নবান্ন অভিযানের ডাক দিয়েও উপস্থিত ছিলেন না বিজেপির একাধিক শীর্ষ নেতা—এ নিয়ে দলের ভেতরে তৈরি হয়েছে অস্বস্তি ও ক্ষোভ। বিশেষ করে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর শিবির এই অনুপস্থিতি নিয়ে সরব। তাদের অভিযোগ, গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে শীর্ষ নেতাদের না থাকা সংগঠনের জন্য ভালো বার্তা নয় এবং এতে কর্মীদের মনোবল ভেঙে যায়।
শুভেন্দু শিবিরের দাবি, শ্রীকান্ত মজু
মদার, ফুরফুরা শরীফের মন্ত্রীসহ রাজ্যের বিজেপি পদাধিকারী থেকে সাংসদ—অনেকেই এই কর্মসূচিতে অনুপস্থিত ছিলেন। কেন তারা দূরে ছিলেন, সেই প্রশ্ন উঠেছে। শুভেন্দুর ঘনিষ্ঠ মহল থেকে জানানো হয়েছে, নবান্ন অভিযানের মতো বড় কর্মসূচিতে নেতাদের দূরে থাকা মেনে নেওয়া যায় না।
শনিবার কনকনাতায় থাকলেও, মিছিলে না থাকায় প্রশ্ন উঠেছে, মিছিলে অংশ নেওয়া এড়ালেন কেন শীর্ষ নেতারা? এমনকি মিছিলে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েও অনেক নেতা অনুপস্থিত ছিলেন। বিজেপি বিধায়ক শীলভদ্র দত্তের কথায়, দলীয় শীর্ষ নেতৃত্বের অনুপস্থিতি একটি বড় বার্তা দেয়, যা রাজ্য রাজনীতিতে বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে।
বিজেপির একাংশ বলছে, এই অনুপস্থিতির পেছনে ব্যক্তিগত কারণও রয়েছে—যেমন অসুস্থতা বা পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি। তবে শুভেন্দু শিবির মনে করছে, ব্যক্তিগত কারণের আড়ালে আসল কারণ হলো রাজনৈতিক অঙ্গনের অভ্যন্তরীণ মতবিরোধ।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, লোকসভা ভোটের আগে বিজেপির অভ্যন্তরে এই ধরনের ভাঙন ও ক্ষোভ প্রকাশ্যে আসা সংগঠনের ঐক্য ও কর্মীসংঘবদ্ধতাকে দুর্বল করতে পারে। নবান্ন অভিযান ঘিরে এই বিতর্ক আরও কয়েকদিন রাজ্য রাজনীতিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে।









0 comments:
Post a Comment
আপনার মতামত এর জন্য আপনাকে ধন্যবাদ 👇
👉 যদি মনে হয় বিষয়টা গুরুত্বপূর্ণ, পোস্টটি শেয়ার করুন 🔄নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন