Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Wednesday, 7 January 2026

মাথাচাড়া দিতে দেব না’ বলতেই বলতেই বিজেপি আজ প্রধান বিরোধী—অভিষেককে পাল্টা দিলীপ ঘোষ

 


ব্যুরো রিপোর্ট | Y Bangla News

ভোটের মুখে রাজ্য রাজনীতিতে ফের তুঙ্গে তরজা। তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপিকে ‘পরিযায়ী পাখি’ বলে কটাক্ষ করার একদিনের মধ্যেই কড়া পাল্টা দিলেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

মঙ্গলবার রামপুরহাটের সভা থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপিকে নিশানা করে বলেন, ভোটের সময় আসে, ভোট মিটলেই উধাও হয়ে যায় বিজেপি। একই সঙ্গে তাঁর স্পষ্ট বার্তা ছিল—রাজ্যে বিজেপিকে কোনওভাবেই মাথাচাড়া দিতে দেওয়া যাবে না।

এই মন্তব্যের জবাবে বুধবার দিলীপ ঘোষ বলেন,
“এই ‘মাথাচাড়া দিতে দেব না’ কথাটা বলতেই বলতেই বিজেপি আজ রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল হয়ে উঠেছে।”

দীর্ঘদিন কিছুটা নীরব থাকলেও বিধানসভা ভোটের আগে ফের মাঠে নেমেছেন দিলীপ। পুরনো আক্রমণাত্মক ছন্দেই তিনি দাবি করেন, শুরু থেকেই বিজেপির নেতা-কর্মীদের উপর আক্রমণ, সংঘর্ষ এমনকি খুনের ঘটনা ঘটেছে। তবুও বিজেপির লড়াই থামেনি, থামবেও না।

দিলীপ ঘোষের বক্তব্য, বাংলার উন্নয়নের দাবিতে বিজেপির সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে। অতীতের মতো ভবিষ্যতেও দলের কর্মীরা আত্মত্যাগে প্রস্তুত। রাজ্যে পরিবর্তন ঘটানোই বিজেপির লক্ষ্য—এই বার্তাই দেন তিনি।

সম্প্রতি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ রাজ্যে এসে দিলীপ ঘোষকে বৈঠকে ডাকেন। পরে শুভেন্দু অধিকারী, সুকান্ত মজুমদার ও শমীক ভট্টাচার্যের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজেও অংশ নেন তিনি। তার পর থেকেই একের পর এক জনসভা শুরু করেছেন দিলীপ। ভোটের আর কয়েক মাস বাকি থাকায় রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ছে স্বাভাবিকভাবেই।

যেখানে অমিত শাহ ২০০-র বেশি আসনের লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিয়েছেন, সেখানে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন—তৃণমূল পাবে ২৫০-র বেশি আসন। এই প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ কটাক্ষ করে বলেন, লোকসভা ভোটে তৃণমূল বলেছিল ‘৪২-এ ৪২’। ফলাফল সকলেরই জানা। তাঁর মতে, এবার ২৫০ নয়, চাইলে ২৯৪ আসনের দাবিও করতে পারে তৃণমূল, কিন্তু বাস্তব বদলাবে না।

তৃণমূলের বিরুদ্ধে ভোট কৌশল নিয়েও আক্রমণ শানান দিলীপ। তাঁর অভিযোগ, শাসক দলের সামনে মানুষের কাছে বলার মতো কোনও ইস্যু নেই। পুরনো নেতাদের সামনে এনে ভোট পার করার চেষ্টা চলছে, কিন্তু তাতে কোনও ফল হবে না।

এসআইআর ইস্যুতেও তৃণমূলকে নিশানা করেন দিলীপ ঘোষ। তাঁর দাবি, এক সময় বলা হয়েছিল এসআইআর করতে দেওয়া হবে না, পরে বলা হয় কোনও নাম বাদ যাবে না। অথচ বাস্তবে প্রায় ৫৮ লক্ষ নাম বাদ পড়েছে। তাঁর মতে, নির্বাচন কমিশন কঠোর অবস্থান নিয়েছে।

ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই রাজ্যের রাজনীতিতে সংঘাতের সুর আরও চড়া হচ্ছে—এটাই স্পষ্ট।

Tuesday, 6 January 2026

মাদুরোর মতো মোদীকেও কি তুলে নেবেন ট্রাম্প? প্রাক্তন মন্ত্রীর মন্তব্যে বিতর্ক

 


মাদুরোর মতো মোদীকেও কি তুলে নেবেন ট্রাম্প? প্রাক্তন মন্ত্রীর মন্তব্যে বিতর্ক

নয়াদিল্লি | Y BANGLA NEWS ডিজিটাল ডেস্ক:
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে (Nicolas Maduro) নিয়ে মার্কিন প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump) কড়া অবস্থানের প্রসঙ্গ টেনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে (Narendra Modi) ঘিরে বিতর্কিত মন্তব্য করে নতুন করে রাজনৈতিক ঝড় তুললেন প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয়ের এক প্রাক্তন মন্ত্রী।

এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে ওই প্রাক্তন মন্ত্রী প্রশ্ন তোলেন, “মাদুরোর মতো পরিস্থিতি তৈরি হলে ভবিষ্যতে কি ট্রাম্প মোদীর বিরুদ্ধেও কড়া পদক্ষেপ নিতে পারেন?” এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই তা নিয়ে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক।

বিজেপির তরফে এই মন্তব্যকে “অযৌক্তিক, দায়িত্বজ্ঞানহীন ও দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা” বলে কটাক্ষ করা হয়েছে। দলের এক শীর্ষ নেতা বলেন, “ভারতের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীকে বিদেশি রাষ্ট্রনেতার সঙ্গে এইভাবে তুলনা করা সম্পূর্ণ অনভিপ্রেত।”

অন্যদিকে, বিরোধী শিবিরের একাংশের দাবি, এই মন্তব্যের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে ভারতের অবস্থান এবং আমেরিকার সঙ্গে সম্পর্কের ভবিষ্যৎ দিকটি নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। যদিও কংগ্রেসের তরফে এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

উল্লেখ্য, ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর প্রেসিডেন্সির সময় ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট মাদুরোর বিরুদ্ধে একাধিক কড়া পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। সেই প্রসঙ্গ টেনেই ভারতের রাজনীতিতে এই মন্তব্য নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চাপানউতোর আরও বাড়বে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

ফের অসুস্থ সোনিয়া গান্ধী, তড়িঘড়ি দিল্লির হাসপাতালে ভর্তি

 


ফের অসুস্থ সোনিয়া গান্ধী, তড়িঘড়ি দিল্লির হাসপাতালে ভর্তি

নয়াদিল্লি | Y BANGLA NEWS ডিজিটাল ডেস্ক:
ফের অসুস্থ হয়ে পড়লেন কংগ্রেসের প্রাক্তন সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী। শনিবার সকালে শারীরিক অসুস্থতার কারণে তাঁকে তড়িঘড়ি দিল্লির একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকদের একটি বিশেষ দল বর্তমানে তাঁর শারীরিক অবস্থার উপর নজর রাখছে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।

সূত্রের খবর, নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার মধ্যেই সোনিয়া গান্ধীর কিছু শারীরিক জটিলতা দেখা দেয়। পরিস্থিতি বিবেচনা করে চিকিৎসকরা তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করার সিদ্ধান্ত নেন। আপাতত তিনি চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণেই রয়েছেন। যদিও তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানা যাচ্ছে।

কংগ্রেস সূত্রে জানানো হয়েছে, দলের শীর্ষ নেতৃত্ব নিয়মিতভাবে সোনিয়া গান্ধীর স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নিচ্ছেন। প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ও রাহুল গান্ধীও চিকিৎসকদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন বলে খবর। বিষয়টি নিয়ে কংগ্রেস কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যেও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

প্রসঙ্গত, বয়সজনিত ও অন্যান্য শারীরিক সমস্যার কারণে গত কয়েক বছর ধরে একাধিকবার হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছে সোনিয়া গান্ধীকে। এর আগেও বিদেশে ও দেশেই চিকিৎসা করাতে দেখা গিয়েছে তাঁকে।

চিকিৎসকদের তরফে আনুষ্ঠানিক মেডিক্যাল বুলেটিন প্রকাশ হলে তাঁর শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে আরও বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

বাংলায় কথা বলায় ‘বাংলাদেশি’ তকমা! ছত্তিশগড়ে মারধরের শিকার পুরুলিয়ার ৮ সংখ্যালঘু পরিযায়ী শ্রমিক

 


বাংলায় কথা বলায় ‘বাংলাদেশি’ তকমা! ছত্তিশগড়ে মারধরের শিকার পুরুলিয়ার ৮ সংখ্যালঘু পরিযায়ী শ্রমিক

বাংলায় কথা বলার অপরাধে ফের ‘বাংলাদেশি’ তকমা দেওয়ার অভিযোগ উঠল। বিজেপি শাসিত ছত্তিশগড়ে পুরুলিয়ার ৮ জন সংখ্যালঘু পরিযায়ী শ্রমিককে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠেছে বজরং দলের সদস্যদের বিরুদ্ধে। হামলার জেরে এক শ্রমিকের হাত ভেঙে যাওয়ারও অভিযোগ রয়েছে। পরে স্থানীয়দের খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে।

জানা গিয়েছে, পুরুলিয়া মফস্বল থানার চেপড়ি গ্রামের বাসিন্দা শেখ জসিম প্রায় তিন মাস আগে ছত্তিশগড়ের রায়পুর জেলার কোতয়ালি থানার সুরজপুর এলাকায় একটি পাউরুটি কারখানায় কাজ শুরু করেন। প্রায় দু’মাস কাজ করার পর তিনি বাড়ি ফিরে আসেন। পরে কারখানায় আরও শ্রমিকের প্রয়োজন হওয়ায় মাস খানেক আগে তাঁর ভাই শেখ আলম, চেপড়ি গ্রামের শেখ বাবিন ওরফে শরিফুল, শেখ জুলফিকার, শেখ সাহিল, তেঁতলো গ্রামের আরবাজ কাজী এবং আড়শা থানার ভুরসু গ্রামের শেখ মিনাল ও শেখ ইসমাইল সেখানে কাজে যোগ দেন।

পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই আটজন সুরজপুর এলাকার পেররী গ্রামে একটি পাউরুটি কারখানায় কর্মরত ছিলেন। অভিযোগ, রবিবার বিকেলে কাজের পারিশ্রমিক নিয়ে কারখানা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে তাঁদের বচসা হয়। সেই সময় স্থানীয় কিছু বজরং দলের সদস্য কারখানায় পৌঁছায়। এরপর বাংলায় কথা বলার কারণে তাঁদের ‘বাংলাদেশি’ বলে তকমা দিয়ে লাঠিপেটা করা হয় বলে অভিযোগ।

এই হামলায় শেখ জসিম গুরুতর আহত হন এবং তাঁর একটি হাত ভেঙে যায় বলে পরিবারের দাবি। ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা থানায় যোগাযোগ করেন। এরপর রায়পুর জেলার কোতয়ালি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আটজনকেই উদ্ধার করে।

চেপড়ি গ্রামের তৃণমূলের বুথ সভাপতি শেখ ইকবাল জানান, রবিবার দুপুরে ছত্তিশগড় পুলিশের এক আধিকারিক ফোন করে ওই আটজনের নাম ও ঠিকানা জানতে চান। পরে পুরুলিয়া মফস্বল থানার আইসির সঙ্গে যোগাযোগ করে পরিবারের তরফে প্রয়োজনীয় নথি পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

ঘটনার জেরে আতঙ্কে রয়েছেন শ্রমিকদের পরিবার। তেঁতলো গ্রামের বাসিন্দা আরবাজ কাজীর বাবা সায়েদ কাজী বলেন, “আমি নিজেও ভিনরাজ্যে কাজ করি। ছেলেকে শুধুমাত্র বাংলায় কথা বলার জন্য বাংলাদেশি বলে মারধর করা হয়েছে শুনে খুব ভয় পাচ্ছি।”

জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আড়শা ও পুরুলিয়া মফস্বল থানার তরফে প্রত্যেকের পরিচয়পত্র ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংশ্লিষ্ট থানায় পাঠানো হয়েছে। শ্রমিকরা যাতে নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারেন, সে বিষয়েও নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।


এসআইআর শুনানির লাইনে খোদ বিডিও! মাটিয়ালি ব্লকে ব্যতিক্রমী ঘটনায় জোর চর্চা

 


এসআইআর শুনানির লাইনে খোদ বিডিও! মাটিয়ালি ব্লকে ব্যতিক্রমী ঘটনায় জোর চর্চা

রাজ্যজুড়ে যেখানে এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়া পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন বিভিন্ন ব্লকের বিডিওরা, ঠিক সেখানেই এক ব্যতিক্রমী ছবি উঠে এল জলপাইগুড়ির মাটিয়ালি ব্লকের মেটলি এলাকায়। সাধারণ মানুষের সঙ্গে একই লাইনে দাঁড়িয়ে এসআইআর শুনানিতে অংশ নিতে দেখা গেল লাভা ব্লকের বিডিও ভারতী চিক বড়াইককে। এই ঘটনাকে ঘিরে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।

জানা গিয়েছে, ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম না থাকায় এসআইআর শুনানিতে ডাকা হয়েছে বিডিও ভারতী চিক বড়াইক-সহ তাঁর পরিবারের আরও তিন সদস্যকে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন তাঁর পিতা কপিল চিক বড়াইক, বোন আরতি চিক বড়াইক এবং ভাই প্রণব চিক বড়াইক। ইতিমধ্যেই বিডিও ভারতী চিক বড়াইক শুনানিতে হাজির হয়েছেন। আগামী দিনে পরিবারের বাকি তিন সদস্যের শুনানিতে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় তাঁদের নাম অন্তর্ভুক্ত ছিল না, আর সেখান থেকেই এই জটিলতার সূত্রপাত। যদিও পরিবারের দাবি, তাঁরা সকলেই ভারতীয় নাগরিক এবং দীর্ঘদিন ধরেই মালবাজার মহকুমার জুরন্তি চা বাগান এলাকায় বসবাস করছেন।

তাঁদের আরও দাবি, ১৯৯৯ সালে মেটলি হাসপাতাল পাড়া এলাকায় জমি কিনে বাড়ি নির্মাণ করা হয়। পরে ২০০৪ সালে তাঁদের নাম ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়। তার আগেও একাধিকবার ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য আবেদন জানানো হয়েছিল, কিন্তু সে সময় তা সম্ভব হয়নি বলে পরিবার সূত্রে দাবি।

একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত বিডিও নিজেই এসআইআর শুনানির লাইনে দাঁড়ানোয় বিষয়টি প্রশাসনিক মহলে নজিরবিহীন বলেই মনে করা হচ্ছে। পাশাপাশি এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলেও বিতর্ক শুরু হয়েছে। এখন সব নজর এসআইআর শুনানির চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের দিকেই।

কনকনে শীতে কাঁপছে তিলোত্তমা, ১৩ বছর পর ১০ ডিগ্রির নিচে নামল কলকাতার পারদ

 


কনকনে শীতে কাঁপছে তিলোত্তমা, ১৩ বছর পর ১০ ডিগ্রির নিচে নামল কলকাতার পারদ

চলতি মরশুমে যেন রীতিমতো ঝোড়ো ব্যাটিং করছে শীত। নতুন বছরের শুরুতেই কলকাতার তাপমাত্রা নেমেছিল ১১ ডিগ্রিতে। এরপর কয়েকদিন পারদ সামান্য ঊর্ধ্বমুখী থাকলেও মঙ্গলবার ফের এক ধাক্কায় নামল তাপমাত্রা। এদিন কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা দাঁড়ায় ১০.২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা গত এক দশকের মধ্যে অন্যতম সর্বনিম্ন।

হাওয়া অফিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৩ সালের ৯ জানুয়ারি কলকাতার তাপমাত্রা নেমেছিল ৯ ডিগ্রিতে। তার পর থেকে প্রতি বছর পৌষ-জানুয়ারিতে পারদ মূলত ১১ ডিগ্রির আশেপাশেই ঘোরাফেরা করেছে। বহুবছর পর চলতি বছরে জানুয়ারিতে তাপমাত্রা নেমে এল ১১ ডিগ্রির নিচে।

মরশুমের শুরু থেকেই ঠান্ডার দাপটে খুশি শীতপ্রেমীরা। তবে সাধারণ মানুষের অবস্থা বেশ কষ্টকর। লেপ-কম্বল ছাড়া বেরোনো কার্যত দায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত কয়েকদিন তাপমাত্রা ১৩ ডিগ্রির আশেপাশে থাকলেও মঙ্গলবার এক ধাক্কায় তিলোত্তমার পারদ নেমে যায় ১০ ডিগ্রির ঘরে।

শহরের পাশাপাশি শহরতলি ও জেলার পরিস্থিতিও প্রায় একই। কুয়াশায় ঢেকে গিয়েছে পথঘাট। দৃশ্যমানতা এতটাই কমেছে যে একহাত দূরের জিনিসও স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে না। এর প্রভাব পড়েছে যান চলাচলেও। ট্রেন ও বাস চলছে ধীর গতিতে।

আবহাওয়াবিদদের মতে, মঙ্গলবারের ঠান্ডা একাধিক পুরনো রেকর্ডের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে। এর আগে ২০০৩ সালের ২২ জানুয়ারি কলকাতায় তাপমাত্রা নেমেছিল ৯.৩ ডিগ্রিতে। আরও পিছনে তাকালে দেখা যায়, ১৮৯৯ সালের জানুয়ারিতে শহরের তাপমাত্রা নেমেছিল ৬.৭ ডিগ্রিতে।

এদিকে উত্তরবঙ্গেও শীতের দাপট চরমে। হাঁড়কাপানো ঠান্ডায় জবুথবু অবস্থা পাহাড় ও সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দাদের। শীত উপভোগ করতে দার্জিলিং-সহ উত্তরের একাধিক পাহাড়ি এলাকায় ভিড় জমাচ্ছেন পর্যটকেরা।

মাত্র ২৪ ঘণ্টায় বাংলাদেশে জোড়া খুন, ফের আতঙ্কে সংখ্যালঘু হিন্দু সমাজ

 


মাত্র ২৪ ঘণ্টায় বাংলাদেশে জোড়া খুন, ফের আতঙ্কে সংখ্যালঘু হিন্দু সমাজ

মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে বাংলাদেশে খুন হলেন দুই হিন্দু ব্যক্তি। রবিবার যশোর জেলায় প্রকাশ্য বাজারে গুলিতে নিহত হন সাংবাদিক ও সংবাদপত্র সম্পাদক রানা প্রতাপ। আর তার ঠিক পরের দিন, সোমবার রাতে নরসিংডি জেলায় কুপিয়ে হত্যা করা হয় মণি চক্রবর্তী নামে এক হিন্দু দোকানিকে। এই জোড়া খুনে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে সংখ্যালঘু হিন্দু সমাজে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নিহত মণি চক্রবর্তী নরসিংডি জেলার বাসিন্দা ছিলেন। তাঁর একটি মুদিখানার দোকান ছিল। সোমবার রাত প্রায় ১০টা নাগাদ নিজের দোকানেই ছিলেন তিনি। সেই সময় আচমকাই ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাঁর উপর হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা। গুরুতর জখম অবস্থায় স্থানীয়রা তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু পথেই তাঁর মৃত্যু হয়। হাসপাতালে পৌঁছলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। ভরা বাজারে এই হত্যাকাণ্ডে গোটা এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

এর একদিন আগেই রবিবার বিকেলে যশোর জেলায় খুন হন সাংবাদিক রানা প্রতাপ। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, ভরা বাজারে আততায়ীরা তাঁকে লক্ষ্য করে একাধিক রাউন্ড গুলি চালায়। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। পরে তাঁর দেহ থেকে একাধিক বুলেট উদ্ধার করা হয়।

উল্লেখ্য, গত তিন সপ্তাহে বাংলাদেশে একের পর এক হিন্দু হত্যার অভিযোগ সামনে এসেছে। গত ২৪ ডিসেম্বর কালিমোহর ইউনিয়নের হোসেনডাঙ্গা এলাকায় ২৯ বছরের অমৃত মণ্ডলকে পিটিয়ে খুন করার অভিযোগ ওঠে। ১৮ ডিসেম্বর ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলায় ২৫ বছরের দীপুচন্দ্র দাসকে পিটিয়ে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। বছরের শেষদিনে খোকন দাস নামে এক হিন্দু ব্যক্তিকে জীবন্ত পুড়িয়ে মারার চেষ্টা করা হয়। কয়েকদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর তাঁর মৃত্যু হয়। এরও আগে ভালুকা এলাকায় বজেন্দ্র বিশ্বাস খুন হন বলে অভিযোগ।

সব মিলিয়ে গত তিন সপ্তাহে বাংলাদেশে অন্তত ৬ জন হিন্দু হিংসার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ। পাশাপাশি সম্প্রতি ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে এক বিধবা হিন্দু মহিলাকে গণধর্ষণের অভিযোগও সামনে এসেছে। নির্যাতনের ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

ক্রমাগত এই ঘটনাগুলির জেরে পদ্মাপাড়ে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

Monday, 5 January 2026

BLA–দের ফোন করে সরাসরি প্রশ্ন—‘শুনানিতে পাশে ছিলেন কি বিধায়ক?’ ২০২৬-এর টিকিটে প্রভাব ফেলতে পারে এই মূল্যায়ন

 


📰 Y বাংলা ডিজিটাল খবর | ব্যুরো

এসআইআর (SIR) চলাকালীন মানুষের পাশে থাকার নির্দেশ আগেই দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু সেই নির্দেশ কতটা মানা হয়েছে? বিধায়করা সত্যিই কি মাঠে ছিলেন?—এ বার সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে নেমেছে তৃণমূলের ভোটকুশলী সংস্থা।

দলীয় সূত্রের খবর, বারাসত থেকে বসিরহাট—বিভিন্ন সাংগঠনিক এলাকায় ইতিমধ্যেই ফোন যাচ্ছে বিএলএ–২দের কাছে। একেবারে সোজাসাপ্টা প্রশ্ন—এসআইআর শুনানির সময় বিধায়ক কি পাশে ছিলেন? এলাকায় কতটা সময় দিয়েছেন? সমস্যা হলে সাহায্য পাওয়া গিয়েছে কি না? প্রতিটি উত্তরই নথিবদ্ধ হচ্ছে ‘রিপোর্ট কার্ডে’।

শীর্ষ নেতৃত্বের বার্তা স্পষ্ট—শুধু উপস্থিতি নয়, প্রয়োজনের সময়ে বিধায়ককে পাওয়া যায় কি না, সেটাই আসল মাপকাঠি। আর সেই কাজের নিরিখেই ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে টিকিট বণ্টনের সময় গুরুত্ব পেতে পারে এই মূল্যায়ন।

এর আগেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সতর্ক করেছিলেন—যোগ্য ভোটারের নাম বাদ পড়লে পথে নামবে দল। সেই কারণে একাধিক ভার্চুয়াল বৈঠকে বিএলএ–২দের দায়িত্ব ও কাজের রূপরেখা স্পষ্ট করে দেওয়া হয়। এখন মাঠে যাঁরা সরাসরি মানুষের সঙ্গে কাজ করেছেন, তাঁদের বক্তব্যের ভিত্তিতেই চলছে তথ্য সংগ্রহ।

দলীয় সূত্রের দাবি, বারাসত সাংগঠনিক জেলায় একাধিক জায়গায় ‘বিধায়ককে কাছে না-পাওয়া’র অভিযোগ জমা পড়েছে। দেগঙ্গা নিয়ে রিপোর্ট মিশ্র। বসিরহাটের কয়েকটি কেন্দ্রেও মতভেদ, যেখানে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের ছাপ দেখছেন সংগঠনের একাংশ।

বারাসতের এক বিএলএ বলেন,
“আমাকে পরিষ্কার করে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, বিধায়ক যোগাযোগ রাখেন কি না। আমি জানিয়েছি—এসআইআর পর্বে উনি আমাদের সঙ্গে ছিলেন না।”
অন্যদিকে, হাড়োয়ার এক বিএলএর বক্তব্য,
“এলাকায় ক্যাম্প হয়েছে, কাজও হয়েছে। সেটাই জানিয়েছি। তবে বিধায়ক সম্পর্কে কী মত দিয়েছি, তা প্রকাশ করতে চাই না।”

সব মিলিয়ে, এসআইআর ঘিরে যেমন রাজপথে তৎপরতা, তেমনই দলের অন্দরেও শুরু হয়ে গিয়েছে নিঃশব্দ ঝাড়াই–বাছাই। শেষ পর্যন্ত এই জনসংযোগের ‘রিপোর্ট কার্ড’ বিধায়কদের ভবিষ্যৎ রাজনীতিতে কতটা প্রভাব ফেলে, তা নিয়েই এখন কৌতূহল তুঙ্গে তৃণমূল শিবিরে।

মুস্তাফিজুর বিতর্কে ‘দ্বিচারিতা’র অভিযোগ, ‘হাসিনাকেও ফেরত পাঠান’—BCCI ও কেন্দ্রকে নিশানা ওয়েইসির




📰 Y বাংলা ডিজিটাল নিউজ  ব্যুরো 

মিনি নিলামে নাম থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশি পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল খেলার সুযোগ না দিয়ে স্বদেশে ফেরানোর সিদ্ধান্ত ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক আরও তীব্র হল। এই ইস্যুতে এ বার সরব হলেন এআইএমআইএম প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়েইসি। তাঁর প্রশ্ন, মুস্তাফিজুরকে ফেরানো হলে, একই যুক্তিতে কেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকেও বাংলাদেশে পাঠানো হচ্ছে না? এই সিদ্ধান্তকে ‘দ্বিচারিতা’ বলে কটাক্ষ করেছেন তিনি।

ওয়েইসির মন্তব্য এমন সময়ে এল, যখন বিসিসিআই কলকাতা নাইট রাইডার্সকে মুস্তাফিজুর রহমানকে ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। প্রতিবেশী দেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন ও রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

নয়াদিল্লিতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ওয়েইসি বলেন,
“পহলেগামে সন্ত্রাসবাদী হামলার পরেও আমরা পাকিস্তানের সঙ্গে এশিয়া কাপে খেলেছি। তাহলে এখন হঠাৎ করে বাংলাদেশি ক্রিকেটারকে ফেরানোর যুক্তি কী?”
তাঁর দাবি, খেলাধুলোর ক্ষেত্রে রাজনীতি ঢুকলে তা সব ক্ষেত্রেই সমানভাবে প্রযোজ্য হওয়া উচিত।

বাংলাদেশি পেসারের প্রসঙ্গ টেনে ওয়েইসি শেখ হাসিনার দিকেও প্রশ্ন ছুড়েছেন। নাম না করে তিনি বলেন, “একজন বাংলাদেশি মহিলা দীর্ঘদিন ধরে ভারতে রয়েছেন। বাংলাদেশ যখন তাঁকে ফিরিয়ে নিতে চাইছে, তখন তাঁকে কেন পাঠানো হচ্ছে না?” তাঁর মতে, এই বিষয়েও ভারতের স্পষ্ট অবস্থান নেওয়া উচিত।

উল্লেখ্য, দেশ ছাড়ার পর থেকেই শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চেয়ে আসছে বাংলাদেশ সরকার। যদিও হাসিনা ও তাঁর পরিবারের দাবি, বর্তমান প্রশাসনের অধীনে কোনও নিরপেক্ষ বিচার সম্ভব নয়। এই মামলায় বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের ভূমিকা নিয়েও ভারত উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

এদিকে বিসিসিআইয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে বিরোধী মতও সামনে এসেছে। কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুর-সহ একাধিক নেতা মনে করছেন, খেলাধুলোর সঙ্গে রাজনীতি মেশানো ঠিক নয়। তবে বোর্ডের দাবি, আগেভাগেই ফ্র্যাঞ্চাইজিকে জানানো হয়েছিল, যাতে বিকল্প খেলোয়াড় নেওয়া যায়।

সব মিলিয়ে, মুস্তাফিজুর রহমানকে ঘিরে নেওয়া সিদ্ধান্ত এখন আর নিছক ক্রিকেটের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। এই ইস্যুতে জড়িয়ে পড়েছে কূটনীতি, নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক বার্তা—আর ওয়েইসির মন্তব্য সেই বিতর্ককে আরও জটিল করে তুলল।

ভোটার তালিকার SIR নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’, নির্বাচন কমিশনকে পাল্টা চিঠি শুভেন্দু অধিকারীর

 


📰 ব্যুরো রিপোর্ট

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) ঘিরে রাজ্য সরকারের আপত্তির কড়া জবাব দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ ও ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে দাবি করে নির্বাচন কমিশনের কাছে পাল্টা চিঠি পাঠিয়েছেন তিনি।

সোমবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে লেখা চিঠিতে শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্য, SIR কোনও হঠকারী বা অপরিকল্পিত প্রক্রিয়া নয়। বরং ভুয়ো ও অযোগ্য ভোটারের নাম ছাঁটাই করতেই এই সাংবিধানিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ভোটার তালিকায় বেআইনি নাম ঢোকানোর সুযোগ পেয়েছে শাসকদল। সেই ‘অস্বস্তিকর সত্য’ সামনে আসছে বলেই এখন আপত্তি তোলা হচ্ছে।

শুভেন্দু আরও দাবি করেছেন, নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে আসলে কমিশনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে নিজেদের নথি যাচাই করাচ্ছেন এবং সংশোধন প্রক্রিয়াকে সমর্থন করছেন বলেও দাবি তাঁর।

প্রসঙ্গত, ভোটার তালিকা সংশোধনের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া ‘হোয়াটসঅ্যাপ বার্তা’ ও কোনও আনুষ্ঠানিক নির্দেশ ছাড়াই চালানো হচ্ছে—এই অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে (Gyanesh Kumar) চিঠি দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নবান্নের অভিযোগ ছিল, কোনও লিখিত বিজ্ঞপ্তি, সার্কুলার বা আইনি নির্দেশ ছাড়াই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে, যা স্বেচ্ছাচারী এবং এতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির প্রশ্ন উঠছে।

এই অভিযোগের জবাবে শুভেন্দু অধিকারী তাঁর চিঠিতে স্পষ্ট জানিয়েছেন, SIR প্রক্রিয়ার প্রশিক্ষণ, সময়সীমা ও প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা সারা দেশেই এক নিয়মে চলছে। প্রযুক্তি ব্যবহারে স্বচ্ছতা রয়েছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সংশোধন করা হয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি।

একই সঙ্গে কমিশনের পর্যবেক্ষক নিয়োগ এবং বুথ স্তরের এজেন্টদের ভূমিকা সীমিত করার সিদ্ধান্তকে সমর্থন জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা। তাঁর মতে, এই ব্যবস্থা নিরপেক্ষতা বজায় রাখতেই নেওয়া হয়েছে, যাতে কোনও রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ না ঘটে।

চিঠির শেষাংশে নির্বাচন কমিশনকে কোনও রকম রাজনৈতিক চাপের কাছে নতি স্বীকার না করার আহ্বান জানিয়ে শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছেন, SIR প্রক্রিয়াই গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করবে এবং প্রকৃত ভোটারের অধিকার সুরক্ষিত করবে।

Featured post

Y বাংলা ব্যুরো: ভোটার তালিকা সংশোধনে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডে না নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা সংশোধন (SIR, ২০২৬) প্রক্রিয়ায় ম...

Search This Blog