Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Saturday, 20 September 2025

মমতাবালা ঠাকুরের হুঁশিয়ারি: নেপালের মতো পরিস্থিতি এড়াতে নিঃশর্ত নাগরিকত্ব জরুরি

মমতাবালা ঠাকুরের হুঁশিয়ারি: নেপালের মতো পরিস্থিতি এড়াতে নিঃশর্ত নাগরিকত্ব জরুরি

মমতাবালা ঠাকুরের হুঁশিয়ারি: নেপালের মতো পরিস্থিতি এড়াতে নিঃশর্ত নাগরিকত্ব জরুরি

ডিজিটাল ডেস্ক: হুগলির চুঁচুড়া রবীন্দ্রনগর কালীতলায় অনুষ্ঠিত এসআইআর ও সিএএ-র প্রতিবাদ সভায় রাজ্যসভা সাংসদ ও অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসংঘের সংঘাধিপতি মমতাবালা ঠাকুর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, যদি সরকার সঠিক পদক্ষেপ না নেয়, তবে নেপালের মতো পরিস্থিতি ভারতেও তৈরি হতে পারে।

মমতাবালা ঠাকুর প্রতিবাদ সভায়

ছবি: হুগলিতে এসআইআর ও সিএএ-র প্রতিবাদ সভায় মমতাবালা ঠাকুর।

নাগরিকত্বের দাবিতে কঠোর বক্তব্য

মমতাবালা ঠাকুর বলেন, “আইন পরিবর্তন করে নিঃশর্ত নাগরিকত্ব দিতে হবে। নেপালে কী হয়েছে দেখেছেন তো, চ্যালেঞ্জ করে বলছি তাহলে আগামিতে ভারতবর্ষেও সেটা হবে। মোদি-অমিত শাহ সেটা যেন জেনে রাখেন। আমরা সবরকমভাবে চেষ্টা করব বাধা দেওয়ার। একজনেরও নাগরিকত্ব বাতিল হলে আমরা তাঁদের পাশে থাকব।”

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বিজেপি-আরএসএসের বিরুদ্ধে অভিযোগ

তিনি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরকে একহাত নেন। বলেন, “কেন্দ্র সরকার একটার পর একটা আইন করে মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষকে গোলামে পরিণত করতে চাইছে। এতে সবথেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষ। মতুয়া আদর্শ বিজেপি-আরএসএসের সঙ্গে মেলে না। আইনের মাধ্যমে এরা ধ্বংস করতে চাইছে।”

বিভিন্ন বিধানসভায় প্রতিবাদ চলছে

মমতাবালা জানান, বিভিন্ন বিধানসভায় ইতিমধ্যেই প্রতিবাদ চলছে। তিনি আরও বলেন, “১৯ অক্টোবর বড়মার জন্মোৎসবে রাত বারোটার পর ঘোষণা করব, কলকাতার বুকে আমরা কবে বৃহত্তর আন্দোলনে নামব। প্রয়োজনে আমরা দিল্লি যাব।”

মতুয়ারা ধ্বংসালীর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করবে

তিনি অভিযোগ করেন, শান্তনু ঠাকুরকে সামনে রেখে আরএসএস-বিজেপি ধ্বংসালীর কাজ করছে। “এর জবাব মতুয়ারা দেবে,” বলেন মমতাবালা।

আপডেট তারিখ: 20 সেপ্টেম্বর 2025

SSC শিক্ষক নিয়োগে নতুন প্রার্থীদের আন্দোলন, অতিরিক্ত ১০ নম্বর বরাদ্দ নিয়ে বিতর্ক

SSC শিক্ষক নিয়োগে নতুন প্রার্থীদের আন্দোলন, অতিরিক্ত ১০ নম্বর বরাদ্দ নিয়ে বিতর্ক

SSC শিক্ষক নিয়োগে নতুন প্রার্থীদের আন্দোলন, অতিরিক্ত ১০ নম্বর বরাদ্দ নিয়ে বিতর্ক

পশ্চিমবঙ্গ: দীর্ঘ নয় বছর পর এসএসসি শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা গত ৭ ও ১৪ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হয়েছে। কিন্তু নতুন চাকরিপ্রার্থীরা কর্মরত ও চাকরিহারাদের জন্য অতিরিক্ত ১০ নম্বর বরাদ্দের প্রতিবাদে শুক্রবার আন্দোলনে নামে। তাদের অভিযোগ, এই নিয়মে নতুন পরীক্ষার্থীরা বঞ্চিত হবেন।

SSC শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা

ছবি: এসএসসি শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা। নতুন প্রার্থীরা আন্দোলনে বসেছেন অতিরিক্ত নম্বর বরাদ্দের বিরুদ্ধে।

নতুন প্রার্থীদের দাবি

নতুন প্রার্থীরা জানিয়েছেন, ইন্টারভিউয়ের আগেই যদি চাকরিহারাদের অতিরিক্ত ১০ নম্বর বরাদ্দ দেওয়া হয়, তাহলে শূন্যপদের সংখ্যা কমে যাবে এবং নতুনদের সুযোগ সীমিত হবে। তারা স্কুল সার্ভিস কমিশনের কাছে প্রায় এক লক্ষ অতিরিক্ত শূন্যপদ ঘোষণার দাবি তুলেছেন।

অবসরকালীন প্রার্থীদের জন্য শেষ সুযোগ

অনেক প্রার্থীর জন্য এটি ছিল শেষ সুযোগ। বয়সসীমার নিয়ম অনুযায়ী, এই বারই তারা পরীক্ষায় বসতে পারবেন। তাই নতুন প্রার্থীদের মধ্যে এই আন্দোলন তীব্র হয়েছে।

কমিশনের সঙ্গে বৈঠক

স্কুল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারপার্সন সিদ্ধার্থ মজুমদারের সঙ্গে সাতজন নতুন প্রার্থীর প্রতিনিধি বৈঠক করেন। আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, তারা পাঁচ দফা দাবি রেখেছেন, তবে চেয়ারপার্সন কোনো সদুত্তর দেননি।

আন্দোলনকারীদের বক্তব্য

আন্দোলনকারীদের মুখ, সন্দীপ কুণ্ডু বলেন, "ইন্টারভিউয়ের আগেই অতিরিক্ত ১০ নম্বর দেওয়া হলে শূন্যপদের সংখ্যা কমে যাবে। আদালত কমিশনকে এই বিষয়ে কোনও নির্দেশ দেয়নি।" তিনি আরও জানিয়েছেন, আগামী দিনে তারা নবান্ন এবং বিধানসভা অভিযানের পথেও হাঁটবেন।

SSC শিক্ষক আন্দোলন

ছবি: নতুন প্রার্থীরা আন্দোলনে বসেছেন। শূন্যপদ বৃদ্ধির দাবি তুলেছেন।

সরকার ও কমিশনের অবস্থান

স্কুলশিক্ষা দপ্তরের শীর্ষ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ২০২৫ সালের নতুন নিয়োগ বিধিতে কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গল ও ডিভিশন বেঞ্চ এবং সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সঞ্জয় কুমারের বেঞ্চ হস্তক্ষেপ করেননি। তাই এই আন্দোলন বড় ফল আনে না বলেই সরকারি বক্তব্য।

উপসংহার

দীর্ঘ নয় বছর পর অনুষ্ঠিত এসএসসি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় নতুন প্রার্থীদের আন্দোলন উঠেছে। মূলত কর্মরত ও চাকরিহারাদের অতিরিক্ত ১০ নম্বর বরাদ্দের কারণে নতুন প্রার্থীরা বঞ্চিত হবেন বলে তাদের অভিযোগ। আন্দোলনের মাধ্যমে নতুন প্রার্থীরা শূন্যপদ বৃদ্ধি ও ন্যায্য সুযোগ নিশ্চিত করার দাবি তুলেছেন।

আপডেট তারিখ: 20 সেপ্টেম্বর 2025

পুরুলিয়ায় কুড়মি সমাজের ‘রেল টেকা’ ও ‘ডহর ছেঁকা’ কর্মসূচির প্রভাব সীমিত; পুলিশ মোতায়েন

পুরুলিয়ায় কুড়মি সমাজের ‘রেল টেকা’ ও ‘ডহর ছেঁকা’ কর্মসূচির প্রভাব সীমিত; পুলিশ মোতায়েন

পুরুলিয়ায় কুড়মি সমাজের ‘রেল টেকা’ ও ‘ডহর ছেঁকা’ কর্মসূচির প্রভাব সীমিত; পুলিশ মোতায়েন

পুরুলিয়া: আদিবাসী কুড়মি সমাজের 'রেল টেকা' ও 'ডহর ছেঁকা' কর্মসূচি শুক্রবার থেকে শুরু হয়েছে। তবে জেলার বিভিন্ন স্টেশনে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। কুস্তাউর, ঝালদা, কোটশিলা, পুরুলিয়ার মতো স্টেশনে ট্রেন সঠিক সময় অনুযায়ী চলাচল করছে। পাশাপাশি সড়কপথে যানবাহনের চলাচলও স্বাভাবিক রয়েছে।

পুরুলিয়া স্টেশন পুলিশ মোতায়েন

ছবি: পুরুলিয়ার বিভিন্ন স্টেশনে পুলিশ ও আরপিএফ মোতায়েন

পুলিশ ও আরপিএফ মোতায়েন

বিভিন্ন স্টেশনে পুলিশ এবং রেল পুলিশের (আরপিএফ) বিশেষ টিম মোতায়েন করা হয়েছে। রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, একাধিক ট্রেন বাতিল এবং কিছু ট্রেন ঘুরপথে চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রশাসন জনজীবন স্বাভাবিক রাখার জন্য সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

অজিতপ্রসাদ মাহাতো আটক দাবি

আদিবাসী কুড়মি সমাজের মূল 'মানতা' অজিতপ্রসাদ মাহাতোকে শুক্রবার গভীর রাতে কোটশিলা এলাকা থেকে পুলিশ আটক করেছে বলে দাবি করেছেন তাঁর ছেলে বিশ্বজিৎ মাহাতো। তিনি বলেন, "আমার বাবা-সহ ১৪-১৫ জন কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। অন্য কর্মীরা সে কথা জানিয়েছেন।"

অন্যদিকে, পুলিশ এই দাবি অস্বীকার করেছে। পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, জেলার কোথাও কুড়মি সমাজের কর্মসূচির প্রভাব নেই এবং সর্বত্র জনজীবন স্বাভাবিক রয়েছে।

জনজীবন স্বাভাবিক

পুরুলিয়ার স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, রেল এবং সড়ক পরিবহণে কোনো বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটেনি। স্টেশনে পুলিশ এবং আরপিএফের উপস্থিতি থাকা সত্ত্বেও যাত্রীরা স্বাভাবিকভাবে যাতায়াত করছেন। ট্রেন যাত্রীদের জন্য বিশেষ সতর্কতা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

কর্মসূচির প্রভাব

অজিতপ্রসাদ মাহাতোর নেতৃত্বে শুরু হওয়া ‘রেল টেকা’ এবং ‘ডহর ছেঁকা’ কর্মসূচির প্রভাব সীমিত। স্থানীয়রা বলছেন, শুধুমাত্র কিছু অংশে ট্রেন বাতিল বা ঘুরপথে চালানোর ঘটনা ঘটেছে। অন্যান্য এলাকায় সাধারণ জনজীবন স্বাভাবিকভাবে চলছে।

পুরুলিয়া পুলিশের টহল

ছবি: পুলিশের টহল চলমান, যাতে জনজীবন স্বাভাবিক থাকে

অভিযান ও পর্যবেক্ষণ

পুলিশ জেলার গুরুত্বপূর্ণ স্টেশন এবং চৌকিতে নজরদারি চালাচ্ছে। প্রশাসনের লক্ষ্য, কর্মসূচি যেকোনো ধরনের অশান্তি সৃষ্টি করলে তা প্রতিহত করা। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পুলিশ ও আরপিএফের পদক্ষেপ জনজীবন স্বাভাবিক রাখতে কার্যকর ভূমিকা রেখেছে।

সামাজিক প্রভাব

এই কর্মসূচি শুরু হওয়ার পর বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে খবর এসেছে, তবে জনজীবনে বড় প্রভাব পড়েনি। স্থানীয় বাসিন্দারা এবং যাত্রীরা স্বাভাবিক জীবন যাপন করছেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, স্থানীয় জনজীবন যাতে বাধাগ্রস্ত না হয়, সেই দিকটি প্রশাসন সফলভাবে নিয়ন্ত্রণ করছে।

উপসংহার

পুরুলিয়ায় কুড়মি সমাজের ‘রেল টেকা’ ও ‘ডহর ছেঁকা’ কর্মসূচির প্রভাব সীমিত। ট্রেন চলাচল, সড়কপথে যানবাহন এবং সাধারণ জনজীবন স্বাভাবিক রয়েছে। পুলিশ ও আরপিএফের মোতায়েন কার্যকরভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখেছে। অজিতপ্রসাদ মাহাতোকে আটক করার দাবি থাকলেও পুলিশ এটি অস্বীকার করেছে।

আপডেট তারিখ: 20 সেপ্টেম্বর 2025

আমেদাবাদে স্কুল পড়ুয়াদের ব্যাগে মদ, কন্ডোম, পর্নোগ্রাফি; উদ্বেগে অভিভাবকরা

আমেদাবাদে স্কুল পড়ুয়াদের ব্যাগে মদ, কন্ডোম, পর্নোগ্রাফি; উদ্বেগে অভিভাবকরা

আমেদাবাদের স্কুল পড়ুয়াদের ব্যাগে মদ, কন্ডোম, পর্নোগ্রাফি: অভিভাবকরা বিভ্রান্ত

আমেদাবাদ: সম্প্রতি গুজরাটের এক বেসরকারি স্কুলে ছোট ক্লাসের ছাত্রের ছুরিকাঘাতের ফলে দশম শ্রেণির ছাত্রের মৃত্যু ঘটেছে। এই ঘটনায় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এবং স্থানীয় প্রশাসন সতর্ক হয়ে পড়েছে। ছাত্রদের নিরাপত্তা এবং বিদ্যালয় পরিবেশ ঠিক রাখার জন্য রাজ্যের বহু স্কুলে পড়ুয়াদের ব্যাগ পরীক্ষা চালানো হচ্ছে।

স্কুল পড়ুয়াদের ব্যাগ পরীক্ষা

ছবি: স্কুল পড়ুয়াদের ব্যাগ পরীক্ষা চলাকালীন দৃশ্য

ব্যাগে পাওয়া সামগ্রী

শিক্ষার্থীদের ব্যাগে বই ও টিফিনের পাশাপাশি বিভিন্ন অশ্লীল ও বিপজ্জনক সামগ্রী পাওয়া গেছে। স্কুল ও প্রশাসনের সূত্রে জানা গেছে, যে সামগ্রীগুলো পাওয়া গেছে তা হলো:

  • মোবাইল ফোন ও ভেপ ডিভাইস
  • সিগারেট এবং অ্যালকোহল
  • ছুরি, কাঁচি ও অন্যান্য ধারালো বস্তু
  • গর্ভনিরোধক বড়ি এবং কন্ডোম
  • পর্নোগ্রাফিক বই ও ম্যাগাজিন
  • হোয়াইটনার, লিপস্টিক, কাজল ও অন্যান্য প্রসাধনী
  • দামি গয়না ও নগদ অর্থ

অভিভাবকদের প্রতিক্রিয়া

এই ঘটনার পর অভিভাবকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ মনে করছেন, এটি “বড় হওয়ার প্রক্রিয়ার অংশ”, আর কেউ বলছেন যে শিশুরা কোনো কথাই শোনে না। স্কুল প্রশাসন জানাচ্ছে, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এই ধরনের পদক্ষেপ অত্যন্ত জরুরি।

স্কুল প্রশাসনের পদক্ষেপ

স্কুল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ব্যাগ পরীক্ষা এখন নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ। অভিভাবকদের সঙ্গে আলোচনা করে শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সচেতনতা কর্মসূচি গ্রহণ করা হচ্ছে। এছাড়া, মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ এবং কাউন্সেলরের সাহায্যে শিক্ষার্থীদের সঠিক পথে পরিচালনা করার চেষ্টা চলছে।

বিশেষজ্ঞদের মতামত

শিক্ষা ও মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আধুনিক সমাজে শিশুদের হাতে মোবাইল এবং অন্যান্য প্রযুক্তি সহজলভ্য হওয়ায় এই ধরনের বিষয়গুলো স্বাভাবিকভাবেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে অভিভাবক এবং শিক্ষকরা সক্রিয়ভাবে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করলে এই ঝুঁকি কমানো সম্ভব।

শিশুরা যাতে নিরাপদ পরিবেশে শিক্ষালাভ করতে পারে তা নিশ্চিত করতে শুধুমাত্র ব্যাগ পরীক্ষা নয়, সচেতনতা সভা এবং মানসিক স্বাস্থ্য সমর্থন কর্মসূচি অপরিহার্য।

সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি

বর্তমান সমাজে অভিভাবকরা দ্বিধাগ্রস্ত। কেউ মনে করেন, শিশুদের এই ধরণের আচরণ বড় হওয়ার প্রক্রিয়ার স্বাভাবিক অংশ, কেউ মনে করেন, স্কুলে শৃঙ্খলা বজায় রাখা জরুরি। স্কুল প্রশাসন জানিয়েছে, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও সামাজিক শিক্ষার মধ্যে সঠিক ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে।

অভিভাবক ও স্কুল কর্মকর্তাদের বৈঠক

ছবি: অভিভাবক ও স্কুল কর্মকর্তাদের আলোচনায় দৃশ্য

প্রশাসনের পরামর্শ

গুজরাটের শিক্ষা দফতর অভিভাবক ও স্কুলকে পরামর্শ দিয়েছে, শিশুর আচরণ পর্যবেক্ষণ করতে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে। এছাড়া, ছাত্রদের মানসিক সুস্থতা, নিরাপত্তা এবং সামাজিক শিক্ষার দিকে মনোযোগ দেওয়ার জন্য নিয়মিত কর্মসূচি গ্রহণ করতে বলা হয়েছে।

প্রশাসন মনে করিয়ে দিচ্ছে, শিক্ষার্থীদের ব্যাগে শুধুমাত্র বই, টিফিন এবং প্রয়োজনীয় স্কুল সামগ্রী রাখাই উচিত। অন্যান্য বিপজ্জনক এবং অশ্লীল সামগ্রী বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা ও শিক্ষার্থীর নিরাপত্তার জন্য হানিকর।

উপসংহার

আমেদাবাদের এই ঘটনায় স্পষ্ট হয়ে গেছে যে, শুধুমাত্র শিক্ষার্থীদের নিয়ন্ত্রণে রাখা যথেষ্ট নয়; তাদের মানসিক স্বাস্থ্য ও সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য অভিভাবক, শিক্ষক ও প্রশাসনকে মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। সঠিক গাইডলাইন, নিয়মিত পর্যবেক্ষণ এবং শিক্ষার্থীদের সাথে খোলামেলা আলোচনা এই সমস্যা মোকাবেলায় সহায়ক হতে পারে।

বর্তমান সময়ে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা, মানসিক স্বাস্থ্য এবং সামাজিক শিক্ষার ওপর সমানভাবে গুরুত্ব দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। শুধুমাত্র ব্যাগ পরীক্ষা নয়, সচেতনতা বৃদ্ধি, শিক্ষার্থীর মানসিক স্বাস্থ্য সমর্থন এবং অভিভাবকের ভূমিকা অপরিহার্য।

আপডেট তারিখ: 20 সেপ্টেম্বর 2025

নির্বাচন কমিশন বাতিল করল ৪৭৪টি নিষ্ক্রিয় রাজনৈতিক দল |

নির্বাচন কমিশন বাতিল করল ৪৭৪টি নিষ্ক্রিয় রাজনৈতিক দল | Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো

নির্বাচন কমিশন বাতিল করল ৪৭৪টি নিষ্ক্রিয় রাজনৈতিক দল

🗓️ আপডেট: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

নির্বাচন কমিশন বাতিল রাজনৈতিক দল 📸 নির্বাচন কমিশনের রেজিস্টার্ড দলগুলির নথিপত্র যাচাইয়ের ছবি

Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো: নির্বাচন কমিশন (ECI) সম্প্রতি সারা দেশে ৪৭৪টি নিবন্ধিত অস্বীকৃত রাজনৈতিক দল (RUPP) বাতিল করেছে। এই পদক্ষেপ স্বচ্ছতা এবং দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের ১২টি দলও অন্তর্ভুক্ত।

পশ্চিমবঙ্গের উল্লেখযোগ্য দলসমূহ

পশ্চিমবঙ্গ থেকে বাতিল হওয়া দলগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল গোর্খা ন্যাশনাল লিবারেশন ফ্রন্ট (GNLF), যা একসময় পাহাড়ের আন্দোলনে সক্রিয় ছিল। এছাড়াও বাতিল হয়েছে আম্বেদকরবাদী পার্টি এবং গ্লোবাল পিপল পিস পার্টি-এর মতো কিছু কম পরিচিত বা দীর্ঘদিন ধরে নিষ্ক্রিয় দল।

অন্যান্য বাতিল দলসমূহ

এই তালিকায় আরও রয়েছে কামতাপুর প্রগতিশীল পার্টি, মাই হি ভারত, ন্যাশনাল কনফেডারেসি অফ ইন্ডিয়া, ন্যাশনালিস্ট তৃণমূল কংগ্রেস পার্টি। পার্বত্য প্রজাবতান্ত্রিক পার্টি, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য মুসলিম লীগ এবং রাইট পার্টি অফ ইন্ডিয়াও বাতিল হয়েছে। আশ্চর্যজনক নামের জন্য পরিচিত 'রিলিজিয়ন অফ ম্যান রিভলভিং পলিটিক্যাল পার্টি অফ ইন্ডিয়া' নামক একটি অস্পষ্ট সংস্থাও বাতিল হয়েছে।

প্রচারণার মূল উদ্দেশ্য

দেশব্যাপী এই পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য হল নিষ্ক্রিয় বা নিয়ম ভঙ্গকারী রাজনৈতিক দলগুলিকে চিহ্নিত করা, যারা কোনও নির্বাচনী কার্যকলাপে অংশ না নিয়েও আইনি সুবিধা ভোগ করে চলেছে। নির্বাচন কমিশন নিশ্চিত করতে চায় যে শুধুমাত্র সক্রিয় দলগুলোই রেজিস্টার্ড থাকুক এবং রাষ্ট্রীয় সুবিধা উপভোগ করুক।

আইনি প্রেক্ষাপট

জনপ্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৫১-এর ধারা ২৯এ অনুযায়ী, রেজিস্টার্ড রাজনৈতিক দলগুলি সংরক্ষিত প্রতীক, করছাড় ও অন্যান্য সুবিধা পায়। তবে নির্দেশিকা অনুযায়ী, যে দলগুলি টানা ছয় বছর নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে না, তাদের রেজিস্ট্রেশন বাতিল করা হতে পারে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

অসমে জুবিন গর্গের শেষকৃত্য: মুখ্যমন্ত্রী হিমন্তবিশ্ব শর্মার উদ্বেগ

অসমে জুবিন গর্গের শেষকৃত্য: মুখ্যমন্ত্রী হিমন্তবিশ্ব শর্মার উদ্বেগ | Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো

অসমে জুবিন গর্গের শেষকৃত্য: মুখ্যমন্ত্রী হিমন্তবিশ্ব শর্মার উদ্বেগ

🗓️ আপডেট: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

জুবিন গর্গের শেষকৃত্য 📸 মুখ্যমন্ত্রী হিমন্তবিশ্ব শর্মা জুবিন গর্গের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করছেন

Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো: অসমে প্রিয় গায়ক জুবিন গর্গের মৃত্যুতে রাজ্যজুড়ে শোকের আবহ তৈরি হয়েছে। শুক্রবার রাতে মুখ্যমন্ত্রী হিমন্তবিশ্ব শর্মা জুবিন গর্গের বাসভবনে হাজির হয়ে পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দেন। তিনি জানান, সিঙ্গাপুর থেকে শিল্পীর মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া জোরকদমে চলছে।

মরদেহ আসার প্রস্তুতি

মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী, শনিবার বিকেলে জুবিন গর্গের মরদেহ অসমে পৌঁছাবে। এরপর মরদেহ সরুসজাইতে রাখা হবে, যেখানে সাধারণ মানুষ প্রিয় শিল্পীকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে পারবেন।

রাষ্ট্রীয় মর্যাদা

অসম সরকার জুবিন গর্গকে যথাযোগ্য রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শ্রদ্ধা জানানোর ব্যবস্থা করেছে। পুরো রাজ্য শোকের আবহে রয়েছে। সরকার ও শিল্পী পরিবার মিলিয়ে এই শেষকৃত্য অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হচ্ছে।

জনসাধারণের প্রতি আহ্বান

সাধারণ মানুষদেরও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে সরুসজাইতে এসে শিল্পীকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে। সামাজিক মাধ্যমেও হাজার হাজার ভক্ত শোকপ্রকাশ করেছেন।

শিল্পীর জীবনের সংক্ষিপ্ত আলোচনা

জুবিন গর্গের সঙ্গীতজীবন শুরু হয়েছিল খুব ছোটবেলায়। মায়ের কাছ থেকেই প্রথম গান শেখা। ১৯৯২ সালে পেশাদারীভাবে গান শুরু করেন। 'ইয়া আলি', 'মন মানে না', 'পিয়া রে' তাঁর জনপ্রিয় গান। তিনি বাংলা ও হিন্দি সিনেমায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।

ভক্ত ও শিল্পী পরিবারের প্রতিক্রিয়া

পরিবার ও ভক্তরা এই আকস্মিক মৃত্যুকে মেনে নিতে পারছেন না। শিল্পী পরিবারের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানানো হয়েছে সকলকে যারা শোকের সময় সমবেদনা প্রকাশ করেছেন।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

বাংলাদেশে পরিচয় লুকিয়ে মহড়া মার্কিন সেনার

বাংলাদেশে পরিচয় লুকিয়ে মহড়া মার্কিন সেনার | Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো

বাংলাদেশে পরিচয় লুকিয়ে মহড়া মার্কিন সেনার

🗓️ আপডেট: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশে মার্কিন সেনাদের মহড়া 📸 বাংলাদেশে মার্কিন সেনাদের গোপন মহড়া ঘিরে বিতর্ক

Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো: বাংলাদেশে হঠাৎ করেই আলোড়ন তৈরি করেছে মার্কিন সেনাদের গোপন মহড়া। চট্টগ্রামে প্রায় ১২০ জন মার্কিন সেনা এসেছিলেন বলে সূত্রের খবর। স্থলবাহিনী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিমান বাহিনীর আধিকারিকরা। কিন্তু সবচেয়ে বড় প্রশ্ন— কেন তাঁদের পরিচয় গোপন রাখা হল?

রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য

এই ঘটনায় বাংলাদেশি রাজনীতিতে তীব্র জল্পনা শুরু হয়েছে। বিরোধী দলের দাবি, সরকার আমেরিকার সঙ্গে কোনও গোপন সামরিক চুক্তি করেছে, যা জনসমক্ষে আনা হয়নি। অপরদিকে, সরকারি মহল এখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

মহড়ার পেছনে সম্ভাব্য কারণ

বিশ্লেষকদের মতে, দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি আগ্রহই এই মহড়ার কারণ হতে পারে। ভারত মহাসাগর এবং বঙ্গোপসাগর অঞ্চলে কৌশলগত দখল বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরেই কাজ করছে। বাংলাদেশও হয়তো এই কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠছে।

সেনাদের পরিচয় কেন গোপন?

সবচেয়ে বিতর্কিত বিষয় হল সেনাদের পরিচয় গোপন রাখা। সাধারণত কোনও যৌথ মহড়ায় আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি থাকে। কিন্তু এবার সেই নিয়ম মানা হয়নি। এ থেকেই জল্পনা আরও বাড়ছে যে, এর পেছনে কোনও রাজনৈতিক গোপন ছক লুকিয়ে আছে কি না।

বিরোধী দলের প্রতিক্রিয়া

বিরোধী দলগুলি অভিযোগ তুলেছে, বাংলাদেশকে "মিলিটারি এক্সপেরিমেন্ট জোন" বানাতে চাইছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তাঁদের দাবি, জনগণের সঙ্গে আলোচনা না করে এভাবে বিদেশি সেনাদের আনা সংবিধানবিরোধী।

আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া

ভারত, চীন এবং রাশিয়া— এই তিন দেশই দক্ষিণ এশিয়ার সামরিক ও রাজনৈতিক ভারসাম্যের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। বিশ্লেষকরা বলছেন, বাংলাদেশে মার্কিন সেনাদের উপস্থিতি এই দেশগুলির সঙ্গে সম্পর্কের সমীকরণে বড় পরিবর্তন আনতে পারে।

বাংলাদেশি নাগরিকদের মধ্যে উদ্বেগ

চট্টগ্রাম ও আশপাশের এলাকায় মার্কিন সেনাদের উপস্থিতি সাধারণ মানুষও লক্ষ্য করেছেন। অনেকেই সামাজিক মাধ্যমে প্রশ্ন তুলেছেন, তাঁদের দেশে বিদেশি সেনা কীভাবে গোপনে প্রবেশ করল? জনগণের নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন অনেকে।

সরকারের নীরবতা

সরকারি মহল থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও স্পষ্ট প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তরফে কেবল জানানো হয়েছে, এটি একটি "সাধারণ সামরিক অনুশীলন"। কিন্তু এর বেশি বিস্তারিত তথ্য গোপন রাখা হয়েছে।

উপসংহার

বাংলাদেশে মার্কিন সেনাদের এই হঠাৎ আগমন ও পরিচয় গোপন রেখে মহড়া চালানো নিঃসন্দেহে একটি বড় প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। রাজনৈতিক ও আন্তর্জাতিক মহলে এর প্রভাব আগামী দিনে স্পষ্ট হবে। আপাতত দেশজুড়ে এই বিষয়েই চলছে সবচেয়ে বেশি আলোচনা।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

গুয়াহাটির বিশ্ববিদ্যালয়ে ত্রিপুরার ছাত্রীর ধর্ষণ, গ্রেফতার ৫ পড়ুয়া

গুয়াহাটির বিশ্ববিদ্যালয়ে ত্রিপুরার ছাত্রীর ধর্ষণ, গ্রেফতার ৫ পড়ুয়া | Y বাংলা ডিজিটাল

গুয়াহাটির বিশ্ববিদ্যালয়ে ত্রিপুরার ছাত্রীর ধর্ষণ, গ্রেফতার ৫ পড়ুয়া

🗓 আপডেট: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
গুয়াহাটির বিশ্ববিদ্যালয় ধর্ষণ কাণ্ড
গুয়াহাটির বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে নৃশংস কাণ্ড, গ্রেফতার ৫ পড়ুয়া

Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো: গুয়াহাটির একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে নৃশংস ঘটনার অভিযোগ উঠেছে। ত্রিপুরার এক ছাত্রীকে যৌন নিগ্রহের অভিযোগে পাঁচ পড়ুয়াকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছে দু'জন নাবালক। ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

কীভাবে ঘটল এই ভয়াবহ ঘটনা?

পুলিশ সূত্রে খবর, ১৩ সেপ্টেম্বর রাতে ছাত্রছাত্রীদের একটি পার্টির আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে ভুক্তভোগী ছাত্রীকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়। অভিযোগ, তাঁকে একটি অজ্ঞাত ওষুধ খাইয়ে অজ্ঞান করে দেওয়া হয়। পর দিন সকালে ঘুম ভাঙতেই তিনি লক্ষ্য করেন, তাঁর পাশে এক জন সহপাঠী শুয়ে রয়েছে। পরে তিনি বুঝতে পারেন, তাঁকে ধর্ষণ করা হয়েছে।

পুলিশি পদক্ষেপ

অভিযোগের ভিত্তিতে দ্রুত তদন্তে নামে পুলিশ। বুধবার এক নাবালককে এবং বৃহস্পতিবার আরও এক নাবালককে আটক করা হয়। দুই নাবালককে জুভেনাইল জাস্টিস বোর্ড-এ হাজির করানো হয়েছে। অন্যদিকে বাকি তিন জন পড়ুয়াকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। তদন্তকারী কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রাথমিক প্রমাণের ভিত্তিতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা

অভিযুক্ত পাঁচ পড়ুয়াকেই সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এ ধরনের অপরাধ কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। অভিযুক্তরা দোষী প্রমাণিত হলে কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে।

রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া

তিপ্রা মথা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা প্রদ্যোত কিশোর দেববর্মা সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছেন, তাঁর দল ভুক্তভোগীর পাশে রয়েছে এবং তাঁকে ন্যায়বিচার পেতে সাহায্য করবে। তিনি লিখেছেন, আমরা এই ঘটনার বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাব। কোনও অপরাধীই ছাড় পাবে না।

সমাজে উদ্বেগ

ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই শিক্ষার্থী ও অভিভাবক মহলে চরম ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। ছাত্র-ছাত্রীদের একাংশ বলছেন, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা আরও বাড়ানো প্রয়োজন। বিশেষ করে মেয়েদের সুরক্ষার জন্য কঠোর নিয়ম চালু করা জরুরি।

নারী সুরক্ষায় প্রশ্নচিহ্ন

গুয়াহাটি, অসম এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে পড়াশোনা করতে আসা ছাত্রীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, শিক্ষাঙ্গনে যৌন হয়রানি বা নিগ্রহ রোধে আরও কঠোর আইন প্রয়োগ ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি চালানো প্রয়োজন।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

হঠাৎই প্রিয় গানকার চলে গেলেন ইয়া আলি... জুবিন গর্গ — निधन প্রতিবেদনে সব তথ্য

হঠাৎই প্রিয় গানকার চলে গেলেন ইয়া আলি... জুবিন গর্গ — निधन প্রতিবেদনে সব তথ্য

আচমকাই প্রিয় গায়ক ইয়া আলি... জুবিন গর্গের অকাল মৃত্যু

By Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো
জুবিন গর্গ
ফাইল ছবি: গায়ক জুবিন গর্গ (ফটোগ্রাফি—সংগ্রহ)।

আচমকাই গোটা দেশের সঙ্গীতপ্রেমী মানুষ চমকে গেলেন এক মৃত্যুর খবরে: প্রিয় গানকার ইয়া আলি—জুবিন গর্গ অকালেই আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন।

প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, সিঙ্গাপুরে সমুদ্রস্নান/স্কুবা ডাইভিং সংক্রান্ত একটি ঘটনায় জুবিন অচেতন হয়ে পড়েন। তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও শেষরক্ষা করা যায়নি।

স্ত্রীর বয়ান ও ঘটনাক্রম:

জুবিনের স্ত্রী, ফ্যাশন ডিজাইনার গরিমা এক সংবাদমাধ্যমকে বলেন, "রবিবারই সিঙ্গাপুর থেকে ফেরার কথা ছিল জুবিনের। কিন্তু তা আর হল না। ওকে হারালাম।" তিনি আরও জানিয়েছেন, স্কুবা করার সময়ই মৃত্যু হয়নি—ঘটনার সময় জুবিনের সঙ্গে আরও দুজন ছিলেন: সিদ্ধার্থ ও শেখর।

তারা তিনজন একসঙ্গে স্কুবা করে দ্বীপে ফেরে; পরে জুবিন আবার সমুদ্রের জলে সাঁতার কাটতে বের হন। সমুদ্রের জলে অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায় তাঁকে; বন্ধু-বান্ধবরা তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে জানা যায়, বহু বছর ধরেই জুবিন মৃগীর (Epilepsy) সমস্যায় ভুগছিলেন এবং সেই সময় মৃগীরকে ইঙ্গিত করা একটি আক্রমণ দেখা দিয়েছিল।

মেঘালয়ের তুরায় জন্ম জুবিনের। মাত্র তিন বছর বয়স থেকেই তিনি সঙ্গীতের প্রশিক্ষণ শুরু করেন; মায়ের কাছেই তাঁর প্রথম গান শেখা। ১৯৯২ সালে পেশাগতভাবে গান শুরু করেন তিনি।

অহমিয়া সিনেমার সহ আরও বাংলা ছবিতে বহু গান গেয়েছেন জুবিন। সঙ্গীত পরিচালনা জিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে কাজ করে 'মন মানে না', 'পিয়া রে'–এর মতো গান জনপ্রিয়তা পায়। বলিউডেও প্রীতমের সঙ্গে কাজ করে 'গ্যাংস্টার' ছবির 'ইয়া আলি' গান দেশের মানুষের কাছে ভালভাবে পৌঁছে যায়।

জীবনের বিভিন্ন সময়ে তিনি বিতর্ক ও ব্যক্তিগত সংগ্রামে জড়িয়েছেন—কখনও কখনও মঞ্চে নেশার প্রভাব দেখা গেছে; তবু শিল্পী হিসেবে তাঁর উপস্থিতি ও গান বহু শ্রোতাকে স্পর্শ করেছে।

এই খবরটি আপডেট হবে—যদি আরও চিকিৎসা সংক্রান্ত বা পুলিশি বিবরণ পাওয়া যায়। (আপডেটের জন্য আমাদের ফলো করুন।)

বারাসতের পকসো আদালতের রায়: রামকৃষ্ণ সারদা সেবাশ্রমের প্রধান স্বামী সত‍্যরূপানন্দের পাঁচ বছরের কারাদণ্ড

বারাসতের পকসো আদালতের রায়: রামকৃষ্ণ সারদা সেবাশ্রমের প্রধান স্বামী সত‍্যরূপানন্দের পাঁচ বছরের কারাদণ্ড

বারাসতের পকসো আদালতের রায়: রামকৃষ্ণ সারদা সেবাশ্রমের প্রধান স্বামী সত‍্যরূপানন্দের পাঁচ বছরের কারাদণ্ড

📅 আপডেট: 19 সেপ্টেম্বর, 2025

বারাসত পকসো আদালত

বারাসতের বিশেষ পকসো আদালতে রায় ঘোষণা (প্রতীকী ছবি)

Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো: উত্তর 24 পরগনার বারাসতে এক ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করল বিশেষ পকসো আদালত। নাবালিকা যৌন নিগ্রহের মামলায় অভিযুক্ত রামকৃষ্ণ সারদা সেবাশ্রমের গোবরডাঙার প্রধান স্বামী সত‍্যরূপানন্দকে আদালত পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিল। সেই সঙ্গে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে, অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে অভিযুক্তকে।

ঘটনার সূত্রপাত

২০২২ সালে গোবরডাঙার রামকৃষ্ণ সারদা সেবাশ্রমে এই যৌন নিগ্রহের ঘটনা ঘটে। অভিযোগ ওঠে, আশ্রমে থাকা এক নাবালিকা আশ্রমিককে দীর্ঘদিন ধরে যৌন নিগ্রহ করছিলেন স্বামী সত‍্যরূপানন্দ। বিভিন্ন সময়ে একই ধরনের অভিযোগ ওঠার পর অবশেষে অগস্ট ২০২২-এ স্থানীয় থানায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের হয়।

পুলিশি তদন্ত ও গ্রেফতার

অভিযোগের ভিত্তিতে দ্রুত তদন্ত শুরু করে গোবরডাঙা থানার পুলিশ। প্রমাণ সংগ্রহের পর অভিযুক্ত স্বামী সত‍্যরূপানন্দকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ তাঁর বিরুদ্ধে পকসো আইনের ১০ নম্বর ধারা ও জুভেনাইল জাস্টিস অ্যাক্টে মামলা রুজু করে। তদন্ত চলাকালীন পুলিশ যথেষ্ট প্রমাণ আদালতের সামনে হাজির করে।

আদালতের কার্যক্রম

তিন বছর ধরে এই মামলার বিচার প্রক্রিয়া চলে বারাসতের বিশেষ পকসো আদালতে। মোট ১৩ জন সাক্ষী আদালতের সামনে সাক্ষ্য দেন। তাদের জবানবন্দি ও প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। অবশেষে শুক্রবার বিচারক সাজা ঘোষণা করেন।

আইনজীবীর বক্তব্য

সরকারি আইনজীবী দেবরঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “২০২২ সালে যখন গোটা দেশ কোভিড পরিস্থিতি সামলাচ্ছিল, তখনও এই জঘন্য কাজটি করেছিলেন স্বামী সত‍্যরূপানন্দ। পুলিশের সক্রিয়তা, বাদী-বিবাদী সকলের সহযোগিতায় দ্রুত মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে।” তিনি আরও জানান, দোষীকে যথাযথ সাজা দেওয়া হয়েছে এবং এই রায় ভবিষ্যতের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ নজির তৈরি করবে।

প্রশাসনের ভূমিকা

বারাসত জেলা পুলিশের মনিটরিং টিমও এই মামলার অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে নজরদারি আরও জোরদার করা হবে।

সামাজিক প্রতিক্রিয়া

আশ্রম ও এলাকার বাসিন্দাদের একাংশ জানিয়েছে, এই ঘটনার পর তাঁদের মধ্যে প্রবল আঘাত ও ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। শিশুদের নিরাপত্তা ও আশ্রম জীবনের প্রতি আস্থা ফিরিয়ে আনতে প্রশাসন ও সমাজকে যৌথভাবে উদ্যোগ নিতে হবে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

Featured post

  সোমবার নদিয়া জেলায় আলাদা দুই এলাকায় মৃত্যুর অভিযোগ ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য। পরিবারের দাবি, SIR সংক্রান্ত আতঙ্ক ও জটিলতার কারণেই প্রাণ হারিয়েছে...

Search This Blog