Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Wednesday, 7 January 2026

এসআইআর আতঙ্কে মতুয়ারা, ‘সহ্য করতে হবে’ বিতর্কের পর বনগাঁয় ড্যামেজ কন্ট্রোলে শুভেন্দু



এসআইআর আতঙ্কে মতুয়ারা, ‘সহ্য করতে হবে’ বিতর্কের পর বনগাঁয় ড্যামেজ কন্ট্রোলে শুভেন্দু

 Y বাংলা নিউজ   ডিজিটাল ডেস্ক  

প্রথম থেকেই এসআইআর (SIR in Bengal) নিয়ে আতঙ্কে মতুয়া সম্প্রদায়। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন ঘিরে শঙ্কা তৈরি হয়েছিল বহুদিন আগেই। সেই আতঙ্ক আরও বেড়ে যায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের ‘সহ্য করতে হবে’ মন্তব্যে। পরিস্থিতি সামাল দিতেই বুধবার মতুয়াগড় হিসেবে পরিচিত বনগাঁয় দাঁড়িয়ে মতুয়াদের আশ্বস্ত করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বাংলায় এসআইআর শুরু হওয়াকে রাজনৈতিক চক্রান্ত বলে বারবার দাবি করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে রাজ্যজুড়ে শুরু হয় তর্কবিতর্ক। বিশেষ করে মতুয়া অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে আতঙ্ক ছড়ায়। বিজেপির তরফে বারবার আশ্বাস দেওয়া হলেও, খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ্যে আসতেই দেখা যায় বহু মতুয়ার নাম তাতে নেই।

এই আবহেই সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর মন্তব্য করেন,
“ভোটার তালিকা থেকে ৫০ লক্ষ রোহিঙ্গা মুসলিমের নাম বাদ গেলে, সেখানে ১ লক্ষ আমাদের লোক (মতুয়া) যদি বাদ যায়, তাহলে সেটুকু সহ্য করতে হবে।”
এই মন্তব্য ঘিরেই মতুয়া সমাজে ক্ষোভ ও উদ্বেগ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। একাংশ আন্দোলনের পথেও হাঁটেন।

পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ মতুয়াদের আশ্বস্ত করে বলেন, তাঁদের চিন্তার কোনও কারণ নেই। তবে তাতেও পুরোপুরি স্বস্তি ফেরেনি। বুধবার মতুয়াদের একাংশ রাষ্ট্রপতির দ্বারস্থ হন বলেও জানা গিয়েছে।

এই পরিস্থিতিতেই এদিন বনগাঁয় সভা করেন শুভেন্দু অধিকারী। মঞ্চ থেকে তিনি বলেন,
“প্রধানমন্ত্রীর উপর ভরসা রাখুন। কোনও মতুয়া উদ্বাস্তুর নাম বাদ যাবে না।”

শুভেন্দু আরও দাবি করেন,
“হিন্দুদের বাঁচাতেই আমি তৃণমূল ছেড়েছি। বাংলায় এখন জামাতের সরকার চলছে।”
এরপর তিনি মতুয়াদের আশ্বস্ত করে বলেন, কেন্দ্র সবসময় মতুয়াদের কথা ভাবে বলেই সিএএ সার্টিফিকেট দেওয়া হচ্ছে। কারও ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই।

রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, শান্তনু ঠাকুরের ‘সহ্য করতে হবে’ মন্তব্যে যে বিতর্ক ও অস্বস্তি তৈরি হয়েছিল, বনগাঁর সভা থেকে শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্য সেই ক্ষতি সামাল দেওয়ারই চেষ্টা। ছাব্বিশের আগে মতুয়া ভোটব্যাঙ্ক ধরে রাখাই যে বিজেপির কাছে বড় চ্যালেঞ্জ, তা এই ঘটনাপ্রবাহেই স্পষ্ট।

বাংলায় SIR শুনানি: নথির ‘ত্রুটি’তে নোটিস নোবেলজয়ী অমর্ত্য সেনকে, বিতর্ক তুঙ্গে

 


🔴 বাংলায় SIR শুনানি: নথির ‘ত্রুটি’তে নোটিস নোবেলজয়ী অমর্ত্য সেনকে, বিতর্ক তুঙ্গে

ডিজিটাল ডেস্ক | Y বাংলা নিউজ

পশ্চিমবঙ্গে চলমান এসআইআর (SIR in West Bengal) শুনানি পর্বে এবার নজরে এল চাঞ্চল্যকর নাম। এনুমারেশন ফর্মে ত্রুটি ধরা পড়ায় নোটিস গিয়েছে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ও ভারতরত্ন অমর্ত্য সেনের (Amartya Sen) নামে। বিষয়টি ঘিরে রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, এনুমারেশন ফর্মে অমর্ত্য সেনের সঙ্গে তাঁর পিতা বা মাতার বয়সের পার্থক্য ১৫ বছরের কম উল্লেখ থাকায় তা ‘সাধারণভাবে প্রত্যাশিত নয়’ বলে ধরা হয়েছে। সেই কারণেই নথি যাচাইয়ের জন্য নোটিস পাঠানো হয়। যদিও কমিশনের তরফে স্পষ্ট করা হয়েছে, অমর্ত্য সেনকে কোনও শুনানিকেন্দ্রে হাজিরা দিতে হবে না। প্রয়োজনীয় নথি জমা দিলেই সংশোধন সম্ভব।

মঙ্গলবার এই ইস্যুতে বীরভূমের রামপুরহাটে জনসভা থেকে সরব হন তৃণমূল সাংসদ ও সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন,
“নোবেলজয়ী অমর্ত্য সেনকেও শুনানির নোটিস পাঠানো হয়েছে। দেশের জন্য নোবেল পুরস্কার এনে দেওয়া মানুষকেও এরা হেনস্তা করতে ছাড়ছে না। অভিনেতা-সাংসদ দেব, ক্রিকেটার মহম্মদ শামিকেও নোটিস দেওয়া হয়েছে—এগুলো কি নিছক কাকতালীয়?”

অভিষেকের মন্তব্যের পরই কমিশনের তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল শান্তিনিকেতনের প্রতীচী বাড়িতে গিয়ে নোটিস পৌঁছে দেয়। অমর্ত্য সেন বর্তমানে আমেরিকার বোস্টন শহরে অবস্থান করছেন।

নোবেলজয়ীর ভাই শান্তভানু সেন বলেন,
“কাগজপত্রে কিছু গরমিল আছে বলেই নোটিস দেওয়া হয়েছে। এটা স্পষ্টতই হয়রানি। সবাই যাঁকে চেনে, তাঁকেও প্রশ্নের মুখে ফেলা হচ্ছে।”

প্রতীচী বাড়ির দায়িত্বে থাকা গীতিকণ্ঠ মজুমদার জানান,
“অমর্ত্য সেনের সমস্ত বৈধ নথি আমাদের কাছে রয়েছে। কমিশনকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেওয়া হবে। কোনও সমস্যা হওয়ার কথা নয়। তবে দুর্ভাগ্যজনক যে ওঁর মতো মানুষকেও বারবার এই পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হচ্ছে।”

উল্লেখ্য, অমর্ত্য সেন ভারতীয় নাগরিক হিসেবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই এনুমারেশন ফর্ম জমা দিয়েছেন। তারপরও নোটিস পাঠানোয় প্রশ্ন তুলছেন বিরোধী শিবির। বিষয়টি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কি না, তা নিয়েই এখন জোর তরজা রাজ্য রাজনীতিতে।

প্রকাশ্যে বঙ্গ বিজেপির রাজ্য কমিটি, ৩৫ জনের তালিকায় নেই দিলীপ–শুভেন্দু–সুকান্ত, সহ সভাপতি হলেন তাপস রায়

 


প্রকাশ্যে বঙ্গ বিজেপির রাজ্য কমিটি, ৩৫ জনের তালিকায় নেই দিলীপ–শুভেন্দু–সুকান্ত, সহ সভাপতি হলেন তাপস রায়

ব্যুরো রিপোর্ট | Y Bangla News

অবশেষে প্রকাশ্যে এল বঙ্গ বিজেপির নতুন রাজ্য কমিটি। ৩৫ জনের এই রাজ্য কমিটি ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক চর্চা। কারণ, তালিকায় নেই বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের নাম। শুধু তাই নয়, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী তথা প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের নামও রাখা হয়নি এই কমিটিতে।

দীর্ঘদিন রাজ্য রাজনীতিতে সক্রিয় থাকা একাধিক শীর্ষ নেতার নাম বাদ পড়ায় স্বাভাবিকভাবেই কৌতূহল ও জল্পনা বেড়েছে রাজনৈতিক মহলে।

অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়া উত্তর কলকাতার বর্ষীয়ান নেতা তাপস রায়কে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে নতুন কমিটিতে। শুধু রাজ্য কমিটির সদস্যই নন, তাঁকে রাজ্য সহ সভাপতি পদেও নিয়োগ করা হয়েছে। বিজেপির অন্দরে তাপস রায়ের এই উত্থান তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা।

নতুন রাজ্য কমিটিতে পুরনো কয়েকজন মুখও ফিরেছেন গুরুত্বপূর্ণ পদে। তাঁদের মধ্যে অন্যতম তনুজা চক্রবর্তী। একসময় বিজেপির মহিলা মোর্চার রাজ্য সভানেত্রীর দায়িত্ব সামলালেও পরে তাঁকে পদ থেকে সরানো হয়েছিল। দীর্ঘদিন কোনও উল্লেখযোগ্য সাংগঠনিক দায়িত্বে না থাকলেও এবার শমীক ভট্টাচার্যের উদ্যোগে তাঁর পুনর্বাসন হল। তনুজা চক্রবর্তীকেও রাজ্য সহ সভাপতি পদে আনা হয়েছে।

উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, সম্প্রতি রাজ্য সফরে এসে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ প্রকাশ্যেই দিলীপ ঘোষকে আরও সক্রিয় ভূমিকা নেওয়ার বার্তা দিয়ে যান। তার পর থেকেই নতুন উদ্যমে জনসভা ও রাজনৈতিক কর্মসূচিতে দেখা যাচ্ছে দিলীপকে। কিন্তু সেই আবহেই রাজ্য কমিটির তালিকায় তাঁর নাম না থাকায় দিলীপ অনুগামীদের মধ্যে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

ভোটের আগে বিজেপির সাংগঠনিক রদবদল কোন রাজনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। নতুন কমিটি কি ভবিষ্যতের বড় পরিবর্তনের পূর্বাভাস, না কি কৌশলগত সিদ্ধান্ত—তা নিয়ে এখন থেকেই জোর আলোচনা শুরু হয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে।

মাথাচাড়া দিতে দেব না’ বলতেই বলতেই বিজেপি আজ প্রধান বিরোধী—অভিষেককে পাল্টা দিলীপ ঘোষ

 


ব্যুরো রিপোর্ট | Y Bangla News

ভোটের মুখে রাজ্য রাজনীতিতে ফের তুঙ্গে তরজা। তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপিকে ‘পরিযায়ী পাখি’ বলে কটাক্ষ করার একদিনের মধ্যেই কড়া পাল্টা দিলেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

মঙ্গলবার রামপুরহাটের সভা থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপিকে নিশানা করে বলেন, ভোটের সময় আসে, ভোট মিটলেই উধাও হয়ে যায় বিজেপি। একই সঙ্গে তাঁর স্পষ্ট বার্তা ছিল—রাজ্যে বিজেপিকে কোনওভাবেই মাথাচাড়া দিতে দেওয়া যাবে না।

এই মন্তব্যের জবাবে বুধবার দিলীপ ঘোষ বলেন,
“এই ‘মাথাচাড়া দিতে দেব না’ কথাটা বলতেই বলতেই বিজেপি আজ রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল হয়ে উঠেছে।”

দীর্ঘদিন কিছুটা নীরব থাকলেও বিধানসভা ভোটের আগে ফের মাঠে নেমেছেন দিলীপ। পুরনো আক্রমণাত্মক ছন্দেই তিনি দাবি করেন, শুরু থেকেই বিজেপির নেতা-কর্মীদের উপর আক্রমণ, সংঘর্ষ এমনকি খুনের ঘটনা ঘটেছে। তবুও বিজেপির লড়াই থামেনি, থামবেও না।

দিলীপ ঘোষের বক্তব্য, বাংলার উন্নয়নের দাবিতে বিজেপির সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে। অতীতের মতো ভবিষ্যতেও দলের কর্মীরা আত্মত্যাগে প্রস্তুত। রাজ্যে পরিবর্তন ঘটানোই বিজেপির লক্ষ্য—এই বার্তাই দেন তিনি।

সম্প্রতি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ রাজ্যে এসে দিলীপ ঘোষকে বৈঠকে ডাকেন। পরে শুভেন্দু অধিকারী, সুকান্ত মজুমদার ও শমীক ভট্টাচার্যের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজেও অংশ নেন তিনি। তার পর থেকেই একের পর এক জনসভা শুরু করেছেন দিলীপ। ভোটের আর কয়েক মাস বাকি থাকায় রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ছে স্বাভাবিকভাবেই।

যেখানে অমিত শাহ ২০০-র বেশি আসনের লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিয়েছেন, সেখানে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন—তৃণমূল পাবে ২৫০-র বেশি আসন। এই প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ কটাক্ষ করে বলেন, লোকসভা ভোটে তৃণমূল বলেছিল ‘৪২-এ ৪২’। ফলাফল সকলেরই জানা। তাঁর মতে, এবার ২৫০ নয়, চাইলে ২৯৪ আসনের দাবিও করতে পারে তৃণমূল, কিন্তু বাস্তব বদলাবে না।

তৃণমূলের বিরুদ্ধে ভোট কৌশল নিয়েও আক্রমণ শানান দিলীপ। তাঁর অভিযোগ, শাসক দলের সামনে মানুষের কাছে বলার মতো কোনও ইস্যু নেই। পুরনো নেতাদের সামনে এনে ভোট পার করার চেষ্টা চলছে, কিন্তু তাতে কোনও ফল হবে না।

এসআইআর ইস্যুতেও তৃণমূলকে নিশানা করেন দিলীপ ঘোষ। তাঁর দাবি, এক সময় বলা হয়েছিল এসআইআর করতে দেওয়া হবে না, পরে বলা হয় কোনও নাম বাদ যাবে না। অথচ বাস্তবে প্রায় ৫৮ লক্ষ নাম বাদ পড়েছে। তাঁর মতে, নির্বাচন কমিশন কঠোর অবস্থান নিয়েছে।

ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই রাজ্যের রাজনীতিতে সংঘাতের সুর আরও চড়া হচ্ছে—এটাই স্পষ্ট।

Tuesday, 6 January 2026

মাদুরোর মতো মোদীকেও কি তুলে নেবেন ট্রাম্প? প্রাক্তন মন্ত্রীর মন্তব্যে বিতর্ক

 


মাদুরোর মতো মোদীকেও কি তুলে নেবেন ট্রাম্প? প্রাক্তন মন্ত্রীর মন্তব্যে বিতর্ক

নয়াদিল্লি | Y BANGLA NEWS ডিজিটাল ডেস্ক:
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে (Nicolas Maduro) নিয়ে মার্কিন প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump) কড়া অবস্থানের প্রসঙ্গ টেনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে (Narendra Modi) ঘিরে বিতর্কিত মন্তব্য করে নতুন করে রাজনৈতিক ঝড় তুললেন প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয়ের এক প্রাক্তন মন্ত্রী।

এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে ওই প্রাক্তন মন্ত্রী প্রশ্ন তোলেন, “মাদুরোর মতো পরিস্থিতি তৈরি হলে ভবিষ্যতে কি ট্রাম্প মোদীর বিরুদ্ধেও কড়া পদক্ষেপ নিতে পারেন?” এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই তা নিয়ে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক।

বিজেপির তরফে এই মন্তব্যকে “অযৌক্তিক, দায়িত্বজ্ঞানহীন ও দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা” বলে কটাক্ষ করা হয়েছে। দলের এক শীর্ষ নেতা বলেন, “ভারতের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীকে বিদেশি রাষ্ট্রনেতার সঙ্গে এইভাবে তুলনা করা সম্পূর্ণ অনভিপ্রেত।”

অন্যদিকে, বিরোধী শিবিরের একাংশের দাবি, এই মন্তব্যের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে ভারতের অবস্থান এবং আমেরিকার সঙ্গে সম্পর্কের ভবিষ্যৎ দিকটি নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। যদিও কংগ্রেসের তরফে এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

উল্লেখ্য, ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর প্রেসিডেন্সির সময় ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট মাদুরোর বিরুদ্ধে একাধিক কড়া পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। সেই প্রসঙ্গ টেনেই ভারতের রাজনীতিতে এই মন্তব্য নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চাপানউতোর আরও বাড়বে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

ফের অসুস্থ সোনিয়া গান্ধী, তড়িঘড়ি দিল্লির হাসপাতালে ভর্তি

 


ফের অসুস্থ সোনিয়া গান্ধী, তড়িঘড়ি দিল্লির হাসপাতালে ভর্তি

নয়াদিল্লি | Y BANGLA NEWS ডিজিটাল ডেস্ক:
ফের অসুস্থ হয়ে পড়লেন কংগ্রেসের প্রাক্তন সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী। শনিবার সকালে শারীরিক অসুস্থতার কারণে তাঁকে তড়িঘড়ি দিল্লির একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকদের একটি বিশেষ দল বর্তমানে তাঁর শারীরিক অবস্থার উপর নজর রাখছে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।

সূত্রের খবর, নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার মধ্যেই সোনিয়া গান্ধীর কিছু শারীরিক জটিলতা দেখা দেয়। পরিস্থিতি বিবেচনা করে চিকিৎসকরা তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করার সিদ্ধান্ত নেন। আপাতত তিনি চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণেই রয়েছেন। যদিও তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানা যাচ্ছে।

কংগ্রেস সূত্রে জানানো হয়েছে, দলের শীর্ষ নেতৃত্ব নিয়মিতভাবে সোনিয়া গান্ধীর স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নিচ্ছেন। প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ও রাহুল গান্ধীও চিকিৎসকদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন বলে খবর। বিষয়টি নিয়ে কংগ্রেস কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যেও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

প্রসঙ্গত, বয়সজনিত ও অন্যান্য শারীরিক সমস্যার কারণে গত কয়েক বছর ধরে একাধিকবার হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছে সোনিয়া গান্ধীকে। এর আগেও বিদেশে ও দেশেই চিকিৎসা করাতে দেখা গিয়েছে তাঁকে।

চিকিৎসকদের তরফে আনুষ্ঠানিক মেডিক্যাল বুলেটিন প্রকাশ হলে তাঁর শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে আরও বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

বাংলায় কথা বলায় ‘বাংলাদেশি’ তকমা! ছত্তিশগড়ে মারধরের শিকার পুরুলিয়ার ৮ সংখ্যালঘু পরিযায়ী শ্রমিক

 


বাংলায় কথা বলায় ‘বাংলাদেশি’ তকমা! ছত্তিশগড়ে মারধরের শিকার পুরুলিয়ার ৮ সংখ্যালঘু পরিযায়ী শ্রমিক

বাংলায় কথা বলার অপরাধে ফের ‘বাংলাদেশি’ তকমা দেওয়ার অভিযোগ উঠল। বিজেপি শাসিত ছত্তিশগড়ে পুরুলিয়ার ৮ জন সংখ্যালঘু পরিযায়ী শ্রমিককে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠেছে বজরং দলের সদস্যদের বিরুদ্ধে। হামলার জেরে এক শ্রমিকের হাত ভেঙে যাওয়ারও অভিযোগ রয়েছে। পরে স্থানীয়দের খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে।

জানা গিয়েছে, পুরুলিয়া মফস্বল থানার চেপড়ি গ্রামের বাসিন্দা শেখ জসিম প্রায় তিন মাস আগে ছত্তিশগড়ের রায়পুর জেলার কোতয়ালি থানার সুরজপুর এলাকায় একটি পাউরুটি কারখানায় কাজ শুরু করেন। প্রায় দু’মাস কাজ করার পর তিনি বাড়ি ফিরে আসেন। পরে কারখানায় আরও শ্রমিকের প্রয়োজন হওয়ায় মাস খানেক আগে তাঁর ভাই শেখ আলম, চেপড়ি গ্রামের শেখ বাবিন ওরফে শরিফুল, শেখ জুলফিকার, শেখ সাহিল, তেঁতলো গ্রামের আরবাজ কাজী এবং আড়শা থানার ভুরসু গ্রামের শেখ মিনাল ও শেখ ইসমাইল সেখানে কাজে যোগ দেন।

পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই আটজন সুরজপুর এলাকার পেররী গ্রামে একটি পাউরুটি কারখানায় কর্মরত ছিলেন। অভিযোগ, রবিবার বিকেলে কাজের পারিশ্রমিক নিয়ে কারখানা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে তাঁদের বচসা হয়। সেই সময় স্থানীয় কিছু বজরং দলের সদস্য কারখানায় পৌঁছায়। এরপর বাংলায় কথা বলার কারণে তাঁদের ‘বাংলাদেশি’ বলে তকমা দিয়ে লাঠিপেটা করা হয় বলে অভিযোগ।

এই হামলায় শেখ জসিম গুরুতর আহত হন এবং তাঁর একটি হাত ভেঙে যায় বলে পরিবারের দাবি। ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা থানায় যোগাযোগ করেন। এরপর রায়পুর জেলার কোতয়ালি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আটজনকেই উদ্ধার করে।

চেপড়ি গ্রামের তৃণমূলের বুথ সভাপতি শেখ ইকবাল জানান, রবিবার দুপুরে ছত্তিশগড় পুলিশের এক আধিকারিক ফোন করে ওই আটজনের নাম ও ঠিকানা জানতে চান। পরে পুরুলিয়া মফস্বল থানার আইসির সঙ্গে যোগাযোগ করে পরিবারের তরফে প্রয়োজনীয় নথি পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

ঘটনার জেরে আতঙ্কে রয়েছেন শ্রমিকদের পরিবার। তেঁতলো গ্রামের বাসিন্দা আরবাজ কাজীর বাবা সায়েদ কাজী বলেন, “আমি নিজেও ভিনরাজ্যে কাজ করি। ছেলেকে শুধুমাত্র বাংলায় কথা বলার জন্য বাংলাদেশি বলে মারধর করা হয়েছে শুনে খুব ভয় পাচ্ছি।”

জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আড়শা ও পুরুলিয়া মফস্বল থানার তরফে প্রত্যেকের পরিচয়পত্র ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংশ্লিষ্ট থানায় পাঠানো হয়েছে। শ্রমিকরা যাতে নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারেন, সে বিষয়েও নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।


এসআইআর শুনানির লাইনে খোদ বিডিও! মাটিয়ালি ব্লকে ব্যতিক্রমী ঘটনায় জোর চর্চা

 


এসআইআর শুনানির লাইনে খোদ বিডিও! মাটিয়ালি ব্লকে ব্যতিক্রমী ঘটনায় জোর চর্চা

রাজ্যজুড়ে যেখানে এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়া পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন বিভিন্ন ব্লকের বিডিওরা, ঠিক সেখানেই এক ব্যতিক্রমী ছবি উঠে এল জলপাইগুড়ির মাটিয়ালি ব্লকের মেটলি এলাকায়। সাধারণ মানুষের সঙ্গে একই লাইনে দাঁড়িয়ে এসআইআর শুনানিতে অংশ নিতে দেখা গেল লাভা ব্লকের বিডিও ভারতী চিক বড়াইককে। এই ঘটনাকে ঘিরে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।

জানা গিয়েছে, ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম না থাকায় এসআইআর শুনানিতে ডাকা হয়েছে বিডিও ভারতী চিক বড়াইক-সহ তাঁর পরিবারের আরও তিন সদস্যকে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন তাঁর পিতা কপিল চিক বড়াইক, বোন আরতি চিক বড়াইক এবং ভাই প্রণব চিক বড়াইক। ইতিমধ্যেই বিডিও ভারতী চিক বড়াইক শুনানিতে হাজির হয়েছেন। আগামী দিনে পরিবারের বাকি তিন সদস্যের শুনানিতে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় তাঁদের নাম অন্তর্ভুক্ত ছিল না, আর সেখান থেকেই এই জটিলতার সূত্রপাত। যদিও পরিবারের দাবি, তাঁরা সকলেই ভারতীয় নাগরিক এবং দীর্ঘদিন ধরেই মালবাজার মহকুমার জুরন্তি চা বাগান এলাকায় বসবাস করছেন।

তাঁদের আরও দাবি, ১৯৯৯ সালে মেটলি হাসপাতাল পাড়া এলাকায় জমি কিনে বাড়ি নির্মাণ করা হয়। পরে ২০০৪ সালে তাঁদের নাম ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়। তার আগেও একাধিকবার ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য আবেদন জানানো হয়েছিল, কিন্তু সে সময় তা সম্ভব হয়নি বলে পরিবার সূত্রে দাবি।

একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত বিডিও নিজেই এসআইআর শুনানির লাইনে দাঁড়ানোয় বিষয়টি প্রশাসনিক মহলে নজিরবিহীন বলেই মনে করা হচ্ছে। পাশাপাশি এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলেও বিতর্ক শুরু হয়েছে। এখন সব নজর এসআইআর শুনানির চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের দিকেই।

কনকনে শীতে কাঁপছে তিলোত্তমা, ১৩ বছর পর ১০ ডিগ্রির নিচে নামল কলকাতার পারদ

 


কনকনে শীতে কাঁপছে তিলোত্তমা, ১৩ বছর পর ১০ ডিগ্রির নিচে নামল কলকাতার পারদ

চলতি মরশুমে যেন রীতিমতো ঝোড়ো ব্যাটিং করছে শীত। নতুন বছরের শুরুতেই কলকাতার তাপমাত্রা নেমেছিল ১১ ডিগ্রিতে। এরপর কয়েকদিন পারদ সামান্য ঊর্ধ্বমুখী থাকলেও মঙ্গলবার ফের এক ধাক্কায় নামল তাপমাত্রা। এদিন কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা দাঁড়ায় ১০.২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা গত এক দশকের মধ্যে অন্যতম সর্বনিম্ন।

হাওয়া অফিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৩ সালের ৯ জানুয়ারি কলকাতার তাপমাত্রা নেমেছিল ৯ ডিগ্রিতে। তার পর থেকে প্রতি বছর পৌষ-জানুয়ারিতে পারদ মূলত ১১ ডিগ্রির আশেপাশেই ঘোরাফেরা করেছে। বহুবছর পর চলতি বছরে জানুয়ারিতে তাপমাত্রা নেমে এল ১১ ডিগ্রির নিচে।

মরশুমের শুরু থেকেই ঠান্ডার দাপটে খুশি শীতপ্রেমীরা। তবে সাধারণ মানুষের অবস্থা বেশ কষ্টকর। লেপ-কম্বল ছাড়া বেরোনো কার্যত দায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত কয়েকদিন তাপমাত্রা ১৩ ডিগ্রির আশেপাশে থাকলেও মঙ্গলবার এক ধাক্কায় তিলোত্তমার পারদ নেমে যায় ১০ ডিগ্রির ঘরে।

শহরের পাশাপাশি শহরতলি ও জেলার পরিস্থিতিও প্রায় একই। কুয়াশায় ঢেকে গিয়েছে পথঘাট। দৃশ্যমানতা এতটাই কমেছে যে একহাত দূরের জিনিসও স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে না। এর প্রভাব পড়েছে যান চলাচলেও। ট্রেন ও বাস চলছে ধীর গতিতে।

আবহাওয়াবিদদের মতে, মঙ্গলবারের ঠান্ডা একাধিক পুরনো রেকর্ডের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে। এর আগে ২০০৩ সালের ২২ জানুয়ারি কলকাতায় তাপমাত্রা নেমেছিল ৯.৩ ডিগ্রিতে। আরও পিছনে তাকালে দেখা যায়, ১৮৯৯ সালের জানুয়ারিতে শহরের তাপমাত্রা নেমেছিল ৬.৭ ডিগ্রিতে।

এদিকে উত্তরবঙ্গেও শীতের দাপট চরমে। হাঁড়কাপানো ঠান্ডায় জবুথবু অবস্থা পাহাড় ও সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দাদের। শীত উপভোগ করতে দার্জিলিং-সহ উত্তরের একাধিক পাহাড়ি এলাকায় ভিড় জমাচ্ছেন পর্যটকেরা।

মাত্র ২৪ ঘণ্টায় বাংলাদেশে জোড়া খুন, ফের আতঙ্কে সংখ্যালঘু হিন্দু সমাজ

 


মাত্র ২৪ ঘণ্টায় বাংলাদেশে জোড়া খুন, ফের আতঙ্কে সংখ্যালঘু হিন্দু সমাজ

মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে বাংলাদেশে খুন হলেন দুই হিন্দু ব্যক্তি। রবিবার যশোর জেলায় প্রকাশ্য বাজারে গুলিতে নিহত হন সাংবাদিক ও সংবাদপত্র সম্পাদক রানা প্রতাপ। আর তার ঠিক পরের দিন, সোমবার রাতে নরসিংডি জেলায় কুপিয়ে হত্যা করা হয় মণি চক্রবর্তী নামে এক হিন্দু দোকানিকে। এই জোড়া খুনে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে সংখ্যালঘু হিন্দু সমাজে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নিহত মণি চক্রবর্তী নরসিংডি জেলার বাসিন্দা ছিলেন। তাঁর একটি মুদিখানার দোকান ছিল। সোমবার রাত প্রায় ১০টা নাগাদ নিজের দোকানেই ছিলেন তিনি। সেই সময় আচমকাই ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাঁর উপর হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা। গুরুতর জখম অবস্থায় স্থানীয়রা তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু পথেই তাঁর মৃত্যু হয়। হাসপাতালে পৌঁছলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। ভরা বাজারে এই হত্যাকাণ্ডে গোটা এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

এর একদিন আগেই রবিবার বিকেলে যশোর জেলায় খুন হন সাংবাদিক রানা প্রতাপ। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, ভরা বাজারে আততায়ীরা তাঁকে লক্ষ্য করে একাধিক রাউন্ড গুলি চালায়। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। পরে তাঁর দেহ থেকে একাধিক বুলেট উদ্ধার করা হয়।

উল্লেখ্য, গত তিন সপ্তাহে বাংলাদেশে একের পর এক হিন্দু হত্যার অভিযোগ সামনে এসেছে। গত ২৪ ডিসেম্বর কালিমোহর ইউনিয়নের হোসেনডাঙ্গা এলাকায় ২৯ বছরের অমৃত মণ্ডলকে পিটিয়ে খুন করার অভিযোগ ওঠে। ১৮ ডিসেম্বর ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলায় ২৫ বছরের দীপুচন্দ্র দাসকে পিটিয়ে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। বছরের শেষদিনে খোকন দাস নামে এক হিন্দু ব্যক্তিকে জীবন্ত পুড়িয়ে মারার চেষ্টা করা হয়। কয়েকদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর তাঁর মৃত্যু হয়। এরও আগে ভালুকা এলাকায় বজেন্দ্র বিশ্বাস খুন হন বলে অভিযোগ।

সব মিলিয়ে গত তিন সপ্তাহে বাংলাদেশে অন্তত ৬ জন হিন্দু হিংসার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ। পাশাপাশি সম্প্রতি ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে এক বিধবা হিন্দু মহিলাকে গণধর্ষণের অভিযোগও সামনে এসেছে। নির্যাতনের ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

ক্রমাগত এই ঘটনাগুলির জেরে পদ্মাপাড়ে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

Featured post

  সোমবার নদিয়া জেলায় আলাদা দুই এলাকায় মৃত্যুর অভিযোগ ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য। পরিবারের দাবি, SIR সংক্রান্ত আতঙ্ক ও জটিলতার কারণেই প্রাণ হারিয়েছে...

Search This Blog