Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Sunday, 31 August 2025

এসএসসি বিতর্কে সোনালি দাসের নাম ঘিরে বিভ্রান্তি, হাই কোর্টে শুনানি শিগগিরই

এসএসসি বিতর্কে সোনালি দাসের নাম ঘিরে বিভ্রান্তি
📰 এসএসসি বিতর্কে সোনালি দাসের নাম ঘিরে বিভ্রান্তি

হাই কোর্টে শুনানি শিগগিরই

সম্প্রতি প্রকাশিত এসএসসি-র ১,৮০৬ জন ‘দাগি অযোগ্য’ প্রার্থীর তালিকায় ভূগোল শিক্ষিকা সোনালি দাসের নাম উঠে আসায় তৈরি হয়েছে জটিল পরিস্থিতি। অথচ তাঁর মামলা এখনও কলকাতা হাই কোর্টে বিচারাধীন। বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টেও ওঠে। শীর্ষ আদালত হাই কোর্টকে দ্রুত শুনানির নির্দেশ দিয়েছে। আশা করা হচ্ছে, চলতি সপ্তাহেই শুনানি হতে পারে।

আগামী পরীক্ষা নিয়ে দুশ্চিন্তা

আগামী ৭ সেপ্টেম্বর নবম-দশম শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা। হাতে আর মাত্র কয়েক দিন। এই অবস্থায় অযোগ্য তালিকায় নাম উঠে যাওয়ায় সোনালি নতুন নিয়োগ পরীক্ষায় বসতে পারবেন না। ফলে তাঁর পরিবার দারুণ উদ্বিগ্ন।

নিয়োগ থেকে বিতর্কে

  • ২০১৬ সালে ভূগোল শিক্ষিকা নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নেন সোনালি।
  • পরীক্ষা ও ইন্টারভিউ উতরে কাউন্সেলিং পর্যন্ত যান।
  • ২০১৯ সালে কাকদ্বীপের একটি স্কুলে শিক্ষকতা শুরু করেন।
  • ২০২১ সালে এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলা দায়ের হলে তদন্তে নামে সিবিআই।
  • ২০২২ সালে প্রকাশিত অযোগ্য তালিকায় সোনালির নামও ওঠে।

আদালতে সোনালির দাবি

তিনি পরীক্ষা, ইন্টারভিউ ও ব্যক্তিত্ব মূল্যায়নে উত্তীর্ণ হয়েছিলেন। ২০১৬ সালের আনসার কি অনুযায়ী তাঁর উত্তর সঠিক ছিল। নম্বরে সামান্য গরমিল থাকলেও মেধাতালিকায় তাঁর নাম ছিল। তাই তাঁর দাবি—সব প্রক্রিয়া মেনে তাঁকে চাকরি দেওয়া হয়েছিল। প্রশ্ন তুলেছেন, “তাহলে কীভাবে অযোগ্য তালিকায় নাম এল?”

আইনজীবীদের অবস্থান

সুপ্রিম কোর্টে এসএসসি-র আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, তাঁরা বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন। অন্যদিকে, সোনালির আইনজীবী বিশাখ ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, “হাই কোর্টের নজরে বিষয়টি এনে দ্রুত শুনানির আবেদন করব, যাতে সোনালি পরীক্ষায় বসতে পারেন।”

বর্তমান পরিস্থিতি

সুপ্রিম কোর্টের রায় অনুযায়ী, কোনও দাগি অযোগ্য প্রার্থী নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বসতে পারবেন না। ফলে অযোগ্য তালিকায় নাম থাকায় সোনালির পরীক্ষায় বসা প্রশ্নের মুখে। হাই কোর্টের আসন্ন শুনানিই এখন তাঁর একমাত্র ভরসা।

© 2025 Y বাংলা নিউজ

📢 আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন

সর্বশেষ খবর, লাইভ আপডেট ও এক্সক্লুসিভ কনটেন্ট পেতে এখনই আমাদের WhatsApp গ্রুপ এবং Facebook পেজে যুক্ত হোন।

🔔 আমাদের সাথে থাকুন এবং প্রতিদিনের সর্বশেষ আপডেট পেতে ভুলবেন না!

বিজেপির কথা মেরে হাঁটু ভেঙে দিন , TMC বলল ওরা ভাঙবে আমরা গড়ব।

বাংলা নিউজ পোর্টাল

📰 বাংলা নিউজ

🔴 Breaking: বসিরহাটে উত্তেজনা: বিজেপি–তৃণমূল সংঘর্ষ || বনগাঁয় বিজেপি নেতার উসকানিমূলক মন্তব্য || রাজ্যে ছাব্বিশের ভোটের আগে উত্তপ্ত আবহাওয়া

বসিরহাটে বিজেপি–তৃণমূল সংঘর্ষ, উত্তেজনা চরমে

নিউজ ডেস্ক: বসিরহাটের বিভিন্ন এলাকায় বিজেপি ও তৃণমূলের মধ্যে সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। রাজনৈতিক কর্মীদের মধ্যে হাতাহাতি, ইট-পাটকেল ছোড়া এবং ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, পুলিশ ঘটনাস্থলে দেরিতে পৌঁছনোয় পরিস্থিতি আরও ঘোলা হয়ে ওঠে।

ঘটনার পর বিজেপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয় যে, তৃণমূল তাদের শান্তিপূর্ণ সভা ভাঙচুর করেছে। অন্যদিকে তৃণমূলের দাবি, বিজেপিই প্রথমে উস্কানি দিয়েছে।

স্থানীয় প্রশাসনের তরফে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এখনও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলছে।

‘হাঁটুর মালাইচাকি ভেঙে দিন’, বনগাঁয় বিজেপি নেতার হুঁশিয়ারি

নিউজ ডেস্ক: ছাব্বিশের ভোটের আগে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে বনগাঁর রাজনৈতিক আবহাওয়া। শনিবার এক কর্মিসভা থেকে বিজেপি সাংগঠনিক জেলার প্রাক্তন সভাপতি দেবদাস মণ্ডল দলের কর্মীদের উদ্দেশে বলেন— “যদি কোনও তৃণমূল কর্মী বিজেপি কর্মীর গায়ে হাত দেয়, তবে সেই কর্মীর হাঁটুর মালাইচাকি ভেঙে দিন।”

তিনি আরও জানান, এই ঘটনার জন্য মামলা হলে তার খরচ বহন করবেন তিনিই। স্বাভাবিকভাবেই তাঁর মন্তব্য ঘিরে জেলায় রাজনৈতিক শোরগোল শুরু হয়েছে।

সভায় উপস্থিত নেতারা:
✔️ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বনগাঁর সাংসদ শান্তনু ঠাকুর ✔️ স্থানীয় বিধায়ক ✔️ জেলা সভাপতি বিকাশ ঘোষ

বিজেপি জেলা সভাপতি বিকাশ ঘোষ বলেন— “তৃণমূল যদি আমাদের কর্মীদের আক্রমণ করে, আমরাও প্রতিক্রিয়া দেখাব। প্রতিটি ক্রিয়ারই প্রতিক্রিয়া আছে।” তিনি আরও দাবি করেন, বিজেপি হাতে চুড়ি পরে বসে নেই।

বিজেপি নেতাদের এই বক্তব্যকে সমর্থন করেন সাংসদ শান্তনু ঠাকুরও। ফলে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বেড়েছে বনগাঁয়।

তৃণমূলের প্রতিক্রিয়া: জেলা পরিষদের সদস্য শুভজিৎ দাস বলেন— “ব্রিটিশরা যখন ভারতবর্ষে অত্যাচার চালিয়েছিল, তখন মনীষীরা রুখে দাঁড়িয়েছিলেন। বিজেপির এই উসকানি সেই অপসংস্কৃতিরই অংশ। বিজেপির কাজ ভাঙা, আর আমাদের কাজ মানুষের পাশে থেকে নতুন করে গড়া।”

সব মিলিয়ে, বিজেপি নেতাদের উসকানিমূলক মন্তব্যে ফের উত্তাল হয়ে উঠেছে বনগাঁর রাজনৈতিক মঞ্চ।

© 2025 বাংলা নিউজ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

বাংলার গর্ব, বসিরহাট পেল আবর্জনামুক্ত শহরের তকমা 🌿

বাংলার গর্ব বসিরহাট
🔴 Breaking: বসিরহাট পেল আবর্জনামুক্ত শহরের তকমা 🌿 || বাংলার মুকুটে নতুন পালক || তৃণমূল নেতৃত্বের গর্বিত মন্তব্য

বাংলার গর্ব, বসিরহাট পেল আবর্জনামুক্ত শহরের তকমা 🌿

বসিরহাট: পশ্চিমবঙ্গের মাথায় আবারও যোগ হলো এক নতুন সম্মান। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় সরকারের স্বচ্ছ মিশন ২.০-এর অধীনে পরিচালিত সমীক্ষায় বসিরহাট শহরকে দেশের অন্যতম আবর্জনামুক্ত শহর হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

কীভাবে এল এই সাফল্য?
✔️ প্রতিটি ওয়ার্ডে বর্জ্য পৃথকীকরণ ও দরজায় দরজায় সংগ্রহ।
✔️ পুনর্ব্যবহারযোগ্য বর্জ্যের সঠিক ব্যবহার।
✔️ স্থানীয় মানুষ, ক্লাব, স্কুল ও সংগঠনের সক্রিয় ভূমিকা।

পুরসভার বক্তব্য: পুরমাতা অদিতি মিত্র রায়চৌধুরী জানিয়েছেন— “আধুনিক বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে এবং ভেজা-শুকনো আবর্জনা আলাদা করার ব্যবস্থা আরও জোরদার হবে।”

পরিবেশবিদদের মতে: এই সাফল্যের ফলে বসিরহাট শুধু জেলার নয়, গোটা বাংলার জন্য একটি রোল মডেল শহরে পরিণত হয়েছে। দূষণ কমবে, নাগরিকদের জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে।

প্রশাসনের আশা: নাগরিকদের সহযোগিতা অব্যাহত থাকলে বসিরহাট শিগগিরই রাজ্যের অন্যতম পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও স্বাস্থ্যকর শহর হিসেবে গড়ে উঠবে। 🌱

উড়িষ্যায় আক্রান্ত মালদহের পরিযায়ী শ্রমিক

🔴 Breaking News
📰 ওড়িশায় আক্রান্ত বাংলার পরিযায়ী শ্রমিক, ক্ষোভে উত্তাল মালদহ

ওড়িশায় আক্রান্ত বাংলার পরিযায়ী শ্রমিক, ক্ষোভে উত্তাল মালদহ

ওড়িশায় কাজে গিয়ে ফের আক্রান্ত হলেন বাংলার এক পরিযায়ী শ্রমিক। বিজেপিশাসিত ওই রাজ্যে বাংলায় কথা বলার জন্য তাঁকে প্রথমে স্থানীয়রা বেধড়ক মারধর করে বলে অভিযোগ। পরে থানায় নিয়ে গিয়ে পুলিশও তাঁকে নির্যাতন করে বলে দাবি। গুরুতর জখম অবস্থায় তিনি মালদহের বাড়িতে ফিরে এসেছেন।

  • 🟢 আক্রান্ত শ্রমিক: বিনয় বেসরা (চিলিমপুর, গাজোল, মালদহ)
  • 🟢 ঘটনার স্থান: ওড়িশার বালিশ চন্দ্রপুর
  • 🟢 অভিযোগ: বাংলাদেশি দেগে গ্রামবাসীরা এলোপাথারি মারধর করে, পরে থানায় নিয়েও পুলিশ বেধড়ক মারধর করে
  • 🟢 অবস্থা: গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন, পরিবারের মধ্যে প্রবল আতঙ্ক
  • 🟢 প্রতিক্রিয়া: তৃণমূল নেতৃত্বের তীব্র নিন্দা, বিজেপি বিধায়ক ঘটনার অভিযোগ মানতে নারাজ

গতকাল গাজোল পঞ্চায়েত সমিতিতে তৃণমূল নেতৃত্ব সাংবাদিক বৈঠক করে বিজেপিশাসিত রাজ্যে বাঙালিদের হেনস্তার অভিযোগ তোলেন। আগামীতে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

🗓️ সর্বশেষ আপডেট: ৩১ আগস্ট ২০২৫

📢 আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন

সর্বশেষ খবর, লাইভ আপডেট ও এক্সক্লুসিভ কনটেন্ট পেতে এখনই আমাদের WhatsApp গ্রুপ এবং Facebook পেজে যুক্ত হোন।

🔔 আমাদের সাথে থাকুন এবং প্রতিদিনের সর্বশেষ আপডেট পেতে ভুলবেন না!

আটক বাংলার তিন পরিযায়ী শ্রমিক অসমের ডিটেনশন ক্যাম্পে

🔴 ব্রেকিং নিউজ: অসমে আটক বাংলার তিন পরিযায়ী শ্রমিক

অসমে আটক শ্রমিক

পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদের তিন পরিযায়ী শ্রমিককে বাংলাদেশি সন্দেহে আটক করে অসমের ডিটেনশন ক্যাম্পে পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে।

  • 🟢 আটককৃত: নজরুল ইসলাম, সানাউর মল্লিক, জাহির শেখ
  • 🟢 আটকের স্থান ও তারিখ: নগাঁও, অসম; ২২ অগাস্ট
  • 🟢 বিশেষ মন্তব্য: শ্রমিকদের কাছে আধার ও ভোটার কার্ড থাকলেও পুলিশ তা স্বীকৃতি দেয়নি।
  • 🟢 প্রতিক্রিয়া: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার এবং পশ্চিমবঙ্গ পরিযায়ী শ্রমিক কল্যাণ পর্ষদ তাদের মুক্তির জন্য উদ্যোগী।

সর্বশেষ আপডেট: ৩১ আগস্ট ২০২৫

অযোগ্যদের তালিকায় নাম প্রকাশ হতেই ভেঙে পড়লেন অত টাকা পাব কোথায়

দাগি তালিকায় আলিপুরদুয়ারের অসীম

দাগি তালিকায় আলিপুরদুয়ারের অসীম, এলাকায় শুরু চাপানউতোর

নিজস্ব সংবাদদাতা: আলিপুরদুয়ার জেলার কুমারগ্রাম ব্লকের পশ্চিম চকচকার বাসিন্দা অসীম বিশ্বাস। স্কুল সার্ভিস কমিশনের প্রকাশিত দাগি তালিকায় নাম ওঠার পর থেকেই এলাকায় শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা।

যশোর ডাঙ্গা হাইস্কুলে এডুকেশনের শিক্ষক হিসাবে কর্মরত ছিলেন অসীম। এর আগে শামুকতলা মহাকালগুড়ি মিশন হাই স্কুলে প্যারা টিচার হিসেবে কাজ করেছেন তিনি। কিন্তু, ২৬ হাজার প্রার্থীর পুরো প্যানেল বাতিল করতেই তাঁর চাকরিটাও হারাতে হয়। এবার নাম উঠেছে অযোগ্য প্রার্থীদের তালিকায়। ফলে পরিবারে নেমে এসেছে গভীর সংকট।

“খুবই হতাশ হয়ে গিয়েছি। ছোটবেলা থেকে কত কষ্ট করে পড়াশোনা করলাম। আমার সাধ্যমতো ভাল স্কুলে পড়িয়েছি। এখন এসএসসি-তে পাশ করল, চাকরি হল। সেটাও চলে গেল। আমি কাউকে টাকা দেব কী করে! আমার তো অত টাকার সংস্থানই নেই।” — অসীমের বাবা প্রফুল্ল বিশ্বাস

অন্যদিকে প্রতিবেশীদের একাংশের অভিযোগ, টাকার বিনিময়েই চাকরি পেয়েছিলেন অসীম।

“শুরু থেকেই শুনছি টাকা দিয়ে চাকরি পেয়েছে। ওদের তো পরিবারের অবস্থাও ভাল। জমি-জায়গা আছে, পাকা বাড়ি আছে। আমাদের ছেলে তো অনেক জায়গায় ট্রেনিং করল, তবু চাকরি হল না।” — স্থানীয় বাসিন্দা ভোলা বর্মণ

মূল বিষয়সমূহ:

  • অসীম বিশ্বাসের নাম উঠেছে এসএসসি-র দাগি তালিকায়।
  • চাকরি হারিয়ে পরিবারে নেমেছে হতাশা।
  • প্রতিবেশীরা অভিযোগ তুলছেন টাকার বিনিময়ে চাকরি পেয়েছিলেন তিনি।
  • অসীমের পরিবার মানসিকভাবে বিপর্যস্ত।

📢 আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন

সর্বশেষ খবর, লাইভ আপডেট ও এক্সক্লুসিভ কনটেন্ট পেতে এখনই আমাদের WhatsApp গ্রুপ এবং Facebook পেজে যুক্ত হোন।

🔔 আমাদের সাথে থাকুন এবং প্রতিদিনের সর্বশেষ আপডেট পেতে ভুলবেন না!

অযোগ্যদের নাম প্রকাশ হতেই পাখিদের নাম কই জানতে চেয়ে আবার কোটে যাওয়ার প্রস্তুতি অ্যাডভোকেট মোঃ শামীমের

Y বাংলা নিউজ

Y বাংলা নিউজ

🔴 সর্বশেষ খবর: স্কুল সার্ভিস কমিশন প্রকাশ করল ১৮০৬ জন অযোগ্য প্রার্থীর তালিকা...

স্কুল সার্ভিস কমিশন প্রকাশ করল ১৮০৬ জন অযোগ্য প্রার্থীর তালিকা

কলকাতা, ৩১ আগস্ট ২০২৫: স্কুল সার্ভিস কমিশন (SSC) শনিবার রাতে অযোগ্য প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করেছে। তালিকায় মোট ১৮০৬ জনের নাম রয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে শাসক দলের কিছু নেতা-নেত্রী বা ঘনিষ্ঠদের নামও।

তালিকা প্রকাশের পরও প্রশ্ন উঠেছে, বাইরে আরও কতজন ‘অযোগ্য’ প্রার্থী থাকতে পারে। কিছু চাকরিপ্রার্থী আবারও আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার পরিকল্পনা করছেন।

আইনজীবী ফিরদৌস শামিম জানিয়েছেন, মেয়াদ উত্তীর্ণ প্যানেল থেকে যারা চাকরি পেয়েছেন, তাদের নিয়োগও বেআইনি। SSC সুপারিশ করেছিল ১১,৬১০ জনের, কিন্তু নিয়োগ পেয়েছেন ১২,৯৬৪ জন।

পরিযায়ী শ্রমিকের সংখ্যা রাজ্যে ১৪ বছরে কমেছে

কলকাতা, ৩১ আগস্ট ২০২৫: রাজ্যের পরিযায়ী শ্রমিকের সংখ্যা বাম জমানার শেষের তুলনায় কিছুটা হলেও কমেছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে। রাজ্য সরকারের ‘কর্মসাথী’ প্রকল্প অনুযায়ী, নথিভুক্ত পরিযায়ী শ্রমিকের সংখ্যা বর্তমানে ২২ লক্ষ ৪০ হাজার।

শ্রমশ্রী প্রকল্প অনুযায়ী রাজ্যে ফিরে এলে পরিযায়ী শ্রমিকরা মাসে পাঁচ হাজার টাকা ভাতা পাবেন। একই সঙ্গে তাদের সন্তানদের স্কুলে ভর্তির ব্যবস্থা, খাদ্য ও স্বাস্থ্য সুবিধা, প্রশিক্ষণ ও জব কার্ড প্রদান করা হবে।

© ২০২৫ Y বাংলা নিউজ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

পরিযায়ী শ্রমিকের সংখ্যা রাজ্যে ১৪ বছরে কমেছে

ব্যুরো রিপোর্ট: পরিযায়ী শ্রমিকের সংখ্যা রাজ্যে ১৪ বছরে কমেছে

কলকাতা, ৩১ আগস্ট ২০২৫:
রাজ্যের পরিযায়ী শ্রমিকের সংখ্যা বাম জমানার শেষের তুলনায় কিছুটা হলেও কমেছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে। রাজ্য সরকারের ‘কর্মসাথী’ প্রকল্প অনুযায়ী, নথিভুক্ত পরিযায়ী শ্রমিকের সংখ্যা বর্তমানে ২২ লক্ষ ৪০ হাজার, যা ২০১১ সালের ২৪.০৫ লাখ সংখ্যার থেকে প্রায় ১.৬৫ লাখ কম।

২০১১ সালের জনগণনা অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গের পরিযায়ী শ্রমিকের মধ্যে মহিলাদের সংখ্যা ছিল ১৪.৫২ লাখ এবং পুরুষ শ্রমিকের সংখ্যা ৯.৫৩ লাখ। তবে বিভিন্ন মহলের মতে, বাস্তবে ভিন্‌রাজ্যে কর্মরত অনেক পরিযায়ী শ্রমিকের নাম নথিভুক্ত নয়। শ্রম দফতরের একজন কর্মকর্তা জানান, “নথিভুক্ত না থাকা শ্রমিকদের সংখ্যা ২-৪ লাখের মধ্যে হতে পারে।”

উল্লেখ্য, বাম জমানার শেষ সময়ে রাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছিল। ২০০১ সালের জনগণনা অনুযায়ী, পরিযায়ী শ্রমিকের সংখ্যা ৪৫ শতাংশ বেড়ে ২০১১ সালে ৭.১৮ লাখ বৃদ্ধি পেয়েছিল। বাম জমানার সময়ের শ্রম দফতরের মন্ত্রী অনাদি সাহু বলেন, “কৃষকেরাও এখন চাষাবাসের পরিবর্তে ভিন্‌রাজ্যে শ্রমিকের কাজ করছেন।”

বর্তমানে রাজ্যে ফিরতি পরিযায়ী শ্রমিকদের উৎসাহিত করতে শ্রমশ্রী প্রকল্প চালু হয়েছে। এই প্রকল্প অনুযায়ী, রাজ্যে ফিরে এলে পরিযায়ী শ্রমিকরা মাসে পাঁচ হাজার টাকা ভাতা পাবেন। শ্রমশ্রী ও কর্মসাথী পোর্টালের সংযোগের মাধ্যমে শ্রমিকদের নাম নথিভুক্ত করার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

শ্রমশ্রী প্রকল্পে নাম নথিভুক্ত করা শ্রমিকদের আই কার্ড দেওয়া হবে এবং তারা রাজ্য সরকারের বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা পেতে সক্ষম হবেন। পাশাপাশি, তাদের সন্তানদের স্কুলে ভর্তির ব্যবস্থা, খাদ্য ও স্বাস্থ্য সুবিধা, প্রশিক্ষণ ও জব কার্ড প্রদান করা হবে।

তবে প্রশাসনিক মহলের মতে, অন্য রাজ্যে বেশি মজুরি পাওয়ার কারণে কতজন শ্রমিক প্রকৃতভাবে রাজ্যে ফিরে আসবেন, তা আগাম নির্ধারণ করা কঠিন। সরকারি সূত্রের দাবি, “সব দিক বিবেচনা করে প্রকল্পের কার্যক্রম এগোনো হচ্ছে, যাতে অর্থ ও সময়ের অপচয় এড়ানো যায়।”

📢 আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন

সর্বশেষ খবর, লাইভ আপডেট ও এক্সক্লুসিভ কনটেন্ট পেতে এখনই আমাদের WhatsApp গ্রুপ এবং Facebook পেজে যুক্ত হোন।

🔔 আমাদের সাথে থাকুন এবং প্রতিদিনের সর্বশেষ আপডেট পেতে ভুলবেন না!

শুভেন্দুকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের অযোগ্য তালিকায় ওরা কারা


🔴 এসএসসি প্রকাশিত ‘দাগি’ তালিকা: শুভেন্দু অধিকারীকে নিশানা করলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে প্রকাশিত তালিকায় ১৮০৬ জনের নাম। রাজনৈতিক বিতর্ক তুঙ্গে।

SSC দাগি তালিকা

স্কুল সার্ভিস কমিশন (এসএসসি) সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী নবম-দশম ও একাদশ-দ্বাদশ মিলিয়ে মোট ১৮০৬ জন ‘দাগি’ প্রার্থীর নাম প্রকাশ করেছে। তালিকাটি ইতিমধ্যেই এসএসসির ওয়েবসাইটে আপলোড করা হয়েছে।

বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী তালিকাকে অসম্পূর্ণ ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে কটাক্ষ করেছেন। তবে তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছেন,

“অযোগ্য তালিকায় যাদের নাম রয়েছে, তারা সবাই শুভেন্দুর লোকজন। পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং বাঁকুড়ার প্রার্থীরা মূলত বিজেপির সঙ্গে যুক্ত।”
“যাদের নাম তালিকায় আছে, তারা যদি বিভ্রান্ত হন, আদালতে মামলা করুন। রাজনৈতিক মন্তব্যে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা ঠিক নয়।”

শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেছেন,

“১৮০৪ জনের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে, কিন্তু প্রকৃত সংখ্যা ৬ হাজারের বেশি। ২০২২ সালের নির্দেশ অনুযায়ী প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় উল্লেখ করেছিলেন এই সংখ্যা আরও বেশি। রাজ্য সরকার স্বীকার করেছে যে ১৮০৪ জনের চাকরি অবৈধভাবে দেওয়া হয়েছে। স্বাধীনতার পর এমন নজির আগে দেখা যায়নি।”

📌 সংক্ষেপে খবর

  • প্রকাশিত তালিকার সংখ্যা: ১৮০৬ জন
  • ওয়েবসাইট আপলোড: স্কুল সার্ভিস কমিশন (SSC)
  • প্রধান বিতর্ক: শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগ vs কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিক্রিয়া
  • রাজনৈতিক প্রভাব: পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি ও তৃণমূলের মধ্যে তীব্র সমালোচনা

উৎস: স্কুল সার্ভিস কমিশন, তৃণমূল কংগ্রেস, বিজেপি

দিলীপ ঘোষকে ঘিরে বড় সিদ্ধান্তের ইঙ্গিত? সংগঠন পুনর্গঠনে সক্রিয় শমীক ভট্টাচার্য

কলকাতা: শমীক ভট্টাচার্য বিজেপি-র রাজ্য সভাপতির দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই নতুন করে সংগঠন সাজানোর পরিকল্পনা শুরু হয়েছে বঙ্গ বিজেপিতে। রাজ্য কমিটি, কোর কমিটি, জেলা কমিটি সহ একাধিক মোর্চার কাঠামো নতুনভাবে গড়ে তোলার পথে হাঁটতে পারে দল। নির্বাচনের আগে সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী হতে তাই দিল্লি পাড়ি দিয়েছেন শমীক ভট্টাচার্য। এই পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক মহলে বড় প্রশ্ন— দিলীপ ঘোষ কি ফের রাজ্য কমিটি বা অন্য কোনও গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক পদে ফিরতে পারেন? তবে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব জানিয়েছে, দিলীপ ঘোষ সম্পর্কে যাবতীয় সিদ্ধান্ত নেবে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। প্রসঙ্গত, গতবার রাজ্য দফতরে শমীকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে দিলীপ ঘোষ বলেছিলেন, তাঁর এখনও "মার্কেটে দাম আছে"। সাংসদ পদ হারালেও কিংবা বর্তমানে দলের কোনও পদ না থাকলেও, তিনি যে বাংলার রাজনীতিতে প্রাসঙ্গিক, তা বারবার প্রমাণ করেছেন। দায়িত্ব ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনা প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষের বক্তব্য, 👉 “দেখি পার্টি কীভাবে চায়। আমি তো বিধানসভায় আগে প্রার্থী হয়েছি, লোকসভাতেও হয়েছি। পার্টির প্রয়োজনে যেটা দরকার, সেটা করব।” শমীক ভট্টাচার্য সভাপতি হওয়ার পর দলে পুরনো এবং আদি কর্মীদের গুরুত্ব বেড়েছে, দায়িত্বভারও বাড়ছে। এই প্রেক্ষিতে দিলীপ ঘোষকে ফের রাজনীতির সামনের সারিতে আনা হবে কি না, তাই এখন সবচেয়ে বড় কৌতূহল। ➡️ আগামী বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপি কৌশলে কী সিদ্ধান্ত নেয়, আর তাতে দিলীপ ঘোষ কতটা প্রাসঙ্গিকভাবে ফিরে আসেন—সেই দিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।

অযোগ্য তালিকায় নাম প্রকাশ, প্রাক্তন জেলা সভাধিপতি তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ

উত্তর দিনাজপুরের প্রাক্তন জেলা সভাধিপতি ও শিক্ষিকা, তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ, অযোগ্য তালিকায় নাম প্রকাশ উত্তর দিনাজপুরের জেলা পরিষদের প্রাক্তন সভাধিপতি এবং একসময় এলাকার স্কুল শিক্ষিকা ছিলেন কবিতা বর্মন। তৃণমূল ছেড়ে তিনি বিজেপিতে যোগ দেন। এত দাপুটে রাজনৈতিক পরিচয় থাকা সত্ত্বেও, শেষ রক্ষা হলো না। শনিবার সন্ধ্যায় স্কুল সার্ভিস কমিশন (এসএসসি) ১৮০৪ জন শিক্ষকের নাম প্রকাশ করে, যারা “অযোগ্য” হিসেবে চাকরি হারিয়েছেন। এই তালিকায় কবিতা বর্মনের নামও রয়েছে। ২০১৬ সালের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে উত্তর দিনাজপুরে চাকরি পান কবিতা বর্মন। তিনি উত্তর দিনাজপুরের ইটাহারের পাড়াহরিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে বাংলার শিক্ষিকা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। কিন্তু তালিকা প্রকাশের পর রায়গঞ্জের চণ্ডীতলা এলাকায় তাঁর বাড়িতে গিয়ে দেখা পাওয়া যায়নি। তবে কবিতা বর্মন একা নন। এসএসসি যে অযোগ্যদের তালিকা প্রকাশ করেছে, তাতে রাজনৈতিক পদে থাকা অনেক নামও রয়েছে। রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের আত্মীয়দের নামও তালিকায় আছে। বিভিন্ন জেলার এমন খবর প্রকাশিত হয়েছে, যা নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা যাচ্ছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, এসএসসি এই ১৮০৪ জন শিক্ষকের নাম প্রকাশ করেছে। যারা নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় আবেদন করেছিলেন, তাদের অ্যাডমিট কার্ডও বাতিল করা হয়েছে। কমিশনের এই পদক্ষেপ শিক্ষাক্ষেত্রে স্বচ্ছতা এবং নিয়োগ প্রক্রিয়ার সততা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়েছে।

দাগি অযোগ্য’ তালিকা: সুকান্তের তোপ, আগে প্রকাশ না হওয়ার কারণ কী?’

স্কুল সার্ভিস কমিশন শনিবার ‘অযোগ্য প্রার্থীদের’ তালিকা প্রকাশ করেছে। ১৮০৪ জনের নাম রয়েছে। শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী তালিকার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। নতুন শিক্ষানিয়োগ নিয়ে কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তে অপেক্ষা চলছে। কিছু প্রার্থী আবারও পরীক্ষায় বসতে বাধ্য হচ্ছেন। 📰 আরও অন্য খবর পড়ুন 👍 আমাদের Facebook Page 💬 আমাদের WhatsApp Group

সুকান্তের প্রশ্ন: ‘দাগি অযোগ্য’ তালিকা কেন আগে প্রকাশ করা হয়নি?

শুক্রবার–শনিবারের ঘটনা সংক্ষেপ:
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরে শনিবার সন্ধ্যায় স্কুল সার্ভিস কমিশন (এসএসসি) ‘দাগি অযোগ্য’দের তালিকা প্রকাশ করেছে। তালিকায় ১৮০৪ জন প্রার্থীর রোল নম্বর অন্তর্ভুক্ত। প্রার্থীদের বিস্তারিত তথ্য না থাকায় তালিকার বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, আদৌ তাঁরা প্রার্থী কি না, কোথাও চাকরি করছিলেন কি না, তা স্পষ্ট নয় তালিকায়।

পিছনের ঘটনা:
গত বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্ট প্রশ্ন তুলেছিল কেন ‘দাগি অযোগ্য’দের তালিকা প্রকাশ করা হয়নি। আদালতের পর্যবেক্ষণ ছিল, “দাগি (টেন্টেড) অযোগ্যদের তালিকা প্রকাশ করতে বলেছিল কলকাতা হাই কোর্ট। আমরা সেই নির্দেশে হস্তক্ষেপ করিনি। তার পরেও কেন তালিকা প্রকাশ হল না?” এরপর সময়সীমা বেঁধে শীর্ষ আদালত তালিকা প্রকাশের নির্দেশ দেয়।

নাটকীয় পরিস্থিতি:
শনিবারের মধ্যে তালিকা প্রকাশ করতে বলা হলেও কমিশন তার আগে খসড়া তালিকা lekkি হয়ে যাওয়ায় বিভ্রান্তি তৈরি হয়। পরে ওই খসড়া তালিকা প্রত্যাহার করা হয়। সুকান্ত বলেন, “গোটা দিন নাটকের পর তালিকা প্রকাশ করা হল। তবে এর আগে একটা তালিকা দিয়ে কিছু ক্ষণের মধ্যে সেটা সরিয়ে দেওয়া হল। কেন এমন করা হলো, তা আমরা বুঝতে পারছি না।”

প্রভাব ও প্রতিক্রিয়া:
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক-শিক্ষিকার চাকরি বাতিল হয়েছে। কারা ‘যোগ্য’ আর কারা ‘দাগি অযোগ্য’, সেই নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। সুকান্তের দাবি, এত কম সংখ্যক ‘অযোগ্য’ প্রার্থী কীভাবে হতে পারে, এটা বিশ্বাসযোগ্য নয়।

প্রশ্ন তোলা হয়েছে:
কেন এতদিন এসএসসি এই তালিকা প্রকাশ করেনি, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন সুকান্ত। তাঁর মন্তব্য: “সুপ্রিম কোর্টের ধ্যাঁতানিতে তালিকা প্রকাশ করল এসএসসি। কমিশনের কাছে আগেই তালিকা ছিল। তবে কেন হাই কোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টে শুনানির সময় প্রকাশ করা হয়নি?”

সুকান্তের মন্তব্য:
যোগ্য হওয়া সত্ত্বেও যারা আবার পরীক্ষায় বসতে হচ্ছে, তাঁদের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, “আমার মনে হয় ওঁদের উচিত তৃণমূলের কলার ধরা।”

Saturday, 30 August 2025

মুখ্যমন্ত্রীর নাম ভাঁড়িয়ে মিথ্যাচার! উপাচার্য শান্তা দত্তকে একহাত ব্রাত্য বসুর

“মুখ্যমন্ত্রীর নাম ভাঁড়িয়ে মিথ্যাচার! উপাচার্য শান্তা দত্তকে একহাত ব্রাত্য বসুর” 📌 স্টাফ রিপোর্টার: তৃণমূল ছাত্র পরিষদের (TMCP) প্রতিষ্ঠা দিবস ঘিরে ফের শুরু হল বিতর্ক। আর সেই বিতর্কে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম টেনে ‘অসত্য’ বক্তব্য রাখার অভিযোগ উঠল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী উপাচার্য শান্তা দত্তের বিরুদ্ধে। শনিবার এ নিয়ে সরাসরি আক্রমণ শানালেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। 🔹 বিতর্কের সূচনা ২৮ অগস্ট তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে কলকাতার মেয়ো রোডে জনসভার আয়োজন করা হয়েছিল। একই দিনে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএ এলএলবি ও বিকম চতুর্থ সেমিস্টারের পরীক্ষা ছিল। এই কারণে অধ্যক্ষ, অধ্যাপকসহ অনেকেই আশঙ্কা করেছিলেন, পরীক্ষার্থীরা সমস্যায় পড়তে পারেন। তবে উপাচার্য শান্তা দত্ত অনড় ছিলেন পরীক্ষার বিষয়ে। বৃহস্পতিবার পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর তিনি দাবি করেন, “মুখ্যমন্ত্রী নাম করে তাঁকে পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছিল।” 🔹 ‘অসত্য দাবি’ বলে পাল্টা আক্রমণ ব্রাত্যের শান্তার এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই ক্ষোভ উগরে দেন শিক্ষামন্ত্রী। ব্রাত্যের প্রশ্ন, 👉 “পরীক্ষা না নেওয়ার কথা কোথায় উঠছে? কোথা থেকে জানা গেল মুখ্যমন্ত্রী অনুরোধ করেছেন?” তিনি আরও স্পষ্ট দাবি করেন— 👉 “মুখ্যমন্ত্রী সত্যিই যদি এমন নির্দেশ দিতেন, তবে তার প্রমাণ হিসেবে শিক্ষা দফতর থেকে চিঠি বা ইমেল থাকত। কোনওরকম সরকারি নথি পাঠানো হয়নি।” 🔹 উচ্চশিক্ষা দফতরের ভূমিকা ব্রাত্য বসু জানান, ২৮ অগস্ট শুধু কলকাতা নয়, একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা ছিল। তাই উচ্চশিক্ষা দফতরের তরফে সব বিশ্ববিদ্যালয়কেই চিঠি দিয়ে পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছিল। কেউ তা রেখেছে, কেউ রাখেনি। কিন্তু “মুখ্যমন্ত্রী অনুরোধ করেছেন”—এই দাবি একেবারেই ভিত্তিহীন। 🔹 কড়া আক্রমণ উপাচার্যের উদ্দেশে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, 👉 “অসত্য কথার একটা সীমানা রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর নাম ভাঁড়িয়ে মিথ্যাচার করলে সেটা শিক্ষা দফতর বরদাস্ত করবে না।” ফলে, মুখ্যমন্ত্রীকে ঘিরে উপাচার্যের মন্তব্য নিয়ে নতুন রাজনৈতিক টানাপোড়েন শুরু হল। ,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,

📢 আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন

সর্বশেষ খবর, লাইভ আপডেট ও এক্সক্লুসিভ কনটেন্ট পেতে এখনই আমাদের WhatsApp গ্রুপ এবং Facebook পেজে যুক্ত হোন।

📲 WhatsApp গ্রুপে যোগ দিন 👍 Facebook পেজে যোগ দিন

🔔 আমাদের সাথে থাকুন এবং প্রতিদিনের সর্বশেষ আপডেট পেতে ভুলবেন না!

SSC Recruitment Scam: অযোগ্যদের দ্বিতীয় তালিকা প্রকাশ, বাতিল হল অ্যাডমিট কার্ড

কলকাতা: এসএসসি নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই চলছে টানাপোড়েন। এবার সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে দ্বিতীয় দফায় অযোগ্য প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করল স্কুল সার্ভিস কমিশন (SSC)। নির্দেশ অনুযায়ী, অযোগ্য প্রার্থীরা নতুন পরীক্ষায় বসতে পারবেন না। যারা ফের আবেদন করেছিলেন, তাদের অ্যাডমিট কার্ড বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্ট আগেই জানিয়ে দিয়েছিল, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যারা অযোগ্য প্রমাণিত হয়েছেন, তাদের ফের নতুন পরীক্ষায় বসতে দেওয়া যাবে না। একই সঙ্গে কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল, যদি কোনও অযোগ্য প্রার্থী নতুন করে আবেদন করে থাকেন, তবে তাদের অ্যাডমিট কার্ড বাতিল করতে হবে এবং তালিকা প্রকাশ করতে হবে। কতজনের নাম তালিকায়? নবম-দশমের শিক্ষক নিয়োগে অযোগ্য হয়েও আবেদন করেছিলেন প্রায় ১১৪০ জন প্রার্থী। তাদের অ্যাডমিট বাতিল করেছে এসএসসি। একাদশ-দ্বাদশের ক্ষেত্রে অযোগ্য প্রার্থীদের সংখ্যা ছিল প্রায় ১০২০ জন। তাঁদের অ্যাডমিটও বাতিল হয়েছে। অর্থাৎ মোট ২ হাজারের বেশি অযোগ্য প্রার্থী দ্বিতীয় তালিকায় জায়গা পেয়েছেন। কী প্রকাশ করা হয়েছে তালিকায়? প্রকাশিত তালিকায় প্রার্থীদের রোল নম্বর, বিষয় এবং পরীক্ষাকেন্দ্র উল্লেখ করা হয়েছে। তবে নাম প্রকাশ করা হয়নি। সুযোগ থাকছে কারা? শুধুমাত্র যোগ্য প্রার্থীরাই এবার নতুন পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন। যাদের নাম অযোগ্য তালিকায় নেই, তারাই আবেদন করতে পারবেন। এছাড়া, নিয়োগে অংশগ্রহণকারী অভিজ্ঞ প্রার্থীরা অতিরিক্ত ১০ নম্বর পাবেন। কেন এত কড়া পদক্ষেপ? এসএসসি সূত্রে জানা গিয়েছে, নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এবং সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ কার্যকর করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

📢 আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন

সর্বশেষ খবর, লাইভ আপডেট ও এক্সক্লুসিভ কনটেন্ট পেতে এখনই আমাদের WhatsApp গ্রুপ এবং Facebook পেজে যুক্ত হোন।

🔔 আমাদের সাথে থাকুন এবং প্রতিদিনের সর্বশেষ আপডেট পেতে ভুলবেন না!

এসএসসি-র ২৬ হাজার চাকরি বাতিল মামলায় সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে অযোগ্যদের তালিকা প্রকাশ


📰 স্টাফ রিপোর্টার:

বহু প্রতীক্ষার পর অবশেষে প্রকাশিত হল এসএসসি-র অযোগ্য প্রার্থীদের তালিকা। ২৬ হাজার চাকরি বাতিল মামলায় সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী ৭ দিনের মধ্যে তালিকা প্রকাশ করতে বলা হয়েছিল। সেই নির্দেশ মেনেই শনিবার রাত আটটা নাগাদ স্কুল সার্ভিস কমিশনের (SSC) অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে তালিকা প্রকাশ করা হয়।

🔹 প্রকাশিত তালিকা

মোট ১,৮০৪ জন প্রার্থীকে অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে।

কমিশনের ওয়েবসাইটে তাঁদের নাম, রোল নম্বর এবং সিরিয়াল নম্বর প্রকাশিত হয়েছে।

এই তালিকাকে অনেকেই বলছেন ‘দাগি’দের তালিকা (SSC Tainted List)।


🔹 আসছে নতুন নিয়োগ পরীক্ষা

রাজ্য স্কুল সার্ভিস কমিশন জানিয়েছে—

আগামী ৭ ও ১৪ সেপ্টেম্বর শিক্ষক নিয়োগের নতুন পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট করেছে, নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ার উপর কড়া নজরদারি চালানো হবে।

কোনও ভুল বা অনিয়ম ধরা পড়লে আদালত হস্তক্ষেপ করবে।

সতর্কবার্তাও দেওয়া হয়েছে— অযোগ্যরা পরীক্ষায় বসলে গুরুতর ফল ভুগতে হবে।

🔹 আদালতের সতর্কতা ও বিতর্ক

এরই মধ্যে কয়েকজন প্রার্থী আবেদন করেছিলেন, অযোগ্য প্রার্থীরা যাতে পরীক্ষায় বসতে না পারে। তাঁদের দাবি, তাঁরা যোগ্য হলেও চাকরি পাননি, অথচ অনেক অযোগ্যকে সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। সেই কারণেই আদালত সরাসরি এসএসসি-কে অযোগ্য তালিকা প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছিল।

অন্যদিকে, যোগ্য অথচ চাকরিহারা প্রার্থীরা দাবি তুলেছিলেন তাঁদের জন্য আলাদা পরীক্ষা নেওয়ার। তাঁদের বক্তব্য—

> “প্রায় এক দশক আগে পরীক্ষা দিয়ে যোগ্য হয়েছি। এখন নতুন প্রজন্মের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নামলে আমাদের সুযোগ কমে যাবে।”



তবে সুপ্রিম কোর্ট সেই আর্জি খারিজ করে দেয়।


---

📌 সারসংক্ষেপ

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ১,৮০৪ জনের অযোগ্য তালিকা প্রকাশ করল এসএসসি।

আগামী ৭ ও ১৪ সেপ্টেম্বর নতুন নিয়োগ পরীক্ষা।

অযোগ্যরা পরীক্ষায় বসলে শাস্তির মুখে পড়তে হবে।

যোগ্য চাকরিহারা প্রার্থীদের পৃথক পরীক্ষার দাবি নাকচ করল আদালত।


👉 বিস্তারিত রিপোর্ট ও নামের তালিকা শীঘ্রই প্রকাশ করা হবে।

📢 আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন

সর্বশেষ খবর, লাইভ আপডেট ও এক্সক্লুসিভ কনটেন্ট পেতে এখনই আমাদের WhatsApp গ্রুপ এবং Facebook পেজে যুক্ত হোন।

🔔 আমাদের সাথে থাকুন এবং প্রতিদিনের সর্বশেষ আপডেট পেতে ভুলবেন না!

🗳️ বিহার বিধানসভা নির্বাচন: কোন দল এগিয়ে, কোন দল পিছিয়ে – টাইমস নাউ-জেভিসি সমীক্ষা

🗳️ বিহার বিধানসভা নির্বাচন: এনডিএ এগিয়ে, মহাজোট পিছিয়ে – টাইমস নাউ-জেভিসি সমীক্ষা বিহার বিধানসভা নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে। বিশেষ করে ভোটার তালিকার স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন (SIR) সম্পন্ন হওয়ার পর থেকেই বিহারের রাজনীতিতে সরগরম পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। শাসক এনডিএ (NDA) এবং বিরোধী মহাজোট (Mahagathbandhan) – দুই পক্ষই দাবি করছে, এবারের ভোটে জয় নিশ্চিত তাদের ঝুলিতেই যাবে। এদিকে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম এবং সংস্থা ইতিমধ্যেই সমীক্ষা প্রকাশ করতে শুরু করেছে। তাদের মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত সমীক্ষা সামনে এনেছে টাইমস নাউ এবং জেভিসি (JVC)। এই সমীক্ষায় স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে – অনেকের পূর্বাভাসের উল্টে, এনডিএ এবারও সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে চলেছে। 🔹 এনডিএর সম্ভাব্য আসন সংখ্যা টাইমস নাউ-জেভিসি সমীক্ষা অনুযায়ী, এবারের ভোটে ২৪৩ আসনের মধ্যে এনডিএ এককভাবে ১৩৬ আসন পেতে পারে। যেখানে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন ১২২ আসন। অর্থাৎ এনডিএ এককভাবেই সহজে সরকার গঠনের পথে। বিজেপি : ৭৪ আসন জেডিইউ (নীতীশ কুমার) : ২৯ আসন (পূর্বের তুলনায় কম) 🔹 মহাজোটের পরিস্থিতি অন্যদিকে, আরজেডির নেতৃত্বাধীন মহাজোট পেতে পারে মাত্র ৭৫ আসন। যা ২০২০ সালের তুলনায় অনেকটাই কম। আরজেডি : ৫২ আসন (বর্তমানে রয়েছে ৩৭, অর্থাৎ ১৫ আসন এগিয়ে) কংগ্রেস : ১০ আসন (গতবার পেয়েছিল ১৯, এবার ক্ষতি হতে পারে) অন্যান্য সঙ্গী দল : ১৩ আসন 🔹 ছোট দলগুলির অবস্থান প্রশান্ত কিশোরের জন সুরজ : ২ আসন ওয়েসির AIMIM (মিম) : ৩ আসন বিএসপি : ১ আসন 🔹 সীমাঞ্চলের সমীকরণ সীমাঞ্চল এলাকায় এবার সমান লড়াই হতে পারে। সেখানে এনডিএ ও মহাজোট দুই পক্ষই ১০-১০ আসন পেতে পারে। বাকি ৪ আসনের মধ্যে মিম ৩টি এবং একটি আসন নিয়ে চূড়ান্ত টানটান প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে পারে। দল / জোট সম্ভাব্য আসন সংখ্যা ২০২০ সালে আসন পার্থক্য এনডিএ (মোট) 136 125 +11 ➤ বিজেপি (BJP) 74 74 সমান ➤ জেডিইউ (JDU - নীতীশ কুমার) 29 43 -14 মহাজোট (মোট) 75 110 -35 ➤ আরজেডি (RJD) 52 75 -23 ➤ কংগ্রেস (INC) 10 19 -9 ➤ অন্যান্য সঙ্গী দল 13 16 -3 জন সুরজ (প্রশান্ত কিশোর) 2 - নতুন দল AIMIM (ওয়েসি) 3 5 -2 বিএসপি (BSP) 1 1 সমান --- 📌 মূল পয়েন্ট: সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন 122 আসন, এনডিএ এককভাবে পাচ্ছে 136 আসন। বিজেপি আগের মতোই শক্ত অবস্থানে, জেডিইউর আসন কমছে। মহাজোটের আসন সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাচ্ছে। ছোট দলগুলির মধ্যে AIMIM ও জন সুরজ সীমিত প্রভাব রাখবে।

📢 আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন

সর্বশেষ খবর, লাইভ আপডেট ও এক্সক্লুসিভ কনটেন্ট পেতে এখনই আমাদের WhatsApp গ্রুপ এবং Facebook পেজে যুক্ত হোন।

🔔 আমাদের সাথে থাকুন এবং প্রতিদিনের সর্বশেষ আপডেট পেতে ভুলবেন না!

নতুন স্পনসর খুঁজছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড


🏏 নতুন স্পনসর খুঁজছে বিসিসিআই ড্রিম ১১ সরে দাঁড়ানোর পর সূর্যকুমার-গিলদের জার্সিতে ‘খালি জায়গা’, লক্ষ্য ৪৫২ কোটি আয় বিউরো রিপোর্ট: ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) নতুন প্রধান স্পনসরের খোঁজে নামল। ফ্যান্টাসি গেমিং প্ল্যাটফর্ম ড্রিম ১১ সরে যাওয়ার পর ভারতীয় দলের জার্সিতে তৈরি হয়েছে শূন্যস্থান। এবার সেই জায়গা পূরণ করে বোর্ডের লক্ষ্য আগামী তিন বছরে (২০২৫-২০২৮) ₹৪৫২ কোটি আয়। আরও পড়ুন আরও খবর 💰 আয় পরিকল্পনা 📌 ২০২৫ থেকে ২০২৮ পর্যন্ত ভারতীয় দল খেলবে ১৪০টি ম্যাচ। এর মধ্যে রয়েছে— দেশে ও বিদেশে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ আইসিসি টুর্নামেন্ট (বিশ্বকাপসহ) এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল-এর প্রতিযোগিতা নতুন হার: 🏏 দ্বিপাক্ষিক সিরিজে ম্যাচপ্রতি ₹৩.৫ কোটি (ড্রিম ১১ দিত ₹৩ কোটি) 🌍 আইসিসি/এএসিসি টুর্নামেন্টে ম্যাচপ্রতি ₹১.৫ কোটি (আগে ছিল ₹১ কোটি) 📊 বছরভিত্তিক আয় অনুমান: ২০২৫-২৬ → ₹১৩১ কোটি ২০২৬-২৭ → ₹১৬২.৫ কোটি ২০২৭-২৮ → ₹১৫৮.৫ কোটি 👉 সব মিলিয়ে বোর্ডের মোট আয় হতে পারে ₹৪৫২ কোটি টাকা। ⚠️ ড্রিম ১১-এর ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত ড্রিম ১১-এর সঙ্গে বিসিসিআইয়ের চুক্তি মার্চ ২০২৫ পর্যন্ত। তিন বছরের জন্য এই চুক্তি ছিল ₹৩৫৮ কোটি। কিন্তু সদ্য পাশ হওয়া ‘দ্য প্রমোশন অ্যান্ড রেগুলেশন অব অনলাইন গেমিং বিল’-এর কারণে ফ্যান্টাসি গেমিং অ্যাপগুলির ভবিষ্যৎ এখন অন্ধকারে। ফলতই বোর্ডের বাধ্যতামূলক হয়ে দাঁড়িয়েছে নতুন স্পনসর খোঁজা। 🚗 কারা হতে পারে নতুন স্পনসর? বোর্ডের প্রাথমিক নজর— মোটর কর্পোরেশন ফিনটেক স্টার্ট-আপস তবে সরকারিভাবে প্রক্রিয়া এখনও শুরু হয়নি। ফলে পুরো বিষয়টি সময়সাপেক্ষ বলেই মনে করছে বোর্ড। 🏆 এশিয়া কাপে ‘স্পনসরবিহীন’ ভারত! দিন কয়েক পরই শুরু হচ্ছে এশিয়া কাপ। তবে সম্ভবত সূর্যকুমার যাদব-শুভমান গিলরা নামবেন স্পনসরবিহীন জার্সি পরে। কারণ, অফিসিয়ালভাবে নতুন স্পনসর চূড়ান্ত করতে বিসিসিআইয়ের হাতে এখনো পর্যাপ্ত সময় নেই। 🔎 সারকথা ড্রিম ১১-এর বিদায়ের পর বিসিসিআই সামনে এসেছে অর্থনৈতিকভাবে আরও বড় সুযোগ। তবে সঠিক স্পনসর বেছে নেওয়াটাই এখন বোর্ডের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।


📢 আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন

সর্বশেষ খবর, লাইভ আপডেট ও এক্সক্লুসিভ কনটেন্ট পেতে এখনই আমাদের WhatsApp গ্রুপ এবং Facebook পেজে যুক্ত হোন।

🔔 আমাদের সাথে থাকুন এবং প্রতিদিনের সর্বশেষ আপডেট পেতে ভুলবেন না!

ভারত সরকারের উদ্যোগ: ছোটখাটো অপরাধ ‘অপরাধমুক্ত’, শুধুমাত্র জরিমানা

ভারত সরকারের উদ্যোগ: ছোটখাটো অপরাধ ‘অপরাধমুক্ত’

ভারত সরকারের উদ্যোগ: ছোটখাটো অপরাধ ‘অপরাধমুক্ত’, শুধুমাত্র জরিমানা

ডিজিটাল ডেস্ক:

ভারতে এমন অনেক আইন রয়েছে, যেগুলিতে খুব ছোটখাটো কোনও ঘটনাকেও ফৌজদারি অপরাধ বলে গণ্য করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, রাস্তায় গরুর দুধ দোয়ানো বা পোষ্য কুকুরকে যথাযথ অনুশীলন না করানোর জন্য কাউকে গ্রেফতার করা যেতে পারে। এমনকি কোনও জরুরি গাড়িকে রাস্তা সরাতে না দেওয়াতেও জেলের শাস্তি হতে পারে।

কেন্দ্র জানিয়েছে, এই ধরনের ছোটখাটো ঘটনার জন্য ফৌজদারি অপরাধের প্রয়োগ সীমিত করা হবে এবং শুধুমাত্র জরিমানা ব্যবস্থার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই লক্ষ্যে সংসদের বাদল অধিবেশনে লোকসভায় ‘জনবিশ্বাস (বিধি সংশোধনী) বিল, ২০২৫’ পেশ করা হয়েছে।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়সমূহ:

এই নতুন সংশোধনী বিলে ১০টি মন্ত্রক ও ১৬টি কেন্দ্রীয় আইন সংশোধনের প্রস্তাব।

মোট ৩৫৫টি ধারার সংশোধনের উল্লেখ, যার মধ্যে ২৮৮টি ধারাকে ‘অপরাধমুক্ত’ করার কথা বলা হয়েছে।

বাকি ৬৭টি ধারায় সংশোধনের প্রস্তাব, যা সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনকে সহজ করবে।

সংশোধনাগুলোর মধ্যে রয়েছে: মোটরগাড়ি আইন, নয়াদিল্লি পুরসভা কাউন্সিল আইন, চা আইন এবং আরও কিছু নিয়ম।

পূর্বের প্রেক্ষাপট:

কেন্দ্র ২০২৩ সালে পাশ হওয়া জনবিশ্বাস আইনে ১৯টি মন্ত্রক এবং ৪২টি কেন্দ্রীয় আইন সংশোধন করে ১৮৩টি ধারাকে অপরাধমুক্ত করেছে। এবার আরও ৩৫৫টি ধারায় সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

জেল ও বন্দির প্রসঙ্গ:

ভারতের সংশোধনাগারে প্রায়ই অতিরিক্ত সংখ্যক আবাসিক দেখা যায়। অনেকেই বিচারাধীন বন্দি, এবং ছোটখাটো অপরাধের জন্যও গ্রেফতার হলে জেলভিত্তি চাপ আরও বৃদ্ধি পাবে।

আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, ছোটখাটো ঘটনার ক্ষেত্রে অপরাধ এবং শাস্তির অনুপাত মৌলিক আইনি নীতির পরিপন্থী। কেন্দ্র পুরনো ধারাগুলোতে এই সংশোধনী আনার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে আইন প্রয়োগ আরও যুক্তিসঙ্গত করার চেষ্টা করছে।

🔥 কাশ্মীরে জঙ্গি অনুপ্রবেশের মাস্টারমাইন্ড খতম! ‘হিউম্যান জিপিএস’ বাগু খান আর নেই

কাশ্মীরে জঙ্গি অনুপ্রবেশের কারিগর নিকেশ

কাশ্মীরে জঙ্গি অনুপ্রবেশের কারিগর নিকেশ: ‘হিউম্যান জিপিএস’ বাগু খান শেষ

Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক:

জম্মু ও কাশ্মীরের গুরেজে ভারতীয় সেনার বিশেষ অভিযানে পাক অধিকৃত কাশ্মীর থেকে উপত্যকায় জঙ্গি অনুপ্রবেশের অন্যতম কারিগর, ‘হিউম্যান জিপিএস’ হিসেবে কুখ্যাত বাগু খান (ওরফে সমন্দর চাচা) কে নিশ্চিহ্নিতভাবে খতম করা হয়েছে।

১৯৯৫ সাল থেকে পিওকে-তে সক্রিয় থাকা বাগু খানকে ভূস্বর্গে অনুপ্রবেশের এক দক্ষ কারিগর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। সেনা সূত্রের খবর অনুযায়ী, নওশেরা নার এলাকায় আরও একজন জঙ্গির সঙ্গে তাকে খতম করা হয়েছে।

গুরেজ সেক্টরের বিভিন্ন এলাকায় ১০০টিরও বেশি অনুপ্রবেশের প্রচেষ্টায় অংশগ্রহণ করেছিল বাগু খান। কঠিন পাহাড়ি অঞ্চলের গোপন পথের জ্ঞান থাকায় অধিকাংশ অভিযানই তার কাছে সফল হয়েছে। এই কারণে সমস্ত জঙ্গিগোষ্ঠীর কাছে সে ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও পছন্দের ব্যক্তি।

এক সময় হিজবুল কমান্ডার হিসাবেও কাজ করা বাগু খান নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর এবং পার্শ্ববর্তী এলাকায় জঙ্গি অনুপ্রবেশে একাধিক গোষ্ঠীকে সাহায্য করেছিল। বহু বছর নিরাপত্তা বাহিনীকে ফাঁকি দিতে সক্ষম হলেও সাম্প্রতিক অপারেশনে সে নিজেকে আড়াল করতে পারেনি।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বাগু খানের মৃত্যু এই অঞ্চলের জঙ্গি সংগঠনগুলোর লজিস্টিক নেটওয়ার্কে বড় ধরনের আঘাত হবে।

রাহুলের সভায় উন্মাদনা , বিরোধী ঐক্যে নতুন বার্তা

রাহুলের সভায় উন্মাদনা, বিরোধী ঐক্যে নতুন বার্তা

বিহার, ৩০ আগস্ট ২০২৫: শনিবার বিহারের আয়ার জেলার বিহিয়ার অঞ্চলে বিরোধী দলগুলির উদ্যোগে আয়োজিত হল ‘ভোট অধিকার যাত্রা’ কর্মসূচি। এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন লোকসভায় বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। তাঁর সভাকে ঘিরে সমর্থকদের উচ্ছ্বাস ও ভিড় প্রমাণ করেছে বিহারের মাটিতে বিরোধীদের রাজনৈতিক লড়াই কতটা জমাট হতে চলেছে।

সভায় রাহুল গান্ধীর বক্তব্যে মানুষের মধ্যে বিশেষ উদ্দীপনা দেখা গিয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, সাধারণ মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা চলছে এবং তা রুখতেই বিরোধী ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন চালাচ্ছে।

কংগ্রেস-সমাজবাদী ঐক্যের বার্তা

সভায় বিশেষভাবে নজর কাড়ে সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদবের উপস্থিতি। বিহারের রাজনীতিতে বহুদিন পর বিরোধী দলগুলির এমন ঐক্যবদ্ধ কর্মসূচি বিরল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। অখিলেশের উপস্থিতি এদিন স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে— ২০২৫-এর ভোটমুখী রাজনীতিতে উত্তরপ্রদেশ-বিহার জোট গড়ে তুলতে চাইছে বিরোধীরা।

ঐতিহাসিক মুহূর্ত

কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি নিজেই সভার ভিডিও তুলে ধরেছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। তাঁর দাবি, জনগণের সমর্থনই প্রমাণ করছে মানুষ গণতান্ত্রিক অধিকারের পক্ষে এবং স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে।

রাজনৈতিক তাৎপর্য

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ‘ভোট অধিকার যাত্রা’ কর্মসূচি শুধু বিহার নয়, গোটা উত্তর ভারতের রাজনীতিতেই গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে। বিরোধী শিবির একসঙ্গে ময়দানে নামায় শাসক দলের বিরুদ্ধে চাপ বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে।


ভিডিও দেখুন:


সংক্ষেপে: রাহুল গান্ধীর সভা শুধু উচ্ছ্বাস নয়, বরং বিরোধী ঐক্যের নতুন বার্তা দিয়েছে। অখিলেশ যাদবের উপস্থিতি এ বার্তার তাৎপর্য আরও বাড়িয়েছে।


📢 আমাদের সাথে যুক্ত হোন

👉 সর্বশেষ সব খবর পেতে আমাদের Facebook পেজ ফলো করুন।
👉 আলোচনায় যোগ দিতে আমাদের WhatsApp গ্রুপ-এ যুক্ত হোন।

📢 আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন

সর্বশেষ খবর, লাইভ আপডেট ও এক্সক্লুসিভ কনটেন্ট পেতে এখনই আমাদের WhatsApp গ্রুপ এবং Facebook পেজে যুক্ত হোন।

🔔 আমাদের সাথে থাকুন এবং প্রতিদিনের সর্বশেষ আপডেট পেতে ভুলবেন না!

দুর্নীতি মামলায় তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা জেল হেফাজতে

দুর্নীতি মামলায় তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা জেল হেফাজতে কলকাতা: আলুর ব্যবসার আড়ালে কোটি টাকার দুর্নীতি এবং কালোবাজারির অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা। শনিবার আদালত তাঁকে আগামী ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে। ইডি সূত্রে জানা গেছে, জীবনকৃষ্ণ সাহার অ্যাকাউন্টে প্রায় ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকার লেনদেন ধরা পড়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, এই টাকা আলুর ব্যবসার নামে ব্যবহৃত হলেও প্রকৃতপক্ষে তা দুর্নীতি ও কালোবাজারির সঙ্গে যুক্ত। অভিযোগের বিবরণ আলু কোল্ড স্টোরেজে আটকে রেখে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হতো। দাম নিয়ন্ত্রণে কারসাজি করে পরে বেশি দামে বাজারে ছাড়া হতো আলু। এর মাধ্যমে অবৈধভাবে বিপুল অর্থ উপার্জন করেছেন বলে অভিযোগ। ইডির বক্তব্য ইডি জানিয়েছে, জীবনকৃষ্ণ সাহার বিরুদ্ধে প্রাথমিকভাবে মানি লন্ডারিং ও কালোবাজারির যোগসূত্র পাওয়া গেছে। আরও নথি এবং প্রমাণ সংগ্রহের জন্য তাঁকে হেফাজতে নেওয়া প্রয়োজন। আদালতের রায় আদালতও তদন্তের স্বার্থে ইডির যুক্তি মেনে ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে। 🔎 রাজনৈতিক মহলে এই ঘটনায় তোলপাড় শুরু হয়েছে। বিরোধীরা অভিযোগ তুলেছে, রাজ্যের শাসক দলের একাধিক জনপ্রতিনিধি দুর্নীতির জালে জড়িয়ে পড়ছেন। তবে তৃণমূল শিবির এখনই এ বিষয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া জানায়নি।
📲 আমাদের WhatsApp গ্রুপে যোগ দিন

খবর ও আপডেট পেতে এখনই ক্লিক করুন!

ড্রাগ কেলেঙ্কারি! ১৫১টি ওষুধ ফেল করল গুণমান পরীক্ষায়

ড্রাগ কেলেঙ্কারি! ১৫১টি ওষুধ ফেল করল গুণমান পরীক্ষায় 💊 কলকাতার সেন্ট্রাল ড্রাগ ল্যাবরেটরি-তে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এল। সেন্ট্রাল ড্রাগ স্ট্যান্ডার্ড কন্ট্রোল অর্গানাইজেশনের রিপোর্টে দেখা গিয়েছে— মোট ১৫১টি ওষুধ ফেল করেছে গুণমান পরীক্ষায়। 👉 এর মধ্যে রয়েছে ক্যানসারের ইনজেকশন, অ্যান্টিবায়োটিক, আলসারের সিরাপ, ইউরিন ইনফেকশনের ওষুধও! 👉 বেশিরভাগ ওষুধ এসেছে ভিনরাজ্য থেকে— গুজরাট, হিমাচল, উত্তরাখণ্ড, তেলেঙ্গানা, হায়দরাবাদ। ⚠️ ড্রাগ কন্ট্রোল বোর্ডের সতর্কবার্তা: “এই ওষুধ কিনবেন না, দোকানদাররা মজুত রাখবেন না।” 📌 ফেল করা কিছু গুরুত্বপূর্ণ ওষুধ হেপারিন ইনজেকশন (ক্যানসার রোগীদের ব্যবহৃত) অ্যাজিথ্রোমাইসিন ট্যাবলেট সুক্রালফেট সিরাপ (আলসারের ওষুধ) অ্যামক্সিসিলিন + পটাশিয়াম ক্ল্যাভুলানেট আমিকাসিন সালফেট ইনজেকশন ডেক্সামিথাসোন ট্যাবলেট 👩‍⚕️ চিকিৎসকদের মতে— “রোগীদের জীবন নিয়ে ছেলেখেলা চলছে। এসব ওষুধ খেলে কোনও সুফল মিলবে না, বরং মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।”

শূন্যও হয়ে গেল ৫৩! এইভাবেই হয়েছিল SSC-র জালিয়াতি

 Y বাংলা ডিজিটাল নিউজ রিপোর্ট

শূন্যও হয়ে গেল ৫৩! এইভাবেই হয়েছিল SSC-র জালিয়াতি

স্টাফ রিপোর্টার:
শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে প্রতিদিনই বেরিয়ে আসছে নতুন সব তথ্য। এবার সামনে এল আরও বিস্ময়কর তথ্য। দেখা যাচ্ছে, পরীক্ষায় শূন্য নম্বর পাওয়া প্রার্থীর নাম প্রকাশিত ওএমআর শিটে দেখানো হয়েছে ৫৩ প্রাপ্ত হিসাবে।

সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, সিবিআই-এর হাতে জমা দেওয়া নথিতে ওই প্রার্থীর প্রকৃত নম্বর ছিল শূন্য। অথচ এসএসসি-র প্রকাশিত নথিতে স্পষ্টভাবে লেখা রয়েছে ৫৩। শুধু তাই নয়, আরেকজন ইতিহাসের শিক্ষক আসলে পেয়েছিলেন ২০ নম্বর, কিন্তু ওএমআর শিটে তাঁর নম্বরও বেড়ে হয়েছে ৫৩।

এমন উদাহরণ আরও বহু রয়েছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। যোগ্য প্রার্থীদের সুযোগ কেড়ে অযোগ্যদের চাকরি পাইয়ে দেওয়ার জন্যই এভাবে নম্বর বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ।

এসএসসি সূত্রে খবর, আজই প্রকাশ করা হবে আরও নামের তালিকা। সেখানেও একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

Friday, 29 August 2025

বঙ্গ বিজেপির অন্দরে ঝড়— পরিচিত মুখের বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি কেনার অভিযোগ

💥 বঙ্গ বিজেপির পরিচিত মুখের বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার সম্পত্তি কেনার অভিযোগ! অমিত শাহের দপ্তরে পৌঁছল নথি

✍️ স্টাফ রিপোর্টার

বঙ্গ বিজেপির রাজনীতিতে ফের ভূমিকম্প তুলতে পারে এমন এক অভিযোগ সামনে এসেছে। এবার দলের এক পরিচিত মুখের বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের জমি ও সম্পত্তি কেনার অভিযোগ পৌঁছল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের টেবিলে। শুধু তাই নয়, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডাকেও এ সংক্রান্ত নথি পাঠানো হয়েছে।

🔎 অভিযোগকারীর দাবি কী?

অভিযোগকারীর বক্তব্য অনুযায়ী, অভিযুক্ত নেতা রাজ্য বিজেপির এক গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছেন এবং কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছেও পরিচিত মুখ। তাঁর বিরুদ্ধে তোলা অভিযোগে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে—

1️⃣ তহবিলের উৎস তদন্ত করা হোক।
2️⃣ দলের পদমর্যাদা বা ক্ষমতা ব্যবহার করে বিপুল অর্থে সম্পত্তি কেনা হয়েছে কি না, খতিয়ে দেখা হোক।
3️⃣ অভিযুক্তকে যাঁরা রক্ষা করছেন, তাঁদের ভূমিকা ও শীর্ষ নেতাদের সংশ্লিষ্টতা যাচাই করা হোক।

📩 কোথায় কোথায় অভিযোগ জমা?

অভিযোগকারী হিসেবে এক বিজেপি কর্মী ইতিমধ্যেই লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন সিবিআই ও ইডির কাছে। এবার তিনি সরাসরি চিঠি পাঠিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার কাছে।

অভিযোগপত্রের সঙ্গে পাঠানো হয়েছে একাধিক তথ্য ও নথি। রাজনৈতিক মহলের মতে, এতদিনে বিষয়টি দলের ভেতরে সীমাবদ্ধ থাকলেও এবার তা সরাসরি দিল্লির টেবিলে পৌঁছনোয় ঘটনাটির গুরুত্ব বহুগুণ বেড়ে গেল।

⚡ গেরুয়া শিবিরে অস্বস্তি

রাজ্য বিজেপির একাংশ মনে করছে, এই অভিযোগের জল খুব শিগগিরই অনেক দূর গড়াতে চলেছে। একদিকে যেখানে রাজ্যজুড়ে সংগঠন মজবুত করার চেষ্টায় ব্যস্ত গেরুয়া শিবির, সেখানে দলেরই এক পরিচিত নেতার বিরুদ্ধে এ ধরনের দুর্নীতির অভিযোগ দলের ভাবমূর্তিতে বড় ধাক্কা দিতে পারে।

🗣️ রাজনৈতিক মহলের প্রতিক্রিয়া

প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দলগুলির নেতারা ইতিমধ্যেই বিষয়টিকে হাতিয়ার করতে শুরু করেছেন। তাঁদের দাবি, বিজেপি দুর্নীতিমুক্ত রাজনীতি করার নামে প্রচার চালালেও, বাস্তবে নিজেদের দলে দুর্নীতিগ্রস্ত নেতাদেরই জায়গা দিচ্ছে।

অন্যদিকে বিজেপির অন্দরে চাপা গুঞ্জন— এই ঘটনা যদি সত্যিই তদন্ত পর্যায়ে যায়, তবে একাধিক নেতার নাম উঠে আসতে পারে। আর তাতেই দলের অন্দরেই তৈরি হতে পারে ভূমিকম্প।



Featured post

Y বাংলা ব্যুরো: ভোটার তালিকা সংশোধনে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডে না নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা সংশোধন (SIR, ২০২৬) প্রক্রিয়ায় ম...

Search This Blog