Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Saturday, 11 October 2025

সুজিত নিয়ে সেলিমের বড় দাবি: রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতায় কেন্দ্রীয় এজেন্সির ব্যবহার

সুজিত নিয়ে সেলিমের বড় দাবি: রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতায় কেন্দ্রীয় এজেন্সির ব্যবহার

সুজিত নিয়ে সেলিমের বড় দাবি: কেন্দ্রীয় এজেন্সি 'রাজনৈতিক হাতিয়ার' হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে

সুজিত বসুর অফিসে ইডির হানা

সুজিত বসুর অফিসে পরিচালক অধিদপ্তরের (ইডি) হানা — রাজ্য রাজনীতিতে নতুন তীব্র বিতর্ক। (ছবি: প্রতিনিধি)

পরবর্তী দিনের রাজ্য রাজনীতিতে উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে যখন সঞ্জিত বসু নয়, সুজিত বসু—কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার অভিযানকে কেন্দ্র করে সিলমনের বক্তব্য ঘিরে হৈচৈ শুরু হয়েছে। গতকাল রাতেই সুজিত বসুর অফিসে হানা দেয় ইডি; ঘটনাটি রাজনীতিক মহলে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার পরেই তৃণমূলের এক মন্ত্রী তা কেন্দ্রীয় সরকারের রাজনৈতিক চাপ হিসেবে ব্যাখ্যা করেন।

মহম্মদ সেলিমের বক্তব্য:
"এসব পুরোটাই বিজেপি–তৃণমূলের ভেতরের খেলা। দেওয়া–নেওয়া চলে। ভোট এসেছে এবার বিজেপি লোক পাঠাচ্ছে। ভয় দেখানো চালু হয়ে গেল। এতে ভয় পেয়ে কিছু নেতামন্ত্রী ওদের ত্যাগ করে বিজেপিতে চলে গেল—পরে তৃণমূল বলবে 'তাড়িয়ে ময়লা সাফ করেছি', আবার ভোট মিটলে ফিরে আসবে।"

সেলিম বলেন, সবকিছু রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিচার করা হলে দেখা যাবে—কোন কোনো সময়েই কেন্দ্রীয় এজেন্সির ব্যবহার সেই রাজনৈতিক লক্ষ্য সামলাতে বড় হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। তিনি আরো দাবি করেন, সাধারণ মানুষকে ভয়ের মাধ্যমে দলীয় ও মানবসম্পদ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে।

তিনি বলেন, "নির্বাচন জাতীয় প্রতিযোগিতা জোরদার করেছে, আর এই পরিস্থিতিতে দলগুলো নানা কূটকৌশল অবলম্বন করছে। এতে করে রাজ্য রাজনীতিতে আস্থা কমছে ও রাজনৈতিক সহিংসতাও বাড়ছে।"

রাজনৈতিক প্রভাব ও সম্ভাব্য পরিণতি

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এমন অভিযানের রাজনৈতিক ফলাফল দ্রুত ভেসে ওঠে—দলের অভ্যন্তরীণ ভাঙন, নেতা পর্যায়ের পরিবর্তন এবং জনগণের মধ্যে সন্দেহ-শঙ্কা তৈরির মতো প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। তৃণমূলের বরাবরের মাদড়ভিত্তিক কৌশল এখন পরীক্ষা হতে পারে, এবং কেন্দ্রীয়–রাজ্য সম্পর্ক নতুনভাবে ফাটল ধরতে পারে।

ইডি অভিযান ও সেলিমের অভিযোগ নিয়ে রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে সামাজিক মিডিয়ায় নানামুখী আলোচনা দেখা গেছে। একাংশ মনে করছেন তদন্ত সংস্থাগুলোকে রাজনৈতিক থেকে আলাদা রাখাই দীর্ঘমেয়াদে গণতন্ত্রের বিকাশের জন্য জরুরি।

হ্যাশট্যাগ: #সুজিতবসু #মহম্মদসেলিম #ইডিহানা #রাজনীতি #Yবাংলা

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষণা: চিনা পণ্যের উপর ১০০% শুল্ক, উত্তেজনা চরমে

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষণা: চিনা পণ্যের উপর ১০০% শুল্ক, উত্তেজনা চরমে<div class="separator" style="clear: both;"><a href="https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEiLi93gGSizaC1H6qpkFKcKpSBPeHVhhoEM199zFPBUqHR_-toyyMsPbeGWm4RTKVdmebb2QSQ9HspA8nNG4gjcW0-09LlzWKWUl3uOkvSzv-tkPqDt_Pm4pjEqJjcB9_OD9bl4CooTJs6m1tmpWQg1PGg7Au8Jac9D282kke_aoG4MJ6ggOMAU24NBcQ/s1350/1001081709.png" style="display: block; padding: 1em 0; text-align: center; "><img alt="" border="0" height="320" data-original-height="1350" data-original-width="1080" src="https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEiLi93gGSizaC1H6qpkFKcKpSBPeHVhhoEM199zFPBUqHR_-toyyMsPbeGWm4RTKVdmebb2QSQ9HspA8nNG4gjcW0-09LlzWKWUl3uOkvSzv-tkPqDt_Pm4pjEqJjcB9_OD9bl4CooTJs6m1tmpWQg1PGg7Au8Jac9D282kke_aoG4MJ6ggOMAU24NBcQ/s320/1001081709.png"/></a></div>

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষণা: চিনা পণ্যের উপর ১০০% শুল্ক, উত্তেজনা চরমে

প্রকাশিত: ১১ অক্টোবর ২০২৫ | সর্বশেষ আপডেট: ১১ অক্টোবর ২০২৫

US China Trade War

চিনা পণ্যের উপর নতুন শুল্ক আরোপে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বেইজিং। (ছবি: রয়টার্স)

Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চিনের চলমান বাণিজ্য যুদ্ধ আরও তীব্র আকার ধারণ করল। মার্কিন রাষ্ট্রপতি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছেন, আগামী ১ নভেম্বর ২০২৫ থেকে চিনা পণ্যের উপর ১০০% অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করা হবে। এটি এখন পর্যন্ত মার্কিন ইতিহাসে চিনা আমদানির উপর সবচেয়ে কঠোর শুল্ক নীতি বলে মনে করা হচ্ছে।

রাষ্ট্রপতির বক্তব্য: “চিনের আগ্রাসী বাণিজ্যনীতি, অনৈতিক বাণিজ্য চর্চা এবং আমেরিকান শ্রমিকদের ক্ষতির দায় তাদেরকেই নিতে হবে। আমেরিকা আর পিছিয়ে থাকবে না। আমরা আমাদের বাজার, কর্মসংস্থান ও প্রযুক্তিকে রক্ষা করব।”

বাণিজ্য যুদ্ধের প্রেক্ষাপট

২০১৮ সালে তৎকালীন প্রশাসনের সময় শুরু হওয়া মার্কিন-চিন বাণিজ্য যুদ্ধের সূচনা হয়েছিল প্রযুক্তি, মেধাস্বত্ব ও বাণিজ্য ঘাটতি নিয়ে। এরপর থেকে উভয় দেশ একে অপরের পণ্যের উপর ধাপে ধাপে শুল্ক আরোপ করে আসছে। যদিও কিছু সময়ের জন্য আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি কিছুটা শিথিল হয়েছিল, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে তা ফের তীব্র হয়েছে।

চিনের তরফে সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি কোম্পানিগুলির উপর বিভিন্ন বিধিনিষেধ আরোপ এবং দক্ষিণ চীন সাগরে সামরিক কর্মকাণ্ড বাড়ানোয় সম্পর্ক আরও খারাপ হয়েছে।

চিনের প্রতিক্রিয়া ও সম্ভাব্য প্রভাব

চিন সরকার মার্কিন সিদ্ধান্তকে “অযৌক্তিক ও প্রতিশোধমূলক” বলে অভিহিত করেছে। বেইজিংয়ের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র বলেন, “এই সিদ্ধান্ত বৈশ্বিক বাণিজ্য শৃঙ্খলাকে বিপদের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। চিনও প্রয়োজনীয় পাল্টা ব্যবস্থা নেবে।”

অর্থনীতিবিদদের মতে, এই সিদ্ধান্ত মার্কিন বাজারে চিনা পণ্যের দাম বাড়াবে, যা সাধারণ ভোক্তাদের উপর চাপ সৃষ্টি করবে। প্রযুক্তি, ইলেকট্রনিক্স, পোশাক ও গাড়ি শিল্পে বড় প্রভাব পড়তে পারে।

বিশ্ব অর্থনীতিতে প্রভাব

মার্কিন ঘোষণার পর ওয়াল স্ট্রিটে শেয়ার বাজারে হালকা পতন দেখা গেছে। এশিয়ার বাজারেও এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। অর্থনীতিবিদদের মতে, বিশ্বের দুই বৃহত্তম অর্থনীতির এই সংঘাত বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধিকে শ্লথ করতে পারে এবং মুদ্রাস্ফীতি বাড়িয়ে দিতে পারে।

উপসংহার

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই নতুন শুল্ক নীতি কেবল বাণিজ্য নয়, ভূ-রাজনৈতিক সম্পর্কের ভারসাম্যেও প্রভাব ফেলবে। আগামী কয়েক সপ্তাহে চিনের প্রতিক্রিয়াই নির্ধারণ করবে এই শুল্ক যুদ্ধ কতটা গভীর হবে।

হ্যাশট্যাগ: #USChinaTradeWar #মার্কিনশুল্কনীতি #চিনপণ্য #বিশ্বঅর্থনীতি #Yবাংলাডিজিটাল

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

Friday, 10 October 2025

ফের অযোধ্যায় মোদি: ২৫ নভেম্বর ধ্বজা উত্তোলন, রাম মন্দির নির্মাণ সমাপ্তি ঘোষণা

ফের অযোধ্যায় মোদি: ২৫ নভেম্বর ধ্বজা উত্তোলন, রাম মন্দির নির্মাণ সমাপ্তি ঘোষণা

ফের অযোধ্যায় মোদি: ২৫ নভেম্বর ধ্বজা উত্তোলন, রাম মন্দির নির্মাণ সমাপ্তি ঘোষণা

শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের তরফ থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে—অযোধ্যার মূল মন্দিরের উপরে ধ্বজা উত্তোলন করে মন্দির নির্মাণের সমাপ্তি ঘোষণা করার জন্য। অনুষ্ঠানটি আগামী ২৫ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।

মন্দির নির্মাণ কমিটির চেয়ারম্যান নৃপেন্দ্র মিশ্র জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী ধ্বজা উত্তোলনের দিন ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকার বিষয়ে সম্মতি দিয়েছেন এবং তার অংশগ্রহণকে কেন্দ্র করে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। ধ্বজা উত্তোলন অনুষ্ঠানকে মন্দির নির্মাণের প্রতীকী সমাপ্তি হিসেবে দেখানো হবে এবং একই সঙ্গে মন্দির প্রাঙ্গণের অন্যান্য কিছু কাঠামো দর্শনার্থীদের জন্য খোলা হবে বলে জানানো হয়েছে।

অযোধ্যার রাম মন্দির—ধ্বজা উত্তোলনের প্রস্তুতি চলছে।

প্রসঙ্গত, মন্দির নির্মাণের প্রথম ধাপ ২০২২ সালে শেষ হয়েছিল; এরপর ধাপে ধাপে কাজ চলছে এবং মূল নির্মাণ কার্যক্রম ২০২৪ সালেই সম্পন্ন হয়েছে। গর্ভগৃহে রামলালার মূর্তি স্থাপন করা হয়েছে এবং দ্বিতীয় তলায় বিভিন্ন ভাষায় রামায়ের প্রতিফলিত কাহিনি স্থান পেয়েছে। উপরন্তু মন্দির প্রাঙ্গণের আশপাশে মোট প্রায় ১৪টি ছোট মন্দিরও নির্মিত হয়েছে এবং এগুলোর নির্মাণকাজও শেষ করা হয়েছে।

ট্রাস্ট সূত্রে জানানো হয়েছে, উপাসনার উদ্দেশ্যে প্রাঙ্গণ পর্যায়ক্রমে খুলে দেওয়া হবে; এর পর থেকেই ভক্ত-পর্যটকদের আগমন বৃদ্ধি পাবে—এ পর্যন্ত মন্দিরে আনুমানিক সাত কোটি দর্শনার্থীর সমাগম হয়েছে বলে অফিসিয়াল রিপোর্টে উল্লেখ আছে। অনুষ্ঠানটি পাঁচ দিনব্যাপী থাকবে এবং চূড়ান্ত দিনে প্রধান অতিথির মাধ্যমে ধ্বজা উত্তোলন সম্পন্ন হবে।

ট্রাস্ট এবং স্থানীয় প্রশাসন ইতিমধ্যেই অনুষ্ঠানের নিরাপত্তা, ভ্রমণ ও ওঠাবসার ব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্য সমন্বয় করছে। মন্দির প্রাঙ্গণে স্থায়ী ও অস্থায়ী প্ল্যাটফর্ম, দর্শক প্রবেশের পথ এবং ধর্মীয় অনুষ্ঠান চলাকালীন ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা করা হয়েছে যাতে ভক্তদের আগমন-প্রবাহ সুষ্ঠুভাবে নিয়ন্ত্রিত হতে পারে।

#অযোধ্যা #রামমন্দির #ধ্বজাউত্তোলন #নরেন্দ্রমোদী #শ্রীরামজন্মভূমি

উচ্চ মাধ্যমিক দ্বিতীয় সেমেস্টার পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে, শিক্ষকরা প্রকাশ করছেন উদ্বেগ

উচ্চ মাধ্যমিক দ্বিতীয় সেমেস্টার পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে, শিক্ষকরা প্রকাশ করছেন উদ্বেগ

উচ্চ মাধ্যমিক দ্বিতীয় সেমেস্টার পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে, শিক্ষকরা প্রকাশ করছেন উদ্বেগ

আসন্ন বিধানসভা ভোটের পরিপ্রেক্ষিতে উচ্চ মাধ্যমিকের দ্বিতীয় সেমেস্টারের পরীক্ষা আগেভাগে নেওয়া হচ্ছে। সেমেস্টার পদ্ধতির নিয়ম অনুযায়ী ছয় মাস পঠনপাঠনের পর পরীক্ষা হওয়ার কথা। প্রথম সেমেস্টারের পরীক্ষা শেষ হয়েছিল ২২ সেপ্টেম্বর। বিধি অনুযায়ী দ্বিতীয় সেমেস্টারের পরীক্ষা ১৬ মার্চ থেকে শুরু হওয়ার কথা থাকলেও, ভোটের কারণে তা ফেব্রুয়ারিতে এগিয়ে আনা হচ্ছে।

এই সিদ্ধান্ত শিক্ষক মহলে উদ্বেগ তৈরি করেছে। কারণ, পুরো সিলেবাস শেষ করার জন্য সময় সীমিত। অক্টোবর মাসে স্কুল বন্ধ থাকায় শিক্ষকরা মাত্র তিন মাস সময় পাবেন। সরকারি ভাবে পঠনপাঠন শুরু হবে ২৫ অক্টোবর। ফলে দ্বাদশ শ্রেণির সিলেবাস সম্পূর্ণ করা কঠিন হয়ে পড়ছে। শিক্ষকরা সিলেবাস কমানো বা পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা প্রস্তুতি
উচ্চ মাধ্যমিকের দ্বিতীয় সেমেস্টারের পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে শিক্ষকরা উদ্বিগ্ন।

নারায়ণদাস বাঙ্গুর স্কুলের প্রধান শিক্ষক সঞ্জয় বড়ুয়া বলেন, “নভেম্বর থেকে ক্লাস শুরু হলেও হাতে মাত্র ৯০ দিন সময় থাকবে। এ সময়ের মধ্যে সিলেবাস শেষ করা কঠিন।“ পার্ক ইনস্টিটিউশনের প্রধান শিক্ষক সুপ্রিয় পাঁজা বলেন, “এত কম সময়ে নতুন সিলেবাস অনুযায়ী প্রাকটিক্যাল ও থিওরির পাঠ শেষ করা সম্ভব নয়। শিক্ষা সংসদকে উচিত পড়ুয়ার কথা ভেবে সিলেবাস কমানো বা পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়া।“

নভেম্বর মাসে ক্লাস শুরু হলেও ৩-১৩ নভেম্বর মাধ্যমিকের টেস্ট, ডিসেম্বরের প্রথম ও দ্বিতীয় সপ্তাহে পঞ্চম থেকে নবম শ্রেণির সামিটিভ পরীক্ষা, শীতের ছুটি, যুব দিবস, নেতাজি জয়ন্তী, সাধারণতন্ত্র দিবসসহ নানা সরকারি অনুষ্ঠান এবং বার্ষিক ক্রীড়া ও সরস্বতী পুজোর কারণে ক্লাসের সময় সীমিত হবে। ফলে শিক্ষার্থীরা প্রায় ৭০-৭৫ দিন পড়াশোনা করতে পারবে।

উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ পরীক্ষা বা সিলেবাস পরিবর্তনের বিষয়ে ইতিমধ্যেই স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে। শিক্ষা সংসদের সচিব প্রিয়দর্শনী মল্লিক বলেন, “ছাত্রছাত্রীরা নিয়মিত পড়াশোনা করুক। পরীক্ষার কোনো অসুবিধা যাতে না হয়, সেই বিষয়ে আমরা সর্বদা নজর রাখছি। এই মুহূর্তে পরীক্ষা বা সিলেবাস পরিবর্তন করার সুযোগ নেই।”

#উচ্চমাধ্যমিক #দ্বিতীয়সেমেস্টার #পরীক্ষা #শিক্ষাব্যবস্থা #সিলেবাসউদ্বেগ

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

২০২৫ নোবেল শান্তি পুরস্কার জিতলেন ভেনিজুয়েলার মারিয়া কোরিনা মাচান্দো

২০২৫ নোবেল শান্তি পুরস্কার জিতলেন ভেনিজুয়েলার মারিয়া কোরিনা মাচান্দো

২০২৫ নোবেল শান্তি পুরস্কার জিতলেন ভেনিজুয়েলার মারিয়া কোরিনা মাচান্দো

নরওয়ের রাজধানী ওসলোতে শুক্রবার ঘোষণা করা হয়েছে, ২০২৫ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার জয় করেছেন ভেনিজুয়েলার গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য লড়াকু নারী নেতা মারিয়া কোরিনা মাচান্দো। নোবেল কমিটি জানিয়েছে, মারিয়ার নিরন্তর প্রচেষ্টা ও আত্মত্যাগই এই আন্তর্জাতিক সম্মান প্রাপ্তির মূল কারণ।

মারিয়া কোরিনা মাচান্দো নোবেল মঞ্চে
মারিয়া কোরিনা মাচান্দো নোবেল শান্তি পুরস্কার গ্রহণের সময়।

মারিয়া কোরিনা মাচান্দো ভেনিজুয়েলার একনায়কতন্ত্রের বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দীর্ঘদিন লড়াই করেছেন। নোবেল কমিটি বিশেষভাবে তাঁর অসাধারণ সাহস, দৃঢ় সংকল্প এবং জনগণের স্বাধীনতার জন্য আত্মত্যাগের প্রশংসা করেছে। গত এক বছর ধরে মারিয়াকে অজ্ঞাতবাসে থাকতে বাধ্য করা হয়েছিল। প্রাণনাশের ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও তিনি দেশত্যাগ করেননি এবং জনগণের পাশে থাকতেই অটল থেকেছেন।

নোবেল কমিটি মন্তব্য করেছে, "স্বৈরাচারী শাসকেরা যখন ক্ষমতা দখল করে, তখন সাহসী রক্ষকরা যারা সামনে এগিয়ে আসে, তাদেরকে চিনে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। গণতন্ত্র নির্ভর করে এইসব মানুষের উপর, যারা গুরুতর বিপদের মুখেও নীরব থাকেন না, বরং স্বাধীনতার জন্য লড়াই করেন।"

মারিয়ার নেতৃত্বে ভেনিজুয়েলার মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে স্বৈরশাসন থেকে মুক্তি পেতে সচেষ্ট হয়েছেন। তাঁর কাজ শুধু দেশটিকে নয়, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্যও একটি অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করছে। নোবেল কমিটি জানিয়েছে, মারিয়ার অবদান গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের জন্য স্থায়ী মডেল তৈরি করেছে।

অন্যদিকে, ডোনাল্ড ট্রাম্প একাধিকবার দাবি করেছেন, নোবেল শান্তি পুরস্কার তাঁরই প্রাপ্য। তিনি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংঘর্ষ যেমন গাজা-ইজরায়েল, রাশিয়া-ইউক্রেন এবং ভারত-পাকিস্তান সহ মোট ৮টি যুদ্ধে শান্তি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেছেন। ট্রাম্পের মতে, তাঁকে পুরস্কার দেওয়া উচিত কারণ তিনি সরাসরি বিশ্বের শান্তির প্রচেষ্টায় জড়িত ছিলেন।

নোবেল কমিটির এ নির্বাচনের মাধ্যমে স্পষ্ট হয়েছে যে, শান্তি প্রতিষ্ঠা শুধুমাত্র যুদ্ধ থামানোর উপর নির্ভর করে না, বরং গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য সাহসী ও নির্ভীক নেতাদেরও চিহ্নিত করা প্রয়োজন। মারিয়া কোরিনা মাচান্দোর উদাহরণ প্রমাণ করে যে, আত্মত্যাগ, দৃঢ় সংকল্প এবং শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদই শক্তিশালী পরিবর্তনের মূল।

বিশ্বব্যাপী বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ভেনিজুয়েলায় মারিয়ার নেতৃত্বে গণতন্ত্রের পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং সামাজিক ন্যায়বিচার একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া হলেও, তার সাহসী পদক্ষেপ ইতিমধ্যেই লাখ লাখ মানুষের অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নোবেল কমিটির এই সিদ্ধান্ত বিশ্বের অন্য দেশের জন্যও একটি শক্তিশালী বার্তা পাঠাচ্ছে, যেখানে স্বাধীনতা ও মানবাধিকার রক্ষার জন্য সাহসী নেতৃত্ব অপরিহার্য।

#নোবেলশান্তিপুরস্কার #মারিয়াকোরিনামাচান্দো #ভেনিজুয়েলা #গণতন্ত্র #আন্তর্জাতিকসংবাদ

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp হয় গ্রুপে

বর্ধমান: টোটোয় অশ্লীল আচরণ, ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল

বর্ধমান: টোটোয় অশ্লীল আচরণ, ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল

বর্ধমান: টোটোয় অশ্লীল আচরণ, ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল

বর্ধমানের বিবেকানন্দ কলেজ মোড়ে বৃহস্পতিবার বিকেলে চার তরুণী টোটোয় যাচ্ছিলেন। অভিযোগ, একই সময় পিছু ধাওয়া করছিলেন এক যুবক, যিনি বাইকে ছিলেন। মুখে মাস্ক পরে পরিচয় গোপন করার চেষ্টা করলেও তিনি বারবার অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি করেছেন এবং প্যান্টের চেন খুলে নিজের গোপনাঙ্গ প্রকাশ করেছেন।

টোটোয় থাকা এক তরুণী পুরো ঘটনা ক্যামেরাবন্দি করেন এবং ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন। ভিডিওটি মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায় এবং বর্ধমান সাইবার থানার নজরে আসে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত যুবকের নাম বাবু বিশ্বাস। তিনি স্থানীয় এলাকার বাসিন্দা।

বর্ধমান টোটো ঘটনা
বর্ধমানের বিবেকানন্দ কলেজ মোড়ে ঘটে যাওয়া ঘটনার ছবি।

ভিডিওতে দেখা যায়, ঘটনার সময় রাস্তা যথেষ্ট ভিড় ছিল। তারপরও যুবক এ ধরনের অশ্লীল কাজ করেছেন। নেটিজেনরা ভিডিও দেখে প্রশ্ন তুলেছেন—কীভাবে এত জনসমক্ষে তিনি এমন কাজ করতে পেরেছেন এবং তাঁর মনস্তাত্ত্বিক অবস্থা কি ঠিক আছে। অনেকেই তাকে বিকৃত মানসিকতার অধিকারী হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।

প্রত্যক্ষদর্শী তরুণীরা জানিয়েছেন, যুবকের সঙ্গে তাদের কোনও পরিচয় বা ঘনিষ্ঠতা নেই। তারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে এবং যুবককে আটক করার চেষ্টা চলছে। খুব শীঘ্রই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও ভাইরাল হওয়ায় বিষয়টি মানুষের মধ্যে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। অনেকেই ন্যায়পরায়ণতা এবং কঠোর শাস্তির দাবিও তুলেছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধ করতে শিক্ষামূলক প্রচারণা এবং সজাগ সামাজিক দায়িত্ব জরুরি।

#বর্ধমান #টোটো #অশ্লীলআচরণ #সোশ্যালমিডিয়া #নারীনিরাপত্তা

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

কাবুলে একের পর এক বিস্ফোরণ: রাজনৈতিক উত্তেজনার ছোবল, পাকিস্তানের নাম জড়ালো

কাবুলে একের পর এক বিস্ফোরণ: রাজনৈতিক উত্তেজনার ছোবল, পাকিস্তানের নাম জড়ালো?

কাবুলে একের পর এক বিস্ফোরণ: রাজনৈতিক উত্তেজনার ছোবল — পাকিস্তানের নাম জড়াল কি?

প্রকাশিত: 10 অক্টোবর 2025 | রিপোর্ট: Y বাংলা ব্যুরো

রাতে কাবুলে বিস্ফোরণের পরে ধোঁয়া-অলীক দৃশ্য
রাতের অন্ধকারে কাবুলের আকাশে বিস্ফোরণের ধোঁয়া (ফাইল ছবি/প্রতীকী)।

বৃহস্পতিবার রাত কাবুলে একের পর এক বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে আফগান রাজধানী। তালিবান প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, বিস্ফোরণের ফলে আপাতত হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি; তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট নয়।

আন্তর্জাতিক ও এলাকায় রাজনৈতিক মহলের ধারণা—ঘটনাটি সময়গতভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ: আফগান বিদেশমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি তখনই ভারতের সফরে অবস্থান করছেন। কলকাতা বা নয়—নির্দিষ্টভাবে ভারতের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের আলোচনার আগে এমন ঘটনা হওয়ায় কাবুলে অনেকেই এটিকে একটি ‘বার্তা’–মত দেখছেন, যা মধ্যপ্রাচ্যে already-tense রাজনৈতিক মানচিত্রকে আরও জটিল করতে পারে।

পাকিস্তানের অভিযোগ এবং সেই দাবির উৎসমনে প্রতিক্রিয়া

কিছু সংবাদমাধ্যম শুক্রবার দেখায়—ঘটনায় পাকিস্তানের নাম জড়িয়েছে; বলা হচ্ছে, প্রতিবেশী দেশ থেকে লক্ষ্যভিত্তিক আঘাত করা হয়েছে। এমন প্রতিবেদনগুলোর একটিতে দাবি করা হয় যে পাকিস্তানি সংযুক্ত কার্যক্রমে তালিকাভুক্ত এক সিন্ডিকেট বা বাহিনীর নেতা নূর ওয়ালি মাসুদকে নিশানা করে আঘাত চালানো হয়েছে।

তবে বিষয়টি তীব্রভাবে বিতর্কিত। টোলো নিউজের মতো গণমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, মাসুদের দেওয়া একটি অডিওতে তিনি নিজের ওপর আক্রমণের খবর প্রত্যাখ্যান করেছেন। একই সময় তালিবান সরকারের মুখপাত্র জাবিউল্লা মুজাহিদও টোলার মত বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে বলেছেন যে ঘটনার তদন্ত চলছে এবং এখনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি—সবকিছুই আপাতত স্থিতিশীল রয়েছে। তালিবান ও কিছু আফগান সাংবাদিকও পাকিস্তানের পক্ষে সরাসরি হামলার খবর অস্বীকার করেছেন।

রিয়েলিটি ও রাজনৈতিক প্রভাব

এই ধরনের ঘটনার পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য, বার্তা বা প্রতিশোধ—এই সবকটিই সম্ভাব্য ব্যাখ্যা হিসেবে আলোচনা হচ্ছে। বিশেষত যখন উচ্চতর কূটনৈতিক সফরের সময়ে সহায়ক বা বিরোধী পক্ষগুলোর মধ্যে এমন উত্তেজনাপূর্ণ ঘটনা ঘটে, তখন তা কেবল নিরাপত্তা নয়—কূটনীতি ও স্থানীয় জনমতেও প্রভাব বিস্তার করতে পারে।

অফicial সূত্রগুলো এখনও তদন্তের ফল ঘোষণা করেনি। পরিস্থিতি অনিশ্চিত থাকায়, কাবুলের নিরাপত্তা সংস্থাগুলো ঘটনার নি¤œস্তরীয় তদন্ত ও প্রাথমিক প্রমাণ সংগ্রহের কাজ শুরু করেছে বলে জানানো হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রতিবেশি দেশগুলো ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা পরিস্থিতি নজরদারি করছে।

কি নজর রাখবেন?

  • আফগান সরকারের তদন্ত রিপোর্ট ও তালিবান মুখপাত্রের ঘোষণার আপডেট।
  • আঞ্চলিক কূটনৈতিক প্রতিক্রিয়া—বিশেষত ভারতের কর্যক্রম ও বিবৃতি।
  • স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক প্রধান সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত নথি, অডিও বা ভিডিওর প্রামাণিকতা।

সংক্ষেপে: কাবুলে বৃহস্পতিবার রাতে হওয়া বিস্ফোরণগুলো আবহমান রাজনীতির মধ্যে নতুন উদ্বেগ ঢুকিয়েছে। পাকিস্তানের ওপর দায় চাপানো হলেও সেটি এখনও নিশ্চিত নয়—তথ্য যাচাই ও সরকারিভাবে ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটন করা প্রয়োজন। পরিস্থিতি স্থিতিশীল এ ধরণের বিবৃতি থাকলেও তদন্ত চলছে এবং এর প্রভাব কূটনৈতিক মঞ্চে দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে।

রিপোর্ট: Y বাংলা ব্যুরো।

হ্যাশট্যাগ: #কাবুলবিস্ফোরণ #আফগানিস্তান #তালিবান #আন্তর্জাতিকসংবাদ #ভিন্নরাশ্ট্রীয়বিবাদ

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

সল্টলেকে সুজিত বসুর অফিসে ED-র তল্লাশি: পুর নিয়োগ কেলেঙ্কারির ছোঁয়া

সল্টলেকে সুজিত বসুর অফিসে ED-র তল্লাশি: পুর নিয়োগ কেলেঙ্কারির ছোঁয়া

শুক্রবার সকালে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা Enforcement Directorate (ED) কলকাতার বিভিন্ন ঠিকানায় তল্লাশি চালায়—যাতে অন্যতম ছিল রাজ্যের মন্ত্রী ও তৃণমূল নেতা সুজিত বসুর সল্টলেকের অফিস। তদন্তকারীরা বলে থাকেন, এই অভিযান পুরসভা নিয়োগ সংক্রান্ত সম্ভাব্য অনিয়ম ও অর্থলেনদেনের তথ্য সংগ্রহের উদ্দেশ্যে পরিচালিত হচ্ছে।

ED সূত্রে জানা গেছে যে একাধিক দলে পৃথকভাবে দলাকা পাঠিয়ে সকাল থেকেই সল্টলেক, নাগেরবাজার, লেক টাউন, শরৎ বোস রোড ও নিউ আলিপুরসহ অন্তত ছ’/দশটি ঠিকানায় অনুসন্ধান চলছে। তল্লাশির সময় নথি, ইলেকট্রনিক ডিভাইস ও অন্যান্য প্রমাণ সন্ধানে অভিযান চালানো হচ্ছে বলেও তদন্তকারীরা জানান।

একের পর এক জায়গায় তল্লাশি হওয়ার পটভূমিতে ED বর্তমানে পুর নিয়োগ কেলেঙ্কারি ও সংশ্লিষ্ট আর্থিক লেনদেনের বিষয়ে জোরালো তদন্ত চালাচ্ছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, দক্ষিণ দমদম পৌরসভার নিয়োগ সংক্রান্ত মামলার অনুসন্ধানেই এই অভিযান তৎপর করা হয়েছে; সেই সাথে একটি আলাদা ব্যাঙ্ক/জালিয়াতি সংক্রান্ত কেস থেকেও সম্পর্ক গড়ে ওঠার কথাও বলা হচ্ছে।

এ ঘটনার সময় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মন্ত্রী সুজিত বসু বলেন, "ED তো আগেও এসেছে, কিছু তো পায়নি। আসলে এটা রাজনৈতিক ভাবে আক্রমণের চেষ্টা। ওদের কাজ ওরা করুক, আমাদের কাজ আমরা করি।" তিনি আরও দাবি করেন, "দুর্নীতি কে করেছে মানুষ তা জানে; মানুষ আমায় সার্টিফিকেট দিয়েছে।" মন্ত্রীর এই বক্তব্য তল্লাশির মধ্যেই পাওয়া যায়। (মন্ত্রী এবং তার প্রতিনিধিদের দেওয়া বক্তব্যটি রিপোর্টে সংক্ষিপ্তভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে)।

উল্লেখ্য, গতকালকের তল্লাশির সূত্রই বলছে যে এ বিষয়ে পূর্বেও ছাপা ও অনুসন্ধান ছিল—২০২৪ সালের জানুয়ারিতেও ED সুজিত বসুর বাড়িতে তল্লাশি চালায় এবং দীর্ঘ ঘণ্টা তিনি জিজ্ঞাসাবাদের সম্মুখীন হন। সেই সময় মন্ত্রী বলেছিলেন, যদি প্রমাণ পাওয়া যায় যে তিনি চাকরির বিনিময়ে অর্থ নিয়েছেন, তবে তিনি পদত্যাগ করবেন। বর্তমান অনুসন্ধান সেই পুরনো কেসের সূত্র ধরে ব্যাপক হয়েছে বলে তদন্তকারীরা মনে করছেন।

তল্লাশির লক্ষ্য তালিকায় শুধুই মন্ত্রী নয়—দক্ষিণ দমদম পুরসভার উপ-প্রধান নিতাই দত্তের বাড়িতেও অভিযান চালানো হচ্ছে। নিতাইয়ের বাড়ি ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বাসা থেকে পূর্বে সংরক্ষিত নথি ও ডিজিটাল রেকর্ড উদ্ধার করা হয়েছে বলে কর্মকর্তারা উল্লেখ করেন; সেই নথির সূত্রেই বর্তমান তল্লাশির করণীয় বৃদ্ধি পেয়েছে বলে সংবাদের সূত্রে জানা যায়।

এই অভিযানকে কেন্দ্র করে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। শাসক ও বিরোধী পক্ষ একে নিয়ে তাদের-নিজস্ব ব্যাখ্যা ও সমালোচনা চলছে। প্রশাসনিক ও আইনি প্রক্রিয়ার স্বীকৃতির পাশাপাশি, তদন্তকারীরা এখনো কোন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানায়নি ও আরও প্রমাণ সংগ্রহের জন্য কাজ করছে।

কী পরবর্তী ধাপ হতে পারে? – তদন্তকারী সংস্থার সূত্রে জানা যায়, তল্লাশির পরে যদি প্রয়োজনীয় প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে গ্রেপ্তারী পরোয়ানা, অধিক জিজ্ঞাসাবাদ ও কাগজপত্র বিশ্লেষণের মাধ্যমে মামলাটি বাড়তে পারে। অন্যদিকে মন্ত্রী ও তাঁর সমর্থকরা রাজনৈতিকভাবে এই উত্তেজনাকে ব্যাখ্যা করলেও আইন অনুযায়ী তদন্তকে এগোতে দিতে হবে—এই অবস্থান যুগপৎ উভয় দিকেই মান্য হবে বলে আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করেন।

রিপোর্ট: Y বাংলা ব্যুরো।

সূত্র: স্থানীয় ও জাতীয় সংবাদমাধ্যমের সরাসরি প্রতিবেদন ও ED-সূত্র। (Anandabazar, Hindustan Times, Livemint, ABP Ananda, Business Standard)।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

ঢাকা হাই কোর্ট ভারতের কাছে ফিরিয়ে আনার নির্দেশ পেলেন অন্তঃসত্ত্বা সোনালি

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে
ঢাকা হাই কোর্ট ভারতের কাছে ফিরিয়ে আনার নির্দেশ পেলেন অন্তঃসত্ত্বা সোনালি

ঢাকা হাই কোর্ট সোনালি খাতুনকে দেশে ফেরানোর নির্দেশ দিয়েছেন

আপডেট: 10 অক্টোবর, 2025সম্পাদক: Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো
সোনালি খাতুন (প্রতীকী ছবি)
চিত্র: প্রতীকী ছবি — সোনালি খাতুনের বিষয়ে চলমান আইনি অবস্থার প্রতিবেদন।

বাংলাদেশের হাই কোর্ট অন্তঃসত্ত্বা সোনালি খাতুনকে (ওই ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য ছয় জনকে) বাংলাদেশ থেকে ভারতের কাছে ফেরানোর নির্দেশ দিয়েছেন। নির্দেশের একটি নথির অনুলিপি প্রকাশ্যে এসেছে, তবে এখনো দুই দেশের কেন্দ্রীয় কূটনৈতিক বা মন্ত্রণালয় পর্যায়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা পাওয়া যায়নি।

সংক্ষিপ্ত অবস্থা
গ্রেফতার ও অবস্থান:
সোনালি ও পাঁচ অন্যান্য ব্যক্তি বর্তমানে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা সংশোধনাগারে রয়েছেন।
নিমিত্ত:
আশ্বাস: বাংলাদেশে তাদের বিরুদ্ধে 'অনুপ্রবেশ' অভিযোগ আছে; প্রত্যাবর্তনের নির্দেশ স্থানীয় উচ্চ আদালত দিয়েছে।
কলকাতা হাই কোর্ট আদেশ:
২৬ সেপ্টেম্বর কলকাতা হাই কোর্ট নির্দেশ দেয় — ওই ছয়জনকে চার সপ্তাহের মধ্যে ভারতে ফিরিয়ে আনতে হবে।
পরবর্তী শুনানি:
নিম্ন আদালতে পরবর্তী শুনানি নির্ধারিত: ২৩ অক্টোবর.

স্থানীয় সূত্র এবং সহায়তায় বাংলাদেশে থাকা প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, এ রাজ্যের সাংসদের প্রতিনিধিত্বকারী ব্যক্তি ঘটনাস্থলে রয়েছেন এবং সোনালি-সুইটি বিবি সহ বাকি ক’জনের জামিন প্রক্রিয়ার অগ্রগতি দেখা হচ্ছে। তবে কাগজপত্রগত একাধিক জটিলতা থাকায় জামিন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে অতিরিক্ত সময় লাগার সম্ভাবনা রয়েছে।

কলকাতা হাই কোর্টের গত নির্দেশ (২৬ সেপ্টেম্বর) অনুযায়ী, কেন্দ্র ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনগুলোকে ফেরত আনয়ার ব্যবস্থা করতে বলা হয়। একই সঙ্গে কলকাতা হাই কোর্ট বাংলাদেশি সন্দেহে তাদের আটক ও বিতাড়নের সিদ্ধান্তও বাতিল করে দেয়। তবে বিধিনিষেধ ও দুই দেশের আইনি প্রক্রিয়াজনিত বিষয় এখনও চূড়ান্ত হওয়ায় প্রদত্ত নির্দেশ বাস্তবায়ন নিয়েও অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।

ঢাকা হাই কোর্টের নির্দেশ সোনালি ও অন্যান্যদের জন্য আপাতত স্বস্তি দিলেও তাদের বাংলাদেশের অভিবাসন স্ট্যাটাস, কাগজপত্র সম্পর্কিত সমস্যা ও ভবিষ্যতে কোথায় থাকার প্রয়োজন হবে—এসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে বেশ কিছু প্রশাসনিক ও কূটনৈতিক পদক্ষেপ প্রয়োজন হবে বলে আইনজীবী ও পরিবারের সূত্রে জানানো হয়েছে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

Thursday, 9 October 2025

বিহারের নির্বাচনে তেজস্বীর চাকরির প্রতিশ্রুতি ও নির্বাচনী নির্ঘণ্ট

বিহারের নির্বাচনে তেজস্বীর চাকরির প্রতিশ্রুতি ও নির্বাচনী নির্ঘণ


বিশেষ সংবাদ দাতা , পাটনা, ০৯/১০/২০২৫ :- 

নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হওয়ার পর বিহারের রাজনৈতিক মঞ্চ আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। লড়াইয়ের ময়দানে একে একে নামছেন সব রাজনৈতিক দল। এই অবস্থায় আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব সরকারি চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে আলোচনায় এসেছে। তেজস্বী জানিয়েছেন, বিহারে ‘মহাগটবন্ধন’ জোট ক্ষমতায় এলে, সরকার গঠনের ২০ দিনের মধ্যে প্রতিটি পরিবারের অন্তত একজন সরকারি চাকরি পাবেন।

তেজস্বী দাবি করেছেন, বিহারের কোনও বাড়ি এমন থাকবে না যেখানে কর্মসংস্থানের সুযোগ থাকবে না। তিনি বলেন, “গত ২০ বছরে বর্তমান সরকার বেকারত্ব সমস্যা সমাধান করতে ব্যর্থ হয়েছে। আমরা তা পরিবর্তন করব। আমাদের লক্ষ্য প্রতিটি পরিবারকে সরকারি চাকরির সুযোগ প্রদান করা।”

তিনি আরও যোগ করেছেন, সরকার গঠনের ২০ দিনের মধ্যে আইন প্রণয়ন করে এই কর্মসূচি শুরু হবে এবং পরবর্তী ২০ মাসে পুরো প্রক্রিয়া শেষ হবে। তেজস্বী স্পষ্ট করেছেন যে, এই প্রতিশ্রুতি কোনো রাজনৈতিক প্রচারণার ফাঁকা শব্দ নয়, বরং তথ্যভিত্তিক পরিকল্পনার অংশ।

নির্বাচনের প্রাক্কালে প্রতিটি রাজনৈতিক দল ভিন্ন ভিন্ন প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোটার আকৃষ্ট করার চেষ্টা করছে। যদিও সব প্রতিশ্রুতি বাস্তবে পূর্ণ হয় না, তেজস্বী দাবি করছেন, এই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নযোগ্য।

সোমবার বিকেল সাড়ে চারটায় সাংবাদিক বৈঠকে নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার ঘোষণা করেন, বিহারের বিধানসভা নির্বাচন শুরু হবে ৬ নভেম্বর থেকে। নির্বাচনী প্রক্রিয়া দু’দফায় অনুষ্ঠিত হবে এবং ১১ নভেম্বর পর্যন্ত শেষ হবে। ভোটের ফলাফল ঘোষণা করা হবে ১৪ নভেম্বর এবং সমস্ত নির্বাচনী কার্যক্রম ১৬ নভেম্বরের মধ্যে শেষ হবে।

নির্বাচনী নির্ঘণ্ট প্রকাশের পাশাপাশি কমিশনার বিহারে চলমান বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা (SIR) সংক্রান্ত কাজের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। কমিশনারের মতে, এই প্রক্রিয়া ভোটারদের তথ্য যাচাই ও নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

বিহারের রাজনৈতিক মহলে তেজস্বীর এই প্রতিশ্রুতি নতুন উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ধরনের বৃহৎ কর্মসংস্থান প্রতিশ্রুতি নির্বাচনের আগে ভোটার আকর্ষণের গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হতে পারে।


Featured post

Y বাংলা নিউজ ডেস্ক: অল্লু অর্জুনের সুপারহিট ফ্র্যাঞ্চাইজি ‘পুষ্পা’ ফের নতুন চমক আনতে চলেছে। শোনা যাচ্ছে, ‘পুষ্পা ৩’ ছবিতে খলচর...

Search This Blog