Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Saturday, 20 September 2025

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পুজোমণ্ডপ উদ্বোধন, মাতৃপ্রতিমা উদ্বোধনে রাখলেন সময়

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পুজোমণ্ডপ উদ্বোধন, মাতৃপ্রতিমা উদ্বোধনে রাখলেন সময়

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পুজোমণ্ডপ উদ্বোধন করলেন, মাতৃপ্রতিমা উদ্বোধনে রাখলেন সময়

আপডেট: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পুজোমণ্ডপ উদ্বোধন

ছবি: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কলকাতার পুজোমণ্ডপ উদ্বোধন করছেন

কলকাতার হাতিবাগান সর্বজনীন, টালা প্রত্যয় ও শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাব—এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দুর্গাপুজোর মণ্ডপ শনিবার উদ্বোধন করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে উদ্বোধনের সময় তিনি মণ্ডপের ভেতরে প্রবেশ করেননি। তাঁর বক্তব্য ছিল, “আমি পুজোমণ্ডপ উদ্বোধন করতে এসেছি, মাতৃপ্রতিমার নয়। মহালয়ার দিন থেকে মাতৃপ্রতিমার উদ্বোধন করব।”

সকাল বৃষ্টিভেজা আকাশের মধ্যে হাতিবাগান সর্বজনীন মণ্ডপে পৌঁছে ফিতে কেটে উদ্বোধন করেন মমতা। বারবার তিনি মঞ্চ থেকে স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, মণ্ডপে যাওয়া নয়, শুধু উদ্বোধন করাই আজকের উদ্দেশ্য। “আমি কিন্তু কেবল মণ্ডপের উদ্বোধন করছি,” বলেন তিনি। এছাড়াও তিনি জানান, মহালয়ার দিন তর্পণ ও চণ্ডীপাঠের পরই মাতৃপ্রতিমার উদ্বোধন করবেন।

হাতিবাগান সর্বজনীন মণ্ডপের পর তিনি টালা প্রত্যয় এবং শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাবেও একই কার্যক্রম সম্পন্ন করেন। প্রত্যেক স্থানে মুখ্যমন্ত্রী বারবার জানিয়ে দেন, মাতৃপ্রতিমার উদ্বোধন করার দিন আলাদা। এই ঘোষণার মাধ্যমে অনেকের মনে হয়েছে, তিনি নাম না করে তৃণমূলের শীর্ষ নেতা শুভেন্দু অধিকারীর ‘হিন্দুবিরোধী’ মন্তব্যের জবাব দিচ্ছেন।

মমতার এই কার্যক্রমে মূলত লক্ষ্য ছিল মাতৃপ্রতিমা উদ্বোধনকে মহালয়ার সঙ্গে সংযুক্ত করা। তিনি বলেন, “দেবীপক্ষে মাতৃদেবীর উদ্বোধন করব। পুজোর মূল উৎসবের প্রস্তুতি এবং দেবীকে সন্মান প্রদানের জন্যই আমরা মহালয়ার দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করব।”

বাংলা ও বাঙালিদের অধিকার নিয়েও সরব মুখ্যমন্ত্রী

উদ্বোধনের সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা ভাষা ও বাঙালিদের উপর যে ধরনের হেনস্থার অভিযোগ উঠছে, সেটিকেও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যই হল মূল কথা। সকলেই নিজের মাতৃভাষাকে সম্মান করুক। কিন্তু বাংলা ভাষায় কথা বললে অত্যাচার করা হচ্ছে—এটি কখনোই মেনে নেওয়া যায় না। আমাদের লক্ষ্য সকলকে সমবেত করা এবং একে অপরের সংস্কৃতি ও ভাষার প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা।”

উল্লেখ্য, এই তিনটি মণ্ডপ কলকাতার সবচেয়ে জনপ্রিয় ও ঐতিহ্যবাহী পুজোমণ্ডপগুলোর মধ্যে পড়ে। হাতিবাগান সর্বজনীন মণ্ডপটি বরাবরের মতো এবারও মানুষের ভিড়ে মুখরিত থাকে। টালা প্রত্যয় এবং শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাব মণ্ডপও বহু বছর ধরে কলকাতার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও পুজোর আনন্দকে বহন করে আসছে।

মণ্ডপ উদ্বোধনের ধারাবাহিকতা

মুখ্যমন্ত্রী শনিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত তিনটি মণ্ডপে পা রাখেন। প্রতিটি মণ্ডপে তিনি ফিতে কেটে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। তবে ভেতরে প্রবেশ না করায় তা শুধুই আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, মমতার এই সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক কারণে হলেও তা পুজোর মৌলিক উৎসবকে শ্রদ্ধা জানানোর এক পদক্ষেপ।

উদ্বোধনকালে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় প্রশাসন এবং মণ্ডপ কমিটির সদস্যরা। এছাড়াও সেখানে উপস্থিত ছিলেন সাধারণ দর্শক ও ভক্তরা, যারা মুখ্যমন্ত্রীর হাতে ফিতে কাটা এবং উদ্বোধনের মুহূর্ত সরাসরি দেখার সুযোগ পেয়েছেন।

রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া

মুখ্যমন্ত্রীর এই পুজোমণ্ডপ উদ্বোধনকে অনেকেই রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের সঙ্গে যুক্ত করেছেন। বিশেষ করে শুভেন্দু অধিকারীর সাম্প্রতিক মন্তব্যের প্রেক্ষিতে মমতার বার্তাকে প্রকাশ্য প্রতিক্রিয়া হিসেবে দেখা হচ্ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, “মমতা শুধুমাত্র ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক দিক দিয়ে নয়, রাজনৈতিক দিক থেকেও এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নিজের অবস্থান দৃঢ় করেছেন।”

শহরের বিভিন্ন মিডিয়া হাউস এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোও মুখ্যমন্ত্রীর পুজোমণ্ডপ উদ্বোধনের খবর লাইভ কভারেজ দিয়েছে। বিশেষ করে মাতৃপ্রতিমা উদ্বোধনের তারিখ এবং মাতৃপ্রতিমাকে শ্রদ্ধার সঙ্গে উদযাপন করার বার্তাটি নিউজ হেডলাইনে বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

উধমপুর সেনা অভিযান: জওয়ান গুলিবিদ্ধ, তিন জঙ্গি লুকিয়ে রয়েছে

উধমপুর সেনা অভিযান: জওয়ান গুলিবিদ্ধ, তিন জঙ্গি লুকিয়ে রয়েছে

উধমপুর সেনা অভিযান: জওয়ান গুলিবিদ্ধ, তিন জঙ্গি লুকিয়ে রয়েছে

Y বাংলা ব্যুরো: জম্মু-কাশ্মীরের উধমপুরে সেনা অভিযানে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন এক জওয়ান। শুক্রবার রাত থেকে শুরু হওয়া এই অভিযান এখনও চলছে। আহত জওয়ানকে দ্রুত জেলার কম্যান্ড হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। সেনার আশঙ্কা, সেওজ ধার এলাকায় দুই থেকে তিনজন জঙ্গি লুকিয়ে রয়েছে। তাদের পাকড়াও বা এনকাউন্টার করার পরিকল্পনা করেছে সেনা।

ঘটনার বিবরণ

শুক্রবার গভীর রাতে হোয়াইট নাইট কর্পস জানায়, দোদা-উধমপুর সীমান্তে জঙ্গিদের সঙ্গে গুলি বিনিময় শুরু হয়েছে। এর আগে, রাত আটটা নাগাদ কিস্তওয়ারে একটি গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়েছিল সেনা ও পুলিশ। সেখানে জঙ্গিদের সঙ্গে গুলির লড়াই শুরু হয়। রাত সাড়ে দশটায় কর্পসের পক্ষ থেকে অভিযানের কথা জানানো হয়।

অস্ত্র উদ্ধার ও নিরাপত্তা ঝুঁকি

পুঞ্চ সেক্টর থেকে প্রচুর পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার করেছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। এর মধ্যে রয়েছে চিনা হ্যান্ড গ্রেনেড, কার্তুজ এবং ম্যাগাজিন। সেনার সন্দেহ, বড় কোনো হামলার ছক করেই এই অস্ত্র মজুত রাখা হয়েছিল। জম্মু-কাশ্মীরজুড়ে তল্লাশি অভিযান জারি রয়েছে।

গত নিরাপত্তা ঘটনা ও সাফল্য

চলতি মাসের ৮ তারিখ কুলগামে সেনা অভিযানে গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন দু’জন জওয়ান। বিগত কয়েক মাসে বড় রকমের সাফল্যও পেয়েছে বাহিনী। অগস্টে উত্তর কাশ্মীরের বান্দিপোরা জেলায় দুই লস্কর জঙ্গিকে খতম করা হয় এবং প্রচুর অস্ত্র বাজেয়াপ্ত করা হয়। কুলগামে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে আরও দুই জঙ্গি খতম হয়েছে।

আন্তর্জাতিক সীমান্তে পাকিস্তানি অনুপ্রবেশ

জম্মুর আরএস পুরা সেক্টরে আন্তর্জাতিক সীমান্তে পাকিস্তানি অনুপ্রবেশকারী ধরা পড়েছে। অক্ট্রই আউটপোস্টে অনুপ্রবেশের চেষ্টা লক্ষ্য করেন জওয়ানরা। চ্যালেঞ্জ করার পর কয়েক রাউন্ড গুলি চালানো হয়। পরে সীমান্ত বেড়ার কাছে ধরা পড়ে ধৃত সিরাজ খান, যিনি পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের সারগোধা জেলার বাসিন্দা। তার কাছ থেকে পাকিস্তানি মুদ্রা উদ্ধার হয়েছে।

উপসংহার

উধমপুরে চলমান এই অভিযান দেশের নিরাপত্তা বাহিনীর কার্যক্রম ও জঙ্গি কার্যক্রমের বিরুদ্ধে জোরদার সতর্কবার্তা। সেনা ও পুলিশের যৌথ তল্লাশি অভিযান ও সীমানা পাহারায় দেশের নিরাপত্তা জোরদার করা হচ্ছে।

উধমপুর সেনা অভিযান

ছবি: উধমপুর সেনা অভিযান

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

#উধমপুর #জম্মুকাশ্মীর #IndianArmy #সেনা_অভিযান #জঙ্গি #ThreeTerrorists #PoonchSector #সীমান্তনিরাপত্তা #BreakingNews #বাংলাখবর #Yবাংলা_ডিজিটাল #NationalSecurity #ভারত #Pakistan #ArmsSeizure

রাঁচি SSC ছাত্র ISIS-এর জন্য বোমা তৈরি: ১৩ গ্রেফতার, জঙ্গি চক্র ধ্বংস

রাঁচি SSC ছাত্র ISIS-এর জন্য বোমা তৈরি: ১৩ গ্রেফতার, জঙ্গি চক্র ধ্বংস

রাঁচি SSC ছাত্র ISIS-এর জন্য বোমা তৈরি, ১৩ গ্রেফতার

আপডেট: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

রাঁচি জঙ্গি গ্রেফতার অভিযান

ছবি: রাঁচির ইসলামনগরে বোমা তৈরির তবরক লজে অভিযান চলাকালীন উদ্ধারকৃত সামগ্রী

অভিযানের প্রেক্ষাপট

রাঁচির ইসলামনগর এলাকার তবরক লজ ছিল একটি নির্জন ও অচেনা স্থান। বাইরে এটি ‘হোটেল’-এর মতো দেখালেও ভেতরে ছিল অন্ধকার, স্যাঁতসেঁতে এবং জরাজীর্ণ। ছোট ছোট ঘর ভাড়া দেওয়া হতো। এই স্থানটি ব্যবহার করে SSC পরীক্ষার্থী আজহার দানিশ ISIS জঙ্গিগোষ্ঠীর জন্য বোমা তৈরি করছিল।

দিল্লি পুলিশের তদন্ত অনুযায়ী, গত সপ্তাহে আফতাব কুরেশিকে গ্রেফতার করে জেরা করা হয়। আফতাবের তথ্যের ভিত্তিতে আজহার দানিশ এবং আরও ১২ জনকে গ্রেফতার করা হয়। এটি ধ্বংস করেছে একটি বোমা তৈরির জঙ্গি চক্র যা নতুন সদস্যদের দলে টানছিল এবং নির্দিষ্ট রাজনৈতিক নেতাদের টার্গেট করার পরিকল্পনা করছিল।

বোমা তৈরির কৌশল ও সামগ্রী

গ্রেফতার হওয়া চক্রের ঘর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে:

  • গান পাউডার
  • পটাশিয়াম নাইট্রেট (সল্টপিটার)
  • দেশি তৈরি অস্ত্র
  • অ্যাসিটোন পারঅক্সাইড
  • PETN (পেন্টাএরিথ্রিটল টেট্রানাইট্রেট)

পটাশিয়াম নাইট্রেট বা সল্টপিটার একটি রাসায়নিক যা সার তৈরিতে ব্যবহার হয় এবং বোমার উপাদান হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ। PETN এবং অ্যাসিটোন পারঅক্সাইড দিয়ে ‘মাদার অফ সাটান’ নামের শক্তিশালী বোমা তৈরি করা হত। উদ্ধারকৃত সব সামগ্রী বিশ্লেষণের জন্য পাঠানো হয়েছে।

চক্রের সংগঠন ও অনলাইন প্ররোচনা

আজহার পাকিস্তানি সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডলারের মাধ্যমে অন্যান্যদের দলে টানতেন। তিনি ‘সিগন্যাল’ অ্যাপে গ্রুপ তৈরি করতেন, যেমন ‘ইন্টার্ন ইন্টারভিউ’ বা ‘বিজনেস আইডিয়া’, যাতে সন্দেহ না হয়। গ্রুপের মাধ্যমে তহবিল সংগ্রহ করা হতো এবং বোমা তৈরির উপকরণ অনলাইনে কেনা হতো।

গ্রেফতার হওয়া অন্যান্য সদস্য

  • সুফিয়ান খান
  • মোহাম্মদ হুজাইফ ইয়ামান
  • কামরান কামরান কুরেশি

তারা ধর্মীয় স্থানে হামলার পরিকল্পনা করছিল। অভিযান শেষে সকলকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং বোমা তৈরির সরঞ্জাম বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

তদন্তে পাওয়া তথ্য

সূত্র জানিয়েছে, আজহার ২০২৪ সাল থেকে তবরক লজে অবস্থান করছিল। তিনি পাকিস্তানি হ্যান্ডলারদের দ্বারা প্ররোচিত হয়ে নতুনদের দলে টেনে নিতেন। জঙ্গি চক্রের কার্যক্রম ও সরঞ্জামগুলো নিয়মিতভাবে পরীক্ষা করা হতো সুবর্ণরেখা নদীতে।

নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও পরবর্তী পদক্ষেপ

পুলিশ এবং সন্ত্রাস দমন শাখা পুরো এলাকায় নজরদারি বাড়িয়েছে। বোমা ও রাসায়নিক পদার্থের বিশ্লেষণ চলছে। মূল হোতাদের সনাক্তকরণের জন্য তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সকলকে আইনি প্রক্রিয়ার আওতায় আনা হবে।

অভিযান থেকে শিক্ষা

এই ঘটনা দেশের সাইবার ও ভূ-নিরাপত্তা ক্ষেত্রে সতর্কবার্তা প্রদান করেছে। বিশেষ করে অনলাইন প্ররোচনা এবং দূরবর্তী হ্যান্ডলারের মাধ্যমে জঙ্গি দলে নতুন সদস্য টানার কৌশলগুলোতে নজরদারি জোরদার করা হচ্ছে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

বেলেঘাটার আইন বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যকে ঘেরাও, ভিসি পদত্যাগের দাবি তোলল ছাত্রছাত্রীরা

বেলেঘাটার আইন বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যকে ঘেরাও, ভিসি পদত্যাগের দাবি তোলল ছাত্রছাত্রীরা

বেলেঘাটার আইন বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যকে ঘেরাও, ভিসি পদত্যাগের দাবি তোলল ছাত্রছাত্রীরা

Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো | আপডেট: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
বেলেঘাটা আইন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রবিক্ষোভ
বেলেঘাটার আইন বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রছাত্রীরা উপাচার্যকে পদত্যাগের দাবিতে ঘেরাও করছেন।

রাজ্যের মন্ত্রী মলয় ঘটকের ছেলের পিএইচডি-র ভর্তিতে কারচুপির অভিযোগ উঠেছে বেলেঘাটার আইন বিশ্ববিদ্যালয়ে। অভিযোগ তুলে ছাত্রছাত্রীরা উপাচার্যকে পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেছেন। এই বিক্ষোভে উপস্থিত ছিলেন আইনমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এবং সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত। ছাত্রছাত্রীরা তাদের সামনে সরাসরি এই দাবিটি জানান।

সকাল থেকেই উত্তেজনা

শনিবার সকাল থেকেই বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে উত্তেজনা ছড়ায়। জেনারেল কাউন্সেলিং মিটিং চলাকালীন ছাত্রছাত্রীরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। সভায় উপস্থিত ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। উপস্থিতির সামনেই আন্দোলন শুরু হওয়ায় পরিস্থিতি কিছুটা উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে।

ছাত্রছাত্রীর দাবিসমূহ

অভিযোগ অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য দুর্নীতিগ্রস্ত। তাঁর বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগও রয়েছে, যা ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গড়িয়েছে। এই কারণেই ছাত্রছাত্রীরা একবাক্যে দাবি তুলেছেন যে, অবিলম্বে উপাচার্য পদত্যাগ করবেন। তারা স্লোগান দিতে দিতে উপাচার্যকে ঘেরাও করেছেন। হাতে তারা বিভিন্ন পোস্টারও বহন করছিলেন, যেমন “এই ভিসিকে মানি না, মানব না” এবং মোবাইল স্ক্রিনে বড় অক্ষরে “Remove VC” লিখে তা দেখানো হয়।

মিডিয়ার সামনে চুপচাপ

বিক্ষোভকারীদের মধ্যে কেউ সংবাদমাধ্যমের সামনে মুখ খোলেননি। তবে তাদের অবস্থান স্পষ্ট—ভিসি পদে থাকা একেবারেই মেনে নেবেন না। ছাত্রছাত্রীরা তাদের দাবিতে দৃঢ়। তারা বলেছেন যে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বচ্ছতা ও ন্যায়পরায়ণতা বজায় রাখতে এই আন্দোলন অপরিহার্য।

উপাচার্য ও প্রশাসনের প্রতিক্রিয়া

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও মন্তব্য করেনি। উপাচার্য সম্পর্কিত অভিযোগ নিয়ে তদন্ত চলছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখেছেন। ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা ব্যবস্থার কারণে কোনো ধরনের হিংসাত্মক ঘটনা ঘটেনি।

আইনমন্ত্রী ও সুপ্রিম কোর্টের ভূমিকা

ছাত্রছাত্রীরা আইনমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এবং সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তকে ঘেরাও করেছেন। তবে তারা শান্তিপূর্ণ অবস্থায় বিক্ষোভ চালিয়েছেন। আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য উপাচার্যের পদত্যাগ নিশ্চিত করা। প্রশাসনিক ও বিচারিক উপস্থিতি আন্দোলনকে সংযত রেখেছে।

ভবিষ্যত পদক্ষেপ

ছাত্রছাত্রীরা জানিয়েছেন, যদি উপাচার্য পদত্যাগ না করেন, তারা আরও বৃহত্তর আন্দোলনের পথে যেতে প্রস্তুত। শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বচ্ছতা এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য তাদের আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। প্রশাসনের তরফ থেকে ইতিমধ্যেই চাইল্ড প্রোটেকশন এবং বিশ্ববিদ্যালয় নিয়মাবলী অনুযায়ী তদন্ত শুরু হয়েছে।

সমাজে প্রতিক্রিয়া

এই ঘটনা বিশ্ববিদ্যালয় জগতে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। শিক্ষাবিদ ও শিক্ষার্থীরা এই ঘটনার ওপর নজর রেখেছেন। সমাজের বিভিন্ন স্তরে এই আন্দোলন নিয়ে বিতর্ক চলছে। অনেকে শিক্ষার্থীদের সাহসিকতাকে সমর্থন করেছেন, আবার অনেকে শিক্ষার্থীদের উপযুক্ত প্রমাণ ছাড়া বিক্ষোভ না করার পরামর্শ দিয়েছেন।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

বঙ্গ বিজেপি প্রবাসী বাঙালিদের সঙ্গে পুজো যোগাযোগের মাধ্যমে তৃণমূলকে চাপে ফেলার পরিকল্পনা

বঙ্গ বিজেপি প্রবাসী বাঙালিদের সঙ্গে পুজো যোগাযোগের মাধ্যমে তৃণমূলকে চাপে ফেলার পরিকল্পনা

বঙ্গ বিজেপি প্রবাসী বাঙালিদের সঙ্গে পুজো যোগাযোগের মাধ্যমে তৃণমূলকে চাপে ফেলার পরিকল্পনা

Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো | আপডেট: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
বিজেপি প্রবাসী বাঙালিদের সঙ্গে পুজো যোগাযোগ
বিজেপি নেতারা প্রবাসী বাঙালিদের সঙ্গে বৈঠক করছেন Durga Puja-এর আগে।

যে অস্ত্রে তৃণমূল বারবার বিজেপিকে ঘায়েল করার চেষ্টা করছে, সেই একই অস্ত্র এবার বিজেপি শাসক দলের বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে যাচ্ছে। ‘বাংলা ভাষার অপমান’ ও ‘বাংলার বাইরে বাঙালিদের হেনস্থা’—এই দুটি অভিযোগকে কেন্দ্র করে তৃণমূল বারবার বিজেপিকে আক্রমণ করেছে। প্রকাশ্য মঞ্চে এই অভিযোগ উড়ানো হলেও, ভিতরে ভিতরে বিজেপি পাল্টা পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে।

প্রবাসী বাঙালিদের সঙ্গে যোগাযোগ

বিজেপি প্রবাসী বাঙালিদের কাজে লাগিয়ে তৃণমূলকে চাপে ফেলতে চাইছে। পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি নেতারা বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের বাঙালি পুজো কমিটির সঙ্গে বৈঠক শুরু করেছেন। এই কর্মসূচিতে রাজ্য বিজেপির দুই হেভিওয়েট নেতা—বর্তমান সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এবং প্রাক্তন সভাপতি সুকান্ত মজুমদার—অগ্রণী ভূমিকা পালন করছেন। শমীক গুজরাতে এবং সুকান্ত বারাণসীতে প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী এলাকায় এই সফরে যাচ্ছেন।

কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ও পরিকল্পনা

দুষ্যন্তকুমার গৌতম এবং তরুণ চুঘ—দুটি সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক—পুরো কর্মসূচির দেখভাল করছেন। প্রতিটি রাজ্যে স্থানীয় নেতাদের একটি করে দল তৈরি করা হয়েছে, যারা বাংলার বিজেপি নেতাদের সঙ্গে স্থানীয় পুজো কমিটিগুলির যোগাযোগ স্থাপন করছে। এই কর্মসূচির আওতায় মুম্বই, পুণে, নাসিক, সুরাত, জয়পুর, দিল্লি, দেহরাদূন, হরিদ্বার, লখনউ, বারাণসী, রাঁচি, পটনা, ভুবনেশ্বর, হায়দরাবাদ, চেন্নাই, তিরুঅনন্তপুরম, কোচি, বেঙ্গালুরু, পঞ্জিম, মারগাঁও সহ একাধিক শহরে সফর করা হবে। চণ্ডীগড় ও আন্দামান নিকোবরকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

প্রাক্তন সভাপতির মন্তব্য

রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি রাহুল সিংহ জানান, ‘কোথাও কোনো বাঙালি হেনস্থা নেই। তৃণমূলের সাজানো গল্প কেউ বিশ্বাস করে না। আমাদের কর্মসূচির সঙ্গে এগুলোর কোনো সম্পর্ক নেই। তবে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের সঙ্গে এর সম্পর্ক রয়েছে। আমরা যাচ্ছি তাদের কাছে যারা হয়তো সেই রাজ্যের ভোটার নন, কিন্তু আত্মীয়-পরিচিতরা এখানে থাকেন। আমরা দেখাব কতটা উন্নতি হয়েছে এবং কেন এই রাজ্য থেকে তৃণমূলকে সরানো প্রয়োজন।’

রাজনীতিতে প্রভাব

এই কর্মসূচির মাধ্যমে বিজেপি প্রবাসী বাঙালিদের মাধ্যমে রাজনৈতিক সচেতনতা বাড়াতে চাইছে। তৃণমূলের অভিযোগ উড়িয়ে বিজেপি তার কৌশল পরিবর্তন করছে। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে এই পদক্ষেপকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। প্রবাসী বাঙালিদের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে বিজেপি পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে নিজস্ব প্রভাব বাড়ানোর চেষ্টা করছে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

আলিপুরদুয়ারের স্কুলে শ্লীলতাহানির অভিযোগে শিক্ষক গ্রেপ্তার, চাঞ্চল্যে এলাকা

আলিপুরদুয়ারের স্কুলে শ্লীলতাহানির অভিযোগে শিক্ষক গ্রেপ্তার, চাঞ্চল্যে এলাকা

আলিপুরদুয়ারের স্কুলে শ্লীলতাহানির অভিযোগে শিক্ষক গ্রেপ্তার, চাঞ্চল্যে এলাকা

Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো | আপডেট: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
আলিপুরদুয়ার স্কুলে শ্লীলতাহানি অভিযোগে শিক্ষক গ্রেপ্তার
শিক্ষকের গ্রেপ্তারি ঘিরে আলিপুরদুয়ারে চাঞ্চল্য, ছাত্রীদের প্রতিবাদ।

আলিপুরদুয়ারের কালচিনি ব্লকের দক্ষিণ সাতালির একটি সরকারি স্কুলে শ্লীলতাহানির অভিযোগ ঘিরে তীব্র উত্তেজনা। অভিযুক্ত এক ভারপ্রাপ্ত শিক্ষককে বৃহস্পতিবার রাতে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সপ্তম, অষ্টম ও নবম শ্রেণির চার ছাত্রী সরাসরি ১০০ নম্বরে ফোন করে অভিযোগ জানানোর পর তড়িঘড়ি পুলিশ স্কুলে পৌঁছে তাঁকে আটক করে। লিখিত অভিযোগ জমা পড়ার পর শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা রুজু হয়।

অভিযোগ ও গ্রেপ্তারি

অভিযোগকারীরা জানায়, শিক্ষক তাঁদের ডেকে নিয়ে গিয়ে শ্লীলতাহানি করেন। বিষয়টি তাঁরা পরিবারকে আগে কিছু জানাননি। পরে চাইল্ড ওয়েলফেয়ার কমিটির (CWC) হস্তক্ষেপে পরিবার ঘটনাটি জানতে পারে। CWC চেয়ারপার্সন অসীম বসু জানান, ছাত্রীরা বর্তমানে কাউন্সেলিং-এর মধ্যে রয়েছে এবং পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অভিভাবকদের হাতে তুলে দেওয়া হবে।

ছাত্রীদের পাল্টা দাবি

অভিযোগের পরেও বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। কারণ একই স্কুলের শতাধিক ছাত্রী অভিযুক্ত শিক্ষকের মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভে সামিল হয়েছে। শুক্রবার তাঁরা ক্লাস বয়কট করে ‘শিক্ষকের মুক্তি চাই’ লেখা প্ল্যাকার্ড হাতে স্কুলের বারান্দায় বসে থাকে দীর্ঘক্ষণ। সহ-শিক্ষকরা তাদের ক্লাসে ফেরাতে চেষ্টা করলেও তারা অস্বীকার করে।

অনেক ছাত্রী দাবি করেছে, চার অভিযোগকারীর গুটখা খাওয়ার অভ্যাস রয়েছে। কয়েকদিন আগে ওই শিক্ষক তাঁদের তিরস্কার করেছিলেন। তার জেরেই তাঁরা মিথ্যে অভিযোগ এনেছে বলে অভিযোগ ছাত্রীদের। অন্যদিকে, অভিযুক্ত চারজন ছাত্রী নিজেদের অবস্থানে অনড়।

স্কুলের ভেতরের পরিস্থিতি

স্কুলের হস্টেল ওয়ার্ডেন জানিয়েছেন, পুরো চত্বর সিসিটিভির আওতায়। তাঁর দাবি, হস্টেলের ভেতরে এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি। অভিযুক্ত শিক্ষক প্রায় আড়াই বছর ধরে এই স্কুলে কর্মরত। স্কুলে ৩১৫ জন পড়ুয়ার মধ্যে ১৩৫ জন ছাত্রী হস্টেলে থাকে। অভিযোগকারীরা আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহার জেলার বাসিন্দা।

প্রশাসনের অবস্থান

জেলা স্কুল পরিদর্শক রবিনা তামাং জানিয়েছেন, তাঁর কাছে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আসেনি। জেলা শাসক ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের সঙ্গেও যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে এবং সঠিক সত্য উদ্ঘাটনেই তাদের লক্ষ্য।

সমাজে প্রতিক্রিয়া

স্থানীয় বাসিন্দারা বিস্মিত ও হতবাক। একদিকে চারজন ছাত্রী অভিযোগ করছে, অন্যদিকে শতাধিক ছাত্রী শিক্ষককে নির্দোষ বলে দাবি করছে। এতে স্কুলে বিভাজন তৈরি হয়েছে। অভিভাবক মহলেও অনিশ্চয়তা ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকে মনে করছেন, তদন্ত সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত কোনো মন্তব্য না করাই শ্রেয়।

তদন্তে নজর

পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, অভিযোগকারীদের বক্তব্য, সিসিটিভি ফুটেজ ও অন্যান্য প্রমাণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সত্যিই কি শিক্ষক দোষী নাকি তাঁকে ফাঁসানো হয়েছে, তা বলবে তদন্ত। তবে ঘটনার জেরে স্কুলে স্বাভাবিক পাঠদান ব্যাহত হয়েছে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

পুজোর মণ্ডপে ভাষা-অপমান ও পরিযায়ী শ্রমিকদের উপর নির্যাতন নিয়ে সরব হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

পুজোর মণ্ডপে ভাষা-অপমান ও পরিযায়ী শ্রমিকদের উপর নির্যাতন নিয়ে সরব হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

পুজোর মণ্ডপে ভাষা-অপমান ও পরিযায়ী শ্রমিকদের উপর নির্যাতন নিয়ে সরব হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো — আপডেট: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | রিপোর্টার: ডিরেক্ট রিপোর্ট
শ্রীভূমির পুজো উদ্বোধনী মঞ্চে শুক্রবার বিকেলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভাষা-অপমান ও ভিন রাজ্যে বাঙালি পরিযায়ী শ্রমিকদের উপর সংঘটিত নির্যাতনের প্রতিবাদ করে প্রশ্ন তোলেন — 'বাংলা ভাষায় কথা বললেই অত্যাচার করা হবে?'। তিনি একইসঙ্গে মাতৃভাষার মর্যাদা ও সমাজে ঐক্যের গুরুত্বে জোর দেন। 0

বক্তব্যে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যই হল মূল কথা। না হলে দেশ টুকরো-টুকরো হয়ে যাবে। সকলেই নিজের মাতৃভাষাকে সম্মান করবেন। কিন্তু বাংলা ভাষায় কথা বললে অত্যাচার হচ্ছে — এটা মানা যায় না।" তাঁর এই কড়া মন্তব্যটি সেখানে উপস্থিত উৎসবপরায়ণ মানুষ এবং শ্রমিক সমাজের প্রতি স্পষ্ট সমর্থন ও সতর্কবার্তা হিসেবে দেখানো হলো। 1

মমতা আরও উল্লেখ করেন যে, বাংলা থেকে লক্ষাধিক পরিযায়ী শ্রমিক ভিন্রাজ্যে কাজ করতে যান এবং তাঁদের দক্ষতার কারণেই তাঁরা টেনে নেওয়া হয়। তিনি সাফ বলেন, "বাংলা থেকে ২২ লক্ষ পরিযায়ী শ্রমিক ভিন রাজ্যে কাজে যান। তাঁদের ডেকে নিয়ে যাওয়া হয় — কেন? কারণ তাঁদের দক্ষতা, মেধা রয়েছে।" এই সংখ্যা এবং পরিপ্রেক্ষিত নিয়ে গত কয়েক মাস ধরেই রাজ্যের নানা জনসাধারণ এবং নেতৃত্ব পর্যায়ে উদ্বেগ দেখা গেছে। 2

মুখ্যমন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী রাজ্যেও অনেক সময়ই ভিন রাজ্য থেকে বহু মানুষ এখানে এসে বসবাস করেছেন; তাঁর বক্তব্যে এমন একবারে স্পষ্ট করা হয় যে রাজ্যে দেড় কোটি বা তার আশপাশে এমন অনিবাসী/অবাঙালি বাস করে—তারা এখানে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করছেন এবং তাদের বিরুদ্ধে কোনও হেনস্থা হওয়া উচিত নয়। তিনি এই দিকটিও উদ্যাপিত করেন যে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষকে সম্মান ও নিরাপত্তা দেওয়া প্রত্যেক গণতান্ত্রিক সমাজের কর্তব্য। 3

সেতানুযায়ী, মুখ্যমন্ত্রী মঞ্চ থেকে রাজ্যের সবাইকে মিলেমিশে থাকার আহ্বানও জানিয়েছেন—পুজো সালের আনন্দ, ঐশ্বর্য ও ঐতিহ্য ধরে রাখতে হবে, পাশাপাশি সমাজে বৈচিত্র্যকে গ্রহণ করতে হবে। পুজো-মহোৎসবকে তিনি এমন সময় হিসেবে উল্লেখ করেন যা মানুষকে একত্রিত করে ও পারস্পরিক সম্মানের বার্তা দেয়। 5

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এমন বক্তব্য শুধুই সামাজিক সংবেদনশীলতার ইঙ্গিত নয় — এটি রাজ্যের রাজনৈতিক আবহও প্রতিফলিত করে। পরিযায়ী শ্রমিকদের নিরাপত্তা, ভাষাভিত্তিক হেনস্থা এবং রাজ্য ও কেন্দ্রের সম্পর্ক—এসব ইস্যু অনবরত মিডিয়ায় উঠে আসছে এবং তা ভোট-বহুল রাজনৈতিক অভিসন্ধিও তৈরি করতে পারে। তবে মুখ্যমন্ত্রীর কল্যাণমূলক নীতি (যেমন শ্রমশ্রী প্রকল্পের মতো উদ্যোগ) এবং মঞ্চে অভিন্ন বাকপ্রয়োগ ঐক্যের বার্তা পুনর্ব্যক্ত করেছে। 6

পুজো উদ্বোধনের পাশাপাশি মঞ্চে তিনি পুজোর শুভেচ্ছা জানান এবং অভ্যস্ত স্মৃতিচারণ করে বলেন—মহালয়ার ভোরে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের চণ্ডীপাঠের স্মৃতি জীবন্ত রাখা উচিত। গান-সংস্কৃতি ও পंडাল-আকর্ষণ নিয়েও তিনি কিছু কথা বলেন, মঞ্চে উপস্থিত গায়ক-শিল্পীদের উদ্দেশ্য করে হালকা টোনে মন্তব্য করেন। এই সব সাংস্কৃতিক বিষয়ে তাঁর স্বাভাবিক অন্তর্নিবিশেষ দর্শকপ্রিয়ভাবে ধরা পড়ে। 7

সমাজকর্মী ও পরিযায়ী শ্রমিক প্রতিনিধিরা মঞ্চে এবং পরে টুইট ও সংবাদমাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যকে স্বাগত জানিয়েছেন; তাঁরা বলেন, এমন উর্ধ্বতন কণ্ঠ যদি রাজনৈতিক মহলে থেকে সামাজিক সচেতনতা বাড়ায়, তবে বাস্তব জীবনের শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষায় সহায়তা পাওয়া যাবে। একইসঙ্গে নানা সমালোচকও আছেন — যারা বলেন, ভাষা-ভিত্তিক অভিযোগগুলো প্রমাণ করে সমগ্র দেশের সমন্বিত নীতি ও আইন প্রয়োগে দুর্বলতা আছে। 8

অবশ্যই খবরের এই পর্যবেক্ষণে মনে রাখতে হবে — ভাষা ও পরিচয়ের প্রশ্ন অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং এগুলোতে জনমত সৃষ্টি হওয়ার সময় বিভিন্ন সূত্র ও ঘটনাপঞ্জি যাচাই করা প্রয়োজন। সরকারি ঘোষণাপত্র, স্থানীয় পুলিশ রিপোর্ট ও শ্রমিকদের নিজের বর্ণনা—এসবই মিলিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। রিপোর্টিং সংস্থাগুলোর উপরও এখানে দায়িত্ব রয়েছে যাতে তথ্য নির্দোষ ও নির্ভরযোগ্যভাবে উপস্থাপন করা যায়। 9

শেষ পরামে, মুখ্যমন্ত্রী তার বক্তব্যে বারবার যে মেসেজটি দিয়েছেন তা ছিল—"প্রত্যেকের নিজস্বতা আছে, সকলের মত পথ আলাদা; কিন্তু সকলে যখন সমবেত হন, তখন একটাই পথ — সেটা ঐক্যের পথ।" পুজোর এই ক্ষুদে পরিসরে সামাজিক সংহতি ও ভাষার মর্যাদা—দুটি বিষয়কেই তিনি একযোগে তুলে ধরেছেন, যা এই মুহূর্তে রাজ্য ও দেশের রাজনৈতিক-সামাজিক আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে চলেছে। 10

নয়া সচিবালয়ে গোপনীয়তার সংকট, ক্ষুব্ধ কেন্দ্রীয় আমলারা

নয়া সচিবালয়ে গোপনীয়তার সংকট, ক্ষুব্ধ কেন্দ্রীয় আমলারা

নয়া সচিবালয়ে গোপনীয়তার সংকট, ক্ষুব্ধ কেন্দ্রীয় আমলারা

🕒 আপডেট: ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

বাহ্যিক চাকচিক্য বনাম অন্দরমহলের সমস্যা

নয়াদিল্লির সদ্যনির্মিত অভিন্ন কেন্দ্রীয় সচিবালয় (সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট) ভবন কর্তব্য ভবন ৩ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সরকারের দাবি, এই উদ্যোগে বছরে প্রায় ১৫০০ কোটি টাকার বাড়িভাড়া বাঁচবে। কিন্তু প্রশাসনিক সংস্কারের নামে তৈরি এই নতুন সচিবালয় নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন একাংশ কেন্দ্রীয় আমলা।

গোপন নথির নিরাপত্তা প্রশ্নে আশঙ্কা

সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট সার্ভিস ফোরাম (সিএসএস)-এর অভিযোগ, নতুন ভবনে পদস্থ আধিকারিকদের জন্য আলাদা ঘর বরাদ্দ করা হয়নি। যুগ্মসচিব পর্যায়ের অফিসারদেরও বসতে হচ্ছে খোলা জায়গায়। অথচ তাঁদের কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত বহু গোপন নথি। এমন পরিস্থিতিতে গোপনীয়তা বজায় রাখা কার্যত অসম্ভব হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

ফোনালাপেও গোপনীয়তার ভাঙন

আমলাদের একাংশের দাবি, খোলা জায়গায় বসার কারণে অফিসে ফোন রিসিভ করা যায় না। অনেক সময় শীর্ষ পর্যায়ের আধিকারিকদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করতে হয়, কিন্তু পাশের সহকর্মীরা শুনে ফেলতে পারেন। তাই তাঁদের বাইরে গিয়ে কথা বলতে হয়, যা গোপনীয়তার জন্য বড় হুমকি।

ভবনের ভেতরে অসন্তোষ

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক আধিকারিক বলেন, “নতুন ভবনটি বাইরে থেকে চোখ ধাঁধানো। কিন্তু আমরা ভিতরে যারা কাজ করি, একেবারেই সন্তুষ্ট নই। ফোন এলে বাইরে চলে যেতে হয়।”

আর এক আধিকারিকের মতে, “আমাদের কাজের ধরনই এমন যেখানে গোপনীয়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু যাঁরা বসার ব্যবস্থা করেছেন, তাঁদের এই বিষয়টি মাথায় রাখা উচিত ছিল।”

প্রধানমন্ত্রীর দফতরে চিঠি

সিএসএস ফোরামের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর দফতর এবং নগরোন্নয়ন মন্ত্রককে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে সমস্যার কথা। তাদের দাবি, দ্রুত নতুন সচিবালয়ের বসার ব্যবস্থা পরিবর্তন করতে হবে। বিশেষ করে যুগ্মসচিব ও ঊর্ধ্বতন আধিকারিকদের জন্য আলাদা কেবিনের ব্যবস্থা করা জরুরি।

ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ

প্রশাসনিক পরিকাঠামো উন্নত করার জন্য এই সচিবালয় তৈরি হলেও, বাস্তবে তা আমলাদের জন্য দুঃস্বপ্নে পরিণত হচ্ছে। সরকারের উচিত হবে, আমলাদের নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা রক্ষার দাবিকে গুরুত্ব দিয়ে শিগগিরই পদক্ষেপ করা।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

প্রেমিকার চলে যাওয়ায় হতাশা, জুবিনের অকাল মৃত্যু! শোকে ভেঙে পড়েছেন স্ত্রী গরিমা"

জুবিন গর্গের অকাল মৃত্যু: শোকস্তব্ধ স্ত্রী ও অনুরাগীরা

📢 মাত্র ৫২ বছর বয়সেই অকাল মৃত্যু জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী জুবিন গর্গের

Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো: শুক্রবার সিঙ্গাপুরে স্কুবা ড্রাইভিং করতে গিয়ে দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান অসমের আইকন জুবিন গর্গ। তার অকাল মৃত্যু পুরো দেশকে শোকস্তব্ধ করেছে।

জুবিন গর্গ ও গরিমা

জুবিন গর্গ এবং স্ত্রী গরিমা সাইকিয়া

জুবিনের মৃত্যুর খবরে অনুরাগীরা শোকস্তব্ধ। এখনও পর্যন্ত অনেকেই এই দুঃসংবাদ মেনে নিতে পারছেন না। সোশ্যাল মিডিয়ায় গরিমা সাইকিয়ার একটি ছবি ভাইরাল হয়েছে, যেখানে তিনি বিধ্বস্ত অবস্থায় বসে রয়েছেন। চোখের জল যেন বাঁধ মানতে চাচ্ছে না।

জুবিনের সংগীত যাত্রা ও জনপ্রিয়তা

জুবিন গর্গ অসমের গর্ব। মাত্র ৫২ বছর বয়সে এই শিল্পীর মৃত্যু পুরো সংগীত জগতকে শোকমগ্ন করেছে। তার কণ্ঠে মানুষের হৃদয় ছুঁয়ে যেত। অ্যালবাম অনামিকামায়া দিয়ে জুবিন নিজেকে প্রমাণ করেছিলেন। ছোট থেকে তিনি সংগীতে পারদর্শী ছিলেন, এবং তার গানের মাধ্যমে অসংখ্য মানুষ প্রেরণা পেত।

শিল্পী হিসেবে তার সাফল্য সীমাহীন। বিভিন্ন মিউজিক ফেস্টিভাল, লাইভ কনসার্ট এবং অনুষ্ঠানগুলোতে তার উপস্থিতি সবসময় আলোচিত হতো।

জুবিন ও গরিমার প্রেমকাহিনি

জুবিন ও গরিমার প্রেমের কাহিনি একেবারেই রূপকথার মতো। এক সাক্ষাত্কারে জুবিন জানিয়েছিলেন, তার একাধিক গার্লফ্রেন্ড ছিল। কিন্তু একদিন এক অনুরাগীর চিঠির মাধ্যমে তার গরিমার সঙ্গে পরিচয় হয়।

গরিমা জুবিনের দুটি অ্যালবাম অনামিকামায়া-এর গভীর ভক্ত ছিলেন। সেই চিঠি থেকেই তাদের প্রেমের সূত্রপাত। প্রেম শুরুর পর জুবিন গরিমাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। তবে তাদের সম্পর্কেও ছিল চড়াই-উতরাই।

প্রথমে গরিমার বাবা তাদের সম্পর্ক মেনে নেননি। কিন্তু পরে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এক পর্যায়ে গরিমা চন্দ্রনাথের অস্থির স্বভাবের সঙ্গে মানিয়ে নিতে কিছুটা অসুবিধা বোধ করেন। তাদের সম্পর্ক কিছু সময়ের জন্য ভেঙে যায়। তবে জুবিন ও গরিমা পুনরায় একে অপরের জীবনে ফিরে আসেন এবং ২০০২ সালে বিয়ে করেন।

দীর্ঘদিনের সঙ্গ ও পারিবারিক জীবন

জুবিন ও গরিমার দাম্পত্য জীবন দীর্ঘদিন ধরে গড়েছিল ভালোবাসা, বিশ্বাস ও সহমর্মিতার ওপর। তাদের সম্পর্কের গল্প আজও বহু অনুরাগীর হৃদয়ে গভীরভাবে মিশে আছে। গরিমা তার স্বামীর মৃত্যুতে বিধ্বস্ত। তাদের দুই সন্তানও এই শোক সহ্য করতে পারছে না।

জুবিনের প্রিয় পোষ্যও তার অনুপস্থিতিতে খুবই কাঁদছে। এই দৃশ্য অনুরাগীদের চোখে আর্শ্চণ্য এবং দুঃখের আবহ তৈরি করেছে।

শোকস্তব্ধ অনুরাগীরা

জুবিনের মৃত্যুর খবরটি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে অনুরাগীরা শোক প্রকাশ করেছেন। বহু মানুষ সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন, যেখানে তারা লিখেছেন, "আজ হৃদয় ভেঙে গেছে", "জুবিনের গান সবসময় আমাদের সাথে থাকবে"।

অনেক অনুরাগী তার গানের ভিডিও ও স্মৃতিচারণ শেয়ার করেছেন। অনেকে বলেন, "জুবিনের কণ্ঠ কখনও ভুলে যাওয়া যাবে না। তার গান আমাদের জীবনের অংশ।"

সংগীত জগতের প্রতিক্রিয়া

বাংলা এবং অসমের অন্যান্য শিল্পীরাও জুবিনের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন। কনসার্ট বাতিল এবং স্মরণসভা আয়োজনের মাধ্যমে শিল্পীরা তার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।

সংগীত বিশ্লেষকরা বলছেন, "জুবিনের কণ্ঠ ও সুরে এক অনন্য মেলোডি ছিল। তার অকাল মৃত্যু সংগীত জগতে এক শূন্যতা তৈরি করেছে।"

জুবিন গর্গের কনসার্ট

জুবিন গর্গের কনসার্টের একটি মুহূর্ত

তার গানের ধারা এবং জনপ্রিয়তা নতুন প্রজন্মকেও প্রভাবিত করেছে। স্কুল, কলেজ এবং মিউজিক ফেস্টিভালে তার গান এখনো শিক্ষার্থীদের প্রিয়।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিহীন কোটি কোটি টাকা! প্রভাবশালী রাজ্যমন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহাকে হেফাজতে চায় ইডি

আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিহীন কোটি কোটি টাকা! প্রভাবশালী রাজ্যমন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহাকে হেফাজতে চায় ইডি

আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিহীন কোটি কোটি টাকা! প্রভাবশালী রাজ্যমন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহাকে হেফাজতে চায় ইডি

Y বাংলা ব্যুরো: পশ্চিমবঙ্গের (West Bengal) কারামন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা (Chandranath Sinha) একসময়ে গণিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছিলেন বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় (Visva Bharati University) থেকে। পরে ফিজিওথেরাপিতে সাপোর্ট সায়েন্সে ডিপ্লোমাও করেন। কিন্তু যাঁর পড়াশোনার ভিত্তি অঙ্ক, তাঁর ব্যক্তিগত সম্পদের হিসেবেই এখন গোঁজামিলের প্রশ্ন উঠেছে।

আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিহীন বিপুল সম্পত্তির অভিযোগে আদালতের দোরগোড়ায় পৌঁছছে ইডি (ED)। তাঁকে সাত দিনের হেফাজতে নেওয়ার জন্য শনিবার আবেদন জানিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এ ব্যাপারে শুনানির পর রায়দান স্থগিত রেখেছে বিশেষ আদালত। তা ঘোষণা হবে মঙ্গলবার দ্বিতীয়ার দিন।

চন্দ্রনাথ অনুব্রতর একান্ত আস্থাভাজন

চন্দ্রনাথ অনুব্রতর একান্ত আস্থাভাজন বলেই পরিচিত। এ ব্যাপারে কটাক্ষ করে বিজেপি নেতা তাপস রায় বলেন, “একজন মাগুর মাছ বেচত আর চাঁদু টাকা গুণত, বোঝা যাচ্ছে দুটোই পাঁকে ডুবে ছিল”।

নগদ টাকার জটিল অঙ্কে সহজ ভুল

ইডি আদালতে জানিয়েছে, ২০২৪ সালে বোলপুরে চন্দ্রনাথের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ৪১,০০,০০০ টাকা উদ্ধার হয়েছিল। কিন্তু এর সঠিক উৎস দেখাতে পারেননি মন্ত্রী। আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ। যদিও গত ৬ সেপ্টেম্বর চার্জশিট জমা হওয়ার পর মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তিনি আংশিক হিসেব দেন।

উদ্ধার হওয়া টাকার মধ্যে মাত্র ১৯ লক্ষের উৎসের কথা দাবি করেন চন্দ্রনাথ। কিন্তু তদন্তকারীরা বলছেন, সেই ১৯ লক্ষেরও স্পষ্ট উৎস নেই। কৃষিকাজ বা রিয়েল এস্টেট থেকে আয় হয়েছে বলে দাবি করলেও তার কোনও নথি দেখাতে ব্যর্থ হয়েছেন মন্ত্রী।

পরিবারের অ্যাকাউন্টে কোটি কোটি টাকা

ইডির অভিযোগ, শুধু মন্ত্রী নন, তাঁর স্ত্রী ও দুই ছেলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টেও বিপুল অঙ্কের অর্থ জমা হয়েছে। চার্জশিটে আরও উল্লেখ রয়েছে, আয়ের সঙ্গে কর দেওয়ার অঙ্কে বিস্তর অসঙ্গতি রয়েছে। এখানেও ভুলভাল অঙ্ক কষেছেন গণিতে স্নাতকোত্তর চন্দ্রনাথ। এমনকি, আয়কর মেটাতে একবার প্রায় ৯০ লক্ষ টাকা জরিমানাও দিয়েছিলেন চন্দ্রনাথ। কিন্তু সেই অর্থ এল কোথা থেকে, তার কোনও ব্যাখ্যা নেই।

চন্দ্রনাথ সিনহার নগদ টাকা

ইডির অভিযোগ, চন্দ্রনাথ সিনহার বাড়ি থেকে উদ্ধার নগদ অর্থ

তদন্তকারীরা আরও জানিয়েছেন, চন্দ্রনাথ সিনহার নামে একাধিক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। ইডি সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ১৫৯ জন প্রার্থীর কাছ থেকে গড়ে ৮ লক্ষ টাকা করে নেন মন্ত্রী। এতে মোট অঙ্ক দাঁড়ায় প্রায় ১২.৭২ কোটি টাকা। কিন্তু এত বিপুল অর্থ কোথায় গেল, তার কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা নেই।

সূত্রের খবর, শুক্রবার বীরভূমের কিষাণ মাণ্ডিতে গিয়ে মন্ত্রীর সম্পত্তি ও আর্থিক উৎস নিয়ে খোঁজখবর নিয়েছেন তদন্তকারীরা। একাধিক তথ্যও তাঁদের হাতে এসেছে। এখন দেখার, আদালত অন্তর্বর্তী জামিন বহাল রাখে, নাকি মন্ত্রীকে তুলে দেয় ইডির হাতে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

Featured post

Y বাংলা নিউজ ডেস্ক রিপোর্ট আজ, শনিবার দুপুরে পশ্চিমবঙ্গে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। দুপুর পৌনে ১টা নাগাদ তাঁর মালদা টাউন...

Search This Blog