Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Saturday, 27 September 2025

নিম্নচাপের প্রভাবে দক্ষিণবঙ্গে ভারী বৃষ্টি ও ঝড়ের সতর্কতা

নিম্নচাপের প্রভাবে দক্ষিণবঙ্গে ভারী বৃষ্টি ও ঝড়ের সতর্কতা

গতিতে এগোচ্ছে নিম্নচাপ, ALERT জারি হাওয়া অফিসের

উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত নিম্নচাপ দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টি ও ঝড়ের আশঙ্কা বাড়াচ্ছে।

উত্তর-পশ্চিম এবং সংলগ্ন মধ্য বঙ্গোপসাগরের উপর অবস্থিত নিম্নচাপটি বর্তমানে গোপালপুর (ওড়িশা) থেকে প্রায় ১৩০ কিলোমিটার পূর্বে অবস্থান করছে। হাওয়া অফিস জানিয়েছে যে, নিম্নচাপটি গতিতে এগোচ্ছে এবং এর প্রভাবে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ভারী বৃষ্টিপাত এবং ঝড়ের সতর্কতা

সতর্কতা:
দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর এবং পশ্চিম মেদিনীপুরে আগামী ২৪ ঘণ্টায় ৭০ থেকে ১১০ মিমি পর্যন্ত ভারী বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়াও, সমুদ্রতীরবর্তী এলাকায় ৫০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা বেগে ঝড় প্রবাহিত হতে পারে। দক্ষিণবঙ্গের অন্যান্য জেলা-শহরগুলোতে বৃষ্টি, বজ্রপাত এবং ৩০-৪০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা বেগে দমকা হাওয়া চলতে পারে।

হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, নিম্নচাপটি দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে ধাবিত হয়ে বঙ্গোপসাগরের অভ্যন্তরীণ জলসীমায় পৌঁছতে পারে। বিশেষ করে উপকূলীয় এলাকার মাছ ধরার নৌকাদের নৌচলাচল সীমিত করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া কৃষি ক্ষেত্রে ক্ষতি এড়াতে চাষীরা সজাগ থাকতে হবে।

আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, নিম্নচাপের কারণে বজ্রবিদ্যুৎ এবং হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত শুরু হতে পারে পশ্চিমবঙ্গের অন্যান্য জেলা যেমন, হাওড়া, হুগলী এবং নদীয়া জেলায়। শহরাঞ্চল ও গ্রামের মধ্যে জলাবদ্ধতার সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই সাধারণ মানুষকে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে।

হাওয়ার গতিবেগ বৃদ্ধি পাওয়ায় উপকূলীয় এলাকায় সমুদ্রের জোয়ার বেশি হতে পারে। মৎস্যজীবীদের জন্য বিশেষ সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে যাতে ঝুঁকি এড়ানো যায়। এছাড়া, বিদ্যুৎ বিভ্রাট এবং অবকাঠামোগত ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে, তাই স্থানীয় প্রশাসনকে প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে।

হাওয়া অফিস আরও জানিয়েছে, নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী দুই থেকে তিনদিনের মধ্যে পরিস্থিতি আরো জটিল হতে পারে। তাই ভ্রমণ, কর্মস্থল ও স্কুল-কলেজের কার্যক্রমের জন্য স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে চলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

বিহার বিধানসভা নির্বাচন ২০২৫: BJP প্রার্থী তালিকা ও রাজনৈতিক বিশ্লেষণ

বিহার বিধানসভা নির্বাচন ২০২৫: BJP প্রার্থী তালিকা ও রাজনৈতিক বিশ্লেষণ

বিহার বিধানসভা নির্বাচন ২০২৫: BJP প্রার্থী তালিকা ও রাজনৈতিক বিশ্লেষণ

বিহার BJP বৈঠক
বিহারের বিধানসভা নির্বাচনের প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করতে বিজেপির উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক।

বিহার বিধানসভা নির্বাচনে BJP-এর চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, প্রায় ১৫ জন sitting বিধায়ক এবার তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন। যারা ২০২৪ সালের অনাস্থা ভোটে পারফরম্যান্সে ব্যর্থ অথবা দলের নীতি মেনে চলেননি, তাদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এটি BJP-র একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশল, যাতে দল নির্বাচনে শক্ত অবস্থান রাখতে পারে।

প্রার্থীদের বাদ পড়ার কারণ

বিধায়করা যারা ২০২৪ সালের অনাস্থা ভোটে দলের প্রতি আনুগত্য দেখাতে ব্যর্থ হয়েছেন, তাদের বাদ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া কিছু বিধায়ক স্থানীয় এলাকায় জনমত ধরে রাখতে ব্যর্থ হওয়ায় তাদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। দলীয় শৃঙ্খলা বজায় রাখা BJP-এর অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে দল ভোটারদের কাছে দৃঢ় এবং সতর্ক রাজনৈতিক অবস্থান প্রদর্শন করছে।

BJP এবার মোট ১০৩টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। যদিও NDA জোটের মধ্যে আসন বণ্টনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি। রাজনৈতিক মহলের ধারণা অনুযায়ী, আসন বণ্টন ও জোটের মধ্যে সমন্বয় ভোটের ফলাফলের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলবে।

NDA জোট ও আসন সমঝোতা

NDA জোটের বিভিন্ন অংশের মধ্যে সমন্বয় স্থির করতে এখনও আলোচনা চলছে। আসন বণ্টন নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না নেওয়ায় নির্বাচন-পরিকল্পনা কিছুটা বিলম্বিত হয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বিজেপি এবং জোটের অন্যান্য অংশ একসাথে আসন বণ্টন নির্ধারণের পরে নির্বাচনী কৌশল আরও শক্তিশালী হবে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষণ

বিহারের নির্বাচনী পরিস্থিতি নাটকীয়ভাবে পরিবর্তিত হয়েছে। BJP নতুন প্রার্থী এবং জনপ্রিয় নেতাদের সামনে নিয়ে আসছে। অনাস্থা ভোটে ব্যর্থ sitting বিধায়করা বাদ পড়ায় দল নতুন কৌশল গ্রহণ করেছে। নতুন প্রার্থীরা স্থানীয় জনমত বৃদ্ধি করবে এবং ভোটে শক্ত অবস্থান নিশ্চিত করবে। এই তালিকা শুধুমাত্র নির্বাচনী কৌশল নয়, বরং ভবিষ্যতের রাজনীতিতে দলের প্রভাব শক্ত করার পদক্ষেপ।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই প্রার্থী তালিকা রাজনৈতিক মেসেজ প্রেরণ করছে যে BJP এবার আরও সতর্ক এবং দক্ষ প্রার্থীদের নির্বাচন করছে। এটি ভোটারদের মনোভাবের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলবে এবং দলের নির্বাচনী সম্ভাবনা বৃদ্ধি করবে।

ভবিষ্যৎ প্রভাব

প্রার্থী তালিকার এই পরিবর্তন বিহারের রাজনীতিতে দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলবে। নতুন প্রার্থী ও শক্তিশালী নেতৃত্ব ভোটের ফলাফলকে প্রভাবিত করবে। এছাড়া NDA জোটের মধ্যে সমন্বয় এবং আসন বণ্টন নির্বাচনী ফলাফলের উপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রাখবে। বিজেপি নতুন প্রার্থী তালিকা দিয়ে রাজ্যের রাজনৈতিক দৃশ্যপট পরিবর্তন করতে যাচ্ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই তালিকা দলের কৌশল ও নির্বাচনী পরিকল্পনাকে শক্তিশালী করবে।

সংক্ষেপে বলা যায়, BJP-র প্রার্থী তালিকা এবং sitting বিধায়কদের বাদ দেওয়া একটি স্পষ্ট বার্তা যে দল এবার নতুন ও শক্তিশালী কৌশল নিয়ে নির্বাচন করবে। এটি ভোটারদের মনোভাব, রাজনৈতিক সমন্বয় এবং জোটের অবস্থানের ওপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।

#BiharElection2025 #BJP #CandidateList #NDA #Politics #BiharPolitics #ElectionAnalysis #Vidhayak #PoliticalUpdate #ElectionStrategy #BJPCandidates

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

ভারতের প্রশংসায় পঞ্চমুখ প্যালেস্টাইন

ভারত-প্যালেস্টাইন সম্পর্ক: রাষ্ট্রদূত আবদুল্লা আবু শায়েশের প্রশংসা ও উন্নয়নমূলক উদ্যোগ

ভারত-প্যালেস্টাইন সম্পর্ক: রাষ্ট্রদূত আবদুল্লা আবু শায়েশের প্রশংসা ও উন্নয়নমূলক উদ্যোগ

ভারত-প্যালেস্টাইন সহযোগিতা
প্যালেস্টাইনের রাষ্ট্রদূত আবদুল্লা আবু শায়েশ ভারতের ভূমিকাকে উদযাপন করছেন।

প্যালেস্টাইনের রাষ্ট্রদূত আব্দুল্লা আবু শায়েশ সম্প্রতি ভারতের ভূমিকা ও প্যালেস্টাইনে ভারত সরকারের উন্নয়নমূলক কাজের জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং ভারত সরকারের প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেন, "ভারতের বিদেশ মন্ত্রক আমাদের জন্য ২৪ ঘণ্টা খোলা। যে কোনও সময় আমরা তাদের দ্বারস্থ হতে পারি।" রাষ্ট্রদূতের বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে যে, ভারত-প্যালেস্টাইন সম্পর্ক কেবল কূটনৈতিক নয়, মানবিক ও সামাজিক ক্ষেত্রেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

উন্নয়নমূলক প্রকল্প এবং অবকাঠামো

ভারত প্যালেস্টাইনে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পে অবদান রেখেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো স্কুল এবং কলেজ নির্মাণ, হাসপাতাল সম্প্রসারণ, পানির সরবরাহ উন্নয়ন, বিদ্যুৎ ও সোলার প্রকল্প, এবং স্থানীয় কৃষি ও প্রযুক্তি উন্নয়নে সহায়তা। শায়েশের মতে, এই উদ্যোগগুলি স্থানীয় জনগণের জীবনমান উন্নত করেছে এবং দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করেছে।

রাষ্ট্রদূত আরও উল্লেখ করেছেন, “ভারতের সঙ্গে অন্যান্য দেশের সম্পর্ক কখনও কখনও আমাদের নীতি প্রয়োগে বাধা সৃষ্টি করে। তাই ভারতের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদী সম্পর্ককে বৃহৎ প্রেক্ষাপটে দেখা উচিত। বিশেষ করে রাষ্ট্রপুঞ্জ ও মানবাধিকার সংক্রান্ত বিষয়ে ভারত সবসময় প্যালেস্টাইনের পাশে রয়েছে।”

শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে সহযোগিতা

ভারত প্যালেস্টাইনের শিক্ষা খাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বহু স্কুল ও কলেজে শিক্ষণ সামগ্রী, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ এবং বৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে। টেকনোলজি ও ডিজিটাল শিক্ষার ক্ষেত্রেও ভারত নিয়মিত সহায়তা প্রদান করছে, যা প্যালেস্টাইনের তরুণ প্রজন্মকে আধুনিক দক্ষতায় দক্ষ করছে।

স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়ন

স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে ভারত প্যালেস্টাইনের বিভিন্ন হাসপাতাল ও ক্লিনিকে সরঞ্জাম, ওষুধ ও প্রশিক্ষণ সহায়তা প্রদান করছে। বিশেষ করে মা ও শিশুর স্বাস্থ্য, টিকাদান কার্যক্রম এবং জরুরি চিকিৎসা ক্ষেত্রে ভারতীয় সহায়তা উল্লেখযোগ্য।

শায়েশ ভারতের সঙ্গে ঐতিহাসিক সম্পর্ককেও স্মরণ করেছেন। তিনি বলেন, “গান্ধী ও নেহরু প্যালেস্টাইনের পক্ষে ছিলেন। বহু প্যালেস্টাইনের শিশুর নাম নেহরুর নামে রাখা হতো। এই বন্ধন আজও অটুট।”

দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের দীর্ঘমেয়াদি গুরুত্ব

ভারত-প্যালেস্টাইন সম্পর্ক কেবল রাজনৈতিক নয়, মানবিক, শিক্ষাগত ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ। দুই দেশের মধ্যে প্রযুক্তি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও অবকাঠামো খাতে সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে। শায়েশ মনে করেন, এই সম্পর্ক ভবিষ্যতেও অটুট থাকবে এবং অঞ্চলের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি আরও যোগ করেন, “ভারতের সমর্থন আমাদের আন্তর্জাতিক মানচিত্রে দৃঢ় অবস্থান নিশ্চিত করতে সহায়ক। এটি আমাদের স্বনির্ভরতা বৃদ্ধি করে এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মঞ্চে শক্তিশালী সহযোগিতা গড়ে তোলে।”

#IndiaPalestine #DiplomaticRelations #Development #Modi #AbdullahAbuShayesh #Education #HealthCare #Infrastructure #HumanRights

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

শাহবাজ় শরিফের কাশ্মীর মন্তব্যের জবাব দিল ভারত, রাষ্ট্রপুঞ্জে তোপের ভাষণ

শাহবাজ় শরিফের কাশ্মীর মন্তব্যের জবাব দিল ভারত, রাষ্ট্রপুঞ্জে তোপের ভাষণ

শাহবাজ় শরিফের কাশ্মীর মন্তব্যের জবাব দিল ভারত, রাষ্ট্রপুঞ্জে তোপের ভাষণ

প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ | লেখক: Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক | স্থান: নিউ ইয়র্ক, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
রাষ্ট্রপুঞ্জে ভারতের কূটনীতিকের বক্তব্য
ছবি: প্রতীকী

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ় শরিফ রাষ্ট্রপুঞ্জে কাশ্মীর নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করার পর শনিবার ভারতের কূটনীতিক পেটাল গহলৌত তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি মন্তব্যকে ‘অদ্ভুত নাটক’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। পাশাপাশি তিনি সন্ত্রাসবাদ এবং পহেলগাঁও ঘটনায় পাকিস্তানের অবস্থানকেও খোঁচা দিয়েছেন।

‘‘সকালে এই সভায় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী কিছু অদ্ভুত নাটক করেছেন। আরও একবার তিনি সন্ত্রাসবাদকে মহান করে দেখানোর চেষ্টা করেছেন। তবে কোনও নাটক বা মিথ্যাভাষণ সত্যকে ঢেকে রাখতে পারবে না।’’

পেটাল গহলৌত রাষ্ট্রপুঞ্জের প্রধানের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন যে, পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার পর পাকিস্তান কী অবস্থান নিয়েছিল। তিনি মনে করিয়ে দিয়েছেন, দীর্ঘদিন ওসামা বিন লাদেনকে আশ্রয় দেওয়া হয়েছিল পাকিস্তানে, যা তাদের সন্ত্রাসবিরোধী অবস্থানের একটি বড় প্রমাণ।

এর আগে শাহবাজ় শরিফ কাশ্মীর প্রসঙ্গে বলেছিলেন, ‘‘কাশ্মীরের জনগণকে আমি আশ্বস্ত করতে চাই, আমরা তাঁদের পাশে আছি। পাকিস্তান তাঁদের পাশে আছে। কাশ্মীরে ভারতের অত্যাচার এক দিন বন্ধ হবেই।’’ তিনি সিন্ধু জলবণ্টন চুক্তি নিয়েও ভারতকে কাঠগড়ায় তোলার চেষ্টা করেন।

রাষ্ট্রপুঞ্জের সাধারণ সভার ৮০তম সম্মেলনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যেতে পারেননি। পরিবর্তে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর নয়াদিল্লিতে গিয়ে ভারতের বক্তব্য উপস্থাপন করেছেন।

#কাশ্মীর #পাকিস্তান #শাহবাজশরিফ #রাষ্ট্রপুঞ্জ #ভারত #পেটালগহলৌত #পহেলগাঁও #সন্ত্রাসবিরোধ #আন্তর্জাতিকরাজনীতি
© ২০২৫ Y বাংলা ডিজিটাল — কপি রাইট মুক্ত প্রতিবেদন।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

সাওয়ালকোট (চন্দ্রভাগা) বাঁধ: কেন্দ্র ফের তৎপর — ১,৮৬৫ মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ প্রকল্প নিয়ে পরিবেশ কমিটির বৈঠক

সাওয়ালকোট (চন্দ্রভাগা) বাঁধ: কেন্দ্র ফের তৎপর — ১,৮৬৫ মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ প্রকল্প নিয়ে পরিবেশ কমিটির বৈঠক
Y বাংলা ডিজিটাল
সংবাদ রুম

সাওয়ালকোট (চন্দ্রভাগা) বাঁধ: কেন্দ্র ফের তৎপর — ১,৮৬৫ মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ প্রকল্প নিয়ে পরিবেশ কমিটির বৈঠক

প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫  |  লেখক: Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক  |  স্থান: নয়াদিল্লি / জম্মু ও কাশ্মীর
চন্দ্রভাগা (Chenab) নদীর তীরে বাঁধের ধারণা/প্রতীকী ছবি
ছবি: প্রতীকী (প্রতিনিধি)

নয়াদিল্লি ফের সাওয়ালকোট (Sawalkote/Sawalkot) শহরের নিকটবর্তী চন্দ্রভাগা নদীর তীরে পরিকল্পিত বড় বাঁধ ও ১,৮৬৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার জলবিদ্যুৎ প্রকল্পকে (hydropower project) এগিয়ে নিতে তৎপর হয়েছেন—বিশেষত তখন থেকে, যখন ইন্ডাস/সিন্ধু জলবণ্টন চুক্তি (Indus Waters Treaty) ভারত কর্তৃক স্থগিত রাখা হয়েছে। কেন্দ্রীয় পরিবেশ মন্ত্রকের অধীনে থাকা বিশেষজ্ঞ কমিটি এই সপ্তাহেই ঐ প্রকল্প সম্পর্কিত পরিবেশ ছাড়পত্র ও আনুষঙ্গিক বিষয়াদি নিয়ে বৈঠকে বসার কথা বলে সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছে।

সংক্ষিপ্ত তথ্য:
  • প্রস্তাবিত প্রকল্প ক্ষমতা: প্রায় ১,৮৬৫ মেগাওয়াট (রিপোর্টভিত্তিক)।
  • নদী: চন্দ্রভাগা — যা সিন্ধু সিস্টেমের পশ্চিম তীরের উপনদী হিসেবে গণ্য।
  • পটভূমি: ইন্ডাস জলচুক্তি (১৯৬০) অনুসারে চুক্তিভিত্তিক নিয়ম রয়েছে—তবে চুক্তি স্থগিত রাখায় নয়াদিল্লি এখন প্রকল্প ত্বরান্বিত করার পথে।

সাওয়ালকোটে এই ধরনের একটি বড় জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের প্রস্তাব আসছে দীর্ঘদিন ধরেই—প্রথম পরিকল্পনা রাখা হয়েছিল ১৯৬০-এর দশকে; পরে ১৯৮৪ সালে কেন্দ্রীয় পর্যায়ে বিষয়টি উঠে আসে, কিন্তু রাজ্য-কেন্দ্র দ্বন্দ্ব, পরিবেশ ও কূটনৈতিক বাধা–আপত্তি ইত্যাদির কারণে তা বাস্তবায়িত হয়নি।

আন্তর্জাতিক ও কূটনৈতিক প্রতিবন্ধকতা ও চুক্তি-সম্বন্ধীয় বাধ্যবাধকতা থাকা সত্ত্বেও কেন্দ্রীয় মন্ত্রণালয় এই প্রকল্পকে আবারও সামনে আনছে—বিশেষত ইন্ডাস জলচুক্তি স্থগিত হওয়ার প্রেক্ষাপটে।

রिपোর্টগুলো বলছে, পরিবেশ মন্ত্রকের বন উপদেষ্টা কমিটির (forest advisory committee) ছাড়পত্রও প্রয়োজনীয়—এবং বিদ্যুৎ ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অনুরোধে ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট নথি বা চিঠিপত্র পরিবেশ দফতরে পাঠানো হয়েছে। কেন্দ্রীয় সূত্রে জানা গেছে যে, প্রকল্পের পরিবেশগত প্রভাব, জলবায়ু ও স্থানীয় বাস্তুতন্ত্রের প্রভাব এবং সীমান্ত-ভিত্তিক কূটনৈতিক বিবেচ্য বিষয়গুলি বিশেষজ্ঞ কমিটিতে ত্বরান্বিতভাবে আলোচিত হবে।

ইন্ডাস/সিন্ধু জলবণ্টন চুক্তি (Indus Waters Treaty) অনুযায়ী সিন্ধু নদ ও তার পশ্চিম তীরের উপনদীগুলোর বড় অংশ জড়িত থাকার কারণে পাকবিভাগীয় পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ ও কাগজপত্র আদান–প্রদান করার নিয়ম আছে—নির্মাণ কাজ শুরু হওয়ার ৬ মাস পূর্বে অন্য পক্ষকে জানাতে হয়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে চুক্তি স্থগিত থাকায় নয়াদিল্লির পোস্টার–স্ট্র্যাটেজি ভিন্ন রকমের হয়েছে।

পশ্চিমের প্রতিবেশী পাকিস্তান ইতিমধ্যেই কঠোর কণ্ঠে সতর্ক করে দিয়েছে—প্রস্তাবিত বাঁধ যদি তাদের ভাগের জল সংরক্ষণে বা ফিরিয়ে দেওয়ায় প্রভাব ফেলে, তা চুক্তি লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে এবং "প্রয়োজনে" তাঁদের প্রতিক্রিয়া থাকতে পারে বলে তারা জানিয়েছে। পাকিস্তানি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও সামরিক নেতৃত্ব এই বিষয়ে হুমকিও উচ্চারণ করেছেন—এমনকি পাওয়া খবর অনুযায়ী কিছু সময় এ ধরনের মন্তব্যে ক্ষেপণাস্ত্র-হুমকিরও উল্লেখ পাওয়া গেছে।

কূটনীতি ও নিরাপত্তা প্রেক্ষাপট:
  • ভারত সাম্প্রতিক সীমানা ও নিরাপত্তা ঘটনাবলীর (উদাহরণ: পাহালগাঁও মোকাবিলা/হত্যাকাণ্ডের পর) প্রেক্ষিতে ইন্ডাস চুক্তি স্থগিত করেছে।
  • পাকিস্তান বলেছে—যদি ভারত তাদের অংশের জল আটকানোর চেষ্টা করে, তা 'চুক্তির শর্ত লঙ্ঘন' হিসেবে দেখা হবে এবং প্রতিক্রিয়া হতে পারে।
  • এমন হুমকি–প্রতিবাদ সত্ত্বেও নয়াদিল্লি প্রশস্তভাবে জম্মু ও কাশ্মীরের জলসম্পদকে কাজে লাগানোর পরিকল্পনায় এগোচ্ছে বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে এটি ভারতের দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি উত্তর-ভারতের যথেষ্ট বিদ্যুৎ সরবরাহে সহায়ক হবে—কিন্তু এর সঙ্গে জড়িত পরিবেশগত, সামাজিক (স্থানীয় বাসিন্দাদের স্থানান্তর/পুনর্বাসন), এবং আন্তঃরাষ্ট্রীয় কূটনৈতিক ঝুঁকিও বড়। কেন্দ্রীয় পর্যায়ে দ্রুত অগ্রগতি হলে আন্তর্জাতিক-আইনি চ্যালেঞ্জ বা বিপরীত প্রতিক্রিয়ার সম্ভাবনা উভয়ই বেড়ে যাবে।

এই মুহূর্তে প্রকল্প সংক্রান্ত পরিবেশ ছাড়পত্র, বন পরামর্শ, এবং আন্তর্জাতিক জানানো/অবহিতকরণ প্রক্রিয়া—এসব বিষয় নিরপেক্ষভাবে সারে–নিচে আসলে প্রকল্পের বাস্তব রূপ কবে নিতে পারে তাতে স্পষ্ট ধারণা মিলবে।

#সাওয়ালকোট #চন্দ্রভাগা #IndusWatersTreaty #জলবিদ্যুৎ #জলচুক্তি

নোট: এই প্রতিবেদনটি বিভিন্ন গণমাধ্যম রিপোর্ট এবং সরকারি সূত্রের প্রকাশিত বিবরণ থেকে সংকলিত—প্রকল্প সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক নথি বা মন্ত্রিসভা সায় না আসা পর্যন্ত পরিস্থিতি পরিবর্তনশীল থাকতে পারে।

© ২০২৫ Y বাংলা ডিজিটাল — কপি রাইট মুক্ত প্রতিবেদন (প্রয়োজনে সম্পাদনা করে প্রকাশের জন্য ব্যবহার করতে পারেন)।

চতুর্থীর সন্ধ্যায় সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের পুজো ঘিরে শোরগোল: সজল ঘোষ অভিযোগ — পুজো বন্ধের পরিকল্পনা আছে?

চতুর্থীর সন্ধ্যায় সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের পুজো ঘিরে শোরগোল: সজল ঘোষ অভিযোগ — পুজো বন্ধের পরিকল্পনা আছে?
Y বাংলা ডিজিটাল
সংবাদ ডেস্ক

চতুর্থীর সন্ধ্যায় সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের পুজো ঘিরে শোরগোল: সজল ঘোষ অভিযোগ

প্রকাশিত: 27 সেপ্টেম্বর, 2025  |  লেখক: Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক  |  এলাকা: শিয়ালদহ
সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার পুজো-এ ব্যারিকেড ও ভিড়
ফটো: পুলিশের ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা—স্থানীয়রা। (ছবিটি প্রতিনিধি তোলা)

চতুর্থীর সন্ধ্যায় বিজেপি নেতা সজল ঘোষের একটি পোস্ট ঘিরে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে বলা হয়েছে, "পুজো বন্ধ করার প্ল্যান চূড়ান্ত। জনমতই একমাত্র পথ।" সজল ঘোষ দাবি করেছেন, চক্রান্ত করে সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের পুজো বন্ধ করে দেওয়ার চেষ্টা চলছে — এবং তাঁর কথায়, এর পিছনে পুলিশ ও রাজনৈতিক নেতারা রয়েছেন।

সজল ঘোষের বক্তব্য (সারাংশ):
  • শিয়ালদহ স্টেশন চত্বর জুড়ে পুলিশ যত্রতত্র ব্যারিকেড করেছে এবং এটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে করা হয়েছে।
  • ব্যারিকেডের কারণে দর্শনার্থীরা পুজো মণ্ডপে এসে পৌঁছাতে পারছেন না; গাড়ি ঢুকতে পারছে না।
  • উদ্দেশ্য হলো দর্শনার্থীরা বিরক্ত হয়ে মণ্ডপ থেকে মুখ ঘুরিয়ে অন্য পথ নেওয়া — যাতে পুজো দর্শনার্থাহীন দেখা যাক।

সজল ঘোষ ফেসবুকে অভিযোগের সাথে বেশ কিছু ছবিও পোস্ট করেছেন। ছবিতে দেখা যায়—পুলিশ রাখা বাঁশের ব্যারিকেড ভেঙে ভিড় প্রবেশের চেষ্টা করছে। TV9 বাংলাকে তিনি বলেন, "পুরো এলাকা ব্যারিকেড করে দিয়েছে। মাঠের গেট পর্যন্ত গাড়ি চলে আসছিল। সাংবাদিকরাও ঢুকতে পারবে না। শিয়ালদহের কোনও জায়গা থেকে লোক আসতে পারছে না। যাঁরা ব্যারিকেড গলে বেরিয়ে আসছেন, তাঁদের মধ্যেই কেবল ঢুকতে পারছেন। ওরা বন্ধ করবে না, ওরা ফোর্স করবে, যাতে বন্ধ হয়ে যায়।"

এদিকে, সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের পুজোর থিম এইবার রাখা হয়েছে 'অপারেশন সিঁদুর' — এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় মণ্ডপের থিম সংক্রান্ত একাধিক ভিডিও দেখা যাচ্ছে। সজল ঘোষ আগ থেকেই জানান, প্রশাসন তাঁকে একাধিকবার নোটিস পাঠিয়েছে।

পুজো উদ্যোক্তাদের দাবি করা হয়েছে প্রশাসনের চাপের কারণে তাঁরা বাধ্য হয়েই পুজো বন্ধের সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছেন। তবে এই অভিযোগের ভিত্তি ও প্রশাসনের পক্ষের মন্তব্য পাওয়া যাওয়া মেলেনি; রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত প্রশাসনিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে, কাছাকাছি দেশপ্রিয় পার্কের পুজো মণ্ডপেও দর্শনার্থীদের প্রবেশ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। কমিটির বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে—মণ্ডপের প্রবেশ পথের মাটির একাংশ ধসে গিয়েছে; বড় দুর্ঘটনা এড়াতে আপাতত দর্শনার্থীদের প্রবেশ বন্ধ রাখা হয়েছে।

কী ঘটেছে (সংক্ষেপে):
  1. সজল ঘোষ অভিযোগ করেছেন প্রশাসন-রাজনীতির যোগসাজশে পুজো বন্ধের প্রচেষ্টা চলছে।
  2. শিয়ালদহ চত্বর জুড়ে ব্যারিকেড—দর্শক ও গাড়ি প্রবেশ বাধাগ্রস্ত।
  3. পুজো উদ্যোক্তা ও সংলগ্ন মণ্ডপ থেকে ভিন্ন ভিন্ন দাবি — প্রশাসনের চাপ বনাম মাটির ক্ষয়ের কারণ।
#সন্তোষমিত্রস্কোয়ার #সজলঘোষ #পুজো #ব্যারিকেড #অপারেশনসিঁদুর
আপডেট: 27 সেপ্টেম্বর, 2025 — যদি প্রশাসন বা পুজো কমিটির তরফে কোনো নোটিশ বা বিবৃতি পাওয়া যায়, সেটি প্রতিবেদনে যোগ করা হবে।
© 2025 Y বাংলা ডিজিটাল — কপি রাইট মুক্ত রিপোর্ট (প্রয়োজনে সম্পাদনা করে প্রকাশের জন্য ব্যবহার করতে পারেন)।

ভারত সুপার ওভারে জয়ী — ভারত বনাম শ্রীলঙ্কা

ফ্ল্যাশ নিউজ: ভারত সুপার ওভারে জয়ী — ভারত বনাম শ্রীলঙ্কা | YNews
ফ্ল্যাশ

ভারত সুপার ওভারে জয়ী — ভারত বনাম শ্রীলঙ্কা

আপডেট: 27 সেপ্টেম্বর 2025, 02:37 IST • উৎস: YNews ডিজিটাল ডেক্স
ভারত — প্রথম ইনিংস
TOTAL: 202/5
  • অভিষেক: ৬১
  • তিলক: ৪৯* (নট আউট)
  • থিকসানা: ৩৬/১ (অবদান)
শ্রীলঙ্কা — প্রথম ইনিংস
TOTAL: 202/5
  • নিসঙ্কা: ১০৭
  • কুশল: ৫৮
  • হার্দিক: ৭/১
সুপার ওভার ফলাফল
শ্রীলঙ্কা: ২/২
ভারত: ৩/০
✅ ফলাফল: সুপার ওভারে ভারতের জয়।
এশিয়া কাপে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে সুপার ওভারে ভারতের জয় | Y বাংলা ডিজিটাল

এশিয়া কাপে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে সুপার ওভারে ভারতের জয়

🗓️ আপডেট: 27 সেপ্টেম্বর 2025 | ✍️ Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক
ভারত বনাম শ্রীলঙ্কা ম্যাচ
দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে ভারত বনাম শ্রীলঙ্কার রুদ্ধশ্বাস লড়াই

খাতায়-কলমে এশিয়া কাপের নিয়মরক্ষার ম্যাচ হলেও শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ভারতের জয়টা কিন্তু সহজ হয়নি। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত রুদ্ধশ্বাস লড়াই, ম্যাচ গড়াল সুপার ওভারে। অভিজ্ঞতার জোরে সূর্যকুমার যাদবের নেতৃত্বাধীন ভারতীয় দল শেষ পর্যন্ত জয় ছিনিয়ে নিলেও সামনে উঠে এল একগুচ্ছ প্রশ্ন। বিশেষ করে হর্ষিত রানার বোলিং পারফরম্যান্সকে ঘিরে সমালোচনার ঝড় উঠেছে ক্রিকেট মহলে।

অভিষেক শর্মার ঝড়ো ইনিংস

ভারতের ইনিংসে একাই ছন্দ এনে দেন অভিষেক শর্মা। শুভমান গিল মাত্র ৪ রান করে আউট হয়ে গেলে চাপ পড়ে ভারতের ওপর। অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব (১২) আবারও ব্যর্থ হন। কিন্তু অভিষেক দেখালেন তার ক্লাস। ৮টি চার ও ২টি ছক্কায় মাত্র ৩১ বলে ৬১ রান করেন তিনি। তাঁর স্ট্রাইক রেট ছিল ১৯৬.৭৭, যা দলকে ভরসা জোগায়।

অভিষেকের আউটের পর দায়িত্ব নেন সঞ্জু স্যামসন ও তিলক বর্মা। সঞ্জু খেললেন ৩৯ রানের ইনিংস, তিলক অপরাজিত থাকলেন ৪৯ রানে। অক্ষর প্যাটেলও শেষদিকে দ্রুত ২১ রান যোগ করেন। ফলে নির্ধারিত ২০ ওভারে ভারত ৫ উইকেটে তোলে ২০২ রান, যা এবারের এশিয়া কাপে সর্বোচ্চ দলীয় রান।

নিসঙ্কার দুর্দান্ত সেঞ্চুরি

অপ্রতিরোধ্য নিসঙ্কা একাই ভারতকে চাপে ফেলে দেন। ওপেনিংয়ে নেমে তিনি ছক্কা-চারে রীতিমতো দাপট দেখান। কুলদীপ যাদব ও বরুণ চক্রবর্তীকে সামলে তুলে নেন সেঞ্চুরি। শেষ পর্যন্ত তিনি ১০৭ রান করেন। তাঁর সঙ্গে কুশল পেরেরা যোগ করেন ৫৮ রান। এই জুটিই ভারতের জন্য বিপদ ডেকে আনে।

তবে ভারতের স্পিনাররা সঠিক সময়ে জ্বলে ওঠেন। কুশলকে বরুণ ফেরান। শেষদিকে নিসঙ্কাকে থামান হর্ষিত রানা, যিনি আগের ওভারগুলোতে প্রচুর রান বিলিয়েছিলেন। নিসঙ্কার উইকেটেই ম্যাচ সুপার ওভারে গড়ায়।

হর্ষিত রানা নিয়ে বিতর্ক

গৌতম গম্ভীরের আস্থাভাজন হর্ষিত রানা এদিন একেবারেই তাল হারিয়ে ফেলেন। লাইন-লেংথের কোনও নিয়ন্ত্রণ ছিল না। তাঁর কোনটা বাউন্সার, কোনটা শর্টপিচ হবে—তা ব্যাটাররা আগেই বুঝে ফেলছিলেন। ফলে প্রথম তিন ওভারেই দেন ৪৪ রান। অর্শদীপ সিংকে বসিয়ে রেখে তাঁকে খেলানো নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে প্রবলভাবে।

তবে শেষ ওভারে নাটকীয়ভাবে হিরো হয়ে ওঠেন হর্ষিত। শ্রীলঙ্কার জেতার জন্য প্রয়োজন ছিল ১২ রান। প্রথম বলেই ফেরান সেঞ্চুরিয়ান নিসঙ্কাকে। এরপর শ্রীলঙ্কা আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। ম্যাচ সুপার ওভারে গড়ায়।

সুপার ওভারের রোমাঞ্চ

সুপার ওভারে প্রথমে ব্যাট করে শ্রীলঙ্কা। কিন্তু মাত্র ২ রানেই সীমাবদ্ধ থেকে যায় তারা। ভারতীয় বোলাররা সঠিক জায়গায় বল করে চাপ সৃষ্টি করেন। আম্পায়ারের এক বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নিয়েও হইচই পড়ে যায়। দাসুন শনাকা প্রথমে ক্যাচ আউট হন, পরে রান আউট। রিভিউতে দেখা যায় ক্যাচ হয়নি। যেহেতু বল ‘ডেড’ ঘোষণা হয়েছিল, তাই রান আউটও দেওয়া হয়নি।

তবুও ভারতের নিয়ন্ত্রণে চলে যায় ম্যাচ। অর্শদীপ সিং তুলে নেন দুটি উইকেট। এরপর ভারতীয় ব্যাটাররা প্রথম বলেই প্রয়োজনীয় রান তুলে জয় নিশ্চিত করে।

✅ ফলাফল: ভারত ২০২/৫ (অভিষেক ৬১, তিলক ৪৯*)
শ্রীলঙ্কা ২০২/৫ (নিসঙ্কা ১০৭, কুশল ৫৮)
সুপার ওভার: শ্রীলঙ্কা ২/২ | ভারত ৩/০
জয়ী: ভারত 🇮🇳

ফাইনালের আগে শিক্ষা

ভারত ইতিমধ্যেই ফাইনালে পৌঁছে গিয়েছে। প্রতিপক্ষ পাকিস্তান, যাদের আগের দুই ম্যাচেই হারিয়েছে সূর্যরা। তবে এই ম্যাচ টিম ইন্ডিয়ার জন্য স্পষ্ট বার্তা দিয়ে গেল—আত্মবিশ্বাস যেন আত্মতুষ্টিতে না বদলায়। ক্যাচ মিস, ফিল্ডিং ত্রুটি ও বোলিংয়ের দুর্বলতা আবারও ধরা পড়েছে। বুমরাহ ও শিবম দুবে ছাড়া বোলিং আক্রমণ অনেকটাই দুর্বল মনে হয়েছে।

গম্ভীরের টিম ম্যানেজমেন্ট এখন বুঝে গেছে, শুধু ব্যাটিং নয়, বোলিং ও ফিল্ডিংয়েও সমান মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন। না হলে ফাইনালে পাকিস্তানের মতো শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে সমস্যায় পড়তে হতে পারে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

Friday, 26 September 2025

অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ডের ডাক—ওয়াকফ সংশোধনীবিরোধী দেশব্যাপী বনধ ৩ অক্টোবর

অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ডের ডাক—ওয়াকফ সংশোধনীবিরোধী দেশব্যাপী বনধ ৩ অক্টোবর

অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ডের ডাক — ওয়াকফ সংশোধনীবিরোধী দেশব্যাপী বনধ ৩ অক্টোবর

ওয়েব ডেস্ক • আপডেট: ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ | রিপোর্ট: Y বাংলা ডেক্স
ওয়াকফ বিক্ষোভ
ছবি: প্রতিবাদী সমাবেশ (প্রতীকী)।
সংক্ষিপ্ত বুলেট:
  • এআইএমপিএলবি ৩ অক্টোবর ২০২৫ দেশব্যাপী বনধের ডাক দিয়েছে।
  • অফিস ও দোকান সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত বন্ধ রাখার আহ্বান।
  • হাসপাতাল ও জরুরি পরিষেবা ছাড়।
  • এই পদক্ষেপ সুপ্রিম কোর্টের ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫-এর অন্তর্বর্তী আদেশের পর নেওয়া।

ওয়াকফ সংশোধনী আইনের প্রতিবাদে অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ড (এআইএমপিএলবি) তাদের আন্দোলন তীব্র করেছে এবং ৩ অক্টোবর, ২০২৫ শুক্রবার দেশব্যাপী বনধ (ভারত বন্ধ) ডেকেছে। ল’বোর্ডের বিবৃতি অনুযায়ী অফিস ও দোকানপাট সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত বন্ধ রাখা হবে; তবে হাসপাতাল এবং অপরিহার্য সেবা থেকে অব্যাহতি থাকবে।[1]

এআইএমপিএলবির সভাপতি মাওলানা খালিদ সাইফুল্লা রেহমানী ও সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মোহাম্মদ ফজলুর রহমান মুজাদ্দিদ বনধে পূর্ণ অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন এবং ইমাম-মাশরিকদের মাধ্যমে সচেতনতা ছড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন। ল’বোর্ড জোর দিয়ে বলেছে যে এই আন্দোলন শান্তিপূর্ণ ও সর্বজনীন — এটি কোনো সম্প্রদায়বিরোধী নয় বরং প্রস্তাবিত সংশোধনী বিলের বিরুদ্ধে কৌশলগত ও সাংবিধানিক উদ্বেগ উত্থাপন করা হচ্ছে।[2]

ল’বোর্ডের বক্তব্য (সংক্ষিপ্ত):

“আমরা ওয়াকফ সম্পত্তির অস্তিত্ব ও আমাদের সাংবিধানিক অধিকারের রক্ষার্থে এই প্রতিবাদ চালাচ্ছি। এই আন্দোলন কোনো সম্প্রদায়বিরোধী নয় — এটি ওয়াকফকে রক্ষা করার জন্য।” — এআইএমপিএলবি মুখপাত্র

এই বনধের ডাক আসে সুপ্রিম কোর্ট ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ তারিখে ওয়াকফ সংশোধনী আইন সম্পর্কে দেওয়া অন্তর্বর্তীকালীন আদেশের পরে; আদালত পুরো আইন স্থগিত না করে কয়েকটি বিতর্কিত ধারা স্থগিত রেখেছেন এবং বলেছেন যে আইনটির সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে বিস্তারিত শুনানি প্রয়োজন।[3]

ল’বোর্ড প্রকাশ করেছে যে বনধের পাশাপাশি তারা বৃহত্তর কর্মসূচি চালাবে — দিল্লি ও অন্যান্য বড় শহরে বিক্ষোভ, মানববন্ধন, সোশ্যাল মিডিয়া প্রচারণা এবং অবস্থান বিক্ষোভ অন্তর্ভুক্ত থাকবে। পূর্বে দিল্লিতে যে প্রতিবাদগুলো অনুষ্ঠিত হয় তার সফলতাকেই সামনে রেখে এই জাতীয় কর্মসূচির পরিকল্পনা করা হয়েছে বলে সংগঠনের বক্তব্য।[4]

ল’বোর্ড নিশ্চিত করেছে যে আইন প্রণেতাদের লক্ষ্য ওয়াকফ সম্পত্তির উপর সরকারী নিয়ন্ত্রণ বাড়ানো—যার বিরুদ্ধে সম্প্রদায়ের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে। তাদের বক্তব্য, ওয়াকফ রক্ষা করা কেবল সম্পত্তি রক্ষা নয়, এটি সম্প্রদায়ের মর্যাদা, পরিচয় ও ধর্মীয় স্বাধীনতা রক্ষার সঙ্গে সম্পর্কিত।

ট্যাগ: #ওয়াকফ #AIMPLB #বনধ #ভারত

সূত্র (নির্বাচিত):
  1. এআইএমপিএলবি বনধ ঘোষণার প্রতিবেদন ও খবর সংকলন। 1
  2. সাংগঠনিক বিবৃতি এবং বনধের বিস্তারিত নির্দেশনা—প্রেস রিলিজ/নিউজ কভারেজ। 2
  3. সুপ্রিম কোর্টের অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ সম্পর্কিত রিপোর্ট (১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫)। 3
  4. উল্লিখিত বিষয়গুলোর উপর সাম্প্রতিক সংবাদ ও বিশ্লেষণ (সংকলিত)। 4
রিপোর্টার: Y বাংলা ডিজিটাল ডেক্স • সম্পাদনা: সংবাদ অফিস • আপডেট: ২৬-৯-২০২৫

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

রামপুরহাট কাণ্ড: নয়া তথ্য প্রকাশ

রামপুরহাট কাণ্ড: নয়া তথ্য প্রকাশ

রামপুরহাট কাণ্ড: খুনের পর ছাত্রীর গলার শিরা কেটে রক্ত শূন্য করার চেষ্টা, নয়া তথ্য

ডিজিটাল ডেস্ক: রামপুরহাটে সপ্তম শ্রেণির আদিবাসী ছাত্রীর নৃশংস খুনের ঘটনায় প্রতিদিনই উঠে আসছে নতুন তথ্য। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ধৃত শিক্ষক মনোজ পাল শুধু হত্যাকাণ্ড ঘটাননি, তিনি ছাত্রীকে লোপাট করার জন্যও ভয়ঙ্কর পরিকল্পনা করেছিলেন। তদন্তে স্বীকার করেছেন, প্রথমে বাথরুমে নিয়ে গিয়ে গলা টিপে হত্যা করে ছাত্রীকে, এরপর গলার শিরা কেটে রক্ত বের করে দেওয়ার চেষ্টা করেন।

পুলিশি জেরায় জানা গেছে, হত্যার পর মনোজ পাল দেহকে তিন ভাগে ভাগ করে ফেলার জন্য হাঁসুয়া ব্যবহার করেন। সূত্রের দাবি, তিনি থ্রিলার সিনেমা দেখে এমন কৌশল শিখেছিলেন। এই নৃশংস পরিকল্পনা এবং বাস্তবায়নের তথ্য উদ্ধার হওয়ার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

তদন্তের বিশদ:

২৮ আগস্ট রাতে মনোজ পাল ছাত্রীটিকে নিজের বাড়িতে নিয়ে আসে। অভিযোগ, ছাত্রীকে ঘরে রেখেই প্রচুর মদ্যপান করেন তিনি। রাতের অন্ধকারে ছাত্রী পালানোর চেষ্টা করলে মনোজ জেগে ওঠেন এবং জোর করে তাকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করেন। এরপর দড়ি দিয়ে হাত-পা বেঁধে রাখেন। পরদিন ২৯ আগস্ট বাথরুমে নিয়ে গিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, মনোজ পাল পদার্থবিদ্যার শিক্ষক হলেও রসায়ন ও চিকিৎসাবিদ্যার নানা বিষয়ে তার বিশেষ জ্ঞান ছিল। হত্যার পর প্রমাণ লোপাট করতে কোন রাসায়নিক ব্যবহার করলে তা পরীক্ষাগারে ধরা পড়বে না, সে বিষয়েও তার ধারণা ছিল। সেই রাসায়নিক ব্যবহার করে বাথরুম পরিষ্কার করার চেষ্টা করা হয়েছে।

তদন্তকারীদের বক্তব্য, মনোজ পাল একাধিক প্রশ্নের মুখোমুখি হলেও থানায় বসে ধ্যানমগ্ন অবস্থায় থাকে। এই অদ্ভুত আচরণে তদন্তকারীরা হতবাক হয়েছেন।

ঘটনার প্রেক্ষাপট:

কয়েক দিন আগে রামপুরহাটের একটি স্থান থেকে ওই ছাত্রীর পচাগলা দেহ উদ্ধার হয়। গ্রামবাসীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পুলিশ অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেফতার করে। মনোজ পাল দাবি করেছেন, ছাত্রীকে তিনি ধর্ষণ করেননি। তবে পুলিশ তার বিরুদ্ধে ধর্ষণ এবং খুনের মামলা রুজু করেছে।

এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ড এলাকায় শোক ও আতঙ্ক ছড়িয়ে দিয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, এই ঘটনায় দ্রুততম সময়ে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা প্রয়োজন। অপরদিকে, তদন্তকারীরা বলছেন, মনোজ পালের পরিকল্পনা ছিল খুব সূক্ষ্ম এবং সে হত্যার প্রতিটি ধাপ পরিকল্পিতভাবে বাস্তবায়ন করেছে।

এখনও পর্যন্ত পুলিশ জানিয়েছে, আরও কিছু অপ্রকাশিত তথ্য উদ্ধার করার চেষ্টা চলছে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সহকর্মী বা অন্য কারও হাত আছে কিনা, সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। স্থানীয়দের প্রশ্ন, শিক্ষকের এমন নৃশংস কর্মকাণ্ড কীভাবে সম্ভব হলো এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কীভাবে তার উপর নজর রাখেনি।

স্থানীয়রা এবং বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, রামপুরহাট কাণ্ড দেশের শিক্ষাক্ষেত্রের জন্য একটি সতর্কবার্তা। ছাত্রছাত্রীদের নিরাপত্তা, শিক্ষক মনোভাব এবং প্রশাসনের তৎপরতা—সবকিছুই এখন নতুন করে যাচাইয়ের মুখে। পুলিশ ইতিমধ্যেই বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন ও সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু করেছে।

নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ধরনের হত্যাকাণ্ড সমাজে ভয় ও আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করে। দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা না হলে এমন ঘটনা ভবিষ্যতেও ঘটতে পারে।

বর্তমানে রামপুরহাট পুলিশ তদন্ত চালাচ্ছে, আরও প্রমাণ সংগ্রহ করছে এবং ধৃত শিক্ষক মনোজ পালের সঙ্গে সাক্ষাৎকার চালাচ্ছে। আশা করা হচ্ছে, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে হত্যাকাণ্ডের আরও স্পষ্ট চিত্র উঠে আসবে। স্থানীয় মানুষজনও দাবী করছেন, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে যাতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সমাজে পুনরায় এমন নৃশংসতা ঘটতে না পারে।

রামপুরহাট কাণ্ড সমাজে গভীর আঘাত দিয়েছে। পুলিশ, প্রশাসন এবং সাধারণ মানুষ সকলেই এখন চাইছেন, দ্রুততম সময়ে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হোক। দেশের শিক্ষাব্যবস্থা ও শিশু নিরাপত্তার দিক থেকে এই ঘটনায় শিক্ষা গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা গুরুত্ব পেয়েছে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

তেজপ্রতাপ যাদবের নতুন দল: জনশক্তি জনতা দল (জেজেডি) ঘোষণা

তেজপ্রতাপ যাদবের নতুন দল: জনশক্তি জনতা দল (জেজেডি) ঘোষণা

তেজপ্রতাপ যাদবের নতুন দল: জনশক্তি জনতা দল (জেজেডি) ঘোষণা

তেজপ্রতাপ যাদব নতুন দলের ঘোষণা করছেন
তেজপ্রতাপ যাদব সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের নতুন দল জনশক্তি জনতা দল (জেজেডি) ঘোষণা করেছেন।

Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক: পরিবার থেকে ত্যাজ্য, বহিষ্কৃত হওয়ার পর এবার ফের রাজনীতির মহড়ায় তেজপ্রতাপ যাদব। বিহার নির্বাচনের আগে আরজেডির উপর চাপ বাড়িয়ে নতুন দল ঘোষণা করেছেন লালু প্রসাদ যাদবের বড় ছেলে। বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে এই নতুন দলের নামকরণ করা হয়েছে জনশক্তি জনতা দল বা জেজেডি

বৃহস্পতিবার রাত ২টার দিকে সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের দলের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন তেজপ্রতাপ। এই ঘোষণায় দলের প্রতীক হিসেবে প্রদর্শিত হয়েছে ব্ল্যাক বোর্ড-এর ছবি। একইসঙ্গে তিনি জানান, ‘রাজ্যবাসী তাঁকে ভোটে জিতালে উন্নয়নের জোয়ারে ভাসবে বিহার।’ তেজপ্রতাপের এক্স হ্যান্ডেল পোস্ট অনুযায়ী, ‘বিহারের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য আমরা নিবেদিত। আমাদের লক্ষ্য বিহারে সম্পূর্ণ পরিবর্তন এনে এক নয়া ব্যবস্থা নির্মাণ করা। বিহারের উন্নতির স্বার্থে দীর্ঘ লড়াইয়ের জন্যও আমরা সর্বতভাবে প্রস্তুত।’

তেজপ্রতাপ নিজের দলের পোস্টারেও নিজেকে দলের সরাপতি হিসেবে তুলে ধরেছেন। পোস্টার ও ছবি প্রকাশের মাধ্যমে নতুন দল জনশক্তি জনতা দলের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য স্পষ্টভাবে সামনে এনেছেন।

পরিবারের সঙ্গে তেজপ্রতাপের সংঘাত দীর্ঘদিনের। বিয়ের পর সেই দ্বন্দ্ব আরও গুরুতর আকার নিয়েছে। স্ত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগের পাশাপাশি দলের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। সম্প্রতি অন্য এক মহিলার সঙ্গে তেজপ্রতাপের ছবি প্রকাশের পর এই দ্বন্দ্ব আরও জটিল হয়েছে। এরপরই লালুপ্রসাদ তাঁকে ত্যাজ্যপুত্র ঘোষণা করেন এবং ৬ বছরের জন্য দল থেকেও বহিষ্কার করা হয়।

সব হারালেও তেজপ্রতাপের রাজনৈতিক উদ্দীপনা কমেনি। ঘরছাড়া হওয়ার পর ভাই তেজস্বীর বিরুদ্ধে দফায় দফায় আক্রমণ শানিয়েছেন। দলের বিরুদ্ধেও আক্রমণ শানাতে ছাড়েননি। গত জুলাই মাসে তেজ জানিয়েছিলেন আসন্ন বিহার নির্বাচনে বৈশালী জেলার মহুয়া কেন্দ্র থেকে লড়বেন। এবার বাবার দল আরজেডির বিরুদ্ধে গিয়ে নিজের নতুন দল ঘোষণার মাধ্যমে তিনি সক্রিয় রাজনীতিতে ফেরেন।

নতুন দলের লক্ষ্য ও প্রতিশ্রুতি

তেজপ্রতাপ নতুন দল জনশক্তি জনতা দলের মাধ্যমে বিহারে রাজনৈতিক পরিবর্তন আনতে চাইছেন। দলের প্রতীক ব্ল্যাক বোর্ডের মাধ্যমে শিক্ষার গুরুত্ব এবং ন্যায্যতা প্রতিফলিত হচ্ছে। তিনি জানিয়েছেন, দলের মূল লক্ষ্য হল বিহারের উন্নতি, নতুন নীতি ও প্রশাসনিক সংস্কার, এবং রাজ্যের জনগণের জন্য স্বচ্ছ ও দায়িত্বশীল শাসন প্রতিষ্ঠা করা।

নতুন দল ঘুরপথে রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার পাশাপাশি ভোটের প্রস্তুতি নিচ্ছে। তেজপ্রতাপ জানিয়েছেন, তিনি বিহারের প্রতিটি জনগণকে সংহত করে উন্নয়নমূলক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবেন।

হ্যাশট্যাগ: #তেজপ্রতাপযাদব #জেজেডি #বিহারনির্বাচন #রাজনীতি #নতুনদল

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

Featured post

  সোমবার নদিয়া জেলায় আলাদা দুই এলাকায় মৃত্যুর অভিযোগ ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য। পরিবারের দাবি, SIR সংক্রান্ত আতঙ্ক ও জটিলতার কারণেই প্রাণ হারিয়েছে...

Search This Blog