Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Thursday, 25 September 2025

জঙ্গী গ্রেপ্তার করল যৌথ বাহিনী

মণিপুরে PLA জঙ্গি গ্রেফতার: ১৯ সেপ্টেম্বরের হামলার পর উদ্ধার বিপুল অস্ত্র

মণিপুরে PLA জঙ্গি গ্রেফতার: ১৯ সেপ্টেম্বরের হামলার পর উদ্ধার বিপুল অস্ত্র

মণিপুরের বিষ্ণুপুর জেলায় ১৯ সেপ্টেম্বর আসাম রাইফেলসের কনভয়ের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে এক PLA জঙ্গিকে গ্রেফতার করেছে যৌথ নিরাপত্তা বাহিনী। অভিযুক্ত খোমদ্রাম অজিত সিংহ, যিনি আগে জামিনে মুক্ত ছিলেন, জেরা করে স্বীকার করেছে হামলার পর অস্ত্রশস্ত্র লোকটাক হ্রদের আশপাশে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল।

মণিপুরে অস্ত্র উদ্ধার
ছবি: অভিযানে উদ্ধার হওয়া অস্ত্রশস্ত্র (প্রতীকী চিত্র)

নিরাপত্তা বাহিনীর সূত্রে জানা গেছে, ১৯ সেপ্টেম্বরের ওই হামলায় PLA জঙ্গিরা অতর্কিতে গুলি চালায়। পরে তারা লোকটাক হ্রদের দিক দিয়ে পালিয়ে যায়। ধৃত জঙ্গির তথ্যের ভিত্তিতে চালানো অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার হয়েছে। উদ্ধার হওয়া অস্ত্রশস্ত্র দেখে বোঝা যাচ্ছে, হামলার পরিকল্পনা ছিল অনেক বড়সড়।

উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও গোলাবারুদের তালিকা:
  • একটি এম-১৬ রাইফেল ও ৪টি ম্যাগাজিন
  • একটি এইচকে রাইফেল ও ২টি ম্যাগাজিন
  • দুটি একে রাইফেল ও ৫টি ম্যাগাজিন
  • একটি ইনসাস রাইফেল ও ৩টি ম্যাগাজিন
  • ১৭০ রাউন্ড একে রাইফেলের গুলি
  • ২১৬ রাউন্ড এম-১৬ রাইফেলের গুলি
  • ৬৭ রাউন্ড ইনসাসের গুলি
  • ৩টি লাথোড শেল

তদন্তকারীদের মতে, ধৃত জঙ্গি PLA-র একটি সক্রিয় ইউনিটের সঙ্গে যুক্ত ছিল। হামলার উদ্দেশ্য ছিল নিরাপত্তা বাহিনীর মনোবল ভেঙে দেওয়া এবং অঞ্চলে অশান্তি সৃষ্টি করা। তবে সেনা ও পুলিশের সমন্বিত অভিযানে হামলাকারীরা ব্যর্থ হয়েছে।

উল্লেখযোগ্যভাবে, ১৯ সেপ্টেম্বরের হামলায় অন্তত দুই জওয়ান আহত হয়েছিলেন। তার পর থেকেই গোয়েন্দা সংস্থাগুলি নড়েচড়ে বসে এবং সন্দেহভাজনদের খুঁজে বের করার জন্য তল্লাশি শুরু হয়। ধৃত অজিত সিংহকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং তার মাধ্যমে অন্যান্য জঙ্গি সদস্যদের খোঁজ চালানো হচ্ছে।

স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া অস্ত্রশস্ত্র ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি PLA-র কার্যকলাপ রুখতে মণিপুরের জেলাগুলিতে আরও কঠোর নজরদারি চালানো হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের অভিযান সফল হওয়া মানে জঙ্গিদের নেটওয়ার্ক দুর্বল হয়ে পড়ছে।


তথ্যসূত্র: নিরাপত্তা বাহিনীর বিবৃতি, স্থানীয় সংবাদ সংস্থা ও আঞ্চলিক মিডিয়া রিপোর্ট।

© ২০২৫ ওয়াই বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো | এই প্রতিবেদন কপি-রাইট মুক্ত

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

এশিয়া কাপে ফাইনালে পৌঁছাতে পারবেনা পাকিস্থান

এশিয়া কাপ ২০২৫: সুপার ফোর থেকে ফাইনালের সমীকরণ

এশিয়া কাপ ২০২৫: সুপার ফোর থেকে ফাইনালের সমীকরণ

Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো | আপডেট: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

এশিয়া কাপ ২০২৫-এর সুপার ফোরের লড়াই এখন তুঙ্গে। ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা— এই চারটি দলই এখনও ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে আছে। প্রতিটি ম্যাচের ফলাফলই এখন সমীকরণকে বদলে দিচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পর্বে প্রতিটি রান, প্রতিটি উইকেট এবং নেট রান রেট হবে ভাগ্য নির্ধারক।

সুপার ফোরে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল পাকিস্তান। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফাইনালে পৌঁছানো তাদের জন্য মোটেও সহজ হবে না। অন্যদিকে দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছে বাংলাদেশ, যারা একের পর এক জয় তুলে নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে।

পাকিস্তানের ফাইনাল স্বপ্ন

পাকিস্তানকে ফাইনালে উঠতে হলে বাংলাদেশের বিপক্ষে শেষ ম্যাচে জয় তুলতে হবে। যদি এই ম্যাচে তারা জয়ী হয়, তাহলে ফাইনালে তাদের টিকে থাকার সম্ভাবনা তৈরি হবে। তবে হারলে বিদায় নিশ্চিত। পাকিস্তানের সমীকরণ এখন অনেকটাই নির্ভর করছে নেট রান রেটের ওপরও।

বাংলাদেশের সুযোগ

টাইগাররা ইতিমধ্যেই দুর্দান্ত ফর্মে আছে। ভারতের কাছে হারের পরও তারা শ্রীলঙ্কাকে হারিয়েছে। যদি বাংলাদেশ পাকিস্তানের বিপক্ষে জয়ী হয়, তাহলে সরাসরি ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত হবে। তবে, যদি প্রতিটি দল ২ পয়েন্ট করে নিয়ে শেষ করে, তখন বাংলাদেশের ভাগ্যও নির্ভর করবে নেট রান রেটের ওপর।

শ্রীলঙ্কার সমীকরণ

এখনও লড়াইয়ে টিকে আছে লঙ্কানরা। তাদের জন্য শর্ত হলো—ভারতের বিপক্ষে বড় জয় তুলতে হবে। যদি বাংলাদেশ ভারত এবং পাকিস্তানকে হারাতে পারে, তবে বাংলাদেশ যাবে ৬ পয়েন্ট নিয়ে ফাইনালে। এ অবস্থায় বাকি তিন দল থাকবে ২ পয়েন্ট করে। তখন নেট রান রেটই নির্ধারণ করবে শ্রীলঙ্কার ভাগ্য।

শ্রীলঙ্কার ফাইনালে পৌঁছানোর সমীকরণ:

  • ভারতের বিপক্ষে বিশাল ব্যবধানে জয় তুলতে হবে।
  • বাংলাদেশকে ভারত ও পাকিস্তানকে হারাতে হবে।
  • তারপর রান রেটের ভিত্তিতে ফাইনালে যাওয়ার সুযোগ মিলবে।

ভারতের অবস্থা

ভারত তুলনামূলকভাবে সুবিধাজনক অবস্থানে আছে। তারা যদি শেষ ম্যাচে জয়ী হয়, তাহলে প্রায় নিশ্চিতভাবেই ফাইনালে থাকবে। তবে তাদের জন্যও একটি সতর্কবার্তা রয়েছে— ফিল্ডিংয়ে একের পর এক ভুল। চলতি এশিয়া কাপে ভারতের ফিল্ডাররা ইতিমধ্যেই ১২টি ক্যাচ ফেলেছে, যা প্রতিযোগিতার আট দলের মধ্যে সর্বাধিক। ফাইনালের আগে এই সমস্যা দূর করা ভারতের জন্য জরুরি।

সব মিলিয়ে এশিয়া কাপ ২০২৫-এর সুপার ফোর এখন নাটকীয় রূপ নিয়েছে। শেষ ম্যাচগুলোই নির্ধারণ করবে কোন দুই দল উঠবে স্বপ্নের ফাইনালে।

ফাইনালের সম্ভাব্য সমীকরণ (পরিসংখ্যান নির্ভর)

  • বাংলাদেশ জিতলে সরাসরি ফাইনালে।
  • পাকিস্তান জিতলে তাদের ফাইনাল স্বপ্ন টিকবে।
  • শ্রীলঙ্কা জিতলে সমীকরণ জটিল হবে।
  • সব দলের পয়েন্ট সমান হলে নির্ভর করবে নেট রান রেটের ওপর।

উল্লেখ্য: এই সমস্ত সম্ভাবনা পরিসংখ্যানের উপর ভিত্তি করে আলোচনা করা হয়েছে। বাস্তবে ম্যাচের ফলাফলের সঙ্গে এর কোনও সম্পর্ক নেই।

📊 তথ্যবক্স

সুপার ফোর পয়েন্ট টেবিল:

✔ ভারত – শীর্ষে

✔ বাংলাদেশ – জয়ের ছন্দে

✔ পাকিস্তান – ফাইনালের সমীকরণে ঝুলে আছে

✔ শ্রীলঙ্কা – এখনও টিকে আছে লড়াইয়ে

© ২০২৫ Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো | সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

Wednesday, 24 September 2025

এশিয়া কাপ ২০২৫: বাংলাদেশকে ৪১ রানে হারিয়ে ফাইনালে ভারত

এশিয়া কাপ ২০২৫: বাংলাদেশকে ৪১ রানে হারিয়ে ফাইনালে ভারত

ভারত বনাম বাংলাদেশ – এশিয়া কাপ ২০২৫: ভারত: ১৬৮/৬ (অভিষেক ৭৪, হার্দিক ৩৮, রিশাদ ২ উইকেট, তানজিম ১ উইকেট) বাংলাদেশ: ১২৭ (সইফ ৬৯, ইমন ২১, কুলদীপ ৩ উইকেট, বুমরাহ ২ উইকেট) ফলাফল: ভারত ৪১ রানে জয়ী

আজ, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫, দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এশিয়া কাপ সুপার ফোর পর্বের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে বাংলাদেশকে ৪১ রানে পরাজিত করে ফাইনালে উঠে গেল ভারত। টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে ভারত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৬৮ রান সংগ্রহ করে। ভারতের পক্ষে ওপেনার অভিষেক শর্মা ৩৭ বলে ৭৫ রান করেন, শুভমান গিল ১৯ বলে ২৯ রান করেন, এবং মিডল অর্ডারে হার্দিক পান্ডিয়া ২৯ বলে ৩৮ রান করেন। বাংলাদেশ বোলারদের মধ্যে রিশাদ হোসাইন ৩ ওভারে ২৭ রান দিয়ে ২টি উইকেট নেন।

জবাবে, বাংলাদেশ ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১২৭ রান করে অল আউট হয়ে যায়। বাংলাদেশের পক্ষে সাইফ হাসান সর্বোচ্চ ৬৯ রান করেন। ভারতের বোলারদের মধ্যে কুলদীপ ৩ বুমরা ও বৌরুন ২ টি ও অক্ষর প্যাটেল ১ টি উইকেট নেন ।

এই জয়ের ফলে ভারত সুপার ফোরে ২ পয়েন্ট নিয়ে ফাইনালে পৌঁছানোর পথে একধাপ এগিয়ে গেল। আগামীকাল, ২৫ সেপ্টেম্বর, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ মুখোমুখি হবে। এই ম্যাচের ফলাফলও ফাইনালে ওঠার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

ফিল্ডিংয়ে ভারতীয়দের মাথাব্যথা!,

ভারত বনাম বাংলাদেশ ম্যাচে ফিল্ডিংয়ে কয়েকটি ভুল ভারতের জন্য চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনবার ব্যাটসম্যানের ক্যাচ পড়ে যাওয়ার পাশাপাশি পুরো ম্যাচে ভারতীয় ফিল্ডাররা মোট পাঁচটি ক্যাচ হারালেন। চলতি এশিয়া কাপে ভারতের ফিল্ডিংয়ে মোট ১২টি ক্যাচ পড়েছে, যা প্রতিযোগিতার আট দলের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। এর মধ্যে বেশ কয়েকটি ছিল তুলনামূলকভাবে সহজ। ফিল্ডিং কোচ টি দিলীপ বলেছেন, রবিবারের ফাইনালে ভারতের প্রধান চ্যালেঞ্জ থাকবে শুধু ব্যাটিং নয়, ফিল্ডিং নিয়েও সতর্ক থাকা।

সূত্র: ২৪আপডেটনিউজ

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

লাদাকে হিংসাত্মক গণভিক্ষ মৃত 4 আহত 70

লাদাখে বিক্ষোভে হিংসা, নিহত ৪, আহত ৭০

ডিজিটাল ডেস্ক: রাজ্যের মর্যাদা-সহ একাধিক দাবিতে লাদাখে বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল সকাল থেকেই। বেলা গড়াতেই তা হিংসাত্মক আকার ধারণ করল। পুলিশের সঙ্গে খণ্ডযুদ্ধ বেধে যায় লেহ -লাদাখের বাসিন্দা ‘জেন জি’দের। এই বিক্ষোভে এখনও পর্যন্ত ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে, আহত হয়েছেন অন্তত ৭০ জন।

বর্তমান পরিস্থিতিতে দীর্ঘদিন লাদাখবাসীর অধিকার নিয়ে আন্দোলন করা জলবায়ু আন্দোলনকর্মী সোনম ওয়াংচুক শান্তির বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘হিংসার ফলে ব্যহত হবে আন্দোলনের উদ্দেশ্য।’ দীর্ঘ আলাপ-আলোচনায় লাভ হয়নি। একের পর এক ডেডলাইন দিয়েও দাবি মানেনি কেন্দ্র। এরপরেই সহিংস আন্দোলন ছড়াল লেহ-লাদাখে।

পুলিশের গাড়ি লক্ষ্য করে ছোড়া হল পাথর। একাধিক পুলিশ ভ্যান জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। ক্ষুব্ধ জনতা বিজেপি দপ্তরেও আগুন লাগিয়ে দেয়। এই অবস্থায় হিংসাত্মক আন্দোলন রুখতে প্রশাসন কারফিউ জারি করেছে। প্রশাসনের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, লেহতে পাঁচ বা তার বেশি লোকের সমাবেশ নিষিদ্ধ। পূর্ব লিখিত অনুমোদন ছাড়া কোনও মিছিল, সমাবেশ বা পদযাত্রা করা যাবে না।

আন্দোলনে হিংসা ছড়ানোর খবর পেয়ে ব্যথিত হন সোনম ওয়াংচুক। ভিডিওবার্তায় তিনি বলেন, “আমি অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে লেহতে ব্যাপক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। অনেক অফিস এবং পুলিশের গাড়িতে আগুন লাগানো হয়েছে।” আরও বলেন, 5:56 PM 9/24/2025, “অনশন আন্দোলনের দুই সদস্য অসুস্থ হয়ে পড়তেই ক্ষেপে ওঠেন আন্দোলনকর্মীদের একাংশ। হাজার হাজার যুবক রাস্তায় নামেন। গত পাঁচ বছর তারা বেকার। কেন্দ্রীয় সরকার লাদাখবাসীর জীবনের নিরাপত্তা দিতে রাজি নয়।” তিনি হিংসাত্মক আন্দোলন থেকে সরে আসার পরামর্শ দিয়েছেন।

লাদাখকে পূর্ণরাজ্যের মর্যাদা দিতে হবে, সংবিধানের ষষ্ঠ তফসিল দ্রুত কার্যকর করতে হবে, লাদাখের জন্য পৃথক পাবলিক সার্ভিস কমিশন চালু করতে হবে এবং লাদাখে একটির বদলে দুটি লোকসভা কেন্দ্র তৈরি করতে হবে। এই দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে কেন্দ্রের সঙ্গে আলোচনা চলছিল। ম্যাগসাইসাই জয়ী গবেষক সোনম জানিয়েছেন, একাধিক সিদ্ধান্তের কারণে লাদাখ ক্রমেই ধ্বংসের পথে এগোচ্ছে।

ভিডিও রিপোর্ট

সূত্র: ভিডিও ও স্থানীয় সংবাদ প্রতিবেদনের সংক্ষিপ্তসার

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

প্রকাশিত TET-2023 ফল: ১ থেকে ১০ এর মধ্যে নাম ও প্রাপ্ত নাম্বার জানু

প্রকাশিত TET-2023 ফল: ১ থেকে ১০ এর মধ্যে নাম ও প্রাপ্ত নাম্বার জানুন

TET-2023 ফল প্রকাশিত: আজ সন্ধ্যা ৬টা থেকে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের ওয়েবসাইটে রেজাল্ট

আপডেট: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ৬:০০ PM | রিপোর্ট: Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো
TET-2023 ফল প্রকাশ
ছবি: পরীক্ষা কেন্দ্রের সাধারণ দৃশ্য (প্রতীকী ছবি)।

প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ (WBBPE) আজ, বুধবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে ২০২৩ সালের টিচার্স এলিজিবিলিটি টেস্ট (TET-2023) — (FOR CLASSES I TO V, PRIMARY) পরীক্ষার ফল প্রকাশ করেছে। পরীক্ষার্থীরা ওয়েবসাইট থেকে ফলাফল দেখে প্রিন্ট আউট নিতে পারবেন; ওএমআরশিটের কপি শুক্রবার নয় — আগামী বৃহস্পতিবার দুপুর ২টা থেকে দেখা যাবে।

২০২৩ সালের টেট পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২৪ ডিসেম্বর ২০২৩ তারিখে। ফল কখন প্রকাশিত হবে — তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধোঁয়াশা ছিল। পুজোর মুখে এই সুসংবাদ পেয়েছেন পরীক্ষার্থীরা। ইতিমধ্যেই প্রথম দশে স্থান পাওয়া পরীক্ষার্থীদের নাম প্রকাশ করা হয়েছে; শীর্ষে হয়েছেন ইনা সিংহ, দ্বিতীয় হয়েছেন কাজল কুতি

কীভাবে দেখা যাবে ফলাফল?

পরীক্ষার্থীরা নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করে ফলাফল দেখতে পারবেন:

  1. ওয়েবসাইটে যান: https://wbbpe.wb.gov.in
  2. সাইটে থাকা TEACHER ELIGIBILITY TEST-2023 (TET-2023) (FOR CLASSES I TO V, PRIMARY) লিংকে ক্লিক করুন।
  3. তারপর Result of TET-2023 লিংকে ক্লিক করুন।
  4. নির্দিষ্ট স্থানে রেজিস্ট্রেশন নম্বরজন্মতারিখ প্রদান করলে ফলাফল স্ক্রিনে প্রদর্শিত হবে।
  5. প্রয়োজন হলে ফলটিকে প্রিন্ট করে রাখবেন।
ওএমআর শিট কপি দেখতে পারবে কবে?

ওএমআরশিটের কপি পরীক্ষা পরিক্ষার্থীরা দেখতে পারবেন বৃহস্পতিবার দুপুর ২টা থেকে, ওয়েবসাইটে নির্দিষ্ট লিংক থেকে।

টেট পাস করলে চাকরির আরও পদক্ষেপ কী?

টেট পাশ করার পর পরীক্ষার্থীরা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগের জন্য আবেদন করতে পারবেন। সাধারণত টেট পাশ হলে ওই পদে আর কোনও লিখিত পরীক্ষা দিতে হয় না — শিক্ষাগত যোগ্যতা ও টেটের ফলাফলের ভিত্তিতে একটি মেধাতালিকা তৈরী করা হয়; মেধাতালিকার উপর ভিত্তি করে প্রার্থীদের ইন্টারভিউতে ডাকা হয়। ইন্টারভিউতে প্রাপ্ত নম্বর, শিক্ষাগত যোগ্যতা ও টেট ফলাফলের সমন্বয়ে চূড়ান্ত নিয়োগপত্র দেওয়া হয়।

পূর্বের প্রশ্ন — নিয়োগ সংক্রান্ত অনিশ্চয়তা

উল্লেখ্য, ২০২২ সালের নিয়োগ হয়নি — এ নিয়ে ২০২২ সালে টেট উত্তীর্ণ প্রার্থীরা বারাসায় বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন। এ বছরের (২০২৩) ফল প্রকাশ হলেও প্রাথমিক স্তরে মোট কতটি শূন্যপদ আছে তা সম্পর্কে সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে তথ্য প্রকাশ করেনি। সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া "৫০ হাজার পদে নিয়োগ" সংক্রান্ত তথ্য মিনা করেছেন কর্তৃপক্ষ। গত কয়েক দিন আগে শিক্ষামন্ত্রী জানান, শূন্যপদ সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে; তথ্য গুরুতরভাবে বিশ্লেষণ করে প্রকাশ করা হবে। শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্য: “৫০ হাজার পদ খালি — তা কোনও সময় সরকারিকভাবে বলা হয়নি।”

প্রথম দশে (উল্লেখযোগ্য):

  • ১. ইনা সিংহ — প্রথম স্থান
  • ২. কাজল কুতি — দ্বিতীয় স্থান
  • ৩–৬৪. (অন্যান্য ৬২জন শীর্ষস্থানপ্রাপ্তদের তালিকা ওয়েবসাইটে প্রকাশিত)

পরীক্ষার্থীরা ফলাফল ও ওএমআর কপি সংক্রান্ত কোনো সমস্যা বা অস্বচ্ছতা দেখলে সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইটের নির্দেশনা অনুসরণ করবেন বা প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে অফিসিয়াল হেল্পলাইন/ইমেল মাধ্যমে যোগাযোগ করবেন।

নোট: সংবাদে উল্লেখিত তারিখসমূহ এবং সময় স্থানীয় সময় অনুযায়ী দেখানো হয়েছে। সূত্র: WBBPE বিজ্ঞপ্তি এবং অফিসিয়াল প্রকাশনা।

TET-2023: শীর্ষ (Top-5)

ওয়েবসাইট প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী সংক্ষিপ্ত শীর্ষস্থান

  • 1. ইনা সিংহ 125
  • 2. কাজল কুতি 116
  • 3. Soumik Mondal 116
  • 4. Swarnendu Bhar 114
  • 5. Irfan Ali 114

নোট: নম্বর/র‍্যাংক আংশিক সরকারি প্রকাশনা ও নিউজপোর্টাল সূত্র থেকে সংগৃহীত — পূর্ণ তালিকা পাশের রিপোর্ট বা অফিসিয়াল PDF-এ দেখুন।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

গণ হত্যা না অন্য কারণ হঠাৎ প্যালেস্টাইনের প্রেমে বিশ্ব

প্যালেস্টাইনকে স্বীকৃতি: পশ্চিমি দেশগুলির সিদ্ধান্তে বাড়ছে আন্তর্জাতিক চাপ

প্যালেস্টাইনকে স্বীকৃতি: পশ্চিমি দেশগুলির সিদ্ধান্তে বাড়ছে আন্তর্জাতিক চাপ

ইয় বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো: ব্রিটেন, ফ্রান্স, কানাডা থেকে শুরু করে অস্ট্রেলিয়া—একাধিক পশ্চিমি দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে প্যালেস্টাইনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই সিদ্ধান্ত ইজ়রায়েলের উপর আন্তর্জাতিক চাপ আরও বাড়াবে।

প্যালেস্টাইনকে স্বীকৃতি
পশ্চিমি দেশগুলির স্বীকৃতির পর আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে নতুন সমীকরণ

ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েন

আন্তর্জাতিক কূটনীতিকদের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের ‘ঘনিষ্ঠ বন্ধু’ হিসেবে পরিচিত ইউরোপীয় দেশগুলি সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নানা পদক্ষেপে বিরক্ত। বিশেষ করে শরণার্থী সমস্যা ও শুল্কনীতির কারণে সম্পর্ক খারাপ হয়েছে। তারই সুযোগে ইজ়রায়েলকে চাপের মুখে ফেলতে পশ্চিমি দেশগুলি প্যালেস্টাইনকে স্বীকৃতি দিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

শুল্ক ও বাণিজ্যিক চাপ

২০২৫ সালের শুরুতে ট্রাম্প প্রশাসন ইউরোপীয় দেশগুলির পণ্যে বাড়তি শুল্ক আরোপ করে। এতে ব্রিটেন, ফ্রান্স প্রভৃতি দেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বাণিজ্যিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলি মার্কিন আগ্রাসনের জবাব দিতে প্যালেস্টাইনের পাশে দাঁড়িয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

শরণার্থী সমস্যা ও রাজনৈতিক হিসেব

ট্রাম্প একাধিকবার কঠোর শরণার্থী নীতি প্রয়োগ করেছেন। হাজার হাজার অনুপ্রবেশকারীকে ফেরত পাঠানো হয়, যা ইউরোপীয় দেশগুলির মানবিক মূল্যবোধের বিরুদ্ধে বলে সমালোচনা ওঠে। এদিকে ইউরোপের অভ্যন্তরে মুসলিম ভোটব্যাঙ্ক রক্ষা করতে গিয়েই সরকারগুলি প্যালেস্টাইনকে স্বীকৃতি দিয়েছে বলে বিশ্লেষকদের অভিমত।

কানাডা ও গ্রিনল্যান্ড ইস্যু

ট্রাম্প কানাডাকে যুক্তরাষ্ট্রের ৫১তম রাজ্যে রূপান্তরের স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন। এতে অটোয়া এবং তার নতুন নেতৃত্ব মার্ক কার্নি ক্ষুব্ধ হয়। পাশাপাশি গ্রিনল্যান্ড কিনতে চাওয়ার মার্কিন পরিকল্পনা ইউরোপীয় রাজনীতিকে আরও অস্থির করে তোলে।

তথ্যবক্স:

নেটো সদস্য রাষ্ট্র সংখ্যা: ৩২
প্রতিষ্ঠা: ১৯৪৯
মূল উদ্দেশ্য: পশ্চিমি দেশগুলির যৌথ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

নেটোতে ট্রাম্পের চাপ

নেটো দেশগুলিকে প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়ানোর নির্দেশ দেন ট্রাম্প। এতে উদ্বিগ্ন ইউরোপীয় দেশগুলি কৌশলগতভাবে প্যালেস্টাইনের পাশে দাঁড়িয়েছে বলে মনে করছেন অনেকে।

হামাস-ইজ়রায়েল সংঘাত

গত দু’বছর ধরে গাজ়ায় হামাসের বিরুদ্ধে ইজ়রায়েল ‘গ্রাউন্ড অপারেশন’ চালাচ্ছে। পানীয় জল, ওষুধ ও খাদ্য ঢুকতে বাধা দেওয়ায় মানবিক সংকট তৈরি হয়েছে। ইউরোপের মানবাধিকার সংগঠনগুলির চাপও পশ্চিমি দেশগুলির সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলেছে।

ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি

এর আগে স্পেন, নরওয়ে, আয়ারল্যান্ডসহ একাধিক দেশ প্যালেস্টাইনকে স্বীকৃতি দিয়েছে। এবার বড় শক্তিধর দেশগুলির স্বীকৃতি আন্তর্জাতিক কূটনীতির জন্য তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

তেলের বাজারে কূটনৈতিক স্বার্থ

রাশিয়ার উপর নিষেধাজ্ঞার জেরে ইউরোপীয় দেশগুলি তেলের জন্য আরব রাষ্ট্রগুলির দিকে ঝুঁকছে। প্যালেস্টাইনকে স্বীকৃতি দিয়ে সেই সম্পর্ক আরও মজবুত করতে চাইছে তারা।

ইজ়রায়েলের প্রতিক্রিয়া

প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ইতিমধ্যেই ‘বৃহত্তর ইজ়রায়েল’ তৈরির ঘোষণা করেছেন। তাঁর বাহিনী গাজ়ায় লাগাতার আক্রমণ চালাচ্ছে। পশ্চিমি দেশগুলির পদক্ষেপে ইজ়রায়েল মোটেই খুশি নয়।

আগামী দিনের সম্ভাবনা

বিশ্লেষকদের মতে, পশ্চিমি দেশগুলিতে দূতাবাস খোলার সুযোগ পাবে প্যালেস্টাইন কর্তৃপক্ষ। তবে শান্তি প্রতিষ্ঠা এখনও অনিশ্চিত। যুক্তরাষ্ট্র এখনও ইজ়রায়েলের পাশে শক্ত অবস্থানে দাঁড়িয়ে আছে।

আপডেট: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

কলকাতা হাই কোর্টে রাজ্যের বকেয়া বরাদ্দ নিয়ে তলব

কলকাতা হাই কোর্টে রাজ্যের বকেয়া বরাদ্দ নিয়ে তলব

আপডেট: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

কলকাতা হাই কোর্ট বুধবার রাজ্য সরকারের বরাদ্দ বিষয়ক প্রশ্ন তুলে, বিচারব্যবস্থার জন্য বরাদ্দকৃত অর্থের কত অংশ দেওয়া হয়েছে তা জানতে চেয়েছে। আদালত রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ পন্থকে বকেয়া বরাদ্দ এবং প্রকল্পের অগ্রগতির বিষয়ে রিপোর্ট দিতে সময়সীমা নির্ধারণ করেছে।

আরও খবর পড়ুন ভারতের রাজ্যে শুরু হলো জেন জি আন্দোলন

বিচারপতি দেবাংশু বসাক ও বিচারপতি মহম্মদ শব্বর রশিদির ডিভিশন বেঞ্চ আগামী ১৫ অক্টোবর হাই কোর্ট ও রাজ্যের অর্থসচিব ও বিচারবিভাগীয় সচিবদের সঙ্গে বৈঠক করার নির্দেশ দিয়েছে। যদি বৈঠক অসম্পূর্ণ থাকে, তবে দ্বিতীয় বৈঠক ২২ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে।

আদালতের নির্দেশ, এই বৈঠকের পরে রাজ্য সরকারকে বকেয়া অর্থসহ চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাতে হবে। হাই কোর্ট আরও জানিয়েছে যে, রাজ্যের মুখ্যসচিবকেই ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত পুরো বিষয়ের রিপোর্ট দিতে হবে। আদালত এই নির্দেশ অগ্রাহ্য করা না হওয়ার ওপর জোর দিয়েছে।

প্রসঙ্গত, রাজ্য সরকারের টাকা না দেওয়ায় আদালত পরিচালনা এবং পরিকাঠামো উন্নয়নের কাজ থমকে আছে। এ বিষয়ে হাই কোর্ট শুনানি করছে। বকেয়া বরাদ্দের জন্য মুখ্যসচিবকে তলব করা হয়েছে।

আরও খবর পড়ুন। অসামথেকে ৩৭ জন মুসলিকেকে বিদেশী তকমা লাগিয়ে বিতারণ করা হলো

বিচারপতি বসাক বলেন, "প্রতিটি জেলা বিচারকের কাছে পাঁচ লক্ষ টাকা থাকা উচিত। কিন্তু এখন একটি টাকাও নেই। গত চার দিন ধরে একই কথা বলা হচ্ছে, অথচ অগ্রগতি নেই। রাজ্যের মুখ্যসচিবকে জানানো সত্ত্বেও কোনও পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না।"

তিনি আরও বলেন, "মোট বাজেটের সামান্য অংশই বিচারব্যবস্থার জন্য বরাদ্দ। সেটাও যদি না দেওয়া হয়, তাহলে কাজ কিভাবে চলবে? বরাদ্দের কতটা অংশ দেওয়া হয়েছে, তা হিসাব করুন। আমরা দয়া চাইছি না, এটি রাজ্যের দায়িত্ব।"

আরও খবর পড়ুন আশ্রমের ছাত্রীদের উপর যৌননির্যাতনের অভিযোগে , গ্রেফতার এর আগেই পলাতক বাবা

রাজ্য সরকারের বক্তব্য, কিছু প্রকল্পের টাকা নিয়ে আরও আলোচনা প্রয়োজন। আদালত রাজ্যের অনুরোধ মেনে আলোচনার সময় দিয়েছে এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে নির্দেশ দিয়েছে।

এর আগে, ১৭ সেপ্টেম্বর মুখ্যসচিব ভার্চুয়াল মাধ্যমে জানিয়েছিলেন, হাই কোর্ট ও নিম্ন আদালতের ১৪টি প্রকল্পের জন্য ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য অর্থ দফতরে পাঠানো হয়েছে। তবে আদালত আরও ৫৩টি প্রকল্পের তথ্য চেয়েছিল।

এই মামলার শুনানি রাজ্য সরকারের বরাদ্দ ও প্রকল্পের বাস্তবায়ন নিয়ে আদালতের তাগিদকে তুলে ধরছে। আদালত আশা করছে, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে রাজ্য সরকার রিপোর্ট দেবে এবং বকেয়া বরাদ্দ মিটিয়ে দেবে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

লাদাখে রাজ্যত্ব দাবিতে তীব্র বহিঃপ্রকাশ — লেহে সংঘর্ষ, পুলিশ ভ্যান-দফতরে আগুন

লাদাখে রাজ্যত্ব দাবিতে তীব্র বহিঃপ্রকাশ — লেহে সংঘর্ষ, পুলিশ ভ্যান-দফতরে আগুন

লাদাখে রাজ্যত্ব দাবিতে তীব্র বহিঃপ্রকাশ — লেহে সংঘর্ষ, পুলিশ ভ্যান ও বিজেপি কার্যালয়ে আগুন

আপডেট: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | রিপোর্ট: Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো

২০১৯ সালে কেন্দ্রের সক্রিয়তায় আর্টিকেল ৩৭০ বিলোপ ও জম্মু-কাশ্মীরের পুনর্গঠন—এবং লাদাখকে নিবাসী কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা—এর পর থেকেই লাদাখে রাজ্যের মর্যাদা ফেরানো নিয়ে অনড় অনিক্ষোভ ও দাবি বাড়ছে; বৃহস্পতিবার সেই উত্তেজনা জমে ওঠে সশস্ত্র বিক্ষোভে। 0

বসতি ও সাংস্কৃতিক নিরাপত্তার দাবিতে দীর্ঘ অনশন-অভিযান ও যুবদলের উদ্যোগের মধ্যেই লেহে মঙ্গলবার থেকে অবশ্যই উত্তেজনা দেখা দেয়। স্থানীয় যুবকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে ইটবৃষ্টি শুরু হয়; একই সঙ্গে ঘটেছে অগ্নিসংযোগ—একটি পুলিশ ভ্যান ও স্থানীয় এক রাজনৈতিক দলের (বিএজেপি) কার্যালয়ে আগুন লাগানো হয়েছে বলে সংবাদে জানা গেছে। এই ঘটনার সময় নিরাপত্তা বাহিনীকে অতিরিক্ত নম্বর মোতায়েন করতে হয়েছে ও এলাকা কন্ট্রোল করা চলছে।

আরও খবর পড়ুন, কলকাতা হাইকোর্টে 'দ্য বেঙ্গল ফাইলস' সিনেমা প্রদর্শনী নিয়ে নির্দেশ

লেহে বিক্ষোভ ও সংঘর্ষ (প্রতীকী)
চিত্র প্রতীকী: লেহে বিক্ষোভে তীব্রতা—সিসিটিভি ও প্রত্যক্ষদর্শীর তথ্যের ভিত্তিতে ছবি সংগ্রহ।
প্রসংগ: ২০১৯ সালের ৫-৬ আগস্ট কেন্দ্র আর্টিকেল ৩৭০ বিলোপ করে এবং একই প্রক্রিয়ায় জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখকে পুনর্বিন্যাস করে; এরপর থেকে লাদাখে 'রাজ্যত্ব' ফেরার দাবিতে স্থানীয় নেতারা ও নাগরিক সংগঠন সক্রিয়। ২০২৩ সালে শীর্ষ আদালত ওই বিলোপের সংবিধানিক বৈধতা সম্পর্কে রায় দিয়েছে; পরবর্তীতে কয়েকটি পর্যালোচনা আবেদন খারিজ হয়েছে। 2

অবস্হা আরও তীব্র হয়েছে কেন—ঠিক এখানেই এলাকাভিত্তিক বিক্ষোভের পটভূমি স্পষ্ট হয়: লাদাখের অনেক বাসিন্দা মনে করেন কেন্দ্র যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল (রাজ্য মর্যাদা বা সাংবিধানিক সুরক্ষা), তা সময়মতো পূরণ হয়নি। পরিবেশ-সংরক্ষণ ও স্থানীয় অটোনমি নিশ্চিত করতে ছুটোছুটো দাবিগুলো দিন-দিন জোরালো হচ্ছে। পরিবেশকর্মী ও নেতা-সমাজকর্মীরা অনশন ও শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি শুরু করলে তা প্রতিরোধের অভাব হলে যুবসমাজ রাস্তায় নামছে—এবং তাতে উত্তেজনা ছড়াচ্ছে। Sonam Wangchuk-এর অনশনের খবর ও পরে তিনি যখন শান্তির আহ্বান করেন, তখনও উত্তেজনা থামেনি।

আরও খবর পড়ুন, রাহুল গান্ধীর অভিযোগ: ভোটচুরি ও বেকারির বিরুদ্ধে যুবসমাজের লড়াই

একমাত্র শান্তিপূর্ণ আলোচনাই সমস্যার স্থায়ী সমাধান ঘোষনা করতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন। কেন্দ্র ও স্থানীয় শাসকগোষ্ঠীর মধ্যে কথোপকথন ছাড়া বিভিন্ন দাবি—সিক্সথ শিডিউল, সাংবিধানিক রক্ষাকবচ বা রাজ্যত্ব—কেউ স্বল্পমেয়াদে মেটাতে পারবেনা। স্থানীয় বৃহৎ সংগঠনগুলোও রাজনৈতিক প্রতিনিধি ও তাঁতীয় নেতাদের সঙ্গে আলোচনার টেবিলে বসতে বলছেন। তবে এখনকার পরিস্থিতিতে অগ্নিগর্ভ বিক্ষোভগুলো যদি নিয়ন্ত্রণে না আনা যায়, তা সাম্প্রদায়িক ও সামাজিক অবনতি ঘটাতে পারে।

আরও খবর পড়ুন, শুভেন্দুর সমালোচনা: কলকাতার বৃষ্টিতে নাগরিকের মৃত্যু ও সরকারের ব্যর্থতা ।

বর্তমানে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় স্তরের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা পুনরায় শুরু হওয়ার আহ্বান করা হচ্ছে; পরবর্তী দিনগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করা, আঞ্চলিক নেতাদের সঙ্গে আলোচনার প্ল্যাটফর্ম স্থাপন এবং ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর জন্য সহায়তার পরিকল্পনা জরুরি হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। একই সঙ্গে, তদন্ত ও ঘটনার ন্যায্য মূল্যায়নের প্রতিশ্রুতি ছাড়া উত্তেজনা ম্লান হওয়া কঠিন বলেই মনে করছেন অনেক বিশ্লেষক।

#লাদাখ #লেহ #রাজ্যত্বদাবি #Article370 #SonamWangchuk #BreakingNews

সূত্র: Times of India, Hindustan Times, SC Observer, NDTV। উপরিউক্ত প্রতিবেদনগুলি সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ ও বিচারিক ইতিহাস সম্পর্কে তথ্য-সমর্থিত উৎস হিসেবে কাজে লাগানো হয়েছে। পরবর্তী সরকারি বা আদালতীয় বিবৃতির সঙ্গে মিলিয়ে প্রতিবেদন আপডেট করা হবে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

অসমে সম্প্রতি ৩৭ জনকে 'অনুপ্রবেশকারী' আখ্যা দিয়ে বিতাড়ন

অসমে বিতাড়ন বিতর্ক: সাম্প্রদায়িক আচরণ ও মানবাধিকার প্রশ্ন

অসমে বিতাড়ন বিতর্ক: সাম্প্রদায়িক আচরণ ও মানবাধিকার প্রশ্ন

আপডেট: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | রিপোর্ট: Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো

সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষের চূড়ান্ত সীমা পার করে’। অসমের মুখ্যমন্ত্রীর সাম্প্রদায়িক নীতির বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা তুঙ্গে দাঁড়িয়েছে। সম্প্রতি নির্বাচিত ও কার্যনিরত নেতাদের নির্দেশে বেছে বেছে মসজিদ ও মুসলিম বসতবাড়ি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার বাইরেই ধ্বংস করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বাল্যবিবাহের নামে শুরু করা অভিযানে বহু পরিবারের সদস্যকে গ্রেফতার করা ও কারাগারে নিক্ষেপ করা হয়েছে—তাদের মধ্যে অনেকে স্থানীয়দের স্থায়ী বাসিন্দা বলেও দাবি করা হয়।

আরও খবর পড়ুন ছয়টি কামরা লাইনচ্যুত, বহু যাত্রী আহত ও নিহত

অপরাধ ও 'জবর দখল' অভিযোগ তুলে বিশেষ করে বাঙালি মুসলিম সম্প্রদায়ের উপর চালানো উচ্ছেদ কর্মসূচি স্থানীয়দের মধ্যে ভয়, অনিশ্চয়তা এবং মানবিক সংকট সৃষ্টি করেছে। স্বাধীনতা পরবর্তী প্রজন্ম থেকে এই অঞ্চলে অনবরত বসবাস করছে এমন পরিবারগুলোকেও 'অনুপ্রবেশকারী' বলে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং তাদের বিতাড়নের আদেশ জারি করা হয়েছে। রাজ্য সরকার সাম্প্রতিককালে ৩৭ জনকে রাজ্য ছাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছে—এই ঘটনার তথ্য মুখ্যমন্ত্রী নিজেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন।

মুখ্যমন্ত্রী এক পোস্টে লিখেছেন, 'অনুপ্রবেশকারীদের বিদায়। অসমে তোমাদের সময় শেষ' এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ছবি ঝাপসা করে পোস্ট করা হয়েছে। ওই ছবিতে পুরুষ, মহিলা ও শিশুদের উপস্থিতি স্পষ্ট। সরকারি ভাষ্য অনুযায়ী এই ৩৭ জন 'অবৈধ বাংলাদেশি' হিসেবে চিহ্নিত ও বিতাড়িত হয়েছে, কিন্তু সমালোচকরা বলছেন, সার্বিক প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নেই এবং অনেক অভিযোগ ভিত্তিহীন।

আরও খবর পড়ুন আজ এশিয়া কাপে ভারত বাংলাদেশ মুখোমুখি , বাংলাদেশ হারলে পাকিস্তানের সাথে ফাইনাল খেলবে ভারত

মানবাধিকার ও আইনি উদ্বেগ:

নির্বাচিত এই কঠোর পদক্ষেপ ও রাজ্য কর্তৃপক্ষের ঘোষিত নীতির বিরুদ্ধে মানবাধিকার সংগঠন ও কিছু রাজনৈতিক দল উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তারা বলছে, সাংবাদিকতা, আইনশৃঙ্খলা ও আদালতের পর্যবেক্ষণের বাইরে বিতাড়ন ও গ্রেপ্তার যদি চলে, তাহলে তা জনবৃন্দের মৌলিক অধিকার ও সংবিধানিক নিরাপত্তাকে ধাক্কা দেবে।

আরও খবর পড়ুন আবারও হাই কোর্টে ধাক্কা খেল রাজ্য সরকার।

অন্যদিকে সরকারি পক্ষ বলছে, সীমান্ত সুরক্ষা ও বেআইনি অনুপ্রবেশ রোধে কঠোর পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে। তবে সমালোচকরা প্রশ্ন তুলছেন—কেন একই নিয়ম সবার ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হচ্ছে না এবং কেন কিছু গোষ্ঠীকে বিশেষভাবে নিশানা করা হচ্ছে।

এই বিতর্ক সমাজে বিভাজন বাড়াচ্ছে ও স্থানীয় শান্তিচর্চাকে ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলছে। বিতাড়িতদের কেয়ার, পুনর্বাসন ও আইনি সহায়তা কিভাবে নিশ্চিত করা হবে, তা নিয়ে বড় প্রশ্ন রয়ে গেছে। আন্তর্জাতিকভাবে ও দেশের ভেতরে নজর পড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি রাজনৈতিকভাবে আরও তপ্ত হয়ে উঠছে।

সম্প্রসারিতভাবে বলতে গেলে—ভিন্ন মত ও ধর্মীয় পার্থক্য যদি নাগরিক অধিকার ও মানবিকতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে, তাহলে তা গভীর উদ্বেগের বিষয়। দ্রুত স্বচ্ছতা, ন্যায়বিচার ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি নিশ্চিত না হলে সমস্যা আরো বেড়ে যেতে পারে।

#অসম #বিতাড়ন #মানবাধিকার #মুসলিমসমাজ #অনুপ্রবেশকারী #Yবাংলাডিজিটাল
নোট: প্রতিবেদনটি স্থানীয় সূত্র ও সোশ্যাল মিডিয়া ঘোষণার ভিত্তিতে রচিত; আদালত বা সরকারি ঘোষণায় বদল হলে তা আপডেট করা হবে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

ছয়টি কামরা লাইনচ্যুত, বহু যাত্রী আহত ও নিহত

বালোচিস্তানে জাফার এক্সপ্রেসে ফের হামলা — ছয়টি কামরা লাইনচ্যুত, বহু যাত্রী আহত

বালোচিস্তানের দাশ্তে জাফার এক্সপ্রেসে ফের হামলা — ছয়টি কামরা লাইনচ্যুত, বহু যাত্রী আহত

আপডেট: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | রিপোর্ট: Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো

মাস্তাং জেলার দাশ্ত অঞ্চলে মঙ্গলবার বালোচিস্তানের পেশোয়ার-কোয়েটা রুটে চলাচলকারী জাফার এক্সপ্রেসে এক ভয়াবহ বিস্ফোরণে অন্তত ছয়টি কামরা লাইনচ্যুত হয়েছে; ঘটনাবস্থায় ৪০০ জনের ওপর যাত্রী ছিল বলে ক্ষমতাশীল সূত্র জানিয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে অপরিকল্পিত বিস্ফোরক (আইইডি) ব্যবহার করা হয়েছে। 0

হামলার তথ্য মিলার পর প্রথমেই ঘটনাস্থলে উদ্ধারকর্মী, স্থানীয় পুলিশ ও রেল কতৃপক্ষ পৌঁছায়। আহত যাত্রীদের কাছাকাছি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং কিছু সঙ্কটজনক অবস্থার রোগীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বৃহত্তর শহরের হাসপাতালে স্থানান্তর করা হচ্ছে। রেললাইন ও কামরা উদ্ধারের কাজ শুরু হয়েছে এবং ট্রেন চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। 1

জাফার এক্সপ্রেস লাইনের পাশে দাড়িয়ে থাকা উদ্ধারকর্মীরা (চিত্র প্রতীকী)
চিত্র প্রতীকী: ঘটনা স্থলে উদ্ধারসহায়তা চলছে।

প্রাথমিক তদন্তে বলছে বিস্ফোরণ আনা হয়েছিল পথের কাছে স্থাপন করা এক বিস্ফোরক যন্ত্র (আইইডি) চালিয়ে। এই বিস্ফোরণের ফলে ট্রেনের কয়েকটি কামরা লাইনচ্যুত হয়ে পরিণত হয়েছে; স্থানীয় সূত্রের উল্লেখ, ট্রেনটিতে তখন ৪০০-এরও বেশি যাত্রী ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। হামলার সঙ্গে কোনও সংগঠন এখনও পর্যন্ত দায় গ্রহণ করেনি। তবে ওই অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় বালোচ বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলোর অবস্থান ও কার্যক্রমের কারণে নিরাপত্তা বাহিনী সেগুলির সংশ্লিষ্টতার সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখছে। 2

পটভূমি:

এই প্রতিবেদনটি বেরোবার সময়ে জানা গেছে, চলতি বছরের মার্চে একই জাফার এক্সপ্রেসকে বড় আকারে অপহরণ করা হয়েছিল — সেই ঘটনায় নিরাপত্তা ও জনজীবনে বড় ধরনের ঝামেলা তৈরি হয়েছিল এবং পরে সেনাবাহিনী অভিযানের মাধ্যমে বেশকিছু বন্দি উদ্ধার ও হামলাকারী দমন করেছিল। এরপর আগস্টেও একই ট্রেনকে লক্ষ্য করে আরেকটি হামলার নজির ছিল — তখনও কয়েকটি কামরা লাইনচ্যুত হয়েছিল। সাম্প্রতিক সময় ট্রেন ও রেল অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে হামলার তীব্রতা উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। 3

স্থানীয় আধিকারিকরা জানিয়েছেন, হামলার সঠিক প্রকৃতি ও ব্যবহৃত বিস্ফোরকের ধরন নির্ধারণে ফরেনসিক টিম কাজ করছে। রেলওয়ে ইঞ্জিনিয়াররা/ট্র্যাক মিস্ত্রিরা নাশকতা ও পুনর্নির্মাণ মূল্যায়ন শুরু করেছেন — ট্র্যাক মেরামত ও কামরা সংস্কারের কাজ কবে পর্যন্ত চলবে, তা নির্ভর করবে বিস্তৃত ক্ষয়ক্ষতির উপর। রেল বিভাগ জানিয়েছে, যাত্রীদের নিরাপত্তার জন্য পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত ওই রুটে ট্রেন চলাচল স্থগিত থাকবে। 4

এই হামলার ধারা যদি অব্যাহত থাকে, সাধারণ যাত্রীদের উদ্বেগ, রেল যোগাযোগের নিরাপত্তা-খরচ এবং রাজ্যীয় নিরাপত্তা কৌশলকে নতুনভাবে পুনর্গঠন করতে বাধ্য করবে। বালোচিস্তানে বহু বছর ধরে বিদ্রোহ, বিচ্ছিন্নতাবাদী কার্যক্রম ও সন্ত্রাসী আক্রমণের ইতিহাস আছে — এসব গোষ্ঠীর লক্ষ্য প্রায়ই সামরিক, সরকারি বা বড় অবকাঠামোতে হামলা করা। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা বলছে, স্থানীয় বিদ্রোহীদের ভগ্নাংশগুলি মাঝে মাঝে স্থানীয় প্রতিক্রিয়া ও কৌশল পরিবর্তন করে, ফলে নিরাপত্তা বাহিনীকে সবসময় সতর্ক থাকতে হয়। 5

রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক অর্থে এই ঘটনার প্রভাব পড়তে পারে — কেন্দ্রীয় সরকারের উপর চাপ বাড়তে পারে যাতে দ্রুত কার্যকর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয় এবং রেলবহর ও যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়। পাশাপাশি প্রতিবেশী অঞ্চলের ট্রেন চলাচল ও পণ্য-পরিবহনেও প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমও এই ধরণের হামলা সাবধানবাণী হিসেবে উল্লেখ করেছে, কারণ বালোচিস্তান অঞ্চলের অস্থিতিশীলতা দীর্ঘকাল ধরে আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য উদ্বেগের কারণ। 6

আক্রান্তদের ক্ষতিপূরণ, তদন্তের স্বচ্ছতা ও অভিযুক্তদের দমন— এই তিনটি বিষয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা এবং মানবাধিকার পর্যবেক্ষকরা সরকারের কাছে দাবি তুলতে পারেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহভাজন গোষ্ঠীকে চিহ্নিত করা না গেলে, এধরনের হামলা ভবিষ্যতেও ঘটতে পারে বলে নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

বর্তমানে রেল, পুলিশ ও কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলো যৌথভাবে তদন্ত চালাচ্ছে; তারা সাইফারাইজড তথ্য, সিসিটিভি ফুটেজ, ট্র্যাক-ফরেনসিক ও স্থানীয় সাক্ষীদের তথ্য সংগ্রহ করে হামলার সময়রেখা ও পরিকল্পনা নির্ণয়ের চেষ্টা করছে। অনেকে বলছেন, যদি গোষ্ঠীগত দায়ক্রিয়ার প্রমাণ মেলে, তাহলে তা আঞ্চলিক রাজনৈতিক সংকটকে তীব্র করবে এবং কঠোর সামরিক-নিরাপত্তা অভিযানের পথ প্রশস্ত করতে পারে। 7

নোট: এই প্রতিবেদনটি প্রকাশের সময় পর্যন্ত পাওয়া স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদসূত্র, নিরাপত্তা সূত্র ও সরকারি বিবৃতি ভিত্তিক। ঘটনার তদন্ত এখনও চলছে; আদালত বা সরকারি বিতর্কিত বিবৃতি প্রকাশ পেলে আমরা প্রতিবেদনে তা আপডেট করব।

#JaffarExpress #Balochistan #TrainAttack #RailSafety #PakistanNews

সূত্র (প্রধান): Times of India, AP, Al Jazeera, The Guardian, CTC West Point রিপোর্ট। 8

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

Featured post

  সোমবার নদিয়া জেলায় আলাদা দুই এলাকায় মৃত্যুর অভিযোগ ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য। পরিবারের দাবি, SIR সংক্রান্ত আতঙ্ক ও জটিলতার কারণেই প্রাণ হারিয়েছে...

Search This Blog