Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Monday, 8 September 2025

তেহট্টে ৯ বছরের শিশুকে শ্বাসরোধে খুন, গ্রামে গণপিটুনিতে ৩ গ্রেপ্তার

তেহট্টে ৯ বছরের শিশুকে শ্বাসরোধে খুন, গ্রামে গণপিটুনিতে ৩ গ্রেপ্তার

তেহট্টে ৯ বছরের শিশুকে শ্বাসরোধে খুন, গ্রামে গণপিটুনিতে ৩ গ্রেপ্তার

তেহট্টের নিশ্চিন্তপুর গ্রামে এক হৃদয়বিদারক ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ৯ বছরের শিশুটি, স্বর্ণাভ বিশ্বাস, নিখোঁজ থাকার পর বাড়ির পেছনের ডোবা থেকে উদ্ধার হয়েছে তার নিথর দেহ। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, প্রতিবেশী উৎপল মণ্ডলের বাড়িতেই এই শ্বাসরোধ করে খুনের ঘটনা ঘটেছে। তবে মূল অপরাধী কে, তা এখনও পরিষ্কার নয়। ফরেন্সিক রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছে পুলিশ।

ঘটনাপ্রবাহ: কীভাবে ঘটল এই মর্মান্তিক ঘটনা?

৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় স্বর্ণাভ বিশ্বাসের পরিবার নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগ দায়ের করে। রাতভর তল্লাশি করেও কোনও সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরের দিন ভোর ৫টা থেকে সাড়ে ৫টার মধ্যে বাড়ির পেছনের ডোবা থেকে শিশুটির মৃতদেহ উদ্ধার হয়। এই ঘটনায় সন্দেহের আঙুল ওঠে প্রতিবেশী উৎপল মণ্ডলের দিকে। গ্রামবাসীরা ক্ষোভে বাড়ি ঘেরাও করেন এবং আগুন ধরিয়ে দেন। গণপিটুনিতে উৎপল ও তার স্ত্রী সোমার মৃত্যু হয়। তাদের সঙ্গে আরও এক ব্যক্তি গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

পুলিশের তদন্ত ও ফরেন্সিক রিপোর্টের অপেক্ষা

তেহট্টের এসডিপিও শুভতোষ সরকার জানিয়েছেন, “পুলিশ সবরকম চেষ্টা করেছিল। কিন্তু গ্রামবাসীদের বাধার মুখে পড়তে হয়েছে। ফায়ার ব্রিগেডকেও ঘটনাস্থলে ঢুকতে দেওয়া হয়নি।” তিনি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে উৎপল মণ্ডলের বাড়িকেই ঘটনাস্থল হিসেবে চিহ্নিত করা হলেও, ফরেন্সিক রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না।

গণপিটুনির চিত্র

স্বর্ণাভের দেহ উদ্ধারের পর গ্রামে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা উৎপল, তার স্ত্রী সোমা ও উৎপলের বৌদিকে পুজোর মণ্ডপে নিয়ে গণপিটুনি চালায়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তিন জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলেও ততক্ষণে উৎপল ও সোমার মৃত্যু হয়েছে। আহত ব্যক্তির চিকিৎসা চলছে। পুলিশ সুয়োমোটো মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে এবং আরও কয়েকজনের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে।

সামাজিক প্রতিক্রিয়া ও উদ্বেগ

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন গণমাধ্যমে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে গ্রামবাসীদের ক্ষোভ, শিশু হত্যার নিন্দা এবং পুলিশের ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক তীব্র হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গ্রামীণ এলাকায় আইনশৃঙ্খলার অভাব এবং দ্রুত বিচার না হওয়ার কারণে জনরোষ সৃষ্টি হচ্ছে। একই সঙ্গে শিশু নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের আরও কার্যকর পদক্ষেপের দাবি উঠেছে।

ফরেন্সিক রিপোর্টের ওপর নির্ভর করছে তদন্ত

পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, ফরেন্সিক দল ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে এবং রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরই নিশ্চিতভাবে বলা যাবে কোথায়, কীভাবে এবং কার হাতে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। বর্তমানে মামলার মোটিভ স্পষ্ট না হলেও তদন্ত চলছে। গ্রামে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

প্রশাসনের সতর্কতা

প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, আইন নিজের হাতে তুলে না নিতে। গণপিটুনির মতো ঘটনা আইনের দৃষ্টিতে গুরুতর অপরাধ। শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গ্রামীণ এলাকায় সচেতনতামূলক প্রচার এবং পুলিশের দ্রুত হস্তক্ষেপ অত্যন্ত জরুরি।

এই মর্মান্তিক ঘটনায় গোটা রাজ্যে শোকের ছায়া নেমেছে। তদন্তে নতুন তথ্য উঠে আসলে তা জনসাধারণের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া হবে। শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে সচেতনতা বাড়ানো এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করাই এখন প্রশাসনের অন্যতম অগ্রাধিকার।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

গোপাল পাঁঠার নাতির মামলা খারিজ: ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’ ঘিরে তোলপাড় রাজনীতি

গোপাল পাঁঠার নাতির মামলা খারিজ: ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’ ঘিরে তোলপাড় রাজনীতি

গোপাল পাঁঠার নাতির মামলা খারিজ: ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’ ঘিরে তোলপাড় রাজনীতি

Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক: কলকাতা হাই কোর্ট গোপাল পাঁঠা ওরফে গোপাল মুখোপাধ্যায়ের নাতির দায়ের করা মামলাটি খারিজ করে দিয়েছেন। বিচারপতি অমৃতা সিনহা স্পষ্ট জানিয়েছেন, এ ধরনের আবেদন আদালতের আওতায় পড়ে না। তিনি মামলাকারীকে পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ফোরামে আবেদন জানাতে। মামলা খারিজ হলেও এই সিদ্ধান্ত নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে আলোচনা তুঙ্গে। কারণ, ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’ ছবি ঘিরে ইতিহাস বিকৃতি এবং রাজনৈতিক প্রোপাগান্ডার অভিযোগ তুলেছে বহু মহল।

ট্রেলার মুক্তির পরেই বিতর্ক

সম্প্রতি মুক্তিপ্রাপ্ত ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’ সিনেমার ট্রেলার প্রকাশের পর থেকেই পরিচালকের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে তিনি বাংলার ইতিহাস বিকৃত করেছেন। রাজনৈতিক মহলে অনেকেই বলছেন, ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপিকে সুবিধা দিতে প্রোপাগান্ডা সিনেমা বানানো হয়েছে। ছবিতে ছেচল্লিশের ‘গ্রেটার ক্যালকাটা কিলিং’-এর সময়ের দোর্দণ্ডপ্রতাপ চরিত্র গোপাল মুখোপাধ্যায়কে ‘কষাই গোপাল পাঁঠা’ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। এই চরিত্রায়নের ফলে বাংলার ঐতিহাসিক মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয়েছে বলে মত প্রকাশ করেছেন অনেকে।

মামলার পেছনের যুক্তি

মামলাকারীর অভিযোগ ছিল, ছবির নির্মাতা কোথা থেকে তথ্য সংগ্রহ করেছেন তা অস্পষ্ট। তথ্যের অধিকার আইনের আওতায় জানতে চাওয়া হলেও কোনও সদুত্তর মেলেনি। এমনকি ছবির নির্দিষ্ট দুটি অংশ বাদ দেওয়ার দাবিও তুলেছেন তাঁরা। আদালতে তাঁদের বক্তব্য ছিল, ইতিহাস বিকৃতি এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্য চরিতার্থ করতেই এই সিনেমার নির্মাণ। আদালতে বিচারপতি অমৃতা সিনহা জানিয়েছেন, মামলাটি আদালতের আওতায় না পড়ায় এটি খারিজ করা হলো। তবে আবেদনকারী চাইলে অন্য আইনি ফোরামে আবেদন জানাতে পারেন।

বিবেক অগ্নিহোত্রীর অবস্থান

বিবেক অগ্নিহোত্রী তাঁর ‘ফাইলস’ ট্রিলজির তৃতীয় সিনেমা ‘দ্য দিল্লি ফাইলস’ মুক্তির আগে থেকেই আলোচনায়। তাঁর বিরুদ্ধে ইতিহাস বিকৃতির পাশাপাশি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে সিনেমা তৈরির অভিযোগ উঠেছে। তবে তাঁর সমর্থকেরা দাবি করছেন, এটি একটি রাজনৈতিক থ্রিলার যেখানে বাস্তব ঘটনাকে কল্পনায় রূপ দিয়েছেন পরিচালক। তাঁদের মতে, ইতিহাস নিয়ে আলোচনার সুযোগ তৈরি করতেই এই সিনেমার নির্মাণ।

রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট

গত একুশের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির লক্ষ্য ছিল বাংলায় পদ্মফুল ফুটানো। কিন্তু রাজনৈতিক মহলের মতে, তারা সেই লক্ষ্য অর্জন করতে ব্যর্থ হয়েছে। ছাব্বিশের নির্বাচনের আগে ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’ মুক্তির মাধ্যমে ভোটারদের প্রভাবিত করতে চেয়েছে বিজেপি। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি এক ধরনের নির্বাচনী কৌশল যেখানে ভোটারদের ইতিহাসের নির্দিষ্ট ব্যাখ্যা দিয়ে প্রভাবিত করার চেষ্টা হচ্ছে।

ইন্ডিয়া জোটের পাল্টা আক্রমণ

বিরোধী জোট ইন্ডিয়া পাল্টা দাবি করেছে যে, সিনেমার মাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। তারা সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি বি সুদর্শনকে প্রার্থী করে রাজনৈতিক পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুঁড়েছে। তাঁদের মতে, নির্বাচনের আগে ইতিহাস বিকৃতির চেষ্টা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে দুর্বল করছে।

গণমাধ্যমের ভূমিকা

গণমাধ্যমে এই বিষয় নিয়ে তোলপাড় চলছে। সংবাদমাধ্যমের একাংশ বলছে, ইতিহাস নিয়ে আলোচনা হওয়া দরকার। আবার অন্য অংশ বলছে, এটি রাজনৈতিক লাভের জন্য নির্মিত সিনেমা। বিশ্লেষকরা বলছেন, সিনেমার বিষয়বস্তুকে কেন্দ্র করে বাংলায় বিভক্তি আরও তীব্র হবে।

সাধারণ মানুষের প্রতিক্রিয়া

সাধারণ দর্শকদের মধ্যে এই সিনেমা নিয়ে বিভক্ত মতামত দেখা যাচ্ছে। কেউ বলছেন ইতিহাসের অজানা দিক তুলে ধরেছেন পরিচালক। আবার কেউ বলছেন এটি প্রোপাগান্ডার সিনেমা। সামাজিক মাধ্যমে তর্ক-বিতর্ক চলছে, যা রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়াচ্ছে।

পরবর্তী পদক্ষেপ

মামলা খারিজ হলেও বিষয়টি শেষ হয়নি। আদালতের সিদ্ধান্তকে ঘিরে জনমনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আদালত মামলাটি খারিজ করলেও অন্যান্য ফোরামে আবেদন জানানো যেতে পারে। এখন দেখার বিষয়, মামলাকারী পক্ষ কীভাবে তাদের দাবিকে সামনে নিয়ে আসে এবং রাজনৈতিক মহল এটি নিয়ে কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানায়।

এই ঘটনায় স্পষ্ট হয়েছে যে সিনেমা শুধুমাত্র বিনোদনের মাধ্যম নয়, বরং রাজনৈতিক বার্তা দেওয়ারও একটি শক্তিশালী হাতিয়ার। 'দ্য বেঙ্গল ফাইলস' সেই বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটদান থেকে বিরত থাকার ঘোষণা দিল বিজেডি ও বিআরএস

উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটদান থেকে বিরত থাকার ঘোষণা দিল বিজেডি ও বিআরএস | Y বাংলা ডেক্স

উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটদান থেকে বিরত থাকার ঘোষণা দিল বিজেডি ও বিআরএস

Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক: দেশের রাজনৈতিক পরিবেশে নতুন আলোড়ন তুলেছে বিজু জনতা দল (বিজেডি) ও ভারত রাষ্ট্র সমিতি (বিআরএস)। আসন্ন উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে এই দুই আঞ্চলিক দল ভোটদান থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তাদের বক্তব্য, কেন্দ্রের দুই বড় দল—বিজেপি এবং কংগ্রেস—কৃষক সমস্যা সমাধানে যথেষ্ট উদ্যোগ দেখায়নি। এই প্রতিবাদী অবস্থান জাতীয় রাজনীতির অন্দরে আলোচনার ঝড় তুলেছে।

ভোটদান থেকে বিরত থাকার পেছনের কারণ

বিআরএসের কার্যনির্বাহী সভাপতি কেটি রামা রাও বলেন, “তেলেঙ্গানায় ইউরিয়ার ঘাটতির কারণে কৃষকরা চরম সমস্যায় পড়েছেন। কেন্দ্র সরকারের কোনো রাজনৈতিক সদিচ্ছা না থাকায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে আমরা ভোটদান থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। যদি ভোটে নোটার বিকল্প থাকত, সেটিও ব্যবহার করতাম।”

অন্যদিকে, বিজেডির সাংসদ সস্মিত পাত্র বলেন, “দলের প্রধান নবীন পট্টনায়ক শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কংগ্রেস ও বিজেপির রাজনৈতিক অবস্থান থেকে দূরে থেকে ওড়িশার উন্নয়নের দিকে মনোযোগ দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য। রাজ্যের মানুষের জীবনমান উন্নয়নের ওপরই আমাদের সম্পূর্ণ মনোযোগ থাকবে।”

পটভূমি: জগদীপ ধনকড়ের পদত্যাগ

২১ জুলাই রাতে আচমকাই শারীরিক সমস্যা দেখিয়ে প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনকড় পদত্যাগ করেন। এরপরই শুরু হয় নতুন প্রার্থী নিয়ে জল্পনা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও গৃহমন্ত্রী অমিত শাহ তাঁদের ঘনিষ্ঠ মহারাষ্ট্রের রাজ্যপাল সি পি রাধাকৃষ্ণানকে প্রার্থী করেন। অন্যদিকে ইন্ডিয়া জোট সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি বি সুদর্শন রেড্ডিকে প্রার্থী ঘোষণা করে চমক দেন।

দক্ষিণ ভারতীয় প্রার্থী বেছে নেওয়ার কৌশল

রাজনৈতিক মহলের ধারণা, দক্ষিণ ভারতের ভোটব্যাঙ্ককে কেন্দ্র করে এই কৌশল নেওয়া হয়েছে। রাধাকৃষ্ণান এবং সুদর্শন রেড্ডি—উভয়েই অন্ধ্রপ্রদেশের সন্তান। কেন্দ্রীয় রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ পদ নিয়ে অসন্তোষের মুখে দক্ষিণ ভারতের সমর্থন ধরে রাখতে এনডিএ এই পদক্ষেপ নিয়েছে। ইন্ডিয়া জোটও পাল্টা কৌশল হিসেবে দক্ষিণ ভারতের জনপ্রিয় নেতাকে প্রার্থী করেছে।

আঞ্চলিক দলের স্বাধীন অবস্থান

ভারতের গণতান্ত্রিক কাঠামোয় আঞ্চলিক দলগুলির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিজেডি ও বিআরএসের ভোটদান থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত শুধু প্রতিবাদ নয়, বরং একটি রাজনৈতিক বার্তা। কেন্দ্রীয় সরকারের ওপর চাপ তৈরি এবং স্থানীয় সমস্যার গুরুত্ব তুলে ধরাই তাদের উদ্দেশ্য। বিশেষ করে কৃষক সংকটের মতো সমস্যায় তাদের ভূমিকা সামনে এসেছে।

জাতীয় রাজনীতির ওপর সম্ভাব্য প্রভাব

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই সিদ্ধান্ত এনডিএ এবং ইন্ডিয়া জোটের জন্য সতর্কবার্তা। আঞ্চলিক দলগুলির গুরুত্ব উপেক্ষা করলে রাজনৈতিক সমীকরণ বদলে যেতে পারে। পাশাপাশি কৃষক সমস্যা জাতীয় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হতে পারে। আগামী নির্বাচনগুলোতেও এই ইস্যু ভোটারদের আকৃষ্ট করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আগামী দিনের রাজনৈতিক দিশা

রাজনীতির বিশ্লেষকরা মনে করছেন, নির্বাচনের আগে কেন্দ্রের দুই প্রধান দল কৃষক সমস্যার সমাধানে উদ্যোগী হবে। আঞ্চলিক দলগুলির অবস্থান আগামী দিনে আরও শক্তিশালী হবে। সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নের দাবি সামনে রেখে রাজনৈতিক পরিবেশ বদলে যেতে পারে। আগামী দিনে রাজনৈতিক সমীকরণে এই নির্বাচন বড় প্রভাব ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে।

সব মিলিয়ে বলা যায়, বিজেডি ও বিআরএসের ভোটদান থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত একদিকে যেমন প্রতিবাদ, তেমনই রাজনৈতিক বার্তা। এটি কৃষক সংকট, আঞ্চলিক উন্নয়ন এবং কেন্দ্রীয় সরকারের ভূমিকা নিয়ে আলোচনার নতুন দিশা তৈরি করেছে। নির্বাচনের ফলাফলে তাৎক্ষণিক প্রভাব না পড়লেও ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পরিস্থিতির জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

মনামীর নীল আলতা রহস্য ফাঁস – আসছে পুজোর উপহার ‘কল্কি’

মনামীর নীল আলতা রহস্য ফাঁস – আসছে পুজোর উপহার ‘কল্কি’ | Y বাংলা ডেস্ক

মনামীর ‘নীল আলতা রহস্য’ ফাঁস! আসছে পুজোর উপহার ‘কল্কি’

Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক: ফ্যাশনের দুনিয়ায় একাধিকবার নজর কেড়েছেন মনামী ঘোষ। তাঁর নিত্যনতুন সাজপোশাক নিয়ে আলোচনা হয় সোশাল মিডিয়ায়। কখনও প্লাস্টিকের ফ্রক, কখনও নকশিকাঁথার গাউন, আবার কখনও শাড়ির আঁচলে মৃণাল সেনের অবয়ব—সবকিছুতেই তাঁর অভিনবত্ব ফুটে ওঠে। এবার পুজোর আগেই তিনি হাজির হলেন এক নতুন চমক নিয়ে। তাঁর পুজোর গানের মিউজিক ভিডিও ‘কল্কি’র জন্য বিশেষ লুক বানিয়ে আলোচনা শুরু করেছেন।

আগস্ট মাসে নীল রঙের আলতা পরে সোশাল মিডিয়ায় আলোড়ন তৈরি করেছিলেন মনামী। সাধারণত আলতার রং লাল হলেও তিনি সেই প্রচলিত ধারণায় ছেদ টেনে নীল আলতার মাধ্যমে ফ্যাশনের নতুন ট্রেন্ডের জন্ম দিয়েছেন। সোমবার তিনি প্রকাশ করলেন সেই ‘নীল আলতা রহস্য’। হাতে নীল আলতা, গায়ে লাল শাড়ি ও ব্লাউজ, খোলা চুল এবং গলায় সর্পিল ডিজাইনের গয়না নিয়ে হাজির হয়ে সবাইকে মুগ্ধ করেছেন। রং মিলানো টিপ তাঁর সাজে আলাদাই এক সৌন্দর্য যোগ করেছে।

মনামী জানান, তাঁর এই নতুন লুকের পেছনে রয়েছে পৌরাণিক ধারণা। হিন্দু শাস্ত্র অনুযায়ী, বিষ্ণুর দশম ও শেষ অবতার ‘কল্কি’। যেহেতু বিষ্ণু নীল বর্ণ ধারণ করেন, সেহেতু নীল আলতা দিয়ে সাজা হয়েছে তাঁর চরিত্রের সঙ্গে মিল রেখে। শুধুমাত্র আলতা নয়, তাঁর গয়নাতেও পুরাণের ইঙ্গিত রয়েছে। সর্পিল গয়না নির্বাচন করেছেন তিনি, কারণ কল্কি পুরাণে সাপের উল্লেখ রয়েছে। এইভাবে ফ্যাশন ও ধর্মীয় ঐতিহ্যের সংমিশ্রণ ঘটিয়ে মনামী তৈরি করেছেন এক অনন্য লুক।

যদিও মিউজিক ভিডিওটি এখনও প্রকাশিত হয়নি, তবে পুজোর উপহার হিসেবে প্রথম লুক প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে কৌতূহল তৈরি হয়েছে। ‘আইলো উমা’র মতো জনপ্রিয় কাজের পর এবার ‘কল্কি, এলো রে গৌরী’ শিরোনামের গানেও দর্শক মাতিয়ে দেবেন তিনি বলে আশাবাদী ভক্তরা। তাঁর নাচ ও গানের মিশ্রণে পুজোর জলসায় নতুন রঙ আনতে চলেছেন মনামী।

মনামী বরাবরই তার সাহসী ফ্যাশন সেন্সের জন্য পরিচিত। একেকবার একেক রকম সাজে তাঁকে দেখা গেছে। কখনও প্লাস্টিকের পোশাক, কখনও পরিবেশ-বান্ধব উপাদান দিয়ে তৈরি গাউন, কখনও আবার অদ্ভুত প্রপস ব্যবহার করে নজর কেড়েছেন। এবার পুজোর আগে তাঁর এই নীল আলতার লুক শুধু ফ্যাশন নয়, আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যকেও তুলে ধরছে। এটি যেমন এক নতুন স্টাইল স্টেটমেন্ট, তেমনই পুজোর আনন্দের সঙ্গে পুরাণের সেতুবন্ধন।

মনামীর এই সাজ নিয়ে তাঁর অনুরাগীদের মধ্যে ইতিমধ্যেই আলোচনার ঝড় বইছে। কেউ তাঁর সাহসী উদ্যোগের প্রশংসা করছেন, আবার কেউ বলছেন এটি ফ্যাশনের নতুন ভাষা। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম তাঁর এই লুককে ফলো করতে শুরু করেছে। সোশাল মিডিয়ায় #নীলআলতা, #মনামীঘোষ, #কল্কিপুজো ট্যাগ ব্যবহার করে তাঁর ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়ছে।

পুজো মানেই নতুন সাজ, নতুন গান, নতুন অভিজ্ঞতা। সেই আনন্দকে কেন্দ্র করেই মনামী তাঁর নতুন মিউজিক ভিডিও ‘কল্কি’ নিয়ে হাজির হচ্ছেন। তাঁর সাজ, ভাবনা, পোশাক এবং পুরাণের সংমিশ্রণ তাঁকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে। পুজোর আনন্দে তাঁর এই নতুন অবতারের অপেক্ষায় রয়েছেন ভক্তরা। সব মিলিয়ে এটি শুধু একটি গান বা সাজ নয়, বরং ফ্যাশনের সঙ্গে সংস্কৃতির এক অনন্য মেলবন্ধন।

পুজোর আগে এই প্রথম লুক প্রকাশের পর থেকেই তাঁর অনুরাগীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস তৈরি হয়েছে। প্রত্যাশা যে, গানটি প্রকাশের পর এটি আরও বড় আলোচনায় আসবে। তাঁর নীল আলতা ও সর্পিল গয়না পরা লুক ইতিমধ্যেই ফ্যাশন জগতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। পুজোর সময় এটি আরও ভাইরাল হতে পারে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

নেপালে ‘জেন জেড’ আন্দোলন: সোশাল মিডিয়া নিষেধাজ্ঞায় অস্থিরতা, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ

নেপালে ‘জেন জেড’ আন্দোলন: সোশাল মিডিয়া নিষেধাজ্ঞায় অস্থিরতা, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ

নেপালে ‘জেন জেড’ আন্দোলন: সোশাল মিডিয়া নিষেধাজ্ঞায় অস্থিরতা, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ

Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক: সোশাল মিডিয়া নিষিদ্ধ হওয়া নিয়ে নেপালের তরুণ প্রজন্মের প্রতিবাদ আন্দোলন দেশজুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। এই পরিস্থিতির কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি নেতৃত্বাধীন সরকার। একাধিক অভিযোগ, দমন-পীড়ন এবং প্রশাসনিক ব্যর্থতার মুখে পড়েছে নেপাল। ইতিমধ্যেই সংঘর্ষে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ২১ জন, আহত হয়েছেন ২৫০ জনেরও বেশি। বিরোধী দলগুলির চাপ ও জনরোষের মুখে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখক পদত্যাগ করেছেন। পরিস্থিতি এখনও অস্থির এবং দেশে রাজনৈতিক সংকট ঘনীভূত হচ্ছে।

সংঘর্ষের পটভূমি

নেপালে সম্প্রতি ফেসবুক, ইউটিউব, এক্স, ইনস্টাগ্রামসহ প্রায় সব ধরনের সোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। প্রশাসনের দাবি, এই প্ল্যাটফর্মগুলি সরকারের সঙ্গে নথিবদ্ধ হয়নি এবং ‘অবাঞ্ছিত’ কনটেন্টের নজরদারি সম্ভব হচ্ছিল না। সাত দিনের মধ্যে নিবন্ধনের নির্দেশ দেওয়া হলেও কোনো সংস্থা তা মানেনি। ফলে কাঠমান্ডু প্রশাসন এই কঠোর সিদ্ধান্ত নেয়।

এই নিষেধাজ্ঞার পর থেকেই দেশের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ তৈরি হয়। তারা সোশাল মিডিয়াকে মত প্রকাশের প্রধান মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করতেন। ফেসবুক, এক্স, ইনস্টাগ্রামের মতো প্ল্যাটফর্ম বন্ধ হওয়ায় প্রতিবাদ সংগঠিত করা কঠিন হয়ে পড়ে। এই পরিস্থিতিতেই ‘জেন জেড’ প্রজন্ম রাস্তায় নেমে আসে। রাজধানী কাঠমান্ডু ছাড়াও বীরগঞ্জ, ভৈরহাওয়া, বুটওয়াল, পোখরা, ইটাহারি এবং দামকেও কারফিউ জারি করা হয়েছে। স্কুল-কলেজ বন্ধ, পরীক্ষা স্থগিত এবং রাজনৈতিক দলগুলির দপ্তরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

সংঘর্ষের সময়কাল এবং প্রাণহানির সংখ্যা

প্রতিবাদ শুরু হওয়ার পর থেকেই বিক্ষোভকারীরা পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে প্রশাসনিক এলাকায় ঢুকে পড়েন। একাধিক স্থানে লাঠিচার্জ, জলকামান ব্যবহার এবং গুলি চালানোর ঘটনাও ঘটেছে। গত ৪ সেপ্টেম্বর থেকে পরিস্থিতি ক্রমেই অবনতির দিকে গেছে। শেষ খবর পর্যন্ত ২১ জন প্রাণ হারিয়েছেন এবং ২৫০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে নারী, শিশু ও প্রবীণদেরও অন্তর্ভুক্ত বলে জানা গেছে।

রাজনৈতিক চাপ এবং পদত্যাগ

বিরোধী দলগুলি প্রধানমন্ত্রী ওলির বিরুদ্ধে পদত্যাগের দাবি জানিয়েছে। আন্দোলনের মুখে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখক নিজেই পদত্যাগ করেন। যদিও সরকার এই পদক্ষেপকে রাজনৈতিক চাপ কমানোর কৌশল বলে ব্যাখ্যা করছে। এক সূত্রে জানা গেছে, প্রাণহানির পর নিজেই পদত্যাগ করতে চাইছিলেন রমেশ লেখক। আন্দোলনকারীদের দাবি, সরকারের সিদ্ধান্ত নাগরিকদের মৌলিক অধিকার খর্ব করছে। তারা এই নিষেধাজ্ঞাকে মত প্রকাশের স্বাধীনতার ওপর আঘাত হিসেবে দেখছেন।

আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া

রাষ্ট্রসংঘ ইতিমধ্যেই সব রাজনৈতিক দলকে একত্রিত হয়ে শান্তি ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানিয়েছে। দেশটির স্থিতিশীলতা নষ্ট হলে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলি সোশাল মিডিয়ার স্বাধীনতা খর্ব করার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। তবে সরকারের যুক্তি, অনিয়ন্ত্রিত প্ল্যাটফর্মে চরমপন্থী মত ছড়ানোর সুযোগ তৈরি হচ্ছিল।

নিষিদ্ধ প্ল্যাটফর্মের তালিকা

নিষিদ্ধ প্ল্যাটফর্মের মধ্যে রয়েছে ফেসবুক, ইউটিউব, ইনস্টাগ্রাম, এক্স, লিঙ্কডইন, রেডিট, হোয়াটসঅ্যাপ, স্ন্যাপচ্যাটসহ অনেক জনপ্রিয় মাধ্যম। তবে টিকটক, ভাইবার, উইটক, নিমবুজ, টেলিগ্রাম এবং গ্লোবাল ডায়রির মতো প্ল্যাটফর্ম বন্ধ করা হয়নি। সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, দেশীয় ও আন্তর্জাতিক সব প্ল্যাটফর্মকে সরকারি নথিভুক্ত হতে হবে যাতে নজরদারি নিশ্চিত করা যায়।

প্রশাসনের অবস্থান

সরকারের বক্তব্য, অনিয়ন্ত্রিত সামাজিক মাধ্যম দেশের নিরাপত্তা এবং প্রশাসনিক কাঠামোর জন্য ঝুঁকি তৈরি করছে। তারা দাবি করছে, এই প্ল্যাটফর্মগুলির মাধ্যমে ভুয়া খবর ছড়ানো হচ্ছে এবং আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটছে। তবে সমালোচকেরা বলছেন, এটি আসলে বিরোধীদের প্রতিবাদ দমন করার পরিকল্পিত পদক্ষেপ। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই পরিস্থিতির ফলে সরকার আরও চাপের মুখে পড়বে।

তরুণদের প্রতিরোধ

‘জেন জেড’ প্রজন্মের তরুণেরা সোশাল মিডিয়া বন্ধ হওয়াকে তাদের মত প্রকাশের অধিকার কেড়ে নেওয়ার শামিল মনে করছেন। তারা রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করছেন। সংসদ ভবন পর্যন্ত বিক্ষোভকারীরা প্রবেশ করেন এবং প্রশাসনের ব্যারিকেড ভেঙে ফেলেন। পুলিশ বাধ্য হয়ে লাঠিচার্জ শুরু করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সেনা নামানো হয়েছে। বিক্ষোভকারীরা সরকারের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছেন।

আগামী পরিস্থিতি

বর্তমানে নেপালের রাজনৈতিক পরিস্থিতি অনিশ্চিত। বিরোধী দলগুলি একত্রিত হচ্ছে। আন্তর্জাতিক মহলও এই পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে। সামাজিক মাধ্যমের ওপর নিষেধাজ্ঞা নিয়ে আলোচনা চলছেই। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সংকটের সমাধান না হলে নেপালের অর্থনীতি এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা আরও খারাপ হতে পারে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

মতুয়া গড় জিততেই হবে – অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বার্তা, ছাব্বিশের ভোটে বনগাঁ দখলই লক্ষ্য

মতুয়া গড় জিততেই হবে – অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বার্তা, ছাব্বিশের ভোটে বনগাঁ দখলই লক্ষ্য

মতুয়া গড় জিততেই হবে – ছাব্বিশের ভোটে বনগাঁ দখলই পাখির চোখ অভিষেকের

একুশের বিধানসভা নির্বাচন এবং চব্বিশের লোকসভা ভোটে পদ্মশিবিরের দখলে গিয়েছিল বনগাঁ। তবে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস এখন থেকেই প্রস্তুতি শুরু করেছে। বিশেষত বনগাঁ, যা মতুয়া সম্প্রদায়ের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত, সেখানে জয় ছিনিয়ে আনাই এখন তাদের প্রধান লক্ষ্য। সোমবার কলকাতার ক্যামাক স্ট্রিটে বনগাঁর সাংগঠনিক জেলা নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বৈঠকে তিনি সাফ জানিয়ে দেন – “মতুয়া গড়ে জিততে হবে। আর কোনও দ্বিতীয় কথা নেই। একজোট হয়ে মতুয়া গড়ের লড়াইয়ে নেমে পড়ুন সবাই।”

বনগাঁ উত্তর ও দক্ষিণ – দুটি আসনেই একুশের নির্বাচনে বিজেপির দখলে গিয়েছিল। এই পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটানোই অভিষেকের পরিকল্পনা। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যসভার সাংসদ মমতাবালা ঠাকুর, বাগদার বিধায়ক মধুপর্ণা ঠাকুর, প্রাক্তন বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাস সহ জেলার গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্ব। অভিষেক তাঁদের উদ্দেশে বলেন, “মতুয়াদের মধ্যে বিজেপির ভোট বাড়ছে কেন তা বিশ্লেষণ করতে হবে। নিজেদের মধ্যে নিবিড় যোগাযোগ স্থাপন করুন। ভোটব্যাঙ্ক রক্ষায় সচেষ্ট হোন।”

বৈঠকে মতুয়া সম্প্রদায়ের রাজনৈতিক গুরুত্বের পাশাপাশি সাম্প্রতিক ঘটনাও উঠে আসে। দুই বছর আগে অভিষেকের 'নবজোয়ার' কর্মসূচির সময় বনগাঁর ঠাকুরবাড়িতে তাঁর সফরে বাধার সৃষ্টি হয়েছিল। বৈঠকে তিনি সে ঘটনাও তুলে ধরে সতর্ক করেন – রাজনৈতিক বিভাজন ছাড়িয়ে একজোট হয়ে লড়াই করতে হবে। তাঁর এই বার্তায় পরিষ্কার – মতুয়া গড়ে জয় ছিনিয়ে না আনলে ২০২৬ সালের লক্ষ্য পূরণ সম্ভব নয়।

রাজনৈতিক মহল মনে করছে, অভিষেকের এই বার্তা তৃণমূলের সংগঠন শক্তিশালী করার কৌশল। বিশেষ করে মতুয়া সম্প্রদায়ের মধ্যে বিজেপির উপস্থিতি বাড়ছে – সেই বাস্তবতা উপলব্ধি করেই এখন থেকেই শক্ত অবস্থান তৈরি করতে চাইছে দল। নেতৃত্বের মধ্যে ঐক্য বজায় রেখে এবং মাঠপর্যায়ে সক্রিয় প্রচারের মাধ্যমে নির্বাচনী পরিস্থিতি পাল্টানোর জন্য এখন থেকেই পরিকল্পনা শুরু হয়েছে।

অভিষেকের বক্তব্যে স্পষ্ট – নির্বাচনের আগে বনগাঁ দখলের লক্ষ্য ছাড়াও সংগঠনের মধ্যে ঐক্য গড়ে তোলা, ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানো, এবং মতুয়া সমাজের ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরে রাজনৈতিক শক্তি বৃদ্ধি করাই এখন অগ্রাধিকার। আগামী দিনে এই পদক্ষেপ বাংলার রাজনৈতিক মানচিত্রে নতুন আলোচনার জন্ম দিতে পারে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

নাগরিকত্ব যাচাই নিয়ে জাতীয় বিতর্ক

আধার কার্ড নাগরিকত্ব প্রমাণ নয় – সুপ্রিম কোর্টের রায় ও সোনালিবিবির মানবিক সংকট

আধার কার্ড নাগরিকত্ব প্রমাণ নয় – সুপ্রিম কোর্টের রায় ও সোনালিবিবির মানবিক সংকট

কলকাতা, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫:

ভারতের সুপ্রিম কোর্ট আবারও পরিষ্কার জানিয়ে দিল — আধার কার্ড নাগরিকত্ব প্রমাণের জন্য বৈধ নথি নয়। বিহারের ভোটার তালিকার সংশোধন সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ মামলায় আদালত বলেছে, ভোটার তালিকার সঙ্গে সংযুক্ত নথির তালিকায় আধার কার্ড ব্যবহার করা যেতে পারে, কিন্তু তা নাগরিকত্ব প্রমাণের জন্য গ্রহণযোগ্য নয়। আদালতের এই রায় দেশজুড়ে নাগরিকত্ব যাচাই নিয়ে চলমান বিতর্কে এক নতুন দিশা এনে দিলেও মানবাধিকারের প্রশ্নে উদ্বেগ আরও বাড়িয়েছে।

✅ সুপ্রিম কোর্টের রায়ের বিস্তারিত

শুনানির সময় সুপ্রিম কোর্ট পর্যবেক্ষণ করেছে যে, আধার কার্ড শুধুমাত্র একটি পরিচয়পত্র। এটি সরকারি পরিষেবা গ্রহণের জন্য ব্যবহারযোগ্য হলেও নাগরিকত্বের প্রমাণ হিসেবে এটি গ্রহণ করা যায় না। আদালত স্পষ্ট করেছে—

  • ভোটার তালিকা সংশোধনের ক্ষেত্রে আধার কার্ডের ব্যবহার সীমিত।
  • নাগরিকত্ব নির্ধারণের জন্য অন্যান্য প্রমাণপত্র প্রয়োজন।
  • নির্বাচন কমিশনের কাজ হচ্ছে ভোটার তালিকা সঠিক রাখা, নাগরিকত্ব যাচাই করা নয়।

আইনি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আদালতের রায় নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা বজায় রাখতে সাহায্য করবে, কিন্তু মানবাধিকার রক্ষায় সরকারের নীতিকে আরও কঠোরভাবে যাচাই করতে বাধ্য করবে।

✅ কলকাতা হাই কোর্টে সোনালির মামলা – স্থগিতের কারণ

সোনালিবিবির মামলা কলকাতা হাই কোর্টে শুনানির তালিকায় থাকলেও আইনজীবী সংগঠনের ধর্মঘটের কারণে শুনানি স্থগিত করা হয়। বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী জানিয়েছেন, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুসারে দ্রুত শুনানি করে মামলা নিষ্পত্তি করতে হবে। মঙ্গলবার পুনরায় মামলার শুনানি হবে বলে জানানো হয়েছে।

✅ সোনালিবিবির মানবিক কাহিনি – এক গভীর সংকট

সোনালিবিবির জীবন শুরু হয়েছিল বীরভূম জেলার এক দরিদ্র গ্রামে। স্বামী দানিশ ও একরত্তি সন্তানকে নিয়ে জীবিকা সন্ধানে তিনি দিল্লিতে গিয়েছিলেন। সেখানে অস্থায়ী শ্রমিক হিসেবে জীবন শুরু করেন। তাঁরা কাগজ কুড়ানো, ইট ভাঙা, দৈনিক মজুরি শ্রমিক হিসেবে জীবন কাটাতেন।

আধার কার্ড ও ভোটার কার্ড থাকলেও নাগরিকত্ব যাচাই অভিযানে তাঁদের গ্রেফতার করা হয়। বাংলায় কথা বলা, স্থানীয় পরিচয়পত্র থাকা সত্ত্বেও তাঁদের বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। স্থানীয় প্রশাসনের ভ্রান্ত ধারণায় তাঁদের আটক করা হয় এবং পরে অসম সীমান্ত দিয়ে পুশব্যাক করে বাংলাদেশে পাঠানো হয়।

বাংলাদেশে পৌঁছানোর পর নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে না পারায় তাঁকে আটক রেখে জেলখানায় পাঠানো হয়। আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা সোনালিবিবির চিকিৎসা, নিরাপত্তা এবং মানবিক অধিকার কোথায় তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তাঁর সন্তানের ভবিষ্যৎ আজ ঝুলে আছে।

✅ নাগরিকত্ব যাচাই নিয়ে জাতীয় বিতর্ক

দেশজুড়ে নাগরিকত্ব যাচাই অভিযান শুরু হওয়ার পর বহু দরিদ্র শ্রমিক, পরিযায়ী পরিবার এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠী নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে না পারায় ভীতির মধ্যে পড়েছে। বিশেষ করে যারা বাংলায় কথা বলে, যাদের স্থায়ী ঠিকানা নেই বা যারা দরিদ্র জীবিকা নিয়ে বেঁচে আছে তাদের ওপর সন্দেহের তির নির্দেশ করা হয়েছে।

✅ রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া

রাজনৈতিক মহলে এই রায় নিয়ে আলোচনার ঝড় উঠেছে। শাসকদল বলছে, আদালতের রায় নির্বাচন কমিশনের অবস্থানকে সমর্থন করছে। অন্যদিকে বিরোধীরা অভিযোগ করছেন যে নাগরিকত্ব যাচাই অভিযানে দরিদ্র মানুষকে হয়রানির মুখে ফেলা হচ্ছে।

✅ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার প্রতিক্রিয়া

জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা নাগরিকত্বহীনতার কারণে মানবাধিকারের লঙ্ঘন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। বিশেষ করে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও শিশুর স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার প্রশ্নে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

✅ সামনে কী হওয়া উচিত?

  • নাগরিকত্ব যাচাইকে মানবাধিকার রক্ষার কাঠামোর মধ্যে আনতে হবে।
  • আধার কার্ডকে নাগরিকত্ব প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা বন্ধ করতে হবে।
  • প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য আইনি সহায়তা কেন্দ্র গড়ে তুলতে হবে।
  • অন্তঃসত্ত্বা নারী ও শিশুদের জন্য বিশেষ স্বাস্থ্য সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে।
  • বিচারালয় দ্রুত শুনানির মাধ্যমে নাগরিকত্ব নিয়ে অনিশ্চয়তা দূর করতে পারে।

✅ উপসংহার

সুপ্রিম কোর্টের রায় নাগরিকত্ব যাচাইয়ে নতুন দিশা দিলেও সোনালিবিবির কাহিনি দেখিয়ে দিয়েছে বাস্তব জীবনে এই নীতির কী ভয়াবহ প্রভাব পড়ছে। নাগরিকত্ব নিয়ে সন্দেহের নামে দরিদ্র পরিবারগুলো অনিরাপদ জীবনের মুখে পড়ছে। আদালতের নির্দেশের আলোকে প্রশাসনের উচিত স্বচ্ছতা ও মানবিকতার ভিত্তিতে নাগরিকত্ব যাচাই প্রক্রিয়াকে গড়ে তোলা। নাগরিকত্বের অভাব একদিনের সমস্যা নয়—তা এক জীবনের অস্তিত্ব, এক শিশুর ভবিষ্যৎ, এক সমাজের মর্যাদার প্রশ্ন।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

আবেগঘন উইকেন্ড কা বার- কুণিকার পাশে ছেলে আয়ান, কেঁদে ফেললেন সলমন খান

Bigg Boss 19: আবেগঘন উইকেন্ড কা বার- কুণিকার পাশে ছেলে আয়ান, কেঁদে ফেললেন সলমন খান

Bigg Boss 19: আবেগঘন উইকেন্ড কা বার- কুণিকার পাশে ছেলে আয়ান, কেঁদে ফেললেন সলমন খান

Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক: বিগ বস ১৯-এর সাম্প্রতিক উইকেন্ড কা বার এপিসোড হয়ে উঠেছিল আবেগঘন মুহূর্তে ভরা। প্রতিযোগীদের নানা বিতর্ক ও ব্যক্তিগত মন্তব্যে ক্ষুব্ধ হন সঞ্চালক সলমন খান। কুণিকা লাল এবং তাঁর ছেলে আয়ানকে ঘিরে আবেগাপ্লুত হয়ে ওঠে গোটা বাড়ি। দর্শকের মনেও ছুঁয়ে যায় সেই সময়ের প্রতিটি দৃশ্য।

📌 আয়ানের মায়ের উদ্দেশ্যে মর্মস্পর্শী বার্তা ঘরের আবহ পাল্টে দেয়।

সলমনের সতর্কবার্তা

উইকেন্ড কা বার শুরুর মুহূর্ত থেকেই সলমন খান প্রতিযোগীদের উদ্দেশে কড়া বার্তা দেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, কারও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কটু মন্তব্য করা যাবে না। ফারহানা যখন কুণিকাকে ফ্লপ অভিনেত্রী আখ্যা দেন এবং তাঁর সন্তানদের ব্যক্তিগত জীবনে টেনে আনেন, তখন সলমন দৃঢ়ভাবে জানান — এটি অগ্রহণযোগ্য।

ছেলে আয়ানের আবেগঘন বার্তা

এরপর ঘরে প্রবেশ করেন কুণিকার ছেলে আয়ান। মায়ের উদ্দেশ্যে তাঁর বার্তা শোনার পর পুরো ঘরের পরিবেশ বদলে যায়। তিনি বলেন, “পুরো হিন্দুস্তান তোমায় দেখছে, মা। তুমি এটা শেষ না করে বেরোবে না। আমরা সবাই তোমার জন্য গর্বিত। তুমি আইনজীবী হিসেবে যেভাবে কিন্নর সমাজকে সাহায্য করেছো, তা ভোলার নয়।”

আবেগে কণ্ঠ ভারী হয়ে ওঠে আয়ানের। তিনি আরও বলেন, “তুমি তোমার বাবার জন্য, স্বামীর জন্য, ছেলেদের জন্য জীবন কাটিয়েছ। এখন তোমার নিজের জন্য বাঁচতে হবে। তোমার বয়স ৬২ বছর। এখন নিজের শক্তি তুমি নিজেকে দাও, মা।”

অতীত সংগ্রামের গল্প

আয়ান আলাপচারিতার সময় মায়ের অতীত সংগ্রামের কাহিনি ভাগ করেন। মাত্র ১৭ বছর বয়সে কীভাবে এক অসম্পূর্ণ শৈশব থেকে বেরিয়ে এসে কুণিকা সংসার ও সন্তানদের জন্য লড়াই করেছেন, সেই কথা স্মরণ করান তিনি। তিনি বলেন, “এক ছোট্ট মেয়ের স্বপ্ন ছিল সুখী সংসার, কিন্তু সেই পথ কখনও সহজ হয়নি। তবুও মা লড়াই থামাননি।”

সেই সময়ে সলমন খানও আবেগ ধরে রাখতে পারেননি। আয়ানের কথা শুনে চোখের জল ফেলে দেন তিনি। গোটা বাড়ির প্রতিযোগীরা এক অদ্ভুত নীরবতায় এই দৃশ্য প্রত্যক্ষ করেন।

বাড়ির ভেতরে প্রভাব

আয়ানের বক্তব্যের পরে প্রতিযোগীরা নিজেদের আচরণ নিয়ে ভাবতে শুরু করেন। সলমন আবারও মনে করিয়ে দেন, “রিয়্যালিটি শো-তে প্রতিযোগিতা চলুক, কিন্তু কারও ব্যক্তিগত জীবনের উপর আঘাত করে নয়।” এপিসোড শেষে দর্শকদের প্রতিক্রিয়াও স্পষ্ট— তারা কুণিকার লড়াই ও সাহসকে সম্মান জানিয়েছেন।

👉 এই ঘটনাই আবারও প্রমাণ করল, বিগ বস শুধু বিনোদনের মঞ্চ নয়, জীবনের কঠিন বাস্তব ও আবেগ ভাগ করে নেওয়ার জায়গাও বটে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

রাজ্যের সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ: সুপ্রিম কোর্টে শেষ হল শুনানি

রাজ্যের সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ: সুপ্রিম কোর্টে শেষ হল শুনানি

রাজ্যের সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ: সুপ্রিম কোর্টে শেষ হল শুনানি

দেশের শীর্ষ আদালত রাজ্য সরকারকে আগেই সময়সীমা দিয়েছিল। সরকারি কর্মীদের মহার্ঘ ভাতা সংক্রান্ত মামলা নিয়ে বারবার উত্তপ্ত হয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। বিশেষত রাজ্যের সরকারি কর্মীদের বকেয়া ২৫ শতাংশ ডিএ পরিশোধের জন্য আদালত রাজ্যকে ছয় সপ্তাহ সময় বেঁধে দিয়েছিল। কিন্তু সেই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বকেয়া ডিএ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয়েছে রাজ্য সরকার।

বকেয়া ২৫ শতাংশ ডিএ পরিশোধের জন্য যে বিপুল পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন, তা রাজ্যের ভাঁড়ারে নেই বলে অতিরিক্ত ছয় মাস সময় চেয়ে আদালতের কাছে আবেদন জানিয়েছে রাজ্য সরকার। সূত্রের খবর, এই আবহে সুপ্রিম কোর্টে প্রায় সময়েই শুনানি হয়েছে। তারিখের পর তারিখ পড়লেও মামলা এগোয়নি। বেশ কিছুবার ডিএ মামলার শুনানি পিছিয়ে গিয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টে শেষ হল শুনানি

সোমবারই মামলার শুনানি শেষ হয়েছে। আপাতত রায়দান স্থগিত রেখেছেন বিচারপতি সঞ্জয় কুমার এবং বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র-এর বেঞ্চ। রাজ্যের পক্ষের আইনজীবী আদালতে যুক্তি তুলে ধরেছিলেন যে, সরকারি কর্মীদের মহার্ঘ ভাতা বাধ্যতামূলক নয়। এছাড়া মহার্ঘ ভাতা নিয়ে সরকারি কর্মীদের আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার কোন আইনি অধিকার নেই।

আইনজীবীর যুক্তি ছিল, কেন্দ্র ও রাজ্যের আর্থিক কাঠামো আলাদা। তাই কেন্দ্র যে হারে তাদের কর্মীদের ডিএ দেয়, সেই একই হারে রাজ্য সরকারের পক্ষে পরিশোধ সম্ভব নয়। মামলার সূত্রপাত ছিল, কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মীরা যে হারে ডিএ পায়, রাজ্যকেও সেই একই ডিএ দিতে হবে—এই দাবি থেকে।

মামলার মূল প্রশ্ন

বিগত কয়েকদিন ধরে মামলাটি আদালতে উত্তপ্ত পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। শুনানির শুরুতেই মামলাকারীর আইনজীবীর প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছিল রাজ্যকে। মামলাকারী পক্ষের আইনজীবী করুণা নন্দী আদালতে জানান, কেরল সরকার এআইসিপিআই মানা না হলেও সরকারি কর্মচারীদের নির্দিষ্ট সময়ে ডিএ পরিশোধ করেছে। এই উদাহরণ দিয়ে তিনি আদালতের বিচারকদের বোঝান যে, সরকার চাইলে মহার্ঘ ভাতা দিতে পারে।

রাজ্যের যুক্তি

রাজ্যের আইনজীবী আদালতে বলেন, অর্থের সীমাবদ্ধতার কারণে এবং রাজ্যের আর্থিক কাঠামো ভিন্ন হওয়ায়, মহার্ঘ ভাতা দেওয়া কঠিন। কেন্দ্রের হারের সঙ্গে মিলিয়ে রাজ্য প্রশাসনের জন্য তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। এছাড়া, সরকারি কর্মীদের আর্থিক দিক থেকে চাপ কমাতে রাজ্য ইতিমধ্যেই বিভিন্ন প্রণোদনা এবং সুবিধা দিয়েছে।

মামলার প্রভাব ও পরবর্তী ধাপ

মামলার এই অবস্থা রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের মধ্যে সুসংগঠিত সমঝোতা এবং সরকারি কর্মচারীদের জন্য স্বচ্ছ নীতি গ্রহণের প্রয়োজনীয়তাকে তুলে ধরেছে। আদালতের রায় স্থগিত থাকায় পরবর্তী শুনানির তারিখ ঘোষণা করা হবে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, অর্থায়নের দিক এবং কেন্দ্র-রাজ্য কাঠামো বিবেচনা করে চূড়ান্ত রায় দেওয়া হবে।

এতে রাজ্য সরকারের উপর চাপ কমাতে, আর্থিক পরিকল্পনা অনুযায়ী ডিএ পরিশোধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সরকারি কর্মীদের জন্য মহার্ঘ ভাতা ও বকেয়া ডিএ বিতর্ক এখনও রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে আলোচনার বিষয় হয়ে রয়েছে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

বাংলায় আসছেন মোদী ও ডোভাল, নজর থাকবে রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা মহলে

কলকাতায় Combined Commanders’ Conference: প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় সংস্কার ও রূপান্তর

কলকাতায় Combined Commanders’ Conference: প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় সংস্কার ও রূপান্তর

আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে কলকাতায় শুরু হচ্ছে Combined Commanders’ Conference (CCC), যা চলবে ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এই সম্মেলনের মূল লক্ষ্য ভারতের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় সংস্কার, রূপান্তর এবং ভবিষ্যতের জন্য আধুনিকীকরণ। ২০২৫ সালের এই সম্মেলনের থিম নির্বাচিত হয়েছে – 'সংস্কারের বছর, ভবিষ্যতের জন্য রূপান্তর'।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন। সঙ্গে উপস্থিত থাকবেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল, প্রতিরক্ষা রাজ্যমন্ত্রী, প্রতিরক্ষা প্রধান (CDS), প্রতিরক্ষা সচিব এবং তিন বাহিনীর সর্বোচ্চ পদস্থ আধিকারিকরা। এছাড়াও প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তাদের এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবরাও সম্মেলনে অংশগ্রহণ করবেন।

সম্মেলনের মূল বিষয়

সম্মেলনের আলোচ্যসূচিতে রয়েছে সশস্ত্র বাহিনীর প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার, প্রযুক্তিগত আধুনিকীকরণ এবং বহুমাত্রিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় অপারেশনাল প্রস্তুতি জোরদারের কৌশল। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান জটিল ভূ-কৌশলগত পরিস্থিতিতে ভারতীয় সেনাবাহিনীকে আরও চটপটে ও সিদ্ধান্তমূলক করে তোলার জন্য এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।

অফিসার ও কর্মীদের সঙ্গে বিশেষ ইন্টারেক্টিভ সেশন অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে তারা তাঁদের বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং দৃষ্টিভঙ্গি শেয়ার করবেন। এটি একদিকে যেমন আধিকারিকদের চিন্তা ও পরামর্শ নেওয়ার সুযোগ করে দিচ্ছে, তেমনি অন্যদিকে সশস্ত্র বাহিনীর রূপান্তর ও প্রস্তুতি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা চালানোর সুযোগ দিচ্ছে।

প্রধান আলোচ্যসূচি ও অগ্রাধিকার

  • প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের মাধ্যমে সশস্ত্র বাহিনীর দক্ষতা বৃদ্ধি।
  • প্রযুক্তিগত আধুনিকীকরণের মাধ্যমে সামরিক শক্তি ও প্রস্তুতি শক্তিশালী করা।
  • বহুমাত্রিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কৌশল নির্ধারণ।
  • অফিসার ও কর্মীদের অভিজ্ঞতা অনুযায়ী অপারেশনাল প্রস্তুতি উন্নয়ন।

প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকরা মনে করছেন, জটিল আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক পরিস্থিতির মধ্যে, ভারতীয় সেনাবাহিনীকে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া, প্রযুক্তিগত আধুনিকীকরণ এবং উচ্চ দক্ষতা সম্পন্ন করা অত্যন্ত জরুরি। Combined Commanders’ Conference এই উদ্দেশ্যেই আয়োজন করা হয়েছে।

উচ্চ পর্যায়ের উপস্থিতি

প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি উপস্থিত থাকবেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল, প্রতিরক্ষা প্রধান (CDS), প্রতিরক্ষা সচিব এবং তিন বাহিনীর সর্বোচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা। এছাড়া প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করবেন। সম্মেলনে প্রতিরক্ষা নীতি, আধুনিক প্রযুক্তি ও বাহিনীর রূপান্তর নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে।

বাংলাদেশ সীমান্ত ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা

সম্মেলনে বহুমাত্রিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জের মধ্যে বাংলাদেশ, চীন এবং পাকিস্তানের প্রভাব, এবং ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর প্রস্তুতি কৌশলও আলোচিত হবে। বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, এই সম্মেলনের মাধ্যমে ভারতীয় সেনাবাহিনীকে কার্যকর এবং সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য আরও শক্তিশালী করা হবে।

উপসংহার

কলকাতায় এই তিনদিনের সম্মেলন ভারতীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য নতুন দিকনির্দেশনা প্রদান করবে। আধুনিক প্রযুক্তি, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার এবং অপারেশনাল প্রস্তুতি নিশ্চিত করা হবে। প্রধানমন্ত্রী মোদী, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল এবং অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তাদের উপস্থিতি এই সম্মেলনের গুরুত্ব আরও বাড়িয়েছে।

Combined Commanders’ Conference শুধুমাত্র একত্রিত আলোচনার মঞ্চ নয়, বরং এটি ভবিষ্যতের জন্য রূপান্তর ও সংস্কারের বার্তা বহন করছে। ভারতীয় সেনাবাহিনীকে চটপটে, দক্ষ ও প্রযুক্তিগতভাবে শক্তিশালী করে তোলাই এই সম্মেলনের মূল লক্ষ্য।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

Featured post

Y বাংলা ব্যুরো: ভোটার তালিকা সংশোধনে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডে না নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা সংশোধন (SIR, ২০২৬) প্রক্রিয়ায় ম...

Search This Blog