Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Friday, 12 September 2025

আজ থেকেই শুরু ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ – পশ্চিমবঙ্গে নির্ভুল ভোটার তালিকা তৈরির উদ্যোগ

আজ থেকেই শুরু ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ – পশ্চিমবঙ্গে নির্ভুল ভোটার তালিকা তৈরির উদ্যোগ

আজ থেকেই শুরু ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ – পশ্চিমবঙ্গে নির্ভুল ভোটার তালিকা তৈরির উদ্যোগ

আপডেট: ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ | Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো

ভোটার তালিকা যাচাই চলছে

ভোটার তালিকা যাচাইয়ের কাজ চলছে। নাগরিকরা নিজের তথ্য নিশ্চিত করতে মাঠে উপস্থিত হচ্ছেন।

ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ শুরু

পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর থেকে জরুরি নির্দেশ জারি করে সব জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের ভোটার তালিকা সংশোধনের জন্য ভোটার ডাটাবেস মেলানোর কাজ শুরু করতে বলা হয়েছে। আজ, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৫ থেকেই এই সংশোধনের কাজ শুরু হয়েছে। প্রক্রিয়াটি ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

নির্ভুল ভোটার তালিকা তৈরি করাই এই উদ্যোগের প্রধান উদ্দেশ্য। নির্বাচন প্রক্রিয়ায় যাতে কোনো অমিল না থাকে, ভুয়া নাম বাদ পড়ে এবং প্রকৃত ভোটাররা সুবিধা পান—সেই লক্ষ্যেই এই সংশোধন কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে।

কেন তালিকা মেলানোর প্রয়োজন?

  • ২০০২ সালের ভোটার তালিকার সঙ্গে ২০২৫ সালের তালিকা মিলছে কিনা যাচাই করা
  • মৃত ভোটারদের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া
  • একাধিক নাম বা ডুপ্লিকেট এন্ট্রি শনাক্ত করা
  • নতুন ভোটারদের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করা
  • ঠিকানা, বয়স বা লিঙ্গ সংক্রান্ত ভুল সংশোধন

নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখার জন্য এই তালিকা পরিষ্কার রাখা অত্যন্ত জরুরি। নির্বাচনকালীন জাল ভোট, নামের অমিল, এবং তালিকাগত ভুল নিয়ে বহু অভিযোগ থাকায় এই উদ্যোগকে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

জেলা ভিত্তিক কার্যক্রম

প্রত্যেক জেলার নির্বাচন দফতরে বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে। তাদের কাজ হলো:

  • পুরোনো ভোটার তালিকা এবং নতুন তালিকার নাম মিলানো
  • সংশোধনযোগ্য নাম চিহ্নিত করা
  • ভুল নাম বাদ দেওয়ার সুপারিশ তৈরি করা
  • নতুন ভোটারদের তথ্য সংযুক্ত করা
  • ডিজিটাল ডেটাবেস আপডেট করা
  • সংশোধিত তালিকার প্রাথমিক রিপোর্ট প্রস্তুত করা

মাঠ পর্যায়ে ভোটার যাচাইয়ের জন্য বুথস্তরের কর্মীরাও যুক্ত হচ্ছেন। অনেক জায়গায় বুথ লেভেল অফিসাররা ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে যাচাই করবেন বলে জানা গেছে।

ভোটারদের জন্য নির্দেশনা

  • নিজের নাম, ঠিকানা, বয়স এবং অন্যান্য তথ্য যাচাই করুন
  • ভুল তথ্য থাকলে সংশোধনের আবেদন করুন নির্ধারিত ফর্মের মাধ্যমে
  • পরিচয়পত্র যেমন আধার, রেশন কার্ড, পাসপোর্ট ইত্যাদি জমা দিন
  • শেষ সময়ের আগে সংশোধনের আবেদন সম্পন্ন করুন
  • অনলাইনে ও অফলাইনে আবেদন করার সুবিধা থাকবে

বিশেষ গুরুত্ব

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নির্ভুল ভোটার তালিকা শুধু নির্বাচনকে স্বচ্ছ করবে না, পাশাপাশি গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষায় বড় ভূমিকা রাখবে। ভুল তালিকার কারণে বহু প্রকৃত ভোটার ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হন। আবার ভুয়া নাম অন্তর্ভুক্ত হলে ভোট প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। এই সংশোধনের মাধ্যমে সেই সব সমস্যা দূর হতে পারে।

প্রযুক্তির ব্যবহার

এই সংশোধনের জন্য আধুনিক সফটওয়্যার ব্যবহার করা হচ্ছে। বিভিন্ন জেলার ভোটার তালিকা ডিজিটাল ফর্ম্যাটে একত্র করে যাচাই করা হচ্ছে। ডেটা বিশ্লেষণ করে:

  • নামের বানান মিলানো
  • ঠিকানা যাচাই
  • ডুপ্লিকেট এন্ট্রি চিহ্নিতকরণ
  • ভুল তথ্য সংশোধন

নাগরিকদের সহজে আবেদন করতে অনলাইন পোর্টাল চালু রাখা হয়েছে। বহু জেলা ইতিমধ্যেই গ্রামীণ ও শহর এলাকায় সচেতনতা ক্যাম্পও শুরু করেছে।

সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জ

  • তথ্য যাচাই করতে সময় বেশি লাগতে পারে
  • গ্রামীণ এলাকায় ইন্টারনেট সংযোগ সমস্যা
  • অনেকে সংশোধনের নিয়ম জানেন না
  • সরকারি কর্মীদের পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ প্রয়োজন
  • ভুয়া আবেদন রোধে সতর্কতা দরকার

তবে নির্বাচনী দফতর আশ্বাস দিয়েছে, প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তির সাহায্যে এই সমস্যা মোকাবিলা করা হবে।

প্রশাসনের বার্তা

মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে:

“নির্বাচনের বিশ্বাসযোগ্যতা রক্ষায় নির্ভুল ভোটার তালিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রত্যেক ভোটারকে নিশ্চিত হতে হবে তাঁর তথ্য সঠিকভাবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। আমরা চাই কোনো প্রকৃত ভোটার যেন বঞ্চিত না হন এবং ভোট প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় থাকে।”

নাগরিকদের ভূমিকা

  • নিজের ভোটার তথ্য যাচাই করুন
  • ভুল থাকলে সংশোধনের আবেদন করুন
  • প্রতিবেশী বা পরিচিতদের সাহায্য করুন
  • নির্বাচন নিয়ে সচেতনতা ছড়ান
  • নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে আবেদন সম্পন্ন করুন

উপসংহার

আজ থেকেই শুরু হওয়া এই ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনী ব্যবস্থাকে আরো স্বচ্ছ, বিশ্বাসযোগ্য এবং গণমুখী করবে। ২০০২ সালের তালিকার সঙ্গে বর্তমান তালিকা মিলিয়ে ভুলত্রুটি সংশোধন করার মাধ্যমে প্রকৃত ভোটারের অধিকার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। নির্বাচন কমিশনের এই পদক্ষেপ গণতন্ত্র রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

জইর বলসোনারোকে ২৭ বছরের কারাদণ্ড, আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে আলোড়ন

জইর বলসোনারোকে ২৭ বছরের কারাদণ্ড, আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে আলোড়ন

জইর বলসোনারোকে ২৭ বছরের কারাদণ্ড, আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে আলোড়ন

আপডেট: ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ | Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো

জইর বলসোনারোর কারাদণ্ড

ব্রাজিলের সাবেক প্রেসিডেন্ট জইর বলসোনারোকে অভ্যুত্থানের ষড়যন্ত্রে দোষী সাব্যস্ত করে ২৭ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

অভ্যুত্থানের ষড়যন্ত্রে দোষী সাব্যস্ত

ব্রাজিলের সুপ্রিম কোর্ট জইর বলসোনারোকে অভ্যুত্থানের ষড়যন্ত্রসহ পাঁচটি গুরুতর অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে ২৭ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর, পাঁচ বিচারপতির মধ্যে চারজন তাকে দোষী সাব্যস্ত করেন। একমাত্র একজন বিচারপতি তাকে মুক্ত রাখার পক্ষে মত দিয়েছিলেন। এর ফলে দেশজুড়ে রাজনৈতিক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। আদালতের রায় অনুযায়ী, ২০২২ সালে নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভাকে ক্ষমতাচ্যুত করার ষড়যন্ত্রের পাশাপাশি আরো কয়েকটি গুরুতর অপরাধে তিনি অভিযুক্ত।

বলসোনারোর রাজনৈতিক অতীত

২০১৯ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন বলসোনারো। সামরিক পটভূমির এই নেতা দেশটির ডানপন্থী রাজনীতির মুখ। তাঁর শাসনামলে পরিবেশ নীতি, অর্থনীতি এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা হয়েছিল। নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার পর থেকেই তিনি লুলা সরকারের বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করতে থাকেন এবং নির্বাচনের ফলাফল চ্যালেঞ্জ করেন। অভিযোগ উঠেছে, পরাজয়ের পর তিনি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে অস্বীকার করে অভ্যুত্থানের পরিকল্পনা করেছিলেন।

সহযোগীদেরও দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে

বলসোনারোর পাশাপাশি সাবেক মন্ত্রী, সামরিক কর্মকর্তা এবং আরও সাতজন উচ্চপদস্থ ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করেছে আদালত। তাদের মধ্যে রয়েছেন সেনাবাহিনীর সাবেক ক্যাপ্টেন এবং রাজনৈতিক ঘনিষ্ঠরা। আদালতের রায় অনুযায়ী, এই দলটি গণতন্ত্রকে হুমকির মুখে ফেলার চেষ্টা করেছে। যদিও অভিযুক্তরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করছেন, আদালতের সামনে উপস্থিত প্রমাণ এবং সাক্ষ্য থেকে তাদের দোষ প্রমাণিত হয়েছে।

বলসোনারোর দাবি: রাজনৈতিক দমনপীড়নের শিকার

রায় ঘোষণার পর বলসোনারো দাবি করেছেন, তাঁকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ফাঁসানো হচ্ছে। তাঁর বক্তব্য, “আমি গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষায় লড়েছি, কিন্তু আমাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার বানানো হয়েছে।” বর্তমানে তিনি গৃহবন্দি অবস্থায় রয়েছেন। তাঁর পরিবার এবং সমর্থকদের একাংশ এই রায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাচ্ছে। তাঁর ছেলে ফ্ল্যাভিও বলসোনারো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ পোস্ট করে লিখেছেন, “সরকার এমন একটি প্রক্রিয়াকে বিচার বলছে, যার ফলাফল ঘোষণার আগেই সবার জানা ছিল।”

যুক্তরাষ্ট্র-ব্রাজিল সম্পর্ক নতুন সংকটে

এই রায় আন্তর্জাতিক মহলেও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি বলসোনারোর দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় বিস্মিত এবং অসন্তুষ্ট। তাঁর মতে, এই রায় রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। ট্রাম্পের বক্তব্যের পর যুক্তরাষ্ট্র-ব্রাজিল সম্পর্ক আরও খারাপ হতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। ইতিমধ্যেই ট্রাম্প ব্রাজিলের কিছু পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মহলে এই পদক্ষেপ নতুন উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতামত

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বলসোনারোর কারাদণ্ড শুধু একটি দেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা নয়, বরং এটি আন্তর্জাতিক রাজনীতির সমীকরণ বদলে দিতে পারে। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষায় আদালতের কঠোর অবস্থান প্রশংসিত হলেও, একই সঙ্গে এটি বিশ্ব রাজনীতির সংঘাতের পথ প্রশস্ত করতে পারে। বিশেষত ব্রাজিলের ডানপন্থী শিবির এবং যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রশাসনের মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েন আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।

মানবাধিকার ও গণতন্ত্রের প্রশ্ন

অনেকে বলছেন, গণতন্ত্রের জন্য বিপজ্জনক যে কোনও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে কঠোর বিচার হওয়া উচিত। তবে রাজনৈতিক মতভেদের কারণে বিচার প্রক্রিয়া প্রভাবিত হলে তা গণতান্ত্রিক কাঠামোকে দুর্বল করতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিচারব্যবস্থার নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে হবে এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগ থেকে বিচারকে মুক্ত রাখতে হবে।

আগামী দিনের সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়া

বিশ্লেষকদের মতে, ব্রাজিলের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে পারে। ডানপন্থী সমর্থকদের প্রতিবাদ, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে শুল্ক আরোপ এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কের অবনতি – এই সবই সামনে বড় চ্যালেঞ্জ। একই সঙ্গে আদালতের কঠোর রায় গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলির

কোচবিহারে ৭৩টি ভুয়ো জন্ম শংসাপত্রের ছড়াছড়ি, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

কোচবিহারে ৭৩টি ভুয়ো জন্ম শংসাপত্রের ছড়াছড়ি, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

কোচবিহারে ৭৩টি ভুয়ো জন্ম শংসাপত্রের ছড়াছড়ি, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

আপডেট: ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ | Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো

ভুয়ো জন্ম শংসাপত্রের ঘটনা

কোচবিহার পুরসভায় একসঙ্গে ৭৩টি ভুয়ো জন্ম শংসাপত্র ধরা পড়ায় তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

ডিজিটালাইজেশনের আড়ালে ভুয়ো নথির ছড়াছড়ি

কোচবিহার পুরসভায় নাগরিক পরিষেবা উন্নত করতে বহুদিন ধরেই ডিজিটালাইজেশন চলছে। নাগরিকদের জন্ম শংসাপত্র, মৃত্যু শংসাপত্রসহ বিভিন্ন নথিকে অনলাইনে সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে এই প্রক্রিয়ার মধ্যেই ভুয়ো নথি জমা পড়ার ঘটনা সামনে এসেছে। দীর্ঘদিন এক-দুটো করে ধরা পড়লেও সম্প্রতি সংখ্যাটি আচমকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৩-এ। এর ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়েছে।

অগস্ট মাসে সর্বাধিক ভুয়ো নথি ধরা

পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, গত কয়েক মাস ধরে নাগরিক পরিষেবা কেন্দ্রগুলিতে ভিড় বেড়েছে। বিশেষ করে অগস্ট মাসে একসঙ্গে সবচেয়ে বেশি ভুয়ো জন্ম শংসাপত্র শনাক্ত হয়। কারণ, রাজ্যে স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশন (SIR) প্রক্রিয়া শুরুর আগেই নাগরিকরা দ্রুত নথি জমা দিতে ছুটেছেন। ফলে যাচাই না করেই একাধিক আবেদন জমা পড়েছে বলে প্রশাসনের একাংশ মনে করছে। এই সুযোগেই অনেকেই ভুয়ো তথ্য দিয়ে নথি তৈরির চেষ্টা করেছেন।

নির্বাচনপূর্ব সময়ে উত্তপ্ত পরিবেশ

রাজ্যে শীঘ্রই নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে। নির্বাচনের আগে নাগরিকত্ব ও ভোটার তালিকার সংশোধন নিয়ে আলোচনা চলছে। এই পরিস্থিতিতে জন্ম শংসাপত্রের মতো গুরুত্বপূর্ণ নথিতে অনিয়ম ধরা পড়ায় রাজনৈতিক মহলেও আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, ভোটার তালিকা বা সরকারি প্রকল্পে সুবিধা পাওয়ার জন্য ভুয়ো শংসাপত্র তৈরির চেষ্টা চলছে। প্রশাসন এই ঘটনা নিয়ে সতর্ক হলেও অভিযুক্তদের চিহ্নিত করতে এখনো তেমন অগ্রগতি দেখাতে পারেনি।

চিহ্নিত না হওয়া অভিযুক্তরা

পুরসভা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য অনুযায়ী, এতগুলি ভুয়ো নথি জমা পড়লেও এখনও পর্যন্ত কাউকেই শনাক্ত করা যায়নি। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগও দায়ের হয়নি। এই অবস্থায় নাগরিকদের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে, প্রশাসনের নজরদারি কোথায়? কেন যাচাই প্রক্রিয়ায় ত্রুটি রয়ে গেল? তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে যাচাইয়ের যে প্রক্রিয়া চালু হয়েছে, তা কতটা কার্যকর তা নিয়েও সংশয় তৈরি হয়েছে।

আমিনা আহমেদের দাবি ও বিতর্ক

পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান আমিনা আহমেদ সংবাদমাধ্যমের সামনে বলেছেন, “ভুয়ো জন্ম শংসাপত্রগুলিতে আমার নামে যে সই রয়েছে, সেগুলোর একটাও আমার সই নয়।” তাঁর এই বক্তব্যের পর বিতর্ক আরও বাড়ে। নাগরিকদের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে প্রশাসনের অভ্যন্তরে কোথায় গাফিলতি হয়েছে? নথি যাচাইয়ের সময় কি নজরদারি ছিল না? কেউ কি ইচ্ছাকৃতভাবে তাঁর নাম ব্যবহার করেছে? এই প্রশ্নগুলি এখন প্রশাসনের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।

প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে তীব্র সমালোচনা

রাজ্যের বিভিন্ন মহল থেকে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে। নাগরিক পরিষেবা কেন্দ্রগুলির প্রতি সাধারণ মানুষের বিশ্বাস নষ্ট হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জন্ম শংসাপত্র একটি গুরুত্বপূর্ণ নথি। এটি ব্যবহার করে ভোটার তালিকায় নাম তোলা, শিক্ষায় ভর্তি, সরকারি প্রকল্পের সুবিধা নেওয়া এবং নাগরিকত্ব প্রমাণ করা হয়। ফলে এই ধরনের অনিয়ম গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকেও ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দ্রুত প্রযুক্তিনির্ভর যাচাই ব্যবস্থা চালু করতে হবে। পাশাপাশি আবেদন যাচাইয়ের সময় সংশ্লিষ্ট নাগরিকের পরিচয় নিশ্চিত করার জন্য বায়োমেট্রিক বা মুখের ছাপের মতো আধুনিক পদ্ধতি ব্যবহার করতে হবে। নাগরিকদের সচেতন করাও জরুরি। কারণ, ভুয়ো নথির মাধ্যমে সুবিধা পেতে চাইলে তা শেষ পর্যন্ত আইনগত ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

মণিপুর সফরে মোদী: শোক ভুলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব নিয়ে তীব্র প্রতিবাদ

মণিপুর সফরে মোদী: শোক ভুলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব নিয়ে তীব্র প্রতিবাদ

মণিপুর সফরে মোদী: শোক ভুলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব নিয়ে তীব্র প্রতিবাদ

আপডেট: ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ | Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো

মণিপুরে প্রতিবাদ

মণিপুর সফরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ নিয়ে প্রতিবাদ জানাচ্ছে গাংতে ও মার সংগঠন। মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে উত্তাল রাজ্য।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

সফরের রাজনৈতিক তাৎপর্য

মণিপুরে দীর্ঘদিন ধরে চলমান সংঘর্ষের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সফর ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। সংঘর্ষের ৮৬৪ দিন পর রাজ্যে তাঁর আগমন শুধুমাত্র একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করতেই সীমাবদ্ধ থাকায় তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে। রাজ্যের বিভিন্ন আদিবাসী সংগঠন এবং বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি অভিযোগ তুলেছে যে, এই সফর শোক ভাগ করা বা পরিস্থিতির প্রতি সংবেদনশীলতা দেখানোর জন্য নয়। বরং এটি যেন এক ধরনের উপেক্ষার বার্তা।

গাংতে ও মার সংগঠনের প্রতিবাদ

গাংতে এবং মার সম্প্রদায়ভিত্তিক সংগঠনগুলি ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রী মোদীর সফর বয়কটের আহ্বান জানিয়েছে। তাঁদের বক্তব্য, “মণিপুরের মানুষ এখনো আতঙ্কের মধ্যে বাস করছেন। বাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া, ধর্মস্থানে হামলা, এবং নারীদের উপর নিপীড়নের ঘটনা এখনো থামেনি। এই পরিস্থিতিতে নাচগানের অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া শুধুমাত্র একটি রাজনৈতিক বার্তা নয়, এটি একটি নৈতিক ব্যর্থতা।” সংগঠনগুলির নেতৃত্ব দাবি করছে যে কেন্দ্রের কাছে তাঁদের বারবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আবেদন জানানো হলেও তেমন কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

কংগ্রেসের তীব্র প্রতিক্রিয়া

কংগ্রেস মুখপাত্র পবন খেরা সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, “২০২৩ সালের মে মাস থেকে মণিপুরে অন্তত ২৫৮ জন নিহত হয়েছেন। ৬০ হাজারের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত। প্রায় পাঁচ হাজার বাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ধর্মীয় স্থাপনাগুলি ভাঙচুর করা হয়েছে। নারীদের লাঞ্ছিত করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে যখন মানুষের শোক গভীর, তখন প্রধানমন্ত্রী রাজ্যে এসে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করছেন। এটি এক লজ্জাজনক ঘটনা।” তিনি আরও বলেন, “মণিপুরের মানুষের প্রতি দায়িত্ববোধ দেখানো উচিত ছিল। শোক ভাগ করে নেওয়ার পরিবর্তে উৎসবের মতো আচরণ করা কেন্দ্রের চরম অবহেলার পরিচয়।”

মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ

মানবাধিকার সংগঠনগুলিও এই সফরকে কেন্দ্র করে প্রতিবাদে মুখর হয়েছে। তাঁদের মতে, সংঘর্ষে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির পাশে দাঁড়ানো, পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা এবং নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখনো সবচেয়ে জরুরি। অথচ প্রশাসনিক স্তরে পর্যাপ্ত উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। কিছু সংগঠনের বক্তব্য, “এই সফরের মাধ্যমে রাজ্যের সংকটকে আড়াল করা হচ্ছে। মানুষের মুখ বন্ধ করতে চাওয়া হচ্ছে। এই সময়ে শোক ও বেদনার প্রতি সংবেদনশীল হওয়া উচিত।”

রাজ্যের সাধারণ মানুষের প্রতিক্রিয়া

মণিপুরের সাধারণ মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা গেছে। কেউ কেউ মনে করছেন, প্রধানমন্ত্রী রাজ্যে আসছেন, এর মাধ্যমে কেন্দ্রীয় সরকার পরিস্থিতির গুরুত্ব উপলব্ধি করবে। আবার অন্যরা এই সফরকে এক ধরনের উপহাস হিসেবে দেখছেন। এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “আমরা এখনো আশ্রয়কেন্দ্রে বাস করছি। বাড়িঘর পুড়ে গেছে। আমাদের জীবন ধ্বংস হয়ে গেছে। এই অবস্থায় উৎসবের পরিবেশ তৈরি করা আমাদের দুঃখের প্রতি অসম্মান।”

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মত

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই সফর মূলত কেন্দ্র সরকারের জন্য একটি ‘ইমেজ ম্যানেজমেন্ট’ কৌশল হতে পারে। তাঁরা বিশ্লেষণ করে দেখিয়েছেন, সংঘর্ষের দীর্ঘস্থায়ী হওয়া এবং তাতে নাগরিকদের দুর্দশা বাড়লেও কেন্দ্রের কঠোর পদক্ষেপ না নেওয়া নিয়ে বিরোধিতা বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে রাজনৈতিকভাবে ইতিবাচক বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে এতে বিপরীত প্রতিক্রিয়াও তৈরি হতে পারে।

মণিপুরের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দ্রুত প্রশাসনিক উদ্যোগ না নিলে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে। তাঁদের মতে, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকে অর্থনৈতিক সহায়তা, মানসিক স্বাস্থ্য সাপোর্ট এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি। পাশাপাশি, সামাজিক ঐক্য বজায় রাখতে সব পক্ষের মধ্যে সংলাপ বাড়ানো উচিত। সরকারের প্রতি তাঁদের আহ্বান, রাজনৈতিক সুবিধার জন্য সংকটকে ব্যবহার না করে প্রকৃত সমাধানের দিকে এগোতে হবে।

উপসংহার

মণিপুরের দগদগে ক্ষত এখনও শুকায়নি। হাজারো মানুষ বাস্তুচ্যুত, বহু পরিবার নিঃস্ব। এই পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সফর এবং একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ নিয়ে প্রতিবাদ এবং ক্ষোভ তৈরি হওয়া স্বাভাবিক। প্রশাসনের প্রতি নাগরিকদের বিশ্বাস পুনরুদ্ধার করতে হলে শোক ভাগ করে নেওয়া, সংবেদনশীলতা দেখানো এবং মানবাধিকার রক্ষায় দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়াই একমাত্র পথ। বর্তমান পরিস্থিতি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক ভবিষ্যতের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দাঁড়িয়েছে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ফের রহস্যমৃত্যু, ছাত্রী উদ্ধার ঝিলপাড় থেকে

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ফের রহস্যমৃত্যু, ছাত্রী উদ্ধার ঝিলপাড় থেকে

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ফের রহস্যমৃত্যু, ছাত্রী উদ্ধার ঝিলপাড় থেকে

আপডেট: ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ | Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ঝিলপাড়ে ছাত্রীর দেহ উদ্ধার

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ঝিলপাড় থেকে ইংরেজি বিভাগের ছাত্রীকে উদ্ধার করা হয় অচৈতন্য অবস্থায়। পরে হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

ঘটনার বিস্তারিত

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে আবারও এক রহস্যমৃত্যু নিয়ে শোরগোল শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ঝিলপাড় এলাকা থেকে ইংরেজি বিভাগের তৃতীয় বর্ষের এক ছাত্রীকে অচৈতন্য অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে কেপিসি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ঘটনাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র আলোড়ন তুলেছে।

প্রাথমিক সূত্রে জানা গেছে, ওই ছাত্রী সকালে ক্লাস শুরু হওয়ার আগেই ক্যাম্পাসের নিরিবিলি এলাকায় যান। এরপর তাঁর আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তারক্ষীরা পরবর্তীতে ঝিলপাড়ের কাছে তাঁকে অচৈতন্য অবস্থায় দেখতে পান। দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও চিকিৎসকেরা তাঁকে বাঁচাতে পারেননি।

অস্বস্তিকর পরিস্থিতি, আরও তিন ছাত্রী অসুস্থ

এই ঘটনার কিছু সময়ের মধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়ের আরও তিন ছাত্রী অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁদের মধ্যে দু’জন বমি এবং মাথা ঘোরা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। চিকিৎসকরা তাঁদের পর্যবেক্ষণে রেখেছেন। তবে তাঁরা আপাতত স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছেন বলে হাসপাতাল সূত্রে জানানো হয়েছে। শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে এবং নিরাপত্তার প্রশ্ন নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে।

ছাত্রদের প্রতিক্রিয়া

শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনেকেই এই ঘটনার জন্য প্রশাসনের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে দায়ী করছেন। একজন ছাত্র বলেন, “আমরা অনেকবার বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরাপত্তা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছি। নিরিবিলি এলাকায় পর্যাপ্ত নজরদারি নেই। আজ যে ঘটনা ঘটল তাতে প্রমাণ হল আমাদের দাবি কতটা যুক্তিসঙ্গত।” আরেকজন ছাত্রী জানান, “ক্যাম্পাসের পরিবেশ আগের মতো নিরাপদ নেই। আমরা চাই তদন্তের মাধ্যমে সত্য প্রকাশ হোক।”

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বক্তব্য

বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “আমরা গভীরভাবে শোকাহত। ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানের জন্য একটি অভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতায় তদন্ত চলছে। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার জন্য অতিরিক্ত নজরদারি শুরু করা হয়েছে।” বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার জানিয়েছেন, এই ধরনের ঘটনা যেন পুনরাবৃত্তি না হয় সে জন্য ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা জোরদার করা হবে।

পুলিশের তদন্ত শুরু

স্থানীয় থানার পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি একটি অস্বাভাবিক মৃত্যু হিসেবে তদন্ত করা হচ্ছে। ছাত্রীটির পরিবারের পক্ষ থেকেও অভিযোগ দায়ের হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, তাঁর দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। মেডিক্যাল রিপোর্ট হাতে এলে মৃত্যুর কারণ স্পষ্ট হবে। একই সঙ্গে ক্যাম্পাসে সিসিটিভির ফুটেজ সংগ্রহ করা হচ্ছে এবং সংশ্লিষ্ট ছাত্রছাত্রীদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন

গত কয়েক বছরে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে একাধিক রহস্যমৃত্যুর ঘটনা সামনে এসেছে। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ক্যাম্পাসের নিরিবিলি এলাকাগুলি যথেষ্ট আলো এবং নিরাপত্তার আওতায় নেই। অনেক সময় প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাকর্মীর সংখ্যা সীমিত থাকে। শিক্ষার্থী সংগঠনগুলো নিরাপত্তা বাড়ানোর পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তার দাবি তুলছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের ঘটনার পরে ক্যাম্পাসে মনস্তাত্ত্বিক সমর্থন কেন্দ্র গড়ে তোলা জরুরি।

রাজ্য রাজনীতির প্রতিক্রিয়া

ঘটনার পরই রাজ্যের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল নিরাপত্তা এবং শিক্ষার্থীদের সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। শাসক দল শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে, অন্যদিকে বিরোধী দল এই ঘটনাকে প্রশাসনের ব্যর্থতা বলে চিহ্নিত করেছে। শিক্ষাবিদরা বলছেন, “শিক্ষার পরিবেশ রক্ষা করতে প্রশাসনের সক্রিয় ভূমিকা দরকার। নিরাপত্তা জোরদার না হলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক বাড়বে।”

বিশেষজ্ঞদের মতামত

মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে এমন ঘটনার পরে শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ বৃদ্ধি পায়। তাঁদের পাশে দাঁড়ানো এবং কাউন্সেলিং পরিষেবা চালু করা গুরুত্বপূর্ণ। নিরাপত্তা নিয়ে সচেতনতা বাড়ানো এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর উপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। শিক্ষাক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, শুধুমাত্র নিরাপত্তা বাড়ালেই হবে না, শিক্ষার্থীদের মানসিক সহায়তা নিশ্চিত করাও সমানভাবে জরুরি।

উপসংহার

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে আবারও এক রহস্যমৃত্যু শিক্ষাঙ্গনের নিরাপত্তা এবং ছাত্রছাত্রীদের মানসিক স্বাস্থ্যের গুরুত্বকে সামনে এনেছে। প্রশাসন, পুলিশ এবং রাজনৈতিক নেতৃত্বের পাশাপাশি ছাত্র সংগঠনগুলোকেও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটিত হবে—এটাই সকলের প্রত্যাশা। একই সঙ্গে ক্যাম্পাসে নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করা এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানো এবং তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সময়ের দাবি।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

শান্তাকে চ্যালেঞ্জ অভিরূপের, CU-তে সেন্সর নিয়ে তীব্র রাজনৈতিক চাপানউতোর

শান্তাকে চ্যালেঞ্জ অভিরূপের, CU-তে সেন্সর নিয়ে তীব্র রাজনৈতিক চাপানউতোর

শান্তাকে 'চ্যালেঞ্জ' অভিরূপের, CU-তে সেন্সর নিয়ে তীব্র রাজনৈতিক চাপানউতোর

আপডেট: ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ | Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো

অভিরূপ চক্রবর্তী প্রতিবাদে

ছাত্রনেতা অভিরূপ চক্রবর্তী উপাচার্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে মুখর, ছাত্ররাজনীতিতে উত্তেজনা ছড়িয়েছে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

সেন্সরের ঘোষণা এবং ছাত্ররাজনীতির বিস্ফোরণ

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন করে ছাত্ররাজনীতির উত্তেজনা ছড়িয়েছে। TMCP-এর সাধারণ সম্পাদক অভিরূপ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে উপাচার্য শান্তা দত্ত কুরুচিকর মন্তব্যের অভিযোগ এনে পাঁচ বছরের জন্য সেন্সর জারি করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, উপাচার্যের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করে বক্তব্য দেওয়ায় এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। যদিও এই সিদ্ধান্তের পরেই ছাত্র সংগঠনগুলির মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে।

অভিরূপ চক্রবর্তী পাল্টা আক্রমণ করে উপাচার্য শান্তা দত্তকে 'কেয়ারটেকার ভিসি' বলে কটাক্ষ করেন। তিনি দাবি করেন যে, তাঁকে এবং তাঁর মতাদর্শকে দমানোর জন্য বিভিন্ন অধ্যাপককে ব্যবহার করা হয়েছে। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “আমার কণ্ঠরোধ করা যাবে না। গলা কেটে দিলেও ‘জয় বাংলা’ এবং ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জিন্দাবাদ’ বের হবেই।” এই বক্তব্য বিশ্ববিদ্যালয়ে আরও উত্তেজনা তৈরি করেছে।

শান্তা দত্তের অবস্থান

উপাচার্য শান্তা দত্ত সংবাদমাধ্যমকে জানান যে, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। তিনি বলেন, “শিক্ষার মর্যাদা রক্ষাই আমাদের মূল লক্ষ্য। ছাত্রদের মধ্যে আলোচনার সুযোগ থাকা উচিত, কিন্তু তা যেন ব্যক্তিগত আক্রমণ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি নষ্টের দিকে না যায়।” তাঁর মতে, বিশ্ববিদ্যালয়ে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হয়েছে।

রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া

শিক্ষা মহলের একাংশ মনে করছে, এই সেন্সর শুধু ব্যক্তির বিরুদ্ধে নয়, ছাত্র রাজনীতির মতপ্রকাশের ওপরও চাপ সৃষ্টি করছে। TMCP-র অন্যান্য নেতারা অভিরূপের পাশে দাঁড়িয়ে বলেন, “এটি শিক্ষার স্বাধীনতার ওপর আঘাত। ছাত্রদের বক্তব্যকে দমন করার চেষ্টা চলছে।” তারা আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন এবং আগামী সপ্তাহে প্রতিবাদ মিছিল করার ঘোষণা দিয়েছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ে সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের মতামত

সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে। কেউ কেউ শান্তা দত্তের পদক্ষেপকে শৃঙ্খলার জন্য প্রয়োজনীয় বলে মনে করছেন। তাঁদের বক্তব্য, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে বিতর্ক থাকা উচিত, কিন্তু তা যেন ব্যক্তিগত বিদ্বেষে না গড়ায়। অন্যদিকে, বড় অংশের ছাত্রছাত্রী এই সেন্সরকে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা খর্ব করার পদক্ষেপ বলে মনে করছেন। তাঁরা বলেছেন, “বিশ্ববিদ্যালয় হলো মতাদর্শ বিনিময়ের জায়গা। এখানে মত প্রকাশের স্বাধীনতা বাধাগ্রস্ত হলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়বে।”

রাজ্যের রাজনীতির প্রভাব

রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সঙ্গে এই ঘটনায় সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। অভিরূপ চক্রবর্তী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি তাঁর অগাধ সমর্থন প্রকাশ করেছেন। তাঁর বক্তব্য রাজনৈতিক দিক থেকে শাসক দলের অবস্থানকে শক্তিশালী করতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে বিরোধী দলগুলির দাবি, এই ধরনের বক্তব্য শিক্ষাঙ্গনে রাজনীতির অস্বাস্থ্যকর প্রভাব বিস্তার করছে। তাঁরা বলেন, “শিক্ষার্থীদের শিক্ষায় মনোনিবেশ করানোর বদলে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়ানো হচ্ছে।”

বিশেষজ্ঞদের বিশ্লেষণ

শিক্ষা বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বনাম শৃঙ্খলার দ্বন্দ্ব স্পষ্ট হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের উচিত নিয়মতান্ত্রিক আলোচনার সুযোগ তৈরি করা। অন্যদিকে ছাত্র সংগঠনগুলিরও দায়িত্বশীলভাবে মত প্রকাশ করা প্রয়োজন। তাঁরা সতর্ক করেছেন, দীর্ঘস্থায়ী উত্তেজনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশকে নষ্ট করতে পারে এবং ছাত্রদের মনোসংযোগ বিচ্যুত হতে পারে।

আগামী দিনের পরিস্থিতি

বিশ্ববিদ্যালয়ে আগামী দিনগুলোতে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হতে পারে। সেন্সরের বিরুদ্ধে ছাত্র সংগঠনগুলির প্রতিবাদ বাড়লে প্রশাসনকে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিতে হতে পারে। আবার অন্যদিকে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পথ বের করার চেষ্টা চলছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শিক্ষকদের সঙ্গে বৈঠকের মাধ্যমে পরিস্থিতি সামাল দিতে চায়। তবে অভিরূপ চক্রবর্তীর মতো ছাত্র নেতাদের বক্তব্য যদি আরও আক্রমণাত্মক হয়, তবে সংঘাতের আশঙ্কা বাড়বে।

উপসংহার

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে শান্তা দত্ত বনাম অভিরূপ চক্রবর্তী ঘটনাটি শিক্ষাঙ্গনের শৃঙ্খলা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, রাজনৈতিক প্রভাব এবং ছাত্র সংগঠনের ভূমিকা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলেছে। শিক্ষার্থীদের মধ্যে মতপার্থক্য বাড়লেও সমাধানের জন্য আলোচনা অপরিহার্য। বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদা বজায় রাখার পাশাপাশি ছাত্রদের মত প্রকাশের অধিকার রক্ষার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। এই ঘটনার দিকে নজর রাখছে রাজ্য এবং জাতীয় পর্যায়ের শিক্ষা মহল।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

Thursday, 11 September 2025

ভাগ্যিস ছবিগুলোকে লাথি মারেনি’, সুকান্ত মজুমদারের পায়ের কাছে রবীন্দ্রনাথ-বঙ্কিমের ছবি প্রসঙ্গে আক্রমণ ব্রাত্যর

‘ভাগ্যিস ছবিগুলোকে লাথি মারেনি’, সুকান্ত মজুমদারের পায়ের কাছে রবীন্দ্রনাথ-বঙ্কিমের ছবি প্রসঙ্গে আক্রমণ ব্রাত্যর

‘ভাগ্যিস ছবিগুলোকে লাথি মারেনি’, সুকান্ত মজুমদারের পায়ের কাছে রবীন্দ্রনাথ-বঙ্কিমের ছবি প্রসঙ্গে আক্রমণ ব্রাত্যর

আপডেট: ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ | Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো

সুকান্ত মজুমদারের জনসভায় মনীষীদের ছবি
সুকান্ত মজুমদারের জনসভায় পায়ের কাছে রাখা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ছবি নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্রাত্য বসুর।

ঘটনার সূত্রপাত

কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার-এর একটি জনসভার ছবি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, মঞ্চে ভাষণ দেওয়ার সময় তাঁর পায়ের কাছে রাখা রয়েছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ছবি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু তীব্র সমালোচনা করেছেন এবং বিজেপির বিরুদ্ধে বাংলা সংস্কৃতির প্রতি অবজ্ঞার অভিযোগ তুলেছেন।

ব্রাত্য বসুর তীব্র আক্রমণ

ব্রাত্য বসু সাংবাদিকদের সামনে বলেন, “বিজেপি কখনওই বাঙালির দল নয়। শান্তিনিকেতনের ফলক থেকে রবীন্দ্রনাথের নাম বাদ দেওয়া, সিলেবাস থেকে তাঁর লেখা বাদ দেওয়া কিংবা বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙা— সবই প্রমাণ করছে বাংলার সংস্কৃতি ও গর্বকে আঘাত করছে তারা।” তিনি আরও বলেন, “আমরা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে সবার উপরে রাখি। আর বিজেপি তাঁদেরকে পায়ের নীচে রাখে!”

তিনি কটাক্ষ করে বলেন, “দিল্লির প্রভুদের তৈল মর্দনে এতই ব্যস্ত যে নিজেদের বাংলার ঐতিহ্যকে পর্যন্ত পরিত্যাগ করেছে। মনীষীদের ছবিতে ভাগ্যিস লাথি মারেনি।”

সংস্কৃতি বনাম রাজনীতি

শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু এই ঘটনাকে শুধু একটি ছবি নয়, বরং বৃহত্তর সাংস্কৃতিক আঘাত হিসেবে চিহ্নিত করেন। তিনি বলেন, “বাংলার ঐতিহ্য রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব। অথচ বিজেপি ক্ষমতার লোভে দেবদেবীকেও কলুষিত করছে। দিল্লিতে মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা দুর্গাপুজো উদ্যোক্তাদের নির্দেশ দিচ্ছেন প্যান্ডেলে সর্বত্র মোদীজির ছবি টাঙাতে হবে। অথচ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ৪০ হাজারের বেশি দুর্গাপুজো কমিটিকে অর্থসাহায্য দিয়েছেন, কোথাও তাঁর ছবি ঝোলানোর নির্দেশ দেননি।”

বিজেপির পাল্টা চ্যালেঞ্জ

তৃণমূলের এই আক্রমণের পাল্টা জবাব দিয়েছেন সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, “চ্যালেঞ্জ করছি এই সভার ভিডিয়ো প্রকাশ করুক তৃণমূল। ভিডিয়োতেই বোঝা যাবে ছবিগুলো মোটেও আমার পায়ের কাছে ছিল না। আমি যেখানে কথা বলছিলাম সেখান থেকে অনেক দূরে রাখা ছিল। ভিডিয়ো প্রকাশ হলে থ্রি ডাইমেনশনাল ভিউ-তে বোঝা যাবে আমি যেখানে ছিলাম তার থেকে ছবিগুলো কত দূরে ছিল। পুরোটাই আসলে তৃণমূলের অপপ্রচার।”

এই মন্তব্যের মাধ্যমে শাসক-বিরোধী তরজা আরও তীব্র হয়েছে এবং রাজনৈতিক মহলে আলোচনার ঝড় উঠেছে।

সংস্কৃতি রক্ষার লড়াই নাকি রাজনৈতিক উদ্দেশ্য?

রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলছেন, এটি কেবল একটি ছবি ঘিরে বিতর্ক নয়। বরং বাংলার সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে এটি একটি প্রতীকী সংঘাত। একদিকে তৃণমূল বাংলা সংস্কৃতির রক্ষাকবচ হিসেবে নিজেদের তুলে ধরছে, অন্যদিকে বিজেপিকে সংস্কৃতি অবজ্ঞার দায়ে অভিযুক্ত করছে। একই সঙ্গে বিজেপি পাল্টা যুক্তি দেখাচ্ছে যে এটি অপপ্রচার এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত আক্রমণ।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে
© ২০২৫ Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

নেপালি কংগ্রেস নয়, ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস দায়ী! বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী সম্রাটের অভিযোগ

নেপালি কংগ্রেস নয়, ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস দায়ী! বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী সম্রাটের অভিযোগ

নেপালি কংগ্রেস নয়, ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস দায়ী! বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী সম্রাটের অভিযোগ

আপডেট: ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ | Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো

সম্রাট চৌধরি
বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধরি – নেপালের অশান্তির জন্য কংগ্রেসকে দায়ী করলেন।

কাঠমান্ডুতে সাম্প্রতিক অশান্তি, রক্তাক্ত পালাবদল এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার জন্য নেপালি কংগ্রেস নয়, ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস-এর নেতাদের দায়ী করলেন বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা সম্রাট চৌধরি। তাঁর দাবি, রাহুল গান্ধী এবং মল্লিকার্জুন খড়্গের নেতৃত্বাধীন কংগ্রেসের ভুল নীতির কারণেই নেপালের মতো প্রতিবেশী দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরি হয়েছে।

সম্রাট চৌধরির বক্তব্য

সম্রাট বলেন, “কংগ্রেসের ভুলের জন্যই এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এত বছর ধরে কংগ্রেস এসব দেশকে আলাদা রেখেছে। নেপাল যদি ভারতের অংশ হত, তবে সে দেশ সুখী ও সমৃদ্ধিশালী হত। নেপালের পাশাপাশি পাকিস্তানকেও ভারতের অন্তর্ভুক্ত করতে না পারা কংগ্রেসের ভুল।”

সম্রাটের এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয় তীব্র বিতর্ক। কূটনৈতিক সম্পর্কের মতো সংবেদনশীল বিষয়ে তাঁর মন্তব্য ভারতের সঙ্গে নেপালের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের অবনতির কারণ হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

বিজেপির নির্দেশিকা

বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব দ্রুত পরিস্থিতি সামাল দিতে দেশের সব মন্ত্রী, সাংসদ এবং বিধায়কদের নেপাল বিষয়ে মন্তব্য করতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, নেপাল সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করার আগে বিজেপি সভাপতি জেপি নড্ডা-র কাছ থেকে ছাড়পত্র নিতে হবে। বিশেষভাবে উত্তরপ্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গসহ নেপাল সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলির নেতাদের সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে।

নেপালের সঙ্গে ভারতের সীমান্ত ভাগ করা রাজ্যগুলির মধ্যে অন্যতম বিহার হওয়ায় সম্রাটের বক্তব্য রাজনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। নীতিনির্ধারকরা বলছেন, এটি শুধু রাজ্য রাজনীতির বিষয় নয়, বরং ভারতের প্রতিবেশী নীতির জন্যও তা একটি বড় সংকেত।

© ২০২৫ Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

নেপালের নেতৃত্বের লড়াইয়ে এগিয়ে ‘শক্তিদাতা’ কুল মান ঘিসিং, কার হাতে ফিরবে স্থিরতা?

নেপালের নেতৃত্বের লড়াইয়ে এগিয়ে ‘শক্তিদাতা’ কুল মান ঘিসিং, কার হাতে ফিরবে স্থিরতা?

নেপালের নেতৃত্বের লড়াইয়ে এগিয়ে ‘শক্তিদাতা’ কুল মান ঘিসিং, কার হাতে ফিরবে স্থিরতা?

আপডেট: ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

কুল মান ঘিসিং, নেপালের সম্ভাব্য নেতৃত্ব

ছবি: নেপালের বিদ্যুৎ সংকট দূরীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেওয়া কুল মান ঘিসিং

রাজনৈতিক শূন্যতায় নতুন নাম উঠে আসছে

তিন দিনের হিংসাত্মক আন্দোলনের পর কেপি শর্মা ওলির পদত্যাগ নেপালের রাজনীতিকে অনিশ্চয়তার দিকে নিয়ে গেছে। আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠা তরুণ প্রজন্ম রাতারাতি পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি সুশীলা কারকি-র নাম অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে প্রস্তাব করলেও এখন আলোচনায় উঠে এসেছে আরেক গুরুত্বপূর্ণ নাম—কুল মান ঘিসিং, যিনি নেপালের বিদ্যুৎ সংকট সমাধানে বড় ভূমিকা রেখেছেন।

‘শক্তিদাতা’ হিসেবে জনপ্রিয় কুল মান ঘিসিং

জেন জি বিপ্লবীদের একাংশের মতে, কুল মান ঘিসিং “একজন দেশপ্রেমী, সবার পছন্দের।” যদিও কারকির নাম আগে আলোচিত হচ্ছিল, হঠাৎই ঘিসিংয়ের নাম উঠে আসায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। কারণ তাঁর পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে সক্রিয় অবস্থান তাঁকে তরুণদের কাছে আস্থার মুখ করে তুলেছে।

বিদ্যুৎ সংকট সমাধানে অবদান

নেপালের দীর্ঘদিনের বিদ্যুৎ সংকট সমাধানের ক্ষেত্রে কুল মান ঘিসিংয়ের ভূমিকা অনস্বীকার্য। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি তাঁকে নেপাল ইলেকট্রিসিটি অথরিটির (NEA)-এর অধিকর্তার পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছিলেন। তবে এই সিদ্ধান্ত সাধারণ মানুষের কাছে জনপ্রিয় হয়নি। ঘিসিং দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে এবং বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধানে একাধিক উদ্যোগ নিয়ে জনগণের সমর্থন অর্জন করেন। তাঁর দক্ষতা ও পরিষ্কার ভাবমূর্তি এখন তাঁকে নেতৃত্বের সম্ভাব্য মুখ হিসেবে তুলে ধরেছে।

রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা

কারকির নাম প্রস্তাব হলেও আন্দোলনকারী তরুণদের মধ্যে নেতৃত্ব নিয়ে মতভেদ বাড়ছে। সেনা ও আন্দোলনকারীরা এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি। ইতিমধ্যেই কারকির সঙ্গে সেনার আলোচনা শুরু হলেও ঘিসিংয়ের নাম নতুন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়েছে। প্রশ্ন উঠছে—নেপালের নেতৃত্ব কার হাতে যাবে?

অন্তর্বর্তী সরকারের দৌড়ে কারা?

নেপালের অন্তর্বর্তী নেতৃত্ব নিয়ে আলোচনায় বর্তমানে যেসব নাম উঠে আসছে:

  • সুশীলা কারকি: প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি, পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির জন্য জনপ্রিয়
  • কুল মান ঘিসিং: বিদ্যুৎ সংকট সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরব
  • বলেন্দ্র শাহ: কাঠমান্ডুর মেয়র
  • হারকা সামপাং: ধারানের মেয়র
  • রবি লামিছানে: প্রাক্তন সাংবাদিক

রাজনীতির বাইরে সাধারণ মানুষের আশা

নেপালের সাধারণ জনগণ এখন স্থিতিশীল নেতৃত্বের আশায় দিন গুনছে। দুর্নীতি মুক্ত প্রশাসন এবং উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার ওপর তাঁদের ভরসা। জেন জির আন্দোলন শুধু সরকারের পতন ঘটায়নি, বরং জনগণের মধ্যে নতুন নেতৃত্বের প্রতি আশাও জাগিয়েছে। কুল মান ঘিসিংকে তারা দেখতে চাইছে উন্নয়নের প্রতীক হিসেবে।

হিংসার পটভূমি

গত সোমবার কেপি শর্মা ওলির সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে আন্দোলন শুরু হয়। পরদিন মঙ্গলবার তিনি পদত্যাগ করেন। আন্দোলনের উত্তাপে বহু নেতামন্ত্রীর বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়, রাস্তায় তাঁদের মারধর করা হয়। পরিস্থিতি বর্তমানে সেনার নিয়ন্ত্রণে। ভারতসহ আন্তর্জাতিক মহল এই অস্থিরতার দিকে নজর রাখছে।

আগামী পথ কোনদিকে?

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, নেপালের নেতৃত্ব সংকট দ্রুত সমাধান না হলে অর্থনীতি, নিরাপত্তা এবং সামাজিক স্থিতিশীলতা আরও দুর্বল হতে পারে। তরুণদের ঐক্য বজায় রাখা এবং পরিষ্কার নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে নেপাল ভবিষ্যতের দিকে এগোতে পারবে। তবে মতভেদ বাড়লে পরিস্থিতি আরও অনিশ্চিত হতে পারে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

জেন জির দ্বন্দ্বে নেপাল অনিশ্চিত: কার নেতৃত্বে ফিরবে স্থিরতা?

জেন জির দ্বন্দ্বে নেপাল অনিশ্চিত: কার নেতৃত্বে ফিরবে স্থিরতা?

জেন জির দ্বন্দ্বে নেপাল অনিশ্চিত: কার নেতৃত্বে ফিরবে স্থিরতা?

আপডেট: ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

নেপালের তরুণ বিপ্লবীদের বৈঠক

ছবি: নেপালের তরুণ বিপ্লবীরা নতুন নেতৃত্ব নিয়ে আলোচনা করছেন

জেন জির বিপ্লবে সরকারের পতন

নেপালে তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্বে শুরু হওয়া রাজনৈতিক বিপ্লব দেশজুড়ে আলোড়ন ফেলেছে। গোটা সরকার পদত্যাগ করেছে এবং অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে প্রাক্তন বিচারপতি সুশীলা কারকির নাম প্রস্তাব করা হয়েছে। যদিও তিনি এই প্রস্তাব মেনে নিয়েছেন এবং সেনার সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছেন, তবুও তরুণদের মধ্যেই নেতৃত্ব নিয়ে দ্বন্দ্ব ক্রমেই তীব্র হচ্ছে।

তরুণদের মধ্যে ‘গৃহযুদ্ধ’?

যে জেন জি দেশের রাজনৈতিক পালাবদলের মুখ হয়ে উঠেছিল, সেই তরুণদের মধ্যেই এখন মতভেদ চরমে। কেউ চাইছেন বর্তমান সংসদ ভেঙে সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে নতুন শাসন কাঠামো তৈরি হোক। অন্যদিকে একাংশ বলছেন তাঁরা সরকারের অংশ হবেন না, বরং নজরদারির মাধ্যমে দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসনের দাবি তুলবেন। ফলে ভবিষ্যৎ নিয়ে একমত হতে পারছেন না বিপ্লবীরা।

আত্মসম্মান ও ঐক্যের আহ্বান

সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তরুণ বিপ্লবীরা জানিয়েছেন, “কোনও রাজনৈতিক দল যেন এই বিদ্রোহের সুযোগ না নেয়। আমাদের আত্মসম্মান বজায় রেখে দেশের অখণ্ডতা ও ঐক্য রক্ষা করতে হবে। নেপালি জনগণের স্বার্থ সুরক্ষিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।” এই বক্তব্যে স্পষ্ট যে তরুণ প্রজন্ম নিজেদের রাজনৈতিক স্বাধীনতা রক্ষায় সচেষ্ট।

নেতৃত্ব নিয়ে মতবিরোধের বিস্তার

কার নেতৃত্বে নেপালের শাসনভার নেওয়া হবে তা নিয়েই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। সুশীলা কারকির নাম আলোচনায় এলেও আন্দোলনকারীদের মধ্যে একমত হতে সমস্যা হচ্ছে। পাশাপাশি সেনাপ্রধান এবং প্রেসিডেন্টের সঙ্গে আলোচনায় সিদ্ধান্ত এখনো চূড়ান্ত হয়নি। কারকির পাশাপাশি আরও চারজনের নাম উঠে এসেছে—

  • কাঠমান্ডুর মেয়র বলেন্দ্র শাহ
  • ধারানের মেয়র হারকা সামপাং
  • প্রাক্তন সাংবাদিক রবি লামিছানে
  • নেপাল ইলেকট্রিসিটি অথরিটির অধিকর্তা কুল মান ঘিসিং

রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত

প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি গত মঙ্গলবার পদত্যাগ করার পর দু’দিন কেটে গেলেও নেতৃত্ব নির্বাচন নিয়ে মতভেদ কাটেনি। সেনা ও তরুণ বিপ্লবীদের আলোচনায় সমাধান না আসায় রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। অনেকেই আশঙ্কা করছেন, মতবিরোধ যদি আরো গভীর হয় তবে নেপাল আবারও সংঘাতে জড়িয়ে পড়তে পারে।

নেপালের জন্য এক কঠিন মোড়

বিশ্বের নজর এখন নেপালের দিকে। একদিকে তরুণদের আশাবাদী নেতৃত্ব দেশের ভবিষ্যৎ বদলে দিতে চায়। অন্যদিকে মতভেদের কারণে অনিশ্চয়তার ছায়া। যে দেশ পাহাড়, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ, সেখানে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এখন বড় চ্যালেঞ্জ। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, আত্মনিয়ন্ত্রণের দাবির পাশাপাশি ঐক্যের প্রয়োজনীয়তা তরুণদের বুঝতে হবে।

আন্তর্জাতিক মহলের প্রতিক্রিয়া

নেপালের এই রাজনৈতিক সংকট আন্তর্জাতিক মহলেও আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে। অনেকেই তরুণ নেতৃত্বের উদ্দীপনা প্রশংসা করলেও স্থিরতা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। বিদেশি বিশ্লেষকরা মনে করছেন, নেতৃত্ব সংকট দ্রুত সমাধান না হলে দেশের অর্থনীতি, নিরাপত্তা এবং সামাজিক স্থিতিশীলতা বিপন্ন হতে পারে।

আগামী দিনে নজর রাখার বিষয়

  • অন্তর্বর্তী সরকারের চূড়ান্ত নেতৃত্ব নির্বাচন হবে কি না।
  • তরুণ বিপ্লবীরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে এগোবেন নাকি মতবিরোধ বাড়বে।
  • সেনা, প্রেসিডেন্ট এবং আন্দোলনকারীদের আলোচনার অগ্রগতি।
  • সংবিধান সংশোধনের দাবি কতটা বাস্তবায়িত হবে।
  • নেপালের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা কতটা ভূমিকা রাখবে।

নেপালের তরুণ প্রজন্মের হাতে পালাবদলের স্বপ্ন থাকলেও, নেতৃত্ব নিয়ে মতবিরোধ তাদের সামনে এক কঠিন চ্যালেঞ্জ। ভবিষ্যৎ কোন দিকে যাবে তা নির্ভর করছে ঐক্যের ওপর।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

Featured post

Y বাংলা ব্যুরো: ভোটার তালিকা সংশোধনে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডে না নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা সংশোধন (SIR, ২০২৬) প্রক্রিয়ায় ম...

Search This Blog