনর্থকভাবে পরিবর্তিত হবে — এমনটাই বিশেষজ্ঞদের পূর্বাভাস।

অন্যদিকে কংগ্রেস, আরজেডি ও অন্যান্য প্রধান দলগুলোও বিষয়টি গভীরভাবে বিশ্লেষণ করছে। তারা স্থানীয় অনাগ্রহ কিভাবে প্রশমিত করবে এবং কিভাবে সংখ্যালঘুদের কাছে নিজেদের অবস্থানকে শক্ত করবে তা নিয়েই এখন কৌশলগত আলোচনা চালাচ্ছে। স্থানীয় নেতাদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার মাধ্যমে ও সামাজিক প্রকল্প কার্যকর করে এই দলগুলো ভোটারদের মনজয় করার চেষ্টা চালাচ্ছে।

নির্বাচনী পরিসংখ্যানগুলোর প্রেক্ষিতে জানা গেছে, চূড়ান্ত রোল অনুযায়ী বিহারে মোট ভোটারের সংখ্যা প্রায় ৭.৪৩ কোটি এবং মোট বুথের সংখ্যা ৯০,৭১২। এই পরিসংখ্যান নির্বাচনী পরিকল্পনা ও প্রচারণার জন্য গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশক। বিশেষত সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকা ও নগর কেন্দ্রগুলোতে কণ্ঠস্বরের প্রতিফলন বুঝতে এসব তথ্য কাজে লাগে।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা আরও বলছেন, শুধু বক্তৃতা বা সমালোচনা যথেষ্ট নয়; নির্বাচনী প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে বাস্তব পদক্ষেপ প্রয়োজন। স্থানীয় স্তরে নেতৃত্ব উন্নয়ন, সামাজিক সেবা ও শিক্ষা-স্বাস্থ্যকেন্দ্রিক কর্মসূচি শক্তিশালী করলে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের আস্থা বাড়ানো সম্ভব। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিতে যদি দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক নিরাপত্তা এবং কর্মসংস্থান সংক্রান্ত পরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত করা হয়, তাহলে ভোটের মঞ্চে বাস্তব পরিবর্তন দেখা যাবে।

একাধিক নাগরিক সমাজ সংগঠনও এই প্রক্রিয়ার উপর নজর রাখছে এবং তারা বলছে যে নির্বাচন স্বচ্ছতা বজায় রাখতে হবে। তাদের দাবি, ভোটার তালিকা ও SIR-এর প্রয়োজনীয় সংশোধন দ্রুততার সঙ্গে কার্যকর করা উচিত এবং বাদ পড়া ব্যক্তিদের আবেদন প্রক্রিয়া সহজ করা উচিত।

স্থানীয় রাজনীতিকেরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন যে, বিহারের রাজনৈতিক বাস্তবতা জটিল এবং এটি কেবল ধর্মীয় লেনদেন দিয়ে সমাধান হবে না; বরং অর্থনৈতিক উন্নয়ন, শিক্ষা ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তিই মূল চাবিকাঠি। সামাজিক সংহতি ও আইনি প্রক্রিয়ার সঠিক প্রয়োগই পারস্পরিক অবিশ্বাস ও বিভাজন কমাতে সাহায্য করবে।

রিপোর্ট: Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক | প্রস্তুত: কপিরাইট-মুক্ত প্রতিবেদন | লক্ষ্য: তথ্যভিত্তিক সংবেদনশীল ও স্বচ্ছ সংবাদসেবা

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

Featured post

Y বাংলা ব্যুরো: ভোটার তালিকা সংশোধনে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডে না নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা সংশোধন (SIR, ২০২৬) প্রক্রিয়ায় ম...

Search This Blog