Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Thursday, 8 January 2026

I-PAC ইডি রেড: ‘ভোটের সঙ্গে কোনও যোগ নেই’, ফাইল ছিনতাইয়ের অভিযোগ তুলে হাইকোর্টে ইডি

 


🔴 I-PAC ইডি রেড: ‘ভোটের সঙ্গে কোনও যোগ নেই’, ফাইল ছিনতাইয়ের অভিযোগ তুলে হাইকোর্টে ইডি

ডিজিটাল ডেস্ক | Y বাংলা নিউজ

কয়লা পাচার মামলার তদন্তে পশ্চিমবঙ্গ, দিল্লি-সহ দেশের মোট ১০টি জায়গায় তল্লাশি চালানো হয়েছে বলে জানাল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। আই-প্যাকের (I-PAC ED Raid) অফিসে অভিযান ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক তুঙ্গে উঠলেও, ইডি সাফ জানিয়ে দিয়েছে—এই তল্লাশির সঙ্গে ভোট বা কোনও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যের সম্পর্ক নেই।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সল্টলেকের আই-প্যাকের কলকাতা অফিসে তল্লাশি চালায় ইডি। একই সঙ্গে সংস্থার প্রধান প্রতীক জৈনের বাড়িতেও অভিযান চলে। তল্লাশি শেষে আই-প্যাকের অফিস ও প্রতীক জৈনের বাসভবন থেকে একাধিক নথির বান্ডিল নিয়ে বেরোতে দেখা যায় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকদের।

তল্লাশির পর সেখান থেকে বেরিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, ভোট কৌশল সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ নথি জোর করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, দলের কাগজপত্র ও তথ্য ‘লুট’ করা হয়েছে। হার্ড ডিস্ক, আর্থিক নথি এবং রাজনৈতিক কাজকর্ম সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজ বাজেয়াপ্ত করার কথাও তিনি জানান। পাশাপাশি বিজেপিকে নিশানা করে মমতা বলেন, রাজনৈতিক লড়াইয়ে নামার সাহস না থাকায় এই ধরনের পদক্ষেপ করা হচ্ছে। ইডির অভিযানকে তিনি দুর্ভাগ্যজনক বলেও মন্তব্য করেন।

তবে বেলা গড়াতেই ইডির তরফে একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়। সেখানে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা দাবি করে,
“সাংবিধানিক পদে থাকা এক ব্যক্তি অবৈধভাবে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ফাইল ছিনিয়ে নিয়েছেন। দু’টি জায়গায় বেআইনিভাবে অনুপ্রবেশ করা হয়েছে। নির্দিষ্ট প্রমাণের ভিত্তিতেই এই তল্লাশি অভিযান চলছিল।”
ইডি আরও জানায়, কোনও রাজনৈতিক কার্যালয়কে টার্গেট করা হয়নি এবং এই অভিযানের সঙ্গে ভোটের কোনও সম্পর্ক নেই।

এই বিবৃতির পরই আই-প্যাকের অফিসে তল্লাশিতে ‘বাধা’ দেওয়ার অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় ইডি। বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি মামলা দায়েরের অনুমতি দিয়েছেন। আগামী দিনে এই মামলার শুনানি হতে পারে বলে আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে।

এদিকে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লাউডন স্ট্রিটে যাওয়ার সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর মতে, এই পদক্ষেপ সম্পূর্ণ অনৈতিক। যদিও তদন্ত বা ইডির তল্লাশি সংক্রান্ত বিষয়ে তিনি কোনও মন্তব্য করতে চাননি।

শুভেন্দু অধিকারী জানান, তদন্তের বিষয়বস্তু নিয়ে তিনি কথা বলবেন না, তবে অতীতেও সাংবিধানিক সংস্থার কাজে হস্তক্ষেপের অভিযোগ উঠেছে। তাঁর দাবি, ২০২১ সালে ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায় ও মদন মিত্রকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে সিবিআইয়ের নিজাম প্যালেস দফতরের সামনে ধর্নায় বসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। একইভাবে রাজীব কুমারের বাড়িতে সিবিআই তল্লাশির সময়েও তৎকালীন পুলিশ কমিশনারকে সঙ্গে নিয়ে অবস্থান করেছিলেন তিনি।

সব মিলিয়ে, আই-প্যাক ইডি রেড ঘিরে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক চাপানউতর ক্রমশ তীব্র হচ্ছে। হাইকোর্টে মামলার শুনানি এই বিতর্কে কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই এখন নজর রাজ্য রাজনীতির।

SIR শুনানি ঘিরে নতুন জটিলতা: বাইরে থাকা ভোটারদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থার প্রস্তাব সিইও দফতরের

 


 SIR শুনানি ঘিরে নতুন জটিলতা: বাইরে থাকা ভোটারদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থার প্রস্তাব সিইও দফতরের

ডিজিটাল ডেস্ক | Y বাংলা নিউজ

পশ্চিমবঙ্গে চলতি স্পেশ্যাল ইনটেনসিভ রিভিশন (SIR in West Bengal) প্রক্রিয়ার শুনানি পর্ব ঘিরে একের পর এক জটিলতা সামনে আসছে। ইতিমধ্যেই বহু ভোটার শুনানির নোটিস পেয়েছেন। নির্ধারিত নথি নিয়ে সশরীরে হাজির হওয়ার নির্দেশ থাকলেও, রাজ্যের বাইরে কিংবা বিদেশে থাকা ভোটার এবং পরিযায়ী শ্রমিকদের ক্ষেত্রে সেই নির্দেশ বাস্তবে কতটা কার্যকর—তা নিয়েই প্রশ্ন উঠছে।

এই পরিস্থিতিতে নতুন ভাবনায় রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (CEO) দফতর। সূত্রের খবর, ভিন রাজ্যে কর্মরত পরিযায়ী শ্রমিক ও বিদেশে থাকা ভোটারদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থার প্রস্তাব পাঠানো হচ্ছে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের (ECI) কাছে। প্রস্তাবে বলা হয়েছে, আলাদা কোনও অনলাইন পোর্টাল বা ডিজিটাল ব্যবস্থার মাধ্যমে যাতে এই ভোটারদের শুনানি নেওয়া যায় বা তাঁরা প্রয়োজনীয় নথি আপলোড করতে পারেন, সেই বিষয়টি বিবেচনায় আনার কথা ভাবা হচ্ছে। তবে এই প্রস্তাব কার্যকর হবে কি না, তার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে জাতীয় নির্বাচন কমিশনই।

এদিকে, এসআইআর সংক্রান্ত নথির গ্রহণযোগ্যতা নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছে কমিশন। সূত্র মারফৎ জানা যাচ্ছে, কমিশনের নির্ধারিত ১১টি নথির পাশাপাশি সিএএ (CAA) সার্টিফিকেটকে প্রমাণপত্র হিসেবে গ্রহণযোগ্য করা হচ্ছে। এই সিদ্ধান্ত এমন এক সময়ে এল, যখন মঙ্গলবারই কমিশনের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে, ডোমিসাইল সার্টিফিকেট কোনওভাবেই এসআইআর শুনানিতে গ্রাহ্য হবে না।

কমিশন সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই যাঁরা ডোমিসাইল সার্টিফিকেট জমা দিয়েছেন, তাঁদের ফের শুনানির জন্য ডেকে পাঠানো হতে পারে। মঙ্গলবারই এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে।

প্রসঙ্গত, শুরুতে কমিশনের অবস্থান ছিল—ডোমিসাইল সার্টিফিকেটের গ্রহণযোগ্যতা যাচাই করবেন সংশ্লিষ্ট জেলাশাসক বা জেলা নির্বাচন আধিকারিক (DEO)। সেই কারণেই মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর রাজ্য সরকারকে চিঠি দিয়ে জানতে চেয়েছিল, কোন স্তরের আধিকারিক এই শংসাপত্র ইস্যু করেন।

রাজ্য সরকারের তরফে জানানো হয়, ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত ডোমিসাইল সার্টিফিকেট জেলাশাসকরাই ইস্যু করতেন। পরবর্তীতে সেই ক্ষমতা দেওয়া হয় অতিরিক্ত জেলাশাসক (ADM) এবং মহকুমা শাসক বা এসডিওদের। ঘটনাচক্রে, এসআইআর পর্বে এই এসডিওরাই নির্বাচনী নথিভুক্তিকরণ আধিকারিক (ERO)-র দায়িত্বেও রয়েছেন।

এই ব্যাখ্যা পাওয়ার পরই ডোমিসাইল সার্টিফিকেট আদৌ এসআইআর-এর ক্ষেত্রে প্রমাণ্য নথি কি না, তা জানতে দিল্লিতে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে চিঠি পাঠায় রাজ্য সিইও দফতর। কমিশন সূত্রে খবর, সেই চিঠির পরিপ্রেক্ষিতেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে—ডোমিসাইল সার্টিফিকেট এসআইআর শুনানিতে গ্রহণযোগ্য নয়।

সব মিলিয়ে, এসআইআর শুনানি পর্বে বাইরে থাকা ভোটারদের অংশগ্রহণ এবং নথির গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা কাটেনি। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের দিকেই এখন তাকিয়ে রাজ্য প্রশাসন ও ভোটাররা।

Wednesday, 7 January 2026

এসআইআর আতঙ্কে মতুয়ারা, ‘সহ্য করতে হবে’ বিতর্কের পর বনগাঁয় ড্যামেজ কন্ট্রোলে শুভেন্দু



এসআইআর আতঙ্কে মতুয়ারা, ‘সহ্য করতে হবে’ বিতর্কের পর বনগাঁয় ড্যামেজ কন্ট্রোলে শুভেন্দু

 Y বাংলা নিউজ   ডিজিটাল ডেস্ক  

প্রথম থেকেই এসআইআর (SIR in Bengal) নিয়ে আতঙ্কে মতুয়া সম্প্রদায়। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন ঘিরে শঙ্কা তৈরি হয়েছিল বহুদিন আগেই। সেই আতঙ্ক আরও বেড়ে যায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের ‘সহ্য করতে হবে’ মন্তব্যে। পরিস্থিতি সামাল দিতেই বুধবার মতুয়াগড় হিসেবে পরিচিত বনগাঁয় দাঁড়িয়ে মতুয়াদের আশ্বস্ত করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বাংলায় এসআইআর শুরু হওয়াকে রাজনৈতিক চক্রান্ত বলে বারবার দাবি করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে রাজ্যজুড়ে শুরু হয় তর্কবিতর্ক। বিশেষ করে মতুয়া অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে আতঙ্ক ছড়ায়। বিজেপির তরফে বারবার আশ্বাস দেওয়া হলেও, খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ্যে আসতেই দেখা যায় বহু মতুয়ার নাম তাতে নেই।

এই আবহেই সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর মন্তব্য করেন,
“ভোটার তালিকা থেকে ৫০ লক্ষ রোহিঙ্গা মুসলিমের নাম বাদ গেলে, সেখানে ১ লক্ষ আমাদের লোক (মতুয়া) যদি বাদ যায়, তাহলে সেটুকু সহ্য করতে হবে।”
এই মন্তব্য ঘিরেই মতুয়া সমাজে ক্ষোভ ও উদ্বেগ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। একাংশ আন্দোলনের পথেও হাঁটেন।

পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ মতুয়াদের আশ্বস্ত করে বলেন, তাঁদের চিন্তার কোনও কারণ নেই। তবে তাতেও পুরোপুরি স্বস্তি ফেরেনি। বুধবার মতুয়াদের একাংশ রাষ্ট্রপতির দ্বারস্থ হন বলেও জানা গিয়েছে।

এই পরিস্থিতিতেই এদিন বনগাঁয় সভা করেন শুভেন্দু অধিকারী। মঞ্চ থেকে তিনি বলেন,
“প্রধানমন্ত্রীর উপর ভরসা রাখুন। কোনও মতুয়া উদ্বাস্তুর নাম বাদ যাবে না।”

শুভেন্দু আরও দাবি করেন,
“হিন্দুদের বাঁচাতেই আমি তৃণমূল ছেড়েছি। বাংলায় এখন জামাতের সরকার চলছে।”
এরপর তিনি মতুয়াদের আশ্বস্ত করে বলেন, কেন্দ্র সবসময় মতুয়াদের কথা ভাবে বলেই সিএএ সার্টিফিকেট দেওয়া হচ্ছে। কারও ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই।

রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, শান্তনু ঠাকুরের ‘সহ্য করতে হবে’ মন্তব্যে যে বিতর্ক ও অস্বস্তি তৈরি হয়েছিল, বনগাঁর সভা থেকে শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্য সেই ক্ষতি সামাল দেওয়ারই চেষ্টা। ছাব্বিশের আগে মতুয়া ভোটব্যাঙ্ক ধরে রাখাই যে বিজেপির কাছে বড় চ্যালেঞ্জ, তা এই ঘটনাপ্রবাহেই স্পষ্ট।

বাংলায় SIR শুনানি: নথির ‘ত্রুটি’তে নোটিস নোবেলজয়ী অমর্ত্য সেনকে, বিতর্ক তুঙ্গে

 


🔴 বাংলায় SIR শুনানি: নথির ‘ত্রুটি’তে নোটিস নোবেলজয়ী অমর্ত্য সেনকে, বিতর্ক তুঙ্গে

ডিজিটাল ডেস্ক | Y বাংলা নিউজ

পশ্চিমবঙ্গে চলমান এসআইআর (SIR in West Bengal) শুনানি পর্বে এবার নজরে এল চাঞ্চল্যকর নাম। এনুমারেশন ফর্মে ত্রুটি ধরা পড়ায় নোটিস গিয়েছে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ও ভারতরত্ন অমর্ত্য সেনের (Amartya Sen) নামে। বিষয়টি ঘিরে রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, এনুমারেশন ফর্মে অমর্ত্য সেনের সঙ্গে তাঁর পিতা বা মাতার বয়সের পার্থক্য ১৫ বছরের কম উল্লেখ থাকায় তা ‘সাধারণভাবে প্রত্যাশিত নয়’ বলে ধরা হয়েছে। সেই কারণেই নথি যাচাইয়ের জন্য নোটিস পাঠানো হয়। যদিও কমিশনের তরফে স্পষ্ট করা হয়েছে, অমর্ত্য সেনকে কোনও শুনানিকেন্দ্রে হাজিরা দিতে হবে না। প্রয়োজনীয় নথি জমা দিলেই সংশোধন সম্ভব।

মঙ্গলবার এই ইস্যুতে বীরভূমের রামপুরহাটে জনসভা থেকে সরব হন তৃণমূল সাংসদ ও সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন,
“নোবেলজয়ী অমর্ত্য সেনকেও শুনানির নোটিস পাঠানো হয়েছে। দেশের জন্য নোবেল পুরস্কার এনে দেওয়া মানুষকেও এরা হেনস্তা করতে ছাড়ছে না। অভিনেতা-সাংসদ দেব, ক্রিকেটার মহম্মদ শামিকেও নোটিস দেওয়া হয়েছে—এগুলো কি নিছক কাকতালীয়?”

অভিষেকের মন্তব্যের পরই কমিশনের তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল শান্তিনিকেতনের প্রতীচী বাড়িতে গিয়ে নোটিস পৌঁছে দেয়। অমর্ত্য সেন বর্তমানে আমেরিকার বোস্টন শহরে অবস্থান করছেন।

নোবেলজয়ীর ভাই শান্তভানু সেন বলেন,
“কাগজপত্রে কিছু গরমিল আছে বলেই নোটিস দেওয়া হয়েছে। এটা স্পষ্টতই হয়রানি। সবাই যাঁকে চেনে, তাঁকেও প্রশ্নের মুখে ফেলা হচ্ছে।”

প্রতীচী বাড়ির দায়িত্বে থাকা গীতিকণ্ঠ মজুমদার জানান,
“অমর্ত্য সেনের সমস্ত বৈধ নথি আমাদের কাছে রয়েছে। কমিশনকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেওয়া হবে। কোনও সমস্যা হওয়ার কথা নয়। তবে দুর্ভাগ্যজনক যে ওঁর মতো মানুষকেও বারবার এই পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হচ্ছে।”

উল্লেখ্য, অমর্ত্য সেন ভারতীয় নাগরিক হিসেবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই এনুমারেশন ফর্ম জমা দিয়েছেন। তারপরও নোটিস পাঠানোয় প্রশ্ন তুলছেন বিরোধী শিবির। বিষয়টি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কি না, তা নিয়েই এখন জোর তরজা রাজ্য রাজনীতিতে।

প্রকাশ্যে বঙ্গ বিজেপির রাজ্য কমিটি, ৩৫ জনের তালিকায় নেই দিলীপ–শুভেন্দু–সুকান্ত, সহ সভাপতি হলেন তাপস রায়

 


প্রকাশ্যে বঙ্গ বিজেপির রাজ্য কমিটি, ৩৫ জনের তালিকায় নেই দিলীপ–শুভেন্দু–সুকান্ত, সহ সভাপতি হলেন তাপস রায়

ব্যুরো রিপোর্ট | Y Bangla News

অবশেষে প্রকাশ্যে এল বঙ্গ বিজেপির নতুন রাজ্য কমিটি। ৩৫ জনের এই রাজ্য কমিটি ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক চর্চা। কারণ, তালিকায় নেই বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের নাম। শুধু তাই নয়, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী তথা প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের নামও রাখা হয়নি এই কমিটিতে।

দীর্ঘদিন রাজ্য রাজনীতিতে সক্রিয় থাকা একাধিক শীর্ষ নেতার নাম বাদ পড়ায় স্বাভাবিকভাবেই কৌতূহল ও জল্পনা বেড়েছে রাজনৈতিক মহলে।

অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়া উত্তর কলকাতার বর্ষীয়ান নেতা তাপস রায়কে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে নতুন কমিটিতে। শুধু রাজ্য কমিটির সদস্যই নন, তাঁকে রাজ্য সহ সভাপতি পদেও নিয়োগ করা হয়েছে। বিজেপির অন্দরে তাপস রায়ের এই উত্থান তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা।

নতুন রাজ্য কমিটিতে পুরনো কয়েকজন মুখও ফিরেছেন গুরুত্বপূর্ণ পদে। তাঁদের মধ্যে অন্যতম তনুজা চক্রবর্তী। একসময় বিজেপির মহিলা মোর্চার রাজ্য সভানেত্রীর দায়িত্ব সামলালেও পরে তাঁকে পদ থেকে সরানো হয়েছিল। দীর্ঘদিন কোনও উল্লেখযোগ্য সাংগঠনিক দায়িত্বে না থাকলেও এবার শমীক ভট্টাচার্যের উদ্যোগে তাঁর পুনর্বাসন হল। তনুজা চক্রবর্তীকেও রাজ্য সহ সভাপতি পদে আনা হয়েছে।

উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, সম্প্রতি রাজ্য সফরে এসে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ প্রকাশ্যেই দিলীপ ঘোষকে আরও সক্রিয় ভূমিকা নেওয়ার বার্তা দিয়ে যান। তার পর থেকেই নতুন উদ্যমে জনসভা ও রাজনৈতিক কর্মসূচিতে দেখা যাচ্ছে দিলীপকে। কিন্তু সেই আবহেই রাজ্য কমিটির তালিকায় তাঁর নাম না থাকায় দিলীপ অনুগামীদের মধ্যে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

ভোটের আগে বিজেপির সাংগঠনিক রদবদল কোন রাজনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। নতুন কমিটি কি ভবিষ্যতের বড় পরিবর্তনের পূর্বাভাস, না কি কৌশলগত সিদ্ধান্ত—তা নিয়ে এখন থেকেই জোর আলোচনা শুরু হয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে।

মাথাচাড়া দিতে দেব না’ বলতেই বলতেই বিজেপি আজ প্রধান বিরোধী—অভিষেককে পাল্টা দিলীপ ঘোষ

 


ব্যুরো রিপোর্ট | Y Bangla News

ভোটের মুখে রাজ্য রাজনীতিতে ফের তুঙ্গে তরজা। তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপিকে ‘পরিযায়ী পাখি’ বলে কটাক্ষ করার একদিনের মধ্যেই কড়া পাল্টা দিলেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

মঙ্গলবার রামপুরহাটের সভা থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপিকে নিশানা করে বলেন, ভোটের সময় আসে, ভোট মিটলেই উধাও হয়ে যায় বিজেপি। একই সঙ্গে তাঁর স্পষ্ট বার্তা ছিল—রাজ্যে বিজেপিকে কোনওভাবেই মাথাচাড়া দিতে দেওয়া যাবে না।

এই মন্তব্যের জবাবে বুধবার দিলীপ ঘোষ বলেন,
“এই ‘মাথাচাড়া দিতে দেব না’ কথাটা বলতেই বলতেই বিজেপি আজ রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল হয়ে উঠেছে।”

দীর্ঘদিন কিছুটা নীরব থাকলেও বিধানসভা ভোটের আগে ফের মাঠে নেমেছেন দিলীপ। পুরনো আক্রমণাত্মক ছন্দেই তিনি দাবি করেন, শুরু থেকেই বিজেপির নেতা-কর্মীদের উপর আক্রমণ, সংঘর্ষ এমনকি খুনের ঘটনা ঘটেছে। তবুও বিজেপির লড়াই থামেনি, থামবেও না।

দিলীপ ঘোষের বক্তব্য, বাংলার উন্নয়নের দাবিতে বিজেপির সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে। অতীতের মতো ভবিষ্যতেও দলের কর্মীরা আত্মত্যাগে প্রস্তুত। রাজ্যে পরিবর্তন ঘটানোই বিজেপির লক্ষ্য—এই বার্তাই দেন তিনি।

সম্প্রতি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ রাজ্যে এসে দিলীপ ঘোষকে বৈঠকে ডাকেন। পরে শুভেন্দু অধিকারী, সুকান্ত মজুমদার ও শমীক ভট্টাচার্যের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজেও অংশ নেন তিনি। তার পর থেকেই একের পর এক জনসভা শুরু করেছেন দিলীপ। ভোটের আর কয়েক মাস বাকি থাকায় রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ছে স্বাভাবিকভাবেই।

যেখানে অমিত শাহ ২০০-র বেশি আসনের লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিয়েছেন, সেখানে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন—তৃণমূল পাবে ২৫০-র বেশি আসন। এই প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ কটাক্ষ করে বলেন, লোকসভা ভোটে তৃণমূল বলেছিল ‘৪২-এ ৪২’। ফলাফল সকলেরই জানা। তাঁর মতে, এবার ২৫০ নয়, চাইলে ২৯৪ আসনের দাবিও করতে পারে তৃণমূল, কিন্তু বাস্তব বদলাবে না।

তৃণমূলের বিরুদ্ধে ভোট কৌশল নিয়েও আক্রমণ শানান দিলীপ। তাঁর অভিযোগ, শাসক দলের সামনে মানুষের কাছে বলার মতো কোনও ইস্যু নেই। পুরনো নেতাদের সামনে এনে ভোট পার করার চেষ্টা চলছে, কিন্তু তাতে কোনও ফল হবে না।

এসআইআর ইস্যুতেও তৃণমূলকে নিশানা করেন দিলীপ ঘোষ। তাঁর দাবি, এক সময় বলা হয়েছিল এসআইআর করতে দেওয়া হবে না, পরে বলা হয় কোনও নাম বাদ যাবে না। অথচ বাস্তবে প্রায় ৫৮ লক্ষ নাম বাদ পড়েছে। তাঁর মতে, নির্বাচন কমিশন কঠোর অবস্থান নিয়েছে।

ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই রাজ্যের রাজনীতিতে সংঘাতের সুর আরও চড়া হচ্ছে—এটাই স্পষ্ট।

Tuesday, 6 January 2026

মাদুরোর মতো মোদীকেও কি তুলে নেবেন ট্রাম্প? প্রাক্তন মন্ত্রীর মন্তব্যে বিতর্ক

 


মাদুরোর মতো মোদীকেও কি তুলে নেবেন ট্রাম্প? প্রাক্তন মন্ত্রীর মন্তব্যে বিতর্ক

নয়াদিল্লি | Y BANGLA NEWS ডিজিটাল ডেস্ক:
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে (Nicolas Maduro) নিয়ে মার্কিন প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump) কড়া অবস্থানের প্রসঙ্গ টেনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে (Narendra Modi) ঘিরে বিতর্কিত মন্তব্য করে নতুন করে রাজনৈতিক ঝড় তুললেন প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয়ের এক প্রাক্তন মন্ত্রী।

এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে ওই প্রাক্তন মন্ত্রী প্রশ্ন তোলেন, “মাদুরোর মতো পরিস্থিতি তৈরি হলে ভবিষ্যতে কি ট্রাম্প মোদীর বিরুদ্ধেও কড়া পদক্ষেপ নিতে পারেন?” এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই তা নিয়ে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক।

বিজেপির তরফে এই মন্তব্যকে “অযৌক্তিক, দায়িত্বজ্ঞানহীন ও দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা” বলে কটাক্ষ করা হয়েছে। দলের এক শীর্ষ নেতা বলেন, “ভারতের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীকে বিদেশি রাষ্ট্রনেতার সঙ্গে এইভাবে তুলনা করা সম্পূর্ণ অনভিপ্রেত।”

অন্যদিকে, বিরোধী শিবিরের একাংশের দাবি, এই মন্তব্যের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে ভারতের অবস্থান এবং আমেরিকার সঙ্গে সম্পর্কের ভবিষ্যৎ দিকটি নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। যদিও কংগ্রেসের তরফে এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

উল্লেখ্য, ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর প্রেসিডেন্সির সময় ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট মাদুরোর বিরুদ্ধে একাধিক কড়া পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। সেই প্রসঙ্গ টেনেই ভারতের রাজনীতিতে এই মন্তব্য নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চাপানউতোর আরও বাড়বে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

ফের অসুস্থ সোনিয়া গান্ধী, তড়িঘড়ি দিল্লির হাসপাতালে ভর্তি

 


ফের অসুস্থ সোনিয়া গান্ধী, তড়িঘড়ি দিল্লির হাসপাতালে ভর্তি

নয়াদিল্লি | Y BANGLA NEWS ডিজিটাল ডেস্ক:
ফের অসুস্থ হয়ে পড়লেন কংগ্রেসের প্রাক্তন সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী। শনিবার সকালে শারীরিক অসুস্থতার কারণে তাঁকে তড়িঘড়ি দিল্লির একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকদের একটি বিশেষ দল বর্তমানে তাঁর শারীরিক অবস্থার উপর নজর রাখছে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।

সূত্রের খবর, নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার মধ্যেই সোনিয়া গান্ধীর কিছু শারীরিক জটিলতা দেখা দেয়। পরিস্থিতি বিবেচনা করে চিকিৎসকরা তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করার সিদ্ধান্ত নেন। আপাতত তিনি চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণেই রয়েছেন। যদিও তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানা যাচ্ছে।

কংগ্রেস সূত্রে জানানো হয়েছে, দলের শীর্ষ নেতৃত্ব নিয়মিতভাবে সোনিয়া গান্ধীর স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নিচ্ছেন। প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ও রাহুল গান্ধীও চিকিৎসকদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন বলে খবর। বিষয়টি নিয়ে কংগ্রেস কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যেও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

প্রসঙ্গত, বয়সজনিত ও অন্যান্য শারীরিক সমস্যার কারণে গত কয়েক বছর ধরে একাধিকবার হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছে সোনিয়া গান্ধীকে। এর আগেও বিদেশে ও দেশেই চিকিৎসা করাতে দেখা গিয়েছে তাঁকে।

চিকিৎসকদের তরফে আনুষ্ঠানিক মেডিক্যাল বুলেটিন প্রকাশ হলে তাঁর শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে আরও বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

বাংলায় কথা বলায় ‘বাংলাদেশি’ তকমা! ছত্তিশগড়ে মারধরের শিকার পুরুলিয়ার ৮ সংখ্যালঘু পরিযায়ী শ্রমিক

 


বাংলায় কথা বলায় ‘বাংলাদেশি’ তকমা! ছত্তিশগড়ে মারধরের শিকার পুরুলিয়ার ৮ সংখ্যালঘু পরিযায়ী শ্রমিক

বাংলায় কথা বলার অপরাধে ফের ‘বাংলাদেশি’ তকমা দেওয়ার অভিযোগ উঠল। বিজেপি শাসিত ছত্তিশগড়ে পুরুলিয়ার ৮ জন সংখ্যালঘু পরিযায়ী শ্রমিককে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠেছে বজরং দলের সদস্যদের বিরুদ্ধে। হামলার জেরে এক শ্রমিকের হাত ভেঙে যাওয়ারও অভিযোগ রয়েছে। পরে স্থানীয়দের খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে।

জানা গিয়েছে, পুরুলিয়া মফস্বল থানার চেপড়ি গ্রামের বাসিন্দা শেখ জসিম প্রায় তিন মাস আগে ছত্তিশগড়ের রায়পুর জেলার কোতয়ালি থানার সুরজপুর এলাকায় একটি পাউরুটি কারখানায় কাজ শুরু করেন। প্রায় দু’মাস কাজ করার পর তিনি বাড়ি ফিরে আসেন। পরে কারখানায় আরও শ্রমিকের প্রয়োজন হওয়ায় মাস খানেক আগে তাঁর ভাই শেখ আলম, চেপড়ি গ্রামের শেখ বাবিন ওরফে শরিফুল, শেখ জুলফিকার, শেখ সাহিল, তেঁতলো গ্রামের আরবাজ কাজী এবং আড়শা থানার ভুরসু গ্রামের শেখ মিনাল ও শেখ ইসমাইল সেখানে কাজে যোগ দেন।

পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই আটজন সুরজপুর এলাকার পেররী গ্রামে একটি পাউরুটি কারখানায় কর্মরত ছিলেন। অভিযোগ, রবিবার বিকেলে কাজের পারিশ্রমিক নিয়ে কারখানা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে তাঁদের বচসা হয়। সেই সময় স্থানীয় কিছু বজরং দলের সদস্য কারখানায় পৌঁছায়। এরপর বাংলায় কথা বলার কারণে তাঁদের ‘বাংলাদেশি’ বলে তকমা দিয়ে লাঠিপেটা করা হয় বলে অভিযোগ।

এই হামলায় শেখ জসিম গুরুতর আহত হন এবং তাঁর একটি হাত ভেঙে যায় বলে পরিবারের দাবি। ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা থানায় যোগাযোগ করেন। এরপর রায়পুর জেলার কোতয়ালি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আটজনকেই উদ্ধার করে।

চেপড়ি গ্রামের তৃণমূলের বুথ সভাপতি শেখ ইকবাল জানান, রবিবার দুপুরে ছত্তিশগড় পুলিশের এক আধিকারিক ফোন করে ওই আটজনের নাম ও ঠিকানা জানতে চান। পরে পুরুলিয়া মফস্বল থানার আইসির সঙ্গে যোগাযোগ করে পরিবারের তরফে প্রয়োজনীয় নথি পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

ঘটনার জেরে আতঙ্কে রয়েছেন শ্রমিকদের পরিবার। তেঁতলো গ্রামের বাসিন্দা আরবাজ কাজীর বাবা সায়েদ কাজী বলেন, “আমি নিজেও ভিনরাজ্যে কাজ করি। ছেলেকে শুধুমাত্র বাংলায় কথা বলার জন্য বাংলাদেশি বলে মারধর করা হয়েছে শুনে খুব ভয় পাচ্ছি।”

জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আড়শা ও পুরুলিয়া মফস্বল থানার তরফে প্রত্যেকের পরিচয়পত্র ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংশ্লিষ্ট থানায় পাঠানো হয়েছে। শ্রমিকরা যাতে নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারেন, সে বিষয়েও নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।


এসআইআর শুনানির লাইনে খোদ বিডিও! মাটিয়ালি ব্লকে ব্যতিক্রমী ঘটনায় জোর চর্চা

 


এসআইআর শুনানির লাইনে খোদ বিডিও! মাটিয়ালি ব্লকে ব্যতিক্রমী ঘটনায় জোর চর্চা

রাজ্যজুড়ে যেখানে এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়া পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন বিভিন্ন ব্লকের বিডিওরা, ঠিক সেখানেই এক ব্যতিক্রমী ছবি উঠে এল জলপাইগুড়ির মাটিয়ালি ব্লকের মেটলি এলাকায়। সাধারণ মানুষের সঙ্গে একই লাইনে দাঁড়িয়ে এসআইআর শুনানিতে অংশ নিতে দেখা গেল লাভা ব্লকের বিডিও ভারতী চিক বড়াইককে। এই ঘটনাকে ঘিরে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।

জানা গিয়েছে, ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম না থাকায় এসআইআর শুনানিতে ডাকা হয়েছে বিডিও ভারতী চিক বড়াইক-সহ তাঁর পরিবারের আরও তিন সদস্যকে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন তাঁর পিতা কপিল চিক বড়াইক, বোন আরতি চিক বড়াইক এবং ভাই প্রণব চিক বড়াইক। ইতিমধ্যেই বিডিও ভারতী চিক বড়াইক শুনানিতে হাজির হয়েছেন। আগামী দিনে পরিবারের বাকি তিন সদস্যের শুনানিতে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় তাঁদের নাম অন্তর্ভুক্ত ছিল না, আর সেখান থেকেই এই জটিলতার সূত্রপাত। যদিও পরিবারের দাবি, তাঁরা সকলেই ভারতীয় নাগরিক এবং দীর্ঘদিন ধরেই মালবাজার মহকুমার জুরন্তি চা বাগান এলাকায় বসবাস করছেন।

তাঁদের আরও দাবি, ১৯৯৯ সালে মেটলি হাসপাতাল পাড়া এলাকায় জমি কিনে বাড়ি নির্মাণ করা হয়। পরে ২০০৪ সালে তাঁদের নাম ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়। তার আগেও একাধিকবার ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য আবেদন জানানো হয়েছিল, কিন্তু সে সময় তা সম্ভব হয়নি বলে পরিবার সূত্রে দাবি।

একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত বিডিও নিজেই এসআইআর শুনানির লাইনে দাঁড়ানোয় বিষয়টি প্রশাসনিক মহলে নজিরবিহীন বলেই মনে করা হচ্ছে। পাশাপাশি এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলেও বিতর্ক শুরু হয়েছে। এখন সব নজর এসআইআর শুনানির চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের দিকেই।

Featured post

Y বাংলা ব্যুরো: ভোটার তালিকা সংশোধনে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডে না নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা সংশোধন (SIR, ২০২৬) প্রক্রিয়ায় ম...

Search This Blog