This is default featured slide 1 title
Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.
This is default featured slide 2 title
Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.
This is default featured slide 3 title
Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.
This is default featured slide 4 title
Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.
This is default featured slide 5 title
Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.
Saturday, 3 January 2026
রোল-পর্যবেক্ষকদের নিরাপত্তা নিয়ে কড়া অবস্থান জাতীয় নির্বাচন কমিশনের
ছাব্বিশের আগে কংগ্রেসে প্রত্যাবর্তন কোতওয়ালি পরিবারের, তৃণমূল ছেড়ে পুরনো দলে ফিরলেন মৌসম নূর
মালদহে রাজনৈতিক সমীকরণে বড় বদল
২০২৬-এর বিধানসভা ভোটের আগে ফের একজোট হল মালদহের প্রভাবশালী কোতওয়ালি পরিবার। তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে আবার কংগ্রেসের ঝান্ডা ধরলেন রাজ্যসভার সাংসদ মৌসম বেনজির নূর। শনিবার দিল্লিতে কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় দপ্তরে গিয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে দলে যোগদান করেন তিনি।
সদ্য দায়িত্ব পেয়েই দলত্যাগ
উল্লেখযোগ্য ভাবে, মাত্র তিন দিন আগেই তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে মালদহের চারটি বিধানসভা কেন্দ্রের কো-অর্ডিনেটর হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল মৌসম নূরকে। কিন্তু সেই দায়িত্ব গ্রহণের আগেই তিনি পুরনো দলে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
কংগ্রেসে যোগ দিয়ে কী বললেন মৌসম
দলে যোগ দেওয়ার পর মৌসম নূর বলেন,
“কংগ্রেসকে ধন্যবাদ, আমাকে আবার গ্রহণ করার জন্য। আমরা কংগ্রেস পরিবার। কয়েক বছর তৃণমূলে ছিলাম, অনেক সুযোগ পেয়েছি কাজ করার। মমতা দিদিকে পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দিয়েছি। সোমবার রাজ্যসভা থেকেও ইস্তফা দেব। পরিবারগত ভাবেই সিদ্ধান্ত নিয়েছি একসঙ্গে কাজ করব। দল যে দায়িত্ব দেবে, তা পালন করব। সেক্যুলারিজম, ডেভেলপমেন্ট আর শান্তিই কংগ্রেসের মূল দর্শন—সেই পথেই কাজ করব।”
কেন এই দলবদল?
তৃণমূল ছাড়ার পিছনে মোহভঙ্গের প্রশ্ন উঠলেও মৌসম নূরের বক্তব্য স্পষ্ট—এটি ব্যক্তিগত নয়, সম্পূর্ণ পারিবারিক সিদ্ধান্ত। তাঁর দাবি, রাজনৈতিক আদর্শ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা মিলিয়েই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
রাজনৈতিক অতীত
মালদহ উত্তর লোকসভা কেন্দ্র থেকে ২০০৯ সালে কংগ্রেসের প্রতীকে প্রথম সাংসদ নির্বাচিত হন মৌসম নূর। ২০১৪ সালেও ‘হাত’ প্রতীকে জিতে সংসদে পৌঁছন তিনি।
তবে ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলের টিকিটে লড়াই করে পরাজিত হন মৌসম। ত্রিমুখী লড়াইয়ে ভোট ভাগাভাগির সুযোগে জয় পান বিজেপির খগেন মুর্মু।
রাজ্যসভা ও টিকিট না-পাওয়ার অধ্যায়
লোকসভায় পরাজয়ের পরে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে মৌসম নূরকে রাজ্যসভার সাংসদ মনোনীত করা হয়। তবে ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে তাঁকে আর প্রার্থী করা হয়নি। এমনকি ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটেও তাঁর প্রার্থী হওয়া নিয়ে জল্পনা থাকলেও শেষ পর্যন্ত টিকিট মেলেনি।
ছাব্বিশের আগে কংগ্রেসের আশা
মৌসম নূরের প্রত্যাবর্তনে মালদহে কংগ্রেসের সংগঠন নতুন করে শক্তি পাবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ছাব্বিশের আগে এই দলবদল রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণে কতটা প্রভাব ফেলবে, এখন সেটাই দেখার।
অর্থনৈতিক সংকট, নারী স্বাধীনতা ও নীতিপুলিশের বিরুদ্ধে ইরানে ফের গণবিক্ষোভ। ইতিহাস কি নতুন মোড় নিচ্ছে?
মোল্লাতন্ত্রের বিরুদ্ধে পথে ইরান, ফের ইতিহাসের মোড় ঘোরার ইঙ্গিত?
🔴 কী ঘটছে ইরানে
সাড়ে চার দশক পর ফের অগ্নিগর্ভ ইরান। যে তেহরানের রাজপথে এক সময় রাজতন্ত্রের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছিল জনতা, এ বার সেই রাস্তাতেই ইসলামিক শাসনের বিরুদ্ধেই নেমেছেন লক্ষ লক্ষ মানুষ। বিক্ষোভকারীদের স্লোগান— ‘মোল্লাতন্ত্র নিপাত যাক’।
🔴 আন্দোলনের শুরু ও বিস্তার
২৮ ডিসেম্বর রাজধানী তেহরান থেকে শুরু হওয়া এই প্রতিবাদ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে আলবোর্জ, কারমানশাহ, মারকাজ়, এসফাহান, হামেদান-সহ একাধিক প্রদেশে। প্রথমে বাজারের ব্যবসায়ীরা আন্দোলনের সূচনা করলেও পরে তাতে যোগ দেন পড়ুয়ারা ও সাধারণ মানুষ।
🔴 ক্ষোভের মূল কারণ কী
ডলারের তুলনায় রিয়ালের মূল্য ইতিহাসের সর্বনিম্ন স্তরে পৌঁছেছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়েছে হু হু করে। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ,
-
পকেটে টাকা নেই
-
ঘরে খাবার নেই
-
পর্যাপ্ত পানীয় জলের অভাব
এই পরিস্থিতির জন্য দেশের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইকেই দায়ী করছেন সাধারণ মানুষ।
🔴 সংঘর্ষে প্রাণহানি
গত কয়েক দিনের বিক্ষোভে অন্তত সাত জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে এক জন নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যও রয়েছেন। বিভিন্ন এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ চলছে।
🔴 ২০২২-এর আন্দোলনের স্মৃতি
২০২২ সালে মাহসা আমিনির মৃত্যুর পরে হিজাব-বিরোধী আন্দোলনে উত্তাল হয়েছিল ইরান। সেই সময় সংঘর্ষে পাঁচশোরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল বলে দাবি। তিন বছর পর ফের পথে নামলেন সাধারণ মানুষ, যদিও এ বার মূল কারণ মূল্যবৃদ্ধি, বেকারত্ব ও জলসংকট।
🔴 যুদ্ধ ও নিষেধাজ্ঞার প্রভাব
গত বছর ইজরায়েলের সঙ্গে ১২ দিনের সংঘর্ষ এবং তার পর আমেরিকার মদতে পশ্চিমী নিষেধাজ্ঞা ইরানের অর্থনীতিকে আরও দুর্বল করেছে। যুদ্ধ থামলেও আর্থিক সঙ্কট কাটেনি।
🔴 আন্দোলনে নারীদের ভূমিকা
এই আন্দোলনে নারীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নজর কেড়েছে। নারী স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক অধিকারের প্রশ্নে সরকারের কড়া অবস্থানের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের ক্ষোভ এ বার প্রকাশ্যে এসেছে।
অনেক মহিলা বিক্ষোভকারী ইসলামিক বিপ্লবের আগের ইরানের কথা তুলে ধরছেন, যখন হিজাব ছিল ব্যক্তিগত পছন্দ, বাধ্যবাধকতা নয়।
🔴 নীতিপুলিশ ও বিতর্ক
১৯৭৯ সালের বিপ্লবের পরে বাধ্যতামূলক হয় হিজাব। পোশাকবিধি মানা হচ্ছে কি না, তা দেখার জন্য তৈরি করা হয় নীতিপুলিশ গস্ত-এ-এরশাদ। মাহসা আমিনির মৃত্যুর পরে এই বাহিনী প্রত্যাহারের কথা বলা হলেও বাস্তবে নীতিপুলিশি ব্যবস্থার অবসান হয়নি বলেই অভিযোগ।
🔴 পাহলভি রাজতন্ত্র ফিরছে?
বিক্ষোভকারীদের স্লোগানে এখন শোনা যাচ্ছে— ‘একনায়কের মৃত্যু’, ‘খামেনেইয়ের পতন চাই’। ফলে ফের আলোচনায় এসেছে পাহলভি বংশের প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনা। রেজা শাহ পাহলভির পুত্র রেজা পাহলভি বর্তমানে আমেরিকায় রয়েছেন এবং নিজেকে ইরানের বৈধ শাসক বলে দাবি করেন।
🔴 আন্তর্জাতিক চাপ
এই পরিস্থিতিতে আমেরিকার তরফে হুঁশিয়ারি এসেছে— শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ দমন করা হলে ওয়াশিংটন নীরব থাকবে না। পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরানও। ফলে ইরানের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে।
সন্দেশখালিতে ফের অশান্তির আগুন
🔴 সন্দেশখালিতে ফের অশান্তির আগুন
জমি বিবাদ ঘিরে পুলিশের উপর হামলার অভিযোগ, ভাঙচুর পুলিশ গাড়ি—আহত ৫
সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) ফের অশান্তি। জমি বিবাদকে কেন্দ্র করে পুলিশের উপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার গভীর রাতে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় এক পুলিশ আধিকারিক-সহ চার জন আহত হয়েছেন। হামলায় ভাঙচুর করা হয়েছে পুলিশের গাড়িও।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ন্যাজাট থানার রাজবাড়ি পুলিশ ফাঁড়ি এলাকার বাসিন্দা তথা তৃণমূল কর্মী হিসেবে পরিচিত মুসা মোল্লা এবং তাঁর অনুগামীদের দিকেই অভিযোগের আঙুল। ঘটনার পর ন’জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ।
📌 কী থেকে অশান্তির সূত্রপাত?
মুসা মোল্লার বিরুদ্ধে এলাকায় অবৈধভাবে জমি দখলের অভিযোগ উঠেছিল। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই আদালতের নির্দেশে সংশ্লিষ্ট জমিতে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়। অভিযোগ, তা সত্ত্বেও শুক্রবার গভীর রাতে ওই জমিতে পাঁচিল তোলার কাজ শুরু করেন মুসা।
খবর পেয়ে রাজবাড়ি পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ রাতেই মুসার বাড়িতে পৌঁছে তাঁকে থানায় যাওয়ার নির্দেশ দেয়। তখনই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ।
⚠️ পুলিশের উপর চড়াও, ইটবৃষ্টি ও ভাঙচুর
পুলিশের দাবি, মুসা ফোন করে তাঁর অনুগামীদের ডেকে আনেন। এরপরই একদল লোক পুলিশের উপর চড়াও হয়। শুরু হয় ইটবৃষ্টি, ভাঙচুর করা হয় পুলিশের গাড়ি। ধস্তাধস্তির মধ্যে এক পুলিশ আধিকারিক-সহ চার জন আহত হন। আহতদের মিনাখাঁ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
🚨 এলাকাজুড়ে কড়া নজরদারি
এই ঘটনার পর গোটা সন্দেশখালি জুড়ে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। রাতভর টহল চালানো হয়। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে যুক্তদের চিহ্নিত করার কাজ চলছে। আটক ন’জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ঘটনার নেপথ্যের কারণ জানার চেষ্টা করা হচ্ছে।
🔙 পুরনো স্মৃতি উসকে উঠল
উল্লেখ্য, সন্দেশখালির নাম উঠে এসেছিল আগেও। ২০২৪ সালের ৫ জানুয়ারি শাহজাহান শেখের বাড়িতে অভিযান চালাতে গিয়ে ইডির উপর হামলার ঘটনা ঘটে। ইডির দাবি ছিল, প্রায় ৮০০-১০০০ জনের ভিড়ে তাঁদের ঘিরে ধরা হয়। সেই ঘটনায় ইডির তিন আধিকারিক আহত হন।
পরে আদালতে ইডি জানায়, ঘটনার সময় শাহজাহান বাড়ির ভিতরেই ছিলেন এবং ফোন করে লোক জড়ো করেন। হট্টগোলের মাঝেই তিনি পিছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে যান। বর্তমানে শাহজাহান জেলবন্দি এবং তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা চলছে। এমনকি জেলে বসেও সন্দেশখালির বাসিন্দাদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
ফলে ফের পুলিশের উপর হামলার অভিযোগ উঠতেই সন্দেশখালিতে নতুন করে উদ্বেগ ও উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলের নজর এখন এই এলাকার পরিস্থিতির দিকে।
শুভেন্দু অধিকারীর জেলায় রাজনৈতিক ‘ভূমিকম্প’
🔴 শুভেন্দু অধিকারীর জেলায় রাজনৈতিক ‘ভূমিকম্প’
সরকারি জমি লিজ দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার তৃণমূল চেয়ারম্যান, উত্তাল এগরা
বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) জেলায় ফের বড়সড় রাজনৈতিক আলোড়ন। সরকারি জমি বেআইনিভাবে লিজ দেওয়া এবং আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার হলেন তৃণমূল পরিচালিত এগরা পুরসভার চেয়ারম্যান স্বপন কুমার নায়েক (Chairman of Egra Municipality Arrested)। শুক্রবার কলকাতা থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। শনিবার ধৃতকে আদালতে তোলা হবে।
পূর্ব মেদিনীপুরের ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মিতুন দে জানান, “এগরা-১ ব্লকের বিএলআরও-র লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতেই এই গ্রেফতার। সরকারি জমি অবৈধভাবে লিজ দেওয়ার ফলে সরকারের রাজস্ব ক্ষতির অভিযোগ রয়েছে। ধৃতকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানানো হবে।”
📌 কী অভিযোগ?
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২০ ডিসেম্বর এগরা-১ ব্লকের বিএলআরও এগরা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে বলা হয়, সরকারি মালিকানাধীন ‘খতিয়ান ১’-এর অন্তর্ভুক্ত জমি কোনও সরকারি অনুমোদন ছাড়াই একটি আন-রেজিস্টার্ড ও নথিহীন দলিলের মাধ্যমে হস্তান্তর করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে এই বেআইনি লেনদেনের ফলে বিপুল রাজস্ব ক্ষতির বিষয়টি উঠে এসেছে।
এই অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত শুরু করে পুলিশ এবং শুক্রবার গ্রেফতার করা হয় স্বপন নায়েককে। ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ যুক্ত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন পুলিশ আধিকারিকরা।
⚠️ শুধু আইনি নয়, রাজনৈতিকভাবেও তাৎপর্যপূর্ণ
এই গ্রেফতারিকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। কারণ, কিছুদিন আগেই তৃণমূল নেতৃত্ব স্বপন নায়েককে চেয়ারম্যানের পদ থেকে ইস্তফা দিতে নির্দেশ দিয়েছিল। সেই নির্দেশ তিনি মানেননি। এরপর দলেরই ছয় কাউন্সিলর তাঁর বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনেন।
গত ২০ ডিসেম্বর অনাস্থা ভোট হওয়ার কথা থাকলেও তার আগেই পরিস্থিতি নাটকীয় মোড় নেয়। তৃণমূল কাউন্সিলরদের অভিযোগ, ভোর সাড়ে ৪টে নাগাদ চেয়ারম্যান পুরসভায় ঢুকে গুরুত্বপূর্ণ নথি লোপাটের চেষ্টা করেন। বিষয়টি নিয়ে তীব্র প্রতিবাদ হয় এবং এগরা থানায় অভিযোগ জানানো হয়। এর জেরে অনাস্থা ভোট স্থগিত হয়ে যায়।
🔥 ফুটন্ত কড়াই এগরার রাজনীতি
শুভেন্দু অধিকারীর জেলায় তৃণমূলের অন্দরে দ্বন্দ্ব, অনাস্থা এবং শেষে চেয়ারম্যান গ্রেফতার—সব মিলিয়ে এগরার রাজনীতি এখন কার্যত ফুটন্ত কড়াই। আগামী দিনে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে আরও কতটা উত্তাপ ছড়ায়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।
📲 খবরটি শেয়ার করুন, মতামত জানাতে কমেন্ট করুন।
Friday, 2 January 2026
ধর্ষণের চেষ্টা! আত্মরক্ষায় কুঠারের কোপ—ধর্ষককে খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার ১৮ বছরের তরুণী
এক অদ্ভুত ও চাঞ্চল্যকর ঘটনার সাক্ষী থাকল উত্তরপ্রদেশ। ধর্ষণের চেষ্টা প্রতিহত করতে গিয়ে এক ব্যক্তিকে খুন করার অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন এক ১৮ বছরের তরুণী। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের বান্দা জেলায়।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বছরের প্রথম দিন বৃহস্পতিবার বান্দা জেলার মুরওয়াল গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। বিকেল প্রায় সাড়ে ৩টে নাগাদ একটি বাড়ির ভিতর থেকে ৫০ বছর বয়সি সুখরাজ প্রজাপতির রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়। তাঁর মাথায় ধারালো অস্ত্রের গুরুতর আঘাত ছিল।
স্টেশন হাউস অফিসার (SHO) রাজেন্দ্র সিং রাজাওয়াত জানান, নিহতের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে ওই তরুণীর বিরুদ্ধে খুনের মামলা রুজু করা হয়। তদন্তে নেমে পুলিশ ওই রাতেই ১৮ বছরের তরুণীকে গ্রেপ্তার করে। পাশাপাশি, খুনে ব্যবহৃত ধারালো অস্ত্র—একটি কুঠারও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।
পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদের সময় তরুণীর দাবি, সুখরাজ জোর করে তাঁর বাড়িতে ঢুকে তাঁকে যৌন নির্যাতনের চেষ্টা করে। নিজেকে বাঁচাতেই ঘরে রাখা কুঠার দিয়ে তিনি আঘাত করেন। সেই আঘাতেই মৃত্যু হয় সুখরাজের।
পুলিশ জানিয়েছে, শুক্রবার অভিযুক্ত তরুণীকে আদালতে তোলা হবে। ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত ও আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশি হেফাজতের আবেদন জানানো হবে।
📌 ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য, আত্মরক্ষার দাবি ঘিরে শুরু হয়েছে আইনি ও সামাজিক বিতর্ক।
শাহের সঙ্গে বৈঠকের পরই ‘শাহী টনিক’! পুরনো মেজাজে ফিরলেন দিলীপ ঘোষ
অমিত শাহের সঙ্গে গোপন বৈঠকের পরই ফের চেনা মেজাজে বঙ্গ বিজেপির দাপুটে নেতা দিলীপ ঘোষ। কয়েক মাস পর বৃহস্পতিবার সল্টলেকের বিজেপি কার্যালয়ে হাজির হয়ে রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের সঙ্গে ২০২৬-এর রণকৌশল নিয়ে বৈঠক করেন তিনি। এরপরই রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন—কোন কথায় দিলীপের ‘মান ভাঙালেন’ শাহ?
শুক্রবার নিউটাউনে প্রাতঃভ্রমণে গিয়ে নিজেই জবাব দিলেন দিলীপ ঘোষ। জানালেন,
👉 “অমিত শাহ আমাকে কাজ করতে বলেছেন। আমি কাজে নেমে পড়েছি।”
দলের সঙ্গে দূরত্বের জল্পনার মাঝেই সস্ত্রীক দিঘার জগন্নাথধামের দ্বারোদ্ঘাটনে গিয়ে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন দিলীপ। দলবদলের কানাঘুষোও শোনা গিয়েছিল। সেই প্রসঙ্গে তৃণমূলের কটাক্ষের পালটা দিতে ছাড়েননি তিনি। সাফ বললেন,
👉 “জগন্নাথ দেবের আশীর্বাদেই ছাব্বিশে বাংলায় বিজেপির সরকার আসবে।”
দল যে দায়িত্ব দেবে, তা একশো শতাংশ দিয়ে পালন করবেন—এ কথাও স্পষ্ট করে দেন দিলীপ। মোদি-শাহের সভায় ডাক না পাওয়া নিয়ে বলেন,
👉 “মাঝে ভোট ছিল না। দল অন্যদের সুযোগ দিয়ে দেখেছে। আজ মনে হয়েছে আমাকে প্রয়োজন, তাই ডেকেছে।”
এদিন পুরনো ভঙ্গিতেই তৃণমূল ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেন দিলীপ। মাসব্যাপী কর্মসূচি নিয়ে কটাক্ষ করে বলেন,
👉 “ডায়লগ দিয়ে ভোটে জেতা যায় না। সিপিএমও একসময় ভেবেছিল কেউ হারাতে পারবে না—এমনভাবে হারল যে খুঁজেই পাওয়া গেল না।”
📌 ইঙ্গিত স্পষ্ট—২০২৬-এর লড়াইয়ে ফের সক্রিয়, আক্রমণাত্মক দিলীপ ঘোষ।
উদ্যম আধার (Udyam Registration): ছোট ব্যবসার জন্য কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?
🔴 ব্যবসায়ীদের জন্য জরুরি তথ্য 🔴
উদ্যম আধার (Udyam Registration): ছোট ব্যবসার জন্য কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?
(জনস্বার্থে প্রচার)
আপনি কি দোকান, ছোট ব্যবসা, সার্ভিস সেন্টার, অনলাইন বিজনেস বা যেকোনো MSME পরিচালনা করেন?
তাহলে আপনার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি নথি হল উদ্যম আধার (Udyam Registration)।
সরকারি স্বীকৃতি থেকে শুরু করে লোন, ভর্তুকি ও আইনি সুরক্ষা—সবকিছুর চাবিকাঠি এই এক রেজিস্ট্রেশন।
🎯 উদ্যম আধারের মূল উদ্দেশ্য কী?
✔️ ছোট ও মাঝারি ব্যবসাকে সরকারি স্বীকৃতি দেওয়া
✔️ MSME ব্যবসার উন্নয়ন ও সুরক্ষা নিশ্চিত করা
✔️ সহজে ব্যাংক লোন ও সরকারি সুবিধা পাওয়া
✔️ কর্মসংস্থান বৃদ্ধি করা
🏢 উদ্যম আধার কী কী কাজে লাগে?
✔️ MSME সার্টিফিকেট হিসেবে ব্যবহার
✔️ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে লোন নিতে
✔️ সরকারি প্রকল্প ও ভর্তুকি (Subsidy) পেতে
✔️ সরকারি টেন্ডারে অংশগ্রহণ করতে
✔️ দেরিতে পেমেন্ট পেলে আইনি সুরক্ষা পেতে
✔️ ব্যবসার বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়াতে
📄 উদ্যম আধার করতে কী কী লাগবে?
📌 কোনো কাগজ আপলোড করতে হয় না, শুধু তথ্য দিলেই হবে
✔️ আধার কার্ড (মালিক/প্রোপ্রাইটর)
✔️ PAN কার্ড
✔️ মোবাইল নম্বর (OTP ভেরিফিকেশন)
✔️ ব্যবসার নাম ও ঠিকানা
✔️ ব্যবসার কাজের ধরন (NIC কোড)
✔️ ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য
📝 কিভাবে আবেদন করবেন? (সহজ স্টেপ)
1️⃣ সরকারি ওয়েবসাইটে যান: udyamregistration.gov.in
2️⃣ New Registration অপশনে ক্লিক করুন
3️⃣ আধার নম্বর দিন ও OTP দিয়ে ভেরিফাই করুন
4️⃣ PAN নম্বর দিলে অটো ভেরিফিকেশন হবে
5️⃣ ব্যবসার প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করুন
6️⃣ Submit করুন
🎉 সঙ্গে সঙ্গে মিলবে Udyam Registration Certificate
⚠️ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জেনে নিন
🔹 একবার রেজিস্ট্রেশন করলে লাইফটাইম ভ্যালিড
🔹 আগে Udyog Aadhaar থাকলেও নতুন করে Udyam করতে হবে
🔹 ঘরে বসে বা CSC সেন্টার থেকেও করা যায়
🔹 নতুন ও পুরনো—সব ব্যবসার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য
📢 উপসংহার
উদ্যম আধার আপনার ব্যবসাকে দেয়—
✅ সরকারি স্বীকৃতি
✅ আর্থিক সুবিধা
✅ আইনি সুরক্ষা
👉 তাই ব্যবসা থাকলে দেরি না করে আজই Udyam Registration করুন।
✍️ @ Y BANGLA NEWS
📌 জনস্বার্থে প্রচার
👍 লাইক করুন | 💬 কমেন্ট করুন | 🔄 শেয়ার করুন
👉 যাতে এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আরও মানুষের কাছে পৌঁছায়
Tuesday, 30 December 2025
বিজেপি শাসিত রাজ্যে বাংলাভাষী পরিযায়ী শ্রমিক নিধনের অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রীর দ্বারস্থ অধীর চৌধুরী
Y BANGLA NEWS ব্যুরো:
বাংলাভাষী পরিযায়ী শ্রমিকদের উপর বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে লাগাতার অত্যাচারের অভিযোগ তুলে মঙ্গলবার সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন রাজ্যের কংগ্রেস নেতা অধীররঞ্জন চৌধুরী। এদিন নয়াদিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাসভবনে গিয়ে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন অধীর।
উল্লেখযোগ্যভাবে, ঠিক যে সময়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ কলকাতায় অনুপ্রবেশ রোধ নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করছিলেন, সেই সময়েই দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন প্রবীণ কংগ্রেস নেতা। বৈঠকে অধীর মোদীর সামনে ভিনরাজ্যে কাজ করতে যাওয়া বাংলাভাষী পরিযায়ী শ্রমিকদের দুর্দশা ও নিরাপত্তাহীনতার বিষয়টি তুলে ধরেন।
লোকসভার প্রাক্তন সাংসদ অধীর চৌধুরীর অভিযোগ, শুধুমাত্র বাংলায় কথা বলার কারণেই বহু পরিযায়ী শ্রমিককে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী সন্দেহে হেনস্তা, মারধর এমনকী হত্যা পর্যন্ত করা হচ্ছে। তিনি দাবি করেন, বিশেষ করে বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতেই এ ধরনের ঘটনা বেশি ঘটছে।
প্রধানমন্ত্রীকে দেওয়া একটি আর্জিপত্রে অধীর চৌধুরী ওড়িশার সম্বলপুরের একটি ঘটনার উল্লেখ করেন। সেখানে মুর্শিদাবাদের বাসিন্দা জুয়েল শেখ নামে এক যুবককে বাংলাদেশি সন্দেহে গণপিটুনি দিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ। গত ২৪ ডিসেম্বর ওই ঘটনা ঘটে। একই ঘটনায় মুর্শিদাবাদের আরও দুই যুবক মারধরের শিকার হন, যদিও তাঁরা কোনওরকমে পালিয়ে প্রাণে বাঁচেন।
অধীর চিঠিতে লেখেন, পশ্চিমবঙ্গের পরিযায়ী শ্রমিকরা দেশজুড়ে ছড়িয়ে রয়েছেন এবং খেটে খাওয়ার অধিকার তাঁদের সাংবিধানিক অধিকার। কিন্তু বাংলাভাষী হওয়ার কারণেই তাঁদের নির্দিষ্ট করে নিশানা করা হচ্ছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, বাংলাভাষী নাগরিক ও বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য করা অত্যন্ত জরুরি।
প্রধানমন্ত্রীর কাছে অধীর চৌধুরীর আবেদন, দেশের সব রাজ্য সরকারকে এ বিষয়ে সতর্ক করা হোক, যাতে কোনও নিরীহ পরিযায়ী শ্রমিক ভাষার কারণে হেনস্তা বা সহিংসতার শিকার না হন। তাঁর মতে, এই ধরনের ঘটনা শুধু মানবাধিকার লঙ্ঘনই নয়, দেশের সংবিধান ও বহুত্ববাদী চরিত্রেরও পরিপন্থী।
🔴 ২০২৬ সালেই ফের ভারত–পাক সংঘাত? কাশ্মীর ঘিরে বড় সতর্কবার্তা মার্কিন থিঙ্ক ট্যাঙ্কের
📲 ডিজিটাল নিউজ | Y BANGLA NEWS
Y BANGLA NEWS ব্যুরো:
২০২৬ সালেই ফের ভারত–পাকিস্তান সামরিক সংঘাত শুরু হওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছে না মার্কিন বিদেশনীতি পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশনস (CFR)। কাশ্মীরে জঙ্গি হামলার প্রেক্ষিতে দুই পরমাণু শক্তিধর দেশের মধ্যে ফের উত্তেজনা ছড়াতে পারে বলে তাদের সাম্প্রতিক রিপোর্টে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।
🗂️ ‘Conflicts to Watch in 2026’ শীর্ষক ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,
কাশ্মীরে সন্ত্রাসবাদী হামলার ঘটনা নতুন করে সামরিক সংঘর্ষের জন্ম দিতে পারে। এই সম্ভাবনাকে সিএফআর ‘মাঝারি মাত্রার ঝুঁকি’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। তাদের মতে, দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তা পরিস্থিতি আগামী বছরেও অস্থির থাকার সম্ভাবনা প্রবল।
⚔️ অপারেশন সিঁদুর এখনও শেষ নয়, স্পষ্ট বার্তা ভারতের
উল্লেখযোগ্যভাবে, ভারতের তরফে আগেই জানানো হয়েছে যে ‘অপারেশন সিঁদুর’ এখনও পুরোপুরি শেষ হয়নি।
গত মাসে দিল্লির লালকেল্লার অদূরে গাড়িবোমা বিস্ফোরণের ঘটনার পর সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী স্পষ্ট করে বলেন—
“প্রয়োজনে ‘অপারেশন সিঁদুর ২.০’-এর পথে হাঁটতে প্রস্তুত ভারতীয় সেনা। অপারেশন সিঁদুর-১ থেকে পাওয়া অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতের যে কোনও অভিযানে সেনাকে আরও শক্তিশালী করবে।”
💥 পহেলগাম হামলা ও ভারতের প্রত্যাঘাত
📌 ২২ এপ্রিল, জম্মু-কাশ্মীরের পহেলগামের বৈসরন উপত্যকায় ভয়াবহ জঙ্গি হামলায় ২৬ জনের মৃত্যু হয়।
ভারতের কাছে ওই হামলায় পাকিস্তানের যোগসাজশের অকাট্য প্রমাণ আসে বলে দাবি করা হয়।
➡️ ঘটনার ১৫ দিনের মাথায় ভারত শুরু করে ‘অপারেশন সিঁদুর’।
➡️ ৬ মে গভীর রাতে পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরের মোট ৯টি জঙ্গিঘাঁটিতে নিখুঁত হামলা চালায় ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী।
পাকিস্তানের দাবি অনুযায়ী,
🚀 ভারত কমপক্ষে ২৪টি মিসাইল ছোড়ে জঙ্গি ঘাঁটি লক্ষ্য করে।
🚨 চার দিনের যুদ্ধ-উত্তেজনা, তারপর সংঘর্ষবিরতি
এর পর টানা চার দিন সীমান্তে চরম উত্তেজনা তৈরি হয়।
ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পাল্টা জবাবে ভারত পাকিস্তানের একাধিক বায়ুসেনা ঘাঁটিতে আঘাত হানে।
📅 ১০ মে শেষ পর্যন্ত দুই দেশ সংঘর্ষবিরতিতে সম্মত হয়।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, তাঁর মধ্যস্থতাতেই নয়াদিল্লি ও ইসলামাবাদ সংঘর্ষবিরতিতে পৌঁছয়।
🔎 ২০২৬ নিয়েই কেন বাড়ছে আশঙ্কা?
সব মিলিয়ে—
🔺 কাশ্মীরের অস্থির পরিস্থিতি
🔺 সাম্প্রতিক সামরিক অভিজ্ঞতা
🔺 অপারেশন সিঁদুর এখনও চালু থাকার ইঙ্গিত
এই সমস্ত কিছুর নিরিখেই ২০২৬ সালেও ভারত–পাক সম্পর্ক অগ্নিগর্ভ থাকতে পারে, এমনই ইঙ্গিত দিচ্ছে সিএফআর-এর রিপোর্ট।
📌 আপডেট পেতে চোখ রাখুন Y BANGLA NEWS-এ
👍 লাইক | 🔁 শেয়ার | 💬 মতামত জানান
Featured post
সোমবার নদিয়া জেলায় আলাদা দুই এলাকায় মৃত্যুর অভিযোগ ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য। পরিবারের দাবি, SIR সংক্রান্ত আতঙ্ক ও জটিলতার কারণেই প্রাণ হারিয়েছে...






.png)
.png)
.png)












