Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Monday, 5 January 2026

BLA–দের ফোন করে সরাসরি প্রশ্ন—‘শুনানিতে পাশে ছিলেন কি বিধায়ক?’ ২০২৬-এর টিকিটে প্রভাব ফেলতে পারে এই মূল্যায়ন

 


📰 Y বাংলা ডিজিটাল খবর | ব্যুরো

এসআইআর (SIR) চলাকালীন মানুষের পাশে থাকার নির্দেশ আগেই দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু সেই নির্দেশ কতটা মানা হয়েছে? বিধায়করা সত্যিই কি মাঠে ছিলেন?—এ বার সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে নেমেছে তৃণমূলের ভোটকুশলী সংস্থা।

দলীয় সূত্রের খবর, বারাসত থেকে বসিরহাট—বিভিন্ন সাংগঠনিক এলাকায় ইতিমধ্যেই ফোন যাচ্ছে বিএলএ–২দের কাছে। একেবারে সোজাসাপ্টা প্রশ্ন—এসআইআর শুনানির সময় বিধায়ক কি পাশে ছিলেন? এলাকায় কতটা সময় দিয়েছেন? সমস্যা হলে সাহায্য পাওয়া গিয়েছে কি না? প্রতিটি উত্তরই নথিবদ্ধ হচ্ছে ‘রিপোর্ট কার্ডে’।

শীর্ষ নেতৃত্বের বার্তা স্পষ্ট—শুধু উপস্থিতি নয়, প্রয়োজনের সময়ে বিধায়ককে পাওয়া যায় কি না, সেটাই আসল মাপকাঠি। আর সেই কাজের নিরিখেই ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে টিকিট বণ্টনের সময় গুরুত্ব পেতে পারে এই মূল্যায়ন।

এর আগেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সতর্ক করেছিলেন—যোগ্য ভোটারের নাম বাদ পড়লে পথে নামবে দল। সেই কারণে একাধিক ভার্চুয়াল বৈঠকে বিএলএ–২দের দায়িত্ব ও কাজের রূপরেখা স্পষ্ট করে দেওয়া হয়। এখন মাঠে যাঁরা সরাসরি মানুষের সঙ্গে কাজ করেছেন, তাঁদের বক্তব্যের ভিত্তিতেই চলছে তথ্য সংগ্রহ।

দলীয় সূত্রের দাবি, বারাসত সাংগঠনিক জেলায় একাধিক জায়গায় ‘বিধায়ককে কাছে না-পাওয়া’র অভিযোগ জমা পড়েছে। দেগঙ্গা নিয়ে রিপোর্ট মিশ্র। বসিরহাটের কয়েকটি কেন্দ্রেও মতভেদ, যেখানে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের ছাপ দেখছেন সংগঠনের একাংশ।

বারাসতের এক বিএলএ বলেন,
“আমাকে পরিষ্কার করে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, বিধায়ক যোগাযোগ রাখেন কি না। আমি জানিয়েছি—এসআইআর পর্বে উনি আমাদের সঙ্গে ছিলেন না।”
অন্যদিকে, হাড়োয়ার এক বিএলএর বক্তব্য,
“এলাকায় ক্যাম্প হয়েছে, কাজও হয়েছে। সেটাই জানিয়েছি। তবে বিধায়ক সম্পর্কে কী মত দিয়েছি, তা প্রকাশ করতে চাই না।”

সব মিলিয়ে, এসআইআর ঘিরে যেমন রাজপথে তৎপরতা, তেমনই দলের অন্দরেও শুরু হয়ে গিয়েছে নিঃশব্দ ঝাড়াই–বাছাই। শেষ পর্যন্ত এই জনসংযোগের ‘রিপোর্ট কার্ড’ বিধায়কদের ভবিষ্যৎ রাজনীতিতে কতটা প্রভাব ফেলে, তা নিয়েই এখন কৌতূহল তুঙ্গে তৃণমূল শিবিরে।

মুস্তাফিজুর বিতর্কে ‘দ্বিচারিতা’র অভিযোগ, ‘হাসিনাকেও ফেরত পাঠান’—BCCI ও কেন্দ্রকে নিশানা ওয়েইসির




📰 Y বাংলা ডিজিটাল নিউজ  ব্যুরো 

মিনি নিলামে নাম থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশি পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল খেলার সুযোগ না দিয়ে স্বদেশে ফেরানোর সিদ্ধান্ত ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক আরও তীব্র হল। এই ইস্যুতে এ বার সরব হলেন এআইএমআইএম প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়েইসি। তাঁর প্রশ্ন, মুস্তাফিজুরকে ফেরানো হলে, একই যুক্তিতে কেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকেও বাংলাদেশে পাঠানো হচ্ছে না? এই সিদ্ধান্তকে ‘দ্বিচারিতা’ বলে কটাক্ষ করেছেন তিনি।

ওয়েইসির মন্তব্য এমন সময়ে এল, যখন বিসিসিআই কলকাতা নাইট রাইডার্সকে মুস্তাফিজুর রহমানকে ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। প্রতিবেশী দেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন ও রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

নয়াদিল্লিতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ওয়েইসি বলেন,
“পহলেগামে সন্ত্রাসবাদী হামলার পরেও আমরা পাকিস্তানের সঙ্গে এশিয়া কাপে খেলেছি। তাহলে এখন হঠাৎ করে বাংলাদেশি ক্রিকেটারকে ফেরানোর যুক্তি কী?”
তাঁর দাবি, খেলাধুলোর ক্ষেত্রে রাজনীতি ঢুকলে তা সব ক্ষেত্রেই সমানভাবে প্রযোজ্য হওয়া উচিত।

বাংলাদেশি পেসারের প্রসঙ্গ টেনে ওয়েইসি শেখ হাসিনার দিকেও প্রশ্ন ছুড়েছেন। নাম না করে তিনি বলেন, “একজন বাংলাদেশি মহিলা দীর্ঘদিন ধরে ভারতে রয়েছেন। বাংলাদেশ যখন তাঁকে ফিরিয়ে নিতে চাইছে, তখন তাঁকে কেন পাঠানো হচ্ছে না?” তাঁর মতে, এই বিষয়েও ভারতের স্পষ্ট অবস্থান নেওয়া উচিত।

উল্লেখ্য, দেশ ছাড়ার পর থেকেই শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চেয়ে আসছে বাংলাদেশ সরকার। যদিও হাসিনা ও তাঁর পরিবারের দাবি, বর্তমান প্রশাসনের অধীনে কোনও নিরপেক্ষ বিচার সম্ভব নয়। এই মামলায় বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের ভূমিকা নিয়েও ভারত উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

এদিকে বিসিসিআইয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে বিরোধী মতও সামনে এসেছে। কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুর-সহ একাধিক নেতা মনে করছেন, খেলাধুলোর সঙ্গে রাজনীতি মেশানো ঠিক নয়। তবে বোর্ডের দাবি, আগেভাগেই ফ্র্যাঞ্চাইজিকে জানানো হয়েছিল, যাতে বিকল্প খেলোয়াড় নেওয়া যায়।

সব মিলিয়ে, মুস্তাফিজুর রহমানকে ঘিরে নেওয়া সিদ্ধান্ত এখন আর নিছক ক্রিকেটের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। এই ইস্যুতে জড়িয়ে পড়েছে কূটনীতি, নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক বার্তা—আর ওয়েইসির মন্তব্য সেই বিতর্ককে আরও জটিল করে তুলল।

ভোটার তালিকার SIR নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’, নির্বাচন কমিশনকে পাল্টা চিঠি শুভেন্দু অধিকারীর

 


📰 ব্যুরো রিপোর্ট

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) ঘিরে রাজ্য সরকারের আপত্তির কড়া জবাব দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ ও ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে দাবি করে নির্বাচন কমিশনের কাছে পাল্টা চিঠি পাঠিয়েছেন তিনি।

সোমবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে লেখা চিঠিতে শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্য, SIR কোনও হঠকারী বা অপরিকল্পিত প্রক্রিয়া নয়। বরং ভুয়ো ও অযোগ্য ভোটারের নাম ছাঁটাই করতেই এই সাংবিধানিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ভোটার তালিকায় বেআইনি নাম ঢোকানোর সুযোগ পেয়েছে শাসকদল। সেই ‘অস্বস্তিকর সত্য’ সামনে আসছে বলেই এখন আপত্তি তোলা হচ্ছে।

শুভেন্দু আরও দাবি করেছেন, নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে আসলে কমিশনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে নিজেদের নথি যাচাই করাচ্ছেন এবং সংশোধন প্রক্রিয়াকে সমর্থন করছেন বলেও দাবি তাঁর।

প্রসঙ্গত, ভোটার তালিকা সংশোধনের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া ‘হোয়াটসঅ্যাপ বার্তা’ ও কোনও আনুষ্ঠানিক নির্দেশ ছাড়াই চালানো হচ্ছে—এই অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে (Gyanesh Kumar) চিঠি দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নবান্নের অভিযোগ ছিল, কোনও লিখিত বিজ্ঞপ্তি, সার্কুলার বা আইনি নির্দেশ ছাড়াই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে, যা স্বেচ্ছাচারী এবং এতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির প্রশ্ন উঠছে।

এই অভিযোগের জবাবে শুভেন্দু অধিকারী তাঁর চিঠিতে স্পষ্ট জানিয়েছেন, SIR প্রক্রিয়ার প্রশিক্ষণ, সময়সীমা ও প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা সারা দেশেই এক নিয়মে চলছে। প্রযুক্তি ব্যবহারে স্বচ্ছতা রয়েছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সংশোধন করা হয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি।

একই সঙ্গে কমিশনের পর্যবেক্ষক নিয়োগ এবং বুথ স্তরের এজেন্টদের ভূমিকা সীমিত করার সিদ্ধান্তকে সমর্থন জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা। তাঁর মতে, এই ব্যবস্থা নিরপেক্ষতা বজায় রাখতেই নেওয়া হয়েছে, যাতে কোনও রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ না ঘটে।

চিঠির শেষাংশে নির্বাচন কমিশনকে কোনও রকম রাজনৈতিক চাপের কাছে নতি স্বীকার না করার আহ্বান জানিয়ে শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছেন, SIR প্রক্রিয়াই গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করবে এবং প্রকৃত ভোটারের অধিকার সুরক্ষিত করবে।

প্রশংসা একদিকে, শুল্ক চাপ অন্যদিকে—ভারত নিয়ে ট্রাম্পের দ্বিমুখী বার্তা

 


ব্যুরো রিপোর্ট:
হোয়াইট হাউস থেকে প্রকাশিত একটি অডিও বার্তা ঘিরে আবারও আলোচনায় ভারত–আমেরিকা সম্পর্ক। ওই অডিওতে মার্কিন প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন, ভারতের জ্বালানি ও বাণিজ্য সংক্রান্ত নীতি যদি আমেরিকার স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ না হয়, তাহলে ভারতীয় পণ্যের উপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করা হতে পারে।

অডিও ক্লিপে ট্রাম্পের বক্তব্যে উঠে এসেছে রাশিয়া থেকে তেল কেনা নিয়ে ভারতের সিদ্ধান্ত। তিনি জানান, এই বিষয়টি নিয়ে তিনি অসন্তুষ্ট ছিলেন এবং সেই অসন্তোষের কথা দিল্লিকেও জানানো হয়েছিল। তাঁর দাবি, আমেরিকার মনোভাব বুঝেই ভারত নাকি কিছু ক্ষেত্রে অবস্থান বদল করেছে।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রসঙ্গে প্রশংসাসূচক মন্তব্য করলেও, ট্রাম্পের বক্তব্যে ছিল স্পষ্ট সতর্কতা। তিনি বলেন, মোদী বিষয়টি বুঝতে পেরেছিলেন যে আমেরিকা সন্তুষ্ট নয় এবং সেই কারণেই সম্পর্ক রক্ষায় ভারতের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। তবে একইসঙ্গে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দেন, বাণিজ্য ক্ষেত্রে আমেরিকা চাইলে খুব দ্রুত ভারতের উপর শুল্ক বাড়াতে পারে, যা ভারতের পক্ষে ক্ষতিকর হতে পারে।

ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর পশ্চিমী দেশগুলির রাশিয়ার উপর নিষেধাজ্ঞার আবহে, রাশিয়া থেকে ভারতের তেল আমদানি নিয়ে ওয়াশিংটনের আপত্তি নতুন নয়। ভারত একদিকে শক্তি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য বজায় রাখছে, অন্যদিকে আমেরিকার সঙ্গে কৌশলগত ও অর্থনৈতিক সম্পর্কও জোরদার করার চেষ্টা চালাচ্ছে। এই দ্বৈত অবস্থান নিয়েই কূটনৈতিক স্তরে আলোচনা চলছে।

অডিও বার্তায় বিশ্ব অর্থনীতি নিয়েও মন্তব্য করেন ট্রাম্প। তাঁর মতে, রাশিয়ার অর্থনীতি দুর্বল অবস্থায় রয়েছে এবং ভেনেজুয়েলার অর্থনৈতিক পরিস্থিতি আরও সংকটজনক। আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও অর্থনৈতিক চাপকে একসঙ্গে ব্যবহার করেই নিজের অবস্থান স্পষ্ট করতে চেয়েছেন তিনি।

কূটনৈতিক মহলের ধারণা, এই অডিও ক্লিপ ভারত–আমেরিকার বাণিজ্য আলোচনা, জ্বালানি সহযোগিতা এবং বৈশ্বিক কৌশলগত সমীকরণে নতুন করে চাপ সৃষ্টি করতে পারে। রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখা এবং একইসঙ্গে আমেরিকার সঙ্গে অংশীদারিত্ব ধরে রাখা—এই ভারসাম্য রক্ষা করাই আপাতত ভারতের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ।

সোমবার ভোরে আচমকা ভূমিকম্প, কেঁপে উঠল অসমের একাধিক এলাকা।

 



ব্যুরো রিপোর্ট:
সোমবার ভোররাতে আচমকা ভূকম্পনের জেরে কেঁপে ওঠে অসম। ভোর ৪টা নাগাদ মৃদু থেকে মাঝারি তীব্রতার কম্পনে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক। গভীর ঘুম ভেঙে বহু মানুষ বাড়ি ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন।

সিসমোলজি সূত্রে জানা গেছে, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫.১। কম্পনের কেন্দ্রস্থল ছিল ব্রহ্মপুত্র নদীর দক্ষিণ তীরবর্তী মরিগাঁও জেলার কাছে। ভূপৃষ্ঠের প্রায় ৫০ কিলোমিটার গভীরে এই কম্পনের উৎসস্থল অবস্থিত।

ভূমিকম্পের প্রভাব পড়ে অসমের বিস্তীর্ণ এলাকায়। কামরূপ মহানগর, নগাঁও, কার্বি আংলং, হোজাই, ডিমা হাসাও, গোলাঘাট, জোরহাট, শিবসাগর, কাছাড়, করিমগঞ্জ, ধুবড়ি, গোলপাড়া-সহ একাধিক জেলায় কম্পন স্পষ্টভাবে অনুভূত হয়। উত্তর অসমের দরং, সোনিতপুর, নলবাড়ি, বরপেটা, বাক্সা, কোকরাঝাড় ও লখিমপুরেও ভূকম্পনের ঝাঁকুনি টের পান বাসিন্দারা।

শুধু অসম নয়, এই ভূমিকম্পের প্রভাব পড়ে গোটা উত্তর-পূর্ব ভারতজুড়ে। মেঘালয়, অরুণাচল প্রদেশ, নাগাল্যান্ড, মণিপুর, মিজোরাম ও ত্রিপুরার বিভিন্ন এলাকায় কম্পন অনুভূত হয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশের কিছু অংশ, ভুটানের মধ্যাঞ্চল এবং চিনের সীমান্তবর্তী এলাকাতেও এই কম্পনের প্রভাব পড়ে বলে জানা যাচ্ছে।

প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, এখনও পর্যন্ত কোথাও প্রাণহানি বা বড়সড় ক্ষয়ক্ষতির খবর নেই। পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে এবং মানুষকে আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

Sunday, 4 January 2026

টলিপাড়ায় আরও এক ভাঙন!

 


টলিপাড়ায় আরও এক ভাঙন!

খাতায়-কলমে বিচ্ছেদ জয়জিৎ–শ্রেয়ার, নীরবতাতেই আলাদা পথ

ব্যুরো রিপোর্ট: ডিসেম্বরের শহরে যেখানে প্রেম গোপনে বাসা বাঁধে, সেখানেই কখনও কখনও নিঃশব্দে ঘটে যায় বিচ্ছেদ। পার্কস্ট্রিটের আলোঝলমলে রাস্তায় ভালবাসার গল্প যেমন তৈরি হয়, তেমনই অনিবার্য হয়ে ওঠে সম্পর্কের ছেদ। টলিপাড়ায় এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল আরও এক পরিচিত নাম।

দীর্ঘদিনের দাম্পত্যে ইতি টানলেন জয়জিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় ও শ্রেয়া বন্দ্যোপাধ্যায়। কোনও প্রকাশ্য অভিযোগ নয়, কোনও ব্যক্তিগত কাদা ছোড়াছুড়িও নয়—নিভৃতেই আলাদা হল তাঁদের পথ। এই ডিসেম্বরেই খাতায়-কলমে সম্পন্ন হয়েছে বিচ্ছেদ। বহুদিন ধরেই তাঁদের সম্পর্ক যে আর সোজাপথে চলছে না, সেই ইঙ্গিত মিলছিল। তবু নিজেদের ব্যক্তিগত জীবন আগলে রাখতেই পছন্দ করেছিলেন দু’জনেই।


👨‍👩‍👦 সন্তান, কাজ আর আলাদা জীবন

বর্তমানে তাঁদের ছেলে রয়েছে বাবার কাছেই। বাবা–মা–সন্তান মিলিয়ে বছর শেষে ট্রিপেও গিয়েছিলেন জয়জিৎ। অন্যদিকে শ্রেয়া ব্যস্ত নিজের কর্মজীবনে—এক নামজাদা মিউজিক সংস্থার উচ্চপদে কর্মরত তিনি।


❓ বিচ্ছেদের কারণ কী?

ঠিক কী কারণে এই বিচ্ছেদ, তা নিয়ে মুখ খোলেননি কেউই। তবে ইন্ডাস্ট্রির অন্দরমহলে নানা গুঞ্জন ঘুরছে। কখনও পরকীয়ার অভিযোগে জয়জিতের নাম জড়িয়েছে উঠতি মডেলের সঙ্গে, আবার কখনও বা নামজাদা গায়কের সঙ্গে শ্রেয়ার সম্পর্কের খবর উঠে এসেছে চর্চায়। যদিও এসব নিয়েই প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি তাঁরা।


🗣️ অতীতের এক অসম্পূর্ণ উত্তর

এর আগে শ্রেয়ার সঙ্গে দাম্পত্য নিয়ে দ্য ওয়াল-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জয়জিতকে প্রশ্ন করা হয়েছিল,
“আপনি না চাইলেও আপনাদের সংসার এই মুহূর্তে চর্চায়। শোনা যাচ্ছে ডিভোর্স হচ্ছে?”

উত্তরে তিনি বলেছিলেন,

“আমি ম্যারেড।”

“হ্যাপিলি?”—এই প্রশ্নে শুধু হালকা হেসে চুপ করে ছিলেন তিনি। কোনও স্পষ্ট উত্তর দেননি।

আজ সেই নীরবতাই যেন সবটা বলে দিল।


🔚 সম্পর্কের দ্য এন্ড

দীর্ঘদিনের সম্পর্কের এখানেই ইতি। ঝড়ের গভীরে স্তব্ধতা সঙ্গী করেই আলাদা ভাবে জীবন বেছে নিলেন জয়জিৎ ও শ্রেয়া। কোনও ঘোষণা নয়, কোনও নাটক নয়—নীরবতার মধ্যেই টলিপাড়ায় আরও এক ভাঙন।

বছরের শুরুতেই রাজনৈতিক সংঘর্ষে উত্তপ্ত ভাঙড়

 



মুখোমুখি তৃণমূলের দুই গোষ্ঠী, এলাকা জুড়ে চরম উত্তেজনা

ব্যুরো রিপোর্ট: বছরের শুরুতেই রাজনৈতিক সংঘর্ষে ফের অশান্ত হয়ে উঠল দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়। রবিবার সকালে মুখোমুখি হয় তৃণমূল কংগ্রেসের দুই শিবির। বহিষ্কৃত নেতা আরাবুল ইসলামের অনুগামীদের সঙ্গে স্থানীয় বিধায়ক শওকত মোল্লার ঘনিষ্ঠদের সংঘর্ষে পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

অভিযোগ, আরাবুল ইসলামের ছেলে ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ হাকিমুল ইসলামের গাড়িতে হামলা চালানো হয়। সেই সময় তাঁকে লক্ষ্য করে ‘গদ্দার’ স্লোগানও ওঠে।


🔥 কীভাবে পরিস্থিতি ঘোরালো?

তৃণমূলের একাংশের দাবি, পরিকল্পিতভাবেই শওকত মোল্লার অনুগামীরা হাকিমুল ইসলামের উপর চড়াও হন। যদিও এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে শওকত মোল্লা বলেন,

“দলে গদ্দারদের কোনও জায়গা নেই। সাধারণ মানুষ ওদের মানে না।”

ঘটনার সূত্রপাত শনিবার রাত থেকে। সেদিন বিকেলে ভাঙড়ের তৃণমূলের একাংশ—হাকিমুল ইসলাম, কাইজার আহমেদ ও ওদুদ মোল্লা—ডায়মন্ড হারবার সাংগঠনিক জেলার তৃণমূল সভাপতি শুভাশিস চক্রবর্তীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। অভিযোগ, সেখান থেকে ফেরার পরই রাতে পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য ওদুদ মোল্লার কাঁঠালিয়ার বাড়িতে হামলা চালানো হয় এবং তাঁকে খুনের হুমকি দেওয়া হয়।


🚨 রবিবার সকালেই বিস্ফোরণ

এই ঘটনার খবর পেয়ে রবিবার সকালে ওদুদের পাশে দাঁড়াতে তাঁর বাড়িতে যান হাকিমুল ও কাইজাররা। সেখান থেকে বেরোনোর সময়ই হাকিমুলের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ শুরু হয়। অভিযোগ, শওকত ঘনিষ্ঠরা হামলা চালান এবং লাগাতার ‘গদ্দার’ স্লোগান দিতে থাকেন।


👮 পুলিশি হস্তক্ষেপ

খবর পেয়ে উত্তর কাশীপুর থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। বিক্ষোভকারীদের সরাতে গিয়ে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিও হয়। শেষ পর্যন্ত পুলিশি তৎপরতায় হাকিমুল ইসলামকে নিরাপদে এলাকা থেকে বার করে আনা হয়


🗣️ পালটা অভিযোগ–পালটা সাফাই

ঘটনার পরে হাকিমুল ইসলাম সরাসরি শওকত মোল্লার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে বলেন,

“রাতে ওদুদের বাড়িতে গিয়ে খুনের হুমকি দেওয়া হয়েছে। আজ আমার উপর হামলা চালানো হল। শওকতের লোকজনের দাপটে গোটা এলাকা আতঙ্কে।”

অন্যদিকে শওকত মোল্লার বক্তব্য,

“যারা নিজেরাই ঝামেলা পাকায়, তারাই এখন অন্যের নামে দোষ চাপাচ্ছে। এরা দলে বিশ্বাসঘাতক।”


⚠️ ভোটের আগে বাড়ছে উদ্বেগ

অশান্তি ঠেকাতে এলাকায় এখনও পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। ২০২৬-এর বিধানসভা ভোটের আগে ভাঙড়ে এই রাজনৈতিক সংঘর্ষ ঘিরে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ ক্রমশ বাড়ছে।

📌 ভাঙড় কি ফের রাজনৈতিক অশান্তির কেন্দ্র হয়ে উঠছে? উঠছে একাধিক প্রশ্ন।

ভেনেজুয়েলার ঘটনায় প্রথমবার প্রতিক্রিয়া জানাল ভারত

 


🔴 BREAKING NEWS

ভেনেজুয়েলার ঘটনায় প্রথমবার প্রতিক্রিয়া জানাল ভারত

**ব্যুরো রিপোর্ট:** ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণের অভিযোগ ঘিরে তৈরি হওয়া নাটকীয় পরিস্থিতিতে **প্রথমবার আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানাল ভারত**। রোববার দুপুরে বিদেশ মন্ত্রকের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, ভেনেজুয়েলার সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে ভারত গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে এবং গোটা ঘটনার উপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে। এতদিন নয়াদিল্লি শুধু সে দেশে থাকা ভারতীয়দের জন্য সতর্কতা জারি করলেও মূল ঘটনা নিয়ে নীরব ছিল।

🇮🇳 বিদেশ মন্ত্রকের অবস্থান

বিদেশ মন্ত্রকের বিবৃতিতে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে,

> “ভেনেজুয়েলার সংকট সমাধানের একমাত্র পথ শান্তিপূর্ণ আলোচনা। সাধারণ মানুষের সুরক্ষা ও কল্যাণের প্রশ্নে ভারতের অবস্থান সুস্পষ্ট।”

বিবৃতিতে আরও জানানো হয়েছে, সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে **সংযম বজায় রেখে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধানে এগিয়ে আসার** আহ্বান জানিয়েছে ভারত। পাশাপাশি গোটা অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতাবস্থা বজায় রাখার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরা হয়েছে।
⚠️ ভারতীয় নাগরিকদের জন্য সতর্কতা

এর আগে শনিবার রাতে বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র **রণধীর জয়সওয়াল** সমাজমাধ্যমে ভেনেজুয়েলায় থাকা ভারতীয় নাগরিকদের উদ্দেশে সতর্কবার্তা জারি করেন। সেখানে বলা হয়—

* একান্ত প্রয়োজন না হলে আপাতত ভেনেজুয়েলা সফর এড়িয়ে চলতে
* সে দেশে বসবাসকারী ভারতীয়দের চলাফেরার ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে

জরুরি প্রয়োজনে **কারাকাসে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ** করার জন্য ই-মেল ও ফোন নম্বরও জানানো হয়। দূতাবাসের তরফে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, ভারতীয় নাগরিকদের পাশে দাঁড়াতে সবরকম চেষ্টা করা হবে।

🌍 কীভাবে ঘটনার সূত্রপাত?

ঘটনার সূত্রপাত ভেনেজুয়েলায় মার্কিন সামরিক অভিযানের পর। শনিবার রাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট **ডোনাল্ড ট্রাম্প** ঘোষণা করেন, আমেরিকার বাহিনী ভেনেজুয়েলায় ঢুকে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তাঁর স্ত্রী **সিলিয়া ফ্লোরেস**কে আটক করেছে।

হোয়াইট হাউসের দাবি অনুযায়ী—

* মাদুরোকে তাঁর বাসভবন থেকে আটক করা হয়
* প্রথমে হেলিকপ্টারে মার্কিন নৌজাহাজে নিয়ে যাওয়া হয়
* সেখান থেকে সরাসরি **নিউ ইয়র্কে** স্থানান্তর করা হয়

রবিবার সকাল (ভারতীয় সময়) **ব্রুকলিনের একটি ডিটেনশন ক্যাম্পে** তাঁদের বন্দি রাখা হয়েছে বলে জানানো হয়। সেই ঘটনার ফুটেজও প্রকাশ করেছে হোয়াইট হাউস।

🗣️ মাদুরোর প্রথম প্রতিক্রিয়া

আটকের পর প্রথম প্রতিক্রিয়ায় নিকোলাস মাদুরো সংক্ষিপ্তভাবে বলেন,

> “গুড নাইট। হ্যাপি নিউ ইয়ার।”

🌐 আন্তর্জাতিক উত্তেজনা

মার্কিন এই পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা করেছে **চিন, রাশিয়া, ইরান ও কিউবা**-সহ একাধিক দেশ। ভেনেজুয়েলাকে ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে তৈরি হয়েছে প্রবল উত্তেজনা।

📌 পরিস্থিতি কোন দিকে গড়ায়, তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে বাড়ছে কৌতূহল ও উদ্বেগ।**

নাকে অক্সিজেনের নল নিয়েই হাজিরা, জয়নগরের বৃদ্ধের রহস্যমৃত্যু—পরিবারের অভিযোগ

 


SIR শুনানিতে আতঙ্ক!

নাকে অক্সিজেনের নল নিয়েই হাজিরা, জয়নগরের বৃদ্ধের রহস্যমৃত্যু—পরিবারের অভিযোগ

ব্যুরো রিপোর্ট: রাজ্যে SIR (Special Intensive Revision) প্রক্রিয়ার জন্য এনিউমারেশন ফর্ম বিলির কাজ ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে। বর্তমানে চলছে শুনানি-পর্ব। কিন্তু এই শুনানিকে কেন্দ্র করেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আতঙ্কে অসুস্থ হয়ে মৃত্যুর অভিযোগ উঠে আসছে। সেই তালিকায় এবার যুক্ত হল দক্ষিণ ২৪ পরগনার জয়নগর।

জয়নগরের ৬৮ বছর বয়সী নাজিতুল মোল্লার মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। পরিবারের দাবি, SIR সংক্রান্ত আতঙ্ক এবং ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নিজের নাম না পাওয়ার দুশ্চিন্তাই তাঁর মৃত্যুর কারণ


🏠 কে ছিলেন নাজিতুল মোল্লা?

নাজিতুল মোল্লা দক্ষিণ ২৪ পরগনার জয়নগরের গড়দেওয়ানি পঞ্চায়েতের উত্তর ঠাকুরের চক এলাকার বাসিন্দা। পরিবার সূত্রে জানা যায়, ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নিজের নাম না থাকায় তিনি দীর্ঘদিন ধরেই চরম মানসিক চাপে ভুগছিলেন।


🏥 অসুস্থতা থেকে শুনানি, তারপর মৃত্যু

  • ২০ ডিসেম্বর: অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে প্রথমে ডায়মন্ড হারবারের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়

  • শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে কলকাতার চিত্তরঞ্জন হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়

  • ৩১ ডিসেম্বর: SIR শুনানির জন্য নোটিস আসে

  • পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালের বন্ডে স্বাক্ষর করে তাঁকে বাড়িতে নিয়ে আসেন

  • নাকে অক্সিজেনের নল লাগানো অবস্থাতেই তিনি শুনানিকেন্দ্রে হাজির হন

শুনানি শেষে বাড়ি ফেরার পর তাঁর শারীরিক অবস্থা আরও খারাপ হয়ে যায়।
২ জানুয়ারি তাঁকে আবার হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।


⚠️ পরিবারের অভিযোগ

পরিবারের বক্তব্য,

“SIR-এর শুরু থেকেই নাজিতুল আতঙ্কে ছিলেন। ভোটার তালিকায় নাম না থাকায় তিনি ভেঙে পড়েছিলেন। এই মানসিক চাপই তাঁর মৃত্যুর কারণ।”


🗣️ রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া

জয়নগরের তৃণমূল নেতা শাহাবুদ্দিন শেখ বলেন,

“নির্বাচন কমিশনের SIR নামক ষড়যন্ত্রের কারণে বাংলার একের পর এক মানুষের প্রাণ চলে যাচ্ছে। এর দায় নির্বাচন কমিশন ও BJP-কেই নিতে হবে।”

তবে এই বিষয়ে স্থানীয় BJP নেতৃত্বের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি


📌 SIR শুনানি ঘিরে আতঙ্ক আর কত প্রাণ নেবে? উঠছে গুরুতর প্রশ্ন।

ভেনেজুয়েলায় ক্ষমতার নাটকীয় পালাবদল

 


ভেনেজুয়েলায় ক্ষমতার নাটকীয় পালাবদল

অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নিলেন দেলসি রদ্রিগেজ

ব্যুরো রিপোর্ট: ভেনেজুয়েলার রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে চরম নাটকীয় মোড়। দেশের প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো এবং তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে আমেরিকান সেনা আটক করেছে বলে দাবি। তাঁদের নিউ ইয়র্কে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই দেশটির ক্ষমতার ভার সাময়িকভাবে বদলে যায়।

এই অস্থির পরিস্থিতিতে ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন দেলসি রদ্রিগেজ। আপাতত তিনিই দেশের প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক দায়িত্ব সামলাবেন। পরবর্তী পদক্ষেপ এবং ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়ে এখন গোটা বিশ্বের নজর ভেনেজুয়েলার দিকে।


⚖️ আদালতের নির্দেশে ক্ষমতা হস্তান্তর

ভেনেজুয়েলার আদালতের সাম্প্রতিক এক রায়ে জানানো হয়েছে, দেশের প্রশাসনিক ধারাবাহিকতা রক্ষা এবং রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দেলসি রদ্রিগেজকে ‘বলিভারিয়ান রিপাবলিক অফ ভেনেজুয়েলা’-র রাষ্ট্রপতির দায়িত্বভার দেওয়া হচ্ছে।

আদালত জানায়, বর্তমান রাষ্ট্রপতির ‘বাধ্যতামূলক অনুপস্থিতি’ (Forced Absence)-র কারণে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তা মোকাবিলায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রশাসনিক কাজকর্ম যাতে ব্যাহত না হয়, সেজন্য একটি উপযুক্ত আইনি কাঠামো নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা শুরু হবে বলে জানানো হয়েছে।


🌍 বিশ্বজুড়ে নজর

দেশের প্রতিরক্ষা, প্রশাসনিক অখণ্ডতা এবং সরকারি শাসনব্যবস্থা সচল রাখাই এই মুহূর্তে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার বলে জানিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক মহলেও এই ঘটনা ঘিরে তীব্র আলোড়ন তৈরি হয়েছে।


👤 কে এই দেলসি রদ্রিগেজ?

  • বয়স: ৫৬

  • জন্ম: ১৮ মে, ১৯৬৯, কারাকাস

  • শিক্ষা: সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অব ভেনেজুয়েলা (আইন)

  • পিতা: জর্জ অ্যান্টোনিও রদ্রিগেজ, বিপ্লবী লিগা সোশালিস্টা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা

🏛️ রাজনৈতিক কেরিয়ার

  • ২০১৩–১৪: কমিউনিকেশন ও ইনফরমেশন মন্ত্রী

  • ২০১৪–১৭: বিদেশমন্ত্রী

  • ২০১৭: প্রো-সরকারি সংবিধান সভার প্রধান

  • ২০১৮: ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিয়োগ

  • ২০২৪: তেল মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বও পান

যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা মোকাবিলা ও দেশের তেল শিল্প রক্ষা ছিল তাঁর অন্যতম বড় দায়িত্ব। বর্তমানে তিনি ভেনেজুয়েলার প্রধান অর্থনৈতিক কর্তৃপক্ষ হিসেবেও কাজ করছেন।


🗣️ মাদুরোই বৈধ প্রেসিডেন্ট—দাবি রদ্রিগেজের

সম্প্রতি দেলসি রদ্রিগেজ জানিয়েছেন, নিকোলাস মাদুরোই এখনও ভেনেজুয়েলার বৈধ রাষ্ট্রপতি। তাঁর কথায়,

“এই দেশে শুধুমাত্র একজন প্রেসিডেন্ট আছেন, এবং তাঁর নাম নিকোলাস মাদুরো মোরোস।”

তিনি যুক্তরাষ্ট্রের কাছে মাদুরো ও সিলিয়া ফ্লোরেসের ‘জীবিত থাকার প্রমাণ’ প্রকাশেরও আহ্বান জানিয়েছেন।


📌 পরিস্থিতি কোন দিকে গড়ায়, তা জানতে চোখ রাখুন আমাদের ডিজিটাল নিউজ আপডেটে।

Featured post

  সোমবার নদিয়া জেলায় আলাদা দুই এলাকায় মৃত্যুর অভিযোগ ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য। পরিবারের দাবি, SIR সংক্রান্ত আতঙ্ক ও জটিলতার কারণেই প্রাণ হারিয়েছে...

Search This Blog